• ১১ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DM

কলকাতা

করোনা আক্রান্ত সস্ত্রীক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

এবার করোনা আক্রান্ত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য । মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর স্ত্রীর শরীরেও। মীরাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সম্প্রতি তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যেরও উপসর্গ ছিল। সেই কারণেই ঝুঁকি না নিয়ে করোনা পরীক্ষা করান তাঁরা। দুজনেরই রিপোর্ট আসে পজিটিভ। বুদ্ধদেববাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। তবে মীরাদেবী অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮০-৮৫ মধ্যে ঘোরাফেরা করছে বলেই খবর। সেই কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তাঁর। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বিপর্যস্ত দেশবাসী। রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই বহু রাজনীতিবিদের শরীরে থাবা বসিয়েছে করোনা। বহু বিশিষ্টজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিস্থিতিত মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্য। একাধিক ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

মে ১৯, ২০২১
কলকাতা

করোনা আক্রান্ত কবি জয় গোস্বামী

করোনায় আক্রান্ত কবি জয় গোস্বামী। রবিবার রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে ভর্তি হয়েছেন বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। তবে এই মুহূর্তে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে হাসপাতাল সূত্রে। রবিবার রাতে খবরটি পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন তাঁর অনুরাগীরা। সকলেই কবির দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।জয় গোস্বামীর পরিবার সূত্রে খবর, রবিবার সকাল থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ৬৬ বছরের কবি। জ্বর, সঙ্গে বমি। দেখা দেয় করোনার উপসর্গ। পরীক্ষা করানোর পর রাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ইতিমধ্যে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। জ্বরে কাবু হয়ে পড়েন তিনি। এরপর আর ঝুঁকি নেয়নি পরিবার। রাতেই ভরতি করানো হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। সেখানকার কোভিড ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন জয় গোস্বামী। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কম কিংবা অন্য কোনও জটিলতার খবর মেলেনি এখনও। করোনা পরীক্ষা হয়েছে তাঁর স্ত্রী কাবেরী গোস্বামী এবং মেয়ে দেবত্রীরও। কাবেরীদেবীও সামান্য অসুস্থ বলে খবর। তাঁকেও ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই করোনার থাবায় হারাতে হয়েছে বাংলায় সাহিত্য জগতের মহীরূহসম কবি শঙ্খ ঘোষকে। তাঁর মৃত্যুর আটদিন পর করোনার ছোবলেই প্রয়াত হয়েছে তাঁরা স্ত্রী প্রতিমা ঘোষ।এবার কোভিডের কবলে আরেক প্রবাদপ্রতিম কবি জয় গোস্বামী। এমনিতেই জয় গোস্বামী একটু অসুস্থ। সম্প্রতি সাহিত্যসভায় তাঁকে বিশেষ দেখা যায়নি। অন্তরালে থেকেই কাব্যচর্চায় মগ্ন তিনি। এ বছরও রাজ্য সরকার আয়োজিত রবীন্দ্রজয়ন্তীর ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবৃত্তি শোনান জয় গোস্বামী। গৃহবন্দি থেকেও তাঁর শরীরে মারণ ভাইরাস বাসা বাঁধল। কবির শারীরিক পরিস্থিতিতে বেশ উদ্বিগ্ন অনুরাগী মহল। তাঁর বয়স এবং শারীরিক অবস্থা খানিক চিন্তায় রাখছে চিকিৎসকদেরও।

মে ১৭, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রশাসনিক ও পুলিশে রদবদল

রাজ্যে জেলাশাসক স্তরে এদিস ফের রদবদল হলো। বীরভূম জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব ছিলেন। এখনকার জেলাশাসক ডিপি কারানাম ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্প দপ্তরের অধিকর্তা হলেন। এই দায়িত্বে ছিলেন নিখিল নির্মল। তাঁকে বস্ত্র অধিকর্তা করা হলো। হাওড়া পুরসভার কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে স্বাস্থ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব করা হলো। তাঁর জায়গায় এলেন দাভাল জৈন। তাঁকে হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের দায়িত্বও দেওয়া হলো। বুধবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর।এদিন আইপিএস স্তরেও বেশ কিছু রদবদল হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং আইজি, উত্তরবঙ্গ হলেন। এই পদে ছিলেন আইপিএস বিশাল গর্গ। তাঁকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত নগরপাল করা হলো। কম্পালসারি ওয়েটিংএ থাকা আইপিএস শ্রীহরি পাণ্ডেকে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের নর্থ জোনের ডিসি করা হলো। রায়গঞ্জের ফোর্থ ব্যাটেলিয়ান স্যাপের সিও আইপিএস প্রদীপ কুমার যাদবকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের পুলিশ সুপার করা হলো।

মে ১২, ২০২১
রাজ্য

প্রশাসনে একাধিক বদল নবান্নর, বদল ডিজি-এডিজি-জেলাশাসক

ভোটের আগে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনার পরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তৎকালীন জেলাশাসক বিভু গয়ালকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। জেলাশাসক হিসেবে নিয়ে আসা হয় স্মিতা পাণ্ডেকে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা শপথ নেওয়ার পরেই স্মিতাকে সরিয়ে দিল রাজ্য সরকার। তাঁর জায়গায় নতুন জেলাশাসক হিসেবে আনা হয়েছে পূর্ণেন্দু মাজিকে। এ ছাড়া পুলিশ প্রশাসনেও হয়েছে একাধিক বদল। ডিজি পদে বীরেন্দ্র ও এডিজি আইনশৃঙ্খলা পদে জাভেদ শামিমকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ।বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য পুলিশে এই বদলের কথা জানান মমতা। কমিশনের নিয়োগ করা ডিজিকে দমকল বিভাগের ডিজি ও এডিজি জগমোহনকে সিভিল ডিফেন্সে বদলি করেছে নবান্ন। এই নির্দেশের কিছুক্ষণ পরে নবান্নের তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয় স্মিতাকে সরিয়ে পূর্ণেন্দুকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে। পূর্ণেন্দু এর আগে ইন্ডাস্ট্রিয়াল কর্পোরেশনের সচিব ছিলেন। অন্যদিকে স্মিতাকে ওয়েবল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। বদলি করা হয়েছে পুরুলিয়ার জেলাশাসক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কেও। তাঁকে পাঠানো হয়েছে কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে। তাঁর জায়গায় নতুন জেলাশাসক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে রাহুল মজুমদারকে।

মে ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত মনমোহন সিং

করোনায় আক্রান্ত দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। গায়ে জ্বর থাকায় সম্প্রতি লালারসের নমুনা পরীক্ষা করান তিনি। সোমবার সেই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরেই বিকেল ৫টা নাগাদ দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এমস)-এর ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ৮৮ বছরের মনমোহনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। তাই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।গত ৪ মার্চ দিল্লির এমস-এ গিয়েই সস্ত্রীক প্রতিষেধকের প্রথম ডোজ নেন মনমোহন। তার একমাসের মধ্যেই দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার পর গত ২২ মার্চ দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান ৪ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ৮ সপ্তাহ করে দেয় সরকার। মনমোহন এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষেধকের দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন কি না, জানা যায়নি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে নেটমাধ্যমে মনমোহনের আরোগ্য কামনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে তিনি লেখেন, এই মাত্র খবর পেলাম যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংজি কোভিড পজিটিভ। ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি মনমোহনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেন। তিনি লেখেন, প্রিয় মনমোহনজি, আপনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে আপনার পথপ্রদর্শন এবং পরামর্শ প্রয়োজন দেশের।কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি টুইটারে লেখেন, মনমোহন সিংজি এবং ওঁর পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি। ওঁকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে জিতুন উনি।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
কলকাতা

করোনা নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাওড়া জেলা প্রশাসনের

উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে হাওড়ার করোনা পরিস্থিতি। লাফিয়ে লাফিয়ে উর্ধগামী হাওড়া পুর এলাকার করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। পরিস্থিতি দেখে উদ্বিগ্ন জেলা প্রশাসন নিচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ। হাওড়া প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, গত বছর লকডাউনের পর থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, ধাপে ধাপে সেগুলি প্রায় সবই ফিরিয়ে আনা হবে। তবে এবার কোনও রাস্তা বা বড় এলাকা ধরে কন্টেইনমেন্ট জোন নয়, এবার করা হবে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন। কোনও বাড়ি বা আবাসন থেকে পাঁচজন বা তার বেশি সংখ্যক করোনা আক্রান্তের খবর এলে সেই আবাসন বা নির্দিষ্ট কয়েকটি বাড়িকে মাইক্রো কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে নজরদারির আওতায় আনা হবে। এছাড়াও আবার চালু করা হচ্ছে টেলিমেডিসিন ব্যবস্থা। এছাড়া বাজারহাট, জনবহুল এলাকাগুলি একদিন অন্তর জীবাণুমুক্ত করা, সেফ হোম পরিষেবা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধাপে ধাপে এই কাজগুলি শুরু হয়ে যাবে। হাওড়া জেলা প্রশাসনের এক পদস্থ আধিকারিক এই খবর জানিয়েছেন। হাওড়া শহরে সংক্রমণের বাড়াবাড়ির কথা মাথায় রেখে নেওয়া হচ্ছে আরও কিছু ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বাজারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তোড়জোড় চলছে। এক-দুদিনের মধ্যে সেই বৈঠক সেরে কীভাবে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাজারগুলি চালু করা যায় এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা করোনা বিধি মেনে চলেন, সেই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। হাওড়ার মঙ্গলাহাটে প্রতি সপ্তাহে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হচ্ছে। আগের মতো সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত মঙ্গলাহাটের বেচাকেনা চলছে। সেখানে অনেকেই মাস্ক পরার বিষয়ে কোনও তোয়াক্কা করছেন না। এই বিশাল পাইকারি হাটেও কীভাবে করোনা বিধি চালু করা যায় বা পরিস্থিতি অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ লাগু করা যায়, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে প্রশাসন। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত করোনা সংক্রান্ত বুলেটিন থেকে জানা যাচ্ছে, গত ১১ এপ্রিল ২৯৩ জন, ১০ এপ্রিল ২৮৯ জন এবং ৯ এপ্রিল ২২৩ জন নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। মাসখানেক আগেও এই দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৩০-৪০ এর মধ্যে ছিল। এই কদিনে যেভাবে তা বেড়ে গেল, এখনই তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী মাসখানেকের মধ্যে সংক্রমণের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। সূত্রের খবর, ১১ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী হাওড়ার প্রায় ১৮০০ সক্রিয় করোনা রোগীর মধ্যে প্রায় ১৪০০ জনই হাওড়া পুরসভা এলাকার। তাই শহর নিয়েই আপাতত উদ্বেগ বেশি রয়েছে প্রশাসনের। বালিটিকুরি হাসপাতালকে ইতিমধ্যে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করে অতিরিক্ত ৬০০ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে সত্যবালা আইডি হাসপাতালও। সব ধরনের পরিকল্পনা ঠিকঠাক কার্যকর হলে আগামী সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে সংক্রমণের হার কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

ভয় ধরাচ্ছে করোনা, পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়া সিদ্ধান্তের পথে নবান্ন

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার দেশ। বাংলায় থাবা ক্রমশ চওড়া হচ্ছে মহামারির। জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। এমনকী, একাধিক জেলার কোভিড হাসপাতালে শয্যা সংখ্যাও খুবই কম। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠক থেকে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন।ভোটের মরশুমে রাজ্যে থাবা বসিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রমণ। যার জন্য রাজনৈতিক দলের মিটিং-মিছিলকে দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। অবশ্য আমজনতার মধ্যেও গা-ছাড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলার ১০ জেলায় নির্বাচন শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার সেই সমস্ত জেলার কোভিড পরিস্থিতিতে লাগাম পরাতে উদ্যোগী হল নবান্ন। সেই উদ্দেশেই এদিন জেলাগুলির প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে জোরদার প্রচার চালানো হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে জোর দেওয়া হবে। কোভিড সচেনতার প্রচার করতে জনবহুল এলাকায় মাইকে প্রচারেও জোর দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বাজারগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণে জোর দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। সূত্রের খবর, সংক্রমণে রাশ টানতে প্রয়োজনে শহরে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। প্রয়োজনে জমায়েত বন্ধ করার করার কথাও বলা হয়েছে। এমনকী, কোভিড রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলির ২০ শতাংশ পরিকাঠামো বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কলকাতা পুরসভাকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিল নবান্ন।আরটিপিসিআর টেস্ট বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে ভিড় কমানোর দিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যসচিব। রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তা কমই রয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, রাজ্যের যে যে জেলাতে তিন পর্বে ভোট মিটে গিয়েছে, সেখানে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও বৈঠক করেন দেশের করোনাপ্রবণ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে। রাজ্য থেকে সেই বৈঠকে প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, সোমবার ভোট মিটে যাওয়া জেলার ডিএম, এসপি, সিএমওএইচ-দের সঙ্গে বৈঠকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পারেন। সেই সূচি অনুযায়ী এই বৈঠক হল।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

আত্মরক্ষার্থেই গুলি, রিপোর্ট গেল কমিশনে

চতুর্থ দফার ভোটেও প্রাণহানি অব্যাহত। তবে এ বার অভিযোগের আঙুল ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। কোচবিহারের শীতলকুচিতে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে তা খারিজ করে দিলেন রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে বলে কমিশনকে জানিয়েছেন তিনি।শনিবারের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিতেই গোটা ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের হাতে, তাদের গুলিতেই ভোটারদের মৃত্যুর তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল। এ সব নিয়ে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, সেই সময় কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে বিবেক জানালেন, শীতলকুচির জোড়পাটকির যে ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে ঝামেলা চলছিল। তাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে কুইক রেসপন্স টিম পাঠানো হয়। এর পর দুপক্ষের সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। সেই পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু গ্রামের মানুষ তাদের ঘিরে ধরেন। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সময় আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এমন রিপোর্টই বিবেক দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিবেকের এই যুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিবেকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গুলি চালিয়ে মানুষগুলিকে মেরে ফেলে এখন আত্মরক্ষা বলে চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা।শীতলকুচির সাধারণ মানুষও গোটা ঘটনার জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোড়পাটকির এক বাসিন্দার প্রশ্ন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে পায়ে গুলি চালাতে পারত কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদম নিশানা করে প্রত্যেকের বুকে গুলি লাগল কী ভাবে? স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদেরও একই অভিযোগ। তাঁদের দাবি, বুথে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীই গুলি চালায়। তবে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তি এবং রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে জানিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

রাজ্য প্রশাসনের আরও ৫ কর্তাকে সরাল নির্বাচন কমিশন

রাজ্য প্রশাসনের আরও ৫ কর্তাকে সরানোর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক দুদিন আগে, বৃহস্পতিবার, এই নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশনের সচিবালয়। বদলির নির্দেশে নাম রয়েছে কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ কলকাতা) এবং ডায়মণ্ড হারবারের পুলিশ সুপারেরও। দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি । নতুন নির্দেশিকায় সেই দক্ষিণ কলকাতার ডিসিপি সুধীর নীলকণ্ঠের বদলির নির্দেশ এসেছে। তাঁর জায়গায় আসছেন আইপিএস কর্তা আকাশ মাঘারিয়া। আবার মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাস তালুক ডায়মণ্ড হারবারের পুলিশ সুপারকেও বদলি করা হয়েছে। এই পদের দায়িত্বে ছিলেন আইপিএস কর্তা অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন দায়িত্বে আসছেন অরিজিৎ সিন্হা। ইনিও আইপিএস কর্তা। এ ছাড়া এডিজি (পশ্চিমাঞ্চল) সঞ্জয় সিংহের বদলি হিসাবে আসছেন রাজেশ কুমার (আইপিএস)। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েশা রানির পদে দায়িত্ব নেবেন জয়েশী দাশগুপ্ত (আইএএস)। সরানো হচ্ছে কোচ বিহারের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা কে কান্নানকেও। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন আইপিএস কর্তা দেবাশিস ধর।রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই নির্দেশ দিয়েছে কমিশনের সচিব রাকেশ কুমার। প্রশাসনিক স্তরের পাঁচ কর্তার বদলির পাশাপাশি, তাঁদের ছেড়ে যাওয়া দায়িত্বে কারা আসছেন, তারও তালিকা পাঠিয়েছে কমিশন। নির্দেশ এসেছে বদল অবিলম্বে কার্যকর করার। এ ছাড়া যাঁরা বদলি হলেন, তাঁদের নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত না করা যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশনের সচিবালয়। ভোটের দিন ঘোষণার পর এর আগেও রাজ্য প্রশাসনিক স্তরের পাঁচ কর্তাকে বিভিন্ন সময়ে সরানো হয়েছিল। সে ক্ষেত্রে বদলি পদে কাকে আনা হবে সেব্যাপারে কখনও রাজ্য কখনও কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বারের ভোটে সম্ভবত এই প্রথম বদলি হিসাবে কোন কর্তা আসবেন, তারও তালিকা পাঠাল কমিশনের সচিবালয়।

মার্চ ২৫, ২০২১
কলকাতা

শ্বাসকষ্ট, বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে চোট, ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটছে না। নন্দীগ্রামে আঘাত পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই এসএসকেএমের উডবার্ন বিভাগে ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মমতার বাঁ-পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। ওই পায়ের পেশিতেও চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পা ফুলে রয়েছে। গতকাল রাতে এমআরআইয়ের পর পায়ে টেম্পোরারি প্লাস্টার করা হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। পায়ের ফোলা ভাব কমলে আজ প্লাস্টার করা হতে পারে। আঘাত লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধ ও কনুইয়ে। চোট রয়েছে ঘাড়েও।গতকাল রাতে এসএসকেএমে আনার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। এমআরআইয়ের জন্য রাতেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাঙ্গুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যেতে হয় মমতাকে। সেখান থেকে গভীর রাতে তিনি ফেরেন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইসিজি রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেও, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুকে ব্যথার কারণ আঘাতজনিত কারণে নাকি অন্য কারণে জানতে সিটি স্ক্যান করা হবে মমতার। এছাড়া, আজ আবার করা হবে ইসিজি। করা হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রামও।হাসপাতাল সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর রক্তের একাধিক রুটিন পরীক্ষা করা হবে। তাঁকে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ আবার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের দল গঠিত হয়েছে। এসএসকেএমের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তিন বিভাগীয় প্রধান ও আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডে। রাখা হয়েছে অর্থোপেডিক, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, কার্ডিওলজি, জেনারেল সার্জারি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের। আজ দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখবেন চিকিৎসকরা। করা হবে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

মার্চ ১১, ২০২১
রাজ্য

"অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। এভাবেও খুঁজে বের করা যায়?"- 'পদ্মশ্রী' শিক্ষক

অবসরের পর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলছে সদাই ফকিরের পাঠশালা। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের উত্তর রামনগরের এই পাঠশালার শিক্ষক সুজিত চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। ৭৮ বছরের শিক্ষকের বড় আক্ষেপ এলাকায় একটা কলেজ নেই। মন্ত্রী, বিধায়কদের বলেও কাজ হয়নি। আশপাশের সব কলেজের দূরত্বই প্রায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি। তবে নিজে এখনও পাঠশালায় গুরুদক্ষিণা নেন মাত্র ২ টাকা৷ রামনগর হাইস্কুল থেকে সুজিতবাবু অবসর নিয়েছেন ২০০৪ সালে। ওই স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৫ -তে। পড়াশুনা করেছেন বর্ধমান রাজ কলেজে। দীর্ঘ ৪০ বছর শিক্ষকতার পর শুরু করেন সদাই ফকিরের পাঠশালা। শুরু করেছিলেন ১ টাকা দক্ষিণা নিয়ে। ১৮ বছরের মাথায় দক্ষিণা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা।পদ্মশ্রী পেয়ে কেমন লাগছে? সুজিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। ভাবতেই পারছি না গ্রাম বাংলা থেকে এভাবে কাউকে খুঁজে বের করে সম্মান দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার প্রত্যন্ত জঙ্গলমহল এলাকা থেকে। দিল্লির ফোন পেয়ে কথা বলেও প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে দিল্লির ওই ফোন নম্বরে আমার মেয়ে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়। সদাই ফকিরের পাঠশালায় ৩০০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করেন। সুজিত বাবু মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি, বাংলা, ভুগোল, ইতিহাস পড়ান। উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা, সংস্কৃত ও স্নাতক স্তরে বাংলা পড়ান। একেবারে শুরুতে গুরিদক্ষিণা নিতেন এক টাকা। এটা টিউশন ফি নয়। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা দুস্থ। টিউশন ফি নিলে পড়াশুনাই করতে পারবে না, বলেন সুজিত চট্টোপাধ্যায়।সুজিতবাবু জানান, তাঁর যে টাকা নেই, সেকথা বোঝাতেই সদাই ফকিরের পাঠশালা নাম দেওয়া হয়েছে। পেনশনের টাকাতেই তাঁর সংসার চলে। জঙ্গলমহলের এই শিক্ষকের দাবি, এলকায় একটা কলেজ স্থাপনের। সেকথা এখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন। দিল্লিতে মার্চে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেওয়ার সময়ও সেই দাবি জানাবেন বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। এলাকায় স্টেট ব্যাংকের দাবিও রয়েছে তাঁর।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত বাংলার ৭ জন

এবছর পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে একাধিক কৃতি ব্যক্তিত্বকে। বাংলা থেকে ক্রীড়া, শিল্প, সাহিত্য ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৭ কৃতিকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন কিংবদন্তি দক্ষিণী সংগীত শিল্পী এস পি বালাসুব্রহ্মণ্যম। তালিকায় রয়েছেন দেশ-বিদেশের আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।বাংলা থেকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত টেবল টেনিস তারকা মৌমা দাস। সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্র থেকে এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন ধর্মনারায়ন বর্মা, সুজিত চট্টোপাধ্যায়, জগদীশ চন্দ্র হালদার, শিল্পকলা বিভাগে সম্মানিত হয়েছেন বীরেন কুমার বসাক, নারায়ণ দেবনাথ এবং সমাজ কল্যাণের ক্ষেত্রে সম্মানিত হয়েছেন গুরুমা কালী সোরেণ। এবার এই তিন সম্মানের তালিকায় ৮ জন বিদেশি বিদ্বজনও রয়েছেন। এস পি বালা বালাসুব্রহ্মণ্যম ছাড়াও পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হয়েছেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের জন্য এই সম্মান পেয়েছেন তিনি। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কর্ণাটকের ডা. বেল্লে মোনাপ্পা হেগড়ে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নারিন্দর সিং কাপানি। আধ্যাত্মের জন্য সম্মান পেলেন মৌলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান। নৃতত্ববিদ্যার জন্য পেলেন বি. বি. লাল। শিল্পের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন ওডিশার বালি শিল্পী সূদর্শন সাহু।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র

কয়েকদিন ধরেই দলের সঙ্গে মতবিরোধ চলছে পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারির। এর জেরে জেলা সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে তৃণমূল। বুধবার এমন জল্পনা নিজেই উস্কে দিয়েছেন আসানসোল পুরসভার প্রধান প্রশাসক তথা বিধায়ক জিতেন্দ্র। আসানসোলে দলের শ্রমিক সংগঠনের মঞ্চ থেকে তিনি সটান জানিয়েছেন, এটিই হয়তো জেলা সভাপতি হিসেবে তাঁর শেষ বক্তব্য। তিনি এমনও জানান, আপাতত তৃণমূলের কোনও সভা বা শ্রমিক সংগঠনের বৈঠকে তাঁকে দলের পক্ষ থেকে যোগ দিতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে তিনি যে জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ ছাড়তে তৈরি, তা জানিয়ে প্রকাশ্য সভাতেই জিতেন্দ্র বলেছেন, সিদ্ধান্তি নিয়েছি, বললে চলে যাব। কিন্তু মানুষের সঙ্গেই থাকব। আরও পড়ুন ঃ সাঁতরাগাছি পাখিরালয়ের পরিবেশ নষ্ট করায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিবেশবিদের মানুষের কাছে তাঁকে প্রতিশ্রুতি এবং দায়বদ্ধতা পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়ে জিতেন্দ্র বলেছেন, তাঁকে আর ভয় দেখিয়ে রাখা যাবে না। তাঁর প্রকাশ্য ঘোষণা, এক সময়ে তো সিদ্ধান্ত নিতেই হবে! আর ভয় দেখিয়ে রাখা যাবে না। সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব। কিন্তু মানুষের সঙ্গেই থাকব। মানুষের বাইরে তো আর থাকতে পারব না। আমি কোনও মন্ত্রীকে দেখে দল করিনি। দল করেছি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখে। পাশাপাশি নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে জিতেন্দ্রবাবু বলেন, শুভেন্দু ৬ মাস গুলির সামনে লড়াই করেছে। মমতার পর তৃণমূলে সবচেয়ে জনপ্রিয় শুভেন্দু। তাই উচিত ছিল শুভেন্দুর সঙ্গে দলের যে ভুল বোঝাবুঝি ছিল তা মিটিয়ে নেওয়ার। কিন্তু যেখানে আমাদের মতো ছোট নেতাদের সমস্যাই মেটায় না সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর সমস্যা কী মেটাবে। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে তৃণমূলের বিধায়ক হয়েও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে আসানসোলকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তোলেন জিতেন্দ্র। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে ওই মর্মে জিতেন্দ্র চিঠি পাঠানোর পর সোমবার থেকেই চাপানউতোর শুরু হয়। সমস্যা মেটাতে শীর্ষ নেতৃত্ব মঙ্গলবার কলকাতায় ববির সঙ্গে জিতেন্দ্রকে বৈঠকে যোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই বৈঠক হয়নি। জিতেন্দ্র প্রথমে রাজি হলেও পরে বেঁকে বসেন। জানা যায়, একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার জিতেন্দ্র জানিয়েছিলেন, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর যা কথা হয়েছে, তাতে উত্তরবঙ্গ সফর সেরে মমতা বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফেরার পর ১৮ তারিখ অর্থাৎ শুক্রবার তাঁকে ডাকা হতে পারে। কিন্তু সেই ডাকের আগেই বুধবার রীতিমতো বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসলেন এলাকায় ডাকাবুকো বলে জিতেন্দ্র।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

আসানসোলের জন্য কেন্দ্রের স্মার্ট সিটির অর্থ না পেয়ে ফিরহাদকে চিঠি জিতেন্দ্রর

রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে বিস্ফোরক চিঠি পাঠিয়েছিন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। পুরমন্ত্রীকে আসানসোলের পুরপ্রশাসক লিখেছেন, রাজ্যের সিদ্ধান্তেই কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে আসানসোল। মেলেনি স্মার্ট সিটি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দু-হাজার কোটি টাকা। উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় টাকা দেবে রাজ্য সরকার, রাজ্যের দেওয়া সেই প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়িত হয়নি। রানিগঞ্জ গার্লস কলেজ ও রানিগঞ্জ টিডিবি কলেজ এর গভর্নিং বডি থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। আরও পড়ুন ঃ ২০২১-এ মুক্তির স্বাদ দেবে ঈশ্বর, ফের বিস্ফোরক শুভেন্দু এ বিষয়ে ফিরহাদের মন্তব্য, স্মার্ট সিটির প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারে পুরোটাই ভাওতা। এ ক্ষেত্রে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ৫০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার দেবে ৫০ শতাংশ। ওটা প্রোপাগান্ডা মাত্র। পুরসভাকেই উদ্যোগ নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে উনি কতটা উদ্যোগ নিয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে আমরা কোনওদিনই উন্নয়নের সঙ্গে রাজনীতি মেশাইনি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

এখনও সঙ্কটজনক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে এখনই সঙ্কটমুক্ত বলতে নারাজ চিকিৎসকেরা। ভেন্টিলেশনেই রাখা হয়েছে প্রক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। তাঁর শরীরের একাধিক প্যারামিটার অবশ্য সন্তোষজনক। বৃহস্পতিবার বিকেল এক মেডিক্যাল বুলেটিনে এমনটাই জানানো হয়েছে হাসপাতালের তরফে। মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে এখনও পর্যন্ত ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। তন্দ্রাচ্ছন্ন রয়েছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ প্রচার না পেয়ে গুন্ডাদের দিয়ে হামলার নাটক করাচ্ছেঃ মমতা তাঁর দেহে অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ শতাংশ। রক্তচাপ, পালস রেট ঠিক আছে। ইউরিন ঠিকমতো হয়েছে। সকালে বৈঠকের পরে মেডিক্যাল বোর্ডের তরফে জানানো হয় বুদ্ধবাবুর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি। আচ্ছন্ন থাকলেও জ্ঞান আছে। এখনও মেক্যানিক্যাল ভেন্টিলেশনেই আছেন। এবং আপাতত সেখানেই থাকবেন। তবে যাতে তাঁকে সেখান থেকে বের করে আনা যায় ধীরে ধীরে সেই চেষ্টাই চলছে। বিকেলের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে স্যালাইনের মাধ্যমে। খাবার দেওয়া হচ্ছে রাইস টিউবের সাহায্যে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২০
কলকাতা

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জেরে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। বুধবার দুপুরে তাকে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি করা হয়। হাসপাতালে ভরতি করার সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সেখানে তাঁর কন্যা উপস্থিত হয়। তাঁর চিকিৎসায় চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অক্সিজেনের স্যাচুরেশন লেভেল ৭০ হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। এর জেরে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা আগের থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শারীরিক অবস্থার কারণেই দীর্ঘদিন জনসমক্ষে দেখা যায়নি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। আরও পড়ুন ঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ তৃণমূলের সিপিএমের কোনও দলীয় কর্মসূচিতেও তিনি এখন আর যোগ দিতে পারেন না, যেতে পারেন না দলীয় দফতরে। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি চোখের সমস্যাতেও ভুগছেন তিনি। বাড়িতেও কৃত্রিম অক্সিজেন সাপোর্টের রাখা হয়েছিল তাঁকে। মাস কয়েক আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। সেসময় তাঁর খোঁজ নিতে বুদ্ধবাবুর বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দেখে আসেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগদীপ ধনকড় বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনওদিন তার উত্তর মেলে না রাজ্যের থেকে। আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না। বরং সংবিধানের উলটো পথে চলছেন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার বারবার তলব সত্ত্বেও কারও তরফে কোনও জবাব মিলছে না। পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের মতো করে কাজ করছেন। এদিনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টুইটও করেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে লেখেন, সংবিধান মেনে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের নতুন আইনে বেড়ে গিয়েছে কালোবাজারিঃ মমতা

কেন্দ্রের নতুন আইনে কালোবাজারি বেড়ে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আলুপেঁয়াজের কালোবাজারিও বেড়ে যাবে। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্যের আলু যদি ফুরিয়ে যায় তখন কী করা যাবে জানি না। এদিন বন দফতরের কাজ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি বলেন, জেলায় ৮৭ শতাংশেরও বেশি কাজ বাকি রয়েছে বন দফতরের। তা দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি হাতির হানায় মৃত্যু নিয়েও সচেতন থাকতে নির্দেশ দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। পাশাপাশি পথশ্রী অভিযান নিয়েও জেলা প্রশাসনকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিলেন মমতা। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি রাস্তা সারাইয়ের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সারা রাজ্যে নতুন আড়াই লক্ষ রাস্তা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে এসসি, এসটিসহ অন্যান্য জাতি শংসাপত্রের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আবেদনকারীর পরিবারের কোনও একজনের যদি শংসাপত্র থাকে তবে তাঁকে দ্রুত জাতিগত শংসাপত্র দিতে হবে। ফেলে রাখা যাবে না। মুরগির ডিম উৎপাদনে বাঁকুড়া রাজ্যে শীর্ষে রয়েছে বলে এক আধিকারিক জানান বৈঠকে। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পোল্ট্রির পাশাপাশি হাঁসের ডিম উৎপাদনেও জোর দিতে বলেছেন। পাশাপাশি জনসংযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসনকে আরও গুরুত্ব দিতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনের অভাবঅভিযোগ শুনতে বলেছেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ করোনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে জিএসটি বাবদ বকেয়া দাবি মমতার এছাড়াও এদিন তিনি বাগদি, বাউরি ও মতুয়া কালচারাল বোর্ডের হেড কোয়ার্টার কোথায় হবে, দায়িত্বে কারা থাকবেন, তাও জানান। বাউরি কালচারাল বোর্ডের সদর দফতর বাঁকুড়ায় করা হচ্ছে। বাগদি বোর্ডের হেডকোয়ার্টার হচ্ছে বর্ধমানে। মতুয়াদের ঠাকুরনগরে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাউরি ও বাগদিরা পাবেন ৫ কোটি টাকা। মতুয়ারা পাবে দশ কোটি। এদিন অভাব-অভিযোগ শোনার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আর কিছু চাইবেন না। সবসময় দাও আর দাও। টাকা কোথা থেকে আসবে? বাঁকুড়ার জন্য অনেক করেছি। সামনে ভোট আসছে। আগে ভাল করে ভোট করাও। তারপর বাকি সব হবে। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সমস্যার সমাধান করতে না পারলেও সাধারণ মানুষের কথা শুনুন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন

টানা আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে ঘুরতে চলেছে লোকাল ট্রেনের চাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রেল এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী বুধবার থেকে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে প্রতিদিন ৩৬২ টি লোকাল ট্রেন চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সব স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। এর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ও রাজ্য সরকার। আগের মতো কাউন্টার থেকে টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা যাবে। তবে মাস্ক বাধ্যতামূলক। কোভিড বিধি মেনে ট্রেন চালানো হবে। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট কোন গেট দিয়ে যাত্রীরা স্টেশনে ঢুকবেন এবং কোন গেট দিয়ে বের হবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর জন্য আরপিএফ-জিআরপি একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি স্টেশনে থাকবে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। রাজ্যের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ ও খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। প্রথমে বৈঠকে ঠিক হয়, গ্যালোপিং ট্রেন প্রথম ধাপে চালু হবে। কিন্তু, পরবর্তীকালে ঠিক হয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে গ্যালোপিং নয়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভয়ার মামলায় বড় স্বস্তি নির্মলের, জামিন পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক! তবু এখনই জেলমুক্তি নয়

অভয়ার মামলায় জামিন পেলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। একই দিনে জামিন পেয়েছেন অভয়ার প্রতিবেশী কাকু সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ও। তবে জামিন পেলেও এখনই জেল থেকে বেরতে পারবেন না নির্মল। কারণ, তোলাবাজি ও লটারি সংক্রান্ত অন্য দুই মামলায় তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ আগে থেকেই রয়েছে।১৩ অগস্ট বালাসোর থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভয়ার মামলায় নির্মল ঘোষকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। মোট ১৫ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর আরও দুদিনের হেফাজত শেষ করে সোমবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ফের তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। তবে সেই আবেদন খারিজ করে আদালত নির্মলকে জামিন দেয়।অস্ত্র আইনের একটি মামলাতেও নির্মলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। সেই আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে। ফলে অভয়ার মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন প্রাক্তন বিধায়ক।অন্য দিকে, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কেও হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল পুলিশ। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে তাঁকেও জামিন দিয়েছে। আদালতে সঞ্জীবের আইনজীবী অভয়ার বাবার পুরনো একটি ভিডিয়োর বক্তব্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, সেই ভিডিয়োয় অভয়ার বাবা জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন সঞ্জীব তাঁর সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন।পালটা অভয়ার বাবার আইনজীবী দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এই ধরনের ভিডিয়ো ক্লিপ আদালতে গ্রহণযোগ্য নয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর সঞ্জীবকে জামিন দেয় আদালত। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভয়ার বাবা শেখররঞ্জন দেবনাথ। তবে তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।আর জি করের ঘটনার পর অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পানিহাটির তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষ তাঁর অনুগামীদের নিয়ে শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ ওঠে, তাঁর নির্দেশেই দ্রুত দাহকার্য করা হয়েছিল। পরিবারের সম্মতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সেই সময়ও নানা প্রশ্ন উঠেছিল।রাজ্যে পালাবদলের পর এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে দ্রুত সৎকারের কারণ এবং সেই সময় কারা কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় নির্মল ঘোষের পাশাপাশি পানিহাটির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছে।তবে অভয়ার মামলায় আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় দুজনেই আপাতত জামিন পেয়েছেন। নির্মলের ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য মামলায় জেল হেফাজতের নির্দেশ থাকায় অভয়ার মামলায় জামিন পেলেও এখনই তাঁর জেলমুক্তির সম্ভাবনা নেই।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

১৪ বছর পর আদালতে বিস্ফোরক দাবি! বরুণ বিশ্বাস খুনে প্রথম বার প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম বাবার মুখে

সুটিয়ার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস খুনের ১৪ বছর কেটে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই মামলায় সোমবার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য গ্রহণ হল। বনগাঁ ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারকের এজলাসে সাক্ষ্য দেন বরুণের বাবা জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস।বয়সের ভারে এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না জগদীশবাবু। সেই অবস্থাতেই ছেলের খুনের মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন তিনি। তাঁর সাক্ষ্য ঘিরেই নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আদালতে প্রথম বার বরুণ বিশ্বাসের খুনের ঘটনায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সরকারি আইনজীবী।উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার সুটিয়ায় বরুণ বিশ্বাসকে ২০১২ সালের ৫ জুলাই খুন করা হয়। তাঁর দাদার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল। এই মামলায় মোট ৭৬ জন সাক্ষী রয়েছেন। এর আগে ৩৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। সোমবার ৩৮ নম্বর সাক্ষী হিসেবে আদালতে নিজের বক্তব্য জানান বরুণের বাবা।এই মামলায় এখনও পর্যন্ত আট জন গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং তাঁর সাজাও হয়েছে। এক জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ছয় জনের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চলছে।সম্প্রতি বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেন। পরিবারকে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। মামলায় নতুন করে বিশেষ সরকারি আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই এ দিন বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হল।আদালতে বিচারক নিজে বরুণের বাবার সামনে বসে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণের পর বিশেষ সরকারি আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বরুণের বাবা আদালতে দাবি করেছেন, তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ষড়যন্ত্র করে তাঁর ছেলেকে খুন করিয়েছেন। কয়েক জনের কাছ থেকে তিনি এই কথা জানতে পেরেছিলেন বলেও আদালতে জানিয়েছেন বলে দাবি সরকারি আইনজীবীর।সরকারি আইনজীবীর আরও বক্তব্য, বরুণ বিশ্বাসকে যে গুলি চালিয়েছিল, তার বিচার কিশোর আদালতে হয়েছে এবং সাজাও হয়েছে। তবে এই ঘটনায় আরও যারা ষড়যন্ত্রে যুক্ত বলে অভিযোগ, তাঁদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলছে। দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।অন্য দিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী নির্মাল্য সাহা জানান, বরুণের বাবার সাক্ষ্য গ্রহণে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন। তাঁর দাবি, এ দিনই প্রথম আদালতে বরুণের বাবা এক প্রভাবশালী প্রাক্তন মন্ত্রীর নাম করেছেন। এর আগে পুলিশ বা সিআইডির কাছে তিনি এই নাম জানিয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে আসামিপক্ষও বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।১৪ বছর ধরে চলা এই মামলায় বরুণ বিশ্বাসের বাবার সাক্ষ্য তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে আদালতে করা অভিযোগের সত্যতা এখনও বিচারাধীন। সাক্ষ্য, নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের অফিসে ফের পুলিশ-দমকল! পাঁচ-ছ’তলায় কী মিলল, কেন সন্তুষ্ট নন আধিকারিকরা?

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে সোমবার ফের পৌঁছলেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা। অফিসের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের পর সোমবার ফের পুলিশ আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।দমকলের আধিকারিকেরা জানান, নিয়ম মেনেই অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সাততলা ভবনটির একতলা থেকে শুরু করে প্রতিটি তলায় গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পাঁচ ও ছতলার অফিসে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক রয়েছে কি না, তা বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার সময় কয়েকটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকেরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। অভিযোগ, স্প্রিঙ্কলার ব্যবহার করা যায়নি। অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি আগুনের সতর্কবার্তা দেওয়ার অ্যালার্মও বাজেনি বলে জানা গিয়েছে।দমকলের এক আধিকারিক জানান, এই ধরনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ভবনের প্রতিটি তলায় একই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে কি না এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সেগুলি কার্যকর থাকবে কি না, সেটিই মূলত পরীক্ষা করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, সাততলা ভবনটির বিভিন্ন তলায় অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে পাঁচ ও ছতলায় থাকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আধিকারিকদের কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ত্রুটি সংশোধনের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছে তৃণমূল। দলের বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি, বিজেপি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজনৈতিক ভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদেরও নানা ভাবে নিশানা করা হচ্ছে।বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার অবশ্য পাল্টা আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন এমন অবস্থানে ছিলেন যেন তিনি সকলের ঊর্ধ্বে। এখন প্রশাসনিক পদক্ষেপ শুরু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ গিয়েছিল। বেআইনি বিলবোর্ড খোলার বিষয়কে কেন্দ্র করে সে দিন সেখানে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। তার কয়েক দিনের মধ্যেই ফের পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকেরা অফিসে পৌঁছনোয় স্বাভাবিক ভাবেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal