• ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Entrance

রাজ্য

বাংলার মেডিক্যালে ভর্তিতে 'ডমিসিয়াল-বি'-র অপব্যবহার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বাংলা পক্ষের

বাংলার মেডিকেল কলেজগুলিতে নিটের মাধ্যমে ছাত্র ভর্তিতে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এবছরও বাংলার ডাক্তারি কলেজে অবৈধভাবে বহিরাগত ঢোকানো ও জাল কাস্ট সার্টিফিকেটের কারনে বাংলার ছেলেমেয়েদের ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন কিভাবে ধ্বংস হচ্ছে। বহিরাগত স্বার্থে ডোমিসাইল-বি চলছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অমান্য করে। বাংলার কাস্ট সার্টিফিকেট ও ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জলের দরে বিকোচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে বাংলা ও বাঙালি, বিস্ফোরক দাবি বাংলা পক্ষের।সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে নিট এর মাধ্যমে মেডিক্যালে ছাত্র ভর্তি হয়। যে রাজ্যে মেডিক্যাল-এ যত আসন আছে তার ৮৫% সেই রাজ্যের অধিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। এবং ১৫% সর্বভারতীয় ছাত্র ছাত্রী দের জন্য সংরক্ষিত। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতির দাবি, বাংলার যে ৪৫০০ মেডিক্যালে আসন আছে তার ৮৫% আসনে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, রাজস্থান সহ অনান্য রাজ্য থেকে আসা ছেলে মেয়েরা বাংলা থেকে ভুয়ো ডোমিসিয়াল-বি ও তপসিল সংসাপত্র বানিয়ে বাংলার ছেলে মেয়েদের আসনে ভাগ বসাচ্ছে। তাঁর আরও দাবি এই চক্রে স্বাস্থ দপ্তরের আধিকারিক সহ অনেক কেষ্ট-বিষ্টু জড়িত।তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বিভিন্ন সভা সমাবেশে মেডিক্যালে ডোমিসিয়াল-বি বিল তুলে দেওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু স্বাস্থ্য দপ্তর তাঁর নির্দেশ কোনওভাবেই কর্নপাত করেনি। কৌশিক বাবু বর্তমান স্বাস্থ্য সচিবের দিকে মুলত তাঁর অভিযগের তীর নিক্ষেপ করেছেন। তিনি দীপ্ত কন্ঠে বলেছেন এবারে যে দুর্নীতি হয়েছে তা সবকিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ এর শেষ দেখে ছাড়বে, প্রয়োজনে আইনগত সবরকম ব্যবস্থা তাঁরা নেবেন।কৌশিক মাইতি বলেন, প্রথম লিস্টে নাম না থাকা প্রায় ৭০ জন ভিন রাজ্যের প্রার্থীর নাম ইতিমধ্যে দ্বিতীয় লিস্টে লিপিবদ্ধ হয়ে গেছে। তিনি জানান এরা সবাই রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরাখন্ড, মধ্যপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যের অধিবাসী। ভুয়ো ডোমিসিয়াল-বি সার্টিফিকেট বের করে বেআইনি পথে এখানে ঢুকছে। তাঁর দাবী, একজন অন্য রাজ্যের তালিকায় জেনেরাল কাস্ট-এ আছেন এবং বাংলার মেডিক্যাল-এ সিডিউল কাস্ট (SC) তালিকায় ঢুকলো কিভাবে। কিভাবে বাংলায় কাস্ট সার্টিফিকেট জালিয়াতি হচ্ছে? কৌশিক মাইতি জানান, এর পুরো তথ্য তাঁদের কাছে আছে। প্রয়োজনে আদালতে পেশ করবেন।বাংলা পক্ষ আপামর বাঙালি জনসাধরণের কাছে আবেদন রেখেছেন, তাঁরা যেনও চোখ খোলা রাখেন, তাহলেই দেখতে পাবেন কি ভাবে বাংলায় কাজ করা কিছু অপদার্থ ভিন রাজ্যের আমলার মদতে বাঙালির ছেলেদের ভবিষ্যৎ ভুলুন্ঠিত হচ্ছে। তাঁরা সমগ্র বাঙালি দের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন। কৌশিক মাইতি বলেন, স্বাস্থ্য ভবন জানিয়েছিল, ফর্ম ফিলাপের সময় যারা পশ্চিমবঙ্গ চয়েস দেবে তারাই রাজ্য কোটায় আবেদন করতে পারবে। তাহকে উত্তরপ্রদেশ সহ ভিন্ন রাজ্যের তালিকায় থাকা কেউ বাংলার তালিকায় ঢুকলো কিভাবে?বাংলা পক্ষের তরফ থেকে বেশ কিছু প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে দাবি করেছেন একই ছেলে/মেয়ের নাম পশ্চিমবঙ্গের ও উত্তরপ্রদেশের বা অন্য রাজ্যের মেডিকেলের লিস্টে স্থানীয় হিসাবে আছে। তাঁদের অভিযোগ, কি করে একই ব্যক্তি একই সাথে দুই রাজ্যের ডমিসিয়াল হতে পারে? তাঁদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাখন ডোমিসিয়াল-বি বিল বাতিলের পক্ষে মত দেন তখন কি করে স্বাস্থ সচিব সহ কিছু আমলা এই বিলটিকে এখনও বাতিল না করার সাহস দেখান? কে এর পিছনে? কি তাঁদের উদ্দেশ্য? বাংলা পক্ষ্যের ইঙ্গিত খুব স্পষ্ট। কৌশিক মাইতি একটি লিস্ট দেখিয়ে বলেন, এই ছেলে মেয়ে গুলো সব আমাদের রাজ্যেও কাউন্সেলিং করিয়েছে ডোমিসিয়াল-বি দিয়ে আবার নিজের রাজ্যেও আবেদন করেছেন। যদি এরা ভর্তি হয় সরকারি মেডিকেল কলেজ গুলোতে, তাতে তো আমাদের রাজ্যের ছেলে মেয়েদের আসন সংখ্যা কমে যাবে। যদি এদের দ্বিতীয় লিস্ট-র পর এদেরকে বাদ দেওয়াও হয় ভেরিফিকেশন এর সময়, আর যদি সিট গুলো ফিরে আসে মপ-আপ-রাউন্ড (Mop Up Round) এর জন্য তবুও ক্ষতি, কারণ তখন আমাদের যারা অন্য কোনো ডেন্টাল কিংবা প্রাইভেট কলেজে এ অ্যাডমিশন নেবে সিট না থাকায় তারা আর মপ-আপ-রাউন্ড (Mop Up Round) এ বসতে পারবে না নিয়মানুযায়ী। আর যদি এরা শুধুমাত্রই প্রাইভেট কলেজের স্টেট কোটা গুলো নেয় তবুও ক্ষতি। কারণ স্টেট কোটা রাজ্যের ছেলে মেয়েদের জন্য। ডোমিসিয়াল লাগে। এরা যদি প্রাইভেট এর স্টেট কোটা গুলো দখল করে তাহলে আমাদের এখানে স্টুডেন্ট গুলো চান্স পাবে না। আর যদি ডোমিসিয়াল-বি লাগিয়ে এখানে সরকারি মেডিকেল কলেজ এ ঢোকে তখন ও পাবে না।

মার্চ ১০, ২০২২
কলকাতা

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে মেডিক্যালে ভর্তির প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ-র ডেপুটেশন

বাংলার ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করে অন্য রাজ্যের ছেলেমেয়ের ডোমিসাইল বি-র মাধ্যমে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ গুলোয় রাজ্যের কোটায় ভর্তি করা যাবে না। এই দাবিতে আজ দুপুর ১ টায় স্বাস্থ্যভবনে গিয়ে ডেপুটেশন জমা দেয় বাংলা পক্ষ।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালির আস্তিত্ব রক্ষায় বাংলা পক্ষ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের বহু প্রতিবাদের ফসল-ও ফলতে শুরু করেছে। আজ তাঁরা পশ্চিমবঙ্গের ডাক্তারি পড়ার আসনে পশ্চিমবঙ্গ কোটায় অন্য রাজ্যের ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি আটকাতে ডোমিসাইল বি বাতিলের দাবিতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, উত্তর চব্বিশ পরগনা শহরাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, হাওড়ার সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর চব্বিশ শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।পাঁচ জনের প্রতিনিধি দল (গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক মাইতি, তড়িৎ দত্ত, পিন্টু রায়, প্রীতি মিত্র) স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য এবং স্বাস্থ্য সচিব মাননীয় নারায়ণ স্বরূপ নিগমের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং স্মারকলিপি জমা দেন।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
শিক্ষা

JEE: প্রকাশিত হল এ রাজ্যের জয়েন্টের ফল

প্রকাশিত হল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পরীক্ষার ফল। ৯৯.৫ শতাংশ পরীক্ষার্থীই কৃতকার্য হয়েছেন জানাল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। এঁরা প্রত্যেকেই কাউন্সিলিংয়ে যেতে পারবেন। ১৭ জুলাই পরীক্ষা হওয়ার ঠিক ২০ দিনের মাথায় ফল প্রকাশিত। শুক্রবার দুপুর আড়াইটেয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের তরফে একটি সাংবাদিক বৈঠকে জয়েন্টের ফল ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে জয়েন্ট এন্ট্রান্স কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় ১৩ অগস্ট থেকে শুরু হবে কাউন্সেলিং। উত্তীর্ণদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক।এবছর অতিমারির কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। গত ১৭ জুলাই রাজ্যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হয়েছিল। এ বছর জয়েন্ট পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৯২ হাজার ৬৯৫ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে রাজ্যের ৬০ হাজার ১০৫ জন পরীক্ষার্থী এবং ভিন রাজ্যের ৩১ হাজার ৫৯৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীরপরীক্ষার্থীরা অবশ্য ফল জানতে পারবেন দুপুর সাড়ে ৩টে থেকে। বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকে অ্যাপ্লিকেশন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করে Rank card of WBJEE-2021 নামক ফাইলটি ডাউনলোড করতে হবে। তার মধ্যেই থাকবে জয়েন্টের রেজাল্ট।পরীক্ষার্থীদের জন্য দুটি ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে wbjeeb.nic.in এবং wbjeeb.in। এই দুটি ওয়েবসাইটের যে কোনও একটিতে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন বলে জানিয়েছে বোর্ড।

আগস্ট ০৬, ২০২১
শিক্ষা

Joint Entrance Exam: রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা

পিছিয়ে গেল রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। ১৭ জুলাই হবে পরীক্ষা। আগে ১১ জুলাই হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। বাকি সময়সূচি একই থাকবে। আজ বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করেন রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাস বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা। তিনি জানিয়েছেন, এ বার মোট পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৬৯৫ জন। মোট ২৭৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। ১৪ অগস্টের মধ্যে ফলপ্রকাশ করা হবে। বোর্ড জানিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিন দফায় কাউন্সেলিং হবে। পরীক্ষার্থীদের বাড়ির কাছাকাছি কেন্দ্রেই পরীক্ষা নেওয়া হবে। https://janatarkatha.com/kolkata/local-train-demonstration-in-sonarpur-demanding-to-run-local-train-002491আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে বিক্ষোভ সোনারপুরে কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই পরীক্ষার দিন পিছিয়ে দেওয়া হল বলে জানান মলয়েন্দু সাহা। এই বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, জুলাই মাসের মাঝামাঝি পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তাই সেই সময় পরীক্ষা নেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। শনিবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। রবিবার পরীক্ষা নেওয়া হলে পরীক্ষার্থীরা আসা যাওয়ার জন্য মেট্রো এবং ট্রেন কম পাবেন। কোভিড পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ মেনেই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড। বজায় রাখা হবে সামাজিক দূরত্ব। প্রতি ঘরে ২০ জন করে পরীক্ষার্থীকে বসানো হবে। তেমন হলে পড়ুয়ার সংখ্যা আরও কমানো হবে। একটা বেঞ্চে একজন অথবা সর্বাধিক দুজন থাকবে।

জুন ২৩, ২০২১
রাজ্য

অনিশ্চয়তায় এবার জয়েন্ট এন্ট্রান্সও

বাতিল হয়েছে মাধ্যমিক (Madhyamik Exam 2021) -উচ্চমাধ্যমিক (Higher secondary 2021)। এবার কোভিড আবহে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স (WBJEE 2021) নিয়ে তৈরি হল অনিশ্চয়তা। ১১ জুলাই এই পরীক্ষা হওয়ার কথা। করোনার কোপে আগেই বাতিল হয়েছে সিবিএসই-র দশম-দ্বাদশ, আইপিএসই ও আইএসসি পরীক্ষা। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ পরীক্ষা না নিয়ে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন পদ্ধতি ঠিক করছে। এমন আবহে জয়েন্ট নেওয়া সম্ভব কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছে। জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড (West Bengal Joint Entrance Examinations Boar) জানিয়েছে, এই বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো দ্রুত সিদ্ধান্ত ঘোষণা হবে।গতবছর কোভিড সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগেই পরীক্ষা নেয় জয়েন্ট বোর্ড। সাধারণত পরীক্ষা নেওয়া হয় এপ্রিল মাসে। ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনোলজি, ফার্মেসি ও আর্কিটেকচারে ভর্তির প্রবেশিকা পরীক্ষা নেয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। প্রতিবছর রাজ্যের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিছু আসন খালি থেকে যায়। সেই সমস্যা মেটাতে গতবছর এপ্রিল মাসের পরিবর্তে ফেব্রুয়ারি মাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরে ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা ভোট হয়েছে। সেই কারণে এপ্রিল থেকে পিছিয়ে বোর্ড জুলাই মাসে পরীক্ষা নিতে চেয়েছিল। কিন্তু ফের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পরীক্ষা নির্দিষ্ট দিনে নেওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

জুন ০৮, ২০২১
দেশ

আগামী বছর চার দফায় জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন‌ পরীক্ষাঃ রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক

আগামী বছর চার দফায় হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষা। বুধবার পড়ু্য়া, অভিভাবকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক। প্রথম দফা পরীক্ষা আয়োজিত হবে ২৩ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি। এরপর মার্চ, এপ্রিল এবং মে মাসে আয়োজিত হবে বাকি তিন দফার পরীক্ষা। করোনা আবহে চলতি বছরে কোনও বোর্ডই সঠিক সময়ে তাঁদের সিলেবাস শেষ করে পরীক্ষা আয়োজিত করতে পারেনি। প্রত্যেক বোর্ডকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পরীক্ষা নিতে হবে। আর তাই এই চার দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যাতে কোনও পরীক্ষার্থী সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হন। এদিন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে রেজিস্ট্রেশনও। চলবে আগামী বছর ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনলাইনে টাকা জমা দেওয়া যাবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। আরও পড়ুন ঃ নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম দুই জঙ্গি এছাড়াও তিনি জানান, আগামী বছর কোনও পড়ুয়া চাইলে চার দফার পরীক্ষাতেই বসতে পারবেন। এই চারটির মধ্যে যে পরীক্ষায় তিনি বেশি নম্বর পাবেন, মেরিট লিস্ট তৈরির সময় সেটিকেই ওই পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর হিসেবে ধরা হবে। এছাড়া এবার থেকে পরীক্ষায় গণিত, রসায়ন এবং পদার্থবিদ্যার ৩০টি করে মোট ৯০টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে প্রত্যেক পড়ুয়াকে ৭৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সেকশন এতে থাকবে ২০টি এমসিকিউ প্রশ্ন এবং সেকশন বিতে থাকবে ১০টি। এই বি সেকশনেরই ১০টির মধ্যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে পড়ুয়াদের। আগামী বছর কোনও পড়ুয়া চাইলে চার দফার পরীক্ষাতেই বসতে পারবেন। এই চারটির মধ্যে যে পরীক্ষায় তিনি বেশি নম্বর পাবেন, মেরিট লিস্ট তৈরির সময় সেটিকেই ওই পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর হিসেবে ধরা হবে। এছাড়া এবার থেকে পরীক্ষায় গণিত, রসায়ন এবং পদার্থবিদ্যার ৩০টি করে মোট ৯০টি প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে প্রত্যেক পড়ুয়াকে ৭৫টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সেকশন এতে থাকবে ২০টি এমসিকিউ প্রশ্ন এবং সেকশন বিতে থাকবে ১০টি। এই বি সেকশনেরই ১০টির মধ্যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে পড়ুয়াদের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অন্নপূর্ণা যোজনায় বড় আপডেট, ১৭ সেপ্টেম্বর কাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩,০০০ টাকা? অতিরিক্ত ১০ লক্ষ মহিলা পাবেন সুবিধা

পশ্চিমবঙ্গের অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় আপডেট। সেপ্টেম্বর মাসের ৩,০০০ টাকার কিস্তি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা পড়বে। ১৭ সেপ্টেম্বর দিনটিকে অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবেও পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণার খবর অনুযায়ী, অগস্টে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেয়েছিলেন। সেপ্টেম্বরের কিস্তিতে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ, নতুন করে আরও প্রায় ১০ লক্ষ মহিলা এই কিস্তির আওতায় আসবেন।মাসে কত টাকা মিলবে?২০২৬ সালের জুন মাসে চালু হওয়া অন্নপূর্ণা যোজনায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই অর্থ সরাসরি DBT-এর মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।কারা পাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা?সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি পশ্চিমবঙ্গের মহিলা বাসিন্দারা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। স্থায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা এবং কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের নিয়মিত বেতন বা পেনশন পাওয়া মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় থাকবেন না। সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরাও বাদ পড়বেন। পাশাপাশি আয়করদাতারাও এই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নন।১৭ সেপ্টেম্বর কারা টাকা পাবেন?সেপ্টেম্বরের কিস্তির জন্য উপভোক্তার নাম যোগ্য তালিকায় থাকা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই সম্পূর্ণ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের মধ্যে গরমিল, DBT সংক্রান্ত সমস্যা বা অন্য কোনও তথ্যগত ত্রুটি থাকলে টাকা জমা পড়তে দেরি হতে পারে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তথ্যের ভুলের কারণে কিছু উপভোক্তার টাকা আটকে থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।তাই যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগী, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে কি না এবং আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংযোগ সঠিক রয়েছে কি না, তা আগে থেকেই যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের ৩,০০০ টাকা ১৭ সেপ্টেম্বর যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের আবেদন ও স্ট্যাটাস সংক্রান্ত তথ্যও নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে জানা যায়।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

১০০ কেজি সোনার দুর্গা! বাংলার বুকে এবার পুজোর সেরা আয়োজন, সোনার দুর্গাকে ঘিরে তুমুল আগ্রহ

দুর্গাপুজোয় এবার নজরকাড়া আয়োজন শিলিগুড়িতে। নিউ জলপাইগুড়ির সেন্ট্রাল কলোনি দুর্গাপুজো কমিটির দাবি, এ বছর তাদের প্রতিমা এবং দুর্গা পরিবারের অন্যান্য দেবদেবীকে সাজানো হবে ১০০ কেজি সোনার গয়নায়। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই গয়নার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। শিলিগুড়ি ও আশপাশের এলাকায় কোনও পুজো কমিটির পক্ষ থেকে এমন উদ্যোগ এই প্রথম বলে দাবি তাঁদের।এবার সেন্ট্রাল কলোনি দুর্গাপুজো পা দিতে চলেছে তাদের ৬৪তম বর্ষ। প্রতি বছরই নতুন আকর্ষণের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে এই পুজো। মঙ্গলবার আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে পুজো কমিটির সভাপতি কাঞ্চন রায় জানান, এ বছর দুর্গা প্রতিমা এবং পরিবারের অন্যান্য প্রতিমাকে ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, শিলিগুড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় এর আগে কোনও পুজোয় এত বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না দিয়ে প্রতিমা সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।বছরের পর বছর নিউ জলপাইগুড়ির গেট বাজার এলাকার কাছে রেলওয়ে ইনস্টিটিউট গ্রাউন্ডে এই পুজোর আয়োজন হয়ে আসছিল। তবে বর্তমানে রেল কর্তৃপক্ষ ওই মাঠকে ক্রিকেট মাঠ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। সেই কারণে এ বছর পাশের একটি জমিতে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। জমিটি নিউ জলপাইগুড়িতে অতিরিক্ত ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের দফতরের কাছেই অবস্থিত।পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি নামী গয়না প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতা সংস্থা প্রতিমার জন্য প্রয়োজনীয় সোনার গয়না সরবরাহ করবে। এত বিপুল পরিমাণ সোনা থাকায় নিরাপত্তার বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুজো প্রাঙ্গণের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। পাশাপাশি প্যান্ডেলে মোতায়েন থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী।দর্শনার্থীদেরও প্রতিমার খুব কাছে যেতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রতিমার প্রায় আট ফুট আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে। সেখান থেকেই দর্শনার্থীরা প্রতিমা দর্শন করে নির্দিষ্ট পথ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবেন। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার সশস্ত্র রক্ষীদেরও মোতায়েন করা হবে।পুজো কমিটির সভাপতি কাঞ্চন রায় জানিয়েছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। সোনার গয়না সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুজোর দিনগুলিতে গোটা এলাকা সিসিটিভির নজরদারিতে রাখা হবে। ১০০ কেজি সোনার গয়নায় সজ্জিত দুর্গা প্রতিমা ও দুর্গা পরিবারের অন্যান্য দেবদেবীকে দেখতে এবার শিলিগুড়ির এই পুজোয় বিপুল দর্শনার্থীর সমাগম হতে পারে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

ফের কমল সোনার দাম, কলকাতায় ২৪ ক্যারেটের দর জানলে চমকে উঠবেন

Gold Price Today: সোনার দামে ফের পতন। একদিন স্থিতিশীল থাকার পর টানা তৃতীয় দিনের মতো কমল হলুদ ধাতুর দাম। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দরে চাপ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিও বাজারে প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে মার্কিন ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে, এমন আশঙ্কায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ কিছুটা কমেছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠক ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ১৬ সেপ্টেম্বর সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশের কথা। ফলে ওই সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের।গত তিন দিনে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম মোট ১,৪২০ টাকা কমেছে। একই সময়ে ২২ ক্যারেট সোনার দর কমেছে ১,৩১০ টাকা। বুধবারও ২৪ ও ২২ ক্যারেটদুই ধরনের সোনার দাম ১০ টাকা করে কমেছে।কলকাতায় আজকের সোনার দামকলকাতায় ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১,৫৩,১৬০ টাকা। ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ১,১৪,৮৭০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট সোনার ১০ গ্রামের দর ১.১৫ লক্ষ টাকার সামান্য নিচে।দেশের অন্যান্য বড় শহরেও সোনার দরে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা। মুম্বইয়ে ২৪ ক্যারেটের দাম ১,৫৩,১৬০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৪,৮৭০ টাকা।পাটনা ও আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,২১০ টাকা। সেখানে ২২ ক্যারেটের দর ১,৪০,৪৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৪,৯২০ টাকা। জয়পুরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ১,৫৩,৩১০ টাকা, ২২ ক্যারেট ১,৪০,৫৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ১,১৫,০২০ টাকা।তবে চেন্নাইয়ের ক্ষেত্রে ২৪ ক্যারেট সোনার দরে দেওয়া তথ্যে সংখ্যাগত অসঙ্গতি রয়েছে। সেখানে ২২ ক্যারেটের দাম ১,৪০,৩৯০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম ১,১৮,০৯০ টাকা। তবে কেনার আগে স্থানীয় বাজার বা বিক্রেতার কাছ থেকে ২৪ ক্যারেটের বর্তমান দর যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।চার দিন পর কমল রুপোর দামসোনার পাশাপাশি রুপোর দামেও বুধবার কিছুটা পতন দেখা গিয়েছে। টানা চার দিন স্থিতিশীল থাকার পর এক কেজি রুপোর দাম ১০০ টাকা কমেছে।দিল্লিতে এক কেজি রুপোর দাম এখন ২,৪৪,৯০০ টাকা। কলকাতা ও মুম্বইয়েও একই দরে রুপো বিক্রি হচ্ছে বলে দেওয়া হয়েছে। তবে চেন্নাইয়ে রুপোর দাম তুলনামূলক বেশিএক কেজি ২,৪৯,৯০০ টাকা। এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর এক কেজি রুপোর দাম ৫,০০০ টাকা বেড়েছিল। পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর, ফের এক কেজিতে ১০,০০০ টাকা কমেছিল। বুধবারের পতনের ফলে রুপোর বাজারেও ফের কিছুটা দুর্বলতা দেখা গেল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

৪০ বছরের পুরনো গৌরব ফেরানোর উদ্যোগ! বক্সার জঙ্গলে রাজ করতে আনা হচ্ছে বাঘিনী

বাঘশূন্য বক্সার জঙ্গলে ফের বাঘের সংসার গড়ার প্রস্তুতি শুরু। বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে একটি বাঘিনীকে বক্সা টাইগার রিজার্ভে আনার উদ্যোগ নিয়েছে বন দপ্তর। সেই কাজের জন্য ইতিমধ্যেই ১৫ জনের একটি বিশেষ দল বিহারে পৌঁছেছে। বাঘিনীকে নিরাপদে নিয়ে আসার জন্য বিশেষ আম্বুল্যান্স এবং খাঁচাও সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২ অক্টোবর বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে বাঘিনীকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তার আগে বাঘিনীকে বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে নিরাপদে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বন দপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের আগে ঘুমপাড়ানি গুলি প্রয়োগ করে বাঘিনীকে কাবু করা হবে। এরপর বিশেষ নিরাপত্তার মধ্যে তাকে বক্সার দিকে নিয়ে আসা হবে।বাঘিনীকে নিয়ে আসার সময় তৈরি করা হবে সবুজ করিডর। অর্থাৎ যাতায়াতের পথে যাতে কোনও ধরনের বাধা বা বিলম্ব না হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। বক্সা টাইগার রিজার্ভে পৌঁছনোর পর সরাসরি জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে না তাকে। প্রথমে বিশেষ ভাবে তৈরি এনক্লোজারে রাখা হবে। সেখানে কয়েক দিন তার গতিবিধি, শারীরিক অবস্থা এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নজরে রাখা হবে।এরপর সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে ২ অক্টোবর বাঘিনীকে বক্সার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার এই বিশেষ অনুষ্ঠান হবে আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডে। সেখানে সাধারণ মানুষের জন্যও অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা থাকবে। জঙ্গলের ভিতরে বাঘিনীকে ছেড়ে দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে প্যারেড গ্রাউন্ডে দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ।বনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভের বাঘিনীকে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলেও জানানো হয়েছে। জঙ্গলে বাঘিনী ছাড়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দেখতে পারবেন।বক্সা টাইগার রিজার্ভের সঙ্গে বাঘের ইতিহাস অবশ্য বেশ পুরনো। ১৯৮২ সালে আলিপুরদুয়ারের এই বনাঞ্চল দেশের ১৫তম বাঘ সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সেই সময় বক্সার জঙ্গলে ২০টিরও বেশি বাঘ থাকার রেকর্ড ছিল। পাহাড় এবং সমতল মিলিয়ে প্রায় ৭৬০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল বনাঞ্চল।কিন্তু সময়ের সঙ্গে বক্সার জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা কমতে কমতে একসময় শূন্যে পৌঁছয়। বর্তমানে বক্সা টাইগার রিজার্ভে স্থায়ী ভাবে বসবাসকারী কোনও বাঘ নেই। যদিও গত কয়েক বছরে ভুটানের দিক থেকে বক্সার জঙ্গলে বাঘের যাতায়াতের ছবি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ফলে বাঘের জন্য বক্সার জঙ্গল এখনও উপযুক্ত আবাসস্থল কি না, তা নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন বনকর্তারা।এই পরিস্থিতিতে বক্সা টাইগার রিজার্ভে ফের বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে বাঘ এনে তাদের বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বন দপ্তরের। সেই পরিকল্পনারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে বাঘিনী আনা হচ্ছে।এখন নজর ২ অক্টোবরের দিকে। বিশেষ দল, খাঁচা, আম্বুল্যান্স এবং নিরাপত্তার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। বাঘিনী বক্সার পরিবেশে কী ভাবে মানিয়ে নেয় এবং ভবিষ্যতে সেখানে বাঘের স্থায়ী প্রজনন সম্ভব হয় কি না, তার উপরই এই উদ্যোগের পরবর্তী সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
বিদেশ

মক্কা কি সত্যিই নিশানায়? ড্রোন হামলার দাবি নিয়ে মুখোমুখি সৌদি ও হাউথি

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউথি এবং সৌদি আরবের সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সৌদির দাবি, মঙ্গলবার পবিত্র শহর মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, মক্কার আকাশসীমায় ঢোকার আগেই ড্রোনটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কড়া উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত।সৌদির দাবি অনুযায়ী, হাউথিরাই ওই ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। গত প্রায় এক দশকের মধ্যে মক্কার পবিত্র তীর্থক্ষেত্রকে ঘিরে এমন হামলার অভিযোগ এই প্রথম বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ড্রোনটি মক্কার ঠিক কতটা কাছে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে সৌদির তরফে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য জানানো হয়নি।সৌদির এই দাবি অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছে হাউথিরা। বুধবার গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেন, তাঁদের লক্ষ্য ছিল সৌদির তেলের ভাণ্ডার এবং সামরিক ঘাঁটি। তাঁর বক্তব্য, সেই লক্ষ্যগুলি মক্কা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। মক্কাকে নিশানা করে হামলার যে দাবি সৌদি করেছে, তা মিথ্যা বলেও পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি।এর ফলে মক্কার কাছে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট পার্থক্য তৈরি হয়েছে। সৌদি বলছে, হাউথির ড্রোন মক্কার দিকে এগিয়েছিল এবং আকাশেই সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে। অন্য দিকে হাউথির দাবি, তাদের লক্ষ্য ছিল মক্কা থেকে দূরে সৌদির তেল ও সামরিক পরিকাঠামো।এই ঘটনার পর মক্কার নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মক্কার ধর্মীয় গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে পবিত্র শহরের কাছাকাছি কোনও সামরিক হামলার অভিযোগ স্বাভাবিক ভাবেই আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ তৈরি করেছে।মক্কার কাছে ড্রোন হামলার অভিযোগের তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, মক্কার কাছে ড্রোন হামলার ঘটনায় ভারত উদ্বিগ্ন। সৌদি আরবের সার্বভৌম ভূখণ্ডে হামলা এবং সাধারণ নাগরিক ও বেসামরিক পরিকাঠামোকে বিপদের মধ্যে ফেলার যে কোনও প্রচেষ্টার কড়া নিন্দা করেছে ভারত।রণধীর আরও বলেন, সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে মক্কার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই কারণে মক্কার কাছাকাছি হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওই অঞ্চলে দ্রুত শান্তি এবং স্থিতিশীলতা ফিরে আসার আশাও প্রকাশ করেছে ভারত।অন্য দিকে, হাউথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের মাত্রাও ক্রমশ বাড়ছে। সৌদির পশ্চিম উপকূল লক্ষ্য করে হাউথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যেই মক্কার কাছে ড্রোন হামলার দাবি নতুন করে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে।তবে মক্কার কাছে ড্রোনটি ঠিক কোথা থেকে এসেছিল, তার লক্ষ্য কী ছিল এবং সৌদির দাবি অনুযায়ী সেটি কতটা কাছে পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য এক নয়। ফলে ঘটনার পূর্ণ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে সৌদি আরব ও হাউথিদের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যেই নজর রয়েছে পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রতীক না মিললে প্রচারেই যাবেন না মমতা? নন্দীগ্রাম-রেজিনগর ভোটের আগে বড় বার্তা

পুজোর আগেই রাজ্যে ফের ভোটের দামামা। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের প্রতীক-জট নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। তার মধ্যেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।সূত্রের খবর, দলীয় বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রচারে যাবেন না। যদিও এটি এখনও তাঁর প্রকাশ্য ঘোষণা নয়। ফলে উপনির্বাচনের প্রচারে মমতার ভূমিকা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই শিবির আলাদা ভাবে প্রার্থী দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবির নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরও দুই কেন্দ্রে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। ফলে একই দলের দুই শিবিরের প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।প্রতীক নিয়ে এই টানাপড়েনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দুই পক্ষের একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। কমিশনের কাছে দুই শিবিরই নিজেদের দাবি ও নথি জমা দিয়েছে। কিন্তু জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে মনোনয়ন পর্বের পাশাপাশি প্রতীক নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে।এই পরিস্থিতিতে রেজিনগরের কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে জট না কাটলে মমতা প্রচারে আসবেন না বলে তাঁকে জানানো হয়েছে। এই বক্তব্যের পরই মমতার প্রচার নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের মনোনয়ন ঘিরে একাধিক পরিচিত নেতাকে দেখা গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নন্দীগ্রামে ওই শিবিরের প্রার্থী মহম্মদ এতেসামূল হকের মনোনয়ন কর্মসূচিতেও দলীয় নেতাদের উপস্থিতি ছিল। ফলে দুই শিবিরের সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের নন্দীগ্রাম প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে-র মনোনয়ন ঘিরে জেলার নেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক ভাবে কম ছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। তবে এই উপস্থিতির ভিত্তিতে দলের চূড়ান্ত প্রচার কৌশল সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।এরই মধ্যে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে বিজেপিও প্রচার শুরু করেছে। শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে দলের প্রার্থীর হয়ে মনোনয়ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। তিনি উপনির্বাচনে তৃণমূলের ফল নিয়ে নিজের দাবি জানিয়েছেন। তবে সেটি তাঁর রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।নন্দীগ্রাম আসনটি বরাবরই রাজ্য রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর হাইভোল্টেজ লড়াই হয়েছিল। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হয়ে পরে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেজিনগরেও একই ভাবে বিধায়ক পদ খালি হওয়ায় উপনির্বাচন হচ্ছে।এখন মূল নজর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে। জোড়াফুল প্রতীক কোন শিবির পাবে, দুই পক্ষকে একই প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, নাকি অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবেতা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই সিদ্ধান্তের সঙ্গে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের লড়াইয়ের সমীকরণও বদলাতে পারে।সব মিলিয়ে ৬ অক্টোবরের ভোটের আগে তৃণমূলের প্রতীক-জট এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে নামা না-নামা এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং দুই শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
রাজ্য

‘রাক্ষুসে’ গঙ্গার গ্রাসে ভূতনি! ত্রাণের আশায় টিনের ডোঙা নিয়ে ছুটছেন বানভাসিরা

রাক্ষুসে গঙ্গার জলে কার্যত জলবন্দি মালদহের ভূতনির বিস্তীর্ণ এলাকা। যেদিকে তাকানো যাচ্ছে, শুধু জল আর জল। কোথাও ঘরবাড়ি ডুবে গিয়েছে, কোথাও আবার বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলমগ্ন। বহু পরিবার উঁচু রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির ছাদে ত্রিপল টাঙিয়ে দিন কাটাচ্ছে। খাবার বলতে ভরসা ত্রাণের সামগ্রী। আর সেই ত্রাণ আসার খবর পেলেই টিনের তৈরি ডোঙা নিয়ে ছুটে আসছেন বানভাসি মানুষজন।বুধবার ভূতনি সেতুর কাছে ত্রাণ পৌঁছনোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই দূরদূরান্তের জলবন্দি এলাকা থেকে ডোঙা নিয়ে ছুটে আসেন বহু মানুষ। মহিলা এবং শিশুরাও সেই ভিড়ে ছিলেন। চিঁড়ে, গুড়ের মতো শুকনো খাবার সংগ্রহের জন্য জল পেরিয়ে ভূতনি সেতুর কাছে পৌঁছন তাঁরা। ত্রাণ নিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সেখানে পৌঁছতেই জলবন্দি এলাকার মানুষ ডোঙা নিয়ে তাঁদের দিকে এগিয়ে আসেন।মালদহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের মতো ত্রাণ নিয়ে বড় ধরনের কাড়াকাড়ির পরিস্থিতি কোথাও তৈরি হয়নি। তবে প্রত্যন্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে সমস্যা হচ্ছে। অনেক জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে নৌকার সাহায্যেই দুর্গত এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে।জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বানভাসি এলাকায় ১১টি ত্রাণশিবির এবং ১৫টি লঙ্গরখানা চালু করা হয়েছে। দুর্গত মানুষের কাছে খাবার, পানীয় জল এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে একশোর বেশি নৌকা কাজে নামানো হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও উদ্ধার ও ত্রাণকাজে মোতায়েন করা হয়েছে।মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল জানিয়েছেন, ত্রাণ এবং পানীয় জলের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশন, রেডক্রস এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। দূরবর্তী গ্রামগুলিতে ত্রাণ পৌঁছনোর কাজ আরও দ্রুত করতে উত্তর চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে বিশেষ ত্রাণ দফতর চালু করেছে জেলা প্রশাসন।তবে দুর্গতদের একাংশের অভিযোগ, প্রত্যন্ত এলাকার সব জায়গায় এখনও নিয়মিত ত্রাণ পৌঁছচ্ছে না। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বিধায়ক, পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা স্পিডবোট ও নৌকা নিয়ে জলবন্দি মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। শুকনো খাবার এবং ওষুধও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।মালদহের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিও ত্রাণকাজে এগিয়ে এসেছে। জেলা প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে চাল, ডাল, চিঁড়ে, মুড়ি, পানীয় জল এবং মশারি-সহ বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে তিনটি বড় ট্রাক মানিকচকে পাঠানো হয়েছে।বন্যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের উদ্ধারে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জলবন্দি এলাকা থেকে ১৮০ জনেরও বেশি অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ভূতনি থানার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু তাতে মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। এখনও প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ বন্যার জলে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বহু গ্রাম জলবন্দি। কোথাও ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। আবার কোথাও বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলে ডুবে গিয়েছে।উঁচু জায়গা এবং বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন বহু পরিবার। দুর্গত মানুষের সঙ্গে দেখা করতে নিয়মিত এলাকায় ঘুরছেন মানিকচকের বিধায়ক গৌড়চন্দ্র মণ্ডল। সিভিল ডিফেন্সের দুই আধিকারিককে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ত্রাণ ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে কি না, তা খোঁজ নেন। কয়েকটি এলাকায় বানভাসিরা ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগও জানিয়েছেন। দ্রুত তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক।সব মিলিয়ে ভূতনির বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও জলযন্ত্রণা এখনও কাটেনি। ঘরবাড়ি হারিয়ে উঁচু রাস্তা ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় ভরসা ত্রাণ। আর সেই ত্রাণের আশাতেই জল পেরিয়ে ডোঙা নিয়ে ছুটছেন ভূতনির বানভাসিরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সেই মন্তব্য নিয়ে হাই কোর্টে মামলা, বুধবার এল বড় রায়! কী বলল আদালত?

গত ২ জুন ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের একটি ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বুধবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল হাই কোর্ট।মামলাটি শুনেছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর মামলার শুনানিতে মমতার মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত। বুধবার সেই রিপোর্ট আদালতে জমা দেয় রাজ্য। রাজ্যের রিপোর্টে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই মন্তব্যে কোনও আদালতগ্রাহ্য অপরাধ সংঘটিত হয়নি। এরপরই মামলাটি খারিজ করে দেয় আদালত।গত ২ জুন ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বাংলাদেশের একটি ঘটনা প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছিলেন মমতা। তিনি সরাসরি কারও নাম নেননি। তবে তাঁর মন্তব্য বাংলাদেশের একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের দিকে ইঙ্গিত করেছিল বলে অনেকে মনে করেছিলেন। সেই মন্তব্য নিয়েই কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন অভ্রতনু সরকার।মামলাটি আদালতে ওঠার পর শুরু থেকেই এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আগের শুনানিতে তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর বেঞ্চ প্রশ্ন তুলেছিল, কোনও রাজনৈতিক নেতার বক্তব্য নিয়ে এই ধরনের মামলা কী ভাবে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা যায়। আদালত জনস্বার্থ মামলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।এর পরেই মমতার মন্তব্য নিয়ে রাজ্যের রিপোর্ট চায় হাই কোর্ট। বুধবার সেই রিপোর্ট জমা পড়ে। রাজ্যের বক্তব্য ছিল, ওই মন্তব্যের মধ্যে এমন কোনও বিষয় পাওয়া যায়নি, যা আদালতগ্রাহ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। রাজ্যের এই রিপোর্টের পরই প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি খারিজ করে দেয়।মামলাটি খারিজ হওয়ার ফলে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে করা মন্তব্যকে ঘিরে দায়ের হওয়া এই জনস্বার্থ মামলার আইনি পর্ব আপাতত শেষ হল। তবে ওই মন্তব্য ঘিরে যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তা নিয়ে সেই সময় থেকেই আলোচনা চলছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal