• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

FIR

কলকাতা

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফের আগুন, নিউটাউনের বহুতলে দাউদাউ করে জ্বলল অফিস

বুধবার সন্ধ্যার পর বৃহস্পতিবার সকাল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ফের কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। বৃহস্পতিবার সকালে নিউটাউনের থাকদাঁড়ি এলাকার একটি বহুতলে ভয়াবহ আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ছয়টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যেই তা বহুতলের একাধিক তলায় ছড়িয়ে পড়ে। উপরের দিকের জানলা ভেঙে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাতে হয় দমকলকে। বহুতলের ভিতর থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। চারপাশ ঢেকে যায় ধোঁয়ায়।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বহুতলে একাধিক বেসরকারি সংস্থার অফিস রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে উপরের তলার জানলা দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। সঙ্গে সঙ্গে দমকলে খবর দেওয়া হয়। প্রথমে দুটি ইঞ্জিন পৌঁছলেও আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরে আরও ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়।এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।উল্লেখযোগ্য ভাবে, এর আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় আনন্দপুরের নোনাডাঙার মাতঙ্গিনী কলোনি বসতিতেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ছটা নাগাদ সেখানে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে একের পর এক ঝুপড়ি আগুনের গ্রাসে চলে যায়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রথমে দমকলের দুটি ইঞ্জিন পৌঁছলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে আরও পাঁচটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।নোনাডাঙার ওই অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক ঝুপড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। শীতের রাতে ঘরছাড়া হন বহু মানুষ। একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে শহর জুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যরাতে গুলির শব্দ, আকাশে ড্রোন! কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলার রাজধানী

সোমবার গভীর রাতে ফের আতঙ্ক ছড়াল ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বাসভবনের অদূরে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে আকাশে উড়তে দেখা যায় একাধিক ড্রোন। এই ঘটনায় শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে চরম উৎকণ্ঠা।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেস অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণ করেন। তার পরই মধ্যরাতে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ মিরাফ্লোরেস প্যালেসের আশপাশে গোলাগুলি শুরু হয় এবং প্রাসাদের উপর দিয়ে ড্রোন উড়তে দেখা যায়। সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ওই সব ভিডিয়োর সত্যতা এখনও যাচাই করা হয়নি।অন্যদিকে সংবাদসংস্থা সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জেরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে ভেনেজুয়েলার প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এই ঘটনায় কারাকাসের বাসিন্দারা প্রবল আতঙ্কে পড়ে যান। অনেকেই রাতভর ঘটে যাওয়া ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। কেউ কেউ আশঙ্কা করেন, দেশে সামরিক অভ্যুত্থান শুরু হয়ে গেছে। আবার কারও মনে হয়েছে, আমেরিকা হয়তো ফের হামলা চালিয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই।প্রেসিডেন্টের বাসভবনের কাছেই থাকা এক বাসিন্দা সংবাদসংস্থা এএফপি-কে জানান, প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন আকাশ দিয়ে প্রচুর বিমান যাচ্ছে। পরে বাইরে বেরিয়ে দেখেন, গোটা পাড়া রাস্তায় নেমে এসেছে। সকলেই ভীষণ উত্তেজিত ও আতঙ্কিত ছিলেন। অনেকেরই মনে হয়েছিল, হয়তো আমেরিকা আবার হামলা চালিয়েছে।কারা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে এবং কেন এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মধ্যরাতের এই ঘটনায় নতুন করে অস্থিরতা বেড়েছে ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এফআইআর! আইনের লঙ্ঘন কি না, পাল্টা কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, যে কোনও নাগরিকের অভিযোগ জানানো গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে সংসদীয় আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা যায় না। আইনের ধারা ১৬ অনুযায়ী বিষয়টি স্পষ্ট। সেই আইন অমান্য করে পুলিশ যদি এফআইআর গ্রহণ করে, তা হলে তা বেআইনি বলে গণ্য হবে।নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এর আগে ভুয়ো ভোটার সংক্রান্ত অভিযোগে রাজ্যকে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি। তা হলে এখন কেন সিইও এবং কমিশনকে দায়ী করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার সংক্রান্ত শুনানির দায়িত্ব ইআরও এবং বিএলও-র। তাঁরা শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ডেকেছিলেন। কোনও অসুবিধা থাকলে তাঁদের কাছেই জানানো যেত।কমিশনের স্পষ্ট দাবি, যদি আইন ভেঙে এফআইআর দায়ের করা হয়ে থাকে, তা হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিক এবং অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। লোকপাল আইন অনুযায়ী, কোনও সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ থাকলে তবেই এফআইআর দায়ের করা যায়। এই ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট কী বলছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে কমিশন।নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, এই ধরনের অভিযোগকে কেন আইনের অপব্যবহার হিসেবে দেখা হবে না। কমিশনের তরফে এই এফআইআর খারিজের আবেদন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কমিশনের তরফ থেকেও পাল্টা এফআইআর দায়ের হতে পারে বলে সূত্রের খবর। কমিশনের বক্তব্য, কাউকে হেয় করার জন্য যে কোনও অভিযোগ তোলা যায় না। নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিযুক্ত হন এবং তাঁদের সাংবিধানিক সুরক্ষা রয়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবার পুরুলিয়ার পারা ব্লকের চৌতালা গ্রামের বাসিন্দা দুর্জন মাঝির দেহ রেললাইনের ধারে উদ্ধার হয়। সেদিনই তাঁর ভোটার সংক্রান্ত শুনানির দিন ছিল। পরিবারের দাবি, শুনানিতে যাওয়ার জন্য টোটো ডাকতে বেরিয়েছিলেন দুর্জন। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, শুনানির ভয় থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার দুর্জনের ছেলে চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগ ঘিরেই রাজ্যজুড়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
কলকাতা

টিনের ছাউনি, নেই অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা—ভয়াবহ পরিণতি যদুবাবুর বাজারে

চোখের সামনে পুড়ে যেতে দেখলেন জীবনের সব সম্বল। কিছুই করার ছিল না। খবর পৌঁছতে পৌঁছতেই সব শেষ। এক রাতের আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেল ২০০-রও বেশি দোকান। সর্বস্বান্ত হয়ে পড়লেন শতাধিক ব্যবসায়ী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি স্টেশন সংলগ্ন যদুবাবুর বাজারে।সোমবার গভীর রাতে ওই বাজারে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। কীভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, গোটা ঘটনার পূর্ণ তদন্ত হওয়া দরকার। বাজারে দোকান করা এক ব্যবসায়ী নুপুর চক্রবর্তী বলেন, রাতে তাঁকে ফোন করে জানানো হয় দ্রুত বাজারে আসতে। বলা হয়, সব শেষ হয়ে গিয়েছে, সব পুড়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, ওই বাজারে প্রায় ২০০টির মতো দোকান ছিল। তাঁর নিজের একটি ইলেকট্রিকের দোকানও আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।আর এক ব্যবসায়ী চোখের সামনে নিজের দোকান জ্বলতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অসহায় কণ্ঠে তিনি বলেন, এ যেন একেবারে শ্মশান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যদুবাবুর বাজারের সব দোকানই ছিল টিনের ছাউনি দেওয়া। সেখানে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। সেই কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং গোটা বাজার গ্রাস করে ফেলে।দমকল বাহিনী সময় মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সাতটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু ততক্ষণে সব কিছুই প্রায় পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। রাতারাতি রাস্তায় বসে পড়েছেন বহু ব্যবসায়ী। কীভাবে আবার ঘুরে দাঁড়াবেন, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় তাঁরা।ঘটনাস্থলে পৌঁছন উত্তর দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন একাধিক পুর প্রতিনিধি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি। বিধান বিশ্বাস বলেন, এই বাজার পুরসভার অন্তর্গত। ব্যবসায়ীদের পাশে রয়েছে পুরসভা। তাঁদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
দেশ

এসি কামরায় আগুনের লেলিহান শিখা, মাঝরাতে ট্রেন থামিয়ে প্রাণ বাঁচানোর লড়াই

চলন্ত দূরপাল্লার ট্রেনের এসি কামরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে ছাই হয়ে গেল পরপর দুটি কোচ। এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক যাত্রীর। সোমবার ভোরে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা জানায় রেলমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের টাটানগর থেকে কেরলের এর্নাকুলামগামী এক্সপ্রেস ট্রেনটি বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ে অন্ধ্র প্রদেশের আনাকাপালি জেলার কাছে।ঘটনাটি ঘটে গভীর রাতে। তখন রাত প্রায় ১টা। নিজের গতিতে ছুটে চলছিল এর্নাকুলামগামী ট্রেনটি। হঠাৎই চালকের নজরে আসে একটি কোচ থেকে আগুনের শিখা উঠছে এবং তা পাশের কোচের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। দ্রুত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয় এবং আগুন লাগা কোচগুলি থেকে উদ্ধার শুরু হয়।রেল আধিকারিকদের মতে, আগুন লাগা কোচে মোট ৮২ জন যাত্রী ছিলেন। পাশের কোচে ছিলেন আরও ৭৬ জন। প্রায় সকলকেই নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজন যাত্রীকে বাঁচানো যায়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় চন্দ্রশেখর সুন্দরম নামে এক যাত্রীর।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ট্রেনের বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। সেখান থেকে দ্রুত তা বি২ কোচে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন যাতে গোটা ট্রেনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে কারণে এম১ কোচ থেকে আগুন লাগা অংশ আলাদা করে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। চারটি দমকল ইঞ্জিনের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ততক্ষণে দুটি এসি কোচ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।এই অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেলমন্ত্রক জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে মানহানির অভিযোগ, লালবাজারে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের এফআইআর

লিওনেল মেসিকে ঘিরে কলকাতার সাম্প্রতিক বিতর্কে এবার আইনি মোড়। প্রকাশ্যে মানহানিকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে কলকাতা পুলিশের সদর দফতর লালবাজারে এফআইআর দায়ের করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। অভিযোগের আঙুল উঠেছে কলকাতার আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের প্রধান তথা মেসি-ভক্ত উত্তম সাহার দিকে।সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের আইনজীবীর তরফে জানানো হয়েছে, যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসিকে ঘিরে যে বিতর্কিত ঘটনার সূত্রপাত, তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমে সৌরভের ভূমিকা সম্পর্কে একাধিক ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এই মন্তব্যগুলিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর বলেই দাবি করা হয়েছে অভিযোগে।সৌরভের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানে তিনি শুধুমাত্র একজন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবেই উপস্থিত ছিলেন। ইভেন্টের আয়োজন বা পরিচালনার সঙ্গে তাঁর কোনও রকম সাংগঠনিক যোগ ছিল না। অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ছিলেন শতদ্রু দত্ত। একই অনুষ্ঠানে অভিনেতা শাহরুখ খান-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, উত্তম সাহা প্রকাশ্যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে চিটিংবাজ বলে কটাক্ষ করেন, যা প্রাক্তন অধিনায়কের সামাজিক সম্মান ও দীর্ঘদিনের ভাবমূর্তিকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এই কারণেই মানহানির নোটিস পাঠানোর পাশাপাশি লালবাজারে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।উল্লেখ্য, মেসিকে দেখার আশায় যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাজার হাজার দর্শক মোটা অঙ্কের টিকিট কেটেও শেষ পর্যন্ত হতাশ হন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস পদত্যাগ করেন। পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। একজন ডিসিপি সাসপেন্ড হয়েছে। এই আবহেই দেওয়া উত্তম সাহার মন্তব্যকে ঘিরে এবার আইনি পথে হাঁটলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ড থেকে ফেরত, এবার গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে? পাতিয়ালা হাউসে লুথরা ভাইরা

গোয়ার রোমিও লেনের বার্চ নাইটক্লাবের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড মামলায় বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে গোয়া পুলিশ। থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফেরত আনার পর সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা নামে দুই ভাইকে মঙ্গলবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস আদালতে পেশ করা হয়। গোয়া পুলিশ আদালতের কাছে ট্রানজিট রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানাবে, যাতে অভিযুক্তদের গোয়ায় নিয়ে গিয়ে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।আদালতে গোয়া পুলিশ জোর দিয়ে বলবে যে, এই মামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের কোনওরকম ছাড় দেওয়া উচিত নয় বলে দাবি করবে পুলিশ। প্রসিকিউশনের তরফে আরও জানানো হবে, যে নাইটক্লাবটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই চলছিল। ক্লাবের একাধিক লাইসেন্স, যেমন লিভ এগ্রিমেন্ট এবং ট্রেড লাইসেন্স, আগেই মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছিল।পুলিশ আদালতে এ কথাও তুলে ধরবে যে, এর আগে দিল্লির রোহিণী আদালত অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, ঘটনার ভয়াবহতা অত্যন্ত বেশি এবং অভিযুক্তরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের জামিন দেওয়া যায় না।গোয়া পুলিশ মনে করছে, লুথরা ভাইদের জেরা করলে অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে গাফিলতি ও বেআইনি কার্যকলাপের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। তাই দ্রুত তাঁদের গোয়ায় নিয়ে গিয়ে তদন্ত শুরু করতে চায় পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

শাহজাহানের সাক্ষীর ছেলের মৃত্যুর পরও কেন অভিযোগ নয়? ভোলার নীরবতায় তীব্র সন্দেহ

শেখ শাহজাহানের অন্যতম সাক্ষী ভোলানাথ ঘোষের গাড়ি দুর্ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্নে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এই দুর্ঘটনায় ভোলার ছোট ছেলে ও গাড়ির চালকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এত বড় ঘটনার পরও ন্যাজাট থানায় এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অথচ সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে ভোলানাথ একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন।ছেলে মারা গিয়েছে, চালকও নেইএত কিছু ঘটার পরও কেন পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করছে না, তা নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠছে। বুধবার বিকেলে দুর্ঘটনার পরই পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ন্যাজাট থানার পুলিশ ও ফরেনসিক টিম নমুনা সংগ্রহ করে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে।গাড়িতে তিনজন ছিলেনভোলানাথ, তাঁর ছোট ছেলে এবং চালক। বাকি দুজনের মৃত্যু হওয়ায় বেঁচে থাকা ভোলানাথই এই ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী। সাংবাদিকদের সামনে তিনি খোলাখুলি ঘটনার কথা বলেছেন। কিন্তু পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় তদন্তও এগোতে পারছে না।মিনাখাঁর এসডিপিও কৌশিক বসাক জানিয়েছেন, এখনও কোনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তারপর তদন্ত শুরু হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করলে তা শুরুতে অজ্ঞাতপরিচিতর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগেই হবে। তাতে মৌখিক অভিযোগে যাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা করা কঠিন হবে। সে কারণেই লিখিত অভিযোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।তবে সূত্র বলছে, অভিযোগ না এলেও পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করতে পারে। সেই সম্ভাবনাই বেশি।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

থাইল্যান্ডে ধরা পড়ল ক্লাব-মালিক লুথরা ভাইরা, দেশে ফেরাতে ছুটছে গোয়া পুলিশ

গোয়ার বার্চ বাই রোমিও লেন ক্লাবে ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনায় পালিয়ে যাওয়া ক্লাব-মালিক সৌরভ ও গৌরব লুথরা অবশেষে থাইল্যান্ডের ফুকেতে ধরা পড়েছেন। শনিবার রাতে সন্দেহজনক সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই দিল্লি থেকে ইন্ডিগো ফ্লাইটে থাইল্যান্ডে উড়ে যান দুই ভাই। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার ও ইন্টারপোল ব্লু নোটিস জারি হয়।ভারত টুডের হাতে পাওয়া এক্সক্লুসিভ ছবিতে দেখা গেছে, ফুকেতে একটি আটক কেন্দ্রে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের একজন। ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই থাকবেন। গোয়া পুলিশ খুব শীঘ্রই থাইল্যান্ডে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে আসবে বলে সূত্রের খবর।পালানোর ঘটনায় আরও সন্দেহ তৈরি হয়, কারণ গোটা দেশে ইন্ডিগোর ফ্লাইট বাতিল ও দেরিতে চললেও তারা কোনওভাবে রাত ১টা ১৭ মিনিটে থাইল্যান্ডের টিকিট কেটে ফেলেছিলেন তখনই দমকল ও পুলিশ আগুন নেভাতে ব্যস্ত ছিল। পরে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই তাঁরা পালানোর প্রস্তুতি নেন।ধরা পড়ার আগে তাঁরা দিল্লির রোহিণী আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ক্লাবের দৈনন্দিন কাজে তাঁরা যুক্ত নন এবং তদন্ত সংস্থার বদলা নেওয়ার মনোভাব-এর শিকার হচ্ছেন। থাইল্যান্ড সফরকেও তাঁরা ব্যবসায়িক ভ্রমণ বলে দাবি করেছিলেন।গোয়া পুলিশের FIR-এ বলা হয়েছে, ক্লাবটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অ্যালার্ম, ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম বা অডিট ছিল না। ক্লাবের মালিক, ম্যানেজার ও ইভেন্ট অর্গানাইজাররা আগুন নিয়ে স্টান্ট শো করছিলেন, অথচ তাঁরা জানতেন এতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্লাবে জরুরি নির্গমন পথও ছিল না, ফলে বহু অতিথি আগুনে আটকে পড়েন।গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ মাধব আগেই বলেছেন, লুথরা ভাইদের দ্রুত গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এর পরেই তাঁদের মালিকানাধীন আরও একটি বেআইনি ক্লাব শ্যাক ভেঙে ফেলে প্রশাসন।মঙ্গলবার ক্লাবের অপর সহ-মালিক অজয় গুপ্তাকেও দিল্লিতে আটক করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

অগ্নিদগ্ধ নাইটক্লাবের রহস্য ফাঁস! অজয় গুপ্ত আটক, পুলিশের খুঁজে পাওয়া আরও তথ্য

গোয়ার আরপোরা এলাকার বিখ্যাত নাইটক্লাবটিতে আগুন লাগার ঘটনার তদন্তে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে নাইটক্লাবের অন্যতম মালিক অজয় গুপ্তকে। জানা যাচ্ছে, শীঘ্রই তাঁকে গোয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। এর আগে নাইটক্লাবের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজীব মোদক, জেনারেল ম্যানেজার বিবেক সিং, বার ম্যানেজার রাজীব সিংহানিয়া, গেট ম্যানেজার রিয়াংশু ঠাকুর এবং কর্মী ভারত কোহলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গোয়া পুলিশের লুকআউট নোটিসে নাম ছিল অজয় গুপ্ত ও সুরিন্দর কুমারের। আর দুই মালিক সৌরভ লুথরা ও গৌরব লুথরা দেশ ছাড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা থাইল্যান্ডে আছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধেও জারি হয়েছে ব্লু কর্নার নোটিস।উত্তর গোয়ার বাগা সুমদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত এই নাইটক্লাবটিতে শনিবার পার্টি চলাকালীন আগুন লাগে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ২৫ জনের। তদন্তে জানা গেছে, নাইটক্লাবে বেআইনি নির্মাণ, সংকীর্ণ প্রবেশপথ এবং নিরাপত্তা বিধি অমান্যসহ একাধিক অনিয়ম ছিল। এই ঘটনায় বিরোধী দলের তোপের মুখে পড়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত। সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে।এছাড়া মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার প্রমোদ সওয়ান্তের নির্দেশে লুথরা গ্রুপের আরও একটি নৈশক্লাব রোমিও ল্যানে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, সরকারি জমিতেই ক্লাবটি গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বড় ক্লাব তৈরি হওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

অভিশপ্ত গোয়া নাইটক্লাব! ২৫ জনের মৃত্যু, মালিকের রহস্যময় বার্তা—কোথায় লুকিয়ে সৌরভ?

গোয়ার জনপ্রিয় একটি নৈশক্লাবে পার্টি চলার সময় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জনের মৃত্যুতে উত্তাল সারা দেশ (Goa)। অভিযোগ উঠছে, ক্লাবটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছিল এবং ভিতরে প্রবেশের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ ছিল। এই ঘটনায় ক্লাবের মালিক সৌরভ লুথরা এখনও পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি হলেও পুলিশ এখনো তাকে ধরতে পারেনি। এই নিয়েই উঠে আসছে নানা প্রশ্নএত বড় দুর্ঘটনার পরও কি প্রশাসনকে ম্যানেজ করা হচ্ছে?ঘটনার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে সৌরভ লুথরা (Goa) প্রথম প্রতিক্রিয়া দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় তিনি ভীষণ দুঃখিত এবং শোকাহত। ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাসও দেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়পুলিশ যখন দিল্লি পর্যন্ত তাঁর খোঁজে গিয়েছে, তখন তিনি কীভাবে অনায়াসে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে পারলেন?উত্তর গোয়ার (Goa) আরপোরায় বাগা সৈকতের কাছে অবস্থিত বির্চ বাই রোমিও লেনে নামের ক্লাবটিতে শনিবার রাতে পার্টি চলার সময় আগুন লাগে। আগুনে এখনও পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২০ জনই ক্লাবের কর্মী বলে জানা গেছে। বাকিরা পর্যটক। মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সওয়ান্ত জানিয়েছেন, ক্লাবে মাত্র দুটি প্রবেশপথ ছিল। যথেষ্ট বেরোনোর রাস্তা না থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যায়। তিনি আরও জানান, ক্লাবের ভিতর আতশবাজি ফাটানোয় আগুন লাগে। তবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের দাবি তিনি নাকচ করেছেন।ঘটনার পর থেকেই বিরোধীরা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। সরকার ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।ইতিমধ্যে তিনজন সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরা হলেন পঞ্চায়েত পরিচালক সিদ্ধি তুষার হরলঙ্কর, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সচিব সদস্য ডাঃ শামিলা মনতেইরো এবং আরপোরা-নাগোয়া পঞ্চায়েতের সচিব রঘুবীর বাগকর। অভিযোগ, ২০২৩ সালে এই নৈশক্লাবকে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। পুলিশ পঞ্চায়েত প্রধান রোশন রেদকরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কারণ তিনিই ক্লাবটিকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করেছিলেন।অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ক্লাব মালিক সৌরভ লুথরার হদিশ মিলছে না। তিনি কোথায় লুকিয়ে আছেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টেই এবার উঠে এল নতুন বিতর্কপুলিশের চোখ এড়িয়ে কীভাবে তিনি নিজের অবস্থান গোপন রাখছেন?

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
দেশ

সাগরের ধারে অবৈধ ক্লাবই কোলে বসানো টাইম বোমা! কেন চুপ ছিল গোয়ার কর্তারা?

গোয়ার ভগাতর সৈকতের উপর যে ক্লাবটি নিয়ে এতদিন অভিযোগ উঠছিল, সেটিকে স্থানীয়রা বরাবরই টিকটিক করা টাইম বোমা বলেই বর্ণনা করতেন। অভিযোগ, লুথরা ভাইদের মালিকানাধীন ওই ক্লাবটি তৈরি হয়েছিল পুরোপুরি বেআইনি ভাবেকোনও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, নেই কাঠামোর সুরক্ষার ন্যূনতম নিয়মও। আরও বিস্ময়, ক্লাবটি দাঁড়িয়ে ছিল সরকারি জমির উপরই। ভারতের বিভিন্ন দফতরে একাধিক অভিযোগ জানানো হলেও, তেমন কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি।পুলিশ, পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড, কোস্টাল জোন রেগুলেটরি অথরিটি, টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি প্ল্যানিংসব জায়গায় অভিযোগ গিয়েছিল। সমাজকর্মী রবি হর্মালকারও বহুবার সতর্ক করেছিলেন, এমনকি লুথরা ভাইদের কাছ থেকে হুমকিও পেয়েছিলেন বলে দাবি। শেষ পর্যন্ত তিনি গোয়া বেঞ্চের বোম্বে হাইকোর্টে যান। আদালত ভাঙার নির্দেশ দেয়। পরে পর্যটন দফতরও ভাঙার নির্দেশ তো দেয়, কিন্তু যা করা হয়, তা ছিল মাত্র উপরি-উপরি। এর পরও ক্লাবটি আবার কাঠের তক্তা আর পেরেক জোড়া দিয়ে সমুদ্রের ধারে দাঁড় করিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যায়।অভিযোগ, উচ্চ জোয়ারের সময় ঢেউ সরাসরি ক্লাবের দোতলায় আছড়ে পড়ত। হর্মালকার বারবার সতর্ক করেছিলেন যে এই জায়গা যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।শেষমেশ আরপোরার রোমিও লেনের বিখ্যাত নাইটক্লাব বার্চ-এ ভয়াবহ আগুনে ২৫ জনের মৃত্যু এবং কয়েকজন আহত হওয়ার পর গোয়া প্রশাসন তৎপর হয়। সেই ঘটনার পরই ভগাতরের ওই ক্লাবটি সিল করে দেওয়া হয়।এখন প্রশ্ন উঠছে, এত অভিযোগ, এত বিপদের সতর্কতার পরেও কে বা কারা লুথরা ভাইদের রক্ষা করছিল, যার ফলে কোনও লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি জমিতে ক্লাব চালানো সম্ভব হয়েছিল? হর্মালকারের দাবি, তাঁদের পিছনে প্রভাবশালী রাজনৈতিক যোগাযোগ ছিল এবং এমনকি কয়েকজন আইএএস ও আইপিএস অফিসারের আশ্রয়ও তারা পেয়েছিলেন।রোমিও লেনের ওয়েবসাইটে সৌরভ লুথরাকে একজন গোল্ড মেডালিস্ট ইঞ্জিনিয়ার থেকে সফল রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি শহরে ক্লাবরেস্তোরাঁর শৃঙ্খল পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও স্থান পেয়েছেন।ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় গোয়া পুলিশ সৌরভ লুথরা ও তাঁর ভাই গৌরবের বিরুদ্ধে লুক-আউট নোটিশ জারি করেছে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর দুজনই রাজ্য ছাড়েন এবং সম্ভবত দেশ থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন। দেশের সব বিমানবন্দর ও থানায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

দমদমে আগুনে দাউদাউ গেঞ্জি কারখানা! বস্তি বাঁচাতে দমকলের মরিয়া লড়াই—অল্পের জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা

দমদমে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সোমবার সন্ধ্যায় সেভেন পয়েন্টের কাছে একটি গেঞ্জি কারখানায় হঠাৎ আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গোটা কারখানা। কারখানায় প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন চোখের পলকে ছড়িয়ে পড়ে। দূর থেকেও আগুনের তেজ দেখা যাচ্ছিল। আগুন বাড়তে থাকতেই আতঙ্ক তৈরি হয় আশপাশের বস্তিতে। বাসিন্দারা তড়িঘড়ি বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেন, গ্যাস সিলিন্ডার বাইরে বের করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।কারখানার কয়েকজন কর্মী সময়মতো বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও উল্টো দিকের একটি বাড়িতে কয়েকজন আটকে ছিলেন। স্থানীয়রা তাঁদের নিরাপদে বের করে আনে। ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। চারদিক বস্তি থাকায় আগুন যাতে সেগুলিতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেই দিকেই প্রথম নজর ছিল দমকলের। এক দমকলকর্মী জানান, বস্তিগুলো রক্ষা করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এবং তারা সেই চ্যালেঞ্জে সফল হয়েছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দমকল জানিয়েছে। এখনও কারখানার কোথাও আগুন লুকিয়ে আছে কি না, তা খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।আগুন লাগার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কোনো হতাহতের খবর না মিললেও ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কারখানার মালিক বা কর্মীরা এখনো কিছু বলেননি। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কারখানায় ঠিকমতো অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। বস্তিতে আগুন না ছড়ানোয় স্বস্তি পেয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন স্থানীয় বিধায়ক অতীন ঘোষও।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫
কলকাতা

এ কী ভয়ঙ্কর দৃশ্য! দক্ষিণ কলকাতার বহুতল থেকে উঠছে আগুনের লেলিহান শিখা

শুক্রবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার গুলশন কলোনিতে একটি আবাসিক বহুতলে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। হঠাৎ করেই একটি ফ্ল্যাট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বহুতলে অনেক পরিবার বসবাস করেন। আগুন লাগার খবর পাওয়ামাত্রই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।দমকল বাহিনী কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে দশটি দমকল ইঞ্জিন। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর কর্মীরাও উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন। একে একে বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনা হচ্ছে। ফ্ল্যাটগুলো দ্রুত খালি করার কাজ চলছে। আগুন এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। উদ্ধারকাজ ও আগুন নেভানোর কাজ পুরোদমে চলছে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

বিএলওদের মৃত্যু-ক্ষোভের মাঝে নজিরবিহীন পদক্ষেপ—৬০ জনের নামে এফআইআর

বিএলওদের উপর অতিরিক্ত চাপ, অমানবিক পরিস্থিতি, ডিজিটাইজেশন নিয়ে বিশৃঙ্খলাএসব অভিযোগে যখন গোটা দেশজুড়ে ক্ষোভ তুঙ্গে, বাংলায় যেখানে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন তিন জন বিএলও, কেরলেও আত্মঘাতী হয়েছেন এক জনঠিক সেই আবহেই অবিশ্বাস্য পদক্ষেপ করল উত্তর প্রদেশ প্রশাসন। নয়ডায় একসঙ্গে ৬০ জন বিএলও এবং সাত জন সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে দায়ের করা হল এফআইআর। পাশাপাশি বেহরিচে দুজন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তার ইতিহাসে এমন পদক্ষেপ প্রায় নজিরবিহীন।নয়ডা জেলা প্রশাসনের অভিযোগএসআইআর বা ভোটার তালিকা পরিমার্জনের কাজে যুক্ত ওই ৬০ জন বিএলও বারবার নোটিস পাঠানোর পরও কোনও রিপোর্ট দাখিল করেননি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষা করেছেন তাঁরা। সেই কারণেই জনপ্রতিনিধি আইন ৩২ ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে তিনটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার জেলাশাসক মেধা রূপম। তিনি এখন জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন।প্রশাসন সূত্রে খবর, বহুবার ফোন এবং লিখিত নির্দেশ পাঠিয়েও কাজের অগ্রগতি না পাওয়ায় শেষমেশ কঠোর সিদ্ধান্তে পৌঁছয় প্রশাসন। শুধু নয়ডা নয়, একইভাবে বেহরিচ জেলাতেও সাসপেন্ড করা হয়েছে দুই বিএলওকে। প্রথমজন শামা নাফিজস্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষিকা। তাঁকে বিএলওর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি কোনও কাজই করেননি বলে অভিযোগ। এমনকি ফোন করলেও তিনি রিসিভ করতেন না। দ্বিতীয় সাসপেন্ড হওয়া বিএলও অনুরাগের বিরুদ্ধেও অভিযোগতিনি দায়িত্ব নিয়ে কাজই করেননি।বিএলওদের মৃত্যুর ঘটনার পর যেখানে কমিশন ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে সর্বত্র, সেখানে এত বড় সংখ্যায় সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশাসনের কঠোর অবস্থান যেমন স্পষ্ট, তেমনি মাঠপর্যায়ের কর্মীদের চাপ-অস্বচ্ছতা ও দুরবস্থার ছবিও ফের সামনে চলে এসেছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
কলকাতা

বড়বাজারে ভোরবেলার দহনলীলায় ছাই শতাধিক দোকান! ২৪ ইঞ্জিনের লড়াইয়ে আগুন কাবু

শনিবার ভোরে ঘুম ভাঙতেই বড়বাজারের এজরা স্ট্রিট জীবন্ত নরক। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হঠাৎই একটি ইলেকট্রিক সামগ্রীর দোকানের দ্বিতীয় তলায় আগুন ধরা মাত্র মুহূর্তে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। ঘিঞ্জি বাজার, সারি সারি বৈদ্যুতিন সামগ্রী, তার, এসি, ইনভার্টারসব মিলিয়ে আগুন মুহূর্তে ভয়াবহ রূপ নেয়। বিস্ফোরণের মতো দুমদাম শব্দে একের পর এক ইলেকট্রনিক জিনিস ফেটে যেতে থাকে। আশেপাশের বাসিন্দারা দৌড়ে এসে নিজেরাই জল ঢালার চেষ্টা করেন, কিন্তু আগুনের দাপট এতটাই বেশি যে কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো ভবনটিই আগুনের গ্রাসে চলে যায়।খবর পেয়ে প্রথমে দমকলের ছটি ইঞ্জিন আসে, পরে একে একে বাড়তে বাড়তে ২৪টি ইঞ্জিন নামানো হয় আগুন নেভাতে। কিন্তু ঘিঞ্জি গলি, উঁচু ভবন, দাহ্য সামগ্রীর মজুত এবং প্রচণ্ড তাপসব মিলিয়ে দমকলের জন্য কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে রাস্তার উল্টো দিকের আরও একটি বিল্ডিংয়েও। প্রথমে একটি তলা জ্বলতে দেখা গেলেও মুহূর্তে আগুন লাফিয়ে ওঠে তলা থেকে তলায়, শেষে ছাদ পর্যন্ত আগুন গ্রাস করে ফেলে। সিলিন্ডার ফাটার শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে বারবার। চিৎকার-চেঁচামেচি, দমকলের সাইরেন, বিস্ফোরণের আওয়াজপুরো বড়বাজার এলাকায় তৈরি হয় আতঙ্কের পরিবেশ।দমকল কর্মীরা দুই দিক থেকে জল মারছেন, কিন্তু যে বিল্ডিংয়ে প্রথম আগুন লেগেছিল, তার মাঝের অংশে পৌঁছনোই প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। টিনের ছাদ আগুনে লাল হয়ে থাকায় সেখানে দাঁড়ানোটাই বিপজ্জনক। স্থানীয় বাসিন্দারাও বাড়ির ছাদ থেকে দমকলকে সাহায্য করছেন। আগুন যাতে আর ছড়িয়ে না পড়ে সেই কারণে আশেপাশের বাড়িগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।প্রায় পাঁচ ঘণ্টার লড়াইয়ের পর সকাল দশটা নাগাদ আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তার আগে ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। দমকল সূত্র জানিয়েছে, অন্তত একশোরও বেশি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই দাহনে। বহু দোকানদারের সারাজীবনের সঞ্চয়, মালপত্রসবই চোখের সামনে ছাই হয়ে গিয়েছে। হাহাকার চারদিকে। তদন্তে দমকল এখন খতিয়ে দেখছে আগুন লাগার কারণশর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও সমস্যা।বড়বাজারের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহরবাসীকে আবারও মনে করিয়ে দিলঅতিরিক্ত দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকলে এবং সংকীর্ণ গলিতে দোকান সাজালে বিপদ কতটা দ্রুত ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

ধোঁয়ার ঢাকল রাস্তা, দমকল পৌঁছাতে দেরি — দাউ দাউ করে জ্বলছে ডালহৌসির ওয়ার্কশপ!

শহরের ঘিঞ্জি ও সরু গলিতে এক ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখা যায়, R. N. Mukherjee Road-২১ নম্বরে গাড়ি যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী একটি কারখানায় অগ্নি বিষয়ক এক বিপর্যয় শুরু হয়েছে। ওই গোডাউনের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে তৈল, রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থযার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।ঘণ্টা সাড়ে দশটার সময়, কারখানার পিছন দিক থেকে ধোঁয়ার গোলা বের হতে দেখেন সামনের দোকানের কর্মীরা। সরু গলি হেঁকে তারা এগিয়ে গিয়ে পরে বুঝতে পারেন, এক এক করে লেলিহান শিখা ছুঁইড়ে উঠছে। প্রথমে আশপাশের দোকানিরা হাঁসফাঁস করে জল ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে, সঙ্গে সঙ্গে গোডাউনের ভিতরে থাকা কয়েকজনকে সরে যেতে বলে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসে।কিন্তু নির্মাণকারীর বানানো এসব গাড়ি যন্ত্রাংশের সঙ্গে যুক্ত তৈল-রাসায়নিক মজুত থাকায়, আগুন যেন দ্রুত পাহাড় হয়ে উপচে পড়ছেদহনের পরিমাণ বাড়তেই থাকে। প্রথমে দুইটি দমকল ইঞ্জিন এসে কাজে লেগেছিল, পরে আরও তিনটি যোগ হয়। তবে ধোঁয়ার কালো গ্যালাকে ঘিরে পুরো এলাকা মুহূর্তে দৃশ্যমানতা হারিয়ে ফেলে। দমকলকর্মীরা ভয়ডরেই ঝুঁকি নিয়ে ভিতরে ঢুকছেন, যেখানে শ্বাস নেওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে পড়েছে।ঘটনাস্থলেই আশপাশের দোকান ও অফিসগুলো খালি করে দেওয়া হয়েছে; মানুষ একটু একটু করে সরিয়ে নিচ্ছেন নিরাপদ স্থানগুলোতে। পরবর্তী খবর পাওয়া গেছে যে, আরও বেশি ইঞ্জিন-যান পাঠানো হতে পারে, কারণ আগুন নিয়ন্ত্রণে এখনও দমকলকর্মীদের পুরোপুরি সফল হতে পারেনি।এই ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডটি শুধু রোডের ওই এক কোণেই সীমাবদ্ধ নয় সরু গলিতে বসে থাকা ছোট দোকান, অফিস, আশপাশের জনসংখ্যার সমান-সমানে ঝুঁকিতে রয়েছে। অবস্থা নজিরবিহীন; শহরের মুখে এমন দাহ্য দৃশ্য বিরল। কর্তৃপক্ষ দ্রুত হস্তক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে।এই মুহূর্তে অনুসন্ধান চলছে কারখানার ভিতরে কী কারণে আগুন ধরল, নিরাপত্তার দিক থেকে কোনো আশঙ্কাজনক অবহেলা ছিল কি না। যেমন-তেমনেই এই খবর এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, অনেকেই ইতিমধ্যেই ঘটনা দেখে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন; ধোঁয়ার লম্বা দাগ, শিখার তীব্রতা, ভীতসন্ত্রস্ত দোকানিরাসবই চোখে ধরা পড়ছে।আপনি যদি এলাকা ঘিরে থাকেন বা পরিচিত কেউ সেখানে থাকেন, তাহলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাচাই করে নেওয়া জরুরি। এই মুহূর্তে আতঙ্কিত নয়, সচেতন থাকাই সবচেয়ে বড় কারণ যে কোনো অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে এই ধরনের বিপর্যয় মুহূর্তেই বিভীষিকায় পরিণত হতে পারে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
বিদেশ

ইউক্রেনে বিধ্বংসী হামলা রাশিয়ার! ভয়াবহ আগুনে জ্বলে খাক জেলেনস্কির অফিস, পরপর মৃত্যু

রাশিয়ার নতুন আক্রমণের পর ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের একটি প্রশাসনিক ভবনে ভয়াবহ আগুন লেগেছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভ সামরিক প্রশাসনের প্রধান টিমার তাকাচেঙ্কো। আগুন লাগার পর পেচেরস্কি জেলার ওই ভবন থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়, যা ইউক্রেনীয় সরকারের কেন্দ্রীয় ভবনের কাছাকাছি অবস্থিত।ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিডেনকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, এই প্রথমবার রুশ হামলায় কোনো সরকারি ভবনের ছাদ ও উপরের তলা ক্ষতিগ্রস্ত হলো। কিয়েভে এই আক্রমণে তিনজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন, এবং সরকারি ভবন ছাড়াও একাধিক স্থাপনায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটসকো জানান, প্রথমে ড্রোন হামলা এবং পরবর্তীতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ফলে ভবনে আগুন ধরে যায়। জরুরি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত একটি আবাসিক ভবনের চারটির মধ্যে দুটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সভিয়াতোশিনস্কি জেলায় নয়তলা একটি ভবনের কয়েকটি অংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া, ধ্বংসাবশেষ পড়ে ১৬ তলা ও দুটি নয়তলা ভবনে আগুন লাগে। তাকাচেঙ্কোর মতে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবেই বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে।অন্যদিকে, ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রেমেনচুকে একাধিক বিস্ফোরণে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন মেয়র ভিতালি মালেটস্কি। একই অঞ্চলের ক্রিভি রিহ শহরে রুশ হামলায় পরিবহন ব্যবস্থা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেকজান্ডার ভিলকুল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

জমি দখলের চেষ্টা তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠের, জোট বেঁধে তাড়ালেন মহিলারা

আবারও তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল করার অভিযোগ। এবার ঘটনাস্থল নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের হরপুর এলাকার।অভিযোগ, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হালদারের বিরুদ্ধে। হরপুর এলাকায় জোর করে সরকারি ওয়েটল্যাণ্ড দখল করার অভিযোগ।পাট্টাভুক্ত দখলকারি জমি দখল করে রেস্টুরেন্টে বানানোর চেষ্টা করলে এলাকার মহিলারা সেখানে উপস্থিত হয়ে সেগুলি ভেঙে দেয়। এমনকি তৃণমূল নেতার সাগরেদদের সেখানে তাড়িয়ে দেয়। সেই ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছে।শুধুমাত্র হরপুর নয় খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এভাবেই সরকারি জমি দখল করে ওয়েটল্যাণ্ডে কংক্রিটের নির্মাণ চলছে। যা দেখে না দেখার ভান প্রশাসনের।চাষীরা নিজেদের জমি ফিরে পেতে চায়! তবে আদৌ কি তাঁরা জমি ফিরে পাবেন নাকি কোন এক অজ্ঞাত কারণে আবারও চলবে এই জমি দখল! বলবে সময়।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
দেশ

দিল্লি Aiims এ ভয়াবহ আগুন! তুমুল চাঞ্চল্য হুলস্থূল কান্ড

রাজধানীর অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)এর মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লক এবং ট্রমা সেন্টারের নিকটবর্তী ট্রান্সফরমার-এ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই দফা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ে চূড়ান্ত চাঞ্চল্য। তবে দমকলের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং যদিও এদিনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।প্রথম ঘটনাটি ঘটে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লকএ। বিকেল প্রায় ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। হাসপাতালের কর্মীরা দমকলকর্মীদের সঙ্গে মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এর আগে দুপুর প্রায় ৩টে ৩৪ মিনিটে ট্রমা সেন্টারের কাছে থাকা ট্রান্সফরমারএ আগুন লাগে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে মোট আটটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনাতেও কোন হতাহতের খবর নেই।দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, ট্রমা সেন্টারের ট্রান্সফরমারে আগুন লাগে। আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal