• ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bagtui

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই গ্রেপ্তার আনারুল

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই বগটুই-কাণ্ডে ধরা পড়লেন তৃণমূল নেতা আনারুল হোসেন। আনারুলের বিরুদ্ধেই প্রথম থেকে অভিযোগ উঠেছিল। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেও তাঁরা একই অভিযোগ করেন। আর তারপরই আনারুলকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হল তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে। মমতা নির্দেশ দেওয়ার পরই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা। পরে তাঁকে তারাপীঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে বলেছিলেন, যেখান থেকে সম্ভব তুলে এনে গ্রেপ্তার করতে হবে আনারুলকে। সেই মতো পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গেলেও পাওয়া যায়নি আনারুলকে। গেটে তালা লাগানো ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর আনারুল হোসেন কোথায় গা ঢাকা দিয়েছেন সেই খোঁজ শুরু হয়। পরে তারাপীঠ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন। নৃশংস এই হত্যাকান্ডে বৃহস্পতিবার থেকে বারবার তাঁর নাম উঠে এসেছে। স্থানীয়রা বলেছেন, আগুন লাগান হয়েছে তাঁর নির্দেশেই। তবে এই অভিযোগ শোনার পরও বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি তিনি। সাফ জানান, ওই সময় এলাকাতেই ছিলেন না তিনি। শুধু তাই নয়, শান্তির বার্তা দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছেন আনারুল।

মার্চ ২৪, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ের সর্বহারাদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন ক্ষতিপূরণ, চাকরি, চিকিৎসা ও বাড়ি তৈরির আশ্বাস

সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর অপেক্ষায় ছিল বগটুই গ্রামের সব হারানো পরিবারগুলো। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বগটুই গ্রামে এসে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেন। শুধু বগটুইয়ের বাসিন্দাদের কাছেই নয়, বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের তোলা সব দাবিরও কার্যত জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই তিনি কর্তব্যে অবহেলা করা পুলিশকর্মীদের কড়া নিন্দা করেন। একই সঙ্গে জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেন, বগটুই গ্রামের বাড়িগুলিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনিরুলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তিনি বলেন, আমি চাই আনিরুল থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করুক। নইলে যেখান থেকে হোক তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। সেখানেই না থেমে মমতা পুলিশকে নির্দেশ দেন, মামলা এমন ভাবে সাজাতে হবে, যাতে কোনওভাবেই অভিযুক্তরা ছাড়া না পায়।মমতার সঙ্গেই ঘটনাস্থলে হাজির ছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়। সবার সামনে তাঁকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁদের বাড়ি পুড়ে গিয়েছে তাঁদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে দিয়ে দিতে হবে ঘর বানানোর জন্য। জেলাশাসক জানান, তিনি তৈরি হয়েই এসেছেন। বৃহস্পতিবারই টাকা দিয়ে দেবেন। পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ব্যাপারে কোনও কার্পণ্য করা চলবে না। প্রয়োজনে দুলাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে। শুধু পোড়া বাড়ি সারানো নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন মমতা। জখম তিনটি শিশুর জন্য ৫০ হাজার টাকা করে এবং গুরুতর জখমদের এককালীন এক লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বগটুইতে দাঁড়িয়েই বলেন, জখমদের সকলের চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। জখমদের ১ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আগুনে পুড়ে তুলনায় কম জখম তিন শিশুকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি জানি কোনও মৃত্যুর বিকল্প আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা চাকরি হতে পারে না। তবু প্রতিটি পরিবারের একজনের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার। মমতা আরও বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর কোটায় হবে চাকরি। ইন্টারভিউ ছাড়াই প্রথমে মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন মিলবে। এক বছরের মধ্যে গ্রুপ ডি পদে স্থায়ী চাকরি হবে।

মার্চ ২৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় স্বোচ্চার হবে বিজেপি বিধায়করা

রামপুরহাটের নারকীয় হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিজেপির জনপ্রতিনিধিরা বৃহস্পতিবার লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় প্রতিবাদে স্বোচ্চার হবে। ওই দিন রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিজেপি বিধায়করা স্বোচ্চার হবেন তাঁরা। বুধবার রামপুরহাট থেকে ফেরার পথে বর্ধমানের এদিন রাতে জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে এসে এই কথা জানালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।শুভেন্দু অধিকারী এদিন আরও বলেন, রাজ্যে খুনের রাজনীতি চলছে। পাড়ুইয়ে আবার একজন খুন হয়েছেন। রামপুরহাটের ঘটনার প্রতিবাদে লোকসভা ও বিধানসভার ভিতরে প্রতিবাদের পাশাপাশি বাইরেও প্রতিবাদ জারি রাখবে বিজেপি। রাজ্যের প্রতিটা মণ্ডলে বিজেপি কর্মীরা ঘটনার প্রতিবাদ জানাবে। সরাষ্ট্রমন্ত্রক ৭২ঘন্টার মধ্যে রামপুরহাটের গণহত্যা কাণ্ডের রিপোর্ট চেয়েছে। ঘটনার পর থেকে বুধবার ২৪ঘন্টা পার হয়ে গেছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর সরাষ্ট্রমন্ত্রক পদ্ধতি মেনে পরবর্তী সিদ্বান্ত নেবে। শুভেন্দু বাবু বলেন, তাঁরা চান এনআইএ ও সিবিআই রামপুরহাটের গণহত্যা কাণ্ডের তদন্ত করুক। প্রধানমন্ত্রী নিজে ঘটনার বিষয়ে অবহিত আছেন। এ ঘটনা নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি লড়াই চালিয়ে যাবে। ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ও একই কথা বলেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
কলকাতা

'দোষীরা ছাড় পাবে না', কালই বগটুইয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে বৃহস্পতিবারই যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার হওয়া হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার তখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেনি বিজেপি-র বিধায়ক দল। দিল্লি থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়নি বিজেপির প্রতিনিধি দল। তার আগেই মমতা জানিয়ে দিলেন তিনি যাচ্ছেন। সঙ্গে এটাও জানালেন যে, বিজেপি বিধায়ক দলের কর্মসূচি না থাকলে যেতেন বুধবারেই। মঙ্গলবরাই তদন্তকারী দল গঠন করে রাজ্য প্রশাসন যে তৎপরতা দেখিয়েছিল তার ধারাবাহিকতাই যেন বজায় থাকল মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায়। বিরোধী দলনেত্রী থাকাকালীন যে ভাবে দ্রুত অকুস্থলে পৌঁছে যেতেন সে ভাবেই বৃহস্পতিবার যাচ্ছেন আগুনে পুড়ে আট জনের মৃত্যু হওয়া বগটুই গ্রামে। বুধবার তিনি বলেন, আজই যেতাম। কিন্তু বিরোধীরা গিয়েছেন। আগামিকাল আমি যাচ্ছি।রামপুরহাটে যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। যারা এর পিছনে রয়েছে তারা কেউ ছাড় পাবে না। বগটুই গ্রামের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলেই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে আক্রমণ শানালেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে। এই রাজ্যের বিজেপি নেতাদের তো বটেই, মমতার আক্রমণ ছিল বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি নিয়েও।বগটুইয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূল এর পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করে। এ দিন মমতা যেন সেই দাবিতে সিলমোহর দিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৃণমূলের যে যোগ নেই সেই দাবি করে তিনি বলেন, আমরা সরকারে। আমরা কি চাই কোথাও কেউ বোমা মারুক! বদনামের চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তারা কেউ ছাড় পাবে না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সিপিএম, কংগ্রেসের মতো চক্রান্তকারী দল নই। এর পাশাপাশি মমতা নাম না করেও বিজেপি-কে আক্রমণ করে বলেন, আসলে দাঙ্গা করতে পারছে না। লোকে খেতে পারছে না, তাও তো বলতে পারছে না। মেয়েরা পড়াশুনা করতে পারছে না, এ কথাও বলতে পারছে না। মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে না, এ কথা বলতে পারছে না। তাই দেশলাই জ্বালানো খুব সহজ তাই না। দেশলাই জ্বালাতে চক্রান্তকারীদের জুড়ি নেই। কিন্তু তারা এটা বোঝে না যে, অন্যের ঘরে দেশলাই জ্বাললে নিজের ঘরে এসেও পড়তে পারে। অনেক নষ্টামি, অনেক দুষ্টুমি দেখেছি। এর সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কালকেও দেখেছেন গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এটা নিয়ে যাতে কেউ বলতে না পারে, তাই হট করে একটা এমন ঘটনা ঘটিয়ে দিচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

দর্শক হয়ে রাজভবনে বসে থাকতে পারি না, মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা চিঠি রাজ্যপালের

রামপুরহাটের বগটুইয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। জানালেন, এমন ঘটনার পর তিনি চুপ থাকতে পারেন না। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, তাঁর বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগের মনোভাব প্রকাশ করেছেন মমতা। কিন্তু যে রামপুরহাটের বগটুইয়ে সঞ্জু শেখের পুরো পরিবার ছজন মহিলা এবং দুটো শিশুকে পুড়িয়ে দেওয়ার পর রাজ্যপাল হিসেবে তিনি চুপ থাকতে পারেন না। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে চিঠি দিয়ে সংযত থাকার কথা বলেছিলেন। জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল হিসাবে রামপুরহাট-কাণ্ড নিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন তা সমীচীন নয়। কারণ, এখন ঘটনার তদন্ত করছে প্রশাসন।বুধবার রাজ্যপাল পাল্টা চিঠিতে লেখেন, কৌশলে তাঁর মন্তব্যকে মাত্রাজ্ঞানহীন এবং অযাচিত বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এমন মস্ত অপরাধ-এর পর রাজভবনে বসে তিনি সময় নষ্ট করতে পারেন না। নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবেন না। যদি তা করতেন তা সাংবিধানিক কর্তব্যে অমার্জনীয় কাজ হবে। মমতাকে ধনখড় এও জানান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রামপুরহাটের ঘটনার মতো অতীতে রাজ্যে অনেক ঘটনা ঘটেছে। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীর আসনে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে লিখেছিলেন রাজ্যে শান্তি বজায় আছে। তার মধ্যে রামপুরহাটের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। যার প্রেক্ষিতে ধনখড় লেখেন, এর চেয়ে হাস্যকর দাবি কিছু হতে পারে না।রাজ্যপাল চিঠিতে টেনে আনেন বিধানসভা ভোটপরবর্তী হিংসার কথা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে শাসকের আইন আছে, আইনের শাসন নেই। পাশাপাশি, জ্ঞানবন্ত সিংহের নেতৃত্বাধীন সিটের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।চিঠির শেষাংশে মমতাকে তাঁর ভূমিকা মনে করিয়ে ধনখড় লেখেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবাধিকার যাতে ফিরে আসে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ করুন তিনি।

মার্চ ২৩, ২০২২

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! বাইক নিয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বাইক চলাচল নিয়ে নতুন নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট । সোমবার থেকে বাইক মিছিল এবং একসঙ্গে একাধিক বাইক নিয়ে চলাফেরার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি শম্পা সরকার-এর ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।এর আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বাইক চলাচল নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কোনও বাইক মিছিল করা যাবে না । এছাড়া সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইক নিয়ে বাইরে বেরোনোর উপরও নিষেধাজ্ঞা ছিল। শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে, যেমন হাসপাতালে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুল থেকে আনা, সেই ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। বাইকের পিছনে যাত্রী বসানো নিয়েও কড়াকড়ি করা হয়েছিল।তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা হলে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও-এর সিঙ্গল বেঞ্চ সেই নিয়মে পরিবর্তন আনে। তিনি ৭২ ঘণ্টার বদলে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেন।এরপর নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। নতুন নির্দেশে আদালত জানায়, দ্বিতীয় দফার ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক চালানো যাবে না। তবে কেউ যদি একা বা স্বাভাবিকভাবে বাইক নিয়ে বেরোন, তাতে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।এই নির্দেশের ফলে ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন আরও কড়া নজরদারি চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা হামলা করল তৃণমূল সাংসদের ওপর! কী বলছে নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পিছনে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। হুগলি জেলার নির্বাচনী আধিকারিক এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।ঘটনাটি ঘটে গোঘাট এলাকায়। অভিযোগ উঠেছিল, বিজেপি কর্মীরা সাংসদের গাড়িতে ইট-পাথর ছুড়ে ভাঙচুর চালায়। গাড়ির কাচ ভেঙে যাওয়ায় তিনি আহত হন বলে দাবি করা হয় এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠায়। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি প্রচার কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় সাংসদের গাড়ির জানালার কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এটি দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে।পুলিশ ইতিমধ্যেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। ভোর থেকেই আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি।এদিকে এই ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।তবে প্রশাসনের এই প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, কীভাবে এই ঘটনাকে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব বলা হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়।অন্যদিকে সাংসদ মিতালি বাগ অভিযোগ করেছেন, গোঘাট হাসপাতালের সামনে বিজেপি কর্মীরা আচমকা বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারপরই তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, লাঠি ও ইট দিয়ে আঘাত করা হয় এবং তাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় তিনি সরাসরি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আরামবাগে তৃণমূল সাংসদের ওপর হামলায় তীব্র বার্তা! কী বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে সভা করতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভায় যাওয়ার পথেই তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ-এর উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। গোঘাট থেকে আরামবাগে যাওয়ার পথে তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার প্রতিবাদে সভামঞ্চ থেকেই বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অভিষেক। তিনি দাবি করেন, কারা এই হামলার সঙ্গে যুক্ত তা তিনি জানেন এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে একে একে সবাইকে চিহ্নিত করা হবে। তিনি বলেন, ৪ তারিখের পর সব হিসেব নেওয়া হবে।সভায় তিনি আরও বলেন, যারা ভাবছে এই হামলার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানা নেই, তারা ভুল করছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি তিনি জানান, আরও যাদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।এর আগে খবর পেয়ে সভাস্থলে যাওয়ার আগে হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংসদের সঙ্গে দেখা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, সাংসদের শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং তিনি ঠিকভাবে কথা বলতে পারছেন না।মঞ্চ থেকে অভিষেক বলেন, একজন তফসিলি মহিলা সাংসদের উপর হামলা করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোটে জয় বা পরাজয় যাই হোক, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় সিপিএম ও বিজেপিকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সিপিএমের কর্মীরাই এখন বিজেপির সঙ্গে মিলিত হয়ে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার হতে পারেন, কিন্তু তিনি কঠোর অবস্থান নেবেন।উল্লেখ্য, এর আগেই গোঘাটের বর্মা এলাকায় তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির মিছিলে হামলা চালায়, যাতে বহু মানুষ আহত হন। তাঁদের আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি মোদির! ৪ মে-র পর বাংলায় সরকার গঠনের ইঙ্গিত

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে প্রচারের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সভা থেকে তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিন রাজ্য ঘুরে তিনি বুঝতে পেরেছেন, আগামী ৪ মে-র পর রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হবে। সেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁকে আবার বাংলায় আসতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাজ্যের মানুষকে নিজের মানুষ বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলায় এলে তিনি মানসিক শান্তি অনুভব করেন। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে এখন জঙ্গলরাজ চলছে। একের পর এক জুট মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থানের অভাব তৈরি হয়েছে। এর ফলে যুব সমাজ কাজের খোঁজে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে এবং বয়স্করা একা হয়ে পড়ছেন।প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, রোজগার মেলার মাধ্যমে যুবকদের নিয়োগপত্র দেওয়া হবে এবং শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা হবে। এছাড়া সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের সম্পূর্ণ সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।তিনি আরও জানান, রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি চালু করা হবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে কন্টেন্ট তৈরির কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজেপি সরকার এলে কলকাতা মেট্রোর দ্রুত সম্প্রসারণ করা হবে।মহিলা নিরাপত্তা নিয়েও গুরুত্ব দেন মোদি। তিনি বলেন, এমন সরকার দরকার যেখানে বাড়ির মেয়েরা নিশ্চিন্তে রাস্তায় বেরোতে পারেন। পাশাপাশি তিনি ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পেতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।কলকাতার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে মোদি বলেন, কলকাতাকে অন্য শহরের মতো বানাতে গিয়ে তার নিজস্ব ঐতিহ্য নষ্ট করা হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে বলেও তিনি দাবি করেন।উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের আগে এই সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়ে গেল।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

শেষ মুহূর্তের প্রচারে রণক্ষেত্র! আহত তৃণমূল সাংসদকে ভর্তি করা হল হাসপাতালে

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শেষ দিনের প্রচারে আরামবাগে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার ঠিক আগেই সাংসদ মিতালি বাগের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে প্রচারের সময় এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, গোঘাট হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মিতালি বাগের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। দুষ্কৃতীরা গাড়িতে পাথর ছোড়ে এবং ভাঙচুর চালায় বলে দাবি। এর পরেই দ্রুত তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।ঘটনার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মিতালি বাগ। তিনি বলেন, তাঁর গাড়িতে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই এই ধরনের নাটক করা হচ্ছে এবং মানুষ এসব বিশ্বাস করবে না।এদিকে গোঘাটে বিজেপি প্রার্থী প্রশান্ত দিগারের গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ে। উভয় পক্ষের কর্মীদের হাতে লাঠি, বাঁশ ও ভাঙা কাচ দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বড় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনাকে ঘিরে আরামবাগ ও গোঘাট এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে বড় অভিযান! ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেফতার দেড় হাজারের বেশি

ভোটের আগে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল পুলিশ প্রশাসন। বিশেষ অভিযানে রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১০৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৬ ঘণ্টায় মোট ১৫৪৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়, যেখানে ৪৭৯ জনকে ধরা হয়েছে। এই তালিকায় এক তৃণমূল কাউন্সিলরের নামও রয়েছে, যার বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেখানে ৩১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই জেলাতেই সম্প্রতি উত্তেজনার ঘটনা সামনে আসে এবং বিজেপি প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে এক তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, যেখানে ২৪৬ জনকে ধরা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা উত্তর থেকে ১০৯ জন, হুগলি থেকে ৪৯ জন, নদিয়া ও হাওড়া থেকে ৩২ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশের এই ব্যাপক ধরপাকড়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটের সময়ে কোনও অশান্তি যাতে না হয় এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য কমানো যায়, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আগামী দিনেও এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ চলবে এবং যারা আইন ভাঙবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, ভোটের আগে সম্ভাব্য অশান্তি সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট-এ ওঠে। পরে আদালত সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়।

এপ্রিল ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘বাংলায় গুন্ডারাজ’—কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী

আসানসোলে কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। এই ঘটনায় শাসকদলকে আক্রমণ করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, বাংলায় গুন্ডারাজ চলছে এবং ভয় দেখানো, মারধর ও খুন এখন শাসক দলের চরিত্রে পরিণত হয়েছে। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে তিনি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের নিরাপত্তা ও আর্থিক সাহায্যের কথাও বলেছেন।মৃত কংগ্রেস কর্মী দেবদীপ চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের অভিযোগ, ভোট পরবর্তী হিংসার জেরেই এই মৃত্যু। তাঁদের দাবি, রাতে বাড়ি ফেরার সময় কিছু দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে মারধর করে, যার জেরেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে এটি ব্যক্তিগত বিবাদের ফল বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টেও পুলিশ জানিয়েছে, এর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক দলের সরাসরি যোগের প্রমাণ মেলেনি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে একটি জায়গায় গাড়ি দাঁড় করানো নিয়ে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে দেবদীপের বচসা হয়। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে মারধর করা হয়। পরে অন্য একটি জায়গাতেও তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাধে এবং অভিযুক্তরা তাঁকে অনুসরণ করে। শেষ পর্যন্ত তাঁর বাড়ির সামনে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়ে যান।পরিবারের সদস্যরা প্রথমে মনে করেছিলেন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং নজরদারি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া নজরদারি! পাড়ায় পাড়ায় বাইকে টহল দেবে বাহিনী

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার জন্য প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। এবার একশো বিয়াল্লিশটি কেন্দ্রকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। রবিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুলিশ ও বাহিনীকে বিস্তারিত দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়।কমিশন জানিয়েছে, ভোটে কোনও অশান্তি যাতে না হয়, তার জন্য পাড়ায় পাড়ায় নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। এবার অলিগলিতেও পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট একশো ষাটটি মোটরবাইকে জওয়ানরা টহল দেবেন। প্রতিটি বাইকে থাকবেন দুজন করে জওয়ান। কোথাও কোনও গোলমাল দেখা দিলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।দ্বিতীয় দফার ভোটে মূল লক্ষ্য হল শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ। সেই কারণে ভোটের আগে থেকে গণনা পর্যন্ত কীভাবে নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কোথায় কত বাহিনী থাকবে, কোথায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল মোতায়েন করা হবে, সবকিছুর খুঁটিনাটি পরিকল্পনা করা হয়েছে।বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়তি নজর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ভোটকেন্দ্রেই নয়, ভোটারদের যাতায়াতের পথেও নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রয়োজন হলে সেখানে নজরদারি যন্ত্র বসানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং অফিসার, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং সাধারণ ও পুলিশ পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও বিশেষ পর্যবেক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন।এদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও বিভিন্ন জেলায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রবিবার তিনি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে গিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এপ্রিল ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal