• ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

FC Goa

খেলার দুনিয়া

মনদীপের জোড়া গোল, দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে হায়দরাবাদকে ধরে ফেলল এটিকে মোহনবাগান

করোনায় আক্রান্ত এফসি গোয়ার বেশ কয়েকজন ফুটবলার। আদৌও এটিকে মোহনবাগানএফসি গোয়া ম্যাচ হবে তো? বুধবার সকাল থেকেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। জল্পনা উড়িয়ে অবশেষে মাঠে নামল দুই দল। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে এফসি গোয়াকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসিকে ছুঁয়ে ফেলল। ১৬ ম্যাচে হায়দবাদের পয়েন্ট ২৯। ১ ম্যাচ কম খেলে এটিকে মোহনবাগানের পয়েন্টও ২৯। গোলপার্থক্যে এটিকে মোহনবাগান রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। জোড়া গোল করে সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক মনবীর সিং। তবে লিস্টন কোলাসোর কৃতিত্বও কোনও অংশে কম নয়। মনবীরের দুটি গোলের কারিগর তিনি। তাছাড়া গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসো। এদিন ম্যাচের ৩ মিনিটেই এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেয় লিস্টন কোলাসোমনবীর সিং যুগলবন্দী। লিস্টনের কর্ণার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন মনবীর। শুরুতে গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এফসি গোয়া। দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা দারুণ জমে উঠেছিল। ২৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। জনি কাউকোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৩৪ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। আনোয়ার আলির শট এটিকো মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিংয়ের হাত স্পর্শ করে ক্রশবারে লেগে বেরিয়ে যায়।প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে নিজেদের মাঝমাঠ থেকে বল ধরে অনেকটা দৌড়ে এফসি গোয়ার বক্সে ঢুকে পড়ে বাঁ পায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতায় বাঁচান এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজ সিং। না হলে প্রথমার্ধেই ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতেই আবার গোল। এবারও সেই লিস্টন কোলাসো মনবীর সিং যুগলবন্দী। নিজেদের বক্সের সামনে থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে মনবীরের উদ্দেশ্যে থ্রু বল বাড়ান লিস্টন কোলাসো। সেই বল ধরে এগিয়ে আসা ধীরাজের পাশ দিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান মনবীর। ৪ মিনিট পরেই হ্যাটট্রিক করার সুযোগ এসেছিল মনবীরের সামনে। ধীরাজকে সামনে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। ৫৩ মিনিটে জনি কাউকোও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। ৭৬ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ এসেছিল মনবীরের সামনে। শট নিতে দেরি করায় বল বিপদমুক্ত করে দেন এফসি গোয়ার ডিফেন্ডাররা। ৮০ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর বাঁক খাওয়ানো কর্ণার পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কাঙ্খিত জয় এসসি ইস্টবেঙ্গলের, জোড়া গোল করে নায়ক মহেশ সিং

মানেলো দিয়াজ পারেননি। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংও ব্যর্থ। অবশেষে মারিও রিভেরার হাত ধরেই এবারের আইএসএলে কাঙ্খিত প্রথম জয় পেল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২১ গোলে হারাল এফসি গোয়াকে। ১১ ম্যাচ পর জয়ের মুখ দেখল লালহলুদ শিবির। জয়ের নায়ক নওরেম মহেশ সিং। জোড়া গোল করে তিনিই কাঙ্খিত জয় এনে দিলেন।মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বলেছিলেন, ভারসাম্য বজায় রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চান। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দল সাজিয়েছিলেন। ৪৩৩ ছকে শুরু করেছিলেন রিভেরা। শুরু থেকেই এফসি গোয়ার ওপর চাপ তৈরি করছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। তার ফলও পায় হাতেনাতে।ম্যাচের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার দুই ফুটবলার নগুয়েরা ও এডু বেদিয়ার ভুল বোঝাবুঝিতে বল পেয়ে যান নওরেম মহেশ সিং। বল ধরে এগিয়ে গিয়ে ডান পায়ের হালকা পুশে তিনি জালে বল পাঠান। ২৪ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। এডু বেদিয়ার কাছ থেকে বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে বাইরে মারেন রোমারিও।৩৭ মিনিটে সমতা ফেরায় এফসি গোয়া। মাঝমাঠ থেকে বল এগিয়ে গিয়ে বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত পাস বাড়ান জর্জ ওর্টিজ। সেই বল ধরে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে বল জালে পাঠান আলবার্তো নগুয়েরা। ৪২ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। এফসি গোয়ার আনোয়ার বল পাস করতে গিয়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের পায়ে জমা দেন। তাঁর দুরন্ত শট বারে লেগে গোললাইনের ভেতরে পড়ে বেরিয়ে আসে।এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দিলেন আদিল খান। লুজ বল ধরে উড়িয়ে দেওয়ার মানসিকতা ছিল না। আক্রমণ গড়ার দিকে নজর দিয়েছিলেন। তবে হীরা মণ্ডলের অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। হীরা না থাকায় তাঁর জায়গায় অঙ্কিত মুখার্জিকে মাঠে নামিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। অনভ্যস্ত জায়গায় প্রথমার্ধে নিজেকে সেভাবে মানিয়ে নিতে পারেননি অঙ্কিত। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ছন্দে ফেরেন।সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি গোয়া। কিন্তু লালহলুদ রক্ষণে আদিল খান ও ফ্রাঞ্জো পর্চে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠায় ওর্টিজ, নেগুয়েরোরা গোলের তিনকাঠি খুঁজে পাননি। তিনকাঠির নিচে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন অরিন্দম ভট্টাচার্যও। দক্ষতার শীর্ষে উঠে বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচান। না হলে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়া কঠিন হয়ে পড়ত এসসি ইস্টবেঙ্গলের

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার করোনা হানা, এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ আদৌও হবে তো?‌

১১ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। এখনও জয় আসেনি। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে অবস্থান। দলের অন্দরে চূড়ান্ত ডামাডোল। চোটআঘাতের তালিকাও দীর্ধ। বেশ কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। মঙ্গলবার তালিকাটা আরও বেড়েছে। এই অবস্থায় লালহলুদে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন মারিও রিভেরা। বুধবার তাঁর কোচিংয়েই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে মারিও রিভেরা। প্রথম একাদশ গড়তেই হিমসিম খেতে হচ্ছে। কারণ দলের একাধিক ফুটবলার চোটের কবলে। তার ওপর করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েকজন ফুটবলার কোয়ারেন্টিনে। আর দুএকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হলেই ম্যাচ স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন আগের ৩টি ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে আয়োজকরা। এই রকম সমস্যা সঙ্কুল পরিস্থিতিতেও ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন লালহলুদের স্প্যানিশ কোচ। তবে নিজের প্রথছম ম্যাচেই জয়ের কথা ভাবছেন না মারিও রিভেরা। প্রথম লক্ষ্য দলকে ছন্দে নিয়ে আসা। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন তিনি বলেন, মরশুমের মাঝখানে কোনও দলের দায়িত্ব নিলে বুঝতে হয় দলের সবকিছু ঠিকঠাক নেই। আপাতত লক্ষ্য দলকে ছন্দে ফেরানো, ফুটবলারদের মনোবল চাঙ্গা করা। তবে ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে আগের থেকে ভাল ছন্দে রয়েছে। দলের অবস্থা যাইহোক না কেন, প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক খেলার দিকে মন দিতে চান রিভেরা। তিনি বলেন, আমি টোটাল ফুটবলে বিশ্বাসী। আক্রমণাত্মক ফউটবল খেলতে চাই। তবে শুধু আক্রমণাত্মক খেললেই হবে না, রক্ষণও মজবুত রাখতে হবে। এদিকে, ফুটবলারদের তৈরি রাখলেও এপসি গোয়ার বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। জানা গেছে, টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আয়োজকদের কাছে ম্যাচ স্থগিতের আবেদন জানানো হয়েছে। লালহলুদের বেশ কয়েকজন ফুটবলার চোটের কবলে। তার ওপর বেশ কয়েকজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। মঙ্গলবার আবার নতুন করে দুজন ফুটবলারের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই অবস্থায় মাঠে নামা কঠিন। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত অবশ্য ম্যাচ স্থগিতের কোনও খবর নেই। হয়তো ম্যাচ শুরুর ঘন্টা ৩৪ আগে জানা যাবে আদৌও ম্যাচ হবে কিনা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : দীর্ঘদিন পর গোলে ফিরলেন রয় কৃষ্ণা, আবার জয় এটিকে মোহনবাগানের

আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে সরানোর পরই যেন বদলে গেছে এটিকে মোহনবাগান। ফুটবলারদের মধ্যে যেন বাড়তি জোশ এসে গেছে। জয়ের জন্য সব ফুটবলারই মরিয়া। যার প্রমাণ পাওয়া গেল দুটি ম্যাচে। দায়িত্ব নিয়ে পরপর দুটি ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানকে জয় এনে দিলেন জুয়ান ফেরান্দো। সবুজমেরুণ জিতল ২১ ব্যবধানে। ৬ ম্যাচ পর গোলে ফিরলেন রয় কৃষ্ণা। দিন দশেক আগে এফসি গোয়ারই কোচ ছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। হাবাস অপসারনের পর দলের হাল ফেরাতে তাঁকে গোয়া থেকে হাইজ্যাক করে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। পুরনো দলের বিরুদ্ধে এদিন জুয়ান ফেরান্দোর ছিল বড় পরীক্ষা। স্বসম্মানে উত্তীর্ণ তিনি। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। আগের ম্যাচে জয়ে ফেরায় আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেছে সবুজমেরুণ ফুটবলারদের। তারই নমুনা দেখা গেল এফসি গোয়া ম্যাচে। শুরু থেকেই বিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন লিস্টন কোলাসো, হুগো বোমাসরা। কোচের পদ থেকে হাবাস সরে যাওয়ার বোমাসের মধ্যে যেন বাড়তি তাগিদ। রয় কৃষ্ণা এফসি গোয়ার ডিফেন্ডারদের কড়া নজরে থাকায় সুবিধা করতে পারছিলেন না। সেই সুযোগটা নিলেন লিস্টন কোলাসো ও হুগো বোমাস।২৩ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। নিজেদের রক্ষণভাগ থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল পেয়ে বাঁদিক ধরে এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে ব্যানানা শটে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। লিস্টনের এই শটে কিছু করার ছিল না এফসি গোয়ার গোলকিপারের। ৩০ মিনিটে সমতা ফেরাতে পারত এফসি গোয়া। জর্জ ওর্টিজের দুর্দান্ত ফ্রিকিক ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এফসি গোয়া। কিন্তু আঁটোসাঁটো সবুজমেরুণ রক্ষণের সামনে সুবিধা করতে পারছিল না। এরই মধ্যে ৫৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন হুগো বোমাস। কাজে লাগাতে পারেননি। এফসি গোয়ার এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল বাইরে যায়। কর্ণার পায় এটিকে মোহনবাগান। সেই কর্ণার থেকে বল পেয়ে ডানপায়ের দুরন্ত শটে ব্যবধান বাড়ান রয় কৃষ্ণা। ৮১ মিনিটে ব্যবধান কমায় এফসি গোয়া। গোলের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ওর্টিজের শট অমরিন্দারের হাতে লেগে গোলে ঢোকে। বাকি সময়ে চাপ রাখলেও সমতা ফেরাতে পারেনি এফসি গোয়া।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : তিন–তিনবার সমতা ফিরিয়েও শেষরক্ষা হল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

৫ ম্যাচ হয়ে গেল। এবারের আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখতে পেল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার হার মানোলো দিয়াজের দলের। এবার হার এফসি গোয়ার কাছে। ম্যাচের ফল ৪৩। তিনতিনবার ম্যাচে সমতা ফিরিয়েও হার বাঁচাতে পারল না এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলের সবার শেষে লালহলুদ। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল এফসি গোয়ার। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে এসসি ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন জর্জ ওর্টিজ, আলবার্তো নগুয়েরারা। ১৪ মিনিটে এগিয়েও যায় এফসি গোয়া। ওর্টিজের কাছ থেকে বল পেয়ে ডান পায়ের দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন নগুয়েরা। লালহলুদ গোলকিপার শুভম সেনের কিছু করার ছিল না। ২৬ মিনিটে সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। বক্সের অনেকটা বাইরে ফ্রিকিক পায়। পেরোসিভিচের ফ্রিক এফসি গোয়ার ফুটবলারদের গড়া প্রাচীরে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে বাঁপায়ের দুরন্ত শটে সমতা ফেরান পেরোসিভচ। নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের গোল। যদিও এই সমতা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৩২ মিনিটে সৌরভ বসু বক্সের মধ্যে শেরিটনকে ফাউল করেন। সহকারী রেফারির সঙ্গে কথা বলে রেফারি কৃষ্ণা পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে এফসি গোয়াকে আবার এগিয়ে দেন ওর্টিজ। ৩৭ মিনিটে আবার সমতা ফেরায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডার্বিসেভিচের বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রিকিক এফসি গোয়া গোলকিপার ধীরাজের সামনে ড্রপ খেয়ে গোলে ঢুকে যায়। ৪৩ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় এফসি গোয়া। আলবার্তো নগুয়েরার কর্ণারে দেবেন্দ্র মুরগাঁওকার হেড করেন। দেবেন্দ্রর হেড পেরোসিভিচের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে এসসি ইস্টবেঙ্গল। শুরুতেই দুদুটি পরিবর্তন করেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। টমিস্লাভ মার্সেলা ও অমরজিৎ কিয়ামের পরিবর্তে নামান ড্যানিয়েল চিমা ও আদিল খানকে। কিছুটা খেলায় ফেরে লালহলুদ। প্রথমার্ধের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছিল মানোলো দিয়াজের ফুটবলারদের। ৫৯ মিনিটে সমতা ফেরান পেরোসিভিচ। এফসি গোয়ার গ্লেন মার্টিনের ভুল পাস ধরে মাঝমাঠ থেকে একক প্রয়াসে এগিয়ে দারুণ ফিনিশ করেন পেরোসিভিচ। ৬৭ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। নাওরেম মহেশের দুরন্ত পাস ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি চিমা। ৭৮ মিনিটে তাঁর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। চিমার সুযোগ নষ্টের এক মিনিট পরেই জয়সূচক গোল তুলে নেয় এফসি গোয়া। ওর্টিজের পাস থেকে নগুয়েরা ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেলেও জয় অধরাই থেকে গেল। অন্যদিকে, এই মরশুমে আইএসএলে প্রথম পয়েন্ট তুলে নিল এফসি গোয়া।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ISL : গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোট–আঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল

গত বছরের মতোই কি এবারও আইএসএলে ব্যর্থতাই সঙ্গী হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের? যেমন শুরু করেছে লালহলুদ, তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। চার ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয় নেই এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এই চার ম্যাচে যে ফুটবল উপহার দিয়েছে মানোলো দিয়াজের দল, অতিবড় লালহলুদ সমর্থকও দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবেন না। প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর ডার্বিতে হার। পরের ম্যাচও পরাজয়। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ড্র করে কিছুটা হলেও মনোবল ফিরে এসেছে লালহলুদ শিবিরের।মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে এফসি গোয়া। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাসই ভরসা লালহলুদ শিবিরের কাছে। তবে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটআঘাতে জর্জরিত লালহলুদ শিবির যেন মিনি হাসপাতাল। গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য ডার্বি ম্যাচে চোট পেয়েছিলেন। এখনও খেলার মতো জায়গায় আসেননি। অঙ্কিত মুখার্জি, বলবন্ত সিং, জ্যাকিচাঁদ সিংরাও চোটের কবলে। মঙ্গলবার এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মানোলো দিয়াজ পাবেন না মহম্মদ রফিক ও ড্যারেন সিডোয়েলকে। শুধু গোয়া ম্যাচেই নয়, বেশ কিছুদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হবে সিডোয়েলকে। মাঝমাঠের এই বিদেশি হ্যামস্ট্রিংয়ে বেশ ভালোই চোট পেয়েছেন।ফুটবলারদের চোটআঘাত নিয়ে চিন্তিত লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। এর জন্য প্রাক মরশুম প্রস্তুতির অভাবকেই দায়ি করেছেন তিনি। দিয়াজ বলেন, প্রস্তুতির জন্য আমরা খুব বেশি সময় পাইনি। ফলে ফুটবলাররা ঘন ঘন চোট পাচ্ছে। কম সময়ের মধ্যে বেশি ম্যাচ খেলতে হওয়ায় ফুটবলাররা ক্লান্ত। ফলে সেরাটা দিতে পারছে না। গোয়ার বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ নির্বাচন করাই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানোলো দিয়াজের কাছে।দুটি ম্যাচ ড্র করে এসসি ইস্টবেঙ্গল ঘরে ২ পয়েন্ট তুললেও এফসি গোয়ার অবস্থা আরও করুণ। তিন ম্যাচে একটা পয়েন্টও সংগ্রহ করতে পারেনি। লিগ টেবিলে সবার শেষে থাকলেও এফসি গোয়াকে দারুণ সমীহ করছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রথম ৩ ম্যাচে হারলেও গোয়া যথেষ্ট শক্তিশালী দল। ওদের গুরুত্ব দিতেই হবে। আমাদের কাছে সব ম্যাচই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। আশা করছি ব্যর্থতা কাটিয়ে গোয়ার বিরুদ্ধে দল ঘুরে দাঁড়াবে। চেন্নাইন ম্যাচ ড্র করে ফুটবলাররা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মমতার হারের পর তৃণমূলে নতুন সমীকরণ! বিধানসভায় বড় দায়িত্ব পেলেন কারা?

পনেরো বছর পর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ফলে এবার বিধানসভায় বিরোধী আসনে বসতে হবে তৃণমূলকে। আর সেই কারণেই বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জোর জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।অবশেষে শনিবার সেই জল্পনার অবসান ঘটাল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই হচ্ছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা।একই সঙ্গে বিধানসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলের চিফ হুইপ করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। এছাড়াও ডেপুটি বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্র।ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস মোট ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করেছে। ভবানীপুর কেন্দ্রেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে।ফল ঘোষণার পর তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সেই বৈঠকে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। অবশেষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করল দল।রাজনৈতিক মহলের মতে, অভিজ্ঞতা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের কারণেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী দিনে বিধানসভায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তৃণমূলের মুখ হিসেবেই দেখা যাবে তাঁকে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

“আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দিয়েছে”, বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করে চলেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণনাকেন্দ্রে তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে আগেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন কালীঘাটের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নতুন অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, বাড়ির ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছে।শনিবার কালীঘাটে রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, বিজেপি জেতার রাত থেকেই তাঁর নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। মমতার কথায়, ওরা যেদিন জিতেছে, সেই রাত থেকেই আমাদের সব নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে। তার পর দেখলাম ফোন আসছে না, মেসেজ ঢুকছে না। পরে বুঝলাম আমার বাড়ির ইন্টারনেটও কেটে দেওয়া হয়েছে। অন্তত এক ঘণ্টা আগে জানাতে পারত। তবে আমি ওদের দয়া চাই না। কারণ লড়াইটা আমরাই জিতেছি।এর আগেও গণনার দিন গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, গণনাকেন্দ্রে ঢোকার সময় তাঁকে বাধা দেওয়া হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে মারধর করেন। তাঁর অভিযোগ, আমি এগিয়ে ছিলাম। তার পর বিজেপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়, লাঠি মারা হয়। তখন সিসিটিভিও বন্ধ ছিল।মমতার এই ধারাবাহিক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ইতিহাসে হাত শুভেন্দুর! নতুন বিতর্কে সরগরম বাংলা

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ব্রিগেড ময়দানে শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান তিনি। সেখানে শ্রদ্ধা জানানোর পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস ১৯৪৭ সালের ২০ জুন হওয়া উচিত। তাঁর দাবি, ওই দিন বাংলাভাগের সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। তিনি জানান, এই বিষয়টি মন্ত্রিসভা এবং বিধানসভায় তোলা হবে। শুভেন্দুর কথায়, ইতিহাস বদলে দেওয়া যায় না। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমাদের অবস্থাও বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘু হিন্দুদের মতো হতে পারত।১৯৪৭ সালের ২০ জুন অবিভক্ত বাংলার আইনসভায় বাংলাভাগের প্রস্তাব ওঠে। ভোটাভুটিতে বাংলাভাগের পক্ষে মত পড়ে। তার ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয় এবং পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। এই ঘটনাকেই সামনে রেখে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও এই দিনটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালন করে। লোকভবনেও প্রতি বছর ২০ জুন অনুষ্ঠান হয়।তবে তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই সিদ্ধান্ত মানতে চায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে রাজ্য বিধানসভায় পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই তারিখ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছিল। এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে সেই বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত মিলল শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যে।রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিনেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভাবনাকে সামনে এনে শুভেন্দু স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিলেন। আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে।মেটা বর্ণনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পয়লা বৈশাখের বদলে ২০ জুনকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা দিবস করার কথা বলতেই শুরু তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

বিজেপিকে ঠেকাতে বাম-অতিবামদের ডাক মমতার! কালীঘাট থেকে বড় বার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

একসময় তৃণমূলকে হারাতে সব বিরোধী শক্তিকে একজোট হওয়ার ডাক দিত বিজেপি। এবার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের পর একই বার্তা শোনা গেল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। বিজেপিকে রুখতে বাম, অতিবাম-সহ সব বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একসঙ্গে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে কালীঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, ফিরহাদ হাকিম, কুণাল ঘোষ-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা। সেই অনুষ্ঠান থেকেই বিরোধী ঐক্যের বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি আবেদন জানাচ্ছি, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করছে তারা সবাই একজোট হোন। ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক সংগঠন সবাই এক প্ল্যাটফর্মে আসুন। বাম, অতিবামদের নিয়েও আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার কোনও ইগো নেই। বিজেপিকে রুখতে হলে সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পরই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন একক শক্তিতে লড়াই করা তৃণমূল এখন বুঝতে পারছে যে বিজেপির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিরোধী জোট গড়া জরুরি। সেই কারণেই বাম ও অতিবাম দলগুলিকেও পাশে চাওয়ার বার্তা দিলেন মমতা।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বামের ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে যাওয়াই এবারের নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই বাম ভোটব্যাঙ্ককে ফের একত্রিত করার চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপি বিরোধী সব শক্তিকে এক ছাতার তলায় আনার বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন মমতা।তবে মমতার এই আহ্বান নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে ঠিক করুন তিনি বিরোধী রাজনীতি করবেন কি না। বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যের কথা যখনই উঠেছে, তখনই তিনি ভাঙনের রাজনীতি করেছেন। তাই এখন তাঁর কথায় কতটা বিশ্বাস করা যায়, সেটাই প্রশ্ন।অন্যদিকে সিপিএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য বলেন, বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকেই রাস্তায় নামতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মতো আন্দোলন করুন, আমরাও করব।বাংলার রাজনীতিতে এই মুহূর্তে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বিজেপির উত্থানের পর বিরোধী শক্তিগুলির মধ্যে নতুন করে জোট রাজনীতির আলোচনা শুরু হওয়ায় রাজ্যের রাজনীতি আরও উত্তপ্ত হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর শপথ মঞ্চে নজর কাড়লেন এই প্রবীণ নেতা, জানেন তাঁর পরিচয়?

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস গড়ল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে ব্রিগেড ময়দান।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি বরাবরই বাংলায় নিজেদের রাজনৈতিক লড়াইকে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শের সঙ্গে যুক্ত করে এসেছে। ফল ঘোষণার দিনও বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই সময়ের অন্যতম সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক দায়িত্বও সামলান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্যকে বিজেপিতে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি দলের।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডের মঞ্চে আবেগঘন মুহূর্ত! মোদির আলিঙ্গনে উঠে এলেন ৯৭ বছরের প্রবীণ নেতা

রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ইতিহাস তৈরি করল বিজেপি। বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা ব্রিগেড।তবে শপথ অনুষ্ঠানের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়লেন ৯৭ বছরের প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতাকে মঞ্চে বিশেষ সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী এবং শাল পরিয়ে সম্মান জানান। সেই মুহূর্ত ঘিরে আবেগ ছড়িয়ে পড়ে ব্রিগেডের মঞ্চে।মাখনলাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। তাঁকে শিলিগুড়িতে বিজেপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবেও ধরা হয়। বিজেপি সূত্রে দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শেষযাত্রার সঙ্গীও ছিলেন তিনি।এদিন মাখনলাল সরকারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দেশের সংবিধান এবং অখণ্ডতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আর সেই ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী ছিলেন মাখনলাল সরকার। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি দলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন বলে তাঁকে সম্মান জানানো হয়।জানা গিয়েছে, স্বাধীনতার পর জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে প্রথম সারি থেকেই যুক্ত ছিলেন মাখনলাল সরকার। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নেওয়ার সময় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।পরে বিজেপি গঠনের পর পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলায় সংগঠন শক্তিশালী করার দায়িত্ব পান তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাজার হাজার সদস্য সংগঠনে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বলে দাবি বিজেপির।শমীক ভট্টাচার্য আরও জানান, একসময় দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার জন্য দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আদালতে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি রাজি হননি। উল্টে বিচারকের সামনেই সেই গান আবার গেয়েছিলেন। পরে বিচারক তাঁকে বাড়ি ফেরার জন্য প্রথম শ্রেণির টিকিট এবং যাত্রার খরচ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন শমীক।ব্রিগেডের শপথ মঞ্চে মাখনলাল সরকারকে ঘিরে এই আবেগঘন মুহূর্ত এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

রাজ্য়ের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু! সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচ মন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। শুক্রবার নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠকে তাঁকেই পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু ছাড়া দ্বিতীয় কোনও নাম প্রস্তাবই করা হয়নি। যদিও বিধায়কদের অন্য নাম প্রস্তাব করার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান অমিত শাহ।শুভেন্দুর নাম ঘোষণা হওয়ার পর তাঁকে পদ্মফুল তুলে সংবর্ধনা দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেও তখন উচ্ছ্বাস দেখা যায়।২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক চমক তৈরি করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় রাজ্যে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।তবে এবারের নির্বাচনে আবারও বড় জয় পান শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন তিনি। এরপর থেকেই বিজেপির অন্দরে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির এই ঐতিহাসিক জয়ের পিছনে শুভেন্দুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং সংগঠনের উপর দখলও তাঁর পক্ষে গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর নামেই সিলমোহর দিল বিজেপি নেতৃত্ব।

মে ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal