• ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Durga Puja,

রাজ্য

দুর্গাপুজোয় ৬০ হাজার! হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা

দুর্গাপুজোয় সরকারি অনুদানের সিদ্ধান্ত কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। প্রসঙ্গত ২২ আগস্ট সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের ৪৩ হাজার দুর্গাপুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। এবার সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের জনস্বার্থ মামলার আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করল কলকাতা হাই কোর্ট।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজেশ ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ পুজো কমিটিগুলিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান নিয়ে রাজ্যের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। মামলাকারী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কাউন্সিলের আইনজীবী পারমিতা দে। আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। হাই কোর্টের কাছে মামলার দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছে আবেদনকারী পক্ষের তরফে।প্রসঙ্গত, আগের দুবছর রাজ্যের পুজো কমিটিগুলিকে সরকারি তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, এককালীন ৬০ হাজার টাকা অনুদানের সাথে পুজো কমিটিগুলির বিদ্যুৎ বিলেও ৬০% ছাড় দেওয়া হবে। কোলকাতা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই ও রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন পর্ষদকে পুজো কমিটিগুলিকে বিদ্যুৎ বিলে ৬০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার অনুরোধও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যে বিজেপি-সহ বিরোধী দলগুলি মুখ্যমন্ত্রীর ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
কলকাতা

UNESCO: ইউনেসকোর হেরিটেজ তকমা পেল বাংলার শারোদৎসব

বাংলা ও সারা বিশ্বের বাঙালির জন্য গর্বের মুহূর্ত।বাংলার মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক।ইউনাইটেড নেশনস এডুকেশনাল, সায়েন্টেফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন-ইউনেসকোর হেরিটেজ তকমা পেল বাংলার দুর্গা পুজো।দীর্ঘদিন ধরে যে দাবি জানিয়ে আসছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইউনেসকোর ভারতীয় বিভাগের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে এক বার্তায় বলা হয়েছে,কলকাতার দুর্গাপুজোর মধ্যে আছে দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। যে কারণেই এটিকে ইউনেসকোর কালচালার হেরিটেজের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হল।ওয়াকিবহাল মহলের মতে বাংলার দুর্গাপুজোকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে মুখ্যমন্ত্রীর লড়াইয়ের ফসল এই স্বীকৃতি।🔴 BREAKINGDurga Puja in Kolkata has just been inscribed on the #IntangibleHeritage list.Congratulations #India 🇮🇳! 👏ℹ️https://t.co/gkiPLq3P0F #LivingHeritage pic.twitter.com/pdQdcf33kT UNESCO 🏛️ #Education #Sciences #Culture 🇺🇳😷 (@UNESCO) December 15, 2021Proud moment for Bengal!To every #Bengali across the world, Durga Puja is much more than a festival, it is an emotion that unites everyone.And now, #DurgaPuja has been added to the Representative List of Intangible Cultural Heritage of Humanity.We are all beaming with joy! Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 15, 2021দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ তালিকায় রাখার দাবি অনেকদিনের৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন সময়ে দুর্গাপুজোকে ইউনেসকোর হেরিটেজ তালিকায় রাখার দাবিতে সরব হয়েছেন।৷ অবশেষে দুর্গাপুজোর হেরিটেজ তকমা চেয়ে ইউনেসকোর কাছে আবেদন করে ভারত সরকার৷ জানা গিয়েছে, বিশ্বজুড়ে এমন বহু আবেদন ইউনেসকোর কাছে জমা পড়ে৷ সেই আবেদনগুলি খতিয়ে দেখতে ১৩ ডিসেম্বর প্যারিসে বিশেষ অধিবেশনে বসেন ইউনেস্কোর আধিকারিকরা৷ সেই সব আবেদন খতিয়ে দেখার পরই বাঙালির দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় ইউনেসকো৷ইউনেসকোর এমন ঘোষণার পর টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।A matter of great pride and joy for every Indian!Durga Puja highlights the best of our traditions and ethos. And, Kolkatas Durga Puja is an experience everyone must have. https://t.co/DdRBcTGGs9 Narendra Modi (@narendramodi) December 15, 2021অনন্য এই স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক মহলে কলকাতার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে কৌতূহল বাড়বে। পর্যটনেও নতুন গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।ইউনেসকোর ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্গা পুজাকে ধর্ম ও শিল্পের সর্বজনীন মিলন ক্ষেত্রের সর্বোত্তম উদাহরণ হিসাবে দেখা হয় এবং সহযোগী শিল্পী ও ডিজাইনারদের জন্য একটি সমৃদ্ধ ক্ষেত্র হিসাবে দেখা হয়। এই উৎসব শহুরে এলাকায় বড় আকারের পালিত হয় এবং মণ্ডপগুলির পাশাপাশি রয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাক এবং দেবীর পূজা। উৎসব চলাকালীন সব শ্রেণি, ধর্ম এবং জাতিগত বিভাজন ভেঙে দর্শকদের ভিড়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই গোটা প্রক্রিয়াই ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছে ইউনেসকোর দরবারে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sindur Khela : দশমীতে সিঁদুরখেলায় মাতলেন টলি তারকারা

আজ বিজয়া দশমী। দশমী মানেই বিষাদের সুর বাজতে শুরু করে। আবার এক বছরের অপেক্ষা। তবে আবার দশমী মানেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন মেয়েরা। যার মধ্যে আবার আলাদা একটা আনন্দ রয়েছে। লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠাতে বাদ জাননা টলি তারকারাও। এই বছর কোভিড বিধি মেনে সিঁদুর খেলায় মেতে উঠলেন নুসরত জাহান, শুভশ্রী, দেবলীনা কুমার, কোয়েল মল্লিক, ফালাক রশিদ রায়, রাইমা সেন সকলেই। সিঁদুরখেলায় না মাতলেও দেবীকে বরণ করলেন মিমি চক্রবর্তী। তবে সিঁদুরখেলায় যে বিবাহিতরাই মাতেন এমনটা নয়। সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন ঋতাভরী চক্রবর্তী ও সোহিনী সরকার। বিয়ের পর প্রথম সিঁদুর খেলায় দেবলীনা কুমারকে বেশ ভালো লাগছিল। সঙ্গে ছিলেন গৌরব। নিয়ম-রীতি মেনে মা-কে বরণ করে নিলেন অভিনেত্রী। দশমীর দিন লাল শাড়িতে ধরা দিলেন কোয়েল। মা দুর্গাকে সিঁদুরে রাঙিয়ে দিতে দেখা গেল কবীরের মা-কে, সেই সিঁদুর নিজের সিঁথিতেও ছুঁইয়ে নিলেন নিসপাল সিং ঘরনি।এদিন সকলের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। সঙ্গে হাসি মুখে জানান, আসছে বছর আবার হবে। অগ্নিদের চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির দুর্গাপুজো অনেকেই জানেন। তাদের বাড়ির ঠাকুর দেখতে অনেক টলি তারকা ভিড়। অগ্নিদেব ও সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় বিগত বছরগুলোর মত ধূমধাম করে না হলেও একসঙ্গে সিঁদুরখেলায় মেতে উঠলেন। সুদীপা চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিদেশ

Sheikh Hasina: বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার তদন্ত শুরু, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

পরশি বাংলাদেশে দুর্গামন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কুমিল্লার ঘটনার ব্যাপক তদন্ত হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী নামাতে হয়েছে। স্থানীয় সংবাদপত্রের সূত্র অনুযায়ী, হিংসার ঘটনা ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, একাধিক ব্যক্তি জখম হয়েছেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সব ধর্মের লোক বসবাস করে। যে যার ধর্ম সে পালন করবে। অর্থাৎ ধর্ম যার যার উৎসব সবার। একসঙ্গে সবাই মিলে উৎসবে সামিল হয়ে আনন্দ উপভোগ করে এই দেশে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু দুষ্টু চক্র কিছু ঘটনা ঘটিয়ে চেতনাটাকে নষ্ট করতে চায়। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কুমিল্লার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। অনেক তথ্য আমরা পাচ্ছি। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের খুঁজে বের করবই। এটা প্রযুক্তির যুগ। যে ব্যক্তিই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা অবশ্যই নেব। যখন একটা জিনিস সুন্দর ভাবে চলছে সেটাকে নষ্ট করা। দেশের উন্নয়নে বাধা দেওয়া ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। জনগনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারে না তারাই এই কাজ করে। সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের কথাও স্মরণ করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বলেছিলেন বাংলার মাটিতে সাম্প্রদায়িকতার স্থান নেই। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যারাই এখানে বসবাস করেন সবাই এদেশের নাগরিক। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা সম অধিকার ভোগ করবেন। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্ম পালন সকলেই করতে পারবেন তা সংবিধানে অধিকার দিয়ে গিয়েছেন তিনি।সংখ্যায় কম হলেই সংখ্যালঘু বেশি হলেই সংখ্যাগুরু। সাধারণত একথা সব দেশেই প্রচলিত আছে। এই ধারনাও ঠিক নয় বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের কখনও ক্ষুদ্র সম্প্রদায় ভাববেন না। এখানে আপনাদের জন্ম। আপনি স্বাধীন নাগরিক। সংখ্যালঘু সংখ্যাগুরু এসব কেউ ভাববেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২১
বিদেশ

bangladesh temple attack: বাংলাদেশে দুর্গাপুজো মন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে হামলা, মৃত তিন, সরব বিজেপি-তৃণমূল

বাংলাদেশে দুর্গাপুজো মন্ডপ ও হিন্দু মন্দিরে আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় দুষ্কৃতীরা প্রতিমাও ভেঙে দিয়েছে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঘটনার নিন্দা করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। এদিকে বাংলাদেশের সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ২২টি জেলায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সংবাদ সূত্রে খবর।কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মন্দিরে হামলার চেষ্টার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। বুধবার রাতের এই সংঘর্ষে আহত হয়েছে ১৫ পুলিশসহ অন্তত ২৫ জন। চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ তিনজন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার জানান, হাজীগঞ্জ বাজার ও এর আশপাশের এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, হাজীগঞ্জে দুই প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হচ্ছে।সংবাদপত্র সূত্রে খবর, বিভিন্ন ধর্মীয় ভাবাবেগকে রটিয়ে হিংসা ছড়ানো হচ্ছে। বুধবার রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজার থেকে শ্রীশ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়ার গেটে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য প্রথমে লাঠিপেটা করে। উত্তেজিত জনতা তখন পুলিশের ওপর হামলা করে। পুলিশ ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। হামলাকারীরা হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে ইসকন মন্দিরের গেটেও ইটপাটকেল ছোড়ে। সেখানে গিয়েও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বাড়তি পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। তারপর পরিস্থিতি শান্ত হয়। পুলিশও ঘটনায় জখম হয়েছে।কালের কণ্ঠ জানাচ্ছে, কুমিল্লায় একই ভাবে অভিযোগ ছড়ানার পর তিনটে পুজো মন্ডপে ভাঙচুর হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়। এই ঘটনায় কুমিল্লায় ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে জকিগঞ্জেও। কালের কণ্ঠের খবরে প্রকাশ, উত্তেজিত জনতা উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জকিগঞ্জ থানার ওসির গাড়ী ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আহমদ, একাধিক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০-৩৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালি এবং কক্সবাজারের পেকুয়াতে হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুরের খবর পাওয়া গিয়েছে।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের টুইট, বাংলাদেশে দুর্গাপুজোর উপর আঘাত ও অশান্তির গুরুতর অভিযোগ আসছে। এটা উদ্বেগের। অভিযোগের তদন্ত হোক। ঘটনাক্রম সত্যি হলে বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা নিক। ভারত সরকার অবিলম্বে কথা বলুন। আমরা ভারতে যেমন সংখ্যালঘু সুরক্ষার পক্ষে, তেমনই বাংলাদেশেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার সুনিশ্চিত চাই। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা নিয়ে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছে বিজেপি।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
বিবিধ

'Burj Khalifa: দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর 'বুর্জ খলিফা' নিয়ে বিষ্ফোরক তণমূল সাংসদ

শ্রীভূমির বুর্জ খলিফা নিয়ে দুর্গাপুজোর শুরু থেকেই হইচই চলছে কলকাতা জুড়ে। রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজোর আয়োজন নিয়ে সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে। মন্ডপে উপচে পড়ছে দর্শনার্থী। এবার সুজিত বসুর উদ্যোগ নিয়ে তোপ দাগলেন দলীয় সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়।বিশ্বের বৃহত্তম ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। এবার লেজার লাইট সহযোগে এই বুর্জ খলিফার আদলে মন্ডপ গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দমকলমন্ত্রীর ক্লাব শ্রীভূমি। প্রতিবছর কোনও না কোনও বিশেষ আকর্ষণ থাকে শ্রীভূমির। এবার বুর্জ খলিফা দেখতে লোকে-লোকারন্য। কলকাতা যেন ওই পুজো দেখতে ভেঙে পড়েছে। যদিও বুর্জ খলিফার লেসার লাইট নিয়ে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ আপত্তি তোলায় তা বন্ধ রাখতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুজিত বসুর দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুজিত এমনি খুব ভাল ছেলে। কিন্তু বিমানবন্দর এলাকা হওয়ায় আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। আইন অনুযায়ী লক্ষ্য রাখা হয়নি। কেন এত ক্রাউড ডাকব। ভিড় যাতে বেশি না হয় সেদিকে নজর রাখতে হতো। এমন একটা কাজ করা উচিত নয় যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ হাজির হয়ে গেল।কোভিড পরিস্থিতি এর ফলে বিগড়ে যেতে পারে বলেও ওই তৃণমূল সাংসদ মনে করছেন। তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্যটা এর ফলে ব্যহত হচ্ছে। খোলামেলা জায়গা চাই। যাতে ভাইরাসটা বেরিয়ে যেতে পারে। তুমি বদ্ধ জায়গায় বিপুল লোক জড় করে দিলে। এটা কোভিড নিয়ন্ত্রণের বিরোধী হয়ে যাচ্ছে। যদিও এবিষয়ে সুজিত বসুর কোনও মন্তব্য মেলেনি।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Agomoni : আগমনীতে দুর্গাপুজোর ছোঁয়া

Klikk এর নতুন প্রোজেক্ট। আগামী ১০ ই অক্টোবর Klikk এ প্রিমিয়ার হবে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী।অভীক একটি ২২ বছরের ছেলে। শহরের বাইরে থাকে। শুরুতেই দেখা যায় যে কিঞ্চিৎ বিষণ্ণ হয়ে অভীক কে তার বাবা ফোন করে জিজ্ঞেস করছেন যে সে এই বছর পুজোয় বাড়ি আসছে কিনা, কারণ এই বছর তাদের বাড়িতে পুজো হবেনা। অভীক বাড়ি আসে। তার দিদির সাথে কথোপকথনের পর আমরা বুঝতে পারি যে, কিছুদিন তাদের বাবা মায়ের সেপারেশন হয়েছে তাই এবারে পুজোটা হবেনা। অভীক এসেছে জানতে পেরে তার পুরোনো বান্ধবী রাই, তার সাথে কথা বলতে আসে। রাই এখন অভীকের প্রাক্তনী। ২ বছর আগেই ওদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তাদের কথার মধ্যে সেই মান অভিমান আমরা ফুটে উঠতে দেখতে পাই। রাই অভীক কে বলে যদি তারা সব বন্ধুরা মিলে পুজোটা করতে পারে। পরের দিন তারা বাবার কাছে পারমিশন নিতে গেলে বাবা কিছুটা ইতস্তত হলেও রাজি হয়ে যায়। পুজোর তোড়জোড় শুরু হয় বন্ধুদের। মহালয়ার দুদিন আগে অভীক দুঃখের সাথে রাই কে বলে - এবারের পুজোয় মা কে খুব মিস করবো!মহালয়ার দিন সকালে চক্ষুদান এর সময় অভীক দেখে, তার মা ফিরে এসেছে। আবেগে বিহ্বল হয়ে অভীক মা কে জড়িয়ে কেঁদে ফেলে। দেবী ও মাএর আগমনী হয়। মা অমলীন, চিরন্তন,শুধুমাত্র দৈনন্দিন আবেগ বা আরাধনায় আবদ্ধ নয়। বিরহ, বিচ্ছেদ, বিষাদ, সবের ঊর্ধ্বেমা। আসবেই আগমনী। এটি মা এর ফিরে আসার গল্প। মা বারবার ফিরে আসেন। এই ছবিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করবেন রোহন সেন,ঐশ্বর্য সেন,রানা বসু ঠাকুর,অমৃতা দে, হিন্দোলা চক্রবর্তী, অন্তরা স্বর্ণকার এবং বুলান ঘোষ। প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছে কিছুক্ষণ এন্টারটেইনমেন্টের অমৃতা দে। প্রযোজনার পাশাপাশি এখানে মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। শুধু তাই নয় টাইটেল ট্র্যাক ও তাঁর গাওয়া। সহ প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুরের JLT FILMS। পরিচালনায় চিত্রনাট্য, ডায়ালগ ও সম্পাদনা পুরোটাই সামলেছেন তরুণ পরিচালক রোহন সেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
নিবন্ধ

Saradarghya: শারদঅর্ঘ্য

উত্তাল তরঙ্গভঙ্গ হেলায় তুচ্ছ করে এগিয়ে চলেছে রঙবেরঙের এক ময়ূরপঙ্খী, তাতে সওয়ার ঢাক -ঢোল -সানাই নিয়ে এক দল গাইয়ে বাজিয়ে... মাথার ওপর উজ্জ্বল সূর্য... এক কোণে সেই পরিচিত দুলাইনের লোগো --- শারদঅর্ঘ্য!আটাত্তরের এইচ.এম.ভি.-র পুজোর গানের বইয়ের প্রচ্ছদ, যদ্দূর মনে পড়ে, ছিল এমনই। বিধ্বংসী বন্যায় সেবার রক্তাক্ত হয়েছিল সারা বাংলা; তবু তার মধ্যেও পূজো এসেছিল, মা এসেছিলেন অনিঃশেষ বৃষ্টিতে শ্যাওলা পড়ে যাওয়া গ্রামের আটচালায়.. লাশ ভাসার ছবি সরে গিয়ে খবরের কাগজের পাতায় শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল নৌকোয় রওনা দিয়েছে মাতৃপ্রতিমা... কলা-পেয়ারা -ভেজা মটর -পানিফলের সামান্য উপচার দিয়েই সাজানো হয়েছিল ফল প্রসাদের থালা... আর লতা মঙ্গেশকরকে দিয়ে সলিল চৌধুরী গাইয়েছিলেন আজ নয় গুণগুণ গুঞ্জন প্রেমের / চাঁদ ফুল জোছনার গান আর নয় / ওগো প্রিয় মোর খোলো বাহুডোর / পৃথিবী তোমারে যে চায়...সেই শারদঅর্ঘ্য! দেশ-আনন্দমেলা-কিশোরভারতী-শুকতারা-নবকল্লোলের পুজোবার্ষিকীর চাইতে তার আকর্ষণ কি ছিল কিছু কম? মোটা দামী কাগজে ঝকঝকে ছাপা তকতকে ছবি মোড়া গোটা পঞ্চাশ পাতার বইটি নিয়ে কাড়াকাড়ি করতাম মামাতো দিদিদের সঙ্গে (তারা সবাই ছিল কম বেশি গাইয়ে, কাজেই সে বইয়ের অধিক হকদার!) পুজোর কদিন আগে জলপাইগুড়ি থেকে এসে পড়তাম বর্ধমানে মামার বাড়ি। সবার প্রিয় সেজমামা ততদিনে দূর্গাপুর থেকে তার এইচ.এম.ভি ফিয়েস্টা রেকর্ডপ্লেয়ার আর নতুন কেনা এক গুচ্ছ এল.পি ও ই.পি রেকর্ড নিয়ে এসে পড়েছে--- তারপর সারাদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই সব হেমন্ত -কিশোর -মান্না - লতা - আশা - সন্ধ্যা - আরতি নিয়েই ওঠা বসা!শারদঅর্ঘ্য নেই আজ অনেক দিনপ্রতি পাতায় শিল্পীর সাদা কালো ছবি, রেকর্ডের নম্বর ও টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি,গীতিকার -সুরকার -যন্ত্রানুসঙ্গীর নাম, গানের সম্পূর্ণ কথা। আমার ছোটমামা লম্বা খাতায় গোটা গোটা অক্ষরে লিখে রাখত সেই সব গান-- দেখে দেখে আর শুনে শুনে মনে গেঁথে যেত আমাদেরও। দ্বিজেন - পিন্টু -শ্যামল - মানবেন্দ্র, প্রতিমা - জপমালা - সবিতা - বনশ্রী, পূর্ণদাস - নির্মলেন্দু - রুণা লায়লা - স্বপ্না চক্রবর্তী - মিন্টু দাশগুপ্ত ছাপার অক্ষর থেকে বেরিয়ে এসে আবিষ্ট করে রাখতেন।শারদঅর্ঘ্যের পাতায় পাতায় অন্য এক জগতের হাতছানি--- কৃষ্ণচূড়া শোন শোন শোন, সারা বেলা গেল খেলে খ্যাপা হাওয়াতে...কৃষ্ণচূড়া আগুন তুমি ফাগুন ভরা গানে... ..কৃষ্ণচুড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে ... কৃষ্ণচুড়ার বনে ছায়াঘন পথ --- সব রহস্য যেন চেনা হয়ে যেত, গানে গানে সব বন্ধন যেত টুটে। অদ্ভুত কান্ডও হতো মাঝে মধ্যে। আটাত্তরে লতা মঙ্গেশকর আজ তবে এইটুকু থাক গানে কেন না তাকাতে ভোর হয়ে যাবে না গেয়ে না গাবাতে ভোর হয়ে যাবে গেয়েছিলেন, তা আজো বুঝতে পারি নি, যেমন বুঝে উঠতে পারি নি সেই ভুল গানই এইচ .এম.ভি রেকর্ড হিসেবে প্রকাশ করে দিল কী করে!সাতাত্তরেই সম্ভবতঃ, শারদঅর্ঘ্যের পাতায় প্রথম দেখা দিয়েছিলেন অসামাব্য সুন্দরী এক তরুণী গায়িকা, অরুন্ধতী হোম চৌধুরী--- ইংরেজীতে লেখা হয়েছিল Holme। তাঁর একটি গান ছিল ও পদ্মকলি গো, কার ঢেউয়ে অঙ্গ তোমার দোলে। সে গানের কথার চাইতেও অবাক লেগেছিল এই Holme বানানে। সবাই ভেবেছিলাম নির্ঘাত বিলেত -প্রবাসিনী কেউ হবেন! অনেক পরে, উননব্বই সালে, মেডিক্যাল কলেজ ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সচিব থাকাকালীন কলেজ সোস্যালে গাওয়ার অনুরোধ জানাতে গিয়েছিলাম সল্ট লেকে অরুন্ধতী -শিবাজীর ফ্ল্যাটে। চমৎকার মানুষটির সঙ্গে কথাবার্তার সুবাদে জেনেছিলাম, বিলেত নয়, আদতে উনি শিলচরের মানুষ।শারদঅর্ঘ্য নেই আজ অনেক দিন। যশোর রোডে এইচ.এম.ভি.-র বন্ধ কারখানায় এখন প্রোমোটারের থাবা। সন্গীতালয়ের গা বেয়ে ওঠা অশ্বথ্ব -বট -যজ্ঞডুমুরের পাতা দুলিয়ে হাওয়া বয়ে আনে শুধুই সঙ্গীতপ্রেমীদের দীর্ঘশ্বাস। শারদঅর্ঘ্য বয়ে আনা সেজমামাও অকালে চলে গেছে ক বছর হলো।লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণু

অক্টোবর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : দুর্গাপুজোতে পরিচালক সৌভিক দে'র দুটো ভিন্নধারার প্রোজেক্ট

পুজোর মিউজিক ভিডিও জানি দেখা হবে ও স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি কোড 706 এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। দুটোই পরিচালনা করেছেন সৌভিক দে। জানি দেখা হবেতে অভিনয় করেছেন সৌভিক ব্যানার্জি ও মৌটুসী সর্দার। কোড 706 এ অভিনয়ে দেখা যাবে চাঁদনী সাহা ও অনিন্দ্য ব্যানার্জিকে।জানি দেখা হবে নিয়ে মৌটুসী জানালেন,পুজোর প্রেমের স্বাদ এই মিউজিক ভিডিওতে দেখা যাবে। পুজোর সময় কলকাতা যে আলাদা রূপ ধারণ করে, কলকাতার যে আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে সেটা ডিরেক্টর তুলে ধরেছে। আমি আর সৌভিক দা মিলে এটাকেই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।কোড 706 এ রয়েছেন চাঁদনী সাহা। দর্শকরা অনেক বাংলা ধারাবাহিকে চাঁদনী কে দেখেছেন। কোড 706 নিয়ে তিনি জানালেন,অনিন্দ্য দার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে মনেই হয়নি যে একটা কাজ করছি। প্রচণ্ড মজার একটা মানুষ। কিছু কিছু সিনে তো মনিটারও দেখতে হয়নি আমাকে। এরকম অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে পারাটা বড় প্রাপ্তি। আমি আমার দিক থেকে ১০০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করেছি।পরিচালক সৌভিক দে জানালেন,সবাই লকডাউনে ছিল। লকডাউনের পর সবাই একটু আনন্দ চায়। সেরকমই কিছু ভাবনা নিয়ে আমি দুটো কাজ করেছি। আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে।জানি দেখা হবে গতকাল মুক্তি পেয়েছে তাইচি প্রোডাকশনের ইউটিউব চ্যানেলে। কোড 706 মুক্তি পাবে পুজোতে। কিন্তু মুক্তির দিন এখনও ঠিক হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Sitabhog Mihidana : পুজোর আগে দুই দফায় বিদেশে পাড়ি দিল বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি মিহিদানা ও সীতাভোগ

বর্ধমানের দুটি প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানা। এখন এই দুই মিষ্টির কদর ও চাহিদা সমানভাবে বেড়েছে বিদেশের বাজারে। সেই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বড়দ্বীপ বাহরাইনে পাড়ি দিয়েছিল রাজ আমলের ঐতিহ্যবাহী বর্ধমানের শতাব্দী প্রাচীন মিষ্টি মিহিদানা। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর মহালয়ার আগের দিনের সকালে বর্ধমান সীতাভোগ এ্যন্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের উদ্যোগে সীতাভোগ পাড়ি দিল ভিন দেশে। বিদেশের বাজারে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টির চাহিদা বাড়ায় খুশি এখানকার মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।সীতাভোগ এ্যণ্ড মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েটসের সহ-সম্পাদক সৌমেন দাস এদিন বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ৩০টি প্যাকেটে মোট ১২ কেজি মিহিদানা বাইরাইনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানকার মানুষজন বর্ধমানের মিহিদানা খেয়ে খুবই তৃপ্তি পেয়েছেন। আর এদিন গাওয়া ঘি দিয়ে তৈরী জিআই ট্যাগযুক্ত মোট ১২ কেজি সীতাভোগ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার রাজ্য বাহরাইনের দ্বীপে আলজাজিরার একটি স্টোরে উদ্দেশ্যে পাড়ি দিল।বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানা জি আই স্বীকৃতি পাওয়ার পর ভারতীয় ডাক বিভাগ এই দুই মিষ্টিকে স্পেশাল কভারেজ দিয়েছে। সীতাভোগ ও মিহিদানকে মর্যাদা দিয়ে মাস দুয়েক ভারতীয় ডাক বিভাগ বাজারে ছাড়ে বিশেষ খাম। তারপর দেশজুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার কদর আরও বাড়ে। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও এই দুই মিষ্টির চাহিদা ও কদর উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে।সীতাভোগ ও মিহিদানার উৎপত্তি নিয়ে নানা কাহিনী প্রলিত আছে। কথিত আছে বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চন্দ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে এক বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন বাংলার বড়লাট লর্ড কার্জন বর্ধমানে আমন্ত্রিত ছিলেন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য এবং অনুষ্ঠানকে আরও উৎকর্ষপূর্ণ করার জন্য বর্ধমানের রাজা বিজয়চাঁদের নির্দেশে রাজ পরিবারের খাস মিষ্টি প্রস্তুত কারক ভৈরবচন্দ্র নাগ একদম নতুন দুটি মিষ্টি সীতাভোগ আর মিহিদানা তৈরি করেন। যার স্বাদ পেয়ে বেজায় খুশি হয়েছিলেন বড়লাট-সহ সকল অতিথিরা।সীতাভোগ তৈরির প্রধান উপাদান সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল। সীতাসের প্রজাতির গোবিন্দভোগ চাল থেকে প্রস্তুত হওয়ার কারণেই সীতাভোগের একটি নিজস্ব স্বাদ ও সুগন্ধ হয়। এই চাল গুঁড়ো করে তাতে ১:৪ অনুপাতে ছানা মিশিয়ে পরিমাণমত দুধ দিয়ে মাখা হয়। তারপর একটি বাসমতী চালের আকৃতির মত ছিদ্রযুক্ত পিতলের পাত্র থেকে ওই মিশ্রণকে গরম চিনির রসে ফেলা হয়। এর ফলে সীতাভোগ বাসমতীর চালের ভাতের মত দেখতে লম্বা সরু সরু দানাযুক্ত হয়। এর সঙ্গে ছোট ছোট গোলাপজাম এবং কখনও কখনও কাজুবাদাম ও কিশমিশ মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়। তবে সীতাভোগ নামটি নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে পণ্ডিতমহলে। সুকুমার সেনের মতে, বানানটি হওয়া উচিত সিতাভোগ, সিতা অর্থে সাদা। আবার সিতা-র মানে মিছরিও হয়, তাই সাদা রঙের মিছরির মতন যে মিষ্টি বর্ধমান রাজবাড়ির হালুইকররা বানালেন, তার নাম হয়ে গেল সিতাভোগ।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
রাজ্য

Corona: পুজোর মুখে বাংলায় ফের বাড়বাড়ন্ত করোনার

পুজোর মুখে ফের আতঙ্ক বাড়াচ্ছে রাজ্যে কোভিডের সংক্রমণ। পর পর চারদিন সাতশোর উপরে একদিনের সংক্রমণ রয়েছে। একই সঙ্গে মৃত্যুও দুই সংখ্যার নিচে নামেনি। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৭০৮ জন। মৃত ১৩। এদিকে, পুজোয় সংক্রমণের রাশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে জমায়েত এড়াতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এ বছরও গতবারের মতো পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি। এবারও পুজো মণ্ডপে প্রবেশ করা যাবে না। করোনার সংক্রমণে পুজো মণ্ডপগুলিতে যাতে কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যবিধি অমান্য না করা হয়, সেই দাবিতেই আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল।গত ২৪ ঘণ্টায় একদিনে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। এখানে সংক্রমিত হয়েছে ১৪৬ জন। মৃত্যু হয়েছে চারজনের। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার নাম। এখানে একদিনে সংক্রমিত ১১৬ জন। মৃতের সংখ্যা এখানেও চার। একদিনের সংক্রমণে তৃতীয় স্থানে হুগলি। এখানে গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত হয়েছেন ৬৯ জন। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়ার নাম। পুজোর মুখে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে একটা আতঙ্ক রয়েই গিয়েছে। টিকাকরণ হলে বড় বিপদের ঝুঁকি কম ঠিকই। কিন্তু সংক্রমণ হবে না, এমন কথা কোনও বিশেষজ্ঞই দেননি। ফলে শিশু কিংবা যাঁদের বয়সটা অনেক বেশি বা কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাঁদের কাছে নতুন করে উদ্বেগ বাড়ার কথা।গত চারদিনে সাতশোর নিচে নামেনি সংক্রমণ। নিঃসন্দেহে যা উদ্বেগের বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে এ রাজ্যে সংক্রমিত হয়েছিলেন ৭০৮ জন। মৃত্যু হয়েছিল ১৩ জনের। পরদিন অর্থাৎ ২৯ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৭৪৮-এ। মৃত্যু হয় ১৪ জনের। ৩০ সেপ্টেম্বর একদিনে করোনা আক্রান্ত হন ৭৪৯ জন। মৃত্যু হয় ১৫ জনের।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Durga Puja : মন্ডপে মন্ডপে মাইকে বাজবে গান,ফিরছে নতুন পুজোর গান

আবার পুজো মন্ডপে বাজবে পুজোর নতুন গান। সেই ফেলে আসা হেমন্ত- মান্না- শ্যামল- কিশোর যুগ পেরিয়ে অমিত-শানু-নচিকেতা-অঞ্জন-শান-বাবুল হয়ে এখন পুজোয় নতুন গান প্রকাশ পেলেও পুজো মন্ডপে সে গান আর বাজতে শোনা যায়না। চারিদিকে থিমের পুজো, তাই থিম হিসেবেই সুরে, সুরে আবহ নির্মান করা হয়।নতুন বাংলা গান সেখানে অচল। রেডিওতেও তেমন চল নেই নতুন বাংলা আধুনিক গান বাজানোর। তাই শিল্পী গান করেন নিজের গরজেই।শোনার তেমন সুযোগ নেই,মাধ্যম নেই। এবার ড্যাফোডিল ইনকর্পোরেট নিয়ে আসছে বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী মনোময় ভট্টাচার্য এবং ঝুমকি সেনের পুজোর নতুন গান যা আবার শোনা যাবে শহরের কুড়িটা বড় দুর্গা পুজোয়।এবার পুজোর নতুন গান বাজবে বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে যেমন নলিন সরকার সার্বজনীন, নবীন সংঘ,হাতিবাগান সার্বজনীন, নর্থ ত্রিধারা, যাদবপুর শ্যামাপল্লী এই রকম প্রায় কুড়িটি মণ্ডপে বাজবে এই নতুন গান। বাংলা গানের স্বর্ণযুগ না ফিরলেও এই উদ্যোগ স্মৃতিমেদুর করে তোলে বলা বাহুল্য।শিল্পী ঝুমকি সেন বললেন, খুব ভালো লাগছে আবার নতুন বাংলা আধুনিক গান পুজো মন্ডপে বাজবে শুনে।থিমের পুজোর চক্করে সব হারিয়ে যাচ্ছিল।মনোময় ভট্টাচার্য বললেন,মাইকে দূর থেকে গান ভেসে আসতো।সত্যি সেই দিন গুলো খুব মিস করি। পাড়ায়,পাড়ায় পুজোর জলসা,বিজয়া সম্মিলনী। সব মিলিয়ে সেই দিন গুলো পুজোর আবহকে আরো জীবন্ত করে তোলে।ভালো লাগছে জেনে আবার মাইকে বাংলা নতুন আধুনিক গান শুনতে পাওয়া যাবে।কল্যাণ সেন বরাট জানালেন, আমিও বাকিদের মতোই খবরটা পেয়ে বেশ খুশি। মানুষ নতুন বাংলা গান শুনুক এটাই একমাত্র কামনা।এই শিল্পকে বাঁচাতে গেলে আমাদেরই উদ্যোগী হতে হব। সেক্ষেত্রে ড্যাফোডিলের রূদ্র সেনের এই পরিকল্পনা এবং উদ্যোগ সাধুবাদ প্রাপ্য।পুজোয় নতুন যে গান দুটো প্রকাশ পেল- তুমি কিছু স্বপ্ন দেখো ( ঝুমকী সেন ),চঞ্চলো হলো মন ( মনোময় ভট্টাচার্য ও ঝুমকী সেন )। দুটো গান লিখেছেন শুভ দাশগুপ্ত ও সংগীত পরিচালনা করেছেন কল্যাণ সেন বরাট। গান দুটি ডিজিটালি মুক্তি পেল।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bhowanipore 75 Pally : ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর খুঁটিপুজো

দুর্গাপুজোর আগমনীর বাঁশি বাজতে শুরু করেছে। তবে করোনার মধ্যে যেহেতু আমরা পুজো উপভোগ করবো তাই সেই জৌলুসটা কিছুটা ফিকে হয়ে গেছে। তবে তার মধ্যেও বিভিন্ন ক্লাব তাদের খুঁটিপুজোর কাজ সেরে ফেলছে। সেরকমই খুটিপুজো হয়ে গেল ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর। এদিন উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সমাজকর্মী কার্তিক ব্যানার্জি সহ আরও অনেকে। এবারের ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর পুজো ৫৭ তম বর্ষে পদার্পণ করছে।আরও পড়ুনঃ ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ রণিতারক্লাবের সেক্রেটারি সুবীর দাস জানালেন,বিগত বছরগুলোতে বড় সাফল্য পাওয়া এবং অনেক অ্যাওয়ার্ড জিতলেও এইবছর সম্পূর্ণ আলাদা। করোনার মধ্যে এবারের পুজোটা হচ্ছে। তাই অনেক কিছু মাথায় রাখতে হচ্ছে। তবে আমি আশাবাদী এবারের পুজোর সময় করোনার প্রকোপটা কিছুটা হলেও কম থাকবে। সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন পরিবারের সকলকে নিয়ে আমাদের এবারের পুজো দেখতে আসেন।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল খেলা শুরু জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালকদুর্গাপুজো ছাড়াও এই ক্লাব প্রতি বছর বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে। যার মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, চক্ষুদান ও দেহদান শিবির, দুঃস্থ মহিলাদের নতুন শাড়ি ও পোশাক দেওয়া, বাচ্চাদের হাতে পড়াশোনার কিছু সামগ্রী তুলে দেওয়া ইত্যাদি। এছাড়া শীতকালে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচাতে অনেক দুঃস্থদের নতুন চাদরও দেওয়া হয়। এবারেও এরকম কিছু ভাবনা রয়েছে তাদের।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khuti Puja: সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্কের দুর্গাপুজো এবার ৭২ তম বর্ষে, হয়ে গেল খুঁটিপুজো

বাইরে বৃষ্টি পড়ছিল। সেই বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক সার্বজনীন দুর্গোৎসবের খুটিপুজো হয়ে গেল। সমগ্র পরিকল্পনা ও রুপায়ণে অসীম পাল ও দেবজিত চক্রবর্তী। এবারের পুজো ৭২ তম বর্ষে পদার্পণ করল। উপস্থিত ছিলেন এলাকার কিছু মানুষ।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারসন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক সার্বজনীন দুর্গোৎসবের সহ-সম্পাদক সৌভিক ভট্টাচার্য তাদের এবারের পুজো প্রসঙ্গে জানালেন,আজকে আমরা খুঁটিপুজোর মাধ্যমে ৭২ তম বর্ষে একধাপ এগিয়ে গেলাম। এবছর আমাদের ভাবনা ও চিন্তাধারা সবকিছুই থাকবে স্বল্পব্যয়ে যাতে খুব সুন্দর এক শিল্প দর্শকদের জন্য তুলে ধরতে পারি। বিগত বছরের মতো এবারেও করোনার প্রকোপ। তাছাড়া ইয়াসের প্রকোপ তো বটেই।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিসবমিলিয়ে ২০২০র পর থেকে আমরা ঠিক সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারিনি। তো সেইসব দিক চিন্তাভাবনা করেই আমরা যাতে স্বল্পব্যায়ে ভালো একটা কাজ উপস্থাপন করতে পারি সেই চিন্তাতেই এগোচ্ছি। এর সঙ্গে তিনি আরও জানান,আমাদের পুজোর সময় চিন্তা-ভাবনা রয়েছে দুঃস্থ ব্যক্তিদের বস্ত্র বিতরণ করা এবং সামনেই আগস্ট মাসে একটা রক্তদান উতসবেরও পরিকল্পনা রয়েছে। আপনারা সকলেই পাশে থাকবেন। সাথে থাকবেন। আপনাদের শুভ হোক।

জুলাই ২৫, ২০২১
উৎসব

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে মা দুর্গাকে গান স্যালুট দিয়ে বিদায়

কুলটির বেলরুই গ্রামের রায় পরিবারে তিনশ বছরের অধিক সময় ধরে মায়ের আরাধনা হয়ে আসছে ৷ এই পুজোর বিশেষত্ব হল , গান স্যালুট দিয়ে দশমীতে মাকে বিদায় জানানো হয়৷ বিজয়া দশমীর দিন সিঁদুর খেলা শেষে মায়ের ঘট বিসর্জন সেরে গান স্যালুটে দেবীকে বিদায় জানায় রায় পরিবারের সদস্যরা ৷ যেখানে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের সাথে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। আরও পড়ুনঃ আজ দশমী , আড়ম্বরহীনভাবেই চলছে বিসর্জনের প্রস্তুতি এই বিষয়ে রায় পরিবারের তরফ থেকে বাচ্চু রায় জানিয়েছেন, ক্ষত্রিয় পরিবার হিসাবে তাদের পুজোর এই রীতি বংশ পরম্পরায় চলে আসছে ৷ একইসঙ্গে পরিবারের মহিলাদেরও ছোট থেকে আত্মরক্ষার স্বার্থে বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ৷ তাই তারাও দেবীকে বিদায় জানাতে এই রীতিতে অংশগ্রহণ করেন ৷ এদিন কুলটির বেলরুই গ্রামে রায় পরিবারের দেবীকে বিদায় জানানোর সময় গান স্যালুটের অনুষ্ঠান দেখতে সাধারণ মানুষ ভিড় করে।

অক্টোবর ২৬, ২০২০
উৎসব

ফুল ছাড়াই বহু মণ্ডপে অঞ্জলি বাঙালির

করোনা সংক্রমণের কারণে ব্যতিক্রমীই হয়ে থাকল এবছরের অষ্টমী। শহরের বড় পুজো গুলি এবার ফুল ছাড়াই, শুধুমাত্র মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে অঞ্জলির ব্যবস্থা করেছিল। বাড়িতে বসে টিভিতে দেখে, বা পুজো মণ্ডপগুলিতে বসানো জায়ান্ট স্ক্রিনে অঞ্জলিপর্ব দেখে মনে মনে এদিন দূর থেকে বা বাড়িতে বসেই মাকে অঞ্জলি দিয়েছেন অধিকাংশ বাঙালি। তবে বিভিন্ন পাড়ার কিছু কিছু ছোট পুজোতে এবার ১৫-২০ জন করে ছোট ছোট দলে ভাগে করে, কয়েকদফায় অঞ্জলি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মাস্ক পরে, স্যানিটাইজার হাতে সেখানেই লাইন দিয়ে অঞ্জলি দিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষকে। অনেক পুজো মণ্ডপেই দেখা যায়, বাড়ি থেকে যে যার মতো করে ফুল নিয়ে গিয়ে তা নিবেদন করছেন দেবী উদ্দেশে। অন্যান্যবারের মতো পুজো উদ্যোক্তারা এবার আর ফুল বিতরণ করেননি। আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠীর সকাল থেকে নিম্নচাপের জের , শুরু বৃষ্টি অন্যদিকে, দর্শক শূন্য বেলুড় মঠে মন্দিরের পশ্চিম দিকের বারান্দায় কুমারী পুজো অনুষ্ঠি্ত হয় । এবার কুমারী পুজোতেও রয়েছে একাধিক বিধি নিষেধ। প্রতিবার কুমারীকে সন্নাসীরাই কোলে করে নিয়ে এসে মা দুর্গার মূর্তির পদতলে বসানো হয়, কিন্তু এবার কুমারীকে স্পর্শ করবে না কোনও সন্নাসী মহারাজরা। কুমারীর পরিবারের লোকেরাই নিয়ে এসেছেন কুমারীকে।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
কলকাতা

পুরোহিতদের জন্য বড়ো ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, পুজো নিয়েও দিলেন স্পষ্ট ইঙ্গিত

সনাতনী ধর্মের তীর্থস্থান হবে কোলাঘাটে। এ জন্য ১ টাকায় জমি দিয়েছে রাজ্য সরকার। আমার কাছে সনাতনী হিন্দুধর্মের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন, কথা বলেছি। তাঁরা বলেছেন, সনাতন ধর্মের অনেক ব্রাহ্মণ পুরোহিত আর্থিক দুরবস্থায় রয়েছেন। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তত ৮ হাজার দরিদ্র পুরোহিতকে পুজোর মাস থেকে ১ হাজার টাকা সাম্মানিক দেওয়া হবে। বাড়ি যাঁদের নেই, তাঁদের আবাস যোজনায় বাড়ি করে দেওয়া হবে। এটাকে কেউ অন্যভাবে দেখবেন না। ওয়াকফ বোর্ড তাঁদের তহবিল থেকে ইমাম-মোয়াজ্জেনদের ভাতা দেয়। আমার কাছে সব ধর্ম সমান। কারও কোনও প্রয়োজন থাকলে সরকার পাশে থাকবে। সব ধর্মের মানুষজনকেই সাহায্য করতে প্রস্তুত সরকার। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, কালীঘাটে স্কাইওয়াক হচ্ছে। নবদ্বীপ, কোচবিহারকে হেরিটেজ টাউন গড়ার কাজ চলছে। নবদ্বীপে সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২৫ সেপ্টেম্বর পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক হবে। ইতিমধ্যেই পুজো নিয়ে গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি বোর্ডের প্রস্তাব জমা পড়েছে। ঠাকুরের জায়গাটুকু ঘুরে প্যান্ডেল খোলা রাখতে বলা হয়েছে, যাতে হাওয়া চলাচল করে। প্যান্ডেলে কীভাবে, কত মানুষ ঢুকবেন, কীভাবে অঞ্জলি হবে তা পরে ঠিক করা হবে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম না নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ বলছেন করোনা চলে গেছে, মিটিং মিছিল করব। এরা কোনও নিয়ম মানছে না! ছাই থেকেও আগুন জ্বলে উঠে সব শেষ করে দেয়। করোনা সংক্মণেরর দ্বিতীয় ঢেউ এলে যাতে সামলানো যায় সেজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। হিন্দি দিবসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২০১১ সালে রাজ্য সরকার হিন্দি আকাদেমি গঠন করেছিল। এখন তার কাজ ব্যাপকভাবে করতে হবে। তাই বিবেক গুপ্তার নেতৃত্বে হিন্দি আকাদেমি পুনর্গঠন করা হলো। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, কিন্তু আমরা কোনও ভাষাকেই অবজ্ঞা করি না। দলিত সাহিত্য আকাদেমি গঠনের কথাও এদিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুজোর আগেই বাঙালির রসনাতৃপ্তি, হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে বাংলাদেশের ইলিশ

অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। পুজো উপলক্ষে হাওড়ার পাইকারি মাছ বাজারে এলো বাংলাদেশের ইলিশ। বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা দরে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সেই ইলিশ মাছ কিনতে ভিড় খুচরো ব্যাবসায়ীদের। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর মোট ২০ মেট্রিক টন মাছ এসেছে বাজারে। রাজ্যের ইলিশ আমদানিকারী সংস্থা ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মুকসুদ বলেন, পুজোর আগে পদ্মার ইলিশ ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় এসেছে। এই ভালো লাগার আনন্দের কোনও সীমা নেই। কারণ সকলেই জানি যে, এপার বাংলার মানুষ ওপারের পদ্মার ইলিশের জন্য কতটা উদগ্রীব। আমরা গত ২০১২ সাল থেকে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছি যাতে বাংলাদেশ রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু যাই হোক গত বছর পুজো উপলক্ষে তাঁরা আমাদের ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ দিয়েছিলেন। আর এই বছর ওনারা পুজো উপলক্ষে আমাদের ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ দিচ্ছেন। এটা অনেক বড়ো আনন্দের।মানুষ যে ইলিশ মাছ কিনতে কতটা পাগল সেটা আজকে বাজারে মানুষের ভিড় ও উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আমরা আশা করছি হয়তো বাংলাদেশ সরকার বাঙালির এই উৎসাহ দেখে ভবিষ্যতে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে দেবে। সোমবার ২০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ এসেছে। আজকে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। এরপর যে রকম আমদানি হবে মাছ আসতে থাকবে। প্রায় ১৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ আসবে। বিভিন্ন সাইজের ইলিশের বিভিন্ন দাম রয়েছে। ৫০০ গ্রাম থেকে ১২০০ গ্রাম পর্যন্ত সাইজের ইলিশ আছে। মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০০-১৩০০ টাকা পর্যন্ত। অকশন হচ্ছে। এর কোনও ফিক্সড রেট নেই। যা আসবে এই বাজারে সামনেই বিক্রি হবে। আমরা সফল যে আমাদের রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার, বাংলাদেশ সরকার সবাই এগিয়ে এসেছেন। আমাদের চেষ্টা সার্থক হলো। উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুটি ট্রাকে সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে ঢুকেছে পদ্মার ইলিশ। আজ মঙ্গলবার থেকেই বাজারে সেই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। হাওড়ার বাজারে ইলিশ কিনতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা। একটি ইলিশ মাছ কিনে খুশি বীণা মন্ডল বলেন, এমন ভালো ইলিশ মাছ কিনে খুব আনন্দ হয়েছে। প্রত্যেক বছর যেন এমন মাছ পাই। বাঙালি ইলিশ মাছ খেতে খুব ভালোবাসে। পুজোর আগে ইলিশ পেলাম সেটাই বেশি আনন্দের।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal