• ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corona Infection

বিদেশ

চিনে ফের লকডাউনে বন্দি দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দা

কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না করোনা। তবে তুলনামূলকভাবে বিশ্বজুড়েই করোনার প্রকোপ এখন অনেকটাই কম। তবে স্বস্তি নেই চিনের বাসিন্দাদের। সেখানে ফের একবার করোনা সংক্রমণ শুরু হতেই, প্রশাসনের তরফে লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহেই চিনের চাংচুন শহরে লকডাউন জারি করা হয়েছিল। এবার লকডাউন ঘোষণা করা হল হাইটেক শহর শেনজেন-এও। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিগত দুই বছরে সবথেকে ভয়ঙ্করভাবে এবারই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ রুখতেই তাই একের পর এক শহরে লকডাউন জারি করা হচ্ছে।করোনা সংক্রমণের উৎপত্তি হয়েছিল চিন থেকেই। তাই ভাইরাসের ভয়াবহতা কতটা হতে পারে, তার আন্দাজ ভালভাবেই রয়েছে চিনের। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রথম মাস হিমশিম খেলেও, হাল সামলিয়ে নেয় প্রশাসন। এক সপ্তাহের মধ্যেই তৈরি করে দেওয়া হয় হাসপাতাল। সেই সময়ই তৈরি করা হয় জিরো কোভিড নীতি। শহরে ৫-১০ জন করোনা আক্রান্ত হলেও, গোটা শহরেই লকডাউন জারি করে দেওয়া হয়।দেড় কোটিরও বেশি বাসিন্দার শেনজ়েন শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা হয়েছে। সেখানে সমস্ত গ্রামের সীমানা আটকে দেওয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস, মেট্রো। রবিবারই চিনা সংবাদপত্রে জানানো হয়েছে যে সোমবার থেকে সমস্ত গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, শহরের সমস্ত বাসিন্দারাই যেন বাড়ি থেকে কাজ করেন এবং অত্যাবশ্যকীয় কোনও পণ্য কেনার জন্যই বাড়ি থেকে বের হন। বাইরে থেকে যারা শেনজ়েনে আসছেন, তাদের সকলকেই নেগেটিভ নিউক্লেইক অ্যাসিড রিপোর্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্ট ২৪ ঘণ্টার বেশি পুরনো হতে পারবে না। এছাড়া নতুন সপ্তাহেই শহরজুড়ে ফের তিন দফায় করোনা পরীক্ষা করানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
কলকাতা

উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নে

শহরের বড় আবাসনগুলিতেই বেশি করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ নিয়ে একটি রিপোর্টও জমা পড়েছে নবান্নে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে আরবানা, স্বর্ণমণি, শালবনি, এবং নিউটাউনের একাধিক আবাসনেও করোনা সংক্রমণের প্রকোপ বেশি। এই সব আবাসনে করোনা সংক্রমণ কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও নবান্নের কর্তাব্যক্তিরা। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তের নবান্নের চিন্তার কারণ কোনও বস্তি এলাকা নয়, বড় বড় আবাসনও। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা। অরক্ষিত মুখের ভিড় সর্বত্র। কলকাতা পুরসভা ও নিউটাউনের ক্ষেত্রে হাউজিং ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সংক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।কমিটিগুলিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝুপড়ি অঞ্চল ঘিঞ্জি, উল্টোদিকে আবাসনগুলো অনেকটাই খোলামেলা। তা সত্ত্বেও কেন আবাসনগুলিতে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? অভিজাত আবাসনগুলিতে করোনা ছড়ানোর অন্যতম কারণ, বর্ষবরণের উৎসব-পার্টি-হুল্লোড়, আর লিফটের বহুল ব্যবহার।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Kamarpukur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠ

ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের দরুণ অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল কামারপুকুর মঠ ও মিশন। পুণ্যার্থীদের প্রবেশ বন্ধের নোটিস জারি করেছে মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ। আজ থেকেই এই নোটিস কার্যকর হচ্ছে। মঠের এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পরিস্থিতি অনুকূল হলে দর্শনের দিন জানানো হবে। যত দিন না পর্যন্ত পরিস্থতি নিয়ন্ত্রণে আসছে ততদিন পর্যন্ত মঠ বন্ধই থাকছে।উল্লেখ্য যে করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় গত ২৪ জুলাই থেকে মঠ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের গুরুপূর্ণিমার জন্য একদিন খুলে দেওয়া হয়েছিল মঠ। পরে ১৯ অগষ্ট থেকে ফের মঠের দরজা খুলে দেওয়া হয়। আবার সোমবার নতুন করে বন্ধ করে দেওয়া হল মঠ।উল্লেখ্য নতুন বছরের শুরুতে ভক্তদের ভিড় বেশি হতে পারে, সেকথা মাথায় রেখে ১-৪ জানুয়ারি বন্ধ ছিল বেলুড় মঠ। কথা ছিল ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১১টা এবং বিকেল ৩-৫ টা পর্যন্ত ফের নিয়ম মেনে খুলবে বেলুড় মঠ। তবে তার আগে গত ২ জানুয়ারি বেলুড় মঠ বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মঠ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত। কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষও সংক্রমণ রুখতে কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্দির বন্ধ থাকছে না। দেবী দর্শনেও বাধা নেই। কিন্তু ভিতরে ঢুকে পুজো দেওয়া কিংবা গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না কেউ। বাইরে থেকেই দর্শন সেরে ফেলতে হবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Covid: দেশে এক লক্ষের গণ্ডি পেরলো দৈনিক করোনা সংক্রমণ

কেবল রাজ্যে নয়, দেশেও হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একলাফে দেশে বাড়ল করোনা গ্রাফ। দেশে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৭ হাজার ১০০ জন। একলাফে দেশে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে ২৮.০২ শতাংশ। পিছিয়ে নেই রাজ্যও। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৪২১, বুধবার যে সংখ্যাটা ছিল ১৪ হাজার ২২। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। বুধবারের তুলনায় পজিটিভিটি রেট বেড়েছে কিছুটা। বুধবার যে হার ছিল ২৩.১৭ শতাংশ, বৃহস্পতিবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ২৪.৭১ শতাংশ। পাশাপাশি বাড়ছে ওমিক্রন আতঙ্কও। একদিনে দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত ৩ হাজার ৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩০২ জনের।শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের করোনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১,১৭,১০০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় ২৮.৮ শতাংশ বেশি। এর আগে গত বছরের জুন মাসে দৈনিক এক লক্ষ আক্রান্ত হওয়ার গন্ডি পার করেছিল ভারত। শুক্রবারের নতুন করোনা আক্রান্তের হিসেব বলছে, দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩,৫২,২৬,৩৮৬।সব থেকে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে গত একদিনে মোট ৩৬,২৬৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৪২১ জন। পশ্চিমবঙ্গের পরে আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রয়েছে যথাক্রমে দিল্লি (১৫,০৯৭), তামিলনাড়ু (৬,৯৮৩) এবং কর্ণাটক (৫,০৩১)।একই সঙ্গে দেশে হু-হু করে বাড়ছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে বর্তমানে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৩,০০৭ জন। তবে তাঁদের মধ্যে ১,১৯৯ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ওমিক্রন আক্রান্তের দিক থেকেও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে মোট ৮৭৬ জন করোনার নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। এর পরেই রয়েছে দিল্লি। দিল্লিতে মোট ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬৫।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

Corona: রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০

একদিকে যখন বাংলার চিকিৎসকেরা তৃতীয় ঢেউয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তখন বাংলায় বড়সড় লাফ দিল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক সংক্রমণ একধাক্কায় বেড়ে ৯ হাজার পেরিয়ে গেল মঙ্গলবার। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছুঁইছুঁই। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। কলকাতাতেই মৃতের সংখ্যা ৫।সোমবার স্বাস্থ্য দপ্তরের যে বুলেটিন প্রকাশ হয়, তাতে দেখা গিয়েছিল দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ৬ হাজারের কিছু বেশি। সাধারণত রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় টেস্ট তুলনামূলকভাবে কম হয়। সম্ভবত সেই কারণেই শনিবার ও রবিবার আক্রান্তের সংখ্যায় খুব বেশি হেরফের হয়নি বলেই অনুমান করা হয়। আর মঙ্গলবার একলাফে সেই সংক্রমণ বাড়ল অনেকটাই। বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, সাধারণ মানুষের সতর্কতার অভাবেই এই পরিস্থিতি। তারপরও অসতর্কতার ছবি দেখা যাচ্ছে বাসে-ট্রেনে সর্বত্র। তবে মঙ্গলবারের করোনার গ্রাফ বুঝিয়ে দিচ্ছে, এবার সত্যিই আরও বেশি সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্য গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৯১০। এক সপ্তাহে তা বাড়ল ১,১৪৬ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন জানাচ্ছে মঙ্গলবার রাজধানী শহরে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা ৪,৭৫৯। প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় গত ৩ মে কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা পৌঁছেছিল ৩,৯৯০-এ। তৃতীয় ঢেউয়ের অষ্টম দিনেই সেই রেকর্ড ভেঙে গেল।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Corona: রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় আবার ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের তরফে ক্রমাগত সতর্কবাণী সত্ত্বেও ভোটপুজো থেকে বড়দিন বিধি ভাঙার কোনও সুযোগই ছাড়েনি জনতার একটি বড় অংশ। ফল-ও মিলছে, যেমন মিলেছিল দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত মহোৎসবে লাগামছাড়া মাতনের পরে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০-র ঘরে ঘোরাফেরা করলেও মঙ্গলবার রাতে স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দৈনিক সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে কার্যত দ্বিগুণ হয়েছে। সংখ্যাটি এক ধাক্কায় পৌঁছে গিয়েছে ৭০০-র ঘরে।২ দিন পরেই বর্ষবরণ। বর্ষশেষের নিশিযাপন আর ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনটি উদ্যাপনের তাগিদে কলকাতা ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকে শৃঙ্খলা ভেঙে, অতিমারি বিধি উড়িয়ে ওমিক্রনকে স্বাগত জানাতে হামলে পড়বে কি না, তা নিয়েও মহা উদ্বেগে আছেন চিকিৎসকেরা।ওমিক্রন পশ্চিমবঙ্গ-সহ সারা দেশে থাবা বসাতে থাকায় বার বার বিধি মানার কথা বলে স্বাস্থ্য শিবির মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বছর শেষের উৎসবে প্রশাসন রাশ আলগা করার কারণেই এক শ্রেণির মানুষের বেপরোয়া আচরণের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে মানুষের আত্মিক সচেতনতা ও বোধের উপরেই ভরসা রাখতে চাইছেন চিকিৎসকদের একাংশ। নতুন বছরের আনন্দ ষোলো আনা অনুভব-উপভোগ করেও পথে নেমে ভিড় করে উচ্ছ্বাস প্রকাশে লাগাম টানারই আবেদন জানাচ্ছেন তাঁরা।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজ্যে ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ জন। আর কারও খোঁজ মেলেনি, যাঁকে ওমিক্রনে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা যায়। ঢাকুরিয়ার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যুবকের আজ, বুধবার পুনরায় কোভিড পরীক্ষা করা হবে। সেই পরীক্ষার রিপোর্টও যদি নেগেটিভ আসে, তা হলে তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Corona Update: দৈনিক সংক্রমণের হার নিম্নগামী, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ২৯০ জনের

ভারতে ফের কিছুটা কমে গেল দৈনিক করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা, বিগত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯ হাজার ৬১৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে মৃত্যু হয়েছে ২৯০ জনের, আগের দিনের তুলনায় কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা। শুক্রবার সারাদিনে ভারতে সুস্থ হয়েছেন ২৮,০৪৬ জন, ফলে ভারতে এই মুহূর্তে মোট সুস্থতার হার ৯৭.৭৮ শতাংশ, ২০২০ সালের মার্চ মাসের পর সর্বোচ্চ সুস্থতার হার। ভারতে এই মুহূর্তে মোট চিকিৎসাধীন করোনা-রোগীর সংখ্যা ৩,০১,৪৪২ জন, বিগত ২৪ ঘন্টায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ১,২৮০ জন। বিগত ২৪ ঘন্টায় দেশে কোভিড টেস্টের সংখ্যা ১৫,৯২,৪২১।আরও পড়ুনঃ ডিসি সাউথের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রিয়াঙ্কারকেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করে ২৯,৬১৬ জন সংক্রমিত হওয়ার পর দেশে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ ২৪ হাজার ৪১৯ জন। এই মুহূর্তে শতাংশের নিরিখে ০.৯০ শতাংশ রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভারতে ৮৪.৮৯-কোটির গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল কোভিড-টিকাকরণ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক জানিয়েছে, শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট ৮৪ কোটি ৮৯ লক্ষ ২৯ হাজার ১৬০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বিগত ২৪ ঘন্টায় টিকা দেওয়া হয়েছে ৭১ লক্ষ ০৪ হাজার ০৫১ জনকে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত ২৪ ঘন্টায় ২৯০ জনের মৃত্যুর পর ভারতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৪,৪৬,৬৫৮ জন (১.৩৩ শতাংশ)।ভারতে আরোগ্যের সংখ্যা আরও বাড়ল, শুক্রবার সারা দিনে ভারতে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২৮,০৪৬ জন। ফলে শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ভারতে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩,২৮,৭৬,৩১৯ জন করোনা-রোগী, শতাংশের নিরিখে ৯৭.৭৮ শতাংশ। কেরলের করোনা-পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরেই, বিগত ২৪ ঘন্টায় কেরলে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭,৯৮৩ জন। এই সময়ে দক্ষিণী রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Corona: ফের বাড়ছে সংক্রমণ, চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরল

দেশে এক লাফে অনেকটা বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৯২ জন। এই সংখ্যা গত দুমাসে সর্বোচ্চ। ১ জুলাই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন।করোনা মুক্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ১৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৯ জনের।দেশের বর্তমানে মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে কেরল। গতকাল কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭৩ জনের। তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৩৭ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ২০ লক্ষ ২৮ হাজার ৮২৫ জন।এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা নিয়েছেন ৬৬ কোটি ৩০ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৩৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় টিকা নিয়েছেন ৮১ লক্ষ ৯ হাজার ২৪৪ জন।আরও পড়ুনঃ একযোগে বিষপান লায়লা-মজনু কাকিমা-ভাইপোর, মৃত এক, অন্যজন সংকটজনক গোটা অতিমারি পর্বে দেশে মোট প্রাণ গেল ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৫২৯ জনের। অগস্টের মাঝামাঝিতে যখন সংক্রমণে কিছুটা হলেও কম ছিল, তখন সক্রিয় রোগী কমে সাড়ে তিন লক্ষের নীচে নেমেছিল। গত কয়েক দিন ধরে তা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে ১১ হাজার ৪০২। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৮৩ জন।কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ৩২ হাজার ৮০৩। মহারাষ্ট্রে সাড়ে চার হাজারের আশপাশেই থাকছে দৈনিক সংক্রমণ। তামিলনাড়ুতে দেড় হাজারের আশপাশে। কর্নাটক এবং অন্ধ্রপ্রদেশে অনেকদিন ধরেই ১২০০-র নীচে থাকছে আক্রান্তের সংখ্যা। ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক সংক্রমণ ৬০০ থেকে ৭০০-র ঘরে ওঠানামা করছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের বাকি রাজ্যগুলিতে আগের থেকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও মিজোরামের পরিস্থিতির ভয়ঙ্কর অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাডার ৯৯২ জন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Corona Update: দেশে ফের ৮০ হাজারের গণ্ডি পেরোল করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের বৃদ্ধি পেল করোনা দাপট। একদিনে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ হাজার ৯৬৫ জন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৬০ জনের। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ১০ হাজার ৮৪৫। এর মধ্যে শুধু কেরলেই একদিনে ১৯ হাজার ৬২২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ওই রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জনের। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ২০ জনের। মঙ্গলবার অনেকটাই কমেছিল করোনার প্রকোপ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিল ৩০ হাজার ৯৪১ জন। মৃত্যু হয়েছিল ৩৫০ জনের। করোনা খানিকটা নিয়ন্ত্রণে এলেও সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক আকার নিয়েছে দক্ষিণের রাজ্য কেরলে। করোনা বিপদ বাড়াচ্ছে মহারাষ্ট্রেও। আরও পড়ুনঃ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণের জন্য ব্যাঙ্ক বাড়ির দলিল বন্ধক রাখতে বলায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্রমহারাষ্ট্র এবং কেরল কেবল এই দুটি রাজ্যেই দৈনিক মৃতের সংখ্যা শতাধিক। কেরলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১৯ হাজারের বেশি মহারাষ্ট্রে ৫৪ হাজার ৭৬৩টি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে। প্রায় ৩৫.৬ শতাংশ সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে বুধবার।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২১
স্বাস্থ্য

Corona Update: উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণ

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনার দৈনিক সংক্রমণ। স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিনে নতুন করে রাজ্যে ৭৬৯ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। উদ্বেগ বাড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গের সংক্রমণের হারও। কলকাতাতেও গত দুদিনের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে সংক্রমণ। জেলায় করোনা সংক্রমণের দিকে নজর করলে বোঝা যাবে, রাজ্যের কয়েকটি অংশে সিংহ ভাগ আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুড়ি মিলিয়ে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২০৬। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৈনিক আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে দার্জিলিঙে (৬৫), তার পরেই রয়েছে জলপাইগুড়ি (৬১)। আরও পড়ুনঃ অনুমতি ছাড়াই ম্যারাথনে দৌঁড়লেন দিলীপ-সৌমিত্ররাদক্ষিণবঙ্গে এখনও উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই জেলায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯, যা রাজ্যেও সর্বোচ্চ। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে ব্যারাকপুর কমিশনারেট ও বারাসত পুর এলাকায় একাধিক কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ভারতে করোনায় দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও ফের বাড়ল সংক্রমণ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রবিবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯ হাজার ২৫৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৫১ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮২৪। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১০ হাজার ৯৫২। করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৫২১ জন।এই মুহূর্তে ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা নিচ্ছে ডেল্টা রূপ। ডেল্টার হাত ধরেই ভারতে তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই প্রসঙ্গে গুলেরিয়া বলেন, হাম বা চিকেন পক্সের ক্ষেত্রে আর ভ্যালু প্রায় ৮। অর্থাৎ এক জনের থেকে আট জনের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমরা দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় দেখেছি এক জনের থেকে পুরো পরিবারকে আক্রান্ত হতে। চিকেন পক্সের ক্ষেত্রেও এটাই হয়। ডেল্টা রূপে আক্রান্ত এক জনের পক্ষে গোটা পরিবারকে আক্রান্ত করার ক্ষমতা রয়েছে।ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে সেরো সার্ভেতে দেখা গিয়েছে অ্যান্টিবডির পরিমাণ অনেকটাই। তবে এই বিষয় নিয়ে বেশি খুশি হওয়ার কারণ নেই বলেই জানিয়েছেন গুলেরিয়া। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি আগে কেরলে অ্যান্টিবডি অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সম্প্রতি সেখানে সংক্রমণ বাড়ছে। কারণ একটা সময়ের পরে শরীরে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ও ক্ষমতা দুইই কমতে থাকে। ফলে একমাত্র টিকাই ভরসা। যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে টিকা দেওয়া দরকার। তবেই দেশে সংক্রমণ কমানো যাবে বলে মনে করেন এইমস প্রধান।

আগস্ট ০১, ২০২১
দেশ

Coronavirus: ২৪ ঘণ্টায় দেশে বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশে আছড়ে পড়ার পর থেকেই নতুন করে বেড়েছিল উদ্বেগ। চলতি বছর মার্চ থেকে হু হু করে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। ভোলবদলে আরও প্রাণঘাতী হয়ে ওঠা ভাইরাসের জেরে বৃদ্ধি পায় মৃত্যুর হারও। তবে লকডাউন ও কড়া বিধিনিষেধের জেরে বর্তমানে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে দেশের কোভিড সংক্রমণ। এক সময় দেশে যেখানে দৈনিক আক্রান্ত ৪ লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল, সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজারে। তবে এখনও চিন্তায় রাখছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬২ হাজার ২২৪ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় সামান্য বেশি। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। এর মধ্যে অবশ্য চলতি বছরই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ফের যাতে সংক্রমণ না বাড়ে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র এবং সমস্ত রাজ্য। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০৫। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৪২ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৭৩ জন।তবে মানুষ নতুন করে গৃহবন্দি হওয়ায় ধীরে ধীরে কমছে অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনার চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে হল ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৩২ জন। সেই সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬২৮ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ২ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০০ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

পরপর দু’দিন কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্র ও রাজ্য কোমর বেঁধে নামতেই মিলল ইতিবাচক ফল। একদিকে যেমন টিকাকরণের গতি বেড়েছে, তেমনই একাধিক শহর হেঁটেছে পূর্ণ ও আংশিক লকডাউনের পথে। সমস্ত কোভিড প্রোটোকল মানার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি চলছে। যার ফল মিলল পরিসংখ্যানে। পরপর দুদিন দেশে সংক্রমণ নিম্নমুখী। একদিনে সুস্থ হয়ে উঠলেন তিন লক্ষ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ২২৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে মহারাষ্ট্রেও। তবে জুলাই ও অগস্টে সে রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও উদ্ধব সরকার জানিয়ে দিয়েছে, সমস্ত পরিস্থিতির জন্য তারা তৈরি। গোটা দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৩৩-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩,৪৪৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪০৮ জন। তবে চিন্তায় রাখছে অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ১৩৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২০ হাজার ২৮৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৩ হাজার ২৯২ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসি্এমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৬ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৪২টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ৪ লক্ষ

বিশ্বে প্রথম। ভারতের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৪ লক্ষের গণ্ডি। পরপর ৯ দিন আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষের বেশি থাকার পর শনিবার নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলল ভারত। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশে দৈনিক সংক্রমণ চার লক্ষের ধারেকাছেও যায়নি। আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি কাঁপুনি ধরাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে স্বস্তির খবর, আক্রান্তের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি সুস্থতার হারেও রেকর্ড গড়ছে দেশ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সুস্থও হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ লক্ষ ১ হাজার ৯৯৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৬ হাজার বেশি। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৬৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৮৫৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৫২৩ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় এই প্রথম মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার পেরল।স্বস্তির খবর হল, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক কম হলেও এযাবৎকালের রেকর্ড। আপাতত দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭১০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪০৬ জন। প্রসঙ্গত, করোনা রুখতে আজ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হচ্ছে গণটিকাকরণ। শুক্রবারের হিসেব অনুযায়ী টিকা নেওয়ার জন্য ১৮ থেকে ৪৪ বছরের প্রায় ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশায় নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। তবে, কয়েকটি রাজ্যে টিকার অপ্রতুলতার জন্য টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। তবে, এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৩৫ জন।

মে ০১, ২০২১
দেশ

২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি প্রায় সাড়ে তিন হাজার

রূপ বদলে আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাস। মাত্র মাস খানেকের ব্যবধানেই দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪ লক্ষের দোরগোড়ায় এসে হাজির। তারই মধ্যে ভ্যাকসিন, ওষুধ, অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে নাজেহাল অবস্থা কেন্দ্রর। সব মিলিয়ে গত বছরের থেকেও ভয়ংকর অবস্থার সাক্ষী দেশবাসী। গত কয়েকদিনের মতো শুক্রবারও লাগামছাড়া সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ল মৃতের সংখ্যা। আর বাড়তে থাকা অ্যাকটিভ কেস বুঝিয়ে দিল, কেন চতুর্দিকে অক্সিজেন এবং বেডের অভাব।এদিন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৫২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রে, তা বলাই বাহুল্য। জুলাই ও গস্টে সেখানে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন বিশেষজ্ঞরা। একইভাবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজধানী দিল্লিও। লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে। দেশে মোট করোনা আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়াল ১ কোটি ৮৭ লক্ষ ৬২ হাজার ৯৭৬-এ। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৩,৪৯৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ২ লক্ষ ৮ হাজার ৩৩০ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৩১ লক্ষ ৭০ হাজার ২২৮ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৭ হাজার ৫৪০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪১৮ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ১৫ কোটি ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে করোনার নয়া তাণ্ডব রুখতে টিকাকরণের গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ১ মে থেকে আবার ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রত্যেককে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৯ লক্ষ ২০ হাজার ১০৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় ৪ দিন বন্ধ অনাবশ্যক পণ্যসামগ্রীর বাজার

লকডাউন নয়। তবে করোনা সংক্রমণের চেন ভাঙার জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কনফেডারেশন অফ ওয়েস্টবেঙ্গল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন। জানিয়ে দেওয়া হল, কলকাতার যে এলাকাগুলির বাজারে সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়, চারদিনের জন্য সেই সমস্ত বাজার বন্ধ রাখা হবে। অর্থাৎ আজ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত একাধিক এলাকার সমস্ত বাজার বন্ধ থাকবে।সংক্রমণ রুখতে লকডাউনকে শেষ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়েছিলেন, কনটেনমেন্ট জোনে কড়াকড়ি-সহ করোনা মোকাবিলায় নানা বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবতে। আর এবার একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে সংক্রমণের এই চেন ভাঙতে অনাবশ্যক পণ্যের বাজার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বলা হয়েছে, চাঁদনি চক, এগরা স্ট্রিট, ম্যাঙ্গো লেন, প্রিন্সেপ স্ট্রিট, চৌরঙ্গি, ক্যানিং স্ট্রিট, বড়বাজার-সহ যে সমস্ত এলাকায় প্রতিদিনই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে ক্রেতারা এসে ভিড় জমান, সেই বাজারগুলি বন্ধ থাকবে রবিবার পর্যন্ত। পোস্তা এবং অন্যান্য কিছু বাজার আগের মতোই খোলা থাকবে।সিডব্লুবিটিএ-র সভাপতি সুশীল পোদ্দার বলেন, আমাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সব ব্যবসায়ীকে আমরা অনুরোধ করেছিলাম, যাতে বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত তাঁরা বাজার বন্ধ রাখেন। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতেই এই সিদ্ধান্ত। সঙ্গে এও পরিষ্কার করে দিয়েছেন, বৃহস্পতিবার এমনিতেই কলকাতার ৭টি আসনে আজ ভোট। ফলে বাজার বন্ধই থাকবে। আর সাধারণ নিয়মে শনি ও রবিবার এই সব বাজারগুলি বন্ধই থাকে। অর্থাৎ হিসেব মতো শুক্রবারই অতিরিক্ত একটি দিন বন্ধ রাখা হবে দোকানপাট।সিডব্লুবিটিএ-র সচিব রাজেশ ভাটিয়া জানিয়েছেন, করোনার চোখ রাঙানির মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতা-সহ সকলের সুরক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাজার খোলা রাখতে। শনি ও রবিবার বন্ধ থাকবে বাজার। যতটা সম্ভব যেন বাড়ি থেকেই কাজ করেন কর্মীরা। এছাড়া মাস্ক পরা, স্যানিটাইজারের ব্যবহার তো বাধ্যতামূলক।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
দেশ

এলাকাভিত্তিক লকডাউনের ইঙ্গিত কেন্দ্রের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বিধ্বস্ত দেশ। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। গত কয়েকদিনের ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কোভিড মোকাবিলায় কড়া হওয়ার বার্তা দিল কেন্দ্র। স্থানীয় কনটেনমেন্ট জোন গড়ার নির্দেশের মধ্যে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের ইঙ্গিত।রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে সব অঞ্চলে সংক্রমণের হার অত্যন্ত বেশি, সেগুলিকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে। বিশেষ নজর দিতে হবে যাতে সেখানে সংক্রমণের হার আর না বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে জেলা/ শহর/ অঞ্চলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দুটি শর্তের কথা বলা হয়েছে।এই দুটি শর্তের একটি হল ১ সপ্তাহের মধ্যে যদি কোভিড পরীক্ষায় ১০ শতাংশ বা তার বেশি মানুষ সংক্রমিত হন। অন্যটি হল যদি হাসপাতালগুলিতে ৬০ শতাংশের বেশি রোগী অক্সিজেন সাপোর্টে কিংবা আইসিইউয়ে চিকিৎসাধীন থাকেন। এই শর্তগুলির যে কোনও একটাও যদি পূরণ হতে দেখা যায়, তাহলে সেই জেলাগুলিতে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। স্থানীয় কনটেনমেন্ট জোনের কথা ভাবতে হবে। যে সমস্ত অঞ্চলে সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে ১৪ দিনের জন্য কড়া নজরদারি চালাতে হবে যাতে সংক্রমণের শৃঙ্খলকে ভাঙা যায়। ওই সব অঞ্চলে বেশি সংখ্যক মানুষের জমায়েত ইত্যাদি বিষয়ে নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। ওই সব এলাকার পরিস্থিতি প্রতি সপ্তাহের ভিত্তিতে নজরে রাখতে হবে। এবং সম্ভব হলে অনলাইনে সেই পরিসংখ্যান জানাতে হবে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

রাজধানীতে লকডাউন বাড়ল আরও এক সপ্তাহ

সংক্রমণ কমার কোনও লক্ষণই নেই, তাই আরও এক সপ্তাহ বাড়ল দিল্লির লকডাউন। আজ এক ভিডিও বার্তায় একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।সব দিক পর্যালোচনা করেই লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।দিল্লিতে ক্রমশ বাড়ছে করোনা। সেই সঙ্গে অক্সিজেন ও হাসপাতালে শয্যা সংকটও চলছে। এই পরিস্থিতিতে আরও এক সপ্তাহ লকডাউন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে দিল্লি সরকার, এমনটাই জানা গিয়েছিল। রবিবার দুপুরে সেই জল্পনাকে সত্যি করেই লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লির জন্য দৈনিক অক্সিজেন সরবরাহ ৪৮০ মেট্রিক টন থেকে বাড়িয়ে ৪৯০ মেট্রিক টন করেছে।দিল্লিতে প্রতিদিন ৭০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। শনিবার দিল্লির জয়পুর গোল্ডেন হাসপাতালের তরফে জানা যায়, সেখানে অক্সিজেনের অভাবে ২৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে। উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে কতটা অক্সিজেন হাসপাতালগুলিতে সরবরাহ করা হচ্ছে তার রেকর্ড রাখার একটি পোর্টাল তৈরি করছে দিল্লি সরকার। সেই পোর্টালে অক্সিজেনে সরবরাহের স্থিতি প্রতি ২ ঘণ্টায় আপডেট করা হবে।দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ২৪ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭ জনের, যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির তরফেও জানানো হয় যে তাঁরা আরও দীর্ঘ লকডাউন চান।

এপ্রিল ২৫, ২০২১
দেশ

করোনা সংক্রমণে বিশ্বরেকর্ড ভারতের

দৈনিক করোনা সংক্রমণে বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে দিল ভারত। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই লাগাতার বাড়ছিল করোনা সংক্রমণ। বৃহস্পতিবার তা যেন মাত্র ছাড়িয়ে গেল। বিশ্বের সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে একদিনে করোনা আক্রান্ত হলেন প্রায় ৩ লক্ষ ১৫ হাজার মানুষ। এর আগে গতবছর ১৭ সেপ্টেম্বর আমেরিকায় একদিনে ৩ লক্ষ ৭ হাজার মানুষ করোনার কবলে পড়েছিলেন। সেই রেকর্ডও এদিন ভেঙে দিল ভারত। আক্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাটাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৮৩৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৮ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের তো বটেই গোটা বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫৯ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৬৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৮৮০ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ১০৪ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৮৪১ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ২২ লক্ষ ৯১ হাজার ৪২৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৮০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১৩ কোটি ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৪৪ জন সংক্রমণ রুখতে ইতিমধ্যেই দেশের বহু রাজ্য কার্ফু এবং লকডাউনের পথে হেঁটেছে। যে তালিকায় সাম্প্রতিকতম সংযোজন মহারাষ্ট্র। আজ থেকেই মরাঠাভূমে শুরু হচ্ছে কঠোর কার্ফু। ঝাড়খণ্ডেও আজ থেকে শুরু হচ্ছে ৭ দিনের কার্ফু।

এপ্রিল ২২, ২০২১
রাজ্য

একদিনে রাজ্যে আক্রান্ত ১০ হাজার ৭৮৪ জন

ভয়াবহ রূপ নিয়ে আছড়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ। পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে একদিনে বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ১০ হাজার। রেকর্ড গড়ল গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যাও। সবমিলিয়ে ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের আগে ভয়াবহ আকার নিল রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি।বুধবার স্বাস্থ্যদপ্তরের সন্ধের রিপোর্ট বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৭৮৪ জন। ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৬ লক্ষ ৮৮ হাজার ৯৫৬ জন। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। আজকের রিপোর্ট বলছে, বাংলায় এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা ৬৩ হাজার ৪৯৬ জন। যা মঙ্গলবারের তুলনায় ৫ হাজার ১১০ জন বেশি। এদিনের সরকারি হিসেব বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক সংক্রমিতের হদিশ মিলেছে কলকাতায় (২ হাজার ৫৬৮)। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (২ হাজার ১৪৯)। চিন্তা বাড়াচ্ছে বাকি জেলাগুলিও। উদ্বেগ বাড়িয়েছে নিম্নমুখী সুস্থতার হারও। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬১৬ জন। ফলে সুস্থতার হার কমে দাঁড়াল ৮৯.২৩ শতাংশ। বুধবার সুস্থতার শতকরা হার ছিল ৮৯.৮২ শতাংশ। ইতিমধ্যে রাজ্যে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৬ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৫০ জন।চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্যের মৃত্যুর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮ জনের। সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায় (১৪)। এর ঠিক পরেই রয়েছে কলকাতা (১৩)। বাকিরা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, হাওড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও দুই মেদিনীপুরের বাসিন্দা। এদিন রাজ্যের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ৭১০। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি।

এপ্রিল ২১, ২০২১
দেশ

ফের রেকর্ড সংক্রমণ দেশে, একদিনে মৃত্যু ১ হাজার ৬১৯ জনের

ভয়াবহতার সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা। এতদিন রেকর্ড হারে বাড়ছিল শুধু আক্রান্তের সংখ্যা। এবার শুরু হল মৃত্যু মিছিলও। সোমবার সকালেও দেশে রেকর্ড ভেঙে প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ করোনার কবলে পড়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১,৬০০-র বেশি মানুষের। যে হারে দেশের পজিটিভিটি রেট এবং অ্যাকটিভ কেস বাড়ছে, তাতে খুব দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে ভয়াবহ পরিস্থিতি। খুন স্বস্তিতে নেই রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, বিহার, বাংলাও।সোমবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৩ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৬১ হাজার ৯১৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৬৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৬১৯ জনের। যা সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ১৭৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৯ হাজার ৩২৯ জন। এই নিয়ে পরপর চারদিন দেশে দৈনিক অ্যাকটিক কেস বাড়ল এক লক্ষের বেশি। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮২১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১২ কোটি ৩৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৬ জন।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

হাজারো মানুষের জমায়েতের পরেই পাল্টা আক্রমণ! ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা নীতীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে শনিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচির পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সংগঠনের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতেই দলটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন।শনিবার রাঁচিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নীতীন বলেন, দেশের যুবসমাজ নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে এবং দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে চায়। কিন্তু কিছু মানুষ তরুণ প্রজন্মকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক কাজের পথেই এগোবে।নাম না করেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দিকেও ইঙ্গিত করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, বিদেশে বসে কয়েক জন মানুষ মনে করছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজের চিন্তাধারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কিন্তু দেশের তরুণ প্রজন্ম কারও হাতের পুতুল নয়।নীতীন আরও বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার কোনও প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর দাবি, উদ্ভাবন, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তরুণরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁদের পরিশ্রমের ফলেই দেশে বিপুল সংখ্যক নতুন উদ্যোগ গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে যে ধরনের সরকারবিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, সেই পরিস্থিতি ভারতে তৈরি হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অন্যদিকে, ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি সামনে আনা হয়েছে। সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।শনিবারের কর্মসূচিকে ঘিরে প্রথমে নানা জল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়। শুধু অনুমতিই নয়, কর্মসূচি ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। অভিজিৎ দীপক ভারতে এলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে যে জল্পনা চলছিল, তাও বাস্তবে দেখা যায়নি। বরং কর্মসূচি চলাকালীন তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক কর্মসূচি এবং তা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হওয়া নতুন বিতর্ক এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘অপমানে মাথা নোয়েনি’— স্বরূপ গ্রেফতারের পর ১০ পরিচালকের নাম প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন মহলে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে গ্রেফতারের পর সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।স্বরূপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় টলিউডে কাজের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং কর্মচারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।এই আবহে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। হারাধনের দশটি ছেলে শিরোনামে করা সেই পোস্টে তিনি এমন দশ জন পরিচালকের কথা উল্লেখ করেছেন, যাঁরা নানা চাপের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সুদীপ্তার দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে বহু পরিচালক একযোগে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন। পরে কাজের স্বার্থে অনেকেই সেই অবস্থান থেকে সরে এলেও কয়েক জন পরিচালক শেষ পর্যন্ত নিজেদের প্রতিবাদ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের নিয়েই পোস্টে লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, অপমান এবং পেশাগত ক্ষতির মুখেও তাঁরা নিজেদের নীতি থেকে সরে যাননি।সেই তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আশীষ সেন চৌধুরী, অভিষেক সাহা, বিদুলা ভট্টাচার্য, দেবাশিস চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, কিংশুক দে, সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায় এবং সুমিত দাম।সুদীপ্তার পোস্টে বিশেষভাবে উঠে এসেছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম। অভিযোগ, দীর্ঘদিন তাঁকেও কাজের সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজের সৃজনশীল কাজ এবং সংগীতচর্চার মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। পরে অভিনেতা ও প্রযোজক দেব তাঁর একটি ছবিতে কাজের সুযোগ দেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে আরও কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক মেক-আপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, প্রায় দুবছর ধরে তিনি কোনও কাজ পাননি। কাজের সুযোগ চাইলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার কথাও তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু সুযোগ আসে। তবে অভিযোগের সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখন টলিউডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর শিল্পী মহল এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ডিম আতঙ্কে শেষ মুহূর্তে বাতিল বৈঠক! তৃণমূল ভবন নিয়ে জোর জল্পনা

কলকাতা পুরসভার নতুন মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রবিবার বিকেলে তৃণমূল ভবনে ডাকা কাউন্সিলরদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।তৃণমূলের অন্দরের দাবি, বৈঠককে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। পাশাপাশি কিছু কাউন্সিলরের মধ্যেও বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে অনীহা দেখা গিয়েছিল বলে সূত্রের দাবি। সেই পরিস্থিতির কথা উচ্চ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর পর বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।দলীয় সূত্রের আরও দাবি, নতুন মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য কোনও স্থানে কাউন্সিলরদের ডেকে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরেরও কথা রয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা দল চাইছে না বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।উল্লেখ্য, ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রাজ্য সরকারের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাবও দিতে হবে।এই পরিস্থিতিতে নতুন মেয়র নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের তৎপরতা বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই একাধিক নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নামও জল্পনায় উঠে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত দল কাকে দায়িত্ব দেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকল পুলিশ, ঘর থেকে টেনে বের করা হল তৃণমূল কাউন্সিলরকে

কলেজ স্ট্রিটে রবিবার ভোর থেকে চলে টানটান উত্তেজনা। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টার নাটকীয় অভিযানের পর অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ কাউন্সিলরের বাড়িতে পৌঁছে যায় জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরেও তিনি দরজা খোলেননি।পুলিশের দাবি, কাউন্সিলর বাড়ির ভিতরেই ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর আধিকারিকরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন। তবুও দরজা না খোলায় শেষ পর্যন্ত চাবিওয়ালাকে ডাকা হয়। সদর দরজা ও একাধিক কোলাপসিবল গেটের তালা খুলে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ। এরপর ঘর থেকে কাউন্সিলরকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বের করার সময় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর সমর্থকেরা বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি আটকে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিক্ষোভে সামিল হন। কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং জমায়েত সরাতে বাহিনী তৎপর হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে এক নাবালিকাকে নির্যাতনের অভিযোগে পকসো আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় কাউন্সিলর এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েক জনের নাম ছিল। অভিযোগ, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিতার পরিবারকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।শনিবার নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই তরুণীকে একা পেয়ে কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠ কয়েক জন প্রথমে কটূক্তি করে। প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আক্রান্ত তরুণী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার পর আশপাশের একাধিক নজরদারি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই রবিবার সকালে পুলিশ কাউন্সিলরের বাড়িতে অভিযান চালায়।দীর্ঘ সাড়ে ৫ ঘণ্টার টানাপোড়েনের পর কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় কাউন্সিলরসহ মোট দুই জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

স্বরূপের পর কি এবার অরূপ? হাই কোর্টের শুনানির আগেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে তলব পুলিশের

স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে আইনি জটিলতার পর এবার কি একই পথে হাঁটতে চলেছেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস? মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।গত ১৭ মে মেসির সফরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মেসির অনুষ্ঠান ঘিরে প্রায় ২২ হাজার টিকিট কালোবাজারি করা হয়েছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজি, প্রতারণা, অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগও আনা হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।শতদ্রুর আরও দাবি, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ বিশ্বাস মেসির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। এমনকি অনুমতি ছাড়াই মেসির গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরূপ বিশ্বাসকে ৪ জুন বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল পুলিশ। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানান, অসুস্থতার কারণে আগামী দুসপ্তাহের মধ্যে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়।কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর করেনি পুলিশ। শনিবার ফের নোটিস পাঠিয়ে প্রাক্তন মন্ত্রীকে সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই মামলায় গ্রেপ্তারি এড়াতে অরূপ বিশ্বাস প্রথমে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর তিনি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ৯ জুন সেই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।তবে হাই কোর্টে শুনানির আগেই পুলিশের নতুন তলব ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর। সোমবার অরূপ বিশ্বাস থানায় হাজিরা দেন কি না এবং তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে, তা নিয়েই কৌতূহল বাড়ছে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে হানা, উদ্ধার পুলিশের পোশাক ও গুলির খোল! ডায়মন্ড হারবারে তীব্র চাঞ্চল্য

ডায়মন্ড হারবারে এক পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরিষার কামারপোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মইদুল ইসলামের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণসামগ্রী, ওষুধ, ত্রিপল, কম্বল এবং পুলিশের পোশাক উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি গুলির খোল ও বাক্সও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে কয়েক জন গ্রামবাসী খবর পান যে প্রধানের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে। এরপর তাঁরা সেখানে গিয়ে বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালান বলে দাবি। অভিযোগ, সেখান থেকে হাজার হাজার ত্রিপল, শিশুদের খাদ্যসামগ্রী, পোশাক, কম্বল এবং প্রচুর ওষুধ উদ্ধার হয়।স্থানীয়দের আরও দাবি, উদ্ধার হওয়া ওষুধের মধ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পরিচালিত সেবাশ্রয় শিবিরের চিহ্নযুক্ত ওষুধও ছিল। তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হল, প্রধানের বাড়ি থেকে পুলিশের পোশাক এবং গুলির খোল উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে এই সামগ্রী সেখানে পৌঁছল, তা নিয়ে কৌতূহল ও উদ্বেগ দুই-ই বাড়ছে।খবর পেয়ে ডায়মন্ড হারবার থানার পুলিশ এবং পারুলিয়া উপকূল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সমস্ত সামগ্রীর উৎস এবং সেগুলি কীভাবে ওই বাড়িতে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিযুক্ত প্রধান এলাকায় নেই। ফলে তাঁর বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে বণ্টন না করে মজুত রাখা হয়েছিল।ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিজেপি। দলের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, সাধারণ মানুষের প্রাপ্য ত্রাণসামগ্রী আত্মসাৎ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পোশাক উদ্ধারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে তারা। তাঁদের অভিযোগ, এই পোশাক ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার বা ভয় দেখানোর মতো কাজ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও সরকারি প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।এদিকে, এই ঘটনার বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, তার উপরই নির্ভর করবে এই বিতর্কের ভবিষ্যৎ।

জুন ০৭, ২০২৬
টুকিটাকি

গরমের দিনে পান্তা ভাতের জুড়ি নেই, শুধু সুস্বাদু নয়, এতে লুকিয়ে আছে পুষ্টির ভাণ্ডার

পান্তা ভাত। শুনলেই অনেকের জিভে জল চলে আসে। এ স্বাদের কোনও ভাগ হবে না। সত্যি এ এক অনন্য স্বাদের খাবার। গরমে এর কোনও বিকল্প নেই। কিন্তু পান্তা ভাতের গুনাগুন শুনলে যে কেউ চমকে যাবেন। অনেকেরই ধারণার বাইরে। পান্থা ভাত কি শুধু স্বাদের জন্য পছন্দ করি, নাকি তার কিছু গুনাগুন আছে? পান্তাভাতের সঙ্গে চাই গন্ধরাজ লেবু, কাঁচা পেয়াজ, কাঁচা লঙ্কা। তার সঙ্গে পোস্তের বরা বা ডালের বরা হলে মন্দ নয়। পান্তা ভাতের গাজন বা ফার্মান্টেশনের জন্য ভিটামিন বি ১২, ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম তৈরি হয়। এটি শুধু শরীরের ভিতরকে ঠান্ডা করে না পাশাপাশি হজম শক্তি বাড়ায়। ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। পান্তা ভাত যেমন অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে তেমনি তার পুষ্টিগুন জনতি বৃদ্ধিতে রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ করে। শরীরে ক্লান্তি ও অনিদ্রা দূর করে। ত্বক ও চুলকে ভালো রাখা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে।কিভাবে এই খাবার তৈরি করবেন? পান্তা ভাত তৈরির জন্য বিশুদ্ধ খাবার জলে ভাত ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত। ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখলে পেটের অসুখ হতে পারে। পান্তা ভাতের এই ফার্মান্টেশন শরীরের ঘুম ঘুম ভাব এনে থাকে অর্থাৎ অনিদ্রা দূর করে।

জুন ০৭, ২০২৬
রাজ্য

গৃহস্থের বাজেটে আগুন! তিন মাস পর আবার দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের

সাধারণ মানুষের জন্য ফের বড় ধাক্কা। তিন মাস পর আবার বাড়ানো হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম। ৭ জুন থেকে সারা দেশে বাড়ির ব্যবহারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা বৃদ্ধি করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কলকাতায় একটি গৃহস্থালি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম দাঁড়াল ৯৬৮ টাকা।তবে এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক গ্যাসের দামে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। কলকাতায় উনিশ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের বর্তমান দাম ৩২৫৫ টাকা ৫০ পয়সা।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহ ও দামের উপর চাপ তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে গ্যাস, পেট্রোল এবং ডিজেলের বাজারেও। চলতি বছরের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসও।গত বছরের জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত রান্নার গ্যাসের দাম মোট ৮৯ টাকা বেড়েছে। এর আগে মার্চ মাসে একবারে ৬০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ বৃদ্ধির পর দিল্লিতে গৃহস্থালি গ্যাসের দাম হয়েছে ৯৪২ টাকা, মুম্বইয়ে ৯৪১ টাকা ৫০ পয়সা, চেন্নাইয়ে ৯৫৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং কলকাতায় ৯৬৮ টাকা।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ভর্তুকিযুক্ত গ্যাস কম দামে বিক্রি করার কারণে তেল সংস্থাগুলির আর্থিক চাপ বাড়ছে। সেই ক্ষতি কিছুটা সামাল দিতেই গৃহস্থালি গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও গত কয়েক মাসে একাধিকবার বেড়েছে। এপ্রিল মাসে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ২১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। মে মাসে এক ধাক্কায় প্রায় এক হাজার টাকা বৃদ্ধি পায় দাম। এরপর জুন মাসের শুরুতে আরও ৫৩ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানো হয় বাণিজ্যিক গ্যাসের মূল্য।সব মিলিয়ে রান্নার গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের সংসারের খরচ আরও বাড়িয়ে দিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত গৃহস্থের উদ্বেগ আরও বাড়াবে বলেই মত অর্থনৈতিক মহলের একাংশের।

জুন ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal