• ৭ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East BEngal

খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট

ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে দীর্ঘ টালবাহনার কি অবসান হতে চলেছে? তেমনই সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তেমন কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি জট। অগনিত সমর্থকদের কথা ভেবে অবশেষে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি লালহলুদ কর্তারা।চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। প্রাথমিক চুক্তিপত্র ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের মধ্যে বেশ কিছু শর্তে পার্থক্য আছে বলে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাঁদের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে যা ক্লাব বিক্রি হওয়ারই সামিল। সেই কারণে লালহলুদ কর্তারা চুক্তি সই করতে রাজি হচ্ছেন না।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?চুক্তি জটিলতা কাটাতে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব তথা আইনজীবী পার্থ সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, কয়েকটি ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু পরে ফের কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছেন লাল হলুদ কর্তারা। যেগুলি নিয়ে ফের আলোচনা করতে গেলে শ্রী সিমেন্ট আগে যেগুলির ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও পিছু হঠতে পারে। অবশেষে চুক্তি জট মেটানোর জন্য লাল হলুদ কর্তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির উপর।ক্লাবের ৫ বছরের গ্যারান্টি নেওয়া সহ দুটি শর্তে আটকে আছে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লাল হলুদ কর্তাদেরও কিছু ছেড়ে খেলতে। কোর কমিটি চেয়েছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সময় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও কথা বলতে। কারণ সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা যেন বন্ধ না হয়। কিন্তু হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, চুক্তি সই না হওয়া অবধি তিনি প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে দেখাই করবেন না। ৫০ কোটি টাকা ফেরত দিলে লাল হলুদকে স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। চুক্তি সই যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ প্রাক্তন ফুটবলারদের বিপরীত শিবিরের বলেও কটাক্ষ করেন বাঙ্গুর।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিএরই মধ্যে কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া লাল হলুদ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে চুক্তি সই করতে হবে। ভাইচুং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণকে অপেশাদার বলেও উল্লেখ করেন। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আগে চুক্তি সই হোক, খেলা হোক। তারপর শর্ত বাকি আলোচনা চালানো যাবে।সোমবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠক। ক্লাব তাঁবুতে এদিনের বৈঠকে আসেননি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই কমিটির বাকিরা জানিয়ে দেন, আমরাও যেমন চাইছি, তেমনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও চাইছেন ক্লাব খেলুক। ফলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য যখন কোর কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে গতকাল ওই কথা বলেছেন তাহলে তিনি চুক্তির শর্তসহ সব বিষয়েই ওয়াকিবহাল। ফলে তিনি যখন গোটাটাই নিজের কাঁধে নিয়ে এগোতে চাইছেন আমরাও তাঁর এই ইচ্ছায় বাধাদান করব না। বাকিটা ক্লাব বুঝবে। এরপর যাবতীয় কিছু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য সামলাতে পারবেন বুঝেই নিশ্চয় তিনি অমন মন্তব্য করেছেন। তাই ভবিষ্যতে যাবতীয় আলোচনার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, এখনও কয়েকটা বিষয়ে নমনীয় হয়নি শ্রী সিমেন্ট। তাছাড়া প্রাক্তনরা হরিমোহন বাঙ্গুরের সঙ্গে আলোচনা চাইলেও তিনি যেভাবে উপেক্ষা করেছেন সেটাও মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ক্লাবের সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের খেলা যেন বন্ধ না হয়। ফলে শ্রী সিমেন্টের কাছে সেই মর্মেও চিঠিও পাঠানো হতে পারে ক্লাবের তরফে। এরপরই দ্রুত হয়ে যেতে পারে সই। তাছাড়া ৩১ অগাস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। চুক্তি নিয়ে গড়িমসি হলে শেষে দলই গঠন করা সম্ভব হবে না। তাই এই সপ্তাহেই বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ইস্টবেঙ্গেলের সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্ক মেটাতে এবার আসরে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমস্যার সমাধান করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দ্বারস্থ হবেন।আগের দিন ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলার সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জিকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলারকে টার্মশিট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখানো হয়। চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাঁদের মনে হয়েছিল, টার্মশিটের সঙ্গে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এই ব্যাপারে আলোচনার জন্য সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলারদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছিলেন সুভাষ ভৌমিক, দেবজিৎ ঘোষ, শিশির ঘোষ, মেহতাব হোসেন, অভিজিৎ মণ্ডল, রহিম নবিসহ অনেক প্রাক্তন ফুটবলার। কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারও এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বৈঠকের পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারপ্রাক্তন ফুটবলারদের মনে হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবলমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই পারবেন সমস্যার সমাধান করতে। প্রয়োজনে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন। প্রাক্তন ফুটবলাররা প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রাথমিক চুক্তি করার সময় ক্লাব কর্তাদের আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। শুরুতেই একপেশে চুক্তি করা হয়েছিল। এইরকম একপেশে চুক্তি মেনে নেওয়া যায় না। শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙুরের কাছে অনুরোধ, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর সুভাষ ভৌমিক বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পড়ে দেখলাম, এখানে সই করা মানে বুকে পাথর আর গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়া। দেবজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল এবং লগ্নিকারী সংস্থাকে মধ্যস্থতায় আসতে হবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যাতে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াবৈঠকের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে হাজির হন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, প্রাক্তন ফুটবলাররা আমাকে ফোন করেছিলেন। তাই এসেছি। পৃথিবীতে এমন কোনও চুক্তি হতে পারে না, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বিচ্ছেদের অধিকার থাকবে না। আমরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে আছি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলএএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য মঙ্গলবার আবেদন করার শেষ দিন। সোমবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে ইস্টবেঙ্গলকে জানানো হয়েছে, প্রথম থেকে বলে আসছি আমরা খেলতে চাই। তাই ক্লাব লাইসেন্সিং সচল রাখার জন্য আমরা লাইসেন্সিংয়ের আবেদন করছি। কিন্তু যতক্ষণ না চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হচ্ছে, আমরা কোনওরকম বিনিয়োগ করব না।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের বিতর্ক মেটাতে আসরে নামল এফএসডিএল

বিতর্ক, বিক্ষোভ, বিশৃঙ্খলা। গত কয়েক মাস ধরে এই ছবিটাই দেখা গেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট এবং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের টানাপোড়েন অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ২১ জুলাই ক্লাবের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতিতে কদর্য রূপ নিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন না করলে সই করা হবে না। জেদ ধরে বসে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। অন্যদিকে, লগ্নিকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে আইএসএলে দল নামবে না। দুই পক্ষের বিতর্ক মেটাতে অবশেষে আসরে নামল আইএসএলের আয়োজক সংস্থা এফএসডিএল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের কাছ থেকে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কপি চেয়ে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীইস্টবেঙ্গল কর্তারা বরাবরই দাবি করে আসছেন, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের অনেক পার্থক্য রয়েছে। অন্যদিকে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে মূল চুক্তিপত্রের কোনও পার্থক্য নেই। কোন পক্ষ সঠিক কথা বলছে, তা খতিয়ে দেখবে এফএসডিএল কর্তারা। তাঁরা আশাবাদী দশ দিনের মধ্যেই পুরো জট কেটে যাবে। তবে কোন শর্ত বাদ দিলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিপত্রে সই করবেন, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না এফএসডিএল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?এফএসডিএল নিজেদের আইনজীবী দিয়ে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পরীক্ষা করাবেন। তারপর শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বসে সমাধানসূত্র বার করবে। দিন দশেকের মধ্যেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন। ওই ফেডারেশন কর্তা আশ্বাস দিয়েছেন, এই মরশুমেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?২১ জুলাই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে যে ঘটনা ঘটেছে মেনে নিতে পারছেন না ফেডারেশন ও এফএসডিএল কর্তারা। অন্য ক্লাবের সদস্য-সমর্থকরাও ইস্টবেঙ্গলের নিগৃহীত সমর্থকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ফেডারেশন এবং এফএসডিএল কর্তারাও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। এএফসি-র কাছেও লালহলুদ সমর্থকদের নিগ্রহের খবর পৌঁছে গেছে। তারাও বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি। এএফসি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিচার্জ, গ্রেপ্তার ৪

অনেক ইতিহাসের সাক্ষী কলকাতা ময়দানের লেসলি ক্লদিয়াস সরণি। অনেক লালহলুদ সমর্থকের চোখের জলে সিক্ত এই রাস্তা। আনন্দাশ্রুও কম নেই। ২১ জুলাই অন্য ঘটনার সাক্ষী থাকল এই লেসলি ক্লদিয়াস সরণি। ইস্টবেঙ্গলের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। গ্রেপ্তার বেশ কয়েকজন সমর্থক। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টালবাহনা করছেন ক্লাব কর্তারা। অন্যদিকে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে সামনের মরশুমের জন্য দল গঠন করবেন না। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার দাবি জানিয়ে এতদিন সামাজিক মাধ্যমে সোচ্চার ছিলেন সমর্থকরা। এবার তাঁরা সরাসরি পথে নেমে পড়ল। একদল সমর্থক আগেই জানিয়েছিল ২১ জুলাই ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ দেখাবেন। সেই মতো বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা ১ টার আগে থেকেই লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে হাজির হন। শাসক গোষ্ঠীর সদস্যরাও হাজির হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে আগেই লালবাজারে বিক্ষোভের কথা জানানো হয়েছিল। তাই লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি সত্ত্বেও দুই পক্ষের হাতাহাতি শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে লালবাজার থেকে আরও পুলিশ বাহিনী হাজির হয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। লাঠিচার্জ করার আগে, পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকে বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। বিক্ষোভকারীরা না সরায় পুলিশ লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয়। ৪ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ) আকাশ মাঘারিয়া বলেন,আড়াই ঘন্টা ধরে লেসলি ক্লডিয়াস সরণির মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধ করে রেখেছিল। বারবার বলা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা সরে যায়নি। বাধ্য হয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্লাবের বিরোধী গোষ্ঠীর সমর্থকরা নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাবের সামনে দেবব্রত সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। শাসক গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রতিবাদ জানতেই ঝামেলা শুরু হয়েছিল। বিরোধী গোষ্ঠীর কর্তাদের দাবি, শাসক গোষ্ঠীর সদস্যদের চিহ্নিত করতে নীলসাদা রিবন পরানো হয়েছিল। পুলিশ মোতায়েন থাকায় বড় কোনও অশান্তি হয়নি। তবে কয়েকজন সমর্থক জখম হয়েছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবি

গত শুক্রবার কর্ম সমিতির বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তিপত্রে সই করবেন না। এর ফলে কলকাতা লিগ ও আইএসএসে দল নামানোর সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। আর এতেই গর্জে উঠেছে লালহলুদ সমর্থকরা। আগেই তারা সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবদের ঝড় তুলেছিল। এবার সরাসরি পথে নেমে পড়ল। ক্লাবের গেটের সামনে প্রতিবাদের ঝড়।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?অধিকাংশ সমর্থক চান ক্লাব সব প্রতিযোগিতাতেই খেলুক। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দিয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হলে তারা দল গঠন করবে না। দল গঠন করা না হলে কোনও প্রতিযোগিতাতেই খেলার সম্ভাবনা নেই। বেশ কিছুদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ক্লাব কর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হচ্ছিলেন সমর্থকরা। এবার ক্লাবের গেটে অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের (নীতু) বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পোস্টার পড়ল। এছাড়া অন্যান্য কর্তাদের বিরুদ্ধেও পোস্টার পড়েছে। ব্যানারে লেখা হয়েছে, সাইন অ্যান্ড রিজাইন। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশ্রী সিমেন্টের কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের শুক্রবারের কর্ম সমিতির বৈঠকের দিকে তাকিয়েছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন, বৈঠকেই হয়তো সই করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে তাঁরা হতাশ। দল গঠনের জন্য ফুটবলার বাছাইয়ের কাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিলেন। বিদেশি ফুটবলারদের জীবনপঞ্জী দেখে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেছিলেন। যেসব স্বদেশী ফুটবলার এখনও দল চূড়ান্ত করেননি, তাদের তালিকাও তৈরি করেছেন। চূড়ান্ত চূক্তিপত্রে সই হলেই তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা হতাশ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকইতিমধ্যেই মাত্তি স্টেইনম্যান, ব্রাইট এনোবাখারে, অ্যান্টনি পিলকিংটনের মতো বিদেশিরা অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। দেবজিৎ মজুমদার, নারায়ন দাসের মতো বেশ কয়েকজন স্বদেশী ফুটবলার ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবে চলে গিয়েছেন। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের যাবতীয় নথি জমা করতে হবে। ৩১ অগাস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে ফুটবলারদের তালিকা। ফলে সময় চলে গেলেও লাল হলুদের সমস্যা মেটার ইঙ্গিত নেই। শ্রী সিমেন্ট আরও জানিয়েছে, গত মরশুমে চুক্তি চূড়ান্ত না হলেও দলের পিছনে যে ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করা হয়েছে তা ফেরত দিলে তবেই স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সুতরাং অন্য স্পনসর এলেও সমস্যা মিটবে না লালহলুদের।

জুলাই ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ইস্টবেঙ্গল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবেন না কর্তারা

সপ্তাহ দুয়েক আগে দুই পক্ষের কথাবার্তাতে জট কাটার ইঙ্গিত ছিল। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে সংঘাত আরও চরমে পৌঁছল ইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রীসিমেন্টের মধ্যে। টার্মশিটসহ শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে লালহলুদ কর্তাদের কাছে যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল, তাতে সই না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কর্মসমিতির বৈঠকে এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারগতবছর ১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সামনে শ্রী সিমেনেন্টের সঙ্গে প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তারপর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুই পক্ষের মধ্যে টালবাহনা চলছিল। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে প্রচুর পার্থক্য আছে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বারবার চিঠি চালাচালি হয়। কিন্তু সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে আইএসএলে দল না নামানোর হুমকি দেওয়া হয়। তাতেই বরফ গলেনি।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকশুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ২৫ জন সদস্য বৈঠকে হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ঠিক হয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন করা না সই করা হবে না। ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সভাপতির নেতৃত্বে আমরা সকল এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবকে চিরতরে একতরফা দিয়ে দেবার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে সদস্যদের অসম্মান এবং তাদের অধিকার খর্ব করে দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের মৌলিক অধিকার নেই, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের ক্লাবের মাঠ, ক্লাবের লোগো, ক্লাবের নাম, টেন্টসহ সমস্ত কিছু চিরতরে নিয়ে নেওয়ার এবং ক্লাবকে সেগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়ার শর্তাবলী রয়েছে, যে এগ্রিমেন্টে ক্লাবের কোটি কোটি সদস্যসমর্থের চিরকালীন আত্মাভিমানে আঘাত ও যে এগ্রিমেন্টে সমর্থকদের বলা হয় ট্রেস পাসার্স উইল বি প্রসিকিউটেড সেই এগ্রিমেন্টে আমরা সই করব না।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে দল গঠন করবে না শ্রী সিমেন্ট। ফলে এই মরশুমে কোনও প্রতিযোগিতায়ে খেলতে পারবে না ইস্টবেঙ্গল। যা ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হতে চলেছে। এই অবস্থায় সদস্যসমর্থকরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিকে তাকিয়ে।

জুলাই ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Bright : East Bengal : আবার লালহলুদে ভাঙন, ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে পুরনো ক্লাবে ব্রাইট

গত মরশুমে আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে চমক দিয়েছিলেন ব্রাইন এনবাখারে।কোচ রবি ফাউলারের হাত ধরে ইংল্যান্ডের কভেন্ট্রি সিটি ক্লাব থেকে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন। আবার ফিরে গেলেন সেই পুরনো ক্লাবে। মঙ্গলবারই তাঁর সাথে চুক্তির কথা ঘোষণা করেছে কভেন্ট্রি সিটি। ব্রাইট এনবাখারের সঙ্গে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চুক্তি করেছে ইংল্যান্ডের এই ক্লাব।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটসামনের মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান। অন্যদিকে ঘর ভেঙেই চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। আদেও দল গঠন করতে পারবে কিনা লালহলুদ শিবির তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন ফুটবলাররা। কেউই আর ভরসা করছেন না। তাই ফুটবলারদের মধ্যে অন্য দল খুঁজে নেওয়ার হিড়িক। আগেই লালহলুদ ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন মাত্তি স্টেইনম্যান। এবার ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে অন্য ক্লাবে যোগ দিলেন ব্রাইট এনবাখারে।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেআইএসএলে স্ট্রাইকিং সমস্যায় ভুগছিল এসি ইস্টবেঙ্গল। সমস্যা মেটাতে এবছর জানুয়ারিতে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লোনে ব্রাইটকে লালহলুদে নিয়ে এসেছিলেন রবি ফাউলার। এসসি ইস্টবেঙ্গলে খেলতে এসে সমর্থকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন ব্রাইট। লালহলুদ জার্সি গায়ে ১২ ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৩ টি।আরও পড়ুনঃ এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল! প্রশ্নের মুখে আইএফএইস্টবেঙ্গলে আসার আগে কভেন্ট্রি সিটির হয়ে ১৮ ম্যাচ খেলেছিলেন ব্রাইট এনবাখারে। গোল করেছিলেন ৬টি। ব্রাইটকে পেয়ে খুশি কভেন্ট্রি সিটির কোচ মার্ক রবিন্স। তিনি বলেছেন,ব্রাইটকে কভেন্ট্রি সিটিতে স্বাগত। ওকে পেয়ে আমরা খুব খুশি। দারুন প্রতিভাবান ফুটবলার। খেলা ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে। গোল করতে পারে, করাতেও পারে।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরব্রাইটের আগেই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন মাত্তি স্টেইনম্যান। এই জার্মান মিডফিল্ডারের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল। কিন্তু এক মরশুম কাটিয়েই তিনি ক্লাব ছেড়েছেন। যোগ দিয়েছেন এ-লিগে খেলা ওয়েলিংটন ফোয়েনিক্সে। স্টেইনম্যান ইস্টবেঙ্গলেই থাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ক্লাবের ডামাডোলে ঝুঁকি নিতে চাননি।ইস্টবেঙ্গলের হয়ে ১৭ ম্যাচ খেলেছিলেন স্টেইনম্যান। গোল করেছিলেন ৪টি। লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে লালহলুদ কর্তাদের চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে বিতর্কের জন্যই একের পর এক ফুটবলার দল ছাড়ছেন। বিতর্ক মিটলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে দল গড়া কঠিন হয়ে যাবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : কলকাতা লিগে না খেললে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ইস্টবেঙ্গলকে

সোমবারই হয়ে গেল কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশনে গ্রুপ বিন্যাস। ইস্টবেঙ্গলকে গ্রুপে রাখা হলেও লালহলুদ খেলবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আর যদি শেষ পর্যন্ত লিগে লিগে ইস্টবেঙ্গল দল না নামায়, তাহলে অবনমনের আওয়ায় পড়তে হবে। এমনই জানিয়েছেন আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন আইএফএর কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আগস্টের মাঝামাঝি শুরু হবে কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশন। প্রিমিয়ার ডিভিশনের দলগুলিকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে এবছর লিগ হবে। প্রিমিয়ার লিগের দলগুলির ওই বৈঠকে ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি হাজির ছিলেন না। গ্রুপ বিন্যাসের জন্য সোমবার আবার বৈঠক ডেকেছিল আইএফএ। চুক্তিপত্র সই করা নিয়ে বিতর্ক না মেটায় এদিনের বৈঠকেও ইস্টবেঙ্গলের কোনও প্রতিনিধি আসেননি। যদিও ইস্টবেঙ্গলকে রেখেই গ্রুপ বিন্যাস করা হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এ গ্রুপে রয়েছে মহমেডান স্পোর্টিং, ইউনাইটেড স্পোর্টস, ভবানীপুর ক্লাব, সাদার্ন সমিতি, বিএসএস স্পোর্টিং, রেলওয়ে এফসি। অন্যদিকে বি গ্রুপে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান, এরিয়ান, জর্জ টেলিগ্রাফ, পিয়ারলেস, খিদিরপুর ও কাস্টমস।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণেরইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চূড়ান্ত পত্রে সই না হওয়ায় এখনও দল গঠনের কাজে হাত দেয়নি লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। ফলে কলকাতা লিগে দল নামানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত দল না নামায়, অবনমনের মুখে পড়তে হবে লালহলুদকে। শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে। আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এদিন ব্যক্তিগত কারণে এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজী সমাদ্দার বৈঠকে হাজির থাকতে পারেননি। আমরা চাই বাংলার ফুটবলের স্বার্থে ইস্টবেঙ্গল লিগে খেলুক। যদি শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল না খেলে তাহলে ওরা একেবারে নীচে চলে যাবে। যদি সব ডিভিশনের খেলা হয়ে তাহলে অবনমন থাকবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী ইস্টবেঙ্গলকে অবনমনের আওতায় পড়তে হবে। আইএফএ ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে। লালহলুদ শিবিরকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও এটিকে মোহনবাগান পূর্ণশক্তির দল নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা হালকাভাবে নেবে না কলকাতা লিগকে। আইএসএলের প্রস্তুতিও সেরে নিতে চায় লিগে।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন জার্সিতে কীসের প্রতীক?‌ 

সরকারিভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হল এসসি ইস্টবেঙ্গলের জার্সি। সোমবার গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জার্সি প্রকাশ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এবার আইএসএলের জন্য তিন ধরনের জার্সি তৈরি করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। তিন জার্সিতে রাখা হয়েছে যথাক্রমে মশাল, ইলিশ ও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। জার্সির ডিজাইন তৈরি করেছেন কলকাতার পরিবেশ সচেতন ডিজাইনার মেঘনা নায়েক। একটা জার্সি হোম ম্যাচের জন্য, একটা অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য। আর একটা বাড়তি জার্সি তৈরি করে রাখা হয়েছে। হোম ম্যাচের জার্সি লালহলুদ। সঙ্গে থাকছে মশাল দেওয়া ক্লাবের লোগো। অ্যাওয়ে জার্সির রং নীল ও সাদা। এই জার্সিতে থাকছে ইলিশ মাছ। আর তিন নম্বর জার্সিতে থাকছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের প্রতীক। ক্লাবের নতুন জার্সি ভাল লেগেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রবি ফাউলারের। তিনি বলেন, জার্সিগুলো দেখতে খুব ভাল হয়েছে। হোম জার্সি ক্লাবের ঐতিহ্যবজায় রেখেছে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

প্রকাশিত আইএসএলের সূচি, মোহন-ইস্ট কবে মাঠে নামবে দেখে নিন !

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ২০২০-২১ মরশুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ বা আইএসএল। ১১টি দলকে নিয়ে গোয়ায় শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল। শুক্রবার লিগের আংশিক সূচি ঘোষণা করল আইএসএল কর্তৃপক্ষ। গোয়ার ব্যাম্বোলিমে উদ্বোধনী ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেরালা ব্লাস্টার্সের মুখোমুখি হবে এটিকে মোহনবাগান। এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযান শুরু করছে কলকাতা ডার্বি দিয়ে। ইলিশ-চিংড়ির বহুচর্চিত লড়াইটি হবে ভাস্কোর তিলক ময়দান স্টেডিয়ামে, ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। আরও পড়ুন ঃ প্রথম কোভিড পরিবর্ত ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম তুললেন কে? গোয়াতে বায়ো বাবলের মধ্যে ফতোরদার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম, ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়াম ও ভাস্কোর তিলক ময়দানে খেলাগুলি হবে ক্লোজড ডোরে অর্থাৎ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। ৯৫-এর বদলে এবার আইএসএলে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হচ্ছে ১১৫। ১১টি দল ডাবল রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে পরস্পরের মুখোমুখি হবে। পয়েন্ট তালিকায় প্রথম চারে থাকা দলগুলি প্লে অফ খেলার সুযোগ পাবে। আপাতত ১১ রাউন্ডের ৫৫টি ম্যাচের ক্রীড়াসূচি ঘোষণা হয়েছে। বাকি ম্যাচ কবে হবে তা এএফসি-র ক্রীড়াসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হবে। ১১ রাউন্ডের মধ্যে ৬টি ডাবল হেডার রয়েছে অর্থাৎ একদিনে দুটি ম্যাচ। ডাবল হেডারের ক্ষেত্রে প্রথম ম্যাচ বিকেল ৫টা থেকে, এরপরের ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

অক্টোবর ৩০, ২০২০
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে কী নামে? ঘোষণা নীতার

এই দিনটার প্রতীক্ষাতেই ছিলেন বিশ্বের তামাম ইস্টবেঙ্গল ভক্ত। রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর এবারের আইএসএলের একাদশ দল হিসেবে ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে স্বাগত জানিয়েছেন ফুটবল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ইস্টবেঙ্গল ও দলের লক্ষ লক্ষ সমর্থকদের আইএসএলে স্বাগত জানাই, এটা খুব আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের (বর্তমানে এটিকে মোহনবাগান) মতো ক্লাব আইএসএলে আসায় বাংলায় ফুটবল প্রতিভার বিকাশ-সহ দেশের ফুটবলে সীমাহীন সম্ভাবনার পথ প্রশস্ত হলো। ভারতীয় ফুটবলে বাংলার প্রভূত অবদান রয়েছে। এর সঙ্গে রাজ্য তথা দেশে প্রতিযোগিতামূলক ও বলিষ্ঠ ফুটবল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইএসএলের ক্রমবর্ধমান পদাঙ্ক আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে নীতার ঘোষণায় একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে, ইনভেস্টরের নাম ইস্টবেঙ্গলের আগে বসছে না। আইএসএলে লাল হলুদ খেলবে ইস্টবেঙ্গল নামেই।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আজ থেকে শুরু চূড়ান্ত যাচাই! বিচারকদের হাতে ভোটার নথি পরীক্ষার দায়িত্ব, তুঙ্গে নির্বাচন প্রস্তুতি

ভোটার তালিকার বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত যাচাই পর্ব আজ থেকে শুরু হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির অধীনে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এই কাজে অংশ নিচ্ছেন। সোমবার থেকেই জেলা ও অন্যান্য আদালতের বিচারকরা সরাসরি ভোটার নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।এই প্রক্রিয়া শুরুর আগে রবিবার দিনভর প্রস্তুতি চলে। সকালে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক ও মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বিচারকদের একটি বৈঠক হয় কলকাতার টি বোর্ডের দফতরে। সেখানে কোন নথির ভিত্তিতে এবং কী পদ্ধতিতে যাচাই হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পরে বিকেলে হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বে পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আরেক দফা বৈঠক হয়। পাশাপাশি অনলাইনে জেলা বিচারকদের ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যেক বিচারকের জন্য আলাদা প্রবেশ পরিচয় তৈরি করা হয়েছে। নির্দিষ্ট পোর্টালে নাম ও ফোন নম্বর দিলে যাচাইকরণ সংকেত আসবে, তার মাধ্যমে বিচারকরা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রবেশ করার পর সংশ্লিষ্ট এলাকার যাচাইয়ের অপেক্ষায় থাকা ভোটারদের তথ্য খুলে যাবে।সূত্রের খবর, পর্দার একদিকে থাকবে ভোটারের তথ্য ও জমা দেওয়া নথি, অন্যদিকে থাকবে বুথ স্তরের আধিকারিক, নির্বাচন নিবন্ধন আধিকারিক, সহকারী নির্বাচন আধিকারিক এবং মাইক্রো পর্যবেক্ষকদের মতামত। সব কিছু যাচাই করার পর বিচারককে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে এবং প্রয়োজন হলে মন্তব্যও লিখতে পারবেন।বিশেষ তালিকা পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, আজ থেকেই নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হচ্ছে। বিধানসভা ভিত্তিক বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা এই দায়িত্ব পালন করবেন এবং জেলা বিচারকদের জন্য আলাদা পোর্টালও প্রস্তুত করা হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর শনিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল সংশ্লিষ্ট পক্ষদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরই বিচারকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। হাইকোর্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত মামলার একশো বিচারক এবং অন্যান্য আদালতের আরও দেড়শো বিচারক এই যাচাই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করবেন।এই পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নথি যাচাই বাকি রয়েছে। ফলে সামনে রয়েছে বিশাল কর্মযজ্ঞ এবং নির্বাচন কমিশনের উপর বাড়ছে চাপ।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

রমজান মাসে পাকিস্তানের বর্বর হামলা আফগানিস্তানে! নারী ও শিশুরা নিহত, ভারত সরব

পাকিস্তান বারবার নিজেকে ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও এবার রমজান মাসে আফগানিস্তানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বেছে বেছে মসজিদ ও মাদ্রাসা লক্ষ্য করে পাকিস্তান গোলা ছুঁড়েছে।আফগান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে জখম হয়েছেন আরও অনেকে। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য আফগান সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা। তবে স্থানীয়রা বলছে, হামলার লক্ষ্য সরাসরি মসজিদ ও মাদ্রাসা। স্থানীয় আবদুল্লা জান, নাসিম গুল ও মহম্মদ জুবের জানিয়েছেন, এখানে কোনও সামরিক ঘাঁটি নেই। তবু পাকিস্তান আমাদের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে। অন্তত ১০ লাখ আফগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই আতঙ্কে কাঁপছে।তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, নিরীহ মহিলা ও শিশুদের হত্যার জবাব দেওয়া হবে এবং সময়মতো বদলা নেওয়া হবে। এ পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, রমজান মাসে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। কঠিন সময়ে নয়াদিল্লি সবসময় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর খোলা চিঠি: বঙ্গবাসীকে ডাক দিলেন বিজেপি সরকারের জন্য, ‘জয় মা কালী’ স্লোগান নিয়ে রাজনৈতিক ঝড়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গবাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠি শুরু করেছেন জয় মা কালী লিখে। তিনি লিখেছেন, সোনার বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত এবং এই অবস্থায় তাঁর মন ভারাক্রান্ত। চিঠিতে তিনি বাংলার মণীষীদের অবদানও স্মরণ করেছেনস্বামী বিবেকানন্দ, ঋষি অরবিন্দ, সুভাষচন্দ্র বোস সহ বিভিন্ন প্রখ্যাত ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।মোদীর চিঠি বাংলার রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনের সময় জয় শ্রী রাম শব্দবন্ধকে কেন্দ্র করে তাপমাত্রা বেড়েছিল। বাংলার তৃণমূল ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল বারবার বলেছে, রাজনীতিতে জয় শ্রী রাম গ্রহণযোগ্য নয়। এর প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কর্মীরা জয় মা কালী স্লোগান দিতে শুরু করে। এমনকি লোকসভা মঞ্চেও একাধিক তৃণমূল সাংসদ এই স্লোগান দেন।চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাংলার মানুষ বঞ্চিত এবং তাঁদের যন্ত্রণায় তিনি ভারাক্রান্ত। তিনি বাংলায় সেবা করার সুযোগ চাইছেন। পাশাপাশি চিঠিতে তিনি তোষণের রাজনীতি ও অপশাসনের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, কাজের জন্য মানুষকে ভিন রাজ্যে যেতে হবে না, মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং অনুপ্রবেশ রুখে শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।চিঠির এই প্রতিটি শব্দবাংলার রাজনীতিতে গুরুত্ব বহন করছে এবং ভোটের আগেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

মুকুল রায় চলে গেলেন চিরতরে! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকাহত, প্রধানমন্ত্রীও প্রকাশ করলেন সমবেদনা

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় চলে গেলেন। তাঁর প্রয়াণে বিচলিত ও মর্মাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে শোকজ্ঞাপন করেন। তিনি লিখেছেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন আমার রাজনৈতিক সহকর্মী ছিলেন। বহু সংগ্রামে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। তাঁর বিদায়ের সংবাদে আমি অত্যন্ত মর্মাহত।মমতা আরও বলেন, মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে দলের জন্য প্রাণপাত করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন এবং দলের সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্যতা রাখতেন। পরবর্তীতে ভিন্ন পথে গেলেও ফিরে এসেছিলেন। বাংলার রাজনীতিতে তাঁর অবদান এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আমরা কখনও ভুলব না। দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক মহল তাঁর অভাব অনুভব করবে। তিনি মুকুলের পুত্র শুভ্রাংশুকে শক্ত থাকার বার্তাও দিয়েছেন।মুকুল রায়ের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বাংলায় লিখেছেন, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাই।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। পরে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন। তবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত বিজেপির বিধায়ক পদেই থাকলেন তিনি।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব ও সাংগঠনিক দক্ষতা সবসময় স্মৃতিতে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
বিদেশ

মেক্সিকো তপ্ত! মোস্ট ওয়ান্টেড ড্রাগ কার্টেল নেতা এল মেনচো নিহত, শহরে তাণ্ডব ও আগুন

মেক্সিকো জ্বলছে। দেশ তথা বিশ্বের অন্যতম ভয়ঙ্কর ও মোস্ট ওয়ান্টেড মাদক পাচারকারী এল মেনচো সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন। মেক্সিকোর সেনা দেশের বিভিন্ন অংশে মাদকবিরোধী অভিযান চালাচ্ছিল। জালিস্কো শহরে সামরিক অভিযানের সময় আহত হন এল মেনচো। তাকে আকাশপথে মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যাওয়ার সময় মৃত্যুর খবর আসে।এল মেনচো জালিস্কো নিউ জেনেরেশন কার্টেলের নেতা ছিলেন। তার মাথার উপরে ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ছিল। আমেরিকা এই গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল। সেনাদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত হন এল মেনচো। অভিযানে তাঁর ছাড়াও আরও ছয়জনকে নিকেশ করা হয়েছে, দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে রকেট লঞ্চার ও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সংঘর্ষে তিনজন সেনা আহত হয়েছেন।এল মেনচোর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। কার্টেলের সদস্যরা বন্দুক নিয়ে রাস্তায় নামেন। পশ্চিম জালিস্কোর কমপক্ষে ২০টি রাস্তা অবরোধ করা হয়। রাস্তায় থাকা গাড়ি ও ট্রাক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। আশেপাশের রাজ্যগুলিতেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরে ঢুকেও তাণ্ডব চালানো হয়।মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম নাগরিকদের শান্ত থাকার আবেদন জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে মিলিত হয়ে শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

১৯ বছরের সম্পর্ক ছেদ করে বিজেপিতে গিয়েছিলেন মুকুল রায়, এত কষ্টের কেন শেষ পরিণতি

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় চলে গেলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করার পর সোমবার রাত দেড়টার সময় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। বাংলার রাজনীতির বহু মানুষ স্মৃতিচারণ করছেন, মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসের সময় রাজনীতি শুরু করে মুকুল রায় পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের সময় সর্বদা পাশে ছিলেন। দলের অগ্রগতিতে তাঁর অবদান ছিল বিশাল। প্রতিটি বুথ, ব্লক, জেলা, শহর স্তরের খবর তাঁর নখদর্পণে ছিল। দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হিসেবে তিনি দলের অন্তপ্রাণ হয়ে উঠেছিলেন। তৃণমূলের পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন তিনি।২০০৬ সালে জমি অধিগ্রহণ অভিযান ও সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মুকুল রায় ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা। পরবর্তী সময়ে তিনি জাহাজ মন্ত্রী, রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনের পরও অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দেন এবং দেড় বছর ধরে দলের নেতৃত্বে দলবদল কর্মসূচি চালান। বিভিন্ন শরিক দলের নেতা-কর্মীদের ভাঙিয়ে তৃণমূলে যোগদান করান। এই কর্মসূচির ফলে বাংলার রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।তবে সারদা কেলেঙ্কারি ও নারদা স্টিং অপারেশনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। দলের একাংশের মধ্যে অভিযোগ ওঠে, মুকুল রায় নিজের প্রভাব বৃদ্ধি করছেন এবং প্রশাসনকেও প্রভাবিত করতে পারতেন। নারদা মামলায় সিবিআইয়ের ডাকের পর তিনি নিজের মতো করে সংগঠন চালাতে থাকেন। জল্পনা ওঠে আলাদা দল তৈরি করবেন কি না।শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১ সালের ১১ জুন আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন, তবে আগের মতো সক্রিয় ছিলেন না। শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে মূল রাজনীতির মঞ্চে দেখা কম হয়। স্ত্রী প্রয়াণের পর আচরণে অসঙ্গতি দেখা দেয়, একাধিকবার ক্যামেরায় অসংলগ্ন কথাবার্তা ধরা পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেও বিজেপির বিধায়ক পদ ছাড়েননি। এই বিতর্ক আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়। সুপ্রিম কোর্ট মানবিকতার কারণে তাঁর বিধায়ক পদ রাখার নির্দেশ দেন।মুকুল রায়ের প্রয়াণ বাংলার রাজনীতিতে এক অধ্যায়ের সমাপ্তি। তাঁর নেতৃত্ব, প্রভাব এবং সংগঠন করার ক্ষমতা বাংলা রাজনীতিতে অনস্বীকার্য।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কাণ্ডারী মুকুল রায়! ছায়াসঙ্গী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মুকুল রায়ের প্রয়াণে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমেছে। অনেকেই স্মৃতিচারণ করছেন, আর রাজনীতির মানুষজন মনে করিয়ে দিচ্ছেন কেন তাঁকে বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য বলা হতো।যুব কংগ্রেসে নেতা হিসাবে মুকুল রায় তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন। সেখানেই পরিচয় হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি মমতাকে দিদি বলে সম্বোধন করতেন, আর মমতাও তাঁকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। প্রতি বছর ভাইফোঁটা দেওয়ার রীতি ছিল, যদিও শেষ কয়েক বছরে নানা কারণে তা থেমে গিয়েছিল।মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৯৮ সালে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হয়, তিনি সর্বদা পাশে ছিলেন। দল গঠনের সময় থেকে প্রতিটি ব্লক, বুথ, জেলা এবং শহরে তৃণমূলের পরিচয় দেওয়ার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের মুখ।২০০৬ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হন এবং দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে প্রথমবার হেরে যান। এরপরও তাঁর লড়াকু মনোবল কখনও হ্রাস পায়নি। ২০০৬ সালে রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন এবং ২০০৯ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী ছিলেন।জমি আন্দোলনের সময়ও সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কংগ্রেস ও বিভিন্ন বামদল ভেঙে তৃণমূলে নেতা-কর্মীদের আনার কাজও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।কিছু বছর পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। কৃষ্ণনগর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন। তবে ২০২১ সালে ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেও মূল রাজনীতির মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। মুকুল রায় ছিলেন যে কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের চাণক্য, তা চলে গেলেও স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

বাংলার রাজনীতির শেষ চাণক্য! মুকুল রায়ের মৃত্যুতে তৃণমূল শোকে স্তব্ধ

বাংলার রাজনীতির এক প্রভাবশালী অধ্যায়ের ইতি ঘটল। তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা মুকুল রায় সোমবার রাত দেড়টার সময় শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তাঁর প্রয়াণের খবর মিলার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।মুকুল রায় গত কয়েক মাস ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় জানান, রাত দেড়টার সময় ঘটনার পর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলার পর হাসপাতালে যাচ্ছেন এবং পরে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ হয়তো জানেনই না যে বাবা আর নেই।মুকুল রায়ের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ এবং বর্ণময়। তৃণমূল কংগ্রেসে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। রাজ্যসভার সাংসদ, দেশের রেলমন্ত্রী ও জাহাজমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রাজনীতির ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল মাপের বাইরে। এক সময়ে তাঁকে বাংলার চাণক্য ও বঙ্গেশ্বর বলা হতো।তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন তৈরি থেকে জমি আন্দোলন ও পরিবর্তনের লড়াই, সব সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তৃণমূলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁর অবদান অসীম।কয়েক বছর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন এবং কৃষ্ণনগর থেকে জয়ী হন। ২০২১ সালে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরলেও স্বাস্থ্যগত কারণে মূল মঞ্চ থেকে ধীরে ধীরে সরে যান। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সোমবার রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন মুকুল রায়।বাংলার রাজনীতিতে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুকুল রায়ের প্রয়াণ তৃণমূলের জন্য এক বড়ো ধাক্কা।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal