• ৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ex-Footballer

খেলার দুনিয়া

ক্ষিপ্ত প্রাক্তন ফুটবলাররা, কড়া চিঠি ইস্টবেঙ্গলকে

ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটে এখনও আটকে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দলগঠন প্রক্রিয়া। গত বছরের মতো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না তো? আশঙ্কার প্রাক্তন ফুটবলাররা। ক্লাবকে যাতে কলঙ্কের মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য আসরে নামলেন তাঁরা। কড়া চিঠি পাঠালেন ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদারকে।নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর প্রায় একমাস কেটে গেছে। দলগঠন প্রক্রিয়া এখনও সেভাবে এগোয়নি। যার জন্য বিরক্ত হয়ে পড়েছেন প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। সোমবার প্রাক্তন ফুটবলারদের পক্ষ থেকে প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মিহির বসু, কৃষ্ণেন্দু রায় এবং সুমিত মুখার্জি ক্লাবকে একটি চিঠি পাঠিয়ে তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন।ইস্টবেঙ্গল সচিবকে দেওয়া চিঠিকে প্রাক্তন ফুটবলাররা লিখেছেন, ইস্টবেঙ্গলের অগুণিত সমর্থকদের মতো আমরাও চিন্তিত ক্লাবের ভবিষ্যত নিয়ে। ইমামির সঙ্গে প্রাথমিক কথা হওয়ার পর ২৪-২৫ দিন পার হয়ে গেছে। এখনও চুক্তিপত্রে সই হয়নি। নতুন ফুটনলারের সঙ্গেও চুক্তি হয়নি। এই অবস্থায় আমরা চাই ক্লাব এবং ইনভেস্টারের যৌথ উদ্যোগে এ বছর ইস্টবেঙ্গল তার পুরনো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনুক। ক্লাবের সাবেক কর্তাদের প্রাক্তন ফুটবলাররা এ-ও বুঝিয়ে দিয়েছে কোনও ভাবেই হাতের সামনে পাওয়া ফুটবলার সই করিয়ে কোনও মতে আইএসএল-এ নামা চলবে না। তাতে ক্লাবের ঐতিহ্য ক্ষুন্ন হবে। তাঁরা বলেছেন, আপনারা তখনই টিম নামান যখন আইএসএলের উপযুক্ত টিম করতে পারবেন। আর যদি না পারেন তবে লোক দেখানো টিম নামিয়ে ক্লাবের ইতিহাসকে কালিমালিপ্ত করবেন না। তা হলে কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপ, আইএফএ শিল্ড খেলুন কিন্তু এ ভাবে আইএসএলে খেলবেন না। আইএসএলে খেলতে হলে আইএসএলের মতো করেই খেলুন। নতুন মরসুমের দল গঠনের ক্ষেত্রে ক্লাবের অনুরোধে আই লিগ এবং সন্তোষ ট্রফি দেখে বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারের একটি তালিকা ক্লাবের হাতে তুলে দিয়েছিল এই প্রাক্তন ফুটবলারদের কমিটি। এ দিন সেই ব্যপারে কত দূর ক্লাব এগিয়েছে সেই বিষয়েও জানতে চেয়েছেন এই কিংবদন্তি প্রাক্তনীরা।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়নি, কেন এমন বললেন লালহলুদের প্রাক্তনরা?‌

একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে ওরা ঘাম ঝড়িয়েছেন। লালহলুদের ব্যর্থতায় আজও ওদের প্রাণ কাঁদে। চলতি আইএসএলে দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১৫ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে। প্রিয় ক্লাবের ব্যর্থতায় যেমন হতাশ সদস্যসমর্থকরা, তেমনই হতাশ একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো প্রাক্তন ফুটবলাররা। কীভাবে ক্লাবের মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগী লালহলুদেপ প্রাক্তনরা। প্রায় বছরখানেক আগে প্রাক্তন ফুটবলাররা মিলে ১১ জনের একটা কমিটি তৈরি করেছিলেন ক্লাবকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। এই কমিটি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সচিব কল্যান মজুমদারকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠির উত্তর এখনও দেননি লালহলুদ সচিব। তাঁদের সেই চিঠির বক্তব্য বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা ক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের কথাও প্রাক্তন ফুটবলাররা তুলে ধরেন। লালহলুদের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ইস্টবেঙ্গল শুধু খেলার জন্য মাঠে নামে না, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নামে। অতীতে আমরা সব টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এমন নয়। দলের মধ্যে জেতার মানসিকতা দরকার। জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়তে হবে। এবছর শুধু অংশগ্রহনের মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়েছে। লালহলুদের এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে দায়ী করতে রাজি নন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, একটা দলের ৭০৮০ শতাংশ সাফল্য নির্ভর করে ফুটবলারদের ওপর। এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে সেই মানের ফুটবলার নেই। বিদেশিদের মানও যথেষ্ট খারাপ। দল গঠন ঠিক হয়নি। পরে যারা ক্লাবে লগ্নি করবে, তাদের কাছে অনুরোধ যেন জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়। পরের মরশুমে প্রাক্তনদের পরামর্শ নিয়ে দল গড়ার কথাও বলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, ভাস্কর গাঙ্গুলিদের মুখেও মনোরঞ্জনের কথার প্রতিধ্বনি। বিকাশ পাঁজি বলেন, ১০০ বছরের ইতিহাসে লালহলুদকে এইরকম খারাপ অবস্থার মধ্যে কখনও পড়তে হয়নি। জেতার মানসিকতা নিয়ে এবছর দল গড়া হয়নি। শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে। প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন, এই খারাপ পারফরমেন্সের জন্য ক্লাবের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। ক্লাব আমাদের দায়িত্ব দিক, সব বিষয়েই আমরা দায়িত্ব নেব। প্রাক্তন ফুটবলারদের আবেদন, ক্লাব নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী দল গড়ে প্রতিযোগিতায় খেলুক, সেটা যে প্রতিযোগিতাতেই হোক না কেন। আইএসএল খেলার দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শোকস্তব্ধ ময়দান, ‘‌অপূরণীয় ক্ষতি ভারতীয় ফুটবলের’‌

মারা গেলেন ময়দানের প্রিয় ভোম্বলদা। শোকস্তব্ধ ময়দান। তাঁর সতীর্থ, ছাত্রদের স্মৃতিচারণে উঠে এল নানা কথা। সকলের মুখে একটাই কথা, ভারতীয় ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।সুব্রত ভট্টাচার্যঃ সুভাষ ভৌমিকের সঙ্গে আমার প্রায়ই ফোনে কথা হত। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেও কথা হয়েছে। ভোম্বলদা যে আর নেই ভাবতেই পারছি না। খুব কষ্ট হচ্ছে। অনেক বড় মাপের ফুটবলার ছিল। ১৯৭৫ সালে ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৫ গোল খাওয়ার পর ধীরেন দাকে বলে সুভাষ ভৌমিকদের ইস্টবেঙ্গল থেকে মোহনবাগানে নিয়ে এসেছিলাম। ১৯৭৬ বড় ম্যাচে আকবরের ১৭ সেকেন্ডের গোলে আমরা ডার্বি জিতেছিলাম। ওই ম্যাচের আগে ভোম্বলদা যেভাবে আমাদের উৎসাহিত করেছিল, জীবনে ভুলব না। একজন আসাধারণ ফুটবল ব্যক্তিত্ব চলে গেল। সত্যিই ভারতীয় ফুটবলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। শ্যাম থাপাঃ ভোম্বল যে এভাবে চলে যাবে, ভাবতেই পারছি না। কয়েকবছরের ব্যবধানে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জি মারা গেলেন। এবার সুভাষ ভৌমিক। ভারতীয় ফুটবলের একের পর এক দিকপাল চলে যাচ্ছেন। এটা সত্যিই ফুটবল জগতের কাছে বড় ক্ষতি। এই ক্ষতি কীভাবে পূরণ হবে জানি না। একসঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছি। কত মধুর স্মৃতি রয়েছে। আজ সব চোখের সামনে ভেসে উঠছে।সমরেশ চৌধুরিঃ ২৫ দিন আগেও কথা হয়েছিল। আমাদের সবাইকে ছেড়ে ভোম্বল যে এভাবে চলে যাবে, মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। ৫৭ বছরের সম্পর্ক। ১৯৬৫ সালে বাংলা স্কুল দলে খেলার সময় থেকে পরিচয়। তারপর ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, বাংলা, ভারতীয় দলে একসঙ্গে কত ম্যাচ খেলেছি। কত ভাল স্মৃতি রয়েছে। সেইসব স্মৃতি কখনও ভোলার নয়। ভোম্বলের মতো বন্ধু পাওয়া সত্যিই কঠিন। গৌতম সরকারঃ শারিরীক ভাবে হয়তো সুভাষ ভৌমিক হয়তো আমাদের মধ্যে থাকবে না। কিন্তু ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে। ওর মতো ফুটবলার, কোচ ভারতীয় ফুটবলে খুব কমই এসেছে। আলভিটো ডিকুনহাঃ ইস্টবেঙ্গলে খেলার সময় থেকেই সুভাষ ভৌমিকের সঙ্গে আমার পরিচয়। উনি শুধু আমার কেচ ছিলেন না, আমার অভিভাবকও ছিলেন। বাবার মতো আমাকে আগলে রাখতেন। যখন খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, আমাকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। আমি আজকে আবার পিতৃহারা হলাম। আমার ফুটবল জীবনে ওনার যা অবদান, কখনও ভোলার নয়। মেহতাব হোসেনঃ ২ দিন আগেও ভৌমিক স্যারের ছেলে রনিকে ফোন করেছিলাম। বলেছিল, বাবা মোটামুটি ঠিক আছে। শনিবার সকালে উঠে মৃত্যুর খবর পেলাম। সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। এভাবে চলে যাবেন, ভাবতে পারছি না। ভারতীয় ফুটবলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। রহিম নবিঃ আজ আমি যে রহিম নবি হয়ে উঠেছি, সুভাষ ভৌমিকের জন্যই। ওনার জন্যই আজ আমার ওএত নাম ডাক। আমার অলরাউন্ডার ফুটবলার হয়ে ওঠার পেছনে ভৌমিক স্যারের অবদান কখনও ভুলব না। বাঙালীর ফুটবলের একটা আবেগের নাম। সেই আবেগটাই শেষ হয়ে গেল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

ম্যাচ খেলেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ! ইরান ফুটবল দলকে ঘিরে আমেরিকার কড়া সিদ্ধান্তে শোরগোল

ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পেল না ইরান ফুটবল দল। বিশ্বকাপ চলাকালীন আমেরিকার মাটিতে ইরানের উপর জারি থাকা বিশেষ বিধিনিষেধ বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ফলে গ্রুপ পর্বের বাকি ম্যাচগুলির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলতে হবে ইরানকে।জানা গিয়েছে, ম্যাচ খেলার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের ভিসা দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের। খেলা শেষ হওয়ার পর তাঁদের আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হচ্ছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ড্র করার পরও একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল দলটিকে।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচকে ঘিরে। জানা যাচ্ছে, ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র সাতাশ মিনিটের মধ্যেই ইরান দলকে আমেরিকা ছেড়ে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হবে। এরপর পরবর্তী ম্যাচের আগে আবার আমেরিকায় প্রবেশ করবে তারা।এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরান ফুটবল ফেডারেশন ফিফার কাছে নিয়ম কিছুটা শিথিল করার আবেদন জানিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, বারবার যাতায়াত খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সেই আবেদন কার্যত খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।বিশ্বকাপ সংক্রান্ত মার্কিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আপাতত বর্তমান ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।তিনি আরও বলেন, ইরান দলের সব খেলোয়াড় ও কোচ ভিসা পেয়েছেন। তবে কয়েকজনকে ভিসা দেওয়া হয়নি, কারণ তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা সকলের নিরাপত্তা বজায় রাখা।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন পরিস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। খেলাধুলার পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্কও যে এই টুর্নামেন্টে বড় ভূমিকা পালন করছে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাই তার স্পষ্ট প্রমাণ।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর নায়ককে সম্মান, কলকাতায় রাস্তার নাম বদলে চমক

কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকার সুরাওয়ার্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে গোপাল মুখোপাধ্যায় রোড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন কলকাতা পৌরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজমাধ্যমে তিনি কলকাতা পৌরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন, প্রকৃত নায়কদের সম্মান জানানোর সময় এসেছে।গোপাল মুখোপাধ্যায়, যিনি গোপাল পাঁঠা নামে বেশি পরিচিত, কলকাতার বউবাজারের মলঙ্গা লেন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁদের পরিবারের একটি পাঁঠার মাংসের দোকান ছিল কলেজ স্ট্রিটে। পেশায় কসাই হওয়ায় তিনি গোপাল পাঁঠা নামেই পরিচিত হয়ে ওঠেন।১৯৪৬ সালের ১৬ অগস্ট ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে-র পর কলকাতায় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসে যা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং নামে পরিচিত। সেই সময় বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। গোপাল পাঁঠাকে ঘিরে প্রচলিত বিভিন্ন বর্ণনায় দাবি করা হয়, তিনি নিজের দলবল নিয়ে আক্রান্ত হিন্দুদের রক্ষায় এগিয়ে এসেছিলেন। এই কারণেই অনেকের কাছে তিনি সাহস ও প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠেন।গত বছর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এ নিহতদের স্মরণে আয়োজিত একটি পদযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মিছিলে তাঁর হাতে ছিল গোপাল মুখোপাধ্যায়ের ছবি। পরে আলিপুরে গোপাল পাঁঠার একটি মূর্তিরও উন্মোচন করা হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, গোপাল পাঁঠার নামে রাস্তার নামকরণ শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এর সঙ্গে ইতিহাস ও রাজনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ রয়েছে। ফলে এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বাড়াতে পারে।উল্লেখ্য, গোপাল পাঁঠার জীবন ও ১৯৪৬ সালের কলকাতার ঘটনাবলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনমানসে কৌতূহল রয়েছে। তাঁর ভূমিকা নিয়ে যেমন প্রশংসা রয়েছে, তেমনই রয়েছে নানা বিতর্কও। তবে নতুন করে রাস্তার নামকরণের সিদ্ধান্ত তাঁকে আবারও জনআলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এল।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরেই বড় চমক! ইউরোপের বাজার খুলে যাচ্ছে ভারতের জন্য, সস্তা হবে কোন কোন জিনিস?

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এরপর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি অথবা মার্চ মাস থেকে চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।পীযূষ গোয়েলের দাবি, এই চুক্তি কার্যকর হলে ইউরোপের বিশাল বাজার ভারতের জন্য প্রায় শূন্য শুল্কে খুলে যাবে। এর ফলে ভারতীয় পণ্যের রফতানি আরও বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে। দীর্ঘ আলোচনার পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দুই পক্ষের মধ্যে নীতিগত সমঝোতা হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত চুক্তির সমস্ত শর্ত সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি।তবে বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া উচ্চমূল্যের গাড়ির উপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। সেই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জের মতো বিলাসবহুল ইউরোপীয় গাড়ির দাম দেশের বাজারে কমতে পারে।শুধু গাড়িই নয়, এই চুক্তির ফলে বিদেশি মদের উপর আমদানি শুল্কও কমানো হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেশের বাজারে বিদেশি মদের দামও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সম্ভাব্য বাণিজ্যচুক্তিকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন ডিসেম্বরের আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের দিকেই নজর রয়েছে শিল্পমহল ও ব্যবসায়ী মহলের।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

মুহূর্তে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কারখানা! বিষাক্ত গ্যাসে একের পর এক শ্রমিক লুটিয়ে পড়লেন

রবিবার তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলায় একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত সাতান্ন জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পেরিয়াপালম এলাকার একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় আচমকাই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করতে শুরু করে। সেই সময় কারখানার ভিতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। প্রথমে তাঁরা একটি তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ অনুভব করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা দেখা দেয়।ক্রমশ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে কারখানার ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসা শুরু করেন।প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, কারখানার একটি পরিমাপক ভাল্ভ থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কী কারণে গ্যাস লিক হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি শ্রমিকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফেভারিটদের মধ্যে প্রথম বড় বার্তা! বিশ্বকাপে নকআউট নিশ্চিত জার্মানির

বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্ম ধরে রাখল জার্মানি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে কঠিন লড়াইয়ের পর ২-১ গোলে জয় তুলে নেয় জার্মানি।ম্যাচের শুরু থেকেই আইভরি কোস্ট জার্মানির উপর চাপ তৈরি করে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় জার্মান রক্ষণকে। সেই চাপের ফলও পায় আফ্রিকার দেশটি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ফ্র্যাঙ্ক কেসি। পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে যায় জার্মানি।দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে আক্রমণের গতি বাড়ায় জার্মান ফুটবলাররা। কোচের কৌশল বদলের পর ম্যাচের রংও বদলাতে শুরু করে। ৬০ মিনিটে মাঠে নামেন ডেনিস উভান্ডে। তাঁর নামার পরই জার্মান আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে।ম্যাচের ৬৮ মিনিটে সমতা ফেরান উভান্ডে। এরপর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে আবারও গোল করে জার্মানিকে জয় এনে দেন উভান্ডে। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করে জার্মানি।এর আগে প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল জার্মানরা। ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ছয় পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন গ্রুপের শীর্ষে। গত দুই বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। তাই এবার এক ম্যাচ বাকি থাকতেই শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় উচ্ছ্বাসে মেতেছে গোটা শিবির।অন্যদিকে এখনও নকআউট নিশ্চিত করতে পারেনি কয়েকটি শক্তিশালী দল। পর্তুগাল প্রথম ম্যাচে ড্র করায় চাপে রয়েছে। ব্রাজিল একটি জয় পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর্জেন্টিনাও নকআউটের খুব কাছে। ইতিমধ্যেই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

জুন ২১, ২০২৬
রাজ্য

কোথায় সুমিত রায়? খোঁজ না মিলতেই সামনে এল নতুন বিস্ফোরক অভিযোগ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়কে ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল। তাঁর খোঁজ এখনও না মিললেও এবার তাঁর বিরুদ্ধে নতুন একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানায় নতুন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।অভিযোগ, সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি সেই টাকা সুমিত রায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। টাকা দেওয়ার পর কিছু নথিও পান তিনি। এমনকি তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি না পাওয়ায় তিনি থানার দ্বারস্থ হন।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত চলছে। মেদিনীপুরের এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। এরপর তাঁর খোঁজে কালীঘাটের বাড়িতেও পৌঁছেছিল পুলিশ। কিন্তু সেখানে তাঁর সন্ধান মেলেনি।তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিরুদ্ধে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এদিকে নতুন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেন, সুমিত রায় সম্পর্কে তিনি আগেও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা থেকেই বদলে গেল ভারতের নৌ-শক্তির ছবি! একসঙ্গে জলে নামল তিন দেশীয় যুদ্ধজাহাজ

ভারতের নৌ-সামর্থ্যে যুক্ত হল আরও তিনটি দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধজাহাজ। কলকাতার গার্ডেনরিচ এলাকার শ্যামাপ্রসাদ বন্দরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধজাহাজ তিনটি ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দেন। এই তিন জাহাজ হল আইএনএস দুনাগিরি, আইএনএস অগ্রয় এবং আইএনএস সংশোধক।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা এমন এক ভূমি, যা ভারতকে সমুদ্রপথে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাঁর মতে, দেশের পুনর্জাগরণ ও অগ্রগতিতে বাংলার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন বাংলার মাটিতে এসে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন।মোদী বলেন, একটি শক্তিশালী দেশের জন্য শক্তিশালী নৌবাহিনী অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সমুদ্রের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বিশ্বের অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে হয় এবং বিভিন্ন দেশের তথ্য আদান-প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কও সমুদ্রের নীচ দিয়েই বিস্তৃত।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, যে দেশের সমুদ্র শক্তি যত বেশি উন্নত হবে, সেই দেশের অর্থনীতি ও কৌশলগত অবস্থানও তত বেশি শক্তিশালী হবে। ভারত সেই লক্ষ্যেই দ্রুত এগিয়ে চলেছে। তিনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই যুদ্ধজাহাজগুলি আত্মনির্ভর ভারতের বড় সাফল্যের প্রতীক।মোদীর দাবি, ভারত এখন শুধু উৎপাদনকারী দেশ নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী দেশ হিসেবেও উঠে আসবে। তিনি জানান, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার বিপুল আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতেও গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।তাঁর কথায়, আত্মনির্ভরতা থেকেই প্রকৃত শক্তির জন্ম হয়। আগামী দিনে ভারত সমুদ্র শক্তির ক্ষেত্রে আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছবে বলেও তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।

জুন ২১, ২০২৬
কলকাতা

বাজেটের আগেই বাংলার জন্য বিরাট ঘোষণা! ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বড় বার্তা মোদীর

রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেট পেশ করার আগেই বাংলার জন্য বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে বাংলার উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।তারকেশ্বরে আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই উপলক্ষে পাঠানো পাঁচ পাতার চিঠিতে তিনি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়নের সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যের জন্য কত টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, সেই তথ্যও জানান।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কেন্দ্র সরকার রাজ্যের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। জল, পরিকাঠামো এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও রেলের উন্নয়নের জন্য প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আরও ৬০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তুলতে হবে। এর জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো, শিল্পোন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে সহযোগিতা করা এবং পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দূর করে সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।চিঠিতে মোদী আশাবাদ প্রকাশ করে জানান, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ মৎস্যচাষ, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বন্দরভিত্তিক শিল্প, বস্ত্রশিল্প, পর্যটন এবং ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানকে তিনি বাণিজ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সম্পদ বলেও উল্লেখ করেন।প্রধানমন্ত্রীর দাবি, যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে, সেখানে কৃষকদের স্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গও সেই পথেই এগোবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। নতুন সরকার গঠনের পর কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নের গতি আরও বাড়বে বলেও তাঁর বিশ্বাস।

জুন ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal