• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

FC Goa

খেলার দুনিয়া

মনদীপের জোড়া গোল, দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে হায়দরাবাদকে ধরে ফেলল এটিকে মোহনবাগান

করোনায় আক্রান্ত এফসি গোয়ার বেশ কয়েকজন ফুটবলার। আদৌও এটিকে মোহনবাগানএফসি গোয়া ম্যাচ হবে তো? বুধবার সকাল থেকেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। জল্পনা উড়িয়ে অবশেষে মাঠে নামল দুই দল। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে এফসি গোয়াকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসিকে ছুঁয়ে ফেলল। ১৬ ম্যাচে হায়দবাদের পয়েন্ট ২৯। ১ ম্যাচ কম খেলে এটিকে মোহনবাগানের পয়েন্টও ২৯। গোলপার্থক্যে এটিকে মোহনবাগান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। জোড়া গোল করে সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক মনবীর সিং। তবে লিস্টন কোলাসোর কৃতিত্বও কোনও অংশে কম নয়। মনবীরের দুটি গোলের কারিগর তিনি। তাছাড়া গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসো। এদিন ম্যাচের ৩ মিনিটেই এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেয় লিস্টন কোলাসোমনবীর সিং যুগলবন্দী। লিস্টনের কর্ণার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন মনবীর। শুরুতে গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এফসি গোয়া। দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা দারুণ জমে উঠেছিল। ২৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। জনি কাউকোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। আনোয়ার আলির শট এটিকো মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিংয়ের হাত স্পর্শ করে ক্রশবারে লেগে বেরিয়ে যায়।প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নিজেদের মাঝমাঠ থেকে বল ধরে অনেকটা দৌড়ে এফসি গোয়ার বক্সে ঢুকে পড়ে বাঁ পায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতায় বাঁচান এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজ সিং। না হলে প্রথমার্ধেই ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই আবার গোল। এবারও সেই লিস্টন কোলাসো মনবীর সিং যুগলবন্দী। নিজেদের বক্সের সামনে থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে মনবীরের উদ্দেশ্যে থ্রু বল বাড়ান লিস্টন কোলাসো। সেই বল ধরে এগিয়ে আসা ধীরাজের পাশ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান মনবীর। ৪ মিনিট পরেই হ্যাটট্রিক করার সুযোগ এসেছিল মনবীরের সামনে। ধীরাজকে সামনে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ৫৩ মিনিটে জনি কাউকোও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ৭৬ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ এসেছিল মনবীরের সামনে। শট নিতে দেরি করায় বল বিপদমুক্ত করে দেন এফসি গোয়ার ডিফেন্ডাররা। ৮০ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর বাঁক খাওয়ানো কর্ণার পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কাঙ্খিত জয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের, জোড়া গোল করে নায়ক মহেশ সিং

মানেলো দিয়াজ পারেননি। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংও ব্যর্থ। অবশেষে মারিও রিভেরার হাত ধরেই এবারের আইএসএলে কাঙ্খিত প্রথম জয় পেল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২১ গোলে হারাল এফসি গোয়াকে। ১১ ম্যাচ পর জয়ের মুখ দেখল লালহলুদ শিবির। জয়ের নায়ক নওরেম মহেশ সিং। জোড়া গোল করে তিনিই কাঙ্খিত জয় এনে দিলেন।মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলেন, ভারসাম্য বজায় রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চান। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দল সাজিয়েছিলেন। ৪৩৩ ছকে শুরু করেছিলেন রিভেরা। শুরু থেকেই এফসি গোয়ার ওপর চাপ তৈরি করছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। তার ফলও পায় হাতেনাতে।ম্যাচের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার দুই ফুটবলার নগুয়েরা ও এডু বেদিয়ার ভুল বোঝাবুঝিতে বল পেয়ে যান নওরেম মহেশ সিং। বল ধরে এগিয়ে গিয়ে ডান পায়ের হালকা পুশে তিনি জালে বল পাঠান। ২৪ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। এডু বেদিয়ার কাছ থেকে বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে বাইরে মারেন রোমারিও।৩৭ মিনিটে সমতা ফেরায় এফসি গোয়া। মাঝমাঠ থেকে বল এগিয়ে গিয়ে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত পাস বাড়ান জর্জ ওর্টিজ। সেই বল ধরে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে বল জালে পাঠান আলবার্তো নগুয়েরা। ৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার আনোয়ার বল পাস করতে গিয়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের পায়ে জমা দেন। তাঁর দুরন্ত শট বারে লেগে গোললাইনের ভেতরে পড়ে বেরিয়ে আসে।এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দিলেন আদিল খান। লুজ বল ধরে উড়িয়ে দেওয়ার মানসিকতা ছিল না। আক্রমণ গড়ার দিকে নজর দিয়েছিলেন। তবে হীরা মণ্ডলের অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। হীরা না থাকায় তাঁর জায়গায় অঙ্কিত মুখার্জিকে মাঠে নামিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। অনভ্যস্ত জায়গায় প্রথমার্ধে নিজেকে সেভাবে মানিয়ে নিতে পারেননি অঙ্কিত। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ছন্দে ফেরেন।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি গোয়া। কিন্তু লালহলুদ রক্ষণে আদিল খান ও ফ্রাঞ্জো পর্চে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠায় ওর্টিজ, নেগুয়েরোরা গোলের তিনকাঠি খুঁজে পাননি। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন অরিন্দম ভট্টাচার্যও। দক্ষতার শীর্ষে উঠে বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচান। না হলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়া কঠিন হয়ে পড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গলের

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার করোনা হানা, এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ আদৌও হবে তো?‌

১১ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এখনও জয় আসেনি। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে অবস্থান। দলের অন্দরে চূড়ান্ত ডামাডোল। চোটআঘাতের তালিকাও দীর্ধ। বেশ কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। মঙ্গলবার তালিকাটা আরও বেড়েছে। এই অবস্থায় লালহলুদে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন মারিও রিভেরা। বুধবার তাঁর কোচিংয়েই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে মারিও রিভেরা। প্রথম একাদশ গড়তেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। কারণ দলের একাধিক ফুটবলার চোটের কবলে। তার ওপর করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েকজন ফুটবলার কোয়ারেন্টিনে। আর দুএকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হলেই ম্যাচ স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন আগের ৩টি ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে আয়োজকরা। এই রকম সমস্যা সঙ্কুল পরিস্থিতিতেও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন লালহলুদের স্প্যানিশ কোচ। তবে নিজের প্রথছম ম্যাচেই জয়ের কথা ভাবছেন না মারিও রিভেরা। প্রথম লক্ষ্য দলকে ছন্দে নিয়ে আসা। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন তিনি বলেন, মরশুমের মাঝখানে কোনও দলের দায়িত্ব নিলে বুঝতে হয় দলের সবকিছু ঠিকঠাক নেই। আপাতত লক্ষ্য দলকে ছন্দে ফেরানো, ফুটবলারদের মনোবল চাঙ্গা করা। তবে ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে আগের থেকে ভাল ছন্দে রয়েছে। দলের অবস্থা যাইহোক না কেন, প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক খেলার দিকে মন দিতে চান রিভেরা। তিনি বলেন, আমি টোটাল ফুটবলে বিশ্বাসী। আক্রমণাত্মক ফউটবল খেলতে চাই। তবে শুধু আক্রমণাত্মক খেললেই হবে না, রক্ষণও মজবুত রাখতে হবে। এদিকে, ফুটবলারদের তৈরি রাখলেও এপসি গোয়ার বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জানা গেছে, টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আয়োজকদের কাছে ম্যাচ স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে। লালহলুদের বেশ কয়েকজন ফুটবলার চোটের কবলে। তার ওপর বেশ কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। মঙ্গলবার আবার নতুন করে দুজন ফুটবলারের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই অবস্থায় মাঠে নামা কঠিন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত অবশ্য ম্যাচ স্থগিতের কোনও খবর নেই। হয়তো ম্যাচ শুরুর ঘন্টা ৩৪ আগে জানা যাবে আদৌও ম্যাচ হবে কিনা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : দীর্ঘদিন পর গোলে ফিরলেন রয় কৃষ্ণা, আবার জয় এটিকে মোহনবাগানের

আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে সরানোর পরই যেন বদলে গেছে এটিকে মোহনবাগান। ফুটবলারদের মধ্যে যেন বাড়তি জোশ এসে গেছে। জয়ের জন্য সব ফুটবলারই মরিয়া। যার প্রমাণ পাওয়া গেল দুটি ম্যাচে। দায়িত্ব নিয়ে পরপর দুটি ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানকে জয় এনে দিলেন জুয়ান ফেরান্দো। সবুজমেরুণ জিতল ২১ ব্যবধানে। ৬ ম্যাচ পর গোলে ফিরলেন রয় কৃষ্ণা। দিন দশেক আগে এফসি গোয়ারই কোচ ছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। হাবাস অপসারনের পর দলের হাল ফেরাতে তাঁকে গোয়া থেকে হাইজ্যাক করে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। পুরনো দলের বিরুদ্ধে এদিন জুয়ান ফেরান্দোর ছিল বড় পরীক্ষা। স্বসম্মানে উত্তীর্ণ তিনি। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। আগের ম্যাচে জয়ে ফেরায় আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেছে সবুজমেরুণ ফুটবলারদের। তারই নমুনা দেখা গেল এফসি গোয়া ম্যাচে। শুরু থেকেই বিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন লিস্টন কোলাসো, হুগো বোমাসরা। কোচের পদ থেকে হাবাস সরে যাওয়ার বোমাসের মধ্যে যেন বাড়তি তাগিদ। রয় কৃষ্ণা এফসি গোয়ার ডিফেন্ডারদের কড়া নজরে থাকায় সুবিধা করতে পারছিলেন না। সেই সুযোগটা নিলেন লিস্টন কোলাসো ও হুগো বোমাস।২৩ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। নিজেদের রক্ষণভাগ থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল পেয়ে বাঁদিক ধরে এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে ব্যানানা শটে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। লিস্টনের এই শটে কিছু করার ছিল না এফসি গোয়ার গোলকিপারের। ৩০ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। জর্জ ওর্টিজের দুর্দান্ত ফ্রিকিক ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি গোয়া। কিন্তু আঁটোসাঁটো সবুজমেরুণ রক্ষণের সামনে সুবিধা করতে পারছিল না। এরই মধ্যে ৫৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন হুগো বোমাস। কাজে লাগাতে পারেননি। এফসি গোয়ার এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে যায়। কর্ণার পায় এটিকে মোহনবাগান। সেই কর্ণার থেকে বল পেয়ে ডানপায়ের দুরন্ত শটে ব্যবধান বাড়ান রয় কৃষ্ণা। ৮১ মিনিটে ব্যবধান কমায় এফসি গোয়া। গোলের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ওর্টিজের শট অমরিন্দারের হাতে লেগে গোলে ঢোকে। বাকি সময়ে চাপ রাখলেও সমতা ফেরাতে পারেনি এফসি গোয়া।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : তিন–তিনবার সমতা ফিরিয়েও শেষরক্ষা হল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৫ ম্যাচ হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার হার মানোলো দিয়াজের দলের। এবার হার এফসি গোয়ার কাছে। ম্যাচের ফল ৪৩। তিনতিনবার ম্যাচে সমতা ফিরিয়েও হার বাঁচাতে পারল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের সবার শেষে লালহলুদ। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল এফসি গোয়ার। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে এসসি ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন জর্জ ওর্টিজ, আলবার্তো নগুয়েরারা। ১৪ মিনিটে এগিয়েও যায় এফসি গোয়া। ওর্টিজের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন নগুয়েরা। লালহলুদ গোলকিপার শুভম সেনের কিছু করার ছিল না। ২৬ মিনিটে সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। বক্সের অনেকটা বাইরে ফ্রিকিক পায়। পেরোসিভিচের ফ্রিক এফসি গোয়ার ফুটবলারদের গড়া প্রাচীরে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে সমতা ফেরান পেরোসিভচ। নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের গোল। যদিও এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৩২ মিনিটে সৌরভ বসু বক্সের মধ্যে শেরিটনকে ফাউল করেন। সহকারী রেফারির সঙ্গে কথা বলে রেফারি কৃষ্ণা পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে এফসি গোয়াকে আবার এগিয়ে দেন ওর্টিজ। ৩৭ মিনিটে আবার সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিসেভিচের বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রিকিক এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজের সামনে ড্রপ খেয়ে গোলে ঢুকে যায়। ৪৩ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। আলবার্তো নগুয়েরার কর্ণারে দেবেন্দ্র মুরগাঁওকার হেড করেন। দেবেন্দ্রর হেড পেরোসিভিচের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এসসি ইস্টবেঙ্গল। শুরুতেই দুদুটি পরিবর্তন করেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। টমিস্লাভ মার্সেলা ও অমরজিৎ কিয়ামের পরিবর্তে নামান ড্যানিয়েল চিমা ও আদিল খানকে। কিছুটা খেলায় ফেরে লালহলুদ। প্রথমার্ধের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছিল মানোলো দিয়াজের ফুটবলারদের। ৫৯ মিনিটে সমতা ফেরান পেরোসিভিচ। এফসি গোয়ার গ্লেন মার্টিনের ভুল পাস ধরে মাঝমাঠ থেকে একক প্রয়াসে এগিয়ে দারুণ ফিনিশ করেন পেরোসিভিচ। ৬৭ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। নাওরেম মহেশের দুরন্ত পাস ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি চিমা। ৭৮ মিনিটে তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। চিমার সুযোগ নষ্টের এক মিনিট পরেই জয়সূচক গোল তুলে নেয় এফসি গোয়া। ওর্টিজের পাস থেকে নগুয়েরা ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও জয় অধরাই থেকে গেল। অন্যদিকে, এই মরশুমে আইএসএলে প্রথম পয়েন্ট তুলে নিল এফসি গোয়া।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোট–আঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল

গত বছরের মতোই কি এবারও আইএসএলে ব্যর্থতাই সঙ্গী হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের? যেমন শুরু করেছে লালহলুদ, তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চার ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয় নেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এই চার ম্যাচে যে ফুটবল উপহার দিয়েছে মানোলো দিয়াজের দল, অতিবড় লালহলুদ সমর্থকও দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবেন না। প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর ডার্বিতে হার। পরের ম্যাচও পরাজয়। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ড্র করে কিছুটা হলেও মনোবল ফিরে এসেছে লালহলুদ শিবিরের।মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে এফসি গোয়া। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসই ভরসা লালহলুদ শিবিরের কাছে। তবে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটআঘাতে জর্জরিত লালহলুদ শিবির যেন মিনি হাসপাতাল। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য ডার্বি ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন। এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। অঙ্কিত মুখার্জি, বলবন্ত সিং, জ্যাকিচাঁদ সিংরাও চোটের কবলে। মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মানোলো দিয়াজ পাবেন না মহম্মদ রফিক ও ড্যারেন সিডোয়েলকে। শুধু গোয়া ম্যাচেই নয়, বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হবে সিডোয়েলকে। মাঝমাঠের এই বিদেশি হ্যামস্ট্রিংয়ে বেশ ভালোই চোট পেয়েছেন।ফুটবলারদের চোটআঘাত নিয়ে চিন্তিত লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এর জন্য প্রাক মরশুম প্রস্তুতির অভাবকেই দায়ি করেছেন তিনি। দিয়াজ বলেন, প্রস্তুতির জন্য আমরা খুব বেশি সময় পাইনি। ফলে ফুটবলাররা ঘন ঘন চোট পাচ্ছে। কম সময়ের মধ্যে বেশি ম্যাচ খেলতে হওয়ায় ফুটবলাররা ক্লান্ত। ফলে সেরাটা দিতে পারছে না। গোয়ার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ নির্বাচন করাই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানোলো দিয়াজের কাছে।দুটি ম্যাচ ড্র করে এসসি ইস্টবেঙ্গল ঘরে ২ পয়েন্ট তুললেও এফসি গোয়ার অবস্থা আরও করুণ। তিন ম্যাচে একটা পয়েন্টও সংগ্রহ করতে পারেনি। লিগ টেবিলে সবার শেষে থাকলেও এফসি গোয়াকে দারুণ সমীহ করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রথম ৩ ম্যাচে হারলেও গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের গুরুত্ব দিতেই হবে। আমাদের কাছে সব ম্যাচই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। আশা করছি ব্যর্থতা কাটিয়ে গোয়ার বিরুদ্ধে দল ঘুরে দাঁড়াবে। চেন্নাইন ম্যাচ ড্র করে ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal