• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

EB

রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অন্তর্কলহ: মনোরঞ্জন, করিমের পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক

মনোরঞ্জন ব্যাপারী, আব্দুল করিম চৌধুরীর পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। মুখ খুললেন শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। এবার পঞ্চায়েতের প্রচার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। বিধায়ক বলেন, এবার যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়।পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। একাধিক জায়গায় তৃণমূলের অন্তর্কলহ সামনে চলে এসেছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় একাধিক দাপুটে নেতা মুখ খুলেছেন দলের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মগরাহাটের গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।তাঁর কথায়, আমি ৪৯ হাজার ভোটে জিতেছি। কিন্তু এবার প্রার্থী হয়েছে ৫০-৫০। অর্থাৎ তাঁর প্রার্থী ৫০ শতাংশ। বাকি অন্যদের। গিয়াসউদ্দিন সাফ জানিয়েছে, এই প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচার করতে পারবেন না।অভিমানের সুরে গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমার উপর হয়তো দল আর ভরসা করতে পারছে না। আমি তালিকা দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম সেখান থেকে ৫০ শতাংশ প্রার্থী। বাকি ৫০ শতাংশের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। মগরাহাট ১-নম্বরে ব্লকের তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মানবেন্দ্র মণ্ডলকে নিশানা করেছেন তিনি। বিধায়কের দাবি, বাকি ৫০ শতাংশ প্রার্থী তাঁর। যাঁদের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। যদিও বিধায়কের দাবি মানতে নারাজ মানবেন্দ্র। তাঁর কথায়, দল যাকে ঠিক মনে করেছে তাঁকে প্রার্থী করেছেন। উনি অবসাদে ভুগছেন।

জুন ২৩, ২০২৩
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
কলকাতা

এবার জেব্রার দেখা মিলবে নিউটাউনে, নতুন বছরে আসছে আরও অতিথি

নিউটাউনের একের পর এক চিত্তাকর্ষক আয়োজন করছে এনকেডিএ। এবার জেব্রা দর্শন করতে পারবেন নিউ টাউন বাসী। এতদিন হরিণ, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখার সুযোগ ছিল নিউটাউনে।সেগুলির পাশাপাশি সাদা কালো জেব্রা দর্শন করতে পারবেন নিউ টাউন বাসী। আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে একটি জেব্রা আনা হয়েছে নিউ টাউনের হরিণালয়ে। আপাতত লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছে জেব্রাটি। এখনই সাধারণ মানুষের দর্শন করার সুযোগ থাকছে না। তবে এক সপ্তাহ পরে জেব্রাটিকে দেখতে পাবেন হরিনালয় মিনি চিড়িয়াখানার সব দর্শকরা। এরপর আরও সুখবর আসছে। নতুন বছরের শুরুতে জিরাপ ও হিপোপটেমাস দেখার সুযোগ থাকছে নিউটাউনে। আসতে পারে বাঘ-সিংহ, চিতাও। সেজন্য দ্রুততার সঙ্গে এনক্লোজার তৈরির কাজে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মিনি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।২০১৬ সালে নিউ টাউনের ইকোপার্ক লাগোয়া ৬ নম্বর গেটের পাশে একটি হরিণালয় তৈরি করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এজন্য প্রায় ১৩ একরের বেশি জমি দান করে হিডকো। প্রথমদিকে এটি হরিণালয় করার চিন্তাভাবনা থাকলেও পরে দর্শকদের চাহিদা ভেবে আরও কিছু পশু পাখি আনার চিন্তা ভাবনা করে কর্তৃপক্ষ। সেই মতো একে একে বিভিন্ন ধরনের পাখি কুমির এবং একাধিক প্রজাতির হরিণ রাখা হয়েছে পার্কে।আগামী দিনে এখানে বেঙ্গল টাইগার, লেপার্ড, সিংহ, জিরাফ, রেড ক্যাঙ্গারু, হিপোপটেমাস প্রভৃতি রাখার পরিকল্পনা করেছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এই মিনি চিড়িয়াখানার প্রবেশ মূল্য মাত্র ৩০ টাকা। সোমবার ছাড়া সপ্তাহে বাকি ৬ দিন খোলা থাকে পার্ক। ইতিমধ্যেই সপ্তাহান্তে বহু দর্শক ভিড় জমাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

ডিসেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ, ভাইরাল ভিডিও, বিরোধীদের নিন্দা

কলেজের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গানের তালে পড়ুয়াদের সঙ্গে নাচছেন অধ্যক্ষ। সেই ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারি কলেজের নবীন বরণ ও বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন, স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূধন ভট্টাচার্য।অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বরণ করার পাশাপাশি নাচ ও গান হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী, মেমারি পুরসভার উপ পৌরপ্রধান সুপ্রিয় সামন্ত। ছবিতে দেখা যায় অধ্যক্ষ দেবাশীষ চক্রবর্তী মঞ্চের নীচে মাঠে কলেজের পড়ুয়াদের সঙ্গে কমলায় নৃত্য করে গানের সাথে দুহাত তুলে নাচছেন। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আদিবাসী নৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন। সাঁওতালি বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ও অধ্যাপকদের অনুরোধে অংশ নিয়েছিলেন নাচের অনুষ্ঠানে। ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে যখন গান বাজছে তখন মাঠে পড়ুয়ারা নাচতে শুরু করে। সেই সময় অধ্যক্ষকেও দেখা গিয়েছে পড়ুয়াদের মাঝে গিয়ে দুহাত তুলে নৃত্য করতে।এই বিষয়ে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ-সভাপতি সৌম্যরাজ ব্যানার্জী বলেন, গোটা রাজ্যেই অপসংস্কৃতি চলছে। এটা তার নমুনা। কলেজের অধ্যক্ষ যদি এই ভাবে নাচেন তাহলে রাজ্যের সংস্কৃতি কোথায় গেছে বোঝা যাচ্ছে। আগে শিক্ষকদের সঙ্গে পড়ুয়াদের গুরু শিষ্যের ভালোবাসা ছিল।কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, রাজ্যের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এখন জেলে। সুতরাং এটাই তো স্বাভাবিক। রাজ্যে সার্কাস চলছে। তার রিং মাষ্টার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু বলেন, কি হয়েছে জানি না। তবে সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি প্রকাশ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখছি।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

মাত্র পাঁচ টাকায় ডিম ভাতের 'মা ক্যান্টিন' বর্ধমানে, মানুষের আশীর্বাদ কুড়ালেন মন্ত্রী থেকে জেলাশাসক

মাত্র পাঁচ টাকায় পেট ভরা খাবার! বুধবার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং বর্ধমান পুরসভার উদ্যোগে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হল সস্তার খাবার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প মা ক্যান্টিন চালু হল বর্ধমানে, জেলায় এটি পঞ্চম। মা ক্যান্টিন-এ মাত্র পাঁচ টাকায় খাবার পাওয়া যাবে।বুধবার দুপুরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই পরিষেবার সূচনা হয়। প্রকল্পের সূচনা করেন জেলার মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, বর্ধমান পুরসভার পুরপ্রধান পরেশ সরকার, পূর্ব-বর্ধমান জেলাপরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামানিক, মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি ডঃ তাপস ঘোষ ছাড়াও অন্য আধিকারিকেরা।জানা গেছে, প্রথম দিকে ২২০ জন ব্যাক্তি এই সুযোগ পাবেন প্রতিদিন। এরজন্য সকাল দশটায় কুপন দেওয়া হবে। কুপনের মুল্য ধার্য করা হয়েছে মাত্র ৫ টাকা। দৈনিক মেনুতে থাকবেঃ ভাত, ডাল, তরকারি ও ডিমের ঝোল। প্রতিদিন হাসপাতালে যে হাজার হাজার মানুষ আসেন তাদের খুব সুবিধা ও সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প, তাঁর সকল প্রকল্প-ই মানুষের স্বার্থে। তিনি আরও জানান, এই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাইরের রোগীদের সাথে সাথে তাঁদের পরিবারের প্রচুর লোকজন আসেন, তাঁদের স্বল্পমূল্যে খাবারের সুবিধার জন্য-ই এই প্রকল্প শুরু করা হল। তিনি জানান, এর আগে রোগী কল্যাণ কমিটিতে আলোচনা হয়েছে আজ সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হল।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন রাজ্যের সব হাসপাতালে মা ক্যান্টিন চালু করতে হবে, আমরা সেই মত এটা চালু করতে পেরে খুব আনন্দিত। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথও খুব সাহায্য করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য। এখনও অবধি জেলায় ৬ টি মা ক্যান্টিন আছে। জেলার পুরসভাগুলি খুব সাফল্যের সাথে এটা চালায়। তিনি জানান এই মুহুর্তে একটু ফান্ডের সমস্যা আছে, কিছুদিনের মধ্যেই আরও বেশী মানুষের খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন বলে তাঁর আশা।পুরপ্রধান পরেশ সরকার জানান, জেলার সব পুরসভায়ই মুখমন্ত্রীর স্বপ্নের এই প্রকল্প সাফল্যের সাথে চলছে। বর্ধমানে এটা শুরু করতে পেরে খুব ভালো লাগছে। তিনি মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলাকে ধন্যবাদ জ্ঞ্যাপন করেন পুরসভাকে সার্বিক ভাবে সাহায্য করার জন্য। আজ উপস্থিত রোগীর পরিবারেরা খুব খুশি ৫টাকায় ডিম ভাত পেয়ে। তাঁরা জানান এতে তাঁদের খাওয়া খরচা অনেকটা সাশ্রয় হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

খুদে স্কুল পড়ুয়াদের রসগোল্লা খাইয়ে রসগোল্লা দিবস পালন তৃণমূল নেতা অপার্থিব ইসলামের

ইতিহাস বাঁচিয়ে রাখতে গ্রামের আটচালায় শতাধিক খুদে পড়ুয়াকে নিয়ে বসলো রসগোল্লার পাঠশালা। বাংলার রসগোল্লার খ্যাতি এখন বিশ্বজুড়ে। ২০১৮ সালে জিআই স্বীকৃতি মেলার পর থেকে প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর দিনটিকে রসগোল্লা দিবস হিসেবে পালিত হয় ঠিকই।কিন্তু এই বিশেষ দিনটির তাৎপর্য ও রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাস সম্পর্কে খুদে পড়ুয়ারা এখনও সেভাবে ওয়াকিবহাল নয়। তা জানাতে মঙ্গলবার শতাধিক খুদে স্কুল পড়ুয়াকে রসগোল্লা খাইয়েই রসগোল্লার সৃষ্টি ইতিহাসের পাঠ দিলেন পূর্ব বর্ধমানে খণ্ডঘোষের জনপ্রতিনিধিরা। একবারে শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে তাঁরা খুদে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরলেন রসগোল্লার সৃষ্টি কর্তার পরিচিতি ও কাহিনী।বাংলার প্রসিদ্ধ মিষ্ঠান্ন গুলির অন্যতম হল রসগোল্লা। এই রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাসও বহু প্রাচীন। ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী নদীয়া জেলার হারাধন ময়রাকে রসগোল্লার প্রথম সৃষ্টিকর্তা বলে ধরা হয়।তবে কলকাতার বাগবাজারের নবীনচন্দ্র দাস ওরফে নবীন ময়রাকে আধুনিক স্পঞ্জ রসগোল্লার প্রথম সৃষ্টিকর্তা বলে ধরা হয়।১৮৬৮ সালে নবীন ময়রাই গোটা পৃথিবীতে রসগোল্লার পরিচিতি ঘটিয়ে ছিলেন বলে ধরা হয়। তাই তাঁকেই রসগোল্লার কলম্বাস বলে উল্লেখ করা হয় ।ছানা, ময়দা ও চিনি সহযোগে তৈরি রসগোল্লা নিয়ে গর্ববোধ করেন না এমন কোন বাঙালি মেলাই ভার।এই রসগোল্লার জিআই স্বীকৃতি (Geographical Indication) পেতেও পশ্চিমবঙ্গকে মিষ্টি লড়াইয়ে সামিল হতে হয় ওড়িষ্যার সঙ্গে।শেষ পর্যন্ত বাংলাই ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর জয় করে জিআই স্বীকৃতি।রসগোল্লার এই গর্বের ইতিহাস খুদে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরতে মঙ্গলবার বিকেলে খণ্ডঘোষের জনপ্রতিনিধিরা বাদুলিয়া গ্রামের পীড়তলার আটচালায় একটি শিক্ষা মূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।সেই অনুষ্ঠানে শিক্ষকের ভূমিকায় সামিল হন খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্য অপার্থিব ইসলাম।তাঁর সঙ্গে সহ শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেন অপর জেলাপরিষদ সদস্য তথা স্কুল শিক্ষক বিশ্বনাথ রায় ,সগড়াই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুখেন্দু পাল ,স্কুল শিক্ষক অনাবিল ইসলাম এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগী শেখ কামাল উদ্দিন। প্রায় শতাধিক স্থানীয় স্কুল পড়ুয়া আটচালায় রসগোল্লার ইতিহাস বিষয়ের পাঠ নিতে উপস্থিত হয়। তাদের সবার হাতে প্রথমে রসগোল্লা তুলেদেন আপার্থিব ইসলাম সহ অন্য সকল জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষকরা।তাঁরা তার পর খুদে পড়ুয়াদের রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাস নিয়ে পাঠদান শুরু করেন।তাঁরা রসগোল্লার সৃষ্টিকর্তার পরিচিতি,রসগোল্লা সৃষ্টির সময়কাল,কি কি উপকরণ দিয়ে কি ভাবে রসগোল্লা তৈরি হয় এবং ওড়িষ্যার সঙ্গে কতটা মিষ্টি যুদ্ধের পর বাংলার রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতী লাভ করে,সেইসব কিছুই খুদে পড়ুয়াদের কাছে তুলে ধরেন।বাংলার গৌরবের রসগোল্লার ইতিহাস নিয়ে শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের পাঠদান অভিভাবক মহলের প্রশংসা কুড়োয়।পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল তাঁদের দলীয় কর্মীদের ভোট রাজনীতির পাঠ দিচ্ছেন।তা না করে এমন সময়ে হঠাৎ করে গ্রামের আটচালায় খুদে পড়ুয়াদের রসগোল্লা নিয়ে পাঠদানের কি প্রয়োজন হল? এই প্রশ্নের উত্তরে অপার্থিব ইসলাম বলেন, বাংলার রসগোল্লা জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে। তার পর থেকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে বাংলার রসগোল্লার প্রসিদ্ধি। তার জন্য প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর রসগোল্লা দিবস পালিত হয়।এই রসগোল্লা দিবস পালনে শহর এলাকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা উৎসাহ দেখালেও গ্রাম বাংলায় তেমনটা হয় না। সেই কারণে গ্রামের খুদে পড়ূয়ারাও জানতে পারে না কেন বাংলার রসগোল্লা বিখ্যাত? রসগোল্লা সৃষ্টির ইতিহাসটাই বা কি?অপার্থিব বাবু বলেন,আজকের খুদে পড়ুয়ারা বাংলার আগামী ভবিষ্যৎ। তাঁরা যদি বাংলার গর্বের রসগোল্লা সমন্ধে অন্ধকারে রয়ে থা তবে আগামী দিনে বাংলার রসগোল্লার ইতিহাসটাই মানুষের মনথেকে মুছে যাবে।সেটা যাতে না হয় তাই এদিন খুদে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

পূর্বস্থলীর হাবিবুল সেখের দেহ মঙ্গলবার মধ্যরাতে গ্রামে নিয়ে আসা হয়, উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ

গুজরাটে ব্রিজ ভেঙে মৃত পূর্বস্থলীর যুবকের নিথর দেহ ফিরল মঙ্গলবার ২টা ৩০ মিনিট নাগাদ মৃত ওই যুবকের কেশববাটি বাড়িতে। মৃত দেহ বাড়িতে ফিরতে কান্নার রোল পড়ে যায় গোটা গ্রাম জুড়ে। উল্লেখ্য কেশববাটির গ্রামের ওই যুবক গুজরাটে কাকার কাছে সোনার কাজ শিখতে গিয়েছিলো। গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ গুজরাটের সেও ব্রিজের ওপর আর পাঁচজনের সাথে সেও উঠেছিল, আচমকাই ব্রিজ ভেঙে জলে পড়তেই ঘটে বিপত্তি, সোমবার গভীর রাতে পূর্বস্থলীর কেশববাটী গ্রামের বাড়িতে খবর পৌঁছায় মারা গেছে হাবিবুল সেখ নামের বছর সতেরোর ওই যুবক। এরপরই এ দিন মঙ্গলবার রাত ২টা ৩০ নাগাদ তাঁর নিথর দেহ গুজরাট থেকে ফেরে পূর্বস্থলীর কেশববাটির বাড়িতে। ওই রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্বস্থলী ২ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি বদরুল আলম মণ্ডল সহ বিশিষ্টজনেরা। মন্ত্রী স্বপনবাবু এদিন বলেন গুজরাট মডেল চোখের সামনেই দেখাই যাচ্ছে,নবান্ন থেকে হোম সেক্রেটারি এবং জেলাশাসকের ফোনের পরই তাঁর বাড়িতে হাজির হয়েছি, পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছি, মৃত ওই যুবকের মায়ের হার্টের অসুখ রয়েছে তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড রয়েছে কিনা সেটিও আমরা দেখছি। রাজ্য সরকার সর্বতোভাবে এই পরিবারের পাশে রয়েছে।

নভেম্বর ০১, ২০২২
রাজ্য

অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে ভাইফোঁটা সারলেন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র

বাঙালির এই বিশেষ দিনে যখন সবাই পরিবারের নিজেদের নিয়ে আনন্দে মাতোয়ারা, ঠিক সেই সময় বর্ধমান জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দিনটা কাটালেন অনাথ কচি কাঁচাদের সাথে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের এক অনাথ আশ্রমের শিশুদের পাশে নিয়ে ভাইফোঁটায় অংশ নিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের নীলপুরের ব্লাইণ্ড একাডেমিতে প্রতিবছরের মত এবারও ভাইফোঁটার আয়োজন করা হয়। সেখানে নিজের শিশুকন্যাকে নিয়ে উপস্থিত হন দেবু টুডু। তিনি বলেন, আনন্দের দিনে অনাথ শিশুদের সঙ্গে নিয়ে সব কিছু ভাগ করে নিতেই তো প্রতিবছর হাজির হই ব্লাইণ্ড একাডেমিতে। তিনি আরও জানান, এবার নিজের সন্তানকেও তিনি এই আন্নন্দে সামিল করতে নিয়ে এসেছেন।ব্লাইণ্ড একাডেমির দায়িত্বে থাকা রায় চাঁদ সুরানা বলেন,আমাদের কোন নেশা নেই। এই বাচ্চাগুলোই আমার কাছে নেশা ও ভালোবাসা। ভাইফোঁটার আয়োজনে কোন খামতি ছিল না। নানার মিষ্টি, লুচি সবই ছিল থালায় সাজানো। বাচ্চারাও খুব খুশি আজকের বিশেষ দিনে।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
রাজ্য

এজলাসের লড়াইয়ে মধূসূদনকে হারিয়ে মামলায় জিতলেন 'মা কালি'

মা কালী একেবারে আদালতের দরজায়। আজ বর্ধমানের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে একটি খুবই অন্যরকম মামলা হয়। মামলাটি হয় মধূসূদন বিশ্বাস বনাম দেবীপুর গ্রামবাসীর মধ্যে। মামলা হয় একটি জমিতে পুরনো পুজো চালানো নিয়ে। মামলায় জিতে পুজো চালিয়ে যাবার অধিকার পেলেন।এই পুজোটি প্রায় ৭৫ বছরের পুরনো। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার দেবীপুরে এই পুজোটি হয়ে আসছে ৭৫ বছর ধরে।গ্রামবাসীদের দাবি ওই পুজো অনেকদিনের। এখানে পুজো হয়। বড় মেলা বসে। মানুষের ভাবাবেগ জড়িয়ে আছে ওই পুজোর সাথে। তাদের বক্তব্য, মধুসূদন বিশ্বাস একজন পরিচিত জমির দালাল। সে ওই দেবোত্তর জায়গাটি কোনোভাবে হাতিয়ে নিয়ে বিক্রি করতে চায়। সেজন্য আদালতে সে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল যাতে পুজো না হয়। অন্যদিকে গ্রামবাসীদের দাবি; তারা ওখানে পুজো করতে চান। তাদের আর কোনো দাবি নেই। আদালতে বিচারক গ্রামবাসীদের বক্তব্য মেনে নেন। তিনি থানা ও ভূমি দপ্তরের কাছে এই নির্দেশ দেন যাতে এলাকাবাসী নির্বিঘ্নে পুজো করতে পারেন। একইসাথে থানাকে নির্দেশ দেন যাতে এলাকায় আইন শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয়।

অক্টোবর ২০, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি নেতাদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখার নিদান দিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র

বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে নিদান দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবু টুডু। যতক্ষণ না কেন্দ্র সরকার পাওনা টাকা দিচ্ছে ততক্ষণ বিজেপিকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না বলে কর্মীদের বার্তা দিলেন দেবু টুডু। পাশাপাশি তার হুশিয়ারি, মিটিং মিছিল করতে এলে ওদের ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রাখা হবে।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের গুসকরায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনীর সভায় দেবু টুডু উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, বিজেপি গরিব মানুষদের একশো দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছে। গরিব মানুষদের আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখেছে। আমাদের পাওনা টাকা দিচ্ছে না। পাওনা টাকা না দিলে ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে না। প্রতিবাদ করুন। ওরা মিটিং মিছিল করতে এলে বেঁধে রাখুন। আগে পাওনা টাকা মেটাক। তারপর ওদের মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হবে। আদিবাসী গরিব খেটে খাওয়া মানুষের টাকা আটকে রেখেছে বিজেপি সরকার।গুসকরায় তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী সভায় বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, তৃণমূল সরকার শিক্ষকদের চাকরী চুরি করেছে। টাকা নিয়ে অযোগ্যদের চাকরীতে ঢুকিয়েছে।এ খন সেসব ধরা পড়ছে। সেই আতঙ্কে এসব বলে হাওয়া গরম করতে চাইছে। এতদিন বলতো সব টাকা দিদি দেয়। তাহলে এখন তারা বলতে বাধ্য হচ্ছেন টাকা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। দুর্নীতি করেছে একশো দিনের কাজে, আবাস যোজনায়। অডিট রিপোর্টে সব ধরা পড়েছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২২
রাজ্য

উধাও খোদ মহাদেব! বর্ধমানে চুরি গেলো শিবলিঙ্গ এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

শিবলিঙ্গ চুরি হওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহিতে। শুক্রবার সকালে মাধবডিহির নরত্তমবাটি গ্রামের বাসিন্দারা দেখেন শিবলিঙ্গ নেই। কিভাবে শিবলিঙ্গটি উধাও হল তা ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছেন না গ্রামের বাসিন্দারা। ধর্মীয় স্থান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে একটি শিব ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত ছিল। কথিত আছে এখানকার দেবাদিদেব মহাদেব নাকি কোন মন্দিরে নয় বরং খোলা জায়গাতেই থাকতে পছন্দ করেন। রাতের অন্ধকারে কোন ভাবে সেই শিবলিঙ্গের অর্ধেক অংশ উধাও হয়ে গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা। কিভাবে সেই শিবলিঙ্গটি উধাও হয়ে গেল সেই নিয়ে দ্বন্দ্বে পড়ে গিয়েছেন তারা। এই ঘটনায় গ্রামের মানুষরা খুবই দুঃখিত। যেহেতু এই শিব ঠাকুরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কাল্প কাহিনী রয়েছে তাই এই ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না তারা। শিবলিঙ্গটিকে খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু করেছে মাধবডিহি থানার পুলিশ।সেবাইত শান্তিনাথ ব্যানার্জী বলেন, উপরের অংশ নিয়ে গেছে দুস্কৃতিরা।কিন্তু বাবাকে অর্থাৎ শান্তিনাথকে নিয়ে যেতে পারে নি।কারণ বাবা মহাদেব এখানে স্বপ্নাদেশ দিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। সুতরাং বানার আসল রূপ এখানে আছে।গ্রামের বাসিন্দা সুশান্ত ঘোষ বলেন, শিবলিঙ্গটি কেউ চুরি করে নিয়ে গেছে।স্থানীয় বাসিন্দা জয়রাম চক্রবর্তী বলেন, এটি কষ্টিক পাথরের শিবলিঙ্গ। হাজার বছরের পুরনো, বহু মূল্য। তার ধারণা কোন তান্ত্রিকের কাজ হতে পারে।

অক্টোবর ১৪, ২০২২
রাজ্য

আমার সামনে ঘটলে মাথার ওপর শুট করতাম,' বললেন অভিষেক

এসএসকেএম হাসপাতালে কলকাতা পুলিশের এসিপি দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে দেখতে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে অভিষেক বলেন, নবান্ন ঘেরাওয়ের নাম করে হিংসা, গুন্ডামি সারা বাংলাবাসীর কাছে তুলে ধরেছে বিজেপি। আন্দোলনের নামে গুন্ডামি, দাদগিরি, পুলিশের গাড়িতে আগুন, পুলিশের ওপর নির্মম ভাবে লোহার রড দিয়েছে আঘাত করছে। ওনার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে বা হাত ভেঙে গিয়েছে। সারা গায়ে আঘাতের চিহ্ণ। গতকাল পুলিশ সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরে প্রশাসনিক সভায় কিছুক্ষণ আগেই বলেছেন, পুলিশ ইচ্ছে করলে গুলি চালাতে পারত। সংযত ছিল। সেই সূত্র ধরেই যেন অভিষেক বলেন, পুলিশ কাল চাইলে পারত এলোপাথারি গুলি করে ২০টা লোক মেরে দিতে। তাহলেই আন্দোলন নষ্ট হয়ে যেত। যেটা সিপিএমের সময় হত। পুলিশের সহজ উপায় গুলি চালানো। নিরস্ত অফিসারকে লোহার রড দিয়ে মারা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলার মানুষের কাছে আমরা ছেড়ে দিচ্ছি। ওই অফিসারের জায়গায় আমি থাকলে মাথার ওপর শুট করতাম। ওনারা ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দিয়েছে।Shri Debjit Chatterjee sustained serious injuries yesterday owing to @BJP4Bengals HOOLIGANISM.The compassion of our Honble National Gen Sec Shri @abhishekaitc knows no bounds - he visited SSKM hospital today to meet with the injured Assistant Commissioner of @KolkataPolice. pic.twitter.com/ujHhwGhT1L All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2022বিচার ব্যবস্থার ওপর তোপ দেগেছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বিজেপি করি বলি যা করব পার পেয়ে যাব। হাইকোর্ট থাকতে এ ঘটনা ঘটে কি করে। যাদের প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ মদতে ঘটনা ঘটেছে হাইকোর্ট কি ব্যবস্থা নেবে তার ওপর আমাদের নজর থাকবে। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা যা খুশি করবে বেল পেয়ে যাব। জুডিশিয়ারির একাংশের এদের মাথায় হাত রয়েছে। জুডিশিয়ারির একাংশ এদের সেল্টার দিচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২২
রাজ্য

দেবযানীর সামনে শুভেন্দু ও সুজনকে টাকা সারদাকর্তার, মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ সিআইডির- অভিযোগ শর্বরীর

এর আগে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন। এমনকী আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময়ও তিনি সাংবাদিকদের কাছেও এই দাবি করেছিলেন। এবার অবশ্য সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্য়া বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করলেন সারদা মামলায় জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মা শর্বরী মুখোপাধ্যয়। তাঁর দাবি, দেবযানীর ওপর মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে সিআইডি।রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ এনে সিবিআইকে চিঠি সারদা কেলেঙ্কারিতে জেলবন্দি দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের মায়ের। তাঁর অভিযোগ, মেয়ের উপর মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টা করছে সিআইডি, মিথ্যা বয়ানের জন্য জোর করা হচ্ছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের থেকে ৬ কোটি করে টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা দেবযানীর সামনে দেওয়া হয়েছিল। এমন বয়ান দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে সিআইডি।একথা দেবযানী তাঁকে বলেছে বলে দাবি করেছেন মা শর্বরী মুখোপাধ্যায়। যদিও দেবযানী তা দিতে অস্বীকার করেছে। তাঁকে আরও ৯টি মামলায় ফাঁসানো হবে বলে সিআইডি-র এক আধিকারিক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় চাপ দিয়েছেন বলেই শর্বরীদেবীর অভিযোগ।শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগঅভিযোগ সামনে আসতেই সিআইডির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুজন চক্রবর্তী। শুভেন্দু অধিকারী টুইটে লিখেছেন, অপমান, সম্পূর্ণ অসম্মান! এক সময়ের গৌরবময় সিআইডি এখন পশ্চিমবঙ্গের বুয়া-ভাতিজার বেতনভুক্ত দাড়োয়ান হয়ে উঠেছে। রাজ্যের বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বিবৃতি দেওয়ার জন্য বিচারাধীন বন্দীদের ভয় দেখিয়ে ব্যানার্জিদের ঘৃণ্য স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সিআইডি অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, রাজ্যকে খুশি করতে চাইছে সিআইডি। ২০২১ সালে ভোটের আগে ওরা একই চেষ্টা করেছিল, তখন বিমান বসুর সঙ্গে আমার নাম ছিল। সকলে তখন হেসেছিল। সুজনের দাবি, কোর্টের রক্ষাকবচ বা হাসপাতালে ভর্তি হবো না। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমি প্রস্তুত।শর্বরী মুখোপাধ্য়ায় চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, দেবযানী এখন দমদম জেলে বন্দি। গত ২৩ অগাস্ট জেলে দেবযানীকে সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তখনই বেশ কয়েকটি প্রশ্নের পর সিআইডি-র এক অফিসার নাকি দেবযানীকে বলেন, শুভেন্দু ও সুজনকে ৬ কোটি টাকা দিয়েছিলেন বলে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন আগেই জানিয়েছেন। দেবযানীকে বলতে হবে, তাঁর সামনেই সেই টাকা শুভেন্দু ও সুজনকে দেওয়া হয়েছিল। এটা করলে দেবযানীকে রাজসাক্ষী করা হবে।Disgrace, total disgrace!The once glorious CID has now become the paid janitor of WBs Bua-Bhatija.CID is indulging in criminality for advancing the nefarious interest of the Banerjees by intimidating under trial prisoners to give false statements against WB Opposition Leaders: pic.twitter.com/fHdZJyLgvZ Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) September 8, 2022এর আগে শুভেন্দু অধিকারী ও বিমান বসুর নাম করেছিলেন সুদীপ্ত সেন। সুদীপ্ত সেনকে চাপ দিয়ে সেকাজ করানো হয়েছিল বলে শুভেন্দু দাবি করেছিলেন। এবার খোদ সিআইডির বিরুদ্ধে মিথ্যা বয়ান দেওয়ার জন্য অভিযোগ ওঠায় সারদা মামলা অন্য মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

শিক্ষারত্ন পুরস্কারে ভূষিত শিক্ষক পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী

তিন বছর অবসর নেবার পরও পেনশন না পেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক শিক্ষক। মৃত শিক্ষকের নাম সুনীল কুমার দাস (শিক্ষারত্ন)। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তার মৃত্যুর খবরে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া দেবীপুর রাজবাগান এলাকায়। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন উপাধি পেয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে।নানা স্কুলে চাকরি করার পরে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক হয়ে অবসর নেন বলে পরিজন সুত্রে জানা গেছে। তাঁর পরিবারে কোনও সমস্যা ছিলনা বলেও তাঁরা জানান। সুনীল দাসের দুই কন্যার বিয়ে হয়ে গেছে।এছাড়াও ছেলে পি এইচ ডি সম্পূর্ণ করেছেন। গতকাল বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছে বলে পরিবারের মানুষজন জানিয়েছেন।তার আত্মীয়রা জানান, তিনি খুবই চাপা স্বভাবের হওয়ার দরুন, তার মনের কথা কাউকে জানতে দেন নি। হঠাৎ এই ঘটনায় সবাই মুষড়ে পড়েছে। তার স্ত্রী সাধনা দাস জানান, পেনশন না পাওয়ায় তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। কীভাবে সংসার চলবে তা নিয়ে ভীষণ উদ্বেগে ভুগছিলেন। অনেক চেষ্টা করেও পেনসানের সুরাহা করতে পারেননি। ২০১৯ সালে তিনি শিক্ষারত্ন পান। ওই বছরই তিনি অবসর নেন। এলাকার মানুষেরা জানিয়েছেন তার শিক্ষাবিস্তারে অনেক অবদান ছিল। অনেককে সাহায্য পড়াশোনার ব্যাপারে করেছেন। তাঁর এই পরিণতিতে সবাই ভেঙে পড়েছেন।

আগস্ট ১৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের বেসরকারি স্কুলের অভিনব ভাবে স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পুর্তি উদযাপন

ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি মহা জাঁকজমকের মধ্যে পালিত হল রাজ্য জুড়ে। ২০২১ র ১৪ আগস্ট থেকে বছরভর নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারা ভারত জুড়ে স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে স্মরণ করা হয়। বর্ধমান শহরের এক বেসরকারি স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এবছরের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পলন করল অভিনব ভাবে।এই বেসরকারি স্কুলের পক্ষ থেকে ৭৫বছর উদযাপন করতে এঁরা বেছে নেন এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহন করা নবজাতকদের। তাঁরা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৫ই অগাস্ট জন্মগ্রহণ করা সদ্য়জাতদের এক বিশেষ উপহার প্রদান করেন। এই বিশেষ দিনে উপহার পেয়ে নবজাতকদের পরিবার যারপরনাই খুশি। বর্ধমান শহর সংলগ্ন বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামের এক বাচ্চার মা জনতার কথাকে জানান, হটাৎ করে এই উপহার পেয়ে তাঁদের খুব ভালো লাগছে। তাঁরা এই উদ্যোগের জন্য স্কুল কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগলসির এক পরিবার জানান, তাঁরা এই উপহার পেয়ে খুব খুশি। তিনি জানান, এই উপহারের বক্সের মধ্যে একটি তোয়ালে, শিশুর জামা, তাঁর ব্যবহারযোগ্য তেল, সাবান, শ্যাম্পু, চিরুনি, পাউডার ও মায়ের জন্য কিছু খাবার, খেলনা ও একটি জাতীয় পতাকা পেয়েছেন। স্কুলের পক্ষ থেকে কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ও উপাধক্ষ্য ডঃ তাপস ঘোষ ও শিশু এবং গাইনি ওয়ার্ডের সকলকে এই সুযোগ করে দেবার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জানান, প্রতি বছরই আমরা নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৫ই আগস্ট পালন করি। এবছর এক বিশেষ মুহুর্ত বলে আমরা বিদ্যালয়ের সকলে মিলে আলোচনা করে আরও ভালো ভাবে এই দিনটাকে স্মরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, প্রতি বছরই আমরা বিদ্যালয়ের ছাত্রদের নিয়ে এক বার্ষিক প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করি। তাতে ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে নানারকম মডেল ও প্রোজেক্ট বানিয়ে প্রদর্শন করে। সেই ইন্সপায়ার অনুষ্ঠানটি এবছর ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সেই সমস্ত মহাপুরুষদের স্মরণ করতে ১৪ই আগস্ট শুরু হয়েছে।মেডিক্যাল কলেজেঅচিন্ত্য কুমার মণ্ডল আরও জানান, তাঁরা এই সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলেন, কিন্তু কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড সিবিএসসি এক সার্কুলারের মাধ্যমে এই একই নির্দেশ দেয় তাঁদের অধীনস্ত স্কুল গুলিকে। তিনি খুবই আনন্দিত তাঁদের ভাবনার সাথে সিবিএসসি নির্দেশ মিলে যাওয়াতে। তিনি জানান, এবারের অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রী ও অবিভাবকদের উপস্থিতি খুবই ভালো। গত দুবছর ধরে গৃহবন্দি মানুষজন কোভিড নামক ব্যাধিকে মন থেকে দুরে সরিয়ে রেখে জড়তা ঝেড়ে পথে নেমে পরেছেন।দুদিনের এই অনুষ্ঠানে অনেক বিশিষ্ট মানুষজন উপস্থিত ছিলেন, এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য, পূর্ব-বর্ধমান মহিলা থানার আইসি বনানী রায়, ভাতারের ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার অরুণ কুমার বিশ্বাস, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যলের অধ্যাপক ডঃ খগেন চট্টোপাধ্যায়, ডঃ শিবকালি গুপ্ত, প্রজাপতি ব্রহ্মকুমারি সিস্টার রুমা, বিশিষ্ট শিল্পপতি পি এন আয়ার প্রমুখ।

আগস্ট ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগান দিবসে ডার্বি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন দেবাশিস দত্ত!

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তিপত্রে সরকারিভাবে সই হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়াও মাঝপথে। সামনের সপ্তাহে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ডুরান্ড কাপের আগে দল কতটা গুছিয়ে নিতে পারবেন, সন্দিহান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাই আবেদন জানিয়েছিলেন ডুরান্ড কাপের ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। লালহলুদের আর্জি মেনে ডার্বির দিনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।শুক্রবার ছিল মোহনবাগান দিবস। ২ বছর পর সবুজমেরুণ তাঁবুতে ফিরল সেই চেনা পরিবেশ। ক্লাব কর্তা, সদস্যসমর্থকদের ভিড়ে দুপুর থেকেই তাঁবু রীতিমতো সরগরম। এর মাঝেই ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব। এদিন দেবাশিস দত্ত বলেন, দেড় মাস আগে ডুরান্ড কাপ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছিলেন ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। ওই দিন ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হাজির থাকবেন। ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন হলে ভাল হয়। আমাদের সমস্যা থাকলেও সেদিন আপত্তি জানাইনি। ইস্টবেঙ্গলও আপত্তি জানায়নি। ডুরান্ডের আয়োজক সেনাবাহিনীর কর্তারাও রাজি ছিলেন। এখন শুনছি ইস্টবেঙ্গল নাকি ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপ শুরু করতে চাইছে না। ওদের এখনও দল গঠন হয়নি বলে দেরি করে ডুরান্ডে নামতে চাইছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়া হলেও ডার্বি ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন হোক। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল প্রথম ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না। এ তো পালিয়ে যাওয়ার সামিল।২২ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে মাঠে নামতে চাইছে। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ২০ আগস্ট। মোটামুটিভাবে ঠিক হয়েছে ২৮ আগস্ট ডার্বি ম্যাচ হবে। ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়াটা ভালভাবে নিচ্ছেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। মোহনবাগান সচিব বলেন, ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড অভিযানে নামব বলে আমরা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। কোচ এসে গেছেন। বিদেশি ফুটবলাররাও কয়েকদিনের মধ্যে এসে যাবে। আর এখন কিনা ইস্টবেঙ্গল বলছে ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দিতে। একটা ক্লাবে বছর বছর লগ্নিকারী সংস্থা বদলাবে। সেইজন্য প্রতিযোগিতার সূচি বদলাবে। এটা হতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পঞ্চম বর্ষে গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন

যাদবপুর গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন স্কুল এবার পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল। স্কুলের কচিকাঁচাদের উপস্থিতিতে কেক কেটে এই ৫ বছর উদযাপন করা হয়। এদিন উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রিন্সিপাল মৌসুমী ভৌমিক, সহ প্রিন্সিপাল কল্লোল নস্কর, প্রেসিডেন্ট সুরঞ্জিত দাস, সায়ন্তন সেন প্রমুখ। বিশেষ দিনে স্কুলে উপস্থিত হন অভিনেত্রী সুমা দে, শিল্পাঙ্গন আর্ট স্কুলের প্রিন্সিপাল কানু দাস, সেক্রেটারি সোমনাথ চক্রবর্তী। গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণে বিশেষ নজর দেয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করে গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে স্কুলের অনেক নতুন ভাবনাও রয়েছে জানিয়েছেন মৌসুমী ভৌমিক। আগামীর জন্য গরফা প্রেরণা ফাউন্ডেশনের জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

জুলাই ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

স্মরণে তরুণ মজুমদার

ফুলেশ্বরী বালিকা বধু বেশে শ্রীমান পৃথ্বীরাজ কে ভালোবাসা ভালোবাসা য় আবদ্ধ করে সংসার সীমান্তে ভালোবাসার বাড়ি তৈরি করলো। এই সম্পর্কে কুহেলি র দাদার কীর্তি ই বেশি ছিল, বাড়ির নাম রাখাল স্মৃতিটুকু থাক। চারিদিক আলো ঝলমলে, পূর্নিমায় চাঁদের বাড়ি মনে হয়। বাড়ির ঠাকুর ঘরের নামকরণ হল আপন আমার আপন। বহু পথ ভোলা পথিকের জন্য চাওয়া পাওয়া ভুলে এই কাঁচের স্বর্গ এ নিমন্ত্রণ রইল। তরুন নিষ্ঠাবান পুরোহিতের কাছে জবা, টগর, গাঁদা, পদ্মশ্রী র পুষ্পঞ্জলি দিলে আনন্দলোক এর অনুভুতি পাবেন। এই প্রেক্ষাপটে তৈরি চলচ্চিত্রটি অনেক ফ্লিমফেয়ার এ প্রদর্শীত ও পুরস্কৃত হয়। রিলিজ হবার পরেই সেন, রায়, মজুমদার, ব্যানার্জী পরিবার ছবিটা দেখে এসে খুব প্রসংসা করেছে।।সুরজিৎ পান(স্কুল শিক্ষক)

জুলাই ০৬, ২০২২
রাজ্য

আদিবাসীদের আন্দোলন স্মরণ জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার, জানিয়ে দিলেন সরকার তাঁদের পাশে আছে

সারা রাজ্যে মহা সমারোহে পালিত হল হুল উৎসব। ইংরেজ অপশাসনের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য যে সংগ্রাম হয়েছিল তা সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত, সেই বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণ করে পালিত হয় হুল দিবস। অলচিকি ভাষায় হুল কথার অর্থ বিদ্রোহ। ১৮৫৭ তে সিপাহী বিদ্রোহের ২ বছর আগে ১৮৫৫ তে সংগঠিত হওয়া এই বিদ্রোহ-ই আলো দেখিয়েছিলো ইংরেজদের বিরুদ্ধে ভারত ছাড়ো আন্দোলনকে জোড়ালো করতে। একই পরিবারের ভাইবোন সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব,আর দুই বোন ফুলমনি এবং ঝানু মুর্মু-র এই আন্দোলন পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। এই ছয় ভাইবোনের ডাকা আন্দোলনে এককাট্টা হয়েছিল চারশোটি গ্রাম। সে ডাকে সাঁওতালরা ছাড়াও সারা দিয়েছিলো সমস্ত নির্যাতিত মানুষ।বৈদ্যপুর রথতলায় হুল উৎসব-এ উপস্থিত অতিথিবর্গপূর্ব বর্ধমান জেলার অনগ্রসর, শ্রেনীকল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার কালনা-২ ব্লকের বৈদ্যপুর রথতলায় বৈদ্যপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপিঠ সংলগ্ন ময়দানে হুল উৎসব পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি সম্পা ধারা, জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি ও পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী শাখা সংগঠনের সভাপতি দেবু টুডু, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামানিক, কালনা মহকুমাশাসক সুরেশ কুমার জগৎ, কালনা-২ বিডিও ও জেলা অনগ্রসর শ্রেনীকল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের অধিকারিকগন।এদিনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা হয়। এছাড়াও তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের আম্বেদকর মেধা পুরস্কার প্রদান করা হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, আদিবাসী আন্দোলন আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে পথ দেখিয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে আমাদের আমরা ভুলতে পারি না। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা উপস্থিত সকলকে হুল দিবসের শুভেচ্ছা জানান। জেলাশাসক বলেন, বিদ্রোহের সময় যে অবদান আদিবাসীদের ছিল, আজকের সমাজেও তাদের অবদান ভোলার নয়।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা কে আদিবাসী প্রথায় বরন করা হচ্ছেতিনি আরও বলেন,আদিবাসী সমাজের সংস্কৃতি যত উদযাপন করতে পারি সেটা আমাদের পক্ষে মঙ্গল। তিনি আদিবাসীদের উদ্দেশ্যে জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য যা যা সুবিধা দেয় সেটা তাঁরা যেন ঠিক ঠিক সময় সরকারি দপ্তরে উপস্থিত হয়ে গ্রহণ করেন। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে উপস্থিত হয়ে তাঁদের জাতিগত সংসাপত্র গ্রহণ করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, জমির পাট্টা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে সরাসরি সরকারি দপ্তরে তাঁরা যেন যোগাযোগ করেন। সরকার আপনাদের পাশে আছে।কালনার-২ বৈদ্যপুর রথতলা সংলগ্ন বৈদ্যপুর রামকৃষ্ণ বিদ্যাপিঠ সংলগ্ন ময়দানের এই অনুষ্ঠানে মানুষের উপস্থিতির হার ছিল যথেষ্ট। এদিন নানারকম আদিবাসী সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধামসা, মাদল এর ছন্দে পা মেলান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু।

জুন ৩০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal