• ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Budget 2026

দেশ

শেয়ার বাজারে রক্তক্ষরণ! বাজেটেই ১৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আগামী অর্থবর্ষের জন্য কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এটি তৃতীয় মোদি সরকারের দ্বিতীয় বাজেট। প্রত্যাশামতোই এই বাজেট সংস্কারমুখী এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। তবে সেই কারণে স্বল্পমেয়াদে সাধারণ মানুষের একাধিক সমস্যা এই বাজেটে উপেক্ষিতই থেকে গেল।সবচেয়ে বড় হতাশা মধ্যবিত্তের জন্য। আয়কর বা জিএসটি নিয়ে কোনও বড় ঘোষণা করেননি অর্থমন্ত্রী। করকাঠামোয় কোনও পরিবর্তন না হওয়ায় সাধারণ মানুষের হাতে অতিরিক্ত টাকা আসার কোনও দিশা মিলল না। ফলে ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর মতো কোনও স্পষ্ট বার্তা নেই বাজেটে। আগেও একাধিক রিপোর্টে মধ্যবিত্তের সঞ্চয় কমে যাওয়ার ছবি উঠে এসেছে। কিন্তু সেই উদ্বেগের প্রতিফলন বাজেটে দেখা গেল না। এর ফলে বাজারে চাহিদা কমতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ।অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের জন্যও বাজেটে কোনও আলাদা ঘোষণা নেই। অর্থমন্ত্রীর ভাষণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের জন্য কোনও সুবিধার কথা বলা হয়নি। দেশের সিংহভাগ শ্রমিক এই ক্ষেত্রেই কাজ করেন। ফলে এই অংশটি ধাক্কা খেতে পারে বলে আশঙ্কা।বাজেটের আগে কৃষিক্ষেত্রে বড় কোনও ঘোষণার জল্পনা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হল না। মৎস্যচাষ ও নারকেল চাষে কিছু সীমিত ঘোষণা থাকলেও সাধারণ কৃষকদের জন্য বড় কোনও পদক্ষেপ নেই। সরাসরি আর্থিক সাহায্য বা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের কোনও ঘোষণা করা হয়নি। আয়ুষ্মান ভারত বা কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি। ফলে কৃষিক্ষেত্রে হতাশার ছবি স্পষ্ট।রবিবার বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী সিকিউরিটিজ ট্রানজাকশন ট্যাক্স বা এসটিটি বাড়ানোর ঘোষণা করেন। ০.০২ শতাংশ থেকে এই কর বাড়িয়ে ০.০৫ শতাংশ করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। শেয়ার কেনাবেচা ও মিউচুয়াল ফান্ডের মতো বিনিয়োগে এই কর কার্যকর হয়। কর বৃদ্ধির ধাক্কায় শেয়ার বাজারে বড় পতন দেখা যায়। দিনের শেষে সূচক প্রায় ১৫০০ পয়েন্ট নেমে যায়।সংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ইপিএফও-র পেনশন বৃদ্ধি ও গ্র্যাচুইটির মেয়াদ কমানো। কিন্তু এই দাবিগুলি নিয়েও বাজেটে কোনও ঘোষণা নেই। দেশের অন্যতম বড় সমস্যা বেকারত্ব। অথচ এই বাজেটে কর্মসংস্থান নিয়ে সরাসরি কোনও স্পষ্ট দিশা দেওয়া হয়নি। ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রশিক্ষণ বা পর্যটন গাইডদের মতো বিকল্প পেশায় কিছু বিনিয়োগের কথা বলা হলেও, সেগুলি মূলত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। স্বল্পমেয়াদে সমস্যার সমাধান নেই।বাজেটের পরেই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তবু বাংলা, তামিলনাড়ু বা কেরলের জন্য কোনও বড় বরাদ্দ বা বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়নি। এমনকি বিজেপি শাসিত অসমও তেমন কিছু পায়নি। সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে বাংলা, এমনটাই অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের মুখে উত্তরবঙ্গে এইমস, নতুন রেললাইন বা বড় শিল্প বিনিয়োগের আশা করেছিলেন রাজ্যের মানুষ। কিন্তু বাজেট ভাষণে ডানকুনি ফ্রেট করিডোর, শিলিগুড়ি-বারাণসী সুপারফাস্ট ট্রেন রুট ও দুর্গাপুর শিল্প করিডোরের উল্লেখ ছাড়া তেমন কোনও বড় ঘোষণা নেই।সব মিলিয়ে নির্মলা সীতারমণের বাজেটে কিছু ছোটখাটো ঘোষণা থাকলেও সাধারণ মানুষকে আকর্ষণ করার মতো কোনও বড় প্রকল্প নেই। ফলে মধ্যবিত্ত থেকে কৃষক, শ্রমিক থেকে বিনিয়োগকারীপ্রায় সব স্তরেই এই বাজেট নিয়ে হতাশা তৈরি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বারাণসী-অযোধ্যার পর নতুন সার্কিট! বাজেটে পর্যটনে জোর

ভোটমুখী পাঁচ রাজ্যের কথা মাথায় রেখেও ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে একপ্রকার সংস্কারমুখী এবং সাদামাটা বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। করকাঠামো নিয়ে মধ্যবিত্তের জন্য বিশেষ কোনও সুখবর শোনাতে পারেননি তিনি। বড় কোনও চমকও ছিল না এবারের বাজেটে। তবে এই নিরাবরণ বাজেটের মধ্যেই পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী।রবিবার সংসদে ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের বাজেট ভাষণে নির্মলা সীতারমণ জানালেন, দেশের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক পর্যটন কেন্দ্রগুলিকে একসূত্রে বাঁধার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। বারাণসী ও অযোধ্যায় আধ্যাত্মিক পর্যটনের সাফল্যের পর এবার উত্তর-পূর্ব ভারতের চার রাজ্যে বৌদ্ধ সার্কিট গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করা হল। অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরা জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মকে কেন্দ্র করে এই নতুন পর্যটন সার্কিট তৈরি করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।নির্মলা সীতারমণ বলেন, পর্যটন শিল্পে পরিকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হসপিটালিটি ও হোটেল ম্যানেজমেন্টগুলিকে আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দেওয়া হবে। পর্যটন গাইডদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, অন্তত ১০ হাজার পর্যটন গাইডকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের নজরে রয়েছে দেশের পর্যটন শিল্প। বাজেটে পর্যটন খাতে কী নতুন ঘোষণা হয়, তার দিকে যেমন তাকিয়ে থাকেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা, তেমনই নজর রাখেন ভ্রমণপ্রেমীরাও। দুই থেকে তিন বছর আগে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানকে একসূত্রে গেঁথে পর্যটনের জোয়ার আনার পরিকল্পনা নেয় কেন্দ্র। অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে উত্তরপ্রদেশের একাধিক আধ্যাত্মিক স্থানের সংযুক্তিকরণ করা হয়। তার ফলও মিলেছে। বারাণসী ও অযোধ্যায় পর্যটকের ভিড় বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। রাজকোষের আয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সেই সাফল্যকে সামনে রেখেই ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে পর্যটন খাতে নতুন করে জোর দিল কেন্দ্র।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

আমেরিকার চাপে পিছু হটল ভারত? চাবাহার বন্দরে এক টাকাও নেই বাজেটে

রবিবার সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই বাজেটে অনেক ক্ষেত্রেই সুখবর মিললেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পুরোপুরি বঞ্চিত হল। সেই তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম ইরানে ভারতের চাবাহার বন্দর। কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে এক টাকাও বরাদ্দ করল না নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর আগে প্রতি বছরই চাবাহার বন্দরের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ বরাদ্দ করে এসেছে ভারত সরকার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা খরচ করেছিল কেন্দ্র। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে শুরুতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও পরে তা বাড়িয়ে ৪০০ কোটি টাকা করা হয়। কিন্তু এবারের বাজেটে চাবাহারের জন্য কোনও বরাদ্দ রাখা হয়নি। এই প্রথমবার এমন সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকার কূটনৈতিক চাপ। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলা সংঘাতের প্রেক্ষাপটেই ভারতের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে চাবাহার বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাণিজ্য নয়, কৌশলগত দিক থেকেও এই বন্দরের গুরুত্ব অনেক। সেই কারণেই ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে এই বন্দরের উন্নয়নে এতদিন সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল নয়াদিল্লি।তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের উপর চাপ বাড়িয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যে দেশগুলি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইরানের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও, চাবাহার প্রকল্পের ক্ষেত্রে ভারতকে ছয় মাসের জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছিল। সেই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি মাসের ২৬ এপ্রিল। এই পরিস্থিতিকে মাথায় রেখেই চাবাহার বন্দরে নতুন করে বিনিয়োগ থেকে সরে এল ভারত, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, ভারত ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যেই চাবাহার বন্দর তৈরি করা হয়েছিল। এই বন্দরকে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাকিস্তানকে এড়িয়ে আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের জন্য এই বন্দর বিশেষ ভূমিকা নিতে পারে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমেরিকার চাপের মুখে চাবাহার বন্দরে বরাদ্দ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

মধ্যবিত্তের মুখে হাসি এল না! আয়কর স্ল্যাবে কোনও বদল নয় বাজেটে

বাজেটে মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফুটলেও, তা যেন পুরোপুরি স্থায়ী হল না। কেন্দ্রীয় বাজেটের দিকে তাকিয়ে ছিলেন লক্ষ লক্ষ করদাতা। অনেকেরই আশা ছিল, এবারের বাজেটে আয়করে আরও কিছু ছাড়ের ঘোষণা করতে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। কিন্তু ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর কাঠামোয় কোনও পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করলেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।গত বছরের বাজেটেই মোদী সরকার নতুন কর কাঠামোর ঘোষণা করে জানিয়েছিল, বছরে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে কোনও আয়কর দিতে হবে না। এবছর সেই কর কাঠামোই অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। অর্থমন্ত্রী জানালেন, নতুন কর ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সেই কারণেই আয়কর স্ল্যাবে কোনও রদবদল করা হয়নি।তবে করদাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আয়কর জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এতদিন যেখানে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আয়কর জমা দিতে হত, সেখানে এবার ৩১ মার্চ পর্যন্ত আয়কর জমা করা যাবে। যদিও এর জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম ফি বা চার্জ দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।নতুন কর কাঠামো অনুযায়ী, বছরে ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনও আয়কর দিতে হবে না। ৪ লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে আয়কর ধার্য হবে। ৮ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। ১২ লক্ষ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে আয়করের হার ১৫ শতাংশ। ১৬ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ২০ শতাংশ কর বসবে। ২০ লক্ষ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে। আর বছরে ২৪ লক্ষ টাকার বেশি আয় হলে ৩০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।এছাড়াও, অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে আগামী ১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর আইন চালু করা হবে। সরকারের দাবি, এই নতুন আইনের মাধ্যমে কর ব্যবস্থা আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। তবে আয়কর স্ল্যাবে কোনও পরিবর্তন না হওয়ায় মধ্যবিত্তের বড় অংশ এখনও কিছুটা হতাশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

কর জট ছেঁটে সরল পথে সম্পত্তি লেনদেন, বাজেটে এনআরআইদের স্বস্তি

অনাবাসী ভারতীয়দের (এনআরআই) থেকে স্থাবর সম্পত্তি কেনাবেচার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র সরকার। রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ঘোষণা করেন, এবার থেকে প্যান-ভিত্তিক চালানের মাধ্যমে মাত্র ১ শতাংশ টিডিএস জমা করলেই চলবে। এর ফলে আর ট্যান (ট্যাক্স ডিডাকশন অ্যান্ড কালেকশন অ্যাকাউন্ট নম্বর) সংগ্রহের প্রয়োজন পড়বে না।এত দিন অনাবাসী ভারতীয়দের থেকে সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাকে বাধ্যতামূলক ভাবে ট্যান সংগ্রহ করতে হত এবং তার মাধ্যমে টিডিএস জমা ও রিটার্ন দাখিল করতে হত। এই প্রক্রিয়া ছিল সময়সাপেক্ষ ও জটিল। নতুন বাজেট ঘোষণায় সেই জট খুলতে চলেছে বলে মনে করছেন আর্থিক বিশেষজ্ঞরা।বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী দিনে এনআরআই সম্পত্তি লেনদেনে একটি একক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (সিঙ্গেল রেগুলেটরি সিস্টেম) চালু করা হবে। পাশাপাশি, প্যান-ভিত্তিক চালানের মাধ্যমে টিডিএস জমার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে সাধারণ ক্রেতাদের কর সংক্রান্ত ঝামেলা কমে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনাবাসী ভারতীয়দের থেকে সম্পত্তি কেনার সময় বিক্রেতার প্যান নম্বর থাকলে মাত্র ১ শতাংশ টিডিএস কাটা হবে। তবে প্যান না থাকলে করের হার বেড়ে ২০ শতাংশ হবে। ফলে প্যান ব্যবহারকে কার্যত বাধ্যতামূলক করেই স্বচ্ছ লেনদেনের দিকে এগোতে চাইছে সরকার।এই ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, ট্যান ছাড়াই টিডিএস জমা দেওয়া যাবে এবং আলাদা করে টিডিএস রিটার্ন দাখিল করার প্রয়োজন হবে না। আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়েই সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি লেনদেনের তথ্য জানালেই চলবে।শুধু তা-ই নয়, বাজেটে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। যেসব ভারতীয় নাগরিকের বিদেশে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মূল্যের সম্পত্তি রয়েছে এবং তাঁরা তা আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করেননি, তাঁদের বিরুদ্ধেও আর কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ২০২৪ সালের ১ অক্টোবরের পর দায়ের হওয়া এই ধরনের মামলাগুলিতে ছাড় দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন এনআরআই সম্পত্তি বাজারে গতি আসবে, তেমনই সাধারণ করদাতাদের উপর নির্ভরতা কমবে কর পরামর্শদাতাদের উপর। সামগ্রিক ভাবে এই পদক্ষেপকে কর সংস্কারের পথে আরও এক ধাপ এগোনো বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে তদন্তে বড় মোড়! হামিমের পর গ্রেফতার আরও এক যুবক, সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি

জঙ্গি সন্দেহে ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে আরও এক বড় সাফল্যের দাবি করল বিশেষ তদন্তকারী দল। হামিম এবং তাঁর বান্ধবী অর্পিতার পর এবার গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্য সিং ওরফে রাজুকে। ভোররাতে হাওড়ার বেলিলিয়াস রোডের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করে তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের দাবি, আদিত্য দীর্ঘদিন ধরেই হামিমের পরিচিত ছিল এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করত। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে বলা হয়েছে এক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব আদিত্যর উপর ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, ওই মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের গাড়ি, বাড়ি ও চলাফেরার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে হামিমের কাছে পাঠিয়েছিল আদিত্য। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।এখন তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, শুধুমাত্র ওই মন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের উপরই নজর রাখা হচ্ছিল, নাকি আরও কেউ তাদের লক্ষ্য ছিল। সেই কারণেই আদিত্যকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।আদিত্যর গ্রেফতারের পর তাঁর পরিবার এবং প্রতিবেশীরা কার্যত হতবাক। পরিবারের দাবি, তিনি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করতেন। কীভাবে হামিমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় বা যোগাযোগ তৈরি হল, তা তাঁদের জানা নেই।এক প্রতিবেশীর কথায়, আদিত্যকে সবসময় পড়াশোনা করতে দেখা যেত। তিনি কখনও এমন কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন, তা বিশ্বাস করা কঠিন। আর এক প্রতিবেশীর দাবি, আদিত্যর বাড়িতে কোনও বন্ধুবান্ধবকে নিয়মিত আসতে দেখা যেত না। তাই এই ঘটনায় তাঁরাও বিস্মিত।আদিত্যর মা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নিয়মিত কলেজে যেত এবং পড়াশোনাতেই মন দিত। সম্প্রতি পড়াশোনার জন্য একটি ল্যাপটপও কিনে দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। প্রতিদিন হাতখরচের টাকাও দিতেন। পরিবারের দাবি, যদি আগে কোনও সন্দেহজনক বিষয় তাঁদের নজরে আসত, তাহলে অবশ্যই তাঁকে সতর্ক করা হত।পরিবারের এক আত্মীয় জানান, কয়েক দিন আগে তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়িতে এসে কিছু প্রশ্ন করেছিলেন। কিন্তু তারপর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি এতটা বদলে যাবে, তা তাঁদের কল্পনারও বাইরে ছিল।তদন্ত এখনও চলছে। আদিত্যর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচার এবং তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

অন্যকে জেতানোর কারিগর এবার নিজেই জিতলেন! বাঁকিপুরে প্রশান্ত কিশোরের ঐতিহাসিক চমক

অন্যকে নির্বাচনে জেতানোর কৌশল তৈরি করেই এতদিন পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। এবার নিজেই ভোটে লড়ে ইতিহাস গড়লেন তিনি। বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে দীর্ঘ একত্রিশ বছর ধরে বিজেপির দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবার বিধায়ক হলেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর জয়ের হাত ধরেই প্রথমবার বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব পেল জন সুরাজ।গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। বত্রিশ দফা গণনা শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন চৌষট্টি হাজার একশো একান্ন ভোট। বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমার পেয়েছেন চুয়াল্লিশ হাজার আটশো সাতাশ ভোট। ফলে উনিশ হাজার তিনশো চব্বিশ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন প্রশান্ত কিশোর। আরজেডি প্রার্থী রেখা কুমারী চৌদ্দ হাজার দুইশো তিয়াত্তর ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন।জয়ের পর বাঁকিপুরের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তাঁর দাবি, এই ফলের মাধ্যমে রাজ্যের মানুষ এমন নেতৃত্বের পক্ষেই মত দিয়েছেন, যিনি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের উন্নতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবেন।জন সুরাজের নেতাদের দাবি, তরুণ ভোটারদের সমর্থন তাদের সাফল্যের অন্যতম কারণ। যদিও এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নয়। ভোটের আগে বিহারে বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা নিয়ে বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। সেই কারণেই তরুণ ভোটারদের ভূমিকা নিয়ে জোর আলোচনা চলছিল।বাঁকিপুর দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। উনিশশো পঁচানব্বই সাল থেকে এই আসন বিজেপির দখলে ছিল। এখান থেকেই একাধিকবার জয়ী হয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতা নিতিন নবীন। পরে তিনি রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দেন। সেই শূন্য আসনেই অনুষ্ঠিত হয় এই উপনির্বাচন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দুই হাজার পঁচিশ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে জন সুরাজ একটি আসনও জিততে পারেনি। সেই নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোর নিজেও প্রার্থী হননি। মাত্র এক বছরের মধ্যে পটনার গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে জয় পেয়ে দলকে প্রথমবারের মতো বিধানসভায় পৌঁছে দিলেন তিনি।জন সুরাজের সভাপতি মনোজ ভারতী বলেন, বাঁকিপুরের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাঁর দাবি, নীরব ভোটারদের বড় অংশ জন সুরাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং এই ফল বিহারের রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিল।অন্যদিকে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে প্রশান্ত কিশোরকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে জনগণের সিদ্ধান্তই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়কে সম্মান জানানোই সকলের দায়িত্ব।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

প্রতীক নিয়েই সবচেয়ে বড় ধাক্কা? উপনির্বাচনের আগে মমতার পরিকল্পনা ঘিরে তুমুল চর্চা

প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। তৃণমূলের দুই শিবিরই নিজেদের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এরই মধ্যে তিনটি বিধানসভা এবং একটি লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রতীক নিয়ে জল্পনা।সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রতীক নিয়ে আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তাঁর দাবি, প্রতীক হারানোর সম্ভাবনা খুবই কম। তবু যদি সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে নতুন প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে লড়বেন। এমনকি মানুষের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করাতে প্রয়োজন হলে তা গলায় ঝুলিয়ে প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দল গঠনের পর প্রথম দিকেও নতুন প্রতীক নিয়েই ভোটে লড়েছিল তৃণমূল। তাই নতুন প্রতীক মানুষকে চিনিয়ে দিতে কোনও সমস্যা হবে না।রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা, যদি ঘাসফুল প্রতীক না থাকে, তাহলে বিকল্প কী হতে পারে। সূত্রের দাবি, সেই পরিস্থিতির জন্য একটি বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি রাখা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, সূর্যমুখী ফুলকে সম্ভাব্য নতুন প্রতীক হিসেবে ভাবা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও ঘোষণা হয়নি এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।এদিকে রেজিনগর, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। ফলে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত হওয়া জরুরি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।অন্যদিকে, প্রতীক বিতর্ক নিয়ে ঋতব্রত শিবির এখনও প্রকাশ্যে কোনও বিকল্প পরিকল্পনার কথা জানায়নি। ওই শিবিরের অন্যতম বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কমিশন সমস্ত নথি এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন। প্রতীক নিয়ে অন্য কোনও ভাবনা এই মুহূর্তে নেই বলেও তিনি জানান।এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অফিস নেই, অ্যাকাউন্ট নেই, ফুল নিয়ে কী করবেন। স্টেটমেন্ট নিয়ে যা করার করবেন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

দিল্লিতে বড় বৈঠক! শুভেন্দুর সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদদের মুখোমুখি বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা

দিল্লির বঙ্গভবনে মঙ্গলবার এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংসদের বাদল অধিবেশনের শুরুতেই এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে যায়। এবার তৃতীয় সপ্তাহে সেই বৈঠক হতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই বৈঠকের দিকেই।প্রথমে বৈঠকটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে হওয়ার কথা ছিল। পরে স্থান পরিবর্তন করে বঙ্গভবন ঠিক করা হয়। তবে গত আটাশে জুলাই রাজ্যের ব্যস্ততার কারণে দিল্লি যেতে পারেননি শুভেন্দু। সেই কারণে বৈঠক স্থগিত হয়ে যায়। এবার মঙ্গলবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা।বৈঠকে কতজন সাংসদ উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও শেষ মুহূর্তে সেই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আলোচনা চলছে।এর আগে বৈঠক স্থগিত হওয়ার পর এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে না এলেও, মঙ্গলবারের বৈঠকে সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, কয়েকজন সাংসদ তাঁদের এলাকায় প্রশাসনিক সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলতে পারেন। কোথাও কোথাও সাংসদদের এলাকায় কাজ করতে সমস্যার অভিযোগও উঠে এসেছে। সেই বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।এদিকে সাংসদ শতাব্দী রায় জানিয়েছেন, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য এলাকার উন্নয়ন এবং সরকারি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা। অন্যদিকে কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেছেন, সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বৈঠকে কুড়ি জনের মতো সাংসদ থাকার কথা তিনি শুনেছেন। শেষ পর্যন্ত কতজন উপস্থিত থাকেন, তার উপরেই রাজনৈতিক বার্তার গুরুত্ব অনেকটাই নির্ভর করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।মঙ্গলবারের এই বৈঠক ঘিরে রাজ্য ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে একটাও কথা নয়! শশী পাঁজার নীরবতায় নতুন করে তোলপাড় রাজনীতি

হাতে ফাইল নিয়ে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিক থেকে বেরিয়ে আসতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং শ্যামপুকুরের প্রাক্তন বিধায়ক শশী পাঁজা। ভোটের ফল ঘোষণার পর দীর্ঘদিন জনসমক্ষে তাঁকে দেখা যায়নি। তাই তাঁকে ঘিরে একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দেন সাংবাদিকেরা। তিনি এখন কোথায়? তৃণমূলের সঙ্গেই আছেন কি না? ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী? কিন্তু কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেননি শশী পাঁজা। বরং দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং বারবার সাংবাদিকদের সরিয়ে দেন।শশী পাঁজার এই নীরবতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিকে তাঁর যাওয়া নতুন কোনও ঘটনা নয়। চিকিৎসক হিসেবে কাজ শেখার সময় থেকেই প্রায় নিয়মিত সেখানে যেতেন তিনি। আগে বিষয়টি নিয়ে বিশেষ আলোচনা না হলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই পুরনো সম্পর্ককেও ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যেই প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে শশী পাঁজার সঙ্গে তাঁর আর যোগাযোগ হয়নি। তিনি জানান, শশী বিদেশে থাকার কথা বলেছিলেন এবং ফিরে এসে যোগাযোগ করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। তবে পরে আর যোগাযোগ করেননি। এরপর কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে লেখেন, বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন বিভ্রান্তি না ছড়ান।এই পরিস্থিতিতে শশী পাঁজার প্রকাশ্যে আসা রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বাড়িয়েছে। তবে তিনি কোনও মন্তব্য না করায় সব প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গেল। তিনি তৃণমূলে থাকছেন কি না, নাকি অন্য কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন, সে বিষয়ে কোনও ইঙ্গিতও দেননি। ফলে তাঁর নীরবতাকে ঘিরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, শেষ পর্যন্ত কী নির্দেশ দিল আদালত?

বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালত এই মামলায় সরাসরি কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে সেটি ফের কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়ে দিল। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কলকাতা হাইকোর্টকে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, বিভিন্ন মামলার কারণে তাঁর বিদেশযাত্রায় বাধা তৈরি হচ্ছে। অথচ চোখের চিকিৎসার জন্য আগেও আদালতের অনুমতি নিয়ে তিনি বিদেশে গিয়েছেন। এবারও চিকিৎসার স্বার্থে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়।আইনজীবী আরও বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে। সেই সব মামলার কারণ দেখিয়ে যদি প্রতিবার বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া হয়, তাহলে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হবে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের নির্দেশ মেনে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াতেও অংশ নিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।এই যুক্তি শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টেই বিচারাধীন। তাই হাইকোর্টই এই মামলার শুনানি করবে। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় আদালত জানিয়েছিল, আগে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে হবে। এসএসকেএম হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে পরীক্ষা করার পর যদি বোর্ড মনে করে বিদেশে চিকিৎসা জরুরি, তবেই বিদেশযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।পরে হাইকোর্ট তাঁর অন্তর্বর্তী আইনি সুরক্ষার মেয়াদ বাড়ালেও বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেয়নি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শীর্ষ আদালতও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের উপরেই ছেড়ে দিয়েছে। ফলে এখন নজর কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে ফ্ল্যাটে হানা! আলমারি খুলতেই চোখ কপালে পুলিশের, কোটি কোটি টাকা উদ্ধার

রবিবার রাতে মালদহে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, সোনা এবং নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মালদহ থানা, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ অভিযানের দল যৌথভাবে এই তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ রাত পর্যন্ত গুনে প্রায় আড়াই কোটি টাকা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোনাও উদ্ধার হয়েছে, তবে তার পরিমাণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।পুলিশ জানিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুরে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ উদ্ধারের একটি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য সামনে আসে। সেই সূত্র ধরেই মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানে আলমারিতে রাখা বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়। টাকা গোনার জন্য মেশিন আনতে হয় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশের দাবি, ফ্ল্যাটটি দিলীপ সাহা নামে এক ব্যক্তির। স্থানীয়ভাবে তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গিয়েছে। তবে দিলীপ সাহার দাবি, তিনি ফ্ল্যাটটি পিন্টু সরকার নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। ভাড়াটিয়া সেখানে কী কাজ করতেন বা কী রাখতেন, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না বলেও তিনি দাবি করেছেন।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া অর্থ নিষিদ্ধ কাফ সিরাপের অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই মামলায় অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় এসেছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা উচিত। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তদন্ত চলছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সকালের গরমের পর বদলাবে আবহাওয়া! কোন কোন জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

সকাল থেকেই রোদের তেজ আর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল ছিল রাজ্যবাসী। তবে এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশিক্ষণ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে বুধবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে বাড়বে বৃষ্টির দাপট।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় এবং ডুয়ার্স এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধস, নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়া এবং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা, তোর্সা, রাইডাক ও জলঢাকা নদীর জলস্তরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। অতিবৃষ্টির জেরে কৃষিকাজেও প্রভাব পড়তে পারে।দক্ষিণবঙ্গে আজ এবং আগামীকাল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দিনের মধ্যে দু-এক পশলা হালকা বা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আটাশ দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চৌত্রিশ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছেষট্টি থেকে তিরানব্বই শতাংশ। ফলে বৃষ্টি না হলে গরম এবং অস্বস্তি দুই-ই বজায় থাকতে পারে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal