• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Campaign

কলকাতা

জেলায় একমাস পর কলকাতায় ফিরলেন মমতা! আজ থেকেই শুরু ঝড়ো প্রচার

প্রায় একমাস জেলায় জেলায় ঘোরার পর আজ থেকে কলকাতায় প্রচার শুরু করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি লাগাতার জেলা সফরে ছিলেন। সেই পর্ব শেষ করে সোমবার মুরারই এবং উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে সভা সেরে শহরে ফিরছেন তিনি। বিকেলে বেলেঘাটায় প্রথম সভা করার কথা রয়েছে। সেখানে প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং মানিকতলার প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডের সমর্থনে জনসভা করবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যার দিকে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে। শেক্সপিয়র সরণি থেকে মিছিল শুরু হয়ে অ্যালেন পার্কে গিয়ে শেষ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।গত একমাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তৃণমূল নেত্রী। দলীয় সূত্রে দাবি, মাঠে নেমে মানুষের সমর্থনের ইতিবাচক বার্তা পেয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই এবার কলকাতায় জোরদার প্রচারে নামছেন মমতা। আগামী কয়েক দিনে একাধিক সভা ও পদযাত্রার মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।প্রতিবারের মতো এবারও মমতার মিছিল ও সভায় ব্যাপক ভিড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তীব্র গরম সত্ত্বেও তাঁর কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হয়। ফলে শহরে আবারও বড় জনসমাগমের ছবি দেখা যেতে পারে।এর মাঝেই হলদিয়ায় একটি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে ফিরে আবার ২৭ তারিখ পর্যন্ত কলকাতায় টানা সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর দক্ষিণ কলকাতার একাধিক কেন্দ্রে প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।২৩ এপ্রিল যাদবপুর এবং টালিগঞ্জে প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করার কথা রয়েছে। শ্রীকলোনি যুব সংঘের মাঠে সেই সভা হবে বলে জানা গিয়েছে। তার পরের দিন সুলেখা মোড় থেকে গড়িয়াহাট হয়ে হাজরা পর্যন্ত একটি বড় মিছিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।ভোটের আগে মমতার এই কর্মসূচি ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশ আরও চাঙ্গা হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২০, ২০২৬
রাজ্য

“সব তথ্য আমার কাছে আছে!” নানুরে মমতার বিস্ফোরক দাবি, তীব্র আক্রমণ বিজেপিকে

বীরভূমের নানুরে নির্বাচনী জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভুয়ো ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে নিশানা করেন তিনি।সভা থেকে মমতা অভিযোগ করেন, ফর্মের মাধ্যমে বাইরের লোকদের ভোটার তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে তাঁর কাছে সব তথ্য রয়েছে এবং কে কতজনকে ঢুকিয়েছে, তা তিনি জানেন। তিনি আরও বলেন, সময় এলেই সব তথ্য প্রকাশ্যে আসবে।ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নাম তোলার জন্য বহু মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে এবং এতে প্রবীণদেরও কষ্ট হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই প্রক্রিয়ার কারণে বহু মানুষ সমস্যার মুখে পড়েছেন।এদিন ভাষা ও পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে কেন। সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।সভা থেকে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির অবস্থা খুব খারাপ হবে। যতই বাইরে থেকে নজরদারি বাড়ানো হোক, তার কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।নানুরের সভার পর এদিনই মুর্শিদাবাদের আরও দুটি জায়গায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। ভোটের আগে এই সভাগুলি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ০১, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বাসন্তীতে তাণ্ডব! রাস্তায় ফেলে পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে পেটাল দুষ্কৃতীরা

ভোটের আবহে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল বাসন্তী। রাস্তায় ফেলে এক পুলিশ অফিসারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এক পুলিশ অফিসারকে বাঁশ দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার।আহত পুলিশ অফিসারের নাম সৌরভ গুহ। তিনি বাসন্তী থানার সাব ইন্সপেক্টর। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় তিনি ছাড়াও আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে যখন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বাজার এলাকায় আচমকাই হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা বাঁশ ও লাঠি নিয়ে তাণ্ডব শুরু করে। একাধিক মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়েই আক্রান্ত হন পুলিশ কর্মীরাই। অভিযোগ, সাধারণ পোশাকে থাকা সাব ইন্সপেক্টর সৌরভ গুহকে লক্ষ্য করে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় পড়ে যান। এরপর তাঁকে ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। তাঁর মাথা ফেটে যায় এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন তিনি।পরে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ক্যানিং, বাসন্তী এবং গোসাবা এলাকার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপস্থিত রয়েছেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও। কেন্দ্রীয় বাহিনীও এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং টহলদারি শুরু হয়েছে।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আহত পুলিশ অফিসারকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বাসন্তী এলাকা আগে থেকেই স্পর্শকাতর বলে পরিচিত। প্রতি নির্বাচনেই এখানে হিংসার অভিযোগ ওঠে। তবে পুলিশকেই রাস্তায় ফেলে মারধরের ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের এক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচন চলাকালীন নিয়ম মেনে চলা উচিত এবং পুলিশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে বিজেপির এক নেতা বলেছেন, এই ঘটনার জন্য দায়ীদের ভবিষ্যতে ফল ভোগ করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২৬
রাজ্য

জয় শ্রীরাম স্লোগানে উত্তাল, মাঝপথেই থামাল পুলিশ! হিরণের প্রচারে চরম উত্তেজনা

ভোটের আগে প্রচার ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হল শ্যামপুরে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের প্রচার কর্মসূচি চলাকালীন বাইক মিছিল আটকায় পুলিশ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।রবিবার শ্যামপুরে প্রচার শুরু করেন হিরণ। তাঁর সঙ্গে বহু কর্মী ও সমর্থক গেরুয়া পতাকা নিয়ে বাইক করে এগোচ্ছিলেন। সেই সময় শ্যামপুর-বাগনান রোডে পুলিশ মিছিলটি আটকায়। পুলিশের দাবি, আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকার কারণে কোনও মিছিল বা জমায়েতের জন্য আগে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু এই কর্মসূচির জন্য সেই অনুমতি নেওয়া হয়নি।ঘটনাস্থলে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। হিরণ নিজেও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক মিছিল নয়, তাঁরা মন্দিরে পুজো দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর কথায়, সমর্থকেরা ধর্মীয় পতাকা নিয়ে এসেছিলেন, তাই এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বলা ঠিক নয়।তবে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রার্থী উপস্থিত থাকলে সেটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবেই ধরা হয় এবং সে ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে মিছিলটি এগোতে দেওয়া হয়।এদিন রাজ্যের অন্য জায়গাতেও উত্তেজনার খবর সামনে এসেছে। নানুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা ও বিক্ষোভ হয়। দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়াল থেকে প্রচার মুছতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মী আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ উঠেছে।ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

মার্চ ২২, ২০২৬
দেশ

ভোট প্রচারে বেরিয়ে ঢিলের ঘায়ে আহত হলেন মুখ্যমন্ত্রী

ভোটের প্রচারে বেরিয়ে ঢিলের ঘায়ে আহত হলেন অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা ওয়াইএসআরসিপি প্রধান জগন মোহন রেড্ডি। সূত্রের খবর, শনিবার সন্ধ্যায় প্রচারে বেরিয়েছিলেন তিনি। রোড-শো চলার সময়ে তাঁকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ে কেউ। কপালে লেগে রক্তারক্তি কাণ্ড হয়। ঘটনার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোড-শো।বিজয়ওয়াড়ায় ভোটের প্রচারে বেরিয়েছিলেন ওয়াইএসআরসিপির প্রধান।সেখানে মেমান্থা সিদ্ধম র্যালি চলছিল তাঁর। হুডখোলা গাড়িতে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সকলের সঙ্গে কথাও বলছিলেন। এই জনসংযোগ যাত্রায় বহু মানুষের ভিড় হয়েছিল। আচমকাই একটি ঢিল উড়ে আসে জগন মোহন রেড্ডির দিকে। কপালে মাঝখানে গিয়ে আঘাত করে সেটি। রক্ত বেরোতে থাকে কপাল দিয়ে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আশা কর্মীদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, কড়া নিরাপত্তা

আশা কর্মীদের বঞ্চনার প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান ঘিরে কোনওরকম বিশৃংখলার পরিস্থিতি না তৈরি হয় সেই জন্য স্বাস্থ্য ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের পাশেই নির্দিষ্ট স্থানে ঘেরাটোপে মধ্যে রাখা হয়েছে আশা কর্মীদের।বঞ্চনার প্রতিবাদে ১ মার্চ থেকে ঘোষিত লাগাতার কর্ম বিরতি, আজ পঞ্চম দিনে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, উত্তরবঙ্গের দুটি জেলা বাদে ২১ টি জেলা থেকে আশা কর্মীরা স্বাস্থ্য ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে। আশা কর্মীদের অভিযোগ, তাঁরা বঞ্চনার শিকার। অবিলম্বে আশা কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি করে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে, ইনসেনটিভ এর টাকা ভাগে ভাগে পাঠানো বন্ধ করে সমস্ত বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করতে হবে, সরকারি কর্মীর নেয় আশা কর্মীদের জন্য প্রতিবছর সুনির্দিষ্ট হারে ইনক্রিমেন্ট করা এবং সমস্ত ছুটি বরাদ্দ করতে হবে, কাজের সুবিধার জন্য মোবাইল প্রদান করতে হবে। বাকি দাবিগুলোর মধ্যে করোনা আক্রান্ত আশা কর্মীদের জন্য ঘোষিত এক লক্ষ টাকা অবিলম্বে দিতে হবে, কোন প্রকল্পের কর্মী নয় আশা কর্মীদের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য কর্মীর স্বীকৃতি দিতে হবে, যেকোনো কাজের অর্ডারের সাথে পারিশ্রমিক অর্ডার দিতে হবে এবং তা সহজে পাওয়ারও ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও সমস্ত আশা কর্মীদের বিশেষ করে জিটিএর অন্তর্গত জেলা ও ব্লকের আশা কর্মীদের টিয়ে বরাদ্দ করতে হবে এই সমস্ত দাবিদাওয়া নিয়ে স্বাস্থ্য ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন আশা কর্মীরা।

মার্চ ০৫, ২০২৪
কলকাতা

বিধাননগরে রং, তুলি হাতে দেওয়াল লিখনে ব্যস্ত তৃণমূলের মহিলা কর্মীরা

রং, তুলি হাতে শাড়ি পড়ে মহিলারা। ভোট প্রচারের দেয়াল লিখনে শঙ্খ বাজিয়ে স্লোগান দিয়ে ব্যস্ত তারা। বিধান নগর, মহিলা কাউন্সিলরের নেতৃত্বে এভাবেই দেওয়াল লিখনের কাজে হাত লাগালো মহিলারাই। বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিধান নগরে ভোটের প্রচারে দেয়াল লিখন শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলারা। আর এই প্রচার শুরু হল বিধাননগর কর্পোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলো দত্তর হাত ধরে। লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা হয়নি এখনও। প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিধান নগরের দত্তাবাদ এলাকায় তৃণমূল এর তরফ থেকে দেওয়াল লিখন শুরু করলো মহিলারা। শাড়ি পড়ে, রং তুলি হাতে ভোট প্রচারের কাজে দেয়াল লেখায় ব্যস্ত তাঁরা। তবে যেহেতু প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা হয়নি, সেই কারণে নামের জায়গা ফাঁকা রেখেই দেওয়াল লেখা হচ্ছে।

মার্চ ০৫, ২০২৪
রাজ্য

সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বর্ধমানের স্কুল

জেলাশাসক এবং শিক্ষাদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আসন্ন দুর্গাপূজার আগে জনপদের সর্বত্র পরিচ্ছন্নতার লক্ষ্যে আজ কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আগমনীর আহ্বান : পরিচ্ছন্ন পূর্ব বর্ধমান এই বিশেষ প্রোগ্রামে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পরিচালিত হয়। দীননাথ দাস স্কুলের শিক্ষক কমল সাহার পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি কাঞ্চননগরের বিস্তৃত অঞ্চল পরিক্রমা করে।এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে বিদ্যালয়ের সমস্ত ছাত্রছাত্রী তথা শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মী বন্ধুরা। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথাকে জানান, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয় যা সকলে অনুভব করেছে। আমাদের পড়ুয়ারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে সচেতনতার পরিচয় সবসময়েই দিয়ে আসছে এবং আজও কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দারা তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়।উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু যে ভাবে চোখ রাঙ্গাচ্ছে তাতে পরিস্থিতি খুব-ই গম্ভীর মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেলায় জেলায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চোখ বোলালেই খোঁজ মিলছে ডেঙ্গুর আক্রান্তের। মশাবাহিত রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু কোনও ছোঁয়াচে রোগ নয়, মানুষ একটু সচেতন হয়ে সমাজটিকে পরিচ্ছন্ন রাখলেই এই রোগের বাড়বাড়ন্ত রোখা যায়। তাই বর্ধমান জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন অনেকেই।

অক্টোবর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? দিলীপের প্রশ্ন

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের পর ট্রেনে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয়বার পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তা নিয়ে চলছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা বক্তব্য। বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন, বন্দে ভারত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীরব। তাই অনেকেই সন্দেহ করছেন, জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? কাশ্মীরে দেশপ্রেমীদের পাথর ছুঁড়ে মারা হতো। এখানে রাষ্ট্রবাদীতার প্রতীক বন্দে ভারতে পাথর মারা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, স্টেশনে স্টেশনে কি বিপুল উন্মাদনা। ট্রেনকে স্বাগত জানানোর জন্য মানুষের সীমাহীন উৎসাহ। মানুষ এই ট্রেনকে আন্তরিকভাবে নিয়েছেন। এতে মুখ্যমন্ত্রী বোধহয় খুব কষ্ট পেয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে পিছন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, জনতাকেও এগোতে দিচ্ছেন না। যারা এগোতে চাইছে, তাদের পাথর মারা হচ্ছে। বিজেপি নেতার দাবি, যাঁরা আমাদের রাজ্যকে বদনাম করছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।তৃণমূল কংগ্রেস দিদির রক্ষাকবচ নিয়ে পথে নেমে পড়েছে। বাড়ি যাবেন নেতৃত্ব{ দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও এই ধরনের ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কেউ যায়নি। সিএম জাটুয়া রায়দিঘী গিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মাছ ভাত খেয়েছিলেন। ওনার দলের কেউ ওনাকে খেতে দেয়নি। এই প্রকল্পগুলো মিডিয়াকে বলে বাজার গরম করার চেষ্টা। কারণ ওদের এখন পাবলিকের সামনে মুখ দেখানোর জো নেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
দেশ

দ্রৌপদী মুর্মু ভোটপ্রচারে শিলিগুড়িতে, কাল কলকাতায়

এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু শিলিগুড়ি পৌঁছেছেন। সোমবার তিনি বাগডোগরা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। বিধায়ক-সাংসদদের কাছে ভোট চাইতে তিনি বাংলায় এসেছেন। শিলিগুড়িতে দ্রৌপদী মুর্মু সিকিম ও আশেপাশের রাজ্যের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আগমিকাল তিনি কলকাতায় যাবেন। সেখানে এরাজ্যের দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন উত্তরবঙ্গে আছেন। তৃণমূল নেত্রী এর আগে রাষ্ট্রপতি পদে বিরোধীদের বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অবিজেপি দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন যশবন্ত সিনহা। যদিও পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিজেপি প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করেনি। দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়ে দেন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২২
দেশ

বিজেপিকে এক ধাক্কায় উত্তরপ্রদেশের বাইরে ফেলুন, মোদির মাঠে 'খেলার' ডাক মমতার

আজ উত্তরপ্রদেশে ষষ্ঠ দফার নির্বাচনের দিনই মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীতে যৌথসভা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব। বারণসীর সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তথা উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল সন্ধেবেলাতেই উত্তরপ্রদেশে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে হালকা মুডে বারাণসীর ঘাটে সন্ধে আরতি দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। জল্পনা ছিলই যে মোদির কেন্দ্রের জনসভা থেকে বিজেপিকে আক্রমণের সুর সপ্তমে তুলবেন মমতা, সেই জল্পনা সত্যি করেই যোগী আদিত্যনাথের বিজেপি সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূলনেত্রী।গতকালই বাংলার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনে ব্যাপক জয় পেয়েছে তৃণমূল, সেই প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, বাংলার পুর নির্বাচনেও বিজেপি ব্যাপকবভাবে পরাজিত হয়েছে। আপনারও বিজেপিকে আরও একটি ধাক্কা দিন উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকার করোনার সময়ও কোনও কাজ করেনি। মৃতদেহ গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই মৃতদেহ ভেসে আমাদের ওখানে গিয়েছে, আমরা সম্মানের সঙ্গে মৃতদেহগুলিকে সৎকার করেছি। যোগী সরকারকে বদলে দিন।মমতার মুখে স্বাস্থ্যসাথী, সবুজসাথী, স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের নামও শোনা গিয়েছে। উত্তর প্রদেশের নারী নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। এদিনের সভা থেকে মহিলা ভোটকেই লক্ষ্য করেন মমতা। মমতা বলেন, মা বোনরা আমাদের বাড়িরসম্বল, তাঁরা বাড়ির সব কাজ করেন। আপানাদের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা অন্য কারোর ওপর ভরসা না করে অখিলেশকে ভোট দিন। আমি বাংলায় প্রত্যেক মহিলাকে মাসে ৫০০ টাকা করে দি। বিজেপির সরকার মেয়েদের জন্য কী করেছে? কিচ্ছু করেনি। তাই বিজেপিকে ভোট দেবেননা। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়দের প্রসঙ্গও ওঠে মমতার মুখে। তিনি বলেন, আটকে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু বিমানে উঠে বিজেপির এক মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয়গান করছে। আমরাও বলেছি, বাংলার কেউ আটকে থাকলে তার বিমান ভাড়া সরকার দেবে।২০২১ সালে বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে খেলা হবে স্লোগান জনপ্রিয় হয়েছিল। খেলা হবে গানের আদলে সমাজবাদী পার্টিও একটি গান তৈরি করেছে। এদিন উত্তর প্রদেশেও খেলা হবে-র ডাক দিয়েছেন মমতা। যোগী সরকারকেও বদলেও দেওয়ার ডাক দিয়েছেন মমতা। উত্তর প্রদেশে পৌঁছানোর পরই বিভিন্ন যায়গায় মমতাকে কালো পতাকা দেখিয়েছে বিজেপি। মমতা বলেন, কাল আমাকে বেইজ্জত করা হয়েছে আমি এত সহজে ভয় পাইনা। সিপিএম আমাকে অনেকে মেরেছে। কিন্তু আমি বাংলায় ওদের হারিয়েছি।অখিলেশের হয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচনী প্রচারে গেলেও এটাই উত্তরপ্রদেশে মমতার প্রথম জনসভা। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে লখনউয়ের ভার্চয়াল সভা থেকে মমতা বক্তব্য রেখেছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার, বাংলার মতো মমতা-অখিলেশের সভাতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। মঞ্চ থেকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে চড়া সুরে বিজেপিকে নিশানা করেন মমতা।

মার্চ ০৩, ২০২২
রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য সরকারকেই কাঠগড়ায় তুললেন দিলীপ ঘোষ

হাওড়ার আমতায় আইএসফের ছাত্র নেতা আানিস খানের রহস্যজন মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে উত্তাল হয়ে রয়েছে রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থার মধ্যেই রবিবার বর্ধমানে জনসংযোগে এসে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে স্বোচ্চার হলেন। পুলিশ কর্মী সেজে বাড়িতে গিয়ে কারা আনিস খানকে খুন করলো তার তদন্ত দাবি করে দিলীপ ঘোষ বলেন,পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক খুন নতুন কিছু নয়।পশ্চিমবঙ্গে এনকাউন্টার হয় সেটা জানা নেই। তবে পশ্চিমবঙ্গে এনকাউন্টার হলে এত দুর্বৃত্ত রাস্তায় ঘুরে বেড়াতো না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের সমস্ত সময়টা বিজেপিকে ঠেকাতেই চলে যাচ্ছে।রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো নজর নেই। পুরভোট থাকায় এদিন সকালে বর্ধমানের বীরহাটা মোড় থেকে রানীগঞ্জ বাজার পর্যন্ত জনসংযোগ যাত্রা করেন দিলীপ ঘোষ। পরে তিনি রানীগঞ্জ বাজারে চা চক্রে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানে দিলীপ ঘোষ আরো বলেন ,প্রায় সাড়ে চার মাস ধরে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন দাবিতে ছাত্র আন্দোলন হচ্ছে। ওই আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন আনিস খান।পুলিশ কর্মী সেজে বাড়িতে গিয়ে কারা এই আনিস খানকে খুন করলো সেই প্রশ্নই এখন সারা রাজ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ আরো বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে রজ্যপাল ডেকেছেন।ওনার সৌজন্য দখিয়ে যাওয়া উচিত।কারণ লক্ষ্মী ভাণ্ডার ও দিদির ভাইয়েদের পেট ভরাতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যটা দেউলিয়া হেয়ে যাচ্ছো। একই সঙ্গে দিলীপ ঘোষ ষ্পষ্ট জানিয়েদেন, দেশে বহু মানুষ সিএএ এর বিরোধিতা করছে। তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। দিনহাটার গুলি কাণ্ড প্রসঙ্গে দিলীপ বাবু বলেন, উদয়ন গুহ গুণ্ডা পুষে রাখেন।তারাই খুন করেছে কিনা তারও তদন্ত হওয়া উচিৎ।যদিও দিলীপ ঘোষের এইসব মন্তব্য নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডুর সাফ জবাব, বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের হতাশা থেকে দিলীপ ঘোষ এই সব মন্তব্য করছেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য নয় ,বিধনসভা ভোটের পর এই রাজ্যে বিজেপি দলটাই দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজনীতি

মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি চলে দাউদের টাকায় আর বাংলার ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রিতে খাটে গরু ও কয়লা পাচারের টাকাঃ দিলীপ

গরু পাচার মামলায় বাংলার অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে তলব করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই তলব পেয়ে মঙ্গলবার কলকাতার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হন দেব। সিবিআই অফিসাররা টানা পাঁচ ঘন্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। সিবিআই দেবের বয়ানও রেকর্ড করে।আর দেবের সিবিআই এর জেরার মুখোমুখি হওয়া নিয়ে রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ যা বললেন তা কার্যত চমকে দেওয়ার মতোই। এদিন বর্ধমানে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন,মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে লাগে দাউদ ইব্রাহিমের টাকা।কিন্তু পশ্চিম বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যে গুরু ও কয়লা পাচারের টাকা লাগে সেটাও এখন জানা যাচ্ছে।দিলীপ ঘোষের এমন মন্তব্য বাংলার চলচ্চিত্র জগৎ ও রাজনৈতিক মহলে কার্যত শোরগোল ফেলে দিয়েছে।দিলীপ ঘোষ অবশ্য এদিন নিজের মুখেই স্বীকার করে নেন, সিবিআই ডেকেছে মানেই তিনি দোষী এমনটা নয়। একই সঙ্গে দেবকে উদ্দেশ্য করে দিলীপবাবু বলেন ,সিবিআই এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজেকে নির্দোষ সাব্যস্ত করবেন ।সিবিআই যে তথ্য চাইবে সেটাও দিয়ে দেওয়া উচিৎ।গুরু পাচার কাণ্ড নিয়ে সিবিআই এর তদন্তকে সমর্থন জানিয়ে দিলীপ ঘোষ এও বলেন,পশ্চিম বাংলায় বালি,কয়লা,পাথর,গরু পাচারে যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে সেটা সবাই জানে। দোষীরা যাতে সাজা পায় তার চেষ্টা বহু বছর ধরে আমরা করছিলাম।এখন সিবিআই, ইডি সেটাই করছে ।আমরা চাই যত বড় বড় অপরাধী বাংলার রাজনীতিকে কলুষিত করেছে তারা সবাই শাস্তি পাক। এছাড়াও আমরা চাই সারা বছর এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী সক্রীয় থেকে সমস্ত দোষীকে ধরুক। কারণ এই রাজ্যে পুলিশের উপরে কারুর ভরসা নেই ।পুলিশের সামনেই অপরাধ হয়। তা নাহলে পুলিশের সামনে গুরু, কয়লা, বালি পাচার হচ্ছে কি করে। বাংলা যাতে অপরাধ মুক্ত হয় তার জন্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দরকার। বিজেপি নেতাদের বারে বারে আদালতে দরবার করা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন ,এই রাজ্যের সরকার,পুলিশ কেউ কোন কথা শোনে না। রাজ্য পালের কথাও শোনে না। এই পরিস্থিতিতে কোর্টই এক মাত্র রাস্তা । তাই আমরা কোর্টে যেতে বাধ্য হয়েছি। পাশাপাশি পুর ভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে দিলীপ ঘোষ শাসক দলকে এক হাত নেন।পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস দলকে ডাকাতের দল বলে অবিহিত করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওই দলে একজন সর্দার তথা ডাকাতরাণী আছেন।বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের এই সব মন্তব্য কে পাগলের প্রলাপ বলে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু। একই সঙ্গে তিনি বলেন ,শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দিলীপ ঘোষ বাংলার ভাবমূর্তি ও বাংলা চলচ্চিত্র জগৎতের সুনাম নষ্ট করতে চাইছেন। বাংলার মানুষ বিজেপিকে কোন দিনও ক্ষমা করবে না।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

গোয়ায় হিন্দুভোট ভাঙানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল, কানপুরের জনসভায় অভিযোগ মোদির

একদিকে তিন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন চলছে, অন্যদিকে প্রচারের ময়দানে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি উত্তরপ্রদেশের কানপুরে একটি নির্বাচনী ব়্যালিতে অংশ নেন। সেখান থেকেই একদিকে যেমন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে সমাজবাদী পার্টি-কে আক্রমণ করলেন, তেমনই আবার গোয়ায় হিন্দু ভোট ভাঙানোর অভিযোগ আনলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনের কাছে তিনি এই বিষয়ে দৃষ্টিপাতের আবেদন জানান।এদিন কানপুরের দেহাতে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় ভোটের হার দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের একবার বিজেপিই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। পরিবারবাদীরা ফের একবার পরাজিত হবে উত্তর প্রদেশের মানুষের কাছে। আগামী ১০ মার্চই উত্তরপ্রদেশে হোলি উৎসব পালন করা হবে।এদিকে, তৃণমূলকেও এদিন একহাত নেন নমো। সম্প্রতিই একটি সাক্ষাৎকারে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ তথা গোয়ায় দলের ইনচার্জ বলেছিলেন যে তাদের জোটসঙ্গী মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্ত্রক পার্টি হিন্দু ভোট ভাগ হওয়া আটকাবে। মহুয়া মৈত্র বলেছিলেন, উত্তর গোয়ায় এমজিপির সঙ্গে ১৩-১৪টি আসনে বিজেপির মুখোমুখি লড়াই হবে। এই আসনগুলির কেউই কংগ্রেসের জন্য ভোট করবে না।এদিনের প্রচার সভায় সেই প্রসঙ্গই টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ভোট ভাগাভাগি করার কথা সরাসরি স্বীকার করে নিচ্ছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনের এই দিকে দৃষ্টিপাত করা উচিত। অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টিকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টি দিনরাত উত্তর প্রদেশে লুঠতরাজ চালাচ্ছে। এরাই মাফিয়াদের খোলা হাতে ছাড় দিয়েছিল। এই ঘোর পরিবারবাদী দল বিভিন্ন অঞ্চলকে নিজেদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করত। যদি এদের হাতে ক্ষমতা থাকত, তবে কানপুরের মাফিয়াগঞ্জ মহাল্লাকে প্রতিটি শহরে তৈরি করে ফেলত।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজনীতি

অখিলেশের আমন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশে গেলেন মমতা

বিধানসভা ভোটে সমাজবাদী পার্টির প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে রওনা হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে দমদম বিমানবন্দর থেকে লখনউ রওনা হন তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অখিলেশ যাদবের সঙ্গে যৌথ সভা করবেন তিনি।বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, সমাজবাদী পার্টির পক্ষে বিধানসভা ভোটে প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে যাচ্ছি। অখিলেশ আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি চাই উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি বিদায় নিক। পিকে-র সংস্থা আই প্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি শেষ করা নিয়ে মমতার বক্তব্য, এ সব প্রশ্নের উত্তর এখানে দেব না।প্রসঙ্গত, এ বার উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোটে লড়ছে না তৃণমূল। দলের নেত্রী মমতা বিজেপি-কে হারানোর উদ্দেশ্যে সব আসনেই অখিলেশের দল এসপি-র নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন করেছেন। বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গের সব আসনে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছিলেন অখিলেশ। এবার তার প্রতিদানের পালা।উত্তরপ্রদেশে প্রার্থী না দিলেও আর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য গোয়ার বিধানসভা ভোটে লড়ছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে মমতা সোমবার কংগ্রেসের নাম না করে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম সব রাজ্যেই বিজেপি-র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই হোক। কিন্তু সকলে তা চায়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজনীতি

উত্তরপ্রদেশে সপা-র সমর্থনে প্রচার করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তরপ্রদেশে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আলাদা লড়াই করবে না। তবে বিজেপি-কে পরাস্ত করতে সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে তিনি প্রচার করবেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশ্বাস দিয়েছেন। মঙ্গলবার কালীঘাটে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরে সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরণময় নন্দ একথা জানিয়েছেন।তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে গোটা দেশে বিজেপি বিরোধিতার মুখ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করতে মমতা ব্যানার্জির সাহায্য চেয়েছিলেন। তিনিও সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মমতা ব্যানার্জি উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটের প্রচারে যাবেন বলেও কিরণময় নন্দ জানান। তিনি বলেন ৮ ফেব্রুয়ারি লখনউতে মমতা ব্যানার্জি এবং অখিলেশ যাদব যৌথ ভার্চুয়াল সভা করবেন। এরপরে তারা একসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন। লখনউইয়ের পর বারাণসীতেও অখিলেশ-মমতা ভার্চুয়াল সভা করবেন। তবে সেই সভার দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়ন।এদিকে উত্তরপ্রদেশে কোভিডবিধির দোহাই দিয়ে সমাজবাদী পার্টিকে কোনও সভা সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে ওই সমাজবাদী পার্টি নেতা অভিযোগ করেন।বাধ্য হয়েই তাঁদের ভার্চুয়াল সভা আর বাড়ি বাড়ি প্রচার করতে হচ্ছে।কেন্দ্র এবং উত্তরপ্রদেশ সরকার অখিলেশের গতিবিধির উপর ক্রমাগত নজরদারি চালাচ্ছে বলেও তাঁর আরও অভিযোগ।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

Bangla Pokkho: বড়বাজারে বাঙালির নিরাপত্তার দাবিতে বাংলা পক্ষর টুইটার ক্যাম্পেন

বাংলার সব থেকে বড় বাজার হলো কলকাতার বড়বাজার। সেখান থেকেই সমগ্র বাংলা জুড়ে মাল সরবরাহ হয়। কিন্তু বাংলার এই বিপুল সরবরাহে বাঙালির অংশীদারত্ব নগন্য। সমগ্র বড়বাজার এখন বহিরাগতদের দখলে। বাঙালি শূন্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে বহিরাগতরা। এমতাবস্থায় বাঙালিদের বড়বাজারে বারবার হেনস্থার শিকার হতে হয়। সম্প্রতি বাঙালি ভাই রামেশ্বর হালদারকে বড়বাজারে বেওসায়ী রূপী বহিরাগত গুন্ডারা মেরেছে বাংলায় কথা বলার অপরাধে, বাংলায় কথা বলার জন্য বাঙালি বোন ফতেমা আখতারকে হেনস্থা ও শ্লীলতাহানি করেছে বহিরাগত বেওসায়ী আনুরাগ আগরওয়াল।বড়বাজার তৈরি করেছিল শীল, বসাক-সহ বাঙালি ব্যবসায়ীরা। বহিরাগতরা বড়বাজার দখল করে বাঙালিদের মারে, বাঙালিকে অপহরণ করে, বাঙালির দোকান জ্বালায়, ভয় দেখায়, জাতি তুলে গালি দেয়। এর প্রতিবাদ করেছিল বীর বাঙালি শহিদ সব্যসাচী মণ্ডল। বহিরাগত গুন্ডা, মাফিয়াদের হাতে তাকে খুন হতে হয়।বড়বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বড়বাজার বাংলায় অবস্থিত কিন্তু বড়বাজারে বাংলায় কথা বলা যায় না। বাঙালি বিদ্বেষের এই অবস্থার বদল চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাংলা পক্ষ টুইটার ক্যাম্পেইনের ডাক দেয়। #AntiBengaliBarabazar এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর এবং প্রধানকে মেনশন করা হয় টুইটে। টুইটারে অংশগ্রহণ করে বাংলা পক্ষর বহু সহযোদ্ধা- সমর্থক। টুইটারে অংশগ্রহণকারী সাধারণ বাঙালীর সংখ্যাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সকল বাঙালি এক হচ্ছে। আগামীদিনে বড়বাজারের মাটি হবে বাঙালির ঘাঁটি। যতদিন পর্যন্ত বাঙালির ক্ষোভ ত্রাসে পরিণত হবে বহিরাগত গুন্ডাদের ততদিন পর্যন্ত বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

MLA Arrested: নির্বাচনী প্রচারে কোভিড বিধি ভঙ্গের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি বিধায়ক

করোনা বিধি ভেঙে প্রচার করায় বিজেপি বিধায়ক সহ ৬ জনকে গ্রেফতার করল চন্দননগর থানার পুলিশ। পরে থানায় জামিনও পেয়ে যায় বিজেপি নেতৃত্ব। চন্দনগরে রবিবাসরীয় পুরনির্বাচনী প্রচারে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে গোন্দলপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের আঙুলি হেলনে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অথচ সিপিম ও তৃণমূল করোনা বিধি না মেনে প্রচার করলেও তাদের দেখতেই পাচ্ছে না পুলিশ।চন্দননগরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী সন্ধ্যা দাসের সমর্থনে রবিবার প্রচারে ছিলেন পড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ, হুগলি জেলা বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি তুষার মজুমদার, জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ। সঙ্গে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকরা। কোভিড বিধি ভঙ্গের দায়ে চন্দননগর থানার পুলিশ গিয়ে বিজেপির প্রচার বন্ধ করে দেয়। কেন শতাধিক লোক নির্বাচনী প্রচারে এই প্রশ্ন তুলে বিজেপি নেতৃত্বকে চন্দননগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নেতৃত্বে ছিলেন চন্দননগর থানার আইসি সৌমেন পাল। পরে প্রত্যেককে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী সন্ধ্য়া দাসের সমর্থনে প্রচারে ছিলাম। আমরা ৫-৭জন ছিলাম। তারপর কয়েকজন কর্মী-সমর্থক ভিড় করে। পুলিশ অন্য়ায়ভাবে আমাদের গ্রেফতার করেছে। আমাদের ৬ জনকে থানায় নিয়ে আসে। থানা থেকে জামিন হয়। আমাকে পুলিশ কোভিড প্রোটোকলের কথা বলে। অথচ একসঙ্গে ২০ জন পুলিশ সেখানে গিয়েছিল। তাহলে পুলিশের প্রোটোকল কোথায় ছিল?মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে প্রচার, একে অপরের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। বিধাননগর পুরনিগমের মনোনয়ন জমা দেওয়ার দিন করোনা বিধি মেনে চলার ছবি দেখা গিয়েছে। অন্য পুরসভাগুলিতেও ছিল একই চিত্র। বিজেপি বিধায়কের কথায়, পুলিশ বলছে শতাধিক লোক ভিড় করেছিল। কোথায় ছিল ১০০ জন? আমরা ৫-৬ জন ছিলাম। সিপিএমের প্রার্থী ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার করছে। তৃণমূল ৫০ জন নিয়ে প্রচার করছে। পুলিশকে দিয়ে রাজনীতি বেশি দিন চলবে না।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Covid Awareness Memari: করোনা সচেতনতায় পথে মেমারি শহর তৃণমূল

ফের করোনা সংক্রমণে তটস্থ সাধারণ মানুষ। বাইরে বেড়িয়েও অনেকেই এখনও মাস্ক পড়ছেন না। করোনা বিধিকে তোয়াক্কা করছেন না কেউ কেউ। এরই মধ্যে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা চলছে। মেমারি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বপন ঘোষাল সাধারণ মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে পথে নেমেছেন।আরও পড়ুনঃ পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ, পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভশুক্রবার মেমারির ১৬টি ওয়ার্ডে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েকজন দলীয় কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন স্বপন ঘোষাল। তাঁরা মানুষকে মাস্ক পড়া নিয়ে সচেতন করেছেন। করোনা বিধি মেনে চলতে শহরের মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে বামুনপাড়া মোড়েও মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে শহর তৃণমূল কংগ্রেস।স্বপন ঘোষাল বলেন, করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়া থেকে আমরা মানুষের পাশে আছি। মেমারির বাসিন্দারা যে কোনও প্রয়োজনে আমাদের ডাকলেই কাছে পাবেন। আগেও তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে ছিল। এখনও মানুষের পাশে থাকবে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal