• ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Firhad Hakim,

রাজ্য

আসানসোলের জন্য কেন্দ্রের স্মার্ট সিটির অর্থ না পেয়ে ফিরহাদকে চিঠি জিতেন্দ্রর

রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে বিস্ফোরক চিঠি পাঠিয়েছিন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। পুরমন্ত্রীকে আসানসোলের পুরপ্রশাসক লিখেছেন, রাজ্যের সিদ্ধান্তেই কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে আসানসোল। মেলেনি স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দু-হাজার কোটি টাকা। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় টাকা দেবে রাজ্য সরকার, রাজ্যের দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি। রানিগঞ্জ গার্লস কলেজ ও রানিগঞ্জ টিডিবি কলেজ এর গভর্নিং বডি থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আরও পড়ুন ঃ ২০২১-এ মুক্তির স্বাদ দেবে ঈশ্বর, ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু এ বিষয়ে ফিরহাদের মন্তব্য, স্মার্ট সিটির প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারে পুরোটাই ভাওতা। এ ক্ষেত্রে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ৫০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার দেবে ৫০ শতাংশ। ওটা প্রোপাগান্ডা মাত্র। পুরসভাকেই উদ্যোগ নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে উনি কতটা উদ্যোগ নিয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে আমরা কোনওদিনই উন্নয়নের সঙ্গে রাজনীতি মেশাইনি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

কোভ্যাক্সিনের টিকা নিলেন ফিরহাদ হাকিম

বেলেঘাটা নাইসেডে গিয়ে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক টিকা নিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। এদিন থেকেই নাইসেডে শুরু হয়েছে ভারত বায়োটেকের করোনা টিকা কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। কলকাতায় টিকা চলে এলে প্রথম স্বেচ্ছাসেবক হবেন তিনি, এমন প্রস্তাব দিয়েছিলেন ববি হাকিম। তৃ্তীয় পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যে কলকাতায় এসে পৌছেছে ১০০০টি ডোজ। ২ ডিসেম্বর থেকে ট্রায়াল শুরু হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছিল নাইসেডের তরফ থেকে। বুধবার বেলার দিকে নাইসেডে পৌছে যান পুরমন্ত্রী। টিকার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয় তাঁকে। আরও পড়ুন ঃ পরিবহণ কমিটির দায়িত্বে মদন মিত্র এদিন টিকা নেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, সুস্থ আছি। ওনাদের ধন্যবাদ জানাই এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ওনাদের আরও বলেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রেজাল্ট নিয়ে যাতে জনসাধারণের জন্য এই ভ্যাক্সিন চালু করা যায়। টিকা নেওয়ার পর আমাকে আধঘণ্টা বসিয়ে রেখেছিল। দেখলাম কোনও অসুবিধা হয়নি। ভাল আছি। আমার একটুখানি যদি অসুবিধা হয়, কিছু যায় আসে না। যদি প্রাণহানি হয়, তাহলেও কিছু যায় আসে না। মানুষের যদি ভাল হয়, সেটাই হবে আমার কাছে লাভ। আশা করছি এই ট্রায়াল সফল হবে। ভারতবাসী খুব তাড়াতাড়ি করোনার টিকা পেয়ে যাবে। রাজ্যপাল এদিন এই ট্রায়াল প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করতে গিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, করোনার চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার টাকা নিয়ে দূর্নীতি হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে ফিরহাদ এদিন বলেন, এটা রাজনীতির জায়গা না। ওর মন্তব্যের জবাব অন্যত্র দেব। উনি অন্যায় করছেন। রাজ্যপাল পদের যোগ্য না উনি, পদের মর্যাদা রাখছেন না।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ

ওরা হল পাইকারি দল, ওদের কোনও নীতিবোধের মানুষ নেই। প্রত্যেক দলের একটা আদর্শ থাকে। তাই যারা আদর্শহীনভাবে দল করেন, তাদের ওনারা আহ্বা্ন করছেন, আদর্শহীন লোকেরা একসাথে জোট হন। তাতে বাংলায় চিড়ে ভিজবে না। শনিবার বিজেপির উদ্দেশে এভাবেই আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বাংলায় আদর্শগতভাবে মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতা , প্রগতি ও গণতান্ত্রিক পথে থাকে। মানুষকে খুন করে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাট করতে চায় না বাঙালি। তাই দিলীপ ঘোষ যতই চেষ্টা করুক, বেশিরভাগ মানুষ ও আমাদের দলের লোকেরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে গান্ধীবাদ, সুভাষবাদ জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ করছেন। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল সরকারের ইস্তফা দেওয়া উচিতঃ দিলীপ তিনি আরও বলেন, ওদের আদর্শগতভাবে কোনও ব্যাপার নেই। ঝালমুড়ির মতো কে এল, ঢুকিয়ে নিয়ে দল করছে। এভাবে কোনও দল হয় না। তৃণমূল দল শেষ হওয়া নিয়ে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনি স্বপ্ন দেখছেন। ওনার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। তৃণমূল ছিল, আছে, থাকবে। তৃণমূলকে ফেলে দেওয়া যায় না। তৃণমূল কখনও বিজেপির মতো বহিরাগত দল নয়। অন্য জায়গা থেকে আসেনি। বাংলার মাটিতে আন্দোলনের ফল হচ্ছে তৃ্ণমূল। বিজেপির মতো অমিত শাহ ও মোদির দল নয়। এটা মানুষের ্দল। তাই মানুষ তৃণমূলকে রাখবে।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের বিভাজন? সভা-পাল্টা সভায় সরগরম নন্দীগ্রাম

রক্তাক্ত সূর্যোদয়ের বর্ষপূর্তিতে প্রতি বছর ১০ নভেম্বর শহিদদের স্মরণ করে থাকে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি। এবারও শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই সেই কর্মসূচি, তবে সমাবেশের ব্যাপ্তি বাড়ায় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই কর্মসূচির দিকে সকলের নজর। এর মধ্যেই শুভেন্দুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোর ইঙ্গিত দিল তৃণমূল কংগ্রেস। গোকুলনগরের পাল্টা সভা করবে তৃণমূল, নন্দীগ্রামের হাজরাকাটায়। সেখানে সভার দায়িত্বে অধিকারী পরিবারের বিরোধী গোষ্ঠী বলে পরিচিত অখিল গিরি, সুপ্রকাশ গিরি এবং শেখ সুফিয়ান। প্রধান বক্তা ফিরহাদ হাকিম। আরও কয়েকজন সাংসদ, মন্ত্রী থাকতে পারেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দুর ব্যাপার জানি না। দল নজর রাখছে। নন্দীগ্রাম আমাদের আন্দোলন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন। তাই তৃণমূল সভা করবে। ওই সভাস্থলের দেড়-দু কিলোমিটার দূরে চৌরঙ্গী বাজারে পাল্টা সভা করবে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি, একই সময়ে। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের বলেন, ফিরহাদ হাকিম আমার নেতৃত্ব, সে ব্যাপারে কিছু বলছি না। তবে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জানতে হবে। ১০ নভেম্বর, জানুয়ারির ৩ ও ৭ তারিখ এবং ১৪ মার্চ এই চারটি দিন আমরা কালো পতাকা নিয়ে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভা করি, ১২ বছর ধরে। সারা বছর দলীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচি হলেও এই চারটি দিন হয় না। কারণ, ওই আন্দোলনে কংগ্রেস, এসইউসিআই, জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দ ছিল। ফলে আমরা কীভাবে দলীয় পতাকা নিয়ে সভা করব? প্রতি বছর করপল্লীতে শহিদদের উদ্দেশ্যে মাল্যদানের পর আমরা যেখানে সভা করি সেখানে বাড়ি-ঘর হয়েছে। তাই তেখালিতে গোকুলনগর স্কুল মাঠে সমাবেশ হচ্ছে। বিকেলে হাজরাকাটাতেও সভা হয়। এবার ওই ১০ নভেম্বর গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ রেজাউল করিমের স্মৃতির উদ্দেশ্যে চৌরঙ্গী বাজারে বিকেল ৪টেয় সমাবেশ হবে। সেখানে থাকবেন ভূমি উচ্ছেদ কমিটির নেতৃত্ব ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

বিজেপি সন্ত্রাসবাদীদের দল : ফিরহাদ

বিজেপি কোনও রাজনৈতিক দল না। সন্ত্রাসবাদীদের দল বিজেপি। বাংলার শান্ত পরিবেশকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে।তাই এই সন্ত্রাসবাদীদের ঠিক করতে যা যা ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, পুলিশ প্রশাসনকে বলব সেসব ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। বিজেপির নবান্ন অভিযান নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এমনটাই জানালেন কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলে বোমা চালানো যায় না ,রাজনৈতিক দলের মিছিল থেকে গুলি চলে না বন্দুক থাকে না।রাজনৈতিক দল স্লোগান দেবে, ঝান্ডা নেবে, তার বক্তব্য রাখবে। আরও পড়ুনঃ বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল কলকাতা ও হাওড়া এরা বাহু প্রদর্শন করে মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করছে। যেটা দিল্লির সরকার করছে, রাজ্য বিজেপিও একই কাজ করছে। আমরা ভয় পাইনি। প্রশাসন প্রশাসনের মত চলবে। তৃণমূল কংগ্রেস কাউকে ভয় পায় না। কারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে আছে।আমরা সিঙ্গুর নন্দীগ্রামে যে আন্দোলন করেছিলাম সেই আন্দোলনের ভয়াবহতা উপলব্ধি করার ক্ষমতা নেই ।আমরা যে আন্দোলন করেছি ওরা তা ভাবতেই পারে না।ওরা যেটা করছে সেটা গুন্ডামি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কলকাতা, বিধাননগর-সহ রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান

করোনা মোকাবিলার মধ্যেও যাতে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া-সহ মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর বিভিন্ন কর্পোরেশন ও পুরসভাগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেই বৈঠকে স্থির হয়, ২০ সেপ্টেম্বর রাজ্যের বিভিন্ন পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান পালিত হবে। সেইমতো রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতা কর্পোরেশনের ৮২ নং ওয়ার্ডে চেতলায় প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের নেতৃত্বে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা নিয়েও। যদিও চলতি বছরের পরিসংখ্যান স্বস্তিতেই রাখছে। এদিন বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রশাসক কৃষ্ণা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বিধাননগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু বিজয় অভিযান পালিত হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনামতো স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাইকর্মীদের পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে সামিল হন এলাকাবাসীরাও। মশা নিধনে ওষুধ স্প্রে করা হয়, ব্লিচিং ছড়ানো হয়, জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করা হয়। কৃষ্ণা চক্রবর্তী জানান, ডেঙ্গু-সহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় কাজ সব সময় চলে। তবু বিশেষ ড্রাইভ দিতে বলেছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। সে কারণে এই দিনটিকে বেছে নিয়ে এই কর্মসূচি চলছে। গত বছর এই সময়ে বিধাননগরে দুই শতাধিক মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন, এবার সেই সংখ্যা মাত্র ১৬। আসলে করোনা মোকাবিলায় যেভাবে কাজ হয়েছে তাতে বিভিন্ন রোগ ছড়ানো মশা নিধন ভালোভাবেই হয়েছে। তার সুফল মিলছে বলেই অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যদিও আত্মতুষ্টির জায়গা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বছরভর মানুষকে সুস্থ রাখা, ভালো রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সতর্ক থেকে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

ধর্মীয় সুড়সুড়ি বাংলায় কাজ করে না: ফিরহাদ

বাংলার বিশ্বজননীকে বিশ্বস্তরে নিয়ে গিয়েছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইদ বা মহরমের জন্য বিসর্জন পিছিয়ে যাওয়া-সহ অনেকরকম অপপ্রচার চলছে। তবে জেনে রাখুন, বাংলায় পুজো, ইদ, মহরম একসঙ্গে হতে পারে, এটাই বাংলার কৃষ্টি। ধর্মীয় সুড়সুড়ি উত্তরপ্রদেশে কাজে দিতে পারে, বাংলায় ও সব চলে না। ছোটো করে হলেও বাংলায় ফিরহাদ হাকিম দুর্গাপুজো করে থাকে। রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব আয়োজিত মায়ের জন্য রক্তদানের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও আমাদের প্রাণের পুজো বাংলায় হবে। কীভাবে হবে সে ব্যাপারে ২৫ সেপ্টেম্বর আমাদের দিশা দেখাবেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো সংগঠকরাও অনেক সামাজিক কাজ করে থাকে। যাঁরা রক্তদান করছেন নমাজ পাঠ বা পুজো করার চেয়েও তা বেশি পবিত্র কাজ। রক্তের কোনও ধর্ম নেই, রক্তের গ্রুপ আসল। ফিরহাদ হাকিমের রক্ত যেমন কোনও পুরোহিতের লাগতে পারে, তেমন অরূপ বিশ্বাসের রক্ত বাঁচাতে পারে কোনও ইমামকে। ফিরহাদ ছাড়াও এদিন রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, সাংসদ মালা রায়, প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য দেবাশিস কুমার প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আরামবাগে তৃণমূল সাংসদের ওপর হামলায় তীব্র বার্তা! কী বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে সভা করতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভায় যাওয়ার পথেই তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। গোঘাট থেকে আরামবাগে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে সভামঞ্চ থেকেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি দাবি করেন, কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত তা তিনি জানেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একে একে সবাইকে চিহ্নিত করা হবে। তিনি বলেন, ৪ তারিখের পর সব হিসেব নেওয়া হবে।সভায় তিনি আরও বলেন, যারা ভাবছে এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা নেই, তারা ভুল করছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি তিনি জানান, আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।এর আগে খবর পেয়ে সভাস্থলে যাওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংসদের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, সাংসদের শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি ঠিকভাবে কথা বলতে পারছেন না।মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, একজন তফসিলি মহিলা সাংসদের উপর হামলা করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোটে জয় বা পরাজয় যাই হোক, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় সিপিএম ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সিপিএমের কর্মীরাই এখন বিজেপির সঙ্গে মিলিত হয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার হতে পারেন, কিন্তু তিনি কঠোর অবস্থান নেবেন।উল্লেখ্য, এর আগেই গোঘাটের বর্মা এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির মিছিলে হামলা চালায়, যাতে বহু মানুষ আহত হন। তাঁদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি মোদির! ৪ মে-র পর বাংলায় সরকার গঠনের ইঙ্গিত

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা থেকে তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিন রাজ্য ঘুরে তিনি বুঝতে পেরেছেন, আগামী ৪ মে-র পর রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হবে। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আবার বাংলায় আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্যের মানুষকে নিজের মানুষ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলায় এলে তিনি মানসিক শান্তি অনুভব করেন। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে এখন জঙ্গলরাজ চলছে। একের পর এক জুট মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে। এর ফলে যুব সমাজ কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে এবং বয়স্করা একা হয়ে পড়ছেন।প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, রোজগার মেলার মাধ্যমে যুবকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে এবং শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।তিনি আরও জানান, রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কন্টেন্ট তৈরির কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এলে কলকাতা মেট্রোর দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।মহিলা নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্ব দেন মোদি। তিনি বলেন, এমন সরকার দরকার যেখানে বাড়ির মেয়েরা নিশ্চিন্তে রাস্তায় বেরোতে পারেন। পাশাপাশি তিনি ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পেতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।কলকাতার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মোদি বলেন, কলকাতাকে অন্য শহরের মতো বানাতে গিয়ে তার নিজস্ব ঐতিহ্য নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি দাবি করেন।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের আগে এই সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

শেষ মুহূর্তের প্রচারে রণক্ষেত্র! আহত তৃণমূল সাংসদকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদ মিতালি বাগের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে প্রচারের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, গোঘাট হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মিতালি বাগের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা গাড়িতে পাথর ছোড়ে এবং ভাঙচুর চালায় বলে দাবি। এর পরেই দ্রুত তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিতালি বাগ। তিনি বলেন, তাঁর গাড়িতে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের নাটক করা হচ্ছে এবং মানুষ এসব বিশ্বাস করবে না।এদিকে গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। উভয় পক্ষের কর্মীদের হাতে লাঠি, বাঁশ ও ভাঙা কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে বড় অভিযান! ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, যেখানে ৪৭৯ জনকে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামও রয়েছে, যার বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই জেলাতেই সম্প্রতি উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে এবং বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে এক তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, যেখানে ২৪৬ জনকে ধরা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা উত্তর থেকে ১০৯ জন, হুগলি থেকে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়া থেকে ৩২ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের সময়ে কোনও অশান্তি যাতে না হয় এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগামী দিনেও এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ চলবে এবং যারা আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ভোটের আগে সম্ভাব্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট-এ ওঠে। পরে আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘বাংলায় গুন্ডারাজ’—কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী

আসানসোলে কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। এই ঘটনায় শাসকদলকে আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাংলায় গুন্ডারাজ চলছে এবং ভয় দেখানো, মারধর ও খুন এখন শাসক দলের চরিত্রে পরিণত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আর্থিক সাহায্যের কথাও বলেছেন।মৃত কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসার জেরেই এই মৃত্যু। তাঁদের দাবি, রাতে বাড়ি ফেরার সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে মারধর করে, যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে এটি ব্যক্তিগত বিবাদের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টেও পুলিশ জানিয়েছে, এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি যোগের প্রমাণ মেলেনি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে একটি জায়গায় গাড়ি দাঁড় করানো নিয়ে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে দেবদীপের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অন্য একটি জায়গাতেও তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাধে এবং অভিযুক্তরা তাঁকে অনুসরণ করে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বাড়ির সামনে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান।পরিবারের সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং নজরদারি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal