• ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Captaincy

খেলার দুনিয়া

‌সামনের বছরও চেন্নাইকে নেতৃত্ব দেবেন?‌‌ কী বললেন ধোনি!‌

গত বছর থেকেই জল্পনাটা তুঙ্গে উঠেছিল। এবছরই কি শেষ আইপিএল মহেন্দ্র সিং ধোনির? অনেকেই ভেবেছিলেন, দুবাইতে চেন্নাই সুপার কিংসকে চতুর্থবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করে ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন মাহি। কিন্তু সে রাস্তায় তিনি হাঁটেননি। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই মরশুমেও খেলবেন। এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলেই হয়তো আইপিএলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু এখনই ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে যাচ্ছেন না। ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী মরশুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে চান।আগামী মরশুমেও কেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ধোনি? আসলে নিজেকে এখনও দারুণ ফিট মনে করেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস ম্যানেজমেন্টও ধোনি ব্র্যান্ডকে ছাড়তে চাইছে না। তার থেকেও বড় কারণ, চেন্নাইয়ের প্রিয় দর্শকদের সামনেই শেষ ম্যাচ খেলে ব্যাটপ্যাড তুলে রাখবেন। সেই সুযোগ থাকলে হয়তো এই বছরই আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতেন ধোনি। আসলে প্রিয় চেন্নাইয়ের দর্শকদের বিদায় জানানোর সুযোগ দিতে চান চেন্নাই সুপার কিংসসের থালা। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে টসের সময় ধোনির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পরের বছরও আইপিএলে তিনি খেলবেন কিনা। উত্তরে ধোনি জানান, অবশ্যই খেলব। চেন্নাইয়ে না খেলে আইপিএলকে বিদায় জানানোটা খুবই খারাপ হবে। মুম্বইয়ে দলকে যেমন সাফল্য এনে দিতে পেরেছি, তেমনই ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য পেয়েছি। কিন্তু চেন্নাইয়ের সমর্থকদের সামনে বিদায় না নিলে ব্যাপারটা ভাল হবে না। আশা করছি পরের বছর সব জায়গাতেই আইপিএলের খেলা হবে। শুধু খেলা নয়, পরের বছর চেন্নাইকে নেতৃত্বও দেবেন ধোনি। এবছর আইপিএল শুরুর আগে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাঝপথে জাদেজাকে সরিয়ে আবার ধোনিকে নেতৃত্ব ফেরানো হয়। তাতেও খুব একটা হাল ফেরেনি চেন্নাইয়ের। ভবিষ্যতের নেতা তুলে নিয়ে আসার জন্যই আরও একবছর ধোনিকে নেতৃত্বে রেখে দিতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সৌরভের সঙ্গে কোহলির নেতৃত্বের কোনও তুলনাই হয় না?‌ এ কী বললেন শেহবাগ!‌

নেতা বিরাট কোহলির কোনও নম্বরই নেই বীরেন্দ্র শেহবাগের কাছে! সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বের সঙ্গে কোনও তুলনাই আনতে চান না! শেহবাগের মন্তব্য নিয়ে শোরগোল দেশের ক্রিকেট মহলে। শেহবাগের দাবি, সৌরভ গাঙ্গুলি একটা নতুন দল গড়েছিলেন, নতুন ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়েছেন। সাফল্যব্যর্থতার দিনে তাঁদের পাশে থেকেছেন। কোহলি তেমন করেছেন কিনা, তা নিয়ে শেহবাগের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে। কোহলি কয়েকজন প্লেয়ারের পাশে থাকলেও, অনেকের পাশে থাকেননি।বেটিং কেলেঙ্কারিতে ভারতীয় ক্রিকেটের টালমাটাল অবস্থা, সেই সময়ই সৌরভ গাঙ্গুলির হাতে নেতৃত্ব তুলে দিয়েছিল বিসিসিআই। তাঁর হাত ধরেই স্বমহিমায় ফিরেছিল ভারতীয় ক্রিকেট। একঝাঁক তরুণ প্রতিভাকে তুলে নিয়ে এসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন সৌরভ। অধিনায়ক হিসেবে একটা দল তৈরি করেছিলেন। তাঁর হাতে গড়া দলই পরের দিকে সাফল্য এনে দিয়েছিল দেশকে। অধিনায়ক হিসেবে সৌরভকে অনেক উঁচুতে রেখেছেন শেহবাগ। স্পোর্টস ১৮ চ্যানেলে একটি অনুষ্ঠানে শেহবাগ বলেছেন, সৌরভ গাঙ্গুলি একটা নতুন দল তৈরি করেছিল, নতুন নতুন ক্রিকেটার তুলে নিয়ে এসেছিল। তাদের ভাল সময়ে যেমন পাশে দাঁড়িয়েছিল, তেমনই খারাপ সময়েও পাশে দাঁড়িয়েছিল। দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় কোহলি এই কাজটা করেছিল কিনা আমার সন্দেহ রয়েছে। কোহলির নেতৃত্বের সময় ২৩ বছর দল জিতুক বা হারুক, প্রতিটা টেস্টে দলে পরিবর্তনের ধারা এসে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, সেই সেরা অধিনায়ক, যে একটা দল তৈরি করতে পারে এবং ক্রিকেটারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জোগাতে পারে। কোহলি কয়েকজন ক্রিকেটারের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার অনেকের পাশে দাঁড়ায়নি। এটা একজন আদর্শ ক্যাপ্টেনের গুন নয়। একদিনের ক্রিকেটে ঋষভ পন্থকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর পক্ষেও সওয়াল করেছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ। তাঁর মতে, ঋষভকে ওপেন করতে পাঠালে আরও বেশি সফল হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একটা একদিনের ম্যাচে কোচ রাহুল দ্রাবিড় ঋষভকে ওপেন করতেও পাঠিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে ১৮ বলে ৩৪ রান করেছিলেন ঋষভ। শেহবাগ বলেছেন, দ্রাবিড় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলের কোচ থাকার সময় থেকে ঋষভকে চেনে। ওর দক্ষতা সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। ৪ কিংবা ৫ নম্বরে নামলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করতে হয়। অনেক বাড়তি দায়িত্ব নিতে হয়। যদি ওপেন করে আরও বেশি সাফল্য পাবে।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার চমক ধোনির, হঠাৎ কেন নেতৃত্ব ছাড়লেন চেন্নাই সুপার কিংসের?‌

আইপিএল শুরুর আগেই বড় চমক চেন্নাই সুপার কিংসে। ২৬ মার্চ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার দুদিন আগেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দিলেন রবীন্দ্র জাদেজার হাতে। তবে নেতৃত্বে না থাকলেও সাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন ধোনি। দলের মেন্টরের দায়িত্বও পালন করবেন।২০০৮ সালে আইপিএল শুরু হয়। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকেও চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ধোনি। ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আইপিএল থেকে দুবছর নির্বাসিত ছিল চেন্নাই। সেই সময় পুনে সুপার জায়ান্টের হয়ে খেলেছিলেন ধোনি। যদিও ওই দুবছর তিনি আইপিএলে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাননি। নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর আবার আইপিএলে ফিরে আসে চেন্নাই সুপার কিংস। নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয় ধোনির হাতে। গত বছর তাঁর নেতৃত্বেই কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই।দলকে চ্যাম্পিয়ন করলেও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি ধোনি। অনেকেই মনে করেছিলেন, ২০২১ আইপিএলই হয়তো ধোনির শেষ প্রতিযোগিতা। কিন্তু ধোনি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি এখনই আইপিএল থেকে সরে যেতে চান না। এবছর নিলামের আগে চেন্নাই সুপার কিংস চারজন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছিল। ধোনি ছাড়াও সেই তালিকায় ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তখনই বোঝা গিয়েছিল ধোনির পরিবর্তে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজাকে তুলে ধরতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু আইপিএল শুরুর দুদিন আগে এভাবে নেতৃত্বে বদল ঘটবে, কেউই ভাবেননি। সবসময়ই চমক দিয়ে এসেছেন ধোনি। ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে আচমকাই টেস্ট দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। সবাইকে অবাক করে টেস্ট ফরম্যাট থেকেও অবসর নিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও সরে যান। ২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসের দিন আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেট থেকেও সরে যান। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন এবার মনে হয় আইপিএল থেকেও সরে যাবেন। কিন্তু আইপিএল খেলা চালিয়ে যান ধোনি।

মার্চ ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডামাডোল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, স্বপ্নভঙ্গ হয়ে নেতৃত্ব ছাড়লেন সবুজ-মেরুন থেকে আসা গোলকিপার

এসসি ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবকে নেতৃত্ব দেবেন। সেই স্বপ্ন নিয়ে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে লালহলুদে যোগ দিয়েছিলেন। স্বপ্ন পূরণ হলেও দলকে আইএসএলে এখনও জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি। ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন অরিন্দম ভট্টাচার্য। শনিবার হঠাৎ করেই তিনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন।শনিবার বিকেলে টুইটারে অরিন্দম লেখেন, নিজের খেলার ব্যাপারে সবসময় সততা বজায় রেখে চলতে বিশ্বাস করি। আমাকে ঘিরে এই মুহূর্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালাম। তবে আগের মতোই মাঠে নেমে দলের জন্য, সমর্থকদের জন্য ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেব। মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও সবরকম দায়িত্ব পালন করার জন্য আমি তৈরি। তবে সূত্রের খবর, ম্যানেজমেন্টের ওপর অসন্তুষ্ট হয়েই নেতৃত্ব ছেড়েছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য।Ive always been honest about the way Ive played the game. And at this moment due to circumstances around me, I am stepping down as the captain of @sc_eastbengal(1/2) Arindam Bhattacharya (@ArindamGK) January 15, 2022নতুন কোচ মারিও রিভেরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে অরিন্দম ভট্টাচার্যর নেতৃত্ব ছাড়াটা আরও একটা খারাপ খবর এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে। কারণ আগের দিনই লালহলুদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন তিনি নতুন কোচ মারিও রিভেরার সহকারী হিসেবে কাজ করবেন না। এখন দেখার লালহলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ইতিমধ্যেই গোয়ায় টিম হোটেলে পৌঁছে গেছেন রিভেরা। আপাতত কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ করে পরের ম্যাচ থেকেই তিনি লালহলুদ ব্রিগেডের দায়িত্ব তুলে নেবেন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী ম্যাচ এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। লালহলুদের পরের ম্যাচ নিয়ে অবশ্য অনিশ্চয়তা রয়েছে। এক ফুটবলার ও এক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। হয়তো কিছুদিনের জন্য স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএল।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বিরাট কোহলির ডেপুটি কে? এগিয়ে এই ক্রিকেটার

অজিঙ্ক রাহানের হাতেই কি ফিরিয়ে দেওয়া হবে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়কের দায়িত্ব? না, বিরাট কোহলির ডেপুটি হিসেবে নতুন কাউকে বেছে নেওয়া হবে? দ্বিতীয় পথেই হাঁটতে চলেছেন ভারতীয় দলের নির্বাচকরা। রোহিত শর্মার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে লোকেশ রাহুলের হাতেই দায়িত্ব দিতে চলেছে চেতন শর্মার নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচকমণ্ডলী। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য অজিঙ্ক রাহানেকে সরিয়ে কদিন আগেই রোহিত শর্মার হাতে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিয়েছিলেন নির্বাচকরা। টেস্ট সিরিজের জন্য মুম্বইয়ের বান্দ্রা কুরলা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে প্রস্তুতি সারছিলেন রোহিত। অনুশীলন করার সময় বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ভারতীয় দলের এই ওপেনার। টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যান। তাঁর পরিবর্তে ওপেনার হিসেবে দলে নেওয়া হয়েছে গুজরাটের প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে। প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চালকে দলে নেওয়া হলেও সহ অধিনায়ক কাকে করা হবে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। অজিঙ্ক রাহানের হাতে আবার সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিয়ে পেছনে ফিরে তাকাতে চায় না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দলে সিনিয়র হিসেবে রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা, রবিচন্দ্রন অশ্বিনরা। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, তাতে প্রথম একাদশে জায়গা নিশ্চিত নয় পুজারার। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কোনও পর্যায়ে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভেবে যশপ্রীত বুমরার হাতে সহ অধিনায়কের দায়িত্ব তুলে দিতে চান না নির্বাচকরা। যোগ্যতার নিরিখে লোকেশ রাহুল এগিয়ে। তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রথম একাদশেও তাঁর জায়গা নিশ্চিত। তাই সবদিক দিয়ে লোকেশ রাহুলকেই বেছে নিতে চলেছেন নির্বাচকরা।বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। তার আগে মুম্বইয়ে ২দিন কোয়ারেন্টিনে ছিল। ২৬ ডিসেম্বর থেকে সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্ট শুরু। ভারতীয় দল সেঞ্চুরিয়ানে পৌঁছনোর পর সহ অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে। ভবিষতের নেতা হিসেবে লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থদের তৈরি করতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঋষভ পন্থের তুলনায় লোকেশ রাহুল বেশি অভিজ্ঞ হওয়ায় তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav Ganguly : ‌কোহলিকে কেন সরানো হয়েছে?‌ ব্যাখা দিলেন বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি

বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের ক্রিকেটে রোহিত শর্মাকে নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দল নির্বাচনের পরেই সমালোচনার মুখে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সোশ্যাল মিডিয়ার সরব হয়েছেন নেট নাগরিকরা। কেউ কেউ আবার আবার চ্যাপেল জমানার কথা তুলে ধরে কাঠগড়ায় তুলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি, জয় শাহদের। কেন বিরাট কোহলিকে সরানো হয়েছে, তার ব্যাখা দিয়েছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।কেন একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরানো হয়েছে, সে প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, কোহলিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছিল, যাতে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব না ছাড়ে। কোহলি বোর্ডের অনুরোধ রাখেনি। ও নেতৃত্বে থাকতে চায়নি। অন্যদিকে, নির্বাচকরা চায়নি সাদা বলের ক্রিকেটে দুই ফরম্যাটে আলাদা আলাদা অধিনায়ক রাখতে। তাই টি২০র পাশাপাশি একদিনের দলের নেতৃত্বও কোহলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কোহলি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দেবে। এই ব্যাপারে আমি কোহলির সঙ্গে কথা বলেছি।রোহিত শর্মার ওপর আস্থা রয়েছে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। তিনি বলেন, কোহলি টেস্টের নেতৃত্বে রয়েছে। রোহিত টি২০ ও একদিনের ক্রিকেটে। ভারতীয় ক্রিকেটের দায়িত্ব যোগ্য ব্যক্তিদের হাতেই রয়েছে। রোহিতের নেতৃত্বের ওপর বোর্ডের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আশা করছি হতাশ করবে না। অধিনায়ক হিসেবে সাদা বলের ক্রিকেটে কোহলি প্রচুর অবদান রেখেছে। তারজন্য ওকে ধন্যবাদ। অন্যদিকে বিরাট প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, বিরাটের মতো ব্যাটারের প্রয়োজনীয়তা দলে সবসময় রয়েছে। অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে দারুণ দক্ষতায় দলের পরিত্রাতা হয়ে উঠেছে।কীভাবে দলকে পরিচালনা করতে চান, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন রোহিত। তিনি বলেন, দলের ভেতরেই আমার কাজ বেশি। সকলের সঙ্গে কথা বলে দায়িত্ব ভাগ করে দেব। রোহিতের সহকারীর দায়িত্ব দেওয়া হবে লোকেশ রাহুলকে। সরকারীভাবে ঘোষণা না করলেও ইতিমধ্যে এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sourav-Kohli : বিরাট কোহলির মিথ্যাচার! ফাঁস করলেন সৌরভ

কয়েকমাস আগে বিরাট কোহলি ঘোষণা করেছিলেন,বিশ্বকাপের পর টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কোহলি দাবি করেছিলেন, নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সাথে কথা বলেছিলেন। কিন্তু কোহলি যে মিথ্যা কথা বলছেন, ফাঁস হয়ে গেল সৌরভ গাঙ্গুলির কথাতে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সৌরভ দাবি করেছেন, কোহলির টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। বিষয়টি তিনি একেবারেই জানতেন না।সৌরভ বলেছেন, কোহলির সিদ্ধান্তে আমি অবাক। বিষয়টি নিয়ে আগে কোনও দিনই আলোচনা হয়নি। নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকেও বিরাটের ওপর কোনও চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে আসার পরই কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সৌরভ আরও বলেন, আমিও ৬ বছর দেশের ক্যাপ্টেন ছিলাম। দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের ব্যাপার। দেশকে নেতৃত্ব দিতে দিতে হয়তো মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সম্প্রতি খুব একটা ভাল ছন্দে নেই বিরাট কোহলি। আইপিএলে তেমন রান পাননি। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ব্যর্থ। বিশ্বকাপের আসরে কতটা জ্বলে উঠতে পারবেন, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়কের ব্যাটিং ফর্ম নিয়ে একেবারেই চিন্তিত নন সৌরভ। তিনি বলেন, প্রায় ১০-১১ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে কোহলি। প্রতি বছরই যে রান পাবে, এমন কোনও কথা নেই। উত্থান-পতন থাকবেই। আমি নিশ্চিত, টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলি ছন্দে ফিরে আসবে। টি২০ বিশ্বকাপের আগে আইপিএল না হলেও সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশে ভারতীয় দলের মানিয়ে নিতেও কোনও সমস্যা হত না বলে মনে করেন সৌরভ। তাঁর যুক্তি, সংযুক্ত আরব আমীরশাহির পরিবেশ ভারতের মতোই। সুতরাং আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা হত।এখনও পর্যন্ত একবারই টি২০ বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত, ২০০৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে। তারপর এই ফরম্যাটে একবারই সেমিফাইনালে উঠেছে, ২০১৬ সালে। এবছর ট্রফি খরা কাটার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, টি২০ ক্রিকেটে যে কোনও দলই চ্যাম্পিয়ন হতে পারে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে বড় ম্যাচ জেতা জরুরি। ভারতের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে খেলতে নামে। বেশ কয়েক বছর ধরে দারুন ধারাবাহিতা দেখাচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক নিয়েই সবচেয়ে বড় ধাক্কা? উপনির্বাচনের আগে মমতার পরিকল্পনা ঘিরে তুমুল চর্চা

প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। তৃণমূলের দুই শিবিরই নিজেদের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এরই মধ্যে তিনটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রতীক নিয়ে জল্পনা।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রতীক নিয়ে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর দাবি, প্রতীক হারানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবু যদি সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে নতুন প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন। এমনকি মানুষের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করাতে প্রয়োজন হলে তা গলায় ঝুলিয়ে প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দল গঠনের পর প্রথম দিকেও নতুন প্রতীক নিয়েই ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। তাই নতুন প্রতীক মানুষকে চিনিয়ে দিতে কোনও সমস্যা হবে না।রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, যদি ঘাসফুল প্রতীক না থাকে, তাহলে বিকল্প কী হতে পারে। সূত্রের দাবি, সেই পরিস্থিতির জন্য একটি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলকে সম্ভাব্য নতুন প্রতীক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও ঘোষণা হয়নি এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে রেজিনগর, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত হওয়া জরুরি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।অন্যদিকে, প্রতীক বিতর্ক নিয়ে ঋতব্রত শিবির এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিকল্প পরিকল্পনার কথা জানায়নি। ওই শিবিরের অন্যতম বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কমিশন সমস্ত নথি এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন। প্রতীক নিয়ে অন্য কোনও ভাবনা এই মুহূর্তে নেই বলেও তিনি জানান।এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অফিস নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, ফুল নিয়ে কী করবেন। স্টেটমেন্ট নিয়ে যা করার করবেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

দিল্লিতে বড় বৈঠক! শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের মুখোমুখি বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লির বঙ্গভবনে মঙ্গলবার এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুতেই এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। এবার তৃতীয় সপ্তাহে সেই বৈঠক হতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই বৈঠকের দিকেই।প্রথমে বৈঠকটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে হওয়ার কথা ছিল। পরে স্থান পরিবর্তন করে বঙ্গভবন ঠিক করা হয়। তবে গত আটাশে জুলাই রাজ্যের ব্যস্ততার কারণে দিল্লি যেতে পারেননি শুভেন্দু। সেই কারণে বৈঠক স্থগিত হয়ে যায়। এবার মঙ্গলবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা।বৈঠকে কতজন সাংসদ উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও শেষ মুহূর্তে সেই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আলোচনা চলছে।এর আগে বৈঠক স্থগিত হওয়ার পর এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে না এলেও, মঙ্গলবারের বৈঠকে সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কয়েকজন সাংসদ তাঁদের এলাকায় প্রশাসনিক সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলতে পারেন। কোথাও কোথাও সাংসদদের এলাকায় কাজ করতে সমস্যার অভিযোগও উঠে এসেছে। সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।এদিকে সাংসদ শতাব্দী রায় জানিয়েছেন, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য এলাকার উন্নয়ন এবং সরকারি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা। অন্যদিকে কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বৈঠকে কুড়ি জনের মতো সাংসদ থাকার কথা তিনি শুনেছেন। শেষ পর্যন্ত কতজন উপস্থিত থাকেন, তার উপরেই রাজনৈতিক বার্তার গুরুত্ব অনেকটাই নির্ভর করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।মঙ্গলবারের এই বৈঠক ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে একটাও কথা নয়! শশী পাঁজার নীরবতায় নতুন করে তোলপাড় রাজনীতি

হাতে ফাইল নিয়ে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে আসতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং শ্যামপুকুরের প্রাক্তন বিধায়ক শশী পাঁজা। ভোটের ফল ঘোষণার পর দীর্ঘদিন জনসমক্ষে তাঁকে দেখা যায়নি। তাই তাঁকে ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দেন সাংবাদিকেরা। তিনি এখন কোথায়? তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন কি না? ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী? কিন্তু কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেননি শশী পাঁজা। বরং দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বারবার সাংবাদিকদের সরিয়ে দেন।শশী পাঁজার এই নীরবতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিকে তাঁর যাওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয়। চিকিৎসক হিসেবে কাজ শেখার সময় থেকেই প্রায় নিয়মিত সেখানে যেতেন তিনি। আগে বিষয়টি নিয়ে বিশেষ আলোচনা না হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই পুরনো সম্পর্ককেও ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যেই প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে শশী পাঁজার সঙ্গে তাঁর আর যোগাযোগ হয়নি। তিনি জানান, শশী বিদেশে থাকার কথা বলেছিলেন এবং ফিরে এসে যোগাযোগ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। তবে পরে আর যোগাযোগ করেননি। এরপর কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে লেখেন, বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন বিভ্রান্তি না ছড়ান।এই পরিস্থিতিতে শশী পাঁজার প্রকাশ্যে আসা রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বাড়িয়েছে। তবে তিনি কোনও মন্তব্য না করায় সব প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গেল। তিনি তৃণমূলে থাকছেন কি না, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন, সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিতও দেননি। ফলে তাঁর নীরবতাকে ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, শেষ পর্যন্ত কী নির্দেশ দিল আদালত?

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালত এই মামলায় সরাসরি কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে সেটি ফের কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিল। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, বিভিন্ন মামলার কারণে তাঁর বিদেশযাত্রায় বাধা তৈরি হচ্ছে। অথচ চোখের চিকিৎসার জন্য আগেও আদালতের অনুমতি নিয়ে তিনি বিদেশে গিয়েছেন। এবারও চিকিৎসার স্বার্থে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়।আইনজীবী আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে। সেই সব মামলার কারণ দেখিয়ে যদি প্রতিবার বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হবে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের নির্দেশ মেনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াতেও অংশ নিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।এই যুক্তি শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টেই বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টই এই মামলার শুনানি করবে। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, আগে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে হবে। এসএসকেএম হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে পরীক্ষা করার পর যদি বোর্ড মনে করে বিদেশে চিকিৎসা জরুরি, তবেই বিদেশযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।পরে হাইকোর্ট তাঁর অন্তর্বর্তী আইনি সুরক্ষার মেয়াদ বাড়ালেও বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালতও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের উপরেই ছেড়ে দিয়েছে। ফলে এখন নজর কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে ফ্ল্যাটে হানা! আলমারি খুলতেই চোখ কপালে পুলিশের, কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

রবিবার রাতে মালদহে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, সোনা এবং নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদহ থানা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ অভিযানের দল যৌথভাবে এই তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ রাত পর্যন্ত গুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোনাও উদ্ধার হয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধারের একটি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসে। সেই সূত্র ধরেই মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে আলমারিতে রাখা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। টাকা গোনার জন্য মেশিন আনতে হয় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, ফ্ল্যাটটি দিলীপ সাহা নামে এক ব্যক্তির। স্থানীয়ভাবে তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তবে দিলীপ সাহার দাবি, তিনি ফ্ল্যাটটি পিন্টু সরকার নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। ভাড়াটিয়া সেখানে কী কাজ করতেন বা কী রাখতেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না বলেও তিনি দাবি করেছেন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই মামলায় অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় এসেছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা উচিত। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তদন্ত চলছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সকালের গরমের পর বদলাবে আবহাওয়া! কোন কোন জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

সকাল থেকেই রোদের তেজ আর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল ছিল রাজ্যবাসী। তবে এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশিক্ষণ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে বুধবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে বাড়বে বৃষ্টির দাপট।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় এবং ডুয়ার্স এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধস, নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়া এবং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা, তোর্সা, রাইডাক ও জলঢাকা নদীর জলস্তরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। অতিবৃষ্টির জেরে কৃষিকাজেও প্রভাব পড়তে পারে।দক্ষিণবঙ্গে আজ এবং আগামীকাল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দিনের মধ্যে দু-এক পশলা হালকা বা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আটাশ দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চৌত্রিশ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছেষট্টি থেকে তিরানব্বই শতাংশ। ফলে বৃষ্টি না হলে গরম এবং অস্বস্তি দুই-ই বজায় থাকতে পারে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal