• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Congress

রাজ্য

কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচার ফ্লেক্সে প্রিয়াংকা, রাহুলের পাশে সাঁটিয়ে দেওয়া হল তৃণমূল প্রার্থীর ছবি -চাঞ্চল্য কালনায়

নিজের ছবি সহযোগে ওয়ার্ডে পুর ভোটের প্রচার ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। কিন্তু রাতারাতি ওই ফ্লেক্সে থাকা কংগ্রেস প্রার্থীর মুখের ছবির উপরে কেউ প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর ছবি সাঁটিয়ে দেয়।আর তা নিয়েই বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের ১৫ নং ওয়ার্ড এলাকায়।ঘটনা নিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ কুমার সাহা এদিন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানান। যদিও তৃণমূল প্রার্থী দাবি করেছেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে কালনা পৌরসভার ভোট।পুর ভোটে কালনা শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ কুমার সাহা। তিনি অভিযোগে বলেন ,ওয়ার্ডের ছোট দেউড়ি পাড়া বাজার এলাকার একটি দেওয়ালে তিনি তাঁর ছবি সহ একটি প্রচার ফ্লেক্স ঝুলিয়ে ছিলেন। তাতে ইন্দিরা গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াংকা গান্ধী ও অধীর চৌধুরীর ছবিও থাকে। সেই ছবিগুলিতে কিছু না করে কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে শুধুমাত্র তাঁর ছবির জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে দেয়।মনোজবাবু জানান, এদিন সকালে বাজারে যাওয়ার পর তিনি তাঁর প্রচার ফ্লেক্সের ওই অবস্থা দেখতে পান। মনোজ সাহা দাবি করেন, ভোটারদের বিভ্রান্ত করে ভোট পাবার জন্য তৃণমূলের লোকজন কৌশল এঁটে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলেও মনোজবাবু জানিয়েছেন। যদিও এমন ঘটনা কে বা কারা ঘটিয়েছে তার কিছুই জানেন না বলে এদিন জাানান তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে তবে তিনি নিজেই ওই ছবি খুলে দেবেন বলে জানিয়েছন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
দেশ

সংসদে ফের আক্রমণাত্মক প্রধানমন্ত্রী, করলেন কংগ্রেসকে তুলোধনা

লোকসভার পর রাজ্যসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিশানায় ফের বিরোধীরা। মঙ্গলবার ফের তিনি বিঁধলেন কংগ্রেসকে। চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন গান্ধি পরিবারকে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে টেনে দাবি করলেন, গোয়ার প্রতিরোধকে নেহরু ঠেকিয়ে রেখেছিলেন কেবল বিশ্বের দরবারে নিজের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করতে। বললেন, কংগ্রেসের দর্শন এখন শহুরে নকশালদের কব্জায়।এ দিন রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে মোদি বলেন, কংগ্রেস অহরহ আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে, ইতিহাস বদলে দেওয়ার। এ দিকে কংগ্রেসেরই দর্শন শহুরে নকশালদের কব্জায় চলে গিয়েছে! তাঁর দাবি, কংগ্রেস না থাকলে দেশবাসীকে যেমন জরুরি অবস্থার মুখে পড়তে হত না। তেমনই শিখ গণহত্যার ঘটনাও ঘটত না। মহাত্মা গান্ধিও ভারতে কংগ্রেসকে চাননি বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর। মোদির দাবি, আজ যদি কংগ্রেস না থাকত, তা হলে এক অন্য দেশ দেখতে পাওয়া যেত। একই সঙ্গে গান্ধি পরিবারকে আক্রমণ করে বলেন, আজ দেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদের নাম পরিবারবাদ। কংগ্রেসের সমস্যা হল, তারা কখনওই একটি পরিবারের বাইরে কিছু ভাবতে পারেনি।দিন কয়েক আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি সংসদের দাঁড়িয়ে মোদি সরকারকে তুলোধোনা করেছিলেন। বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেস না থাকলে আজ দেশে গণতন্ত্র থাকত না।অভিযোগ করেছিলেন, আজ কংগ্রেস কেন্দ্রে নেই, তাই মোদি সরকার রাজার মতো শাসন করছে। রাহুলের সেই কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে মঙ্গলবার রাজ্যসভায় মোদি বললেন, কংগ্রেস না থাকলে!এরপরই মোদি চলে আসেন শিখ দাঙ্গা , এবং কাশ্মীরি পণ্ডিত নিধন ইস্যুতে। বলেন, আজ কংগ্রেস না থাকলে শিখদের গণহত্যা হত না। পঞ্জাবকে বছরের পর বছর সন্ত্রাসবাদের জ্বালা বয়ে বেড়াতে হত না। পঞ্জাবের ভোটের ঠিক আগে আগে মোদির এই শিখ দাঙ্গা স্মরণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। ৩৭ বছর পরেও শিখ দাঙ্গার কালো দাগ মুছতে পারেনি কংগ্রেস। চুরাশির সেই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যেই পাঞ্জাববাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং। ক্ষমা চেয়েছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধিও। রাহুল গান্ধিও এ প্রসঙ্গে ক্ষমা চেয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
দেশ

উত্তরপ্রেদেশে কংগ্রেসের প্রার্থী হচ্ছেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মা

উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে নিজেদের জমি শক্ত করতে মরিয়া কংগ্রেস। প্রথম দফার প্রার্থী ঘোষণাতেই সকলকে চমকে দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হল উন্নাওয়ের নির্যাতিতার মায়ের নাম।প্রিয়াঙ্কা গান্ধির গলায় যে নারীশক্তির জয়জয়কার শোনা গিয়েছিল, প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রেও তারই প্রতিফলন দেখা গেল। কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ে নির্যাতিতা তরুণীর মা আশা সিংকেও প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়। নিজের মেয়েকে সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার জন্য তিনি যেভাবে লড়াই করেছিলেন, উত্তরপ্রদেশের বাকি মেয়েদের জন্যও তিনি লড়বেন বলে দাবি করেন প্রিয়াঙ্কা।এ দিন উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কংগ্রেসের তরফে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিক বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি ১২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন, তারমধ্যে ৫০ জনই মহিলা। সকলকে চমকে দিয়ে উন্নাওয়ে নির্যাতিতার মা আশা সিংয়ের নাম ঘোষণা করেন।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস শুরু করেছিল লড়কি হু, লড় সকতি হু নামে প্রচার অভিযান। রাজ্য তথা দেশের নারীশক্তিকে তুলে ধরতেই এই প্রচার শুরু করেছে কংগ্রেস। এ দিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বলেন, আমাদের প্রার্থী তালিকা এক নতুন বার্তা দিচ্ছে, আপনি যদি নির্যাতন বা হেনস্থার শিকার হন, তবে কংগ্রেস আপনাকে সমর্থন করবেই। নির্বাচনে কংগ্রেসের ৪০ শতাংশ টিকিটই মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে।उन्नाव में जिनकी बेटी के साथ भाजपा ने अन्याय किया, अब वे न्याय का चेहरा बनेंगी- लड़ेंगी, जीतेंगी!#Election2022 Rahul Gandhi (@RahulGandhi) January 13, 2022প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিও টুইট করে লেখেন, বিজেপি উন্নাওয়ের কন্যার সঙ্গে অবিচার করেছিল। এবার উনি (নির্যাতিতার মা) সুবিচারের মুখ হবেন।

জানুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

Congress: পুরভোটের দিন কংগ্রেস প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মার, হাইকোর্টে মামলা

পুর ভোটের দিন নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে মারধর করার অভিযোগ। নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে কংগ্রেস প্রার্থী। আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রবি সাহা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। বৃহস্পতিবার শুনানির সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রবিবারের পুরভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে সব বিরোধী দলগুলি। রবিবাবুর হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। তিনি পুলিশি নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন। দুষ্কৃতীরা এখনও কেন গ্রেফতার হয়নি সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।ভোটের রাতে আক্রান্ত হন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রাথী রবি সাহা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই তাঁর উপর হামলা চালিয়েছে। প্রার্থীকে বিবস্ত্র করে মারধরের সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে, মার খেতে খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তাতেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। ইতিমধ্যে বটতলা থানার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে তিনি লিখেছেন, রাত ১১ টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি লোহাপট্টি এলাকায় জিনিস কিনতে বেরিয়েছিলেন। হঠাৎই তাঁকে আক্রমণ করে এলাকার কিছু যুবক। রবিবাবুর অভিযোগ, ভোট চলাকালীন বুুুুথের কাছে ভিড় হটিয়ে দিচ্ছিলাম পুলিশকে জানিয়ে। সেই ভিডিও তুলেছি। এই রাগে আমার ওপর আক্রমণ করা হয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় গণতন্ত্র নয়, চলছে বর্বর দিদিতন্ত্র। একজন মানুষকে জনসমক্ষে নগ্ন করে বেধড়ক পেটানো হল কলকাতার রাজপথে। কী তাঁর অপরাধ? তাঁর অপরাধ তিনি কংগ্রেসের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন? ছিঃ দিদি ছিঃ। ধিক্কার।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Vote: ভোট শুরুর আগেই উত্তপ্ত ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড, কংগ্রেস এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ

মকপোল শুরু হওয়ার আগেই কংগ্রেসের এজেন্ট বসানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড। টাকি বয়েজ ও টাকি গার্লস স্কুলে দফায় দফায় গোলমালের অভিযোগ উঠেছে রবিবার সকালে। এই ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী নন্দন ঘোষের দাবি, তাঁদের এজেন্টকে বসাতে গেলে বাধা দেয় তৃণমূল। এমনকী তাঁদের এজেন্টকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ নিয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে টাকি বয়েজ স্কুল। সেখানে সিসিক্যামেরা অচল করে রাখার অভিযোগ ঘিরে রবিবার সকালে উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। ভোটগ্রহণ পর্ব শুরুর আগেই গোলমাল বাধে সেখানে। পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থী নন্দন ঘোষের বচসার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ মক পোলিংয়ের জন্য কংগ্রেসের এজেন্ট বুথে বসতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এমনকী বাধা উপেক্ষা করে বুথের ভিতরে গিয়ে বসতে চাইলে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এই অভিযোগকে সামনে রেখেই বুথের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর পোলিং এজেন্টরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টদের ভিতরে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেন।এদিকে টাকি গার্লস স্কুলের সামনেও উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ, পুলিশ এই ঘটনায় কোনও গুরুত্বই দেয়নি। তবে এই ঘটনা ঘিরে তুমুল উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী যে পরিমাণ পুলিশ কর্মী থাকার কথা বুথে, সেই পুলিশ থাকা সত্ত্বেও এই ঝামেলার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ কংগ্রেস প্রার্থীর।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Dilip Ghosh: বিরোধীদের বৈঠক নিয়ে মাথাব্যথা নেই, কেন এমন বললেন দিলীপ ঘোষ?

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালিন অধিবেশন। প্রথম দিনেই কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করা হবে কেন্দ্রের তরফে। আর তার আগেই বিরোধীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেস। কিন্তু সেই বৈঠকে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেস- তৃণমূলের সেই দ্বন্দ্ব নিয়ে এবার কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয়-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে বিরোধীদের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে, তা নিয়েই ঝগড়া। কংগ্রেস ডাকবে, নাকি তৃণমূল ডাকবে, না অন্য দল ডাকবে?তবে তিনি জানান, এ সবে বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নয় বিজেপি। দিলীপ ঘোষের কথায়, কে কংগ্রেস, কে তৃণমূল, কে নির্মূল! আমাদের মাথা ব্যাথা নেই। তিনি জানান, সংসদের কাজ যাতে সুষ্ঠভাবে হয় সেটাই একমাত্র উদ্দেশ্য শাসক দলের।তৃণমূলের নাম না করে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের দাবি, কখনও কংগ্রেসের সঙ্গে, কখনও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলছে তারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যখন বিজেপি বিরোধী দল ছিল, তখন এই দলগুলোই একবার বিজেপির সঙ্গে, একবার বিজেপিকে বাদ দিয়ে চলত। বিরোধী দলগুলিকে কটাক্ষ করে কংগ্রেসের ডাকা বৈঠককে ড্রামা বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, এইসব ড্রামা অনেক পুরনো হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে? তা নিয়েই ঝগড়া। বিরোধীদের মধ্যে কে নেতা হবে? সে দ্বন্দ্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ওরা ঠিক করে নিক নেতা কে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতা হতে চাইছেন, সনিয়া গান্ধির দিন চলে গিয়েছে। এইসব করতে করতে এই সিজন পার হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, সোমবার কংগ্রেসের ডাকে বিরোধীদের যে বৈঠক সেখানে তৃণমূল হাজির থাকছে না বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বিরোধী দলগুলির বৈঠকে তৃণমূল উপস্থিত থাকবে না সোমবার।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Meghalaya: মমতাতেই আস্থা রেখে তৃণমূলে যোগ মুকুল সাংমা-সহ ১২ কংগ্রেস বিধায়কের

১১ জন বিধায়ককে নিয়ে দল ছেড়ে বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মুকুল সাংমা। এর ফলে মেঘালয়ে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হল ৬। সেই হিসেবে মেঘালয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এল তৃণমূল। ফের উত্তর পূর্বের রাজ্যে তৃণমূলী হানা। সব জল্পনাকে সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক। কংগ্রেস শিবিরের জন্য এই ধাক্কা এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর চলাকালীন, কাল রাতে এই বড় যোগদানের কথা সামনে আসে।This is New Beginning for the people of #Meghalaya - one that will take the state to even greater heights and usher in a bright future!We wholeheartedly welcome all 12 MLAs of @INCMeghalaya who joined the Trinamool Congress family. pic.twitter.com/0UMy3vYF6J All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 25, 2021আজ, মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস ত্যাগী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা। সাংবাদিক সম্মলনে মুকুল বলেন, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরাই সরকারে আসব। কিন্তু কোনও কারণে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও ভোটের ফলে সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আমরাই আত্মপ্রকাশ করি। কিন্তু তারপর কোন পদ্ধতিতে মেঘালয়ে সরকার গঠন হয়েছিল তা আপনারা সকলেই জানেন। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। জনবিরোধী কাজকে বাধা দেওয়া ও সরকারে ভুল গুলি তুলে ধরাই বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা সঠিকভাবে বিরোধী দলের নীতি পালন করতে পারিনি। দলীয় নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছে। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা। ত্রিপুরায় সুস্মিতা দেবের মতো নেত্রী কংগ্রেস ছেড়েছেন। গোয়াতেও ক্ষমতা বাড়াচ্ছে তৃণমূল। তাছাড়া, কীর্তি আজাদের মতো নেতা যোগ দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তাতে ভাঙলেও মচকাতে চাইছে না কংগ্রেস। অন্তত প্রকাশ্যে তারা তেমনটাই বোঝাচ্ছে। লোকসভার কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরি বলেন, কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই এই ষড়যন্ত্র চলছে। দিদি-মোদি সমঝোতা হয়েছে। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি ও বিধায়কদের পদত্যাগ করতে বলুক তাঁরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

UttarPradesh-TMC: মোদির গড়ে মমতার প্রবেশ, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে ভাঙন, তৃণমূলে যোগ ২ নেতার

গত শনিবার উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, তৃণমূলের পরের টার্গেট উত্তরপ্রদেশ৷ তার ঠিক দু দিনের মাথায় উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরালো তৃণমূল। এ দিন শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের সহ সভাপতি রাজেশপতি ত্রিপাঠী৷ তাঁর সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশের আরও এক কংগ্রেস নেতা ললিত ত্রিপাঠী৷এর আগে গোয়াতেও কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছে তৃণমূল৷ এবার উত্তরপ্রদেশেও একই পথে হাঁটল তারা৷Today, eminent leaders from Uttar Pradesh Shri Rajeshpati Tripathi Former Vice President of @INCUttarPradesh Shri @LaliteshPati joined the Trinamool family in the presence of Smt. @MamataOfficial and Shri @abhishekaitc.Extending a very warm welcome to both leaders! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 25, 2021উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসে ভাঙন ধরিয়ে থামছে না কংগ্রেস৷ ছট পুজোর পরই তিনি নিজে বারাণসী যাবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দলে যোগ দিয়ে উত্তরপ্রদেশের দুই নেতাই তাঁকে সেখানে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুই নেতাই কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন৷আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ তৃণমূলে যোগ দেওয়া কংগ্রেস নেতা রাজেশপতি ত্রিপাঠী বলেন, কংগ্রেস দুর্বল হচ্ছে বলেই কংগ্রেস কর্মীরা বিজেপি-র সঙ্গে লড়তে পারছে না৷ তারা নিজেদের দুর্বল মনে করছে৷ আর এক নেতা ললিত ত্রিপাঠী বলেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষ সচেতন৷ সময় সময় নতুন বিকল্প বেছে নিয়েছেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেতৃত্ব থাকলে আমরা নিশ্চিত যে উত্তরপ্রদেশের মানুষও বিশ্বাস করবেন যে বিজেপি-র প্রকৃত বিরোধিতা করতে পারে তৃণমূলই৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের মানুষকে নিয়েই সেখানে সংগঠন গড়ে তুলবে তৃণমূল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mamata banerjee: ভবানীপুরে বিপুল ভোটে জয় মমতার, লক্ষ্য এবার দিল্লি

প্রত্যাশামতো বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৫৮,৮৩২ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওযালকে। এই জয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। তিনি বলেন, কোনও ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে হারায়নি। এর আগে একটা দুটি ওয়ার্ডে হেরেছি। এই কেন্দ্রে ৪৬ শতাংশ অবাঙালি ভোটার। সবাই শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিয়েছেন। আজ আমার মন ভরে গিযেছে। ভবানীপুরের মানুষ দেখিয়ে দিল। সারা বাংলা আজ ভবানীপুরে দিকে তাকিয়ে ছিল। এর আগে বাংলা আঘাত পেয়েছিল। নন্দীগ্রামে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আদালতে মামলা চলছে। আদালতে বিচারাধীন বলে হারের কারণ বলছি না। আমার মনে পড়ে আছে জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে। ওই দুটিতেও আমরা জিতছি। মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ দেন তিনি।তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম আগেই বলেছিলেন ৫০ হাজারের ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। জয় পেলেন তার থেকেও বেশি ভোটে। তৃণমূল নেতা মদন মিত্রর বক্তব্য, এবার আমরা অবাঙালি এলাকায় বিপুল ভোট পেয়েছি। রাজনৈতিক মহলের মতে, অবাঙালি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের লীড এই নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা পেয়েছে। এবার নিজের জয়ের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন মমতা।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Banerjee: প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয় পেতে চলেছেন মমতা

ভবানীপুর, সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর তিন কেন্দ্রেই জয়ের পথে তৃণমূল কংগ্রেস। তার মধ্যে ভবানীপুর ও জঙ্গিপুরে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে ঘাসফুল শিবির। ভবানীপুরে ইতিমধ্যে ১২ রাউন্ড গণনার পর প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে গিয়েছেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের থেকে। এই কেন্দ্রে নামমাত্র ভোট পেয়ে জামানত খোয়াতে চলেছেন সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস। সাতসকালেই রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটগণনার গতি দেখে মনে করা হচ্ছে মমতার জয়ের ব্যবধান ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। ইতিমধ্যে কালিঘাটে ভিড় জমিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। আবির খেলাও শুরু হয়ে গিয়েছে। উচ্ছ্বাসে আত্মহারা তৃণমূলের সমর্থকরা। অন্যদিকে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর থেকে প্রায় ২৬ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। সামশেরগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী জইদুল ইসলামের থেকে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম ৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।এই কেন্দ্রে বিজেপি ও বামপ্রার্থী কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট থেকেও পিছিয়ে আছেন। এদিকে ভোটের ফল প্রকাশের পর বিজয় উৎসব করতে নিষেধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবিষয়ে কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
দেশ

Kanhaiya-Jignesh: জল্পনা সত্যি করে কংগ্রেসে যোগ দিলেন কানহাইয়া-জিগনেশ

গত কয়েকদিন ধরে চলা জল্পনার অবশেষে অবসান। সমস্ত আশা-আশঙ্কাকেই সত্যি করে কংগ্রেসে যোগদান করলেন সিপিআই নেতা তথা জেএনইউ-র প্রাক্তন ছাত্র সভাপতি কানহাইয়া কুমার। তাঁর সঙ্গে কংগ্রেসে নাম লিখিয়েছেন আরও এক তরুণ তুর্কি নেতা তথা গুজরাতের নির্দল বিধায়ক জিগনেশ মেবানি। এই দুজন যে ২৮ সেপ্টেম্বরই কংগ্রেসে যোগদান করতে চলেছেন তা একপ্রকার আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। তবে সকাল থেকে এই সংক্রান্ত কোনও খবর মেলেনি। বিকেল গড়াতেই চলে এল যোগদানের খবর। সেই সঙ্গে নতুন দল পেলেন গুজরাতের নির্দল বিধায়ক জিগনেশও।আরও পড়ুনঃ পঞ্জশিরে তালিবানি বুলেটে ছিন্নভিন্ন শিশুর দেহদল ছাড়ার সময় কানহাইয়া সিপিআই-এর জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ছিলেন। পার্টি কাঠামোয় যা সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সমিতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দলবদলের উত্তেজনায় ঘি ঢেলেছে সিপিআই দপ্তর থেকে এসি খুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। মঙ্গলবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে গিয়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগে পাটনার সিপিআই দলীয় কার্যালয়ে নিজের ঘর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) খুলে নিয়ে গিয়েছেন কানহাইয়া কুমার। তা নিয়ে জোরদার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুলের উপস্থিতিতেই কংগ্রেসে এ দিন যোগ দেন কানহাইয়া-জিগনেশ। এরপর কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি সাংবাদি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। যদিও সেই সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন না রাহুল। তবে দিল্লিতে কংগ্রেসের কার্যালয়ে যোগদান পর্বের সময় রাহুল উপস্থিত ছিলেন বলে দেখা গিয়েছে ছবিতে। এই যোগদানের পর কংগ্রেসের প্রতি যুব সমাজের নজর একটু হলেও ঘোরে কিনা সেটাই দেখার। যেভাবে কংগ্রেস ক্রমশ ঘরোয়া কোন্দল ও রাজ্যে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রিত্বের কাড়াকাড়ি নিয়ে বিব্রত, সেই সময় কিছুটা হলেও তারুণ্যের অক্সিজেন পাবে কংগ্রেস। নির্বাচনে এর প্রভাব আদৌ পড়বে কিনা সেটা বুঝতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Abhishek Bannerjee: তিন বছরে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার হুংকার অভিষেকের

বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে এসে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, রাজ্য বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা এই মুহূর্তে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস দরজা খুলছে না বলে এখনও তাঁরা যোগ দিতে পারেননি। তৃণমূল যদি তার দরজা খুলে দেয় তাহলে বিজেপি এই রাজ্যে উঠে যাবে।বৃহস্পতিবার সামশেরগঞ্জ মাঠে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলামের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, এই জেলার মানুষ ইতিমধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনে ২০টি আসনের মধ্যে ১৮টি আসন তৃণমূলকে দিয়েছে। বাকি দুটি আসনে এবার তৃণমূল প্রার্থীদের জিতিয়ে জেলা থেকে বহিরাগতদেরকে বিদায় দিতে হবে। এখনও তৃণমূলের আসল খেলা শুরু হয়নি। খেলা শুরু হবে ২০২৪ সালে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও এই বছর বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ২১৩টি আসনে জয়লাভ করেছি। আরও পড়ুনঃ পেগাসাস কাণ্ডের তদন্ত করবে বিশেষ কমিটি, জানাল সুপ্রিম কোর্টতাঁর কথায়, দেশজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে কংগ্রেস এবং তৃণমূল দুটো রাজনৈতিক দলই লড়াই করছে। কিন্তু পার্থক্য হল বিজেপির সঙ্গে লড়াই করে কংগ্রেস হারছে কিন্তু তৃণমূল জিতছে। বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদকে আর রাস্তায় দেখা যায় না। অন্যদিকে আমি যাতে ত্রিপুরাতে যেতে না পারি, সে কারণে ওখানে ১৪৪ ধারা জারি করে রেখেছে ওরা। কিন্তু কতদিন ১৪৪ ধারা জারি করে আমাকে আটকে রাখবে? যেখানে যেখানে বিজেপির সরকার আছে, সেখানেই তৃণমূল যাবে এবং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই করে সেখানকার ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়ে আসবে। ক্ষমতা থাকলে আমাদের আটকে নিও। তিনি আরও বলেন, আগামী দিন আসানসোল আসনে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় পদত্যাগ করবেন এবং সেখানে নির্বাচন হলে তৃণমূল জিতবেন। অন্যদিকে, ইডি এবং সিবিআইকে একযোগে আক্রমণ করে বিজেপি-র দুই ভাই বলে কটাক্ষ করে বলেন, গত ১৫ দিনে আমাকে ৫টা নোটিস পাঠিয়েছে ওরা। কিন্তু ৫০০টা নোটিস পাঠালেও আমি মাথা নত করব না। ইডি এবং সিবিআই-র মতো আরশোলা দিয়ে বাচ্চাদের ভয় দেখিও, আমাকে নয়। অভিষেক আরও বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করে গণতান্ত্রিক সকার গঠন করা হবে। আগামীদিন তৃণমূল কংগ্রেস যে পাখির চোখ দিল্লিকেই করতে চলেছে, তার ইঙ্গিত দিয়ে অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করব এবং সেখানে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, বিজেপির উন্নয়ন মানে শহর এবং গ্রামের নাম পাল্টে দেওয়া। মুর্শিদাবাদ থেকে যদি তারা যদি জিতে আসত তাহলে হয়তো এই জেলার নাম তারা করে দিত মোদি-শাহ-বাদ । এটুকুই নয়, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর জেলায় দাঁড়িয়ে তাঁকে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক সরাসরি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা বড় বড় ভাষণ দেন। কোনও দিন রাস্তায় নেমে সরব হতে দেখেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। এদের নেতারা বাইরে গিয়ে ফুর্তি করে। ঝড়-জল-খরা-বন্যা বাংলার ভরসা অগ্নিকন্যা। বহরমপুরের সাংসদকে এলাকায় পাওয়া যায় না।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Punjab CM Resign: মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন 'অপমানিত' অমরিন্দর সিং

কংগ্রেসের ঘরোয়া কোন্দল তুঙ্গে ওঠায় বিধানসভা নির্বাচনের বছরখানেক আগেই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বলেন, আজ সকালেই সনিয়া গান্ধিকে জানিয়েছি। আমি অপমানিত বোধ করছিলাম। এত অপমান সহ্য করে দলে থাকা সম্ভব নয়। এই ধরনের অপমান যথেষ্ঠ। তিনবার অপমান করা হল। এই হেনস্থা সহ্য করে আমি দলে থাকতে পারব না। আরও পড়ুনঃ ফের ঘূর্ণাবর্তের জেরে সপ্তাহান্তে ভারী বৃষ্টিতে ভিজছে শহরসূত্রের খবর, দলেরই ৫০ জন বিধায়ক সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখেছিলেন অমরিন্দরকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ নিয়ে। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি টুইট করে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে আজ বিকেল পাঁচটায় বিধায়কদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পঞ্জাব বিধায়কদের থেকে ইতিমধ্যেই দলকে চাপে রাখা হচ্ছিল যাতে ক্যাপ্টেনের জায়গায় নিয়ে আসা হয় অন্য কাউকে।সময় বদলের সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেসে গুরুত্ব বেড়েছে সিধুর। গুরুত্ব কমেছে অমরিন্দরের। কয়েকমাস পূর্বে সুনীল জাখরকে সরিয়ে সিধুকে কংগ্রেস সভাপতি করা হয়। তখন থেকেই ক্রমশ দলে ব্রাত্য হতে থাকেন ক্যাপ্টেন সিং। জানা যায়, সেই সময়ই নাকি অমরিন্দরকে ইস্তফা দিতে বলে হাই কমান্ড। অন্যদিকে দলে বাড়তে থাকে সিধুর গুরুত্ব। চারজন মন্ত্রী ও ২৪ জন ক্যাপ্টেন সিংয়ের বিরুদ্ধে নতুন করে বিদ্রোহ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন যে তাদের অমরিন্দরের নেতৃত্বের উপর ভরসা নেই। উল্লেখ্য, সামনেই রয়েছে পঞ্জাবে নির্বাচন। কিন্তু ভোটের প্রচারে মন দেওয়ার বদলে দলের অন্দরে নেতা-মন্ত্রীদের ক্ষোভ মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

Rajyasabha : প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রীকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছে তৃণমূল

প্রাক্তন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবকে রাজ্য সভার প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন এক টুইটে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘোষণা করেছে। ওই টুইটে তৃণমূল বলেছে, সুস্মিতা দেবকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনয়ন দিয়ে আমরা খুব খুশি। আমাদের লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন ও তাঁদের বেশিমাত্রায় অংশগ্রহণ। কয়েকদিন আগেই প্রাক্তন সাংসদ ও মহিলা কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভানেত্রী সুস্মিতা দেব তৃণমূলে যোগ দেন।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাপ্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেব। আসামের এই কংগ্রেস নেত্রীকে দলে নিয়েই ত্রিপুরায় সংগঠন বিস্তারের কাজে লাগায় তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে ইতিমধ্যে সাংগঠনিক কাজকর্ম শুরু করে দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। একসময় ত্রিপুরায় বামেদের হারিয়ে কংগ্রেস ক্ষমতা দখল করেছিল। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সন্তোষ মোহন দেব। রাজনৈতিক মহলের ধারনা, ত্রিপুরার রাজনীতির সঙ্গে দেব পরিবারের পরিচিতিকে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল।We are extremely pleased to nominate @SushmitaDevAITC to the Upper House of the Parliament.@MamataOfficials vision to empower women and ensure their maximum participation in politics shall help our society to achieve much more! All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 14, 2021বাবার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেবের সর্বভারতীয় পরিচিতি রয়েছে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, সুস্মিতা দেবকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে বিস্তার লাভ করতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। রাজ্যসভায় তৃণমূলের এমন অনেক সাংসদ রয়েছেন যাঁরা তেমন ভোকাল নয়। সেক্ষেত্রেও অসমের এই বাঙালী রাজনীতিবিদ যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা নেবেন বলেই মনে করছে দল। একদিকে দিল্লির রাজনীতিতে বিশেষ ভূমিকা নেবেন সুস্মিতাদেবী পাশাপাশি অসম-ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতেও দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌lvito D'Cunha : বাংলার ক্রীড়াবিদদের দেখে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতিতে সামিল আলভিটো‌

ক্রীড়াবিদদের রাজনীতিতে যোগ দেওয়াটা নতুন নয়। খেলা ছাড়ার পর বহু ক্রীড়াবিদ রাজনৈতিক নেতার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে যদি আমরা দেখি, কীর্তি আজাদ থেকে শুরু করে মহম্মদ আজহারউদ্দিন, নভজ্যোত সিং সিধু, আরও অনেকে রয়েছে। আর আমাদের বাংলায় তালিকাটা তো বেশ লম্বা। অমল দত্ত থেকে শুরু করে প্রসূন ব্যানার্জি, দীপেন্দু বিশ্বাস, রহিম নবি, বাইচুং ভুটিয়া, কল্যান চৌবে, ষষ্ঠী দুলে, অরিন্দম ভট্টাচার্য, বিদেশ বসু, লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তেওয়ারি। আরও অনেকেই রয়েছেন। কেউ সরাসরি যুক্ত, কেউ আবার পরোক্ষভাবে। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন আলভিটো ডিকুনহা। সোমবার দুপুরে গোয়ার পানাজিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি সর্বভারতীয় কংগ্রেসে যোগ দিলেন।আরও পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এলাহি আয়োজন বঙ্গ বিজেপিরদীর্ঘদিন হল ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছেন। খেলার পাঠ চুকিয়ে দিলেও বাংলাকে ভোলেননি। কলকাতাতেই থেকে গিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। এরাজ্যে থাকতে থাকতে বাংলা ভাষাটাও দারুণ রপ্ত করেছেন। আর পাঁচটা বাঙালীর মতো খুব ভাল বাংলা বলতে পারেন। এখন কখনও কলকাতা, কখনও গোয়াতে থাকেন। যেহেতু গোয়ার ছেলে, তাই বাংলাতে রাজনীতিতে নামার তেমন সুযোগ ছিল না। তাই গোয়া কংগ্রেসেই যোগ দিলেন আলভিটো।আরও পড়ুনঃ ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার প্রতিশোধ? আইপিএল থেকে সরলেন বেয়ারস্টোরাকেন হঠাৎ করে রাজনীতিতে যোগ দিলেন? গোয়া থেকে ফোনে আলভিটো বলছিলেন, বাংলাতে অনেক ক্রীড়াবিদকে দেখেছি তারা দিদির কর্মযজ্ঞে সামিল হয়েছে। দারুণ কাজ করছে। ওদের দেখেই আমি অনুপ্রানিত হয়েছি। বাংলার ক্রীড়াবিদরা যদি ওখানে ভাল কাজ করতে পারে, আমি কেন পারব না? দিদির কর্মযজ্ঞে সামিল হতে পারলে তো ভালই হত। কিন্তু গোয়াতে তো সেই সুযোগ নেই। এই মুহূর্তে গোটা দেশে বিজেপির রমরমা। হঠাৎ করে কংগ্রেসকে বেছে নিলেন কেন? আলভিটো বলছিলেন, কংগ্রেস আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল ওদের খেলাধুলা সংক্রান্ত সব বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। খেলার জগতেই আমাকে বেশি করে চায়। আমি চেষ্টা করব যতটা সম্ভব সাহায্য করা। রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নতি করাই আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। বাংলার ক্রীড়ার উন্নয়নে যেমন অনেক ক্রীড়াবিদ এগিয়ে এসেছে।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরআলভিটো আরও বলেন, আমাকে গোয়া কংগ্রেসে ক্রীড়া আইকন হিসাবে দলে নেওয়া হচ্ছে। চেষ্টা করব খেলাকে আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আমি ফুটবলার হলেও অন্য খেলাকেও একই গুরুত্ব দেব। আলভিটো ডিকুনহাকে দলে পেয়ে উচ্ছ্বসিত গোয়ার কংগ্রেস নেতা এলিন গোমস। তিনি বলেছেন, আলভিটোর কংগ্রেসে যোগদান দলকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে। আমি চাই কংগ্রেসে আরও ক্রীড়াবিদ নাম লেখান।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Congress: মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস

ভবানীপুরে বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস। মঙ্গলবার বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কোনও প্রার্থী দেবে না। কোনও প্রচার করবে না।আরও পড়ুনঃ অভিষেককে টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর কী বললেন দিলীপ?সোমবার অধীরের উপস্থিতিতে বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভবানীপুরে বামেদের সমর্থনে ভোটে লড়াই করা হবে। এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে দেওয়া হয়েছিল। মাস দুয়েক আগে অধীর জানিয়েছিলেন, বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিপুল জয়ের পরে যিনি ফের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, সেই মমতার বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে প্রার্থী তাঁরা দিতে চান না।ভবানীপুরে মমতার সমর্থনে কংগ্রেসের সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত রাজ্যে কং-বাম জোটের ইতি টানতে চলেছে কি না, সে প্রশ্ন এ বার সামনে এল বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সোমবারই কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে প্রার্থী দিতে চায়। এজন্য পার্টি কমিশনের কাছে আবেদনও জানান তিনি। কিন্তু, দিন এআইসিসির তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Congress: অধীরের ইচ্ছাবদল, মমতার বিরুদ্ধে জোট-প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস

জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস। এই মর্মে এআইসিসি-কে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। সোমবার এমনটাই জানিয়ে দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগে অধীরের মত ছিল ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার। সোমবার আমূল বদলে গেল বহরমপুরের সাংসদের সেই অবস্থান।আরও পড়ুনঃ সবরকম সাহায্য করব, ইডি অফিসে সুরবদল অভিষেকেরনির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। দিন ঘোষণার পরই তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু মমতার বিরুদ্ধে কে লড়বেন তা নিয়ে এখনও দ্বিধাবিভক্ত বিরোধীরা। সোমবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, বাম-কংগ্রেস জোটের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে প্রার্থী দিতে চান তাঁরা। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এআইসিসি। এ জন্য দিল্লিতে প্রস্তাব পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান অধীর। পাশাপাশি জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জে বাম প্রার্থীদের সমর্থন করবে কংগ্রেস। প্রচারে আমন্ত্রণ জানালে তাঁরা যাবেন বলেও জানান অধীর। এর আগে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার কথা বলেছিলেন অধীর। জানিয়েছিলেন, এটা তাঁর ব্যক্তিগত অভিমত। কিন্তু সোমবার নিজের ব্যক্তিগত মতকে দূরে সরিয়ে রেখে জোট প্রার্থী চেয়ে এআইসিসি-র কাছে দরবার করলেন প্রদেশ সভাপতি অধীর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, কংগ্রেস যদি ভবানীপুরে প্রার্থী দেয়, সেক্ষেত্রে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটেও নতুন প্রভাব পড়তে পারে। যে ভাবে গত মাসেই দিল্লি সফরে গিয়ে সনিয়া গান্ধি ও রাহুল গান্ধিদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করে আসেন। তারপর কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধেই প্রার্থী দিলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তেই পারে তৃণমূল শিবিরে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Joining: জল্পনাই সত্যি, হাত ছেড়ে জোড়া ফুলে সুস্মিতা দেব

জল্পনা সত্যি করে তৃণমূলে যোগ দিলেন অসমের প্রাক্তন কংগ্রেসনেত্রী সুস্মিতা দেব। সোমবার তৃণমূলের সরকারি টুইটার হ্যান্ডল থেকে তাঁর যোগদানের কথা জানানো হয়েছে। সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তাঁর যোগদানের ছবিও দেওয়া হয়েছে। সোমবার তিনি সোনিয়া গান্ধিকে চিঠি পাঠানোর পরই কলকাতায় এসে দেখা করেন ডেরেকও ব্রায়েনের সঙ্গে। তাঁর সঙ্গেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে যান। সেখানে তিনজন বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক করেন।আনুষ্ঠানিকভাবে সেখানেই তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে দলে স্বাগত জানান অভিষেক। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা তিনজনই যান নবান্নে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি দলে আসায় খুশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের তরফে টুইট করে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়েছে। Will give it all I have got. @MamataOfficial thank you🙏🏻#KhelaHobe https://t.co/aa0ijNrhOk Sushmita Dev (@sushmitadevinc) August 16, 2021সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব। এ ছাড়া পথ প্রদর্শন ও সহযোগিতার জন্য সনিয়াকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুস্মিতা।২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Assam Congress: তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত? কংগ্রেস ছাড়লেন সুস্মিতা দেব

জল্পনা জিইয়ে কংগ্রেস ছাড়লেন দলের প্রাক্তন সাংসদ তথা মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেব। কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সনিয়া গান্ধিকে চিঠি লিখে নিজের পদত্যাগের কথা জানিয়েছেন সুস্মিতা। অসমের শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দল ছাড়ার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তবে কি এ বার তৃণমূলে যোগ দেবেন তিনি।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপের২০১৪ সালে শিলচরের সাংসদ হয়েছিলেন সুস্মিতা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রার্থী নির্বাচন ও দলে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব না দেওয়ায় দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। এরইমধ্যে আরও একটি জল্পনা উঠে আসছে। তাহলে কী তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন সুস্মিতা? ত্রিপুরার পরে অসমে নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই নির্দল বিধায়ক অখিল গগৈকে দলে নিতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সুস্মিতা তৃণমূলে যোগ দেন কি না সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সূত্রের খবর, সম্ভবত বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন সুস্মিতা দেব। সোমবারই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। সনিয়াকে লেখা চিঠিতে সুস্মিতা বলেন, জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে তিন দশকের সম্পর্ক শেষ করছি। আমার পাশে থাকার জন্য সতীর্থ ও দলের নেতা-মন্ত্রীদের ধন্যবাদ। তিন দশকের স্মৃতি আমি সারা জীবন মনে রাখব।

আগস্ট ১৬, ২০২১
দেশ

Congress: ৫ কংগ্রেস নেতার অ্যাকাউন্ট ব্লক করল টুইটার! কেন? জানুন

কেবল রাহুল গান্ধি নয়, বন্ধ করা হয়েছে একাধিক শীর্ষ কংগ্রেস নেতার টুইটার অ্যাকাউন্টও। বুধবার এমনই অভিযোগ করল কংগ্রেস। দেশের এই সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলটির অভিযোগ, টুইটারের তরফে বন্ধ করা হয়েছে কংগ্রেসের মিডিয়া ইনচার্জ রণদীপ সুরজেওয়ালা, এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মাকেন, লোকসভার সদস্য মণিক্কম ঠাকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং এবং মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেবের টুইটার অ্যাকাউন্ট।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসএই অভিযোগকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্র কলকাঠি নাড়ায় রাহুল গান্ধি-সহ তাঁদের শীর্ষ নেতাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে টুইটার। কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে কেন্দ্র। তাঁদের দাবি, এরপরেও অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে কংগ্রেস। বিজেপি সরকারের সমস্ত অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হবে দল। এদিকে, বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র অভিযোগ করেন, পকসো আইনের ৭৪ নম্বর ধারা ভেঙেছেন রাহুল গান্ধি। এরপরই কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, রাহুল গান্ধির টুইটার অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। যদিও টুইটারের তরফে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়ার হয়।

আগস্ট ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal