• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BCCI

খেলার দুনিয়া

১৫ হাজারের মাইলফলক ছুঁয়েও নিস্পৃহ বিরাট! শতরানের পর জানালেন জীবনের মন্ত্র, প্রশংসায় শুভমন

ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে প্রথম এক দিনের ম্যাচে ব্যাট হাতে ফের একবার নিজের চেনা ছন্দে বিরাট কোহলি। দুর্দান্ত শতরান করে দলকে জেতানোর পাশাপাশি ম্যাচের পর তাঁর কথাতেও ধরা পড়ল এক পরিণত ক্রিকেটারের গভীর উপলব্ধি। ব্যক্তিগত রেকর্ড, সাফল্য কিংবা মাইলফলক নয়কোহলির কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলকে সাহায্য করা, প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা এবং মাঠে নিজের সেরাটা দেওয়া।ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে শতরানের সুবাদে এক দিনের ক্রিকেটে ১৫ হাজার রানের গণ্ডি পার করেছেন বিরাট। আরও একটি উল্লেখযোগ্য তথ্য হল, এই মাইলফলকে পৌঁছতে তিনি সচিন তেন্ডুলকরের তুলনায় ৭২টি ম্যাচ কম নিয়েছেন। তবে এত বড় কীর্তিও যেন বিশেষ ভাবে ছুঁতে পারেনি তাঁকে। বরং সাফল্যের পিছনে নিজের মানসিকতা এবং দীর্ঘ দিনের পরিশ্রমকেই বড় করে দেখছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।যেখান থেকে এসেছি, সেটাই মনে রাখা দরকারম্যাচের পর নিজের বর্তমান মানসিকতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কোহলি বুঝিয়ে দিয়েছেন, জীবনের এই পর্যায়ে এসে রেকর্ডের চেয়ে কৃতজ্ঞতাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।তাঁর বক্তব্যের মূল সুরখ্যাতি, জনপ্রিয়তা কিংবা রেকর্ডের মধ্যে ডুবে গেলে নিজের শিকড়কে ভুলে যাওয়া সহজ। তাই বারবার ফিরে তাকাতে চান সেই দিনগুলির দিকে, যখন ভারতের হয়ে খেলার স্বপ্নটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।কোহলির মতে, দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে বিরাট সৌভাগ্যের। এত মানুষের সামনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা এবং দলের সাফল্যে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছেনএই উপলব্ধিই তাঁকে এখনও অনুপ্রাণিত করে। তাই তাঁর কাছে সাফল্যের পরেও মাথা নিচু রেখে পরিশ্রম করা এবং চারপাশের মানুষকে হাসি দেওয়াটাই জীবনের বড় শিক্ষা।ফিটনেস ও মানসিক সতেজতাই ধারাবাহিকতার চাবিকাঠিএক দিনের ক্রিকেটে গত ১১টি ম্যাচে চারটি শতরান এবং পাঁচটি অর্ধশতরানকোহলির ধারাবাহিকতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। কিন্তু এতটা ধারাবাহিক থাকার রহস্য কী?কোহলির উত্তরেও রয়েছে তাঁর পরিচিত বাস্তববাদী মানসিকতা। তাঁর কাছে ক্রিকেট শুধু ব্যাটিং অনুশীলনের বিষয় নয়। খেলাটাকে বোঝা, শরীরকে ফিট রাখা এবং সবচেয়ে বেশি করে মানসিক ভাবে সতেজ থাকাএই তিনটিকেই তিনি গুরুত্ব দেন।তিন ফরম্যাটে খেলার সময়ও খুব বেশি অনুশীলন না করে নিজের মানসিক সতেজতাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোহলি। এখন যেহেতু তিনি মূলত এক দিনের ক্রিকেটেই খেলছেন, তাই প্রতিটি ম্যাচে নিজের খেলার ধরনকে আরও পরিণত করার চেষ্টা করছেন।মাঠে নামার আগে পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করা এবং সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করাই তাঁর লক্ষ্য। তাঁর কাছে ক্রিকেটে স্বাধীন ভাবে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে খেলা জরুরি, তবে সেই স্বাধীনতা যেন কখনও বেপরোয়া হয়ে না যায়সেটাও স্পষ্ট করেছেন তিনি।চোখ বিশ্বকাপে, প্রস্তুতি চলছে প্রতিদিনআগামী বিশ্বকাপের পরিকল্পনা যে তাঁর মাথায় রয়েছে, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন কোহলি। বয়স বা অভিজ্ঞতা নয়, নিজের শরীর ও ক্রিকেটীয় দক্ষতাকে যতটা সম্ভব প্রস্তুত রাখাই এখন তাঁর লক্ষ্য।শেষ ১৫ ওভারে দ্রুত রান নেওয়া, মাঠের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়নো, বৃত্তের মধ্যে ফিল্ডিং করাপ্রতিটি বিষয়েই নিজেকে প্রস্তুত রাখতে চান তিনি।কোহলির বক্তব্যে তাই ভবিষ্যতের লক্ষ্য যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে বর্তমানকে উপভোগ করার বার্তাও। তাঁর কাছে প্রতিটি ম্যাচই একটি সুযোগ। চাপকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সেটাকেই পারফরম্যান্সে পরিণত করতে চান তিনি।অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর দায়িত্বও পরিষ্কারদলের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলতে হবে, ঝুঁকিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় শট খেলে উইকেট ছুড়ে দেওয়া যাবে না। দলকে জেতানোর জন্য নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।১৫ হাজার রানতবু রেকর্ড নিয়ে ভাবিত ননএক দিনের ক্রিকেটে ১৫ হাজার রান নিঃসন্দেহে বিরাট কোহলির কেরিয়ারের আরও একটি বড় অধ্যায়। কিন্তু কোহলির কাছে সংখ্যাটি যেন শুধুই একটি পরিসংখ্যান।তিনি জানিয়েছেন, মাইলফলকের কথা মাথায় রেখে কখনও ক্রিকেট খেলেন না। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে দলকে কী ভাবে সাহায্য করা যায়, সেটাই তাঁর কাছে আসল বিষয়। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ব্যক্তিগত সাফল্য এলে সেটিকে তিনি অতিরিক্ত প্রাপ্তি হিসেবেই দেখেন।এত বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকার সুযোগ পাওয়ার জন্যও কৃতজ্ঞ তিনি। তাঁর মতে, অনেকেই এই জায়গায় পৌঁছতে চান, কিন্তু খুব কম মানুষই সেখানে পৌঁছতে পারেন। তাই সাফল্যের সঙ্গে মাটির কাছাকাছি থাকাটাও অত্যন্ত জরুরি।তরুণদের জন্য বিরাটের বার্তামাঠে ঢুকলে ক্রিকেটই সবতরুণ ক্রিকেটারদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন কোহলি। তাঁর মতে, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর যেন একজন ক্রিকেটারের মনে অন্তত এই তৃপ্তি থাকেসে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে এবং দলের জন্য নিজের সর্বস্ব দিয়েছে।বিশেষ করে মাঠের বাইরের আলোচনা, সমালোচনা কিংবা নানা ধরনের কথাবার্তাকে গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। মাঠে ঢোকার পর ক্রিকেটকেই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় করে তুলতে হবে।দলের প্রয়োজনে নিজের ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বা স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভুলে যাওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে বলেও মনে করেন কোহলি। তাঁর বক্তব্যের সারকথা, ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের আগে দলের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে পারলেই একজন ক্রিকেটার সত্যিকারের অর্থে দলকে সাহায্য করতে পারবেন।শুভমনকে নিয়ে কোহলির প্রশংসাম্যাচে শুভমন গিলের সঙ্গে তাঁর শতরানের জুটিও ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। ম্যাচের পর তরুণ অধিনায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন কোহলি।তাঁর মতে, শুভমনের মধ্যে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয় গুণ রয়েছে। ম্যাচকে বিভিন্ন দিক থেকে দেখার ক্ষমতা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতাও রয়েছে তাঁর।শুধু নেতৃত্ব নয়, ব্যাটার হিসেবেও শুভমনকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বলে উল্লেখ করেছেন কোহলি। তাঁর সঙ্গে ব্যাটিং করার সময় বড় জুটি গড়া সহজ হয় বলেও মনে করেন তিনি।এক দিকে ১৫ হাজার রানের মাইলফলক, অন্য দিকে শতরান দিয়ে দলের জয়সব মিলিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের বিরুদ্ধে ম্যাচটি কোহলির জন্য ছিল বিশেষ। তবে তাঁর কথায় সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি ধরা পড়েছে, তা হল রেকর্ডের চেয়েও বড় তাঁর কাছে দায়িত্ব, দল এবং ক্রিকেটের প্রতি কৃতজ্ঞতা।বিরাটের ব্যাটে এখনও রান আছে, লক্ষ্যও আছে। আর সেই লক্ষ্যের কেন্দ্রে ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে অনেক বেশি করে রয়েছেভারতের হয়ে মাঠে নেমে প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগানো।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

৩ অক্টোবর একই দিনে দুই দেশে ভারতের দুই ম্যাচ! ক্রিকেট ইতিহাসে কি প্রথম বার এমন কাণ্ড?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সামনে ঠাসা সূচি। আর সেই সূচির জেরেই ৩ অক্টোবর তৈরি হতে পারে এক বিরল পরিস্থিতি। একই দিনে দুই আলাদা দেশে ভারতের দুটি ম্যাচ হতে পারে। একটি ওয়ানডে, অন্যটি টি-টোয়েন্টি। দুই ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কোনওটিতেই দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সুযোগ থাকবে না।সূচি অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তার পর ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ৩ অক্টোবর হওয়ার কথা।অন্য দিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। ক্রিকেট হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ভারত এই প্রতিযোগিতার গত বারের চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এশিয়ান গেমস গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত এই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দল নিয়েই নামতে চাইবে।এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল হওয়ার কথা ১ অক্টোবর। ফাইনাল ৩ অক্টোবর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফলে অন্তত সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে জিতলে ৩ অক্টোবর ফাইনাল খেলতে হবে ভারতকে। আর সেমিফাইনালে হারলেও একই দিনে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ রয়েছে। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেই ৩ অক্টোবর আবার মাঠে নামতে হবে।এই জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। কারণ ৩ অক্টোবরই পঞ্জাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই দিনে ভারতের একটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলতে পারে, অন্য একটি দল জাপানে এশিয়ান গেমসের ম্যাচ খেলতে পারে।ভারতের এশিয়ান গেমসের দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই দলে একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার রয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে একই দিনে দুই দেশে ম্যাচ হলে কোন ক্রিকেটার কোন দলে থাকবেন, তা নিয়েও তৈরি হবে বড় প্রশ্ন।এশিয়ান গেমসের দলে থাকা শ্রেয়স আইয়ার, জশপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা এবং অক্ষর পটেলরা ওয়ানডে দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ভাবেই একই সময়ে দুই দেশে তাঁদের খেলানো সম্ভব নয়। ফলে নির্বাচকদের সামনে দল বাছাই নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩ অক্টোবর ভারতীয় ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল একটি দিন হয়ে উঠতে পারে। একই দিনে দুই আলাদা দেশে, দুই আলাদা ফরম্যাটে ভারতের দুই দল মাঠে নামতে পারে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদায় 'টুপি নম্বর ২৭৮', চোখের জলে ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন অজিঙ্ক রাহানে

ভারতীয় ক্রিকেটের এক নির্ভরযোগ্য নাম, সংকটের মুহূর্তে দলের ভরসা এবং নীরব অথচ দৃঢ় লড়াইয়ের প্রতীক অজিঙ্ক রাহানে আচমকাই ক্রিকেটজীবনের ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন ভিডিও প্রকাশ করে তিনি জানিয়ে দিলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আইপিএল-সহ ক্রিকেটের সব ধরনের প্রতিযোগিতা থেকেই অবসর নিচ্ছেন তিনি।ভিডিওটির শুরু থেকেই ছিল আবেগের ছোঁয়া। নিজের দীর্ঘ ক্রিকেট-যাত্রার কথা বলতে গিয়ে বারবার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে রাহানের। শেষ মুহূর্তে চোখের জল আর আটকে রাখতে পারেননি তিনি। ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, টুপি নম্বর ২৭৮ বিদায় জানাচ্ছে। এত বছর ধরে যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।সময়কে সম্মান জানিয়ে বিদায়ের সিদ্ধান্তনিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রাহানে বলেন, জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ের যেমন শুরু রয়েছে, তেমনই একসময় তার সমাপ্তিও আসে। একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি সবসময় সঠিক টাইমিংয়ের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর কথায়, সঠিক সময়কে সম্মান জানানোও জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। সেই কারণেই তিনি মনে করেছেন, এটাই ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর উপযুক্ত মুহূর্ত।তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ক্রিকেটের সব ধরনের ফরম্যাট থেকেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। অর্থাৎ, শুধু ভারতীয় দলের জার্সিই নয়, ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা আইপিএলের মঞ্চেও আর দেখা যাবে না তাঁকে।কেকেআরের অধিনায়ক হিসেবেও ইতিভিডিওতে তিনি কলকাতা নাইট রাইডার্সের নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা কার্যত আইপিএলকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে কলকাতা নাইট রাইডার্সকেও আগামী মরসুমের আগে নতুন অধিনায়ক খুঁজতে হবে।গত দুই মরসুমে রাহানের নেতৃত্বে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি কেকেআর। সেই প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতের অপেক্ষা না করে নিজেই মর্যাদার সঙ্গে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।ডম্বিভলির ছেলের স্বপ্নপূরণের গল্পঅবসরের ঘোষণায় নিজের শৈশব ও সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন রাহানে। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রের ডম্বিভলির এক সাধারণ পরিবারের ছেলে হিসেবে প্রতিদিন ভোরে অনুশীলনে যেতেন, মাঠে নেমে প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতেন। তাঁর একমাত্র স্বপ্ন ছিল ভারতের জার্সি গায়ে চাপানো।তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে সবসময় দলের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। সততা, পরিশ্রম এবং সঠিক মানসিকতাই তাঁকে এতদূর নিয়ে এসেছে বলে মনে করেন রাহানে। তাঁর বিশ্বাস, খেলাকে সম্মান করলে খেলাও একদিন সেই সম্মানের প্রতিদান দেয়।ভারতীয় ক্রিকেটের পরিবর্তনের সাক্ষীদীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ভারতীয় ক্রিকেটের আমূল পরিবর্তন নিজের চোখে দেখেছেন রাহানে। অভিষেকের সময়ের ভারতীয় দল এবং বর্তমান সময়ের ভারতীয় ক্রিকেটের মধ্যে যে বিশাল পরিবর্তন এসেছে, তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকার অভিজ্ঞতার কথাও ভাগ করে নেন তিনি।তবে ক্রিকেটকে সম্পূর্ণ বিদায় জানাচ্ছেন না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর মতে, ক্রিকেট তাঁকে যে মূল্যবোধ শিখিয়েছে, তা আগামী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান। তাই ভবিষ্যতে কোচ, মেন্টর বা অন্য কোনও দায়িত্বে তাঁকে দেখা যেতে পারে বলেই জোরালো জল্পনা শুরু হয়েছে।হার-জিতের ঊর্ধ্বে ক্রিকেটের আনন্দরাহানের মতে, ক্রিকেট শুধুমাত্র জয়-পরাজয়ের খেলা নয়। মুম্বইয়ের মাঠ থেকে শুরু করে ভারতের ড্রেসিংরুমঅসংখ্য স্মৃতি, অসংখ্য জয়-পরাজয়ের সাক্ষী হলেও, সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল সতীর্থদের সঙ্গে খেলাটাকে উপভোগ করার আনন্দ।তিনি বলেন, সেই আনন্দই তাঁর কাছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতাবিদায়বার্তায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, আইপিএলের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি, স্ত্রী রাধিকা, পরিবার, বন্ধু এবং দীর্ঘদিনের সতীর্থদের ধন্যবাদ জানান রাহানে। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানান সমর্থকদের প্রতি, যারা তাঁর সাফল্যের মুহূর্তে যেমন পাশে ছিলেন, ব্যর্থতার সময়ও সমানভাবে সমর্থন করে গিয়েছেন।আবেগে ভেঙে পড়লেন রাহানেভিডিওর শেষ অংশে আর নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি তিনি। চোখে জল নিয়ে বলেন, অজিঙ্ক নামের অর্থ অপরাজিত হলেও ক্রিকেট তাঁকে শিখিয়েছে, জীবনে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার সংখ্যাই বেশি হতে পারে। তিনি ভুল করেছেন, হেরেছেন, আবার সেই ভুল থেকেই শিক্ষা নিয়েছেন।তবে একটি জায়গায় তিনি কখনও হারেননি বলেই মনে করেনসমর্থকদের ভালোবাসা। তাঁদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পেরেছেন, এটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় জয়। শেষবারের মতো তিনি বলেন, টুপি নম্বর ২৭৮ বিদায় জানাল।রাহানের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার এক নজরেঅজিঙ্ক রাহানে ভারতের হয়ে ৮৫টি টেস্ট, ৯০টি একদিনের আন্তর্জাতিক এবং ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর সংগ্রহ ৫,০৭৭ রান। একদিনের ক্রিকেটে করেছেন ২,৯৬২ রান এবং টি-টোয়েন্টিতে ৩৭৫ রান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট ১৫টি শতরান ও ৫১টি অর্ধশতরান।প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২০১টি ম্যাচে ১৪ হাজারেরও বেশি রান করেছেন তিনি। সেখানে রয়েছে ৪১টি শতরান এবং ৫৯টি অর্ধশতরান।অধিনায়ক রাহানের অনন্য নজিরভারতের হয়ে ছয়টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাহানে। আশ্চর্যের বিষয়, অধিনায়ক হিসেবে একটি ম্যাচেও হারেননি। তাঁর নেতৃত্বে ভারত চারটি টেস্ট জিতেছে এবং দুটি ড্র করেছে।এর মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় নিঃসন্দেহে ২০২০-২১ মরসুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি জয়। একাধিক তারকা ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি এবং অ্যাডিলেডে লজ্জাজনক হারের পরও ভাঙাচোরা দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় এনে দিয়েছিলেন রাহানে। সেই কীর্তি ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।আইপিএলে ও সমৃদ্ধ অধ্যায়আইপিএলে তিনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্ট, দিল্লি ক্যাপিটালস, চেন্নাই সুপার কিংস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন। ২১২টি আইপিএল ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৫,৩৬৭ রান। রয়েছে দুটি শতরান এবং ৩৫টি অর্ধশতরান।নীরব, সংযত এবং দায়িত্বশীল ক্রিকেটারের প্রতিচ্ছবি হিসেবে অজিঙ্ক রাহানে ভারতীয় ক্রিকেটে এক বিশেষ স্থান দখল করে থাকবেন। মাঠে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও, ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে নতুন ভূমিকায় আরও দীর্ঘ পথ চলবে, সেই ইঙ্গিত তিনি নিজেই দিয়ে গেলেন।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যে ঝাঁপে শেষ হতে পারত জীবন, সেই জেমাইমাই আজ বিশ্বজয়ের স্তম্ভ

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের অনবদ্য ইনিংস ক্রিকেট ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেই ইনিংসের জোরেই কার্যত একার হাতে সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়েছিল ভারত। বিশ্বকাপ জয়ের সেই নায়ক জেমাইমা রডরিগেজ এবার শোনালেন জীবনের এক ভয়ংকর অজানা কাহিনি। জানালেন, ছোটবেলায় ক্যাচ ধরতে গিয়েই প্রায় মৃত্যুর মুখে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি।সম্প্রতি ইউটিউবের এক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের সেই অভিজ্ঞতার কথা বলেন জেমাইমা। তিনি জানান, তখন তাঁর বয়স মাত্র আট বছর। গির্জার একটি অনুষ্ঠানে পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখানে বাইরে খেলতে খেলতে বাচ্চারা একে অপরের দিকে চপ্পল ছুড়ে দিচ্ছিল। সেই সময় তাঁর এক মামাতো বোন তাঁর দিকে একটি জুতো ছুড়ে মারেন। সেটি ধরতেই ঝাঁপ দেন জেমাইমা।কিন্তু সেই ঝাঁপই প্রায় প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছিল। ক্যাচ ধরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যান তিনি। সৌভাগ্যবশত নিচে একজন বসে ছিলেন। তাঁর মাথার উপর গিয়ে পড়ায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা পান জেমাইমা। তবে মুহূর্তের জন্য তাঁর ভাইবোনদের মনে হয়েছিল, তিনি আর বেঁচে নেই।ভাগ্যের জোরে সেদিন কোনও গুরুতর আঘাত পাননি জেমাইমা। আজ সেই শিশুই বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে ভারতের হয়ে ইতিহাস গড়েছেন। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার তিনি। এর আগে ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নকআউট ম্যাচে ১৭১ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন হরমনপ্রীত কৌর। এবার সেই তালিকায় নিজের নাম তুলে ধরলেন জেমাইমা রডরিগেজ। বিশ্বজয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শুনিয়ে আবেগপ্রবণ করলেন ক্রিকেটপ্রেমীদের।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজের দল ঘোষণা, চোটের কারণে নেই শুভমন—নেতৃত্বে ফিরলেন লোকেশ রাহুল

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অনুমান মতই চোটের জন্য অনুপস্থিত শুভমন গিল। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া সফরে সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকা শ্রেয়স আয়ারও চোট সারাতে ব্যস্ত। ফলে নতুন অধিনায়ক বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় নির্বাচক অজিত আগরকরদের। আর সেই দায়িত্ব ফিরে গেল অভিজ্ঞ ব্যাটার লোকেশ রাহুলের হাতে। প্রায় দুবছর পরে সাদা বলের ফরম্যাটে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে তাঁকে।২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই শেষবার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাহুল। সেই অভিজ্ঞতাই এই সিরিজে তাঁকে আবারও অধিনায়ক হিসেবে এনে দিল। টেস্ট সিরিজে আশানুরূপ ফল না হওয়ার পর নির্বাচকরা নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না গিয়ে অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলেন।হার্দিক পাণ্ড্য এখনও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে আসার মতো ফিট নন, তাই তাঁকে বিবেচনায় আনা হয়নি। আর আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের ওপর বাড়তি চাপ এড়াতে এবং তরুণদের সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত বলে বোর্ড সূত্রে জানা যাচ্ছে। অভিজ্ঞ বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা এক দিনের দলে রয়েছেন, তবে জায়গা হয়নি পেসার মহম্মদ শামির।ভারতীয় দলের তরুণ ব্রিগেডে জায়গা পেয়েছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষিত রানা এবং ধ্রুব জুরেল। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন অভিজ্ঞ জাডেজা, কুলদীপ, ওয়াশিংটন সুন্দররাযারা দলের ভারসাম্য বজায় রাখবে।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের এক দিনের সিরিজের দল🏏 রোহিত শর্মা🏏 যশস্বী জয়সওয়াল🏏 বিরাট কোহলি🏏 তিলক বর্মা🏏 লোকেশ রাহুল (অধিনায়ক)🏏 ঋষভ পন্থ🏏 ওয়াশিংটন সুন্দর🏏 রবীন্দ্র জাডেজা🏏 কুলদীপ যাদব🏏 নীতীশ কুমার রেড্ডি🏏 হর্ষিত রানা🏏 রুতুরাজ গায়কোয়াড়🏏 প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ🏏 অর্শদীপ সিংহ🏏 ধ্রুব জুরেল🚨 NEWS 🚨#TeamIndias squad for @IDFCFIRSTBank ODI series against South Africa announced.More details ▶️https://t.co/0ETGclxAdL#INDvSA pic.twitter.com/3cXnesNiQ5 BCCI (@BCCI) November 23, 2025এই দল নিয়ে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেমন ফল করে ভারতসেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

অভিমন্যুর অভিষেক আর কবে?

ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে করুণ নায়ার ০, ২০, ৩১, ২৬, ৪০, ১৪, ৫৭, ১৭ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে বি সাই সুদর্শন ০, ৩০, ৬১, ০, ৩৮, ১১।তবু একের পর এক সিরিজে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হচ্ছে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে। ভারতীয় এ দলের অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে যাঁর দুটি অর্ধশতরান ছিল। তবু তিনের কথা ভেবে অভিষেক ঘটানো হলো সাই সুদর্শনের। যাঁর ৩১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে এখনও অবধি ২০৪৮ রান রয়েছে। সেখানে অভিমন্যু? ১০৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৭৮৪১ রান করেছেন। ২৭টি শতরান, ৩১টি অর্ধশতরান। ২০১৩ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হলেও আন্তর্জাতিক অভিষেকের জন্য তাঁকে ওয়েট করানো হচ্ছে। সুদর্শন তিন ফরম্যাটেই দেশের হয়ে খেলে ফেলেছেন। অভিমন্যুর চেয়ে অনেক পিছিয়ে থেকেও। এর পিছনে কোন ক্রিকেটীয় যুক্তি?সুদর্শন আইপিএল খেলেন, অভিমন্যু সুযোগ পাননি। তবে টেস্ট দলে সুযোগের মাপকাঠি তো আইপিএল হতে পারে না। সাই অক্টোবরে ২৪ বছর পূর্ণ করবেন। সেপ্টেম্বরে ৩০ হবে অভিমন্যুর। করুণ ৩৪ পূর্ণ করার পথে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক রান করার পর ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে দ্বিশতরান হাঁকিয়ে টেস্ট দলে করুণ কামব্যাক নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনে হোক বা মিডল অর্ডারে করুণের অবস্থা বেশ করুণ। ফলে তাঁকে এবার বসানো যেতেই পারে।গৌতম গম্ভীরের পছন্দ, অপছন্দ বড় কথা নয়। প্রথম একাদশ নির্বাচনে যোগ্যতা, পারফরম্যান্স হোক মাপকাঠি। শুভমান গিলের গুজরাত টাইটান্সে খেলার সুবাদে সুদর্শন ব্যর্থ হয়েও খেলে যাবেন, আর অভিমন্যুকে জল বয়ে বেড়াতে হবে বা পরিবর্ত হিসেবে ফিল্ডিং করতে হবে এটা মানা যায় না। ২০২২ সালে রোহিত শর্মা চোট পাওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে অভিমন্যুর টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। অথচ সেই সময় থেকে আজ অবধি ১৫ জনের টেস্ট অভিষেক হয়েছে। অভিমন্যুকে বসে বসে তা দেখতে হয়েছে।অংশুল কম্বোজকে ডাকা হলো। কিন্তু কেন ডাকা হলো না মুকেশ কুমারকে? ভারত এরপর দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলবে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিপক্ষ। লোকেশ রাহুল আর যশস্বী জয়সওয়াল ওপেনার হিসেবে আপাতত জায়গা পাকা করে ফেলেছেন। কিন্তু তিনে ভরসাযোগ্য কাউকে এখনও পাওয়া যায়নি। এই আবহে অবিলম্বে সুযোগ দেওয়া হোক অভিমন্যুকে। পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হলে না হয় অন্য কাউকে সুযোগ দেবেন। কিন্তু অভিমন্যুকে এবার টেস্টের প্রথম এগারোয় না নেওয়া হলে তা হবে অন্যায়। না হলে কীসের রঞ্জি, ইরানি বা দলীপ, কিংবা ভারতীয় এ দলের হয়ে খেলা! যে যেভাবে পারেন অভিমন্যুর জন্য জোরালো দাবি উঠুক।

আগস্ট ০৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

নভেম্বরে ইডেনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি ভারত! নেপথ্যে সিএবি সভাপতি

ইডেনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভারত খেলবে নভেম্বরে। ১৪ তারিখ থেকে প্রথম টেস্ট। জানেন কি এটা সম্ভব হলো কীভাবে? জানুন ভিতরের তথ্য। ইডেন প্রথমে পেয়েছিল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট। যেটি হওয়ার কথা ছিল অক্টোবরে। এর মধ্যেই জানা যায় পরিবেশগত কারণে দিল্লি থেকে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট সরতে পারে। এরপরেই তৎপরতা দেখান সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। ঘুরতে থাকে খেলা। ভারতের প্রতিপক্ষ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যে অনেক বেশি শক্তিশালী, অনেক বেশি উপভোগ্য ম্যাচ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়াদের সঙ্গে ক্রমাগত কথা চালিয়ে যেতে থাকেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। অবশেষে সূচির অদলবদল। ইডেন পেল ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। তেম্বা বাভুমার নেতৃত্বে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা প্রোটিয়ারা চলতি মাসেই টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে জিম্বাবোয়েতে। এরপর টানা সাদা বলের সিরিজ খেলে লাল বলের ম্যাচে নামবে ইডেনে। দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাসন কাটিয়ে ফেরার সঙ্গে যেমন জড়িয়ে ইডেন, তেমনভাবেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথম ভারত সফরে এসে প্রথম ম্যাচটাই খেলবে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। যা নিশ্চিত হলো সিএবি সভাপতির দূরদর্শিতায়। উৎসবের আবহে ইডেনে হবে ক্রিকেটের মহোৎসব।মনোজিৎ মৌলিক

জুন ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ভারতের টেস্ট দলে কেকেআরের কেউ স্থান না পেলেও বাংলা থেকে দু'জন ইংল্যান্ড যাচ্ছেন

ইংল্যান্ড সফরের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) ১৮ সদস্যের টেস্ট দল ঘোষণা করেছে। সেই টেস্ট দলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোনও ক্রিকেটার দলে না থাকলেও বাংলা রঞ্জি দলের দুই ক্রিকেটার ইংল্যান্ড গামী ভারতীয় দলে স্থান পেয়েছেন। এই দলটি ২০২৫-২৭ আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ অংশ হিসেবে পাঁচ পাঁচ দিনের ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে, যা এই বছর জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিভিন্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।ভারতীয় টেস্ট দলের তালিকা:১) শুভমান গিল (অধিনায়ক)২) ঋষভ পন্ত (সহ-অধিনায়ক ও উইকেটকিপার)৩) যশস্বী জয়সওয়াল৪) কেএল রাহুল৫) সাই সুদর্শন৬) করুণ নাইর৭) অভিমন্যু ঈশ্বরন৮) নিতীশ কুমার রেড্ডি৯) ধ্রুব জুরেল (উইকেটকিপার)১০) রবীন্দ্র জাদেজা১১) কুলদীপ যাদব১২) ওয়াশিংটন সুন্দর১৩) জসপ্রিত বুমরাহ১৪) মোহাম্মদ সিরাজ১৫) আকাশ দীপ১৬) প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ১৭) আর্শদীপ সিং১৮) শার্দুল ঠাকুরকিছুদিন আগেই দুই মহাতারকার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষনার ফলে এই দলে উল্লেখযোগ্যভাবে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি অনুপস্থিত। রোহিত অবসর নেওয়াই ভারতীয় স্লের প্রারম্ভিক ব্যাটার শুভমান গিলকে অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন টিম অজিত আগারকার। এটি একটি নতুন যুগের সূচনা বলে ক্রীড়া মহলের আশা, গিলের এই দলে তরুণ প্রতিভাদের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আইপিএল-এ অসাধরণ প্রদর্শন করার পর সাই সুদর্শন প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন। যা নির্বাচকদের তরুণ প্রতিভা বিকাশের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, শ্রেয়াস আইয়ারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ফর্ম বা ফিটনেস সংক্রান্ত বিবেচনারও ইঙ্গিত দেয়।ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দলে বাংলা থেকে দুই ক্রিকেটারের স্থান হয়েছে, ব্যাটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও ফাস্ট বোলার আকাশ দীপ। ইংল্যান্ড সিরিজ়ের ভারতীয় টেস্ট দলে যে ১৮ জন সুযোগ পেয়েছেন, তার মধ্যে ১৭ জনই আইপিএল খেলেন । একমাত্র ক্রিকেটার বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরণ যে আইপিএলের কোনও দলে খেলেন না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত মোট পাঁচটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে, যা হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্র্যাফোর্ড (ম্যানচেস্টার) এবং দ্য ওভাল (লন্ডন) মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

মে ২৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রোহিতের পর বিরাটেরও টেস্ট থেকে অবসর? ঠেকাতে তৎপর বিসিসিআই

ইংল্যান্ড সফরের জন্য ভারতের দল ঘোষণা হতে পারে ২৩ মে। সেদিন নতুন টেস্ট অধিনায়কের সঙ্গে পরিচয় করাতে সাংবাদিক বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনাও আছে বিসিসিআইয়ের। শুভমান গিল দায়িত্ব পেতে পারেন। অধিনায়ক করা হতে পারে জসপ্রীত বুমরাকেও। কিন্তু তার আগে বড় চিন্তা বিরাট কোহলিকে নিয়ে।রোহিত শর্মার পথে হেঁটে টেস্ট থেকে অবসর নিতে চান। বিরাট কোহলি এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন বিসিসিআইকে। আর তাতেই শোরগোল। রোহিত, বিরাট না থাকলে ইংল্যান্ডে ভরাডুবি হতে পারে ভারতীয় দলের। যে সিরিজ দিয়ে আবার শুরু হচ্ছে ভারতের পরবর্তী আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযান।সূত্রের খবর, বিসিসিআইয়ের প্রভাবশালী এক শীর্ষকর্তা বিরাটের কাছে তাঁর এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাইবেন। চেষ্টা করবেন মত বদলানোর। টেস্ট দল নির্বাচনের আগেই সেই বৈঠকের সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রোহিতের সঙ্গে বিরাট বিসিসিআইয়ের বার্ষিক কেন্দ্রীয় চুক্তিতে এ প্লাস ক্যাটাগরিতে রয়েছেন।দুজনেই টি২০ আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেন গত বছর টি২০ বিশ্বকাপের পর। বিরাট অনড় থাকলে দুজনেই স্রেফ ওডিআই খেলবেন দেশের হয়ে। কতদিন? সেটাই বড় প্রশ্ন।কোহলি টেস্ট থেকে অবসর নিলে অক্ষত থাকবে সচিন তেন্ডুলকরের ১০০টি আন্তর্জাতিক শতরানের রেকর্ড।বিরাট ১৪ বছরে ১২৩টি টেস্ট খেলেছেন। অধিনায়ক হিসেবে ৬৮টি।টেস্টে বিরাট ৯২৩০ রান করেছেন। গড় ৪৬.৮৫। পারথ টেস্টে গত নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১০০ করেছিলেন। তবে তারপর ছন্দে ছিলেন না। ওই সফরের বাকি টেস্টগুলিতে তাঁর রান ছিল যথাক্রমে ৭, ১১, ৩, ৩৬, ৫, ১৭, ৬। ২০১৪ থেকে ২০২৩ অবধি বিরাট ইংল্যান্ডে ১৭টি টেস্টে ৩৩ ইনিংসে ১০৯৬ রান করেছেন। ২টি শতরান ও ৫টি অর্ধশতরান রয়েছে।

মে ১০, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

শ্মশানের স্তব্ধতা সাজঘরে! তবুও অন্যথা হল না 'সেরা ফিল্ডার' পুরষ্কার দেওয়ার নিয়মের, কে সেই সেরা ফিল্ডার?

সাজঘরে তখন শ্মশানের স্তব্ধতা! একটা পিন পড়লেও যেন তার শব্দ পাওয়া যাবে। শুরু হল এই বিশ্বকাপে চালু হওয়া ভারতীয় বোর্ড-এর সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। একেবারেই অনাড়ম্বর এক ঘরোয়া অনুষ্ঠান। দলের খেলোয়াড়, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ ব্যতীত কারোর প্রবেশ নিষেধ। দলে মধ্যে সংহতি বাড়ানো ও ফিল্ডিং মানের উত্তরণ ঘাটানোর জন্যই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই প্রথা চালু করেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের বেদনায়ক পরাজয়ের পর দলের সদস্যদের বেশীরভাগ অংশেরই ধারনা ছিলো, হয়তবা এই পরিস্থিতিতে সেই সেলিব্রেশন বাতিল হবে। কিন্তু না! গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটুও ব্যতিক্রম রবিবার হল না।গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটু ব্যতিক্রম হল রবিবার। বিশ্বকাপে টানা ১০টি ম্যাচ জিতে আসা একমাত্র দল ভারত ফাইনাল ম্যাচে পরাজিত হয়েছে! ম্যাচের পর সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়ার পুরস্কার এ বারের বিশ্বকাপেই প্রথম চালু হয়েছে। এই বিশ্বকাপের প্রত্যেকটি ম্যাচ ভারত জিতেছে। কিন্তু ফাইনালের মতো বেদনাদায়ক ম্যাচের শেষে সেই পদক নেওয়ার মানসিকতা কি কারও থাকে?From our first medal ceremony to the last - thank you to all the fans whove given us a lot of love for it 💙Yesterday, we kept our spirits high in the dressing room and presented the best fielder award for one final time.Watch 🎥🔽 - By @28anand#TeamIndia | #CWC23 BCCI (@BCCI) November 20, 2023খেলোয়াড়েরা পরাজয়ের ধাক্কায় বিমর্ষ থাকলেও বোর্ড প্রথামতোই সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান বাতিল করলো না, দেওয়া হল সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) লিখেছে, বিশ্বকাপের প্রথম খেলা থেকে শেষ পদক দেওয়া পর্যন্ত যে ভাবে ভারতীয় দলের সমর্থকেরা আমাদের পাশে থেকেছেন তার জন্য ধন্যবাদ। ফাইনালে পরাজয়ের পরেও আমরা চেষ্টা করেছি ঠিক থাকতে। এই বিশ্বকাপে শেষ বারের মতো সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়া হল।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছে তাতে প্রথমে চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ১০টি ম্যাচের সেরা ফিল্ডার পুরস্কার ঘোষণা এবং সেখানে যে অভিনবত্ব দেখানো হয়েছে, তার একটি কোলাজ দেখানো হয়। এরপর ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ পুরষ্কার প্রপকের নাম ঘোষণা করতে গিয়ে বলেন, আমরা জানি আজ আমরা হেরে গিয়েছি। আমরা যা চেয়েছিলাম তা এদিন হয়নি। কিন্তু আমাদের কোচ রাহুল ভাই বলেছেন, আমাদের প্রত্যকের নিজেকে নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। আমার পক্ষ থেকে দলের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই যে ভাবে মাঠে নেমে নিজের নিজের সেরাটা উজার করে দিয়েছো তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজকের পুরস্কার এমন একজন পাবে যে মাঠে নামলেই নতুন একটা ঘরানা তৈরি করে। মাঠে নামলে জাদু দেখায়। নিজের কাজটাই ভাল ভাবে শুধু করে না। বাকিদেরও অনুপ্রাণিত করে। সে আর কেউ নয়, বিরাট কোহলি।এই ঘোষণায় বিরাট কোহলি নিজেও খানিকটা চমকে যান। হয়ত তিনি তাঁর নাম ঘোষণা হবে এটা আসা করেনি নতুবা মাঠের চরম পরিণতি কুরেকুরে খাচ্ছিল। ঘোষণার সাথে সাথে সমস্ত গ্লানি ভুলে হাসিমুখেই ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের হাত থেকে পদক নেন। বিরাট কে ফাইনালের সেরা ফিল্ডারের পদক গলায় পরিয়ে দেন আগের ম্যাচের সেরা ফিল্ডারের পদক জয়ী রবীন্দ্র জাদেজা।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

‌সরে যাচ্ছেন?‌ পদত্যাগের জল্পনার রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? তাঁর পোস্ট করা একটা টুইট থেকে ছড়িয়ে পড়ে জল্পনা। মুহূর্তেই মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর সেই পোস্ট। আলোড়ন ফেলে গোটা দেশে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সন্ধেয় জল্পনার ইতি টানেন সৌরভ নিজেই। পরিস্কার জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে তিনি একটা শিক্ষামূলক অ্যাপ বাজারে নিয়ে আসছেন, তার জন্যই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন সৌরভ গাঙ্গুলি লেখেন, ১৯৯২ সালে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর ৩০ বছর ক্রিকেটে কাটিয়েছি। ক্রিকেট আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমাকে সবাই সাপোর্ট করেছে। আমার এই পথ চলার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এবার আমি এমন একটা পরিকল্পনা করছি, যাদে অনেক মানুষের উপকার হবে। আশা করছি আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবাই পাশে দাঁড়াবেন।সৌরভের এই টুইট দেখে সবাই ভাবতে শুরু করেন, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে চলেছেন। সৌরভকে ফোনে ধরতে না পেরে অনেকেই ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহর শরণাপন্ন হন। বোর্ড সচিব জয় শাহ সংবাদ সংস্থাকে জানান, সৌরভ গাঙ্গুলি বিসিসিআইয়ের পদ ছা়ড়েননি। তেমন কোনও পরিকল্পনার কথাও তাঁর জানা নেই। সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই এখন আইপিএলের মিডিয়া ও সম্প্রচার স্বত্ত্বাধিকারী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সেখানে সৌরভ সরে যাবেন এমনটা বোর্ডের কেউ বিশ্বাসই করতে পারেননি। তবে বোর্ডের আধিকারিকদের মধ্যেও টেলিফোনে যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কেন না, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সৌরভদের মেয়াদ শেষের কারণে বোর্ড থেকে সরতে হলে অন্য কথা। নাহলে সৌরভ-জয় শাহরাই এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটকে।pic.twitter.com/JrHOVvH3Vi Sourav Ganguly (@SGanguly99) June 1, 2022সন্ধেয় সব জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই। এমন একটি সাধারণ পোস্ট কীভাবে ভাইরাল হল তাতে আমি নিজেও অবাক। শীঘ্রই একটি এডুকেশনাল বা শিক্ষামূলক অ্যাপ বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এটা আমার নিজস্ব ভেঞ্চার। খুব শীঘ্রি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে। এই টুইটের সঙ্গে স্কুল তৈরির কোনও যোগ নেই।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়িয়ে বোরিয়াকে কড়া শাস্তি ভারতীয় বোর্ডের

সাংবাদিক বোরিয়া মজুমদার ও ঋদ্ধিমান সাহার মধ্যে বিতর্কে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জাতীয় দলের উইকেটকিপারকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দেওয়ার জন্য বোরিয়া মজুমদারকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় বোর্ডের অনুমোদিত কোনও প্রতিযোগিতায় তিনি ২ বছর প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি কোনও ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকারও নিতে পারবেন না। এই বছেরের ১৯ ফেব্রুয়ারি টুইট করে ঋদ্ধিমান সাহা জানান, এক সাংবাদিক তাঁকে সাক্ষাৎকার না দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি প্রকাশ করেননি। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, এতদিন জাতীয় দলে খেলার পর এই প্রতিদান পেলাম। সাক্ষাৎকার না দেওয়ার জন্য আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন সম্মানীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে এই রকম ব্যবহার পাচ্ছি। এই পর্যায়ে এখন সাংবাদিকতা এসে দাঁড়িয়েছে। টুইটের সঙ্গে তিনি ওই সাংবাদিকের হোয়টস্যাপ চ্যাটের স্ক্রিন শট দেন ঋদ্ধিমান। যদিও তিনি সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়এ আসেননি। এরপর দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ঋদ্ধিকে সমর্থন করে তাঁর পাশে দাঁড়ান। বীরেন্দ্র শেহবাগ থেকে শুরু করে হরভজন সিং, ইরফান পাঠানরা ঋদ্ধির কাছে অনুরোধ করেন তাঁকে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে। শত অনুরোধ সত্ত্বেও ঋদ্ধি সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেননি। এরপর আসরে নামে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ড কর্তারা ঋদ্ধিমানকে ডেকে পাঠিয়ে পুরো বিষয়টি জেনে তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্ল, কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমাল এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য প্রভতেজ সিং। তদন্ত কমিটির সামনে হাজিরা দিয়ে ঋদ্ধি তাঁকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টা তথ্যপ্রমাণসহ জানান। এই কমিটি ঋদ্ধিমানের দেওয়া সমস্ত তথ্য যাচাই করে এবং বোরিয়া মজুমদারকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করে।বোর্ডের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, বোর্ডের তদন্ত কমিটি ঋদ্ধিমান সাহা ও বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছে। দুজনের তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে বোরিয়া মজুমদারকে দোষী সাব্যাস্ত করা হয়েছে। বোরিয়া মজুমদার ২ বছর ভারতের কোনও স্টোডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে না। বোর্ডের নথিভূক্ত কোনও ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকার নিতে পারবে না। বোর্ড অনুমোদিত সংস্থায় ২ বছর প্রবেশ করতে পারবে না।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসিসি–র চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলি–জয় শাহ লড়াই?

এই বছরের নভেম্বরে নভেম্বরে মেয়াদ শেষ হচ্ছে আইসিসির চেয়ারম্যার গ্রেগ বার্কলের। তাঁর পরিবর্তে নতুন চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। লড়াইটা শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে তিন ভারতীয়র মধ্যে। এমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। আইসিসির চেয়ারম্যান পদের জন্য সম্মুখসমরে নামতে পারেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ। লড়াইয়ে সামিল হতে পারেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির পুত্র রোহন জেটলিও। ২ বছর পরপর আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। কোনও চেয়ারম্যান ৬ বছরের বেশি দায়িত্বে থাকতে পারেন না। ২০১৫ সালে শশাঙ্ক মনোহরের পর অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে ১৪৫ দিন দায়িত্ব সামলেছিলেন সিঙ্গাপুরের ইমরান খোয়াজা। ২০২০র ২৪ নভেম্বর চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহন করেন গ্রেগ বার্কলে। চলতি বছরের নভেম্বরেই তাঁর ২ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, বার্কলে আর এই পদে থাকতে রাজি নন। তিনি অকল্যান্ডের খ্যাতনামা আইনজীবী। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের অনেক সংস্থার বোর্ডে রয়েছেন। কয়েকটি সংস্থার ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। ব্যস্ততার কারণেই তিনি আর আইসিসির চেয়ারম্যান পদে থাকতে চাইছেন না। আইসিসির বার্ষিক সাধারন সভা জুলাই মাসে। তখনও নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বার্কলেই আইসিসি চেয়ারম্যান পদে থাকছেনই। চলতি সপ্তাহে আইসিসি বোর্ড মিটিং রয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান, তিনি দুবাইয়ে যাচ্ছেন। আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য সৌরভের দিকেই যে বেশিরভাগের সমর্থন থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু লড়াইয়ে ডার্ক হর্স বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। তিনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদেও রয়েছেন।২০২৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপ হবে ভারতে। এই সময় আইসিসিতে ভারতের কেউ চেয়ারম্যান পদে থাকলে ব্যাপারটা ভাল হবে। সেই কারণেই আইসিসির শীর্ষপদে যেতে আগ্রহী জয় শাহ। আইসিসির অন্য সদস্যদের সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলির সম্পর্ক ভাল। তাঁরা সৌরভকে চেয়ারম্যান চাইছেন। তবে সৌরভ ও জয় শাহ যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে লড়াই না করেন, তাহলে দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রোহন জেটলি আইসিসির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে পারেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিমানকে শোকজ করতে করতে চলেছে বোর্ড?

ঋদ্ধিমান সাহা কি শাস্তির কবলে পড়তে চলেছেন? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। দলের অন্দরের আলোচনা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করায় জেরার মুখে পড়তে পারেন ঋদ্ধিমান।বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন ঋদ্ধিমান। গ্রুপ বি-তে রয়েছেন তিনি। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তিনি এই মরসুমের জন্য ৩ কোটি টাকা পাবেন। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকার জন্য ক্রিকেটারদের একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। ৬.৩ ধরায় বলা হয়েছে, কোনও প্লেয়ার খেলা, অফিসিয়াল, ম্যাচের মধ্যে ঘটা কোনও ঘটনা, টেকনোলজির ব্যবহার, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও বিষয় বা খেলার সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়ে মিডিয়ার সামনে মুখ খুলতে পারবেন না। বোর্ডের এই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন ঋদ্ধিমান।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে বাদ পড়ার পর, দলে জায়গা না পাওয়া নিয়ে মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেছেন ঋদ্ধিমান। জাতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়, নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা এবং বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনার কথাও তিনি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এক সাংবাদিকের তাঁকে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেন ঋদ্ধিমান। যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি সামনে নিয়ে আসেননি। এই ব্যাপারে বোর্ড তদন্ত করার কথা জানিয়েছে। সাংবাদিকের হুমকির ব্যাপারে বোর্ড ঋদ্ধির পাশে দাঁড়ালেও দ্রাবিড়ের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কথোপকথন সামনে নিয়ে আসার জন্য এবং বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথপোকথন মিডিয়ার সামনে তুলে ধরার জন্য বোর্ড ঋদ্ধির ওপর ক্ষুব্ধ।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল বলেছেন, বিসিসিআই ঋদ্ধিকে জিজ্ঞাসা করতেই পারে একজন সেন্ট্রল কন্ট্র্যাক্টে থাকা ক্রিকেটার হয়ে তিনি কী ভাবে দল নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন। প্রেসিডেন্ট ওকে মোটিভেট করার চেষ্টা করেছিল। বোর্ডে জানতে চাইতে পারে তাঁকে কোনটা বাধ্য করল বিভিন্ন বিষয় সহ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কথপোকথন সমস্ত কিছু জন সমক্ষে তুলে ধরতে। ঋদ্ধিমানকে শো কজের ব্যাপারে ধুমল বলেছেন, কিছু দিনের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিমানের পাশে এবার ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন’

ঋদ্ধিমানের টুইট করা একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট-এ সোরগোল পড়ে গেছে ভারতীয় ক্রীড়া জগতে। শনিবার ভারতীয় ক্রিকেটারদের শ্রীলঙ্কার সফরের টেস্ট দল ঘোষণা হতেই দেখা যায় ঋদ্ধিমান সাহা দলে সুযোগ পাননি। ঠিক তাঁর কিছুক্ষণ পরেই সেই টুইট! ওই চ্যাটে দেখা যায় জনৈক ক্রীড়া সাংবাদিক ঋদ্ধির সাক্ষাৎকার নিতে চাইছিলেন। ঋদ্ধিমান তাতে পাত্তা না দেওয়াতেই তিনি রেগে গিয়ে হুমকি দিতে থাকেন। সাহার সেই পোস্টের পর সারাদেশ জুড়ে সমলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপতি দিয়ে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়াল ক্রিকেটারদের সংগঠন ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা তাঁদের বিজ্ঞপ্তিতে ঋদ্ধিমানকে অনুরোধ করা হয় যে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ তাঁর নাম যেন ঋদ্ধি তাঁর নাম প্রকাশ করুক। এবং ঋদ্ধিমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বিসিসিআই তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।ICA strongly condemns threat to #WriddhimanSaha!#BCCI #IndianCricketTeam pic.twitter.com/TbgUVPZlt6 Indian Cricketers Association (@IndCricketAssoc) February 22, 2022ঋদ্ধিমান অভিযোগ করেন তাঁকে এক প্রভাবশালী সাংবাদিক হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু একবারও সেই সাংবাদিকের নাম উচ্চারণ করেননি। তাঁর অভিযোগের পর থেকে উত্তাল ভারতীয় ক্রীড়া মহল। ক্রিকেটারদের সংগঠনের সভাপতি অশোক মলহোত্রা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের উন্নতির পিছনে সংবাদমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সেই ভুমিকার-ও একটা সীমারেখা আছে। সেটা অতিক্রান্ত করা সমুচিন নয়। আর ঋদ্ধিমান সাহা ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে তা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থাকে আহ্বান জানাই যাতে তাঁরা সেই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয় এবং নিশ্চিত করে যাতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। আমরা সব সময় ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেছি। ঋদ্ধিকে অনুরোধ করছি, তিনি সেই সাংবাদিকের নাম সবাইকে বলুন। তার পরে বিসিসিআই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক।ঋদ্ধিমানের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন আছে, এই ধরনের হুমকি ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন কখনওই বরদাস্ত করবে না। আমরা সকল সংবাদমাধ্যমকেও ঋদ্ধিমান সাহার সমর্থনে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। জানান ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব হীতেশ মজুমদার।After all of my contributions to Indian cricket..this is what I face from a so called Respected journalist! This is where the journalism has gone. pic.twitter.com/woVyq1sOZX Wriddhiman Saha (@Wriddhipops) February 19, 2022প্রভাবশালী ওই সাংবাদিককে ঋদ্ধিমান পাত্তা না দেওয়াতেই রেগে গিয়ে তিনি হুমকি দিতে থাকেন তাঁকে। ঋদ্ধিমান সেই হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার পরেই গোটা সারা দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠতে থাকে। একে পর একে প্রাক্তন ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, প্রাক্তন ক্রীড়া প্রশাসক ও বিশেষজ্ঞ তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান। ঋদ্ধির পাশে রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডও। এই সমস্যা সমাধানের দিকে কড়া নজর দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেটারদের সংগঠন ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন পাশে এসে দাঁড়ানোই এই বিতর্ক এক অন্য মাত্রা পেলো।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিকে হুমকি, অস্বস্তিতে সৌরভ গাঙ্গুলি, তদন্ত শুরু করতে চলেছে বোর্ড

ঋদ্ধিমান সাহাকে সাংবাদিকের হুমকি! তোলপাড় ভারতীয় ক্রিকেটমহল। বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার আগেই এই ব্যাপারে ঋদ্ধিমান সাহার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার সদ্য জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ঋদ্ধির পাশে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঋদ্ধিমানের কাছে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। কদিন আগে ঋদ্ধিমানের কাছে সাক্ষাৎকারের আব্দার জানিয়েছিলেন এক সাংবাদিক। ঋদ্ধি সাক্ষাৎকার দিতে রাজিও ছিলেন। নিজেই সাক্ষাৎকারের জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের তা পছন্দ হয়নি। তারপর ঋদ্ধিকে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি দেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক। কদিন আগে সেই হুমকির স্ক্রিনশট টুইটারে পোস্ট করতেই সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল হয়ে ওঠে। বীরেন্দ্র শেহবাগ, হরবজন সিং, রবি শাস্ত্রীর মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ঋদ্ধির পাশে দাঁড়ান। এবার আসরে নামল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঋদ্ধিমানের কাছে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। তারপরই তদন্ত শুরু করবে বোর্ড। বোর্ড যে বিষয়টি ভালভাবে নিচ্ছেন না, বিষয়টা পরিস্কার। ঋদ্ধিকে হুমকি দেওয়া সাংবাদিক নাকি বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির ঘনিষ্ঠ। ফলে বিষয়টা নিয়ে সৌরভও অস্বস্তিতে পড়তে পারেন। সৌরভ গাঙ্গুলি বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অনেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে ছড়ি ঘোড়ানোর চেষ্টা করেছেন। বোর্ডের অনেক কর্তাই বিষয়টা ভালভাবে নিচ্ছেন না। তাঁরা চান, বিষয়টার একটা বিহিত হওয়া দরকার। বোর্ড কর্তারা এতটাই ক্ষিপ্ত যে, যদি ঋদ্ধিকে হুমকি দেওয়ার খবর সত্য হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে। এমন ইঙ্গিতও মিলেছে বোর্ডের একটি সূত্র থেকে। বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, কোনও চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারকে হুমকি দেওয়া হলে বোর্ড কখনোই বিষয়টি হালকাভাবে নেবে না। বোর্ড অবশ্যই ক্রিকেটারের নিরাপত্তার দিকটা দেখবে। বিষয়টা নিয়ে এতটাই বিতর্ক দানা বেঁধেছে, বোর্ডেরও আসরে নামা ছাড়া উপায় ছিল না। ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও। ভারতীয় ক্রিকেটে এমন ঘটনা বারবার কেন ঘটছে সেই প্রশ্ন তুলে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াতে সৌরভ গাঙ্গুলিকে এগিয়ে আসার কথা বলেছেন প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দল নির্বাচনী বৈঠকে ছিলেন?‌ মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

কয়েকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারতীয় দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পরিস্কার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরণের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। এই ব্যাপারে কারও কাছে তিনি জবাবদিহি করার প্রয়োজন মনে করছেন না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দেখছি, আমি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে রয়েছি। যে ছবিটা ভাইরাল হয়েছে, ওটা ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকেরই নয়। ওই ছবিতে যুগ্মসচিব জয়েশ জর্জ রয়েছে। ওর তো দল নির্বাচনী বৈঠকে থাকারই কথা নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার আগে আমি দেশের হয়ে ৪২৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি। ফলে আমার কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, সেটা খুব ভালভাবে জানি। ইদানিং একটা কথা শোনা যাচ্ছে, বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বোর্ড সচিব জয় শাহর দূরত্ব বেড়েছে। এই গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, এইসব কারা রটাচ্ছে জানি না। জয় শাহ, অরুণ ধুমল, জয়েশ জর্জের সঙ্গে তো দারুণ কাজ করছি। আমাদের মধ্যে তো কোনও সমস্যা নেই। এসব রটনা। ভারতওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ যে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে, সেকথাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমেদাবাদে তিনটি একদিনের ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজেও দর্শকরা মাঠে ঢুকতে পারবেন না। সাধারণ দর্শকদের জন্য কোনও টিকিট বিক্রি করা হবে না। সিএবির কর্তারা ও সিএবি অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিরাই শুধু ইডেনে ঢুকতে পারবেন। এদিকে, ভারতশ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ যে পিছিয়ে যাচ্ছে, সেকথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, আগে টি২০ সিরিজ হবে। তারপর টেস্ট সিরিজ। তাই টেস্ট সিরিজ পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগেই টেস্ট দলের অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে বলে জানান সৌরভ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার বিতর্কে সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

বিরাট কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বিতর্কে জনিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। আবার নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে উত্তাল ক্রিকেটমহল। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির অবশ্য কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।কী এমন করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি যে তাঁকে নিয়ে আবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে? এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে তিনি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিনিধির টুইটে এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি কখনোই জাতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে থাকতে পারেন না। দল নির্বাচনের বৈঠকে আহ্বায়ক হিসেবে বোর্ড সচিব জয় শাহ থাকতে পারেন। কিন্তু বেশ কয়েকটা বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলি নাকি হাজির ছিলেন।You know what else is problematic apart from the obvious Ganguly- Shah duo? The presence of Rohit Sharma.The day a leader decides to share power is the day he loses the room. So many news saying that dressing room is a divided house.Two lions never ruled a jungle together! https://t.co/dYhornzxAN Cricketjeevi (@wildcardgyan) February 1, 2022একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেল একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্ন তুলেছে কোন নিয়মে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকেন। ওই অনুষ্ঠানে দাবি করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি সৌরভ। এমনকি কোনও বোর্ড কর্তাও এই ব্যাপারে মন্তব্য করেননি। তবে অনেক কর্তা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বিরাট কোহলি দাবি করেছিলেন, তিনি বোর্ড কর্তাদের জানিয়েই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। পরে বোর্ড কর্তারা জানান, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে তাঁরা কিছু জানতেন না। এরপর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এরপরই কোহলিপ্রেমীরা সৌরভের অপসারণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে ওঠেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘বড় চোর জেলে যাবেই’, বারুইপুরের সভা থেকে কাকে নিশানা করলেন শুভেন্দু?

বড় চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও নাম না করেই তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য, ধৈর্য ধরি। সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক নেতার গ্রেফতারির প্রসঙ্গেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় ইন্দ্রনীল সেন ও অজিত মাহাতোর নামও উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ দিনের সভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সিপিএম ও তৃণমূল এখন একসঙ্গে কাজ করছে। দুই পক্ষকে নিশানা করে তিনি বলেন, বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্যের লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, সাহস থাকলে আপনি লড়ুন। আবার হারাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ওঁরা কলকাতায় না থেকে দিল্লি যাচ্ছেন। আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আপনার আর কিছু হবে না।উল্লেখ্য, দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক এবং পরবর্তী কিছু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের একাংশের অবস্থানে মিল দেখা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে দিল্লিতে কেরলের সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই এম এ বেবির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চা খাওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, হেরেই পঞ্চত্বপ্রাপ্তি একটা দলের।এ দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে নিশানা করেন শুভেন্দু। ডিজে প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গোটা জেলায় গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছ। ২০১৪ সালের পর থেকে একটাও ভোট করতে দাওনি। ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন উনি। কিন্তু ৬ মাস কোথায়? সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। তারই জবাবে এ দিনের সভা থেকে নাম না করে পাল্টা আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু। তবে বড় চোর বলতে কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
দেশ

দীপাবলির আগে কলকাতা-দিল্লি বিমানের ভাড়া ৮০ হাজার! টিকিটের দাম দেখে মাথায় হাত যাত্রীদের

উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন? তা হলে বিমান টিকিট কাটার আগে এক বার ভাড়া দেখে নেওয়া জরুরি। দুর্গাপুজোয় যাঁরা ছুটি পাননি, তাঁদের অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু উৎসবের আগে বিমান ভাড়া যে ভাবে বাড়ছে, তাতে যাত্রীদের পকেটে বড়সড় টান পড়তে পারে। কলকাতা থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে প্রায় ৮০ হাজার টাকা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যে টিকিটের দাম ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মধ্যে থাকে, তার দাম এতটা বেড়ে যাওয়ায় অবাক যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, ৬ নভেম্বর কলকাতা-দিল্লি রুটে বিমানের টিকিটের দাম এক ধাক্কায় ১১ হাজার ৬৬৯ টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ হাজার ৬৯৮ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, এই রুটে টিকিটের দাম প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার জন্য যাঁরা শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে চাইছেন, তাঁদের অনেককেই এখন বেশি টাকা খরচ করার কথা ভাবতে হচ্ছে।শুধু কলকাতা-দিল্লি রুটেই নয়, দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটেও বিমান ভাড়া বেড়েছে। মুম্বই থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম ১১ হাজার ৫৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ হাজার ৫৭৭ টাকা হয়েছে। দিল্লি থেকে আহমেদাবাদ যাওয়ার ভাড়া ৬ হাজার ১২১ টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৪১৩ টাকা হয়েছে। দিল্লি-হায়দরাবাদ রুটে টিকিটের দাম ৮ হাজার ৯৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৮৯৫ টাকা হয়েছে। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের ভাড়া ১৫ হাজার ৯০১ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ হাজার ৫০৬ টাকা হয়েছে।উৎসবের সময়ে যাত্রীদের চাহিদা বাড়লে বিমান টিকিটের দামেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তবে বিভিন্ন বিমান সংস্থার দাবি, কোন ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটা হচ্ছে, কোন ধরনের আসন পাওয়া যাচ্ছে এবং কতগুলি আসন বাকি রয়েছে, তার উপরেও ভাড়ার পার্থক্য নির্ভর করে। তাই একই রুটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টিকিটের দাম আলাদা হতে পারে।দুর্গাপুজোয় বাড়ি ফিরতে না পারা অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে পরিবারের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিমান টিকিটের এত বেশি দাম তাঁদের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উৎসবের মরশুমে বিমানযাত্রার পরিকল্পনা থাকলে টিকিটের দাম বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইটে মিলিয়ে দেখে নেওয়াই ভাল।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

হ্রদ ভেঙে ভাসল ভুটান, তবু প্রাণহানি শূন্য! কীভাবে বিপর্যয় সামলাল পড়শি দেশ?

হ্রদ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল নেমে এসে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে রাস্তা, বাড়িঘর, গাছপালা এবং গবাদি পশু। তবু এখনও পর্যন্ত ভুটানে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর মেলেনি। এর পিছনে রয়েছে বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি এবং আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থা। নেপালের বিপর্যয়ের পর পাহাড়ি হ্রদগুলির বিপদ সম্পর্কে আরও সতর্ক হয়েছিল ভুটান। সেই প্রস্তুতিই এ বার কাজে এসেছে বলে মনে করছেন ভূ-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতি এখনও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর ভুটানের গাসা জেলার ওয়াকিলা পাহাড়ের নীচে থাকা সিনতাপু হ্রদ থেকে প্রায় ৭৪ লক্ষ ঘন মিটার জল নেমে আসে মো চু নদীতে। প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে পাথর, মাটি ও গাছপালা ভেসে যায়। গাসা ও পুনাখা এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। বেশ কিছু জায়গায় রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় উত্তর ভুটানের একাধিক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বহু গবাদি পশুও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ভুটান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। হ্রদের জলস্তরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে যাতে দ্রুত সতর্কবার্তা দেওয়া যায়, তার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ যন্ত্র বসানো হয়েছে। হ্রদের জল বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সঙ্কেত পাওয়ার পর সাইরেন বাজিয়ে নদীর ধারের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। জল নেমে আসার আগেই তাঁদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি বলে মনে করা হচ্ছে।ভুটানের এই বিপর্যয়ের খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের প্রশাসনকেও সতর্ক করা হয়। কারণ, ভুটানের মো চু নদী পুনাখায় ফো চু নদীর সঙ্গে মিশে পুনাৎসাংচু নদী তৈরি করেছে। এই নদী ভারতে ঢোকার পর সঙ্কোশ নামে পরিচিত। ফলে ভুটানে জল বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের নদী সংলগ্ন এলাকায়।বন্যার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। কুমারগ্রাম, বানারহাট ও ময়নাগুড়ি এলাকায় প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে শুরু করে। আলিপুরদুয়ার জেলার নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ১২ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। সঙ্কোশ ও জলঢাকা নদীর ধারের বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ওই দুই নদীর জলস্তর স্বাভাবিক থাকলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি বলে মনে করছে প্রশাসন।ভুটানে আরও একটি বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সিনতাপু হ্রদ থেকে নেমে আসা কাঠ, পাথর ও মাটি লুনানা এবং গাংচেন তাগ নদীর মিলনস্থলে তাকতসেমাথাং এলাকায় জমে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়ে থাকলে তা ভেঙে আচমকা জল নেমে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে হড়পা বানের আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী উপত্যকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।ভুটানের ১৭টি বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের মধ্যে সিনতাপু অন্যতম। ২০২৩ সালের মে ও জুন মাসে এই হ্রদ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। নেপালে হড়পা বানের বিপর্যয়ের পর থেকেই ভুটানের বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, হ্রদের জলস্তর নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে বিশেষ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ তথা ভূ-বিশেষজ্ঞ মধুসূদন কর্মকার জানিয়েছেন, বিপর্যয়ের ঝুঁকি কমাতে ভুটান বিভিন্ন পদ্ধতি পরীক্ষা করে দেখছে। লুনানার থোরথোরমি হ্রদে সাইফন পদ্ধতি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত ভাবে জলস্তর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে হ্রদের জল ধীরে ধীরে বের করে জলস্তর কমানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করতে পারে।তবে আগাম সতর্কবার্তা ও নজরদারি থাকলেও ভুটানের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়নি। রাস্তা, ঘরবাড়ি এবং গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। কৃত্রিম হ্রদে জমে থাকা জল নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাই আপাতত ভুটান ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিপর্যয়ের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি কতটা, তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্বাস্থ্যসাথীর ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ নেই! ২৫ হাজার কোটি টাকা খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ মিলছে না বলে দাবি উঠেছে। নতুন করে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে এই গরমিল ধরা পড়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্য সরকারের দাবি, স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই কাজের জন্য তথ্য যাচাই করতে গিয়েই পুরনো তালিকায় থাকা বহু নামের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নবান্ন সূত্রে খবর, বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করার সময় দেখা যাচ্ছে, অনেকের নামে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড থাকলেও তাঁদের অস্তিত্বের খোঁজ মিলছে না। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ এমন উপভোক্তার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজ্যের কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ খরচ হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা। সেই অঙ্ক ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে এই অর্থের পরিমাণ এবং উপভোক্তাদের তালিকায় গরমিলের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট দফতরকে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিমা যোজনার আওতায় আনার কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী, উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করে ধাপে ধাপে তাঁদের নাম আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।এই যাচাইয়ের সময়েই স্বাস্থ্যসাথীর পুরনো তালিকায় থাকা বহু নাম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। আধিকারিকদের বক্তব্য, যাঁদের নামে কার্ড রয়েছে, তাঁদের প্রকৃত পরিচয় এবং অস্তিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা দিতে গিয়ে সরকারি অর্থের কোনও অপচয় হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।শুধু স্বাস্থ্যসাথী নয়, আগের সরকারের আমলে চালু হওয়া অন্যান্য প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকাতেও একই ধরনের গরমিল থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। তবে সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তা তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ হলে প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! ইজরায়েলে ফের ক্ষমতায় ফিরবেন নেতানিয়াহু?

প্রায় দুদিন ধরে ভোটগণনার পর ইজরায়েলে নির্বাচনের ফলের ছবি স্পষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটাই দূরে তাঁর জোট। ফলে ইজরায়েলে পরবর্তী সরকার কারা গড়বে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ইজরায়েলের সংসদ কেনেসেটের মোট আসন ১২০। সরকার গড়তে প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। কিন্তু নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বিরোধী জোটের ঝুলিতে রয়েছে ৪৮টি আসন। অন্য দিকে, রাম এবং জয়েন্ট লিস্ট-সহ আরব দলগুলি পেয়েছে মোট ১৯টি আসন। ফলে কোনও জোটই একক ভাবে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল আগামী ৪ নভেম্বর ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজোগের হাতে তুলে দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির। তার পরে ১০ নভেম্বর নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন কে জোগাড় করতে পারবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই পরিস্থিতিতে ফের ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু করেছেন নেতানিয়াহু। ইহুদি ভোটারদের আবেগকে সামনে রেখে তিনি আরব দলগুলির সঙ্গে জোট না করার পক্ষে সওয়াল করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতা দখলের জন্য আরব দলগুলির সঙ্গে হাত মেলালে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। পাশাপাশি, সরকার গঠনের সমর্থন জোগাড় করতে বিভিন্ন ইহুদি দলের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছেন তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী শিবিরের কিছু দল নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালে তাঁর সরকার গড়ার পথ সহজ হতে পারে। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের শিবির থেকে কয়েকটি দল সরে এলে সংখ্যার অঙ্কে বদল আসতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা কতটা বাস্তব, তা এখনও পরিষ্কার নয়।অন্য দিকে, একসময় মনে করা হচ্ছিল, সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে আরব দলগুলি। এই দলগুলি ইজরায়েলে বসবাসকারী প্যালেস্তিনীয় জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু আইজেনকোট আরব দলগুলির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জোটের বাইরে থেকে তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।ফলে ইজরায়েলের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কারা সরকার গড়বে। নেতানিয়াহুর দল সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তাঁকে অন্য দলের সমর্থন জোগাড় করতে হবে। আগামী কয়েক দিনেই সেই রাজনৈতিক অঙ্ক অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির নামে ব্যাঙ্ক থেকে ২৯০ কোটি টাকা ঋণ! এ বার ইডির নজরে দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট

২৯০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে শুক্রবার সকালে কলকাতা ও উত্তরপাড়ার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। ঝাড়খণ্ডের একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া টাকা কলকাতায় পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে বিপুল অঙ্কের টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটে সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতে পৌঁছন ইডির আধিকারিকেরা। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্তর বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।সুদীপ্ত জানিয়েছেন, ইডি তদন্ত করছে। তবে এই দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই এসেছেন বলেও জানিয়েছেন সুদীপ্ত। তদন্তে তিনি সহযোগিতা করছেন বলে তাঁর বক্তব্য।অন্য দিকে, লেকটাউনের অভিজাত অবনী অক্সফোর্ড আবাসনের প্রথম পর্যায়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকেরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সেখানে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া প্রায় ২৯০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্তের সঙ্গে জড়িত বেসরকারি সংস্থাটির নাম কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড। অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডে ৬৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির কথা বলে ব্যাঙ্কের একাধিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল।তদন্তকারীদের সন্দেহ, প্রকল্প তৈরির জন্য নেওয়া ওই বিপুল অঙ্কের টাকা নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরানো হয়ে থাকতে পারে। এই আর্থিক লেনদেনে অশোক সারথির ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তের বিষয়।তল্লাশির সময় বিভিন্ন নথি, ব্যাঙ্কের লেনদেনের তথ্য এবং ডিজিটাল নথি খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকেরা। এই মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, এখন সে দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বন দফতরে সরকারি চাকরির টোপ, ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা!

বন দফতরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।ঘটনার সূত্রপাত বেশ কিছু দিন আগে। ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকার বাসিন্দা সজল দাস অজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বলে বন দফতরে স্থায়ী চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন অজিত।অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চার দফায় অজিতকে মোট ১০ লক্ষ টাকা দেন সজল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি পাননি তিনি। এর পর টাকা ফেরত চাইলেও তা পাননি বলে অভিযোগ।সজলের আরও দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আরও ২ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। একই ভাবে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরও কয়েক জন বেকার যুবকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে অজিতের নিজের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তবে অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশি তদন্তের পরেই এই ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal