• ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Centre

রাজ্য

‘ডিটেক, ডিলিট, ডিপোর্ট’ শুরু হতেই তৎপর প্রশাসন! মুর্শিদাবাদের হোল্ডিং সেন্টারে ৩ অনুপ্রবেশকারী

কলকাতায় ফের সামনে এল নারী পাচারের ভয়ঙ্কর চক্র। কাজের প্রলোভন দেখিয়ে নেপাল থেকে কলকাতায় এনে তিন তরুণীকে সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম শোভা তামাং। তিনি সোনাগাছির একটি বাড়ির দেখভাল করতেন। ওই বাড়িতে বহু নেপালি যৌনকর্মী থাকতেন বলেই জানা গিয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই নেপাল থেকে তরুণীদের কলকাতায় আনার ফাঁদ পাতা হয়েছিল বলে পুলিশের সন্দেহ।অভিযোগ, কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নেপালের তিন তরুণীকে কলকাতায় আনা হয়। কিন্তু শহরে পৌঁছনোর পর তাঁদের সোনাগাছিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে অভিযান চালায় লালবাজারের গোয়েন্দারা। প্রথমে সন্দেহভাজন বাড়িটি চিহ্নিত করা হয়। পরে সেখানে হানা দিয়ে উদ্ধার করা হয় তিন তরুণীকে। গ্রেপ্তার করা হয় শোভা তামাংকে।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, নেপালের কোন এলাকা থেকে ওই তরুণীদের আনা হয়েছিল এবং কার মাধ্যমে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কীভাবে এই পাচার চক্র কাজ করছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই নেপালের দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার।তদন্তকারীদের অনুমান, নারী পাচার চক্রের সদস্যরা নেপালের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে কাজের লোভ দেখিয়ে মেয়েদের এই রাজ্যে নিয়ে আসছে। তারপর তাঁদের জোর করে যৌনপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে।উল্লেখ্য, প্রায় আট মাস আগে বড়তলা থানা এলাকাতেও বড়সড় নারী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস হয়েছিল। তখন একটি বাড়ি থেকে ৯ নাবালিকা-সহ মোট ১১ জনকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ফের একই ধরনের ঘটনার সামনে আসায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে শহরে।এই চক্রের সঙ্গে এ রাজ্যের আর কারা জড়িত, ভিনরাজ্যের কোনও বড় পাচারচক্রের যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃত মহিলাকে জেরা করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।

মে ২৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লি Aiims এ ভয়াবহ আগুন! তুমুল চাঞ্চল্য হুলস্থূল কান্ড

রাজধানীর অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)এর মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লক এবং ট্রমা সেন্টারের নিকটবর্তী ট্রান্সফরমার-এ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই দফা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ে চূড়ান্ত চাঞ্চল্য। তবে দমকলের দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং যদিও এদিনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর মেলেনি।প্রথম ঘটনাটি ঘটে মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ব্লকএ। বিকেল প্রায় ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। হাসপাতালের কর্মীরা দমকলকর্মীদের সঙ্গে মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এর আগে দুপুর প্রায় ৩টে ৩৪ মিনিটে ট্রমা সেন্টারের কাছে থাকা ট্রান্সফরমারএ আগুন লাগে। দিল্লি ফায়ার সার্ভিস (DFS) সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থলে মোট আটটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই ঘটনাতেও কোন হতাহতের খবর নেই।দমকল বিভাগের এক আধিকারিক জানান, ট্রমা সেন্টারের ট্রান্সফরমারে আগুন লাগে। আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

আগস্ট ১৪, ২০২৫
রাজ্য

জঙ্গিপুর হাসপাতালের ব্লাড সেন্টারে ঢুকে পড়ল সাপ। আতঙ্কিত ব্লাড সেন্টারের কর্মীরা।

জানা যায়, মঙ্গলবার প্রথমে ব্লাড সেন্টারের সাফাই কর্মী প্রথমে সাপ দেখতে পান।এরপর তিনি ব্লাড সেন্টারের কর্মীদের খবর দেন।সাপ থাকায় ফলে ব্লাড সেন্টারের স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়।এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ব্লাড সেন্টারে আসা রোগী সহ রোগীর আত্মীয়দের মধ্যে।পরবর্তীতে বনদপ্তরের কর্মীরা আসে ব্লাডা সেন্টারে এবং তারা সাপটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

জুন ১৭, ২০২৫
কলকাতা

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকা, এবার উৎসস্থল সমুদ্র

সাত সকালে কেঁপে উঠল কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলি। আজ সকালে ঘড়িতে তখন ঠিক সকাল ৬ টা ১০। ভমিকম্প হল বাংলা ও ওড়িশার বিস্তীর্ণ এলাকায়। রিখটার স্কেলে পরিমাপ ৫.৫। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির করা পোস্টে উল্লেখ, ভূমিকম্পের উৎস স্থল বঙ্গোপসাগরের গভীরে। ১৯.৫২ উত্তর অক্ষাংশ, ৮৮.৫৫ পূর্ব দ্রাঘিমাংস ও ৯১ কিমি গভীরতায়। এদিনের ভূমিকম্পের উৎসস্থল কলকাতার অদূরেই। কলকাতা থেকে দূরত্ব ৩০১ কিলোমিটার। ওড়িশা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রে ওই কম্পনের উৎসস্থল বলে জানা যাচ্ছে। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশাতেও এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই নয়, বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ৯১ কিলোমিটার। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। গত জানুয়ারিতে তিব্বতের ভূমিকম্পেই কেঁপে উঠেছিল কলকাতা সহ সারা বাংলা। রিখটার স্কেলে সেই কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। পাহাড়ী এলাকায় প্রায়সই ভূমিকম্প হয়, তবে এবার কম্পনের উৎস সমুদ্রের গভীরে। তবে এখনও পর্যন্ত সুনামির সতর্কতা জারি হয়নি। জানা গিয়েছে, কলকাতা, হাওড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ কলকাতা সংলগ্ন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গতকালই উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ ও হিমাচল প্রদেশের মান্ডি এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তারও আগে দিল্লি কেঁপে ওঠে কম্পনে। পর পর গত কয়েকদিন ধরেই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে দেশের বহু এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজনীতি

জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চের উদ্বোধনে কারাট, হাজির বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পী

নিউটাউনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর স্মরণে নির্মীয়মান জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ এর প্রথম পর্যায়ে ভবনের আজ উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধন করেন সিপিআইএম এর পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রকাশ কারাট। উপস্থিত ছিলেন বামফ্রণ্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটবুরো সদস্যরা, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ। রকাশ কারাট বলেন,জ্যোতি বসু দেশের কমিউনিস্ট আন্দলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বর্তমানে দেশে যেখানে উগ্র হিন্দুত্ব ও সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠান তথ্য সমৃ ধ গবেষণার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক চিত্র তুলে ধরবে। সিপিআইএম এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য কোনো সরকারই কোনওবিষয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না। সেই কারণে গবেষণার প্রয়োজন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেশকে আরো সুদৃঢ় করতে এই প্রতিষ্ঠানের বড় ভূমিকা থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দো তোলা ভবনের নিচতলায় জ্যোতি বসুর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নথি নিয়ে গ্যালারি ও দোতলায় একটি লাইব্রেরি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
দেশ

পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্র ও কমিশনকে কড়া নোটিস সুপ্রিম কোর্টের

শিয়রেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলি জোর কদমে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইস্তেহারে ভোটমুখী রাজ্যগুলির প্রতি তাদের অঙ্গীকার তুলে ধরেছে। এই আবহে দেশের সর্বোচ্চ আদালত কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জনগণের উদ্দেশে বিনামূল্যে বিভিন্ন পরিষেবা বা প্রকল্পের ঘোষণা করে। সেই ঘোষণা সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেই নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।মঙ্গলবার বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা এক মামলার শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রমানা, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি হিমা কোহলী। সেখানে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, সীমিত পরিসরের মধ্যে আমরা নির্বাচন কমিশনকে নীতিনির্দেশিকা প্রণয়ন করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমাদের নির্দেশের পর তারা একটি মাত্র বৈঠক করে। তারা রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত চেয়েছে। তবে তার পরে কী হয়েছে, আমি জানি না।সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়টিকে গুরুতর বিষয় বলে অভিহিত করেছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, ফ্রিবি বাজেট প্রতিদিনের বাজেটের থেকে অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে। তাই এই বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে। ভারতের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করতে বলেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কেবলমাত্র একটি বৈঠকই করেছে। এবং তার ফলাফল অজানা।মামলাকারীর আবেদন, যে রাজনৈতিক দলগুলি ভোটের আগে ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদের নির্বাচনী প্রতীক বাজেয়াপ্ত করা ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার ব্যাপারে কমিশনকে নির্দেশ দিক শীর্ষ আদালত। হলফনামায় মামলাকারী এ-ও দাবি করেছেন, কমিশনের নির্দেশ সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের অর্থ অপচয় করে চলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। তা ছাড়া ভোটের আগে এই ফাঁপা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে যাতে রাজনৈতিক দলগুলি বিরত থাকে, সে ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপের আর্জি জানান তিনি।শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায় রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিশ্রুতির বাজেট যে ভাবে মূল বাজেটকে ছাপিয়ে যাচ্ছে তা চিন্তারই বটে। এর পর সংশ্লিষ্ট মামলায় কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের প্রতিক্রিয়া চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
দেশ

বিদেশ থেকে পর্যটক এলে তাদের জন্য আজ থেকে কার্যকর নতুন কোভিড গাইডলাইন

বিদেশী পর্যটকদের জন্য আবার নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। বাইরের কোনও দেশ থেকে পর্যটকরা এলে তাদের আজ থেকে সরকারের তরফে আইসোলেশনের ব্যবস্থা আর করা হবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তবে কোনও বিদেশী পর্যটক করোনা পজিটিভ হলে প্রোটোকল মেনে তাকে অবশ্যই হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে।বৃহস্পতিবার এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এই পুনর্বিবেচিত বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য কোভিড নির্দেশিকা-তে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে যে বিদেশ আসা ব্যক্তিরা কোভিড পজিটিভ হলে তাঁদের সাত দিনের জন্য হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। সাত দিন পরে ভারতে আসার অষ্টম দিনে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে তাঁদের। আজ থেকে কার্যকরী হয়েছে এই নতুন নির্দেশিকা।উল্লেখ্য, ওমিক্রনের কারণে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। বুধবার, অসমারিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী বিমান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছাড় আছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে,দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা নিম্নগামী হওয়ায় ১৫ ডিসেম্বর থেকে যাত্রীবাহী উড়ানগুলি ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরে তা পিছিয়ে জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে ওমিক্রনের দাপটে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
দেশ

রেমডিসিভিরে বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা, নয়া নির্দেশিকায় সতর্কতা কেন্দ্রের

করোনা আবহে ফের একবার একগুচ্ছ নির্দেশিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। করোনা রোগীদের উপর রেমডিসিভির ব্যবহার নিয়ে আগেই নিয়ন্ত্রণের কথা জানানো হয়েছিল। এবার স্টেরয়েড ব্যবহারে লাগাম টানা থেকে রেমডিসিভিরের নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ, কোভিড চিকিৎসায় এক গুচ্ছ বদলের কথা বলা হল কেন্দ্রের কোভিড সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকায়।কোভিড চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে বলে অভিমত কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দলের। উচ্চ মাত্রার স্টেরয়েড প্রয়োজনের তুলনায় বেশি দিন ব্যবহৃত হলে বেড়ে যায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাংগাসে জাতীয় সংক্রমণের আশঙ্কা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর লোকসভায় দেওয়া তথ্য অনুসারে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে মোট ৫১৭৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ব্ল্যাক ফাংগাসে। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এই নয়া নির্দেশ বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলে।উল্লেখ্য গত সপ্তাহেই সাংবাদিক সম্মেলনে কোভিড চিকিৎসায় স্টেরয়েডের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে সতর্কতার বার্তা দিয়েছিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল। এ দিনের নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে মধ্যম ও মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেই ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেওয়া স্টেরয়েডের। স্টেরয়েড ছাড়াও রেমডিসিভিরের ব্যবহার নিয়েও মিলেছে সতর্কতার বার্তা। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে যে রোগীদের অন্তত দশ দিন ধরে কোভিড উপসর্গ রয়েছে এবং অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে কেবল তাঁদের ক্ষেত্রেই ভাবা যেতে পারে এই ওষুধ ব্যবহারের কথা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
দেশ

নেতাজির জন্মদিবস থেকেই সাধারণতন্ত্রদিবস পালন শুরুর সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

এবার ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, ঘোষণা কেন্দ্রের। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। গত বছর নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। এবার থেকে প্রতি বছর সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠান শুরু হবে ২৩ জানুয়ারি থেকে।সাধারণত ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ২৪ জানুয়ারি থেকেই যাবতীয় উদযাপন শুরু করে কেন্দ্র। এবার তা একদিন এগিয়ে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, নতুন করে ভারতের ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলিকে বিশেষ ভাবে স্মরণ ও উদযাপন করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।অন্য বেশ কয়েকটি দিবসকেও বছরভর বিশেষ গুরুত্ব সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেগুলির মধ্যে রয়েছে ১৪ অগস্ট দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস। ৩১ অক্টোবর জাতীয় ঐক্য দিবস যা পালন করা হয় সর্দার প্যাটেলের জন্মদিনে। ১৫ নভেম্বর জনজাতি গৌরব দিবস যা পালন করা হয় বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে। ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস। ২৬ ডিসেম্বর বীর বাল দিবস(এই দিনে গুরু গোবিন্দ সিংয়ের চার ছেলেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়)। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দিবস ইতিমধ্যেই পালিত হয়ে আসছে।নেতাজির স্মৃতি বিজড়িত দেশের নানা স্থানকে আলাদা করে প্রোমোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছর অক্টোবরে কেন্দ্রের পর্যটক মন্ত্রক আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের বার্ষিকীতে কিউরেটেড ট্যুরের পরিকল্পনার কথা জানায়।সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশজুড়েই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজধানীতে চলে কুচকাওয়াজ। এবার ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মজয়ন্তী থেকেই সেসব চালু হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

Omicron: ৩ জানুয়ারি থেকে ব্রিটেন ফেরত বিমান নামবে না শহরে, কেন্দ্রকে চিঠি নবান্নর

ওমিক্রন পরিস্থিতি নজরে রেখে কলকাতায় ব্রিটেন থেকে আগত বিমান নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। চিঠিতে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনে সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের আবহে কেন্দ্র যে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন।ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এমন দেশ থেকে আসা বিমান যাত্রীদের কলকাতায় এসে নিজেদের খরচেই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে বিমানবন্দরে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিমান সংস্থাকেই বিমানে ওঠা ১০ শতাংশ যাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে। আর বাকিদের র্যা পিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। এই পদ্ধতিতে রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁদের আবার আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করাতে হবে। বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষার কাজে যাতে খুব বেশি সময় নষ্ট না হল, তার জন্য যাত্রীদের আগে থেকেই পরীক্ষার বুকিং করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Missionaries of Charity: অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছিল মিশনারিজ অব চ্যারিটিই, বিবৃতি দিয়ে জানাল কেন্দ্র

মিশনারিজ অব চ্যারিটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্রীয় সরকার সংস্থার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে। টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিপিএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। প্রত্যেকেই কেন্দ্রের পদক্ষেপের কড়া নিন্দা করেছেন। এরপরই কেন্দ্রের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করা হল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, মিশনারিজ অব চ্যারিটি-র অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেনি কেন্দ্র। সংস্থার তরফ থেকেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। পাশাপাশি কেন্দ্রের দাবি কিছু শর্ত পূরণ না হওয়ায় সংস্থার রেজিস্ট্রেশন পুনর্নবীকরণ করা হয়নি।সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, মাদার টেরিজার সংস্থা মিশনারিজ অব চ্যারিটির সবকটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ক্রিসমাসে এমন খবর জেনে আমি স্তম্ভিত। সংস্থার অধীনে চিকিৎসাধীন ২২ হাজার রোগী ও কর্মীর জন্য নেই কোনও খাবার বা ওষুধ। মমতার দাবি, আইন সর্বোপরি হলেও মানবিকতার সঙ্গে কোনও সমঝোতা করা উচিৎ নয়।Shocked to hear that on Christmas, Union Ministry FROZE ALL BANK ACCOUNTS of Mother Teresas Missionaries of Charity in India!Their 22,000 patients employees have been left without food medicines.While the law is paramount, humanitarian efforts must not be compromised. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) December 27, 2021তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সংস্থার দেওয়া বিবৃতি টুইট করেছেন। সেখানে সংস্থার দাবি, তাঁদের এফসিআরএ রেজিস্ট্রেশন বাতিল বা সাসপেন্ড করা হয়নি। কেন্দ্রের তরফে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কোনও নির্দেশও আসেনি। তবে, তারা জানতে পেরেছে যে এফসিআরএ রেজিস্ট্রেশনের পুনর্নবীকরণ করা হয়নি। তাই জটিলতা যাতে না বাড়ে, তার জন্য আপাতত সংস্থার শাখাগুলিকে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে বলে দাবি মিশনারিজ অব চ্যারিটির।এই ইস্যু প্রকাশ্যে আসার পর সোমবার বিকেলেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার মিশনারিজ অব চ্যারিটির অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেনি। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তরফ থেকে কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে যে, সংস্থার তরফেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আর্জি জানানো হয়েছিল।কেন্দ্রের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, ২৫ ডিসেম্বর সংস্থার এফসিআরএ রেজিস্ট্রেশনের পুনর্নবীকরণ করেনি কেন্দ্র। বেশ কয়েকটি শর্ত পূরণ না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেই রেজিস্ট্রেশন জন্য সংস্থার তরফে কোনও আবেদন জানানো হয়নি বলেই দাবি করেছে কেন্দ্র। জানানো হয়েছে, ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল ওই রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ। সেটা বর্ধিত করা হয় ৩১ ডিসেম্বর অবধি। পরে বেশ কিছু তথ্য সামনে আসে, যা কেন্দ্রের শর্তের পরিপন্থী। তাই, রেজিস্ট্রেশনের পুনর্নবীকরণ করা হয়নি।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

BSF-High Court: বিএসএফ-মামলায় কেন্দ্রের হলফনামা চায় হাইকোর্ট

বিএসএফ মামলায় কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সম্প্রতি বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে তরজা শুরু হয়েছে নিঃসন্দেহে এই মামলা সেখানে নতুন মোড় আনল। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।মামলাকারীর বক্তব্য, বিএসএফের যে নির্দিষ্ট আইন আছে সেখানে স্পষ্ট করে বলা রয়েছে তাদের কতটা এলাকায় এক্তিয়ার। কেনই বা এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে তা নিয়েও ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএসএফ অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৩৯ ধারার প্রসঙ্গ তুলে মামলাকারী বলেন, এভাবে আজ ১৫ কিলোমিটার, কাল ৫০ কিলোমিটারে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়াতে থাকলে একদিন এটা বেড়ে গোটা দেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান মামলাকারী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি জানতে চান আর কোন রাজ্যে এই ধরনের মামলা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এজি জানান, পঞ্জাবে একই ধরনের একটি মামলা হয়েছে।একই সঙ্গে কেন্দ্রের পদক্ষেপ কী, তাও জানতে চায় আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী ওয়াই যে দস্তুর বলেন, শুধু সীমানা বাড়ানো হয়েছে এমনই নয়, এমন রাজ্যও রয়েছে যেখানে সীমানা কমানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন গুজরাতের। জানান, সে রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি হলফনামায় উল্লেখ করতে চান বলে জানান তিনি। এই ধরনের কোনও মামলা কোনও রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছে কি না তাও জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

HS Exam: নিজেদের স্কুলেই অনলাইনে পরীক্ষা দেবেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়ারা

২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিজেদের স্কুলেই দিতে পারবেন পড়ুয়ারা। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। অফলাইনে ক্লাস শুরু হলেও পরীক্ষা অনলাইনেই হোক। এই মর্মে রাজ্যে সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দিয়ে এই পরামর্শই দিয়েছে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। আর অনলাইনে পরীক্ষা হলেও নিজেদের হোম সেন্টারে পরীক্ষা দিতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।গত ১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে গিয়েছে। কিন্তু শিক্ষাবর্ষের অধিকাংশ ক্লাসই যে হেতু অনলাইনে হয়েছে, তা মাথায় রেখে আসন্ন সিমেস্টার পরীক্ষাগুলি অনলাইনেই নেওয়া হোক। চিঠিতে এই পরামর্শই দিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে।পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়ে ফেলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের বৈঠক ছিল বুধবার। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সামনের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের বিজোড় সিমেস্টারের পরীক্ষা অনলাইনেই নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Petrol-Diesel Price: দীপাবলিতে পেট্রল-ডিজেল নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

অবশেষে দীপাবলির মরশুমে পেট্রল-ডিজেলের দাম কমাতে সক্রিয় হল কেন্দ্র। পেট্রলের লিটারপ্রতি ৫ টাকা এবং ডিজেলের লিটারপ্রতি ১০ টাকা উৎপাদন শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বুধবার। বৃহস্পতিবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় দফায় একাধিক বার পেট্রল-ডিজেলের উৎপাদন শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। অনেকের মতে, সেই ধাক্কা সামলাতেই তেল সংস্থাগুলি ওই দুই পেট্রোপণ্যের দর কমাতে পারছিল না। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছিল, অতিমারি আবহে দাঁড়িয়েও জ্বালানির দাম কমাতে উৎপাদন শুল্ক ছাঁটাইয়ের দাবিতে কান দিচ্ছে না কেন কেন্দ্র?বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেল এখনও ঘোরাফেরা করছে ব্যারেল পিছু ৮৫ ডলারের কাছে। ফলে সরকার আকাশছোঁয়া কর কমিয়ে দাম না-কমালে আমজনতার আপাতত রেহাই পাওয়ার উপায় নেই বলে জানিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদদের একাংশও।মঙ্গলবার দেশজুড়ে উপনির্বাচনের ফলে বেকায়দায় পড়েছে বিজেপি। বিভিন্ন জায়গায় হেরেছে তারা। বাংলায় চারটির মধ্যে তিন আসনে জামানত খুঁইয়েছে গেরুয়া শিবির। হেঁসেলের অগ্নিমূল্যের আঁচ জনমানসে ক্ষোভ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন অনেকে। সেই ক্ষোভ প্রশমনে কেন্দ্র দাম কমানোর পথে হাঁটল বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজ্যগুলির উপরেও চাপ বাড়ল। বিশেষ করে বিরোধী শাসিত রাজ্য সরকারের উপরে। পেট্রোল-ডিজেলে ভ্যাট না কমালে সমালোচনার তির ঘুরে যাবে তাদের দিকে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
দেশ

Covid-Exgratia: কোভিডে মৃত্যু হলে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য

এখনও পর্যন্ত কোভিডে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল থেকে। শুধু তাঁদেরই নয়, ভবিষ্যতেও যদি কেউ মারা যান, তাঁদের পরিবার-পরিজনকেও ওই ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়া হবে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এ কথা জানাল কেন্দ্র।কোভিডে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি গাইডলাইন তৈরি করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। করোনায় মৃতদের পরিবারকে কত অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে, তা খতিয়ে দেখতে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয় তিন বিচারপতির বেঞ্চ। এই নিয়ে সবিস্তারে একটি হলফনামা তলব করা হয় কেন্দ্রের কাছে। সেই হলফনামাতেই লেখা হয়েছে, যারা করোনার ত্রাণ কার্যের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের মৃ্ত্যুর ক্ষেত্রেও এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের গাইডলাইন অনুযায়ী ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে কোভিড ১৯-এর উল্লেখ থাকতে হবে।আরও পড়ুনঃ বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছিত্রয়োদশ অর্থ কমিশনের সুপারিশ মেনে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের ধারায় গড়ে তোলা হয়েছিল রাজ্যের এই বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল। এই তহবিলে প্রতি অর্থ বর্ষে দুই কিস্তিতে টাকা দেয় কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গ বা মহারাষ্ট্রের মতো সাধারণ রাজ্যের ক্ষেত্রে ওই তহবিলে ৭৫ শতাংশ অর্থ আসে কেন্দ্র থেকে। অন্য দিকে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত রাজ্যের ওই তহবিলে ৯০ শতাংশ অর্থই দেয় কেন্দ্র। কোভিড পরিস্থিতিতে গত জুন মাসেই কেন্দ্র প্রথম কিস্তির টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে ওই তহবিলে। সেই টাকাই এ বার বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মৃতদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। কোভিড মোকাবিলার কাজে অংশ নিয়ে যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের পরিবারকেও দেওয়া হবে ক্ষতিপূরণের অর্থ। তবে শীর্ষ আদালতে দেওয়া হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুর শংসাপত্রে কারণ হিসেবে অবশ্যই কোভিডের উল্লেখ থাকতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Pan-Aadhar Link: প্যান-আধার লিঙ্ক হয়নি? আপনার জন্য স্বস্তির খবর

প্যান-আধার কার্ড এখনও সংযুক্ত করাননি? চিন্তা নেই। আপনার জন্য সুখবর রয়েছে। করোনা আবহের কথা মাথায় রেখে ফের একবার বাড়ানো হল প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্ত করার সময়সীমা। শুক্রবার নতুন ডেডলাইন ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্যান ও আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ সম্পন্ন করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই সময়সীমা বাড়ানো হল।আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২-এর ৩১মার্চের মধ্যে প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ আরও ৬ মাস বাড়ানো হল সময়সীমা। এই সময়সীমা বাড়ানো না হলে আয়করের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই করোনা পরিস্থিতিতে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।এই নিয়ে চলতি বছরে চতুর্থবার প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্তিকরণে সময়সীমা বাড়ানো হল। এর আগে জুলাই মাসেও সংযুক্তিকরণে সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্যই জুলাই মাসে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
বিদেশ

9/11 Terrorists attack: ৯/১১-র ভয়াবহ স্মৃতির ২০ বছর

১১ সেপ্টেম্বর ২০০১-র সকাল। ছবির মত গোছানো শহরের উঁচু উঁচু ইমারতগুলো কেঁপে উঠল আচমকাই। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে পরপর হামলা চালায় জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার অপহৃত তিনটি বিমান। যা দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল গোটা বিশ্ব। ইতিহাসের ভয়ঙ্করতম ওই জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৩০০০ মানুষের। আহত হয়েছিলেন ২৫ হাজারেও বেশি মানুষ। ২০২১-এর ১১ সেপ্টেম্বর। ২০ বছর পর সেই ভয়াবহ জঙ্গি হামলার কিছু স্মৃতির কোলাজ আজও রয়ে গিয়েছে বিশ্বের মানুষের মনে।বিশেষত, সাম্প্রতিক আফগানিস্তানের তালিবানি তাণ্ডবের মধ্যে সেই স্মৃতি যেন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে।সেদিন জঙ্গি হামলার ভয়াবহতা প্রথমে বুঝে উঠতে পারেননি পথচলতি সাধারণ মানুষ। সকলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে অট্টালিকা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের অহঙ্কার যে এভাবে হিংসার অন্ধকারে তলিয়ে যাবে, কেউই ভেবে উঠতে পারেনি প্রথমে। আরও পড়ুনঃ পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাইওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভেঙে পড়লে, প্রাণ বাঁচাতে তখন দৌড় লাগান সাধারণ মানুষ। সকলের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।বিল্ডিংয়ের উপর থেকে ঝাঁপ দিলে নীচে নিশ্চিত মৃত্যু, তা জেনেও কেবল প্রাণরক্ষার তাগিদে শেষ চেষ্টা করে সাধারণ মানুষ। উপর থেকেই ঝাঁপ দেন অনেকেই। সময়ের কালে ২০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে। ৯/১১-র ভয়াবহতার রেশ কমে এসেছে মানুষের মনে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনেও ফিরে এসেছেন সাধারণেরা। কিন্তু বছর ঘুরে এই দিনটি এলেই সেই ভয়াবহতা যেন পিছু তাড়া করে সেদিনের ঘটনার সাক্ষী থাকা, কপালের জোরে বেঁচে ফেরা মানুষগুলোর। ঘটনার ভয়াবহতা থেকে বেরিয়ে আসতে অনেককেই চিকিৎসকের পরামর্শ পর্যন্ত নিতে হয়েছিল। আজ আবার সেই স্মৃতি একবার টাটকা হয়ে উঠল।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

Airport: ক্যালিফোর্নিয়াম নয়, সাধারণ পাথর!

কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরে উদ্ধার হওয়া তেজস্ত্রিয় মৌল ক্যালিফোর্নিয়াম নয়, সাধারণ পাথর। প্রাথমিক রিপোর্টে ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার জানিয়ে দিল, ওই চারটি পাথর ক্যালিফোর্নিয়াম বা ইরিডিয়াম নয়, বরং সাধারণ পাথর। মানুষকে বোকা বানিয়ে অর্থ উপার্জনের জন্য ওই চারটি পাথর অভিযুক্তরা সঙ্গে রেখেছিল বলে জানা গিয়েছে।গত বুধবারই কলকাতা বিমানবন্দর চত্বরের সামনে থেকে চারটি উজ্জ্বল পাথরের মতো মৌল উদ্ধার করে সিআইডি। সন্দেহ, সেগুলি শক্তিশালী ক্যালিফোর্নিয়াম। যার এক গ্রামের দাম ১৭ কোটি টাকা। পরমাণু বোমা তৈরির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় ক্যালিফোর্নিয়াম বা ইরিডিয়াম। আশঙ্কা করা হয়েছিল, এয়ারপোর্টের কাছে যে পরিমাণ ক্যালিফোর্নিয়াম পাওয়া গিয়েছে, তার আনুমানিক দাম ৪ হাজার ২৫৮ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। এরপরই ওই চারটি পাথর পাঠানো হয়েছিল ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারে। ক্যালিফোর্নিয়াম স্টোন আশঙ্কায় বুধবার গ্রেপ্তার হয়েছিল ২ জন। ধৃতদের মধ্যে একজন সিঙ্গুরের বাসিন্দা আর অপরজনের বাড়ি হুগলির পোলবা থানার পাউনান গ্রামে।

আগস্ট ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতার

শনিবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এদিন সকালেই, কয়লা-কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। আর টিএমসিপি-র মঞ্চে ভাষণ দিতে উঠেই এই নিয়ে সরাসরি আক্রমণের পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, দিল্লি আমাদের সঙ্গে না পেরেই কেন্দ্রীয় সংস্থা লেলিয়ে দেয়। কয়লা দুর্নীতি ও অভিষেকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই তিনি ইডি-র নোটিস নিয়ে এই প্রতিক্রিয়া দেন।টিএমসিপি-র অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে এ দিন মমতা বলেন, ক্ষমতায় এসে আমাদের চ্যালেঞ্জ আরও বেড়ে গিয়েছে। যেটুকু কাজ বিরোধী দলে আমাদের ছিল, তার থেকে এখন কাজ বেড়ে গিয়েছে। আমরা কখনও দমে যাইনি। মানুষের কাজ করাই আমাদের প্রধান কাজ। তাই দিল্লি যখন আমাদের সঙ্গে রাজনীতিকে পারে না, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তখন এজেন্সি লেলিয়ে দেয়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের বিস্ফোরক রিপোর্ট নিয়েও এ দিন কটাক্ষ করেছেন মমতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, আজকাল লজ্জা লাগে আমার। আমি মানবাধিকার কমিশনকে শ্রদ্ধা করি, সম্মান জানাই। এই মানবাধিক কমিশনের জন্যই আমি ২১ দিন ধরনা করেছিলাম রাস্তায়।আরও পড়ুনঃ শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যামুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের পরবর্তী সময় ফের একবার কয়লা কাণ্ডের কথা উঠে আসে। তিনি বলেন, কয়লা চুরির জন্য শুধু তৃণমূলকে ধরলে হবে? তৃণমূলের দায়িত্বে কয়লা নয়। কয়লা কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্বে। মাথায় রেখো, এটা রাজ্যের দপ্তর নয়। তোমার দপ্তর। একটা ছোট্ট নেংটি ইঁদুর বের করেছো না পকেট থেকে, ওই ইঁদুর তোমার পকেট ফাঁকা করে দিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে অভিষেকের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই চালাও। এমন প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি কখনও দেখিনি। আমরা এমন রাজনীতি করি না। তোমার দলের বিরুদ্ধে কতটা পদক্ষেপ করেছ? উত্তরপ্রদেশে হাথরসের ঘটনায় মানবাধিকার কমিশন পাঠিয়েছ?আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকের প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার কয়লা মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তবে এ রাজ্যে নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। সূত্রের খবর, অভিষেকের পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকেও ডেকে পাঠিয়েছে আর্থিক তছরুপ তদন্তকারী এই গোয়েন্দা সংস্থা। আগামী ১ সেপ্টেম্বর হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে রুজিরাকে। তদন্তের সহযোগিতারা জন্য অভিষেককে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
দেশ

Corona Update: দুয়ারে তৃতীয় ঢেউ? ফের বাড়ছে সংক্রমণ, সতর্ক করল কেন্দ্র

মহারাষ্ট্র নয়, করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে কেরলে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, দেশে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কেরলের।গত এক-দেড় মাসে কোনও জেলার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাই ১০০ পেরোয়নি। কিন্তু আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের একবার কলকাতার দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা সেঞ্চুরি পার করল। উত্তর ২৪ পরগনার দৈনিক সংক্রমণও ১০০ ছুঁইছুঁই। এই দুই জেলাকে পাল্লা দেওয়ার ইঙ্গিত দেখাচ্ছে দার্জিলিঙের আক্রান্তের সংখ্যাও। বৃহস্পতিবারের কোভিড বুলেটিনে প্রকাশ পেয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭১৭ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এই একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৭২৬ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ৯ হাজার ১৬৭। সুস্থতার হার দাঁড়িয়ে ৯৮.২২ শতাংশে। শেষ একদিনে নতুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৪১ হাজার ৪৯৮। পজিটিভিটি রেট কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১.৭৩ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ প্রয়াত বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষঅন্যদিকে, রাজেশ ভূষণ আজ বলেন, কেরল এমন একটি রাজ্য যেখানে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ১ লাখ। এছাড়া দেশের অন্যান্য ৪ রাজ্যে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্য়া ১০ হাজার থেকে ১ লাখ। তবে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের ৫১ শতাংশ কেরলের।স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, কেরলে টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে হবে, বাড়াতে হবে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং, যারা হোম আইসোলেশনে রয়েছে তাদের উপরে নজরদারি বাড়াতে হবে কারণ কেরলের ৮০ শতাংশেরও বেশি করোনা রোগী রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। দেশের ২৭৯ জেলায় জুনের প্রথম সপ্তাহে ১০০ বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তার পর থেকে ধীরে ধীরে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮,০০০ জন। এর অর্ধেক কেরলের হলেও অন্যান্য রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। কেরলের পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট আক্রান্তের ১৬ শতাংশই মহারাষ্ট্রের।

আগস্ট ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘বিজেপির পাশবালিশ হয়ে যান’— ঋত শিবিরকে মমতার কড়া বার্তা

এবারের ২১ জুলাইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ভিন্ন ছবি সামনে এল। একদিকে মেয়ো রোডে বিদ্রোহী ঋত শিবিরের কর্মসূচি, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা। একই সময়ে দিল্লিতেও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের উদ্যোগে একুশে স্মরণ পালন করা হয়। সব মিলিয়ে দলের ভিতরের বিভাজন প্রকাশ্যে চলে আসে।কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী শিবিরকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়। ভিড়ের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষও।কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে ফাঁকা চেয়ার। বিজেপিকে ফোন করে লোক আনার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলার মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী একজন, বাকি আমরা সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও প্রতীকের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তার কোনও জায়গা নেই।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী শিবিরকে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক দেশ, এক ভোট চালু হলে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তখনই ডেট অফ এক্সপায়ারি দেখা যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে বিদ্রোহী ঋত শিবিরকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। দলের প্রতীক নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আমি ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। আইনত আমাদের প্রতীক কাড়তে পারবে না। যদি কাড়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে মনে রাখবে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।মমতা আরও বলেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে চারশো মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনও মামলায় প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রতিও সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, দরকার হলে আমি নিজেও তাদের কর্মসূচিতে যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে, থাকবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, পাঁচ ওয়াট, দশ ওয়াটের বাল্ব এখন ভাবছে সে হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছে। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব, যারা দল ছেড়ে গেছে, তাদের কাউকে আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আয়কর, সিআইডি, এসটিএফ সবাই একসঙ্গে লাগলেও ভয় পাই না। গলা কেটে দিলেও আমার শরীর থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ শোনা যাবে।মঞ্চ থেকে উপাসনা চৌধুরীও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, যখনই মা-মাটি-মানুষের উপর আঘাত আসবে, তখনই সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে।এবারের একুশে জুলাই তাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চ হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকল।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমের টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমার আরও এক যুবকের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

সিকিমে টানেল নির্মাণের কাজে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল নাগরাকাটা ব্লকের মনমোহনধুরা গ্রামের যুবক অর্জুন সাউতালের। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও গোটা এলাকায়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন অর্জুন। সেখানে টানেল নির্মাণের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে মনমোহনধুরা গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা।অর্জুন সাউতাল ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। পরিবারে বাবা-মা, চার ভাই ও বৌদিদের নিয়ে বড় সংসার। সংসারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত দুঃস্বপ্নে পরিণত হল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের এই টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমা থেকে এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লক মিলিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর গোটা মহকুমাজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নাগরাকাটা ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়েই বহু যুবক জীবিকার সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু কাজের খোঁজে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে বহু মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে হতো না।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

বিরোধীদের চাপের মুখে কি নতি স্বীকার? নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সরকারের বড় ঘোষণা

নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র সরকার। বুধবার সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিরোধীরা সরব। একই সঙ্গে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানায়।সোমবার সিজেপি সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী -সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। পরে দিল্লি পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।ধরনার সময় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তখন তিনি নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পরও রাহুল গান্ধী ধরনা তুলতে রাজি হননি।এই পরিস্থিতিতে কিরেণ রিজিজু বলেন, বিরোধীরা আলোচনার সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনা শুরুর আগেই যদি শর্তের পাহাড় তোলা হয়, তাহলে বোঝা যায় তারা আসলে আলোচনা চায় না।সরকারি সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা শুরু হতে পারে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

উচ্ছেদ নয়, এবার কলেজ স্ট্রিটের ‘মেকওভার’! কী কী বদল আসছে জানেন?

কলেজ স্ট্রিটকে উচ্ছেদ নয়, নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। বুধবার ভোরবেলা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলেজ স্ট্রিটে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্মিতা পাণ্ডে ও কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা।এলাকা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পথচারী ও বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন, কীভাবে কলেজ স্ট্রিটকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি অংশকে নো ভেহিকেলস জোন করা হবে। সেখানে কোনও গাড়ি চলবে না, হর্ন বাজবে না। বইপ্রেমীরা ওই এলাকায় সাইকেলে ঘুরতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে সাইকেল আনা যাবে না; নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্কদের জন্য ব্যাটারি চালিত গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সেখানে ক্যাফে, বই পড়ার বেঞ্চ এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, কলেজ স্ট্রিট হল বইপাড়া। এখানে শুধু বই, খাতা, নোটপ্যাডের দোকান থাকবে। আমরা চাই জায়গাটি সুন্দর ও শান্ত হোক। তবে মূল কলেজ স্ট্রিট রাস্তায় আপাতত কোনও পরিবর্তন করা হবে না, কারণ সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাফিক জোন।তিনি আরও জানান, রেলিংয়ের সামনে থাকা কিছু দোকানকে অন্যত্র সরিয়ে একইরকম নকশার স্টলে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্দেশ্য হল, এলোমেলো টিনের দোকানের বদলে একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় বইপাড়া গড়ে তোলা।দোকানদারদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের বইয়ের দোকান রয়েছে, তাঁদেরই পুনর্বাসন করা হবে। কারও রুজিরুটিতে আঘাত করা হবে না। শুধু জায়গাটিকে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে।বই বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিক্রেতা বলেন, সরকার বলছে দোকান তোলা হবে না, শুধু সুন্দর করে সাজানো হবে। সেটা হলে ভালোই। আরেকজনের কথায়, আমরা চাই কলেজ স্ট্রিট সুন্দর হোক, কিন্তু আমাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব এবার বিধানসভায়! মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

বিধানসভায় ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে উঠে আবার বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার সময় শোভনদেব বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হচ্ছে, তা কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।আলিফা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে। আগে থেকে জানা গেলে সুবিধা হয়। তাই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিরোধী দল আছে। কালীঘাটপন্থী আছেন, আইএসএফ আছে, সিপিআইএম আছে, কংগ্রেস আছে। আমরা চাই সবাই সময় ভাগ করে নিক।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও পাঁচ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। তখন চিফ হুইপ বক্তব্য রাখার সময় ঠিক করতেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।উল্লেখ্য, বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থীরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে কোন শিবিরের তালিকা অনুযায়ী বক্তব্য হবে, তা নিয়ে বারবার বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal