• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banner

রাজ্য

‘দিদি’কে জয়ের শুভেচ্ছা মোদি-শাহর

একুশের বিধানসভা ভোটে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য অবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনী প্রচারে নেমে তাঁর সুর করে দিদি, দিদি ডাক নিয়ে তীব্র হয়েছিল রাজনৈতিক চাপানউতোর। সেই দিদি এবং তাঁর দলের জয় নিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন নমো। একই সঙ্গে আগামী সময়ে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করার বিষয়ে রাজ্য সরকারকে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।আগামী সময়ে কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করার বিষয়ে রাজ্য সরকারকে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।টুইটে তিনি লিখেছেন, তৃণমূলের জয়ের জন্য মমতা দিদির তৃণমূলকে শুভেচ্ছা। জনগণের আকাঙ্খা পূরণ করতে এবং কোভিড ১৯ অতিমারি পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের সরকারকে সবরকম সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্যের জয়ী মুখ্যমন্ত্রীদেরও জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নমো। Congratulations to Mamata Didi for @AITCofficials win in West Bengal. The Centre will continue to extend all possible support to the West Bengal Government to fulfil peoples aspirations and also to overcome the COVID-19 pandemic. @MamataOfficial Narendra Modi (@narendramodi) May 2, 2021টুইট করে মমতাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। পাশাপাশি দলীয় কার্যকর্তাদের অভিনন্দন জানাতেও ভোলেননি তিনি। আমি বাংলার মানুষের রায়কে সম্মান জানাই।বিজেপির প্রতি সমর্থনের জন্য বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ। বিজেপি শক্তিশালী বিরোধী দল রূপে বাংলার মানুষের অধিকার এবং রাজ্যের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাবে। @BJP4Bengalর সকল কার্যকর্তাদের পরিশ্রমের জন্য তাদের অভিনন্দন। Amit Shah (@AmitShah) May 2, 2021

মে ০২, ২০২১
রাজ্য

কলকাতায় আর কোনও বড় সভা করবেন না মুখ্যমন্ত্রী

ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । শহর কলকাতায় আর কোনও বড় রাজনৈতিক সমাবেশ করবেন না মমতা। শুধু আগামী ২৬ এপ্রিল বিডন স্ট্রিটে অনেক আগে থেকে পরিকল্পিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। তৃণমূল দলের তরফে ছোটখাটো জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। তবে, সেই সভাগুলিতে মমতা নিজে উপস্থিত থাকবেন না। রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ওই সাক্ষাৎকারে রাজ্য তথা দেশের করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে বিঁধেছেন মমতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের তথা প্রধানমন্ত্রীর অদূরদর্শিতার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, দূরদর্শিতার অভাব না থাকলে আমরা আজ এত বিপদে পড়তাম না হঠাৎ করে। মমতার দাবি,গত ছমাস সেভাবে কোনও করোনা হয়নি। সেই সময়টাকে অবহেলা করা হয়েছে। এই ছমাস পরিকল্পনা করলে, আগামী ছমাস ভাল কাটত। ওষুধের জোগান নেই, অক্সিজেনের জোগান নেই। ৮০টা দেশকে আমরা ওষুধ দিয়ে দিয়েছি। আমি এটার নিন্দা করছি না। কিন্তু নিজের দেশের দরকারটা তো আগে বুঝতে হবে। এখন হঠাৎ করে আমার কাছে অক্সিজেন নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। দূরদর্শিতার অভাব। নাহলে হঠাৎ করে আমরা এর মধ্যে পড়তাম না।নির্বাচনে করোনার প্রভাব নিয়ে মমতা জানিয়েছেন, আমরা শেষ ৩ দফা একসঙ্গে ভোট করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন শুধু বিজেপির কথা শোনে। আমাদের কাছে শোনে না। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মমতা কলকাতায় নিজের সব বড় জনসভা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,দল নিজের মতো ছোট করে জনসভা আয়োজন করলে করবে। কিন্তু আমি সেখানে যাব না। কারণ আমি গেলে বেশি জমায়েত হবে। আসলে, গোটা রাজ্যের মধ্যে শহর কলকাতাতেই করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ২ হাজার ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্তের কথাও ভাবছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর থেকে রাজ্যের অন্যপ্রান্তের জনসভাগুলিতেও নিজের বক্তৃতার সময় কমিয়ে দেবেন তিনি। ছোট করে ভাষণ দেবেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
রাজ্য

বাইরে থেকে বাংলায় ঢুকতে হলে আরটি-পিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক

ভোটের মরশুমে বহিরাগতরা এসে বাংলায় রোগ ছড়াচ্ছে। আর সেই কারণেই রাজ্যে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। জনসভায় একাধিকবার এমন দাবিই করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, যাঁরা বাইরে থেকে আসতে চাইবেন, তাঁদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করার পর বাংলায় পা রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।তৃণমূল নেত্রীর দাবি, অন্তত ১০ হাজার মানুষ অন্য জায়গা থেকে এ রাজ্যে এসেছেন। যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই সংক্রমিত। আর এঁদের কারণেই বাংলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তাই বহিরাগতদের নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নন মমতা। পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, এরপর বড় কোনও অঘটন ঘটলে তার জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী থাকবে।গত বেশ কয়েকদিন ধরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাংলার ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণ। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে কমিশন ভোট প্রচারে লাগাম টানলেও করোনা রুখতে তা বিরাট কোনও ভূমিকা পালন করতে পারবে কি না, সে নিয়ে সন্দীহান ওয়াকিবহল মহল। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যের বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করানোর দাবিও তুলেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই হবে নির্বাচন। ফলে আগের মতোই চলবে জনসভা, রোড শো। আর সেই কারণেই বাড়ছে চিন্তা। স্বাস্থ্যদপ্তরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড আক্রান্ত ৭,৭১৩ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৪ জন। মোট সংক্রমিতের সংখ্যা জানিয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ। ইতিমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেড বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। উপসর্গ তীব্র হলে তবেই হাসপাতালে, মৃদু উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে সেফ হোমে পাঠানো হবে কোভিড রোগীদের।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

আক্রান্ত কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়

পঞ্চম দফার ভোটে অব্যাহত বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। এ বার আক্রান্ত হলেন কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-র অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রাজুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। এমনকী, বোমাবাজিও করে। এই ঘটনায় রাজু আহত হয়েছেন বলেও গেরুয়া শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে। রাজুর ইঙ্গিত, কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রই এই হামলার পিছনে রয়েছেন। যদিও এ সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শনিবারই নির্বাচন কমিশনের কাছে এই হামলার অভিযোগ করেছেন রাজু।বিজেপি সূত্রের খবর, শনিবার ভোট চলাকালীন বেলঘরিয়া ব্রিজের উপরে রাজুর গাড়িতে ইট মারা হয়। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় রাজুর গাড়ির সামনের দিকের কাচ ভেঙে গিয়েছে। রাজুর ডান হাতে চোট লেগেছে বলেও দাবি বিজেপি-র। ঘটনার পর রাজু বলেন, সকাল থেকে কামারহাটির ভোটে অশান্তি ছড়াচ্ছেন মদন মিত্র। তাঁর দাবি, বহিরাগতদের এনে এলাকায় হামলা করানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

পয়লা বৈশাখে উত্তর কলকাতায় রোড শো মমতার, সঙ্গ দিলেন জয়া

কথা ছিল, বৈশাখের প্রথম দিনে দক্ষিণ কলকাতা জুড়ে রোড শো করবেন। দক্ষিণ কলকাতার সব প্রার্থীদের হয়ে এদিনই ভোট প্রচার সেরে ফেলতেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ভবানীপুর, অর্থাৎ নিজের এতদিনের লড়াইয়ের জায়গা ছেড়ে এবার এগিয়ে দিয়েছেন দলের নির্ভরযোগ্য নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মূলত তাঁরই হয়ে প্রচারের কথা ছিল মমতার। তবে কোভিডের বাড়বাড়ন্তে সেই মিছিল বাতিল হয়েছে। তবে পয়লা বৈশাখের মতো উৎসবের দিন মোটেই ঘরে বসে কাটাননি নেত্রী। শুধু দক্ষিণ থেকে রোড শোর স্থান বদলে গেল উত্তর কলকাতায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বেলেঘাটা থেকে বউবাজার পর্যন্ত রোড শো করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গী দলের তারকা প্রচারক জয়া বচ্চন, উত্তর কলকাতার তৃণমূল প্রার্থীরা।বেলেঘাটা থেকে বউবাজার এই অঞ্চলের মধ্যে মূলত চার বিধানসভা কেন্দ্র। বেলেঘাটা, চৌরঙ্গি এবং মানিকতলা। এই চার কেন্দ্রের প্রার্থীদের হয়ে দীর্ঘ পথে রোড শোর মধ্যে দিয়েই প্রচার সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, সাধন পাণ্ডে, পরেশ পাল, বিবেক গুপ্তা। হুইল চেয়ারে বসেই লম্বা রাস্তা পাড়ি দিলেন নেত্রী। সঙ্গে হলুদ শাড়ি, দলের ঐতিহ্যবাহী লাল টুপিতে পাশেই সমাজবাদী পার্টি নেত্রী তথা তারকা প্রচারক জয়া বচ্চন। কিছুক্ষণ হাঁটার পর অবশ্য তিনি উঠে যান জিপে। অবশ্য মিছিলের মধ্যমনি তখন একজনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তার দুধারে সমবেত জনতার উদ্দেশে কখনও তিনি হাত নাড়ছেন, কখনও হাত জোড় করে নমস্কার করছেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর রোড শো পৌঁছয় বউবাজার মোড়ে।এদিন মমতার পর রাস্তা থেকে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে জয়া বচ্চন বিজেপিকে বিঁধে বলেন, বাংলায় পরিবর্তন দরকার নেই। অনেক কাজ হয়েছে। মমতা থাকলে আরও কাজ হবে। পরিবর্তনের স্লোগান যাঁরা তুলছেন, তাঁদের কথায় কান দেবেন না। কোনও দরকার নেই পরিবর্তনের।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ শীতলকুচির ঘটনা, বিস্ফোরক মোদি

শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত। এবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কল্যাণীর সভা থেকে মোদি দাবি করলেন, শীতলকুচির ঘটনা আসলে মমতার ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, মমতা রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চান। সেজন্যই ছাপ্পার পরিকল্পনা। আর সেটার জেরেই ঘটেছে শীতলকুচির ঘটনা।কল্যাণীতে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন,মমতা এখন রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভয় দেখাচ্ছেন, ধমকাচ্ছেন, মারধর করছেন। কিন্তু দিদি, আপনি যতই ভয় দেখান, মোদির প্রতি ওঁদের ভালবাসা কমাতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সোজা পথে বাংলার তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের আটকানো যাবে না বুঝতে পেরেই মমতা এঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ছাপ্পা ভোটের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর কথায়,মতুয়া-নমঃশূদ্রদের আটকানোর জন্যই দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার নিদান দিচ্ছেন। একটা দলকে বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে। আরেকটা দলকে বলছেন বুথে গিয়ে ছাপ্পা মারতে। এটাই দিদির ছাপ্পা মারার মাস্টারপ্ল্যান। শোনা যাচ্ছে, কোচবিহারের ঘটনাও সেই মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। কিন্তু দিদি এভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আপনি কেড়ে নিতে পারেন না। জয়-পরাজয় সব ভোটেই থাকে। দলিতদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না। মতুয়া-নমঃশূদ্রদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যাবে না।প্রসঙ্গত, কল্যাণী এবং সংলগ্ন এলাকায় একটা বড় অংশের ভোটার মতুয়া সম্প্রদায়ের। লোকসভার মতো বিধানসভাতেও সেই মতুয়া ভোটে বিশেষ নজর বিজেপির। সম্ভবত, সেকারণেই এদিন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ওড়াকান্দির সফর প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিলেন। মোদি বোঝানোর চেষ্টা করলেন, মানুষের গণতন্ত্র রক্ষা করা মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনের উদ্দেশ্য ছিল। আর সেই উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে অনুপ্রেরণা পেতেই বাংলাদেশের ওড়াকান্দি সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই মমতাকে খোঁচা দিয়ে মোদি বলেন, আমার ওড়াকান্দি যাওয়াটাই দিদির পছন্দ হয়নি। ওড়াকান্দিতে যাওয়াটা কি ভুল ছিল? হরিচাঁদ ঠাকুরের কর্মভূমিতে মাথা ঠেকানো ভুল ছিল নাকি?

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি কমিশনের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। সোমবার রাত ৮টা থেকে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোনও রকমের নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। কমিশনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্ররোচনামূলক বক্তৃতার অভিযোগে মমতাকে পাঠানো নোটিসের জবাবে তারা সন্তুষ্ঠ নয়। সে কারণেই ২৪ ঘণ্টার এই নিষেধাজ্ঞা। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর মমতা টুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তিনি এর প্রতিবাদে গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসবেন।এর ফলে মমতার মঙ্গলবারের সমস্ত প্রচার কর্মসূচি বাতিল হল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার বারাসত, বিধাননগর, হরিণঘাটা ও কৃষ্ণগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রীর সভা করার কথা ছিল। শনিবার কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে ৪ জনের মৃত্যুর পরে রবিবার সেখানে যাবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সেই ঘোষণার পরেই কমিশন ৭২ ঘণ্টার জন্য যে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের শীতলকুচিতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পরে মমতার প্রচারে নিষেধাজ্ঞা। তৃণমূলের বক্তব্য, গোটাটাই হচ্ছে বিজেপি-র নির্দেশে। কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মানুষ এর জবাব দেবে। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বিজেপি-র শাখা সংগঠন। ভোটের বাক্সে এর জবাব দেবে মানুষ। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ওব্রায়েন বলেন, এটা গণতন্ত্রের পক্ষে কালো দিন।কোচবিহারের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে একহাত নেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল মিলে ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার মন্তব্যে এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং কোচবিহারের জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন। তার জন্য মমতাকেও নোটিস পাঠানো হয়।

এপ্রিল ১২, ২০২১
কলকাতা

‘এটা গণহত্যা’, মৃতদের সাহায্যের আশ্বাস মমতার

শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চার তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়েই শনিবার বিকেলে শিলিগুড়ি পৌঁছেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার শীতলকুচি যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। সেই কারণেই এদিন সকালে সাংবাদিক বৈঠক থেকেই ভিডিও কলে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আশ্বাস দিলেন পাশে থাকার। আগামী ১৪ এপ্রিল শীতলকুচি গিয়ে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন বলেও জানালেন তিনি। ঘটনাকে গণহত্যা বলে মন্তব্য করলেন মমতা।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

এবার সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর ওএসডিকে

নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ভোটপ্রচারে গিয়ে আহত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনায় ফের কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। এবার সরিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অশোক চক্রবর্তীকে। তিনি অফিসার অন স্পেশ্যাল ডিউটি বা ওএসডি পদে কর্তব্যরত ছিলেন। শুক্রবার এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। তবে ওই পদে কাকে আনা হবে, তা এখনও জানা যায়নি।এর আগে গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় গিয়ে জখম হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ে গুরুতর চোট পান তিনি। অসুস্থ অবস্থায় রাতেই কলকাতায় ফিরে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। দেড়দিন এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জখম হওয়ার এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতির রং লেগেছিল। একাধিক অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। অন্যদিকে পর্যাপ্ত তদন্তের দাবিতে কমিশনে যায় বিজেপি। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জখম হওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব ও সিইও-র কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে দুই বিশেষ পর্যবেক্ষককে নিজেদের মতামত জানানোর কথাও বলা হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট নিয়ে কমিশনের ফুলবেঞ্চ বৈঠকেও বসে।এরপরই রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়কে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তাঁর জায়গায় আনা হয় জ্ঞানবন্ত সিংকে। এছাড়াও সরিয়ে দেওয়া হয় পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিভু গোয়েলকে। তাঁর জায়গায় নতুন জেলাশাসক হন স্মৃতি পাণ্ডে। এর পাশাপাশি প্রবীণ প্রকাশকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে ওই জায়গায় আনা হয় সুনীল কুমার যাদবকে। কিন্তু সেই ঘটনার এতদিন পরে ফের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয়ের এক আধিকারিককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আর এই নিয়েই ফের প্রশ্ন উঠতেও শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
রাজ্য

মমতাকে দ্বিতীয়বার নোটিস কমিশনের

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নোটিস নির্বাচন কমিশনের। গত ২৮ মার্চ এবং ৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে কমিশন। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাহিনী নিয়ে মমতার মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। কেন তিনি এই ধরনের মন্তব্য করলেন, তা ব্যাখ্যা করতে হবে তৃণমূলনেত্রীকে। এবং এই ব্যাখ্যা দিতে হবে ১০ এপ্রিলের মধ্যে। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে কমিশনের নোটিসের জবাব দিতে হবে।বস্তুত, রাজ্যের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে শুরু থেকেই সরব মমতা। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চাপে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বাংলার নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। তৃণমূল ভোটারদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বাহিনী। গত ৭ এপ্রিল কোচবিহার উত্তরের সভায় তৃণমূল নেত্রী কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট প্রভাবিত করতে এলে তার পালটা দেওয়ার পরামর্শ দেন মহিলা ভোটারদের। তাঁকে বলতে শোনা যায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অশান্তি করতে এলে একদল ওদের ঘিরে ফেলুন। আরেক দল ভোট দিতে যান। কারা এই কাজ করছে, তাদের নাম লিখে রাখুন। এর আগে গত ২৮ মার্চও বাহিনী নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। যা নিয়ে প্রবল আপত্তি কমিশনের। তাঁদের দাবি, তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। দ্রুত তাঁকে এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।এটা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো কমিশনের প্রথম নোটিস নয়। এর আগে গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠায় নির্বাচন কমিশন। তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠায় কমিশন। আজই সেই নোটিসের জবাব দেওয়ার শেষদিন।

এপ্রিল ০৯, ২০২১
কলকাতা

সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জের, মমতাকে নোটিস কমিশনের

ফের নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরের জনসভা থেকে মমতার করা একটি মন্তব্যের জেরে তাঁকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ৩ এপ্রিল তারকেশ্বরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, শয়তানদের কথা শুনে সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। অভিযোগ তোলেন, বাংলাকে বিজেপি ধর্মের নামে ভাগ করে দিতে চাইছে। বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মমতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি। তাঁর দাবি ছিল, সংখ্যালঘুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করেছেন মমতা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে।ঘটনাচক্রে তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে দিন দুই আগে কোচবিহারের জনসভা থেকে সরব হয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তাঁর দাবি ছিল, মমতা জনসমক্ষে সব মুসলমানকে এক হতে আহ্বান করেছেন। বলেছেন, সব মুসলমান এক হও, ভোট ভাগ হতে দিও না। তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ ছিল, মমতা যেমন বলছেন, তেমন যদি আমি বলতাম যে, সব হিন্দু এক হয়ে বিজেপিকে ভোট দাও, তাহলে নির্বাচন কমিশন আমাকে ৭-৮ দিনের জন্য নোটিস দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরেও নোটিস আসে। জানি না, কমিশন আপনাকে নোটিস দেবে কিনা। প্রধানমন্ত্রী সেই কটাক্ষের দুদিনের মধ্যেই মমতাকে নোটিস দিল কমিশন।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
কলকাতা

‘মমতার পা ভেঙেছে, মন ভাঙতে পারেনি’, প্রচারে এসে বললেন জয়া

বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ নয়, তৃণমূলের হয়ে প্রচারে এসে নিজেকে বাংলার মেয়ে হিসেবে তুলে ধরলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। বললেন, আমি জয়া বচ্চন। আগে জয়া ভাদুড়ি ছিলাম। বাবার নাম তরুণ কুমার ভাদুড়ি। আমরা প্রবাসী বাঙালি।রবিবারই কলকাতায় এসেছেন জয়া বচ্চন। সোমবার শুরু করলেন তৃণমূলের হয়ে প্রচার। তার আগে তৃণমূল ভবনে একদিকে দোলা সেন ও অন্যদিকে পূর্ণেন্দু বসুকে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তিনি। সেখানেই শুরুতে নিজেকে প্রবাসী বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেন জয়া। ভিন রাজ্য থেকে বিজেপি নেতাদের নির্বাচনী প্রচারে আসা নিয়ে শুরু থেকেই বহিরাগত অভিযোগে আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল। সেখানে জয়ার প্রচারে অংশ নেওয়া নিয়ে যাতে গেরুয়াশিবির পাল্টা প্রশ্ন তুলতে না পারে সেই রাস্তাই যেন শুরুতে বন্ধ করে দিলেন জয়া।স্পষ্ট বাংলা উচ্চারণে সাংবাদিক বৈঠক শুরু করেন জয়া। বলেন, অভিয়ন করতে আসিনি। যে কাজ দেওয়া হয়েছে, পালন করতে এসেছি। বলিউডের বাঙালি তারকা মিঠুন চক্রবর্তীকে ইতিমধ্যেই বাংলায় প্রচারে নামিয়েছে বিজেপি। তার জবাব দিতেই জয়াকে তৃণমূল আসরে নামিয়েছে বলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তীর একটা পা বাংলায় ছিল, কিন্তু জয়ার তা ছিল না। সাংবাদিক বৈঠকে বেশির ভাগ সময়ই বাংলায় কথা বলেন জয়া। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলার মাটি, বাংলার জল গানের দুটি লাইন পাঠও করেন জয়া।২০০৬ সালে জমি আন্দোলনের সময় থেকে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে এক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের। সেই দলেরই রাজ্যসভার সাংসদ জয়া। সে কথা বৈঠকের শুরুতেই মনে করিয়ে দেন দোলা সেন। দোলার কথার সূত্র ধরেই জয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলার গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই একা লড়ছেন মমতাজি। ওঁর মাথা ফাটিয়ে, পা ভেঙেও থামাতে পারেনি বিরোধীরা। ভাঙতে পারেনি হৃদয়। উনি বাংলাকে শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছেন। আমি জানি যে কাজটা উনি করতে চান, তা সম্পূর্ণ করবেন। শেষে মমতা বিরোধীদের জয়ার কটাক্ষ, মমতাকে যাঁরা বাজে কথা বলছেন, তাঁদের জন্য একটাই কথা, লজ্জা, লজ্জা!সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকের আগে জয়াকে স্বাগত জানান রাজ্যের মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু। ছিলেন দোলা সেন ছাড়াও সমাজবাদী পার্টির এই রাজ্যের কয়েকজন নেতা। জয়ার মাথায় ছিল সমাজবাদী পার্টির লাল টুপি। নিজের দলের কথা উল্লেখ করে জয়া বলেন, অখিলেশজি আমাকে বলেছিলেন, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে আমাদের সমাজবাদী পার্টি তৃণমূলকে সমর্থন করছে। আমাকে প্রচারে আসতে হবে। আমি খুব খুশি হয়েছি। অখিলেশ যাদব ও মমতাজিকে ধন্যবাদ জানাই। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার ধর্মকে আমি অপহরণ করতে দেব না। আমার গণতন্ত্রকে অপহরণ করতে দেব না। মমতা একজন মহিলা, যিনি সমস্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একা লড়াই করছেন। মহিলাদের জন্য নিরাপদতম রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। সেটা তৈরি করেছেন মমতা।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
রাজ্য

সোনারপুর থেকে মমতাকে কটাক্ষ মোদির

আগামী লোকসভা নির্বাচনে বারাণসী থেকে দাঁড়াতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! সম্প্রতি তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছে তৃণমূল। এই সম্ভাবনা নিয়ে সোনারপুরের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমোকে খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাবেন জানেন। তাই রাজ্যে অন্য আসনে দাঁড়াবেন ভাবছিলেন। কিন্তু দলেরই কিছু মানুষ ওঁনাকে বুঝিয়েছেন, দুটি আসন থেকে উনি হেরে গেলে তো দলটাই থাকবে না।এর পর বারাণসী থেকে মমতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে বেনজির কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী।সোনারপুরের শনিবারের সভা থেকে মোদির খোঁচা, দিদি বলছেন, বারাণসী থেকে লড়বেন। এটা থেকে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এক, উনি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছেন। আর তাই উনি নির্বাচনে লড়াই করার জন্য বাংলার বাইরে খুঁজছেন। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর লোকসভা ভোটে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী আরও কটাক্ষ, উত্তরপ্রদেশ, বারাণসীর মানুষকে এত ঘেন্না করবেন না। বহিরাগত বলবেন না। ওখানকার মানুষের মন অনেক বড়। আপনাকে খুব স্নেহ করবে। এতটা স্নেহ করবে যে ওখানেই রেখে দেবে। দিল্লি অবধি যেতে দেবে না।হঠাৎ নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বারাণসী কেন্দ্রকে বেছে নিলেন কেন্দ্র মমতা? সভা থেকে সেই জবাবও দিলেন মোদি। বললেন, আমরা হলদিয়া থেকে বারাণসী পর্যন্ত যে জলপথ করে দিয়েছি। সেটা দেখেই হয়তো ওঁনার বারাণসী যেতে ইচ্ছে করেছে। সভামঞ্চ থেকে বিজেপির হেভিওয়েট প্রচারকের খোঁচা, আপনি তো জয় শ্রীরাম শুনলেই রেগে যান। ওখানে কিন্তু দুমিনিট অন্তর অন্তর দরজা-দরজায় হর হর মহাদেব শুনতে পাবেন। মোদির কথায়, নন্দীগ্রাম থেকে মমতার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ফ্লপ। এটা ওঁর দলের লোকেরাও এখন বুঝতে পারছে। বঙ্গে নির্বাচন শুরুথেকে ইভিএম, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এদিন সেই প্রসঙ্গেও খোঁচা দিলেন মোদি। বললেন, ছাপ্পা দিতে পারছে না। তাই কমিশনের বিরুদ্ধে এত রাগ? সবমিলিয়ে নরমে-গরমে এদিনের সভা থেকেও তৃণমূল সুপ্রিমোকে তীব্র কটাক্ষ করলেন নরেন্দ্র মোদি।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
কলকাতা

বয়ালের বুথে মমতার ধর্না নিয়ে পাল্টা কমিশনে বিজেপি

নন্দীগ্রামের বয়ালের ৭ নম্বর বুথে ২ ঘণ্টা মমতার উপস্থিতি। তৃণমূল বলছে, মুখ্যমন্ত্রী ভোট লুট রুখতে গিয়েছিলেন। এবার পালটা এল বিজেপির তরফে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গতকাল বয়ালে আইন ভেঙে দুঘণ্টা ধর্না দিয়েছেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ভোটের গতি কমিয়ে দেওয়া। যাতে হারের ব্যবধান কমানো যায়।বিজেপি বলছে, নন্দীগ্রামের বুথে মমতার ২ ঘণ্টা বসে থাকা বেআইনি। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়ার অভিযোগ, নন্দীগ্রাম বিধানসভার ৭ নম্বর বুথে মমতা রীতিমতো ধর্না দিয়েছেন। তিনি প্রার্থী হিসেবে যে কোনও বুথে যেতেই পারেন। কিন্তু ধর্না দিতে পারেন না। দুঘণ্টা ধর্না দিলেন। সব ভুলে গেলেন। ১৪৪ ধারারও তোয়াক্কা করেননি। বহিরাগতদের নিয়ে ভোট প্রভাবিত করেছেন মমতা। গত ৩০টি কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র নন্দীগ্রামেই শতাংশ ভোট কমল? তার মানে কী? উনি জেনেবুঝে ভোটকে প্রভাবিত করলেন। ভোটের গতি কমিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার অভিযোগ, তৃণমূলনেত্রী ভোটের পর উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন। যদিও এসব হুমকির কোনও অর্থ হয় না। কারণ, এরপর উনি আর মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। এসব হুমকির পর যদি কোনও অঘটন ঘটে তাঁর জন্য দায়ী কে হবে?শুক্রবার দুপুরে তৃণমূলের উচ্চস্তরীয় এক প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে একাধিক অভিযোগ জানিয়ে এসেছেন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। ইভিএম নিয়েও অভিযোগ জানিয়ে এসেছে শাসক দল।তৃণমূলের পালটা কমিশনে যায় বিজেপির প্রতিনিধি দলও। শিশির বাজোরিয়া, তথাগত রায়দের দাবি, তৃণমূল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ভোট চায় না। সেকারণেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রোজ নতুন নতুন অভিযোগ নিয়ে কমিশনে নালিশ করছেন তাঁরা। কমিশনের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে, গতকাল যেভাবে ভোট হল, তাতে বিজেপি খুশি। আমরা সন্তুষ্ট। শিশির বাজোরিয়া বলছেন, এইভাবে ভোট হলে আমরা মাথা তুলে বলতে পারব, বাংলায় ভোট ভাল হয়েছে।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে ভোটপর্ব মিটতেই উত্তরবঙ্গের প্রচারে যাচ্ছেন মমতা

নন্দীগ্রামে ভোটপর্ব মিটতেই উত্তরবঙ্গে প্রচারে যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামের ভোট শেষ হলেও কলকাতায় ফিরছেন না তিনি। বরং রাতটুকু নন্দীগ্রামে কাটিয়ে শুক্রবার সকালে কলকাতা ছুঁয়ে দমদম বিমানবন্দর থেকে উত্তরবঙ্গ রওনা হবেন প্রচারে জন্য।উত্তরবঙ্গের ২ জেলায় ৩টি জনসভা রয়েছে তাঁর। মূলত কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায় তিনটি জনসভা হবে। এই তিনটি জনসভা থেকে উত্তরবঙ্গের ১৪টি আসনের জন্য ভোট প্রচার সারবেন। আগামী ১০ এপ্রিল রাজ্যে চতুর্থ দফার নির্বাচন। সেই দফায় মোট ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। যাঁর মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলির সঙ্গেই উত্তরবঙ্গের কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলাতেও ভোট হবে। সেই ভোটের প্রচারেই মমতা যাচ্ছেন উত্তরবঙ্গে। দুটি জেলায় ৩টি জনসভার কর্মসূচি মাধ্যমে ১৪টি বিধানসভার ভোট তৃণমূল শিবিরের দিকে টানাই লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রীর। কারণ, এই ১৪টি আসনের মধ্যে লোকসভার নিরিখে ১২টিতেই এগিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। শুক্রবার দুপুরে দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র সমর্থনে দিনহাটা টাউনে সংহতি ময়দানে সভা করবেন। তারপরে তুফানগঞ্জ এসএমএ মাঠে তুফানগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী প্রণব কুমার দে-র সমর্থনে জনসভা হবে মমতার। এরপর ফালাকাটায় টাউন ক্লাবের মাঠে প্রার্থী সুভাষ রায়ের সমর্থনে সভা রয়েছে তাঁর।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজনীতি

'দিদি হার মেনে নিয়েছেন', মমতাকে কটাক্ষ মোদির

নন্দীগ্রামের বয়ালে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথে বসে একের পর এক ফোন করছেন, ঠিক তখনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর আধা সেনার উদ্যোগে বয়াল থেকে বেরিয়ে মমতা যখন সাংবাদিক বৈঠক করলেন তার পরেই হাওড়ার উলুবেড়িয়ায় জনসভা শুরু হল মোদির। আর দুই সভাতেই মোদি টেনে নিয়ে এলেন হট সিট নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ। বললেন, বাংলা যা চাইছে সেটাই হয়েছে নন্দীগ্রামে। দিদি, প্রথমে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন। পরে বুঝলেন সেটা ভুল করেছি।গোটা দিন নন্দীগ্রামের ভোটগ্রহণ নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে গেছে তৃণমূল। অভিযোগ জানিয়েছেন প্রার্থী মমতাও। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে ফোন করেও ভোটে অনিয়মের কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই জানিয়ে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। শুভেন্দু যেমন জয়ের ব্যাপারে তিনি নিশ্চিন্ত বলে দাবি করেছেন তেমন মমতাও দুআঙুলে ভিকট্রি দেখিয়ে বলেন, নন্দীগ্রামে তৃণমূল ৯০ শতাংশ ভোট পাবে। মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে আমিই জিতব। পাশাপাশি তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম নিয়ে চিন্তিত নই আমি। গণতন্ত্র নিয়ে চিন্তিত। এখানে ভোটে চিটিংবাজি হয়েছে।যদিও মোদির বক্তব্যে ইঙ্গিত স্পষ্ট, নন্দীগ্রামে বিজেপি-র জয় নিয়ে তিনি নিশ্চিত। দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনেই বাংলা দখলের প্রত্যায়ও বৃহস্পতিবার শোনা গিয়েছে মোদির গলায়। তিনি বলেন, দিদিকে দেখুন। তা হলেই সব বুঝে যাবেন। দিদিই ওপিনিয়ন পোল, দিদিই এক্সিট পোল। ওঁর চোখ-মুখ, হাব-ভাবেই সব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। মোদি বৃহস্পতিবার দাবি করেন, বাংলায় যে আসল পরিবর্তন-এর জোর হাওয়া বইছে তা প্রথম দফাতেই বোঝা গিয়েছে। বিজেপি ২০০-র বেশি আসনে জিতবে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে বাংলায় তৃতীয় দফার ভোট প্রচারে রাজ্যে সিন্ডিকেটের সরকার চলছে বলে আক্রমণ করেন। বলেন, দিদি সব কিছুতে শুধু বাধা দিতেই জানেন। শিল্পকে ধ্বংস করেছেন। ১০ বছর কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই সরকার চালিয়েছেন। কিন্তু একবিংশ শতকের বাংলায় ওই সরকার চলবে না। বাংলার দরকার এক দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সরকার, যারা পরিকল্পনা করে বাংলার উন্নতির লক্ষ্যে কাজ করবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে ৯০ শতাংশ ভোট পাবেন, আত্মবিশ্বাসী মমতা

রাজ্যে দ্বিতীয় দিনের ভোটে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র নন্দীগ্রাম । ভোটদানের শেষবেলায় সেই যুদ্ধক্ষেত্রে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। বয়ালের স্পর্শকাতর বুথ থেকে ফেরার সময় বললেন, আমি চিন্তিত নই, এখানে আমি মা-মাটি-মানুষের আশীর্বাদে জিতব। ৯০ শতাংশ ভোট পাব। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয় নিয়ে এ কথাই বলেন তিনি। এরপর বলেন, আমি চিন্তিত গণতন্ত্র নিয়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোষ দিচ্ছি না। ওরা নির্দেশমতো কাজ করছে। ওদের নির্দেশ দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কমিশনের নীরবতা দেখে দুঃখিত।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নন্দীগ্রামে ঘটে চলেছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা। দুপুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথ পরিদর্শনে বেরিয়েই চলে যান বয়াল-২ এলাকায়। এখানকার ৭ নং বুথে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই মর্মে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছিল। এ নিয়ে বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানে চলে যান। অশান্তি এত তীব্র আকার নিতে দেখে বুথে বসেই সরাসরি ফোন করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে। এমনকী বুথে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলতে বলতে চিঠিও লিখে ফেলেন নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে। পালটা টুইট করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথাযথ থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপালও।ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে, এই অভিযোগ ঘিরে সকাল থেকে অশান্তি ছড়াচ্ছিল বয়াল-২ এলাকায়। বেলা বাড়তেই স্পর্শকাতর হয়ে উঠছিল ৭ নং বুথটি। দুপুরে সেখানে মমতা পৌঁছতে তাঁকে কাছে পেয়ে তৃণমূল কর্মীরা অভিযোগ জানাতে থাকেন যে, বিজেপির কর্মী,সমর্থকরা তাঁদের ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এ নিযে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মমতার উপস্থিতিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকলে তাঁর নিরাপত্তার স্বার্থে বুথের ভিতর নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বসেই রাজ্যপালকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, ওরা লোকজনকে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। আমি সকাল থেকে খবর পাচ্ছি। এখন আপনার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বিষয়টা দেখুন।এমনকী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরাকে চিঠি লিখেও অভিযোগ জানান তিনি। খবর পেয়ে তৎপর হয় দিল্লি নির্বাচন কমিশনও। রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ফোন করে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে। বয়ালের খবরাখবর নেন। এদিকে, অশান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বয়ালের ওই বুথে চলে যান নন্দীগ্রামের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গেও কথা বলেন, অভিযোগ জানান। এরপর তাঁর কথায় আশ্বস্ত হয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা পর বুথ ছাড়েন তিনি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

নন্দীগ্রামে বহিরাগতদের ঢুকতে না দেওয়ার সতর্কবার্তা মমতার

পায়ে চোট নিয়েই প্রায় মাসখানেক ধরে হুইলচেয়ারে বসে নির্বাচনী প্রচার সারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর মন্দির দর্শনে গিয়ে পায়ে আঘাত পান তিনি। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বিশ্রাম নেননি তেমন। হুইলচেয়ারকে সঙ্গী করেই বেরিয়ে পড়েছেন। ঘুরেফিরে আজ ফের নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমো। টানা তিনদিন এখানেই রয়েছেন, একাধিক জায়গায় জনসভা করছেন। আর প্রায় প্রতিবারই ঘুরেফিরে আসছে তাঁর চোটের প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার বাঁশুলিয়াচকের সভা থেকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থীর গলায় ফের শোনা গেল সেই কথা। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষকে দোষ দিই না। আমার পায়ে চোট করানো হয়েছে বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে। এরপরই তাঁর বার্তা, সন্ধে ৬টার পর কাউকে ঢুকতে দেবেন না। এদিন তাঁকে দেখেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শোনা যায়। এরপরই তিনি বহিরাগত গুন্ডাদের কথা বলেন। সোমবার নন্দীগ্রামের বয়াল-২র সভা থেকে মমতা নাম না করে তাঁর আঘাতের জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে দায়ী করেছিলেন। বলেছিলেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগত গুণ্ডাদের এনে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে ভোটের আগে বহিরাগতদের আনাগোনা নিয়ে ইতিমধ্যেই কমিশনে গিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, ভোটে অশান্তি তৈরির জন্য এসব ষড়যন্ত্র চলছে। এবার নন্দীগ্রামে অশান্তি রুখতে একজন প্রশাসনিক প্রধানের মতোই পরামর্শ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরের মানুষজনের আনাগোনা ভোটের দিন যে কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হতে পারে, সর্বোপরি সাধারণ মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরনোর ঝুঁকিও না নিতে পারেন, এসব সম্ভাবনা বেশ টের পেয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই পরিস্থিতিতে কিন্তু তিনি সজাগ, এক অভিভাবকের মতোই। তাই স্থানীয়দের প্রতি তাঁর সরাসরি বার্তা, বাইরের কাউকে আর ঢুকতে দেবেন না। শুধু ইনসাইডাররা থাকবেন, আর আমি থাকব। আমি ভোটার, আমাকে তো থাকতেই হবে। এই প্রসঙ্গেই তিনি আরও বলেন, আপনারা শান্ত থাকুন, কোনও অশান্তি করবেন না। কেউ অন্য়ায় করলে আমি আছি তো শাস্তি দেওয়ার জন্য। আসলে, নন্দীগ্রামে কতটা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হবে, তা নিয়ে চিন্তায় সবমহলই।

মার্চ ৩০, ২০২১
রাজ্য

‘তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা ঘটেনি’, নাম না করে শুভেন্দুকে নিশানা মমতার

আর মাত্র দুদিন। তার পরই নন্দীগ্রামে নির্বাচন। সেই ভোটের প্রচারে এসে পায়ে চোট পেয়েছিলেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সেদিন তাঁর উপর হামলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এবার সেই হামলার জন্য নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেই দায়ী করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, তাঁর নির্দেশ ছাড়া এই ঘটনা ঘটতে পারে না।সোমবার নন্দীগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত বয়াল-২ এলাকায় প্রচার সভা ছিল মমতার। সেই সভার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী। একসময়ে নিজের অনুগত সৈনিক শুভেন্দুর নাম না করেই তুলোধোনা করলেন তিনি। বললেন, আমাকে মেরেছে। আমার পা জখম করেছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এটা হতে পারে না। নন্দীগ্রামের কেউ এই ঘটনা ঘটায়নি। বহিরাগতদের এনে এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল। আমাকে মেরেছে। আর এখন দলের লোকেদের মারছে। দলীয় কর্মীদের উপর হামলা প্রসঙ্গে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পুলিশের বিরুদ্ধেও তোপ দাগলেন মমতা। বললেন, অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করছেন না? কীসের জন্য পক্ষপাতিত্ব করছেন? এদিন বহিরাগত ইস্যুতেও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে তোপ দাগেন মমতা। বললেন, আমি এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আমি বহিরাগত? তুমি তো কাঁথির ছেলে। কবে নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র হলে? এটা কবে তোমার জমি হল? আক্রমণের সুর চড়িয়ে মমতা বলেন, একসময় সিপিএমের দালালি করেছে। এখন বিজেপির দালালি করছে। এ প্রসঙ্গ ফের নন্দীগ্রামে পুলিশ প্রবেশ ইস্যু টেনে আনলেন মমতা। বললেন, সেদিন তোমাদের অনুমতি ছাড়া পুলিশ নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারত না। সেদিনের সিপিএমের নবকুমার সামন্ত মানুষ খুন করেছে। আজ সে বিজেপিতে। আর আরেকজন ওর নেতা হয়েছে। সভার শেষে নন্দীগ্রামের মানুষকে গুন্ডামির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। বললেন, নন্দীগ্রামের মানুষ কি ভয় পাচ্ছে? তাঁরা তো কোনওদিন গুন্ডামিকে ভয় পায় না। ওঁরা গুন্ডামি করলে আপনারা রুখে দাঁড়ান। পাল্টা তাড়া করুন।

মার্চ ২৯, ২০২১
রাজ্য

'এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়’, মমতাকে আক্রমণ মোদির

এই পবিত্র বঙ্গভূমিতে কেউ বহিরাগত নয়। কাঁথির সভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোর গলায় জবাব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, যে মাটিতে রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মেছেন, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। উল্লেখযোগ্যভাবে প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তব্যের সুর ছিল রুক্ষ। তাঁর কথার মধ্যেও ছিল বিরক্তির ভাব।উল্লেখ্য, রাজ্যের ভোটের প্রচারাভিযানের একেবারে শুরু থেকে বহিরাগত ইস্যুকে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল। বাংলার ভোটের লড়াইকে বাঙালি বনাম গুজরাতি, বাংলা বনাম দিল্লির লড়াই হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে তৃণমূল। মমতাকে বাংলার মেয়ে এবং বিজেপি শীর্ষনেতাদের বহিরাগত হিসেবে তুলে ধরার এই কৌশলেরই বহিঃপ্রকাশ শাসক দলের বাংলা নিজের মেয়েকেই চায় স্লোগান।কাঁথির সভা থেকে তৃণমূলের সেই অস্ত্র ভোঁতা করতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন মোদি। বলে দিলেন, কবিগুরুর এই বাংলা কাউকে বহিরাগত মনে করে না।সভামঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদির দৃপ্ত ঘোষণা, যে মাটিতে দাঁড়িয়ে বন্দেমাতরম লিখে গোটা দেশকে একসুরে বেঁধেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সেই মাটিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। রাজা রামমোহন রায়, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, মাতঙ্গিনী হাজরা, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিতে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। এরা সবাই এই বঙ্গভুমির সন্তান, ভারতভূমির সন্তান। এই ভূমিতে কেউ বহিরাগত নই। এখানে কোনও ভারতবাসী বহিরাগত নন। মোদি বলছেন, যে বাংলায় দাঁড়িয়ে কবিগুরু জাতীয় সংগীত রচনা করেছেন। দ্রাবিড় উৎকল বঙ্গ, বিন্ধ্য হিমাচল যমুনা গঙ্গাকে একত্রিত করার কথা বলেছেন। সেখানে কেউ বহিরাগত হতে পারে না। গুরুদেবের এই মাটি কাউকে বহিরাগত মনে করে না। প্রধানমন্ত্রী বোঝানোর চেষ্টা করলেন, নিজের ১০ বছরের কাজের খতিয়ান দিতে না পেরে এখন অজুহাত দিচ্ছেন মমতা। আর এই বহিরাগত ইস্যুও আসলে অজুহাত। মোদির প্রশ্ন, গত দশ বছরে কী কাজ করেছেন? তার হিসেব দিচ্ছেন না। কেউ হিসেব চাইলে তাঁকে গালি দিচ্ছেন কেন? এদিন প্রধানমন্ত্রী আরও একবার ঘোষণা করেছেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হবেন কোনও ভূমিপুত্রই।

মার্চ ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal