• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cloud

কলকাতা

মহানগরে 'মহাবৃষ্টি' - টানা বৃষ্টিতে অচল কলকাতা, কোমর সমান জলে বিপর্যস্ত জনজীবন

গতকাল রাত থেকে টানা মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়েছে কলকাতা শহর। রাতের অঝোর বর্ষণ সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকায় শহরের একাধিক রাস্তায় জল জমে যায়। অফিস যাতায়াতের সময়ে তীব্র ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ মানুষ।সবচেয়ে বেশি জল জমেছে পার্ক সার্কাস, টালিগঞ্জ, কাঁকুড়গাছি, বাদামতলা, রাজাবাজার এবং বেলেঘাটা এলাকায়। উত্তর কলকাতার হাতিবাগান, শ্যামবাজার এবং দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া, যাদবপুরেও সকাল থেকে কোমর সমান জলে হাঁটতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।মেট্রো, বাস ও ট্যাক্সি পরিষেবা ভোগান্তির মুখে পড়ে। বহু জায়গায় গাড়ি বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। এসএসকেএম, এনআরএস-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের বাইরেও জল জমে রোগী ও চিকিৎসকদের যাতায়াত ব্যাহত হয়।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গের উপর সক্রিয় থাকায় নিম্নচাপের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।কলকাতা পুরসভা জরুরি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি পাম্পিং স্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত জল নামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে সতর্ক রাখা হয়েছে।বৃষ্টির দাপটে নাজেহাল সাধারণ মানুষ বলছেন, প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতেই একই ছবি। নর্দমা ও ড্রেনেজ সংস্কার না হলে পরিস্থিতির বদল হবে না।শহরের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন কলকাতার বৃষ্টি মানেই কি জলযন্ত্রণা?

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

তিস্তায় লাল সতর্কতা জারি, গজলডোবায় উদ্ধার অজ্ঞাত পরিচয় ৩ টে মৃতদেহ

তিস্তা নদীর অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। পাশাপাশি সংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। আজ সকাল ১০ টায় জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। এদিকে গজলডোবায় তিস্তায় ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি।এদিন সকাল ১০ টায় তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হয়েছে ৮২৫২.৪০ কিউমেক। আরও জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভবনা রয়েছে।সিকিম পাহাড়ে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ জলস্ফীতি তিস্তায়। তিস্তার দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করলো সেচ দপ্তর। তিস্তা পারে মাইকিং এর পাশাপাশি নদীপারে থাকা লোকেদের হুইসেল বাজিয়ে সরিয়ে দিচ্ছেন পুলিশ আধিকারিকেরা।তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমান:১) ভোর ৫ টায় ৩৪৮৪ কিউসেক।২) সকাল ৭ টায় ৭০২৬ কিউসেক।৩) সকাল ৮ টায় ৫০২৩ কিউসেক।৪) সকাল ৯ টায় ৭৯৫১.৩৮ কিউসেক।৫) সকাল ১০ টায় ৮২৫২.৪০ কিউসেক।৬) সকাল ১১ টায় ৭৮৮৫.৬৪ কিউসেক

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

সিকিমে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভেসে গেল সেনা ছাউনি, ২৩ সেনা জওয়ান নিখোঁজ

উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ফেটে যাওয়ার কারণে লাচেন উপত্যকার তিস্তা নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। উপত্যকা বরাবর কিছু সেনা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিস্তারিত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। চুংথাং বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে নিম্নধারায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত জলস্তর হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সিংটমের কাছে বারডাং-এ পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৩ জন কর্মী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং কিছু যানবাহণ তলিয়ে গিয়ছে বলে জানা গেছে। তল্লাশি অভিযান চলছে।মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে রীতিমতো সিকিমে ধ্বংসলীলা চলেছে। নিখোঁজ হয়েছে ২৩ সেনা জওয়ান, চলছে জোর তল্লাশি। উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে তিস্তা নদী প্লাবিত হয়েছে। সেনা জওয়ানদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ।প্রতিরক্ষা বিভাগের জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদের উপর হঠাৎ মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দেখা দেয়। এ কারণে সিংগামের কাছে বারডাংয়ে পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়িগুলি তলিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে ২৩ জন সেনা কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। তল্লাশি অভিযান চলছে। ঘটনার পর সিকিম সরকার রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং জনগণকে তিস্তা নদীর পাড় থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

Weather: বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাও

বঙ্গে উধাও শীত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উপরন্তু রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি। কোথাও মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কোথাও বা বুধবার ভোর থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আপাতত এই সপ্তাহ জুড়েই এভাবে বৃষ্টিপাত চলবে। সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার উন্নতি হতে পারে।মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গে শীত কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় তাপমাত্রাও বেড়েছে। সেই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতাতেও সন্ধ্যায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, বুধবারেও রাজ্যের বেশির ভাগ জেলায় বৃষ্টি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ বুধবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা, থাকবে মেঘলা আকাশ, মহানগরীর শীত উধাওবুধবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে সাড়ে ১৭ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সকাল থেকেই মহানগরীর আকাশ রয়েছে মেঘলা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বুধবার উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের দু-একটি জায়গায় শিলাবৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। মূলত পশ্চিমের জেলাগুলি, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া,বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে, পশ্চিম মেদিনীপুরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলেরখড়গপুরের ২ নম্বর ব্লকের সুলতানপুরে মিনিট দুয়েকের ঝড়ে একপ্রকার লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় গোটা এলাকা। মঙ্গলবার থেকেই সেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তারপরেই একটু রাত বাড়তেই প্রবল ঝড়ে ভেঙে পড়ে একাধিক গাছ। ক্ষতি হয়েছে জমিরও। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় গোটা গ্রামে। বেশ কয়েকটি বাড়ির উপর গাছের ডালও ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে, আসানসোলেও ভারী বর্ষণ শুরু হয় মঙ্গলবার থেকেই। যদিও, কিছু সময় পরে বৃষ্টি থেমে যায়।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে শীত শনিবার থেকেই?

আকাশে মেঘ। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। হেমন্তের শেষ লগ্নে এমন বৃষ্টিভেজা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার পিছনে অবশ্য উত্তুরে বাতাসের অবদানও কম নয় বলে আবহবিদেরা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক, ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসছে। উল্টো দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ এবং আর্দ্র জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে ঢুকছে। বিপরীত চরিত্রের এবং বিপরীতমুখী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে কলকাতা-সহ উপকূলীয় জেলাগুলির আকাশে স্থানীয় ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে।জাঁকিয়ে শীতের প্রত্যাশায় আমবাঙালি অনেক দিন ধরেই আশা নিয়ে বসে রয়েছে। মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। এমন মেঘ, বৃষ্টির আবহাওয়াও অনেকের না-পসন্দ। তাই প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশ কবে মিলবে?সঞ্জীববাবুর দাবি, আজ, শুক্রবার সকালের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি শুরু হবে। তবে আজও, আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তাই রাতের তাপমাত্রা সে ভাবে নামবে না। আগামিকাল, শনিবার থেকেই ঝকঝকে আকাশ মিলবে। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে সূর্যাস্তের পরে মাটির বিকিরিত তাপ বাধাহীন ভাবে বায়ুমণ্ডলের বাইরে যেতে পারে। তার ফলেই রাতের পারদ নামে। শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলেই রাতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। সঞ্জীববাবুর বক্তব্য, আগামিকাল, শনিবার থেকেই পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩-৪ দিনে রাতের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে।আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বেসরকারি ওয়েবসাইটের দাবি, আগামী সপ্তাহে হু-হু করে পারদ পতন হতে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেও নেমে যেতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Weather: মেঘলা আকাশ, সঙ্গে বৃষ্টি, রাজ্যে শীতের আবাহনবার্তা

আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। তার জেরে গতকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নিম্নচাপের ফলে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। আজও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে। আজ কলকাতার আকাশ প্রধানত মেঘলা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হতে পারে কলকাতায়। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় গত কয়েক দিন ধরেই আকাশের মুখ ভার। সোমবারও তাঁর ব্যতিক্রম হয়নি। সকাল থেকে আকাশ মেঘলা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে হতে পারে ভারী বৃষ্টি।গত দুদিন ধরেই একটি স্যাঁতস্যাঁতেভাব সর্বত্র। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জ্বলীয়বাষ্পের জেরেই দক্ষিণের জেলাগুলিতে আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। বাদ যাবে না মহানগরও। তবে আগামী ১৬ নভেম্বর আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতায়। ওইদিন আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের সব জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।নিম্নচাপ অক্ষরেখার জেরে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গে হতে পারে ভারী বৃষ্টি। দুই বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়ায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং উপকূলবর্তী জেলাতেও হতে পারে ভারী বৃষ্টি। হাওড়া, হুগলি, কলকাতায় বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। নিম্নচাপ কেটে গেলে বাধাহীন ভাবে ঢুকতে পারে উত্তুরে বাতাস। সেটা হলে তাপমাত্রা ক্রমশ নামতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর।সোমবার ভোররাতে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে। বৃষ্টি হওয়ায় সকালের ঠান্ডা ভাবও আবার ফিরে এসেছে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
নিবন্ধ

এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে

তোমাকে কখনও কোনও নামে ডাকিনি আমি। সম্বোধন একটা ছিল। সেটা তোমার উপাধি, নাম নয়। মনে মনে তোমাকে নাম দিয়েছিলাম মেঘ শ্রাবনের আগন্তুককে মেঘ ছাড়া কি নাম দেওয়া যায় বলো! কি অদ্ভুত ভাবে তুমি এসেছিলে এক বার্তা নিয়ে আমার জীবনে। কেঁপে উঠেছিলাম ভয়ে। ওই একবারই। তারপরে কি সহজ হয়ে গেল সবটা। যেন এমনটাই হওয়ার কথা ছিল এই পৃথিবীতে, দুটি মানুষের মধ্যে। ছোট ছোট কথা, যা কোনও প্রয়োজনের নয়, কোনও চাহিদার নয়, জগতে কারও কোনও কাজে না আসা কথা। শ্রাবণ থেকে গড়িয়ে গেল আরো কয়েক মাস। কথা বাড়লো, সঙ্গে বাড়লো তোমার পরিধি আর আমার অভিমান। এমনিতেই অভিমান বসে থাকে আমার নাকের ডগায়। যে কোন কথায় তা ঝরতে লাগলো টুপটুপ করে। প্রশ্রয় ছিল কি তোমার তাতে? কি জানি? তারপরে হঠাৎ একদিন ছন্দপতন, হারিয়ে গেলে তুমি... না ভুল বললাম, হারিয়ে নয় চলে যাওয়া, না বলে...আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাসেদিন হঠাৎ আমি বুঝলাম তোমাকে ছাড়া কি ভীষণ শূন্য আমি। নিরাশ্রয়, ডানা ভাঙা পাখির মত। আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তোমাকে জানিয়েছিলাম আমার অনুভূতি, ভেতরের ভাঙচুরের কথা। কোনও কারণ দেখতে পারিনি। সত্যিই তো কোন কারণ স্পষ্ট ছিল না। শুধু অনুভব করছিলাম বাঁধন বিহীন সেই যে বাঁধন...অকারণ তুমি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলে সুযোগ হলেই যোগাযোগ করার। কিন্তু কতদিন পরে, বা কোন অবস্থাকে তুমি সুযোগ বলে মনে কর তা তুমি বলতে ভুলেছিলে, আমারও জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হয়নি। তাই সে সুযোগ এলো বছর দুয়েক পরে। তোমার হাত ধরেই। তখনও আমার বুক ভরা অভিমান, সামনে আসতে চাইনি আমি। তুমি এলে দৃপ্ত পদক্ষেপে, যেন কিছুই হয়নি, এটাই তো স্বাভাবিক, কালই যেন আমাদের কথা হয়েছে। আর অদ্ভুত ভাবে আমিও ভুলে গেলাম সব, ভুলে গেলাম আমার নির্ঘুম রাতগুলির কথা, ভুলে গেলাম আমার তিলে তিলে ক্ষয়ে যাওয়ার কথা, মনে হলো এটাই তো স্বাভাবিক। তুমি এসে দাঁড়াবে আমার সামনে , আমি কাঁপব ভালোলাগায়, তিরতির করে। সারা রাত ভাববো কাল সকালেই দেখব তোমাকে। আবার গেলে তুমি, সব আবার শেষ হলো। আমিও অনুভব করলাম, প্রতিবার তুমি যেখানে আমাকে ছেড়ে যাও, আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকি। ফিরি না, ফিরতে পারি না। দাঁড়িয়ে থাকি আত্মসমর্পণের আশায়।আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরাআবার দীর্ঘ বিরতির পরে ভাঙল আমার ধৈর্যের বাঁধ। একদিন প্রায় আক্রমণ করলাম তোমাকে, বিদ্ধ করলাম বাক্যবাণে। যে মেয়েটা লজ্জায় কথা বলতে পারতো না, সে যে কি করে এত নির্লজ্জভাবে মুখর হয়ে উঠেছিল আমি আজও বুঝতে পারিনা। কি অদ্ভুত নিপুনতায় তুমি সামলে নিলে আমাকে। জেদী, অভিমানী মেয়ে যেটা আমার ভেতরে বাস করে , তুমি তাকে আদরে ভরিয়ে দিলে। কিরকম স্বপ্নের মত কাছাকাছি আসা, খুব কাছে। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করলাম ভালোবাসা আছে, নাহলে এমনটাও কি হয়? হতে পারে কখনও। মুখে বলে না? না বলুক, সবই কি বলতে হবে। এই মেঘের পালকে ভাসতে ভাসতেও আমি তোমাকে বলতাম হে মেঘ, চলে গেলে, বলে যেও কিন্তু। যেন এটাই স্বাভাবিক, তুমি তো সেই যাবেই চলে। ঠিক তাই, হাত ছাড়াতে শুরু করলে, আমি বুঝতে পারছি, তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ, আমি অসহায়ের মত দেখছি শুধু, ভেতর থেকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, যাও তুমি কিন্তু বলে যাও। প্রতীক্ষার কষ্ট যে বড়ই সাংঘাতিক, আর নিতে পারি না আমি।আরও পড়ুনঃ পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যারযাওনি তুমি, থেকে গেছো, কিরকম থাকা জানো? নির্মম, নিষ্ঠুর। কি অদ্ভুত ভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি। এবারের মত পুতুল খেলা শেষ। পুতুল ধুলোতে পরে থাকলো না কি উঠে দাঁড়াতে পারলো তা নিয়ে কি ভাবনা সাজে তোমার? তোমার যে অনেক দায়িত্ব, অনেক কাজ। তাই আমি তোমার দরজাতে ধাক্কা দিয়ে যাই, তুমি ফিরেও তাকাও না। আমি ফিরতে পারি না। কোথায় ফিরবো বলো মেঘ? উপাসনাগৃহ থেকে ফিরতে হলেও তো দেবতার অনুমতি লাগে! আমি থেকে যাই নামহীন, গৃহহীন, ভিক্ষুকের মত। অথচ এই অনুমতিটুকু পেলেই এই বিস্তীর্ণ পৃথিবীর বুকে হারিয়ে যেতে পারি। তুমি কোনও খবর নাও না আমার, কখনও জিজ্ঞাসা করো না, কেমন আছি আমি, কেমন করে দিন কাটছে আমার। আমি প্রতীক্ষা করি, তুমি কখনও একটি শব্দ লেখো না আমাকে, আমি প্রতীক্ষা করি, কারণ তুমি বলেছ তুমি ব্যস্ত। আমি বারবার জিজ্ঞাসা করেছি, আমি থাকব? তুমি আছো তো আমার জন্যে? আমি অপেক্ষা করব অনন্তকাল, কিন্তু তুমি হারিয়ে যাওনি তো ? তুমি উত্তর দিয়েছো তুমি ব্যস্ত। আমার স্বাভাবিক বুদ্ধি আমাকে প্রশ্ন করেছে ব্যস্ততার চাপে কি তার প্রাত্যহিক দিনযাপন বন্ধ আছে? তাঁর আপনজনদের কোনও কর্তব্য পালন করে না কি সে? ব্যস্ততার চাপে সে তোমারই খোঁজ নিতে অক্ষম? আমি মনকে শাসন করেছি, একি! এই সম্পর্ক তোমার কাছে পবিত্র প্রার্থনার মত। সেই আরাধ্য দেবতাকে বিশ্বাস করা তোমার কর্তব্য। সুতরাং মনে সংশয় আসতে দিও না।এই সংশয়, , প্রেম, উপেক্ষা , অবহেলার দোলায় দুলতে দুলতে আবার ক্ষয় রোগ ধরেছে আমার। প্রতি মুহূর্তে পুড়ছি আমি। অভিমান, রাগ, প্রতীক্ষা সমস্তর সমাপ্তি ঘটছে তোমার শীতল উপেক্ষার দৃষ্টিপাতে।শুধু জানি, আমি চলে যাব, সমস্ত জিনিস গুছিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু তোমার শেষ কথা বলার অপেক্ষায়। তুমি যেদিন যেতে বলবে, এক মুহূর্তও দেরি করবো না আমি, কোনও কথা বলবো না, শুধু চলে যাবো। তোমাকে ছেড়ে, সব মুছে দিয়ে, সারা জীবনের মত। কোনও দাবি নয়, কোনও ভিক্ষা নয়, স্নেহ, ভালোবাসা কিছুই চাইবো না আমি। একবার বলে তো দেখো, মেঘ! যদি তোমাকে ছেড়ে থাকা শিখতে না পারি, মরে যাব, তবু তোমার দ্বারে কোনদিন আর আসবো না।কিন্তু একটাই প্রশ্ন তোমাকে করার আছে, তুমি পাবে তো এত সমর্পণ কখনও? তুমি ভালো থাকবে তো আমিহীন পৃথিবীতে? কেউ আমার থেকে ভালো বাসবে তো তোমাকে?চিঠির শেষ প্রান্তে এসে মনে পড়লো, তুমি ও আমাকে কখনও কোন নামে ডাকনি, আমি বোধ হয় তোমার কাছে শুধুই কিছু সংখ্যা। আর কে না জানে যে সংখ্যা প্রাণহীন, তাদের মন বলে কিছু থাকে না। তাই নামহীনই থাক এই চিঠি। ভালো থেকো মেঘ, খুব ভালো থেকো। তোমার সবাইকে নিয়ে খুশিতে থেকো। তুমি ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো, সে যে পৃথিবীতেই থাকি না কেন।।ইতি.....সুদেষ্ণা মুখার্জি

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকালেই বঙ্গের আকাশে নামল সন্ধ্যের আঁধার

শুক্রবারও সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। চারিদিকে ঘনীয়ে আসে ঘন কালো মেঘ। তবে হাওয়া অফিস বলছে ,সকালের দিকে আকাশ কালো করে বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়তেই পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হতে চলেছে। দুপুরের দিকে কোনও কোনও জায়গায় বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার সকালের মধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে তিন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে থাকবে এদিন। তবে সপ্তাহের শেষে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা উত্তরেও।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারবৃহস্পতিবার বিকেলে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়, ৭ অগস্ট শনিবার সকালের মধ্যে কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে সব কটি জেলারই কোথাও না কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ৭ অগস্ট আলিপুরদুয়ারের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর রবিবার নাগাদ আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং-এ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। আগামী ৪-৫ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ৬ অগস্ট শুক্রবার সকালের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৭ অগাস্ট সকালের মধ্যে সবকটি জেলারই কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না।গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপরে ঘূর্ণাবর্ত এখনও অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমী অক্ষরেখা গঙ্গানগর, নারনউল, মধ্যপ্রদেশের ওপরে থাকা নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে বারানসী, গয়া, বাঁকুড়া হয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এই মৌসুমী অক্ষরেখা ১০ অগস্ট নাগাদ হিমালয়ের পাদদেশের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় স্বাভাবিকভাবেই হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন জেলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলেই মনে করছে হওয়া অফিস।

আগস্ট ০৬, ২০২১
দেশ

CloudBrust: হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যস্ত হিমাচলপ্রদেশের ধরমশালা। এই হড়পা বানের বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে স্থানীয়দের। আটকে পড়েছেন অনেক পর্যটক। জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে বাড়ি, ভেসেছে গাড়ি। যদিও এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।এই বানের ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ধরমশালার ভাগসু নাগ এলাকায় রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল বয়ে যাচ্ছে। সেই জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। জলের তোড়ে বেশ কিছু বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।The situation in Himachal Pradesh due to heavy rains is being closely monitored. Authorities are working with the State Government. All possible support is being extended. I pray for the safety of those in affected areas. Narendra Modi (@narendramodi) July 12, 2021ধরমশালা থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে কাংড়া জেলায় প্রবল মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলেই এই হড়পা বান দেখা দিয়েছে। ভাগসু নাগের মতো নামকরা পর্যটন কেন্দ্র নদীর রূপ নিয়েছে। কাংড়া ছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত বলেই খবর। ঘটনায় টুইট করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে পা্শে থাকার সবরকম আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Cloud kitchen : দক্ষিণ কলকাতায় একটু অন্যধরণের ক্লাউড কিচেন

সায়ান্তন সেনক্যালিনারি আর্টজ কমন রূমে তিনটি ক্লাউড কিচেনের ব্র্যান্ড লঞ্চ করল। যার মূল উদ্যোক্তা কৌশিক গাঙ্গুলি ও অ্যাডোলিনা গাঙ্গুলি। এই বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, অভিনেতা সাহেব চ্যাটার্জি, বাংলা মেগার জনপ্রিয় মুখ প্রেরণা ভট্টাচার্য, ফুডকা ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী সহ আরো অনেকে।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতকৌশিক গাঙ্গুলি এই ক্লাউড কিচেন খোলার প্রসঙ্গে বলেছেন এই প্যান্ডামিকের সময়ে যেহেতু অনেকেই তাদের কাজ হারিয়েছেন তাদের কথা ভেবেই এই ক্লাউড কিচেন খোলা। যার মাধ্যমে বেশ কিছু মানুষের চাকরির সুযোগ করে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য। এদিন কেক কেটে, বিভিন্ন ব্যানার উন্মোচন করে এই ক্লাউড কিচেনের শুভ সূচনা করা হয়।আরও পড়ুনঃ হইচই তে মুক্তি পাচ্ছে হীরালালফুডকা অর্থাৎ ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ী জানান অর্গানাইজড ক্লাউড কিচেন তারা খুবই কম দেখেন। কলকাতায় এরকম একটা অর্গানাইজড ক্লাউড কিচেন দেখে তার খুব ভালো লাগছে। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র জানালেন এরকম একটা অর্গানাইজড ক্লাউড কিচেনে এসে এবং তার একটা পার্ট হতে পেরে তিনি খুব খুশি। অভিনেতা সাহেব চ্যাটার্জি একজন ফুডি হিসাবে এই ক্লাউড কিচেনে এসে একটা ভাল অনুভূতি পেয়েছেন। বর্তমানে ক্লাউড কিচেন যেভাবে জায়গা করে নিচ্ছে আগামী দিনে আরও ভাল কিছু হবে বলে আশাবাদী তিনি। অভিনেত্রী প্রেরণা ভট্টাচার্য ও এখানে আসার সুযোগ পেয়ে খুশি হয়েছেন। উদ্যোক্তাদের অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal