• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Banerjee

রাজ্য

এসআইআর থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই কি তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার? সংবিধান সংশোধন বিল পেশ নিয়ে তুলকালাম

এসআইআর নিয়ে বিরোধীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সারা দেশ তোলপাড়। এরই মাঝে সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ হল লোকসভায়। তৃণমূল কংগ্রেসে এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেছে। এসআইআর ইস্যু থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দিতেই এই বিল আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপরাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য উভয় কক্ষেই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগে। এটা আসলে কেবলমাত্র একটা ভেল্কিবাজি। আমরা আগে থেকেই সতর্ক করেছিলাম, যখন বিজেপি প্রচার চালাচ্ছিলঅবকি বার, ৪০০ পারতখনই বলেছিলাম ওদের উদ্দেশ্য- সংবিধান বদলে দেওয়া। আর আজ, মাত্র ২৪০ সাংসদ নিয়ে ওরা ১৩০তম সংবিধান সংশোধন নিয়ে এসেছে। ভাবুন তো, যদি ৪০০ সাংসদ থাকত, তাহলে কী করত!ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের দাবি, SIR ইস্যু থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য এই বিল পেশ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সাংবাদিক বৈঠকের পরই স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, উত্তর দেওয়ার বদলে ওরা কেবল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মাত্র দুদিন আগে ৮টি রাজনৈতিক দল যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছিল। কিন্তু এই বিলের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, মুদ্রাস্ফীতি, কৃষক-শ্রমিকদের দুঃখকষ্ট, বা শিল্প গড়ে তোলাএসবের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। সরকারের একমাত্র উদ্দেশ্য শক্তি, টাকা, আর নিয়ন্ত্রণ দখল করা। দেশের সীমান্ত রক্ষা, জঙ্গিদের আটকানো, সার্বভৌমত্ব রক্ষাএসব নিয়ে সরকারের কোনও আগ্রহ নেই।নতুন আইনে বলা হয়েছে যদি কোনও প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় বা রাজ্যের মন্ত্রী, বা মন্ত্রিসভার সদস্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার দ্বারা ৩০ দিনের বেশি আটক থাকে, তবে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এর মানে আপনি নিজের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগই পাবেন না। তাহলে বিচারব্যবস্থার দরকার কী? এটা পুরো বিচারব্যবস্থা ও বিচারপ্রক্রিয়ার ভিতটাই দুর্বল করে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নিজের বিরুদ্ধেও মামলা ঝুলছে। বিজেপি বলবে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। যদি আমরা ভয় পেতাম, তবে ঘরে বসে থাকতাম। কিন্তু আমরা তো রাস্তায় নেমে লড়াই করছি।অভিষেকের দাবি, এই বিলের একমাত্র উদ্দেশ্য হল বিরোধী নেতাদের, কর্মী-সমর্থকদের এবং জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দমন করা। তথ্যই তা প্রমাণ করছেঅর্থমন্ত্রক নিজেই সংসদীয় প্রশ্নের জবাবে বলেছে, গত ১০ বছরে ইডি ৫,৮৯২টি মামলার তদন্ত করেছে, কিন্তু দোষী সাব্যস্ত হয়েছে মাত্র ৮টিতে। মানে ০.১৩%। অর্থাৎ, ৯৯.৯% মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অথচ প্রধানমন্ত্রী মোদীর তৃতীয় মেয়াদের মন্ত্রিসভায় ২৮ জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জনের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ এবং মহিলাদের উপর নৃশংস অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এই বিল পাশ হলে ওদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে?বারে বারেই অভিযোগ উঠেছে সিবিআই, ইডি সহ সমস্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সি বিজেপির কথা মতো কাজ করে। নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের পিছনে ইডি, সিবিআই লেলিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সাজা হয় না বলে খবর। অভিষেক বলেছেন, ২০১৪ থেকে এখন পর্যন্ত ২৫ জন বিরোধী নেতা, যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলছিল তাঁরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে ২৩ জনের সব মামলা থেকে রেহাই মিলেছে। তাহলে বিজেপির উদ্দেশ্য দুর্নীতি বিরোধী লড়াই, না বিরোধীদের হয়রানি? যদি ওদের উদ্দেশ্য সৎ হত, তবে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, অজিত পওয়ার, শুভেন্দু অধিকারীরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুক্তি পেতেন না। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে ওদের বিরুদ্ধে একটাও সমন জারি হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, গত ১০ বছরে কতজন বিজেপি নেতা গ্রেফতার হয়েছে?

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজ্য

২০২৬-এর আগে দুয়ারে সরকারের নয়া মডেল, কর্মসূচি ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’

২১ জুলাই শেষ হতেই নবান্ন থেকে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দুয়ারে সরকারের মডেলে নয়া কর্মসূচি। একেবারের বুথ ভিত্তিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। তিনটে বুথ নিয়ে একটি কর্মসূচি। এই প্রকল্পকে নয়া চমক বলে দাবি করেছে বিরোধীরা।নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগে আমরা দুয়ারে সরকার কর্মসূচি চালু করেছিলাম। প্রায় ১০ কোটি মানুষ তাতে অংশ নিয়েছিলেন। সেই কর্মসূচির ৯০% কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০% কাজ কিছু প্রকল্পে এখনও বাকি আছে। অনেকেই আবেদন করেছেন, আমরা সেই প্রকল্পগুলো ডিসেম্বর থেকে চালু করব, বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো যেসব প্রকল্প রয়েছে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন। জাতিগত শংসাপত্র, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি কর্মসূচি শুরু করছি যার নেতৃত্বে আমি, মুখ্য সচিব এবং ডিজিপি পুলিশ থাকবেন। এই কর্মসূচির নাম আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান। রাজ্য সরকারের তহবিলের উপর নির্ভর করে সরকারি বিভাগগুলির কাজ যথারীতি চলতে থাকবে। MGNREGA তহবিল আটকে রাখা হয়েছে, গ্রামীণ আবাস যোজনার তহবিল আটকে রাখা হয়েছে এবং রাস্তার তহবিলও বন্ধ করা হয়েছে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে মানুষ নিজেরাই এসে তাঁদের সমস্যার কথা জানাতেন। আমরা অনেক সমস্যার সমাধান করতে পেরেছিলাম। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই সবাইকে, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের, যাঁরা দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।কেন এই নয়া কর্মসবূচি নিয়েছে রাজ্য? তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পাড়ায় ছোট ছোট সমস্যা থেকে যায়, যেমন কোনও জায়গায় একটা কল বসানো দরকার বা একটা ইলেকট্রিক পোল বসানো দরকার। এই ধরনের বিষয়গুলো নজরে আনা দরকার। আমরা অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি, কিন্তু তবুও কিছু জায়গা হয়তো কোনও কারণে বাদ পড়ে গেছে। এই ধরনের ছোট ছোট সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা একটি নতুন কর্মসূচি আনছি। আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান। এই ধরনের উদ্যোগ দেশে এই প্রথম। দেখতে ছোট মনে হলেও এর বিস্তৃতি বিশাল। প্রধানমন্ত্রী আত্মনির্ভরতার কথা বলেন, কিন্তু বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন দেখা যায় না। সব কাজ রাজ্য সরকারকেই করতে হচ্ছে।কোন পদ্ধতিতে এই কর্মসূচি রূপায়ণ হবে তাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই কর্মসূচি দেশের মধ্যে প্রথম বাংসা চালু করছে বলেও দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান, দেশের প্রথম এই ধরনের কর্মসূচি। এটি একটি উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হল গ্রামে গ্রামে ছোট ছোট সমস্যার সমাধান করা। সরকারি অফিসাররা ক্যাম্পে থাকবেন, সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন। প্রতিটি ক্যাম্প ৩টি বুথ নিয়ে তৈরি হবে। অর্থাৎ একেকটি ইউনিট হবে একেকটি পাড়া। আমাদের ৮০,০০০-এরও বেশি বুথ রয়েছে, তাই এই পুরো কর্মসূচি সম্পূর্ণ করতে ২ মাস সময় লাগবে। প্রত্যেকটি বুথে অফিসাররা সারাদিন থাকবেন। নির্দিষ্ট একটি জায়গা থাকবে, যেখানে পাড়ার মানুষ তাদের এলাকা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি জানাতে পারবেন। অফিসারেরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ ঠিক করবেন।এই কর্মসূচির জন্য একটি বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতি বুথে ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। মোট খরচ ৮,০০০ কোটিরও বেশি টাকা। পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ বা পৌরসভা যেমন কাজ করছে, তেমনই কাজ করবে। তবে এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই নতুন কর্মসূচি শুরু করছে। এই কর্মসূচি আগামী ২ অগস্ট থেকে শুরু হবে। একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে, যা চিফ সেক্রেটারির নেতৃত্বে কাজ করবে। জেলায় ও রাজ্যে আলাদা আলাদা টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য পুলিশও সহযোগিতা করবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী ২ মাস ধরে সরকার মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। দুর্গাপুজোর জন্য ১৫ দিনের ছুটি থাকবে, পরে আবার সময় বাড়ানো হবে। তবে সব বুথই কভার করা হবে। এই কর্মসূচির পাশাপাশি দুয়ারে সরকার কর্মসূচিও চালু থাকবে।

জুলাই ২৩, ২০২৫
রাজনীতি

“ভোটারদের গায়ে হাত পড়লে গণ আন্দোলন", চক্রান্ত বাংলাতেও! চরম হুঁশিয়ারি মমতার

বেশ কিছু দিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটার তালিকায় কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করছে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলো। সোমবার একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসে হুঙ্কার ছাড়লেন তৃণমূল সুপ্রমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিহারে ৪০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গেও সেটাই করতে চাও? যদি এমনটা করার চেষ্টা করো, তাহলে আমরা ঘেরাও আন্দোলন শুরু করব। আমরা তীব্র প্রতিবাদে নামব। আমরা তোমাদের কারোর নাম বাদ দিতে দেব না, একজনকেও ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে দেব না_এরই পাশাপাশি বিজেপি সরকারের বাঙালিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতা বলেন, এই মুহূর্ত থেকেই শুরু হচ্ছে ভাষা আন্দোলন। ২৭ জুলাই থেকে, প্রতি শনিবার ও রবিবার মিছিল ও সভা করতে হবে-বাংলা ভাষার প্রতি যে হিংসা ও অবমাননা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এটা করতে হবে। কোনও পরিযায়ী শ্রমিক বা তাঁদের পরিবার যদি বলে তারা সমস্যায় আছে, তাহলে পাশে দাঁড়াতে হবে, আমাদেরও অবহিত করুন।

জুলাই ২১, ২০২৫
কলকাতা

কসবা কাণ্ডে মদন মিত্র ও কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে তোলপাড় বাংলা, তৃণমূলের নিন্দা

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক মদন মিত্রের কসবা গণধর্ষণ কাণ্ডে মন্তব্যে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। তৃণমূল বলছে, দল দুই নেতার মন্তব্য সমর্থন করে না। কার্যত এই দুই নেতা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস দূরত্ব তৈরি করছে। বিজেপি কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি। কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, যদি ওই মেয়েটি না যেত, তাহলে এই ঘটনা এড়ানো যেত, যদি সে কাউকে জানাত অথবা দুজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে যেত, তাহলেও সেদিনের এই ঘটনা এড়ানো যেত। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি অপরাধীদের সমর্থন করতে চাইছে এই তৃণমূল নেতা। অন্য দিকে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মানসিকতার পরিবর্তন না হলে হবে না। আইন বা পুলিশ দিয়ে কিছু হবে না। স্টুডেন্টরা যদি তাঁদের সহপাঠিনীকে রেপ করা তা প্যাথিটিক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কি পুলিশ থাকবে? মূল অভিযুক্ত যে প্রাক্তনী তা এড়িয়ে গিয়েছেন কল্যান। এদিকে এই দুই নেতার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের বক্তব্য, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনা প্রসঙ্গে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিধায়ক মদন মিত্র যে মন্তব্য করেছেন, তা তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত। দল তাঁদের বক্তব্যের সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নয় এবং এই মন্তব্যগুলিকে কড়াভাবে নিন্দা করছে। এই ধরনের বক্তব্য কোনওভাবেই দলের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না।তৃণমূল বলছে আমাদের অবস্থান স্পষ্টমহিলাদের ওপর অপরাধের ক্ষেত্রে বরাবরই জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও করা হবে। যারা এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে যেন কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।

জুন ২৮, ২০২৫
রাজ্য

বাংলা দিবস পালন নিয়ে বিজেপিকে কড়া তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বাংলা দিবস পালন নিয়ে ফের বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। আগামী ২০ জুন বাংলা দিবস পালন করা হবে বলে উত্তরপ্রদেশের বিশেষ সচিব পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি দফতরকে একটি চিঠি দিয়েছে। আলাদা করে বাংলা দিবস পালনের দিন নির্ধারণ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে BJP-র কড়া জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০ জুন প্রতিটি রাজ্যের রাজভবনে বাংলা দিবস পালন করা হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। এই তারিখ কীভাবে ঠিক করা হল? দেশ স্বাধীন হয়েছে ১৫ আগস্ট। বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবস আপনারা ঠিক করে দেবেন? বিজেপি ইচ্ছা মতো চাপিয়ে দেবে? এটা বাংলাকে চরম অসম্মান বলে আমরা মনে করছি। বাংলা দিবস বাংলার সরকার পালন করবে। সেটা ১ বৈশাখ।এদিন কেন্দ্রকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রীর আরও তোপ, সব বুলডোজ করছে, দেশে জুমলা সরকার চলছে। পেহেলগাঁওয়ের পর সবাই বিশেষ অধিবেশন ডাকার কথা বলেছে। বিরোধীরা সবাই অধিবেশন ডাকার কথা বলেছিল। কেন বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে না?একশো দিনের কাজের টাকা চার বছর ধরে বন্ধ করেছে। আবাস যোজনার টাকা দিচ্ছে না। রাজ্য সরকার নিজে সেই টাকা খরচ করে উন্নয়ন বজায় রেখেছে।

জুন ১৮, ২০২৫
রাজ্য

রায়নার বিধায়কের কন্যার নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার শিশু কন্যার নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভাতেই বিধায়ক শম্পা ধারা কন্যা সন্তান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে হাজির হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক শম্পা ধারার শিশু কন্যার নাম রাখেন ঐশী। আশাপূরণ হওয়ায় শম্পা ধারা বেজায় খুশি। মেয়ের অন্নপ্রাসন অনুষ্ঠানের দিনও নির্দিষ্ট করে ফেলেছেন বিধায়ক। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য শম্পা ধারা এদিন মুখ্যমন্ত্রী সহ সকল বিধায়ককে নিমন্ত্রণও করেন।শম্পা ধারার কন্যার এখন বয়স মাত্র সাড়ে চার মাস। বাংলার অগ্নিকন্যা তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্তত তাঁর কন্যার নামকরণ করে আশীর্বাদ করুন, এমনটাই স্বপ্ন ছিল রায়নার তৃণমূল বিধায়কের। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষে নিজের শিশু কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার দুপুরে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের সামনে পৌছে যান পূর্ব বর্ধমানের বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী ঘর থেকে বের হতেই বিধায়ক শম্পা তাঁর কন্যার নামকরণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেন। নিজের দলের বিধায়কের সেই অনুরোধ ফেরাননি মুখ্যমন্ত্রী।শম্পা ধাড়া জানান, চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি তাঁর কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে। শম্পা ধারার কথা অনুযায়ী নাম করণ করে দেওয়ার পর তাঁর মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশীর্বাদ করেছেন। এটাই তো তাদের কাছে অনেক বড় পাওয়া। এর জন্য তিনি গর্বিত বোধ করছেন।তাঁর খুব আনন্দও হচ্ছে।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের পোস্টারে ছবি কার? কি সিদ্ধান্ত দলের?

২১ জুলাই শহীদ দিবস। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের ২১ শে জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সভা সফল করতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। শনিবার ভবানীপুরের দলীয় কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে তৃণমূল। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে দলীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার ২১ জুলাইয়ের পোস্টারে থাকবে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকবে না। এটা অভিষেক নিজেই চেয়েছেন। উল্লেখ্য, অভিষেক ২০১১ সালে তৃণমূলে যোগ দেন এবং দলের যুব সংগঠনের সভাপতি হন। এরপর থেকে তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে উঠে আসেন। কিন্তু তাঁর ছবি পোস্টার থেকে বাদ যাওয়ার বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনার শেষ নেই। গত বছর নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের সমাবেশে অভিষেকের ছবি না-থাকায় তৃণমূলের ভিতরেই বিক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। কুণাল ঘোষের মতো নেতারা সেই নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। এবার যাতে তেমন কোন বিতর্ক না হয় তা নিয়ে আগে ভাগেই সতর্ক অবস্থান নিল দল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুদীপবাবু বলেন, ক্যামাক স্ট্রিটের দফতর থেকে যেসব পোস্টার পাঠানো হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, অভিষেক নিজেই বলেছেন, যেহেতু তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না, তাই তাঁর ছবি পোস্টারে না থাকাই যুক্তিযুক্ত।রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা বারবার দলীয় সভায় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, সরকার যেমন তাঁর হাতেই, সংগঠনেও তিনিও শেষ কথা। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই, বাম সরকারের আমলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন তৃণমূল কর্মী। সেই শহিদদের স্মৃতিতে প্রতিবছর এই দিনটি পালন করে তৃণমূল। যেহেতু সেই সময় অভিষেক রাজনীতিতে ছিলেন না, তাই এবার তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন এমনটাই দাবি সুদীপের-ফিরহাদদের।তবে এই ছবি বিতর্ক নতুন কোন ইস্যু নয়। ২০২৩ সালে নেতাজি ইন্ডোরের এক সভাতেও শুধু মমতার ছবি ছিল, অভিষেকের ছবি না-থাকায় কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছিলেন। আবার ২০২৫-এর শুরুতে অভিষেকের দফতর থেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারে তাঁর বিরাট ছবি ঘিরেও শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পরে সেটি বদলে দেয় রাজ্য নেতৃত্ব। এরপর ফের ফেব্রুয়ারিতে নেতাজি ইন্ডোরের দলীয় সভায় দেখা যায় শুধুই মমতার ছবি। সব মিলিয়ে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে যে রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, তাতে সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একক নেতৃত্বকেই সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। আর অভিষেকের ছবি না-থাকা সেই বার্তাকেই আরও সুদৃঢ় করল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের ।

জুন ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন মোদী, শিক্ষা থেকে হিংসা উঠে এল ভাষণে

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজিয়ে দিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আলিপুরদুয়ারের জনসভায় কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। এই সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়েছেন মোদী। পাশাপাশি তাঁর ভাষণে উঠে এসেছে মুর্শিদাবাদ, মালদার হিংসার কথা, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা বরবাদ বলেও উল্লেখ করেছেন মোদী।বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদী বলেন, মুর্শিদাবাদ, মালদায় যা হল তা এখানকার সরকারের নির্মমতা। দাঙ্গায় গরিব মা-বোনেদের জীবনভরের পুঁজি লুঠ হয়ে গেল। তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে, গুন্ডাদের খোলামেলা ছুট দিয়ে রেখেছে সরকার। সরকারে থাকা লোকজন, পার্টির লোকজন মানুষের ঘর চিহ্নিত করে জ্বালাচ্ছে, পুলিশ দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছে। এখানে কী পরিস্থিতি চলছে সেটা কল্পনাও করতে পারছি না। সরকার এভাবে চালাতে হয়? গরিব মানুষের উপর অত্যাচার হলেও সরকারের ভ্রুক্ষেপ নেই। সব কিছুতেই এখানে আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। বাংলার মানুষেরও আর তৃণমূলের সরকারের উপর ভরসা নেই। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ একাধিক সংকটে জেরবার বলেও দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। একের পর এক ইস্যু তুলে ধরতে থাকেন নরেন্দ্র মোদী। এই ইস্যুতেও তৃণমূল পরিচালিত সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মোদী। তাঁর কথায়, সংকটে জেরবার বাংলা। প্রথম সংকট, একদিকে হিংসা-অরাজকতা চলছে। দ্বিতীয়, মা-বোনেদের ওপর অত্যাচার চলছে। তৃতীয়ত, যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোরতর নিরাশা তৈরি হয়েছে, কর্মহীনতার যন্ত্রণায় ভুগছে যুবরা। চতুর্থত, বেপরোয়া দুর্নীতি চলছে। পঞ্চম সংকট হল, এই রাজ্যের গরিবের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে শাসকদলের রাজনীতি।এরই পাশাপাশি অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিরা যা করেছে, সারা ভারতের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের লোকেদেরও তুমুল আক্রোশ ছিল। আপনাদের সেই আক্রোশ আমি ভালোই বুঝেছি। জঙ্গিরা আমাদের মা-বোনেদের সিঁদুর মোছানোর দুঃসাহস দেখিয়েছিল। আমাদের বীর সেনারা ওদের সিঁদুরের শক্তি কী সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে। আমরা জঙ্গি ঘাটি ধ্বংস করেছি। পাকিস্তান এটা কল্পনাও করতে পারিনি। জঙ্গিদের ঠিকানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমন শিক্ষা পাবে পাকিস্তান কল্পনাও করেনি। সন্ত্রাসের লালন পালন করে পাকিস্তান। ১৯৪৭-এর পর থেকেই ভারতে সন্ত্রাস পাকিস্তানের। বাংলাদেশে পাকিস্তানের অত্যাচার ভোলবার নয়। তিনবার পাকিস্তানকে ঘরে ঢুকে মেরেছে ভারত।SSC-এর নিয়োগ দুর্নীতির জেরে এই রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছে। শাসকদল তৃণমূলের তাবড় নেতা-মন্ত্রী পাহাড়-প্রমাণ এই দুর্নীতিতে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের সভামঞ্চ থেকে রাজ্যের এই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে বেনজির নিশানা করেছেন নমো।প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেছেন, তৃণমূলের নেতারা এত বড় পাপ করেও নিজেদের ভুল মানতে নারাজ। হাজার-হাজার পরিবারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলা হয়েছে। গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়েদের অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা বরবাদ। শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেও তৃণমূলের নেতারা মানতে নারাজ। বাংলায় হাজার-হাজার শিক্ষকের কেরিয়ার বরবাদ। এখানকার যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘোরতর নিরাশা তৈরি হয়েছে। কর্মহীনতার যন্ত্রণায় ভুগছে যুবরা। বেপরোয়া দুর্নীতি নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাগাতার মানুষের বিশ্বাস কমছে।

মে ৩০, ২০২৫
দেশ

"জাপানে রাসবিহারী বসুর স্মৃতিস্তম্ভ জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে", পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের দাবি অভিষেকের

সম্প্রতি অপারেশন সিন্দুরের সাফল্য ও পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বিশ্ববাসীকে জানাতে ভারতের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেরাচ্ছে। জাপানে ভারতের প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেখানে রাসবিহারী বসুর স্মৃতি সৌধ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লিখেছেন, ভারতের অন্যতম প্রধান বিপ্লবী এবং বাংলার গর্বিত সন্তান রাসবিহারী বসুর জন্মবার্ষিকীতে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ভারতের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গকারী একজন দূরদর্শী, তিনি দুটি মহান জাতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। টোকিওর স্মৃতিস্তম্ভটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে, আমাদের জাতির ইতিহাসে তাঁর বিশাল অবদানের প্রতি একটি গুরুতর অবিচার।তিনি জাপানে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। অভিষেক বলছেন, আমি রাষ্ট্রদূত @AmbSibiGeorge এবং @IndianEmbTokyo-এর সাথে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি। স্থানটিকে যথাযথ মর্যাদার সাথে পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি। আসুন আমরা রাসবিহারী বসুর আত্মত্যাগকে কখনও ভুলে না যাই এবং তাঁর স্মৃতি আগামী প্রজন্মের জন্য উজ্জ্বল থাকে তা নিশ্চিত করে তাকে সম্মান জানাই।

মে ২৫, ২০২৫
রাজ্য

সারাজীবন চলবে লক্ষ্মীর ভান্ডার, ২০২৬-এর আগে জানিয়ে দিলেন মমতা

উত্তরবঙ্গের দ্বিতীয় দিনের সফরে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার জেলা এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রায় ২ লক্ষ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন, লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ হবে। এটা চলতে থাকবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সারা পৃথিবীতে প্রথম আমরা এই প্রকল্প চালু করেছি। সারাজীবন চলবে, প্রতিশ্রুতি দিলে আমরা তা রাখি। এ প্রসঙ্গে বিজেপির নাম না করেই কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা দিলে কথা রাখি, উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক সভায় বলেন নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর, ঘোষণা করেন একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা। তিনটি জেলার মোট ৩৬৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। যার মোট অর্থমূল্য ২৫০ কোটি ৫৪ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা। এরইসঙ্গে ১৩৪টি প্রকল্পের শিলান্যাস করা হল, যার অর্থমূল্য প্রায় ১৮৯ কোটি ৪২ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা। বাংলার উন্নয়নের লক্ষ্যে মা-মাটি-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষের সরকার সদা জাগ্রত। বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনা, কৃষকবন্ধু মৃত্যুকালীন সহায়তা, চোখের আলো প্রকল্প, যোগ্যশ্রী, ক্যাশ ক্রেডিট লোন (আনন্দধারা), সংখ্যালঘু ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সহায়তার জন্য মেয়াদি ঋণ প্রদান, সবুজ সাথীর সাইকেল প্রদান, কন্যাশ্রী, শিক্ষাশ্রী, জমির পাট্টা প্রদান, ধামসা-মাদল বাদ্যযন্ত্র প্রদান একাধিক প্রকল্পের সরকারি পরিষেবা প্রদান করলাম। উত্তরবঙ্গের যে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি উদ্বোধন করেন মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেগুলি হল, মাল ব্লকে ১৬২টি এবং নাগরাকাটা ব্লকে ২৮৫টি চা সুন্দরী ঘর নির্মাণ প্রকল্প, ৩১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা ব্যয়। রাজগঞ্জ ব্লকে সাহুডাঙ্গি থেকে বেলাকোবা রাস্তা ২৩ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। মালবাজার ব্লকে গজলডোবা ব্যারেজ থেকে ক্রান্তি ওদলাবাড়ি সংযোগকারী বাগানবাড়ি মোড় রাস্তা নির্মাণ, ১৬ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। বেরুবাড়ি গ্যাস ইন্সুলেটেড সাব স্টেশন, ১০ কোটি টাকা। বানারহাট ব্লকে গয়েরকাটা-রামসাই-মধুবনী পার্কের কাছে মাচুয়া নদীর উপর আরসিসি সেতু, ৮ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা। মালবাজার ব্লকে চেংমারী পি.ডব্লিউ.ডি রোড থেকে পি.এম.জি.এস.ওয়াই রোড খাল পাড়া জুনিয়র হাইস্কুল পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, ৮ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন ব্লকে ৫০টি ওয়াটার ভেন্ডিং কিয়স্ক নির্মাণ, সাড়ে ৪ কোটি টাকা। মিনগ্লাস চা-বাগানে নলবাহিত পানীয় জল প্রকল্প, ৪ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে আলুর উৎকর্ষ কেন্দ্র নির্মাণ, ৪ কোটি টাকা। ধূপগুড়ি কৃষকবাজারের পরিকাঠামো উন্নয়ন, ৩ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা। রাজগঞ্জ ব্লকে পানকৌড়ি মোড় থেকে হরিহর হাই স্কুল ভায়া মরাডাঙ্গি হাসপাতাল পর্যন্ত পাকা রাস্তা নির্মাণ, ৩ কোটি ১৭লক্ষ টাকা। ধূপগুড়ি ব্লকে গিলান্ডি নদীর উপর সুরক্ষা কাজ এবং রাস্তা-সহ জয়েস্ট সেতু নির্মাণ, ২ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা। মালবাজার ব্লকে সুখা ঝোরার উপর বক্স কালভার্ট নির্মাণ, ২ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা। ময়নাগুড়ি ব্লকে দ্বারিকামারিতে সালমারা নদীর উপর জয়েস্ট সেতু নির্মাণ, ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। ক্রান্তি ব্লকে রাজাডাঙ্গা আঁচল মোড় থেকে দেবীপুর ফ্যাক্টরি মোড় পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, ২ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা। রাজগঞ্জ ব্লকে তালমা নদীর উপর সংযোগ সড়ক এবং সুরক্ষা কাজ-সহ জয়েস্ট সেতু নির্মাণ, ২ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা। নাগরাকাটা ব্লকে ভবানী শর্মার বাড়ি থেকে বামিয়া মুন্ডার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, ২ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা। মাল ব্লকে গোলাপ চাঁদের দোকান থেকে দমদিম টিজি ফ্যাক্টরি গেট হয়ে এনজি ডিভিশন অফিস পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। এছাড়া, আরও অনেকগুলি রাস্তা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র, কমিউনিটি হল, ইকো পার্ক, সৌরচালিত পথবাতি, সৌরচালিত পানীয় জল, পানীয় জলের নলকূপ, দোকানঘর, মাদ্রাসা লাইব্রেরি, মিড-ডে মিল ডায়নিং হল, বিভিন্ন স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ অন্যান্য প্রকল্প।

মে ২১, ২০২৫
রাজ্য

সপ্তাহের শুরুতেই উত্তরবঙ্গ সফরে মমতা, তুঙ্গে প্রস্তুতি

সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা এবং একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতেই এই সফর বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।সফরের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়ি পৌঁছবেন। এরপর তিনি দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ি জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাসও করবেন।এই সফরে সরকারি আধিকারিকদের পাশাপাশি থাকবেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্তা। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলবেন এবং তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, আসন্ন পঞ্চায়েত বা লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং প্রশাসনিক কাজকর্মের গতি বাড়ানোই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৮, ২০২৫
রাজ্য

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য মন্ত্রিসভার, সাময়িক সুরাহা, চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা মমতার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন ভাতা প্রকল্প চালু করেছে, যার মাধ্যমে চাকরি হারানো গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি ২০২৫ সালের ১৪ মে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।এই প্রকল্পের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড এন্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি ইন্টেরিম স্কিম (West Bengal Livelihood and Social Security Interim Scheme),ভাতা পরিমাণ:গ্রুপ সি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২৫,০০০, গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২০,০০০, এই স্কিম কার্যকরের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে এবং এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করবে রাজ্য শ্রম দফতরের।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সাংবাদিক সন্মেলনে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো ২৫,৭৫২ জন স্কুল কর্মচারীর আর্থিক দুর্দশা লাঘব করা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভাতা প্রদান চলবে যতদিন না পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের নিষ্পত্তি হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি মানবিকতার দিক বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে, যাতে চাকরি হারানো কর্মীরা তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।যদিও অনেক কর্মী এই ভাতা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তবুও তাদের মূল দাবি চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়া। একজন প্রাক্তন কর্মী কৌশিক রঞ্জন মণ্ডল বলেন, ভাতা সমাধান নয়। আমি মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করি, তবে আমরা চাই আমাদের চাকরি ফিরে আসুক।তৃণমূল কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার প্রমাণ করেছে যে তারা চাকরি হারানো কর্মীদের পাশে রয়েছে এবং তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মে ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার পুরী: দীঘা জগন্নাথ মন্দির

দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন হল বুধবার। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরী হয়েছে এই মন্দির। পর্যটন কেন্দ্র দীঘার অন্যতম নয়া আকর্ষণ এই মন্দিরটি। এটি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের স্থাপত্যশৈলীও অনুকরণ করা হয়েছে। মন্দিরে স্থাপিত হয়েছে জগন্নাথ দেব, বলভদ্র, দেবী সুভদ্রা-র মূর্তি।পুরীর জগন্নাথ মন্দিরটি কুড়ি একরের বেশি জায়গা জুড়ে বৃস্তিত। ৩০শে এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ার শুভদিনে মন্দিরটি উদ্বোধন হয়েছে। মন্দির উদ্বোধনের আগে থেকেই দীঘিয় উৎসবের মরসুমে শুরু হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 2018 সালে দিঘার এই জগন্নাথ মন্দির নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছিলেন। দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (DSDA) মন্দির নির্মাণের জন্য 20 একপ্রকার জমি প্রদান করেন।হাউজিং ইনফ্যাস্ট্রাকচার ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন (HIDCO) কে এই মন্দির নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। 2022সালের অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ তিথিতে রাজ্য মন্ত্রী আখিল গিরি এই মন্দির নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।মন্দিরের চূড়া প্রায় ৬৫মিটার (২১৩ফুট )। মন্দিরের মেঝেতে ভিয়েতনামের মার্বেল ব্যবহার করা হয়েছে। মন্দিরের মূল কাঠামোটি রাজস্থানের বোনসি পাহাড়ের বিখ্যাত লাল বেলেপাথর দিয়ে তৈরী।পুরীর মন্দিরের মতোই এখানে সিংহদ্বার, বাঘ্রদ্বার, হস্তিদ্বার, ও অশ্বদ্বার রয়েছে।দিঘার মনোরঞ্জন সমুদ্র সৈকতের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে নবনির্মিত জগন্নাথ মন্দির। এই মন্দিরটি দিঘাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ৩০, ২০২৫
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মেনে মুর্শিদাবাদে শুভেন্দু, দিলেন নিরাপত্তার আশ্বাস

শর্তসাক্ষেপে কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি মিলতেই শনিবার মুর্শিদাবাদে সফরে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন প্রথমে তিনি ধূলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে নামেন। সেখানে দলীয় নেতা ও কর্মীরা তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা জানান। তারপরে তিনি স্থানীয় নেতৃত্বকে নিয়ে সামসেরগঞ্জের জাফরাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ওয়াকফ আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনের জেরে হিংসার ঘটনায় জাফরাবাদে বাবা হরগোবিন্দ দাস ও ছেলে চন্দন দাসকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। বিরোধী দলনেতা আজ দাস বাড়িতে যান। সেখান মৃত হরগোবিন্দ ও চন্দন দাসের স্ত্রী এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কথা করেন। তিনি দুই পরিবারের সদস্যদের হাতে ১০ লক্ষ ১ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, হিংসার ঘটনার পর থেকে জাফরাবাদে ভয়ঙ্কর অবস্থা। গ্রামবাসীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই এলাকায় বিএসএফ ক্যাম্প ও এনআইএ তদন্তের দাবি করেছে। তিনি এই বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, দাস পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর ১০ লক্ষ টাকা প্রত্যাখ্যান করেছে কিন্ত আমার ১০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেছে। কাজেই দাস পরিবারের কাছে মুখ্যমন্ত্রী ব্রাত্য, আমাকে গ্রহণ করেছেন। জাফরাবাদ থেকে বেরিয়ে দিঘির পাড়ে যান। সেখান থেকে বেতবোনায় পৌঁছন। সেখানে কিছুক্ষণ থেকে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হিংসা বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। গ্রামবাসীরা তাঁকে নিরাপত্তার দাবি জানায়। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
রাজ্য

SSC চাকরিহারা গ্রুপ C ও গ্রুপ D কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্য়মন্ত্রীর

SSC-এর চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে রাজ্য সরকার। শনিবার নবান্নের সভাঘরে চাকরিহারাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বৈঠক থেকেই চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মীদের মাসিক ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এছাড়াও পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হানায় নিহত পর্যটকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য় সরকার।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজারের চাকরি বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি চাকরিহারা শিক্ষকদের নতুন প্যানেল তৈরি না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গ্রুপ সি কর্মীরা প্রতি মাসে ২৫ হাজার টাকা এবং গ্রুপ ডি কর্মীরা প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে পাবেন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মত চাকরিহারা শিক্ষা কর্মচারীদের বিষয়টি নিয়েও রিভিউ পিটিশন করবে রাজ্য। মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা কর্মচারীদের এই ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার।এছাড়া পহেলগাঁওয়ের নিহত বিতানের স্ত্রীকে 5 লক্ষ টাকা, বিতানের বাবাকে 5 লক্ষ, বাবা মাকে 10 হাজার টাকা পেনশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী। পাশাপাশি সেনা জওয়ান ঝন্টু শেখের স্ত্রীকে সরকারি চাকরি দেবে রাজ্য় সরকার।প্য়ারা টিচারদের আন্দোলনের নেতা ভগীরথ ঘোষ বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী তাদের পাশে মানবিক মুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে কুড়ি-পঁচিশ হাজার টাকা মাইনা দিতে পারবেন। আর বাংলার পার্শ্ব শিক্ষকরা কুড়ি বছর ধরে স্কুলে জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করলেও তাদের কথা ভাবলেন না?

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

"ভারত সেরা" ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, ঘোষণা ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানের

মহিলা ফুটবলে ভারত সেরা ইস্টবেঙ্গল। সেই উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কি বলেছেন এদিনের অনুষ্ঠানে:-ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে আমার অন্তরের আত্মিক সম্পর্ক। এই ক্লাব একাধিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১০০ বছর অতিক্রম করে বাংলার ফুটবলকে যে সম্মানের জায়গায় প্রদর্শিত করেছেন তার জন্য আমি গর্বিত। সদ্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মহিলা ফুটবল টিম ভারতসেরা IWL জয়ী হয়েছে, আমি তাদের প্রতি বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলাম। ইস্টবেঙ্গল মহিলা টিমের এই সফল্যে বাংলা আজ গর্বিত। তাদের খেলার সার্বিক বিকাশের জন্য আজকের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে ৫০ লক্ষ টাকা তুলে দিলাম। এছাড়াও রবীন্দ্রসদনের এই মঞ্চে প্রকাশ করলাম পরিচালক গৌতম ঘোষের তৈরি শতবর্ষে ইস্টবেঙ্গল নামে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাসের একটি তথ্যচিত্র।আমি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার খেলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন একাডেমি গঠন করার কাজ শুরু করেছিলাম। বাংলায় প্রায় ৮টি একাডেমি তৈরি করেছি। ফুটবল খেলায় বাংলাকে সম্মানের উচ্চস্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ক্লাবকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছি। পূর্বে খেলার জন্য বরাদ্দ ছিল ১২৬ কোটি টাকা, বর্তমানে ৬ গুণ বেড়ে হয়েছে ৮৪০ কোটি টাকা। আমরা ৪৪টি যুব আবাস, ৩৪টি স্টেডিয়াম, ৭৯৫টি মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম, ৪ হাজারের বেশি মাল্টি জিম গড়ে তুলেছি। ৪০০-র বেশি খেলার মাঠের উন্নয়ন করা হয়েছে। সুইমিং পুল গড়ে তোলা হয়েছে ৬টি। রাজ্যের যুব আবাসগুলিতে ৪,৮০০ বেশি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলাশ্রী প্রকল্পের আওতায় বাংলার ৩৪ হাজার ক্লাবকে আমরা ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। এছাড়াও ৩৪টি ক্রীড়া সংস্থাকে বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা করে প্রদান করি। আমি সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী ২১ জন খেলোয়াড়কে পুলিশের চাকরির মানপত্র তুলে দিয়েছি। ভালোবাসা, ভালোলাগার খেলাকে যাতে আরও সুন্দর ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এবং আগামীতে নিজেদের পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে প্রস্তুত করে, তার জন্য আমাদের সরকার সবসময় বাংলার যুবক-যুবতীর পাশে আছে। আগামী দিনে বাংলার যুব সমাজ ক্রীড়াতে ভারত তথা বিশ্বের কাছে বাংলার নাম আরও উজ্জ্বল করবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবিতে ফের সিজিও অভিযান চিকিৎসকদের

জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের পক্ষ থেকে সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান। প্রতিনিধিরা যায় করে সিবিআই দপ্তরে। ৮ মাসেও মেলেনি বিচার। দ্রুত তদন্ত, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার দাবিতে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এবং অভয়া মঞ্চের অভিযান। মিছিল করে তারা উপস্থিত হয় ফিজিও কমপ্লেক্সের সামনে। এর পরে সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, ৮ মাস পার হলেও প্রকৃত বিচার মিলল না। তদন্তে সিবিআই এর দীর্ঘসূত্রিতা এমনকি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার ক্ষেত্রেও তদন্তকারীদের উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিকিৎসকরা। এরপর তাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রবেশ করে ফিজিও কমপ্লেক্সের ভেতরে সিবিআই দপ্তরে।

এপ্রিল ১০, ২০২৫
কলকাতা

এক ফ্রেমে দিলীপ-শুভেন্দু, মমতাকে আক্রমণ বিরোধী দলনেতার, বললেন, 'কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতা যাবেন সেখানে'

২০২৬ বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। রাজ্যে পুরো দস্তুর নির্বাচনী দৌত্য় শুরু হয় গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল ছিলেন দিল্লিতে, এদিন রাজ্য বিধানসভা চত্বর একেবারে হুলস্থূল। আবারও শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোকে ফের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা। সেই সঙ্গে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও বিধানসভার চলতি অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না বলেই জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু।মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিরোধী দলনেতাকে ৯ মাস বাইরে রেখেছেন। আর তো দুটো সেশন আছে। একটা বাদল অধিবেশন ও আর একটা শীতকালীন অধিবেশন। তারপরে তো দুদিনের ভোট অন অ্যাকাউন্ট। তারপরে নির্বাচন। তারপর আপনারা প্রাক্তন। কেজরিওয়াল যেখানে.. মমতাও যাবেন সেখানে। আমরা কোনও সম্প্রদায়ের বিরোধী নই। আমরা তৃণমূলের নীতির বিরোধী।এদিকে আজই শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে কাগজ ছোঁড়ার প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল, বিশ্বনাথ কারক এবং বঙ্কিম ঘোষকে চলতি অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। শুভেন্দু অধিকারীর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন অধ্যক্ষ। তবে বিরোধী দলনেতা এদিন জানিয়েছেন তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হলেও বাকিদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। সেই কারণেই চলতি অধিবেশনে তিনি যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন।এদিনই শুভেন্দু অধিকারীর আমন্ত্রণে বিধানসভায় যান বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ককে এদিন বিধানসভায় যেতেই তাঁকে স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে বিধানসভায় স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। বিধানসভায় হৈ হট্টগোল নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমাদের বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানতে চেয়েছিল, সাঁইথিয়া শহরে কেন ইন্টারবনেট বন্ধ। সেই প্রশ্নেই যত রাগ শাসক শিবিরের। বিধানসভা গেটে প্ল্যকার্ড নিয়ে বিক্ষোভও দেখান শুভেন্দু অধিকারীরা।

মার্চ ১৮, ২০২৫
কলকাতা

সল্টলেকে বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড়ের বাড়িতে খুন, গ্রেফতার এক

বিশ্ববরেন্য ফুটবলার পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঘটে গেল খুনের ঘটনা। প্রয়াত খ্যাতনামা এই ফুটবল কোচের পরিবারের দুই পরিচারকের মধ্যে ঝগড়া বিতন্ডা থেকেই ঘটে যায় খুন। এই ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মদের আসরে খুন হয়েছে বলে খবর। রান্না ঘরের ছুরি দিয়ে এলোপাথারি কোপ। দুই পরিচারকের মধ্যে বচসা। আর তার ছেড়েই খুন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করল বিধান নগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। প্রাক্তন ফুটবলার PK ব্যানার্জীর বাড়িতই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেকে জিডি ব্লকের ২৭৩ নম্বর বাড়িতে মদের আসর বসে। সেখানেই দুই পরিচারকের মধ্যে ঝামেলা হয়। ঝামেলা চলাকালীন বরুন ঘোষ রান্নাঘর থেকে একটি ছুরি নিয়ে এসে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে গোপীনাথ মুহুরিকে। বিধান নগর মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এর পরে খবর যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশের কাছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বরুণ ঘোষকে গ্রেফতার করে। তবে কি কারণে এই ঝামেলা, সেই বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

ছোট্ট অস্মিকাকে সাহায্যের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, আশায় একরত্তি শিশুর পরিবার

ছোট্ট অস্মিকাকে সাহায্যের হাত বাড়ালেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে লাখ লাখ মানুষ তাঁর লড়াইয়ের পাশে দাঁড়িয়েছে। অস্মিকার বাবা-মাকে কি আশ্বাস দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক? বাবা-মায়ের আদুরে এই এক রত্তি শিশু কন্যা পাঁচটা শিশুর থেকে অনেকটাই আলাদা। স্বাভাবিক ভাবে হাত-পা নড়া চড়া, উঠে বসা, কোন কিছুই সে নিজে নিজে পারে না। ছোট্ট মেয়েটাকে সুস্থ করে তোলার শেষ ভরসায় আজ সেবাশ্রয় শিবিরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ রানাঘাটের অস্মিকার পরিবার। জানা গিয়েছে, অস্মিকার চিকিৎসার বিষয়ে যাবতীয় খোঁজ-খবর নেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেক বন্দোপাধ্যায় অস্মিকার বাবার নাম ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করেছেন। আশ্বাস দিয়েছেন পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগেরও। এতেই আশাবাদী পরিবার। কিছুটা হলেও মিলবে চিকিৎসার সাহায্য, আশায় বুক বাঁধছে রানাঘাট। স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি (SMA) টাইপ ওয়ান বিরল রোগে আক্রান্ত অস্মিকা। কলকাতা থেকে চেন্নাই হয়ে ব্যাঙ্গালুরু সব জায়গা ঘুরে বেড়িয়েছে বাবা-মা, তাদের রাজকন্যাকে সুস্থ করে তুলতে। তবে শেষমেষ ফিরতে হয়েছে খালি হাতেই। জানানো হয়েছে, কঠিন রোগ সারতে লাগবে ১৬ কোটির ইঞ্জেকশন। কিন্তু বিপুল পরিমাণ টাকার জোগাড় করা মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে অলীক কল্পনা ছাড়া আর কীই বা হতে পারে? অবশেষে ভরসা ক্রাউড ফান্ডিং। দেশ-বিদেশের সাড়ে তিন লক্ষের বেশি মানুষ ইতিমধ্যে ছোট্ট অস্মিকাকে সুস্থ করে তুলতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। জোগাড় হয়েছে ৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এখনো বাকি রয়েছে প্রায় ৮ কোটি। হাতে সময় কম। আদৌ কী মেয়ে কোনদিনও সুস্থ হবে? পারবে আর পাঁচটা শিশুর মত হেঁটে চলে বেড়াতে এই প্রশ্নে রাতের ঘুম উড়েছে অস্মিকার বাবা-মায়ের। তিন মাস বয়স পর্যন্ত বাকি বাচ্চাদের মতোই সবকিছুই স্বাভাবিক চলছিল। পা তুলত, হাত নাড়াত। সাড়ে তিন মাস বয়স যখন হল, তখনই হঠাৎ একদিন দেখলাম পা-টা আর তুলছে না। তিন-চার মাসের বাচ্চাদের ঘাড় শক্ত হয়ে যায় সাধারণত। উবুড় হয়ে যায়। কিন্তু ও কিছুই করতে পারছিল না। এমনটাই জানিয়েছেন অস্মিকার মা লক্ষ্মী সরকার দাস।

মার্চ ০৫, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal