• ১৪ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ex-Footballer

খেলার দুনিয়া

ক্ষিপ্ত প্রাক্তন ফুটবলাররা, কড়া চিঠি ইস্টবেঙ্গলকে

ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটে এখনও আটকে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দলগঠন প্রক্রিয়া। গত বছরের মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তো? আশঙ্কার প্রাক্তন ফুটবলাররা। ক্লাবকে যাতে কলঙ্কের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য আসরে নামলেন তাঁরা। কড়া চিঠি পাঠালেন ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদারকে।নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর প্রায় একমাস কেটে গেছে। দলগঠন প্রক্রিয়া এখনও সেভাবে এগোয়নি। যার জন্য বিরক্ত হয়ে পড়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। সোমবার প্রাক্তন ফুটবলারদের পক্ষ থেকে প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মিহির বসু, কৃষ্ণেন্দু রায় এবং সুমিত মুখার্জি ক্লাবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।ইস্টবেঙ্গল সচিবকে দেওয়া চিঠিকে প্রাক্তন ফুটবলাররা লিখেছেন, ইস্টবেঙ্গলের অগুণিত সমর্থকদের মতো আমরাও চিন্তিত ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে। ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর ২৪-২৫ দিন পার হয়ে গেছে। এখনও চুক্তিপত্রে সই হয়নি। নতুন ফুটনলারের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। এই অবস্থায় আমরা চাই ক্লাব এবং ইনভেস্টারের যৌথ উদ্যোগে এ বছর ইস্টবেঙ্গল তার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনুক। ক্লাবের সাবেক কর্তাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা এ-ও বুঝিয়ে দিয়েছে কোনও ভাবেই হাতের সামনে পাওয়া ফুটবলার সই করিয়ে কোনও মতে আইএসএল-এ নামা চলবে না। তাতে ক্লাবের ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হবে। তাঁরা বলেছেন, আপনারা তখনই টিম নামান যখন আইএসএলের উপযুক্ত টিম করতে পারবেন। আর যদি না পারেন তবে লোক দেখানো টিম নামিয়ে ক্লাবের ইতিহাসকে কালিমালিপ্ত করবেন না। তা হলে কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ, আইএফএ শিল্ড খেলুন কিন্তু এ ভাবে আইএসএলে খেলবেন না। আইএসএলে খেলতে হলে আইএসএলের মতো করেই খেলুন। নতুন মরসুমের দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্লাবের অনুরোধে আই লিগ এবং সন্তোষ ট্রফি দেখে বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারের একটি তালিকা ক্লাবের হাতে তুলে দিয়েছিল এই প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। এ দিন সেই ব্যপারে কত দূর ক্লাব এগিয়েছে সেই বিষয়েও জানতে চেয়েছেন এই কিংবদন্তি প্রাক্তনীরা।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়নি, কেন এমন বললেন লালহলুদের প্রাক্তনরা?‌

একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে ওরা ঘাম ঝড়িয়েছেন। লালহলুদের ব্যর্থতায় আজও ওদের প্রাণ কাঁদে। চলতি আইএসএলে দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১৫ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে। প্রিয় ক্লাবের ব্যর্থতায় যেমন হতাশ সদস্যসমর্থকরা, তেমনই হতাশ একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো প্রাক্তন ফুটবলাররা। কীভাবে ক্লাবের মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগী লালহলুদেপ প্রাক্তনরা। প্রায় বছরখানেক আগে প্রাক্তন ফুটবলাররা মিলে ১১ জনের একটা কমিটি তৈরি করেছিলেন ক্লাবকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। এই কমিটি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সচিব কল্যান মজুমদারকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠির উত্তর এখনও দেননি লালহলুদ সচিব। তাঁদের সেই চিঠির বক্তব্য বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা ক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের কথাও প্রাক্তন ফুটবলাররা তুলে ধরেন। লালহলুদের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ইস্টবেঙ্গল শুধু খেলার জন্য মাঠে নামে না, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নামে। অতীতে আমরা সব টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এমন নয়। দলের মধ্যে জেতার মানসিকতা দরকার। জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়তে হবে। এবছর শুধু অংশগ্রহনের মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়েছে। লালহলুদের এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে দায়ী করতে রাজি নন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, একটা দলের ৭০৮০ শতাংশ সাফল্য নির্ভর করে ফুটবলারদের ওপর। এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে সেই মানের ফুটবলার নেই। বিদেশিদের মানও যথেষ্ট খারাপ। দল গঠন ঠিক হয়নি। পরে যারা ক্লাবে লগ্নি করবে, তাদের কাছে অনুরোধ যেন জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়। পরের মরশুমে প্রাক্তনদের পরামর্শ নিয়ে দল গড়ার কথাও বলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, ভাস্কর গাঙ্গুলিদের মুখেও মনোরঞ্জনের কথার প্রতিধ্বনি। বিকাশ পাঁজি বলেন, ১০০ বছরের ইতিহাসে লালহলুদকে এইরকম খারাপ অবস্থার মধ্যে কখনও পড়তে হয়নি। জেতার মানসিকতা নিয়ে এবছর দল গড়া হয়নি। শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে। প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন, এই খারাপ পারফরমেন্সের জন্য ক্লাবের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। ক্লাব আমাদের দায়িত্ব দিক, সব বিষয়েই আমরা দায়িত্ব নেব। প্রাক্তন ফুটবলারদের আবেদন, ক্লাব নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী দল গড়ে প্রতিযোগিতায় খেলুক, সেটা যে প্রতিযোগিতাতেই হোক না কেন। আইএসএল খেলার দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শোকস্তব্ধ ময়দান, ‘‌অপূরণীয় ক্ষতি ভারতীয় ফুটবলের’‌

মারা গেলেন ময়দানের প্রিয় ভোম্বলদা। শোকস্তব্ধ ময়দান। তাঁর সতীর্থ, ছাত্রদের স্মৃতিচারণে উঠে এল নানা কথা। সকলের মুখে একটাই কথা, ভারতীয় ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।সুব্রত ভট্টাচার্যঃ সুভাষ ভৌমিকের সঙ্গে আমার প্রায়ই ফোনে কথা হত। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেও কথা হয়েছে। ভোম্বলদা যে আর নেই ভাবতেই পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে। অনেক বড় মাপের ফুটবলার ছিল। ১৯৭৫ সালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৫ গোল খাওয়ার পর ধীরেন দাকে বলে সুভাষ ভৌমিকদের ইস্টবেঙ্গল থেকে মোহনবাগানে নিয়ে এসেছিলাম। ১৯৭৬ বড় ম্যাচে আকবরের ১৭ সেকেন্ডের গোলে আমরা ডার্বি জিতেছিলাম। ওই ম্যাচের আগে ভোম্বলদা যেভাবে আমাদের উৎসাহিত করেছিল, জীবনে ভুলব না। একজন আসাধারণ ফুটবল ব্যক্তিত্ব চলে গেল। সত্যিই ভারতীয় ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। শ্যাম থাপাঃ ভোম্বল যে এভাবে চলে যাবে, ভাবতেই পারছি না। কয়েকবছরের ব্যবধানে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জি মারা গেলেন। এবার সুভাষ ভৌমিক। ভারতীয় ফুটবলের একের পর এক দিকপাল চলে যাচ্ছেন। এটা সত্যিই ফুটবল জগতের কাছে বড় ক্ষতি। এই ক্ষতি কীভাবে পূরণ হবে জানি না। একসঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছি। কত মধুর স্মৃতি রয়েছে। আজ সব চোখের সামনে ভেসে উঠছে।সমরেশ চৌধুরিঃ ২৫ দিন আগেও কথা হয়েছিল। আমাদের সবাইকে ছেড়ে ভোম্বল যে এভাবে চলে যাবে, মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। ৫৭ বছরের সম্পর্ক। ১৯৬৫ সালে বাংলা স্কুল দলে খেলার সময় থেকে পরিচয়। তারপর ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, বাংলা, ভারতীয় দলে একসঙ্গে কত ম্যাচ খেলেছি। কত ভাল স্মৃতি রয়েছে। সেইসব স্মৃতি কখনও ভোলার নয়। ভোম্বলের মতো বন্ধু পাওয়া সত্যিই কঠিন। গৌতম সরকারঃ শারিরীক ভাবে হয়তো সুভাষ ভৌমিক হয়তো আমাদের মধ্যে থাকবে না। কিন্তু ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। ওর মতো ফুটবলার, কোচ ভারতীয় ফুটবলে খুব কমই এসেছে। আলভিটো ডিকুনহাঃ ইস্টবেঙ্গলে খেলার সময় থেকেই সুভাষ ভৌমিকের সঙ্গে আমার পরিচয়। উনি শুধু আমার কেচ ছিলেন না, আমার অভিভাবকও ছিলেন। বাবার মতো আমাকে আগলে রাখতেন। যখন খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, আমাকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। আমি আজকে আবার পিতৃহারা হলাম। আমার ফুটবল জীবনে ওনার যা অবদান, কখনও ভোলার নয়। মেহতাব হোসেনঃ ২ দিন আগেও ভৌমিক স্যারের ছেলে রনিকে ফোন করেছিলাম। বলেছিল, বাবা মোটামুটি ঠিক আছে। শনিবার সকালে উঠে মৃত্যুর খবর পেলাম। সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। এভাবে চলে যাবেন, ভাবতে পারছি না। ভারতীয় ফুটবলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। রহিম নবিঃ আজ আমি যে রহিম নবি হয়ে উঠেছি, সুভাষ ভৌমিকের জন্যই। ওনার জন্যই আজ আমার ওএত নাম ডাক। আমার অলরাউন্ডার ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনে ভৌমিক স্যারের অবদান কখনও ভুলব না। বাঙালীর ফুটবলের একটা আবেগের নাম। সেই আবেগটাই শেষ হয়ে গেল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal