• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Flood,

রাজ্য

কুইন্টাল কুইন্টাল জল! আবার মাস্টার প্ল্যন! শেষমেশ বিজেপি মন্ডল সভাপতির সঙ্গে ছবি, রচনার বন্যা-পরিদর্শন

বলাগড় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিনেত্রী সাংসদ বললেন, কুইন্টাল কুইন্টাল জল ছাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বাড়ি ঘর কিছু নেই। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে এসেছেন। তৃণমূল সাংসদদের এমন মন্তব্য়ে চারিদিকে বিতর্কের ঝড় শুরু করেছে। কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। কুইন্টাল কুইন্টাল জল! এমন মন্তব্য় জনপ্রতিনিধিরে মুখ থেকে বেরিয়ে আসায় সমালোচনা সর্বত্র। এদিন বাজার থেকে ওল কেনেন সাংসদ। ওল কিনে রচনা জিজ্ঞেস করেন, গলা ধরবে না তো।এদিন দুপুরে হঠাতই হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা ব্যানার্জি তাঁর সঙ্গীসাথী দের নিয়ে চলে যান বাঁশবেড়িয়ার বিজেপি মন্ডল সভাপতি সুমিত অধিকারী বিরিয়ানির দোকানে। তখনও বিরিয়ানি রান্না সম্পূর্ণ হয়নি। তাই লাঞ্চ হল না। বিজেপি সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে ছবিও তুললেন তৃণমূল সাংসদ রচনা। আর এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। এদিন হুগলির শ্রীপুর বলাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদরা কলোনী, মিলনগর গ্রামে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব দেখে তিনি বলেন, মাত্র তিনমাস এসেছি সাংসদ হয়ে। চেষ্টা করছি। বলাগড় থেকে চন্দননগর পর্যন্ত নদী বরাবর পাড় ভাঙছে দ্রুত। এই বিশাল জায়গা সামাল দিতে মাস্টার প্ল্যান দরকার এবং একা রাজ্যের দ্বারা সম্ভব নয়। কেন্দ্রের সাহায্য দরকার। আমি দিল্লি গিয়ে এবিষয়ে দরবার করবো সংশ্লিষ্ট জায়গায়। তাঁর অভিযোগ,আগের বিজেপি সাংসদ এলাকার জন্য কিছুই করেনি। এলাকাবাসীদের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনমাস আগে যেখানে দাঁড়িয়ে প্রচার করে গিয়েছি সেই জায়গা তলিয়ে গিয়েছে। কয়েকটি বাড়ি, রাস্তাও গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। খুবই খারাপ অবস্থা। এলাকার মানুষকে ত্রান দিয়েছি। গঙ্গা ভাঙন রোধ একটা বড় ব্যাপার। আমি লোকসভায় বলেছি। আবারও বলব। কেন্দ্রের সাহায্য ছাড়া হবে না। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের আদলে বলাগড় মাস্টার প্ল্যান করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

বানভাসি বাংলার একাংশ, বর্ধমানে গিয়েও তোপ দাগলেন ডিভিসির বিরুদ্ধে

বাংলা বানভাসি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় সেই ডিভিসি। ইতিমধ্যে রাজ্যের দুই প্রতিনিধির ডিভিসির কমিটি থেকে সরে এসেছেন। সোমবার বর্ধমানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, স্বপন দেবনাথ, হাজির ছিলেন।মূলত পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে প্রবল বৃষ্টির জেরে সেখানকার জলাধারগুলি থেকে বিপুল পরিমাণে জল ছাড়া হয়েছে। ডিভিসির ছাড়া জলেই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে ফের একবার কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও সক্রিয় হতে হবেক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। বাংলার দুর্ভাগ্য যে এখানে এবং অসমে যে পরিমাণ বন্যা হয় সেটা অন্য কোথাও হয় না। বাংলা নদী মাতৃকার দেশ। বাংলার অবস্থান নৌকার মতো। একটুকুতেই জলে ডুবে যায়। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলে আমাদের চিন্তা হয়। নিজেদের বাঁচাতে জল ছেড়ে দেয় ঝাড়খণ্ড। নিজেদের বাঁচাতে বাংলায় জল ছেড়ে দেয়আবার বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি খারাপ হবে। সবাই নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেবেন। জল সরে গেলে চাষিরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলে নিজেদের বাঁচাতে বাংলার উপর জল ছেড়ে দেয়। DVC কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন। কিন্তু কেন্দ্র কিছু না করার জন্য মানুষের বাড়ি ঘর ডুবে যাচ্ছে। ভোটের জন্য যে টাকা খরচ করা হয় তার একাংশ দিলেও বন্যা আটকাতে ব্যবস্থা করতে পারতাম।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আজ বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কোথায় কি নিয়ে বৈঠক?

ডিভিসির ছাড়া জলে পুজোর আগে প্লাবিত হয়েছে পূর্ব বর্ধমান সহ বাংলার আটটি জেলা। তাই বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলায় পৌছে গিয়ে পরিস্থিতি সরজমিনে চাক্ষুষ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা করে বন্যা করা হয়েছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন। এমনকী ডিভিসির কমিটি থেকে রাজ্যের দুই আধিকারিক পদত্যাগ করেছেন। এই জল ছাড়া নিয়ে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গন্ডগোলের জল গড়িয়েছিল বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার বর্ধমানে বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত ও প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তা নিয়েই জেলা পুলিশ ও প্রশানের তৎপরতা এখন তুঙ্গে উঠেছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ কর্মসূচী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব বর্ধমান জেলায় আসছেন। এই খবর রবিবার বেলায় জেলা প্রশাসনের সদর দপ্তরে এসে পৌঁছায়। তারপরই শুরু হয়ে যায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি। জরুরী বৈঠকে বসেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। বিকেলে জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ। বিদুৎ দপ্তরের আঞ্চলিক অধিকর্তা গৌতম দত্তও বৈঠক করেন। সম্প্রতি, ডিভিসি জল ছাড়ায় পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

বন্যা পরিস্থিতি দেখে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আর্ত মানুষের পাশে আজীবন থাকার প্রতিজ্ঞা নিয়েই রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলাম। আজ আমার রাজ্যবাসীর একাংশ বন্যা পরিস্থিতির কারণে বিপদের সম্মুখীন। কাল আমি হুগলির পুরশুড়া, গোঘাট-আরামবাগ এলাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে গিয়েছিলাম। এছাড়াও বীরভূমের বন্যা কবলিত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখেছি। আজ, পাঁশকুড়া, রাতুলিয়ার বন্যা কবলিত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখলাম এবং সেখানকার স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করলাম। আমাদের প্রশাসন দিবারাত্রি তাঁদের পাশে আছে। যাঁদের শস্যের ক্ষতি হয়েছে, তাঁরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। এখন আমি উদয়নারায়ণপুরের পথে। এই বছর কোনও আলোচনা ব্যতীত প্রায় পাঁচ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, যার জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এটি একটি ম্যান ম্যাড বন্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।আমি প্রথমদিন থেকে এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। দুর্গতদের পাশে থাকতে আমাদের মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ত্রাণ পরিষেবা চালু আছে। প্রত্যেক পরিবার যেন ত্রাণ পরিষেবা পায়, তা সুনিশ্চিত করেছি। কোনও একজন মানুষেরও ক্ষতি যেন না হয় সেটি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

একটানা বৃষ্টিতে নাকাল চাঁচল, বাড়ির ভিতরে জল

নেই নিকাশি ব্যাবস্থা। রাতের টানা বৃষ্টিতেই জল থই থই মালদার চাঁচলের একাধিক এলাকা। ভারী বৃষ্টিতে চাঁচলের অধিকাংশ বাড়িতে ঢুকলো জল। হাটু সমান জলে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। রাস্তার নোঙরা জল বাড়িতে ঢুকতেই অস্থায়ী ভাবে ঘর ছাড়লেন অনেকেই। টানা কয়েকঘন্টা জলমগ্ন থাকলে পঞ্চায়েতের তরফে নিস্কাশন না হওয়ায় সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা। জল যন্ত্রণা নিয়ে শুরু তৃণমূল বিজেপি চাপানোতোর।গভীররাতে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে জল থই থই করছে চাঁচল সদরের বিভিন্ন ওলি গলিতে। কোথাও হাটু সমান জল আবার কোথাও আবার রাস্তা উপচে জল ঢুকেছে শোবার ঘরে। মঙ্গলবার সাত সকালে জল যন্ত্রণার ছবি ফুটে উঠেছে চাঁচলে। চাঁচল সদরের ট্যান্ডেল পাড়া, হাসপাতালপাড়া, থানা পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় জল থই থই করছে।থানা পাড়ার একাধিক বাড়িতে জল ঢুকে একাকার। পঞ্চায়েত প্রশাসনের তরফে জল নিস্কাশন না হওয়ায় বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। থানাপাড়ার বাসিন্দা সৌরভ দাসের অভিযোগ, ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নেন নেতারা। কিন্তু ভোটপর্ব মিটতেই এলাকায় আর দেখা যায়না।কয়েকদশক ধরে থানা পাড়ার শতাধিক বাসিন্দা জলযন্ত্রনায় ভুগছি।বর্ষাকাল হোক বা বর্ষা শেষে। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে এলাকা। একাধিকবার ড্রেন নির্মাণের দাবি জানালেও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যেরও দেখা নেই। সকাল থেকে জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা নেননি কেউ।চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান আজমেরী খাতুনের স্বামী মোক্তার হোসেন জানিয়েছেন,১০০ দিনের প্রকল্পে ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার ধরা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার সেই প্রকল্প বন্ধ রাখায় কাজ থমকে রয়েছে।তবে বৃষ্টির জল নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জল যন্ত্রণা নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি। চাঁচলের বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা বলেন, পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই মানুষ জল যন্ত্রণার শিকার হচ্ছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

নিম্নচাপের জের, সুন্দরবনের ভাঙ্গাবাধ পরিদর্শনে সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ, হাসনাবাদ, হাড়োয়া মিনাখা সহ নদী বাঁধ পরিদর্শন সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের। ৪৮ ঘণ্টা আগে ভরা কোটাল ও নদীর জলস্থর বেড়ে গিয়ে হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের গৌড়েশ্বর নদী বসিরহাটের ইছামতি, হাড়োয়ার বিদ্যাধরি বাঁধ ভেঙেছিল। পাশাপাশি সন্দেশখালি ছোট কলা গাছে রায়মঙ্গল কালিন্দী সহ একাধিক নদী বাধে ফাটল দেখা গিয়েছিল। ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁধের কাজ হলেও। সরকারিভাবে বসিরহাট মহকুমার সেচও পুর্তোর সরকারি আধিকারিক প্রবীর সাধু, রানা চ্যাটার্জি, উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুর্তের কর্মদক্ষ নারায়ণ গোস্বামী সহ ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল বাধ পরিদর্শনে যান। প্রতিনিধি দল সরজমিনে এলাকা খতিয়ে দেখেন। যেসব দুর্বল বাঁধ রয়েছে সেগুলো দ্রুত মেরামতি নির্দেশ দেন তাঁরা। পাশাপাশি ভাঙা বাধ গুলো পরিদর্শন করেন। এদিন, হিঙ্গলগঞ্জ সন্দেশখালি সহ একাধিক ব্লকে বাধ পরিদর্শন প্রশাসনিক আধিকারিকরা পাশাপাশি তারা জানান, চলতি মাসের ১৮ ই আগস্ট সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক রয়েছে, সেখানে সুন্দরবনের নদীবাদের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তুলে দেবেন।

আগস্ট ১৬, ২০২২
রাজ্য

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের কোন্দলে দুই নেত্রীর ভিন্নমত

ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের বরাতের অর্থ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে দুই নেত্রীর ভিন্নমত। মালদার মানিকচক বিধানসভার বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের দাবী এলাকার ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৪২কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান ৪২কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানা নেই।তিনি বলেন ভাঙণ প্রতিরোধের জন্য ৭কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে এই সময় ভাঙণ প্রতিরোধের কাজ করলে বরাদ্দ অর্থ জলে যাবে। তাই ভাঙণের প্রবনতা কমলে কাজ হবে। ভাঙণ প্রতিরোধের কাজের নিয়ে মন্ত্রী ও বিধায়কের মুখে বরাদ্দ অর্থের পরিমান নিয়ে ভিন্ন মত হওয়ায় জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিজেপির দাবী ভোট রাজনীতির জন্য ভাঙণ প্রতিরোধ কাজের বরাদ্দ অর্থের কথা বলছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আসলে কোন অর্থই বরাদ্দ হয় নি। শুধু তাই নয় অর্থ তছরূপের জন্যও মন্ত্রী বরাদ্দ অর্থের পরিমান কম বলেছেন এমনই অভিযোগ করছেন বিরোধীরা।

আগস্ট ০৯, ২০২২
রাজ্য

Flood : পূর্ব বর্ধমানে বন্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন অরুপ বিশ্বাস

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার জন্য শনিবার আরামবাগে গিয়েও কেন্দ্রকে দুষেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই পূর্ব বর্ধমানের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এসে মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের কথা ডিভিসি কর্তৃপক্ষকেই ভাবতে হবে। মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসও পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৈরি হওয়া বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যানমেড বন্যা বলেই অবিহিত করেন। জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এদিন প্রশাসনিক কর্তাদের কাছে খোঁজ খবর নেন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।পরে তিনি জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধারা, সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু সহ জেলার অন্যান্য নেতাদের কাছেও বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে খোঁজ খবর নেন। এরপর দুপুরে তিনি যান বর্ধমান টাউনস্কুলে। সেখানে জেলার জল প্লাবিত এলাকার মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। ত্রাণ সামগ্রী বোঝাই দুটি গাড়ি নিয়ে এরপর মন্ত্রীরা কাটোয়া মহকুমার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এখানে মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দলের কর্মীরা সর্বত্র বানভাসি মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। রাজ্যে কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষের কী কী ক্ষতি হয়েছে সেইসব প্রশাসনিক বিষয়গুলি প্রশাসনিক স্তরে দেখা হবে। আপাতত দলনেত্রীর নির্দেশে তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাইছেন।এরপরেই কেন্দ্রকে নিশানা করে অরুপ বিশ্বাস বলেন, রাতের অন্ধকারে একতরফা ভাবে জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কাটোয়ার বন্যা পরিস্থিতি ঘুরে দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস কাটোয়ার ভারতীভবন উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে বন্যা দুর্গত মানুষের পরিস্থিতি দেখার পর মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষজনকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোন অসুবিধা হবে না। উপরে ভগবান। আর নিচে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন । ত্রাণশিবিরে গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষদের পরিস্থিতি দেখেন। ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নেওয়া পরিবারের শিশুদের হাতে দুধ ও বিস্কুটের প্যাকেট তিনি তুলে দেন। ভারতী ভবন বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কাটোয়া পৌরসভা এলাকায় অন্যান্য ফ্লাড সেন্টারেও বন্যা কবলিত পরিবারগুলিকে রাখা হয়েছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কাটোয়ার অন্যান্য ত্রাণ শিবিরগুলি ঘুরে দেখেন ও ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গেও কথা বলেন। এদিনই বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে জেলার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। বন্যা দুর্গতদের যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই নির্দেশও তিনি বিধায়কদের দেন।এদিকে জলাধারগুলি থেকে জল ছাড়া কমতেই শনিবার থেকে জেলায় বন্যার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ায় জলস্তর কমেছে দামোদরে। একই ভাবে অজয় নদে জল কমায় ধীরে ধীরে জেলার মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম ও আউশগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। শুক্রবার দুই দফায় ডিভিসি জলাধার থেকে ৪ লক্ষেল কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছিল। এদিন ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কমিয়ে ১লক্ষ ৫৫ হাজার ৩০০ কিউসেকে নামে। তেনু ঘাট থেকে ১৩ হাজার কিউসেক, মাইথন থেকে ৫০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত ড্যাম থেকে ৬০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার হয়। জলাধার থেকে জল ছাড়া কমার সঙ্গে সঙ্গেই অজয় নদের তীরবর্তী মঙ্গলকোটের পালিগ্রাম, লাখুড়িয়া, ঝিলু ১, মাঝিগ্রাম, ভাল্যগ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কিছু গ্রাম ও কেতুগ্রামের পাণ্ডুগ্রাম, পালিটা, নবগ্রাম, বিল্লেশ্বর, তেওরা, চরখি প্রভৃতি গ্রামে বন্যার জল নামতে শুরু করেছে। তবে কাটোয়া ও মঙ্গলকোটের কয়েক হাজার হেক্টর ধান জমি এখনও জলের তলায় রয়ে আছে। কাটোয়া-সিউড়ি রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে এদিন সকালেও জল বয়ে যেতে দেখা যায়। অন্যদিকে জল কমলেও আউসগ্রামের ভেদিয়া অঞ্চলের মানুষজনের দুর্দশা কমেনি। অজয় নদের বাঁধ ভেঙে গিয়ে আউসগ্রামের সাঁতলা, ধুকুর বাগবাটি, বঙ্গপল্লী সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম জলপ্লাবিত হয়ে পড়ে। জল ঢুকে পড়ায় বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ছেড়ে কেউ ভয়ে বাঁধে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নেন। শিশু সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে সেখানে এখন তাঁরা বিষধর সাপের সঙ্গেই সহাবস্থান করছেন। চিড়ে, গুড় ও জল খেয়েই সেখানে তাঁদের দিন কাটছে। বাঁধে আশ্রয় নেওয়া বাসিন্দাদের অনেকেরই ঘরবাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। নষ্ট হয়েছে জমির ফসলও। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত উপপ্রধান অজিত কুমার মণ্ডল এদিন যদিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ভেঙে যাওয়া বাড়ির বাসিন্দাদের জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে ।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Damodar: জল কমতেই পূর্ব বর্ধমানের দামোদর পাড়ে ভাঙন আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে বাসিন্দাদের

কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছিল দামোদর। তার জেরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছিল প্লাবন পরিস্থিতি। আর এখন দামোদরের নদে জল কমতেই তার পাড় জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। রোয়া ধান জমি, সবজি চাষের জমি সবই দামোদরের গর্ভে চলে যেতে শুরু করায় মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের অমরপুর এলাকার চাষিদের। এই পরিস্থিতিতে কি ভাবে চাষ জমি রক্ষা করবেন সেকথা ভেবেই এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অমরপুরের চাষিরা। তারা চাইছেন নদী পাড়ের ভাঙন আটকাতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতজামালপুর ব্লকের জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের বহু গ্রামই দামোদর লাগোয়া। এখানকার অমরপুর, শিয়ালী, কোড়া, মাঠ শিয়ালী প্রভৃতি গ্রামের সিংহভাগ বাসিন্দাই কৃষিজীবী। দামোদরের ধার বরাবর বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে তাঁদের অনেকেরই চাষজমি। এখন অমরপুর এলাকায় দামোদরের পাড় জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। এলাকার প্রবীন চাষি শেখ মোবারক বলেন, বিগত কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির জলাধার থেকে ছাড়া জলে দামোদর ফুলেফেঁপে উঠেছিল। এখন সেই জল কমতেই অমরপুরের প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকায় দামোদরের পাড়জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। রোয়া ধান জমি, সবজি চাষের জমি সবই চলে যাচ্ছে দামোদরের গর্ভে। শেখ মোবারক আরও জানান, দামোদরের ধারে তাঁর ৩ একর ২৭ শতক চাষ জমি ছিল। দামোদরের পাড় ভাঙনে বিগত কয়েক বছরে তাঁর ১ একর জমি নদী গর্ভে চলে গিয়েছে। এখন ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। এবার কতটা জমি দামোদরের গর্ভে তলিয়ে যাবে সেই দুশ্চিন্তায় তিনি এখন দিন কাটাচ্ছেন। এলাকার অপর চাষি সনাতন মাল, মৃত্যুন মাল প্রমুখরা বলেন, প্রতিবছর অমরপুর এলাকার চাষজমি দামোদরের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। চাষিরা জমিহারা হচ্ছে। অথচ নদী পাড়ের ভাঙন আটকানোর জন্য কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। দামোদরে জল বাড়লে নেতা, মন্ত্রিরা এলাকায় এসে ছবি তুলে চলে যায়। কাজের কাজ আর কিছুই হয় না।অমরপুরের চাষিরা জমিহারা হয়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানেচাষিদের আনা অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূলের যুব সভাপতি রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, অমরপুর এলাকায় যে ভাবে দামোদরের পাড় ভেঙে চাষ জমি নদী গর্ভে তা সত্যি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু জমি নদি গর্ভে তলিয়ে গেছে। এলাকায় হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। ভাঙন যে ভাবে বাড়ছে তা দেখে মনে হচ্ছে এইসব কিছুও দামোদরের গর্ভে চলে যাবে কি না! রফিকুলবাবু জানান, ১০ বছর ধরে তাঁরা পুরশুড়া ও চাপাডাঙার সেচ দপ্তরের অফিসে ভাঙনের বিষয়ে লিখিত ভাবে জানিয়ে আসছেন। কিন্তু এখনও কোন সুরাহা হয়নি। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন এই প্রসঙ্গে জানান, অমরপুরে নদী পাড়ের ভাঙন তিনি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে এসেছেন। ভাঙন রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। একই কথা শুনিয়েছেন জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু নদী পাড়ের ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপের

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মূলত, তিন জেলার অবস্থা শোচনীয়। এই অবস্থায় ফের একবার রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ২০১৭ সালে বন্যা দামোদর অববাহিকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব ব্যাংক ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক পশ্চিমবঙ্গকে ২ হাজার কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছিল। সেই টাকা রাজ্য পেয়েওছিল। কিন্তু, এই টাকা ঠিক কোথায় গেল, তা কেউ জানে না বলে কটাক্ষ করেছেন দিলীপ। তাঁর দাবি, এত পরিমাণ টাকা আর্থিক সাহায্য পাওয়ার পরও ময়না, আরামবাগ, সবং, ঘাটাল সর্বত্র বন্যা হয়েছে। রাজ্য সরকারকে দুষে দিলীপ প্রশ্ন করেছেন, এত টাকা কোথায় গেল? সব কী তাহলে লুট হয়ে গিয়েছে?শুক্রবার একটি টুইট করে বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকার দুর্দশার ছবিও তুলে ধরেন দিলীপ। 1.1 In 2017, for controlling flood in Damodar basin, World Bank and the Asian Infrastructure Investment Bank have agreed to provide financial aid of 2000 cr to WB govt.No one knows what happened to this aid. pic.twitter.com/glPzOYEN0J Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) August 6, 2021উল্লেখ্য, রাজ্যের বন্যা কবলিতদের সাহায্যার্থে ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে রাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Flood: রায়নার বানভাসী এলাকা ঘুরে দেখলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী

কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু এলাকা বানভাসী হয়েছে। তার জেরে ক্ষয়ক্ষতিও নেহাত কম হয়নি। এখনও কোথাও বসতবাড়ি তো কোথাও চাষ জমি ডুবেছে জলের তলায়। ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার জেলার রায়না ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া, ব্লকের বিডিও অনিশা যশ, জেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ ও সদস্যরা। মন্ত্রীরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবিডিও অনিশা যশ জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টির কারণে রায়না ২ ব্লকের ৫ হাজার কৃষকের চাষ জমির ক্ষতি হয়েছে। ২ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে এখনও জল দাঁড়িয়ে আছে। মৎস্যচাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৭০ টনের কাছাকাছি পুকুরের মাছ ভেসে চলে গিয়েছে। ৩৫ হেক্টর পুকুরের জল ওভার ফ্লো হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ব্লকের তিনটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরুই গ্রামপঞ্চায়েত ও উচালন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিডিও তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত গোটা রায়না ২ ব্লকে ১১টি বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাতাসপুর এলাকায় একটি রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচালন গ্রামপঞ্চায়েতর অন্তর্গত একলক্ষী বাজার সন্নিকটের দেব খাল দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল নিকাশি হওয়ায় বাঁধে ধস নেমেছে। ফলস্বরূপ একটি শ্মশান চুল্লি পুরোপুরিভাবে দেব খালে ভেসে গিয়েছে। একটি কাঠের ব্রিজও সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে গিয়ে দেব খালে তলিয়ে গিয়েছে। বর্ধমান এবং বাঁকুড়ার সঙ্গে সংযোগকারী একটি পাকা সেতুরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রীরা এদিন উচালন গ্রামপঞ্চায়েতের একলক্ষ্মী বাজার সংলগ্ন অলি বাজার এলাকার দেব খাল পরিদর্শন করেন।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এলাকা পরিদর্শন করা হল। রায়না বিধানসভার বিধায়ককে তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে ওই শ্মশানের চুল্লি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal