• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BLA

রাজ্য

লালকেল্লা বিস্ফোরণে বাংলার যোগ! উত্তর দিনাজপুর থেকে মেডিক্যাল ছাত্র গ্রেফতার, এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য

দিল্লির লালকেল্লার বাইরে যে বিস্ফোরণ-কাণ্ড দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে, সেই মামলায় উঠে এল বাংলার যোগ। উত্তর দিনাজপুরের সূর্যাপুর বাজার এলাকা থেকে এনআইএ শুক্রবার ভোরে গ্রেফতার করেছে হরিয়ানার আলফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস পড়ুয়া যাহ নিশার আলমকে। জাতীয় তদন্ত সংস্থার বিশেষ দল গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সকালেই তাকে আটক করে। হঠাৎ এই গ্রেফতারি ঘিরে এলাকায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে।পরিবার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাহ নিশারের আদি বাড়ি পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় হলেও তাঁর পৈতৃক ভিটে ডালখোলা থানার কোনাল গ্রামে। বহু বছর আগে তাঁর বাবা তৌহিদ আলম কাজের সূত্রে লুধিয়ানা গিয়ে সেখানেই স্থায়ী হন। তবুও গ্রাম-পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আজও অটুট। কয়েক দিন আগে এক আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে মা ও বোনকে নিয়ে কোনাল গ্রামে এসেছিলেন নিশার। কিন্তু সেই সফরেই তাঁর জীবনে নামল ঝড়বিয়ের আনন্দের মাঝেই এনআইএ তাকে তুলে নিয়ে যায়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের তদন্তে প্রথমেই তাঁরা লুধিয়ানায় তৌহিদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখান থেকেই জানা যায় যাহ নিশার এখন উত্তর দিনাজপুরে। খবর মিলতেই দ্রুত উত্তরবঙ্গে পৌঁছে যায় এনআইএর বিশেষ দল। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করেই নিশারকে চিহ্নিত করা হয় বলে দাবি। তাঁর ফোনের সিগন্যাল দেখাচ্ছিল সূর্যাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকা। তারপরই সেখানে হানা দিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রথমে তাকে ইসলামপুরে জিজ্ঞাসাবাদে রাখা হয়, পরে আরও তথ্যের খোঁজে শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এদিকে যাহ নিশারের গ্রেফতারির খবরে হতবাক পরিবার এবং গ্রামের মানুষ। তাঁর কাকা আবুল কাশেম বলেন, ভাইপোকে আমরা ছোটবেলা থেকেই শান্ত-স্বভাবের ছেলে হিসেবে চিনি। সে পড়াশোনা ছাড়া অন্য কোনও বিষয়েই মাথা ঘামায় না। গ্রামের লোকেরাও একই কথা বলছেনশান্ত, ভদ্র, শিক্ষিত পরিবারের ছেলে। এমন বিস্ফোরক ঘটনার সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে যাওয়া তাদের কাছে অবিশ্বাস্য।এই গ্রেফতারি শুধু পরিবারকেই নয়, গোটা গ্রামকে নাড়িয়ে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা এখনও পর্যন্ত কিছু স্পষ্ট জানায়নি, তবে তারা মনে করছে, দিল্লি বিস্ফোরণ তদন্তে যাহ নিশারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। এখন নজর সকলেরশিলিগুড়িতে চলা জেরা থেকে কী নতুন তথ্য বেরিয়ে আসে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ইডেন মানেই দুর্গ! কলকাতা পুলিশের ‘অপারেশন সেফ ক্রিকেট’ শুরু শুক্রবার থেকে

দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে এখন লাল সতর্কতা। নিরাপত্তার নজরদারিতে তটস্থ রাজধানী থেকে রাজ্য পর্যন্ত। আর এই আতঙ্কের মধ্যেই শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার বহুল প্রতীক্ষিত টেস্ট ম্যাচ, সেই ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন্সে। শহর এখন কার্যত নিরাপত্তার দুর্গে পরিণত। কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে একটুও ঢিলেমি নয়।ইডেনের ভেতর থেকে বাইরেটা পর্যন্ত এখন কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ঢাকা। খেলা চলাকালীন মাঠের গ্যালারিতে সাধারণ পোশাকের পুলিশ অফিসার মিশে থাকবেন দর্শকদের মধ্যেই। মাঠ ঘিরে, ফেন্সিং বরাবর, ছাদে, টাওয়ারে সর্বত্র মোতায়েন করা হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। যেন ক্রিকেট উৎসবের আনন্দে কোনও অঘটন না ঘটে।কয়েক দিন আগেই ইডেন গার্ডেন্স ঘুরে গিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। খুঁটিয়ে দেখেছেন মাঠের প্রতিটি নিরাপত্তা দিক। জানা গিয়েছে, গোটা ইডেনকে কয়েকটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে থাকবেন একজন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ও নয়জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। গ্যালারিতে, ক্লাব হাউসে, এমনকি ভিআইপি বক্সেও আলাদা করে থাকবে পুলিশের সুরক্ষা বলয়।এখানেই শেষ নয় ইডেনের বিভিন্ন অংশে মোতায়েন থাকবে কুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি, থাকবে সশস্ত্র বাহিনীও। বাইরে, ইডেন সংলগ্ন রাস্তাগুলিতেও তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ পুলিশ বাঙ্কার, যেখানে কমব্যাট ফোর্সের সদস্যরা থাকবেন প্রস্তুত অবস্থায়। শুক্রবার ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে থেকেই আশপাশের রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।লালবাজার সূত্রে খবর, দিল্লি বিস্ফোরণের পরই কলকাতা পুলিশের তরফে জোর দেওয়া হয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তায়। ভারতীয় দলের প্রতিটি সদস্যের যাতায়াত, অনুশীলন, এমনকি হোটেল থেকে ইডেন যাওয়ার রাস্তাতেও বিশেষ নজর রাখা হবে। বলা হচ্ছে, এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টির সময়।শহরের বুকের এই ক্রিকেট মন্দিরে এখন তাই উৎসবের উত্তেজনার সঙ্গে মিশে আছে অজানা আশঙ্কার ছায়া। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের দাবি, ইডেন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্রিকেটপ্রেমীরা নিশ্চিন্তে উপভোগ করুন খেলা।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

বাবরি মসজিদের ‘বদলা’ নিতে ছ’টি বিস্ফোরণের পরিকল্পনা! প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর জইশ চক্রান্ত

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের রেশ এখনো কাটেনি। ১০ নভেম্বরের সেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১২ জন, আহত আরও ২০ জন। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতিতে এখন প্রকাশ পাচ্ছে আরও ভয়ঙ্কর সত্য। এই বিস্ফোরণ ছিল না কোনও একক ঘটনাবরং ছিল এক বিশাল, ধারাবাহিক সন্ত্রাসের সূচনা মাত্র!কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে এমন তথ্য, যা রীতিমতো গা শিউরে দেওয়ার মতো। জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণ ছিল একটি বড়সড় সিরিয়াল ব্লাস্ট প্ল্যানের প্রথম ধাপ। জইশ-ই-মহম্মদের হোয়াইট কলার মডিউল-এর তরফে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা নিতে এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকী।তদন্তে উঠে এসেছে, ওই দিন দিল্লির অন্তত ছয় জায়গায় একসঙ্গে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল জইশ মডিউল। এনআইএ-র জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে ওই দিনটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল এমন এক হামলার, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেবে এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে দেবে।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই হামলায় মোট ৩২টি গাড়ি ব্যবহার করার ছক ছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই উদ্ধার হয়েছে ৪টি গাড়িএকটি হুন্ডাই আই-২০, একটি ব্রেজা, একটি সুইফট ডিজায়ার এবং একটি ফোর্ড ইকোস্পোর্ট। গাড়িগুলি কেনা হয়েছিল হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লির প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে, তাও পুরনো বা থার্ড হ্যান্ড গাড়ি হিসেবে, যাতে পুলিশ বা গোয়েন্দারা ট্রেস করতে না পারে।জইশের এই ডাক্তার-জঙ্গি মডিউল গোটা হামলাটিকে সাজিয়েছিল পাঁচ ধাপে। প্রথম ধাপে তৈরি হয় সন্ত্রাসবাদী মডিউল, যাতে ছিল জইশ ও আনসার ঘাজয়াত-উল-হিন্দের যোগ। দ্বিতীয় ধাপে নুহ ও গুরুগ্রাম থেকে বিস্ফোরক এনে মজুত করা হয়। তৃতীয় ধাপে কেমিক্যাল আইইডি বানানো হয় এবং সম্ভাব্য টার্গেট বেছে নিয়ে রেইকি চালানো হয়।এরপর চতুর্থ ধাপে সেই বিস্ফোরক ভাগ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন মডিউল সদস্যদের মধ্যে। সবশেষ ধাপে, অর্থাৎ পঞ্চম ধাপে, দিল্লির অন্তত ছয় থেকে সাতটি জায়গায় একসঙ্গে সিরিয়াল ব্লাস্ট ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে এই বিস্ফোরণগুলো করার ছক কষা হয়েছিল চলতি বছরের আগস্টে। কিন্তু পরে মাসুদ আজহারের নির্দেশে দিন বদলে করা হয় ৬ ডিসেম্বর। গোয়েন্দারা মনে করছেন, জইশ প্রধান মাসুদ আজহার চায় বাবরি মসজিদ ইস্যুকে নতুন করে উসকে দিয়ে ভারতে সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়াতে। বহু বছর ধরেই তারা বদলা-র হুমকি দিয়ে আসছে।এক গোয়েন্দা আধিকারিক জানিয়েছেন, এটি ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা। দিল্লির মতো শহরে একসঙ্গে ছটি বিস্ফোরণ ঘটলে তার পরিণতি অকল্পনীয় হত।এখন প্রশ্ন একটাইআরও কি গাড়ি প্রস্তুত রয়েছে এই মডিউলের হাতে? তদন্ত চলছে জোরকদমে। গোটা দেশের নিরাপত্তা সংস্থা এখন সর্বোচ্চ সতর্কতায়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

উমর উন-নবিই—‘বইপোকা’ থেকে সন্ত্রাসী! দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে চমকপ্রদ কাহিনি

দিল্লি বিস্ফোরণের রহস্য অবশেষে উন্মোচিত! ঘটনার পর থেকেই নানা জল্পনা চলছিল, আর এবার তদন্তে মিলল স্পষ্ট প্রমাণ। লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হুন্ডাই আই-২০ গাড়িটি চালাচ্ছিল যে যুবক, তার পরিচয় মিলেছে সে আর কেউ নয়, কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা উমর উন-নবিই।তদন্ত সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার দেহাংশের ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে উমরের পরিবারের সঙ্গে। উমরের মা ও ভাইয়ের ডিএনএ-র সঙ্গে মেলানোর পর দেখা যায়, একশো শতাংশ মিলেছে সেই নমুনা। অর্থাৎ, গাড়িটি চালাচ্ছিল উমর নিজেই, আর সেই বিস্ফোরণ ছিল এক আত্মঘাতী হামলা।বিস্ফোরণে ব্যবহৃত আই-২০ গাড়িটির নম্বর ছিল HR26 CE 7674। গাড়িটির মালিকানার ইতিহাসও কম চমকপ্রদ নয়। প্রথমবার ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ বিক্রি হয়েছিল এটি। তারপর একে একে গাড়িটি হাতবদল হয়সলমন থেকে দেবেন্দ্র, তারপর সোনু, তারিক, আর শেষে উমরের হাতে। কিন্তু কখনওই গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে সেই বদল হয়নি। বিস্ফোরণের আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, উমর নিজেই গাড়িটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সুনহেরি মসজিদ থেকে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত। সেখানেই ঘটে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ।তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন, উমর আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেছিল দুই সহযোগীকে নিয়ে। কিন্তু রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক সন্দেহভাজন ধরা পড়া ও আরডিএক্স উদ্ধার হওয়ায়, ভয়ে পড়েই সম্ভবত সময়ের আগেই বিস্ফোরণ ঘটায় উমর।বুধবার তদন্তকারীরা আরও একটি তথ্য হাতে পেয়েছেন। জানা গিয়েছে, উমরের নামে আরও একটি গাড়ি রয়েছেএকটি লাল রঙের ফোর্ড গাড়ি, যেটি ২০১৭ সালে রাজোরি গার্ডেনে তাঁর নামে রেজিস্টার হয়। ভুয়ো ঠিকানা ব্যবহার করে গাড়িটি কিনেছিল সে। অনুমান, এটি দ্বিতীয় হামলার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। বিস্ফোরণের পর থেকেই এই লাল গাড়িটির হদিশ নেই। এখন তল্লাশি শুরু হয়েছে গোটা দিল্লি জুড়ে।এদিকে উমরের নাম উঠে আসতেই স্তব্ধ তার পরিবার। কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার কইল গ্রামের ছেলে উমরকে এক বইপোকা, শান্ত স্বভাবের পড়ুয়া হিসেবেই চিনতেন সবাই। উমরের বৌদি জানান, গত শুক্রবারই ওর সঙ্গে কথা হয়েছিল। বলেছিল সামনে পরীক্ষা আছে, লাইব্রেরিতে পড়ছে। এমন শান্ত, ভদ্র ছেলে এই কাণ্ড করবেবিশ্বাসই হচ্ছে না। পরিবারের দাবি, দারিদ্র্য থেকে মুক্তির লড়াইয়ে ছিল উমরের মা। ছেলেকে নিয়েই ছিল সব আশা। সেই ছেলেই আজ দেশ কাঁপানো বিস্ফোরণের মূল accusedশোকে ভেঙে পড়েছেন সবাই।তদন্ত এখন অনেক গভীরে গিয়েছে। কে বা কারা উমরকে প্ররোচিত করল, কারা যোগ দিয়েছিল এই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী ছকেসেই উত্তর খুঁজছে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

দিল্লির লালকেল্লায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই জানাল কেন্দ্র

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে গেল এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ! লালকেল্লার সামনে সোমবারের (১০ নভেম্বর) সেই বিস্ফোরণ যে নিছক কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত সন্ত্রাসবাদী হামলাই ছিল, তা এখন আর কারও অজানা নয়। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করলএটি ছিল এক ঘৃণ্য টেরর অ্যাটাক।বুধবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৈঠকের শুরুতেই দুই মিনিটের নীরবতা পালন করা হয় লালকেল্লা বিস্ফোরণে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। এরপর কেন্দ্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়এটি দেশবিরোধী শক্তির পরিকল্পিত হামলা, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নিরাপত্তা ও ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ করা।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশে ফেরার পরই সরাসরি ছুটে যান দিল্লির লোক নায়ক জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে। সেখানে আহতদের সঙ্গে কথা বলেন, চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস দেন যে এই জঘন্য ঘটনার দায়ে জড়িতদের একটিকেও ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। যারা এই হামলার পিছনে, তাদের শাস্তি হবেই।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছে। গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন, কোথা থেকে এবং কারা এই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি এনআইএ-র একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে।১০ নভেম্বর বিকেলে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি হুন্ডাই আই-২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে, একের পর এক গাড়ি উড়ে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের দোকান ও বাড়ির জানলার কাচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, একটা বোমার আওয়াজে যেন কেঁপে উঠেছিল গোটা এলাকা!এখন প্রশ্ন একটাইকাদের হাত এই হামলার পিছনে? গোটা দেশ তাকিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার দিকে। প্রধানমন্ত্রী থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাসবার এক সুর, ভারতকে ভয় দেখানো যাবে না।দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। বিদেশ থেকেও একাধিক দেশ ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থনের বার্তা দিয়েছে। এদিকে কেন্দ্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোরতম সাজা দেওয়া হবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণে এবার বাংলাদেশ যোগ! চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এনআইএ-র

দিল্লির লালকেল্লার সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটনার পর কেটে গিয়েছে কয়েকদিন। কিন্তু রহস্যের জাল যেন আরও জটিল হচ্ছে প্রতিটি ঘণ্টায়। সোমবারের সেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১২ নিরীহ মানুষের। ঘটনার তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে এনআইএ (NIA)। আর এবার তদন্তে উঠে এসেছে এক নতুন মোড় এই বিস্ফোরণে জড়িয়ে গেল বাংলাদেশের নাম!গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া ২,৯০০ কিলোগ্রাম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের বড় অংশ বাংলাদেশ থেকে পাচার করা হয়েছিল ভারতে। শুধু তাই নয়, এনআইএ-র হাতে থাকা তথ্য বলছে, অন্তত আরও ৩৫০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক খুঁজে বের করাই এখন তদন্তকারীদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।এতেই শেষ নয়, গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় উঠে এসেছে দুই বাংলাদেশি মহিলা চিকিৎসকের নাম। জানা গেছে, তাঁরা দুজনেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে কাশ্মীরের অনন্তনাগ ও শ্রীনগরে ডাক্তারি করছিলেন। তবে তাঁদের কাজ শুধুই চিকিৎসা নয় তাঁরা গোপনে জইশ-ই-মহম্মদের হয়ে কাজ করছিলেন বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।এনআইএ সূত্রে খবর, এই দুই মহিলা চিকিৎসকই মূলত লিঙ্কম্যান হিসেবে কাজ করতেন ইস্তাম্বুল ও দোহা থেকে তাঁদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠানো হয়েছিল ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে। ইতিমধ্যেই ধৃত শাহিনকে জেরা করে এই দুই নারীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাঁদের কোনো হদিশ মেলেনি।সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয়, গোয়েন্দারা বলছেন, তুরস্কের সঙ্গে এই বিস্ফোরণ চক্রের যোগাযোগ মিলেছে। মনে করা হচ্ছে, পহেলগাঁও হামলার সময় যেমন তুরস্ক পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল, এবারও একই রকম যোগাযোগের প্রমাণ মিলছে।সূত্রের দাবি, জইশ ও লস্কর-ই-তইবার নেতারা বারবার বাংলাদেশের মাটিতে প্রবেশ করেছে ধর্মীয় প্রচারের নামে। সেখানে তারা গোপনে নতুন ঘাঁটি তৈরি করছিল। এমনকি পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই বাংলাদেশের মাটিতেই তাদের অফিস খুলতে চেয়েছিল, যার জন্য বাংলাদেশ সরকারের একাংশের অনুমতিও মেলে বলে গোয়েন্দাদের দাবি।তদন্তকারীদের মতে, যেহেতু পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের দিক থেকে ভারতে প্রবেশ এখন কঠিন হয়ে পড়েছে, তাই জইশ ও লস্কর এখন বাংলাদেশের সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে নাশকতার ছক বাস্তবায়ন করছে।এক কথায়, লালকেল্লা বিস্ফোরণের পেছনে লুকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি জোটের ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

‘শিক্ষিত জঙ্গি নেটওয়ার্ক’! ডাক্তারদের জইশ সংযোগে কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন অভিযান। তদন্তে উঠে এসেছে এক অভাবনীয় তথ্য এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে ছিল তথাকথিত হোয়াইট-কলার টেরর মডিউল, যেখানে যুক্ত ছিলেন একাধিক চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী। এই মডিউল জইশ-ই-মহম্মদ ও আনসার গজওয়াত-উল-হিন্দের সঙ্গে যুক্ত বলে সন্দেহ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ একাধিক জেলায় একযোগে অভিযান চালাচ্ছে। শোপিয়ান, কুলগাম ও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। মূল অভিযুক্ত মৌলভি ইরফান, যিনি শ্রীনগরের সরকারি মেডিকেল কলেজের এক প্যারা মেডিক্যাল কর্মী, তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, চিকিৎসক সমাজের মধ্যেই গোপনে জঙ্গি মগজধোলাইয়ের কাজ চালাতেন এই মৌলভি।তদন্তে আরেকটি ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে এসেছে ফরিদাবাদ থেকে প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিস্ফোরকই ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল একাধিক সিরিয়াল ব্লাস্টে। গোটা ষড়যন্ত্রের নকশা তৈরি হয়েছিল একই মডিউলের মাধ্যমে।এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আটক আরও তিন জন। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, ইন্টার্ন এবং প্যারা মেডিক্যাল কর্মীও। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের যোগ মিলেছে পাকিস্তানভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে।নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে এক নতুন ধরণের সন্ত্রাসের চিত্র যেখানে অস্ত্র নয়, শিক্ষা ও প্রভাব ব্যবহার করা হচ্ছিল ভয় ছড়ানোর অস্ত্র হিসেবে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

‘ডাক্তার মডিউল’-এর ছায়া বিস্ফোরণ-কাণ্ডে! জইশের নয়া রণনীতি ফাঁস

দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। একের পর এক গ্রেফতার বাড়ছে। এবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। আরও তিনজনকে আটক করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ধৃতরা সকলেই জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের এক ভয়ংকর ডাক্তার মডিউল-এর সদস্য। এদের মধ্যে কেউ জম্মু-কাশ্মীর থেকে, কেউ বা হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে ধরা পড়েছে।গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু এই ১৫ জনই নয় আরও ২০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ধৃত চিকিৎসকদের সঙ্গে আটক সন্দেহভাজনদের সম্পর্ক কী, সেই দিকেই এখন তদন্তকারীদের নজর।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার এক মৌলবীর নাম। দীর্ঘদিন ধরেই ওই মৌলবী তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন। শ্রীনগরের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে প্যারা মেডিক্যাল স্টাফ হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তদন্তকারীদের অনুমান, মেডিক্যাল ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। তরুণদের জঙ্গি পথে টানার দায়িত্ব অনেকটাই একাই সামলাতেন এই মৌলবী।গোয়েন্দারা বলছেন, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তাঁর যোগ এখন প্রায় নিশ্চিত। যোগাযোগ ছিল উমর নবী ও মোজাম্মিলের সঙ্গে। এমনকী জইশ সংগঠনের মূল ঘাঁটির সঙ্গেও তাঁর সরাসরি সম্পর্ক ছিল বলে খবর। তাঁকে জেরা করে জইশের গোপন নেটওয়ার্কের আরও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।অন্যদিকে, কাশ্মীর জুড়ে চলছে নজিরবিহীন তল্লাশি অভিযান। শুধু গত কয়েকদিনেই প্রায় ৪০০ জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও এনআইএ। কুলগাম, সোপিয়ান, পুলওয়ামা সহ একাধিক জেলায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামি সংগঠনের সদস্যদের বাড়িতেও হানা দিয়েছে পুলিশ।গত চার দিনে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সন্দেহ, এদের মধ্যে অনেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জইশ ও জামাতের সঙ্গে যুক্ত। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে বহু ডিজিটাল ডিভাইস, যা থেকে মিলছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।সব মিলিয়ে গোটা উত্তর ভারতে ছড়িয়ে থাকা জইশের মেডিক্যাল-নেটওয়ার্ক এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে। তদন্তকারীদের মতে, এই ডাক্তার মডিউলই ছিল জইশের নতুন কৌশল শিক্ষিত তরুণদের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর হামলা চালানোর পরিকল্পনা। আর সেই পরিকল্পনাই এখন ভেস্তে যাচ্ছে একের পর এক গ্রেফতারে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

লালকেল্লা বিস্ফোরণ ফিদায়েঁ হামলা নয়, তাড়াহুড়োতেই বিপর্যয়! গোয়েন্দা রিপোর্টে নতুন চাঞ্চল্য

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণ, যা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড়, সেটি আসলে পরিকল্পিত ফিদায়েঁ হামলা নয়, বরং তাড়াহুড়োর ফলেই ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দুর্ঘটনা এমনই ইঙ্গিত মিলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে।সূত্রের খবর, ফরিদাবাদের ভাড়া বাড়ি থেকে প্রায় ৩,০০০ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পরই ভেস্তে যায় জঙ্গি ডাক্তার উমর নবীর মূল পরিকল্পনা। গোয়েন্দাদের ধারণা, সেই ঘটনার পরই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ওঠে উমর। একের পর এক সহযোদ্ধা গ্রেফতার হচ্ছিল দিল্লি-এনসিআর ও ফরিদাবাদে। ধরা পড়ার ভয়েই সিদ্ধান্ত নেয় দ্রুত বিস্ফোরক সরিয়ে ফেলার।গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিস্ফোরকটি তখনও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না। কোনও শার্প নেল বা ধাতব টুকরো পাওয়া যায়নি, যা সাধারণত বড়সড় হামলায় থাকে। তদন্তকারীদের ভাষায়, যদি সেইভাবে সম্পূর্ণ বিস্ফোরক তৈরি হতো, তাহলে ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ হতে পারত।\উমর নবী সম্ভবত নিজের গাড়িতেই দ্রুত গতিতে বিস্ফোরক সরানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু গাড়ি চলন্ত অবস্থাতেই আচমকা ঘটে যায় বিস্ফোরণ। ঘটনাস্থলের প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় গাড়ির গতি ছিল অনেক ধীর। তাই গোয়েন্দাদের ধারণা আরও স্পষ্ট এটি কোনও আত্মঘাতী হামলা নয়, বরং প্রস্তুতির মধ্যেই ঘটে যাওয়া একটি দুর্ঘটনা।ফরিদাবাদে পুলিশি অভিযানে বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় আগেই ধাক্কা খায় জঙ্গি মডিউল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই সময় দেশজুড়ে গোয়েন্দা ও পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের ফলেই আরও বড় কোনও হামলা রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।তবে এখানেই শেষ নয়। এখনও চলেছে তদন্ত। উমর নবীর সমস্ত সম্ভাব্য লিঙ্ক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ, এবং বিস্ফোরকের উৎস সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তত্ত্বাবধানে। প্রশ্ন একটাই ওই বিস্ফোরক দিয়ে ঠিক কী করতে চেয়েছিল উমর ও তার দল?

নভেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

১৩ দিন আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে লুকিয়ে ছিল ঘাতক গাড়ি! উমর নবীর ছক ফাঁস

দিল্লির রেড ফোর্ট বিস্ফোরণ কাণ্ডে উঠে আসছে রোমহর্ষক তথ্য। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত Hyundai i20 গাড়িটি প্রায় ১৩ দিন ধরে লুকিয়ে রাখা ছিল হরিয়ানার আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই! সূত্রের খবর, ২৯ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সেই গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং লটেই দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই সময়েই তৈরি হচ্ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গাড়িটি কেনা হয়েছিল ২৯ অক্টোবরই। পরের দিনই দূষণ পরীক্ষার (PUC) জন্য একবার বাইরে নেওয়া হয়, তারপর ফের এনে রেখে দেওয়া হয় ঠিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল বিভাগের পাশে, যেখানে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিল ডাক্তার মুজাম্মিলের সহযোগী শাকিলের গাড়ি। CCTV ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এই ১১ দিনের মধ্যে বারবার কয়েকজন যুবক গাড়িটির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন।তদন্তকারীদের মতে, এটা যে একেবারে পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাস ছক, তা নিয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বিস্ফোরকের জোগান হয়েছে সেই বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত গোয়েন্দারা। এখন তাঁদের প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবের কেমিক্যাল থেকেই কি তৈরি হয়েছিল সেই মারাত্মক বিস্ফোরক, নাকি বাইরের জঙ্গি নেটওয়ার্ক থেকে এনে সেখানে মজুত করা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ সামগ্রী?প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। মনে করা হচ্ছে, এই পুরো পরিকল্পনার মূল মস্তিষ্ক শুধু ড. উমর নবি নন, তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন অধ্যাপক মুজাম্মিলও। কিন্তু মুজাম্মিল গ্রেফতার হওয়ার পরই আতঙ্কে পড়ে যান উমর। তাঁর ধারণা হয়, আর বেশি দিন আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং লটে গাড়ি রেখে নিরাপদ থাকা সম্ভব নয়। আর সেই আতঙ্কেই ১০ নভেম্বর সকালে দ্রুত গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি গন্তব্য দিল্লি।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়ির ভিতরে উমরের সঙ্গে ছিলেন আরও তিনজন। তাঁদের অস্তিত্বও মিলেছে তদন্তে। গাড়িটি ছিল বিস্ফোরক বোঝাই। পথজুড়ে গাড়ির গতি ছিল ভয়ঙ্কর দ্রুত।হরিয়ানা থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে রাজ্য সীমান্তের বদরপুর টোল প্লাজায় গাড়িটি ধরা পড়ে। টোল কর্মীদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সোমবার সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে ২৫ নম্বর টোল গেট দিয়ে দিল্লিতে প্রবেশ করে উমরের গাড়ি। টোলের ২৬ নম্বর গেটটিতে ইমার্জেন্সি লেখা বোর্ড থাকা সত্ত্বেও সেখানে ঢোকার চেষ্টা করেছিল গাড়িটি। কর্মীরা বাধা দিলে পাশের গেট দিয়ে প্রবেশ করে উমর। টোল প্লাজার কর্মীদের কথায়, রাস্তা ছিল ব্যস্ত, কিন্তু গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তে চোখের আড়ালে চলে যায়।তদন্তকারীরা বলছেন, এত দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গাড়ি লুকিয়ে রাখা, মুজাম্মিলের যোগসূত্র, এবং তারপর আতঙ্কে পালানো সব মিলিয়ে এটা যে একটি ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস মডিউলের অংশ, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিদেশ

দিল্লির কায়দায় ইসলামাবাদের আদলতের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ১২ জনের

দিল্লির ভয়াবহ বিস্ফোরণের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একই কায়দায় বিস্ফোরণ এবার ইসলামাবাদে। মঙ্গলবার দুপুরে পাকিস্তানের রাজধানীর একটি আদালতের বাইরে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহতের সংখ্যা বহু। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি আত্মঘাতী হামলাও হতে পারে।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ ইসলামাবাদের আদালত চত্বরের পার্কিং এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। ভয়াবহ আওয়াজে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের শব্দ ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। ঘটনার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বহু আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষ।বিস্ফোরণের পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি এবং করাচি-সহ পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। গোটা এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।প্রাথমিক অনুমান, গাড়ির মধ্যে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। তবে নাশকতার দিকটিও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ধরণ দেখে মনে হচ্ছে, এর মধ্যে মানবসৃষ্ট উপাদানও থাকতে পারে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম কাজ শুরু করেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এর ঠিক একদিন আগে সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল অন্তত ১৩ জনের। তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণটি ঘটানো হয়েছিল গাড়ির ভিতর থেকে। একই ধাঁচে মঙ্গলবার ইসলামাবাদেও বিস্ফোরণ হওয়ায় জঙ্গি নেটওয়ার্ক জুড়ে আশঙ্কা ছড়িয়েছে।দিল্লি ও ইসলামাবাদে টানা দুই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিস্ফোরণ এখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ভারতীয় গোয়েন্দা মহলও ঘটনাটির দিকে নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

‘গভীর ষড়যন্ত্র’, দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মোদীর! দিলেন কঠোর হুঁশিয়ারি

দিল্লির লালকেল্লার কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণকে গভীর ষড়যন্ত্র বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার ভুটান সফরে গিয়ে সেই বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ টেনে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বলেন, দিল্লির ঘটনায় আমি মানসিকভাবে খুব ভারাক্রান্ত। যারা নিজেদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের কষ্ট আমি অনুভব করতে পারছি। এটা নিছক দুর্ঘটনা নয়, এক গভীর ষড়যন্ত্র।সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ নাগাদ দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় আশপাশের গাড়িগুলিতে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয় অন্তত আটজনের। আহত বহু। বিস্ফোরণের পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ ও এনএসজি কমান্ডোরা। ঘটনার পরদিন সকালেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভুটান সফর ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রওনা দেন তিনি।ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনায় যারা জড়িত, তারা রেহাই পাবে না। আমি প্রতি মুহূর্তে ঘটনার আপডেট নিচ্ছি। তদন্তকারীরা খুব তাড়াতাড়ি এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা মাথাদের চিহ্নিত করবে। ভারত সরকার কোনওভাবেই এমন জঘন্য কাজ বরদাস্ত করবে না।ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা একসঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। সিসিটিভি ফুটেজে বিস্ফোরণের আগে ঘাতক গাড়ির গতিপথ চিহ্নিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, গাড়িটি বিকেল চারটের দিকে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ঢোকে এবং তিন ঘণ্টা পর বের হয়। পরে সেই গাড়িতেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফরিদাবাদে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে।এদিকে বিস্ফোরণ ঘিরে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন নিরাপত্তা আধিকারিকেরা। গৃহমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনায় জঙ্গি যোগ-এর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।রাজধানীর এমন সংবেদনশীল এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটার পর দেশজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা, লখনউ চার মেট্রো শহরে ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রী নিজে আশ্বস্ত করেছেন দেশবাসীকে ভারতকে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হবে। আমরা এর জবাব দেব শক্ত হাতে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে বড় ফাঁস! গাড়ির মালিকদের জবানবন্দিতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাস্তায় চাপা চাপ রক্ত, কোথাও ছড়িয়ে রয়েছে দেহাংশ। আতঙ্কে জমে গিয়েছে রাজধানীর বাতাস। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লা সংলগ্ন সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছোট গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গাড়িটি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশপাশের কাঁচের দেওয়াল ভেঙে যায়, উড়ে যায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো বাইক, জখম অন্তত ২০ জন, মৃত্যু এখন পর্যন্ত আট জনের।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, কোনও পার্কিং লটে থাকা গাড়িতে শর্ট সার্কিটের জেরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু তদন্ত এগোতেই চিত্রটা পাল্টে যায়। দিল্লি পুলিশ জানতে পারে, বিস্ফোরণের কেন্দ্রবিন্দু সেই ছোট গাড়িটিই একটি হুন্ডাই আই২০। গাড়িটির নম্বরপ্লেট হরিয়ানার। রেজিস্ট্রেশনের নাম মহম্মদ সলমন। খবর পেয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।সলমন তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, প্রায় দেড় বছর আগে তিনি গাড়িটি বিক্রি করে দেন দক্ষিণ দিল্লির ওখলার এক বাসিন্দা দেবেন্দ্রর কাছে। বিক্রির সমস্ত কাগজপত্রও পুলিশের হাতে জমা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখানেই ঘটনার মোড় ঘোরে। সূত্র অনুযায়ী, দেবেন্দ্রর কাছ থেকে গাড়িটি যায় হরিয়ানার অম্বলার এক বাসিন্দার হাতে। সেখান থেকে সেটি পৌঁছয় জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার তারিক নামের এক ব্যক্তির কাছে।এখন প্রশ্ন উঠছে এই তারিক আদৌ কাকে গাড়িটি বিক্রি করেছিলেন? নাকি তিনিই ছিলেন বিস্ফোরণের রাতে স্টিয়ারিংয়ের পেছনে? সেই উত্তর এখনও মেলেনি। তদন্তকারীরা এখন খুঁজছেন তারিকের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন এবং দিল্লিতে তাঁর গতিবিধির খোঁজ। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, আমাদের অনুমান কেউ প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। হয়তো গাড়ির ভিতরে আইইডি ছিল। সামান্য চাপেই সেটা বিস্ফোরিত হয়।তবে এটুকু স্পষ্ট ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের মুহূর্তে গাড়ির জানালা দিয়ে এক ব্যক্তির হাত বেরোচ্ছে। তাঁর মুখ অস্পষ্ট হলেও, পোশাকের রং ও দেহবিন্যাস দেখে তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন, তিনি হয়তো কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা। সেই সূত্র ধরেই এখন ফরিদাবাদে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক মডেলের সঙ্গে মিল খুঁজছে এনআইএ ও দিল্লি পুলিশ।রাজধানীর বুকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে। আত্মঘাতী হামলার গন্ধ, পাকিস্তান যোগের ইঙ্গিত, আর ক্রমে জট পাকানো গাড়ি বিক্রির গল্প সব মিলিয়ে গোটা রহস্য এখন চরম ধোঁয়াশায়।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিলেন উমর! পুলিশের হাতে জোরালো প্রমাণ

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

লাল কেল্লা মেট্রোর সামনে ধীরে ধীরে আসছিল গাড়িটি... তারপরেই ঘটল বিস্ফোরণ, কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় আচমকাই কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট নাগাদ লালবাতিতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি সুজুকি ইকো ভ্যানে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে ফেলে আশপাশের আরও কয়েকটি গাড়িকে। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১০, আহত ২০ জনের বেশি।দিল্লি পুলিশের কমিশনার সতীশ গোলচা জানিয়েছেন, একটি ধীরে চলা গাড়ি ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই বিস্ফোরণ হয়। তার পরপরই আশেপাশের গাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। স্থানীয়রা আতঙ্কে ছুটে পালাতে শুরু করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশেপাশের বৈদ্যুতিক খুঁটি ও স্ট্রিটলাইট পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। অনেক গাড়ি প্রায় ১৫০ মিটার দূরে ছিটকে যায়। লালকেল্লা সংলগ্ন চাঁদনি চক এলাকার ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তেই নেমে আসে তীব্র বিশৃঙ্খলা।এই ঘটনার দিনই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আন্তঃরাজ্য জঙ্গি চক্র। উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক তৈরির রাসায়নিক, যার মধ্যে ছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে এই জঙ্গি মডিউলের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি।তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভ্যানে বিস্ফোরক বোঝাই করা ছিল, এবং সেটি হয়তো আরও ভিড়ভাট্টার এলাকায় পৌঁছনোর আগেই বিস্ফোরিত হয়ে যায়।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এত জোরে আওয়াজ হয়েছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। চারপাশে আগুন, গরম বাতাসে যেন শ্বাস নেওয়া যাচ্ছিল না। বর্তমানে গোটা দিল্লি জুড়ে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। তদন্ত চলছে রাতভর।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

রেড ফোর্টের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১, আহত বহু!

সোমবার সন্ধ্যায় রেড ফোর্ট মেট্রো স্টেশনের গেট নং ১-এর নিকটে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, পরে তিন থেকে চারটি কাছের গাড়িতেও আগুন লাগে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং একাধিক ফায়ার টেন্ডার দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো উচ্চ সতর্কতা অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রাথমিক তথ্যে একজন নিহতের কথা বলা হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা চার বা তার বেশি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আহত সংখ্যা ৮ বা তারও বেশি বলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে Lok Nayak Jai Prakash Hospital-এ ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। প্রধান সচিব ও দিল্লি পুলিশ জানায়, এখনও বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি এটি দুর্ঘটনা হতে পারে বা কোনো পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডও হতে পারে। এলাকাটি দ্রুত সিল করা হয়েছে, এবং বিস্ফোরণের সময় ও davor সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য অভিযান চলছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

একদিকে ছড়িয়ে আছে কাটা হাত, অন্য়দিকে মাংসপিণ্ড... দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ভয়াবহ দৃশ্যে আঁতকে উঠছে প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় হঠাৎ ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে পার্কিং লটে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের আরও গাড়িতে। চারপাশে ধোঁয়া, আতঙ্ক আর চিৎকারে ভরে ওঠে গোটা এলাকা।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একটা বড় বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা দৌড়ে দূরে চলে যাই। দেখি কাটা হাত পড়ে আছে। ধ্বংসস্তুপ পড়ে আছে। মানুষ ভাবতেই পারবে না এমন দৃশ্য। পড়ে আছে খাবলা-খাবলা মাংস। যা দেখেছি তা ভাষা প্রকাশ করতে পারব না।লালকেল্লা মেট্রো এলাকা বরাবরই জনবহুল। পর্যটক ও স্থানীয় মানুষে ভরপুর জায়গাটিতে সোমবার সন্ধ্যাটা যেন এক দুঃস্বপ্ন হয়ে এল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই আকাশ কাঁপিয়ে বিকট আওয়াজ হয়। তারপরেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে নেয় কয়েকটি গাড়ি ও দোকানঘর।পুলিশ ও দমকলের একাধিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ পাওয়া খবরে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আহত বহু মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। শুরু হয়েছে তদন্ত। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না প্রশাসন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গোটা এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, যে আওয়াজটা হয়েছিল, তা কখনও ভুলতে পারব না। সবাই দৌড়াতে শুরু করেছিল। যেন এক মুহূর্তে পৃথিবী থেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

রাজধানীতে তীব্র বিস্ফোরণ! তদন্তে নামল NIA ও NSG, জঙ্গি হানার গন্ধ

ভর সন্ধ্যায় রক্তাক্ত আতঙ্কে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। ঐতিহাসিক লালকেল্লার একদম সামনে, মেট্রো স্টেশনের গেট নম্বর ১-এর কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল গাড়িটি, তার পাশাপাশি আরও কয়েকটি যানবাহন। বিস্ফোরণের শক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে আশপাশের রাস্তার লাইটপোস্ট থেকে শুরু করে দোকানের কাঁচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ২৪ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনায় চারদিক জুড়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইঞ্জিন ও ১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি দ্রুত আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় লোডি ও LNJP হাসপাতালে। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে।এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র একটি বিশেষ দল। ইতিমধ্যেই সেখানে উপস্থিত রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর কমান্ডোরা। বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করে ফরেনসিক টিম পরীক্ষা শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত উচ্চক্ষমতার ছিল।তদন্তকারীরা আপাতত নাশকতার সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না। কারণ, দিন কয়েক আগেই দিল্লি পুলিশই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল এক আন্তঃরাজ্য জঙ্গি মডিউল, যাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট যা দিয়ে তৈরি করা যায় শত শত শক্তিশালী IED বোমা।এই প্রেক্ষাপটে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ নতুন করে নড়াচড়ে বসিয়েছে গোটা প্রশাসনকে। রাজধানীর ব্যস্ততম পুরনো দিল্লির বাজার এলাকাজুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা, বাড়ানো হয়েছে পুলিশ মোতায়েন।এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আওয়াজটা এমন ছিল যেন একটা ট্রাক বিস্ফোরিত হয়েছে। আমরা দেখলাম আগুনের বল আকাশে উঠে যাচ্ছে, তারপর একের পর এক গাড়ি জ্বলে উঠল।ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন, তবে প্রশাসনের আশঙ্কা এটি শুধুই দুর্ঘটনা নয়, বরং বড়সড় পরিকল্পনার অঙ্গ হতে পারে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

“মিসাইল ফেটেছে মনে হচ্ছিল!”— লালকেল্লা মেট্রো গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণে শোরগোল

ভরসন্ধ্যায় আচমকা ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের ১ নম্বর গেটের ঠিক বাইরে ঘটে এই বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একাধিক গাড়ি, দোকান ও ঘরে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশেপাশের দেয়াল ফেটে যায়, ভেঙে যায় কাঁচের জানলা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতি মুহূর্তে।স্থানীয় বাসিন্দা রাধর পান্ডে বলেন, আমি তখন ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আচমকাই একটা জোরালো শব্দ শুনলাম। মনে হল, আকাশে যেন আগুনের গোলা ফেটে উঠল। চারদিক থরথর করে কেঁপে উঠল। আতঙ্কে নিচে নেমে আসেন তিনি।আরও এক প্রত্যক্ষদর্শী মনীশ জানাচ্ছেন, আমার দোকানটা বিস্ফোরণস্থল থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে। তবুও এমন কাঁপুনি লেগেছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হয়েছে। পুলিশকে একের পর এক আহত মানুষকে উদ্ধার করে নিয়ে যেতে দেখেছি।আরও একজন প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, শব্দটা এত জোরে হয়েছিল, মনে হচ্ছিল একটা মিসাইল যেন আকাশ থেকে এসে ফেটেছে। সোফায় বসে ছিলাম, গোটা ঘর দুলে উঠল। বাইরে বেরিয়ে দেখি ছয়-সাতটা গাড়ি দাউদাউ করে জ্বলছে।বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। নাশকতার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে ফায়ার টেন্ডার, বোম স্কোয়াড ও ফরেনসিক টিম। গোটা দিল্লি শহরজুড়ে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকায় এমন ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটায় ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়রা আতঙ্কে ঘরছাড়া, পুলিশ ঘিরে ফেলেছে গোটা অঞ্চল।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

ভরসন্ধ্যায় কেঁপে উঠল দিল্লি! জোড়া গাড়িতে বিস্ফোরণ, মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে

ভরসন্ধ্যায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দিল্লি। রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে থাকা আরও কয়েকটি গাড়ি, অটো, রিক্সা ও বাইকে। মিনিটের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত হয়ে যায় গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের দোকান, গাড়ি এমনকি ঘরবাড়িও কেঁপে ওঠে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরে এলাকা জুড়ে দেহাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার সময় ঘটনাস্থলে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল বলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি-র টিম তদন্তে নেমেছে। স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি চলছে এলাকায়। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় কয়েকজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। তার মাত্র কয়েক মাস পর রাজধানীতে ফের বিস্ফোরণ নিরাপত্তা মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন বড় শহরে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal