• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ০১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Auction

খেলার দুনিয়া

‌নাইটদের নেতৃত্বে এবার নতুন তারকা, দেখে নিন কে হল অধিনায়ক

আইপিএলের নিলামে তাঁর জন্য দারুণভাবে ঝাঁপিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বেশ কয়েকটা ফ্র্যাঞ্চাইজিকে টপকে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করেছিল কেকেআর কর্তারা। ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে তুলে নিয়েছিল। কেন ভারতীয় দলের এই তারকার জন্য নাইটরা ঝাঁপিয়েছিল, সেদিনই বিষয়টা পরিস্কার অনেকটাই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। আসলে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কেউ ছিলেন না। তাই শ্রেয়সের জন্য অল আউট ঝাঁপিয়েছিল নাইট রাইডার্স। তাঁর হাতেই এবার নেতৃত্বের দায়িত্ব তুলে দিল টিম ম্যানেজমেন্ট।গত মরশুমে আইপিএলের প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। তাঁর নেতৃত্বে দল একেবারেই ভাল খেলতে পারেনি। দীনেশ কার্তিককে সরিয়ে পরে ইওয়িন মর্গ্যানের হাতে নেতৃত্ব তুলে দেন নাইট কর্তারা। দলকে ফাইনালে তুললেও মর্গ্যানও চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। তাঁর নেতৃত্ব নিয়েও খুশি ছিলেন না নাইট কর্তারা। তাই ২০২২ মরশুমের জন্য নতুন নেতার খোঁজে ছিলেন। এমন একজন ক্রিকেটারকে তাঁরা চাইছিলেন, যার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই শ্রেয়সের জন্যই ঝাঁপিয়েছিলেন নাইট কর্তারা। আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসকে একসময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। গত মরশুমের শুরুতে চোটের জন্য আইপিএল থেকে ছিটকে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেন ঋষভ পন্থের হাতে। এবছর কলকাতা নাইট রাইডার্সের নেতৃত্ব পেয়ে খুশি শ্রেয়স আয়ার। তিনি বলেন, কেকেআরের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য দলের মালিক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এবছর দারুণ দল গড়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটে কলকাতার একটা আলাদা ঐতিহ্য রয়েছে। আমিও এবার সেই ঐতিহ্যে সামিল হতে চলেছি। আশা করছি নাইট রাইডার্স সমর্থকদের খুশি করতে পারব। দলের অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আয়ারকে পেয়ে খুশি নাইট রাইডার্স হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। তিনি বলেন, শ্রেয়স আয়ারের মধ্যে বড় অধিনায়ক হওয়ার সব গুনই রয়েছে। ওকে দলের অধিনায়ক হিসেবে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। একসময় শ্রেয়সের খেলা ও নেতৃত্ব আমি উপভোগ করেছি। এখন জুটি বেঁধে নাইট রাইডার্সকে সাফল্য এনে দিতে চাই।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্স আগ্রহ না দেখালেও দল পেলেন ঋদ্ধি

সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ব্রাত্য। টি২০ ক্রিকেটে দেশের জার্সি গায়ে তোলার কখনও সুযোগ হয়নি। জীবনের শেষ একদিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০১৪ সালের নভেম্বরে। টেস্ট ক্রিকেটেও তাঁকে নাকি আর দলে চান না নির্বাচকরা। সেই অভিমানে এবছর রনজি ট্রফি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। আইপিএলের নিলামেও প্রথম দিন তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাহলে কি ক্রিকেটজীবন শেষ ঋদ্ধিমান সাহার? প্রশ্নটা উঠেই গিয়েছিল। নিলামের দ্বিতীয় দিন একেবারে শেষলগ্নে অবশেষে দল পেলেন ঋদ্ধি। ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নিল গুজরাট টাইটানস। ২০০৮ সাল থেকে আইপিএলের প্রতিটা সংস্করণে খেলছেন ঋদ্ধিমান সাহা। গত বছর ছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদে। উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করলেও ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি। কয়েকটা ম্যাচে তাঁর পরিবর্তে শ্রীবৎস গোস্বামীকেও খেলিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। শনিবার নিলামে ঋদ্ধিমানকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজি। দ্বিতীয় দিন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির পক্ষ থেকে নিলামে তোলার জন্য অবিক্রিত ক্রিকেটারদের তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় ঋদ্ধিমান সাহা ছিলেন। রবিবার নিলামের দ্বিতীয় দিন শেষদিকে অবিক্রিত উইকেটকিপারদের আবার নিলামে তোলা হয়। ঋদ্ধিমানের নাম উঠতেই চেন্নাই সুপার কিংস প্রথমে দর হাঁকায়। এরপর আসরে নামে গুজরাট টাইটানস। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকায় ঋদ্ধিকে তুলে নেয় গুজরাট টাইটানস। ঋদ্ধির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। ব্যাটিংয়ে তেমন দক্ষতা না থাকলেও তাঁর কিপিং দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু টি২০ ক্রিকেটে সব ফ্র্যাঞ্চাইজিই এমন উইকেটকিপার নিতে চায়, যার ব্যাটের হাত ভাল। এই জায়গাতেই পিছিয়ে ঋদ্ধি। তবুও কিন্তু ঋদ্ধির ব্যাটিং দক্ষতাকে একেবারেই অস্বীকার করা যাবে না। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি রয়েছে ঋদ্ধির। পাঞ্জাব কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে বেশ কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। আইপিএলে মোট ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন। রান করেছেন ২১১০। ১টি সেঞ্চুরি, ৮টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তবুও এবছর আইপিএলের নিলামে প্রথম দিন অবিক্রিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌৭৫ লক্ষ বেস প্রাইস থেকে ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ!‌ নিলামে চমক দেখানো শেফার্ড কে?‌

রোমারিও শেফার্ডকে চেনেন? নামটা শুনে হয়তো ঘাবড়ে যাচ্ছেন। কে এই রোমারিও শেফার্ড। হঠাৎ করে এই ক্রিকেটারের নাম কেন উঠে আসছে। আসলে আইপিএলের নিলামে চমক দেখিয়েছেন এই ক্যারিবিয়ান জোরে বোলার। ব্যাটের হাতটাও খারাপ নয়। ইতিমধ্যেই সফল অলরাউন্ডারের তকমা সেঁটে গেছে শেফার্ডের গায়ে। এবারের আইপিএলের মেগা নিলামে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ক্রিকেটার। ৭৫ লক্ষ টাকা বেস প্রাইস ছিল রোমারিও শেফার্ডের। নিলামে এই অলরাউন্ডারের নাম উঠতেই লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস প্রথম দর হাঁকায়। এরপরই লড়াইয়ে নামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। লক্ষ্ণৌ ও মুম্বইয়ের মধ্যে যখন তীব্র লড়াই চলছিল, তখন যোগ দেয় চেন্নাই সুপার কিংস। পরে লড়াইয়ে সামিল হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসও। এরপর লড়াই জমে ওঠে। পাঁচ দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় তাঁকে তুলে নেয়। টি২০ ক্রিকেট লিগে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারদের আলাদা গুরুত্ব আছে। আসলে তাঁরা সারা বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টি২০ লিগ খেলে বেড়ান। তাই আইপিএলের নিলামে অন্য দেশের ক্রিকেটারদের তুলনায় ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা বেশিই দর পান। শিমরণ হেটমায়ের, ওডিয়েন স্মিথ, জেসন হোল্ডার, নিকোলাস পুরানরা এবারের নিলামে দারুণ দর পেয়েছেন। যেমন জেসন হোল্ডারকে ৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকায় কিনেছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। নিকোলাস পুরান ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ দর পেয়েছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছ থেকে। বেশি দর পাওয়ার তালিকায় নতুন সংযোজন রোমারিও শেফার্ড। জাতীয় দলের হয়ে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি শেফার্ড। ১০টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। আর টি২০ খেলেছেন ১৪টি। ১৪ ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন ১২টি। রান করেছেন ১১৭। আর টি২০ লিগে খেলেছেন ৪৪ টি ম্যাচ। ৫৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি রান করেছেন ৩১৫। সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭২। গতবছর ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে চোখ ধাঁধানো পারফরমেন্স করেছেন শেফার্ড। ৯ ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন ১৮ উইকেট। রান করেছিলেন ১০৯। সেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। এইরকম ক্রিকেটারকে যে কোনও দলই দলে নিতে চাইবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভাঁড়ার প্রায় খালি, দল গড়া অনেক বাকি, চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স

আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, ভেঙ্কটেশ আয়ার, বরুণ চক্রবর্তীদের ধরে রাখতে অনেক টাকাই খরচ হয়ে গেছে। ৪৮ কোটি টাকা হাতে নিয়ে নিলামের ময়দানে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম দিনে শেষে খরচ প্রায় ৩৫ কোটি। হাতে রয়েছে মাত্র ১৩ কোটি। দ্বিতীয় দিনের নিলামের আগে চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কোন ক্রিকেটারকে কিনবে, তার জন্য পরামর্শ চেয়ে টুইট করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। শ্রেয়স আয়ার, শিবম মাভি, নীতিশ রানা, প্যাট কামিন্সদের জন্য ঝাঁপাতে গিয়ে অনেকটাই টাকা খরচ করতে হয়েছে। সবথেকে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের জন্য। আসলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তন অধিনায়কের জন্য দারুণভাবে ঝাঁপাতে হয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টকে। কারণ গতবছরের ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানকে নিলামের আগে ছেড়ে দিয়েছিল KKR। ধরে রেখেছিল আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী ও ভেঙ্কটেশ আয়ারকে। এদের মধ্যে কোনও ক্রিকেটারেরই দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা নেই। তাই অধিনায়ক করার মতো নতুন কাউকে খুঁজছিল KKR টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। ২ কোটি টাকার বেস প্রাইস শ্রেয়স আয়ারের জনয় ৫টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ঝাঁপিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে কিনতে হয় KKRকে। তাঁর হাতেই নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা টিম ম্যানেজমেন্টের। যদিও KKR সিইও ভেঙ্কি মাইসোর বলেছেন, কোচের সঙ্গে কথা বলেই অধিনায়ক চূড়ান্ত করা হবে। শ্রেয়স আয়ারের মতো জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে চেয়েছিলাম। সেই লক্ষ্য আমাদের পূরণ হয়েছে।নিলামের আগে প্যাট কামিন্স, নীতিশ রানাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল কম টাকায় এদের আবার নিলাম থেকে কিনে নেওয়া। লক্ষ্যে সফল KKR। প্যাট কামিন্সের জন্য ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়েছে। এত কম টাকায় কামিন্সকে পাবেন, ভাবেননি KKR কর্তারা। ২০২০ সালের নিলামে ১৫ কোটি টাকায় তাঁকে কিনতে হয়েছিল। নীতিশ রানার জন্য খরচ হয়েছে ৮ কোটি। শিবম মাভিকে KKR তুলেছে ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায়। শেলডন জ্যাকসনকে ৬০ লক্ষ টাকায়। নিকোলাস পুরাণের জন্য ঝাঁপিয়েছিল KKR। নিকোলাসকে ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ তুলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।ডেভিড মিলার, মহম্মদ নবি, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, স্টিভ স্মিথরা এখনও অবিক্রিত রয়েছেন। দ্বিতীয় দিন এদের নিলামে তোলা হবে। এদের পাশাপাশি কেসি কারিয়াপ্পার দিকেও নজর রয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টের। বোলিং নিয়ে সমস্যায় না পড়তে হলেও ব্যাটিং নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে KKRকে। তাই দ্বিতীয় দিন নিলামে ব্যাটারদের দিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

M‌S Dhoni : মেগা নিলামের জন্য ধোনির আগেও চেন্নাই কর্তাদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ!‌‌

মহেন্দ্র সিং ধোনির আগেও গুরুত্ব পাচ্ছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজারা! শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব। সামনের বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে যদি পুরনো দল থেকে দুজন ক্রিকেটারকে রাখতে হলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজাকে ধরে রাখতে চায় চেন্নাই সুপার কিংস। তিনজন ক্রিকেটারকে ধরে রাখার সুযোগ থাকলে সেক্ষেত্রে মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও রেখে দেওয়া হবে। অর্থাৎ টিম ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দের তালিকায় নেই ক্যাপ্টেন কুলএর নাম। তবে ধোনিকে দলে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। তবে সবকিছু নির্ভর করছে রিটেশন নিয়মের ওপর। সামনের বছর আইপিএলের নিলামের জন্য অধিকাংশ ক্রিকেটারকে ফ্রি করে দেওয়া হবে। আগের ৮টি দলের সঙ্গে আরও দুটি দল বাড়বে। ফলে ক্রিকেটারদের পুলের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। নিলামও আগের থেকে অনেক বেশি জমজমাট হবে। সব দলই চাইবে মেগা নিলাম থেকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সেরা দল তৈরি করে নেওয়া। ফলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের মতো প্রতিভাসম্পন্ন তরুণ ক্রিকেটাররা যে সব দলেরই টার্গেট হবেন, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুক্রবার আইপিএল ফাইনালের পর মহেন্দ্র সিং ধোনি বলেছিলেন, সামনের মরশুমের জন্য আইপিএলের মেগা নিলামের সময় অগ্রাধিকার হবে এমন ক্রিকেটারদের দলে নেওয়া যাতে তাঁদের দীর্ঘদিন দলে ধরে রাখা যায়। সেই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষর। কর্তাদের লক্ষ্য এমন দল গড়া যাতে আগামী ১০ বছরের জন্য অবদান রাখতে পারে। সেটা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের দল গড়তে চান তাঁরা। তাই তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আর তার জন্যই মহেন্দ্র সিং ধোনির আগে ভেসে উঠছে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, রবীন্দ্র জাদেজাদের নাম। তবে ধোনি যে চেন্নাই কর্তাদের পরিকল্পনায় নেই, এমন নয়। চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্তা বলেছেন, যে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিই ধোনির মতো ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে চাইবে। সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল যুক্ত হচ্ছে। অনেক পরিবর্তন হবে। আমাদেরও লক্ষ্য আছে ধোনিকে ধরে রাখা। তার জন্য চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না। তবে ঋতুরাজের মতো ক্রিকেটারকেও ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এবছর চেন্নাই সুপার কিংসের ক্রিকেটারদের বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বেশির ভাগ ক্রিকেটারই ছিলেন বয়স্ক। তা সত্ত্বেও আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহারের মতো তরুণ ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ডোয়েন ব্র্যাভো, ফাফ ডুপ্লেসি, অম্বাতি রায়ডু, রবিন উথাপ্পার মতো বয়স্করাও জ্বলে উঠেছিলেন। তাই মেগা নিলামে শার্দূল, চাহারদের পাশাপাশি কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ধরে রাখার জন্য ঝাঁপাবে চেন্নাই সুপার কিংস কর্তারা। সামনের বছর আইপিএলেও খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি চান চেন্নাইয়ে ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলে অবসর নিতে চান। এখন দেখার তাঁর মনোবাসনা পূর্ণ হয় কিনা।

অক্টোবর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

L‌ovelina Boxing Gloves : লভলিনার বক্সিংয়ের দর কত উঠল জানেন?‌ শুনলে আঁতকে উঠবেন

এক জোড়া বক্সিং গ্লাভসের দাম ১০ কোটি! দুটি জ্যাভেলিনের দাম ১০ কোটি টাকা! সত্যিই চোখ কপালে ওঠার মতো অবস্থা। এই বক্সিং আর জ্যাভেলিন তো আর যে সে অ্যাথলিটের নয়। অলিম্পিকে পদকজয়ী দুই কৃতীর। স্মারক হিসেবে অনেকেই ঘরে রাখতে আগ্রহী। সুতরাং নিলামে দাম যে আকাশ ছোঁয়া হবে, এটাই স্বাভাবিক। আর এই সামগ্রী নিলাম করে সংগৃহীত অর্থ মহৎ কাজে লাগানো হবে। টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা জিতেছিলেন নীরজ চোপড়া। প্যারালিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনা জেতেন সুমিত। তাঁরা দুজনেই নরেন্দ্র মোদীকে জ্যাভলিন উপহার দিয়েছিলেন। এই জ্যাভলিন দুটির দর উঠেছে ১০ কোটি টাকা। এগুলির বেস প্রাইস ছিল ১ কোটি টাকা। লাভলিনা বরগোঁহাই অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তিনি যে বক্সিং গ্লাভস অলিম্পিকে পরেছিলেন তা প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। সেই বক্সিং গ্লাভসের বেস প্রাইস ছিল ৮০ লক্ষ টাকা। এর দরও দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে গিয়েছে ১০ কোটি টাকায়।গঙ্গা মিশনের জন্য তহবিল গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বেশ কিছু উপহার ও স্মারক নিলামে তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এই ই-অকশন। চলবে ৭ অক্টোবর অবধি। ইনিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে। তাতেই আকাশছোঁয়া দর উঠেছে টোকিও অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে পদকজয়ীদের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া উপহারের। অলিম্পিয়ান নীরজ চোপড়া, লাভলিনা বরগোঁহাই ও প্যারালিম্পিয়ান সুমিত আন্টিলের মোদীকে দেওয়া উপহারের দর দ্বিতীয় দিনে পৌঁছে গিয়েছে ১০ কোটিতে। টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতের পুরুষ হকি দলের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে যে হকি স্টিক উপহার দেওয়া হয়েছিল সেটির দর উঠেছে ৯ কোটি। শাটলার পিভি সিন্ধুর তরফে উপহার হিসেবে দেওয়া র্যাকেটেরও দাম উঠেছে ৯ কোটি। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার আগে অলিম্পিয়ান ও প্যারালিম্পিয়ানদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের উৎসাহিত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। টোকিও অলিম্পিকে পদকজয়ীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে। এরপর অলিম্পিয়ানদের প্রাতরাশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও অলিম্পিয়ানদের সঙ্গে সাক্ষাত করে হাল্কা মেজাজে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান। সম্পূর্ণ আলাদা মেজাজে দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে। সে সময় অলিম্পিয়ানরা তাঁকে বিভিন্ন উপহার দেন। তখনই প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এগুলি আমি নিলামে তুলব। পরে প্যারালিম্পিয়ানদের সঙ্গেও তিনি সাক্ষাত করেন এবং পদকজয়ীরা বিভিন্ন উপহার দেন মোদীকে। সেই সবই নিলামে তোলা হয়েছে নমামি গঙ্গে মিশনের তহবিল গড়ার উদ্দেশ্যে।উপহার ও স্মারক মিলিয়ে ১৩৩০টি সামগ্রী রাখা হয়েছে ইনিলামে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিল্ডিংয়ের রেপ্লিকা, শাল ও স্টোল এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রাপ্ত বিভিন্ন উপহার ও স্মারক। রয়েছে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের তরফে মোদীকে দেওয়া অযোধ্যার রাম মন্দিরের রেপ্লিকা, উত্তরাখণ্ডের পর্যটনমন্ত্রী সৎপাল মহারাজের দেওয়া চারধাম মন্দিরের রেপ্লিকা ইত্যাদি। ২০১৯ সালে শেষবার এমন ইনিলামের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই নিয়ে তৃতীয়বার হচ্ছে এমন নিলাম।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী অশান্তি নিয়ে সরব প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেক-কল্যাণের ওপর হামলায় বিজেপিকে নিশানা

নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলা, গ্রেফতারি এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগকে সামনে এনে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিরোধী কণ্ঠরোধের চেষ্টা এবং রাজনৈতিক হিংসার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে, যার পিছনে বিজেপির ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গত কয়েক দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। তার পরদিনই লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের চিফ হুইপ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা সামনে আসে। এই ধারাবাহিক ঘটনাগুলিকে তিনি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতে, বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে।আক্রান্ত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তিনি জানান, দলের পক্ষ থেকে আক্রান্ত নেতার পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দিয়ে বিজেপি স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষের নামে নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মাঠে নামাচ্ছে। তাঁর দাবি, গণতান্ত্রিক বিরোধিতাকে দমন করতে রাজনৈতিক হিংসাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি এও প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নীরবতা বা প্রশ্রয় ছাড়া এ ধরনের ঘটনা এত ঘনঘন ঘটতে পারে কি না।সামাজিক মাধ্যমের ওই পোস্টে বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলা বরাবরই সৌজন্য, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার পীঠস্থান হিসেবে পরিচিত। সেই বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে হিংসা, ভয় দেখানো বা গুন্ডামির কোনও স্থান নেই। তাই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি দুই ক্ষেত্রেই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হিংসা ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। সেই আবহেই তাঁর এই বার্তা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের সফরে ‘নীরব’ সোনারপুরের তৃণমূল! হামলা ঘিরে সামনে এল দলের অন্দরেই অস্বস্তির ইঙ্গিত

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কর্মসূচি এক সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে ছিল মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়। তাঁর জেলা সফর মানেই নেতাদের ব্যস্ততা, মঞ্চে নেতার সাথে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ছিল প্রতিযোগিতা। কিন্তু শনিবার সোনারপুরের ঘটনাপ্রবাহ যেন সম্পূর্ণ উল্টো ছবি তুলে ধরল।ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে গিয়েছিলেন তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর এই কর্মসূচিতে স্থানীয় তৃণমূলের প্রথম সারির অধিকাংশ নেতা-কাউন্সিলরের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যে এলাকায় অভিষেকের উপর বিক্ষোভ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেটি রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অথচ সেই ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের কাউকেই কার্যত দেখা যায়নি ঘটনাস্থলের আশপাশে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, অভিষেকের সফরের আগে থেকেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কার কথা স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা সত্ত্বেও কর্মসূচি বাতিল হয়নি। ফলস্বরূপ, নিহত কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভ, স্লোগান এবং হামলার মুখে পড়তে হয় অভিষেককে।রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার অধিকাংশ কাউন্সিলর তৃণমূলের হলেও তাঁদের কাউকেই সামনে দেখা যায়নি। দলের একাধিক জনপ্রতিনিধি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় এমন এক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যে অনেকেই প্রকাশ্যে বেরোতে সাহস পাননি। অন্যদিকে, পুরসভার চেয়ারম্যানের ডাকা বৈঠকও শেষ মুহূর্তে হয়নি বলে খবর, যা ঘটনাকে ঘিরে আরও জল্পনা বাড়িয়েছে।সোনারপুর উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী ফিরদৌসি বেগমও জানিয়েছেন, তিনি অভিষেকের সঙ্গে যেতে চাইলেও তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় বেরোতে পারেননি। ফলে অভিষেকের পাশে স্থানীয় নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এদিকে হামলায় ধৃত কয়েক জনের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির দাবি, গ্রেফতার হওয়া কয়েক জনকে অতীতে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক লাভলি মৈত্রের ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় দেখা যেত। যদিও লাভলি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ধৃতরা তৃণমূলের কেউ নন, বরং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে তিনি পুলিশ প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্বকেও তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, হামলার ঘটনার পাশাপাশি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনুপস্থিতি দলীয় সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শীর্ষ নেতার কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতৃত্বের এই দূরত্ব নিছক কাকতালীয়, নাকি এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর রাজনৈতিক অস্বস্তি সেই জল্পনাই এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

বন্ধ ফ্ল্যাটে দু’টি দেহ, পাশে নেশাগ্রস্ত তিন বন্ধু! গল্ফ গ্রিন কাণ্ডে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ কলকাতার গল্ফ গ্রিন এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে এক যুবক ও এক যুবতীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার দুপুরে অরবিন্দ নগরের একটি আবাসনের ফ্ল্যাট থেকে ওই দুই জনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম দিলশাদ। তাঁর বয়স প্রায় ছাব্বিশ বছর। মৃত যুবতীর বয়স একুশ বছর। দুজন ওই ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ দুটিতে পচন ধরেছিল। ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকজাতীয় সামগ্রীও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শনিবার বিকেল থেকেই ওই আবাসনের আশপাশে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে কেউ বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও রবিবার সকালে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে শুরু করেন এলাকাবাসীরা। তখন সন্দেহ হয় একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে ঘিরে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে এবং সেখান থেকেই উদ্ধার হয় যুবক ও যুবতীর দেহ।তদন্তে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ওই ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক ও যুবতী। যুবকের বাড়ি তিলজলায় এবং যুবতীর বাড়ি রামগড় এলাকায় বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন বলে প্রতিবেশীদের দাবি।পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে আরও দুই যুবক ও এক যুবতী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।এক প্রবীণ স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, ওই ফ্ল্যাটে থাকা যুবক-যুবতী নিয়মিত নেশা করতেন বলে এলাকায় পরিচিত ছিল। তিনি জানান, ঘটনার রাতে ফ্ল্যাটে আরও কয়েক জনের উপস্থিতির কথা স্থানীয়রা জানতে পেরেছিলেন। পরে পুলিশ এসে তাঁদের নিয়ে যায়।দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া মাদকজাতীয় সামগ্রীর উৎস এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।গল্ফ গ্রিনের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রহস্যমৃত্যু, মাদক এবং ফ্ল্যাটে উপস্থিত অন্য তিন জনকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ! হঠাৎ তল্লাশিতে জোর চাঞ্চল্য

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক তদন্ত এবং গ্রেপ্তারির ঘটনার মধ্যেই এবার কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল পুলিশ। রবিবার দুপুরে তাঁর কামারহাটির বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক জল্পনা।পুলিশ সূত্রের খবর, বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়। যে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়, সেটি প্রথমে তালাবন্ধ ছিল। পরে পুলিশ সেখানে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ওই বাড়ির নাম উদয় ভিলা। সেখানে মদন মিত্রের একটি দলীয় কার্যালয়ও রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, যে জমির উপর বাড়িটি নির্মিত হয়েছে, সেই জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, জমিটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সংস্থার অধীন। অতীতে সেখানে মহিলাদের স্বনির্ভর করার বিভিন্ন প্রশিক্ষণমূলক কাজ পরিচালিত হতো। তবে স্থানীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, ওই জায়গার ব্যবহার এবং দখল নিয়ে নানা অনিয়ম হয়েছে।তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, জমিটি আইন মেনে ব্যবহার করা হয়েছে কি না এবং সেখানে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ চলত কি না। এই অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করতেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে রাজ্যে সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর সংক্রান্ত মামলাতেও তদন্ত এগোচ্ছে। সেই আবহেই মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশের এই অভিযান রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।যদিও এই বিষয়ে মদন মিত্রের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনায় আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক ইস্যুতে বিক্ষোভ, তারপরই বড় পদক্ষেপ! গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হলেন চুঁচুড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার-সহ ১০ জন। পুলিশকে বাধা দেওয়া এবং কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে রবিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার হুগলির পিপুলপাতি এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল তৃণমূল। সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। অবরোধের জেরে এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামেন।অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বচসা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ অবরোধকারীদের সরিয়ে দেয়।এই ঘটনার পর তদন্তে নেমে রবিবার সকালে অসিত মজুমদার-সহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে চুঁচুড়া থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমিত্র ঘোষ, ভাইস চেয়ারম্যান পার্থ সাহা, কাউন্সিলার রঞ্জন রাহা, নির্মল চক্রবর্তী, সমীর সরকার-সহ আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা ও কর্মী।পুলিশের দাবি, সরকারি কাজে বাধা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করার অভিযোগেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। এরপর তাঁদের আদালতে পেশ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে যাওয়ার পথে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মসূচি শুরু করে তৃণমূল। হুগলির পিপুলপাতির বিক্ষোভও ছিল সেই কর্মসূচিরই অংশ।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে জেলাজুড়ে। বিরোধী ও শাসক শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে বড় মোড়! প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, শুরু জোর রাজনৈতিক চর্চা

যুবভারতীতে মেসির সফর ঘিরে বিতর্কের ঘটনায় নতুন মোড় এল। আয়োজক শতদ্রু দত্তের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শতদ্রু। তিনি লিখেছেন, সত্যের জয়। পাশাপাশি বর্তমান প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, ভয় দেখানো, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং একাধিক ব্যক্তির যৌথভাবে অপরাধমূলক কাজের পরিকল্পনার মতো বিষয়।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ডিসেম্বর মাসে। আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো দে পল কলকাতায় এসেছিলেন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। যুবভারতীতে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠান ঘিরে বিপুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। দর্শকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে কালোবাজারির অভিযোগও সামনে আসে।তবে অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। দর্শকদের একাংশ গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে পড়েন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দেশের অন্য শহরগুলিতে অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও কলকাতার অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই সময় আয়োজক শতদ্রু দত্তও আইনি সমস্যার মুখে পড়েছিলেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে মুখ খুলেছেন শতদ্রু দত্ত। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী তাঁর কাছে বিপুল সংখ্যক টিকিট ও প্রবেশপত্র চেয়েছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন, টিকিট দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানানো হলে তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানের দিন একাধিক অনিয়ম এবং বিশৃঙ্খলার অভিযোগও তুলেছেন তিনি।শতদ্রুর আরও দাবি, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু সেই সতর্কবার্তার যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁকেই দায়ী করা হয়েছিল।এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে সকলের। অভিযোগগুলির সত্যতা প্রমাণিত হবে কি না, তা নির্ভর করছে তদন্তের ফলাফলের উপর। তবে মামলা নথিভুক্ত হওয়ার পর যুবভারতীর সেই বহুচর্চিত মেসি-কাণ্ড আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

মে ৩১, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের পর কল্যাণ! পরপর হামলায় বিস্ফোরক মমতা, বিজেপিকে বললেন ‘গণতন্ত্র হত্যাকারী’

পরপর দুদিনে দুই তৃণমূল সাংসদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ ও হেনস্তার ঘটনার পর রবিবার হুগলির চণ্ডীতলায় আক্রান্ত হন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই দুই ঘটনার পর সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, তৃণমূলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংসদের উপর ধারাবাহিক হামলার ঘটনাগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁর অভিযোগ, এর পিছনে পরিকল্পিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বিজেপিকে গণতন্ত্র হত্যাকারী বলেও কটাক্ষ করেছেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং লোকসভায় দলের অন্যতম প্রধান মুখ। অন্যদিকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন। এই দুই নেতার উপর পরপর হামলার ঘটনাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই তুলে ধরেছেন মমতা।শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর রবিবার চণ্ডীতলায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দিকে ঢিল ছোড়া হয় এবং চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।এই ঘটনাগুলির পর তৃণমূল কংগ্রেসও সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে। দলের দাবি, ঘটনাগুলি পূর্বপরিকল্পিত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিতর্কও নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। সোনারপুরের ঘটনার পর তাঁকে শহরের একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা প্রাথমিক পরীক্ষার পর ভর্তি করার প্রয়োজন দেখেননি। এই বিষয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তা সত্ত্বেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।পরপর দুই সাংসদের উপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতাল বিতর্ক এবং পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক আক্রমণকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মে ৩১, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে ভর্তি না নেওয়া নিয়ে বিতর্ক! ভাইরাল অডিও ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ঝড়

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে হেনস্তার ঘটনার পর এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল। একটি কথোপকথনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে ওই অডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।শনিবার সোনারপুরের ঘটনায় উত্তেজনার মধ্যে কলকাতায় ফিরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের প্রাথমিক পরীক্ষার পর জানানো হয়, তাঁর শরীরে গুরুতর কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।এরপর তাঁকে শহরের আরও একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও চিকিৎসকরা একই মত দেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছিল, বাড়িতেই পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব।এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং একটি বেসরকারি হাসপাতালের শীর্ষ কর্তার মধ্যে কথোপকথন শোনা যাচ্ছে। যদিও ওই অডিওর সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এই অডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী শিবিরের তরফে সমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা নিয়ে অযথা রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। দলের একাংশের অভিযোগ, কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে।প্রসঙ্গত, শনিবার সোনারপুরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দিকে ডিম, জুতো এবং বিভিন্ন বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ধস্তাধস্তির ঘটনায় তাঁর চশমা, ঘড়ি এবং পোশাকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে ভাইরাল অডিও এবং হাসপাতালকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়েছে। ফলে সোনারপুর কাণ্ডের রেশ এখন রাজনীতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মে ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal