• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

খেলার দুনিয়া

সেরা ডিফেন্ডারকে হারাল ইস্টবেঙ্গল, বেঙ্গালুরুতে লালহলুদের ‘‌হীরে’‌

একের পর এক ফুটবলার সই করিয়ে নতুন মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতার অন্য প্রধানে চররম দুরাবস্থা। ইস্টবেঙ্গলে চলছে দল ছাড়ার হিড়িক। এবার ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন গতবছর আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দুরন্ত ফুটবল উপহার দেওয়া ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডল। সুনীল ছেত্রির বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিলেন গত মরশুমে ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া এই ডিফেন্ডার। ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ফলে ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কখা হলেই চুক্তিপত্রে সই করাতে পারছেন না কর্তারা। ইমামির কর্তারাও আগেই জানিয়েছিলেন, চুড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দল গঠন করা যাবে না। সেইমতো ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি থমকে ছিল। ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন হীরা মণ্ডল। কিন্তু ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় অপেক্ষা করতে পারলেন না। ঝুঁকি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জন্য অপেক্ষা করে নিজের ফুটবলজীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে চাননি। তাই বেঙ্গালুরু এফসির প্রস্তাব তিনি গ্রহন করেন। গত মরশুমে আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল জঘন্য পারফরমেন্স করলেও যে কজন ফুটবলার নজর কেড়েছিলেন, হীরা মণ্ডল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বেঙ্গালুরু এফসি ছাড়াও তাঁর কাছে চেন্নাইন এফসি, ওডিশা এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব ছিল। চেন্নাইনের দিকেই ঝুঁকে ছিলেন হীরা। কিন্তু বেঙ্গালুরুর দুরন্ত অফার এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে তিনি আকৃষ্ট হন। কিছুদিন আগে এটিকে মোহনবাগানের প্রবীর দাসকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। এবার তুলে নিল লালহলুদের সেরা ডিফেন্ডারকে। গত আইএসএলে ১৬টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন হীরা মণ্ডল। মাত্র চারটি ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। একটিও লাল কার্ড তিনি দেখেননি। গোটা মরসুমে ফাউল করেছেন মাত্র ১০টি। ৪৯টি ট্যাকেল করেছিলেন। যার মধ্যে অধিকাংশই ছিল সঠিক। ২৯টি সঠিক ইন্টারসেপশন করেছেন। ৫৭টি ক্লিয়ারেন্স করেছেন হীরা। ফলে তাঁর পরিসংখ্যাই বলে দিচ্ছে কতটা পরিষ্কার ডিফেন্ডিং করেন তিনি। ১৬ ম্যাচে ৫৬.১৯ শতাংশ সঠিক পাস বাড়াতে পেরেছিলেন।

জুন ২৯, ২০২২
রাজ্য

'গোপনে সারদা কর্তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন শুভেন্দু, নিয়েছেন টাকা,' গ্রেফতারের দাবি কুণালের

দলের রাজ্য দফতরে নারদের টাকা নেওয়ার ভিডিও দেখিয়ে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারের দাবি করেছিল বিজেপি। এবার একই পরথে হাঁটল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রধান দফতরে সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের বক্তব্য শোনানো হল। সাংবাদিকদের দেখানো হল সুদীপ্ত সেনের চিঠি। এসব দেখিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দু অধিকারীর গ্রেফতারির দাবি তুলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা সারদাকান্ডে অভিযুক্ত কুণাল ঘোষ এদিন বলেন, সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠিতে অভিযুক্ত নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু চোর, ব্ল্যাকমেলার। সুদীপ্ত সেনের কাছ থেকে নগদে টাকা নিয়েছেন। বিজেপি করছে নিজেকে বাঁচাতে। আগের চিঠিতে সুদীপ্ত সেন লিখেছেন তিনি যখন রহস্যজনক ভাবে উধাও হয়েছিলেন তখনও শুভেন্দু দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। বিজেপি অফিসে নারদার ফুটেজ দেখিয়ে গ্রেফতারের দাবি করা হয়েছিল। তদন্ত শুরু করে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। বাদ ছিল শুধু শুভেন্দু।কুণালের দাবি, ৫০ লক্ষ টাকা কাঁথি পুরসভার নামে ব্যাংক ড্রাফটের কথা বলেছেন সুদীপ্ত। শুভেন্দুকে গ্রেফতার করে তদন্ত করতে হবে। তৃণমূল নেতা তাপস রায় সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে শুভেন্দুকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানান। শুভেন্দু ইস্যুতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিশানা করেছেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যপাল কিসের বিনিময়ে শুভেন্দুকে রাজনৈতিক প্রশ্রয় দিচ্ছেন। এই বিষয়েও তদন্ত হওয়া উচিত। যদিও শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট বলেছেন কুণালের কথার তিনি জবাব দেন না।

জুন ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধ-এর নতুন প্রযোজনা ‘মাস্টারদা: ১৯৩০’

স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামী মাস্টারদা সূর্য সেনের প্রতি নিবেদিত এক শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসাবে দমদমের ঐতিহ্যবাহী নাট্যদল রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধ মঞ্চস্থ করল তাঁদের নতুন প্রযোজনা মাস্টারদা: ১৯৩০। নাটকটি লিখেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন ড. দানী কর্মকার। কলকাতার মুক্তাঙ্গন মঞ্চে মঞ্চস্থ হল নাটকটি। মাস্টারদার জীবন ও দর্শনমগ্ন এক সমষ্টিজীবন এই নাট্য। এই নাটক এক বেদনাদায়ক এবং একই সাথে বিস্মৃত ইতিহাসের গৌরবময় পাঠে পরিণত হয়েছে। ডকু থিয়েটারের আঙ্গিকে মঞ্চের নির্ধারিত পরিসরেই উঠে এসেছে ঐতিহাসিক সেই সময়। অবিভক্ত বাংলার অজস্র বিপ্লবীদের স্বাধীনতার লড়াইয়ে অবিস্মরণীয় আত্মবলিদানের এক রক্তাক্ত দলিল যেন এই নাটক। এ যেন সংলাপের মাধ্যমে এক অখন্ড জীবন-কথা। নাট্যকার সংলাপ, আবহে, অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চের পরিসরে ত্রিশের সেই ঐতিহাসিক যুগ রচনা করেছেন আশ্চর্য দক্ষতায়। ঐতিহাসিক হলেও এই নাটক সমকালীন চিরন্তন মহাকাব্য হয়ে উঠেছে। ত্রিশের দশকে ব্রিটিশ পরাধীনতার সেঁকল ছিঁড়তে বাংলার যে সমস্ত বিপ্লবী তরুণ তরুণী সংগ্রাম করেছেন তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাস্টারদা। গান্ধীজীর অহিংস আন্দোলনের বিপরীতে চট্টগ্রামে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন মাস্টারদা। আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির বিপ্লবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের দলের নাম রেখেছিলেন ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মি, চট্টগ্রাম শাখা। সেইসব স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নাম ও অবদানের পাশাপাশি এই নাটকে উল্লেখিত হয়েছে তৎকালীন ঐতিহাসিক ঘটনা ও মুহূর্ত। এ যেন অগ্নিযুগের বিপ্লবনাট্য।অতিমারি কাটিয়ে মাস্টারদার জীবন ও সাধনার সমস্ত তথ্য সাল-তারিখসহ ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের এই নাটকটি সত্যি অনবদ্য। মাস্টারদার চরিত্রে কাজল শম্ভুর চরিত্রায়ন প্রশংসার দাবি রাখে। এছাড়া কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার চরিত্রে যথাক্রমে ঝুমা ঘোষ ও বর্ণালী কর্মকার নাটকে প্রাণ সঞ্চার করেছেন।নাটকের অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমিত সরকার, রাজদীপ সাহা, বিনায়ক কর্মকার, লোকনাথ দাস, ঈশান কর্মকারসহ এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। নাটকের আবহ ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন ড. দানী কর্মকার। নাটকের বিশাল প্রেক্ষাপট, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও আবেগময় মুহূর্ত সৃষ্টিতে আবহ বিরাট ভূমিকা রেখেছে। মঞ্চে বিশাল রক্তাক্ত ক্যানভাস নাটকের বিষয়ভিত্তিক পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে। আলো আঁধার ও যুদ্ধের ভয়াবহতা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন আলোক পরিকল্পক গোবিন্দ কর্মকার। এছাড়া রূপসজ্জায় ছিলেন সৌগত মিত্র, পোশাক ভাবনায় সীমা কর্মকার এবং কোরিওগ্রাফি করেছেন বর্ণালী কর্মকার।

জুন ২৩, ২০২২
রাজ্য

দেওয়ানদিঘীতে পানীয় জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করলেন কাকলি তা গুপ্ত

বর্ধমানের দেওয়ানদিঘীতে সর্বসাধারণের জন্য পানীয় জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করলেন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত। সরাইটিকর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় এই প্রকল্পটি রূপায়ন করেছে বর্ধমান রোটারি ক্লাব। সাধারণ মানুষের ব্যবহারের সুবিধার্থে এই জল প্রকল্প কাজে আসবে বলে জানিয়েছেন কাকলি তা গুপ্ত। পানীয় জল পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ।দেওয়ানদিঘী মোড়ে বহু মানুষের যাতায়াত। এখান থেকে অনেকেই দূরদূরান্তের বাসে যাতায়াত করেন। নানা কাজে দেওয়ানদিঘী এলাকায় বহু সাধারণ মানুষের আনাগোনা। তীব্র গরমে পথিকদের স্বার্থে এই পানীয় জলপ্রকল্প খুবই উপযোগী, বলেন বিডিএ-র চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত। ব্যক্তিগত ভাবে এই প্রকল্প রূপায়নের জন্য তিনি উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী ডা. গোলাম মহম্মদ, বর্ধমান ১-এর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অভিরূপ ভট্টাচার্য।

জুন ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দর বাড়ানোর খেলায় মেতেছেন!‌ ঋদ্ধিকে নাকি প্রস্তাবই দেয়নি বরোদা–গুজরাট

সিএবির যুগ্মসচিব দেবব্রত দাসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে বাংলা ছেড়ে অন্য রাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া আসরে নামলেও বরফ গলেনি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, ঋদ্ধির কাছে নাকি বেশ কয়েকটি রাজ্যের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তাব রয়েছে। এই তালিকায় বরোদা ও গুজরাটও ছিল। কিন্তু বরোদা ও গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে, ঋদ্ধিমান সাহাকে তাদের রাজ্যের হয়ে খেলার কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষকর্তা অনিল প্যাটেল বলেছেন, ঋদ্ধিমান সাহাকে গুজরাটের হয়ে খেলার জন্য কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। হেট প্যাটেল নামে আমাদের একজন তরুণ উইকেটকিপার রয়েছে। ও দারুণ খেলছে। ঋদ্ধিমানকে দলে নিয়ে কেন আমরা ওর ক্রিকেটজীবন নষ্ট করব?বরোদার পক্ষ থেকেও ঋদ্ধিকে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। বরোদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়শনের সচিব অজিত লেলে এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখান থেকে সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, গত একমাস ধরে আমি দেশের বাইরে। ঋদ্ধিমান সাহাকে আমাদের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেওয়ার কোনও খবর আমার কাছে নেই। অম্বাতি রায়ুডুকে আমরা নিয়েছি। নতুন করে ঋদ্ধিকে নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। ত্রিপুরা অবশ্য ঋদ্ধির ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু ঋদ্ধির আর্থিক চাহিদা মেটানোর ব্যাপারে কিছুটা হলেও অনীহা রয়েছে।এদিকে, বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে তাঁর বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন ঋদ্ধি। চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। ঋদ্ধিমান জানিয়েছেন, ওই একবারই নয়, বোরিয়া মজুমদার নাকি আগেও এইরকম কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, আমি দেখাতে চেয়েছিলাম একটা সাক্ষাৎকারের জন্য একজন সাংবাদিক কতটা নীচে নামতে পারেন! আমি পরে জানতে পেরেছি ওই সাংবাদিক এমনটা আগেও করেছেন। সে কারণেই বিসিসিআই এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে এবং ওই সাংবাদিককে শাস্তি দিয়েছে। আমি প্রথমে মুখ খুলিনি বোর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকার শর্ত মেনেই। ঋদ্ধিমান আরও বলেন, প্রথমে ভেবেছিলাম যে হুমকির ঘটনার কথা প্রকাশ্যে নিয়ে আসব না। কেন না, সকলেরই কেরিয়ার রয়েছে। কিন্তু যদি এমন আচরণের পরেও কারও আক্ষেপ না থাকে, তাহলে কতক্ষণ আর চুপ থাকা যায়?

জুন ২২, ২০২২
দেশ

ওডিষার উপজাতি মহিলাই রাষ্ট্রপতি! কে এই দ্রৌপদী মর্মু? জানুন

বিজেপির চমক। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা মঙ্গলবার ন্যাশানাল ডেমক্রেটিক ফ্রন্ট-র পক্ষ থেকে রাস্ট্রপতি পদপার্থীর নাম ঘোষণা করলেন। নাড্ডা ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মু-র নাম ঘোষণা করেন। তিনি নির্বাচিত হলে, ওড়িষার ৬৪ বছর বয়সী দ্রৌপদীই হবেন দেশের প্রথম আদিবাসী এবং দ্বিতীয় মহিলা রাষ্ট্রপতি।জেপি নাড্ডা বলেন, সমস্ত এনডিএ শরিকদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসাবে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম প্রস্তাব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নাড্ডা মঙ্গলবার বিরোধী জোটের রাষ্ট্রপতি পদপার্থী যশবন্ত সিনহার নাম ঘোষণার এক ঘণ্টা পরেই তাঁদের পার্থীর নাম ঘোষণা করেন।নাড্ডা আরও বলেন,ইতিপুর্বে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং আমি রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর বিষয়ে ঐকমত্য হওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গপ আলোচনা করছিলাম। কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। এখন যখন ইউপিএ ইতিমধ্যে সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তখন আমরাও আমাদের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী নিয়েও আলোচনা করেছি। তিনি বলেন, প্রায় ২০টি নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আমরা স্থির করেছিলাম দেশের পূর্বাঞ্চল থেকেই প্রার্থী করা হবে। এছাড়াও একজন নারী ও একজন উপজাতিকে প্রার্থী করারও ব্যাপারটা বিবেচনায় ছিল।কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?দ্রৌপদী মুর্মু ২০ জুন ১৯৫৮ তে ওড়িষার ময়ূরভঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম বিরাঞ্চি নারায়ণ টুডু। আদিবাসী পরিবারের অন্তর্গত, একটি উপজাতীয় জাতিগোষ্ঠীর পরিবার নারায়ণ। দ্রৌপদী মুর্মুর স্বামীর নাম শ্যাম চরণ মুর্মু। এই দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে ছিল। তিনি তাঁর স্বামী ও দুই ছেলেকে হারান।দ্রৌপদী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্য। তার রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু হয় যখন তিনি ওডিষার রায়রাংপুরে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং জয়ী হন। পরে তিনি রায়রাংপুর থেকে ২০০০ এ বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদন্দ্বিতা করে জয়ী হন এবং রাজ্যের বিজেডি-বিজেপি সরকারে মন্ত্রীত্ব লাভ করেন। ওডিষায় বিধায়ক এবং মন্ত্রী হিসাবে তার মেয়াদে তিনি প্রচুর সম্মান অর্জন করেছিলেন।Congratulations Smt #DraupadiMurmu on being announced as candidate of NDA for the countrys highest office. I was delighted when Honble PM @narendramodi ji discussed this with me. It is indeed a proud moment for people of #Odisha. Naveen Patnaik (@Naveen_Odisha) June 21, 2022ওড়িষায় ভারতীয় জনতা পার্টি এবং বিজু জনতা দলের জোট সরকারের বাণিজ্য ও পরিবহন, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়নের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্য মন্ত্রী ছিলেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের প্রথম মহিলা রাজ্যপাল। তিনি ওডিষা থেকে প্রথম মহিলা এবং উপজাতীয় নেত্রী যিনি ভারতের একটি রাজ্যে গভর্নর নিযুক্ত হয়েছেন।১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ করা হবে। এবং ২১ জুলাই গণনার দিন ধার্য করা হয়েছে। এই নির্বাচনের প্রতিদন্দ্বিতা করার জন্য মনোনয়ণ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ জুন। ২০১৭-র রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও তাঁর না বিবেচনার মধ্যে ছিল। শেষ মুহুর্তে বিবেচনায় আসে রামনাথ কোবিন্দ-র নাম। কেন দ্রৌপদী মুর্মু?সামনের বছর গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং ছত্তিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচন। তাঁর আগে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রার্থী হিসাবে দ্রৌপদী মুর্মু-র নাম প্রস্তাবের পিছনে বিজেপির এক বড় পদক্ষেপ। এই চারটি রাজ্যে তফসিলি উপজাতিদের জন্য ১২৮টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে, এবং সেই ১২৮টি আসনের মধ্যে ২০১৭-র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মাত্র ৩৫টি আসন জিতেছিল।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করে বিজপি উপজাতীয় ভোটারদের মধ্যে অনেক বেশী জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে বিজেপি আশা করছে। এছাড়াও, ওড়িষায় ক্ষমতাসীন বিজেডি সরকারের থেকেও সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে তাঁরা প্রায় নিশ্চিত। ইতিমধ্যে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেডি নেতা নবীন পট্টনায়েক দ্রৌপদী মুর্মু প্রার্থি পদের জন্য বিবেচিত হওয়ায় তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং তাঁর সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছেন।একই ভাবে, মুর্মুকে প্রার্থী করার জন্য ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেনকেও দ্বিধায় রাখবে। সোরেনের দল উপজাতীয় রাজনীতির জন্যই বিশেষ পরিচিত এবং একজন উপজাতীয় মহিলার বিরোধিতা করা তার পক্ষে কঠিন হবে, বিশেষ করে যিনি তার রাজ্যের গভর্নর ছিলেন। মজার ব্যাপার হল, ইউপিএ প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যশবন্ত সিনহাও ঝাড়খণ্ডের। বিজেপি গুজরাট এবং রাজস্থানে বিধায়ক রয়েছে এমন ভারতীয় উপজাতি পার্টির মতো ছোট দলগুলির কাছ থেকেও সমর্থন পাওয়ার আশা করতে পারে, বলে মনে করছে বিদগ্ধ জনেরা।পরিশেষে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পাখির চোখ পশ্চিমবঙ্গের দিকে। তাঁদের আরও ধারনা দ্রৌপদী মুর্মুকে প্রার্থী করে সবচেয়ে অসুবিধায় ফেলে দেওয়া হল বাংলার অগ্নি কন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এনডিএ বিরোধী জোটের মূল আহ্বায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-র বিরোধিতার রাশ টানতেই মুর্মুর নাম ঘোষণা। ২০২০ থেকেই তাঁর রাজনৈতিক পদক্ষেপে নারীবাদী স্লোগান সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এবং তারই ফলস্রুতি ২০২১-র নির্বাচনের ফলাফল। তাঁর বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় স্লোগান হয়ত এক্ষেত্রে বুমেরাং হয়ে যেতে পারে। একজন নারীবাদী কি আর এক উপজাতী নারীর বিরিধিতায় রাস্তায় নামতে পারবেন? আপামর জনসাধারণের চোখ থাকবে সে দিকেই......

জুন ২২, ২০২২
দেশ

এই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী আদিবাসী মহিলা, জেপি নাড্ডার ঘোষণায় বিরাট চমক

ওড়িষার আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে চমকে দিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। এদিন অবিজেপি জোট রাষ্ট্রপতি পদে যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী করেছে। এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। সাংবাদিক বৈঠকে নাড্ডা জানান, ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করছে এনডিএ। কাউন্সিলর থেকে রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছিলেন এই আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। পেশাগত ভাবে তিনি শিক্ষিকা।Smt. Droupadi Murmu Ji has devoted her life to serving society and empowering the poor, downtrodden as well as the marginalised. She has rich administrative experience and had an outstanding gubernatorial tenure. I am confident she will be a great President of our nation. Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2022

জুন ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পীযুষ সাহার হাত ধরে প্রিন্সের বড়পর্দায় অভিষেক, জালবন্দী নিয়ে উন্মাদনা

সমরেশ মজুমদারের রহস্য উপন্যাস অবলম্বনে জালবন্দী তৈরি করেছেন বাংলার সকলের পরিচিত প্রযোজক ও বহু শিল্পীর কারিগর পীযূষ সাহা। এই ছবি দিয়েই বাংলা ছবিতে অভিষেক হলো পীযুষ সাহার পুত্র প্রিন্স-এর। ছবিতে অভিনয় করেছেন দীপঙ্কর দে, পায়েল সরকার, জুন মালিয়া, দর্শনা বণিক, পম্পা সাহা, খরাজ মুখোপাধ্যায়, পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায় ও রণজয়। ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন গোপী ভগত।পীযুষ সাহা পরিচালনার ক্ষেত্রে বরাবর দর্শককে নতুন মুখ ও নতুন ধরণের গল্পের সন্ধান দিয়ে এসেছেন বহু বছর ধরেই। তার হাত ধরেই অঙ্কুশ, শুভশ্রী, রুবেলের রূপালী পর্দার সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়। গ্যাঁড়াকল, তুলকালাম, কেল্লাফতে, রাজু আঙ্কেল, বাজিমাত, নীল আকাশের চাঁদনী, বেপরোয়া-এর মত ছবি দর্শকমহলে ছাপ রেখে গেছে। এবার পীযুষ সাহার ছেলে প্রিন্স কতটা দর্শকদের মন জয় করতে পারে সেটাই দেখার।জালবন্দী নিয়ে প্রিন্স জানালেন, অনেকটাই এক্সাইটেড। পাশাপাশি একটু নার্ভাস ও আছি। দেখা যাক দর্শক কিভাবে আমাকে অ্যাক্সেপ্ট করে। সিনিয়রদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তবে এখনও অনেক কিছু শেখা বাকি আছে।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ চুক্তিজটে আটকে থাকা ইস্টবেঙ্গলের থেকে এগিয়ে কলকাতার অন্য দুই বড় ক্লাব

এই মরশুমে আইএসএলে খেলার সুযোগ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দল গঠনের কাজে পিছিয়ে নেই মহমেডান স্পোর্টিং। বরং কলকাতার আর এক প্রধান ইস্টবেঙ্গলকে এই ব্যাপারে টেক্কা দিয়েই চলেছে। ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় লালহলুদের দলগঠন প্রক্রিয়া যখন পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে একের পর এক ফুটবলারকে সই করিয়ে বাজিমাত করছে মহমেডান। মার্কাস জোশেফের সঙ্গে আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন সাদাকালো কর্তারা। এবার ঝাঁপাল নাইজেরিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলা স্ট্রাইকার ভিক্টর চুকুয়ামা এম্বাওমার জন্য। আইএসএলে খেলা এই স্ট্রাইকারের এজেন্টের সঙ্গে একপ্রস্থ কথা হয়েছে মহমেডান কর্তাদের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে। এছাড়া নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে খেলা দেশর্ন ব্রাউনকে পেতে মরিয়া মহমেডান। জামাইকার এই ফুটবলারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। এছাড়াও ক্যামেরুনের জাতীয় দলের ফুটবলার বৌবা আমিনু এবং তাজাকিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার কমরোন তরুসুনভের এজেন্টের সঙ্গেও কথা বলেছেন সাদাকালো কর্তারা। যদি চুকুয়ামা কিংবা ব্রাউনকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এই দুই ফুটবলারের জন্য ঝাঁপাবেন তাঁরা। এদিকে, চুক্তি আটকে থাকায় দল গঠনের কাজে হাত দিতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ইমামি ও ইস্টবেঙ্গলের আইনজীবীরা চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। তবে সেই চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর মাঝেই বিশাল কাইথ হাতছাড়া হয়েছে। ঘরের ছেলে বলে পরিচিত মহম্মদ রফিকও লালহলুদ ছেড়ে চেন্নাইন সিটি এফসিতে যোগ দিয়েছেন। জেরির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গিয়েও সই করাতে পারছে না। হয়তো তিনিও হাতছাড়া হয়ে যাবে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের এইরকম টালমাটাল পরিস্থিতিতে আগামী মরসুমের জন্য দলকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। নজর দিয়ে সিনিয়র দলের জন্য সাপ্লাই লাইন তৈরি করতে। একসময় যুব দল থেকে উঠে এসে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরির মতো ফুটবলাররা। সেই রকম ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার জন্য এবার বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিনিয়র দলের কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। ২০ জন থেকে যুবভারতীতে শুরু হবে এটিকে মোহনবাগানের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল গঠনের জন্য ট্রায়াল। ফেরান্দোর সহকারীরা এই প্রাথমিক দল নির্বাচন করলেও চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন ফেরান্দোই।

জুন ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শুটিংয়ের আগেই বন্ধ হচ্ছে রাজা চন্দের ছবি? কি বললেন পরিচালক?

শ্যুট শুরুর আগেই বন্ধের মুখে রাজা চন্দের পরবর্তী ছবি? টলিউডে জোর গুঞ্জন, সোহম চক্রবর্তী, ঊষসী রায়, বনি সেনগুপ্ত অভিনীত ছবিটির শ্যুটিং নাকি না-ও হতে পারে। শ্যাডো ফিল্মস ও শ্যামসুন্দর দে প্রযোজিত এই ছবিতে নাকি অভিনেত্রী ঊষসী রায়কে নিয়ে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রসঙ্গে পরিচালক রাজা চন্দ কলকাতার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কাউকে নিয়ে কোনও মনোমালিন্য ঘটেনি। শ্যুটিংয়ের তারিখ পিছিয়েছে। প্রথম এবং প্রধান কারণ, চূড়ান্ত চিত্রনাট্য এখনও হাতে পাননি তিনি। তাতেই ইন্ডাস্ট্রিতে ছবি বন্ধ হওয়ার ভুয়ো খবর রটেছে। একই সঙ্গে রাজা আরও জানান ১৮ জুন থেকে শ্যুট শুরু হওয়ার কথা ছিল। পিছিয়ে গিয়ে শুটিং শুরু হবে আগস্টে। এদিকে বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন ছবির তারিখ পিছোনোর খবর তিনি শুনেছেন। কিন্তু ছবিটা হচ্ছেনা এরকম কোনো খবর পাননি তিনি।

জুন ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের ৪৪ তম সমাবর্তন উৎসব উদযাপন

মহাজাতি সদনে অনুষ্ঠিত হলো সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের ৪৪ তম বার্ষিক সমাবর্তন উৎসব। ১৯৭৬ সালের ২৩ শে জানুয়ারি এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সেই থেকে প্রতি বছর এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।সারা পৃথিবীতে এদের পাঁচ হাজার শাখা রয়েছে ও প্রায় পাঁচ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রী তাদের। আন্তর্জাতিক স্তরে এই সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদ একটি উল্লেখযোগ্য নাম। যা চিরাচরিত ঐতিহ্য-আধুনিকতা ও পরম্পরার সাথে এগিয়ে চলেছে সকলের সহযোগিতায়।সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সর্বভারতীয় সংগীত ও সংস্কৃতি পরিষদের সম্পাদক কাজল সেনগুপ্ত। সমগ্র অনুষ্ঠান ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন সংস্থা র সহ সম্পাদক শান্তনু সেনগুপ্ত। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দেবাশীষ বসু।এবারের এই সমাবর্তনে প্রথমদিন মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই সমাবর্তন এর শুভ সূচনা করেন সংস্থার সহ সভাপতি অধ্যাপিকা ড. অমিতা দত্ত। এদিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ড. থ্যাংকমুনি কুট্টি, ড. মহুয়া মুখোপাধ্যায়, সংগীত পরিচালক কল্যাণ সেনবরাট, অভিনেত্রী মিতা চট্টোপাধ্যায়, পন্ডিত সমর সাহা,মিতা নাগ, নাট্যকার চন্দন সেন,পন্ডিত অলক লাহিড়ী,নৃত্যশিল্পী কোহিনুর সেন বরাট, সংস্থার সম্পাদক কাজল সেনগুপ্ত, সহ সম্পাদক ডঃ শান্তনু সেনগুপ্ত সহ আরো অনেকে।এবার কলামনি পুরস্কার পেলেন তিনজষ জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী ড থ্যাংকমুনি কুট্টি, ড অমিতা দত্ত, ড মহুয়া মুখোপাধ্যায়। সংবর্ধনা দেওয়া হয় বিভিন্ন রাজ্য ও জেলার পন্ডিত নগেন্দ্রমনি দাস, গুরু সংগীতা চাকী, গুরু অরূপ রঞ্জন ঘোষ রায়, ড চিত্তরঞ্জন মাইতি, শিল্পী উৎপল কর্মকার, শিল্পী নভোনীল চৌধুরী, শিল্পী সুজিত দাস, শিল্পী জয়দীপ ভট্টাচার্য বিভিন্ন শিল্পীদের। এই সংস্থা র ছাত্র ছাত্রীদের মানপত্র প্রদান করেন বহু বিখ্যাত শিল্পীরা।দ্বিতীয়দিন অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীরা পরিবেশন করেন নানা ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।ছাত্র ছাত্রীদের হাতে মানপত্র ও মেডেল তুলে দেন সংগীত শিল্পী অলোক রায় চৌধুরী, শমিক পাল,জয় শঙ্কর ও আবৃত্তিকার প্রবীর ব্রম্ভচারী। দুদিনের এই সমাবর্তন উৎসবে ১৫০০ ছাত্র ছাত্রীরা মানপত্র গ্রহণ করে, অনুষ্ঠানে ১৫০ জন প্রতিযোগী অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত হন।

জুন ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের মেকাপের কর্মশালায় অভিনবত্বের ছোঁয়া

নাটক, সিনেমা, সিরিয়াল থেকে শুরু করে ওয়েব সিরিজ অভিনয়েল সব প্ল্যাটফর্মের জন্যই মেকাপ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। মেকাপের মাধ্যমে অনেকসময় চরিত্রের সম্পূর্ণ রদবদল করা যায়। গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম আয়োজন করেছিল নাটকে মেকাপের কর্মশালা। দলের রিহার্সাল রুমে ১৫ জন্য কুশীলব নিয়ে সকাল ১১ টা থেকে এই কর্মশালা শুরু হয়। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীপ্ত মেকাপ একাডেমির কর্ণধার আলোক দেবনাথ। খুব সাবলীল ভঙ্গিমায় নাটকে মেকাপের ভূমিকা তিনি ব্যাখ্যা করেন। হাতে কলমে মেকাপের বেসিক কাজ গুলোকে তিনি সুন্দরভাবে ছেলেমেয়েদের মধ্যে বুঝিয়ে দেন এবং ছেলেমেয়েরা ভীষণ আনন্দের সাথে বিষয়টি রপ্ত করার চেষ্টা করেন।দলের ছেলেমেয়েরা ছাড়াও এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন মুকুলিকা ও ইমন মাইম সেন্টারের কয়েকজন বন্ধু। তাছাড়া এদিন উপস্থিত ছিলেন নাবিক নাট্যমের সম্পাদক অনিল কুমার মুখার্জি ও নাবিক নাট্যমের প্রতিষ্ঠাতা প্রদীপ কুমার সাহা। নাবিক নাট্যমের কর্ণধার জীবন অধিকারী জানান, অভিনয়ের পাশাপাশি এই ধরণের কর্মশালা ভীষণ প্রয়োজন। তিনি আরো জানান গোবরডাঙা নাবিক নাট্যম ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত নাট্যচৰ্চা করে চলেছে, নাটকের কর্মশালার পাশাপাশি আলো, আবহ, মেকাপ, পোষাক বিভিন্ন বিষয়ের উপর ওয়ার্কশপ করে ছেলেমেয়েদের থিয়েটারের জন্য দক্ষ করে তোলাই নাবিক নাট্যমের মূল লক্ষ।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
রাজ্য

গুরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রতর দেহরক্ষীকে গ্রেফতার, আরও জেরা করে নতুন তথ্য পেতে চায় সিবিআই

গরুপাচার মামলায় দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সিবিআই গ্রেফতার করল তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে। এর আগে তাঁকে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। জানা গিয়েছে, আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষীকে। সূত্রের খবর, পাশাপাশি তাঁর বয়ানে অসঙ্গতিও মিলেছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আইনজীবী সঞ্জীব দাঁয়ের সঙ্গে নিজাম প্যালেসে হাজির হন সায়গল। জিজ্ঞাসাবাদের কিছুক্ষণের মধ্যেই এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সায়গলের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। ফের নিজাম প্যালেসে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সায়গলকে আসানসোল সিবিআই আদালতে পেশ করা হবে। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রতর এই দেহরক্ষীর নামে একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, জমির দলিল রয়েছে। তাঁর যে সম্পত্তি রয়েছে তার সঙ্গে বেতনের কোনও সামঞ্জস্য নেই বলেই সূত্রের খবর।সায়গলকে এই নিয়ে ৫ বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এমনকী তাঁর মুর্শিদাবাদের ডোমকলের বাড়িতে গত সপ্তাহে সিবিআই হানা দিয়েছিল। সেখানে তল্লাশিও চালিয়েছিল সিবিআই। সেদিন বেশ কিছু নথিও বাজেয়াপ্ত করে তদন্তকারীরা। গরুপাচার কাণ্ডে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সায়গলের নাম উঠে এসেছিল। তদন্তকারারীরা মনে করছে সায়গলকে জেরা করে আরও নতুন তথ্য় উঠে আসবে। যাতে তদন্তের অগ্রগতি হবে। পাশাপাশি তাঁর কাছে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির উৎস কী তাও খতিয়ে দেখছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। হাজিরা দেওয়ার আগে দীর্ঘ দিন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তিও ছিলেন অনুব্রত। এই মামলায় ইতিমধ্যে এনামুল হক, বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারকে গ্রেফতারও করেছে সিবিআই। ফের অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই।

জুন ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ডাবল ডাউন-এ জন্মদিনে দেদার হুল্লোড়, সঙ্গে গান

দু বছর করোনার জন্য জীবন যেন থমকে দাঁড়িয়েছিল। এখন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস মিলেছে। সকলে করোনার চোখরাঙানি থেকে বেরিয়ে নিজেদের মতো করে জীবন উপভোগ করছেন। প্রিয় মানুষের সঙ্গে, বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি লাইভ ও কাটাচ্ছেন।এমনই এক পানশালা মধ্য কলকাতার শরৎ বোস রোডে। নাম ডাবল ডাউন। মিন্টো পার্কের উল্টোদিকে শরৎ বোস রোডে কয়েক পা এগোলেই আইডিয়াল প্লাজা।দুজনে নিভৃতে বা দল বেঁধে জীবন উপভোগ করতে আসা যায় ডাবল ডাউন লাউঞ্জে। যেমন সুস্বাদু খাদ্যের সম্ভার, তেমন বিশ্বের সেরা সুরার আয়োজন। উপরন্তু লাইভ মিউজিকের ব্যবস্থা। গায়কের সুমধুর কণ্ঠের গানে মেতে তৃপ্তির পেয়ালায় একটি চুমুক যেন স্বর্গীয় অনুভূতি। এখানে গানের চর্চা থাকলে বারের ব্যান্ডে গলাও মেলানোও যাবে। শহরের অনেক সেলিব্রেটির পছন্দের স্থান ডাবল ডাউন।এখানেই শহরের দুই বিশেষ অতিথি লুনা চট্টোপাধ্যায় এবং সুরজিৎ চক্রবর্তীর জন্মদিন পালিত হল। উপস্থিত ছিলেন সকলের প্রিয় ফুডকা। ফুডকার উপস্থিতি পরিবেশটা আরো রঙিন করে তোলে।এর পাশাপাশি ছিল লাইভ মিউজিক। হিন্দি গানে দর্শকদের মুগ্ধ করে লাইভ মিউজিকের সঙ্গে পারফর্ম করা মিউজিশিয়ানরা। দর্শকদের অনুরোধের গানও গাইলেন তারা। পাশাপাশি ছিল কেকে কে শ্রদ্ধা জানিয়ে গানের আয়োজন।

জুন ০৭, ২০২২
রাজ্য

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও ১০০ দিনের কাজের প্রাপ্য টাকার দাবিতে বর্ধমানে মহামিছিল

রাজ্যে যখন বিজেপি-র সর্ব-ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা দলকে অক্সিজেন যোগান দিতে এসেছেন, ঠিক সেই সময় সারা রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামল তৃণমূল কংগ্রেস। মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প-র বকেয়া প্রদান ও পেট্রোপণ্য সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার বর্ধমান শহরে এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করেন তৃণমূল কংগ্রেস। মিছিলটি শুরু হয় বংশগোপাল টাউন হল থেকে। মিছিলের নেতৃত্ব দেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, উত্তরফটক-এ গিয়ে এক পথসভা করে মিছিলের পরিসমাপ্তি হয়।বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস জানান বর্ধমান পুরসভার ৩৪টি ওয়ার্ডের অধিকাংশ পুরপিতা এই মহা মিছিলে অংশ নেন। তিনি আরও জানান আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ হাজার তৃণমূল সমর্থক পা মেলান এই প্রতিবাদ মিছিলে। বিধায়ক খোকন দাস জানান, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যেভাবে পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন ও রান্না গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে তাতে করে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।বর্ধমান শহরে তৃনমুলের মহামিছিলবর্ধমান শহর আর এক তৃণমূল নেতৃত্ব সুজিত কুমার ঘোষ জনতার কথা কে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বিচারিতা ও বৈমাতৃক সুলভ আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানাই, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বারংবার বিভিন্ন সভায় জানিয়েছেন ৯৪ হাজার কোটি টাকা জিএসটি থেকে প্রাপ্য রাজ্যের পাওনা কেন্দ্রের এই অমানবিক সরকার আটকে রেখেছে। আমরা জানি দেশের অন্য বিজেপি শাষিত রাজ্যের এই পরিস্থিতি নেই।সুজিত ঘোষ আরও জানান, পেট্রোপণ্যের আস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দাম আজ আকাশ ছোঁয়া। সাধারণ মানুষ দেখছে, এর উত্তর ২০২৪ লোকসভা তে তাঁরা দেবে। বাংলার দিদি ভারতের দিদি হতে কিছু সময়ের অপেক্ষা। আজকের মিছিলে অগণিত মানুষের উপস্থিতি সেই বার্তা-ই দিচ্ছে। বিধায়ক খোকন দাস ছাড়া এই মিছিলে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি, বর্ধমান পুরসভার উপ-পৌরপতি মৌসুমি দাস, ৪ নং ওয়ার্ডের পুরপিতা নুরুল আলম, উজ্জ্বল প্রামাণিক, সুজিত কুমার ঘোষ, আব্দুল রব, শিবশঙ্কর ঘোষ, ইন্তেকাব আলম সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

জুন ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে ফরাসি ওপেন জিতে নিলেন নাদাল

তিনিই যে ক্লে কোর্টের রাজা, আবার প্রমান করে দিলেন রাফায়েল নাদাল। ক্যাসপার রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে জিতে নিলেন কেরিয়ারের ১৪তম ফরাসি ওপেন খেতাব। ফরাসি ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে গেলেন ২২ তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাবে।সাম্প্রতিককালে নরওয়ের ক্যাসপার রুড ক্লে কোর্টে দারুন দাপট দেখাচ্ছেন। অনেকেই ভেবেছিল, ফরাসি ওপেনের ফাইনালে রাফায়েল নাদালকে বেগ দেবেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারলেন না। নাদালের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি রুড। এবারের ফরাসি ওপেনে নাদাল খেলতে নেমেছিলেন পঞ্চম বাছাই হিসেবে। নরওয়ের রুড ছিলেন অষ্টম বাছাই। নরওয়ের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রথম কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেললেন নাদাল-ভক্ত রুড। ৩৬ বছরের নাদাল সবচেয়ে বেশি বয়সের টেনিস তারকা হিসেবে জিতলেন ফরাসি ওপেন খেতাব। ৫০ বছর আগে স্পেনের আন্দ্রে জিমেনো ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন ৩৪ বছর বয়সে। ২০০৫ সালে ১৯ বছর বয়সে নাদাল প্রথমবার ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন। তখন এই রুডের বয়স ছিল মাত্র ৬। রুড মালোর্কায় রাফায়েল নাদালের আকাদেমিতে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। গুরুর বিরুদ্ধে গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেলা তাঁর কাছে স্বপ্নপূরণ বলেও জানান তিনি।প্রথম দুটি সেট নাদাল ৬-৩, ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেটে নাদাল একটা সময় ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ অবধি ৪৮ মিনিটে তিনি ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন প্রথম সেট। ঠাণ্ডা আবহাওয়া, হাওয়াও দিচ্ছিল। দ্বিতীয় সেট চলাকালীন রোদ ওঠে। একটা সময় দ্বিতীয় সেটে রুড ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নাদাল নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে এরপরই টানা পাঁচটি গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে নাদাল মাত্র পাঁচটি আনফোর্সড এরর করেন। তৃতীয় সেটেও অসাধারণ দাপট দেখালেন রাফা। তৃতীয় সেটে রুডকে দাঁড়াতেই দেননি। আগাগোড়া দুরন্ত সার্ভেই বাজিমাত করেন ক্লে কোর্ট কিং রাফা। তৃতীয় সেট নাদাল জিতে নেন ৬-০ ব্যবধানে। এদিন রাফা বনাম রুডের ফাইনাল চলল ২ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ধরে। এই জয়ের ফলে রোলাঁ গারোয় নাদাল জিতলেন ১১২টি ম্যাচ, হেরেছেন মাত্র তিনটিতে। ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ এবং নরওয়ের রাজপুত্র হাকন। পাশাপাশি বসেই তাঁরা দেখলেন ক্লে কোর্টের রাজার শ্রেষ্ঠত্ব।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের মহলা কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মাল্যদান করেন সাংবাদিক বিপ্লব কুমার ঘোষ মহাশয়। এরপর নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে মাল্যদান করেন প্রদীপ কুমার সাহা। সংস্থার কর্ণধার জীবন অধিকারীর উদ্বোধনী সংগীতে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমেই বিপ্লব কুমার ঘোষ কে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। তিনি নাবিক নাট্যমের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তার বক্তব্য দর্শকদের রবীন্দ্র-নজরুল চেতনায় প্রভাবিত করে। এদিন উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবকও গোবরডাঙা পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর বাসুদেব কুন্ডু। তাছাড়াও ছিলেন গোবরডাঙা চিরন্তন, নাট্যয়ন, মৃদঙ্গম, মসলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার, মুকুলিকা গানের স্কুল, চাঁদপাড়া এক্টর বন্ধুরা এবং এলাকার বিশিষ্ট সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষেরা।এই অনুষ্ঠানে নৃত্য প্রদর্শন করেন নিকিতা সরকার, রাখি বিশ্বাস, দেবাদৃতা ঘোষ, নবনীতা বিশ্বাস, দেবস্মিতা চক্রবর্তী, সৃজনী রায়চৌধুরী, অস্মিতা দত্ত প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন ঐশী মুখার্জি, ঋষভ চক্রবর্তী, চৈতি সিংহরায়। সংগীত পরিবেশন করেন নমিতা বিশ্বাস, সোনালী দাস, অনিমা মজুমদার। মনোগ্রাহী এই অনুষ্ঠানের বিশেষ মাত্রা যুক্ত করে সৌরজ্যোতি অধিকারী ও আঁকন মজুমদারের গানের যুগলবন্দী। কালাচাঁদ শীলের তবলার বোল দর্শকদের মাতিয়ে রাখে। আল্পনা সরকারের সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছিল।

জুন ০৫, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনককে সম্বর্ধনা পুর্ব-বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা-র

বর্ধমান শহরের সিএমএস স্কুলের ছাত্র রৌনক মণ্ডল। ২০২২র মাধ্যমিক পরীক্ষায় যুগ্ম প্রথম স্থানাধিকারী। রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল (বাঁকুড়া) অর্ণব ঘড়াই রৌনক -এর সাথে যুগ্ম ভাবে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ বছর ৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছিল। করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ এ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়নি। ২০২২ এ মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩। ছাত্রের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯ জন। এবং ছাত্রী ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। সারা রাজ্যে ৪ হাজার ১৫৪ টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে সম্পুর্ণ আদর্শ করোনা বিধি মেনে।পুর্ব-বর্ধমান জেলার জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা মাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী রৌনক মণ্ডল-কে তাঁর জেলাশাসক কার্যালয়ে শুক্রবার সম্বর্ধনা দেন। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা রৌনক-কে একটি ল্যাপটপ উপহার দেন। ভবিষ্যতে কি হতে চাই সে কথা জানতে চাইলে, রৌনক প্রিয়াঙ্কা সিংলা কে জানান আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই। প্রিয়াঙ্কা সিংলা তার সাফল্য কামনা করে শুভকামনা জানান, যাতে সে তার লক্ষ্যে অবিচল থেকে লক্ষ্য পুরণ করতে পারে।রৌনক জানান, সে মাধ্যমিকে প্রথম হবে সেটা আশা করেননি। তার ধারনা ছিল সে এক থেকে দশের মধ্যে থাকবে। রৌনক কতক্ষণ পড়ত জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা এ কথা জানতে চাইলে, তাঁর মা জেলাশাসক-কে জানান, রৌনক দিনে গড়ে আট ঘণ্টা পড়ত। তিনি আরও জানান, রৌনক খুব বেশী রাত জেগে পড়েনি।শুক্রবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর প্রথম স্থানাধিকারী পূর্ব বর্ধমানের রৌনক মণ্ডল জানতে পারেন তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩। সে জানাই, তার প্রিয় বিষয় জীবনবিজ্ঞান এবং অঙ্ক। যেহেতু আমার লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া তাই, নিট পরীক্ষার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছি।রৌনকের প্রিয় চরিত্র ফেলুদা, সত্যজিত রায়ের অমর সৃষ্টি পড়েই অবসর সময় অতিবাহিত করে সে। অবসর সময়ে ভলিবল খেলত বলে জানাই রৌনক। রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুরাগী, সময় পেলেই রবীন্দ্রনাথের গান গুনগুনিয়ে ওঠে। জেলাশাসকের কাছ থেকে ল্যাপটপ উপহার পেয়ে খুবই খুশি মাধ্যমিকে প্রথম রৌনক। সে জানাই এই ল্যাপটপ আমার পড়াশোনার জন্য খুব-ই কাজে লাগবে।

জুন ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাব ফিরিয়ে কেন চেন্নাইন এফসি–তে সই করলেন মনোতোষ?‌

দলবদলের বাজারে বড় ধাক্কা খেল ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের প্রস্তাব ফিরিয়ে চেন্নাইন এফসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন মনোতোষ চাকলাদার। বাংলার এই প্রতিশ্রুতিবান ডিফেন্ডারকে হারালেও সার্থক গোলুইকে তুলে নিয়েছে লালহলুদ।কলকাতা লিগে ভাল খেলার সুবাদে প্রথম থেকেই মনোতোষের ওপর নজর ছিল লালহলুদ কর্তাদের। সন্তোষ ট্রফিতেও বাংলার হয়ে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দেন এই উদীয়মান ডিফেন্ডার। তখন থেকেই বিভিন্ন ক্লাবের নজর ছিল মনোতোষের ওপর। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি চেন্নাইন এফসিও প্রস্তাব দিয়েছিল মনোতোষকে। শেষ পর্যন্ত চেন্নাইনের প্রস্তাব মনে ধরায় তিনি আইএসএলের এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন।কেন চেন্নাইনের প্রস্তাব গ্রহন করলেন মনোতোষ? আসলে লালহলুদ কর্তাদের ওপর ভরসা করতে পারেননি তিনি। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা মনোতোষকে বলেছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে আইএসএলের দলে নেওয়া হবে। লালহলুদের এই প্রস্তাবে মনোতোষ রাজি হননি। আইএসএলে খেলার নিশ্চয়তা পাওয়ার জন্যই তিনি চেন্নাইনের প্রস্তাব গ্রহন করেন। তাঁর সঙ্গে ৩ বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন এফসি।বরাবারই তিনি আইএসএলের ক্লাবে খেলতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নপূরণ করার জন্যই ইস্টবেঙ্গলে সই করেননি। চেন্নাইনে সই করে খুশি মনোতোষ। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবও ছিল। কিন্তু কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করত। আমি তাতে রাজি হইনি। আইএসএল দলে খেলার স্বপ্ন ছিল। চেন্নাইনে সেই সুযোগ পাব। অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল আইএসএলে খেলার। সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। আপাতত লক্ষ্য প্রথম একাদশে জায়গা করে নেওয়া। চেন্নাইনে বিদেশি কোচ রয়েছে। ভাল ভাল বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। অনেক কিছু শিখতে পারব।এদিকে, মনোতোষকে হারিয়ে ডিফেন্স পোক্ত করার জন্য সার্থক গোলুইকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল। তিনি লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করে দিয়েছেন। গত বছর বেঙ্গালুরু এফসির জার্সি গায়ে খেলেছিলেন সার্থক। তার আগে ইস্টবেঙ্গলে একটা মরশুম কাটিয়েছিলেন। ২৪ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার স্টপার ছাড়াও সাইড ব্যাকে খেলতে পারেন। বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের আর এক সদস্য সজল বাগকে তুলে নিয়েছে ওড়িশা এফসি। তাঁর দিকেও নজর ছিল ইস্টবেঙ্গলের।

জুন ০১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • 47
  • 48
  • 49
  • ...
  • 94
  • 95
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal