• ২ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cricket,India

খেলার দুনিয়া

India Test Team : সাফল্য না থাকা সত্ত্বেও ৪ বছর পর টেস্ট দলে প্রত্যাবর্তন এই ক্রিকেটারের !‌ উঠছে প্রশ্ন

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য বেছে নেওয়া হল ভারতীয় ক্রিকেট দল। প্রত্যাশামতোই নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে অজিঙ্কা রাহানের হাতে। সহঅধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে চেতেশ্বর পুজারাকে। তবে ভারতীয় দলে সবথেকে বড় চমক জয়ন্ত যাদব। প্রায় ৪ বছর পর টেস্ট দলে ফেরানো হলে এই অফস্পিনারকে।ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন: অজিঙ্কা রাহানে (অধিনায়ক), চেতেশ্বর পুজারা (সহঅধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, শুভমান গিল, শ্রেয়স আয়ার, ঋদ্ধিমান সাহা, শিখর ভরত, রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব, মহম্মদ সিরাজ এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট খেললেও শুধুমাত্র প্রথম টেস্টের জন্য দল বেছে নেওয়া হয়েছে। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, শার্দুল ঠাকুর, ঋষভ পন্থদের আগেই বিশ্রাম দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তাই তাঁদের কথা বিবেচনা করা হয়নি। পরের টেস্টেও রোহিতকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তবে বিরাট কোহলি দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফিরবেন।এদিকে, ৪ বছর পর জয়ন্ত যাদবের আবার টেস্ট দলে ফেরাটা নিঃসন্দেহে বড় চমক। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক ঘটে জয়ন্ত যাদবের। অভিষেক ম্যাচেই তুলে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে করেছিলেন ৩৫ ও ২৭ রান। পরের ম্যাচেও ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। সঙ্গে ৫৫ রান। ওই সিরিজেই ৯ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। পরের বছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজেও দলে ছিলেন। একটা বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। সেই টেস্টে মাত্র দুটি উইকেট নিয়েছিলেন। কোনও রান করতে পারেননি। ব্যর্থতার জন্য তাঁকে সিরিজের বাকি টেস্টে আর ভাবা হয়নি।হঠাৎ করে কেন আস্তাকুঁড় থেকে তুলে নিয়ে আসা হল জয়ন্ত যাদবকে, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। আইপিএলে নিয়মিত খেলার সুযোগ পান না। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতাতেও তেমন সাফল্য নেই। গত বচর রনজি ট্রফি হয়নি। তার আগের বছর রনজিতে হরিয়ানার হয়ে মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছিলেন। তা সত্ত্বেও দলে ফেরানো হয়েছে জয়ন্ত যাদবকে। জয়ন্ত যাদবের সুযোগ পাওয়াটা যেমন বিষ্ময়ের, তেমনই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সাফল্য পাওয়া হনুমা বিহারীর সুযোগ না পাওয়াটাও অবাক করার বিষয়।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : রাহুল দ্রাবিড়ের সাহায্যকারী বেছে নিল বোর্ড, কারা পেলেন দায়িত্ব?‌

কিছুদিন আগেই ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রাহুল দ্রাবিড়কে। এবার বিরাট কোহলিদের ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচও বেছে নিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ব্যাটিং কোচ হিসেবে রেখে দেওয়া হল বিক্রম রাঠোরকে। বোলিং কোচ ভরত অরুণের জায়গায় এলেন বিক্রম রাঠোর এবং ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরের স্থলাভিষিক্ত হলেন টি দিলীপ। এই তিনজনই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কাজ করবেন। চলতি টি২০ বিশ্বকাপের পরপপরই শেষ ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান সপোর্ট স্টাফদের কার্যকালের মেয়াদ। হেড কোচসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগের জন্য মাসখানেক আগে আবেদনপত্র আহ্বান করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হেড কোচ পদের জন্য রাহুল দ্রাবিড়কে আগেই বেছে নিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পরামর্শদাতা কমিটি। বৃহস্পতিবার ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং কোচের জন্য ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে বিক্রম রাঠোর, পরশ মামরে এবং টি দিলীপকে বেছে নেওয়া হয়েছে। রবি শাস্ত্রীর সঙ্গেই ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন বিক্রম রাঠোর। তাঁর কাজে যথেষ্ট খুশি ছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। ক্রিকেটাররাও বিক্রম রাঠোরকে নিয়ে সন্তুষ্ট। তাই তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। রাহুল দ্রাবিড় চেয়েছিলেন বোলিং কোচ হিসেবে পরশ মামরেকে। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তিনি পরশ মামরের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। মামরেও আবেদন করেছিলেন বোলিং কোচ হওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত তাঁকেই বোলিং কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটি। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে বিরাট কোহলিদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছিলেন আর শ্রীধর। তাঁর জমানায় ভারতীয় দলের ফিল্ডিংয়ে খুব একটা উন্নতি হয়নি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারাও শ্রীধরের ওপর তেমন খুশি ছিলেন না। টি দিলীপ আগেও রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কাজ করেছেন। জুলাইয়ে ভারতীয় দলের শ্রীলঙ্কা সফরে তিনি ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব সামলেছিলেন। আর শ্রী ধরের মতো তিনিও হায়দরাবাদের। প্রত্যেকেই জয়পুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে হাজির হবেন।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Cricket : কোহলির পরিবর্তে টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন এই তারকা

গতবছর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই সিরিজে জয় এসেছিল। আবার সেই অজিঙ্কা রাহানের হাতেই উঠতে চলেছে ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে কানপুরে প্রথম টেস্টে রাহানেকে অধিনায়ক করার কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তবে স্থায়ীভাবে তাঁর হাতে নেতৃত্ব উঠছে না। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের বিশ্রামের জন্য তাঁকে ক্যাপ্টেন করা হচ্ছে।একটানা ক্রিকেট খেলে শারীরিকভাবে ক্লান্ত বিরাট কোহলি। দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মানসিকভাবেও ক্লান্ত। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। কানপুরে প্রথম টেস্টেও খেলবেন না। এই ব্যাপারে তিনি নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছেন। কোহলি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পর তিনি আর এই ফরম্যাটে দলকে নেতৃত্ব দেবেন না। সেইমতো রোহিত শর্মাকে টি২০ ক্রিকেটের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে রোহিত শর্মাকেও বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টি২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য বারবার উঠে এসেছে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার ক্লান্তির কথা। দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে মানসিকভাবে ক্লান্ত ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও ক্রিকেটারদের ক্লান্তির দিকটা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে। তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের কথা মাথায় রেখে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাদের। কয়েকদিন আগেই টি২০ সিরিজের দল নির্বাচন করা হয়েছে। টি২০ দলে অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে। সামি, বুমরাদের পাশাপাশি শার্দূল ঠাকুর, ঋষভ পন্থদেরও টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। টেস্ট সিরিজেও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কোহলিকে আগেই বিশ্রামের সিদ্ধান্ত হওয়ায় অজিঙ্কা রাহানে প্রথম টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেবেন। রোহিত শর্মাকেও প্রথম টেস্টে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভেবে রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। প্রথমে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পরিকল্পনা করেছিল টি২০ সিরিজ খেলার পর রোহিত শর্মাকে পুরো টেস্ট সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কিন্তু পরে পরিকল্পনা বদলেছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে খারাপ ফল হলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট কমে যাবে। তাই রোহিতকে একটা টেস্টে বিশ্রাম দেওয়া হবে। কানপুরে প্রথম টেস্টে না খেললেও ঘরের মাঠ ওয়াংখেড়েতে দ্বিতীয় টেস্টে আবার রোহিতকে দেখা যাবে।

নভেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Venkatesh Iyar : জাতীয় দলে এত তাড়াতাড়ি সুযোগ পাওয়ার কথা ভাবেননি বেঙ্কটেশ?‌

এবছর আইপিএলের প্রথম পর্বে সুযোগ পাননি। দ্বিতীয় পর্বে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে সকলের নজর কেড়েছিলেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আইপিএলের ফাইনালে তোলার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার। আইপিএলে ভাল খেলার পুরস্কার পেয়েছেন মধ্যপ্রদেশের এই অলরাউন্ডার। আসন্ন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন বেঙ্কটেশ। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোর স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আবেগে ভাসছেন তিনি।কেরলের বিরুদ্ধে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় মধ্যপ্রদেশের ম্যাচ ছিল। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলে হোটেলে ফিরেছেন। কেরলের কাছে হারের হতাশা ছিল। সেই সময়ই বেঙ্কটেশের হোটেলের ঘরের দরজায় সামনে এসে হাজির হন মধ্যপ্রদেশ দলের তাঁরই সতীর্থ আবেশ খান। এরপর তিনি দরজায় হালকা ধাক্কা দেন। বেঙ্কটেশ দরজা খুলে দেখেন আবেশ খান দাঁড়িয়ে। এরপর বেঙ্কটেশকে জড়িয়ে ধরে অভিনন্দন জানান আবেশ। বেঙ্কটেশ বুঝতে পারছিলেন না, কেন তাঁকে আবেশ অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এরপর ঘরের ভেতর ঢুকতে ঢুকতে জাতীয় দলে বেঙ্কটেশকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার কথা বলেন আবেশ। তখন বেঙ্কটেশ আবেগে জড়িয়ে ধরেন আবেশকে। স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আবেগে ভাসছেন বেঙ্কটেশ আয়ার। রীতিমতো তিনি আপ্লুত। বেঙ্কটেশ বলেন, আমি দারুণ খুশি। এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে স্বপ্ন দেখছিলাম জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেওয়ার। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চেলেছে। জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। এত তাড়াতাড়ি সুযোগ পাব স্বপ্নেও ভাবিনি। জাতীয় দলের নির্বাচকদের, আমার দলের সতীর্থদের, কোচকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সকল ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো। আমার সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হল। এই আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই।টি২০ বিশ্বকাপে চূড়ান্ত ব্যর্থ হার্দিক পান্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে হার্দিক পান্ডিয়ার বিকল্প হিসেবে বেঙ্কটেশ আয়ারকে দলে নিয়েছেন নির্বাচকরা। প্রত্যাশাপূরণ করার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। বলেন, আশা করছি আমি নির্বাচকদের আস্থার মর্যাদা দিতে পারব। যে কোনও জায়গায় খেলার জন্য আমি তৈরি। দেশের হয়ে পারফর্ম করার দিকে মুখিয়ে রয়েছি। সবসময় আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যাট করতে নামি। রোহিত শর্মার নেতৃত্বে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand Series : রোহিত নন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন কে?‌

চলতি সপ্তাহেই দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য দল নির্বাচন। বিরাট কোহলি আগেই ঘোষণা করেছিলেন, টি২০ বিশ্বকাপের পর এই ফর্ম্যাটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছে একদিনের ক্রিকেটেও কোহলিকে আর নেতৃত্বে রাখা হবে না। তঁার পরিবর্তে রোহিত শর্মার হাতে অধিনায়কত্ব তুলে দেওয়া হবে। তবে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠের সিরিজে রোহিত বিশ্রাম নিতে চান। সেক্ষেত্রে এই সিরিজে লোকেশ রাহুলের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। আগামী শনিবার দুবাইতে ভারতীয় দল বেছে নেওয়া হবে। এই মুহূর্তে ভারতের দুই নির্বাচক চেতন শর্মা ও অ্যাবে কুরুভিল্লা দুবাইতে রয়েছেন। বাকিদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে দুবাইয়ে বসেই দল নির্বাচন করবেন। তার আগে বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সেরে নেবেন নির্বাচকরা। রোহিত শর্মাকে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার জন্য অনুরোধ করা হবে। একান্ত রাজি না হলে লোকেশ রাহুলের হাতেই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে। লোকেশ রাহুলও বিশ্রাম নিতে চাইলে সেক্ষেত্রে শিখর ধাওয়ানকে অধিনায়ক করা হতে পারে। বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজে ধাওয়ানই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সামনের বছর টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এখন থেকেই দল তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতীয় দলের নির্বাচকদের। বোর্ডের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা না করেই টি২০ বিশ্বকাপের মাসখানেক আগে হঠাৎই বিশ্বকাপের পর নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান কোহলি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা বিষয়টা ভালভাবে নেননি। বিরাট কোহলি দাবি করেছিলেন, বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে কোহলি বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করেননি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা চান না সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক রাখতে। তাই একদিনের ক্রিকেটেও নেতৃত্ব হারাতে চলেছেন কোহলি। তবে টেস্টে তাঁকেই নেতৃত্বে রাখা হবে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হবে বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো সিনিয়রদের। ঋতুরাজ গায়কোয়াড, বেঙ্কটেশ আয়ার, উমরান মালিকের মতো তরুণদের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন নির্বাচকরা। তবে টেস্ট সিরিজে সব সিনিয়রকেই ফেরানো হবে। কারণ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্টের বিষয়টি জড়িয়ে রয়েছে। এই সিরিজেই রবি শাস্ত্রীর জায়গায় হেড কোচের দায়িত্ব নেবেন রাহুল দ্রাবিড়। বোলিং কোচ হতে চলেছেন পরশ মামরে। তবে বিক্রম রাঠোরের হাতে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব থাকবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। রাঠোর অবশ্য ব্যাটিং কোচের জন্য আবেদন করেছেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 Jersey : বিরাট কোহলিদের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সিতে অভিনব চমক

ভক্তদের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় ক্রিকেট দলে জার্সি! হ্যাঁ, এমনই অভাবনীয় উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যার নাম দেওয়া হয়েছে বিলিয়ন চিয়ার্স জার্সি। এই জার্সি গায়েই বিশ্বকাপ মাতাবেন বিরাট কোহলিরা। হালকা নীলের শেড ও গাঢ় নীল রঙ দিয়ে ভারতীয় দলের জার্সি তৈরি করা হয়েছে। কোটি কোটি ভক্তরা ভারতীয় দলকে সমর্থন করবেন, নতুন জার্সির ডিজাইন তৈরির করার সময় সেকথা মাথায় রাখা হয়েছে। ভক্তরা এই জার্সি কিনতে পারবেন।মহিলা ও পুরুষদের জার্সির দাম ১৭৯৯ টাকা। নাম ও নম্বর লেখা বিরাট কোহলির জার্সি যদি কেউ কিনতে চান তাহলে অতিরিক্ত ২০০ টাকা খরচ করতে হবে। সেগুলির দাম রাখা হয়েছে ১৯৯৯ টাকা। কলার ছাড়া বিলিয়ন চিয়ার্স ফ্যান জার্সির দাম ১৬৯৯ টাকা। এর পাশাপাশি ৩৬৯৯ টাকা দামের অফিসিয়াল টিম ইন্ডিয়া বিলিয়ন চিয়ার্স প্লেয়ার্স জার্সিও পাওয়া যাবে।২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিরাট কোহলিরা খেলছেন রেট্রো জার্সি পরে। নেভি ব্লু রংয়ের জার্সির কাঁধের কাছে চারটি রং, নীল, সবুজ, লাল ও সাদা দিয়ে ডিজাইন করা। টি২০ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলিরা অন্য ডিজাইনের জার্সি পরে মাঠে নামবেন, তা আগেই জানা গিয়েছিল। আগের আকাশি নীল এখন বদলে হয়েছে গাঢ় নীল। টি২০ বিশ্বকাপের জার্সিতে ক্রিকেটারদের নাম ও নম্বর লেখা রয়েছে গেরুয়া রঙে। নতুন ধরণের জার্সি ক্রিকেটপ্রেমীদের দারুণ পছন্দ হয়েছে। শুধু বিরাট কোহলিরা নন, মহিলা ক্রিকেট দল, অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলও এই নতুন জার্সি পরে খেলবেন। নতুন জার্সি প্রসঙ্গে ভারতীয় বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন, সারা বিশ্বে ভারতীয় দলের অগনিত ভক্ত রয়েছে। তাঁদের আবেগ, উৎসাহ, উল্লাস ফুটে উঠেছে এই নতুন জার্সিতে। টি২০ বিশ্বকাপেও দলকে এই জার্সি অনুপ্রেরণা জোগাবে। অধিনায়ক বিরাট কোহলিরও এই নতুন ডিজাইনের জার্সি বেশ পছন্দ হয়েছে। তিনি বলেন, দারুণ আকর্ষণীয় হয়েছে নতুন জার্সি। নতুন জার্সিতে কোটি কোটি সমর্থকদের সামনে নিজেদের মেলে ধরার জন্য আমরা তৈরি। চেষ্টা করব নতুন জার্সিতে সেরাটা দেওয়ার। সমর্থদের প্রতি আমাদের যে শ্রদ্ধা রয়েছে, এই নতুন জার্সিতে ফুটে উঠেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌India T20 Squad : ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তন, দলে শার্দূল ঠাকুর

হার্দিক পান্ডিয়ার ওপর কি আস্থা নেই ভারতীয় দলের নির্বাচকদের? যদি আস্থা না থাকে, তাহলে দলেই বা রেখে দেওয়া হল কেন? অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্ত হিসেবে টি২০ বিশ্বকাপ দলে শার্দূল ঠাকুরকে অন্তর্ভূক্ত করাতেই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছে। তাহলে কি হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে নেওয়া হল?আইপিএলে হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং না করাতে তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। আদৌও কি সম্পূর্ণ সুস্থ ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার? মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেও পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, হার্দিক পান্ডিয়ার বোলিং করতে সময় লাগবে। তাই কোনও ঝুঁকি নিল না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাকআপ হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে মূল দলে নিয়েছেন নির্বাচকরা। আগে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে দলে ছিলেন। অক্ষর প্যাটেলের পরিবর্তে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। আর শার্দূলের পরিবর্তে অক্ষর প্যাটেলকে স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে। অনেকেই আশা করেছিলেন ভারতীয় দলে আরও কয়েকটা পরিবর্তন করা হবে। হয়তো বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহার, হার্দিক পান্ডিয়াদের পরিবর্ত নেওয়া হবে। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি অবশ্য আগেই বলেছিলেন দলে কোনও পরিবর্তন করা হবে না। আক্ষরিক অর্থে তাঁর কথাই মিলে গেল। শুধু শার্দূল ঠাকুরকে স্ট্যান্ডবাই থেকে মূল দলে নেওয়া হয়েছে। বাকি দল অপরিবর্তিত রয়েছে। চলতি আইপিএলে অক্ষর প্যাটেলের ইকনমি খুবই ভাল। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, বরুণ চক্রবর্তী, রাহুল চাহাররা দলে রয়েছেন। কেউ চোট পেলে তবেই প্রথম একাদশে সুযোগ পেতেন অক্ষর। সেই কারণেই এই বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে আপাতত স্ট্যান্ডবাই হিসেবেই রাখা হয়েছে।এবারের আইপিএলে দারুণ ছন্দে ছিলেন শার্দূল ঠাকুর। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যেমন ব্রেক থ্রু দিয়েছেন, তেমনই ডেথ ওভারে কার্যকরী ভুমিকা নিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে শার্দূল ১৩ উইকেট পেয়েছেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও ঝোড়ো ইনিংস খেলার ব্যাপারে ওস্তাদ শার্দূল। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজেও ব্যাটিং দক্ষতার নমুনা রেখেছেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া যেহেতু বোলিং করতে পারছেন না, তাই সিম বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে প্রথম একাদশে সুযোগ পেতে পারেন শার্দূল ঠাকুর।আবেশ খান, উমরান মালিক, হর্ষল প্যাটেল, লুকমান মেরিওয়ালা, ভেঙ্কটেশ আয়ার, কর্ণ শর্মা, শাহবাজ আহমেদ ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতম দুবাইয়ে ভারতীয় দলের বায়ো বাবলে থাকছেন। তাঁরা নেট বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে সহায়তা করবেন।

অক্টোবর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 WC : ১৩ অক্টোবর ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উদ্বোধন, থাকছে চমক

টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তনের শেষদিন ১০ অক্টোবর। তারপরে আর কোনও বদল করা যাবে না। দল নিয়ে পর্যালোচনা করতে শনিবার অর্থাৎ ৯ অক্টোবর বৈঠকে বসছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। এই বৈঠকে জাতীয় নির্বাচকরা ছাড়াও অংশ নেবেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী, অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মা। মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিরও মতামত নেওয়া হবে। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে দেখা যায়নি সূর্যকুমার যাদব, ঈশান কিষাণ, রাহুল চাহারদের। হার্দিক পান্ডিয়া পুরো ফিট নন। বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুর চোট নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অবস্থায় দলে পরিবর্তন করা যায় কিনা কিংবা পরিবর্তন করলে তা যুক্তিযুক্ত হবে কিনা তা নিয়ে নির্বাচক, হেড কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করবেন বোর্ড কর্তারা। যদিও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি সম্প্রতি বলেছেন, ফর্মের কারণে কোনও ক্রিকেটারকে বদল করা হবে না। কিন্তু সূত্রের খবর, দলে দুএকটা পরিবর্তন হতে পারে। ঈশান কিষানের জায়গায় শ্রেয়স আয়ারকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অলরাউন্ডার হিসেবে ভাবা হতে পারে শার্দুল ঠাকুর বা দীপক চাহারকে। রাহুল চাহারের জায়গায় যুজবেন্দ্র চাহালের সামনে খুলে যেতে পারে বিশ্বকাপের দরজা। সবকিছুই নির্ভর করছে কোচ ও অধিনায়কের মতামতের ওপর। ঈশান কিষাণ আগের ম্যাচে ঝোড়ো হাফ সেঞ্চুরি করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আইপিএলে শ্রেয়স আয়ারের দুরন্ত ফর্ম সত্ত্বেও তাঁর বিশ্বকাপের দলে না থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যুজবেন্দ্র চাহালও বিশ্বকাপের দলে নেই। কিন্তু যিনি আছেন সেই রাহুল চাহার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নজর কাড়তে ব্যর্থ। বরুণ চক্রবর্তীরও চোট রয়েছে। এদিকে, ১৩ অক্টোবর ভারতীয় দলের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন হবে। ভারতীয় দলের অফিসিয়াল কিট স্পনসর এমপিএল স্পোর্টসের সঙ্গে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি বোর্ডের। তারাই বিশ্বকাপের জন্য জার্সি তৈরি করেছে। এই জার্সিতে চমক থাকছে। ভারত যে এখন নেভি ব্লু রংয়ের রেট্রো জার্সি পরে খেলছে, যাতে নীল, সবুজ, সাদা, লাল স্ট্রাইপ রয়েছে, টি ২০ বিশ্বকাপের জার্সিট তেমন হবে না। ১৮ অক্টোবর নতুন জার্সি পরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। গত নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ভারত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ১৯৯২ সালের জার্সির মতো রেট্রো জার্সি পরছে। ভারতের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীরা কিনতে পারবেন। ফ্যান জার্সি, প্লেয়ার এডিশন জার্সি ও বিরাট কোহলির সই করা ১৮ নম্বর জার্সি ফ্যানেরা কিনতে পারবেন। দাম শুরু ১৭৯৯ টাকা থেকে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

J‌hulan Goswami : ক্রিকেট জীবনে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনে ঝুলন গোস্বামী

অনন্য নজির গড়লেন ঝুলন গোস্বামী। সব ধরণের ক্রিকেট মিলিয়ে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে সিরিজের তৃতীয় একদিনের ম্যাচ জিতে সম্মান কিছুটা রক্ষা করল ভারত। রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে র্যাচেল হেইন্স ঝুলনের ক্রিকেট জীবনের ৬০০ তম শিকার। একই ওভারে তিনি আউট করেন মেগ ল্যানিংকে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হেইন্স ও ল্যানিং ঝুলনের কেরিয়ারে যথাক্রমে ৬০০ ও ৬০১তম শিকার। ম্যাচের নবম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে যথাক্রমে ওপেনার র্যাচেল হেইন্স ও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মেগ ল্যানিংকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ঝুলন। শেষ ওভারে আউট করেন অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডকে। অসি অধিনায়ককে শূন্য রানে আউট করে কেরিয়ারের ৬০১তম উইকেটটি ঝুলিতে পুরে ফেলেন ঝুলন। ঝাঁপিয়ে পড়ে অনবদ্য দক্ষতায় ল্যানিংয়ের ক্যাচ তালুবন্দি করেন উইকেটকিপার রিচা ঘোষ।ঝুলন গোস্বামীর দখলে রয়েছে ৩৩৭টি আন্তর্জাতিক উইকেটে। পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে পেয়েছেন ২৬৫টি উইকেট। সবমিলিয়ে ৬০১টি উইকেট চাকদহ এক্সপ্রেসএর ঝুলিতে। ২০০২ সালে থেকে রবিবার পর্যন্ত ১৯২টি একদিনের আন্তর্জাতিকে ২৪০টি উইকেট নিয়েছেন। সেরা বোলিং ৩১ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট। গড় ২১.৫৯, ইকনমি ৩.৩১। মহিলাদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট ঝুলনেরই। ১১টি টেস্টে তিনি ৪১টি উইকেট পেয়েছেন। টি২০তে ঝুলনের উইকেট ৬৮ ম্যাচে ৫৬। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেট খেললেও আন্তর্জাতিক টি ০ থেকে ২০১৮ সালেই অবসর নিয়েছেন ঝুলন। মহিলাদের ক্রিকেটে ঝুলনই একমাত্র বোলার যাঁর দখলে ২০০র বেশি ওয়ান ডে উইকেট রয়েছে।সিরিজের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঝুলন গোস্বামীর শেষ ওভারের বিতর্কিত নো বলের ফায়দা তুলে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। রবিবার সিরিজের শেষ ম্যাচে ২ উইকেটে জিতে সম্মান বাঁচাল ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। গার্ডনার করেন সর্বোচ্চ ৬৭। মুনি করে ৫২। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং করেন ঝুলন গোস্বামীই। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি মেডেনসহ ৩৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট পান ঝুলন। পুজা বাস্ত্রকার ৪৬ রানে নেন ৩ উইকেট। জয়ের জন্য ২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে ১০ ওভারে ওঠে ৫৯। স্মৃতি মান্ধানা ২২ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ১০১ রান যোগ করেন শেফালি ভার্মা ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়া। শেফালি ৯১ বলে ৫৬ রান করে আউট হন। রিচা ঘোষ কোনও রান করতে পারেননি। ইয়াস্তিকা ৬৯ বলে ৬৪ রান করে আউট হন। ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে দেন দীপ্তি শর্মা (৩১) ও স্নেহা রানা (৩০)। ৪৯.৩ ওভারে ২৬৬/৮ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কার জন্য কোহলির বর্ণময় ক্রিকেটজীবন এত দীর্ঘায়িত জানেন?‌

একসময় পিঠের চোটে কাবু হয়ে পড়েছিলেন। নীচু হয়ে ভার তোলার ক্ষমতাও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। প্রভাব পড়েছিল বর্ণময় ক্রিকেট জীবনে। ক্রিকেট জীবন হয়তো বেশি দীর্ঘায়িত হত না। সেখান থেকে ফিরে এসে বাইশ গজে আবার স্বমহিমায় বিরাট কোহলি। মারাত্মক চোটকে কাবু করে নিজেকে ফিটনেসের চূড়ান্ত শীর্ষে নিয়ে গেছেন। আর এরজন্য তিনি কৃতিত্ব দিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ বাসু শঙ্করকে। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বাসু শঙ্করের লেখা ১০০, ২০০, প্র্যাক্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশনস ইন স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং বই। এই বইয়ের প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিরাট কোহলি। লেখক বাসু শঙ্করকে পাশে নিয়ে নিজের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন কোহলি। পাশাপাশি তিনি বাসু শঙ্করের পরামর্শে কীভাবে পিঠের চোট সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন সে কথাও তুলে ধরেন। কোহলি বইটিতে লিখেছেন, ২০১৪ সালের শেষদিকে আমার পিঠের চোট কিছুতেই সারছিল না। প্রবল যন্ত্রণা ও অস্বস্তি অনুভব করতাম। প্রত্যেক দিন সকালে উঠে পিঠের অস্বস্তি কাটাতে ৪৫ মিনিট ধরে অনেক কিছু করতে হত। তারপরও দিনের যে কোনও সময় অস্বস্তি ফিরে আসত। ভার তুলতেও পারতাম না। এরপরই বাসু স্যারের সঙ্গে আমার আলাপ হয়। স্যারের পরামর্শেই এরপর ধীরে ধীরে ভার তুলতে সক্ষম হই। কোহলি আরও বলেন, প্রথমে আমিও দ্বিধায় ছিলাম। কিন্তু বাসু স্যার তাঁর কথায় বিশ্বাস রাখতে বলেন। তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবশ্য আমার সংশয় ছিল না। ভার তোলা বা লিফটিং বাসু স্যরের কাছে শেখা শুরু করি। এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে যখন অবগত হতে থাকি তখন অনুশীলনেও এর ইতিবাচক প্রভাব পেতে শুরু করি। স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিংয়ের বিষয়ে আমার জ্ঞানও আরও বাড়তে থাকে এবং এর গুরুত্ব অনুভব করি। বাসু স্যরই আমার বিচারে সেরা স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ। আমার চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক গঠন, পারফরম্যান্সকে উন্নত করতে কী কী করা উচিত তা একেবারে সঠিকভাবেই সুনিশ্চিত করেছেন বাসু শঙ্কর। বিরাট কোহলি নিজে উপকৃত হওয়াতেই বাসুও ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল অবধি ছিলেন ভারতীয় দলের সঙ্গে। ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এ কথা সকলেই জানেন, বাসু শঙ্করের জন্যই বিরাটের ফিটনেস এতটা উন্নত হয়েছে। শুধু বিরাটের একার নয়, ভারতীয় দলের ফিটনেস লেভেল উন্নতিতেও তাঁরই অবদান।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal