• ২ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bar

রাজ্য

বর্ধমানের জঙ্গলমহলে নেকড়ের হানা, পিটিয়ে মারল গ্রামবাসী

রাজ্যের পশ্চিমের জঙ্গলমহেল বাঘের আতঙ্কে মানুষ সিঁটিয়ে আছে। ঠিক তখন পূর্ব বর্ধমানে হেরোলের আক্রমণে দখম হয়েছে প্রায় ১৫ জন গ্রামবাসী। তবে ইতিমধ্যে ওই হেরোলটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হল। জনরোষ আছড়ে পডল বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণীটির ওপর।পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদ থানার গোবিন্দপুর গ্রামে হিংস্র হেরোল- বেশ কয়েকজনকে কামড়ে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়ায় আশেপাশে গ্রামেও। শেষমেশ উত্তেজিত জনতা ওই বন্য প্রাণীটিকে পিটিয়ে হত্যা করে। জানা গিয়েছে, খাবারের খোঁজে ক্রমাগত গ্রামে গ্রামে হেরোলের হানা চলছিল। ছোট ছোট গবাদি প্রাণীদের রক্ষার জন্য সচেষ্ট হলেই ওই হেরোল আক্রমণ করত। তাতেই জখম হত সাধারণ গ্রামবাসী।হেরোলের আসল নাম ইন্ডিয়ান গ্রে উলফ। ভারতীয় উপমহাদেশে এর দেখা পাওয়া যায়। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকবছর ধরে হেরোলের সংখ্যা বেড়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কাঁকসা, আউশগ্রাম ও জেলার বিভিন্ন ছোট ছোট জঙ্গলে এদের বসবাস। সংখ্যায় বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে এদের খাবারেও অভাব দেখা যাচ্ছে। তাই লোকালয়ে হানা দিয়ে ছাগল, মুরগি শিকারের চেষ্টা করছে তারা। যার জন্য বাড়ছে মানুষের সঙ্গে সংঘাত।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান, মদ্যপ চালককে আটক করে কলকাতায় নিরাপদে নার্সিংহোমে পৌঁছাল শিক্ষক দম্পতি

মদ্যপানরত চালকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু বর্ধমান থানায়, শিক্ষক দম্পতিকে নিরাপদে নাইটিংগেল হাসপাতালে পৌঁছে দিল বীরহাটা ট্রাফিক। শুক্রবার কার্জনগেট থেকে একটি পাবলিক গাড়ি ট্রাফিক সিগন্যাল ভেঙ্গে ওভারস্পিডে যাচ্ছিল তখন হঠাৎ সন্দেহের ভিত্তিতে ট্রাফিকে ডিউটিরত অফিসার এবং কনস্টেবলেরা গাড়িটিকে ধাওয়া করে। গাড়িটি বড়-নীলপুরের কাছে আটক করে। সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখা যায়, গাড়ির চালক মাদ্যপানরত অবস্থায় পেশায় শিক্ষক এক দম্পতিকে কলকাতায় নাইটিংগেল হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অ্যালকোহল মাপক যন্ত্র দিয়ে চেক আপ করে চালকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। বর্ধমান থানার কাছে ওই চালককে তুলে দেয়। এমনকি দম্পতির জন্য আরেকটি গাড়ির ব্যবস্থা করে সুস্থ অবস্থায় নাইটিংগেল হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার নিরাপদ ব্যবস্থাও করে পুলিশ।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রতিবাদে "আম্মা"র বিশাল সমাবেশ বারাসতে

আরজি কর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতি ও গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজানোর দাবিতে বারাসতে বিরাট মিছিল করল আম্মা। মিড ডে মিল কর্মীদের সংগঠন AMMA (Association of Midday Meal Assistants), (অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে) এই প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিল। তারপর বিশাল সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আম্মার নেতৃত্ব। বারাসতের কাছারি ময়দান থেকে এই মিছিল শুরু হয়।আর জি কর হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনিক গাফিলতির প্রতিবাদে এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজানোর দাবিতে বারাসতে কর্মসূচি নেয় আম্মা। এই কর্মসূচি করতে আপত্তি জানিয়েছিল প্রশাসন। প্রশাসনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে । হাইকোর্টের অনুমতিতে এদিন কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলে বেশ ভিড় হয়েছিল। এর আগে মিড ডে মিল কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে হাজার হাজার মানুষের মিছিলে কলকাতা প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল।Indian Public Health Standard 2022 অনুযায়ী প্রত্যেকটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে গড়ে তুলতে হবে, হাসপাতালে ডাক্তার এবং নার্সের সংখ্যা পর্যাপ্ত হারে বৃদ্ধি করতে হবে, বিনামূল্যে ওষুধের সরবরাহ রাখতে হবে, মাতৃত্বকালীন যোজনার টাকা প্রত্যেক মায়ের হাতে তুলে দিতে হবে, মিড ডে মিল কর্মীদের স্বীকৃতি দিতে হবে, Health on the March নামক স্বাস্থ্য রিপোর্ট প্রতি বছর নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে। এই সমস্ত দাবিতে আজকের এই সমাবেশে কয়েক হাজার জমায়েত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন আম্মার পক্ষে নাতাশা খান, শৈলেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শাওন দাস, অ্যাডভোকেট শামীম আহমেদ, জুবি সাহা। আগামী দিনে ব্লকে ব্লকে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সমাবেশ শেষ হয়।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজনীতি

জামালপুরে মিঠুন চক্রবর্তীর সভায় বিশৃঙ্খলা, বর্ধমানে বিজেপির সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন মুম্বাইয়ের সুপারস্টারের

বাংলায় বিজেপির সদস্যতা অভিযান চলছে। সদস্যকরণ অভিযান কর্মসূচি সফল করলে ঘুরে বেরাচ্ছেন বিজেপি নেতা মুম্বাইয়ের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতাকে আসরে নামিয়ে বাজিমাত করতে চায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কর্মসূচি অংশ নিতে সোমবার দুপুরে মিঠুন চক্রবর্তী প্রথমে পৌঁছান পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে পাঁচরা এলাকার একটি সভাগৃহে । সেখানে সভা শুরু হতে না হতে বিশৃঙ্খলা দেখে বিতশ্রদ্ধ মিঠুন চক্রবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে সভাঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তিনি সোজা রওনা দেন বর্ধমানের জেলা দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে। জেলা অফিসে সাংবাদিক বৈঠকেও বিজেপির আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে ক্ষোভের কথা উগরে দেন মিঠুন। তিনি বলেন, আমি বিজেপির সংগঠন নিয়ে ১০০ শতাংশ সন্তুষ্ট নই। এটা বলতে আমি ভয় পাই না। আমি খোলাখুলি বলছি, বঙ্গ বিজেপিকে আরো শক্তিশালী হতে হবে।। নিজেদের মধ্যে খিটিমিটি যা আছে, তা সব মিটিয়ে নিয়ে সবাইকে এক হয়ে লড়তে হবে। মিঠুন চক্রবর্তীর কথায়, এখন দেখা যাচ্ছে বিজেপির লোকজনের পার্টিকে ভালোবাসা কম, পাওয়ারের ইচ্ছেটা বেশি দেখাচ্ছে। তবে এসব ঠিক হয়ে যাবে বলে মিঠুন চক্রবর্তী আশা প্রকাশ করেছেন।বাংলাদেশের ভারত বিদ্বেষ এবং বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর হয়ে চলা নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একের পর এক জঙ্গি ধরা পড়া নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতো মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, বাংলা জঙ্গিদের স্বর্গ রাজ্য হয়ে গিয়েছে, এটাতো আমাদের জন্য বিশাল গর্বের ব্যাপার! কাশ্মীরের জঙ্গি এখানেই আসবে, এখানেই ট্রেনিং নেবে। ট্রেনিং নিয়ে আবার অন্য কোথাও হামলা করবে। সকলকে এক হয়ে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন মিঠুন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে টেলারিং কারবারির বাড়িতে ইডির হানা, রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে ১০ লক্ষ টাকা লেনদেন

কারবার বলতে সামান্য টেলারিং। মঙ্গলবার সাত সকালে বর্ধমান শহরের লস্করদিঘিতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। টেলারিং কারবারির বাড়িতে ইডির হানায় রীতিমতো চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও রীতিমতো হতবাক। জানা গিয়েছে,এই টেলারিংয়ের কাজ করা মইনুল হাসানের বাড়িতে দিনভর তল্লাশি চালায় সিবিআই। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। রহস্য দেখা দিয়েছে ১০ লক্ষ টাকা লেনদেন নিয়ে।জানা গিয়েছে, মইনুল হাসানের একটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে এক দিনে ১০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। আবার দেরি না করে ওই দিনই সেই টাকা তুলে আবার অন্য একজনকে দিয়েও দিয়েছেন তিনি। এই নিয়েই ইডির পাঁচ জনের একটি দল এদিন সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৫ পর্যন্ত ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায় মইনুল হাসান মল্লিক ও তাঁর পরিবার সদস্যদের। কি কারণে ইডির হানা? তা অবশ্য সংবাদ মাধ্যমের কাছে গোপন রাখেননি মইনুল। তিনি বলেন,গত ২১ নভেম্বর তাঁর একাউন্টে ১০ লক্ষ টাকা দেয় সুকান্ত ব্যানার্জী নামে একজন পরিচিত। সুকান্তর বাড়ি দক্ষিণেশ্বরে। ওই দিনই সুকান্তর কথা মত তিনি অপর একজনকে ওই ১০ লক্ষ টাকা তুলে দেন। বর্ধমানের ভাঙাকুঠি এলাকার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখায় অ্যাকাউন্ট রয়েছে মইনুলের। এখন ওই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সিজ করা আছে। যদিও টাকা তুলে যে ব্যক্তির হাতে তিনি ওই টাকা তুলে দিয়েছেন সেই ব্যক্তি তাঁর অপরিচিত বলে মইনুল হাসান মল্লিক দাবি করেছেন। তাঁকে তিনি চেনেন না বলেই জানিয়েছেন মইনুল। ওই ১০ লক্ষ টাকার লেনদেনের পরিপেক্ষিতেই তাঁর বাড়িতে ইডির আধিকারিকরা হানা দেয়।মইনুলের বক্তব্য়, সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বলছেন ওই ১০ লক্ষ টাকার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। কেন তিনি এই টাকা নিয়ে মাঝে থেকে লেনদেন করেছেন তাঁর সদুত্তর দিতে পারেননি মইনুল হাসান। তদন্তকারীদের অনুমান, কোনও কারণ ছাড়া কেউই নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ লক্ষ টাকার লেনদেন করবে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাছাড়া কিছু সময়ের ব্যবধানে কে টাকা দিল অ্যাকাউন্টে, আর কাকে মইনুল টাকা তুলে দিল তা নিজেই জানেন না, এতে রহস্য দেখতে পাচ্ছে তদন্তকারীরা।এদিকে মইনুল জানিয়েছেন, ইডি আধিকারিকরা তাঁকে সাত দিন সময় দিয়েছেন। এই সাতদিনের মধ্যে ওই ১০ লক্ষ টাকা লেনদেনের বিষয়ে সঠিক তথ্য তুলে দিতে হবে। প্রশ্ন উঠেছে, কারও কথা মতো তিনি কি করে ১০ লক্ষ টাকার এমন তড়িঘড়ি লেনদেনের দায়িত্ব নিলেন? সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কাউকে চিনতেও পারছেন না মইনুল! তাঁকে সুকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় ফাঁসিয়েছে বলে মইনুলের দাবি।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলনী ঘিরে ভাতারে বিশৃঙ্খলা, কোনওরকমে সামলালেন বিধায়ক

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনীকে কেন্দ্র করে তুলকালাম পরিস্থিতি। গন্ডগোলের রেশ গড়িয়েছে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য় সড়কে। রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিজয়ার অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত অশান্তি ও দ্বন্দ্বে চলতে থাকে বিশৃঙ্খলা। ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী নিজে পরিস্থিতি সামলাতে নাজেহাল হয়ে যান। নিজে পথে নেমে কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দেন। শেষমেশ ভাতার হাউজিং মাঠে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। কোনওপ্রকারে অনুষ্ঠান শুরু হলেও উত্তেজনা চলতেই থাকে। ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি অশোক হাজরাকে উত্তেজিত হতে দেখা যায়। ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাসুদেব যশ অশোকবাবুকে শান্ত করার চেষ্টা করতে থাকেন। সেই সময় মঞ্চের আশপাশে কর্মীদের একাংশ চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেন। মঞ্চে অশান্তি চলতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করে দিয়ে বিজয়া সম্মিলনী শেষ করে দিতে বাধ্য হন নেতারা। ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, বিজয়া সম্মিলনী একটা মিলনের অনুষ্ঠান। আনন্দের বিষয়। তাই আমরা প্রথম থেকেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করব বলে ঠিক করেছিলাম। বক্তৃতা পর্ব রেখে অনুষ্ঠান দীর্ঘায়িত করতে চাইনি। বিশৃঙ্খলার বিষয়টি অবশ্য বিধায়ক এড়িয়ে যান। এ নিয়ে তাঁর সাফাই, বাইরে কি ঘটেছে সঠিক জানি না। অনুষ্ঠান সুষ্ঠ ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর, বেশ কিছু দিন ধরেই ভাতারে দলের সহ সভাপতি অশোক হাজরার সঙ্গে দলের একাংশের মনোমালিন্য চলছে। বিশেষ করে ভাতার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অশোকবাবুর প্রভাব রয়েছে। দলের অভ্যন্তরের কিছু সমস্যা এমনিতেই চলছিল। বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে তা প্রকাশ্যে চলে আসে। যদিও অশোক হাজরার দাবি, বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে প্রচুর জনসমাগম হয়েছিল। অত্যাধিক ভিড়ের কারণে সামান্য বিশৃঙ্খলা হয়েছিল। তবে তারপর সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠান হয়েছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে চক্ষু হাসপাতালের উদ্বধোনে নজর কাড়লো দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রী

বর্ধমানে পার-বীরহাটার আরজি ভবনে বর্ধমান আই কেয়ার-এর উদ্যোগে বিনা মূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। আর পাঁচটা সংস্থার মত শুধুমাত্র চক্ষু পরীক্ষা করেই দায় সারেননি তাঁরা। যে সমস্ত মানুষেরা আজ চক্ষু পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন তাঁদের বিনামূল্যে ঔষধ-ও প্রদান করা হয় সংস্থার পক্ষ থেকে। এছাড়াও আজ যাঁরা চক্ষূ পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে ১০ জনের বিনা মূল্যে চক্ষূ অপারেশনের দায়িত্ব নিয়েছে বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম।বুধবার ৩রা আগস্ট বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম বহু মানুষ এসে তাঁদের চক্ষু পরীক্ষা করান। বুধবার যারা চক্ষু পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন পরিবেশে ভারসাম্য রক্ষার দায়িত্ব স্মরণ করাতে প্রত্যেককে একটি করে চারাগাছ উপহার দেওয়া হয়। তাঁদের এই মহৎ উদ্যোগের উদ্বোধনেও ছিল চমক। বর্ধমান আই কেয়ার-এ আজকের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনের জন্য কোনও নামি-দামিদের পিছনে না ছুটে আমন্ত্রন জানিয়েছিলেন বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীদের।বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের বিশেষ ক্ষমতায় মুগ্ধ করেন উপস্থিত সকলকে। তাঁদের নাচ, গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ। মহালয়ার পূণ্য লগ্নে এক দৃষ্টিহীন ছাত্রীর বাজলো তোমার আলোর বেণু সত্যি-ই যেন বেণূর সুরে সন্মোহিত করে দিলো উপস্থিত সকলকে।সংস্থার কর্নধার বিশিষ্ঠ চক্ষু বিশারদ ড. সৌরভ ঘোষ জানান, আজ তাঁরা তাঁদের নতুন চক্ষূ পরীক্ষা কেন্দ্র বর্ধমান আই কেয়ার নার্সিং হোম উদ্বোধনী দিনে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষার আয়োজন করেছেন। এবং বর্ধমান ব্লাইন্ড একাডেমী দৃষ্টিহীন ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের নুতন চক্ষু পরীক্ষা কেন্দ্রের উদ্বোধন করছেন। ভবিষ্যতেও এই ধরনের নানাবিধ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
উৎসব

নগরবাসীর মঙ্গল কামনায় ঘট উত্তোলনের মাধ্যমে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে দুর্গা পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ল রাঢ় বঙ্গে

বর্ধমান রাজ পরিবারের প্রথামতই প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরেও মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে বর্ধমান শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলা ঘট উত্তোলন ও প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়েই বর্ধমানে আনুষ্ঠানিকভাবে শারদ উৎসবের সূচনা হল। আজ বৃহস্পতিবার প্রতিপদে রূপোর ঘটে রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠিত জলাশয় কৃষ্ণসায়ের থেকে জল ভরে নিয়ে আসা হয়। সর্বমঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ডের আয়োজনে বিবিধ বাদ্যযন্ত্রের সমবেত পরিবেশনায় এক্কাগাড়িতে করে ঘট নিয়ে শোভাযাত্রার মাধ্যমে মঙ্গল ঘট মন্দিরে এনে তা প্রতিষ্ঠা করা হয়। বৃহস্পতিবার বর্ধমানে মা সর্বমঙ্গলার ঘট উত্তোলন শোভাযাত্রায় বিভিন্ন জায়গার অসংখ্য মানুশ অংশগ্রহ্নন করেন।কৃষ্ণসায়রের চাঁদনী ঘাট থেকে ঘটে জল ভরে সুসজ্জিত এক্কাগাড়ি করে মন্দিরের উদ্দেশ্যে শুরু হয় শোভাযাত্রা, সেই ঘট রাঢ়বঙ্গের অন্যত্যম অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মায়ের মন্দিরে আনা হয় তারপর সেই ঘট প্রতিষ্ঠা করে শুরু হয় দেবী সর্বমঙ্গলার দূর্গা পুজোর আবাহন।জানায়ায় ১৭০২ সালে স্বপ্নাদেশ পেয়ে চুনুরীদের কাছে থাকা দেবীর মুর্তীটি বর্ধমান শহরের অদুরে দামোদর নদের পার থেকে উদ্ধার করে বর্ধমানের মহারাজ কীর্তিচাঁদ মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন। তখন থেকেই বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার পুজা শুরু হয়। রাঢ়বঙ্গের প্রথম নবরত্ন মন্দির এটি। এই মন্দিরের দুটি প্রবেশদ্বার রয়েছে। পূর্ব দিকের প্রবেশদ্বারটি অধিক পুরাতন। মন্দিরের দক্ষিণ দিকে আরও একটি প্রবেশ দ্বার আছে সেটিকেই প্রধান প্রবেশদ্বার বলা হয়ে থাকে। দক্ষিণ দিকের প্রবেশদ্বারের সামনেই রয়েছে দুটি শিবমন্দির। একটির নাম চন্দ্রেশ্বর। অপরটির ইন্দ্রেশ্বর। কথিত আছে এই দুটি মন্দির-ই বর্ধমানের রাজা চিত্রসেন রায়ের দুই রানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সর্বমঙ্গলা মন্দিরের সামনেরদিকে আরও তিনটি উত্তরমুখী শিবের মন্দির আছে। যেগুলির নাম যথাক্রমে রামেশ্বর, কমলেশ্বর এই দুটি মন্দিরের গায়ে টেরাকোটার কাজ লক্ষিত করায়ায়। মন্দিরের শ্বেতপাথরের শিবলিঙ্গ আছে। এই দি মন্দিরের মধ্যে রয়েছে মিত্রেশ্বর শিব মন্দির। যার শিবলিঙ্গ কালো পাথরের।প্রতি বছরই প্রথা মেনে মহালয়ার পরের দিন প্রতিপদে দেবীর ঘট উত্তলোন হয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজপরিবারের প্রথা মেনে দশমি অবধি নয় (৯) দিন ধরে চলবে মা সর্বমঙ্গলার পুজো। দৈনন্দিন প্রথা মেনে দুর্গা পুজার দিনগুলিতেও মায়ের নিত্যপুজার কোনও হেরফের হয় না। দেবী অষ্টাদশভূজা সিংহবাহিনী কষ্টিপাথরের খোদাই করা মূর্তি। সুবিশাল রুপোর সিংহাসনে তিনি অধিষ্টাত্রী থাকেন। আগে মহাঅষ্টমীর সন্ধি পুজোয় কামান দাগা হতো, মেষ, মহিষ ও ছাগ বলি হতো বলে জানা যায়। কামান ব্লাস্ট হয়ে বহু মানুষের হতাহতের কারণে বর্তমানে আর কামান দাগানো হয় না। কথিত আছে, সর্বমঙ্গলা মন্দিরের সন্ধিপুজোর কামানের আওয়াজ শুনে আশেপাশের গ্রামগুলির সমস্ত জমিদার বাড়িতে সন্ধিপুজো শুরু হতো। সর্বমঙ্গলা মন্দিরে নবমী তিথিতে নবকুমারী পুজো হয়। নবদুর্গার বিভিন্ন রুপকে নব কুমারী রুপে পুজোর প্রচলন আছে এই মন্দিরে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

'ছকে' বাঁধা চিন্তার বাইরে গিয়ে 'কিস্তিমাত' বর্ধমানের স্কুলের

বর্তমান প্রজন্মের কাছে ইন্ডোর গেম কথার অর্থ যেখানে PUBG: Battlegrounds, Minecraft, Grand Theft Auto, সমকালীন সেই চাহিদা/ধারনার বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য ভাবনার মানুষ অচিন্ত্য মন্ডলের ঐকান্তিক উদ্যোগে দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল আয়োজন করলো দুই দিন ব্যাপী দাবা প্রতিযোগীতার। অক্টোবরের ১ ও ২ তারিখ যথা মঙ্গল ও বুধবার বর্ধমান মডেল স্কুল প্রাঙ্গণে দুই দিন ব্যাপী এই সুবিশাল কর্মকান্ড চলে।১লা অক্টোবর মঙ্গলবার প্রতিযোগিতার প্রথম দিন বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান সহোদয়া স্কুল কমপ্লেক্স সিবিএসসি (CBSE) অধীনস্থ বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র - ছাত্রীদের জন্য আন্ত স্কুল দাবা আয়োজন করা হয়। দুই জেলার স্কুল ভিত্তিক এই প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করে -বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল, বার্নপুর, পশ্চিম বর্ধমান। দ্বিতীয় স্থান লাভ করে আয়োজক স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল, বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও যথাক্রমে তৃতীয় স্থান অর্জন করে পূর্ব বর্ধমান জেলারই মেমারি ক্রিস্টাল মডেল স্কুল, মেমারি।বয়স ভিত্তিক স্কুল দাবায় বিভিন্ন বিভাগে রেজাল্ট হলঃ অনুর্ধ-১১- বর্ধমান মডেল স্কুল (প্রথম), বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৪- ডিএভি মডেল স্কুল দুর্গাপুর (প্রথম) ও বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৭- বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (প্রথম) ও বর্ধমান মডেল স্কুল (দ্বিতীয়)। অনুর্ধ-১৯- বার্নপুর রিভারসাইড স্কুল (প্রথম) ও পুর্ব ইন্টারন্যাশানাল স্কুল (দ্বিতীয়)। সহোদয়া স্কুল কমপ্লেক্স সিবিএসসি (CBSE) এর মস্তিস্ক প্রসূত একটি উদ্যোগ, যাহা সংশ্লিষ্ট জেলার সকল সিবিএসসি (CBSE) অনুমোদিত স্কুলগুলির একটি যৌথ মঞ্চ। যেখানে উক্ত জেলার স্কুলের শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে ভাই-বোনের সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজে একটা বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেয়। সেই নিমিত্তে CBSE এর সমস্ত স্কুল সহোদয়া কমপ্লেক্সের ঘরানা অনুযায়ী আন্তঃস্কুল বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। তারই অঙ্গ হিসাবে বর্ধমান মডেল স্কুল এই দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।এছাড়াও বর্ধমান মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষে নানাবিধ খেলার প্রচার ও প্রসারে সারাবছরই নানাবিধ উদ্যোগ নেয়। তাঁরা দাবাপ্রেমী শিক্ষার্থীদের দাবা খেলায় অনুপ্রাণিত করার উদ্যোগে ২রা অক্টোবর ২০২৪ বুধবার সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের দাবারুদের নিয়ে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের ১৭৫ জন পেশাদার দাবা খেলোয়ার অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান লাভ করেন অম্বরীশ শর্মা এবং দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন শঙ্খদীপ মাইতি। বর্ধ্মান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, এতবড় কর্মকান্ড আয়োজন করার পিছনে একটাই উদ্দেশ্য একজন-ও যদি খেলাটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে জীবনের দিশা খুজে পায়! তিনি আরও জানান, নবীন প্রজন্ম কে পথ না দেখিয়ে শুধু দোষারোপ করলে চলবে না। আমাদের সেই পথে চলে লক্ষ্যে পৌছালেই আমাদের কাজের সার্থকতা। আমার আশা এই দাবা টুর্নামেন্ট দেখে অনুপ্রানিত হয়ে একজনও বিশ্বনাথন আনন্দ বা দিব্যেন্দু বড়ুয়া হওয়ার স্বপ্ন দেখবে।এই টুর্নামেন্ট দেখতে প্রচুর ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকেরা ভিড় জমান স্কুল প্রাঙ্গণে। সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া সারা দিন ব্যাপী চলা টুর্নামেন্টে টানটান উত্তেজনায় ভরা খেলা চুড়ান্ত রাউন্ড শেষ হতে প্রায় সন্ধ্যা গড়িয়ে যায়। এই প্রতিযোগীতার অন্যতম আকর্ষণ ছিলো কমনওয়েলথ গেমস সহ একাধিক আন্তঃর্জাতীক প্রতিযোগীতায় দাবায় স্বর্ন পদক বিজয়ী স্নেহা হালদার। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়া প্রশাসক ও আইনজীবী পিরদাস মন্ডল। প্রতিযোগীতাটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ফিডে (FIDE) নিয়মানুসারে খেলা হয়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বানভাসি বাংলার একাংশ, বর্ধমানে গিয়েও তোপ দাগলেন ডিভিসির বিরুদ্ধে

বাংলা বানভাসি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় সেই ডিভিসি। ইতিমধ্যে রাজ্যের দুই প্রতিনিধির ডিভিসির কমিটি থেকে সরে এসেছেন। সোমবার বর্ধমানে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, স্বপন দেবনাথ, হাজির ছিলেন।মূলত পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডে প্রবল বৃষ্টির জেরে সেখানকার জলাধারগুলি থেকে বিপুল পরিমাণে জল ছাড়া হয়েছে। ডিভিসির ছাড়া জলেই বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছেন বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর। জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে ফের একবার কেন্দ্রকে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও সক্রিয় হতে হবেক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। বাংলার দুর্ভাগ্য যে এখানে এবং অসমে যে পরিমাণ বন্যা হয় সেটা অন্য কোথাও হয় না। বাংলা নদী মাতৃকার দেশ। বাংলার অবস্থান নৌকার মতো। একটুকুতেই জলে ডুবে যায়। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলে আমাদের চিন্তা হয়। নিজেদের বাঁচাতে জল ছেড়ে দেয় ঝাড়খণ্ড। নিজেদের বাঁচাতে বাংলায় জল ছেড়ে দেয়আবার বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি খারাপ হবে। সবাই নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেবেন। জল সরে গেলে চাষিরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলে নিজেদের বাঁচাতে বাংলার উপর জল ছেড়ে দেয়। DVC কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন। কিন্তু কেন্দ্র কিছু না করার জন্য মানুষের বাড়ি ঘর ডুবে যাচ্ছে। ভোটের জন্য যে টাকা খরচ করা হয় তার একাংশ দিলেও বন্যা আটকাতে ব্যবস্থা করতে পারতাম।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আজ বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কোথায় কি নিয়ে বৈঠক?

ডিভিসির ছাড়া জলে পুজোর আগে প্লাবিত হয়েছে পূর্ব বর্ধমান সহ বাংলার আটটি জেলা। তাই বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলায় পৌছে গিয়ে পরিস্থিতি সরজমিনে চাক্ষুষ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা করে বন্যা করা হয়েছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন। এমনকী ডিভিসির কমিটি থেকে রাজ্যের দুই আধিকারিক পদত্যাগ করেছেন। এই জল ছাড়া নিয়ে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গন্ডগোলের জল গড়িয়েছিল বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার বর্ধমানে বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত ও প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তা নিয়েই জেলা পুলিশ ও প্রশানের তৎপরতা এখন তুঙ্গে উঠেছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ কর্মসূচী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব বর্ধমান জেলায় আসছেন। এই খবর রবিবার বেলায় জেলা প্রশাসনের সদর দপ্তরে এসে পৌঁছায়। তারপরই শুরু হয়ে যায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি। জরুরী বৈঠকে বসেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। বিকেলে জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ। বিদুৎ দপ্তরের আঞ্চলিক অধিকর্তা গৌতম দত্তও বৈঠক করেন। সম্প্রতি, ডিভিসি জল ছাড়ায় পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

অভয়া ক্লিনিক বন্ধে হুঁশিয়ারি তৃণমূলের, তবুও রোগী দেখলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা

আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল সার বাংলা। বিচারের দাবিতে অনড় বর্ধমান সহ রাজ্যের সমস্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ও সিনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা লাগাতার অন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই আন্দোলনের সঙ্গী হওয়া রাজ্যের সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পেতে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় তাই চালু হয়েছে অভয়া ক্লিনিক। বর্ধমান টাউনহলে চলা সেই অভয়া ক্লিনিক বন্ধ করার জন্য শাসক দলের কয়েকজনের ফরমান জরি নিয়ে বৃহস্পতিবার ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়ায়। পরে যদিও বর্ধমান পুরসভার পুর প্রধান পরেশ সরকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও মাইকে প্রচার বন্ধ রেখেই অভয়া ক্লিনিক চালাতে হয় প্রতিবাদী চিকিৎসকদের। রাজ্যের অন্য হাসপাতালের মতো বর্ধমান হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা পাঁচটি দাবি নিয়ে আন্দোলন জারি রেখেছেন। তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সিনিয়র ডাক্তাররা। হাসপাতালে জরুরি পরিষেবা চালু থাকলেও অভয়াকে খুনের বিচারের দাবিতে আউটডোর করছেন না জুনিয়র চিকিৎসকরা। পরিবর্তে রোগী স্বার্থে বর্ধমান হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা চালু করেছেন অভয়া ক্লিনিক। বর্ধমান টাউনহলে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টো অবধি ওই ক্লিনিক চলে। সেই ক্লিনিকে জুনিয়রদের সঙ্গে রোগী দেখেন সিনিয়র ডাক্তার বাবুরা। এ বিষয়ে ডা: সুবর্ণ গোস্বামী জানান, সংগত কারণেই জুনিয়ররা আন্দোলন করছেন।তাই তাঁদের পাশে সিনিয়ররা ডাক্তাররাও আছে। এদিকে এদিন বর্ধমান টাউন হলে অভয়া ক্লিনিক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়।তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক দিবসের একটি কর্মসূচি একই জায়গায় চলাকালীন শাসকদলের কয়েকজন ব্যক্তি গিয়ে তাড়াতাড়ি ক্লিনিক বন্ধের ফরমান জারি করেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে বাক বিতন্ডা তৈরি হলে বর্ধমান পুরসভার পুরপ্রধান পরেশ চন্দ্র সরকার চিকিৎসকরা পুর প্রধানকে সাফ জানিয়ে দেন, অভয়া ক্লিনিক বন্ধ হবে না। রোগীরা যতক্ষণ আসবেন তারা পরিষেবা দিয়ে যাবেন। তবে পুর প্রধানের অনুরোধ মেনে শুধুমাত্র মাইকে প্রচার বন্ধ রাখেন অভয়া ক্লিনিক পরিচালনায় থাকা চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

আর জি কর-এর প্রতিবাদে এবার পথে নামলো বর্ধমানের স্কুল ছাত্ররা

আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে আজ পথে নামল বর্ধমান শহরের এক স্কুল। শহরের উত্তর প্রান্তে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আজ ওই ঘটনার প্রতিবাদে বর্ধমান শহরে শোভাযাত্রা আয়োযন করে। ছাত্রছাত্রীদের সাথে সাথে এদিন পথে নামেন ডিএনদাস স্কুলের পরিচালন সমিতির সদস্য সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীবৃন্দরা। তাঁদের সক্রিয় উপস্থিতিতে শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর রথতলা উদয়পল্লীর বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে। অপরাধের বিচার চেয়ে এবং চিকিৎসক তথা মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবীতে শ্লোগান দিয়ে সোচ্চার হয় অংশগ্রহণকারীরা। ডিএনদাস স্কুলের শিক্ষক কমল সাহার পরিচালনায় ছাত্রী সোনালি সোহিনী হেমাদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় আমরা করব জয় গানটি। শিক্ষিকা আঁখি চক্রবর্তী বললেন, মঙ্গলবার নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীরা আবেদন করে আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে শোভাযাত্রার জন্য। তাদের অনুরোধেই মূলত আজকের এই প্রতিবাদ কর্মসূচী। আঁখি চক্রবর্তী আরো বলেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় আমাদের সবাইকে। ফলে তাঁরা যাতে কোনভাবে হেনস্থার শিকার না হন তা দেখার দায়িত্ব আমাদের সবাইকার।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথা কে জানান, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা বরাবরই সমাজসচেতন। প্রতিদিন সকালের সমবেত সঙ্গীতের পর ওরা সংবাদপত্র থেকে রোজকার খবর পাঠ করে। তারা পাঠ করে মনীষীদের বাণী। ওরা আরজি করের দুর্ঘটনা সম্বন্ধে যঠেষ্ট অবহিত। মূলত ওদের আগ্রহেই আজকের এই প্রতীবাদ কর্মসূচী। আমরাও চাই দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সমাপ্ত হোক এবং আসল দোষী / দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। কারণ এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় জড়িত।

আগস্ট ২২, ২০২৪
রাজ্য

"আরজিকরে কি হয়েছে জানেন তো?", ভাতারে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দিয়ে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার

আরজিকর মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় তোলপাড়। রাজ্যজুড়ে চলছে প্রতিবাদ। তারই মাঝে এবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালের ঘটনায় আরেক হুমকির ঘটনা। অভিযোগ, হাসপাতালের কর্তব্যরত এক মহিলা ডাক্তারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মদ্যপ অবস্থায় থাকা এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে শনিবার ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়ায় ভাতার হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে। ভাতার থানায় চলে বিক্ষোভ। দাবি করা হয় অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে গ্রেপ্তারের। তাতে জেলার উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(২) সূবর্ণ গোস্বামী, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সংঘমিত্রা ভৌমিক এবং মহিলা চিকিৎসকও বিক্ষোভে সামিল ছিলেন। এর পরেই অভিযুক্ত ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার আমন দীপ জানান,অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার সুশান্ত রায়কে ভাতার থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাঁকে রবিবারর বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে ।সূত্রের খবর, কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে হুমকি দেওয়ায় ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার রাত প্রায় ২-১৫ নাগাদ। ওইসময় হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ সুতপা নস্কর। ওইদিন বিকেল থেকেই বর্ধমান কাটোয়া সড়কে পুন্যার্থীদের প্রচুর ভিড় ছিল। কাটোয়া থেকে গঙ্গাজল নিয়ে হাজার হাজার পুন্যার্থী বর্ধমানেশ্বর মন্দিরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। প্রচুর বাইক ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছিল। ওই রাতে ভাতার এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনাও ঘটে। তখন সেইসব দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগীদের নিয়ে নাস্তানাবুদ হচ্ছিলেন হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। ডাক্তার সুতপা নস্করের বক্তব্য়,রাতে তখন হাসপাতালে দুর্ঘটনাগ্রস্থ রোগীদের ভিড় ছিল। তাদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তখন সুশান্ত রায় নামে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার হাসপাতালে আসেন। পেটে অস্বস্তি ও মাথা ঘুরছিল বলে তিনি জানান। আমি ওই ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলাম। তবুও ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার আমার সাথে চুড়ান্ত দুর্ব্যবহার করতে থাকেন। তাঁর অভিযোগ, আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন,আর জি করে কি হয়েছে জানেন তো?জেলার উপমুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক(২) সূবর্ণ গোস্বামী বলেন. আরজিকরে কি হয়েছে আমরা সবাই জানি। ওই ঘটনা নিয়ে সারা দেশ উত্তাল। বিভিন্ন রাজ্যে চিকিৎসকরা এই ঘটনার প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন। এই আবহে ভাতারে এক সিভিক ভলেন্টিয়ার মদ্যপবস্থায় আমাদের এক মহিলা চিকিৎসকের উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেছে। ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

আগস্ট ১০, ২০২৪
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে কই মাছ প্রাণ কাড়লো যুবকের! কি ভাবে ঘটল এই বিরাট বিপত্তি?

ভরা বর্ষায় রাস্তায় কই মাছ ধরতে গিয়ে বড় বিপত্তি। মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো পূর্ব বর্ধমানে। অসাবধনতা বসত গলায় কই মাছ আটকে প্রাণ গেল যুবকের। মৃতের নামে সাগর রায়, বয়স ৩৫। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানে জামালপুরের তেলে গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। সাগরের বাড়ি হুগলির পান্ডুয়ায়। তেলে গ্রামে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন সাগর। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানে স্ত্রীকে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। জৌগ্রাম স্টেশনে নামর পর স্ত্রীর সঙ্গে হেঁটেই ফিরছিলেন তেলে গ্রামে। তখন সময় প্রায় রাত ৮টা। কর্ম সূত্রে এই গ্রামে থাকতেন সাগর। অতি বৃষ্টির জেরে চারিদিকে জল থই থই। স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই নজরে আসে জলের মধ্যে কই মাছ ঘুরছে। কই মাছ হাতের সামনে পেয়ে স্থির থাকতে পারেননি সাগর। ধরতে শুরু করেন কই মাছ। জানা গিয়েছে, প্রথমে দুই হাতে দুটি কই মাছ ধরে সাগর। রাস্তায় আরও কই মাছ দেখতে পান সাগর। তখন হাতের একটি মাছ দাঁতে চিপে রেখে অন্য একটি কই ধরতে যায়। এতেই ঘটে যায় চরম বিপত্তি। মুখের কই মাছটি ঢুকে গলায় গিয়ে আটকে যায়। এই পরিস্থিতি দেখে চিৎকার করতে শুরু করেন সাগরের স্ত্রী। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন সেখানে ছুটে আসে। তৎখনাৎ সাগরকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় সাগরের। এই ঘটনায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে আসে।পরিবার সূত্রে খবর, সাগর অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে চিকিৎসক দেখাতে বর্ধমানে এসেছিলেন। হুগলির পান্ডুয়ার রামবোয়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। পাশে ঝাপানডাঙ্গা এলাকায় সাগরের শ্বশুড় বাড়ি। ছেলের মৃত্যু সংবাদে ভেঙে পড়েছেন সাগরের মা লক্ষ্মী রায়। কই মাছ ধরতে গিয়ে ছেলের প্রাণ চলে গেল, বলতে বলতে হাউ হাউ করে কাঁদছেন লক্ষ্মীদেবী।

আগস্ট ০২, ২০২৪
রাজ্য

তরতাজা যুবককে পিটিয়ে হত্যা বর্ধমান শহরে, অভিযুক্ত তোলাবাজ গাবু বেপাত্তা

বাংলায় ঘটে চলেছে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায়। বাদ গেল না বর্ধমান শহরও। পিটিয়ে মারা হয়েছে রবি পাশোয়ানকে (৩৪)। তার বাড়ি বর্ধমান পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে সদরঘাটের সুকান্তপল্লীতে। অভিযোগ, এলাকার শেখ ইনসান ওরফে গাবু বাঁশ দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে খুন করেছে রবিকে। রবি পাশোয়ান মারা যাওয়ার পরই ঘটনার পর গা ঢাকা দিয়েছে গাবু। মৃতর পরিবার বর্ধমান থানায় গাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। গাবুকে খুঁজে বেরাচ্ছে পুলিশ। মৃতের স্ত্রী রাধা পাশোয়ান বৃহস্পতিবার জানান, শেখ ইনসান ওরফে গাবু দিন দশেক আগে বাঁশ দিয়ে তাঁর স্বামী রবি পাশোয়ানকে নির্মম ভাবে পেটায়। তাতে রবি মারাত্মক জখম হয়। তার ঘাড়ে ও পেটে গুরুতর আঘাত লাগে। গুরুতর আহত রবি পাশোয়ানকে ভর্তি করা হয় বর্ধমান হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন আজ, বৃহস্পতিবার ভোরে রবি মারা যান। রবিকে মারধরের কি কারণ ছিল তা জানে না রবির পরিবারের লোকজন। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছে, গাবু অসামাজিক কাজকর্মে করে বেরাত। এলাকাতেও অসামাজিক কাজকর্ম লিপ্ত ছিল, তোলাবাজি চলত সমানতালে। মৃত রবি পাশোয়ানের দাদা প্রেমনাথ পাশোয়ান জানান, রবি ভ্যান গাড়ি চালাতো। বাড়িতে তাঁর একটি বাচ্চা মেয়ে আছে। আর গাবু কাঠের কাজ করার পাশাপাশি পাড়ায় একটি চায়ের দোকান আছে। এহেন গাবু তৃণমূল কংগ্রেস দলেও যুক্ত ছিল। এর আগে দলীয় কোন্দলে মারধোরও খেয়েছে গাবু। লবি বদলে এই দাদা ওই দাদা করে বেড়াতে গাবু। কিন্তু কখনও অসামাজিক কর্মকাণ্ড ছাড়তে পারেনি গাবু।মৃতের দিদি গীতা পাশোয়ান বলেন, গাবুর মারধোরে আমার ভাই রবি জখম হওয়ার পর বাড়িতেই ভাইয়ের চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু রবি সুস্থ হচ্ছিল না। অসুস্থতা বেড়ে যায়। এমত অবস্থায় ৮ জুলাই ভাই রবিকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এদিন ভোরে আমার ভাই হাসপাতালেই মারা যায়। গাবুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন মৃতর দিদি। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কে কোন রাজনৈতিক দল করে সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়। কেউ অন্যায় করলে পুলিশ আইনে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। পুলিশ তদন্ত করেছে। অপরাধী শাস্তি পাবে। বর্ধমান থানার এক অফিসার জানান, মৃতর পরিবার থানায় অভিযোগ জমা করেছে। তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

জুলাই ১১, ২০২৪
রাজ্য

এবার জঙ্গি-যোগ পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের যুবকের, চেন্নাই থেকে গ্রেফতার এসটিএফের

পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার পানাগড় ও নদীয়ার নবদ্বীপ থানার মায়াপুর মোল্লাপাড়া থেকে জঙ্গি যোগে গ্রেফতারের পর চেন্নাই থেকে এদের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরেকজনকে গ্রেফতার করল এসটিএফ। মঙ্গলকোটের ভালুক গ্রামের বাসিন্দা শেখ আনোয়ারকে বেঙ্গল এসটিএফ-এর দল খবর পেয়ে চেন্নাই থেকে গ্রেপ্তার করে আনা হয় দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে। দুর্গাপুর মহকুমা আদালত এই জঙ্গিকে ১৪ দিনের এসটিএফ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। সূত্র মারফত জানা যায়, ৪ বছর ধরে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ ছিল তার। শেখ আনোয়ার কর্মসূত্রে চেন্নাইয়ে একটি লন্ড্রিতে কাজ করতো। আর জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই কাঁকসার পানাগড় ও নবদ্বীপ থেকে যে দুজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ তাদেরকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে পর চেন্নাইয়ে শেখ আনোয়ারের খোঁজ পায়। বেঙ্গল এসটিএফ-এর একটি দল শেখ আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে দুর্গাপুরে নিয়ে আসে এবং আনোয়ারকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্তের গতি আরও বাড়িয়ে নিয়ে যেতে চায় এসটিএফ। এই নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে শেখ আনোয়ার যুক্ত হয়ে কি কাজ করত সেটাও জানার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

আজ ও রবিবার শিয়ালদা ডিভিশনে বারাসত-বনগাঁ শাখায় ট্রেন বাতিল? কি জানাল রেল?

পূর্ব রেলের শিয়ালদা ডিভিশন প্রথমে জানিয়ে ছিল আজ শনিবার ও আগামিকাল রবিবার সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল হতে পারে। কিন্তুু রেল দফতর জানিয়ে দিয়েছে কোনও ট্রেন এই দুদিন বাতিল হচ্ছে না। রেল জানিয়েছে, 29/30.06.2024 (শনিবার / রবিবার) রাতে ব্রিজ রি-গার্ডারিং কাজের জন্য মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটির মধ্যে ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক বাতিল করা হয়েছে। তাই এই ব্লকের কারণে 29.6.2024 এবং 30.6.2024 তারিখে কোনও ট্রেন বাতিল হবে না।এর আগে, পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, শনিবার ২৯ জুন রাত সাড়ে ১০টা থেকে রবিবার ৩০ জুন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা মেরামতির কাজ চলবে মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটি স্টেশনের মাঝের একটি রেল সেতুতে। সেই কারনেই বনগাঁ-শিয়ালদণহ হাসনাবাদ-শিয়ালদহ শাখায় আপ এবং ডাউন লাইনে পাওয়ার ব্লক থাকার কারণে ওই দুই শাখার ট্রেন চলাচল ব্যাহত হবে। শনিবার রাতে নির্ধারিত সময়ের পরে ওই শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে না এবং শিয়ালদহ স্টেশনেও প্রবেশ করবে না। এও জানানো হয় যে, বেশ কয়েকটি লোকাল বারাসত স্টেশন অবধি যাতায়াত করবে।শিয়ালদহ স্টেশন বর্ধিতকরন ও মেরামতির জন্য, এর আগে একাধিক ট্রেন বাতিল এবং যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। পূর্ব রেলের হটাৎ এই ঘোষনায় চিন্তায় পড়েছিলেন বনগাঁ, হাসনাবাদ লাইনের নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রায়ই শিয়ালদহ ডিভিশনে কোনও না কোনও মেরামতির কাজ লেগেই রয়েছে। ফলে হঠাৎ করে ট্রেন বাতিলও করে দিচ্ছে রেল। রাতের দিকেই বেশি সমস্যা হচ্ছে। শনিবার রাতে এবং রবিবার ভোরে ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্তে বিরাট অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল নিত্যযাত্রীদের মধ্যে।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

কিভাবে ছড়িয়েছে ছেলেধরা গুজব? গ্রেফতার "মাস্টারমাইন্ড", দাবি বারাসাত জেলা পুলিশের

বারাসাতে কাজীপাড়ায় নিখোঁজ বাচ্চার দেহ উদ্ধারের পর ওই বালকের জ্যাঠা আঞ্জীব নবিকে গ্রেফতার করে বারাসাত থানার পুলিশ। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ সুপার ঘোষণা করে এই আঞ্জীব নবী প্রধান ও একমাত্র অভিযুক্ত। যখনই পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে তখনই পুলিশি তদন্তের অভিমুখ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন রকম ভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। কখনও ছেলেধরা, কখনও কিডনি পাচার নানারকম গুজব নবীর মস্তিষ্কপ্রসূত বলে দাবি বারাসাতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খরিয়ার। পুলিশের দাবি, একই সঙ্গে সে যেহেতু মসজিদে নামাজ পড়াতো সেই নামাজ পড়ানোর পর প্রত্যেককে জানিয়েছে বাইরের লোক দেখলেই মারধর করতে হবে। তাতেই মানুষজন বাইরের লোককে দেখলেই উত্তপ্ত হয়ে মারধর করতে শুরু করে দিয়েছে।ঘটনার দিন সন্ধ্যা ছটা কুড়িতে ওই নিহত বাচ্চা বাড়িতে আসে। কিন্তু তারপর তাকে বাড়ির বাইরে বেরোতে কেউ দেখেনি। ওই এক মুহূর্তের ফাঁকে বাচ্চাকে ডেকে নিয়ে অন্ধকার বাড়ির পেছনে প্রথমে চড় এবং তারপর গলা টিপে খুন করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে ঝুলিয়ে রেখে দেয়। পুলিশ বারবার ওই এলাকায় তদন্ত করতে গেলেও ওই বাড়ি ঝোপঝাড়ে ভরা থাকার কারণে ওই ঝোপঝাঁড়ের মধ্যে তল্লাশি করেনি বলে দাবি পুলিশের সেই কারণেই নজরে আসেনি প্রথমে। বাচ্চার বাবা গোলাম নবী সেইদিন সাড়ে সাতটায় বাড়িতে আসে। তারপর বাচ্চাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয় আটটার পরে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে ৬টা৪৫ থেকে ৭টা৩০ এর মধ্যে ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন অনুযায়ী আঞ্জীব নবী ওই সময় ওই এলাকাতে ছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে আঞ্জীব স্বীকার করেছে ভুল করে কাজ করে ফেলেছে। পরবর্তীতে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন এই সমস্ত ঘটনা স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশ সুপারের। আঞ্জীব নবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অনুমান পারিবারিক সম্পত্তির বিবদের কারণেই ওই বাচ্চাকে খুন করা হয়েছে । আঞ্জীব নবি মূলত মসজিদে আজান দেয়। তাঁর ছোট্ট একটি ব্যাগের দোকান আছে। যা থেকে তাঁর সামান্য রোজগার হয়। কাজীপাড়ায় পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করার পর পুকুরপাড়ের একটি তালগাছ আছে তার। যার ফল বিক্রি করে তার একটা বার্ষিক রোজগার হয়। হঠাৎই একদিন আঞ্জীব নবী দেখতে পায় তার ভাই গোলাম নবী সে গাছে লোক তুলে তাল পারছে। তাই নিয়ে তাঁদের মধ্য়ে বিবাদ শুরু। আর সেই বিবাদে ফারদিন আঞ্জীব নবীকে মারতে গেছিল যা আঞ্জীব নবীর এই প্রতিহিংসা ছিল।নিহত বাচ্চার বাবারা মোট সাত ভাই বোন। সকলে খোঁজাখুঁজি করলে ওই আঞ্জীব নবি খোঁজাখুঁজি না করার কারণে পুলিশের সন্দেহ দানা বাঁধে। যেহেতু রোজ আযান দিয়েছে নন্দগরে শ্বশুর বাড়িতে চলে যেত তাই তার মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ধরে পুলিশ দেখে তার গতিবিধি। বারবার মিথ্যা কথা বলা পুলিশকে বিভ্রান্ত করা এবং গুজব ছড়ানো শেষ পর্যন্ত এই কারণগুলোই আঞ্জীব নবীর ধরা পড়ার মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুলিশ যখন এক প্রকার দিশেহারা তখন ঘুরে তদন্ত শুরু করতে গিয়ে আঞ্জীবকে অভিযুক্ত ভেবে তদন্ত করতে গিয়ে দেখে সব মিলে যাচ্ছে। তবে প্রথম পর্যায়ে পুলিশের যে খানিকটা গাফিলতি ছিল, তা কার্যত মানছেন পুলিশ সুপার।ছেলেধরা গুজবে বারাসাতে দুটি, অশোকনগর, খড়দহে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দ্বেগঙ্গায় ছেলেধরা গুজবে মারধর না করা হলেও পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি যে কটা ঘটনা ঘটেছে তার কোনওটার সঙ্গে ছেলেধরার কোনও সম্পর্ক নেই। সোশাল মিডিয়ায় ভয়ঙ্কর গুজব ছড়িয়েছে। চাকদার এক মহিলা ও বারাসাতের কাজী পাড়ার ভাড়া থাকা দুই মহিলা ছেলেধরা বলে গুজব ছড়িয়েছিল আঞ্জীব নবী। এরা শিশুদের অপহরণ করে দেহের অঙ্গ বিক্রি করে দেয় বলেই সে দাবি করেছিল।

জুন ২৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 50
  • 51
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

অপরিচিত যুবকদের ঘোরাঘুরি, রানিনগরে পুলিশের জালে ৭ বাংলাদেশি, কেন এসেছিল এই দেশে?

মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশের অভিযোগে একসঙ্গে সাত বাংলাদেশিকে আটক করল পুলিশ। রানিনগর থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে কাহারপাড়া এলাকা থেকে ওই সাতজনকে আটক করে। বুধবার তাদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের অভিযোগেই তাদের আটক করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে রানিনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ওই সাত বাংলাদেশি বেআইনিভাবে এদেশে প্রবেশ করে। সীমান্ত পেরনোর পর কাহারপাড়া এলাকায় তারা গা-ঢাকা দিয়ে ছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু এলাকায় বেশ কয়েকজন অপরিচিত যুবকের গতিবিধি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রাই রানিনগর থানায় খবর দেন।খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় আটক ব্যক্তিরা দক্ষিণ ভারতে কাজের উদ্দেশ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের কথা জানিয়েছে।এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে কীভাবে ওই সাতজন এ দেশে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাদের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, অথবা সীমান্ত পেরনোর ক্ষেত্রে কোনও দালাল বা চক্র তাদের সাহায্য করেছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।মুর্শিদাবাদ-সহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। একের পর এক ঘটনায় সেই উদ্বেগ আরও বাড়ছে। যদিও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরও নজর রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আটক সাত বাংলাদেশিকে বুধবার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের আগে তাদের পরিচয় এবং ভারতে প্রবেশের পথ-সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হকি বিশ্বকাপে ফের পাকিস্তান-বধ, ৫-৩ গোলে উড়িয়ে দিল হরমনপ্রীতের ভারত

হকি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। ১৯ অগস্ট নেদারল্যান্ডসের আমস্টেলভিনের ওয়াগনার হকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। হরমনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলেছে ভারতীয় দল। শেষ পর্যন্ত ৫-৩ গোলে পাকিস্তানকে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করে টিম ইন্ডিয়া।ম্যাচের শুরু থেকেই পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াতে থাকে ভারত। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত ড্র্যাগ-ফ্লিকে গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দেয় ভারত। ১১ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মনদীপ সিং। তাঁর গোলে প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও একই গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যায় হরমনপ্রীতের দল।দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ফের গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে চাপ আরও বেড়ে যায় পাকিস্তানের উপর। তবে হাল ছাড়েনি পাকিস্তান। ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা শুরু করে তারা। হন্নান শাহিদ পাকিস্তানের হয়ে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১ করেন। এরপর কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে ম্যাচ। পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ভারত আক্রমণের ধার একেবারেই কমায়নি।২৪ মিনিটে ফের ভারতীয় শিবিরে উচ্ছ্বাস। দুর্দান্ত ব্যক্তিগত দক্ষতায় গোল করেন অভিষেক। একসঙ্গে ৪-৫ জন পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তাঁর অসাধারণ ফিনিশ ভারতকে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। যদিও এরপরই পাকিস্তানের হয়ে সুফিয়ান গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৪-২ করেন।দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত। প্রথমার্ধে হরমনপ্রীতের জোড়া গোল, মনদীপের একটি গোল এবং অভিষেকের দুর্দান্ত ফিনিশে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে ভারত। পাকিস্তানের হয়ে হন্নান শাহিদ ও সুফিয়ানের গোল অবশ্য তাদের ম্যাচে ফেরার আশা জিইয়ে রাখে। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে ভারত। আক্রমণাত্মক হকির পাশাপাশি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে হরমনপ্রীতের দল।চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই জয় হকি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযানে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিল টিম ইন্ডিয়া।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পেনাল্টি শুটআউটে নাটকীয় জয়, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, প্রতিপক্ষ কে?

নাটকীয় পেনাল্টি শুটআউটে এসসি দিল্লিকে হারিয়ে ২০২৬ ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জয় পায় লাল-হলুদ। শুটআউটে ইস্টবেঙ্গলের পাঁচ শুটারই নিজেদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। শেষ পর্যন্ত রশিদের নিখুঁত স্পট-কিকেই নিশ্চিত হয় ফাইনালের টিকিট।টাইব্রেকারের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় এসসি দিল্লি। তাদের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে আসেন পেনা। তাঁর নেওয়া স্পট-কিক অসাধারণ দক্ষতায় আটকে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিল। শুরুতেই প্রতিপক্ষের পেনাল্টি রুখে দিয়ে দলকে বাড়তি সুবিধা এনে দেন তিনি। দিল্লির দ্বিতীয় পেনাল্টিতে রদ্রিগুইনহো গোল করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন।ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন আনোয়ার আলি। চাপের মুহূর্তেও ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এরপর দিল্লির ডুভানও গোল করেন। ফলে টাইব্রেকারের উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে।লাল-হলুদের দ্বিতীয় স্পট-কিক নিতে আসেন দানু। তিনিও কোনও ভুল করেননি। তাঁর শট জালে জড়িয়ে যায়। দিল্লির হয়ে আইমেনও নিজের পেনাল্টি থেকে গোল করে লড়াই জিইয়ে রাখেন। এরপর ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় শট নিতে আসেন চুংনুঙ্গা। তাঁর শটও সফল হয়।চতুর্থ পেনাল্টিতে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দায়িত্ব নেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। তাঁর নিখুঁত শটে ফের বল জালে জড়িয়ে যায়। ফলে ফাইনাল থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে ছিল লাল-হলুদ।এরপর ম্যাচ শেষ করার দায়িত্ব এসে পড়ে রশিদের উপর। চাপের সেই মুহূর্তেও বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি তিনি। অসাধারণ ঠান্ডা মাথায় স্পট-কিক নিয়ে বল গোলের বাঁ দিকের উপরের কোণে পাঠিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে ইস্টবেঙ্গল শিবির। ৫-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে ফাইনালে উঠে যায় আন্তোনিও হাবাসের দল।তবে পুরো ম্যাচে এসসি দিল্লিও যথেষ্ট লড়াই করেছে। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার জন্য শেষ পর্যন্ত তাদের খেসারত দিতে হয়। প্রথমার্ধে রদ্রিগুইনহোর পেনাল্টি বাঁচিয়ে দেন গিল। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের রশিদ ও জেসিনের শট-সহ মোট তিনটি প্রচেষ্টা গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা না মিললেও পেনাল্টি শুটআউটে নিজেদের স্নায়ুর জোর ধরে রাখে ইস্টবেঙ্গল। এখন ফাইনালে তাদের সামনে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট অথবা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেডের চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অনলাইন বেটিংয়ের অন্ধকার থেকে ফেরার বার্তা, নন্দনে ‘পুনর্জন্ম’

দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে সূর্যদীপের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, ২১ অগাস্ট নন্দনে প্রদর্শনরাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন। হাতে থাকা স্মার্টফোনে কয়েকটি ক্লিক। আর সেই সহজলভ্যতার হাত ধরেই ধীরে ধীরে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ, লটারি কিংবা ডিজিটাল জুয়ার নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন বহু মানুষ। শুরুটা হয় সামান্য বিনোদন কিংবা দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায়, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই নেশাই কেড়ে নিচ্ছে সঞ্চয়, সম্পর্ক এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন। এই বাস্তব সামাজিক সমস্যাকেই পর্দায় তুলে ধরতে তৈরি হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুনর্জন্ম।পরিচালক সূর্যদীপের এই ছবি এবার জায়গা করে নিয়েছে দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে। আগামী ২১ অগাস্ট, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টায় কলকাতার নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির প্রদর্শন হবে।পুনর্জন্ম-এর মূল বিষয় শুধুমাত্র অনলাইন গেম বা বেটিং নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে আসক্তির ভয়াবহতা এবং সেই আসক্তি থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে জীবন শুরু করার বার্তা। নির্মাতাদের বক্তব্য, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে ঠিকই, কিন্তু তার অপব্যবহার অনেকের কাছে ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের একাংশ দ্রুত এবং সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় অনলাইন বেটিং ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছেন।এর জেরে শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, পরিবারে তৈরি হচ্ছে অশান্তি, ভেঙে যাচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রেই সর্বস্ব হারিয়ে মানুষকে চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এই অন্ধকার বাস্তবতাকেই গল্পের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে পুনর্জন্ম।ছবির লেখক, পরিচালক এবং অভিনেতা সূর্যদীপের কথায়, ছবিটি তৈরির পিছনে তাঁদের মূল উদ্দেশ্য বিনোদনের পাশাপাশি একটি সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের নেশার মধ্যে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ এবং লটারির আসক্তি অত্যন্ত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। তাঁর আশা, ছবিটি দেখে অন্তত একজন মানুষও যদি এই সর্বনাশা অভ্যাস থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলেই তাঁদের পরিশ্রম সার্থক হবে।নন্দনে প্রদর্শনের সুযোগকে তাই শুধুমাত্র একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখছেন না নির্মাতারা। তাঁদের কাছে এটি সামাজিক সচেতনতার বার্তা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে ছবিটি অফিশিয়াল সিলেকশনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন পরিচালক।নন্দনের পর ইউটিউবে মুক্তিনন্দনে প্রদর্শনের পরও দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে আরও একটি সুযোগ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবসে, এস. ডি এন্টারটেইনমেন্ট-এর ইউটিউব চ্যানেলে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের জন্য পুনর্জন্ম আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ প্রেক্ষাগৃহের দর্শকদের পাশাপাশি পরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও ছবিটি পৌঁছে যাবে বৃহত্তর দর্শকের কাছে।ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সূর্য। অভিনয়ে রয়েছেন অনুপম মুখার্জী, সান্তনু চক্রবর্তী, পুষ্পিতা বক্সি, সূর্যদীপ, অভিক দাস, মেঘ কুন্ডু, অঞ্জন মাঝি, সুবির মুখার্জি, রাজা মুখার্জি, বিকাশ হালদার এবং দীপঙ্কর কাঁটাল।চিত্রগ্রহণের দায়িত্ব সামলেছেন সৌনক দাস। আলো ও স্থিরচিত্রের দায়িত্বে রয়েছেন সুমন বিশ্বাস।সব মিলিয়ে, পুনর্জন্ম শুধু একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়, বরং বর্তমান সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যাকে ঘিরে সচেতনতার বার্তা দেওয়ার প্রয়াস। অনলাইন গেম, বেটিং কিংবা লটারির নেশা যেখানে ক্রমশ সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলছে, সেখানে সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার গল্পই নন্দনের পর্দায় বলতে চলেছে পুনর্জন্ম।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
দেশ

অগস্টেই শেষ হওয়ার কথা চাকরি, তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি! ২৬ হাজারকে নিয়ে কী চাইছে কমিশন?

২৬ হাজার চাকরিহারার ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশন যৌথ ভাবে শীর্ষ আদালতে এই আবেদন করেছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, অগস্ট মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার কথা। সেই নির্দেশ মেনে নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছিল। নবম ও দশম শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। পাশাপাশি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিংও শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বাধা তৈরি হয়।মূলত ওবিসি সংরক্ষণ নীতি নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকার ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম তৈরি করেছে। সেই নিয়ম কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে। আইনজীবীদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।এর মধ্যেই ২৬ হাজার চাকরিহারার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়সীমা ঘনিয়ে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগস্ট তাঁদের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে নতুন করে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই চাকরির মেয়াদ আরও কিছুটা বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।যাঁরা ইতিমধ্যেই সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে নিয়োগের যাচাই ও কাউন্সেলিং চলছে, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি কার্যকর করার বিষয়টি এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ফলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।এর আগে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে সমস্যা হলে সময় বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করা হবে। সেই মতোই এবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হল কমিশন।এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশযাত্রায় সুপ্রিম কোর্টের স্বস্তি, এবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে নতুন ধাক্কা? অভিষেক মামলায় বড় দিন বৃহস্পতিবার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে বুধবার শুনানি হল না। মামলাটি বৃহস্পতিবার শুনবেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তার আগে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে নজর রয়েছে।অভিষেকের আইনজীবীর অভিযোগ, কী কারণে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাঙ্কের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১০৭ নম্বর ধারা অনুসরণ না করেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে হলে পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয় বলেই আদালতে জানানো হয়েছে।মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনও মামলা চলছে কি না। জবাবে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে অভিষেক তদন্তে সহযোগিতা করছেন। তবে সেই মামলাগুলির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়।এরপরই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বুধবার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে বৃহস্পতিবার করা হয়েছে। ওই দিন ব্যাঙ্কের রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলাটি ফের আদালতে উঠবে।এর আগে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। রাজ্যে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা ছিল। প্রথমে হাই কোর্ট বিদেশে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং কলকাতার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দেয়।হাই কোর্টের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিষয়টি ফের হাই কোর্টে আসে। পরে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার জন্য ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। শর্তসাপেক্ষে তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয় শীর্ষ আদালত।এখন বিদেশযাত্রার অনুমতির পরেই ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কের রিপোর্টে কী তথ্য উঠে আসে এবং আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোট মিটেছে, বাহিনী ফেরেনি! বাংলায় এবার ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কারণ কী?

ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। সাধারণত তার পর ধাপে ধাপে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ফলে বাংলায় এখন মোট ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য বাংলায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর ধাপে ধাপে সেই বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে রাজ্যে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়া হয়েছিল।এ বার সেই সংখ্যাই আরও ৫০ কোম্পানি বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে যে বাহিনী বাংলায় আসছে, তার মধ্যে রয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী। নতুন ৫০ কোম্পানি যোগ হলে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ১০০ কোম্পানিতে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের পরেই প্রশ্ন উঠেছে, ভোট শেষ হওয়ার পরও কেন বাংলায় এত বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে? প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহলদারি চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানো, এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করাই হবে বাহিনীর মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ দলের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করবে তারা।নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর বাহিনীর সংখ্যা কমার বদলে আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনও বিশেষ ঘটনার যোগ নেই। শুধুমাত্র বাংলার আইনশৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় রাখতেই রাজ্যে অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ঘুম ভাঙতেই চারপাশ কালো ধোঁয়া, সামনে শুধু আগুন! বাথরুমে ঢুকে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে কী করলেন টিকন?

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের রাতে প্রাণে বেঁচে ফিরলেন টিকন সাউ, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। মেয়ের প্রশিক্ষণের জন্য কলকাতায় এসে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে ওই হোটেলে উঠেছিলেন টিকন। তিন দিনের জন্য ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকায়। কিন্তু রাতে ঘুমোতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি।রাতের খাওয়া সেরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঘরে চলে যান টিকন। রাত ১২টা নাগাদ ঘুমিয়েও পড়েন তাঁরা। রাত ২টো নাগাদ হঠাৎ ঘরের ভিতরে ধোঁয়া ঢুকতে শুরু করে। প্রথমে ঘুমের মধ্যে থাকায় তাঁরা কিছু বুঝতে পারেননি। শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর ঘুম ভাঙে। চোখ খুলেই দেখতে পান, চারপাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে।আগুন লেগেছে বুঝতে পেরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়েন টিকন। প্রাণ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টায় কল খুলে দেন। বাইরে তখন আগুন, চারদিকে ধোঁয়া। বাথরুমের ভিতর থেকেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকেন তাঁরা।শেষ পর্যন্ত দমকলকর্মীরা বাথরুম থেকে টিকন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্ধার করেন। হোটেলের লোহার সিঁড়ি দিয়ে তাঁদের কোনও রকমে নীচে নামিয়ে আনা হয়। তবে ততক্ষণে ওই হোটেলের আরও নয় জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ কলকাতার বেহালার তিন নম্বর রায়বাহাদুর রোডে। সেই সূত্র ধরে সকালে বেহালা ও নিউ মার্কেট থানার পুলিশ যৌথ ভাবে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়।পুলিশের তল্লাশিতে ফ্ল্যাটের ভিতরে বীরেশ্বর মিত্রকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির একতলাতেও খোঁজ চালানো হয়। তাঁর ফ্ল্যাটের নীচে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরেশ্বরের দুটি গাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে একটি গাড়ি নিয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। অন্য গাড়িটি এখনও বাড়ির নীচে রয়েছে।এই ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, বহুতলের ভিতরে ঘরের পর ঘর তৈরি করা হয়েছিল। সরু জায়গার মধ্যে একাধিক কক্ষ থাকায় আগুন লাগার পর আবাসিকদের বেরিয়ে আসার পথও কঠিন হয়ে পড়ে। রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীও হোটেলের অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের হোটেল কী ভাবে বাণিজ্যিক অনুমতি পেল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই অগ্নিকাণ্ডে একাধিক প্রাণহানির পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে এমন একটি হোটেল এত দিন চলল এবং আগুন লাগার পর আবাসিকদের জন্য নিরাপদে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা কেন ছিল না। একই সঙ্গে হোটেল মালিকের খোঁজ না মেলায় তদন্তে নতুন করে রহস্যও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal