• ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arunita

বিনোদুনিয়া

ইন্ডিয়ান আইডল থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি : পবনদীপ

শহরে বহুজাতিক সংস্থা তাদের ইলেকট্রিক স্কুটির উদ্বোধন করল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী রাইমা সেন। গান গেয়ে মঞ্চ কাঁপালেন ইন্ডিয়ান আইডল জয়ী পবনদীপ রাজন ও রানার্স আপ অরুণিতা কাঞ্জিলাল। রাইমা সেন এদিন তাঁর আগামী দিনের প্রোজেক্টের কথা জানালেন। অভিনেত্রীর কথায়, মাইঃ অ্যা মাদার্স রেজ নামে একটি টিভি সিরিজ মুক্তি পেয়েছে নেটফ্লিক্সে। একটা বাংলা ওয়েব ফিল্ম করেছি। যেটা পুজোতে মুক্তি পাবে। একটি তামিল ছবি মুক্তি পাবে এই বছর। এছাড়া আশা করছি বিনয় পাঠকের সঙ্গে আমার হিন্দি ছবি আগামী ২ মাসের মধ্যে মুক্তি পাবে।পবনদীপ রাজন জানালেন, ইন্ডিয়ান আইডল থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। অনেক নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। অরুণিতা কাঞ্জিলাল জানান, জার্নিটা মিউজিক্যাল ছিল। সকাল থেকে রাত অবধি শোয়ার আগে অবধি এবং শোয়ার পর মিউজিকই করতাম। এখন ক্যাপ্টেনের ভূমিকা পালন করছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।

মে ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপ

উত্তরাখণ্ডের এক মনোরম জায়গা চম্পাওয়াতের পবনদীপ রাজন যেন পড়ন্ত বিকালের পাহাড়ি এলাকার ঝলক শান্ত স্নিগ্ধ হাওয়া। তাঁর কন্ঠ মাধুর্যে মনমুগ্ধ গুনাগ্রাহীদের আশ্বস্ত করে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডলের বিজয়ী হলেন পবন। সারা ভারতের অসংখ্য সঙ্গীত প্রেমীর ভোটের নিরিখে বিজয়ী হন পবনদীপ, তাঁকে বিজয়ীর ট্রফির সঙ্গে সঙ্গে ২৫ লাখের নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও মারুতি ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি ব্র্যান্ড নিউ মারুতি সুইফট গাড়ি উপহার স্বরুপ দেওয়া হয়।দীর্ঘ কয়েকমাসের কঠিন প্রতিযোগিতা শেষে যুগ্ম রানার্স আপ হন বাংলার অরুণিতা কাঞ্জিলাল এবং সায়লি কাম্বলে। বাংলার অসংখ্য মানুষের নয়নের মনি অরুণিতা তাঁর সুরের মায়াজালে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন সমগ্র অনুষ্ঠানে, সঙ্গীত বিশেষজ্ঞদের অনেকেই তাঁর মধ্যে শ্রেয়া ঘোষালের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। বাংলার মেয়ে অরুণিতার অসংখ্য গুনাগ্রাহী সারাটা দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলেন তাঁর জয়ের আশায়, যে কোনও প্রতিযোগিতায় বিজয়ী একজনই হয়, কিন্তু অরুণিতা রানার্স আপ হয়েও মানুষের মন জয় করে নিতে সমর্থ হয়েছেন।রবিবারের গ্র্যান্ড ফিনাল পর্বের মধ্যরাতে পবনদীপকে বিজয়ী ঘোষণা করার পর তাঁর পরিবারও উপস্থিত থেকে পাবনকে নিয়ে উচ্ছাস-আবেগে ভেসে যান। সমগ্র অনুষ্ঠান জুড়ে পবনদীপ বলিউডের বিভিন্ন গায়কের জনপ্রিয় গানগুলি তাঁর নিজের মতো করে পরিবেশন করে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন দর্শককুলকে। তাঁর সাথে বাংলার অরুণিতার বেশ কিছু রোমান্টিক গান এতটাই জনপ্রিয় ছিল যে উপস্থিত দর্শক থেকে শুরু করে বিচারকরা পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে রোম্যান্টিক কিছু খোঁজার চেষ্টা করে গিয়েছেন। যদিও তাঁরা খুব সন্তর্পনে এই আলোচনা থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রেখে নিজেদের উপস্থাপনাতেই ব্যস্ত ছিলেন।বিজয়ী ঘোষণার পর অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলতে গিয়ে পবনদীপ বলেন, ইন্ডিয়ান আইডল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা শিল্পীদের সম্মানের উচ্চশিখরে পৌছে দেয়। এটি আপনাকে যে ধরনের এক্সপোজার দেয় তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো কথা এই মুহূর্তে আমার মনে আসছে না। অতুলনীয়! শো চলাকালীন আমি একক ভাবে ও সহ শিল্পীদের সঙ্গে এবং বিভিন্ন বিখ্যাত প্রতিষ্টিত শিল্পীদের এত গান গাইতে পেরেছি, এবং আমাদের গাইড করার জন্য দেশের অন্যতম সেরা বিচারক এবং বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থেকেছেন। আমার ইন্ডিয়ান আইডল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার মূল কারণ ছিল অনেক কিছু শেখার চেষ্টা, বিজয়ী হওয়ার ইচ্ছায় আমি আসিনি। আমি কৃতজ্ঞ যে এই শোতে এত মাস কাটানোর পরে আমরা এখন প্লেব্যাকের জন্য প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন যে বেশ কয়েক মাস ধরে এখানে একসঙ্গে এতজন বন্ধুর সাথে থাকা, গান গাওয়া, খাওয়া, ঘুরে বেড়ানো, রেওয়াজ করা, খুনসুটি করার পর শো ছেড়ে চলে যেতে হবে বলে আমরা সবাই ব্যাথিত ও ভারাক্রান্ত। এত মাস পরে, আমরা যখন বাক্স গোছাচ্ছি যে যার নিজের জায়গায় ফিরে যাবার জন্য, খুব মনখারাপ লাগাছে। শোটি আমাদের নতুন বাড়ি হয়ে উঠেছিল এবং মনে হচ্ছে যেন আমরা গতকালই এসেছি। এখন মনে হচ্ছে আরও কিছুদিন আমরা থেকে যেতে পারলে আরও বেশি আনন্দ হতো, আরও বেশী শিখতে পারতাম।চূড়ান্ত পর্বে কিয়ারা আডবাণী, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, দ্য গ্রেট খালি, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ এবং অন্যান্য বিশিষ্ঠরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিচারক হিসাবে হাজির ছিলেন সঙ্গীত শিল্পী সোনু কাক্কর, হিমেশ রেশমিয়া, বিশাল দাদলানি এবং অনু মালিক।ফিনাল পর্বটি সঞ্চালনা করেন উদিত নারায়ণের সুপুত্র আদিত্য নারায়ণ, ভারতী সিং এবং হর্ষ লিম্বাচিয়া। ইন্ডিয়ান আইডলের সমাপ্তি অনুষ্ঠানটি টানা ১২ ঘণ্টা ব্যাপী চলছে এবং এটি কোনও রিয়েলিটি শোয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘতম। ফাইনালিস্ট পবনদীপ রাজন, অরুণিতা কাঞ্জিলাল, নিহাল তাওরো, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং শন্মুখপ্রিয়া রবিবারের পর্বে বিজয়ীর ট্রফির জন্য লড়াই করছেন।দ্য গ্রেট খালি সহ অন্যান্য বিশেষ অতিথিরা ১২ ঘণ্টার দীর্ঘ পর্বের জন্য শোতে যোগ দিয়েছিলেন। আলকা ইয়াগনিক লতা মঙ্গেশকরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অলকা ও উদিত নারায়ণ -এর পুরনো দিনের ঝলক এই অনুষ্ঠানের উপরি পাওনা। বিচারক সোনু কক্করের সঙ্গে দানিশের বিখ্যাত সূফি শিল্পী নসরত ফতেহ আলি খানের গান এক অন্য মাত্রা পায়।ফিনাল পর্বে উপস্থিত থেকে সনি এন্টারটেইনমেন্ট নেটওয়ার্ক-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Chief Executive Officer ) এনপি সিং বলেন যে কোনও প্রতিযোগিতায় একজনই বিজয়ী হয়। কিন্তু প্রতিযোগিতা না হলে সেই বিজয়ীর মর্যাদা থাকে না। তিনি আরও বলেন, চুড়ান্ত পর্বের সকলেই বিজয়ী,প্রতিযোগিতার নিয়ম মেনে আমরা এক জনের নাম ঘোষণা করব। দীর্ঘ আট মাস ধরে চলা এই অনুষ্ঠানের সকল সদস্যকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: বাংলার অরুনিতা না পবনদীপ? কে হবেন ১২তম ইন্ডিয়ান আইডল

ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?

আগস্ট ১৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের বাজারেও ভারতের বিরাট সাফল্য! বৃদ্ধির পূর্বাভাস এক ধাক্কায় বাড়াল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের পরিস্থিতি। বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বড় সুখবর দিল আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করল এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। আগে এই হার ৬.৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল। অর্থাৎ, বিশ্ব অর্থনীতির একাধিক ক্ষেত্রে চাপ থাকলেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার।সংস্থার সাম্প্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ হতে পারে। এর আগে গত জুলাইয়ে ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। নতুন অনুমান অনুযায়ী, বৃদ্ধির সম্ভাবনা ০.৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।শুধু চলতি অর্থবর্ষ নয়, আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবর্ষেও ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ থাকতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। আগে ওই অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ, আগামী দুবছরেও দেশের অর্থনীতির গতি বজায় থাকার আশা করছে সংস্থাটি।এর আগে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.১ শতাংশ করেছিল। এ বার আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের রিপোর্টেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলল।ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর পিছনে কয়েকটি কারণের কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। সংস্থার মতে, দেশের বাজারে পণ্য ও পরিষেবার চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী। সাধারণ মানুষের কেনাকাটা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের ভাল ফল অর্থনীতির বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, ভারতের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার, বিপুল জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কারও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। বিশেষ করে পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।তবে বিশ্ব অর্থনীতির সামনে ঝুঁকিও রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি আমেরিকা ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ভারতের মতো তেল আমদানিনির্ভর দেশের জন্য বড় চিন্তার কারণ। তেলের দাম বাড়লে দেশের আমদানি খরচ বাড়তে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যবৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে।আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের অনুমান, ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৭৪ ডলারে পৌঁছতে পারে। ২০২৫ সালের তুলনায় তা প্রায় ৪১ শতাংশ বেশি। তবে ২০২৭ সালে তেলের দাম প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৭.৩৯ ডলারে নেমে আসতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা থাকলেও দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির গতি বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।অন্য দিকে, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এই দেশগুলির সম্মিলিত আর্থিক বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ হতে পারে। আগে এই হার ৩.৮ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানো হয়েছে। জার্মানির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির অনুমান ০.৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে। ব্রিটেনের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১.৩ শতাংশ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধ এবং তেলের দাম বৃদ্ধির মতো ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার। দেশের বাজারে চাহিদা এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের শক্তিশালী অবস্থান আগামী দিনেও আর্থিক বৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছে সংস্থাটি।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬
দেশ

সূর্যকান্তকে নিয়ে বিস্ফোরক পোস্ট, বিজেপির আক্রমণের মুখে পিছু হটল কেরল কংগ্রেস?

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের পদত্যাগ দাবি করে কেরল কংগ্রেসের একটি পোস্ট ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের পর এ বার প্রধান বিচারপতিকে নিশানা করে পোস্ট করার অভিযোগ উঠেছে কেরল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসতেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি মুছে দিয়েছে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ওই পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।সোমবার দিল্লিতে বিক্ষোভ এবং রাজধানীতে জারি করা বিধিনিষেধ নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান বিচারপতি জানান, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই তা তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না।প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই কেরল কংগ্রেসের সরকারি সমাজমাধ্যমের পাতায় একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে তাঁকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল, আইনশৃঙ্খলা যদি তাঁর এক্তিয়ারের মধ্যে না পড়ে, তা হলে যেন তিনি পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি, তাঁর পরিবর্তে এই বিষয় সামলাতে পারবেন, এমন কাউকে খুঁজে নেওয়ার কথাও লেখা হয় ওই পোস্টে। বার্তাটি সামনে আসতেই কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হয় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের সমাজমাধ্যমের পাতায় ওই পোস্টের ছবি ভাগ করে নেন। তাঁর অভিযোগ, তিনি আগেই বলেছিলেন, কংগ্রেসের পরবর্তী নিশানা হবে বিচারব্যবস্থা। কংগ্রেস দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করতে চায় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর আরও বক্তব্য, দেশবিরোধী শক্তিগুলি একজোট হচ্ছে। এর মোকাবিলায় দেশপ্রেমিক ভারতীয়দেরও একজোট হওয়ার আহ্বান জানান রিজিজু।বিতর্ক বাড়তে থাকায় নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে কেরল প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সানি জোসেফ জানান, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করার জন্য দায়ী ব্যক্তিকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বের অজান্তে এবং তাঁদের অনুমতি বা পরামর্শ ছাড়াই ওই পোস্ট করা হয়েছিল।কী পরিস্থিতিতে ওই পোস্ট করা হয়েছিল, তা দল খতিয়ে দেখবে বলেও জানিয়েছেন সানি। তাঁর বক্তব্য, বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কংগ্রেসের কোনও আপত্তি নেই। সমাজমাধ্যমে এমন কোনও পোস্ট করা হলে, যা দলের এই অবস্থানের সঙ্গে মেলে না, তা কেরল প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামত বলে গণ্য করা যাবে না।প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্কে এক দিকে বিজেপির আক্রমণ, অন্য দিকে কেরল কংগ্রেসের ব্যাখ্যাসব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর বেড়েছে। বিতর্কিত পোস্ট প্রত্যাহার এবং দায়ী ব্যক্তিকে সরানোর সিদ্ধান্তের পরেও এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal