• ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Crime

রাজ্য

Malda Crime: দুই হাত শিকল বাঁধা, মালদায় শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনে থানায় অন্তঃসত্ত্বা বধূ

হাতে শিকল বাঁধা, তাতে আবার তালা দেওয়া। সেই অবস্থায় থানায় গিয়ে শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালেন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ। এই ঘটনায় মালদার চাঁচল থানার মোবারকপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বধূ নির্যাতনের এমন তালিবানি কায়দা দেখে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশ কর্তাদের। অভিযোগ, পণ না দেওয়ায় এমন শাস্তি দিয়েছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।দিনের পর দিন শিকলবন্দি অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হাওয়ায় অবশেষে শশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। চাঁচল থানার মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোবারকপুর এলাকায় এই ঘটনায় বাকরুদ্ধ পুলিশ কর্তারা। অভিযোগকারিনীর দুই হাত তালা দিয়ে শিকল বাঁধা। গৃহবধূকে শিকলবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করে পুলিশ। শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূ। এরপরই তদন্ত শুরু করে চাঁচল থানার পুলিশ। অসুস্থ গৃহবধূকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন পরিবারের লোকেরা।পুলিশ জানিয়েছে, পাঁচ বছর আগে চাঁচল-এক ব্লকের মকদমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশ্বিনপুরের বাসিন্দা পিঙ্কি খাতুনের(২২) বিয়ে হয় মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা সাহেব আলির। সাহেব পেশায় দিনমজুর। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ওই বধূ এখন তিনমাসের অন্তঃসত্বা। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য পিংকি খাতুনকে শিকল বন্দি করে রাখতো শ্বশুর বাড়ির লোকেরা। তারপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলত পিংকির ওপর। নির্যাতিত গৃহবধূ এই ঘটনার কথা তাঁর বাবা-মায়ের কাছে জানিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিকবার গ্রামে সালিশি সভা হয়েছে। তাতেও সমস্যা মেটেনি।দুই সন্তান, বধূ অন্তঃসত্ত্বা তবু পণ নিয়ে দিন কয়েক ধরে অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠ। অভিযোগ, সোমবার রাতে শিকল দিয়ে বেঁধে চরম মারধর করে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা। গলায় শাড়ির আঁচল পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে প্রাণে মারার চেষ্টাও করা হয়। এমনই অভিযোগ তুলেছে ওই পিংকি। এরপরই কোনওরকমে সেখান থেকে সকলের অলক্ষ্যে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন ওই বধূ। পিংকি মঙ্গলবার চাঁচল থানায় শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে চাঁচল থানার পুলিশ। চাঁচল থানার আইসি সুকুমার ভোজ জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।পিঙ্কি খাতুন জানিয়েছেন, পণের জন্য আমার উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার চালাত স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। যাতে পালিয়ে যেতে না পারি তাই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা হাতে শিকল পেচিয়ে তালা মেরে রাখতো। মারধরও চলতো। মঙ্গলবার ঝুঁকি নিয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে থানায় চলে আসি। এছাড়া বাঁচার কোনও আশা ছিল না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Crime: সোনা-রুপো ও টাকা ছিনতাই গলসিতে, উদ্ধার মুর্শিদাবাদে, গ্রেফতার চার

স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছে থাকা সোনা,রুপো ও নগদ টাকা ভর্তি ব্যগ ছিনতাই করে পালানোর ঘটনায় গ্রেফতার হল চার দুস্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মুর্শিদাবাদের সালার এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার রাতে ওই চার দুস্কৃতীকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হল মহম্মদ আলি শেখ ওরফে কচি, জিয়ারুল শেখ, রতন শেখ ও বিপ্লব কর্মকার। ধৃতদের মধ্যে রতন ও বিপ্লব মুর্শিদাবাদের সালার থানা এলাকার বাসিন্দা। অপর দুই ধৃতদের মধ্যে কচি গলসির শশঙ্গা ও জিয়ারুল ভাতার থানার বামশোর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশের দাবি ধৃতদের কাছ উদ্ধার হয়েছে ৫১ গ্রাম সোনা, ২.৫ কেজি রুপো ও নগদ ২ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা।সুনির্দিষ্ট ধারার মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার চার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে টিআই প্যারেডেরও আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের জেল হেপাজতে পাঠিয়ে ৬ নভেম্বর ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ধৃতদের টিআই প্যারেড করানোর আবেদনও বিচারক মঞ্জুর করেছেন।পুলিশ জানিয়েছে, গলসির ছালালপুর এলাকার বাসিন্দা সওকত মোল্লা ওরফে স্বপন পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। গলসির ভুঁড়িডাঙ্গা এলাকায় তাঁর একটি গয়নার দোকান রয়েছে। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ৭৫ মিনিট নাগাদ সওকত মোল্লা তাঁর দোকান বন্ধ করে বাইকে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে ৪ ভরি সোনার অলংকার, ৩ কেজি রুপো ও নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিল। রাত ৮ টা নাগাদ তিনি যখন ছালালপুরের মোরাম রাস্তা ধরে যাচ্ছিলেন তখন দুই দুস্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। ভয় দেখিয়ে দুস্কৃতিরা ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর সঙ্গে থাকা সোনা, রুপো ও টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে নিয়ে বাইকে চেপে পালায়। এই খবর পাবার পরেই নড়েচড়ে বসে গলসি থানার পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং চালিয়ে পুলিশ ওই দুস্কৃতীদের লোকাল ইনফরমার ইব্রাহিম মল্লিক ওরফে স্বপন নামে এক ব্যক্তিকে পাকড়াও করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ওই দুই ছিনতাইকারীসহ তাঁদের গ্যাংটিকে চিহ্নিত করে।তদন্ত চালিয়ে পুলিশ এও জানতে পারে ছিনতাইকারীরা মুর্শিদাবাদের সালার এলাকায় আত্মগোপন করে রয়েছে। এরপর সালারে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কয়েক দফায় ছিনতাইকারী গ্যাংয়ের চার জনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া সোনা, রুপো ও নগদ টাকা। ঘটনার ৭২ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ ছিনতাইকারীদের জালে পোরায় স্বস্তিতে স্বর্ণ ব্যবসায়ী।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Murder in Purba Bardhaman: গ্রামের বাড়িতে এসে কলকাতার ব্যবসায়ী খুন পূর্ব বর্ধমানে, আটক দুই, জোরদার তদন্তে পুলিশ

গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে খুন হলেন কলকাতার এক ব্যবসায়ী। মৃতর নাম সব্যসাচী মণ্ডল(৪৪)।শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার দেরিয়াপুর গ্রামে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে রায়না থানার পুলিশ ব্যবসায়ীর গাড়ির চালক ও রাঁধুনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে কারা কি কারণে ব্যবসায়ীকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দেশবাড়ি রায়নার দেরিয়াপুর গ্রামে। তিনি ও তাঁর পরিবার এখন থাকেন হাওড়ার শিবপুরে। সেখানে তাঁর পলিথিন সামগ্রীর ব্যবসা রয়েছে। শুক্রবার সব্যসাচী মণ্ডল তাঁর এক বন্ধু নাজবীর সিংকে সঙ্গে নিয়ে দেরিয়াপুর গ্রামের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসেন। রাতে দেশবাড়ির ছাদে রান্না হচ্ছিল। নাজবীর সিংয়ের কথায় জানা গিয়েছে, ছাদে রান্না যখন চলছিল তখন সেখানেই ছিলেন ওই সব্যসাচী। সেই সময়ে কেউ নীচে ডাকছে বলে জানিয়ে সব্যসাচীর গাড়ির ড্রাইভার সব্যসাচীকে নিয়ে ছাদে থেকে নিচে নেমে যায়। এর খানিকটা পর তাঁরা নীচে নেমে রক্তাক্ত অবস্থায় সব্যসাচীকে দেখতে পান। তৎক্ষণাৎ তাঁরা সব্যসাচীকে উদ্ধার করেন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান বলে বন্ধু রাজবীর সিং ও রাধুনি পার্থ সান্যাল দাবি করেছেন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে তদন্তে যায় রায়না থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দেরিয়াপুরের বাড়িতে রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ব্যবসায়ীর দেহের একাধিক জায়গায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে বোঝা যাবে কি জাতীয় জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। তদন্ত এখন একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটলো তা জানার জন্য মৃতর পরিবারের লোকজন ছাড়াও এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Child Abuse: একরত্তি শিশুকে আছড়ে ফেলছেন পরিচারিকা, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠলেন বাবা-মা

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আঁতকে উঠতে বাধ্য। এক রত্তি শিশুকে কাঁধের ওপর তুলে বিছানায় সজোরে আছড়ে ফেলছে পরিচারিকা। শিশুটির পিঠেও আঘাত করা হচ্ছে। সিসিটিভির এই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠেছেন বাড়ির কর্তা-গিন্নি। দুজনকেই কাজের তাগিদে বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন শিশুটিকে দেখাভালের জন্য। বাবা-মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, বাবা দেবাশিস দাস বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, মা নবমিতা ভট্টাচার্য মেদিনীপুরের পাবলিক হেলথের ডিস্ট্রিক্ট ম্য়ানেজার। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে শিশুটিকে দেখভালের জন্য রেখেছেন জনৈক কল্পনা সেনকে। বছর পঞ্চাশের এই স্থানীয় মহিলা ২০১৮ সাল থেকে দেবাশিসবাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার বাড়িতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে গত মে মাসে ফের ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন নবমিতা। দেবাশিসবাবু প্রতি শনিবার ফ্ল্যাটে আসেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকা কল্পনার অচরণে সন্দেহ হয় দেবাশিসবাবু ও নবমিতার। তাঁরা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করেন। কিন্তু সিসিটিভির বিষয়টা পরিচারিকা জানাননি। তাঁরা মোবাইলে অনলাইনে সিসিটিভির মাধ্যমে বাড়ির প্রতি নজর রাখতেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলে অনলাইনে মেয়েকে দেখতে গিয়ে আঁতকে ওঠেন দেবাশিসবাবু। তিনি দেখেন পরিচারিকা তাঁর একরত্তি শিশুর ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। বিছানার ওপর আছড়ে মারছে তাঁর শিশু সন্তানকে। মারধরও করছে। বিষয়টি স্ত্রী নবমিতাকে জানান দেবাশিসবাবু। তড়িঘড়ি দুজনে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। আপাতত পরিচারিকার স্থান শ্রীঘরে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
কলকাতা

Fake IPS: ২৯ বার হ্যান্ডসেট বদলেও শেষরক্ষা হল না

শহরে ফের একবার ভুয়ো আধিকারিক গ্রেপ্তার। নিজেকে আইপিএস অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের কাজ করত বালির অঙ্কিত কুমার। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন লোককে মেসেজ করে সাইবার থানায় তাদের বিরুদ্ধে কেস আছে বলে জানাত। সে টাকার বিনিময়ে পুরো ব্যযপারটা মিটিয়ে দিতে পারে বলে ২০,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করত। এই কাজ করতে সে ব্যবহার করত কলকাতা পুলিশের লোগো, এমনকী, লোককে বিশ্বাস করাতে ব্যবহার করত ইন্টারনেট থেকে নেওয়া উচ্চপদস্থ আইপিএস অফিসারের ছবি।আরও পড়ুনঃ নতুন মিউজিক ভিডিওতে শাহির-হিনাদীর্ঘদিন ধরে অঙ্কিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ কলকাতা পুলিশের কাছে জমা পড়ে। সেই অনুযায়ী পুলিশ তার গতিবিধির উপর নজর রেখেছিল। এদিকে, অঙ্কিত আগেই আঁচ করেছিল সে পুলিশের জালে ধরা পড়তে পারে। পুলিশ সূত্রে খবর, তাই একাধিকবার নিজের মোবাইল নম্বর ও ২৯ বার নিজের হ্যান্ডসেট বদল করে অঙ্কিত। তবে তাতেও শেষরক্ষা হল না। পরিবর্তে হাওড়ার বালি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হবে। তাকে নিজের হেপাজতে নিয়ে জেরার পরই প্রতারণার বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ০৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Web Series : ক্লিকে শীঘ্রই আসছে ওয়েব সিরিজ কালিম্পং ক্রাইমস

কালিম্পং ক্রাইমস মূলত একটি সিনেমা তৈরির শুটিং-এর গল্পের প্রেক্ষাপটে, অন্তর্নিহিত আর একটি গল্প। রোমহর্ষক ষড়যন্ত্র, ধারাবাহিক খুন ও তার সুত্র অনুসন্ধান মূলক সিরিয়াল কিলিং- এর তদন্ত কাহিনী। গল্পের সূত্রপাত, একটি সিনেমার শুটিং দলের কালিম্পং পৌঁছানো নিয়ে। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যে ঘেরা কালিম্পংয়ের কুয়াশাচ্ছন্ন ডেলোতে একটি পুরানো ব্রিটিশ ট্যুরিস্ট লজ গল্পটির প্রাণকেন্দ্রে। যেখানে প্রখ্যাত অভিনেতা এবং কলাকুশলী সহ একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ইউনিট এসে পৌঁছায়। আর সেখানেই একে একে মূল গল্পের বিভিন্ন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ কৌতূহলজনকভাবে চোখে পড়ে।এই দলে ২ জন নায়িকা, একজন লম্পট প্রযোজক, প্রযোজকের এক বদবখাটে ভাই, একজন কেতাদূরস্ত নায়ক, একজন বেপরোয়া সিনেমাটোগ্রাফার, একজন বদ-মেজাজী পরিচালক, একজন ম্যানেজার, একজন স্ক্রিপ্ট লেখক, একজন খলনায়ক ও ২ জন সহকারী পরিচালক রয়েছেন, যাদের চরিত্র এবং বৈশিষ্ট্যগুলি একে একে গল্পে দেখানো হয়। এরই সাথে এক বিচিত্র ডাক্তার রায়চৌধুরী এসে ডেলোয় পৌঁছন, যার পুরোনো দিনের অস্ত্র সংগ্রহের একটি বিশেষ শখ রয়েছে।শুরুতেই উত্তেজনার পারদ কিঞ্চিৎ বেড়ে যায়। নায়ক রাহুলকে গল্পের ভেতরে তৈরি হওয়া ছবির দুই অভিনেত্রীর সাথে, আমরা পৃথক সময়ে ঘনিষ্ট কীর্তিকলাপে লিপ্ত হতে দেখতে পাবো। প্রযোজক দয়াল এবং সায়রা নামে একজন অভিনেত্রীর মধ্যেও কুৎসিত বিবাদ শুরুর আভাস দেখতে পাওয়া যাবে, যেখানে প্রযোজক তার উপর যৌন নির্যাতন করতে উদ্যত হন। এরপরেই দুই নায়িকা, মল্লিকা এবং সায়রা আক্ষরিক অর্থেই একে অপরকে তীব্র হুমকি দিতে থাকেন। তাদের দুজনের প্রেম বা ঘৃণার ব্যাক্তি কি এক?সেই রাতেই সায়রা এক ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হয়। ঘটে যায় তার অস্বাভাবিক মৃত্যু। যদিও স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিক ভাবে এই ঘটনাটিকে একটি আত্মহত্যার মামলা হিসাবে তুলে ধরে। আর হটাৎ করেই এই অপরাধের ঘটনাস্থলে, নিহারিকা সেন নামে একজন গোয়েন্দার আবির্ভাব হয়। এবং তিনি পুনরায় এই হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করেন। জমে ওঠে গল্পের প্লটটি। আশঙ্কাজনক ভাবে বোঝা যায় যে, ইউনিটের যে কেউ, আততায়ীর পরবর্তী শিকার হতে পারে! এইভাবে গল্পটি এগোতে থাকে। এই ওয়েব সিরিজের পরিচালক তপন সাহা।

জুলাই ২৯, ২০২১
দেশ

Pak-Spy: রাজস্থান থেকে গ্রেপ্তার আইএসআই চর

মুখোশের আড়ালে থেকে দিনের পর দিন ধরে গোপন তথ্য পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছে পাক চর। এমনকী, দেশবিরোধী কাজও চালিয়ে গিয়েছে। কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। সম্প্রতি, রাজস্থানের পোখরান থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। বুধবার রাতে তাকে দিল্লিতে আনা হয়। জেরা করে তার কাছ থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আরও পড়ুনঃ জাতীয় স্তরের নাবালিকা ক্যারাটে খেলোয়াড়ের আত্মহত্যা, গ্রেফতার যুবকজানা গিয়েছে, সামান্য সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পড়শি দেশের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর হাতে তুলে দিত ওই ব্যক্তি। ধৃতের নাম হাবিব খান। অভিযোগ, সবজি বিক্রেতার ছদ্মবেশে জওয়ানদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে, তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করে, সেনার গোপন তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থার হাতে তুলে দিত ধৃত। দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই হাবিব খানের উপর নজর ছিল। সূত্রের খবর, প্রাথমিক জেরায় ধৃতের কাছ থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজ্য

Cruel Neighbour: কান্নাকাটির 'অপরাধে' একরত্তি শিশুকে মারধর, গ্রেপ্তার 'নিষ্ঠুর ' প্রতিবেশী

বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করায় ১৫ মাস বয়সী শিশুকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন প্রতিবেশী। ধৃতের নাম সঞ্জিৎ সাউ। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার কেন্না গ্রামের সায়েরপাড়ায়। মেমারি থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। শিশুকে মারধরের ঘটনায় জড়িত নিষ্ঠুর প্রতিবেশীর কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন সায়েরপাড়ার সকল বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরপুলিশ জানিয়েছে, শিশুর পরিবারের বসবাস কেন্না গ্রামের সায়েরপাড়াতেই। শিশুর বাবা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে শুক্রবার সকালে শিশুটি খুব কান্নাকাটি করছিল। কান্নাকাটি করতে করতে শিশুটি প্রতিবেশী সঞ্জিৎ সাউয়ের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। বাড়িতে ঢুকে শিশুটি কান্নাকাটি করায় সঞ্জিত শিশুটিকে প্রচণ্ড মারধর করে। এমনকি তিনি শিশুটিকে লাথি পর্যন্ত মারেন বলে অভিযোগ। মায়রধোর সহ্য করতে না পেরে শিশুটি আরও গলা ফাটিয়ে কাঁদতে শুরু করে। কান্নার শব্দ শুনে শিশুটির মা ওই প্রতিবেশীর বাড়িতে ছুটে যান। অভিযোগ, তাঁকেও মারধর করে সঞ্জিত। বাচ্চা নিয়ে চলে যেতে। হুমকি দেওয়া হয় কান্নাকাটি করা শিশুকে নিয়ে চলে না গেলে শিশুটিকে মেরে ফেলা হবে। অভিযোগ, মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দেয় সঞ্জিত। শিশুর মা স্থানীয় হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা করান।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীশনিবার তিনি ঘটনার কথা জানিয়ে মেমারি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ সঞ্জিতকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ মঙ্গলবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তবে পুলিশ জামিনযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করায় সিজেএম ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
রাজ্য

বড় ঘটনা (Maldah murder): হ্যাকিংয়ে পাকা অপরাধী হয়ে উঠেছিল আসিফ

কালিয়াচক-কাণ্ডে ধৃত মহম্মদ আসিফ নিজেই যেন মূর্তিমান রহস্য! বছর উনিশের ওই তরুণ সম্পর্কে পুলিশ যত জানতে পারছে ততই যেন জড়িয়ে যাচ্ছে একের পর এক রহস্যের জাল।কালিয়াচকের আনন্দ রাজনগর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছিল আসিফ। বর্তমানে একটি বেসরকারি স্কুলে একাদশ শ্রেণির ছাত্র সে। পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই আসিফের কম্পিউটার নিয়ে নাড়াচাড়া করার অভ্যাস ছিল বলে প্রতিবেশীদের বক্তব্য। তাঁরা এ-ও জানাচ্ছেন, অল্প বয়সেই কম্পিউটারে দারুণ দক্ষতা অর্জন করেছিল সে। আসিফের এক প্রতিবেশী বলছেন, মাস চারেক ধরে আসিফের পরিবারের কাউকে দেখতে পাওয়া যেত না। গ্রামে সকলের জানতেন, ওঁরা অন্য কোথাও চলে গিয়েছেন। পাড়ার লোক তো গতকাল জানতে পারলেন এ সব। ছেলেটাকে এর আগে সাইবার অপরাধের অভিযোগে পুলিশ ধরেছিল। ও ঘরেই থাকত। গ্রামে কারও সঙ্গে মিশত না। এমনকী, অনলাইনে খাবার এনে খেত।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে গত ১০ মার্চ সাইবার ক্রাইম বিভাগ আসিফের কম্পিউটার, মোবাইল এবং ল্যাপটপ পরীক্ষা করে। তারা বুঝতে পারে, আসিফ হ্যাকিংয়ে অত্যন্ত দক্ষ। তাতেই প্রথম সন্দেহ হয় পুলিশের। তবে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় তখনকার মতো ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আসিফ কোথা থেকে হ্যাকিং সম্পর্কে এত কিছু শিখল, কোথা থেকে প্রশিক্ষণ পেল এ সব প্রশ্ন ভাবাতে থাকে পুলিশকে। আসিফের এক আত্মীয় বলছেন, ওর হাবভাব মনোরোগীদের মতো হয়ে গিয়েছিল। ও মাধ্যমিকের পর থেকেই কোডিং নিয়েই মেতেছিল। অ্যাপ তৈরির চেষ্টা করছিল। বাবা ভেবেছিল ছেলের ভবিষ্যৎ ভাল হবে। এর আগেও ওকে পুলিশ ধরেছিল।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা বর্ধমানে, পর পর পিষতে থাকল ট্রাক

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার শিকার হল চারজন। বেপরোয়া ট্রাক টানা পিষে দিল একাধিকজনকে। মৃত চারজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গিয়েছে। রিপন মণ্ডল (২০), অনিমেষ রায়(২২) ও বিকাশ শর্মা(৫৫)। বারে বারে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধ করে। অবরোধের জেরে জাতীয় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পালসিটে যান এসডিপিও সাউথ আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়েন।জানা গিয়েছে, বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পালসিট স্টেশনের কাছে একটি লরি রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে টানা পিষে দিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা চিৎকার চেচামেচি করলেও লরিটি পর পর মানুষজনকে ধাক্কা মারতে থাকে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজন মারা গিয়েছে। লরিটি কলকাতা থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল।পালসিট স্টেশনের কাছে লরির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকে প্রথমে ধাক্কা মারে।তারপর রাস্তার বাঁদিকে বাস ধরার জন্য দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে একের পর একজনকে পিষে দিয়ে চলে যায়। এই দুর্ঘটনার ১৪ জন জখম হয়। তাঁদের উদ্ধার করে অনাময় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চারজন মারা যায়। মৃতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন মহিলা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি

হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অনেক সময় অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। তাই এবার হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অপরাধ প্রবন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে বলে সিটি পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের বেলুড়, শিবপুর, কমিশনারেট এলাকার মধ্যে থাকা জাতীয় সড়ক ও দাসনগরের বালিটিকুরির মতো ১০১২টি এলাকাকে মূলত অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেলুড়ের বজরংবলী এলাকায় ২৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাওড়ার নগরপাল কুণাল আগারওয়াল জানালেন, কয়েকটি অপরাধপ্রবণ এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ইতিপূর্বেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রয়েছে। কিন্তু আরো নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েক দফায় খুব দ্রুতই এক হাজারটি সিসিটিভি বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
বিনোদুনিয়া

সাইবার ক্রাইম নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ সব্যসাচী

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে এখনও পর্যন্ত দূরে সরিয়েই রেখেছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী। কিন্তু তা সত্ত্বেও সাইবার অপরাধের শিকার হলেন তিনি। বাধ্য হয়েই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হলেন। এছাড়াও তিনি স্ত্রী মিঠু চক্রবর্তীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার কোথাও তাঁর কোনও অ্যাকাউন্ট নেই তা ওই ভিডিও বার্তায় সাফ জানিয়ে দেন। তিনি অনুরোধ করেন , ফেসবুকে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে অসৎ উদ্দেশ্যে যারা এসব কাজ করছেন তা বন্ধ করুন। আরও পড়ুন ঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্রং উইম্যানের পোস্ট শ্রাবন্তীর অভিনেতার অভিযোগ, নেটদুনিয়ায় তাঁর নামে তৈরি করা হয়েছে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট। আর ওই অ্যাকাউন্টে তরুণীদের অশ্লীল ছবি পোস্ট করা হচ্ছে। ৩০ অক্টোবর প্রথম বিষয়টি নজরে আসে তাঁর। সে সময় অবশ্য বিশেষ পাত্তা দেননি। এরপর ১২ নভেম্বর সব্যসাচী চক্রবর্তী লালবাজারের দ্বারস্থ হন। কলকাতা পুলিশকে অভিযোগপত্রের সঙ্গে ওই অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা অশ্লীল ছবি প্রমাণ হিসাবে দাখিল করা হয়েছে। কেউ তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেই অভিযোগ অভিনেতার।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

নেপাল থেকে চাকরির টোপ, শেষে সোনাগাছিতে বিক্রি! কলকাতায় ভয়ঙ্কর নারী পাচার চক্র ফাঁস

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘ডিটেক, ডিলিট, ডিপোর্ট’ শুরু হতেই তৎপর প্রশাসন! মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারে ৩ অনুপ্রবেশকারী

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘আনুগত্যের পুরস্কার’ থেকে ইস্তফা— তৃণমূলে বিস্ফোরণ, মমতাকে বার্তা: ভুঁইফোঁড়দের নয়, ফিরুন পুরনো সৈনিকদের কাছে

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিলেন বারাসতের সাংসদ তথা দলের প্রবীণ নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar)। দলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি কার্যত শাসকদলের বর্তমান সাংগঠনিক রণকৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন। শুধু পদত্যাগ করেই থেমে থাকেননি কাকলি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-র উদ্দেশে সরাসরি আবেদন জানিয়েছেন নতুন ভুঁইফোঁড় সংস্থা বা বাহ্যিক পরামর্শদাতাদের উপর নির্ভর না করে, দলের পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মীদের উপরেই আস্থা রাখা হোক।এই পদক্ষেপ ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ, কয়েক দিন আগেই দলের সংসদীয় মুখ্যসচেতকের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাকলিকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( Kalyan Banerjee)-কে। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে হওয়া বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছিল।পদচ্যুত হওয়ার ঠিক পরের দিন সমাজমাধ্যমে কাকলির একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছিল ব্যাপক আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ১৯৭৬ থেকে পরিচয়, ১৯৮৪-তে পথচলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছিল তাঁর ক্ষোভ ও অভিমান।তার পর নয় দিন কাটতে না কাটতেই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী (Subrata Bakshi)-র কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি।চিঠিতে কাকলি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,নেত্রী যদি আগের মতো পুরনো, পরীক্ষিত ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের নিয়ে দল চালান, তবে দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। ভুঁইফোঁড় সংস্থার উপর ভরসা করে কঠিন রাজনৈতিক লড়াই জেতা সম্ভব নয়।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে পরোক্ষে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে যুক্ত পেশাদার সংস্থাগুলির ভূমিকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি। বিশেষ করে নির্বাচনকেন্দ্রিক পরামর্শদাতা সংস্থা আই প্যাক (Indian Political Action Committee)-এর ভূমিকা নিয়ে ভোট-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের একাংশের অসন্তোষের ইঙ্গিত আগেও সামনে এসেছিল। কাকলির বক্তব্য সেই ক্ষোভকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল বলে মনে করা হচ্ছে।ইস্তফাপত্রে তিনি রাজ্যের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করতে হলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি এবং মূল্যবোধকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।নিজের সাংগঠনিক ব্যর্থতার দায়ও এড়িয়ে যাননি কাকলি। বিধানসভা ভোটে তাঁর সাংগঠনিক এলাকায় দল প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। সেই নৈতিক দায় নিজের কাঁধে নিয়েই জেলা সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলির এই পদত্যাগ শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; বরং এটি তৃণমূলের অভ্যন্তরে জমতে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনী ধাক্কার পর দল যখন আত্মসমালোচনার পর্যায়ে, তখন এক প্রবীণ সাংসদের এমন প্রকাশ্য বার্তা নিঃসন্দেহে দলীয় নেতৃত্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সতর্কবার্তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ঐতিহাসিক 'ফল', মোদীর বার্তা— ‘গণতন্ত্র জিতেছে, ভয়-হুমকি পরাজিত’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে আর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন। বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার রেকর্ড ব্যবধানের জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোড়ন। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এই জয় শুধু একটি আসন দখলের সাফল্য নয়, বরং তা রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের উপর মানুষের সিলমোহর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।ফলাফল ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ফলতার মানুষ তাঁদের রায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে, ভয়ভীতি ও হুমকির রাজনীতি পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিপুল জয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর বিজেপির প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন।এ বারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল স্পষ্ট। রাজ্যে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের আবহে ফলতায় গেরুয়া শিবিরের জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে এত বিশাল ব্যবধান ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয়, তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেমে যায় চতুর্থ স্থানে, আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে সিপিএম।রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের মাত্র দুসপ্তাহের মাথায় এই নির্বাচন হয়েছিল। গত ৯ মে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একাধিক জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প চালু, সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে যাত্রা, এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের মতো সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বার্তায় এই পদক্ষেপগুলির উল্লেখ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছে, তা সাধারণ মানুষের নজর এড়ায়নি। তাঁর কথায়, মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গবাসী আমাদের উপর আরও একবার আস্থা রেখেছেন। আমরা আগামী দিনেও তাঁদের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাব।ফলতার এই ফলাফল বিধানসভার অঙ্কে খুব বড় পরিবর্তন না আনলেও রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৭ থেকে বেড়ে ২০৮ হয়েছে। তবে তার থেকেও বড় বার্তা হল সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের প্রতি জনসমর্থনের প্রাথমিক পরীক্ষায় গেরুয়া শিবির উতরে গেল স্বচ্ছন্দে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই জয় স্পষ্ট করে দিল পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি ইউরোপ সফরে নেদারল্যান্ডসে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী যে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন, তারই যেন বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ফলতার ভোটবাক্সে।ফলতার রায় এখন শুধু একটি উপনির্বাচনের ফল নয়; তা পশ্চিমবঙ্গের আগামী রাজনৈতিক সমীকরণের দিকনির্দেশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিজেপির দাবি, এ জয় পরিবর্তনের পথে রাজ্যের আরও এক ধাপ অগ্রগতি।

মে ২৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই মাঠের তালা খোলা! বর্ধমানে বিজেপি বিধায়ককে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বহুদিন বন্ধ থাকা মোহনবাগান মাঠের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তির উঠেছে বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াই তিনি সাধারণের ব্যবহারের জন্য মাঠ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক মহল যেমন প্রশ্ন তুলেছে, তেমনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ঐতিহ্যবাহী মোহনবাগান মাঠটি সাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিদর্শনে এসে মাঠটি তালাবন্ধ অবস্থায় দেখতে পান বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এরপর তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠ খুলে দেওয়া হয় এবং স্থানীয়দের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, বিধায়ক এখনও বুঝে উঠতে পারেননি কোন বিষয় তাঁর প্রশাসনিক এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে আর কোনটা পড়ে না। তিনি ব্যঙ্গের সুরে বলেন, নতুন বই হাতে পাওয়া বাচ্চারা যেমন আগ্রহ নিয়ে পাতা উল্টে দেখে, ঠিক তেমনই নতুন বিধায়ক গলায় মালা পরে সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন।যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। তাঁর বক্তব্য, এত বড় একটি মাঠ বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, এই মাঠ এলাকার মানুষের সম্পদ। শিশু থেকে প্রবীণ সকলে এখানে এসে খেলাধুলা করতে পারবেন, হাঁটাচলা করতে পারবেন। মানুষের স্বার্থেই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্কর কুমার নাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাঠ খোলার বিষয়ে তাঁকে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়েই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে, যা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এই মাঠে সকাল-বিকেল স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ চলে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরাও এখানে নিয়মিত অনুশীলন করেন। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষক এক অধ্যাপক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অধিকার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন দেখার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ করে কি না এবং বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

মে ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal