• ৬ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Died

বিদেশ

ইজরায়েলের তীর্থস্থানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৪৪

ইজরায়েলে ইহুদি সম্প্রদায়ের এক তীর্থস্থানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৪৪ জন পুণ্যার্থীর। আহত হয়েছেন অন্তত শতাধিক মানুষ। শুক্রবারের এই ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমেছে।প্রতিবছর উত্তর ইজরায়েলের মেরন পর্বতের পাদদেশে লাগ বাওমের নামের এক ধর্মীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই রয়েছে ইহুদি সন্ত শিমন বার ইওচাইয়ের সমাধি। এবছরও ওই পবিত্র স্থানে প্রার্থনার জন্য জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। আগুন জ্বালানো, প্রার্থনা করা এবং নাচগানের মাধ্যমে এই ধর্মীয় উৎসবটি পালন করে রক্ষণশীল ইহুদিরা। বিবিসি সূত্রে খবর, উৎসবে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন মানুষ পা পিছলে পড়ে যাবার পরই এই ঘটনা ঘটে। একজন আরেকজনের ওপর এসে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাস্থানেই ৩৮ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে আরও কয়েকজন মারা যান। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে বড় বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে তিনি বলেন, এটা বড়সড় বিপর্যয়। আহতদের সুস্থতার জন্য আমি প্রার্থনা করছি।উল্লেখ্য, করোনা মহামারির কথা মাথায় রেখে বড়ো জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইজরায়েল। তবে লাগ বাওমের উৎসবে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষকে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয় নেতানিয়াহু প্রশাসন। কিন্তু অভিযোগ, গোটা দেশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ উৎসবে অংশ নিতে আসেন। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেখানে মোতায়েন ছিলেন অন্তত ৫ হাজার নিরাপত্তারক্ষী। বলে রাখা ভাল, প্রায় ১ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেককেই টিকার সম্পূর্ণ ডোজ দিয়েছে ইজরায়েল। বাকিদেরও দ্রুত টিকাকরণ করা হবে। ফলে দেশটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অনেকটাই সাফল্য পেয়েছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত নরেন্দ্র মোদির কাকিমা

এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিবারে করোনার থাবা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হলেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। করোনা আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধেয় তাঁর মৃত্যু হয়। গুজরাতের আমদাবাদের নিউ রনিপ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন প্রধানমন্ত্রীর কাকিমা। নাম নর্মদাবেন (৮০)। দিন কয়েক আগে কোভিড আক্রান্ত হন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হল তাঁর। তাঁর প্রয়াণের জেরে শোকস্তব্ধ গোটা পরিবার।প্রধানমন্ত্রীর ছোট ভাই প্রহ্লাদ মোদি জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর কাকিমা নর্মদাবেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ১০ দিন আগে তাঁকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই আজ তাঁর মৃত্যু হল।যদিও পরিবারের সদস্যের মৃত্যু নিয়ে এখনও প্রধানমন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
কলকাতা

করোনা প্রাণ কাড়ল খড়দহের তৃণমূল প্রার্থীর

রাজনৈতিক মহলে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে করোনার থাবা। এবার করোনায় মৃত্যু হল খড়দহের তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহার। রবিবার সকালে বেলেঘাটা আইডি-তে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ষষ্ঠদফা ভোটের আগের দিন সকালে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে বেলেঘাটার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিন সকালে পৌনে দশটায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

ফের অক্সিজেনের অভাবে দিল্লির হাসপাতালে ২০ কোভিড রোগীর মৃত্যু

অক্সিজেনের অভাবে ফের মৃত্যুর ঘটনা দিল্লিতে। জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালে শুক্রবার রাতে ২০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে অক্সিজেনের অভাবে। ওই হাসপাতালের শীর্ষস্তরের এক আধিকারিক শনিবার এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন। অক্সিজেনের অভাব দিল্লিতে কী ভয়ঙ্কর অবস্থা তৈরি করেছে, তা ফের সামনে আনল এই ঘটনা।জয়পুর মেডিক্যাল হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডিকে বালুজা বলেছেন, সরকারের তরফে আমাদের হাসপাতালের জন্য ৩.৫ মেট্রিক টন অক্সিজেন বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই অক্সিজেন শুক্রবার বিকাল ৫টার মধ্যে আসার কথা ছিল। কিন্তু তা এসে পৌঁছয় মধ্যরাতে। ততক্ষণে ২০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ওই হাসপাতালে অন্তত ২২৫ জন কোভিড রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক। তাঁদের সব সময়ের জন্য অক্সিজেন দরকার বলেও জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। যদিও ওই সব রোগীকে পর্যাপ্ত সরবরাহ করার মতো অক্সিজেন মজুত নেই বলে জানান তিনি।এর আগে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল। দিল্লির অধিকাংশ হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাব প্রকট। শনিবার সকালে মূলচাঁদ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং দিল্লির উপ রাজ্যপাল অনিল বৈজলের উদ্দেশে। সেই জরুরি বার্তার বিষয় অক্সিজেনের অভাব। সেখানে লেখা হয়েছে, জরুরি সাহায্য দরকার। যা অক্সিজেন মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ২ ঘণ্টাও চলবে না। অথচ ১৩৫ জন রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
দেশ

নিঃশেষ অক্সিজেন, হাহাকার দিল্লির হাসপাতালে !

যত তীব্র হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, তত বেশি করে হাহাকার বাড়ছে অক্সিজেনের । বুধবারই দিল্লি হাই কোর্ট সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, ভিক্ষে করেই হোক কিংবা চুরি-ধার, যেমন করেই হোক অক্সিজেন জোগাতে হবে। ছবিটা যে কতটা ভয়াবহ তা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে দিল্লির মাতা চনন দেবী হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে। দুশোর বেশি কোভিড রোগী ভর্তি রয়েছেন সেখানে। কিন্তু অক্সিজেন অপ্রতুল। স্বাভাবিকভাবেই রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। খারাপ অবস্থা রাজধানীর বহু ছোট হাসপাতালেরও। সেখানেই জোগান নেই অক্সিজেনের।গোটা দেশেই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী দিল্লি-সহ বিভিন্ন রাজ্যে অক্সিজেনের অভাব ঘিরে ক্রমেই বাড়ছে অস্বস্তি। এর মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা দিল্লির। অভিযোগ, দিল্লির জন্য বরাদ্দ অক্সিজেন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অন্য রাজ্যে। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার সকালে অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছে মাতা চনন দেবী হাসপাতালে। রাত থেকেই অক্সিজেনের জোগানের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই ডোজ অক্সিজেন এসে পৌঁছলেও পরিস্থিতি এখনও গুরুতর।একই রকম অভিযোগ রয়েছে অন্য হাসপাতালগুলিরও। এমনকী, ৫০ শয্যার ছোট হাসপাতালগুলিতেও অক্সিজেন ফুরিয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে বাওয়ানা নামের একটি জায়গায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হলেও তা পূর্ব দিল্লি থেকে বেশ দূরে। ফলে সেখানে পৌঁছনোও একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গতকালই দিল্লি হাইকোর্ট সরকারকে মনে করিয়ে দেয়, গুরুতর অসুস্থ নাগরিকদের জীবনরক্ষা করা কেন্দ্রে দায়িত্ব। বিশেষ করিডর করে হোক কিংবা বিমানের মাধ্যমেই হোক, যাঁদের অক্সিজেন প্রয়োজন তাঁদের কাছে তা পৌঁছে দিতেই হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২১
কলকাতা

স্তব্ধ হল কবিতার মুহূর্ত, প্রয়াত কবি শঙ্খ ঘোষ

স্তব্ধ হল কবিতার মুহূর্ত। চলে গেলেন কিংবদন্তি বর্ষীয়ান কবি শঙ্খ ঘোষ। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। কোনও অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা যেত না। শারীরিক অসুস্থতার কারণে একপ্রকার গৃহবন্দিই ছিলেন। বাইরে কোথাও বেরোতেন না। ঘরের মধ্যেও চলাফেরা কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যেই করোনা আক্রান্ত হন ৮৯ বছর বয়সি কবি। গায়ে জ্বর থাকায়, পরীক্ষা করানো হয়েছিল। ১৪ এপ্রিল বিকেলে রিপোর্ট এলে জানা যায়, করোনা থাবা বসিয়েছে তাঁর শরীরে। মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালালেও শেষরক্ষা হল না। শক্তি-সুনীল-শঙ্খ-উৎপল-বিনয়, জীবনানন্দ পরবর্তী বাংলা কবিতার এই পঞ্চপাণ্ডবের বাকি চার জন চলে গিয়েছিলেন আগেই। বুধবার চলে গেলেন শঙ্খ ঘোষও।শুধুমাত্র কবি নন। বাংলা সাহিত্য জগতের স্তম্ভ ছিলেন শঙ্খ ঘোষ। তাঁর সাহচর্যে বহু নবীন লেখক, সাহিত্যিক, কবিরা সৃষ্টির প্রেরণা পেয়েছেন। আসল নাম ছিল চিত্তপ্রিয় ঘোষ। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন। কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ, সিটি কলেজ এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। তার পাশাপাশি বাংলা ভাষা নিয়ে চর্চাও করে গিয়েছেন।দিনগুলি রাতগুলি, বাবরের প্রার্থনা, মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে থেকে গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ, কবির অভিপ্রায় তাঁর সৃষ্টি বাংলা সাহিত্য জগতে চিরকালীন সম্পদ হয়ে থেকে যাবে। সাহিত্য অ্যাকাডেমি, পদ্মভূষণের মতো সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে তাঁকে। কবিতার খোঁজ যাঁরা বিশেষ রাখেন না, তাঁদের কাছেও তিনি ছিলেন পরিচিত। হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয় / সারা জীবন বইতে পারা সহজ নয় / এ কথা খুব সহজ, কিন্তু কে না জানে / সহজ কথা ঠিক ততটা সহজ নয় প্রবাদ হয়েই থেকে যাবে শঙ্খ ঘোষের লেখা এই পংক্তিগুলি।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে নতুন সংক্রমণ ১০ হাজার ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বেড়ে ৪৬

রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ একধাক্কায় ১০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গেল। যা এখনও পর্যন্ত ১ দিনে আক্রান্তের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যার মতোই মোট সংক্রমণের হারও সর্বোচ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৮৫ শতাংশে।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা রাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৮১৯ জন। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন করে ২ হাজার ২৩৪ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে পিছিয়ে নেই উত্তর ২৪ পরগনাও। ওই জেলায় নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৯০২ জন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ১৭২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।রাজ্য জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি কোভিড রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যাও উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ জন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৫ এবং কলকাতায় ১৩ জন মারা গিয়েছেন। মালদহে ৪, পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, এবং হুগলিতে ২ জন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, দার্জিলিং, কালিম্পিং, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ১ জন করে মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০ হাজার ৬৫২ জন কোভিড রোগী মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।আক্রান্তের সংখ্যায় নজির গড়লেও রাজ্য সরকারের তরফে গত ২৪ ঘণ্টায় টিকাকরণ অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে রাজ্যের ২ লক্ষ ১২ হাজার ৫৭০ জন বাসিন্দাকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। তবে তা সত্ত্বেও দৈনিক সংক্রমণের হার বা পজিটিভিটি রেট পৌঁছেছে ১৯.৬২ শতাংশে। প্রসঙ্গত, প্রতি দিন যে সংখ্যক কোভিড টেস্ট করা হয়, তার মধ্যে যত শতাংশের রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাকেই পজিটিভিটি রেট বা সংক্রমণের হার বলা হয়।দৈনিক টিকাকরণের মতোই কোভিড টেস্টের সংখ্যাও রবিবারের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫০ হাজার ৪৪টি কোভিট টেস্ট হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৯৯ লক্ষ ৩২২টি টেস্ট হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চান বিহারের কোভিড হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্ট

দেশে প্রথমবার করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা আড়াই লক্ষের গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। বাড়ছে উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই কোভিড হাসপাতালে বেডের সংখ্যার অপ্রতুলতা কিংবা অক্সিজেনের অভাবের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বিহারের প্রথম কোভিড হাসপাতাল নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তীব্র অক্সিজেনের অভাব দেখা দেওয়ায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলেন হাসপাতালের সুপারিনটেন্ডেন্ট।যেভাবে অক্সিজেনের অভাবে হাসপাতালে ভর্তি থাকা করোনা রোগীরা ক্রমেই মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছেন তা দেখে উদ্বিগ্ন সুপারিনটেন্ডেন্ট ড. বিনোদকুমার সিং। স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য সচিবকে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, সমস্যা অত্যন্ত গভীর। রোগীদের মরতে হচ্ছে। এরপর সরকার আমাকে দায়ী করবে।কয়েকদিন আগে এক রোগীর মৃত্যুর পরে তাঁর পরিবারের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের সংঘর্ষ বাঁধে। এক্ষেত্রেও অভিযোগের মূল কারণ অক্সিজেনের সরবরাহের অভাব।এই পরিস্থিতিতে সুপারিটেন্ডেন্ট আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁর হাসপাতালের অক্সিজেনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে পাটনা জেলা প্রশাসনের হাতে। ফলে নালন্দা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অক্সিজেন বহু সময়ই চলে যাচ্ছে অন্যান্য হাসপাতালে। এই পরিস্থিতিতে অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে যে অচিরেই রোগীমৃত্যু আরও বাড়বে বলে আশঙ্কিত তিনি। আর তাই তাঁর আরজি, তিনি আর হাসপাতালের সুপারিটেন্ডেন্টের দায়িত্বে থাকতে চান না।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

করোনায় প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়ক

মুরারইয়ের প্রাক্তন বিধায়ক আব্দুল রহমান করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন। কলকাতার আরএন টেগোর হাসপাতালে মারা যান তিনি। প্রথমে তিনি মুরারই থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন। তারপর করোনা আক্রান্ত হলে তাঁর জায়গায় ওই আসন থেকে মোশারফ হোসেনকে প্রার্থী করে তৃণমূল।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

করোনা কাড়ল আরও এক প্রার্থীর প্রাণ, প্রয়াত জঙ্গিপুরের প্রার্থী প্রদীপ নন্দী

নির্বাচনের মাঝে ফের করোনা প্রাণ কাড়ল আরও এক প্রার্থীর। মারণ ভাইরাসে মৃত্যু হল মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের আরএসপি প্রার্থী প্রদীপ নন্দীর। শুক্রবারই কোভিড-১৯-এর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন তিনি। আগামী ২৬ এপ্রিল এই কেন্দ্রে ভোট হওয়ার কথা ছিল। এই আসনেই তৃণমূলের জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন তিনি। ফলে এই কেন্দ্রেও স্থগিত হয়ে গেল নির্বাচন।পেশায় আইনজীবী ৭২ বছরের প্রদীপ নন্দী আরএসপির লোকাল সম্পাদক ছিলেন। প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর জ্বরে আক্রান্ত হন তিনি। তারপরই বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার সন্ধে ৬টা ৫ মিনিট নাগাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আর এর জেরেই আপাতত স্থগিত হয়ে গেল সেই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। প্রদীপ নন্দীর মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া সংযুক্ত মোর্চা শিবিরে। এর আগে করোনা প্রাণ কেড়েছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের। ২৬ এপ্রিল অর্থাৎ সপ্তম দফায় সামশেরগঞ্জ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। আপাতত তা স্থগিত রাখা হয়েছে। গোটা রাজ্যে রোজই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই অতীত রেকর্ড ভাঙছে। এমন পরিস্থিতিতে আট দফাতেই ভোট হবে বলে নিশ্চিত করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে এদিন নয়া নির্দেশিকা জারি করে কমিশন বলে দেয়, সন্ধে ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ভোট প্রচার করতে পারবে না কোনও দল। করোনা সংক্রমণ রুখতেই এই নয়া সিদ্ধান্ত কমিশনের। কিন্তু এরই মধ্যে দুই কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়ে যাওয়ায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হল। কীভাবে, কবে সেখানে ভোটগ্রহণ হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর

প্রয়াত হলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর রঞ্জিত সিনহা। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দিল্লিতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন ১৯৭৪ ব্যাচের এই অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েকদিন ধরেই নাকি অসুস্থ ছিলেন রঞ্জিত সিনহা। এমনকী শরীরে কোভিডের উপসর্গও দেখা দিয়েছিল। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতেই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল তাঁর। আর করোনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিত সিনহার। যদিও পরিবারের তরফ থেকে এই ব্যাপারে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।রঞ্জিত সিনহা চাকরিজীবনে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি-র ডিজি, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের চিফ এবং সিবিআইয়ের পাটনা ও দিল্লি অফিসের অনেক উঁচু পদে দায়িত্বভার সামলেছেন। পরবর্তীতে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরও হয়েছেন। ২০১২ সাল থেকে দুবছরের জন্য ওই দায়িত্ব সামলেছিলেন। যদিও ২০১৭ সালে কয়লা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রঞ্জিত সিনহার।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

করোনায় মৃত্যু কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের

ভোটের মরশুমে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। উর্ধ্বমুখী মৃত্যুও। এবার করোনা প্রাণ কাড়ল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল হকের। ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকের ছায়া এলাকায়। ২৬ এপ্রিল অর্থাৎ সপ্তম দফায় সামশেরগঞ্জ আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন সামশেরগঞ্জের দাপুটে কংগ্রেস নেতা রেজাউল হক ওরফে মন্টু বিশ্বাস। করোনার উপসর্গ থাকায় ঝুঁকি না নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসে পজিটিভ। প্রবল শ্বাসকষ্ট থাকায় বুধবার তাঁকে জঙ্গিপুর থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করা হল একটি বেসরকারি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার সেখানেই মৃত্যু হয় রেজাউল হকের। এই মৃত্যুতে প্রশ্নের মুখে সামশেরগঞ্জের নির্বাচন। আপাতত ওই আসনে ভোটগ্রহণ বাতিল করা হবে, নাকি পিছিয়ে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য মেলেনি। উল্লেখ্য, বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের জোট বাঁধার পর আসনরফা নিয়ে জট তৈরি হয়েছিল। বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বাম, কংগ্রেস উভয়েই। তার মধ্যেই একটি আসন সামশেরগঞ্জ। সেখানে বামেরা প্রার্থী করেছিল মোদাসসর হোসেনকে। এদিনে কংগ্রেস প্রার্থী করে রেজাউল হককে। জোটের জটিলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলে কাটাকুটির খেলা। বাকি আসনের সমস্যা মিটে গেলেও মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ আসনে সংযুক্ত মোর্চা অর্থাৎ বাম-কংগ্রস-আইএসএফ জোট কার্যকর হয়নি। ফলে ওই আসনে আলাদাভাবে প্রার্থী দিয়েছিলে বাম ও কংগ্রেস।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
দেশ

টিকা নেওয়ার পরও মৃত্যু ১৮০ জনের!

দ্বিতীয় ঢেউ যখন আছড়ে পড়ছে দেশের নানা প্রান্তে তখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আশ্বাস দিয়েছেন কোনওভাবে দ্বিতীয়বার লকডাউনে যাবে না দেশ। বরং তিনি জোর দিয়েছেন টিকাকরণের উপরই। কিন্তু জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে টিকাকরণ শুরু হলেও তার বেশ কিছু নেতিবাচক প্রভাব সারা দেশে এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে। যা একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না চিকিৎসক ও গবেষকরা। মার্চের শেষ দিন পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যানে একটি রিপোর্টও পেশ করা হয়েছে।ন্যাশনাল অ্যাডভার্স ইভেন্ট ফলোয়িং ইমিউনাইজেশন বা এইএফআইয়ের একটি রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই মৃত্যু হয়েছে টিকা নেওয়ার তিন দিনের মধ্যে। শুরু থেকেই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর প্রথম তিনদিনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসক ও গবেষকরা। ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আর ভারতে টিকা নেওয়ার পর মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রচুর মিল দেখা গিয়েছে। সে কারণে ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যকর্মী কিংবা সাধারণ মানুষ, যাঁরাই টিকা নিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধা বা অনুচক্রিকা বা প্লেটলেট কম হওয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে, তাদের সবই হচ্ছে দুসপ্তাহের মধ্যে। সেই বিষয়টিকেও নজরে রাখতে বলা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সাতশোটি গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। যাঁদের রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাই মূ্লত ধরা পড়েছে।টিকাকরণের পর এত মানুষের মৃত্যুর খবর যে রীতিমতো গুরুতর সমস্যার বিষয়, তা নিয়ে সংশয় নেই। কারণ, টিকাকরণ শুরু হলেও এখনও দেশের একটা বড় অংশের মানুষের এখনও টিকার প্রতি অনীহা রয়েছে। যে কারণে, দেশের টিকাকরণের অভীষ্ট লক্ষ্যে সরকার এখনও পৌঁছাতে পারেনি। শুধুমাত্র গুজরাত এবং ছত্তিশগড় ছাড়া আর কোনও রাজ্যেই ২০ শতাংশ মানুষকে এখনও টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রের দাবি, সরকারের কাছে এখনও যথেষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন মজুত আছে। শুধুমাত্র মানুষের আগ্রহ কম থাকায় টিকাকরণের হার কম। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর একের পর এক মৃত্যু যে মানুষের আগ্রহ আরও কমাবে তাতে সংশয় নেই।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

চোর সন্দেহে ব্যাপক মারধর, ঝাড়খণ্ডে মৃত্যু মুসলিম যুবকের

ফের সামনে এল গণপিটুনিতে খুনের ঘটনা। চোর সন্দেহে মুবারক খান নামে এক মুসলিম যুবককে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে বেধড়ক মারধর করা হল ঝাড়খণ্ডে। আর সেই মারের চোটেই মৃত্যু হল তাঁর। আর এই ঘটনাই ফের উস্কে দিল তবরেজ আনসারির স্মৃতি। দুবছর আগে ঝাড়খণ্ডেই গণপিটুনির জেরে মারা গিয়েছিলেন তিনি। জয় শ্রীরাম না বলায় মারধর করা হয়েছিল তাঁকে।শনিবার রাতে ঝাড়খণ্ডের সিরকা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। আদতে মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও, সেদিন ওই গ্রামে গিয়েছিলেন ২৬ বছর বয়সি মুবারক। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটরবাইকের ব্যাটারি এবং চাকা চুরির সময় তাঁকে নাকি হাতেনাতে ধরেন স্থানীয়রা। এরপরই বিদ্যুতের খুঁটিতে বাঁধা হয় মুবারককে। তারপরই চলে বেদম প্রহার। আর তাতেই মারাত্মকভাবে আহত হন ওই যুবক। এরপর খবর পেয়ে ভোর ৩টে নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে মারা যায় মুবারক। এরপরই আধিকারিকরা মৃতদেহটি পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যান। তারপরই সেটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। রাঁচির পুলিশ সুপার নৌশাদ আলম জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে।এই ঘটনার কথা জানতে পেরেই মৃত যুবকের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মিথ্যে অভিযোগে মুবারককে মারা হয়েছে, এমনই দাবি তাঁর পরিবারের লোকজনের। এদিকে, ভাইয়ের মৃত্যুর পরই ১৯ জনের নামে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন মুবারকের দাদা তাবারক খান। এছাড়া ১৫ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির নামও রয়েছে এফআইআরে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকায় আটকও করা হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরই রাজ্যে দু’জনের মৃত্যু!

করোনার টিকা নেওয়ার পর রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। মৃত দুজনেরই ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, অন্য কোনও সমস্যা ছিল দুজনেরই। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মৃত দু জনের নাম পারুল দত্ত (৭৫) এবং কৃষ্ণ দত্ত (৬০)। দুজনেরই বাড়ি উত্তরবঙ্গে। পারুল দত্ত ও কৃষ্ণ দত্ত কোভিশিল্ডের টিকা নেন। গত ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন পারুল দত্ত। তিনি দার্জিলিং জেলার বাসিন্দা। ঠিক পরদিনই টিকা নেন কৃষ্ণ দত্ত। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কৃষ্ণ বাড়ি চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সন্ধ্যা নাগাদ ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাঁকে খরিবাড়ি ব্লকের বাতাসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে আবার ধুপগুড়ির হসপিটাল রোডের বাসিন্দা বৃদ্ধ কৃষ্ণবাবু টিকা নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ওইদিন রাতেই তাঁর বমি হয়। পরদিন শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয়। কোনওরকম চিকিৎসা শুরুর আগেই ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। জেলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তা্ঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

ঝলসে মৃত্যু রেলের আধিকারিক ও তাঁর রক্ষীর

স্ট্র্যান্ড রোডে পূর্ব রেলের কয়লাঘাট ভবনের অগ্নিকাণ্ডে পূর্ব রেলের সেই আধিকারিকের মৃতদেহ উদ্ধার হল ১২ তলা থেকে। ৩ তলায় অফিস ছিল। একটি লিফটের মধ্যে উদ্ধার হয় ডেপুটি চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম) পার্থসারথি মণ্ডল এবং তাঁর রক্ষী সঞ্জয় সাহানির দেহ। অন্য লিফ্টে মেলে ৪ দমকলকর্মী-সহ ৭ জনের দেহ।দমকলের তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রে খবর, লিফটের মধ্যে আটকে ঝলসে, দমবন্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ডেপুটি সিসিএম ও তাঁর রক্ষী। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ নিয়ে নিশ্চিত করে তাঁরা মন্তব্য করতে নারাজ। জানা গিয়েছে, ওই আধিকারিক বসতেন কয়লাঘাট ভবনের ৩ তলায়। তবে অফিসের কাজে সর্বত্রই যাতায়াত করেতে হত তাঁকে। হতে পারে সোমবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনও কাজে ১২ তলায় গিয়েছিলেন তিনি। এটাও হতে পারে যে, আগুন লাগার আগে থেকেই তিনি অফিসের কাজে ১২ বা ১৩ তলায় ছিলেন। উপরে ওঠার সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডের খবর জানতেন না, এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগুন দেখে তাড়াহুড়ো করে লিফ্টে নামার চেষ্টা করেন। অথবা লিফ্টে উপরে ওঠার পর আর সেখান থেকে বেরোতেই পারেননি। যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিকল হয়ে যায় লিফ্ট। ফলে লিফটের দরজাও খুলতে পারেননি। অবশেষে আগুনের করাল গ্রাসে অসহায় আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি ও অন্যান্যরা।

মার্চ ০৯, ২০২১
দেশ

নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম দুই জঙ্গি

নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে লস্কর-ই-তইবার দুই জঙ্গি খতম হল। পাশাপাশি ধরা পড়ল তাদের এক সহযোগী। ঘটনাটি ঘটেছে সুরানকোটে এলাকার চট্টপানি-দুগরান গ্রামে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্ত্রাসবাদীদের ডেরা ঘিরে ফেলেছিল নিরাপত্তাবাহিনী। তারপর জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। রবিবার সকাল থেকে তীব্র গুলিযুদ্ধ শুরু হয় জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার দুগরানের মুঘল রোড এলাকায়। শেষ পর্যন্ত দুই জঙ্গিকে খতম করা হয় আর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত জেপি নাড্ডা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গিদের মধ্যে একজন স্থানীয় ও দুজন বিদেশি। তিনদিন আগে তারা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল। জইশ-ই-মহম্মদ ও লস্কর-ই-তইবার যৌথ অভিযান চালানোর ছক ছিল। জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয় নির্বাচনে ঝামেলা পাকানোর পরিকল্পনা কষেছিল।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
রাজ্য

প্রয়াত রাধিকারঞ্জন প্রামাণিক, শোকপ্রকাশ মমতার

প্রয়াত হলেন একদা সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া রাধিকারঞ্জন প্রামাণিক। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ৮৮ বছর বয়সে রবিবার ভোরে মথুরাপুরের পাঁচ বারের সাংসদের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকবার্তা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিবারকে জানিয়েছেন সমবেদনা। মথুরাপুর লোকসভায় ১৯৮৯ থেকে শুরু করে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত বাম প্রার্থী হিসেবে টানা পাঁচ বার জিতেছেন রাধিকারঞ্জন। কিন্তু ২০০৩ সালে সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হন এবং পরের বছর তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। ২০০৪ সালে তৃণমূলের টিকিটে মথুরাপুর থেকে দাঁড়ালেও জিততে পারেননি। হেরে যান বাম প্রার্থী বাসুদেব বর্মনের কাছে। তারপর আর টিকিট পাননি। সাংসদ হওয়ার আগে দুদফায় পর পর তিন বার করে মোট ছবার মগরাহাট পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন রাধিকারঞ্জন। প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের মে মাসে দুর্নীতি এবং দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করে সিপিএম। যদিও রাধিকারঞ্জনের অভিযোগ, সাংসদ উন্নয়ন তহবিলের টাকা পার্টির কাজে লাগাতে চেয়েছিল দল। সেই টাকা না দেওয়াতেই দল তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বটতলার উকিল বলে কটাক্ষ দিলীপের রাধিকারঞ্জনের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, দরিদ্র পরিবারের সন্তান রাধিকা তাঁর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় মানুষের সেবা করেছেন। পরিণত বয়সে প্রথাগত বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়ে বৃহত্তর গনতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছিলেন। সেই সূত্রে তিনি আমার ঘনিষ্ঠ দলীয় সহকর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাজনীতিক রাধিকারঞ্জনের মৃত্যু রাজনীতির জগতে বড় ক্ষতি বলেও উল্লেখ করেছেন মমতা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি

প্রয়াত হলেন তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি। মৃত্যুকালে বিধায়কের বয়স হয়েছিল ৭৬। জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন মেদিনীপুরের এই বর্ষীয়ান বিধায়ক। বার্ধক্যজনিত কারনেই মৃত্যু হয়েছে বিধায়কের। হাসপাতাল সূত্র থেকে এমনটাই জানা গিয়েছে। দুবারের বিধায়ক ছিলেন মৃগেন মাইতি। পাশে থাকার বার্তা দিতে এদিন প্রয়াত বিধায়কের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন পরিজনদের সাথে। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযান শুরুর আগেই পুলিশি বাধার মুখে দিলীপ ঘোষ ও সায়ন্তন বসু পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একজন আদর্শবান মানুষ ছিলেন মৃগেন দা। দীর্ঘদিনের পরিচয়। ওনাকে ছাড়া মেদিনীপুর ভাবাই যায় না। এদিন মেদিনীপুরে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকেও মৃগেন মাইতির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্রুত তাঁর সুস্থতাও কামনা করেন। কিন্তু মমতার সভা শেষের পরেই এদিন মৃগেন মাইতির মৃত্যুর খবর এসে পৌঁছয়।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সমীকরণ, নির্বাচনের পরই খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আবার খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এর দলীয় কার্যালয়। ঢাকা সহ একাধিক জেলা ও উপজেলায় বন্ধ অফিস খুলে প্রবেশ করছেন নেতা কর্মীরা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় পর কি আবার সক্রিয় হতে চলেছে দলটি এবং রাজনীতিতে নতুন করে ভূমিকা নিতে পারে কি না।নির্বাচনের পর তারেক রহমান এর নেতৃত্বে সরকার গঠন অনেককে চমকে দিয়েছে। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা এবং কর্মীদের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অনেকেই জানতে চাইছেন, কর্মীরা কি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিস খুলছেন, নাকি দলের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। এই সময় বহু দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে শেখ মুজিবর রহমান এর ঐতিহাসিক বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে।তবে নির্বাচন শেষ হতেই আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কার্যালয় খুলে সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও আবার পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দলটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম জানিয়েছেন, দলের কার্যালয় বাজেয়াপ্ত করা হয়নি এবং নেতা কর্মীদের সেখানে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই তৃণমূলের কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিদেশে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁদের কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার নেতা কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয়ভাবে সমর্থন পাওয়ার আশায় বিরোধী শিবিরের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নির্বাচনের পর কার্যালয় খোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন।নির্বাচনের পরদিনই পঞ্চগড়ে একটি কার্যালয়ের তালা খোলার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে এবং তা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনা সহ একাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কার্যালয়ে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

দলবদলের তকমা কি মুছবে, দীপেন্দুর প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান, দলবদলের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন ফুটবলার ও রাজনীতিক দীপেন্দু বিশ্বাসকে। ভোটের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেস এ ফিরলেন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন এই বিধায়ক। একসময় জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে পরিচিত দীপেন্দু কলকাতার বড় ক্লাবগুলিতেও খেলেছেন। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং এর জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন।রাজনীতিতে প্রবেশের পরও দলবদলের অভিযোগ তাঁকে ঘিরে থেকেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে ফিরে এলেন। রবিবার বসিরহাটে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পুনরায় দলে যোগ দেন তিনি।দলে ফিরে দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, অভিমান থেকেই তিনি দল ছেড়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তাঁকে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই পালন করবেন এবং টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল কাদের সরদার সহ বিভিন্ন দল থেকে বহু কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দীপেন্দু। সেই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। পরে ২০১৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। তবে ২০২১ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলত্যাগ করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা পুরনো দলে ফিরতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কেও তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভোটের আগে দলবদলের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ঘন ঘন দল পরিবর্তন রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক, তৃণমূল বিজেপি যোগাযোগে বিস্ফোরক দাবি

রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের ঝড় তুললেন মৌসম বেনজির নূর। কংগ্রেসে ফিরে তিনি দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস এর কিছু নেতা গোপনে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বোঝাপড়া রয়েছে এবং তিনি দলে থাকাকালীন টাকার লেনদেন ও ক্ষমতার রাজনীতির জন্য এমন যোগাযোগের ঘটনা দেখেছেন।একই দিনে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতা ও উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, মালদহের এক তৃণমূল বিধায়ক, জেলার দুই সহ সভাপতি, তিন সাধারণ সম্পাদক এবং আরও কয়েকজন নেতা বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। গোপন বৈঠকের কথাও জানিয়েছেন তিনি।খগেন মুর্মুর বক্তব্য, এই তালিকায় জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, নাম প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বা সুযোগসন্ধানী নেতাদের বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।অন্যদিকে মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, দলে কিছু নেতা রয়েছেন যারা শুধু অর্থ ও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন এবং তারাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মালদহ জেলা তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। বিভিন্ন পদ না পেয়ে অনেক নেতা ক্ষুব্ধ বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, এসআইআর ঘিরে রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল

এসআইআর সংক্রান্ত কাজ এবার বিচার বিভাগের তদারকিতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বিচারকের ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা ছাড়া কোনও বিচারক ছুটি নিতে পারবেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে বড় দায়িত্ব বিচার বিভাগের উপর দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আগে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।এসআইআর-এর কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতের কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় জেলা বিচারক, জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াইশো বিচারকের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চাওয়া হয়েছিল এবং সেই তালিকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন।জানা গিয়েছে, মাদক ও পকসো সংক্রান্ত আদালতের প্রায় একশো বিচারক এবং অন্যান্য মামলার দেড়শো বিচারকের নাম এই তালিকায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা বিচারক বা অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে এবং তাঁদের কাজে কোনও বাধা বা অসম্মান বরদাস্ত করা হবে না। সব প্রশাসনিক স্তরকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal