• ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ex-Footballer

খেলার দুনিয়া

ক্ষিপ্ত প্রাক্তন ফুটবলাররা, কড়া চিঠি ইস্টবেঙ্গলকে

ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটে এখনও আটকে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দলগঠন প্রক্রিয়া। গত বছরের মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তো? আশঙ্কার প্রাক্তন ফুটবলাররা। ক্লাবকে যাতে কলঙ্কের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য আসরে নামলেন তাঁরা। কড়া চিঠি পাঠালেন ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদারকে।নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর প্রায় একমাস কেটে গেছে। দলগঠন প্রক্রিয়া এখনও সেভাবে এগোয়নি। যার জন্য বিরক্ত হয়ে পড়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। সোমবার প্রাক্তন ফুটবলারদের পক্ষ থেকে প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মিহির বসু, কৃষ্ণেন্দু রায় এবং সুমিত মুখার্জি ক্লাবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।ইস্টবেঙ্গল সচিবকে দেওয়া চিঠিকে প্রাক্তন ফুটবলাররা লিখেছেন, ইস্টবেঙ্গলের অগুণিত সমর্থকদের মতো আমরাও চিন্তিত ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে। ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর ২৪-২৫ দিন পার হয়ে গেছে। এখনও চুক্তিপত্রে সই হয়নি। নতুন ফুটনলারের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। এই অবস্থায় আমরা চাই ক্লাব এবং ইনভেস্টারের যৌথ উদ্যোগে এ বছর ইস্টবেঙ্গল তার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনুক। ক্লাবের সাবেক কর্তাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা এ-ও বুঝিয়ে দিয়েছে কোনও ভাবেই হাতের সামনে পাওয়া ফুটবলার সই করিয়ে কোনও মতে আইএসএল-এ নামা চলবে না। তাতে ক্লাবের ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হবে। তাঁরা বলেছেন, আপনারা তখনই টিম নামান যখন আইএসএলের উপযুক্ত টিম করতে পারবেন। আর যদি না পারেন তবে লোক দেখানো টিম নামিয়ে ক্লাবের ইতিহাসকে কালিমালিপ্ত করবেন না। তা হলে কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ, আইএফএ শিল্ড খেলুন কিন্তু এ ভাবে আইএসএলে খেলবেন না। আইএসএলে খেলতে হলে আইএসএলের মতো করেই খেলুন। নতুন মরসুমের দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্লাবের অনুরোধে আই লিগ এবং সন্তোষ ট্রফি দেখে বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারের একটি তালিকা ক্লাবের হাতে তুলে দিয়েছিল এই প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। এ দিন সেই ব্যপারে কত দূর ক্লাব এগিয়েছে সেই বিষয়েও জানতে চেয়েছেন এই কিংবদন্তি প্রাক্তনীরা।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়নি, কেন এমন বললেন লালহলুদের প্রাক্তনরা?‌

একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে ওরা ঘাম ঝড়িয়েছেন। লালহলুদের ব্যর্থতায় আজও ওদের প্রাণ কাঁদে। চলতি আইএসএলে দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১৫ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে। প্রিয় ক্লাবের ব্যর্থতায় যেমন হতাশ সদস্যসমর্থকরা, তেমনই হতাশ একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো প্রাক্তন ফুটবলাররা। কীভাবে ক্লাবের মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগী লালহলুদেপ প্রাক্তনরা। প্রায় বছরখানেক আগে প্রাক্তন ফুটবলাররা মিলে ১১ জনের একটা কমিটি তৈরি করেছিলেন ক্লাবকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। এই কমিটি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সচিব কল্যান মজুমদারকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠির উত্তর এখনও দেননি লালহলুদ সচিব। তাঁদের সেই চিঠির বক্তব্য বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা ক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের কথাও প্রাক্তন ফুটবলাররা তুলে ধরেন। লালহলুদের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ইস্টবেঙ্গল শুধু খেলার জন্য মাঠে নামে না, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নামে। অতীতে আমরা সব টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এমন নয়। দলের মধ্যে জেতার মানসিকতা দরকার। জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়তে হবে। এবছর শুধু অংশগ্রহনের মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়েছে। লালহলুদের এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে দায়ী করতে রাজি নন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, একটা দলের ৭০৮০ শতাংশ সাফল্য নির্ভর করে ফুটবলারদের ওপর। এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে সেই মানের ফুটবলার নেই। বিদেশিদের মানও যথেষ্ট খারাপ। দল গঠন ঠিক হয়নি। পরে যারা ক্লাবে লগ্নি করবে, তাদের কাছে অনুরোধ যেন জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়। পরের মরশুমে প্রাক্তনদের পরামর্শ নিয়ে দল গড়ার কথাও বলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, ভাস্কর গাঙ্গুলিদের মুখেও মনোরঞ্জনের কথার প্রতিধ্বনি। বিকাশ পাঁজি বলেন, ১০০ বছরের ইতিহাসে লালহলুদকে এইরকম খারাপ অবস্থার মধ্যে কখনও পড়তে হয়নি। জেতার মানসিকতা নিয়ে এবছর দল গড়া হয়নি। শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে। প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন, এই খারাপ পারফরমেন্সের জন্য ক্লাবের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। ক্লাব আমাদের দায়িত্ব দিক, সব বিষয়েই আমরা দায়িত্ব নেব। প্রাক্তন ফুটবলারদের আবেদন, ক্লাব নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী দল গড়ে প্রতিযোগিতায় খেলুক, সেটা যে প্রতিযোগিতাতেই হোক না কেন। আইএসএল খেলার দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শোকস্তব্ধ ময়দান, ‘‌অপূরণীয় ক্ষতি ভারতীয় ফুটবলের’‌

মারা গেলেন ময়দানের প্রিয় ভোম্বলদা। শোকস্তব্ধ ময়দান। তাঁর সতীর্থ, ছাত্রদের স্মৃতিচারণে উঠে এল নানা কথা। সকলের মুখে একটাই কথা, ভারতীয় ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।সুব্রত ভট্টাচার্যঃ সুভাষ ভৌমিকের সঙ্গে আমার প্রায়ই ফোনে কথা হত। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেও কথা হয়েছে। ভোম্বলদা যে আর নেই ভাবতেই পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে। অনেক বড় মাপের ফুটবলার ছিল। ১৯৭৫ সালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৫ গোল খাওয়ার পর ধীরেন দাকে বলে সুভাষ ভৌমিকদের ইস্টবেঙ্গল থেকে মোহনবাগানে নিয়ে এসেছিলাম। ১৯৭৬ বড় ম্যাচে আকবরের ১৭ সেকেন্ডের গোলে আমরা ডার্বি জিতেছিলাম। ওই ম্যাচের আগে ভোম্বলদা যেভাবে আমাদের উৎসাহিত করেছিল, জীবনে ভুলব না। একজন আসাধারণ ফুটবল ব্যক্তিত্ব চলে গেল। সত্যিই ভারতীয় ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। শ্যাম থাপাঃ ভোম্বল যে এভাবে চলে যাবে, ভাবতেই পারছি না। কয়েকবছরের ব্যবধানে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জি মারা গেলেন। এবার সুভাষ ভৌমিক। ভারতীয় ফুটবলের একের পর এক দিকপাল চলে যাচ্ছেন। এটা সত্যিই ফুটবল জগতের কাছে বড় ক্ষতি। এই ক্ষতি কীভাবে পূরণ হবে জানি না। একসঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছি। কত মধুর স্মৃতি রয়েছে। আজ সব চোখের সামনে ভেসে উঠছে।সমরেশ চৌধুরিঃ ২৫ দিন আগেও কথা হয়েছিল। আমাদের সবাইকে ছেড়ে ভোম্বল যে এভাবে চলে যাবে, মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। ৫৭ বছরের সম্পর্ক। ১৯৬৫ সালে বাংলা স্কুল দলে খেলার সময় থেকে পরিচয়। তারপর ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, বাংলা, ভারতীয় দলে একসঙ্গে কত ম্যাচ খেলেছি। কত ভাল স্মৃতি রয়েছে। সেইসব স্মৃতি কখনও ভোলার নয়। ভোম্বলের মতো বন্ধু পাওয়া সত্যিই কঠিন। গৌতম সরকারঃ শারিরীক ভাবে হয়তো সুভাষ ভৌমিক হয়তো আমাদের মধ্যে থাকবে না। কিন্তু ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। ওর মতো ফুটবলার, কোচ ভারতীয় ফুটবলে খুব কমই এসেছে। আলভিটো ডিকুনহাঃ ইস্টবেঙ্গলে খেলার সময় থেকেই সুভাষ ভৌমিকের সঙ্গে আমার পরিচয়। উনি শুধু আমার কেচ ছিলেন না, আমার অভিভাবকও ছিলেন। বাবার মতো আমাকে আগলে রাখতেন। যখন খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, আমাকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। আমি আজকে আবার পিতৃহারা হলাম। আমার ফুটবল জীবনে ওনার যা অবদান, কখনও ভোলার নয়। মেহতাব হোসেনঃ ২ দিন আগেও ভৌমিক স্যারের ছেলে রনিকে ফোন করেছিলাম। বলেছিল, বাবা মোটামুটি ঠিক আছে। শনিবার সকালে উঠে মৃত্যুর খবর পেলাম। সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। এভাবে চলে যাবেন, ভাবতে পারছি না। ভারতীয় ফুটবলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। রহিম নবিঃ আজ আমি যে রহিম নবি হয়ে উঠেছি, সুভাষ ভৌমিকের জন্যই। ওনার জন্যই আজ আমার ওএত নাম ডাক। আমার অলরাউন্ডার ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনে ভৌমিক স্যারের অবদান কখনও ভুলব না। বাঙালীর ফুটবলের একটা আবেগের নাম। সেই আবেগটাই শেষ হয়ে গেল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

দেশ

হাজারো মানুষের জমায়েতের পরেই পাল্টা আক্রমণ! ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা নীতীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচির পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতেই দলটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।শনিবার রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতীন বলেন, দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। কিন্তু কিছু মানুষ তরুণ প্রজন্মকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক কাজের পথেই এগোবে।নাম না করেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিকেও ইঙ্গিত করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বিদেশে বসে কয়েক জন মানুষ মনে করছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজের চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম কারও হাতের পুতুল নয়।নীতীন আরও বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার কোনও প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যে ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, সেই পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।শনিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রথমে নানা জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়। শুধু অনুমতিই নয়, কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপক ভারতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে যে জল্পনা চলছিল, তাও বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং কর্মসূচি চলাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মসূচি এবং তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হওয়া নতুন বিতর্ক এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘অপমানে মাথা নোয়েনি’— স্বরূপ গ্রেফতারের পর ১০ পরিচালকের নাম প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন মহলে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে গ্রেফতারের পর সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।স্বরূপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় টলিউডে কাজের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং কর্মচারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।এই আবহে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। হারাধনের দশটি ছেলে শিরোনামে করা সেই পোস্টে তিনি এমন দশ জন পরিচালকের কথা উল্লেখ করেছেন, যাঁরা নানা চাপের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সুদীপ্তার দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে বহু পরিচালক একযোগে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন। পরে কাজের স্বার্থে অনেকেই সেই অবস্থান থেকে সরে এলেও কয়েক জন পরিচালক শেষ পর্যন্ত নিজেদের প্রতিবাদ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের নিয়েই পোস্টে লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, অপমান এবং পেশাগত ক্ষতির মুখেও তাঁরা নিজেদের নীতি থেকে সরে যাননি।সেই তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আশীষ সেন চৌধুরী, অভিষেক সাহা, বিদুলা ভট্টাচার্য, দেবাশিস চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, কিংশুক দে, সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায় এবং সুমিত দাম।সুদীপ্তার পোস্টে বিশেষভাবে উঠে এসেছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম। অভিযোগ, দীর্ঘদিন তাঁকেও কাজের সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজের সৃজনশীল কাজ এবং সংগীতচর্চার মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। পরে অভিনেতা ও প্রযোজক দেব তাঁর একটি ছবিতে কাজের সুযোগ দেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে আরও কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক মেক-আপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, প্রায় দুবছর ধরে তিনি কোনও কাজ পাননি। কাজের সুযোগ চাইলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার কথাও তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু সুযোগ আসে। তবে অভিযোগের সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখন টলিউডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর শিল্পী মহল এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ডিম আতঙ্কে শেষ মুহূর্তে বাতিল বৈঠক! তৃণমূল ভবন নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রবিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে ডাকা কাউন্সিলরদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।তৃণমূলের অন্দরের দাবি, বৈঠককে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। পাশাপাশি কিছু কাউন্সিলরের মধ্যেও বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে অনীহা দেখা গিয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। সেই পরিস্থিতির কথা উচ্চ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর পর বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।দলীয় সূত্রের আরও দাবি, নতুন মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য কোনও স্থানে কাউন্সিলরদের ডেকে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরেরও কথা রয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা দল চাইছে না বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।উল্লেখ্য, ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাবও দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে নতুন মেয়র নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের তৎপরতা বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নামও জল্পনায় উঠে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত দল কাকে দায়িত্ব দেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকল পুলিশ, ঘর থেকে টেনে বের করা হল তৃণমূল কাউন্সিলরকে

কলেজ স্ট্রিটে রবিবার ভোর থেকে চলে টানটান উত্তেজনা। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টার নাটকীয় অভিযানের পর অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ কাউন্সিলরের বাড়িতে পৌঁছে যায় জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও তিনি দরজা খোলেননি।পুলিশের দাবি, কাউন্সিলর বাড়ির ভিতরেই ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আধিকারিকরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। তবুও দরজা না খোলায় শেষ পর্যন্ত চাবিওয়ালাকে ডাকা হয়। সদর দরজা ও একাধিক কোলাপসিবল গেটের তালা খুলে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ। এরপর ঘর থেকে কাউন্সিলরকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বের করার সময় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সমর্থকেরা বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিক্ষোভে সামিল হন। কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং জমায়েত সরাতে বাহিনী তৎপর হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে এক নাবালিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে পকসো আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় কাউন্সিলর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের নাম ছিল। অভিযোগ, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিতার পরিবারকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।শনিবার নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই তরুণীকে একা পেয়ে কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ কয়েক জন প্রথমে কটূক্তি করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আক্রান্ত তরুণী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার পর আশপাশের একাধিক নজরদারি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিবার সকালে পুলিশ কাউন্সিলরের বাড়িতে অভিযান চালায়।দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টার টানাপোড়েনের পর কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কাউন্সিলরসহ মোট দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

স্বরূপের পর কি এবার অরূপ? হাই কোর্টের শুনানির আগেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে তলব পুলিশের

স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে আইনি জটিলতার পর এবার কি একই পথে হাঁটতে চলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস? মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।গত ১৭ মে মেসির সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রায় ২২ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।শতদ্রুর আরও দাবি, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। এমনকি অনুমতি ছাড়াই মেসির গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে ৪ জুন বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়।কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি পুলিশ। শনিবার ফের নোটিস পাঠিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীকে সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে অরূপ বিশ্বাস প্রথমে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ৯ জুন সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।তবে হাই কোর্টে শুনানির আগেই পুলিশের নতুন তলব ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর। সোমবার অরূপ বিশ্বাস থানায় হাজিরা দেন কি না এবং তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে, তা নিয়েই কৌতূহল বাড়ছে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে হানা, উদ্ধার পুলিশের পোশাক ও গুলির খোল! ডায়মন্ড হারবারে তীব্র চাঞ্চল্য

ডায়মন্ড হারবারে এক পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরিষার কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মইদুল ইসলামের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ, ত্রিপল, কম্বল এবং পুলিশের পোশাক উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি গুলির খোল ও বাক্সও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে কয়েক জন গ্রামবাসী খবর পান যে প্রধানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে। এরপর তাঁরা সেখানে গিয়ে বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালান বলে দাবি। অভিযোগ, সেখান থেকে হাজার হাজার ত্রিপল, শিশুদের খাদ্যসামগ্রী, পোশাক, কম্বল এবং প্রচুর ওষুধ উদ্ধার হয়।স্থানীয়দের আরও দাবি, উদ্ধার হওয়া ওষুধের মধ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পরিচালিত সেবাশ্রয় শিবিরের চিহ্নযুক্ত ওষুধও ছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হল, প্রধানের বাড়ি থেকে পুলিশের পোশাক এবং গুলির খোল উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এই সামগ্রী সেখানে পৌঁছল, তা নিয়ে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুই-ই বাড়ছে।খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ এবং পারুলিয়া উপকূল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সমস্ত সামগ্রীর উৎস এবং সেগুলি কীভাবে ওই বাড়িতে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান এলাকায় নেই। ফলে তাঁর বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে বণ্টন না করে মজুত রাখা হয়েছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পোশাক উদ্ধারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে তারা। তাঁদের অভিযোগ, এই পোশাক ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার বা ভয় দেখানোর মতো কাজ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।এদিকে, এই ঘটনার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, তার উপরই নির্ভর করবে এই বিতর্কের ভবিষ্যৎ।

জুন ০৭, ২০২৬
টুকিটাকি

গরমের দিনে পান্তা ভাতের জুড়ি নেই, শুধু সুস্বাদু নয়, এতে লুকিয়ে আছে পুষ্টির ভাণ্ডার

পান্তা ভাত। শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। সত্যি এ এক অনন্য স্বাদের খাবার। গরমে এর কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু পান্তা ভাতের গুনাগুন শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। অনেকেরই ধারণার বাইরে। পান্থা ভাত কি শুধু স্বাদের জন্য পছন্দ করি, নাকি তার কিছু গুনাগুন আছে? পান্তাভাতের সঙ্গে চাই গন্ধরাজ লেবু, কাঁচা পেয়াজ, কাঁচা লঙ্কা। তার সঙ্গে পোস্তের বরা বা ডালের বরা হলে মন্দ নয়। পান্তা ভাতের গাজন বা ফার্মান্টেশনের জন্য ভিটামিন বি ১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম তৈরি হয়। এটি শুধু শরীরের ভিতরকে ঠান্ডা করে না পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পান্তা ভাত যেমন অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তেমনি তার পুষ্টিগুন জনতি বৃদ্ধিতে রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। শরীরে ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর করে। ত্বক ও চুলকে ভালো রাখা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে।কিভাবে এই খাবার তৈরি করবেন? পান্তা ভাত তৈরির জন্য বিশুদ্ধ খাবার জলে ভাত ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত। ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখলে পেটের অসুখ হতে পারে। পান্তা ভাতের এই ফার্মান্টেশন শরীরের ঘুম ঘুম ভাব এনে থাকে অর্থাৎ অনিদ্রা দূর করে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

গৃহস্থের বাজেটে আগুন! তিন মাস পর আবার দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

সাধারণ মানুষের জন্য ফের বড় ধাক্কা। তিন মাস পর আবার বাড়ানো হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম। ৭ জুন থেকে সারা দেশে বাড়ির ব্যবহারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বৃদ্ধি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কলকাতায় একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াল ৯৬৮ টাকা।তবে এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। কলকাতায় উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের বর্তমান দাম ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে গ্যাস, পেট্রোল এবং ডিজেলের বাজারেও। চলতি বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসও।গত বছরের জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত রান্নার গ্যাসের দাম মোট ৮৯ টাকা বেড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে একবারে ৬০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ বৃদ্ধির পর দিল্লিতে গৃহস্থালি গ্যাসের দাম হয়েছে ৯৪২ টাকা, মুম্বইয়ে ৯৪১ টাকা ৫০ পয়সা, চেন্নাইয়ে ৯৫৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং কলকাতায় ৯৬৮ টাকা।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস কম দামে বিক্রি করার কারণে তেল সংস্থাগুলির আর্থিক চাপ বাড়ছে। সেই ক্ষতি কিছুটা সামাল দিতেই গৃহস্থালি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও গত কয়েক মাসে একাধিকবার বেড়েছে। এপ্রিল মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ২১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মে মাসে এক ধাক্কায় প্রায় এক হাজার টাকা বৃদ্ধি পায় দাম। এরপর জুন মাসের শুরুতে আরও ৫৩ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হয় বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্য।সব মিলিয়ে রান্নার গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ আরও বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত গৃহস্থের উদ্বেগ আরও বাড়াবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের একাংশের।

জুন ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal