• ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cloud

কলকাতা

মহানগরে 'মহাবৃষ্টি' - টানা বৃষ্টিতে অচল কলকাতা, কোমর সমান জলে বিপর্যস্ত জনজীবন

গতকাল রাত থেকে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে কলকাতা শহর। রাতের অঝোর বর্ষণ সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় শহরের একাধিক রাস্তায় জল জমে যায়। অফিস যাতায়াতের সময়ে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ।সবচেয়ে বেশি জল জমেছে পার্ক সার্কাস, টালিগঞ্জ, কাঁকুড়গাছি, বাদামতলা, রাজাবাজার এবং বেলেঘাটা এলাকায়। উত্তর কলকাতার হাতিবাগান, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া, যাদবপুরেও সকাল থেকে কোমর সমান জলে হাঁটতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।মেট্রো, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা ভোগান্তির মুখে পড়ে। বহু জায়গায় গাড়ি বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। এসএসকেএম, এনআরএস-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের বাইরেও জল জমে রোগী ও চিকিৎসকদের যাতায়াত ব্যাহত হয়।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর সক্রিয় থাকায় নিম্নচাপের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কলকাতা পুরসভা জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি পাম্পিং স্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত জল নামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সতর্ক রাখা হয়েছে।বৃষ্টির দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ বলছেন, প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতেই একই ছবি। নর্দমা ও ড্রেনেজ সংস্কার না হলে পরিস্থিতির বদল হবে না।শহরের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন কলকাতার বৃষ্টি মানেই কি জলযন্ত্রণা?

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

তিস্তায় লাল সতর্কতা জারি, গজলডোবায় উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় ৩ টে মৃতদেহ

তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। আজ সকাল ১০ টায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। এদিকে গজলডোবায় তিস্তায় ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি।এদিন সকাল ১০ টায় তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হয়েছে ৮২৫২.৪০ কিউমেক। আরও জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভবনা রয়েছে।সিকিম পাহাড়ে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ জলস্ফীতি তিস্তায়। তিস্তার দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। তিস্তা পারে মাইকিং এর পাশাপাশি নদীপারে থাকা লোকেদের হুইসেল বাজিয়ে সরিয়ে দিচ্ছেন পুলিশ আধিকারিকেরা।তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমান:১) ভোর ৫ টায় ৩৪৮৪ কিউসেক।২) সকাল ৭ টায় ৭০২৬ কিউসেক।৩) সকাল ৮ টায় ৫০২৩ কিউসেক।৪) সকাল ৯ টায় ৭৯৫১.৩৮ কিউসেক।৫) সকাল ১০ টায় ৮২৫২.৪০ কিউসেক।৬) সকাল ১১ টায় ৭৮৮৫.৬৪ কিউসেক

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

সিকিমে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভেসে গেল সেনা ছাউনি, ২৩ সেনা জওয়ান নিখোঁজ

উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ফেটে যাওয়ার কারণে লাচেন উপত্যকার তিস্তা নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। উপত্যকা বরাবর কিছু সেনা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিস্তারিত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। চুংথাং বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে নিম্নধারায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত জলস্তর হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সিংটমের কাছে বারডাং-এ পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৩ জন কর্মী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং কিছু যানবাহণ তলিয়ে গিয়ছে বলে জানা গেছে। তল্লাশি অভিযান চলছে।মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে রীতিমতো সিকিমে ধ্বংসলীলা চলেছে। নিখোঁজ হয়েছে ২৩ সেনা জওয়ান, চলছে জোর তল্লাশি। উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে তিস্তা নদী প্লাবিত হয়েছে। সেনা জওয়ানদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ।প্রতিরক্ষা বিভাগের জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদের উপর হঠাৎ মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দেখা দেয়। এ কারণে সিংগামের কাছে বারডাংয়ে পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়িগুলি তলিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে ২৩ জন সেনা কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। তল্লাশি অভিযান চলছে। ঘটনার পর সিকিম সরকার রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং জনগণকে তিস্তা নদীর পাড় থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

Weather: বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাও

বঙ্গে উধাও শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উপরন্তু রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। কোথাও মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথাও বা বুধবার ভোর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত এই সপ্তাহ জুড়েই এভাবে বৃষ্টিপাত চলবে। সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় তাপমাত্রাও বেড়েছে। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতাতেও সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, বুধবারেও রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওবুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে ১৭ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশ রয়েছে মেঘলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের দু-একটি জায়গায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মূলত পশ্চিমের জেলাগুলি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে, পশ্চিম মেদিনীপুরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরখড়গপুরের ২ নম্বর ব্লকের সুলতানপুরে মিনিট দুয়েকের ঝড়ে একপ্রকার লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা এলাকা। মঙ্গলবার থেকেই সেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তারপরেই একটু রাত বাড়তেই প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ে একাধিক গাছ। ক্ষতি হয়েছে জমিরও। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গোটা গ্রামে। বেশ কয়েকটি বাড়ির উপর গাছের ডালও ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, আসানসোলেও ভারী বর্ষণ শুরু হয় মঙ্গলবার থেকেই। যদিও, কিছু সময় পরে বৃষ্টি থেমে যায়।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে শীত শনিবার থেকেই?

আকাশে মেঘ। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। হেমন্তের শেষ লগ্নে এমন বৃষ্টিভেজা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার পিছনে অবশ্য উত্তুরে বাতাসের অবদানও কম নয় বলে আবহবিদেরা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক, ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসছে। উল্টো দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ এবং আর্দ্র জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে ঢুকছে। বিপরীত চরিত্রের এবং বিপরীতমুখী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে কলকাতা-সহ উপকূলীয় জেলাগুলির আকাশে স্থানীয় ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে।জাঁকিয়ে শীতের প্রত্যাশায় আমবাঙালি অনেক দিন ধরেই আশা নিয়ে বসে রয়েছে। মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। এমন মেঘ, বৃষ্টির আবহাওয়াও অনেকের না-পসন্দ। তাই প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশ কবে মিলবে?সঞ্জীববাবুর দাবি, আজ, শুক্রবার সকালের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি শুরু হবে। তবে আজও, আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তাই রাতের তাপমাত্রা সে ভাবে নামবে না। আগামিকাল, শনিবার থেকেই ঝকঝকে আকাশ মিলবে। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে সূর্যাস্তের পরে মাটির বিকিরিত তাপ বাধাহীন ভাবে বায়ুমণ্ডলের বাইরে যেতে পারে। তার ফলেই রাতের পারদ নামে। শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলেই রাতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। সঞ্জীববাবুর বক্তব্য, আগামিকাল, শনিবার থেকেই পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩-৪ দিনে রাতের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে।আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বেসরকারি ওয়েবসাইটের দাবি, আগামী সপ্তাহে হু-হু করে পারদ পতন হতে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেও নেমে যেতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Weather: মেঘলা আকাশ, সঙ্গে বৃষ্টি, রাজ্যে শীতের আবাহনবার্তা

আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে গতকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নিম্নচাপের ফলে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। আজও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে। আজ কলকাতার আকাশ প্রধানত মেঘলা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হতে পারে কলকাতায়। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় গত কয়েক দিন ধরেই আকাশের মুখ ভার। সোমবারও তাঁর ব্যতিক্রম হয়নি। সকাল থেকে আকাশ মেঘলা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে হতে পারে ভারী বৃষ্টি।গত দুদিন ধরেই একটি স্যাঁতস্যাঁতেভাব সর্বত্র। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয়বাষ্পের জেরেই দক্ষিণের জেলাগুলিতে আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। বাদ যাবে না মহানগরও। তবে আগামী ১৬ নভেম্বর আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায়। ওইদিন আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের সব জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।নিম্নচাপ অক্ষরেখার জেরে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। দুই বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়ায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং উপকূলবর্তী জেলাতেও হতে পারে ভারী বৃষ্টি। হাওড়া, হুগলি, কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। নিম্নচাপ কেটে গেলে বাধাহীন ভাবে ঢুকতে পারে উত্তুরে বাতাস। সেটা হলে তাপমাত্রা ক্রমশ নামতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর।সোমবার ভোররাতে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে। বৃষ্টি হওয়ায় সকালের ঠান্ডা ভাবও আবার ফিরে এসেছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
নিবন্ধ

এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে

তোমাকে কখনও কোনও নামে ডাকিনি আমি। সম্বোধন একটা ছিল। সেটা তোমার উপাধি, নাম নয়। মনে মনে তোমাকে নাম দিয়েছিলাম মেঘ শ্রাবনের আগন্তুককে মেঘ ছাড়া কি নাম দেওয়া যায় বলো! কি অদ্ভুত ভাবে তুমি এসেছিলে এক বার্তা নিয়ে আমার জীবনে। কেঁপে উঠেছিলাম ভয়ে। ওই একবারই। তারপরে কি সহজ হয়ে গেল সবটা। যেন এমনটাই হওয়ার কথা ছিল এই পৃথিবীতে, দুটি মানুষের মধ্যে। ছোট ছোট কথা, যা কোনও প্রয়োজনের নয়, কোনও চাহিদার নয়, জগতে কারও কোনও কাজে না আসা কথা। শ্রাবণ থেকে গড়িয়ে গেল আরো কয়েক মাস। কথা বাড়লো, সঙ্গে বাড়লো তোমার পরিধি আর আমার অভিমান। এমনিতেই অভিমান বসে থাকে আমার নাকের ডগায়। যে কোন কথায় তা ঝরতে লাগলো টুপটুপ করে। প্রশ্রয় ছিল কি তোমার তাতে? কি জানি? তারপরে হঠাৎ একদিন ছন্দপতন, হারিয়ে গেলে তুমি... না ভুল বললাম, হারিয়ে নয় চলে যাওয়া, না বলে...আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাসেদিন হঠাৎ আমি বুঝলাম তোমাকে ছাড়া কি ভীষণ শূন্য আমি। নিরাশ্রয়, ডানা ভাঙা পাখির মত। আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তোমাকে জানিয়েছিলাম আমার অনুভূতি, ভেতরের ভাঙচুরের কথা। কোনও কারণ দেখতে পারিনি। সত্যিই তো কোন কারণ স্পষ্ট ছিল না। শুধু অনুভব করছিলাম বাঁধন বিহীন সেই যে বাঁধন...অকারণ তুমি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলে সুযোগ হলেই যোগাযোগ করার। কিন্তু কতদিন পরে, বা কোন অবস্থাকে তুমি সুযোগ বলে মনে কর তা তুমি বলতে ভুলেছিলে, আমারও জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হয়নি। তাই সে সুযোগ এলো বছর দুয়েক পরে। তোমার হাত ধরেই। তখনও আমার বুক ভরা অভিমান, সামনে আসতে চাইনি আমি। তুমি এলে দৃপ্ত পদক্ষেপে, যেন কিছুই হয়নি, এটাই তো স্বাভাবিক, কালই যেন আমাদের কথা হয়েছে। আর অদ্ভুত ভাবে আমিও ভুলে গেলাম সব, ভুলে গেলাম আমার নির্ঘুম রাতগুলির কথা, ভুলে গেলাম আমার তিলে তিলে ক্ষয়ে যাওয়ার কথা, মনে হলো এটাই তো স্বাভাবিক। তুমি এসে দাঁড়াবে আমার সামনে , আমি কাঁপব ভালোলাগায়, তিরতির করে। সারা রাত ভাববো কাল সকালেই দেখব তোমাকে। আবার গেলে তুমি, সব আবার শেষ হলো। আমিও অনুভব করলাম, প্রতিবার তুমি যেখানে আমাকে ছেড়ে যাও, আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকি। ফিরি না, ফিরতে পারি না। দাঁড়িয়ে থাকি আত্মসমর্পণের আশায়।আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরাআবার দীর্ঘ বিরতির পরে ভাঙল আমার ধৈর্যের বাঁধ। একদিন প্রায় আক্রমণ করলাম তোমাকে, বিদ্ধ করলাম বাক্যবাণে। যে মেয়েটা লজ্জায় কথা বলতে পারতো না, সে যে কি করে এত নির্লজ্জভাবে মুখর হয়ে উঠেছিল আমি আজও বুঝতে পারিনা। কি অদ্ভুত নিপুনতায় তুমি সামলে নিলে আমাকে। জেদী, অভিমানী মেয়ে যেটা আমার ভেতরে বাস করে , তুমি তাকে আদরে ভরিয়ে দিলে। কিরকম স্বপ্নের মত কাছাকাছি আসা, খুব কাছে। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করলাম ভালোবাসা আছে, নাহলে এমনটাও কি হয়? হতে পারে কখনও। মুখে বলে না? না বলুক, সবই কি বলতে হবে। এই মেঘের পালকে ভাসতে ভাসতেও আমি তোমাকে বলতাম হে মেঘ, চলে গেলে, বলে যেও কিন্তু। যেন এটাই স্বাভাবিক, তুমি তো সেই যাবেই চলে। ঠিক তাই, হাত ছাড়াতে শুরু করলে, আমি বুঝতে পারছি, তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ, আমি অসহায়ের মত দেখছি শুধু, ভেতর থেকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, যাও তুমি কিন্তু বলে যাও। প্রতীক্ষার কষ্ট যে বড়ই সাংঘাতিক, আর নিতে পারি না আমি।আরও পড়ুনঃ পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যারযাওনি তুমি, থেকে গেছো, কিরকম থাকা জানো? নির্মম, নিষ্ঠুর। কি অদ্ভুত ভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি। এবারের মত পুতুল খেলা শেষ। পুতুল ধুলোতে পরে থাকলো না কি উঠে দাঁড়াতে পারলো তা নিয়ে কি ভাবনা সাজে তোমার? তোমার যে অনেক দায়িত্ব, অনেক কাজ। তাই আমি তোমার দরজাতে ধাক্কা দিয়ে যাই, তুমি ফিরেও তাকাও না। আমি ফিরতে পারি না। কোথায় ফিরবো বলো মেঘ? উপাসনাগৃহ থেকে ফিরতে হলেও তো দেবতার অনুমতি লাগে! আমি থেকে যাই নামহীন, গৃহহীন, ভিক্ষুকের মত। অথচ এই অনুমতিটুকু পেলেই এই বিস্তীর্ণ পৃথিবীর বুকে হারিয়ে যেতে পারি। তুমি কোনও খবর নাও না আমার, কখনও জিজ্ঞাসা করো না, কেমন আছি আমি, কেমন করে দিন কাটছে আমার। আমি প্রতীক্ষা করি, তুমি কখনও একটি শব্দ লেখো না আমাকে, আমি প্রতীক্ষা করি, কারণ তুমি বলেছ তুমি ব্যস্ত। আমি বারবার জিজ্ঞাসা করেছি, আমি থাকব? তুমি আছো তো আমার জন্যে? আমি অপেক্ষা করব অনন্তকাল, কিন্তু তুমি হারিয়ে যাওনি তো ? তুমি উত্তর দিয়েছো তুমি ব্যস্ত। আমার স্বাভাবিক বুদ্ধি আমাকে প্রশ্ন করেছে ব্যস্ততার চাপে কি তার প্রাত্যহিক দিনযাপন বন্ধ আছে? তাঁর আপনজনদের কোনও কর্তব্য পালন করে না কি সে? ব্যস্ততার চাপে সে তোমারই খোঁজ নিতে অক্ষম? আমি মনকে শাসন করেছি, একি! এই সম্পর্ক তোমার কাছে পবিত্র প্রার্থনার মত। সেই আরাধ্য দেবতাকে বিশ্বাস করা তোমার কর্তব্য। সুতরাং মনে সংশয় আসতে দিও না।এই সংশয়, , প্রেম, উপেক্ষা , অবহেলার দোলায় দুলতে দুলতে আবার ক্ষয় রোগ ধরেছে আমার। প্রতি মুহূর্তে পুড়ছি আমি। অভিমান, রাগ, প্রতীক্ষা সমস্তর সমাপ্তি ঘটছে তোমার শীতল উপেক্ষার দৃষ্টিপাতে।শুধু জানি, আমি চলে যাব, সমস্ত জিনিস গুছিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু তোমার শেষ কথা বলার অপেক্ষায়। তুমি যেদিন যেতে বলবে, এক মুহূর্তও দেরি করবো না আমি, কোনও কথা বলবো না, শুধু চলে যাবো। তোমাকে ছেড়ে, সব মুছে দিয়ে, সারা জীবনের মত। কোনও দাবি নয়, কোনও ভিক্ষা নয়, স্নেহ, ভালোবাসা কিছুই চাইবো না আমি। একবার বলে তো দেখো, মেঘ! যদি তোমাকে ছেড়ে থাকা শিখতে না পারি, মরে যাব, তবু তোমার দ্বারে কোনদিন আর আসবো না।কিন্তু একটাই প্রশ্ন তোমাকে করার আছে, তুমি পাবে তো এত সমর্পণ কখনও? তুমি ভালো থাকবে তো আমিহীন পৃথিবীতে? কেউ আমার থেকে ভালো বাসবে তো তোমাকে?চিঠির শেষ প্রান্তে এসে মনে পড়লো, তুমি ও আমাকে কখনও কোন নামে ডাকনি, আমি বোধ হয় তোমার কাছে শুধুই কিছু সংখ্যা। আর কে না জানে যে সংখ্যা প্রাণহীন, তাদের মন বলে কিছু থাকে না। তাই নামহীনই থাক এই চিঠি। ভালো থেকো মেঘ, খুব ভালো থেকো। তোমার সবাইকে নিয়ে খুশিতে থেকো। তুমি ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো, সে যে পৃথিবীতেই থাকি না কেন।।ইতি.....সুদেষ্ণা মুখার্জি

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকালেই বঙ্গের আকাশে নামল সন্ধ্যের আঁধার

শুক্রবারও সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। চারিদিকে ঘনীয়ে আসে ঘন কালো মেঘ। তবে হাওয়া অফিস বলছে ,সকালের দিকে আকাশ কালো করে বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়তেই পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হতে চলেছে। দুপুরের দিকে কোনও কোনও জায়গায় বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার সকালের মধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে তিন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে থাকবে এদিন। তবে সপ্তাহের শেষে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা উত্তরেও।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারবৃহস্পতিবার বিকেলে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়, ৭ অগস্ট শনিবার সকালের মধ্যে কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে সব কটি জেলারই কোথাও না কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ৭ অগস্ট আলিপুরদুয়ারের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর রবিবার নাগাদ আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং-এ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। আগামী ৪-৫ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ৬ অগস্ট শুক্রবার সকালের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৭ অগাস্ট সকালের মধ্যে সবকটি জেলারই কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না।গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপরে ঘূর্ণাবর্ত এখনও অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমী অক্ষরেখা গঙ্গানগর, নারনউল, মধ্যপ্রদেশের ওপরে থাকা নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে বারানসী, গয়া, বাঁকুড়া হয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এই মৌসুমী অক্ষরেখা ১০ অগস্ট নাগাদ হিমালয়ের পাদদেশের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় স্বাভাবিকভাবেই হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন জেলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলেই মনে করছে হওয়া অফিস।

আগস্ট ০৬, ২০২১
দেশ

CloudBrust: হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যস্ত হিমাচলপ্রদেশের ধরমশালা। এই হড়পা বানের বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে স্থানীয়দের। আটকে পড়েছেন অনেক পর্যটক। জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে বাড়ি, ভেসেছে গাড়ি। যদিও এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।এই বানের ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ধরমশালার ভাগসু নাগ এলাকায় রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল বয়ে যাচ্ছে। সেই জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। জলের তোড়ে বেশ কিছু বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।The situation in Himachal Pradesh due to heavy rains is being closely monitored. Authorities are working with the State Government. All possible support is being extended. I pray for the safety of those in affected areas. Narendra Modi (@narendramodi) July 12, 2021ধরমশালা থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে কাংড়া জেলায় প্রবল মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলেই এই হড়পা বান দেখা দিয়েছে। ভাগসু নাগের মতো নামকরা পর্যটন কেন্দ্র নদীর রূপ নিয়েছে। কাংড়া ছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত বলেই খবর। ঘটনায় টুইট করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে পা্শে থাকার সবরকম আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Cloud kitchen : দক্ষিণ কলকাতায় একটু অন্যধরণের ক্লাউড কিচেন

সায়ান্তন সেনক্যালিনারি আর্টজ কমন রূমে তিনটি ক্লাউড কিচেনের ব্র্যান্ড লঞ্চ করল। যার মূল উদ্যোক্তা কৌশিক গাঙ্গুলি ও অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি। এই বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, অভিনেতা সাহেব চ্যাটার্জি, বাংলা মেগার জনপ্রিয় মুখ প্রেরণা ভট্টাচার্য, ফুডকা ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী সহ আরো অনেকে।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতকৌশিক গাঙ্গুলি এই ক্লাউড কিচেন খোলার প্রসঙ্গে বলেছেন এই প্যান্ডামিকের সময়ে যেহেতু অনেকেই তাদের কাজ হারিয়েছেন তাদের কথা ভেবেই এই ক্লাউড কিচেন খোলা। যার মাধ্যমে বেশ কিছু মানুষের চাকরির সুযোগ করে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। এদিন কেক কেটে, বিভিন্ন ব্যানার উন্মোচন করে এই ক্লাউড কিচেনের শুভ সূচনা করা হয়।আরও পড়ুনঃ হইচই তে মুক্তি পাচ্ছে হীরালালফুডকা অর্থাৎ ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী জানান অর্গানাইজড ক্লাউড কিচেন তারা খুবই কম দেখেন। কলকাতায় এরকম একটা অর্গানাইজড ক্লাউড কিচেন দেখে তার খুব ভালো লাগছে। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র জানালেন এরকম একটা অর্গানাইজড ক্লাউড কিচেনে এসে এবং তার একটা পার্ট হতে পেরে তিনি খুব খুশি। অভিনেতা সাহেব চ্যাটার্জি একজন ফুডি হিসাবে এই ক্লাউড কিচেনে এসে একটা ভাল অনুভূতি পেয়েছেন। বর্তমানে ক্লাউড কিচেন যেভাবে জায়গা করে নিচ্ছে আগামী দিনে আরও ভাল কিছু হবে বলে আশাবাদী তিনি। অভিনেত্রী প্রেরণা ভট্টাচার্য ও এখানে আসার সুযোগ পেয়ে খুশি হয়েছেন। উদ্যোক্তাদের অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দুর্গাপুজোর আগেই বড় ধাক্কা সুজিত বসুর, জামিনের আর্জি খারিজ হাই কোর্টে

এক সময় দুর্গাপুজোর আগে থেকেই কলকাতার শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে ভিড় জমত দর্শনার্থীদের। রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর এই পুজো ছিল শহরের অন্যতম আকর্ষণ। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজিত বসুর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফলে দুর্গাপুজোর সময় তাঁকে জেলেই থাকতে হতে পারে।জামিনের আবেদনটি প্রথমে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে উঠেছিল। শুনানির শেষে বিচারপতি অভিযোগ করেন, সুজিতের আইনজীবীরা তাঁর কক্ষ থেকে একটি ফাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এর পরেই বিচারপতি মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। পরে মামলাটি যায় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। সেখানেই সুজিতের জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। তবে শুনানির সময় বিচারপতি জামিন খারিজের নির্দিষ্ট কারণ জানাননি।আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী দাবি করেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে ২৮৪ জন অযোগ্য প্রার্থী চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে চাকরির জন্য ৬ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ইডির আরও দাবি, সুজিত বসুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কয়েক কোটি টাকা মিলেছে বলে আদালতে জানিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা।এই মামলায় সুজিতের আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মধ্যস্থতাকারী অয়ন শীল। ইডি আগে হাই কোর্টে দাবি করেছিল, অয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বিভিন্ন সময়ে ১৫২ জনের চাকরির জন্য সুজিত বসু সুপারিশ করেছিলেন।অন্য দিকে, সুজিতের আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় জামিনের পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁদের বক্তব্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শেষ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁদের মক্কেলকে জেলে আটকে রাখা ঠিক নয়। ইডি এই গ্রেফতারিকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে পারবে না বলেও দাবি করেন তাঁরাসুজিতের আইনজীবীদের আরও বক্তব্য, ২০১৬ সালের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে দেখালেও, ২০২৪-২৫ সালে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছিল, তাতে তাঁর নাম ছিল না। তাঁদের দাবি, সুজিতের বাড়ি কলকাতায়। তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকে যখনই ডাকা হবে, তিনি হাজির হতে পারবেন। তদন্তে সহযোগিতা করতেও তিনি প্রস্তুত।গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই মামলায় প্রায় ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সামনে এসেছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পাওয়া টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছিল বলে মনে করছে ইডি। তবে এই মামলায় ওঠা অভিযোগগুলির চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

শঙ্কুদেবের পুজোয় হাজির শুভেন্দু অধিকারী, পার্ক স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

পার্ক স্ট্রিটে এ বার প্রথমবার দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা। প্রথম পুজো ঘিরে উদ্যোক্তাদের মধ্যে আলাদা আবেগ থাকবেই। সোমবার রাতে সেই পুজোর উদ্বোধনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। পুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে দুর্গোৎসব, সংস্কৃতি ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিজেপির দুই নেতা।অনুষ্ঠানে সুকান্ত বলেন, পার্ক স্ট্রিটে আগে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত না। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় পশ্চিমবঙ্গে ১২ হাজারেরও বেশি নতুন পুজো শুরু হয়েছে। আগের সরকারের আমলে পুজো করার জন্য উদ্যোক্তাদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হত বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান সুকান্ত। বক্তব্যের শেষে জয় শ্রীরাম স্লোগানও তোলেন তিনি।সোমবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কে শঙ্কুদেবের পুজোর উদ্বোধন করতে যান শুভেন্দু। সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতাদের একে একে নাম করে উল্লেখ করেন তিনি। তার পর বলেন, একদম রাষ্ট্রবাদী টিম পুরো হাজির।বক্তৃতায় পার্ক স্ট্রিটের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, এই এলাকায় মাঝেমধ্যে টুকরে টুকরে গ্যাং-এর উৎপাত দেখা যেত বলে তাঁর দাবি। দুর্গাপুজোর আবহে পার্ক স্ট্রিটকে পবিত্র ও শুদ্ধ করার কথাও বলেন তিনি। এই পুজো ধরে রাখার জন্য উদ্যোক্তাদের আবেদন জানান শুভেন্দু। সুযোগ হলে পুজোয় এসে প্রসাদ খাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা বজায় রাখার উপর জোর দেন শুভেন্দু। পিতৃপক্ষ ও মহালয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ বার পিতৃপক্ষে কাউকে কাঁচি নিয়ে বেরোতে দেওয়া হয়নি। তাঁর বক্তব্য, পবিত্রতা ও সংস্কৃতি বজায় রেখেই দুর্গাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।এ দিকে, কলকাতা জুড়ে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন ঘিরে ব্যস্ততা চলছে। গত ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে উমা আগমনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের দুর্গাপুজোর উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ড্রোনের প্রদর্শনী এবং আতশবাজির আয়োজন করা হয়েছিল। প্রায় তিন হাজার ঢাকির একসঙ্গে ঢাক বাজানো ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ।১১ অক্টোবর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করা হয়। এ বছরের পুজোর ভাবনা বন্দে মাতরম্। ভারতের জাতীয় সংগীতের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দেশভাগের ইতিহাস মণ্ডপে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।১২ অক্টোবর চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ৯১তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন হয়। এ বছরের ভাবনা বিয়ন্ড সাউন্ড। শহরের কোলাহলের বিপরীতে শান্তি ও নিজের অন্তরের ভাবনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই মণ্ডপে। শ্রীভূমির দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোট চুরির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলদের মামলা, আবেদনেই ১৪টি ভুল! ২২০ টাকা কম জমা?

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী জোটের একাধিক নেতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে যৌথ মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। কিন্তু মামলা দায়েরের পরেই নতুন সমস্যা। আদালতের রেজিস্ট্রি জানিয়েছে, বিরোধীদের আবেদনে মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে। এমনকি আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা পড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন বিরোধী জোটের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোট চুরির অভিযোগের তদন্তের দাবিতে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। সেই দিনই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে যৌথ মামলা দায়ের করেন তাঁদের আইনজীবীরা।কিন্তু আদালতের রেজিস্ট্রির প্রাথমিক পরীক্ষায় আবেদনে একাধিক ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিস্ট্রির দাবি, মোট ১৪টি ত্রুটি রয়েছে ওই আবেদনে। তার মধ্যে অন্যতম হল আদালতের ফি বাবদ ২২০ টাকা কম জমা দেওয়া। এ ছাড়া, নয় জন আবেদনকারীর প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র জমা পড়েনি বলেও জানানো হয়েছে।কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের পরিচয়পত্রের স্পষ্ট প্রতিলিপি জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আবেদনের কয়েকটি অংশে অক্ষর অত্যন্ত ছোট হওয়া নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে রেজিস্ট্রি। দুটি নির্দিষ্ট নথির রঙিন প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি, কয়েকটি নথির লেখা অস্পষ্ট, কিছু পৃষ্ঠা অনুপস্থিত এবং আঞ্চলিক ভাষায় লেখা পৃষ্ঠা ও পৃষ্ঠা নম্বরের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি সংশোধন করার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোতে পারবে।এই যৌথ মামলায় আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত, ডি রাজা, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার মহুয়া মাজি, এম এ বেবি এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের নেতা ই টি মহম্মদ বশির।সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মামলাটি রাহুল গান্ধী বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন নামে নথিভুক্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় মোট ১০ দফা প্রতিকার চেয়েছেন বিরোধী নেতারা।বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্ত নথি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হোক। এই প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলির সাংবিধানিক বৈধতাও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। পাশাপাশি, অনিয়মের জন্য দায়ী আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, তাঁদের অভিযোগের নিষ্পত্তি এবং একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার নিরীক্ষা করানোর দাবিও জানানো হয়েছে।বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।সোমবারের মিছিলের আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করার আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট চুরির অভিযোগের নিষ্পত্তি, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বন্ধ এবং ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ফের চালু করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া।তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে দেখা করার আবেদন গ্রহণ করেননি। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন বলেই তিনি এই আবেদন খারিজ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে বিরোধীদের অভিযোগ জানানোর পথ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা। সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, প্রত্যেকেই আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।এখন বিরোধীদের আবেদনে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সংশোধন করতে হবে। তার পরেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া এগোবে। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

‘যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু ভাবেনি…’, দুর্গাপুজোর মঞ্চ থেকে কাদের নিশানা অগ্নিমিত্রার?

দুর্গাপুজোর আগে ভারতবিরোধী শক্তির বিনাশ চেয়ে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ভারতবিরোধী শক্তিগুলিকে শেষ করে দাও মা। যারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া এত দিন কিছুই ভাবেনি, সেই বদমাইশদেরও শেষ করে দাও। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে একটি প্রাক-পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই প্রসঙ্গে সরব হন অগ্নিমিত্রা। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু দেশের উন্নতির পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াতে চাইছে, তাদের বিনাশের জন্য মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার কথায়, যারা নিজেদের স্বার্থের বাইরে কিছু ভাবেনি, তাদেরও যেন মা দুর্গা শেষ করে দেন। দেশ ও রাজ্য থেকে এই ধরনের শক্তির বিনাশই তাঁর প্রার্থনা।এ দিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আতশবাজির প্রদর্শনীও উপভোগ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা জানান তিনি। উৎসবের দিনগুলিতে সতর্ক থাকার আবেদনও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা।পুজোর সময়ে জরুরি পরিষেবা চালু থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকেরা রাস্তায় থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও সচেতন থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলার আবেদনও জানান অগ্নিমিত্রা।বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির বিরোধিতা করা হবে, বিজেপিকে ঘিরে এমন প্রচারও খারিজ করেছেন তিনি। অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিপুল মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে যে এই প্রচার ঠিক নয়। আগামী দিনে আরও নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মানুষের পাশে থাকার আবেদন জানিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, আগামী দিনেও পাশে থাকুন, আরও অনেক কিছু হবে।সোমবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পুন্নাম্বলম এস, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণচন্দ্র ঘোড়ুই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতায় ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! পথে নামতে পারেন মমতা, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

দিল্লির আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী শিবির। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিল হওয়ার কথা। তাতে মমতা নিজেও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি মিছিলে হাঁটবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তেই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গাপুজোর সময়ে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবারের মিছিলের প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচারের অভিযোগও প্রচারপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন বিরোধী নেতাদের একাংশ। এই ইস্যুতে দিল্লিতে একাধিক প্রতিবাদ কর্মসূচিও হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।এই আবহেই কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূলের মমতাপন্থী শিবির। দুপুর দুটো নাগাদ মিছিল শুরু হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মিছিলে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত কোনও ঘোষণা হয়নি।সোমবার রাতে কলকাতায় একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে এই কর্মসূচি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বেরোতে দেব না। সিপিকে নির্দেশ দিয়েছি, রাজাবাজার থেকে এক পা এগোতে দেব না। প্রয়োজন হলে সেন্ট্রাল ফোর্সও নামাতে বলেছি। বেরোতে দেব না। কোনও বিশৃঙ্খলা করতে দেব না দুর্গাপুজোর সময়ে।মিছিল ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই পার্ক সার্কাস এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজাবাজার থেকে মিছিল কোন পথে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত তাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেবেন কি না, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে নিষেধাজ্ঞা, পরদিনই ব্যারিকেড টপকে ঢোকার চেষ্টা! আটক ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা

যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ করা যাবে না। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে বলে দাবি। সেই নির্দেশ ঘিরেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের হুঁশিয়ারি, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে না দিলে গোটা দেশকেই প্রতিবাদের মঞ্চ করে তুলবেন তাঁরা। আর সেই ঘোষণার পরদিনই যন্তর মন্তরে পৌঁছে গেলেন দলের কয়েক জন নেতা। কিন্তু সেখানে ঢোকার চেষ্টা করতেই তাঁদের আটক করে পুলিশ।সোমবার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। দলের তরফে দাবি করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে নতুন করে প্রতিবাদের স্থান এবং দিনক্ষণ জানাতে হবে। তা না হলে বড় পদক্ষেপ করা হবে। এর পরেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেয় দিল্লি পুলিশ। প্রতিবাদের জন্য তিনটি বিকল্প জায়গার কথা জানানো হয়েছে বলে খবর।সেই বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে রামলীলা ময়দান। তবে সূত্রের দাবি, সেখানে প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য জায়গা বুক করতে খরচ হতে পারে ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। চলতি বছরের জন্য বুকিংও ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে প্রতিবাদের নতুন জায়গা পাওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে ককরোচ জনতা পার্টি।নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে যন্তর মন্তর থেকেই আন্দোলন শুরু করেছিলেন দলের সদস্যেরা। তাই ওই জায়গায় বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশে ক্ষুব্ধ তাঁরা। অভিজিৎ দীপের বক্তব্য, যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ করতে দেওয়া না হলে গোটা দেশই প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠবে।এই হুঁশিয়ারির পরদিন মঙ্গলবার ভোরে যন্তর মন্তরে পৌঁছে যান দলের নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা। অভিজিতের প্রকাশ করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। ভারত মাতা কি জয় স্লোগান দিতে দিতেই ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করেন দলের নেতারা।কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের আটক করে পুলিশ। দলের কয়েক জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হতে পারে বলেও সূত্রের খবর। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।নেতা-কর্মীরা আটক হলেও আন্দোলন থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ। তাঁর দাবি, প্রতিবাদকে আটকানো যাবে না। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং বিকল্প জায়গা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সঙ্গে দলের সংঘাত কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal