• ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengali Feature Film

বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা'-র গান

আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা ছবির গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ছবির অভিনয় ও গানের সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীরা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা। টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণে তাঁকে স্মরণ করে দু মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।আবার কাঞ্চনজঙ্ঘার কাহিনি ও পরিচালনা রাজর্ষি দে-র। পদ্মনাভ দাশগুপ্তের চিত্রনাট্যে পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে, সম্পর্কের জটিল রসায়ন ঘিরে এগোয় গল্প। গানগুলি গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচী, অনুপম রায়, জয়তী চক্রবর্তী এবং উজ্জয়িনী। ছবিতে দুটি রবীন্দ্রসঙ্গীত জয়তীর কণ্ঠে দেখো সখা ভুল করে ভালোবেসো না এবং রূপঙ্করের গাওয়া মেঘ বলেছে যাবো যাবো এক আলাদা স্বাদ আনে। অনুপম রায়ের কণ্ঠে টয়ট্রেন গানটি যেন দার্জিলিঙের স্মৃতি, পাহাড়-প্রেম আর ছোটবেলার জিয়নকাঠি। ছবিতে বিশেষ আকর্ষণ দূর্বা সেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা পাহাড়ের গান। এটি শোনা যাবে উজ্জয়িনী মুখার্জীর কণ্ঠে।গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে মেঘ বলেছে যাবো যাবো গানটি গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। মিউজিক ডিরেক্টর আশু এদিন জানালেন, পাহাড়কে ঘিরে যেহেতু পুরো কেমিস্ট্রি তাই আমার মিউজিকটাও সেটা নিয়েই। আমার নিজের কম্পোজ করা দুটো গান রয়েছে। একটি টয়ট্রেন ও একটি পাহাড়ের গান। দুটো রবীন্দ্র সঙ্গীত একটা জয়তি দি ও একটা রূপঙ্কর দা গেয়েছেন। ছবিটায় যেভাবে গানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেইভাবেই আমার অ্যারেঞ্জ করা।

মার্চ ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

8/12 : মুক্তি পেল বহু প্রতীক্ষিত ছবি '৮/১২'-র ট্রেলার

কান সিং সোধার প্রযোজনা সংস্থা KSS Productions and Entertainment প্রযোজিত আসন্ন ছবি ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চের সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। বিবাদিবাগে, বিনয় বাদল দীনেশের প্রতিমূর্তির সামনে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রতিমূর্তিতে মাল্যদানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির ট্রেলার লঞ্চ সেই বিশেষ দিনেই করা হয়, ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে যেদিন রাইটার্স বিল্ডিং-এ অনুপ্রবেশ করেন বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্ত এবং অত্যাচারী সিম্পসন সাহেবকে উপযুক্ত শাস্তি দেন ভারতবর্ষকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য। ৮/১২ ছবির মধ্যে দিয়ে যে সেই ঐতিহাসিক ঘটনাই পরিবেশিত হতে চলেছে দর্শকদের সামনে, ছবির ট্রেলারেই তা সুস্পষ্ট। এগারো ও হীরালাল খ্যাত পরিচালক অরুণ রায় পরিচালিত এই ছবিতে বিনয় বসু -র ভূমিকায় অভিনয় করেছে কিঞ্জল নন্দ। বাদল গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছে অর্ণ মুখোপাধ্যায় ও দীনেশ গুপ্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রেমো। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, খরাজ মুখোপাধ্যায়, শংকর দেবনাথ, দেবরাজ মুখোপাধ্যায়, অনুষ্কা চক্রবর্তী, গুলশনারা খাতুন প্রমুখ। ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির সব কলাকুশলীরা। প্রযোজক কান সিং সোধা, পরিচালক অরুণ , কিঞ্জল নন্দ, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, রেমো, গুলশনারা খাতুন, অনুষ্কা চক্রবর্তী এবং ছবির সংগীত পরিচালক সৌম্য ঋত - র উপস্থিতিতে হয়ে গেলো ছবির ট্রেলার মুক্তির অনুষ্ঠান। ট্রেলার মুক্তির বিষয়ে বলতে গিয়ে প্রযোজক কান সিং সোধা জানালেন, এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি গর্বিত। আমি গর্বিত এক ভারতীয় হিসেবে যে আমি আজকের এই বিশেষ দিনে এই মঞ্চে দাড়িয়ে বিনয় বসু, বাদল গুপ্ত ও দীনেশ গুপ্তের মতন প্রতঃস্মরণীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে পারছি। ১৯৩০ সালের আজকের দিনে রাইটার্স বিল্ডিং এ ব্রিটিশ পোশাক পরে অনুপ্রবেশ করে অত্যাচারী সিম্পসন কে হত্যা করেছিলেন বিনয় বদল দীনেশ। এই তিন তরুণ তাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থের কথা ভাবেননি, ভাবেননি নিজেদের খুশির কথা, কেবল দেশকে পরাধীনতা থেকে অত্যাচার থেকে মুক্ত করতে নিজেদের প্রাণ বলিদান দিয়েছেন তারা। এই তিন বীরের বীরগাঁথা নিয়েই ৮/১২, আমি গর্বিত এই ছবির প্রযোজক হিসেবে, এমন তিনজন সংগ্রামী বীরের কাহিনী আমরা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারছি। এই ছবির সঙ্গে অনেক পরিশ্রম, অনেক আত্মত্যাগ জড়িয়ে আছে। আশা করি ছবির ট্রেলার সকলের ভালো লাগবে। আসন্ন বছরের জানুয়ারি মাসেই দর্শক বিনয় বদল দীনেশের বীরত্বের কাহিনী বড় পর্দায় দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। ছবির পরিচালক অরুণ রায় জানান, ভারতবাসীর স্বাধীনতা অনেক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। বিনয় বাদল দীনেশের আত্মবলিদানের কথা আমরা বর্তমানে অনেকেই প্রায় ভুলে গিয়েছি। ১৯৩০ সালে ৮ই ডিসেম্বর, রয়টার্স বিল্ডিং এ তাদের ঐতিহাসিক অনুপ্রবেশ - ই আমাদের ছবির মধ্যে দিয়ে পরিবেশিত হতে চলেছে। ট্রেলারে ও প্রকাশিত তারই ঝলক। আশা করি এই ট্রেলার আপনাদের ভালো লাগবে।বিবাদি বাগে কর্মরত পুলিশ কর্তাদের সামনেই লঞ্চ করা হয় এই ট্রেলার। তাদের মধ্যেই অন্যতম উচ্চ পদস্থ এক পুলিশ কর্তা জানালেন, ৮/১২ (বিনয় বাদল দীনেশ সাগা) ছবির এই ট্রেলার আমার মনে এক আশ্চর্য শিহরণ জাগিয়ে দিল।। ট্রেলার দেখতে দেখতে আমাদের প্রশিক্ষণের সময়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। এগারো ছবির সময় থেকেই অরুণ রায়ের ছবির ভক্ত আমি।।এই ছবির ট্রেলার দেখে আমি নিশ্চিত যে ভারতবাসী এই ছবি দীর্ঘ দিন মনে রাখতে চলেছে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Antardhan : ১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে অন্তর্ধান, মুক্তি পেল এই ছবির গান

আগামী ১০ ডিসেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে পরিচালক অরিন্দম ভট্টাচার্যের ছবি অন্তর্ধান। এই ছবিরই মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেল দক্ষিণ কলকাতার একটি হোটেলে। অন্তর্ধান একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। হিমাচল প্রদেশের কসৌলীতে। ক্লাস এইটের এক মিষ্টি মেয়ে জিনিয়াকে নিয়েই গড়ে উঠেছে ছবির প্লট। এই চরিত্রে অভিনয় করেছে মোহর চৌধুরী। মা-বাবার সঙ্গে হিমাচলে থাকে জিনিয়া। মা-বাবার চরিত্রে রয়েছেন পরমব্রত এবং তনুশ্রী। সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে, আচমকাই তাদের জীবনে নেমে আসে একটা বিপর্যয়। হঠাৎই কিডন্যাপ হয়ে যায় জিনিয়া। আর জিনিয়ার এই অন্তর্ধান রহস্যকে ঘিরেই ছবির গল্পটা এগিয়েছে। এই ছবির মিউজিক লঞ্চে পরিচালক জানালেন,যারা ঘরে বসে হিমাচল প্রদেশের স্বাদ পেতে চান তারা অন্তর্ধান দেখুন। অনেক থ্রিলার তো হয়। এই থ্রিলারটি অন্যান্য থ্রিলারগুলোর থেকে একদমই আলাদা। এই ছবিতে জিনিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন মোহর চৌধুরী। অন্তর্ধানে তার চরিত্র নিয়ে মোহর জানালেন,আমার চরিত্রটা হল জিনিয়া। পরম্ব্রত ও তনুশ্রীর মেয়ে। এই ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট খুব কষ্ট করে হয়েছিল। এমনিতে আমার লম্বা চুল। এখানে চুল কেটে দেওয়া হয়েছিল। চশমা পরানো হয়েছিল। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট যেরকম আস্তে আস্তে হয় সেইভাবেই হয়েছে। ভয়টা আস্তে আস্তে কেটেছে। এই ক্যারেক্টারটা নিয়ে বলতে পারবো যে একটা বাচ্চা যে হারিয়ে যাচ্ছে। এই ছবির গান নিয়ে রাতুল শঙ্কর জানালেন,অন্তর্ধানে আমি দুটো গান করেছি। একটা লালাবাঈ। উজ্জয়িনী গেয়েছে। অম্বরিশ মজুমদার লিখেছে। এটা একটা সফট নাম্বার। আরেকটি ট্র্যাক। যেটা সম্পূর্ণ আলাদা। আশা করি সবাই গানগুলো শুনবেন। হলে এসে ছবিটা দেখবেন। এই আশা করবো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অন্তরলীন, ফ্ল্যাট নম্বর-৬০৯ এর পর তৃতীয় ছবি অন্তর্ধান নিয়ে হাজির হয়েছেন পরিচালক। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবির প্রমোশন হয়েছে। এখন ১০ ডিসেম্বর পর ছবিটি দর্শকদের কাছে কেমন ফিডব্যাক পায় সেটাই দেখার।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raj-Subhasree : নতুন বছরেই সুখবর আসছে রাজ-শুভশ্রীর লাইফে

ডিসেম্বর মাস পড়তে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। ডিসেম্বরের পরেই বাঙালি আরও একটা নতুন বছর কে স্বাগত জানাবে। আর নতুন বছরেই তাদের ফ্যানদের জন্য খুশির খবর নিয়ে আসছেন টলিউডের হ্যাপি ক্যাপল রাজ-শুভশ্রী। দুবছরের অপেক্ষার পর অবশেষে মুক্তি পেতে চলেছে রাজ-শুভশ্রীর ছবি ধর্মযুদ্ধ। আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ধর্মযুদ্ধ। ছবির নতুন পোস্টার শেয়ার করে শুভশ্রী লেখেন, ধর্মের লড়াই নাকি বেঁচে থাকার লড়াই? ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ ধর্মযুদ্ধ আসছে বাংলার সমস্ত প্রেক্ষাগৃহে।বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতেই যে এই ছবিটা সেটা নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে। শুভশ্রী ছাড়াও পরিচালক রাজের এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় থাকছেন সোহম চক্রবর্তী, ঋত্বিক চক্রবর্তী, পার্নো মিত্র এবং স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। শুভশ্রী এই ছবিতে রয়েছেন মুন্নীর চরিত্রে, ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহম চক্রবর্তী, পার্নো মিত্রকে দেখা যাবে যথাক্রমে রাঘব,জাফর এবং শবনমের ভূমিকায়।এই বছর পুজোতে বেশ কয়েকটা বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছে। পুজোর পরেও মুক্তি পেয়েছে কয়েকটা বাংলা ছবি। বছর শেষ হতে চলেছে বাংলা ছবি মুক্তি দিয়ে। নতুন বছরটা আবার শুরু হচ্ছে ধর্মযুদ্ধ মুক্তির মাধ্যমে।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Iskabon : জঙ্গলমহল, মাওবাদী, প্রেম মুক্তি পেল 'ইস্কাবন' এর ট্রেলার

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় লেখক রাধামাধব মণ্ডলের রেডস্টারের ক্যাম্প গল্প অবলম্বনে জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের জীবনকে ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন পরিচালক মনদীপ সাহা। এই ছবিরই ট্রেলার মুক্তি পেল। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অনামিকা চক্রবর্তী, সৌরভ দাস ও সঞ্জু। মুখ্য চরিত্রে সৌরভের এটাই প্রথম প্রোজেক্ট।এসএমডি এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন অর্ণব ভৌমিক ও অনিন্দ্য মুখোপাধ্যায়। পুরো ছবি জুড়ে রয়েছে গুলি, বোমা, বন্দুক, কান্নার ছাপ।এই ছবি প্রসঙ্গে পরিচালক মনদীপ সাহা জনতার কথা কে জানান,এটার কনসেপ্টটা তো রাধামাধব দার। ওর সাথে একদিন ছবি নিয়ে কথা বলছিলাম। রাধামাধব দা আমাকে বলে একটা কনসেপ্ট আছে শোন। শোনার পর আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। জঙ্গলমহলের বিষয়ে আমরা অল্পবিস্তর সকলেই জানি। ওই পটভূমির ওপর ছবি হবে এটা শোনার পর আমার অন্যরকম ভালোলাগা তৈরি হয়। তারপর কনসেপ্টটা নিয়ে আমি অর্ণব ও অনিন্দ্যর সঙ্গে বসি। গল্পটা দাঁড়িয়ে গেল। তারপর শুট শুরু হয়। শুটিং করতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হয়েছিল জানালেন পরিচালক। তার কথায়,আফটার ফার্স্ট লকডাউন আমরা জঙ্গলমহলের যেসব জায়গায় শুট করতে চাইছিলাম সেখানে পারমিশন পাওয়া নিয়ে একটা সমস্যা হচ্ছিল। তারপর যদিও শুট করা যায়। জঙ্গলের মাঝে গিয়ে, পাহাড়ের চুড়ায় গিয়ে আমরা শুট করেছি। জল, খাবার ঠিকঠাক পাইনি তবুও আমরা ভালোবেসে ছবিটা করে গেছি। অভিনেতা সৌরভ দাস জানালেন,আমি মাওবাদীর ক্যারেক্টার প্লে করছি। এর আগে কখনও করিনি। ভীষণ এক্সাইটিং লাগছে এবং আশা করবো ছবিটা যেন দর্শকরা ভালোবাসেন। এই ছবিতে বাবার চরিত্রে দেখা যাবে টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অরিন্দম গাঙ্গুলি কে। তিনি তার চরিত্র নিয়ে জানালেন,ইস্কাবনের যে নায়ক তার বাবার চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। যদিও চরিত্রটা একটু অন্যধরণের। বাবা ছেলের বিয়ে দিয়ে আনার পর ছেলে মারা যায়। বৌমাকে চাকরি করিয়ে, অন্যরকম একটা রিস্ক নিয়ে বৌমার পাশে এসে দাঁড়ায়। চরিত্রটা ছোট কিন্তু ভালো। এই ছবির মাধ্যমেই বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনামিকা চক্রবর্তীর। তিনি জানালেন,ফ্যান্টাস্টিক এক্সপিরিয়েন্স। আমাকে অনেক রিসার্চ করতে হয়েছে এবং ওদের লোকেদের সাথে অনেক কথা বলেছি। ওদের ভাষাটা ডেভেলপ করা খুব টাফ ছিল বাট আই ডিড ইট। সৌরভ দার সঙ্গে কাজ করার এক্সপিরিয়েন্স কেমন প্রশ্ন করাতেই অনামিকার মুখে একগাল হাসি পাওয়া গেল। জানালেন,আ হি ইস অ্যা ট্যালেন্ট। বাঞ্চ অফ এনার্জি। ফুল অফ এনার্জি। ভেরি পজিটিভ। ভেরি হেল্পফুল। মাই সিনিয়র। মাই টিচার।সঞ্জুর এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে। তার চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমার চরিত্র হচ্ছে একটা সিআরপিএফের চরিত্র। ক্যাপ্টেন সিড মুখার্জী। ও হাত চালাতে বেশি পছন্দ করে না। বুদ্ধি চালাতে বেশি পছন্দ করে। নিজের চরিত্র নিয়ে টলিউডের আরেক বর্ষীয়ান অভিনেতা সুমিত গাঙ্গুলি জানালেন,খুব ভালো লাগছে। যেকোনো চরিত্রই চ্যালেঞ্জ। এই চরিত্রটা অন্যধরণের একটা চরিত্র। আমি যে চরিত্র করে থাকি তার বাইরে একটা চরিত্র। ডিরেক্টর, প্রোডিউসার, লেখককে আমাকে এই চরিত্রে ভাবার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি একটা মিলিটারি মেজর জেনারেলের চরিত্রে রয়েছি। এই চরিত্রটা করে আমি খুব এনজয় করেছি।৬১ গড়পার লেনের পর অভিনেত্রী রুমা ভদ্রর এটা দ্বিতীয় ছবি হল রিলিজ করতে চলেছে। জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন,আমি মাওবাদীর চরিত্রে অভিনয় করছি। শ্যামলী ক্যারেক্টারের নাম। ওয়ার্কশপ করতে হয়েছিল ওদের ভাষাটা শেখার জন্য। শান্তনু দাস যিনি আমাদের ওয়ার্কশপ করাচ্ছিলেন তিনি টোটালি আমাদের গ্রুমিং করিয়েছিলেন। কীভাবে বলবো না বলবো। তাই শুট করার সময় বা আগে ভাষাটা বলতে অসুবিধা হয়নি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tonic : খুশির খবর, ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে দেবের ছবি টনিক

২৫ ডিসেম্বর দেবের জন্মদিন। তার আগেই অনুরাগীদের জন্য খুশির খবর নিয়ে এলেন টলিউড সুপারস্টার দেব। ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে দেব অভিনীত ছবি টনিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবরটা জানিয়েছেন তারকা অভিনেতা। প্রযোজক অতনু রায়চৌধুরীর সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় টনিক তৈরি করছেন দেব। ছবিতে অভিনয় করেছেন দেব, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শকুন্তলা বড়ুয়া প্রমুখ।অনেকদিন আগেই ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিডের জন্য মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়। অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান হয়ে হলে মুক্তি পেতে চলেছে টনিক। পরিচালক অভিজিৎ সেনের ডেবিউ ছবি টনিক।ছবিতে এক ট্রাভেল এজেন্সির কর্মী দেব। দেবের কাকার ভূমিকায় রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিন প্রধান চরিত্রের সম্পর্কের সমীকরণই টনিক এর গল্প। এখানে দেব অভিনীত চরিত্রটির নামই টনিক। তিনি একজন ট্যুর প্ল্যানার। ঘুরতে নিয়ে যান বয়স্ক দুই মানুষকে। এরপরই তাঁরা জীবনের রসদ খুঁজে পান। মূলত ইচ্ছেপূরণেরই গল্প বলবে টনিক।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Olpo Holeo Sotti : মুক্তি পেল 'অল্প হলেও সত্যি'

সব অপেক্ষার অবসান হল। রূপ প্রোডাকশনের ব্যানারে পরিচালক সৌম্যজিত আদকের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি অল্প হলেও সত্যি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল। ছবির প্রিমিয়ারে পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, প্রযোজক ছাড়াও উপস্থিত ছিল টলিউডের অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। পরিচালক এই বিশেষ দিনে জানালেন,খুব ভালো লাগছে। এটা আমার প্রথম ফিচার ফিল্ম। অনেক গুণীজন, অনেক কাছের মানুষ এসেছেন এই সিনেমাটা দেখতে। আশা করছি ছবিটা দেখার পর মানুষ হনেস্ট ফিডব্যাক দেবে। ভালো, খারাপ সেটা আমরা নিয়েই এগিয়ে যাব। ছবির প্রযোজক অঙ্কিত দাস জানালেন,প্রথমেই বলি অল্প হলেও সত্যি একটা বন্ধুদেরকে নিয়ে বানানো। আমার মনে হয় অল্প হলেও সত্যি অলরেডি বাংলার মানুষের বুকে দাগ কেটেছে কারণ এটা আলাদা প্রেমের গল্প। সৌরভ একটা ক্যানসার পেশেন্ট। ক্যানসার পেশেন্ট হওয়া সত্ত্বেও যে ভালোবাসা, ওষুধ ছাড়াও যে ভালোবাসা দিয়ে তার রোগকে সাড়াচ্ছে সেটাই আমরা এই মুভিতে দেখাতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী বাংলার মানুষ এবং প্রত্যেকজন যারা সিনেমা ভালোবাসে তারা এই মুভিটা পছন্দ করবে।ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন এনা সাহা। তিনি জানালেন,খুব ভালো লাগছে। এটা ওর ফার্স্ট ফিচার ফিল্ম। ওকে অনেক বেস্ট উইশেস, অনেক ভালোবাসা। আমার বিশ্বাস ও একটা ভালো সিনেমা বানিয়েছে। আপনাদের রিকোয়েস্ট করবো হলে এসে সিনেমাটা দেখুন।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Love Story : একটু অন্যধারার ভালোবাসার গল্প বলবেন পরিচালক প্রীতম

পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি লেট দেয়ার বি লাভ এর সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার প্রেস ক্লাবে। এই ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ দেবারতি ভৌমিকের। নির্দেশনা করেছেন প্রীতম মুখার্জী। এই ছবিতে নীলাদ্রি দত্তের চরিত্রে রয়েছেন অনুভব কাঞ্জিলাল যিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সোনালি দত্তর চরিত্রে হৈমন্তী গাঙ্গুলী যিনি নীলাদ্রির স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন। মিতালী দত্ত অর্থাৎ নীলাদ্রির মা হয়েছেন পারমিতা মুখার্জী। অনিমেষ রায় যিনি একজন চিকিৎসক তার চরিত্রে দেখা যাবে অরিন্দম আচার্যকে। অজিতের চরিত্রে জিত ভট্টাচাৰ্য। তিনি পেশায় উকিল এবং নীলাদ্রির বাল্য বন্ধু। নয়নার চরিত্রে পৌলোমী পাঁজ। তিনি সোনালীর বাল্য বন্ধু। পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি এটা তার প্রথম। এর আগে একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন এবং একটি OTT প্ল্যাটফর্মের জন্য একটি ওয়েবসিরিজ করেছেন। লেট দেয়ার বি লাভ এক মিষ্টি প্রেমের গল্পের এক বেদনার সমাপ্তির গল্প। নীলাদ্রি আর সোনালির ভালবাসায় কানায় কানায় ভর্তি এক সংসার। নীলাদ্রির মা বাবা আর ওরা দুজনে মিলে খুব সুখে ছিল, এমনকি ওঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসার খবরও আনন্দে মাতিয়ে দেবে গোটা দত্ত পরিবারকে। কিন্তু সুখ বেশিদিন সইল না নীলাদ্রির কপালে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয় সোনালি, জীবনের চরম পরিহাস তাকে মানসিকভাবে এমন এক অবস্থায় নিয়ে যায় যে সোনালির মুক্তি চায় নীলাদ্রি। Euthanasia করতে চায় ও। স্বেছা মৃত্যু যা মার্চ ২০১৮ থেকে ভারতে আইন সিদ্ধ কিন্তু কি চরম অবস্থার মধ্যে পড়লে নিজের আপনজন এটা চাইতে পারে সেটাই এই ছবির মাধ্যমে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ছবি ঃ প্রকাশ পাইন

অক্টোবর ৩০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

উপনির্বাচনের আগেই বড় প্রতিশ্রুতি শুভেন্দুর! পদ্ম ফুটলেই ‘দু’হাত ভরে দেব’ ঘোষণা

উপনির্বাচনের আগেই রেজিনগর থেকে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জনসভার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রেজিনগরের মানুষ যদি বিজেপিকে জয়ী করেন, তাহলে এলাকার উন্নয়নের জন্য বড় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর প্রতিশ্রুতি, একটি নয়, দুটি নতুন সেতু তৈরি করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও রাজ্যে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।শুক্রবার মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যে বর্তমানে বিজেপির দুইশো আটটি আসন রয়েছে। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপির জয় নিশ্চিত। সেই আসন ধরে রেখে সংখ্যা হবে দুইশো নয়। এরপর রেজিনগরেও জয় পেলে বিধানসভায় বিজেপির আসন আরও বাড়বে।ভোটারদের উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, রেজিনগরে পদ্মফুল ফুটলে উন্নয়নের কোনও অভাব হবে না। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বহু পরিযায়ী শ্রমিককে নিজের এলাকায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে, যাতে মানুষ পরিবার নিয়ে নিজের এলাকাতেই থাকতে পারেন।জনসভা থেকে তিনি রেজিনগরের প্রাক্তন জনপ্রতিনিধির নাম উল্লেখ না করেই কটাক্ষ করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষকে ধর্মের নামে বিভক্ত করার রাজনীতি নয়, উন্নয়নের রাজনীতি প্রয়োজন। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তারা কি সাম্প্রদায়িক বিভাজন চান, নাকি কাজ, উন্নয়ন এবং উন্নত জীবনযাত্রা চান।মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিজেপি সরকারের আমলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমান সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা ছড়িয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি। তাই উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকে সমর্থন করার আবেদন জানান তিনি।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর রেজিনগর এবং নওদাদুটি আসনে জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী দুজনকেই একটি করে আসন ছাড়তে হয়েছে। সেই শূন্য আসনগুলিতেই এবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, রেজিনগরের ফল আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

মমতার প্রিয় কেষ্ট এবার ঋতব্রতের পাশে! বীরভূমে বড় পালাবদলের জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিল অনুব্রত মণ্ডলকে ঘিরে বড় খবর। সূত্রের দাবি, তিনি এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এই খবরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।শুধু অনুব্রত মণ্ডলই নন, বীরভূমের আরও কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাও ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাজল শেখ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ সিংহ এবং প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। জানা গিয়েছে, এই নেতাদের আসল তৃণমূল-এর জাতীয় কর্মসমিতিতেও জায়গা দেওয়া হয়েছে।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক তপসিয়ায় শুরু হয়েছে। দুই দিনের এই বৈঠকে রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে। সেই বৈঠকেই বীরভূম জেলার সভাপতির দায়িত্ব অনুব্রত মণ্ডলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।এই বিষয়ে অনুব্রত মণ্ডলের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তাঁর জ্বর রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল কলকাতায় যেতে পারেন। যদিও শিবির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি।উল্লেখ্য, গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনুব্রত মণ্ডল দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। সেই সময় তাঁকে বীরভূম জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেয় দল। পরে কোর কমিটি গঠন করে তাঁকে সেই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও তিনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতিতে খুব বেশি দেখা যাননি। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেছিলেন, তাঁকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। বীরভূমে তাঁর প্রভাব এবং সংগঠনিক দক্ষতা আসল তৃণমূল-এর শক্তি আরও বাড়াতে পারে বলেও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হঠাৎ পরিদর্শনে চাঞ্চল্য! হাসপাতালের ভিতরে যা ধরা পড়ল, তারপরই বড় পদক্ষেপ

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আচমকা পরিদর্শনের পর বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং পরিষেবা নিয়ে একাধিক গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসার পর বারো জন কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চার জন ওয়ার্ড মাস্টার, চার জন নন-মেডিক্যাল সুপার, একজন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিস্টার, প্রসূতি বিভাগের দুই জন সিস্টার ইনচার্জ এবং একজন পরিষেবার মান নিয়ন্ত্রণ আধিকারিক।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী আচমকা পরিদর্শনে এসে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বারান্দায় পরিচ্ছন্নতার অভাব লক্ষ্য করেন। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বারান্দায় বিড়াল ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায়। এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশ মেনেই তদন্তের পর বারো জনকে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়েছে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাসত মেডিকেল কলেজ আগে জেলা হাসপাতাল ছিল। এখনও পুরনো ভবনেই অনেক পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। ফলে কিছু পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প তৈরি করে স্বাস্থ্য দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। খুব শীঘ্রই সেই প্রস্তাব পাঠানো হবে।বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই একাধিক সরকারি হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বারাসত মেডিকেল কলেজেও তিনি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং পরিচ্ছন্নতার অবস্থা খতিয়ে দেখেন। এরপরই রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে আরও কঠোর নজরদারির ঘোষণা করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিষেবার মান উন্নত করতে সরকারি হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালেও একই ব্যবস্থা চালু হবে। পাশাপাশি মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বা স্যালাইন ব্যবহার বন্ধ করতে প্রতি সপ্তাহে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিশেষ দল হাসপাতালগুলিতে নিয়মিত পরিদর্শন চালাবে।হাসপাতালে দালালচক্রের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য আলাদা পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে। যাঁদের কাছে সেই পরিচয়পত্র থাকবে না, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ নিয়ে চরম টানাপোড়েন! এবার আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়ল। ধর্মতলায় সভার অনুমতি না মেলায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। পুলিশের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। ফলে একুশে জুলাইয়ের সভা কোথায় হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এর আগে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের আবেদন খারিজ করে দেয় কলকাতা পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ধর্মতলার মতো ব্যস্ত এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। এরপর বিকল্প জায়গার অনুমতি চেয়ে রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রতপন্থীরা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতিও চাওয়া হয়। তবে সেই আবেদনেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।এই পরিস্থিতিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। তাদের দাবি, একুশে জুলাই তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তাই সভা আয়োজনের জন্য উপযুক্ত জায়গার অনুমতি প্রয়োজন।একুশে জুলাই দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। উনিশশো তিরানব্বই সালে মহাকরণ অভিযানের সময় গুলিতে নিহত তেরো জনের স্মৃতিতে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণেই ধর্মতলায় শহিদ দিবসের সভার আয়োজন করা হয়ে থাকে।তবে এবার পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নেতৃত্ব নিয়ে মতবিরোধের আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নতুন মাত্রা পেয়েছে। দলের সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা এবং কর্মীদের একজোট করার লক্ষ্যেই এবারের সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কালীঘাট তৃণমূল।ইতিমধ্যেই ধর্মতলায় সভার প্রস্তুতির জন্য কয়েকজন নেতা জায়গা পরিদর্শনে গেলে সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, ওই এলাকায় সভার অনুমতি দেওয়া হবে না। সেই সিদ্ধান্তের পরই আইনি পথ বেছে নিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

বেআইনি দখল মামলায় বড় মোড়! উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান হাইকোর্টের

ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বেআইনি নির্মাণ এবং রাস্তা দখল সংক্রান্ত মামলায় উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলাশাসকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট । আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সন্তোষজনক রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় জেলাশাসককে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তেইশে জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে হলফনামা এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে হবে।শুক্রবার মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ জেলাশাসকের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, একাধিকবার রিপোর্ট চাওয়া হলেও স্পষ্ট এবং পূর্ণাঙ্গ তথ্য জমা দেওয়া হয়নি। এমনকি আদালতের নির্দেশের পরও দায়সারা রিপোর্ট জমা পড়েছে বলে মন্তব্য করা হয়।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, একজন নিম্নপদস্থ কর্মীর মাধ্যমে কেন এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, জেলাশাসক কি নিজেকে ডিভিশন বেঞ্চের চেয়েও বড় মনে করছেন। আদালতের মতে, এই ধরনের আচরণ আদালতের নির্দেশকে গুরুত্ব না দেওয়ারই ইঙ্গিত বহন করছে।আদালত জানায়, এর আগেই সতর্ক করে বলা হয়েছিল, পরবর্তী রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হতে হবে। সেই নির্দেশও মানা হয়নি। তাই এবার তাঁকে আদালতে উপস্থিত থেকে রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে।বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী আরও বলেন, আদালতের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া উচিত নয়। পাশাপাশি বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ও প্রশ্ন তোলেন, জেলাশাসক কি এতটাই ব্যস্ত যে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় পাচ্ছেন না।মামলাকারীর অভিযোগ, ভিআইপি থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দখল করে পার্কিং এলাকা এবং বিয়েবাড়ি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নয়ানজুলি ভরাট করে একাধিক বেআইনি নির্মাণও হয়েছে। এই অভিযোগ নিয়ে দুই হাজার বাইশ সালে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।মামলার আগের শুনানিতে জেলা প্রশাসন স্বীকার করেছিল যে ওই এলাকায় জবরদখলের ঘটনা ঘটেছে। এরপর আদালত জানতে চেয়েছিল, সেই বেআইনি দখল সরাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু একাধিকবার জেলাশাসক বদল হলেও এখনও পর্যন্ত আদালতে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়েনি। সেই কারণেই এবার কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

জুলাই ১০, ২০২৬
বিদেশ

ফাঁসির আশঙ্কা জেনেও দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা! বিস্ফোরক বার্তায় তোলপাড় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিলেন। তিনি জানিয়েছেন, আর বিদেশে থেকে নয়, এবার নিজ দেশেই ফিরতে চান। দেশে ফিরে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। দেশে ফিরে তিনি আইন মেনে আত্মসমর্পণ করবেন। কোনও চাপের মুখে নয়, সম্পূর্ণ নিজের সিদ্ধান্তেই তিনি দেশে ফিরতে চান বলেও জানিয়েছেন।শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়তে পারেন। তবুও তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান। তাঁর কথায়, যদি মৃত্যু আসে, তবে তা নিজের দেশেই হোক। যেখানে তাঁর বাবা-মায়ের সমাধি রয়েছে, সেই মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলতে চান তিনি।তবে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বার্তা পাঠাননি শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রশ্ন কোনও গোপন আলোচনার বিষয় হতে পারে না।গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা নিয়েও তিনি ভীত নন বলে জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য, অতীতেও একাধিকবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। কিন্তু গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তাঁর জীবনের উপর বড় ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে কোনও সরকারের ভুল হতেই পারে। তবে সেই ভুলের বিচার করার অধিকার জনগণের। দেশের মানুষই ঠিক করবে কোন সরকার ভালো কাজ করেছে আর কোন সরকার ব্যর্থ হয়েছে।আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, যদি দল সত্যিই মানুষের সমর্থন হারিয়ে থাকে, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত জনগণ ভোটের মাধ্যমে নিক। কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা যায় না বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরের ছাত্র-যুব আন্দোলন এবং তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনে গুলি চালানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে গণহত্যার মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে। যদিও সেই রায় তিনি মানতে অস্বীকার করেছিলেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। পাশাপাশি ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে কড়া বার্তা হাইকোর্টের! আর এড়ানো যাবে না, দিতেই হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা

কলকাতা হাইকোর্টে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংক্রান্ত মামলায় নতুন মোড় এল। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্ধারিত দিনেই কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে। তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করা তাঁর আইনি দায়িত্ব বলেও আদালত জানিয়েছে।ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে একাধিকবার দিন নির্ধারণ করা হলেও তিনি নমুনা দিতে যাননি। তাঁর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি অস্বীকার করেননি। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই যুক্তি মানতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেন, আদালতের নির্দেশ মেনে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেন তিনি।শুনানির সময় বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও গত আট জুলাই কেন হাজির হননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ থাকা অবস্থায় ফের নতুন মামলা করারও সমালোচনা করেন তিনি। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আদালতের নির্দেশকে এভাবে উপেক্ষা করা ঠিক নয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, কণ্ঠস্বর দিতে আপত্তি নেই। শুধু কেন এই নমুনা প্রয়োজন, সেই বিষয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা যেন অন্য কোনও মামলায় ব্যবহার করা না হয়।তবে সেই আবেদনেও সায় দেয়নি আদালত। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আগামী পনেরো জুলাই দুপুর বারোটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতেই হবে। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নমুনা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কোনও ধরনের হেনস্থার ঘটনা যাতে না ঘটে, তা প্রশাসনকে দেখতে হবে।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal