• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BCCI

খেলার দুনিয়া

৩ অক্টোবর একই দিনে দুই দেশে ভারতের দুই ম্যাচ! ক্রিকেট ইতিহাসে কি প্রথম বার এমন কাণ্ড?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের সামনে ঠাসা সূচি। আর সেই সূচির জেরেই ৩ অক্টোবর তৈরি হতে পারে এক বিরল পরিস্থিতি। একই দিনে দুই আলাদা দেশে ভারতের দুটি ম্যাচ হতে পারে। একটি ওয়ানডে, অন্যটি টি-টোয়েন্টি। দুই ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কোনওটিতেই দ্বিতীয় সারির দল নামানোর সুযোগ থাকবে না।সূচি অনুযায়ী, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হওয়ার কথা। তার পর ২২ সেপ্টেম্বর জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রয়েছে। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকে এই সিরিজ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ৩ অক্টোবর হওয়ার কথা।অন্য দিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানে শুরু হবে এশিয়ান গেমস। ক্রিকেট হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ভারত এই প্রতিযোগিতার গত বারের চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এশিয়ান গেমস গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত এই প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী দল নিয়েই নামতে চাইবে।এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনাল হওয়ার কথা ১ অক্টোবর। ফাইনাল ৩ অক্টোবর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। ফলে অন্তত সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। সেমিফাইনালে জিতলে ৩ অক্টোবর ফাইনাল খেলতে হবে ভারতকে। আর সেমিফাইনালে হারলেও একই দিনে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ রয়েছে। অর্থাৎ এশিয়ান গেমসে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেই ৩ অক্টোবর আবার মাঠে নামতে হবে।এই জায়গাতেই তৈরি হচ্ছে সমস্যা। কারণ ৩ অক্টোবরই পঞ্জাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে হওয়ার কথা। অর্থাৎ একই দিনে ভারতের একটি দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে খেলতে পারে, অন্য একটি দল জাপানে এশিয়ান গেমসের ম্যাচ খেলতে পারে।ভারতের এশিয়ান গেমসের দল ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। সেই দলে একাধিক পরিচিত ক্রিকেটার রয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের দল এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ফলে একই দিনে দুই দেশে ম্যাচ হলে কোন ক্রিকেটার কোন দলে থাকবেন, তা নিয়েও তৈরি হবে বড় প্রশ্ন।এশিয়ান গেমসের দলে থাকা শ্রেয়স আইয়ার, জশপ্রীত বুমরাহ, হর্ষিত রানা এবং অক্ষর পটেলরা ওয়ানডে দলেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। স্বাভাবিক ভাবেই একই সময়ে দুই দেশে তাঁদের খেলানো সম্ভব নয়। ফলে নির্বাচকদের সামনে দল বাছাই নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ৩ অক্টোবর ভারতীয় ক্রিকেটে অত্যন্ত বিরল একটি দিন হয়ে উঠতে পারে। একই দিনে দুই আলাদা দেশে, দুই আলাদা ফরম্যাটে ভারতের দুই দল মাঠে নামতে পারে। ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা আগে ঘটেছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিদায় 'টুপি নম্বর ২৭৮', চোখের জলে ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন অজিঙ্ক রাহানে

ভারতীয় ক্রিকেটের এক নির্ভরযোগ্য নাম, সংকটের মুহূর্তে দলের ভরসা এবং নীরব অথচ দৃঢ় লড়াইয়ের প্রতীক অজিঙ্ক রাহানে আচমকাই ক্রিকেটজীবনের ইতি টানলেন। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি আবেগঘন ভিডিও প্রকাশ করে তিনি জানিয়ে দিলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আইপিএল-সহ ক্রিকেটের সব ধরনের প্রতিযোগিতা থেকেই অবসর নিচ্ছেন তিনি।ভিডিওটির শুরু থেকেই ছিল আবেগের ছোঁয়া। নিজের দীর্ঘ ক্রিকেট-যাত্রার কথা বলতে গিয়ে বারবার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে রাহানের। শেষ মুহূর্তে চোখের জল আর আটকে রাখতে পারেননি তিনি। ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, টুপি নম্বর ২৭৮ বিদায় জানাচ্ছে। এত বছর ধরে যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।সময়কে সম্মান জানিয়ে বিদায়ের সিদ্ধান্তনিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রাহানে বলেন, জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ের যেমন শুরু রয়েছে, তেমনই একসময় তার সমাপ্তিও আসে। একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি সবসময় সঠিক টাইমিংয়ের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর কথায়, সঠিক সময়কে সম্মান জানানোও জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। সেই কারণেই তিনি মনে করেছেন, এটাই ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর উপযুক্ত মুহূর্ত।তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ক্রিকেটের সব ধরনের ফরম্যাট থেকেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। অর্থাৎ, শুধু ভারতীয় দলের জার্সিই নয়, ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা আইপিএলের মঞ্চেও আর দেখা যাবে না তাঁকে।কেকেআরের অধিনায়ক হিসেবেও ইতিভিডিওতে তিনি কলকাতা নাইট রাইডার্সের নাম সরাসরি উল্লেখ না করলেও সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা কার্যত আইপিএলকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। ফলে কলকাতা নাইট রাইডার্সকেও আগামী মরসুমের আগে নতুন অধিনায়ক খুঁজতে হবে।গত দুই মরসুমে রাহানের নেতৃত্বে প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি কেকেআর। সেই প্রেক্ষাপটে অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতের অপেক্ষা না করে নিজেই মর্যাদার সঙ্গে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।ডম্বিভলির ছেলের স্বপ্নপূরণের গল্পঅবসরের ঘোষণায় নিজের শৈশব ও সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেন রাহানে। তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রের ডম্বিভলির এক সাধারণ পরিবারের ছেলে হিসেবে প্রতিদিন ভোরে অনুশীলনে যেতেন, মাঠে নেমে প্রতিটি সুযোগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করতেন। তাঁর একমাত্র স্বপ্ন ছিল ভারতের জার্সি গায়ে চাপানো।তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে সবসময় দলের স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। সততা, পরিশ্রম এবং সঠিক মানসিকতাই তাঁকে এতদূর নিয়ে এসেছে বলে মনে করেন রাহানে। তাঁর বিশ্বাস, খেলাকে সম্মান করলে খেলাও একদিন সেই সম্মানের প্রতিদান দেয়।ভারতীয় ক্রিকেটের পরিবর্তনের সাক্ষীদীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ভারতীয় ক্রিকেটের আমূল পরিবর্তন নিজের চোখে দেখেছেন রাহানে। অভিষেকের সময়ের ভারতীয় দল এবং বর্তমান সময়ের ভারতীয় ক্রিকেটের মধ্যে যে বিশাল পরিবর্তন এসেছে, তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকার অভিজ্ঞতার কথাও ভাগ করে নেন তিনি।তবে ক্রিকেটকে সম্পূর্ণ বিদায় জানাচ্ছেন না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর মতে, ক্রিকেট তাঁকে যে মূল্যবোধ শিখিয়েছে, তা আগামী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান। তাই ভবিষ্যতে কোচ, মেন্টর বা অন্য কোনও দায়িত্বে তাঁকে দেখা যেতে পারে বলেই জোরালো জল্পনা শুরু হয়েছে।হার-জিতের ঊর্ধ্বে ক্রিকেটের আনন্দরাহানের মতে, ক্রিকেট শুধুমাত্র জয়-পরাজয়ের খেলা নয়। মুম্বইয়ের মাঠ থেকে শুরু করে ভারতের ড্রেসিংরুমঅসংখ্য স্মৃতি, অসংখ্য জয়-পরাজয়ের সাক্ষী হলেও, সবচেয়ে বড় সম্পদ ছিল সতীর্থদের সঙ্গে খেলাটাকে উপভোগ করার আনন্দ।তিনি বলেন, সেই আনন্দই তাঁর কাছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতাবিদায়বার্তায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, আইপিএলের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি, স্ত্রী রাধিকা, পরিবার, বন্ধু এবং দীর্ঘদিনের সতীর্থদের ধন্যবাদ জানান রাহানে। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানান সমর্থকদের প্রতি, যারা তাঁর সাফল্যের মুহূর্তে যেমন পাশে ছিলেন, ব্যর্থতার সময়ও সমানভাবে সমর্থন করে গিয়েছেন।আবেগে ভেঙে পড়লেন রাহানেভিডিওর শেষ অংশে আর নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি তিনি। চোখে জল নিয়ে বলেন, অজিঙ্ক নামের অর্থ অপরাজিত হলেও ক্রিকেট তাঁকে শিখিয়েছে, জীবনে সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার সংখ্যাই বেশি হতে পারে। তিনি ভুল করেছেন, হেরেছেন, আবার সেই ভুল থেকেই শিক্ষা নিয়েছেন।তবে একটি জায়গায় তিনি কখনও হারেননি বলেই মনে করেনসমর্থকদের ভালোবাসা। তাঁদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পেরেছেন, এটাই তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় জয়। শেষবারের মতো তিনি বলেন, টুপি নম্বর ২৭৮ বিদায় জানাল।রাহানের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার এক নজরেঅজিঙ্ক রাহানে ভারতের হয়ে ৮৫টি টেস্ট, ৯০টি একদিনের আন্তর্জাতিক এবং ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর সংগ্রহ ৫,০৭৭ রান। একদিনের ক্রিকেটে করেছেন ২,৯৬২ রান এবং টি-টোয়েন্টিতে ৩৭৫ রান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট ১৫টি শতরান ও ৫১টি অর্ধশতরান।প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২০১টি ম্যাচে ১৪ হাজারেরও বেশি রান করেছেন তিনি। সেখানে রয়েছে ৪১টি শতরান এবং ৫৯টি অর্ধশতরান।অধিনায়ক রাহানের অনন্য নজিরভারতের হয়ে ছয়টি টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন রাহানে। আশ্চর্যের বিষয়, অধিনায়ক হিসেবে একটি ম্যাচেও হারেননি। তাঁর নেতৃত্বে ভারত চারটি টেস্ট জিতেছে এবং দুটি ড্র করেছে।এর মধ্যে সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায় নিঃসন্দেহে ২০২০-২১ মরসুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি জয়। একাধিক তারকা ক্রিকেটারের অনুপস্থিতি এবং অ্যাডিলেডে লজ্জাজনক হারের পরও ভাঙাচোরা দলকে নেতৃত্ব দিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় এনে দিয়েছিলেন রাহানে। সেই কীর্তি ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।আইপিএলে ও সমৃদ্ধ অধ্যায়আইপিএলে তিনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, রাইজিং পুণে সুপারজায়ান্ট, দিল্লি ক্যাপিটালস, চেন্নাই সুপার কিংস এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন। ২১২টি আইপিএল ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ৫,৩৬৭ রান। রয়েছে দুটি শতরান এবং ৩৫টি অর্ধশতরান।নীরব, সংযত এবং দায়িত্বশীল ক্রিকেটারের প্রতিচ্ছবি হিসেবে অজিঙ্ক রাহানে ভারতীয় ক্রিকেটে এক বিশেষ স্থান দখল করে থাকবেন। মাঠে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও, ক্রিকেটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যে নতুন ভূমিকায় আরও দীর্ঘ পথ চলবে, সেই ইঙ্গিত তিনি নিজেই দিয়ে গেলেন।

জুলাই ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যে ঝাঁপে শেষ হতে পারত জীবন, সেই জেমাইমাই আজ বিশ্বজয়ের স্তম্ভ

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৩৪ বলে অপরাজিত ১২৭ রানের অনবদ্য ইনিংস ক্রিকেট ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেই ইনিংসের জোরেই কার্যত একার হাতে সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে সেমিফাইনালে হারিয়েছিল ভারত। বিশ্বকাপ জয়ের সেই নায়ক জেমাইমা রডরিগেজ এবার শোনালেন জীবনের এক ভয়ংকর অজানা কাহিনি। জানালেন, ছোটবেলায় ক্যাচ ধরতে গিয়েই প্রায় মৃত্যুর মুখে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি।সম্প্রতি ইউটিউবের এক অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের সেই অভিজ্ঞতার কথা বলেন জেমাইমা। তিনি জানান, তখন তাঁর বয়স মাত্র আট বছর। গির্জার একটি অনুষ্ঠানে পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখানে বাইরে খেলতে খেলতে বাচ্চারা একে অপরের দিকে চপ্পল ছুড়ে দিচ্ছিল। সেই সময় তাঁর এক মামাতো বোন তাঁর দিকে একটি জুতো ছুড়ে মারেন। সেটি ধরতেই ঝাঁপ দেন জেমাইমা।কিন্তু সেই ঝাঁপই প্রায় প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছিল। ক্যাচ ধরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যান তিনি। সৌভাগ্যবশত নিচে একজন বসে ছিলেন। তাঁর মাথার উপর গিয়ে পড়ায় বড় বিপদ থেকে রক্ষা পান জেমাইমা। তবে মুহূর্তের জন্য তাঁর ভাইবোনদের মনে হয়েছিল, তিনি আর বেঁচে নেই।ভাগ্যের জোরে সেদিন কোনও গুরুতর আঘাত পাননি জেমাইমা। আজ সেই শিশুই বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে ভারতের হয়ে ইতিহাস গড়েছেন। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার তিনি। এর আগে ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নকআউট ম্যাচে ১৭১ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেছিলেন হরমনপ্রীত কৌর। এবার সেই তালিকায় নিজের নাম তুলে ধরলেন জেমাইমা রডরিগেজ। বিশ্বজয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসার গল্প শুনিয়ে আবেগপ্রবণ করলেন ক্রিকেটপ্রেমীদের।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজের দল ঘোষণা, চোটের কারণে নেই শুভমন—নেতৃত্বে ফিরলেন লোকেশ রাহুল

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অনুমান মতই চোটের জন্য অনুপস্থিত শুভমন গিল। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া সফরে সহ-অধিনায়ক হিসেবে থাকা শ্রেয়স আয়ারও চোট সারাতে ব্যস্ত। ফলে নতুন অধিনায়ক বেছে নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় নির্বাচক অজিত আগরকরদের। আর সেই দায়িত্ব ফিরে গেল অভিজ্ঞ ব্যাটার লোকেশ রাহুলের হাতে। প্রায় দুবছর পরে সাদা বলের ফরম্যাটে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে তাঁকে।২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেই শেষবার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাহুল। সেই অভিজ্ঞতাই এই সিরিজে তাঁকে আবারও অধিনায়ক হিসেবে এনে দিল। টেস্ট সিরিজে আশানুরূপ ফল না হওয়ার পর নির্বাচকরা নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষায় না গিয়ে অভিজ্ঞতার ওপরই ভরসা রাখলেন।হার্দিক পাণ্ড্য এখনও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরে আসার মতো ফিট নন, তাই তাঁকে বিবেচনায় আনা হয়নি। আর আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে বুমরাহ ও মহম্মদ সিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের ওপর বাড়তি চাপ এড়াতে এবং তরুণদের সুযোগ দিতে এই সিদ্ধান্ত বলে বোর্ড সূত্রে জানা যাচ্ছে। অভিজ্ঞ বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা এক দিনের দলে রয়েছেন, তবে জায়গা হয়নি পেসার মহম্মদ শামির।ভারতীয় দলের তরুণ ব্রিগেডে জায়গা পেয়েছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি, হর্ষিত রানা এবং ধ্রুব জুরেল। তাঁদের সঙ্গে থাকছেন অভিজ্ঞ জাডেজা, কুলদীপ, ওয়াশিংটন সুন্দররাযারা দলের ভারসাম্য বজায় রাখবে।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের এক দিনের সিরিজের দল🏏 রোহিত শর্মা🏏 যশস্বী জয়সওয়াল🏏 বিরাট কোহলি🏏 তিলক বর্মা🏏 লোকেশ রাহুল (অধিনায়ক)🏏 ঋষভ পন্থ🏏 ওয়াশিংটন সুন্দর🏏 রবীন্দ্র জাডেজা🏏 কুলদীপ যাদব🏏 নীতীশ কুমার রেড্ডি🏏 হর্ষিত রানা🏏 রুতুরাজ গায়কোয়াড়🏏 প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ🏏 অর্শদীপ সিংহ🏏 ধ্রুব জুরেল🚨 NEWS 🚨#TeamIndias squad for @IDFCFIRSTBank ODI series against South Africa announced.More details ▶️https://t.co/0ETGclxAdL#INDvSA pic.twitter.com/3cXnesNiQ5 BCCI (@BCCI) November 23, 2025এই দল নিয়ে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেমন ফল করে ভারতসেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

অভিমন্যুর অভিষেক আর কবে?

ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে করুণ নায়ার ০, ২০, ৩১, ২৬, ৪০, ১৪, ৫৭, ১৭ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে বি সাই সুদর্শন ০, ৩০, ৬১, ০, ৩৮, ১১।তবু একের পর এক সিরিজে বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হচ্ছে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে। ভারতীয় এ দলের অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে যাঁর দুটি অর্ধশতরান ছিল। তবু তিনের কথা ভেবে অভিষেক ঘটানো হলো সাই সুদর্শনের। যাঁর ৩১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে এখনও অবধি ২০৪৮ রান রয়েছে। সেখানে অভিমন্যু? ১০৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৭৮৪১ রান করেছেন। ২৭টি শতরান, ৩১টি অর্ধশতরান। ২০১৩ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক হলেও আন্তর্জাতিক অভিষেকের জন্য তাঁকে ওয়েট করানো হচ্ছে। সুদর্শন তিন ফরম্যাটেই দেশের হয়ে খেলে ফেলেছেন। অভিমন্যুর চেয়ে অনেক পিছিয়ে থেকেও। এর পিছনে কোন ক্রিকেটীয় যুক্তি?সুদর্শন আইপিএল খেলেন, অভিমন্যু সুযোগ পাননি। তবে টেস্ট দলে সুযোগের মাপকাঠি তো আইপিএল হতে পারে না। সাই অক্টোবরে ২৪ বছর পূর্ণ করবেন। সেপ্টেম্বরে ৩০ হবে অভিমন্যুর। করুণ ৩৪ পূর্ণ করার পথে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক রান করার পর ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে দ্বিশতরান হাঁকিয়ে টেস্ট দলে করুণ কামব্যাক নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনে হোক বা মিডল অর্ডারে করুণের অবস্থা বেশ করুণ। ফলে তাঁকে এবার বসানো যেতেই পারে।গৌতম গম্ভীরের পছন্দ, অপছন্দ বড় কথা নয়। প্রথম একাদশ নির্বাচনে যোগ্যতা, পারফরম্যান্স হোক মাপকাঠি। শুভমান গিলের গুজরাত টাইটান্সে খেলার সুবাদে সুদর্শন ব্যর্থ হয়েও খেলে যাবেন, আর অভিমন্যুকে জল বয়ে বেড়াতে হবে বা পরিবর্ত হিসেবে ফিল্ডিং করতে হবে এটা মানা যায় না। ২০২২ সালে রোহিত শর্মা চোট পাওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে অভিমন্যুর টেস্ট অভিষেকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। অথচ সেই সময় থেকে আজ অবধি ১৫ জনের টেস্ট অভিষেক হয়েছে। অভিমন্যুকে বসে বসে তা দেখতে হয়েছে।অংশুল কম্বোজকে ডাকা হলো। কিন্তু কেন ডাকা হলো না মুকেশ কুমারকে? ভারত এরপর দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলবে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা প্রতিপক্ষ। লোকেশ রাহুল আর যশস্বী জয়সওয়াল ওপেনার হিসেবে আপাতত জায়গা পাকা করে ফেলেছেন। কিন্তু তিনে ভরসাযোগ্য কাউকে এখনও পাওয়া যায়নি। এই আবহে অবিলম্বে সুযোগ দেওয়া হোক অভিমন্যুকে। পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হলে না হয় অন্য কাউকে সুযোগ দেবেন। কিন্তু অভিমন্যুকে এবার টেস্টের প্রথম এগারোয় না নেওয়া হলে তা হবে অন্যায়। না হলে কীসের রঞ্জি, ইরানি বা দলীপ, কিংবা ভারতীয় এ দলের হয়ে খেলা! যে যেভাবে পারেন অভিমন্যুর জন্য জোরালো দাবি উঠুক।

আগস্ট ০৩, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

নভেম্বরে ইডেনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি ভারত! নেপথ্যে সিএবি সভাপতি

ইডেনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ভারত খেলবে নভেম্বরে। ১৪ তারিখ থেকে প্রথম টেস্ট। জানেন কি এটা সম্ভব হলো কীভাবে? জানুন ভিতরের তথ্য। ইডেন প্রথমে পেয়েছিল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট। যেটি হওয়ার কথা ছিল অক্টোবরে। এর মধ্যেই জানা যায় পরিবেশগত কারণে দিল্লি থেকে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট সরতে পারে। এরপরেই তৎপরতা দেখান সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। ঘুরতে থাকে খেলা। ভারতের প্রতিপক্ষ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা যে অনেক বেশি শক্তিশালী, অনেক বেশি উপভোগ্য ম্যাচ হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়াদের সঙ্গে ক্রমাগত কথা চালিয়ে যেতে থাকেন স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। অবশেষে সূচির অদলবদল। ইডেন পেল ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট। তেম্বা বাভুমার নেতৃত্বে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা প্রোটিয়ারা চলতি মাসেই টেস্ট সিরিজ খেলতে যাবে জিম্বাবোয়েতে। এরপর টানা সাদা বলের সিরিজ খেলে লাল বলের ম্যাচে নামবে ইডেনে। দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাসন কাটিয়ে ফেরার সঙ্গে যেমন জড়িয়ে ইডেন, তেমনভাবেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথম ভারত সফরে এসে প্রথম ম্যাচটাই খেলবে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। যা নিশ্চিত হলো সিএবি সভাপতির দূরদর্শিতায়। উৎসবের আবহে ইডেনে হবে ক্রিকেটের মহোৎসব।মনোজিৎ মৌলিক

জুন ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ভারতের টেস্ট দলে কেকেআরের কেউ স্থান না পেলেও বাংলা থেকে দু'জন ইংল্যান্ড যাচ্ছেন

ইংল্যান্ড সফরের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) ১৮ সদস্যের টেস্ট দল ঘোষণা করেছে। সেই টেস্ট দলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কোনও ক্রিকেটার দলে না থাকলেও বাংলা রঞ্জি দলের দুই ক্রিকেটার ইংল্যান্ড গামী ভারতীয় দলে স্থান পেয়েছেন। এই দলটি ২০২৫-২৭ আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ অংশ হিসেবে পাঁচ পাঁচ দিনের ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে, যা এই বছর জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিভিন্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।ভারতীয় টেস্ট দলের তালিকা:১) শুভমান গিল (অধিনায়ক)২) ঋষভ পন্ত (সহ-অধিনায়ক ও উইকেটকিপার)৩) যশস্বী জয়সওয়াল৪) কেএল রাহুল৫) সাই সুদর্শন৬) করুণ নাইর৭) অভিমন্যু ঈশ্বরন৮) নিতীশ কুমার রেড্ডি৯) ধ্রুব জুরেল (উইকেটকিপার)১০) রবীন্দ্র জাদেজা১১) কুলদীপ যাদব১২) ওয়াশিংটন সুন্দর১৩) জসপ্রিত বুমরাহ১৪) মোহাম্মদ সিরাজ১৫) আকাশ দীপ১৬) প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ১৭) আর্শদীপ সিং১৮) শার্দুল ঠাকুরকিছুদিন আগেই দুই মহাতারকার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষনার ফলে এই দলে উল্লেখযোগ্যভাবে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি অনুপস্থিত। রোহিত অবসর নেওয়াই ভারতীয় স্লের প্রারম্ভিক ব্যাটার শুভমান গিলকে অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন টিম অজিত আগারকার। এটি একটি নতুন যুগের সূচনা বলে ক্রীড়া মহলের আশা, গিলের এই দলে তরুণ প্রতিভাদের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। আইপিএল-এ অসাধরণ প্রদর্শন করার পর সাই সুদর্শন প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন। যা নির্বাচকদের তরুণ প্রতিভা বিকাশের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে। অন্যদিকে, শ্রেয়াস আইয়ারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ফর্ম বা ফিটনেস সংক্রান্ত বিবেচনারও ইঙ্গিত দেয়।ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দলে বাংলা থেকে দুই ক্রিকেটারের স্থান হয়েছে, ব্যাটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও ফাস্ট বোলার আকাশ দীপ। ইংল্যান্ড সিরিজ়ের ভারতীয় টেস্ট দলে যে ১৮ জন সুযোগ পেয়েছেন, তার মধ্যে ১৭ জনই আইপিএল খেলেন । একমাত্র ক্রিকেটার বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরণ যে আইপিএলের কোনও দলে খেলেন না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত মোট পাঁচটি টেস্ট ম্যাচ খেলবে, যা হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্র্যাফোর্ড (ম্যানচেস্টার) এবং দ্য ওভাল (লন্ডন) মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

মে ২৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

রোহিতের পর বিরাটেরও টেস্ট থেকে অবসর? ঠেকাতে তৎপর বিসিসিআই

ইংল্যান্ড সফরের জন্য ভারতের দল ঘোষণা হতে পারে ২৩ মে। সেদিন নতুন টেস্ট অধিনায়কের সঙ্গে পরিচয় করাতে সাংবাদিক বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনাও আছে বিসিসিআইয়ের। শুভমান গিল দায়িত্ব পেতে পারেন। অধিনায়ক করা হতে পারে জসপ্রীত বুমরাকেও। কিন্তু তার আগে বড় চিন্তা বিরাট কোহলিকে নিয়ে।রোহিত শর্মার পথে হেঁটে টেস্ট থেকে অবসর নিতে চান। বিরাট কোহলি এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন বিসিসিআইকে। আর তাতেই শোরগোল। রোহিত, বিরাট না থাকলে ইংল্যান্ডে ভরাডুবি হতে পারে ভারতীয় দলের। যে সিরিজ দিয়ে আবার শুরু হচ্ছে ভারতের পরবর্তী আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযান।সূত্রের খবর, বিসিসিআইয়ের প্রভাবশালী এক শীর্ষকর্তা বিরাটের কাছে তাঁর এমন সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাইবেন। চেষ্টা করবেন মত বদলানোর। টেস্ট দল নির্বাচনের আগেই সেই বৈঠকের সম্ভাবনা। উল্লেখ্য, রোহিতের সঙ্গে বিরাট বিসিসিআইয়ের বার্ষিক কেন্দ্রীয় চুক্তিতে এ প্লাস ক্যাটাগরিতে রয়েছেন।দুজনেই টি২০ আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেন গত বছর টি২০ বিশ্বকাপের পর। বিরাট অনড় থাকলে দুজনেই স্রেফ ওডিআই খেলবেন দেশের হয়ে। কতদিন? সেটাই বড় প্রশ্ন।কোহলি টেস্ট থেকে অবসর নিলে অক্ষত থাকবে সচিন তেন্ডুলকরের ১০০টি আন্তর্জাতিক শতরানের রেকর্ড।বিরাট ১৪ বছরে ১২৩টি টেস্ট খেলেছেন। অধিনায়ক হিসেবে ৬৮টি।টেস্টে বিরাট ৯২৩০ রান করেছেন। গড় ৪৬.৮৫। পারথ টেস্টে গত নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১০০ করেছিলেন। তবে তারপর ছন্দে ছিলেন না। ওই সফরের বাকি টেস্টগুলিতে তাঁর রান ছিল যথাক্রমে ৭, ১১, ৩, ৩৬, ৫, ১৭, ৬। ২০১৪ থেকে ২০২৩ অবধি বিরাট ইংল্যান্ডে ১৭টি টেস্টে ৩৩ ইনিংসে ১০৯৬ রান করেছেন। ২টি শতরান ও ৫টি অর্ধশতরান রয়েছে।

মে ১০, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

শ্মশানের স্তব্ধতা সাজঘরে! তবুও অন্যথা হল না 'সেরা ফিল্ডার' পুরষ্কার দেওয়ার নিয়মের, কে সেই সেরা ফিল্ডার?

সাজঘরে তখন শ্মশানের স্তব্ধতা! একটা পিন পড়লেও যেন তার শব্দ পাওয়া যাবে। শুরু হল এই বিশ্বকাপে চালু হওয়া ভারতীয় বোর্ড-এর সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। একেবারেই অনাড়ম্বর এক ঘরোয়া অনুষ্ঠান। দলের খেলোয়াড়, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ ব্যতীত কারোর প্রবেশ নিষেধ। দলে মধ্যে সংহতি বাড়ানো ও ফিল্ডিং মানের উত্তরণ ঘাটানোর জন্যই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই প্রথা চালু করেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের বেদনায়ক পরাজয়ের পর দলের সদস্যদের বেশীরভাগ অংশেরই ধারনা ছিলো, হয়তবা এই পরিস্থিতিতে সেই সেলিব্রেশন বাতিল হবে। কিন্তু না! গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটুও ব্যতিক্রম রবিবার হল না।গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটু ব্যতিক্রম হল রবিবার। বিশ্বকাপে টানা ১০টি ম্যাচ জিতে আসা একমাত্র দল ভারত ফাইনাল ম্যাচে পরাজিত হয়েছে! ম্যাচের পর সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়ার পুরস্কার এ বারের বিশ্বকাপেই প্রথম চালু হয়েছে। এই বিশ্বকাপের প্রত্যেকটি ম্যাচ ভারত জিতেছে। কিন্তু ফাইনালের মতো বেদনাদায়ক ম্যাচের শেষে সেই পদক নেওয়ার মানসিকতা কি কারও থাকে?From our first medal ceremony to the last - thank you to all the fans whove given us a lot of love for it 💙Yesterday, we kept our spirits high in the dressing room and presented the best fielder award for one final time.Watch 🎥🔽 - By @28anand#TeamIndia | #CWC23 BCCI (@BCCI) November 20, 2023খেলোয়াড়েরা পরাজয়ের ধাক্কায় বিমর্ষ থাকলেও বোর্ড প্রথামতোই সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান বাতিল করলো না, দেওয়া হল সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) লিখেছে, বিশ্বকাপের প্রথম খেলা থেকে শেষ পদক দেওয়া পর্যন্ত যে ভাবে ভারতীয় দলের সমর্থকেরা আমাদের পাশে থেকেছেন তার জন্য ধন্যবাদ। ফাইনালে পরাজয়ের পরেও আমরা চেষ্টা করেছি ঠিক থাকতে। এই বিশ্বকাপে শেষ বারের মতো সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়া হল।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছে তাতে প্রথমে চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ১০টি ম্যাচের সেরা ফিল্ডার পুরস্কার ঘোষণা এবং সেখানে যে অভিনবত্ব দেখানো হয়েছে, তার একটি কোলাজ দেখানো হয়। এরপর ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ পুরষ্কার প্রপকের নাম ঘোষণা করতে গিয়ে বলেন, আমরা জানি আজ আমরা হেরে গিয়েছি। আমরা যা চেয়েছিলাম তা এদিন হয়নি। কিন্তু আমাদের কোচ রাহুল ভাই বলেছেন, আমাদের প্রত্যকের নিজেকে নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। আমার পক্ষ থেকে দলের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই যে ভাবে মাঠে নেমে নিজের নিজের সেরাটা উজার করে দিয়েছো তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজকের পুরস্কার এমন একজন পাবে যে মাঠে নামলেই নতুন একটা ঘরানা তৈরি করে। মাঠে নামলে জাদু দেখায়। নিজের কাজটাই ভাল ভাবে শুধু করে না। বাকিদেরও অনুপ্রাণিত করে। সে আর কেউ নয়, বিরাট কোহলি।এই ঘোষণায় বিরাট কোহলি নিজেও খানিকটা চমকে যান। হয়ত তিনি তাঁর নাম ঘোষণা হবে এটা আসা করেনি নতুবা মাঠের চরম পরিণতি কুরেকুরে খাচ্ছিল। ঘোষণার সাথে সাথে সমস্ত গ্লানি ভুলে হাসিমুখেই ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের হাত থেকে পদক নেন। বিরাট কে ফাইনালের সেরা ফিল্ডারের পদক গলায় পরিয়ে দেন আগের ম্যাচের সেরা ফিল্ডারের পদক জয়ী রবীন্দ্র জাদেজা।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

‌সরে যাচ্ছেন?‌ পদত্যাগের জল্পনার রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? তাঁর পোস্ট করা একটা টুইট থেকে ছড়িয়ে পড়ে জল্পনা। মুহূর্তেই মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর সেই পোস্ট। আলোড়ন ফেলে গোটা দেশে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সন্ধেয় জল্পনার ইতি টানেন সৌরভ নিজেই। পরিস্কার জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে তিনি একটা শিক্ষামূলক অ্যাপ বাজারে নিয়ে আসছেন, তার জন্যই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন সৌরভ গাঙ্গুলি লেখেন, ১৯৯২ সালে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর ৩০ বছর ক্রিকেটে কাটিয়েছি। ক্রিকেট আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমাকে সবাই সাপোর্ট করেছে। আমার এই পথ চলার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এবার আমি এমন একটা পরিকল্পনা করছি, যাদে অনেক মানুষের উপকার হবে। আশা করছি আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবাই পাশে দাঁড়াবেন।সৌরভের এই টুইট দেখে সবাই ভাবতে শুরু করেন, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে চলেছেন। সৌরভকে ফোনে ধরতে না পেরে অনেকেই ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহর শরণাপন্ন হন। বোর্ড সচিব জয় শাহ সংবাদ সংস্থাকে জানান, সৌরভ গাঙ্গুলি বিসিসিআইয়ের পদ ছা়ড়েননি। তেমন কোনও পরিকল্পনার কথাও তাঁর জানা নেই। সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই এখন আইপিএলের মিডিয়া ও সম্প্রচার স্বত্ত্বাধিকারী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সেখানে সৌরভ সরে যাবেন এমনটা বোর্ডের কেউ বিশ্বাসই করতে পারেননি। তবে বোর্ডের আধিকারিকদের মধ্যেও টেলিফোনে যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কেন না, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সৌরভদের মেয়াদ শেষের কারণে বোর্ড থেকে সরতে হলে অন্য কথা। নাহলে সৌরভ-জয় শাহরাই এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটকে।pic.twitter.com/JrHOVvH3Vi Sourav Ganguly (@SGanguly99) June 1, 2022সন্ধেয় সব জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই। এমন একটি সাধারণ পোস্ট কীভাবে ভাইরাল হল তাতে আমি নিজেও অবাক। শীঘ্রই একটি এডুকেশনাল বা শিক্ষামূলক অ্যাপ বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এটা আমার নিজস্ব ভেঞ্চার। খুব শীঘ্রি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে। এই টুইটের সঙ্গে স্কুল তৈরির কোনও যোগ নেই।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়িয়ে বোরিয়াকে কড়া শাস্তি ভারতীয় বোর্ডের

সাংবাদিক বোরিয়া মজুমদার ও ঋদ্ধিমান সাহার মধ্যে বিতর্কে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়াল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জাতীয় দলের উইকেটকিপারকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দেওয়ার জন্য বোরিয়া মজুমদারকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাঁকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় বোর্ডের অনুমোদিত কোনও প্রতিযোগিতায় তিনি ২ বছর প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি কোনও ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকারও নিতে পারবেন না। এই বছেরের ১৯ ফেব্রুয়ারি টুইট করে ঋদ্ধিমান সাহা জানান, এক সাংবাদিক তাঁকে সাক্ষাৎকার না দেওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি প্রকাশ করেননি। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, এতদিন জাতীয় দলে খেলার পর এই প্রতিদান পেলাম। সাক্ষাৎকার না দেওয়ার জন্য আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন সম্মানীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে এই রকম ব্যবহার পাচ্ছি। এই পর্যায়ে এখন সাংবাদিকতা এসে দাঁড়িয়েছে। টুইটের সঙ্গে তিনি ওই সাংবাদিকের হোয়টস্যাপ চ্যাটের স্ক্রিন শট দেন ঋদ্ধিমান। যদিও তিনি সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়এ আসেননি। এরপর দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ঋদ্ধিকে সমর্থন করে তাঁর পাশে দাঁড়ান। বীরেন্দ্র শেহবাগ থেকে শুরু করে হরভজন সিং, ইরফান পাঠানরা ঋদ্ধির কাছে অনুরোধ করেন তাঁকে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে। শত অনুরোধ সত্ত্বেও ঋদ্ধি সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেননি। এরপর আসরে নামে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ড কর্তারা ঋদ্ধিমানকে ডেকে পাঠিয়ে পুরো বিষয়টি জেনে তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই তদন্ত কমিটিতে ছিলেন বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্ল, কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমাল এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্য প্রভতেজ সিং। তদন্ত কমিটির সামনে হাজিরা দিয়ে ঋদ্ধি তাঁকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টা তথ্যপ্রমাণসহ জানান। এই কমিটি ঋদ্ধিমানের দেওয়া সমস্ত তথ্য যাচাই করে এবং বোরিয়া মজুমদারকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করে।বোর্ডের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, বোর্ডের তদন্ত কমিটি ঋদ্ধিমান সাহা ও বোরিয়া মজুমদারের সঙ্গে কথা বলেছে। দুজনের তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে বোরিয়া মজুমদারকে দোষী সাব্যাস্ত করা হয়েছে। বোরিয়া মজুমদার ২ বছর ভারতের কোনও স্টোডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে না। বোর্ডের নথিভূক্ত কোনও ক্রিকেটারের সাক্ষাৎকার নিতে পারবে না। বোর্ড অনুমোদিত সংস্থায় ২ বছর প্রবেশ করতে পারবে না।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইসিসি–র চেয়ারম্যান পদে সৌরভ গাঙ্গুলি–জয় শাহ লড়াই?

এই বছরের নভেম্বরে নভেম্বরে মেয়াদ শেষ হচ্ছে আইসিসির চেয়ারম্যার গ্রেগ বার্কলের। তাঁর পরিবর্তে নতুন চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। লড়াইটা শেষ পর্যন্ত দাঁড়াতে পারে তিন ভারতীয়র মধ্যে। এমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। আইসিসির চেয়ারম্যান পদের জন্য সম্মুখসমরে নামতে পারেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ও সচিব জয় শাহ। লড়াইয়ে সামিল হতে পারেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির পুত্র রোহন জেটলিও। ২ বছর পরপর আইসিসির চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। কোনও চেয়ারম্যান ৬ বছরের বেশি দায়িত্বে থাকতে পারেন না। ২০১৫ সালে শশাঙ্ক মনোহরের পর অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে ১৪৫ দিন দায়িত্ব সামলেছিলেন সিঙ্গাপুরের ইমরান খোয়াজা। ২০২০র ২৪ নভেম্বর চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহন করেন গ্রেগ বার্কলে। চলতি বছরের নভেম্বরেই তাঁর ২ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, বার্কলে আর এই পদে থাকতে রাজি নন। তিনি অকল্যান্ডের খ্যাতনামা আইনজীবী। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের অনেক সংস্থার বোর্ডে রয়েছেন। কয়েকটি সংস্থার ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। ব্যস্ততার কারণেই তিনি আর আইসিসির চেয়ারম্যান পদে থাকতে চাইছেন না। আইসিসির বার্ষিক সাধারন সভা জুলাই মাসে। তখনও নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বার্কলেই আইসিসি চেয়ারম্যান পদে থাকছেনই। চলতি সপ্তাহে আইসিসি বোর্ড মিটিং রয়েছে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পুরুষদের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান, তিনি দুবাইয়ে যাচ্ছেন। আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য সৌরভের দিকেই যে বেশিরভাগের সমর্থন থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু লড়াইয়ে ডার্ক হর্স বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। তিনি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদেও রয়েছেন।২০২৩ সালে একদিনের বিশ্বকাপ হবে ভারতে। এই সময় আইসিসিতে ভারতের কেউ চেয়ারম্যান পদে থাকলে ব্যাপারটা ভাল হবে। সেই কারণেই আইসিসির শীর্ষপদে যেতে আগ্রহী জয় শাহ। আইসিসির অন্য সদস্যদের সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলির সম্পর্ক ভাল। তাঁরা সৌরভকে চেয়ারম্যান চাইছেন। তবে সৌরভ ও জয় শাহ যদি আইসিসির চেয়ারম্যান পদে লড়াই না করেন, তাহলে দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রোহন জেটলি আইসিসির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হতে পারেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিমানকে শোকজ করতে করতে চলেছে বোর্ড?

ঋদ্ধিমান সাহা কি শাস্তির কবলে পড়তে চলেছেন? তেমনই সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। দলের অন্দরের আলোচনা এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করায় জেরার মুখে পড়তে পারেন ঋদ্ধিমান।বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন ঋদ্ধিমান। গ্রুপ বি-তে রয়েছেন তিনি। বোর্ডের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে তিনি এই মরসুমের জন্য ৩ কোটি টাকা পাবেন। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকার জন্য ক্রিকেটারদের একাধিক নিয়ম মেনে চলতে হয়। ৬.৩ ধরায় বলা হয়েছে, কোনও প্লেয়ার খেলা, অফিসিয়াল, ম্যাচের মধ্যে ঘটা কোনও ঘটনা, টেকনোলজির ব্যবহার, নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও বিষয় বা খেলার সঙ্গে জড়িত কোনও বিষয়ে মিডিয়ার সামনে মুখ খুলতে পারবেন না। বোর্ডের এই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন ঋদ্ধিমান।শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে বাদ পড়ার পর, দলে জায়গা না পাওয়া নিয়ে মিডিয়ায় বিভিন্ন রকম মন্তব্য করেছেন ঋদ্ধিমান। জাতীয় দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়, নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা এবং বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে ব্যক্তিগত আলোচনার কথাও তিনি মিডিয়ার সামনে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি এক সাংবাদিকের তাঁকে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়ে একটি টুইটও করেন ঋদ্ধিমান। যদিও সেই সাংবাদিকের নাম তিনি সামনে নিয়ে আসেননি। এই ব্যাপারে বোর্ড তদন্ত করার কথা জানিয়েছে। সাংবাদিকের হুমকির ব্যাপারে বোর্ড ঋদ্ধির পাশে দাঁড়ালেও দ্রাবিড়ের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত কথোপকথন সামনে নিয়ে আসার জন্য এবং বোর্ড প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথপোকথন মিডিয়ার সামনে তুলে ধরার জন্য বোর্ড ঋদ্ধির ওপর ক্ষুব্ধ।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল বলেছেন, বিসিসিআই ঋদ্ধিকে জিজ্ঞাসা করতেই পারে একজন সেন্ট্রল কন্ট্র্যাক্টে থাকা ক্রিকেটার হয়ে তিনি কী ভাবে দল নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন। প্রেসিডেন্ট ওকে মোটিভেট করার চেষ্টা করেছিল। বোর্ডে জানতে চাইতে পারে তাঁকে কোনটা বাধ্য করল বিভিন্ন বিষয় সহ রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কথপোকথন সমস্ত কিছু জন সমক্ষে তুলে ধরতে। ঋদ্ধিমানকে শো কজের ব্যাপারে ধুমল বলেছেন, কিছু দিনের মধ্যে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিমানের পাশে এবার ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন’

ঋদ্ধিমানের টুইট করা একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট-এ সোরগোল পড়ে গেছে ভারতীয় ক্রীড়া জগতে। শনিবার ভারতীয় ক্রিকেটারদের শ্রীলঙ্কার সফরের টেস্ট দল ঘোষণা হতেই দেখা যায় ঋদ্ধিমান সাহা দলে সুযোগ পাননি। ঠিক তাঁর কিছুক্ষণ পরেই সেই টুইট! ওই চ্যাটে দেখা যায় জনৈক ক্রীড়া সাংবাদিক ঋদ্ধির সাক্ষাৎকার নিতে চাইছিলেন। ঋদ্ধিমান তাতে পাত্তা না দেওয়াতেই তিনি রেগে গিয়ে হুমকি দিতে থাকেন। সাহার সেই পোস্টের পর সারাদেশ জুড়ে সমলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপতি দিয়ে ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়াল ক্রিকেটারদের সংগঠন ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা তাঁদের বিজ্ঞপ্তিতে ঋদ্ধিমানকে অনুরোধ করা হয় যে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ তাঁর নাম যেন ঋদ্ধি তাঁর নাম প্রকাশ করুক। এবং ঋদ্ধিমানের অভিযোগের ভিত্তিতে বিসিসিআই তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক।ICA strongly condemns threat to #WriddhimanSaha!#BCCI #IndianCricketTeam pic.twitter.com/TbgUVPZlt6 Indian Cricketers Association (@IndCricketAssoc) February 22, 2022ঋদ্ধিমান অভিযোগ করেন তাঁকে এক প্রভাবশালী সাংবাদিক হুমকি দিয়েছেন। কিন্তু একবারও সেই সাংবাদিকের নাম উচ্চারণ করেননি। তাঁর অভিযোগের পর থেকে উত্তাল ভারতীয় ক্রীড়া মহল। ক্রিকেটারদের সংগঠনের সভাপতি অশোক মলহোত্রা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের উন্নতির পিছনে সংবাদমাধ্যমের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সেই ভুমিকার-ও একটা সীমারেখা আছে। সেটা অতিক্রান্ত করা সমুচিন নয়। আর ঋদ্ধিমান সাহা ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে তা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থাকে আহ্বান জানাই যাতে তাঁরা সেই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয় এবং নিশ্চিত করে যাতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। আমরা সব সময় ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেছি। ঋদ্ধিকে অনুরোধ করছি, তিনি সেই সাংবাদিকের নাম সবাইকে বলুন। তার পরে বিসিসিআই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক।ঋদ্ধিমানের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন আছে, এই ধরনের হুমকি ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন কখনওই বরদাস্ত করবে না। আমরা সকল সংবাদমাধ্যমকেও ঋদ্ধিমান সাহার সমর্থনে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক। জানান ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব হীতেশ মজুমদার।After all of my contributions to Indian cricket..this is what I face from a so called Respected journalist! This is where the journalism has gone. pic.twitter.com/woVyq1sOZX Wriddhiman Saha (@Wriddhipops) February 19, 2022প্রভাবশালী ওই সাংবাদিককে ঋদ্ধিমান পাত্তা না দেওয়াতেই রেগে গিয়ে তিনি হুমকি দিতে থাকেন তাঁকে। ঋদ্ধিমান সেই হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করার পরেই গোটা সারা দেশ জুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠতে থাকে। একে পর একে প্রাক্তন ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, প্রাক্তন ক্রীড়া প্রশাসক ও বিশেষজ্ঞ তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান। ঋদ্ধির পাশে রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডও। এই সমস্যা সমাধানের দিকে কড়া নজর দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেটারদের সংগঠন ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন পাশে এসে দাঁড়ানোই এই বিতর্ক এক অন্য মাত্রা পেলো।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঋদ্ধিকে হুমকি, অস্বস্তিতে সৌরভ গাঙ্গুলি, তদন্ত শুরু করতে চলেছে বোর্ড

ঋদ্ধিমান সাহাকে সাংবাদিকের হুমকি! তোলপাড় ভারতীয় ক্রিকেটমহল। বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটার আগেই এই ব্যাপারে ঋদ্ধিমান সাহার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার সদ্য জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া ঋদ্ধির পাশে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ডের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঋদ্ধিমানের কাছে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। কদিন আগে ঋদ্ধিমানের কাছে সাক্ষাৎকারের আব্দার জানিয়েছিলেন এক সাংবাদিক। ঋদ্ধি সাক্ষাৎকার দিতে রাজিও ছিলেন। নিজেই সাক্ষাৎকারের জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের তা পছন্দ হয়নি। তারপর ঋদ্ধিকে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি দেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক। কদিন আগে সেই হুমকির স্ক্রিনশট টুইটারে পোস্ট করতেই সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল হয়ে ওঠে। বীরেন্দ্র শেহবাগ, হরবজন সিং, রবি শাস্ত্রীর মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা ঋদ্ধির পাশে দাঁড়ান। এবার আসরে নামল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঋদ্ধিমানের কাছে হুমকি দেওয়া সাংবাদিকের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। তারপরই তদন্ত শুরু করবে বোর্ড। বোর্ড যে বিষয়টি ভালভাবে নিচ্ছেন না, বিষয়টা পরিস্কার। ঋদ্ধিকে হুমকি দেওয়া সাংবাদিক নাকি বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির ঘনিষ্ঠ। ফলে বিষয়টা নিয়ে সৌরভও অস্বস্তিতে পড়তে পারেন। সৌরভ গাঙ্গুলি বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর অনেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে ছড়ি ঘোড়ানোর চেষ্টা করেছেন। বোর্ডের অনেক কর্তাই বিষয়টা ভালভাবে নিচ্ছেন না। তাঁরা চান, বিষয়টার একটা বিহিত হওয়া দরকার। বোর্ড কর্তারা এতটাই ক্ষিপ্ত যে, যদি ঋদ্ধিকে হুমকি দেওয়ার খবর সত্য হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে। এমন ইঙ্গিতও মিলেছে বোর্ডের একটি সূত্র থেকে। বোর্ডের এক কর্তা জানিয়েছেন, কোনও চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটারকে হুমকি দেওয়া হলে বোর্ড কখনোই বিষয়টি হালকাভাবে নেবে না। বোর্ড অবশ্যই ক্রিকেটারের নিরাপত্তার দিকটা দেখবে। বিষয়টা নিয়ে এতটাই বিতর্ক দানা বেঁধেছে, বোর্ডেরও আসরে নামা ছাড়া উপায় ছিল না। ঋদ্ধিমানের পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও। ভারতীয় ক্রিকেটে এমন ঘটনা বারবার কেন ঘটছে সেই প্রশ্ন তুলে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়াতে সৌরভ গাঙ্গুলিকে এগিয়ে আসার কথা বলেছেন প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দল নির্বাচনী বৈঠকে ছিলেন?‌ মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে কী বললেন সৌরভ গাঙ্গুলি

কয়েকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারতীয় দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পরিস্কার তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরণের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। এই ব্যাপারে কারও কাছে তিনি জবাবদিহি করার প্রয়োজন মনে করছেন না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ গাঙ্গুলি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দেখছি, আমি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে রয়েছি। যে ছবিটা ভাইরাল হয়েছে, ওটা ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকেরই নয়। ওই ছবিতে যুগ্মসচিব জয়েশ জর্জ রয়েছে। ওর তো দল নির্বাচনী বৈঠকে থাকারই কথা নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার আগে আমি দেশের হয়ে ৪২৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি। ফলে আমার কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, সেটা খুব ভালভাবে জানি। ইদানিং একটা কথা শোনা যাচ্ছে, বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে বোর্ড সচিব জয় শাহর দূরত্ব বেড়েছে। এই গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, এইসব কারা রটাচ্ছে জানি না। জয় শাহ, অরুণ ধুমল, জয়েশ জর্জের সঙ্গে তো দারুণ কাজ করছি। আমাদের মধ্যে তো কোনও সমস্যা নেই। এসব রটনা। ভারতওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ যে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে, সেকথাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমেদাবাদে তিনটি একদিনের ম্যাচ দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে। ইডেনে টি২০ সিরিজেও দর্শকরা মাঠে ঢুকতে পারবেন না। সাধারণ দর্শকদের জন্য কোনও টিকিট বিক্রি করা হবে না। সিএবির কর্তারা ও সিএবি অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিরাই শুধু ইডেনে ঢুকতে পারবেন। এদিকে, ভারতশ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজ যে পিছিয়ে যাচ্ছে, সেকথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন সৌরভ। তিনি বলেন, আগে টি২০ সিরিজ হবে। তারপর টেস্ট সিরিজ। তাই টেস্ট সিরিজ পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগেই টেস্ট দলের অধিনায়ক বেছে নেওয়া হবে বলে জানান সৌরভ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আবার বিতর্কে সৌরভ গাঙ্গুলি?‌ ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

বিরাট কোহলিকে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরানো নিয়ে বিতর্কে জনিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। আবার নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট। যা নিয়ে উত্তাল ক্রিকেটমহল। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির অবশ্য কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।কী এমন করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি যে তাঁকে নিয়ে আবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে? এক্তিয়ার বহির্ভূতভাবে তিনি নাকি ভারতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিনিধির টুইটে এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি কখনোই জাতীয় দল নির্বাচনের বৈঠকে থাকতে পারেন না। দল নির্বাচনের বৈঠকে আহ্বায়ক হিসেবে বোর্ড সচিব জয় শাহ থাকতে পারেন। কিন্তু বেশ কয়েকটা বৈঠকে সৌরভ গাঙ্গুলি নাকি হাজির ছিলেন।You know what else is problematic apart from the obvious Ganguly- Shah duo? The presence of Rohit Sharma.The day a leader decides to share power is the day he loses the room. So many news saying that dressing room is a divided house.Two lions never ruled a jungle together! https://t.co/dYhornzxAN Cricketjeevi (@wildcardgyan) February 1, 2022একটি সর্বভারতীয় টিভি চ্যানেল একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্ন তুলেছে কোন নিয়মে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির থাকেন। ওই অনুষ্ঠানে দাবি করা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সৌরভ গাঙ্গুলি দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির ছিলেন। সংবাদ মাধ্যমের অভিযোগ প্রসঙ্গে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি সৌরভ। এমনকি কোনও বোর্ড কর্তাও এই ব্যাপারে মন্তব্য করেননি। তবে অনেক কর্তা এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে বিরাট কোহলি দাবি করেছিলেন, তিনি বোর্ড কর্তাদের জানিয়েই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। পরে বোর্ড কর্তারা জানান, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে তাঁরা কিছু জানতেন না। এরপর একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে বিরাট কোহলিকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এরপরই কোহলিপ্রেমীরা সৌরভের অপসারণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে ওঠেন।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট দলের অধিনায়ক হতে চান?‌ কী বললেন বুমরা

ভারতীয় টেস্ট দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিরাট কোহলি। তার জায়গায় লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব কার হাতে তুলে দেওয়া হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা। লড়াইয়ে যেমন রয়েছেন রোহিত শর্মা, তেমনই রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ভেসে উঠছে যশপ্রীত বুমরার নামও। তাঁর সামনে যদি সুযোগ আসে, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তৈরি বুমরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শেষ। বুধবার থেকে শুরু একদিনের সিরিজ। তার আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন যশপ্রীত বুমরা। আপাতত তিনি এই সিরিজের জন্য সহ অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন। সোমবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বুমরা বলেন, আমার সামনে যদি ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসে, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। আমার মনে হয় কোনও ক্রিকেটারই প্রত্যাখান করবে না। আমি যে কোনও লিডারশিপ গ্রুপে অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কেপ টাউন টেস্টের পরই যে কোহলি নেতৃত্ব ছাড়বেন স্বপ্নেও ভাবেনি ভারতীয় শিবির। সেই কথা জানা গেছে বুমরার মুখে। তিনি বলেন, কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় আমরা সকলেই অবাক হয়েছিলাম। কেপ টাউন টেস্টে হারের পর ড্রেসিংরুমে টিম মিটিংয়েই জানায় যে, ও আর টেস্টে অধিনায়ক থাকবে না। তবে এটা সিদ্ধান্ত একান্তই ওর ব্যক্তিগত। কোহলির এই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে গোটা দল শ্রদ্ধা করে। তবে একটা কথা বলতে পারি, কোহলির নেতৃত্বে খেলতে পেরে আমি গর্বিত। ওর নেতৃত্বেই আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। দলের মধ্যে কোহলি অন্যরকম এনার্জি নিয়ে এসেছে। খাতায়কলমে নেতৃত্বে না থাকলেও কোহলি আমাদের দলে নেতা হয়েই থাকবে। কোহলি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। তিনি বলেন, আমার মনে হয় না কোহলি নেতৃত্ব ছাড়ায় দলে এর কোনও প্রভাব পড়বে। নিজেরা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য সবসময় তৈরি থাকি। কেউ না কেউ দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তৈরি। যদি আমার সামনে সুযোগ আসে অবশ্যই ভাবব। তবে কখনও নেতৃত্বের পেছনে ছুটব না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট ক্রিকেটেও শেষ বিরাট অধ্যায়, নেতৃত্ব ছাড়লেন কোহলি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে আর কোনও ধরণের ফরম্যাটে নেতৃত্বে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। লাল বলের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকেও এবার সরে দাঁড়ালেন তিনি। টুইট করে তিনি টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন। এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নতুন নেতা বেছে নিতে হবে।গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের আগে টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন বিরাট কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছিল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। গত বছর ডিসেম্বরে কোহলিকে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন নির্বাচকরা। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছাড়া নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে মিথ্যেবাদী প্রতিপন্ন করতে চেয়েছিলেন কোহলি। তিনি বলেছিলেন, তাঁর নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সব জানতেন। কিন্তু সৌরভ গাঙ্গুলি পরে বিবৃতি দেন, কোহলির নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়ে তিনি একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। এই নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।🇮🇳 pic.twitter.com/huBL6zZ7fZ Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022বোর্ড সচিব জয় শাহ থেকে শুরু করে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা পর্যন্ত সৌরভের পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দেন। কোহলি টি২০ ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোয় নির্বাচকরা চাননি সাদা বলের ক্রিকেটে দুজন নেতা রাখতে। তাই একদিনের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় ক্রিকেটে ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়েন কিং কোহলি। তাছাড়া রাহুল দ্রাবিড়কে কোচ করে কোহলিকে অন্য বার্তাও দিতে চেয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলির সরে দাঁড়ানোটা যে শুধু সময়ের অপেক্ষা, সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারার পরপরই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কোহলি।টুইটারে নেতৃত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করে কোহলি লিখেছেন, কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও উদ্যমের সাথে দলকে সঠিকভাবে চালনা করার চেষ্টা করেছি। সততা বজায় রেখেই নিজের কর্তব্য পালন করেছি। সব কিছুরই পরিসমাপ্তি থাকে। আমার ক্ষেত্রেও ছিল। আমার এই যাত্রাপথে নিশ্চিতভাবেই ওঠানামা ছিল। কিন্তু প্রয়াসে কোনও কমতি ছিল না। সবসময় লক্ষ্য থাকে ১২০ শতাংশ দেওয়া। সবসময় স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলেছি। সততার প্রশ্নে কখনও আপোষ করিনি।গত ৭ বছর ধরে তাঁর ওপর আস্থা রাখায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, দীর্ঘদিন দেশকে নেতৃত্বের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সতীর্থ, সাপোর্ট স্টাফদের জন্যই আমার এই সফর স্মরণীয় ও সুন্দর হয়েছে। দেশের টেস্ট ক্রিকেট যে জায়গায় পৌঁছেছে তার জন্য প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রী ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফদের বড় ভুমিকা রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে আমার প্রতি আস্থা রাখার জন্য মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ধন্যবাদ।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal