• ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

রাজ্য

ভোটের মুখে বর্ধমানে বিষ্ফোরণে মৃত শিশু, রিপোর্ট তলব নির্বাচন কমিশনের

বর্ধমানের রসিকপুরে বোমা বিস্ফোরণ। বোমার আঘাতে আহত হয় দুই শিশু। জানা গেছে, বর্ধমান শহরের রসিকপুরে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে সেগুলি ফেটে যায়। এর ফলে শেখ আব্রাহাম ও শেখ আফরোজ নামে দুই শিশু আহত হয়। দুজনের বয়স বছর পাঁচ। তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা শেখ আফরোজকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানায় পুলিশ।পুরো ঘটনার রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। ঘটনার খোঁজ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ভোটের আগে এই ঘটনা আতঙ্ক সৃষ্টি করবে বলে দাবি করেছে বিজেপি। ভোটের মুখে এই ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার।বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র দাবি, তৃণমূলের অফিসগুলো বোমা তৈরির কারখানা। খেলা হবে বলে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এটাই তার উদাহরণ। সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক, নিন্দনীয় ঘটনা। খেলা হবে, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। এসব বলা হচ্ছে। এদিকে শিশুর প্রাণ চলে যাচ্ছে। বুদ্ধিজীবীরা কোথায়। মুখ খুলুন। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের বক্তব্য, বিষয়টা দুঃখজনক, মর্মান্তিক। সমাজবিরোধীরাও বোমা তৈরি করে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি না করে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।বিধানসভা নির্বাচনের মুখে কোথা থেকে এল এই বোমা? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মৃত নিষ্পাপ শিশুর দায় কে নেবে?

মার্চ ২২, ২০২১
টুকিটাকি

চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগে

নারকেলের গুণের কথা সকলে্রই জানা। নারকেলের নির্যাস তেলেও রয়েছে অনেক গুণ।এই তেলে রান্না করা খাবার খেতে যতই কম সুস্বাদু লাগুক, এর মধ্যে পুষ্টিগুণ নাকি মারাত্মক। তবে শুধু খাওয়ায় নয়, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যাতেই ভীষণ ভাবে উপকার করে এই নারকেল তেল।চুলের পরিচর্যা-১. যাঁদের শ্যাম্পু করলেই চুল মারাত্মক রুক্ষ হয়ে যায়, কন্ডিশনার দিলেও বিশেষ লাভ হয় না, তাঁরা শ্যাম্পু করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিলেই দেখবেন আপনার চুল স্মুদ এবং সিল্কি হয়ে গিয়েছে।২. খুশকির সমস্যাও কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। মূলত, স্ক্যাল্প শুকনো এবং রুক্ষ থাকলেই খুশকির সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দেয়। তা থেকে অনেকসময় আবার অনেক স্কিনের সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এর ফলে খুশকির সমস্যা কমবে।৩. ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বা স্পা-এর জন্য প্যাক তৈরির সময় সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে চুল অনেক বেশি নরম থাকে। চুলের ফ্রিজি ভাব চলে যায়।ত্বকের পরিচর্যা-১. চড়া মেকআপ তুলতে নারকেল তেল অব্যর্থ। ক্লিনজার-ফেসওয়াস এসবের বদলে পুরু করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। মিনিট ১০ রেখে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চিটচিটে ভাব লাগবে সামান্য ক্লেনজার দিয়ে আর একবার মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে মেকআপ উঠে গেলেও মুখের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হবে না।২. পা ফাটার সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে নারকেল তেল। পায়ের ফাটা জায়গা, বিশেষ করে গোড়ালির অংশে সামান্য নুন আর নারকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষার ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ঘষতে হবে। এর ফলে চামড়া নরম হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ফাটা অংশে বসে যাওয়া ময়লাও দূর হবে। এবার সামান্য গরম জলে খানিকক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভাল করে পা মুছে নিয়ে ফুটক্রিম লাগিয়ে নিন। সাতদিন এই পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।৩. অনেকে আবার শরীরের রুক্ষভাব দূর করতেও নারকেল তেল মালিশ করে থাকেন। এর উপকারও আছে অনেক।

মার্চ ২২, ২০২১
দেশ

সোপিয়ানে সেনার গুলিতে খতম ৩ জঙ্গি

সন্ত্রাস দমনে জম্মু ও কাশ্মীরে বড় সাফল্য পেল সেনাবাহিনী। সোমবার সোপিয়ান জেলায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে তিন সন্ত্রাসবাদী। নিহতদের মধ্যে রয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার দুই সদস্য।কাশ্মীর পুলিশের শীর্ষকর্তা আইজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, সোপিয়ানের এনকাউন্টারে লস্করের দুই জঙ্গি নিহত হয়েছে। সেখানে আরও দুই জঙ্গি আটকে রয়েছে বলে মনে করছে সেনাবাহিনী। ভারতীয় সেনার চিনার কোর জানিয়েছে, মোট তিন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছে। চলতি মাসেই সোপিয়ান জেলায় সেনা, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় জইশ-ই-মহম্মদের কম্যালন্ডার সাজ্জাদ আফগানি। মূলত, যুবকদের মগজধোলাই করে তাদের জঙ্গি সংগঠনে টেনে আনার কাজ করত ওই জঙ্গি। সোপিয়ান জেলায় জইশের মাথা ছিল সে। তার মৃত্যুতে সংগঠনটি বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।কয়েকদিন আগেই কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানায় আমেরিকা। সন্ত্রাসবাদ ও কাশ্মীর নিয়ে বক্তব্য রাখেন মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস। কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণরেখায় যে জঙ্গিরা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে তাদের কাজের তীব্র নিন্দা করছি আমরা। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পক্ষে আমেরিকা।

মার্চ ২২, ২০২১
দেশ

এবার দাম বাড়ছে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের

আগামী মাস থেকেই দেশজুড়ে বাড়তে চলেছে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম। কেন্দ্রের ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিছু বহুল ব্যবহৃত ওষুধের দাম খানিকটা বাড়ানোর অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। তবে, তাতে খুশি নন, ওষুধ প্রস্তুতকারীরা। তাঁদের দাবি, কাঁচামালের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে ওষুধের দাম অন্তত ২০ শতাংশ বাড়াতে হবে। যে যে ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে তার মধ্যে রয়েছে সাধারণ বেদনানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিইনফেক্টিভ, হার্টের ওষুধ। দাম বাড়তে পারে প্যারাসিট্যামলেরও। চলতি বছরে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির সূচকে ০.৫ শতাংশ পরিবর্তন করেছে কেন্দ্র সরকার। যার ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি হতে চলেছে। তবে, এই বৃদ্ধি ততটা উদ্বেগজনক নয়। মূল সমস্যা অন্য জায়গায়। ওষুধ প্রস্তুতকারকদের দাবি, প্যারাসিট্যামলের মতো ওষুধের কাঁচামালের দাম অত্যাধিক হারে বেড়েছে। যার ফলে এই পরিস্থিতিতে যে যৎসামান্য মূল্য বৃদ্ধির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তা যথেষ্ট নয়। তাঁদের দাবি দাম বাড়াতে হবে অন্তত ২০ শতাংশ। মুশকিল হল, মূল্যবৃদ্ধির ঠেলায় সাধারণ মানুষ এমনিতেই নাজেহাল। ইতিমধ্যেই গ্যাস-পেট্রলের দাম বেরেছে লাগামছাড়া হারে। তার উপর যদি ওষুধের দামও এই হারে বাড়ে তাহলে সেটা সাধারণ মানুষের জন্য গোদের উপর বিষফোঁড়া হবে। ওষুধের কাঁচামালের দাম বাড়ার পিছনেও অবশ্য পরোক্ষে মোদি সরকারের নীতীকেই দায়ী করছে বিরোধীরা। আসলে ওষুধের কাঁচামালের একটা বড় অংশ আমদানি করতে হয় চিন থেকে। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদের আবহে চিন হু হু করে এই কাঁচামালগুলোর দাম বাড়াচ্ছে। আবার, ভারত যে সব ওষুধ তৈরির কাঁচামাল বিদেশে রপ্তানি করে, চিন সে সবের কাঁচামালের দাম কমিয়ে দিচ্ছে। যাতে ভারতের ওষুধ সংস্থাগুলি প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পারে। যার ফলে সমস্যায় পড়ছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা।

মার্চ ২১, ২০২১
দেশ

চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনা, ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ৪৩ হাজার

ঠিক এক বছর আগে করোনা কাঁটায় ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল গোটা দেশ। আর দেশজুড়ে কোভিড টিকাকরণ শুরু হওয়ার পরও যে হঠাৎ করে এভাবে সংক্রমণ ছড়াবে, তা হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেননি। দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসে উদ্বগ্নি বিশেষজ্ঞরাও। ইতিমধ্যেই নতুন করে লকডাউনের পথে হেঁটেছে বিভিন্ন শহর। সংক্রমণ ঠেকাতে ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার স্বাস্থ্যবিদরাও।রবিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৩ হাজার ৮৪৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা গত চার মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ। ফলে দেশে মোট করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ১৩০। একদিনে মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে ১৯৭ জনের। দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে মোট ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৫৫ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। যা রীতিমতো চিন্তার। একইসঙ্গে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে ৩ লক্ষ ৯ হাজার ৮৭ জন করোনা রোগের চিকিৎসাধীন।

মার্চ ২১, ২০২১
বিদেশ

রক্তে ভাসছে মায়ানমারের রাজপথ

গণতন্ত্রের দাবিতে উত্তাল মায়ানমার। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে বিক্ষোভ দমনে বন্দুকের আশ্রয় নিয়েছে সেনাবাহিনী। তবে সামরিক বুটের চাপেও জনতার জয়গান কিছুতেই থামছে না। এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার ফের পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন আটজন প্রতিবাদী।গত ১ ফেব্রুয়ারি মায়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখনও পর্যন্ত ২৩২ জন আন্দোলনকারী মারা গিয়েছেন বলে দাবি করেছে অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজ়নার্স নামে এক সংগঠন। জানা গিয়েছে, গতকাল মধ্য মায়ানমারের আংবান শহরে সেনার স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান মানুষ। তখনই তাদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে নিরাপত্তারক্ষীরা। মৃত্যু হয় অন্তত আটজন বিক্ষোভকারীর। এদিকে, রাজধানী নাইপিদাও থেকে শুরু করে ইয়াঙ্গন পর্যন্ত প্রায় সমস্ত বড় শহরে রাস্তায় সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে সরব হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। সেনার হাতে বন্দি নেত্রী আং সান সুচির মুক্তির দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা। কয়েকদিন আগেই প্রায় ৩২টি চিনা সংস্থার কারখানায় হামলা চালায় জনতা। কারণ, টাটমাদাও বা বার্মিজ সেনার পাশে দাঁড়িয়েছে বেজিং। আর এতেই ক্ষিপ্ত গণতন্ত্রকামীরা। সোমবারও রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখান অনেকে।এদিকে, সেনাবাহিনীর সমালোচনা করে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য মোট ৪০ জন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন মায়ানমারে। শুক্রবারও দুজন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন। যাঁদের মধ্যে বিবিসি-র এক সাংবাদিকও রয়েছেন বলে খবর। যদিও সংবাদমাধ্যমটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আউং থুরা নামে তাদের ওই সাংবাদিকের কোনও খোঁজই মিলছে না। একের পর এক সংবাদমাধ্যমের অফিসও বন্ধ করে দিচ্ছে জুন্টা। গত সপ্তাহে এক দিনও বেসরকারি কোনও সংবাদপত্র ছাপা হয়নি দেশে।

মার্চ ২০, ২০২১
বিদেশ

ইজরায়েলের রাজপথে প্রধানমন্ত্রীর নগ্ন মূর্তি!

প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর একটি নগ্ন মূর্তিকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে ইজরায়েলে। ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর তেল আভিভের হাবিমা স্কোয়ারে এই মূর্তিটি প্রকাশ্যে আসতেই হইহই পড়ে যায়। তড়িঘড়ি প্রশাসনের তরফে মূর্তিটির চারদিকে ব্যারিকেড তৈরি করে দেওয়া হয়। পরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মূর্তিটি।বেঞ্জামিনের ধূসর মূর্তিটিকে দেখা যাচ্ছে এক কোণে উবু হয়ে বসে থাকতে। মূর্তিটির ঘাড় এমন করে রাস্তার দিকে ঘোরানো যেন তিনি তাকিয়ে রয়েছেন পথচারীদের দিকে। স্বাভাবিক ভাবেই মূর্তিটি নজরে আসতেই সেটির কথা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ছটন ওজন ও পাঁচ মিটার দৈর্ঘ্যের মূর্তিটির নাম দেওয়া হয়েছে ইজরায়েলী নায়ক। কিন্তু কেন এমন একটি মূর্তি এভাবে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে চৌমাথায়, কারাই বা বসিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। মূর্তি বসানোর পিছনে কাদের হাত রয়েছে, ইতিমধ্যেই তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। দ্য টাইমস অফ ইজরায়েল সংবাদপত্রের দাবি, নির্বাচনের আগে প্রতিবাদ দেখাতেই এই প্রতীকী মূর্তি বসানো হয়েছে এখানে।আগামী ২৩ মার্চ ইজরায়েলে নির্বাচন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইজরায়েলের রাস্তায় বহু মানুষকে নেমে এসে আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছে। অভিযোগ, অতিমারীর সময়ে দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী সাধারণ মানুষদের নাগালের বাইরেই রয়েছেন।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে জখম ব্যক্তি

মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল শুক্রবার কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আচমকাই সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। আর এরপরই সিংহের আঁচড়ে রক্তাক্ত হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আপাতত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আর এই ঘটনা রীতিমতো উস্কে দিয়েছে সেই শিবার স্মৃতি। যেখানে শিবা নামের রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গলায় মালা পরাতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক যুবক।প্রত্যক্ষদর্শী এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে, এদিন আর পাঁচজন সাধারণ দর্শকের মতোই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু কেউ কিছু বোঝার আগেই আচমকা ঢুকে পড়েন সিংহের খাঁচায়। প্রথমে গাছে উঠে সামনের পাঁচিল টপকান। তারপর উঁচু ফেন্সটি টপকে ভিতরে ঢুকে পড়েন। এরপর সামনের ছোট নালা পেরিয়ে সিংহের এনক্লোজারে ঢুকে পড়েন। সেসময় একটি সিংহ ছাড়া ছিল। সেই পশুরাজই ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে। এরপর ছোট আরেকটি ঘরে ওই ব্যক্তিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মী এবং সিংহের দায়িত্বে থাকা কর্মীদের বিষয়টি নজরে আসে। তাঁরাই ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। দেখা যায়, সিংহের থাবা এবং আঁচড়ে ক্ষতবিক্ষত ওই ব্যক্তির সারা শরীর। এরপরই তাঁকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। জানা গিয়েছে, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন ওই ব্যক্তি। এদিকে, এই ঘটনা আরও একবার আলিপুর চিড়িয়াখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মার্চ ১৯, ২০২১
দেশ

ভারতে একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার

ঋতু বদলের সময়ে দেশে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে করোনা সংক্রমণ। নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে দৈনিক পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত ৩৯ হাজার ৭২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৫৪ জনের। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৩৫ হাজার ৮৭১। তুলনায় অনেক কম সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২০ হাজার ৬৫৪ জন। বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ কোভিড রোগী ২ লক্ষ ৭১ হাজার ২৮২ জন।মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে হু হু করে বেড়ে চলা কোভিড সংক্রমণেই নয়া বিপদ সংকেত। দেশে সপ্তাহখানেকের কোভিড গ্রাফ দেখে চিন্তিত খোদ কেন্দ্রও। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে এ নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এখনও যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। নইলে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা ফের পরিস্থিতি বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। সংক্রমিত এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে সেখানে নাইট কার্ফু, লকডাউন জারি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে গণটিকাকরণের মাধ্যমে করোনা যুদ্ধে দেশ আরও এগিয়ে চলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যে ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮১৭ জনের টিকাকরণ সম্পূর্ণ। করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল দেশের ১ কোট ১৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩১১ জনের শরীরে। তাকে কাবু করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ১০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে ভারতের করোনা পরিস্থিতি যেমন, তাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বনে সামান্য ঢিলেমিও ভয়াবহ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা স্বাস্থ্যমহলের।

মার্চ ১৯, ২০২১
রাজ্য

বিনয় মিশ্রর কলকাতার বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

গোরু পাচার-কাণ্ডে দ্রুতগতিতে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। ভারত ও বাংলাদেশে ছড়িয়ে থাকা এই চক্রের চাঁইদের জালে পুরতে তৎপর হয়েছেন গোয়েন্দারা। এবার পাচারচক্রের অন্যতম পাণ্ডা বিনয় মিশ্রর একটি বাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ।সূত্রের খবর, কলকাতার রাসবিহারী এলাকায় পলাতক বিনয় মিশ্রর একটি বাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি। প্রায় ৩ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হয়েছিল বাড়িটি। গোয়েন্দাদের নজর এড়াতে নিজের নাম না জড়িয়ে অনন্ত ট্রেড কম নামের একটি সংস্থার নামে বাড়িটি রেজিস্টার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, গোরু পাচার-কাণ্ডে ইডির সঙ্গে সমান্তরাল তদন্তে চালাচ্ছে সিবিআই। গত মাসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। এর আগে আদালতে জমা দেওয়া প্রথম চার্জশিটে গোরু পাচার-কাণ্ডে এনামুল হক ও বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারের নাম ছিল। সূত্রের খবর, গোরু পাচারচক্রের মূল-পাণ্ডা এনামুল হকের থেকে টাকা নিয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের একাংশ নেতার কাছে পৌঁছে দিতেন বিনয় মিশ্র বলে অভিযোগ সিবিআইয়ের। পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে গোরু ও কয়লা পাচার-কাণ্ডের রাঘব বোয়ালদের জালে তুলতে তৎপর হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

মার্চ ১৯, ২০২১
কলকাতা

সারদা-কাণ্ডে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে তলব ইডির

সারদা-কাণ্ডে এবার রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এহেন তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।সূত্রের খবর, আগামী ২৫ মার্চ কলকাতায় ইডির দপ্তর সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুরকায়স্থকে। সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে টাকা পাচার ও লেনদেনগুলো নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করতে চান গোয়েন্দারা। এই কেলেঙ্কারিতে আর্থিক তছরুপের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে ইডি। কে বা কারা এই লেনদেন থেকে লাভবান হয়েছেন তা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন রয়েছে গোয়েন্দাদের। এছাড়া, ভিডিওয় সারদার একাধিক অনুষ্ঠানে মঞ্চে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিওর সূত্র ধরেই তাঁকে প্রশ্ন করতে পারেন গোয়েন্দারা। এদিকে, সারদা কাণ্ডে এবার রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজিপি রজত মজুমদার তলব করেছে তদন্তকারী সংস্থাটি। ২৪ মার্চ তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে, আজই ইডি দপ্তরে হাজির দেওয়ার কথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মদন মিত্রের।

মার্চ ১৯, ২০২১
দেশ

করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় দেশে একদিনে আক্রান্ত প্রায় ৩৬ হাজার

রীতিমতো কাঁপুনি ধরাচ্ছে করোনা। দেশের একাধিক রাজ্যে এই মারণ ভাইরাস যে দ্বিতীয়বার আঘাত হেনে ফেলেছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার কবলে পড়েছেন প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ। অথচ, দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একটা সময় ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। হঠাৎকরোনার এই বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ মহারাষ্ট্রের মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা। উদ্ধব ঠাকরের রাজ্য শুরু থেকেই করোনার হটস্পট ছিল। দেশের অধিকাংশ রাজ্যে কোভিড নিয়ন্ত্রণে ছিল, তখনও মারণ ভাইরাসকে বাগে আনতে পারেনি মহারাষ্ট্র। এখন আবার নতুন করে এই মহারাষ্ট্রই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় মরাঠাভূমে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজারের বেশি। সম্ভবত মহারাষ্ট্রের জন্যই গোটা দেশের পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক মনে হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫ হাজার ৮৭১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে বেশ কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬০৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭২ জনের। এই সংখ্যাটা অবশ্য আগের দিনের থেকে সামান্য কম। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ১৭ হাজার ৭৪১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের কার্যত অর্ধেক। ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৩৬৪ জন।

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজ্য

একদিনে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত তিনশোরও বেশি

নির্বাচনী আবহে প্রতিদিনই মিটিং-মিছিল জনসভায় ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আর তার মধ্যেই উদ্বেগ বাড়িয়ে রোজ বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। বেশ কয়েক সপ্তাহ পর বুধবার নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৩০০-র গণ্ডি। কমল সুস্থতার হারও।এদিন স্বাস্থ্যদপ্তরের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবলে পড়েছেন ৩০৩ জন। যা গতকালের তুলনায় অনেকটাই বেশি। যার মধ্যে শহর কলকাতায় একদিকে আক্রান্ত ৯৬ জন। প্রত্যাশিতভাবেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সেখানে ৭৪ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের হদিশ মিলেছে। ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হল ৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ১৫৬ জন। চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনায় চিকিৎসাধীন ৩ হাজার ১৮৮। মারণ ভাইরাস এখনও কেড়ে চলেছে মানুষের প্রাণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনার বলি ১। মৃত উত্তর ২৪ পরগনার। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন ১০ হাজার ২৯৮ জন। একদিনে কলকাতায় কোভিডে কারও প্রাণ না গেলেও চলতি মাসে বাড়তে থাকা সংক্রমণ সত্যিই নতুন করে দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।তবে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে ভরসা জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টাতেই যেমন সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭২ জন। এ নিয়ে বাংলায় মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৭০ জন করোনাজয়ী। তবে সুস্থতার হার সামান্য কমেছে। বর্তমানে ৯৭.৬৭ শতাংশ মানুষ সুস্থ।দেশজুড়ে বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বুধবারই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগেই সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন টেস্টিং কমে যাওয়ার হার নিয়েও। গোটা দেশে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলনামূলকভাবে এ রাজ্যেও কমেছে টেস্টিংও। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা টেস্ট হয়েছে ১৭ হাজার ৮৯১ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট ৮৮ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৭৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে রাজ্যে। সংক্রমণ ঠেকাতে এখনও মাস্ক পরা কিংবা স্যানিটাইজার ব্যবহারের মতো অভ্যাসগুলো চালু রাখারই পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৭, ২০২১
দেশ

চোর সন্দেহে ব্যাপক মারধর, ঝাড়খণ্ডে মৃত্যু মুসলিম যুবকের

ফের সামনে এল গণপিটুনিতে খুনের ঘটনা। চোর সন্দেহে মুবারক খান নামে এক মুসলিম যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হল ঝাড়খণ্ডে। আর সেই মারের চোটেই মৃত্যু হল তাঁর। আর এই ঘটনাই ফের উস্কে দিল তবরেজ আনসারির স্মৃতি। দুবছর আগে ঝাড়খণ্ডেই গণপিটুনির জেরে মারা গিয়েছিলেন তিনি। জয় শ্রীরাম না বলায় মারধর করা হয়েছিল তাঁকে।শনিবার রাতে ঝাড়খণ্ডের সিরকা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আদতে মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও, সেদিন ওই গ্রামে গিয়েছিলেন ২৬ বছর বয়সি মুবারক। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটরবাইকের ব্যাটারি এবং চাকা চুরির সময় তাঁকে নাকি হাতেনাতে ধরেন স্থানীয়রা। এরপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে বাঁধা হয় মুবারককে। তারপরই চলে বেদম প্রহার। আর তাতেই মারাত্মকভাবে আহত হন ওই যুবক। এরপর খবর পেয়ে ভোর ৩টে নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে মারা যায় মুবারক। এরপরই আধিকারিকরা মৃতদেহটি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যান। তারপরই সেটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। রাঁচির পুলিশ সুপার নৌশাদ আলম জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।এই ঘটনার কথা জানতে পেরেই মৃত যুবকের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মিথ্যে অভিযোগে মুবারককে মারা হয়েছে, এমনই দাবি তাঁর পরিবারের লোকজনের। এদিকে, ভাইয়ের মৃত্যুর পরই ১৯ জনের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন মুবারকের দাদা তাবারক খান। এছাড়া ১৫ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির নামও রয়েছে এফআইআরে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকায় আটকও করা হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২১
রাজনীতি

তৃতীয় ও চতুর্থ দফার ৬৩ আসনের বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফার প্রার্থীতালিকা আগেই ঘোষণা করেছে বিজেপি। রবিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফার আরও ৬৩ আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল গেরুয়াশিবির। প্রথম দফার মতো এই দফাতেও রয়েছে একাধিক চমক।টানা আলোচনা। দফায় দফায় বৈঠক। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা। কিন্তু এত কিছুর পরও তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। শুরুতে শোনা যাচ্ছিল, আজ তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার তো বটেই, আরও কয়েকটি আসনের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে গেরুয়া শিবির। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তৃতীয় এবং চতুর্থ দফার সম্পূর্ণ তালিকাই ঘোষণা করতে পারল না তারা। সব মিলিয়ে এদিন ঘোষণা করা হল মাত্র ৬৩ টি আসনের তালিকা। অর্থাৎ এখনও অবধি ১২২টি আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তবে, তালিকা ছোট হলেও তাতে চমকের কোনও অভাব নেই। লক্ষণীয়ভাবে বিজেপি এবার বিধানসভার লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন বর্তমান সাংসদকে আসরে নামাচ্ছে। টালিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। প্রার্থী হচ্ছেন হুগলির সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির অন্যতম বড় নাম লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি ভোটে দাঁড়াচ্ছেন নিজেরই লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত চুঁচুড়া কেন্দ্রে। প্রার্থী হচ্ছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও। তিনি দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে লড়বেন। প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তও। তিনি লড়বেন তারকেশ্বর থেকে।শুধু হেভিওয়েটরা নন, বিজেপির প্রার্থী তালিকায় একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল নেতাও জায়গা পেয়েছেন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। হাওড়ার ডোমজুড় থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী। আরেক তৃণমূল ত্যাগী তথা প্রবীণ নেতা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে সিঙ্গুর থেকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। এই কেন্দ্রে টিকিট না পেয়েই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যান সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই। একইভাবে নিজেদের কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দীপক হালদার এবং হুগলির উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়া রন্তিদেব সেনগুপ্ত, দেবজিত সরকাররাও টিকিট পেয়েছেন।এঁরা ছাড়াও একাধিক সিনেতারকাকে টিকিট দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বেহালা পূর্ব থেকে প্রার্থী হচ্ছেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, যশ দাশগুপ্ত প্রার্থী হচ্ছেন চণ্ডীতলা থেকে। তনুশ্রী চক্রবর্তী টিকিট পেয়েছেন হাওড়ার শ্যামপুর থেকে।

মার্চ ১৪, ২০২১
বিদেশ

ফের রক্তাক্ত মায়ানমার, সেনার গুলিতে ১২ গণতন্ত্রকামীর মৃত্যু

ফের রক্তস্নাত মায়াসমার। শনিবার অন্তত ১২ জন গণতন্ত্রকামীকে গুলি করে মারল জুন্টা। গোটা বিশ্বজুড়ে জুন্টার ভয়ানক আগ্রাসী ভূমিকার তীব্র নিন্দা হচ্ছে। গত বুধবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘ তুলোধোনা করেছে মায়ানমারের সেনার এই ভূমিকাকে। কিন্তু কোনও সমালোচনাই যে তারা গ্রাহ্যের মধ্যে আনতে রাজি নয়, তা এদিন ফের বুঝিয়ে দিল মায়ানমার সেনা। শনিবার ম্যান্ডালায় ধর্নায় বসে থাকা নিরস্ত্র মানুষদের উপরে যেভাবে গুলি চালিয়েছে সেনা, তা দেখে আতঙ্কিত প্রত্যক্ষদর্শীরা। চোখের সামনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পাঁচজন। তাদের মধ্যে এক ১৩ বছরের কিশোরও ছিল। সেনা যে গুলি চালানোর সময় কাউকে রেয়াত করছে না, তা ফের স্পষ্ট হয়ে গেল এই ঘটনায়। এরই পাশাপাশি ইয়াঙ্গন, প্যায় ইত্যাদি জায়গাতেও নির্বিচারে চালানো হয়েছে গুলি। ১ ফেব্রুয়ারি আচমকাই দেশের শাসনক্ষমতা নিজেদের হাতে তুলে নেয় মায়ানমার সেনা। পাল্টা ক্যু বা সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে পথে নামে দেশের আমজনতা। কোথাও তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তো কোথাও আবার শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছে। কিন্তু আন সাং সু কি-পন্থীদের দমনে মরিয়া সে দেশের সেনা। আর সেই কারণেই নির্বিচারে দমন পীড়ন চালাচ্ছে তারা। এপর্যন্ত সেনার গুলিতে ৭০ জনের বেশি প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, রবার বুলেটের আঘাতে অনেকে আহত হয়েছেন।

মার্চ ১৪, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামনায় টুইট রাজ্যপালের

এখনও হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার দিনই মমতাকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। যদিও সেদিন তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। তা সত্ত্বেও স্বাভাবিক সৌজন্যবোধ থেকে সরে আসেননি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। শুক্রবার সকালে টুইট করেও মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করলেন তিনি।Enquired about well being of Honble CM. Wished @MamataOfficial speedy recovery and return to normalcy.Democracy blossoms in peace and congenial environment. West Bengal stands out for its rich culture.Time for observance of calm and decorum. Appeal all to ensure harmony. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) March 12, 2021আগের তুলনায় এদিন শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এসএসকেএম সূত্রে খবর, রাতে ভাল ঘুম হয়েছে তাঁর। চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাপারে খোঁজখবর নেন রাজ্যপাল। তারপরই তাঁর টুইট, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক পরিস্থিতির ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছি। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। শান্ত এবং অনুকূল পরিবেশেই গণতন্ত্র বিকশিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ তাঁর সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত। সবাইকে এই সময় শান্ত থাকতে হবে। সম্প্রীতি রক্ষার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। বুধবার সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রীকে এসএসকেএমে দেখতে গিয়ে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে। সেসময় হাসপাতালের সামনে উপস্থিত তৃণমূল সমর্থকরা তাঁকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক স্লোগানও তুলতে থাকেন। এমনকী, মমতাকে দেখে বেরোনোর সময় কালো পতাকাও দেখানো হয় রাজ্যপালকে। পরিস্থিতি বেশ জটিলও হয়ে উঠেছিল। বিজেপির অভিযোগ, ভিড়ের মধ্যে থেকে রাজ্যপালের গাড়ি উদ্দেশ্য করে জুতোও নাকি ছোঁড়া হয়। শেষপর্যন্ত অবশ্য রাজ্যপালের কনভয়কে নিরাপদে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসেন পুলিশ আধিকারিকরা।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরই রাজ্যে দু’জনের মৃত্যু!

করোনার টিকা নেওয়ার পর রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। মৃত দুজনেরই ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, অন্য কোনও সমস্যা ছিল দুজনেরই। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মৃত দু জনের নাম পারুল দত্ত (৭৫) এবং কৃষ্ণ দত্ত (৬০)। দুজনেরই বাড়ি উত্তরবঙ্গে। পারুল দত্ত ও কৃষ্ণ দত্ত কোভিশিল্ডের টিকা নেন। গত ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন পারুল দত্ত। তিনি দার্জিলিং জেলার বাসিন্দা। ঠিক পরদিনই টিকা নেন কৃষ্ণ দত্ত। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কৃষ্ণ বাড়ি চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সন্ধ্যা নাগাদ ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাঁকে খরিবাড়ি ব্লকের বাতাসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে আবার ধুপগুড়ির হসপিটাল রোডের বাসিন্দা বৃদ্ধ কৃষ্ণবাবু টিকা নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ওইদিন রাতেই তাঁর বমি হয়। পরদিন শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয়। কোনওরকম চিকিৎসা শুরুর আগেই ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। জেলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তা্ঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

সস্ত্রীক করোনা টিকা নিলেন রাজ্যপাল

মহামারির বিরুদ্ধে যুদ্ধ জয় করতে করোনা প্রতিষেধক নিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এবং তাঁর স্ত্রী। বৃহস্পতিবার বেলা প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ স্ত্রীকে নিয়ে তিনি পৌঁছে যান আলিপুর কম্যানন্ড হাসপাতালে। সেখানেই করোনা টিকা নেন জগদীপ ধনখড়। তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনখড়কেও কোভিড টিকা দেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পরে টুইট করে নিজেদের সেই টিকাগ্রহণের খবর জানান ধনখড়।গত বছরের প্রথম দিকে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি থাবা বসানোর পরই মারণ ভাইরাস বধে প্রতিষেধক তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল। সেদিক থেকে প্রথম বিশ্বের দু-একটি দেশের পাশাপাশি ভারতও সেই গবেষণায় প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছে। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় দেশীয় প্রযুক্তিতে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি হয়েছে করোনা টিকা কোভিশিল্ড। পাশাপাশি, ভারত বায়োটেক তৈরি করে ফেলেছে কোভ্যাক্সিন। নতুন বছরের শুরুতে এই জোড়া প্রতিষেধকেই দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। সম্প্রতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই কোভ্যাক্সিন নিয়ে দেশবাসীর আশা, ভরসা আরও বাড়িয়েছেন। ভ্যাকসিন নিয়েছেন রাষ্ট্রপতিও। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন বাংলার সাংবিধানিক প্রধান জগদীপ ধনখড়।বৃহস্পতিবার বেশ হাসি মুখেই তাঁকে করোনার টিকা নিতে দেখা গেল। বেশ নিশ্চিন্ত বোধ করেন তিনি। টিকাগ্রহণের পর আলিপুর কম্যান্ড হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ধনখড় বলেন, করোনাযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা বিশ্বের প্রশংসা অর্জন করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ এখন ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের মুখাপেক্ষী। এই অবস্থায় আমি দেশের তৈরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করে গর্বিত। স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক-সহ সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্যপাল। প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত করোনা টিকা নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, আগে যাদের প্রয়োজন, তাঁরা নিক ভ্যাকসিন। সকলের প্রয়োজন মিটলে তবে আমি নেওয়ার কথা ভাবব।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

শ্বাসকষ্ট, বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে চোট, ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটছে না। নন্দীগ্রামে আঘাত পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই এসএসকেএমের উডবার্ন বিভাগে ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মমতার বাঁ-পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। ওই পায়ের পেশিতেও চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পা ফুলে রয়েছে। গতকাল রাতে এমআরআইয়ের পর পায়ে টেম্পোরারি প্লাস্টার করা হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। পায়ের ফোলা ভাব কমলে আজ প্লাস্টার করা হতে পারে। আঘাত লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধ ও কনুইয়ে। চোট রয়েছে ঘাড়েও।গতকাল রাতে এসএসকেএমে আনার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। এমআরআইয়ের জন্য রাতেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাঙ্গুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যেতে হয় মমতাকে। সেখান থেকে গভীর রাতে তিনি ফেরেন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইসিজি রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেও, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুকে ব্যথার কারণ আঘাতজনিত কারণে নাকি অন্য কারণে জানতে সিটি স্ক্যান করা হবে মমতার। এছাড়া, আজ আবার করা হবে ইসিজি। করা হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রামও।হাসপাতাল সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর রক্তের একাধিক রুটিন পরীক্ষা করা হবে। তাঁকে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ আবার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের দল গঠিত হয়েছে। এসএসকেএমের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তিন বিভাগীয় প্রধান ও আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডে। রাখা হয়েছে অর্থোপেডিক, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, কার্ডিওলজি, জেনারেল সার্জারি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের। আজ দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখবেন চিকিৎসকরা। করা হবে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

মার্চ ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 76
  • 77
  • 78
  • 79
  • 80
  • 81
  • 82
  • ...
  • 90
  • 91
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এবং বিরোধী গোষ্ঠীকেউই আসন্ন উপনির্বাচনে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা দলের জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।দলীয় নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরেই এই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে প্রতীক সংক্রান্ত নির্দেশের ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে বিবেচনাধীন রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক পরিচয় এবং আলাদা নির্বাচনী প্রতীকে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই তিনটি করে পছন্দের দলের নাম এবং তিনটি করে প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে সেই তালিকা জমা দিতে হবে। এরপর কমিশন দুই পক্ষের জন্য পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করবে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের দলীয় পরিচয় ও প্রতীক নিয়ে এই বিরোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দুই পক্ষই নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেসের বৈধ প্রতিনিধি বলে দাবি করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে দলীয় নাম ও সংরক্ষিত প্রতীকের অধিকার কার হাতে থাকবে।ততদিন পর্যন্ত উপনির্বাচনে কোনও গোষ্ঠীই অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম বা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

‘কোনও যোগ্য উপভোক্তা অন্নপূর্ণার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না', জন্মদিনে মোদীর গ্যারান্টিতে উচ্ছ্বাস মহিলাদের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বাংলায় পালিত হল অন্নপূর্ণা দিবস। এই উপলক্ষে অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় রাজ্যের ১.৫৮ কোটি মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসিক ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের প্রতিটি যোগ্য মহিলা যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।এদিন কলকাতার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘোষণা করেন, প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন অন্নপূর্ণা দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্যে মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর মাসের কিস্তির টাকা ১.৫৮ কোটি উপভোক্তার মধ্যে অধিকাংশের অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। বাকি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টেও বৃহস্পতিবারের মধ্যে পৌঁছে যাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।কোনও যোগ্য মহিলা যেন বঞ্চিত না হন, বার্তা মোদিরঅনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, গত ১২ বছরে রাজ্যের মানুষের অন্যতম বড় অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক প্রকল্পের সুবিধা সময়মতো তাঁদের কাছে পৌঁছত না। আগের তৃণমূল সরকারের নাম উল্লেখ না করেই তিনি বলেন, এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন দরিদ্র পরিবারগুলি। তবে বর্তমানে বিজেপি সরকার আটকে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।মোদির কথায়, বাংলার মহিলাদের হাতে যেমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন, তেমনই এগিয়ে যাওয়ার সাহসও থাকা দরকার। সেই লক্ষ্য পূরণে অন্নপূর্ণা যোজনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, কোনও মায়ের কাছে এই ৩ হাজার টাকা সন্তানের পড়াশোনার খরচ হতে পারে। কোনও বোনের কাছে তা ওষুধ কেনা কিংবা সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার কাজে লাগতে পারে। পরিবারের ছোট-বড় নানা সিদ্ধান্ত নেওয়ার পাশাপাশি মহিলারা সংসারের একাধিক দায়িত্ব সামলান। নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের চিন্তা কমলে তাঁদের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, মা, বোন ও মেয়েদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সমস্যার সমাধান করাই সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে বাংলার মহিলাদের জীবনে নতুন শক্তি যোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই প্রকল্পে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা কাটমানি নেই বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, একজন যোগ্য মহিলাও যাতে প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরন্তর কাজ করছে।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির ঘোষণাএদিনের অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, বাংলায় এই প্রকল্পের আওতায় ৫০ লক্ষ উপভোক্তার তালিকা তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রকল্পের আওতায় তৈরি হতে চলা সমস্ত নতুন বাড়ির মালিকানা থাকবে মহিলাদের হাতে।মহিলাদের উপর অত্যাচার রুখতে কমিশন গঠনের দাবি মুখ্যমন্ত্রীররাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধ ও অত্যাচারের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। শুভেন্দু অধিকারী জানান, গত চার মাসে রাজ্যে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।রাজ্যের কোনও মহিলাকে যাতে অত্যাচারের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি, নেশামুক্ত বাংলা গড়ে তুলতে মহিলাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী।বাল্যবিবাহ ও কিশোরী মাতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগরাজ্যে বাল্যবিবাহ এবং কিশোরী মাতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই ক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দেন, তাঁর সরকারের আমলে ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও মেয়ের বিয়ে হতে দেওয়া হবে না। যাঁরা এই ধরনের বিয়ে দিয়েছেন বা বিয়েতে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রদীপের আলোয় তৈরি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি! মোদীর জন্মদিনে বাংলার বুকে এলাহি আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন উপলক্ষে অভিনব উদ্যোগ পুরুলিয়ায়। এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি করে তাঁকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হল। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে পুরুলিয়া ইনডোর স্টেডিয়ামে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।প্রায় ২,৫০০ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বিশাল প্রতিকৃতি। ঝাড়খণ্ডের ১১ জন শিল্পী তিন দিন ধরে পরিশ্রম করে বিভিন্ন রঙের এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন। প্রদীপ দিয়ে তৈরি এই প্রতিকৃতি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে।শিল্পী সুজয় কুমার জানিয়েছেন, ঝাড়খণ্ডের বোকারো, গিরিডি ও হাজারিবাগের ১১ জন শিল্পী এই কাজে অংশ নিয়েছেন। সাধারণত বিভিন্ন উপকরণ কিংবা বর্জ্য সামগ্রী ব্যবহার করে মোজাইক শিল্প তৈরি করা হয়। তবে এবার প্রায় এক লক্ষ প্রদীপ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদীর জনজীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই পুরুলিয়ায় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এ বছর পুরুলিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। সেবা সংকল্প অভিযান-এর অধীনে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আশীর্বাদ কা দিয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেই কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রদীপ জ্বালিয়ে এই বিশাল প্রতিকৃতি তৈরি ঘিরে পুরুলিয়ায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দায়িত্ব বাড়লেও বদলায়নি শিকড়ের টান! ১৫০ বছরের মনসা মেলায় পুতুলের দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা

বিধায়ক হয়েছেন, বেড়েছে দায়িত্ব। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি আর পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা পুরনো ঐতিহ্য আজও অমলিন। বীরভূমের সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ১৫০ বছরের পুরনো মনসা পুজোর মেলায় পরিবারের সঙ্গে পুতুলের দোকানে বসে সেই কথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলাতে দেখা গেল তাঁকে।বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহার কাছে এই মেলা শুধুমাত্র পুজো বা উৎসবের জায়গা নয়। তাঁর শৈশবের বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই মেলার সঙ্গে। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে দেউচা রঘুনাথপুরের এই মেলায় আসতেন তিনি। মেলায় তাঁর বাবা দোকান বসাতেন। বাবার সঙ্গে সেই দোকানে বসে খদ্দের সামলানো, মেলার ভিড় দেখা সবই ছিল তাঁর ছোটবেলার পরিচিত অভিজ্ঞতা।সময়ের সঙ্গে বদলেছে জীবন। শৈশবের সেই দিনগুলি পেরিয়ে বর্তমানে সাঁইথিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণকান্ত সাহা। বেড়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্বও। তবে সেই পরিবর্তনের মধ্যেও পুরনো মেলার সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন তিনি।এবার মনসা পুজো উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেলায় ফিরে পুতুলের দোকানে বসেন বিধায়ক। ভাইদের সঙ্গে দোকান সামলানোর সময় তাঁকে দেখতে ভিড় জমান মেলায় আসা মানুষজন। কেউ দূর থেকে তাঁকে দেখেন, আবার কেউ এগিয়ে এসে কথা বলেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে পরিবারের সঙ্গে তাঁর এই উপস্থিতি নজর কাড়ে স্থানীয়দের।কৃষ্ণকান্ত সাহার বক্তব্য, দায়িত্ব ও পদ একজন মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে, কিন্তু শিকড় এবং শৈশবের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলি এখনও তাঁর মনে গভীরভাবে গেঁথে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো এই মেলায় পরিবারের দোকান আর শৈশবের স্মৃতি যেন ফের একসূত্রে বাঁধল বিধায়ককে। জনপ্রতিনিধি হওয়ার পরেও পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

ব্রিকসের পর হঠাৎ শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক? ভাইরাল দাবিতে তোলপাড়, কী বলল দিল্লি?

ভারতের মাটিতে সদ্য শেষ হয়েছে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। সম্মেলনে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা যোগ দেন। শি ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকসের দুই অধিবেশনেও অংশ নেন। কিন্তু সম্মেলন শেষ হওয়ার পরই তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দাবি ছড়িয়ে পড়ে।চিনের গণতন্ত্র পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেন, দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় শি জিনপিং অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। তাঁর আরও দাবি, পরে বিশেষ বিমানে শিকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়। তবে এই দাবির পক্ষে কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি বা সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি। ভারতের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলিও জানিয়েছে, দাবিটি স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি।এদিকে চিনের সরকারি তথ্যের সঙ্গে ভাইরাল দাবির বেশ কিছু অমিল রয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের সরকারি বিবরণ অনুযায়ী, শি জিনপিং ১২ সেপ্টেম্বর ব্রিকসের প্রথম অধিবেশনে এবং ১৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নেন। দুই অধিবেশনেই তিনি বক্তব্য রাখেন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।চিনের বিদেশ মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর কর্মসূচি শেষ করে বেজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। অর্থাৎ সরকারি নথিতে তাঁর সফর নির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই শেষ হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।শুধু শি জিনপিং নন, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া একাধিক রাষ্ট্রনেতা দেশে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলেও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়ায়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার স্বাস্থ্য নিয়েও এমন আলোচনা শুরু হয়।এই ধরনের দাবির বিরুদ্ধে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে সতর্ক করা হয়েছে। মন্ত্রকের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত শাখা সামাজিক মাধ্যমে একাধিক রাষ্ট্রনেতার অসুস্থতা নিয়ে ছড়ানো পোস্টকে ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর বলে সতর্ক করেছে। মানুষকে এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পোস্টে বিশ্বাস না করারও বার্তা দেওয়া হয়েছে।তবে শি জিনপিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সতর্কতার সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। কারণ তাঁর স্ট্রোক, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অস্ত্রোপচারের দাবি কোনও সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেনি। একই সঙ্গে চিনের সরকারও এমন কোনও স্বাস্থ্যগত ঘটনার কথা ঘোষণা করেনি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ওই দাবিকে এই মুহূর্তে নিশ্চিত খবর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।অন্যদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে শি জিনপিংয়ের উপস্থিতি এবং তাঁর বক্তব্যের বিষয়ে চিনের সরকারি নথি রয়েছে। সম্মেলনের পর তাঁর বেজিং ফেরার বিষয়টিও চিনের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের পর শি জিনপিংয়ের অসুস্থতা নিয়ে যে দাবি ছড়িয়েছে, তার কোনও স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে, বিদেশ মন্ত্রক একাধিক রাষ্ট্রনেতাকে নিয়ে ছড়ানো অসুস্থতার দাবিকে ভুয়ো বলে সতর্ক করেছে। তাই এই মুহূর্তে শি জিনপিংয়ের স্ট্রোক বা জরুরি অস্ত্রোপচারের দাবিকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার কোনও ভিত্তি নেই।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
দেশ

নিজের জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের জন্য মোদীর বড় বার্তা! বললেন, ‘আপনাদের ভরসাই আমার শক্তি’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন তিনি। বাংলার মা-বোনেরা তাঁকে যে ভাবে ভালবাসা ও ভরসা দিয়েছেন, সেই কথাই নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বাংলার মহিলাদের ভরসা তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার মা-বোনেরা সবসময় তাঁকে ভালবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন। তাঁদের আত্মীয়তার অনুভূতি তাঁকে সবসময় শক্তি জুগিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলার মহিলাদের ভরসাই তাঁর শক্তি। পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও বাংলার মহিলাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাও উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কর্মসূচি রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের ৩ হাজার টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বার প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে।অন্নপূর্ণা যোজনার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসারে মহিলাদের উপর অনেক দায়িত্ব থাকে। পরিবারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি সামলানোর পাশাপাশি তাঁদের নিজেদের প্রয়োজনও রয়েছে। হাতে কিছু অর্থ থাকলে জরুরি খরচ নিয়ে তাঁদের চিন্তা কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। সেই লক্ষ্যেই এই ধরনের আর্থিক সহায়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের কাজের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি কাজ করা এবং কম কথা বলা। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের পরিশ্রম ও পরিবারের প্রতি দায়িত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।এ দিন বাংলায় পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প নিয়েও বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। কলকাতায় এই প্রকল্পের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও শিল্পীদের আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়াই এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত কারিগর ও শিল্পীরা প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম কেনার সহায়তা এবং ঋণের সুবিধা পেতে পারেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য উপভোক্তাদের প্রথম ধাপে ১ লক্ষ টাকা এবং পরে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রয়েছে। ঋণের সুদের হার ৫ শতাংশ।ফলে মোদীর জন্মদিনে বাংলায় একদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা, অন্য দিকে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বর্ষপূর্তিদুই কর্মসূচিই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বাংলার মহিলাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা এবং কারিগরদের জন্য প্রকল্পের সুবিধা ঘিরে এ দিন রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অন্নপূর্ণা যোজনার সেপ্টেম্বরের অর্থসাহায্য এবং বিশ্বকর্মা প্রকল্পের কর্মসূচিদুই ক্ষেত্রেই সরকারি ঘোষণাই এখন মূল বিষয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

পথ খরচ নিতে গিয়েই ফাঁদে! চার দশক পর কলকাতা পুলিশের জালে মাওবাদী নেতা আকাশ

পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশ ওরফে তিমির ওরফে মনোজকে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, তাঁর মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে পুলিশের নজর এড়িয়ে থাকার পর অবশেষে তাঁর গ্রেপ্তারি ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে পটাশপুর এলাকার কোনও একটি জায়গা থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, এক পূর্ব পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে পথ খরচ নেওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্সের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তাঁর কাছ থেকে দুটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সেই ব্যাগে মাওবাদী সংগঠনের বই, পুস্তিকা এবং কিছু বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজ্য পুলিশের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানার ফুলচক এলাকার বাসিন্দা অসীম মণ্ডল ছাত্রজীবন থেকেই অতি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। পরে তিনি পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হন। সারেঙ্গা, গোয়ালতোড়-সহ জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনের কাজ করার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার গুড়াবান্দা এলাকাতেও দীর্ঘদিন সক্রিয় ছিলেন বলে অভিযোগ।২০০৪ সালে সিপিআই মাওবাদী সংগঠন তৈরি হওয়ার পর জঙ্গলমহলে ফিরে সক্রিয় ভাবে সংগঠনের কাজ শুরু করেন অসীম। লালগড় আন্দোলনের সময়ও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পান তিনি। বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা নিয়ে গঠিত আঞ্চলিক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কিষানজির মৃত্যুর পর মাওবাদী সংগঠনে তাঁর সক্রিয়তা আগের মতো ছিল না বলে তদন্তকারীদের দাবি। এরপর জঙ্গলমহল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেন আকাশ। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর ফের বাংলায় আসার চেষ্টা করেন তিনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পুলিশের অভিযানে মাওবাদী সংগঠনের কয়েক জন সদস্য গ্রেপ্তার হন। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক জন আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়। এরপর বাংলার মাওবাদী সংগঠনের সশস্ত্র কাঠামোও দুর্বল হয়ে পড়ে বলে তদন্তকারীদের দাবি।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আকাশ দীর্ঘদিন জঙ্গলে থাকার পর শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। উচ্চ রক্তচাপ এবং কোমরের ব্যথার কারণে প্রায় চার দশক পর তিনি জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। জঙ্গলে একটি একে-৪৭ এবং কিছু নথিপত্র রেখে তিনি গাড়িতে করে বাইরে বেরিয়েছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।এর পর আরও কয়েক জন মাওবাদী সদস্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আকাশ আত্মসমর্পণ করবেন না বলে জানিয়েছিলেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। বরং কিছুদিন বাইরে থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের জঙ্গলমহলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। সেই পরিকল্পনার মধ্যেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন তিনি।তদন্তকারীদের দাবি, আত্মগোপনের জন্য পরিচিত এবং আত্মীয়দের কয়েক জনের কাছে আশ্রয় নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন আকাশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্দেহ এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। কখনও জায়গা বদল, কখনও ছদ্মবেশসব রকম ভাবে পুলিশের নজর এড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। গ্রেপ্তারের আগে তাঁর কাছে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ ছিল বলেও ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা যাচ্ছে।আকাশের স্ত্রীও পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তিনিও মাওবাদী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে অভিযোগ। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের টাস্ক ফোর্স তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।আকাশের গ্রেপ্তারের পর বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশায় মাওবাদী দমনে যুক্ত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা এক মাওবাদী নেতার গ্রেপ্তারের পর তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেগুলি থেকে সংগঠনের বর্তমান বা অতীত কার্যকলাপ সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর ফের খুলবে মহাকরণের দরজা? মুখ্যমন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষের পথে

পুজোর আর বেশি দিন বাকি নেই। তার আগেই রাজ্য প্রশাসনের ঠিকানায় বড় বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর ফের মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর ঘর তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েক জন আমলার জন্যও ঘর তৈরির কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফলে পুজোর আগেই মহাকরণে প্রশাসনিক কাজকর্মের একটি বড় অংশ শুরু হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।মহাকরণে সংস্কারের কাজ কতটা এগিয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। সূত্রের খবর, বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১০ অক্টোবরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ঘর এবং আরও পাঁচ মন্ত্রীর ঘর প্রস্তুত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে যে তালিকা সামনে এসেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং অজয় পোদ্দারের জন্য মহাকরণে ঘর তৈরির কাজ চলছে। মহাকরণের তৃতীয় তলায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।শুধু মন্ত্রীদের ঘর নয়, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের জন্যও মহাকরণে জায়গা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফের ঐতিহ্যবাহী এই ভবন থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মহাকরণ সংস্কারের সামগ্রিক দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং কী ভাবে সংস্কারের কাজ এগোবে, তা নিয়ে এখনও বিস্তারিত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গিয়েছে।মহাকরণের সঙ্গে রাজ্যের প্রশাসনিক ইতিহাসের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক দফতর মহাকরণ থেকে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই ঐতিহাসিক ভবনের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েই সেই সময় প্রশাসনের মূল কেন্দ্র সরানো হয়েছিল।এর পর দীর্ঘ সময় ধরে মহাকরণ সংস্কারের কাজ চললেও তা সম্পূর্ণ হয়নি। সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৩ বছর পরেও সংস্কারের একটি বড় অংশ অসম্পূর্ণ রয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহাকরণকে ফের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে আসে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পর থেকেই মহাকরণে তাঁর জন্য ঘর তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল।এখন সেই প্রস্তুতিতেই আরও গতি এসেছে। ১০ অক্টোবরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঘরগুলির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, পুজোর আগেই কি নবান্নের বদলে মহাকরণ থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী? আপাতত সেই দিকেই নজর রয়েছে।মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী ও আমলাদের ঘর তৈরির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হলে বহু বছর পর ফের মহাকরণে রাজ্য প্রশাসনের ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal