• ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Centre

দেশ

'E-labour' portal: অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য বড় খবর

দারুণ সুখবর পেতে চলেছেন শ্রমিকরা। কেন্দ্রের তরফে আনা হচ্ছে এক নতুন পোর্টাল। বৃহস্পতিবার, ২৬ অগস্ট কেন্দ্রের তরফে ই-শ্রম পোর্টাল-র উদ্বোধন করা হবে, যা দেশের কয়েক কোটি অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা শ্রমিকদের যাবতীয় তথ্যের ভাণ্ডার হিসাবে কাজ করবে এবং সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে তাদের নাম নথিভুক্ত করবে।আরও পড়ুনঃ সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?আমাদের দেশের নাগরিকরা বিভিন্ন ধরনের পেশার সঙ্গে যুক্ত হলেও প্রতিটি পেশা নথিভুক্ত বা স্বীকৃত নয়। নাম নথিভুক্ত না থাকায় স্বীকৃতি বা সরকারি পরিষেবার সুযোগও পান না কয়েক কোটি মানুষ। এ বার সেই সমস্ত শ্রমিকদের কথা ভেবেই ই-শ্রম পোর্টাল আনছে কেন্দ্র। এ দিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ভূপিন্দর যাদব এই পোর্টালের উদ্বোধন করবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রমেশ্বর তেলি-ও উপস্থিত থাকবেন। এই পোর্টালের উদ্বোধন হয়ে গেলে শ্রমিকরা কেন্দ্রীয় সরকারের নানা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলির সুবিধাও পাবেন তারা। নতুন কোনও প্রকল্প চালু হলেও তার সুবিধা নেওয়ার জন্যও শ্রমিকদের নাম নথিভুক্ত করে দেওয়া হবে। কেন্দ্রের লক্ষ্য, এই পোর্টালে দেশের ৩৮ কোটি শ্রমিকদেরই নাম নথিভুক্ত করা। এই শ্রেণির মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিক, নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিক, ফুটপাথের বিভিন্ন বিক্রেতা ও গৃহস্থ বাড়িতে কর্মরতরা। এই প্রকল্পের অধীনে নাম নথিভুক্ত করা সমস্ত শ্রমিকদেরই ১২ ডিজিটের একটি ইউনিক নম্বর দেওয়া হবে, যা আগামিদিনে তাদের নানা প্রকল্পের সুবিধা পেতে সাহায্য করবে।

আগস্ট ২৬, ২০২১
দেশ

3rd Wave warning: আগামী ১২৫ দিনের জন্য সতর্কতা জারি কেন্দ্রের

করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি। আগামী ১২৫ দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্কবার্তা জারি করল কেন্দ্র।কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এখনও ভারতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। সেই কারণেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভিকে পল জানিয়েছেন, করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকাতে স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব ধরণের ফরম্যাটেই খেলতে চান ভুবনেশ্বর কুমারতিনি বলেন, করোনার বিরুদ্ধে হার্ড ইমিউনিটি এখনও দেশে আসেনি। এখনও নানা জায়গায় সংক্রমণ নজরে পড়ছে। কিন্তু সেই সংক্রমণ আমাদের আটকাতে হবে। সেই কারণেই নিরাপদে থাকা বিশেষ জরুরি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের সামনে আগামী ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক দেশের উদাহরণ তুলে ধরেছেন। বলেছেন, এই সময়ের মধ্যে আমাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। ইতিমধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। দেশের প্রধানমন্ত্রীও তা নিয়ে সতর্ক করেছেন। অন্যদেশের পরিস্থিতি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব আরও বলেন, আমাদের প্রতিবেশী একাধিক দেশ, যেমন মায়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশে দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও বড় আকার ধারণ করেছে। এমনকী, মাস্ক ব্যবহারে উদাসিনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। লকডাউনের পরবর্তীতে দেশে মাস্ক ব্যবহার না করার প্রবণতাও ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
দেশ

Vaccine: কেন্দ্রের ছা‌ড়পত্র পেল মডার্নার ভ্যাকসিন

খুব শীঘ্রই আরও এক কোভিড ভ্যাকসিন আসছে দেশীয় বাজারে। জরুরি পরিস্থিতি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র মডার্নার (Moderna Vaccine) টিকাকে। এদিকে এই ভ্যাকসিন আমদানি ও সরবরাহের জন্য ডিসিজিআইয়ের ছাড়পত্র চেয়েছিল ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা সিপলা (Cipla)। মঙ্গলবার দুপুরে সেই ছাড়পত্র দিল DCGI। আরও পড়ুনঃ রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধেসম্প্রতি দেশে-বিদেশি টিকার ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে কেন্দ্র সরকার। জানানো হয়েছে, কোনও বিদেশি টিকা আমেরিকার মতো দেশে জরুরি অবস্থার জন্য ছাড়পত্র পেয়ে থাকলে তারা এদেশে ট্রায়াল ছাড়াই ছাড়পত্রে পেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে প্রথম ১০০ জন টিকাগ্রহীতার তথ্য জমা করতে হবে সরকারের কাছে। কেন্দ্রের এই শর্তকে হাতিয়ার করেই ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছিল সিপলা। তাদের সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে বলেই খবর।উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন আগেই জানিয়েছে কোভ্যাক্স প্রকল্পে মডার্নার বেশকিছু টিকা পেতে পারে ভারত। ইতিমধ্যে করোনার বিরুদ্ধে ৯০ শতাংশ কার্যকর এই টিকা। শুধু কোভ্যাক্স প্রকল্পের জন্যই নয়, এবার সরাসরি সংস্থার কাছ থেকে টিকা আমদানি করবে কেন্দ্র। জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে এই টিকা।

জুন ২৯, ২০২১
দেশ

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র

ভুয়ো টিকা (Fake Vaccine) নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। করোনার টিকা (Covid Vaccine) নিয়ে যাতে কোনও ধরনের জালিয়াতি না হয়, তার জন্য নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের সঙ্গে এক উচ্চ পর্যায়ের করোনা (Corona Virus) সংক্রান্ত বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে দেশের যে দুই রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র থেকে ভুয়ো টিকার অভিযোগ ওঠে, তার জেরেই কেন্দ্রের তরফ থেকে আলাদা করে সতর্ক করা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাভুয়ো টিকার খবর দেশের যেকোনও রাজ্যের যেকোনও জায়গা থেকে এলেই কেন্দ্রকে যাতে অবিলম্বে এই বিষয়ে জানানো হয়, বৈঠকে সমস্ত রাজ্যগুলিকে সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারির উপস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যের চিফ সেক্রেটারির সঙ্গে আমাদের করোনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। ভুয়ো টিকার খবর কোথা থেকে এসেছে তা জানা জরুরি। স্থানীয় জেলা প্রশাসন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে আমাদের তা জানালে প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।আরও পড়ুনঃ করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়ভুয়ো টিকার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালেও, পশ্চিমবঙ্গের ভুয়ো টিকার বিষয়ে তারা যে সরাসরি মাথা গলাতে চাইছে না, সেই বিষয়টি এদিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ভুয়ো টিকার ঘটনাকে তারা জনস্বাস্থ্য বিষয়ক নয়, বরং ফৌজদারি অপরাধ বলেই মনে করছে। সরকারি বা সরকার অনুমোদিত টিকাকরণ কেন্দ্র থেকে বা কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করার পরেও যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো টিকা পান, তাহলে কেন্দ্র সরকার সেই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ঘটনায় শুধুমাত্র ভুয়ো টিকাই নয়, টিকাকরণ কেন্দ্রটিরও সরকারি অনুমোদন ছিল না।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Corona-Tax: করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়

কোভিড (COVID-19) চিকিৎসার সাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড় নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের। মহামারিকালে কোনও সংস্থার কর্মীকে চিকিৎসার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দিয়ে সাহায্য করবে, ঠিক সেই পরিমাণ আয়কর (Income Tax) ছাড় মিলবে। করোনায় নিহত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রেও একই ছাড় মিলবে। শুক্রবার আয়কর কাঠামো সংশোধনের পর জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। এই খবরে স্বভাবতই খুশির হাওয়া বিভিন্ন মহলে।আরও পড়ুনঃ টিকা বিতর্কে ভাঙা হল রবীন্দ্রনাথের মূর্তি থেকে দেবাঞ্জনের নামের ফলক শুক্রবার করদাতাদের স্বস্তি দিতে আরও বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্রের আয়কর বিভাগ। তাতে বলা হয়েছে, সরাসরি যারা কর দেন, তাদের জন্য তৈরি প্রকল্প বিবাদ সে বিশ্বাস-এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত এই স্কিমে ট্যাক্স জমা দেওয়া যাবে। করদাতারা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিজেদের কর জমা দিতে পারবেন। কোনও অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না।তবে সবচেয়ে বড় স্বস্তি মিলেছে কোভিডে অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কোভিড তহবিলে টাকা দান করলে, সেই পরিমাণ অর্থ করের আওতার বাইরে। সংকটের মধ্যে কোনও সংস্থা যদি তাদের কর্মীদের চিকিৎসার (Corona Treatment) খরচ বহন করে কিংবা এককালীন টাকা দিয়ে থাকে, তবে সেই টাকায় করছাড় দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অঙ্কের করছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই টাকা এক্সগ্রাশিয়া বাবদ দান করতে পারে সংস্থা। মহামারি সংকটের মাঝে করকাঠামো নিয়ে কেন্দ্রের এই ঘোষণায় স্বস্তিতে বহু করদাতা। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে কেন্দ্রকে স্বাগত জানিয়েছেন তাঁরা সকলেই।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Alapan-Centre clash: ফের আলাপনকে চিঠি কেন্দ্রর, এবার অভিযোগ শৃঙ্খলাভঙ্গের

ফের কেন্দ্রের তোপের মুখে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata banerjee) মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ তুলে তাঁকে চিঠি ধরাল কেন্দ্রীয় কর্মীবর্গ দপ্তর (DOPT)। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে তাঁকে চিঠির জবাব দিতে হবে। এমন নির্দেশই দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যের আর্জি খারিজ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দায়িত্ব দিল হাইকোর্টসোমবারই কেন্দ্রীয় কর্মীবর্গ দপ্তরের তরফে জানানো হয়, শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অল ইন্ডিয়া সার্ভিস রুলসের ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানেই শৃঙ্খলাভঙ্গের উল্লেখ রয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই চিঠির উত্তর দিতে হবে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে। এমনকী, আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে জবাব পাওয়া না গেলে একতরফা পদক্ষেপ করা হবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় কর্মীবর্গ দপ্তর। গত মাসেই আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Alapan Bandyopadhyay) নিয়ে বিস্তর টানাপোড়েন চলে। বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তাঁকে শোকজ নোটিস পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। যে চিঠির জবাবও দিয়েছিলেন আলাপনবাবু।আলাপনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসকদলের নেতা তাপস রায় বলে দেন, এর মধ্যে দিয়ে বাংলার প্রতি মোদি সরকারের আক্রোশ, রাগেরই প্রকাশ পেল। মানুষের কাছে নিজেরাই নিজেদের হেয় প্রতিপন্ন করছে। হিংসার রাজনীতি করে চলেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে পালটা দিয়ে পদ্মশিবিরের নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এনিয়ে তৃণমূল বা বিজেপির কিছু বলার নেই। আইনের ধারাতেই সবটা হচ্ছে।

জুন ২১, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআর

করোনা আবহে চিকিৎসকদের (Doctors) হেনস্তা করলেই হতে পারে জেল। হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। করোনা আবহে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অখচ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের হেনস্তার (Assualt) খবর সামনে আসছে। যার জেরে ক্ষোভ বাড়ছে ডাক্তারদের মধ্যেও। সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতেই কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।শনিবার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছ, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী হেনস্তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। হুমকি দেওয়া বা হামলার ঘটনা তাঁদের মনোবলকে ম্লান করে দিতে পারে। তৈরি করতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। যা স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আরও লেখেন, বর্তমানের কিছু ঘটনা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে FIR করতে হবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-গুলির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মহামারি রোগ (সংশোধনী) আইন, ২০২০ প্রয়োগ করার কথাও বলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে অভিযোগের উপর নির্ভর করে এ ধরনের শাস্তির বহর আরও বাড়তে পারে। মহামারি আইন প্রয়োগ করলে শাস্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।চিঠিতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন ভাল্লা। লিখেছেন, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তায় উৎসাহ জোগাতে পারে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপরেও কড়া নজর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি জায়গায় প্রচার চালাতে হবে।

জুন ২০, ২০২১
দেশ

করোনায় মৃত্যু হলে পরিবারকে এক মাসের মধ্যে পেনশন, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য পেনশনের নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র। এই মর্মে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিয়মের গেরো কাটিয়ে কোভিডে মৃত কর্মীর পরিবারকে এক মাসের মধ্যে পেনশন দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, কোভিডের কারণে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যু হয়েছে। ফলে তাঁর পরিবার সমস্যায় পড়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত ওই পরিবারের হাতে যাতে পেনশন পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্যই এই পদক্ষেপ। ভারতীয় রেল ইতিমধ্যেই তাদের কর্মীদের পরিবারের জন্য এ বিষয়ে পদক্ষেপ করেছে।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মৃত্যুর শংসাপত্র বা ডেথ সার্টিফিকেট জমা করে আবেদন করলেই পেনশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ফলে কম সময়ের মধ্যে পেনশনের টাকা ওই পরিবারগুলোর হাতে আসবে। মৃত্যুর পর মৃত্যুর সরকারি শংসাপত্র পেতেও অনেক সময় দেরি হয়। তাই সেই চূড়ান্ত শংসাপত্র পাওয়ার আগে হাসপাতাল বা চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েও পেনশনের আবেদন করা যাবে বলে স্থির করেছে ভারতীয় রেল। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে ভারতীয় রেলের অনেক কর্মীর পরিবার পেনশন এবং পিএফের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কারণ সময় মতো মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দেরি হচ্ছে পেনশন বা পিএফের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে। সে কারণেই হাসপাতালের শংসাপত্র দিয়ে পেনশনের আবেদন করা যাবে বলে স্থির হয়েছে।১৯৭২-এর সিসিএস (পেনশন) ৮০এ-র নিয়ম অনুযায়ী কোনও সরকারি কর্মীর মৃত্যু হলে পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিস (পিএও)-র কাছে পেনশনের বিষয়টি পাঠানো হয়। তার পর তা অনেক সময় যায় সিপিএও বিভাগে। এর পর যাবতীয় নিয়ম পার করে পেনশন হাতে পান পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে পিএও বা সিপিএওর কাছে ওই আবেদনপত্র পাঠানেোর সঙ্গে সঙ্গেই পেনশন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। নিয়মের গেরোয় যাতে পেনশন বেরোতে দেরি না হয়, তার জন্যই এই নির্দেশ। পাশাপাশি পিপিওকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পেনশনের জন্য আবেদনপত্র জমা দেওয়ার এক মাসের মধ্যে যাতে তা চালু হয়, সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

জুন ০৪, ২০২১
দেশ

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ থেকে জিএসটি প্রত্যাহার

এক মহামারির সংকটে জেরবরা দেশবাসী। তারউপর দোসর ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক সংক্রমণের মতো আরেক মহামারি। দুয়ের চোখরাঙানিতে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপরও চাপ বাড়ছে। এই অবস্থায় তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রের জিএসটি পরিষদ। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধের উপর জিএসটি বা পণ্য ও পরিষেবা কর প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। শুক্রবার দিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এতে স্বস্তিতে চিকিৎসক, রোগী সকলেই।কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর ২৮ তারিখ, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে এই প্রথম জিএসটি পরিষদের বৈঠক হল ভারচুয়ালি। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের অর্থমন্ত্রীরা। তাতে মহামারি সংকট মোকাবিলা সংক্রান্ত আলোচনায় ঠিক হয়, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসও ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ অ্যামফোটেরিসিন বি-কে জিএসটি তালিকার বাইরে রাখা হোক। অর্থাৎ এই অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ থেকে পণ্য ও পরিষেবা কর তুলে নেওয়া হচ্ছে। যার জেরে ওষুধের দাম আরও কমে সকলের জন্য তা সহজলভ্য হবে। এতে রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকদেরও সুবিধা হবে।এছাড়াও বৈঠকে করোনা ভ্যাকসিন এবং এই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের উপর থেকে কর তুলে নেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে জিএসটি কাউন্সিলে। তবে তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিশেষত ভ্যাকসিনের উপর থেকে জিএসটি প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন রাজ্যের তরফে। এছাড়া অক্সিজেন, রেমডেসিভিরের মতো ওষুধও জিএসটি তালিকার বাইরে রাখার পক্ষে সওয়াল করেছেন অনেকে। এখনও তা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জানা গিয়েছে, জিএসটি কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠক ৮ জুন। ওই দিন গুরুত্বপূ্র্ণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। পুরোপুরি কর প্রত্যাহার না হলেও, এসব প্রয়োজনীয় ওষুধের উপর করের হার কমানো হতে পারে বলে সম্ভাবনা। তা হলে করোনা চিকিৎসার ব্যয়ভার আরও খানিকটা কমবে বলে আশা সকলের। এখন ৮ জুনের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত জানান নির্মলা, সেদিকে তাকিয়ে সব মহল।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা কেন্দ্রের

দেশের করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সাংবাদিকরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্পের অধীনে এই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব তথা সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটির সভাপতি অমিত খারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব রেখেছিলেন। অবশেষে তাতে সাড়া দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৬ জন সাংবাদিকের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগেই আরও ৪১ জনের পরিবারকে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ৬৭ জন সাংবাদিকের পরিবারকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার সংক্রমণে প্রয়াত সাংবাদিকদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আবেদন করেছিল সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটি। আরও পড়ুন: ভারতে ১২ ঊর্ধ্বদের জন্য তৈরি ফাইজারের টিকা, চাই ছাড়পত্রবিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই যোগাযোগ করা হয়েছে করোনায় মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের সঙ্গে। এই প্রকল্প সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি কীভাবে এর জন্য পদক্ষেপ করতে হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিটির তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাপ্তাহিক বৈঠকে এবার থেকে আলোচিত হবে জমা পড়া আবেদনপত্রগুলি নিয়ে। তারপর সেইমতো দ্রুত সেইব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, করোনা নয়, অন্য কারণে মৃত ১১ জন সাংবাদিকের পরিবারের আবেদন নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছে।

মে ২৮, ২০২১
দেশ

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্যের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের জবাবদিহি চাইল সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি মঙ্গলবার বিনীত সারন এবং বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের বেঞ্চ এই মামলায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং জাতীয় মহিলা কমিশনকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে এ বিষয়ে রিপোর্ট চাওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক হামলার ঘটনাগুলির জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়ার দাবিতে গত ২ মে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানি-পর্বেই মঙ্গলবার দুই বিচারপতি বেঞ্চ কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। ভোটের পরেও কেন হামলা থামছে না, কী ভাবে হিংসার ঘটনা থামানো যেতে পারে তা-ও জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত।আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী শ্রুতি আগরওয়াল শুনানি-পর্বে অভিযোগ করেন খুন, মারধরের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় বহুন মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। আগামী ৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হামলায় কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের মৃত্যু নিয়ে আগেই রাজ্য সরকারকে নোটিস দিয়েছে বিচারপতি সারন ও বিচারপতি গাভাইয়ের বেঞ্চ।

মে ২৫, ২০২১
রাজ্য

‘যশ’ মোকাবিলায় কেন্দ্র-রাজ্য একযোগে কাজের বার্তা রাজ্যপালের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে জেরবার বাংলা। এবার আবার নয়া বিপদ। ঘূর্ণিঝড় যশ ক্রমশই তার থাবা চওড়া করছে। ঠিক বছরখানেক আগে আমফান তছনছ করে দিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে সংঘাত ভুলে রাজ্য ও কেন্দ্রকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজের বার্তা দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।সোমবার সকালে একাধিক টুইট করেন রাজ্যপাল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে ট্যাগ করা টুইটে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকারকে ঘূর্ণিঝড় যশ মোকাবিলায় একযোগে কাজের কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, আম্ফানের পরই রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিপর্যস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করেছিলেন তিনি। ১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিলেন অনুদান। তবে ক্ষতির নিরিখে তা যথেষ্ট ছিল না বলেই অভিযোগ উঠেছিল।প্রসঙ্গত, রবিবারই বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ তৈরি হয়। সোমবার সকালে তা ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয়। বর্তমানে পোর্টব্লেয়ার থেকে ৬০০ কিলোমিটার, পারাদ্বীপ থেকে ৫৪০ কিলোমিটার, ওডিশা থেকে ৬৫০ এবং দিঘা থেকে ৬৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান ঘূর্ণিঝড়ের। বুধবারই তা বাংলায় আছড়ে পড়তে পারে। উপকূলীয় অঞ্চলে হতে পারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। ঘূর্ণিঝড় ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি করে, তা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ চওড়া হচ্ছে সকলেরই। যদিও রাজ্য প্রশাসন যশ মোকাবিলায় কোমর বেঁধে লেগেছে। উপান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম। নবান্নেও করা হয়েছে ব্যবস্থা। কন্ট্রোল রুমে থাকবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ি বসে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখবেন ফিরহাদ হাকিম। এছাড়া বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মে ২৪, ২০২১
দেশ

১৫ দিনে বিনামূল্যে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন পাবে রাজ্যগুলি

দেশজুড়ে ভ্যাকসিনের সংকট। বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। কেন্দ্রের ভ্যাকসিন বণ্টন নীতিই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে, বারবার বলছেন রাহুল গান্ধি। রাজ্যগুলিও কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, আগামী ১৫ দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে কেন্দ্র। তাও আবার বিনামূল্যে।প্রসঙ্গত, দেশজুড়ে এখন বিভিন্ন পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। কিন্তু, ভ্যাকসিনের জোগানের সমস্যার জন্য এখনও অনেক রাজ্যেই ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। আবার অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেলেও দ্বিতীয় ডোজ পাননি। কেন্দ্রের তরফে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, এখন থেকে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকার ডোজ নিতে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পরে। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, জোগানের অভাবেই কৌশলে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ পিছিয়ে দিতে চাইছে সরকার। তবে, সে বিতর্ক উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় শুক্রবার সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। আর এদিনই ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ মের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে কেন্দ্র। এর মধ্যে কোভিশিল্ড থাকছে ১৬২.৫ লক্ষ ডোজ এবং কোভ্যাকসিন থাকছে ২৯.৪৯ লক্ষ। কেন্দ্রের দেওয়া এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলি ব্যবহার করতে পারবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিকদের টিকাকরণের জন্য।প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন। আগামী ১৫ দিনে আরও ২ কোটির বেশি মানুষ ভ্যাকসিন কেন্দ্রের আশা খুব শীঘ্রই ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদনের হার অনেকটা বেড়ে যাবে। সরকারের দাবি, আগামী অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ ভারতে তৈরি হয়ে যাবে। যার অর্থ এবছরের শেষদিক পর্যন্তই পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কেন্দ্র।

মে ১৪, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের

রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার ছবি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এলাকা পরিদর্শন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিনিধি দল। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকায় যান প্রতিনিধি দলের সদস্যেরা। তার আগে শুক্রবার সকালে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে তারা বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজ্যপালের কাছে হিংসার তথ্য চেয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রক থেকে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল আসে বাংলায়। ওই দিন তারা নবান্নে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছ থেকে হিংসার রিপোর্ট তলব করে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দোষীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তিনি শান্তির বার্তাও দিয়েছেন। তবে রাজ্যপাল হিংসা প্রসঙ্গে প্রথম থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরব হয়েছেন। অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুলিশের ভূমিকা নিয়েও। এই আবহে শুক্রবার হিংসার তথ্য পেতে রাজভবনে যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেখানে রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁরা প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের কোথায় কোথায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে তার তথ্য রাজ্যপালের কাছে চেয়েছেন তাঁরা।রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব গোবিন্দ মোহনের নেতৃত্বে চার সদস্যের দল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শনে যান। সেখানে তারা হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করেন। ওই জেলার বাওয়ালি এলাকায় গত বুধবার কয়েকটি দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সেখানে গিয়ে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করেন। এবং এই হিংসার কাজে কারা যুক্ত সে খবরও নেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, শুক্রবার প্রতিনিধি দল ওই জেলার আরও বেশ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন।বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্য বিজেপি-র নেতারা। প্রতিনিধি দলকে তাঁরা দলীয় কর্মীদের উপর হামলার ঘটনার রিপোর্ট দেন। একইসঙ্গে বিজেপি নেতারা ওই দলকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পরিদর্শনের জন্য আর্জি জানান। তারপরেই শুক্রবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যায় প্রতিনিধি দল।

মে ০৭, ২০২১
দেশ

এলাকাভিত্তিক লকডাউনের ইঙ্গিত কেন্দ্রের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় বিধ্বস্ত দেশ। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। গত কয়েকদিনের ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কোভিড মোকাবিলায় কড়া হওয়ার বার্তা দিল কেন্দ্র। স্থানীয় কনটেনমেন্ট জোন গড়ার নির্দেশের মধ্যে এলাকাভিত্তিক লকডাউনের ইঙ্গিত।রবিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে সব অঞ্চলে সংক্রমণের হার অত্যন্ত বেশি, সেগুলিকে আলাদা করে চিহ্নিত করতে হবে। বিশেষ নজর দিতে হবে যাতে সেখানে সংক্রমণের হার আর না বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে জেলা/ শহর/ অঞ্চলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দুটি শর্তের কথা বলা হয়েছে।এই দুটি শর্তের একটি হল ১ সপ্তাহের মধ্যে যদি কোভিড পরীক্ষায় ১০ শতাংশ বা তার বেশি মানুষ সংক্রমিত হন। অন্যটি হল যদি হাসপাতালগুলিতে ৬০ শতাংশের বেশি রোগী অক্সিজেন সাপোর্টে কিংবা আইসিইউয়ে চিকিৎসাধীন থাকেন। এই শর্তগুলির যে কোনও একটাও যদি পূরণ হতে দেখা যায়, তাহলে সেই জেলাগুলিতে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। স্থানীয় কনটেনমেন্ট জোনের কথা ভাবতে হবে। যে সমস্ত অঞ্চলে সংক্রমণ লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে ১৪ দিনের জন্য কড়া নজরদারি চালাতে হবে যাতে সংক্রমণের শৃঙ্খলকে ভাঙা যায়। ওই সব অঞ্চলে বেশি সংখ্যক মানুষের জমায়েত ইত্যাদি বিষয়ে নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। ওই সব এলাকার পরিস্থিতি প্রতি সপ্তাহের ভিত্তিতে নজরে রাখতে হবে। এবং সম্ভব হলে অনলাইনে সেই পরিসংখ্যান জানাতে হবে।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
রাজ্য

টিকাকরণ নিয়ে রাজ্যগুলোকে একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

দেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। দৈনন্দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে তিন লক্ষের গণ্ডি। এই পরিস্থিতিতে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের প্রত্যেককেই এবার করোনার টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। আগামী ১ মে থেকে শুরু হচ্ছে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ প্রক্রিয়া। তার আগে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র।দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ রুখতে সম্প্রতি ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের টিকাকরণে ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র। যেহেতু এই পর্যায়ে টিকা নেবেন প্রচুর মানুষ, তাই কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, কীভাবে সুষ্ঠুভাবে টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে, তা ঠিক করতেই এদিন বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ এবং করোনা সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির চেয়ারপার্সন ডঃ আরএস শর্মা। সেই বৈঠকের পরই রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের।নির্দেশে বলা হয়েছে:১. বেসরকারি হাসপাতাল, বেসরকারি সংস্থা, বড় বড় সংস্থার সাহায্য নিয়ে যত বেশি সম্ভব করোনার টিকাকরণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। তাও আবার যত দ্রুত সম্ভব।২. কো-উইন অ্যাপে প্রত্যেকটি হাসপাতালকে তাঁদের কাছে কত ভ্যাকসিন রয়েছে তাঁর পরিমাণ এবং সেগুলোর দাম জানাতে হবে। রাজ্য প্রশাসনকে এ ব্যাপারে নজর রাখতে হবে।৩. যাঁরা ভ্যাকসিনের যোগ্য, কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সময় ধার্য করতে হবে।৪. বাজার থেকে সরাসরি ভ্যাকসিন রাজ্যগুলো কিনবে কি না, সে ব্যাপারেও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।৫. কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমেই যে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিরা ভ্যাকসিন পাবেন, সেকথা জনসম্মুখে প্রচার করতে হবে।৬. টিকাকরণ কেন্দ্রের কর্মীদের সঠিকভাবে ট্রেনিং দিতে হবে।৭. যেহেতু প্রচুর মানুষ এবার টিকা নেবেন, তাই স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে টিকাকরণ কেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। যাতে টিকা নিতে যাওয়া মানুষজনকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়তে না হয়।এর পাশাপাশি নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে ডিআরডিও, সিএসআইআর এবং রেল-সহ বিভিন্ন সংস্থার সাহায্য নিয়ে আরও বেশি সংখ্যক অস্থায়ী কোভিড কেয়ার ইউনিট এবং কোভিড হাসপাতাল তৈরি করতে হবে। হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন, ওষুধ এবং টিকা রয়েছে কি না, সেদিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
দেশ

১৮ বছর হলেই কোভিড টিকা ১ মে থেকে

১৮ বছর বয়স হলেই নেওয়া যাবে কোভিড টিকা। ১ মে থেকেই শুরু হবে টিকাকরণ। সোমবার ঘোষণা করল কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সোমবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে একটি পুনর্মূল্যায়ণ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বলেন, ভারতের বেশিরভাগ মানুষকে যাতে অল্প সময়ের মধ্যে টিকা দেওয়া যায়, তার জন্য গত এক বছর ধরেই চেষ্টা করে চলেছে কেন্দ্র। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই রেকর্ড গতিতে এগিয়েছে দেশ। তবে মোদির কথায়, আমরা আগামী দিনেও এ ব্যাপারে আরও দ্রুত গতিতে কাজ করব।সোমবারের পদক্ষেপকে ভারতের টিকাকরণ প্রক্রিয়ার তৃতীয় পর্যায় বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে দেশজুড়ে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীদের টিকা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ এপ্রিল থেকে টিকা নেওয়ার সুবিধা অবারিত করা হয় পঁয়তাল্লিশোর্ধ্ব দেশবাসীদের জন্যও। কেন্দ্র জানিয়েছে, তৃতীয় পর্যায়ে টিকা নিতে পারবেন ১৮ উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন সব দেশবাসী। তবে তৃতীয় পর্যায়ের টিকাকরণ প্রক্রিয়ায় প্রতিষেধকের দাম, মজুতকরণ, কাদের আগে দেওয়া হবে এবং কীভাবে দেওয়া হবে, সেব্যাপারে কিছুটা নমনীয় নীতি নিয়েছে কেন্দ্র। এ ব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকেই। টিকা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোকে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ইতিমধ্যেই অর্থ প্রদান করেছে কেন্দ্র। এদিন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, দেশি ও বিদেশি সংস্থাকেও এই উৎপাদনে অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। টিকা উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোকে তাদের মোট উৎপাদনের ৫০ শতাংশ পাঠাতে বলা হবে কেন্দ্রকে। বাকি ৫০ শতাংশ খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে এবং রাজ্য সরকারগুলোকেও পাঠানো যাবে। সংক্রমণের হার ও টিকাকরণের হার বিচার করে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে টিকা সরবরাহ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে রাজ্য এবং খোলা বাজারে সরবরাহের টিকার দাম কত হতে চলেছে, তা ঘোষণা করতে হবে ১ মে-র আগেই।সোমবার কেন্দ্র জানিয়েছে, প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা, স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪৫ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকদের টিকারণ চলবে আগের মতোই। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে সমস্ত নিয়ম মেনেই টিকাকরণ হবে। তবে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা, স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪৫ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকদের দ্বিতীয় ডোজের টিকাকরণকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

শিলিগুড়ির রাস্তায় নেমে কেন্দ্রকে আক্রমণ মমতার

রবিবার ব্রিগেড থেকে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিলিগুড়ি থেকে তার উত্তর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, মোদি যখন ফাঁকা ব্রিগেডে, আমি তখন রাস্তায়। কারণ রাস্তাই আমাকে রাস্তা দেখায়। রবিবার শিলিগুড়িতে রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল ও সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সেই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন মমতা। শেষে শিলিগুড়ির সফদর হাসমি চকে একটি সভাও করেন। আর সেখান থেকেই ব্রিগেডে মোদির ভাষণের সরাসরি জবাব দেন তিনি। তাঁর বার্তা, এ বারের নির্বাচন অস্তিত্ব রক্ষার নির্বাচন। অস্তিত্ব রক্ষা করতে না পারলে বাংলা ভাগ করবে বিজেপি।সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফর নিয়ে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী। বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে শুধু কুৎসা করতে আসেন। ব্রিগেডে বাংলা নিয়ে কথা বলার আগে ওঁর উচিত রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জবাব দেওয়া। কেন গ্যাসের দাম বাড়ছে? পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে? মোদিকে আগে সেই জবাব দিতে হবে। রান্না ঘরে আগুন লাগালে মা-বোনেরা ছেড়ে কথা বলবেন না। রবিবার ব্রিগেডের সভা থেকে মোদি বারবার বলেছেন, বাংলায় এ বার আসল পরিবর্তন হবে। পাল্টা মমতার হুঁশিয়ারি, বাংলায় পরিবর্তন করতে পারবেন না। এ রাজ্যে তৃণমূল সরকারই থাকবে। তার আগে দিল্লিতে পরিবর্তন হয়ে যাবে। রবিবার মমতার মিছিলে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মমতার পাশেই ছিলেন মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দোলা সেন-রা। ব্রিগেডে যখন মোদি ভাষণ দিতে শুরু করে দিয়েছেন, ততক্ষণে সভামঞ্চে পৌঁছে যান মমতা। তার বেশ কিছু ক্ষণ পর ভাষণ শুরু করেন। ভোটের মুখে বারবার প্রধানমন্ত্রীর বাংলায় আসা নিয়ে তোপ দাগেন তিনি। বলেন, যখন করোনার প্রকোপ চলছিল, তখন ভয়ে ঘরে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আমি তখন সারা রাজ্যে ঘুরেছি, হাসপাতালে গিয়েছি। আর এখন কোভিডের টিকায় মোদির বড় বড় মুখ দেওয়া হচ্ছে। আসলে সবই জুমলা। একদিকে রেল, এয়ার ইন্ডিয়া, কোল ইন্ডিয়া বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে উজ্জ্বলা যোজনায় দুর্নীতি হচ্ছে। মোদির ভোটের আগে উজ্জ্বলা, ভোটের পরে জুমলা।ব্রিগেডের সভায় যখন পরপর বিজেপি নেতারা রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তখনই মমতার পাল্টা জবাব, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের থেকে অনেক বেশি সুরক্ষিত বাংলার মহিলারা। কিষান নিধি প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা টেনে তৃণমূল সরকারকে বারবার আক্রমণ করে বিজেপি। সেই সূত্রেই তৃণমূল নেত্রী বললেন, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী রাজ্য সরকার দিয়েছে। দরকার হলে এ বার পাকাবাড়িও বানিয়ে দেবে। আপনার দেওয়া পাকাবাড়ির দরকার নেই।প্রার্থিতালিকা ঘোষণার পর উত্তরবঙ্গের প্রথম সফরে লোকসভা নির্বাচনের কথা করিয়ে দিয়ে তূণমূল নেত্রীর মন্তব্য, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি বলেছিল, সব চা বাগান খুলে দেবে। আপনারা ভোট দিয়েছেন। কিন্তু একটাও চা বাগান খোলেনি। এখন রাস্তা তৈরি করতে এসেছে। রাস্তা তো তৈরি হয়েই গিয়েছে, নতুন করে কী রাস্তা তৈরি করবে?

মার্চ ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিভিসির জল ছাড়ায় বাড়ছে বিপদ! ৫০ হাজার কিউসেক পেরিয়ে জল, এবার কি প্লাবনের আশঙ্কা?

টানা বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝাড়খণ্ডে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি চলছে। তার জেরে দ্রুত বাড়ছে ডিভিসির বিভিন্ন জলাধারের জলস্তর। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাইথন এবং পাঞ্চেত ড্যাম থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। ফলে দামোদর সংলগ্ন নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ডিভিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইথন ড্যামের জলস্তর বর্তমানে ৪৮৪.২৫ ফুট। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জলাধার থেকে গড়ে প্রায় ৬৪২৫ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাঞ্চেত ড্যামের জলস্তর রয়েছে ৪১৪.১১ ফুট। সেখান থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৪৪ হাজার ৩৭০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে।দুই ড্যাম মিলিয়ে বর্তমানে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ৭৯৫ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গে টানা বৃষ্টির কারণে দামোদর নদেও জলস্তর বাড়ছে। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে দফায় দফায় ছাড়া জল পৌঁছচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারাজে।বুধবার সকাল পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে প্রায় ৯৭ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে বলে সেচ দপ্তর সূত্রে খবর। সে ক্ষেত্রে নিম্ন দামোদর এলাকার একাধিক জায়গায় প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।ইতিমধ্যেই টানা বৃষ্টিতে আসানসোলের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। কোথাও কোথাও জল জমে যাওয়ায় ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। জাতীয় সড়কেও তার প্রভাব পড়েছে।এর মধ্যেই দুর্যোগের আরও একটি ছবি ধরা পড়েছে খনি অঞ্চলে। টানা বৃষ্টির জেরে পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুরের ৭ এবং ৯ নম্বর পিট এলাকায় আচমকা ধস নামে। লোকালয়ের একেবারে কাছে মাটি বসে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খনি আবাসনের কাছেই ধস নামায় বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই ওই এলাকায় লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। তার জেরেই আচমকা মাটি বসে ধস নেমেছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ধসের জায়গায় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই এলাকায় এর আগেও ধস নেমেছিল। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৮ সালেও একই জায়গায় ধস হয়েছিল। সেই সময় ধসের জায়গাটি খনি কর্তৃপক্ষের তরফে যথাযথ ভাবে মেরামত করা হয়নি বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারে।বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার যাদবের অভিযোগ, খনি কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। দ্রুত ধসের জায়গা মেরামত করার পাশাপাশি গোটা এলাকায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।একদিকে ড্যাম থেকে বাড়ছে জল ছাড়ার পরিমাণ, অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে খনি এলাকায় ধসের ঘটনা। সব মিলিয়ে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকায় দুর্যোগের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

টোল দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতায় ইডির হানা! শেক্সপিয়র সরণির আবাসনে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে সকালেই তল্লাশি

জাতীয় সড়কের টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে বুধবার সকালে কলকাতায় হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শেক্সপিয়র সরণির একটি আবাসনে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের সাত রাজ্যের মোট ১৪টি জায়গায় একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে বলে খবর।বুধবার সকালেই ছয় সদস্যের ইডির একটি দল শেক্সপিয়র সরণির ওই আবাসনে পৌঁছয়। যে ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়, সেখানে ব্যবসায়ীর অফিসও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা আবাসনটি ঘিরে রাখেন। আচমকা এই তল্লাশি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়কে টোল আদায় নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে খবর।অভিযোগ, বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে জাতীয় সড়কে নিয়মের বাইরে টোল আদায় করা হত। অনুমোদিত নয় এমন টোলের রসিদ তৈরি করে গাড়িচালকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা বিভিন্ন কৌশলে সরিয়ে ফেলা হত বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ।অভিযোগ আরও, এই পুরো প্রক্রিয়ায় আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হত। ফলে সরকারি নথিতে সেই লেনদেনের সম্পূর্ণ তথ্য ধরা পড়ত না। এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে।এই অভিযোগের তদন্তে নেমে ডিজিটাল নথি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। টোল থেকে আদায় করা বেআইনি টাকা কোথায় গিয়েছে, কারা সেই টাকার সঙ্গে যুক্ত এবং পুরো ব্যবস্থার নেপথ্যে আর কারা রয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান-সহ সাতটি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১৪টি জায়গায় তল্লাশি চলছে।তবে কলকাতার ব্যবসায়ীর সঙ্গে টোল দুর্নীতির অভিযোগের যোগসূত্র ঠিক কোথায়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শেক্সপিয়র সরণির ওই ফ্ল্যাট থেকে কী ধরনের নথি বা তথ্য উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্তকারীরা এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি। ফলে কলকাতায় এই তল্লাশির নেপথ্যে ঠিক কী রয়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ে ফের ছুটল ভারত! ৫.৫ টন ওষুধ আর ১১ উদ্ধারকারী নিয়ে উড়ল বায়ুসেনার বিমান

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ চার হাজারেরও বেশি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত নেপালের পাশে আরও বড় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। ৫.৫ টন প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধ এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১১ জনের উদ্ধারকারী দল নিয়ে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার পঞ্চম বিমান।ভারতের তরফে আগে পাঠানো ত্রাণসামগ্রী ইতিমধ্যেই নেপালের বিপর্যয়কবলিত এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে। রসুয়ার শিবিরে সেই ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পর নেপাল সেনার হাতে তা তুলে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি উদ্ধারকাজেও সহযোগিতা করছে ভারত।ইন্দো-নেপাল সীমান্তে উদ্ধারকাজে তৎপরতার সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য সশস্ত্র সীমা বলের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইন্দো-নেপাল এবং ইন্দো-ভুটান সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এই বাহিনী। বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার ও সহযোগিতার কাজেও তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।২৬ অগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালের হড়পা বানে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১০০৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও চার হাজারেরও বেশি মানুষের কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের মধ্যে আরও কোনও ভারতীয় রয়েছেন কি না, সেই তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।বিপর্যয়ের পর মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করা এবং কোনও মৃত ব্যক্তি ভারতীয় হলে তাঁর দেহ কী ভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। স্বজনেরা কী ভাবে মৃতদেহ শনাক্ত করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া মেনে কী ভাবে দেহ ভারতে ফিরিয়ে আনা যাবে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা জানানো হয়েছে।নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, উষ্ণায়নের কারণে দেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। গত সপ্তাহের ভয়াবহ হড়পা বান সেই আশঙ্কারই নতুন করে বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জও সতর্ক করেছে।এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ এবং ত্রাণ পৌঁছে দিতে ভারতের একের পর এক উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, ত্রাণসামগ্রী এবং প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল নিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার তৎপরতায় বিপর্যস্ত নেপালের মানুষকে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

গলব্লাডারের বদলে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার! প্রকাশ্যে আসতেই গোপালকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে পিত্তথলির পাথরের বদলে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বেলেঘাটার বাসিন্দা গোপাল পোড়েল। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তর। গোপালের দাবি, তাঁর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিও চেয়ে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব কলকাতার বেলেঘাটা এলাকার বাসিন্দা গোপাল পোড়েলের বয়স ৪৭ বছর। তিনি একশো দিনের কাজ করে সংসার চালান। বেশ কিছু দিন ধরে পেটের ডান দিকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর। চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করানো হলে পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে।গোপালের অভিযোগ, পিত্তথলির পাথরের অস্ত্রোপচারের জন্যই তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। কিন্তু তাঁর দাবি, পিত্তথলির বদলে ভুল করে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার করে দেওয়া হয়।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনেন গোপালের এলাকার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বিষয়টি সামনে আসার পর গলব্লাডারের পাথরের অস্ত্রোপচারের জন্য গোপালকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল।তবে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা বিভ্রাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি অভিযোগটি খারিজ করে দেন।এর মধ্যেই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসে। দপ্তরের তরফে প্রথমে বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে ফোন করা হয় গোপাল পোড়েলের সঙ্গে।গোপালের দাবি, তিনি আর্থিক ভাবে অত্যন্ত দুর্বল। চিকিৎসার খরচ চালানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁর কথায়, এই পরিস্থিতিতে কুণাল ঘোষ তাঁর হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে তাঁকে জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।গোপাল আরও জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্রও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই নথি খতিয়ে দেখার পর পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে ঠিক কী কারণে এমন অভিযোগ উঠল, অস্ত্রোপচারের আগে এবং পরে কী কী পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি থামার নাম নেই! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আজও ভারী বৃষ্টি, বৃহস্পতিবার থেকে বদলাবে আবহাওয়া

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও কাটেনি। ফলে বাংলায় নাছোড় বৃষ্টি এখনই থামার সম্ভাবনা নেই। বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। একই সময়ে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টির দাপট।সেপ্টেম্বরের শুরুতেও বর্ষার দাপট অব্যাহত। সামনে পুজো। তাই কবে বৃষ্টি কমবে, কবে মিলবে পরিষ্কার আকাশের দেখা, সেই প্রশ্নই এখন অনেকের মনে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি।বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে একাধিক নদীতে জলস্তর বেড়েছে। কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূল, সংলগ্ন ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের এলাকায় রয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। তবে তার প্রভাবে এখনও বাংলায় জলীয় বাষ্প ঢুকছে। ফলে বৃষ্টির পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটছে না।বুধবার কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। তবে দিনভর বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের মতো জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ অবস্থান করায় সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তার জেরেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমতে পারে। তবে পুরোপুরি বৃষ্টি বন্ধ হচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার থেকে বদলাতে পারে। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বিশেষ করে শুক্রবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। ফলে দক্ষিণবঙ্গে যখন ধীরে ধীরে বৃষ্টির দাপট কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তখন উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় নতুন করে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা।সব মিলিয়ে পুজোর আগে বাংলার আকাশ থেকে বর্ষার দাপট কবে পুরোপুরি কাটবে, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

নেপালের প্লাবনের পর নদীতে অচেনা মাছের ঢল, খেলে অসুস্থ হচ্ছেন গ্রামবাসী! বড় সতর্কতা

নেপালের ভয়ংকর প্লাবনের প্রভাব এবার বিহারের নদীগুলিতেও পড়েছে। ত্রিশূলী নদীর জল গণ্ডক ও কোসি নদীতে এসে জলস্তর বাড়িয়ে দিয়েছে। এর জেরে উত্তর বিহারের একাধিক এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদী ও বন্যার জলে ভেসে আসছে প্রচুর মাছ। কিন্তু সেই মাছ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিহার প্রশাসন।বিহারের দুগ্ধ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের আপাতত নদী, পুকুর, হ্রদ বা জলাধার থেকে মাছ না ধরার পরামর্শ দিয়েছে। শুধু মাছ ধরা নয়, সেই মাছ কেনা, বিক্রি করা এবং খাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বন্যার সময় নদী ও জলাশয়ের মাছ প্রবল জলস্রোতে দূরের এলাকায় চলে যেতে পারে। বন্যার জলের সঙ্গে দূষিত নর্দমার জল, মৃত প্রাণী এবং বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থও নদী ও জলাশয়ে মিশে যায়। ফলে ওই জলে থাকা মাছের শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে।বন্যাকবলিত এলাকায় কিছু অপরিচিত প্রজাতির মাছও দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই মাছ খেয়ে কয়েক জন অসুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে মাছ খাওয়ার সঙ্গে অসুস্থতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে কোনও ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বন্যার জল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে মাছ ধরে খাওয়া বা বাজারে বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেপালের প্রশাসনের তরফেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। প্রচুর মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুরও মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মৃতদেহ এবং মৃত পশুর দেহ পড়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। এর ফলে বন্যার জল দূষিত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে।এই পরিস্থিতিতে নদী বা বন্যার জল থেকে ভেসে আসা মাছকে নিরাপদ মনে না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal