• ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Batsman

খেলার দুনিয়া

C‌heteshwar Pujara : চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাব

২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইডেন টেস্টে ভিভিএস লক্ষ্মণ ও রাহুল দ্রাবিড়ের সেই জুটির কথা আজও বীরগাথা হয়ে আছে ক্রিকেট ইতিহাসে। ফলোঅনে বাধ্য হয়েও টেস্ট জিতেছিল ভারত। আরও একটা টেস্টের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সেটা আবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই। ২০০২ সালে নটিংহ্যাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৫০রও বেশি রানে পিছিয়ে থেকে টেস্ট ম্যাচ বাঁচিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির ভারত। হেডিংলেতে কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবে টিম ইন্ডিয়া? ৩৫৪ রানে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থেকে দুরন্ত লড়াই কোহলিদের। ভারতকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ছন্দে ফেরা চেতেশ্বর পুজারা।আগের দিনের ৮ উইকেটে ৪২৩ রান হাতে নিয়ে খেলতে নেমেছিল ইংল্যান্ড। শুক্রবার অবশ্য ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে বেশি বাড়তে দেননি ভারতীয় বোলাররা। তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ। প্রথমে ফেরেন ক্রেগ ওভারটন। তিনি ৪২ বলে ৩২ রান করে মহম্মদ সামির বলে এলবিডব্লুউ হন। রবিনসন কোনও রান না করেই যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। ৪৩২ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেএরপরই ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের বোলারদের সামলাতে নেমে পড়েন রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলরা। ভারতের দুই ওপেনার ভালোই শুরু করেছিলেন। কিন্তু ছন্দ কাটে ক্রেগ ওভারটনের দুর্দান্ত একটা আউটসুইংয়ে। তাঁর বল লোকেশ রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে দ্বিতীয় স্লিপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। বাঁদিকে শরীর ছুঁড়ে একহাতে দুরন্ত ক্যাচ নেন জনি বেয়ারস্টো। এরপর শুরু হয় রোহিত ও পুজারার লড়াই। এদিন অন্য পুজারাকে দেখা গেল। আগের তুলনায় অনেক বেশি কম্পোজড। রোহিত শর্মাকেও অন্যরকম মনে হল। ১২৫ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন রোহিত। মধ্যাহ্নভোজের সময় ভারতের রান যেখানে ১ উইকেটে ৩৪ ছিল, চা বিরতিতে গিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১১২।আরও পড়ুনঃ আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?চা পানের বিরতির পরপরই ধাক্কা খায় ভারত। অলি রবিনসনের বলে এলবিডব্লুউ হয়ে সাজঘরে রোহিত। ১৫৬ বলে তিনি করেন ৫৯। পুজারার সঙ্গে জুটিতে তিনি তোলেন ৮২ রান। এরপরই ব্যাট হাতে অন্য ভুমিকায় দেখা গেল চেতেশ্বর পুজারাকে। যেন সমালোচকদের জবাব দিতেই মাঠে নেমেছেন। ৯১ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। কোহলির ব্যাটিংয়েও বড় রানের ইঙ্গিত। এখন দেখার ২০০২ সালের নটিংহ্যামের স্মৃতি হেডিংলেতে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারে কিনা কোহলি ব্রিগেড। ৭৪ ওভারে ভারত তোলে ১৯৪/২। সেঞ্চুরি থেকে ১৮ রান তখন দুরে ছিলেন পুজারা (৮২)। তৃতীয় দিনের শেষে ভারত ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২১৫। পুজারা ৯১ ও কোহলি ৪৫ রানে ক্রিজে রয়েছেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এখনও ১৩৯ রানে পিছিয়ে।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌jinka Rahane: সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানে

দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চারিদিক থেকে শুধুই সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রথম একাদশ থেকে ছেঁটে ফেলার দাবি তুলেছিলেন। সমালোচকদের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন অজিঙ্কা রাহানে। শুধু আত্মপক্ষ সমর্থনই করেননি, ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক পাশে দাঁড়িয়েছেন সতীর্থ চেতেশ্বর পুজারারও।আরও পড়ুনঃ বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণারবুধবার থেকে হেডিংলেতে ভারতইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরু। তার আগে সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অজিঙ্কা রাহানে বলেন, কে কী বলল, তা গায়ে মাখি না। সমালোচনাগুলিকে আশীর্বাদ হিসেবেই দেখি। সব গুরুত্বপূর্ণ মানুষদেরই সমালোচনা হজম করতে হয়। নিজের পারফরম্যান্সের থেকেও দিনের শেষে দলকে কতটা দিতে পারলাম, সেটাই আমার কাছে বড় ব্যাপার। চেতেশ্বর পুজারা ও আমি দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। এই পর্যায়ে কীভাবে চাপ ও কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় জানি। অন্যরা কী বলল, তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে দলের সাফল্যে মনোনিবেশ করি।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ানলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬১ রান করে দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। ম্যাচের অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এইরকম ইনিংস খেলতে পেরে তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন রাহানে। তিনি বলেনস উইকেটে টিকে থাকাটাই আমার ও চেতেশ্বর পুজারার পরিকল্পনা ছিল। মন্থর হলেও সেদিন ২০০ বল খেলে পুজারা যে ইনিংস উপহার দিয়েছে, তা অমূল্য। লর্ডসে ব্যাটিং করার সময় আমরা কে অপরকে তাতিয়েছিলাম। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ১৭০১৮০ রান তোলাও যে সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, আগেই বুঝতে পেরেছিলেন বলে জানান রাহানে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল২০১৪ ও ২০১৮ সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত। সেই পরাজয়ের কথা মাথায় রাখছেন না রাহানে। লর্ডস টেস্টের জয়কে বড় সাফল্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে সেখানে আটকে না গোটা দল সামনের দিকে তাকাচ্ছে বলে রাহানে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আপাতত হেডিংলে টেস্ট জেতাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা প্রতিটা ম্যাচ ধরে এগিয়ে চলেছি। গোটা দল আত্মবিশ্বাসী। তাই আমরা এইরকম ভাল ক্রিকেট খেলতে পারছি।হেডিংলের পরিবেশ, উইকেট নিয়ে চিন্তা করছি না। পরিবেশ যাই হোক না কেন, ১০০ শতাংশ উজার করে দেব। চোটের জন্য লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে পারেননি শার্দুল ঠাকুর। তবে তৃতীয় টেস্টের আগে তিনি পুরো ফিট বলে জানিয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। তবে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dilip Vengsarkar : লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিল

লর্ডস টেস্টে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে চমকে দিয়েছে বিরাট কোহলির ভারত। ২০০৩ সালে এই লর্ডসেই ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতেছিল সৌরভ গাঙ্গুলির টিম ইন্ডিয়া। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর মহারাজের ঔদ্ধত্য অবাক দৃষ্টিতে দেখেছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিন্তু লর্ডসে দেশের টেস্ট জয়ের শুভ সূচনার নায়ক কে জানেন? দিলীপ বেঙ্গসরকার। তাঁর হাত ধরেই লর্ডসে টেস্টে ভারতের প্রথম জয়ে এসেছিল ১৯৮৬ সালে। দিলীপ বেঙ্গসরকার এমন একটা কৃতিত্ব লর্ডসে স্থাপন করেছেন, আজও অমিল হয়ে আছে।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টে ডেভিড গাওয়ারের ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৯৪। জবাবে ভারত তুলেছিল ৩৪১। দিলীপ বেঙ্গসরকার ১২৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮০ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ভারতের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৩৪। ৫ উইকেট হারিয়ে ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন বেঙ্গসরকার। লর্ডসে ভারতের প্রথম টেস্ট জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সেই জয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালে লর্ডস টেস্টের শেষদিনে চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য আমাদের দরকার ছিল ১৩৪। দ্রুত ৫ উইকেট পড়ে গেলেও আমরা ৪২ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিলাম। ওই জয়টা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ওটাই ছিল লর্ডসে দেশের প্রথম টেস্ট জয়।আরও পড়ুনঃ কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলালর্ডস অনেক কীর্তির সাক্ষী। অনেক রেকর্ড এই মাঠে হয়েছে। আবার ভেঙেছে। কিন্তু দিলীপ বেঙ্গসরকার যে রেকর্ড লর্ডসে গড়েছেন, আজও অমলিন হয়ে রয়েছে। লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করার অনন্য নজির রয়েছে বেঙ্গসরকারের। ১৯৭৯ সালে তিনি প্রথম লর্ডসে সেঞ্চুরি করেন। লর্ডসে পরের টেস্ট খেলেন ১৯৮২ সালে। সেই টেস্টেও সেঞ্চুরি করেছিলেন বেঙ্গসরকার। ১৯৮৬র সিরিজেও লর্ডসের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত কোনও ব্যাটসম্যান লর্ডসে টানা তিনটি সেঞ্চুরি করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ হিন্দোলের তবলার দোলায় মাতোয়ারা শিকাগোচলতি সিরিজে ভারতীয় বোলিং সংস্কৃতির পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ দিলীপ বেঙ্গসরকার। পরপর দুটি টেস্টে ভারতীয় জোরে বোলিংয়ের বিপ্লব হিসেবে দেখে মুগ্ধ দেশের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। তিনি বলেছেন, এই প্রথম আমরা চারজন জোরে বোলার নিয়ে টেস্ট খেললাম। আগে আমরা কখনও এই ধরনের বোলিং কম্বিনেশনের কথা চিন্তাভাবনা করিনি। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে আমি যখন প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলি, তিনজন স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। এখন মানসিকতার বদল ঘটেছে। চারজন জোরে বোলার খেলানোর পরিকল্পনা কাজে দিয়েছে। লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ডের ২০টা উইকেটের মধ্যে ১৯টা তুলে নিয়েছে জোরে বোলাররা।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে?‌ ধোঁয়াশা রাখলেন কোহলি

বুধবার থেকে নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে শুরু হচ্ছে ভারতইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় সংস্করণের এটাই প্রথম টেস্ট। সাধারণত ম্যাচের আগের দিন প্রথম একাদশ ঘোষণা করে দেয় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে মাঠে নামার আগে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে দিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে, মিডল অর্ডারই বা কীভাবে সাজানো হচ্ছে, খোলসা করলেন না।আরও পড়ুনঃ মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন মায়াঙ্ক আগরওয়ালম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে কোহলি বলেন, ম্যাচের দিন সকালে প্রথম একাদশ ঘোষণা করব। রোহিতের সঙ্গে কে ওপেন করবে, তা চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রথম একাদশ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। মহম্মদ সিরাজের বলে মাথায় চোট পেয়ে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল। অভিমন্যু ঈশ্বরণের ট্রেন্টব্রিজে টেস্ট অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা কম। রোহিত শর্মার সঙ্গে সম্ভবত ওপেন করবেন লোকেশ রাহুল অথবা হনুমা বিহারী। শার্দুল ঠাকুরের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি উড়িয়ে দেননি কোহলি। তিনি বলেন, শার্দুল অলরাউন্ডার হিসেবে সুযোগ পেতেই পারে। টেস্টসহ যে কোনও ফরম্যাটেই শার্দুলের উপস্থিতি দলে ভারসাম্য এনে দেয়।আরও পড়ুনঃ বেলজিয়ামের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ মনপ্রীতদেরচেতেশ্বর পূজারার অফফর্ম ও মন্থর ব্যাটিং নিয়ে চিন্তিত নন কোহলি। তিনি বলেন, আমি মনে করি পুজারা ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রিকেটার। ওর যা অভিজ্ঞতা রয়েছে তাতে এই বিষয়টি ওর উপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। খেলায় কোথায় কী খামতি হচ্ছে সেটা বুঝে তা পুষিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারই পারে। দলের প্রত্যেকেই ওয়াকিবহাল দলের ভালোর জন্য কী প্রয়োজন। সমালোচনা অপ্রয়োজনীয়। পুজারাও এ সবে গুরুত্ব দেয় না।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুট্রেন্টব্রিজ ভারতের কাছে পয়া মাঠ। ২০১৮ সালের ইংল্যান্ড সফরে ভারত পাঁচ টেস্টের সিরিজে ১৪ ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। ওই সিরিজে একমাত্র জয় এসেছিল ট্রেন্টব্রিজে। এবার কি পয়া মাঠে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে পারবে ভারত? বিরাট কোহলি কি ২০১৮ সিরিজের মতো জ্বলে উঠতে পারবেন? দুই ইনিংসে ৯৭ ও ১০৩ রান করে ম্যাচের সেরা হয়েছিলেন কোহলি। এবারও তাঁকেই টার্গেট করছে ইংল্যান্ড শিবির। চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি ভারত অধিনায়কও।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াটেস্টে ৫ বার জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি। যদিও ২০১৮র সিরিজে অ্যান্ডারসন একবারও কোহলিকে আউট করতে পারেননি। এবারও বিরাটের উইকেটই যে ইংল্যান্ড টার্গেট করছে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অ্যান্ডারসন। তিনি বলেন, আমাদের যে কোনও বোলার বিরাটের উইকেট পেলে ভালোই। তা নিয়ে কোনও আক্ষেপ থাকবে না। এই উইকেটটা আমাদের কাছে খুব বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। শুধু ব্যাটসম্যান নন, অধিনায়ক হিসেবেও বিরাট দলকে দারুণভাবে পরিচালনা করে, অনেক বড় মাপের ক্রিকেটার। ওর বিরুদ্ধে খেলতে মুখিয়ে রয়েছি। সব সময় বিশ্বের সেরা চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।

আগস্ট ০৩, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal