• ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhishek

রাজ্য

ED Summons: কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-র

কয়লা-কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ১ সেপ্টেম্বর রুজিরা এবং ৩ সেপ্টেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ইডি-র অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি সংবাদসংস্থা এএনআই-র।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগেরসংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, পিনকন কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসুকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। বিধানসভা ভোটের আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরাকে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বোনকেও। এবার নোটিস পাঠিয়ে দিল্লির অফিসে ডেকে পাঠানো হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও তাঁর স্ত্রীকে। একে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।ইডি সূত্রে দাবি, এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই নিয়ে তৃতীয় নোটিস পাঠানো হল। কয়লা মামলার তদন্তে তাঁর সহযোগিতা চেয়ে এই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এই আগে কয়লাকাণ্ডে খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁর স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে সিবিআই-এর গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল অভিষেকের আরও এক আত্মীয়কে। যদিও কয়লাকাণ্ডে অভিষেককে এখনও পর্যন্ত সিবিআই বা ইডি-র মুখোমুখি হতে হয়নি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Abhisekh Bachhan: অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরা

একদিকে করোনার প্রাদুর্ভাব। চিন্তায় রেখেছে সবাইকে। এবার আরও একটি ঘটনা সকলের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ালো।অসুস্থ অভিষেক বচ্চন। ভর্তি হাসপাতালে। ২২ অগস্ট রবিবার বলিউড অভিনেতাকে দেখতে হাসপাতালে যান বাবা অমিতাভ বচ্চন এবং বোন শ্বেতা বচ্চন নন্দা। এদিকে অভিষেকের অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা। ঠিক কোন কারণে জুনিয়র বচ্চনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, এই বিষয়ে বচ্চন পরিবারের তরফে কোনওরকম মুখ খোলা না হলেও জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর চোট পেয়েছেন তিনি। আর সেই কারণেই সম্ভবত হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে তাঁকে।আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরউল্লেখ্য, তামিল ছবি ওথাথা সেরুপ্পু সাইজ সেভেন-এর বলিউড রিমেক নিয়ে অভিষেক বর্তমানে ব্যস্ত ছিলেন। সেই সিনেমার এক অ্যাকশন সিকোয়েন্সের শুট করতে গিয়েই ডান হাতে গুরুতর চোট পান জুনিয়র বচ্চন। ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, অভিনেতাকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিত্সকরা। পাশাপাশি যতদিন না চোট সারে ততদিনের জন্য স্লিং ঝুলিয়ে রাখতেও বলেছেন। দিন কয়েক আগেই কাঁধ থেকে স্লিং ঝোলা অবস্থায় অভিষেকের ছবি ভাইরাল হয়েছিল নেটদুনিয়ায়। সেই চোটের কারণেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে কিনা অভিনেতাকে, তা এখনও জানা যায়নি। তবে এই খবর সত্যি যে, জুনিয়র বচ্চন হাসপাতালে ভর্তি। প্রসঙ্গত, বছর খানেক আগেও হাতে চোট পেয়েছিলেন অভিষেক। ধুম থ্রির সময়ে বাঁ হাতের এক আঙুলে চির ধরেছিল তাঁর। এমনকী সেই সিনেমার প্রমোশনে অভিষেক যখন আমির খানের সঙ্গে উপস্থিত হয়েছিলেন, দেখা গিয়েছিল তাঁর হাতে স্লিং ঝোলানো। অন্যদিকে, জুনিয়র বচ্চনকে দেখতে হাসপাতালে অমিতাভ ও শ্বেতা গেলেও দেখা মিলল না ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের। কারণ, এইমুহূর্তে অভিনেত্রী রয়েছেন মধ্যপ্রদেশে। সেখানেই দক্ষিণী ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত অভিষেক-পত্নী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে আরাধ্যাও।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

Tripura: ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ মমতার

সুদীপ রাহা, জয়া দত্তকে এসএসকেএম হাসপাতালে সোমবার দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ওই দুই যুব নেতাকে সেখানে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন সুদীপ ও জয়া। ত্রিপুরায় আক্রান্ত হলেও ওই যুব নেতাদের ওই রাজ্যে কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলে তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ। এদিন তাঁদের চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকহাসপাতালে মমতা বলেন, ত্রিপুরায় পাথর মারা হয়েছে, গুলি চালিয়েছে। যুব নেতাদের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পুলিশের সামনে মেরেছে। ওরা মারল ওরাই আবার আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করল। সেখানে একটা দানবীয় দল সরকার চালাচ্ছে। ত্রিপুরায় আমাদের জখম কর্মীদের ৩৬ ঘন্টা চিকিৎসা হয়নি, তাঁদের জল পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্ররোচনায় এসব হয়েছে। না হলে এত সাহস কোথা থেকে পায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। ওরা বাংলায় এসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ত্রিপুরা তো পাশের রাজ্য। বিজেপি নিজের রাজ্যে সেবা দিতে পারে না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরত্রিপুরায় দলীয় কর্মী ও অভিষেকের ওপর হামলা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, অভিষেকের গাড়িতে হামলা হয়েছে। সবটাই পুলিশের সামনে হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া এত সাহস হয় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ করেছেন। মমতার দাবি, ত্রিপুরা যাওয়ার উড়ানে পাশের সিট রিজার্ভ করে গুন্ডাদের দিয়ে অভিষেকের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: বিপ্লব করতে আজ ত্রিপুরায় যাচ্ছেন অভিষেক

ফের ত্রিপুরায় যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এ বার আক্রান্ত দলীয় নেতাদের পাশে দাঁড়াতে। তবে সেই সফরের আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব তথা বিজেপি-কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক। বললেন, ক্ষমতা থাকলে আমাকে আটকাও! শনিবার রাতে টুইট করে ত্রিপুরা-সফরের কর্মসূচির ঘোষণা করেন অভিষেক। ওই টুইটে তিনি জানিয়েছেন, ত্রিপুরায় আক্রান্ত দলের যুব নেতাদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার ওই রাজ্যে যাবেন। আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডকে ভাঙলেন যশপ্রীত বুমরাশনিবার সকালের পর রাতে ফের যুব তৃণমূল নেতারা ত্রিপুরায় আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, ওই রাজ্যের বিজেপি নেতারাই এই হামলায় জড়িত। যদিও একে সাজানো ঘটনা বলে অভিযোগ নস্যাৎ করেছে বিজেপি। তবে তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, ত্রিপুরায় দলের সংগঠন বাড়াতে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিতেও তাঁদের কর্মীদের নিশানা করছে বিজেপি। হামলার পর শনিবার রাত ১১টা নাগাদ টুইট করে অভিষেক জানিয়েছেন, আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার ত্রিপুরায় যাবেন তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, বিজেপি গুন্ডাদের হাতে নৃশংসভাবে আক্রান্ত প্রত্যেক তৃণমূল কর্মীর পাশে দাঁড়াতে রবিবার আমি ত্রিপুরায় আসছি। আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাব। এটা আমার প্রতিশ্রুতি। সেই সঙ্গে ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের দিকে তাঁর চ্যালেঞ্জ, যদি পার তো আমাকে আটকে দেখাও। নিজের টুইটারের হ্যাশট্যাগের মাধ্যমেও ত্রিপুরায় সরকার পরিবর্তনের বার্তা দিয়েছেন অভিষেক।Tomorrow, I am coming to #Tripura to stand by every Trinamool worker who were brutally attacked by @BJP4Tripura goons today.It is my promise that I shall continue fighting till the very last drop of my blood.STOP ME IF YOU CAN @BjpBiplab!#TripuraDeservesBetter Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 7, 2021প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে ত্রিপুরায় আমবাসায় আক্রান্ত হন দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া দত্ত এবং সুদীপ রাহা নামে তৃণমূলের যুব নেতা-নেত্রীরা। এই ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে। তবে তা নিয়ে দুদলের চাপানউতরের মাঝে রাতে ফের আর একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিজেপি-র কাছে তৃণমূলের নেতারা আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। এর পরই ত্রিপুরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানান অভিষেক। অভিষেকের আগেই অবশ্য ত্রিপুরায় যাওয়ার কর্মসূচি ছিল রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এবং রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনের। এ ছাড়া, এই মুহূর্তে ওই রাজ্যে রয়েছেন দলের প্রাক্তন বিধায়ক সমীর চক্রবর্তী।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজনীতি

TMC-Tripura: ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ও উন্নয়নের সরকার গড়ার হুংকার অভিষেকের

তৃণমূলের এখন পাখির চোখ ত্রিপুরা। সেখানে ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসবে বলেই দাবি করলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগরতলায় দাঁড়িয়ে বিপ্লব দেব সরকারকে চ্যালেঞ্জ করলেন তিনি। রবিবার রাতেই ত্রিপুরার রাস্তার পাশে লাগানো অভিষেকের ব্যানার, ফেস্টুন ছেঁড়া হয়। খুলে ফেলা হয় তৃণমূলের পতাকাও। এরকম পরিস্থিতিতে ত্রিপুরায় পা রাখার পরই তৃণমূলেল সর্বভারতীয় সভাপতিকে শুনতে হয় গো ব্যাক স্লোগানও। গাড়ির উপর পরে লাঠিও। রাস্তায় বসে পথ অবরোধ করে স্কুলের বাচ্চারাও। আরও পড়ুনঃ অভিষেকের পা রাখার আগেই উত্তপ্ত ত্রিপুরাসোমবার দুপুরে আগরতলায় সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বলেন, আমাকে বার বার আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আটকানো যায়নি। আমরা লোহার মতো। যত তাতাবে, তত শক্ত হবে। আমাদের যত তাঁতাবে, তত জেদ বাড়বে। তার পরেই বিজেপি-র উদ্দেশে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, আজকের তারিখ লিখে রাখুন। তৃণমূল এক বার ত্রিপুরায় পা রেখেছে। ত্রিপুরাই এখন আমাদের পাখির চোখ। আগামী দেড় বছরে এখানে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের সরকার গড়ব। তবে তাতে আপনাদের সহযোগিতা দরকার। ক্ষমতায় আসার পরে ত্রিপুরার মানুষও দুয়ারে সরকার ও অন্যান্য প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অভিষেক। ত্রিপুরায় যাওয়ার পর থেকে কী ভাবে বার বার তাঁকে আটকানোর চেষ্টা হয়েছে সেই বিবরণও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন অভিষেক। তিনি জানান, দলীয় কর্মীদের দিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলেও বিজেপি ব্যর্থ হয়েছে। যদিও তাঁর তিন নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক।আইপ্যাক কর্মীদের গৃহবন্দি করে, তাঁর গাড়িতে হামলার পরেও তাঁকে থামানো যাবে না বলেই জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, আমি ৮-১০ দিনের মধ্যে আবার আসব। মাসে তিন বার আসব। ক্ষমতা থাকলে আমাকে আটকে দেখাক।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: অভিষেকের পা রাখার আগেই উত্তপ্ত ত্রিপুরা

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ত্রিপুরা সফরের আগেই ছেঁড়া হল তৃণমূলের বেশ কিছু হোর্ডিং ও ব্যানার। সেগুলিতে অভিষেক ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিও ছিল। এই ঘটনায় সরাসরি বিজেপি-র দিকে আঙুল তুলেছে তৃণমূল। ত্রিপুরার তৃণমূল সভাপতি আশিস লাল সিং জানিয়েছেন, অভিষেককে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরের বাইরে বেশ কিছু হোর্ডিং ও ব্যানার লাগানো হয়েছিল। রাতের অন্ধকারে সেগুলি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। এয়ারপোর্ট থেকে পোলো গ্রাউন্ড হোটেল পর্যন্ত রাস্তার দুধারের সমস্ত ফেস্টুন- ব্যানার ছিঁড়ে দিয়েছে। আজ, সোমবার সকাল থেকে আমরা ফের ব্যানার লাগাতে শুরু করেছি। এভাবে ত্রিপুরায় তৃণমূলকে আটকাতে পারবে না। তিনি জানিয়েছেন, এদিন বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধু উল্লেখ্য, ত্রিপুরাজুড়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়াচ্ছে তৃণমূলও। গত শুক্রবারই সে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধায়ক-সহ সাত জন নেতা-নেত্রী তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এই অবস্থায় অভিষেকের ত্রিপুরা সফরের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। তার আগেই এই হোর্ডিং, ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় আরও উত্তাপ বাড়ল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। সোমবার ত্রিপুরা পৌঁছে বেলা ১২টায় ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেবেন অভিষেক। তার পর দুপুর সাড়ে ৩টে নাগাদ আগরতলার একটি হোটেলে সাংবাদিক বৈঠক করবেন তিনি। এই বৈঠক উপলক্ষে ত্রিপুরায় থাকা তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীরা ইতিমধ্যেই আগরতলা পৌঁছে গিয়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে ক্রমাগত উত্তাপ বাড়ছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাক-এর ২৩ কর্মীকে আগরতলার হোটেল বন্দি করে রাখার ঘটনায় বিপ্লব দেব সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছে তৃণমূল। বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে আইপ্যাক-এর কর্মীদের তলবও করে আগরতলা পুলিশ। যদিও আগাম জামিন নিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যেই আগরতলায় গিয়েছেন ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও ব্রায়েন এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। যদিও হোটেলে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁদের।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek Bannerjee: সোমবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক

শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরছেন। তবে, ত্রিপুরা সফরে যাচ্ছেন না। সোমবার আগরতলার বিমানে উঠবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।সামনেই বিধানসভা ভোট। বাংলায় কায়দাতেই এবার ত্রিপুরা জয় করতে চাইছে তৃণমূল। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই আসরে নেমে পড়েছে পেশাদার সংস্থা আইপ্যাক। কিন্তু ঘটনা হল, গত কয়েকদিন ধরে আগরতলা হোটেলে বন্দি আইপ্যাকের টিম। তাঁদের বিরুদ্ধে বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। সমন পাঠিয়ে টিমের সদস্যদের আলাদাভাবে তলব করা হয়েছে ১ অগস্ট। তাদেরকে জেরা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবসত্রিপুরায় তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে তৃণমূল। এখন আগরতলায় রয়েছেন ব্রাত্য বসু,মলয় ঘটক ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ওব্রায়েন জানিয়েছিলেন, শুক্রবার সকালে দুদিনের সফরে আগরতলার উদ্দেশে রওনা হবেন অভিষেক। তবে কোভিড পরিস্থিতির কারণে সেখানে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি করবেন না। সন্ধেয় ব্রাত্য বসু জানান, শনি ও রবিবার ত্রিপুরায় কার্ফু জারি করেছে সরকার। তাই সোমবার আসবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুলাই ৩০, ২০২১
দেশ

Pegasus-Congress: পেগাসাস-কাণ্ডে অভিষেকের পাশে কংগ্রেস

পেগাসাস কাণ্ডে কাছাকাছি কংগ্রেস-তৃণমূল! রবিবার কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে একটি পোস্ট ঘিরে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের ওই পোস্টে লেখা হয়েছে, নিজের শত্রুদের চোখে চোখে রাখতে হয়। এই প্রবাদ নিয়ে মোদি একটু বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলেছেন। এই বক্তব্যটির নীচে দেওয়া হয়, হ্যাশট্যাগ পেগাসাসস্নুপগেট। টুইটটির সঙ্গে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। ছবির পাশে লেখা হয়েছে, আপনি ক্রোনোলজিটা বুঝুন। পেগাসাসে গুপ্তচরবৃত্তির লক্ষ্য। কে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো। কখন? ২০২১। কেন? পশ্চিমবঙ্গের ভোটের সময়। তার নীচে মন্তব্য, মোদি সরকারের নিরাপত্তাহীনতার শেষ নেই।PM Modi took the adage, keep your enemies closer a little too far. #PegasusSnoopgate pic.twitter.com/YfaIP2rH44 Congress (@INCIndia) July 25, 2021ইতিপূর্বে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যেই। এ বার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে অভিষেকের ছবি দিয়ে ফোনে আড়িপাতার ঘটনায় মোদি সরকারে বিরুদ্ধে সরব হয়ে এআইসিসি মমতাকে জোটের বার্তা পাঠিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, সোমবার দিল্লি রওনা হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। চার দিনের দিল্লি সফরে বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ২০২৪ সালের ভোট নিয়ে আলোচনাও হতে পারে তাঁর। তার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর ফোনে আড়িপাতার ঘটনা নিয়ে সরব হয়ে কৌশলেই কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে আলোচনায় বসার বার্তাই পাঠিয়েছেন বলে মত অনেকের। তবে এই প্রতিবাদকে কংগ্রেসের তৃণমূলের প্রতি জোটবার্তা বলে মানতে চাননি রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য। তিনি বলেছেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব বিরোধী কোনও নেতার ফোনে আড়িপাতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই পারে। শুধুই অভিষেকই নয়, দেশের অনেক বিরোধী নেতা আছেন যাঁদের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগ উঠেছে। শুধু রাজনৈতিক নেতৃত্ব নন, দেশের বহু উল্লেখ্যযোগ্য মানুষের ফোনেও আড়ি পাতা হয়েছে। সবার আগে পুরো বিষয়টির তদন্ত হওয়া দরকার।এই ঘটনায় কংগ্রেস সার্বিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। এবং তা কোনও বিশেষ দলের জন্য নয়। প্রতিবাদ মানে এই নয় যে, কোনও নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২১
কলকাতা

Abhishek Bannerjee: কলার টিউনে 'বাংলার যুবরাজ'

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বাংলার যুবরাজ গানটি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধীদের আক্রমণ উপেক্ষা করে দলকে জয় ছিনিয়ে এনে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই ভূমিকাকেই গানের আকারে ছড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। এবার সেই গানকেই কলার টিউন করে বাজারে ছাড়া হল। আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রদেশবাসীর কাছে সহজেই এই গান কলার টিউন হিসেবে পৌঁছে দিতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোনের যে কোনও নেটওয়ার্ক ইউজাররাই কলার টিউন হিসেবে গানটি ব্যবহার করতে পারবেন। বিভিন্ন অ্যাপ থেকে কলাজ টিউনটি ডাউনলোড করা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
কলকাতা

TMC-Tushar Mehta: বিজেপির 'সিক্রেট জেনারেল' তুষার, অভিষেকের টুইট তোপ

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল। তুষার মেহতার অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার কথাও তৃণমূল শিবিরের। এরইমধ্যে সোমবার টুইট করে সলিসিটর জেনারেলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তুষারকে বিজেপির সিক্রেট জেনারেল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলেরটুইটে অভিষেক লেখেন, ৭২ ঘণ্টা পরেও নিজের মন্তব্যের সমর্থনে ২০ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে পারেননি তুষার মেহতা। মিস্টার এসজি, এই দুর্বল রক্ষণ নিয়ে আপনি বিজেপি-র সিক্রেট জেনারেল হিসাবে কাজ করতে পারবেন, ভারতের সলিসিটর জেনারেল হিসাবে নয়। এর আগে রবিবার দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনও রবিবার সকালে টুইট করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান সলিসিটর জেনারেলকে।Even after 72 hours, Mr Tushar Mehta, Honble SG of India, has failed to release the 20 mins of CCTV footage of his OWN HOUSE to corroborate his OWN STATEMENT.Mr SG, with such weak defence you can continue serving as @BJP4Indias SECRET GENERAL, not INDIAS SOLICITOR GENERAL. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 5, 2021বৃহস্পতিবার তুষারের দিল্লির বাড়িতে শুভেন্দু গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। শনিবার তৃণমূল দলীয় ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে এই ঘটনার জন্য সলিসিটার জেনারেলের অপসারণ দাবি করে। সেই সময়ও তুষারের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন অভিষেক। যদিও তুষার জানিয়েছেন, শুভেন্দু তাঁর বাড়িতে এলেও সাক্ষাৎ হয়নি। একই দাবি করেছেন শুভেন্দুরও। যদিও তা মানতে নারাজ তৃণমূল।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

Slap Case: অভিষেককে চড় মারায় অভিযুক্তের রহস্যমৃত্যু

বছর ছয়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে এক জনসভার মঞ্চে উঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চড় মারার ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল তমলুকের সেই যুবক দেবাশিস আচার্যের। বিজেপি-র দাবি তাদের দলের কর্মী দেবাশিসকে পরিকল্পনামাফিক খুন করেছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।তমলুক জেলা বিজেপির সভাপতি নবারুণ নায়েক জানিয়েছেন, বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন দেবাশিস। বৃহস্পতিবার ভোরে সংজ্ঞাহীন দেবাশিসকে তমলুক জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তাঁর মাথা এবং গলায় ক্ষত ছিল। দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। বস্তুত এর পরেই ঘটনার কথা জানতে পারেন বিজেপি নেতারা এবং দেবাশিসের পরিবার। হাসপাতালে ছুটে আসেন তমলুক থানার ওসি, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক-সহ একাধিক পুলিশ-কর্তা। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও পুলিশ আঁচ করতে পারেনি। কে বা কারা দেবাশিষকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে গেল, তাঁর সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, তা-ও পরিষ্কার নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। নবারুণ বলেন, আমরা একে খুনের ঘটনা বলেই মনে করছি। রাজ্য সরকারের পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করবে না। তাই আমরা আদালতের পর্যবেক্ষণে তদন্ত চাইছি।দেবাশিসের বন্ধু শুভঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯ নাগাদ তিনি, দেবাশিস এবং সঞ্জয় দেবনাথ আর এক বন্ধু মোটর সাইকেলে তমলুক শহরের অদূরে মাতঙ্গিনী ব্লকের অন্তর্গত নেতাজিনগরে, ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল প্লাজার কাছে একটি চা দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন। দেবাশিস হঠাৎ অন্য একজনের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে কিছুক্ষণ সময় চেয়ে নিয়ে চলে যান। কিন্তু তিনি ফেরেননি। শুভঙ্কর বলেন, আমরা প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর চা-দোকানিকে বলে বাড়ি চলে আসি। বাড়ি ফিরে দেবাশিসদাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু মোবাইল বন্ধ ছিল। সঞ্জয় বলেন, মোবাইলে কারও ফোন আসার পরেই দেবাশিস আমাদের অপেক্ষা করতে বলে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গিয়েছিল।২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি চণ্ডীপুরের সভায় তৎকালীন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেকের সঙ্গে মোবাইলে ছবি তোলার অছিলায় মঞ্চে উঠে তাঁকে সপাটে চড় কষিয়েছিলেন দেবাশিস। তৃণমূল কর্মীদের মারে আহত দেবাশিসকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল। সে সময় দেবাশিসের বাবা-মা কালীঘাটে গিয়ে ছেলের কৃতকর্মের জন্য অভিষেকের কাছে ক্ষমা চান। দেবাশিসও সুস্থ হয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন। অভিষেকও তাঁকে ক্ষমা করেছিলেন। দেবাশিসের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হয়নি তৃণমূলের তরফে। তমলুক এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবেই পরিচিত আচার্য পরিবার। দেবাশিসের মা শিবানী আচার্য বিজেপি মহিলা মোর্চার তমলুক নগর মণ্ডলের সহ-সভানেত্রী। দেবাশিসের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২১
রাজনীতি

Abjishek Bannerjee: সুখেন্দুশেখরের বাড়িতে এবার 'গুরুপ্রণাম' অভিষেকের

নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন সপ্তাহখানেক হল। তবে গুরুপ্রণাম এখনও শেষ হয়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। রবিবার তিনি গেলেন রাজনৈতিক জীবনের আরেক গুরু, দলের বর্ষীয়ান নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের (Sukhendu Sekhar Roy)বাড়ি। সন্ধেবেলা সাংসদের যোধপুর পার্কের বাড়িতে যান দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সদ্য দায়িত্ব পাওয়া অভিষেক। তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান সুখেন্দুশেখর। বাড়ির ভিতরে ডেকে নেন। প্রণাম-আশীর্বাদের পর্ব মিটিয়ে উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয় বলে ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর। নতুন দায়িত্ব সামলানোর জন্য অভিজ্ঞ এই রাজনৈতিক নেতার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ চেয়েছেন যুব নেতা।দলের নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই অভিষেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, রাজনীতির আঙিনায় গুরুজনদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেবেন। সেইমতো গত রবিবার থেকেই তিনি এই কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথম দিন গিয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। নতুন দায়িত্ব এখন তাঁর কাঁধে, এই নয়া অভিষেককে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন বক্সিদা। তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, তোকে সব উজাড় করে দেব। মমতার আশীর্বাদ তোর সঙ্গে আছে। ও কত কষ্ট করেছে, কত সংগ্রাম করেছে। যুব নেতাকে দেখে তাঁর মনে পড়ে যাচ্ছিল তৎকালীন যুব নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা (Mamata Banerjee)। তাই চোখের জলে ভেসে গিয়েছিলেন তিনি। অভিষেকই তাঁকে জড়িয়ে ধরে শান্ত করেন।এরপর অভিষেক একে একে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়ে গুরুপ্রণাম সেরেছেন। সকলেই অভিষেককে নতুন ভূমিকায় দেখতে উদগ্রীব। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে এমন এক সাফল্যের জন্য আশীর্বাদ করেছেন প্রাণভরে। কথা দিয়েছেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা, সুপরামর্শ দিয়ে দায়িত্ব পালনে সাহায্য করবেন। সুখেন্দুশেখরও ব্যতিক্রম নন। তিনিও প্রাণভরে আশীর্বাদ করলেন দলের যুব নেতাকে।

জুন ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

সাংবাদিক বৈঠক: 'তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান কর্মীরাই'

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেব দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেখান থেকে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, দলের আসল সম্পদ দলীয় কর্মীরাই। তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান তাঁরাই। বাংলা জয়ের পর তৃণমূলের দেশ জয়ের ব্লু প্রিন্টের প্রাথমিক খসড়াও দিয়ে দিলেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। সবমিলিয়ে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মতোই সামলালেন সাংবাদিকদের প্রশ্নপর্বও। ২০০৭ সাল থেকে রাজনীতিতে থাকলেও এর আগে অভিষেককে সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেখা যায়নি। এবার নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তিনি। সেখান থেকে দলীয় কর্মীদের তাঁর বার্তা, দলে প্রথম বা প্রধান মুখই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান কর্মীরাই। আমি না। যাঁরা লড়াই করে বাংলায় দলকে ক্ষমতায় এনেছে। এদিন তিনি জানান, দল নতুন দায়িত্ব দিয়েছে। প্রবীণদের আর্শীবাদ নিয়ে কাজ করছি। গতকাল সুব্রত বক্সি, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছি। আজ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দেখা করব। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার পর অভিষেকের এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।পরিবারতন্ত্র, পিসির ভাইপো এ ধরনের অরাজনৈতিক আক্রমণে বিদ্ধ তিনি। রাজনৈতিক পথেই তার সপাট জবাব দিয়েছেন।আর তাতেই পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদে।তিনি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীর অত্যন্ত স্নেহ, ভরসার পাত্র বুঝিয়ে দিলেন তাঁর লক্ষ্য স্থির। বললেন, যে দায়িত্ব পেয়েছি, তাতে আগামী দিনে দলের বিস্তারে আরও কাজ করব।দলকে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যাব। লিখে রাখুন, আগামী কুড়ি বছর রাজ্য প্রশাসনের কোনও পদ আমি নেব না। পরিবারতন্ত্র নিয়ে কটাক্ষেরও জবাব দিলেন প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে।এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও খোঁচা দেন অভিষেক। বললেন, বিরোধী দলনেতা কুৎসা করছেন। ৪০ লক্ষ বাঙালি বিজেপিশাসিত রাজ্যে রয়েছেন বলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। আমি বলব, কুৎসা করবেন না। বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করুন।

জুন ০৭, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দায়িত্ব পেয়েই পার্থ ও সুব্রতর বাড়িতে অভিষেক

শনিবারই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । জাতীয় রাজনৈতিক স্তরে উত্থান ঘটেছে তাঁর। আর নতুন পদ পেয়েই রবিবার সশরীরে তিনি পৌঁছে গেলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। সেখান থেকে সুব্রত বক্সির সঙ্গে দেখা করতে যান তৃণমূলের নয়া সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।এক সময় মুকুল রায় যে পদ সামলেছেন তিনি বিজেপিতে যাওয়ার পর সুব্রত বক্সীকে ওই পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই পদে এবার দলের এতদিনের যুব সভাপতি। তাই দলের সিনিয়র নেতৃত্বের আর্শীবাদ নিয়েই রাজনৈতিক জীবনের এই নতুন পথ চলা শুরু করলেন অভিষেক। তাই পদ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি। এদিন দুপুরে পার্থর নাকতলার বাড়িতে যান তৃণমূলের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর আশীর্বাদ নিতে পার্থর বাড়িতে যান ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। দীর্ঘদিন রাজনীতি করার সূত্রে মহাসচিবের কাছ থেকে পরামর্শও নেন তিনি। তবে শুধুমাত্র পার্থ নন, দলের অনেক প্রবীণ নেতারও আশীর্বাদ নিতে চান অভিষেক। সেখানে কুশল বিনিময় করেন দুজন। বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলে অভিষেক চলে যান তাঁর ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে।সেখান থেকে আবার সন্ধেবেলা সুব্রত বক্সীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে যান অভিষেক। তাঁকে জড়িয়ে ধরে আশীর্বাদ করেন সুব্রত বক্সী। তারপর তিনি দেখা করেন তৃণমূলের আর এক প্রবীণ নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সূত্রের খবর, দলের আরও প্রবীণ নেতার আশীর্বাদ নিতে যাবেন অভিষেক।

জুন ০৬, ২০২১
কলকাতা

কালীঘাটে মহাযজ্ঞ, পৌরহিত্যে অভিষেক

বিকেলে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। তার অব্যবহিত আগে মহাযজ্ঞের আয়োজন কালীঘাটে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি লাগোয়া তৃণমূলের কার্যালয়ে শুক্রবার যজ্ঞ হয়। সকাল থেকে সেই যজ্ঞে বসেন যুব তৃণমূলের সভাপতি, সাংসদ তথা দলের অঘোষিত দুনম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অভিষেককে পাশে নিয়ে যজ্ঞ সম্পাদন করছেন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েত জগন্নাথ দয়িতাপতি।অনেকে বলছেন, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার জন্যই ওই যজ্ঞ। এ নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষও করেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। তবে ভোটের দিন ঘোষণার সঙ্গে যজ্ঞের কোনও সংযোগ নেই বলে দাবি তৃণমূলের। কালীঘাট সূত্রের খবর, শুক্রবারের যজ্ঞ আগে থেকেই পরিকল্পিত। তার আয়োজনও শুরু হয়েছে কয়েকদিন আগে থেকেই। নির্বাচন কমিশন যে শুক্রবারেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করবে, তা আগে থেকে কারওরই জানা ছিল না। বরং রাজ্যের রাজনৈতিক মহল ভাবছিল, মার্চের প্রথম সপ্তাহে ভোটের দিন ঘোষণা হবে। ফলে যজ্ঞ এবং ভোটের দিন ঘোষণার দিন মিলে যাওয়া নেহাতই এক সমাপতন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

অভিষেকের বাড়িতে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রী, কারণ কী?

অভিষেকের স্ত্রী রুজিরাকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের আগেই শান্তিনিকেতনে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বেলা ১১ টার কিছু পরে মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছে যান ১৮৮এ, হরিশ মুখার্জি স্ট্রিটে, অভিষেকের বাড়িতে। বেশ কিছুক্ষণ সেখানে ছিলেন মমতা। এরপর গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যান। আর মুখ্যমন্ত্রী বেরনোর ঠিক ৩ মিনিটের মাথায় সেখানে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিকরা। ঘড়িতে তখন ঠিক ১১ টা ৩৬। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ব্যাখ্যা, রাজনীতির বাইরে ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সম্পর্কের কারণেই এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অভিষেকের বাড়ি গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ৮ মিনিট সেখানে ছিলেন তিনি। প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকতে পারেন। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের ঠিক আগে অভিষেক ও তাঁর মনোবল বাড়িয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
কলকাতা

সিবিআই জেরার মুখে অভিষেক-শ্যালিকাও

কয়লা কাণ্ডে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকা গম্ভীরকে টানা আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। মেনকার ব্যাঙ্ক লেনদেন সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছে তারা। যদিও সেই সব নথিপত্র কয়লাকাণ্ডের তদন্তে কী ভাবে সাহায্য করতে চলেছে, সে কথা স্পষ্ট করে জানাননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত মেনকাকে টানা জেরা করার পর সিবিআই আধিকারিকরা জানিয়ে গিয়েছেন, প্রয়োজন পড়লে মেনকাকে আবারও জেরা করা হতে পারে। এদিকে, মঙ্গলবারই সিবিআই আধিকারিকদের নিজের বাড়িতে জেরা করার জন্য সময় দিয়েছেন অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা। কয়লা কাণ্ডের সাক্ষী হিসাবে জেরা করার জন্য সিবিআইয়ের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছিল অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্যালিকা মেনকাকে। রুজিরা জানিয়েছিলেন, সোমবার বেলা ১১টা থেকে বেলা ৩টের মধ্যে যে কোনও সময় সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা বাড়িতে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। সোমবার পঞ্চসায়রে মেনকার আবাসন উপহার-এ সিবিআই পৌঁছে যায় দুপুর ১২টা নাগাদ। ৭ জন সিবিআই কর্তার দলে ছিলেন দুজন মহিলা আধিকারিক। তবে মেনকার আবাসনের গেটে পৌঁছতেই বাধা দেওয়া হয় সিবিআই কর্তাদের। সূত্রের খবর, সিবিআই কর্তারা আসবেন বলে, সোমবার সকালেই কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা ওই আবাসন চত্বরে ঘুরে যান। সাদা পোশাকে কলকাতা পুলিশের কর্তারা সেখানে মোতায়েন রয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

কবে সিবিআইয়ের মুখোমুখি? কী জানালেন রুজিরা

সিবিআই নোটিসের জবাব দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা। সোমবার সকালেই তিনি সিবিআই দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানালেন যে মঙ্গলবার দেখা করবেন। এও জানান যে, মঙ্গলবার ১১ টা থেকে বিকেল ৩টের মধ্যে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হবেন। সূত্রের খবর, সোমবার বেলার দিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি পাঠিয়েছেন রুজিরা। জানিয়েছেন, রবিবার তাঁরা যখন নোটিস দিতে শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন, সেসময় তিনি বাড়ি ছিলেন না। তবে নোটিস পেয়েছেন। সেইমতো সহযোগিতা করতে মঙ্গলবার সিবিআইয়ের মুখোমুখি হতে চান।উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাই রবিবার অভিষেকের শান্তিনিকেতনে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নোটিস নিয়ে যায় সিবিআই। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, দ্রুত নোটিসের জবাব দিতে হবে রুজিরাকে। তার জন্য নিজেদের ফোন নম্বরও অভিষেকের বাড়িতে রেখে এসেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে তাঁকে সিবিআই দপ্তরে তলব করা হয়নি। শুধু তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন গোয়েন্দারা। সাক্ষী হিসেবে রুজিরার কাছে তাঁরা কিছু জানতে চান বলে সূত্রের খবর। যদিও কয়লা কাণ্ডে কেন তাঁকে নোটিস দেওয়া হল কিংবা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন, তা কিছুই বুঝতে পারছেন না বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন রুজিরা। সিবিআই সূত্রে খবর, যদি সোমবার রুজিরার তরফে কোনও সাড়া না মিলত, তাহলে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সিবিআইয়ের।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

নিট কেলেঙ্কারির ভয়ংকর ফাঁস! “৫০০-৬০০ নম্বর নিশ্চিত”, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বিস্ফোরক তথ্য

নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, মূল অভিযুক্ত শুভম খয়েরনার পরীক্ষার্থীদের ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিত। তার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকেই ফাঁস হয়েছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।নিট ২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের তদন্তভার এখন সিবিআইয়ের হাতে। ইতিমধ্যেই জাতীয় পরীক্ষাকর্তা সংস্থা পরীক্ষা বাতিল করেছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দিনও ঘোষণা করা হয়েছে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নাসিক থেকে গ্রেফতার হওয়া শুভম খয়েরনার গত এপ্রিল মাসেই তার সাপ্লায়ার যশ যাদবকে জানিয়েছিল যে প্রশ্নপত্রের কপি জোগাড় হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২৯ এপ্রিল ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিয়ে চূড়ান্ত চুক্তি হয়। তারপর থেকেই শুরু হয় পরীক্ষার্থীদের টার্গেট করে প্রলোভন দেখানো।অভিযুক্তরা পড়ুয়াদের বোঝাত, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র নিলে তারা নিশ্চিতভাবে বেশি নম্বর পাবে এবং দেশের নামী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ চলত মূল অভিযুক্তদের মধ্যে। সেখানে পরীক্ষার্থীদের ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৫০০ থেকে ৬০০ নম্বর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হত।সিবিআই ইতিমধ্যেই শুভমের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। চ্যাটের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের কপিও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, মহারাষ্ট্র থেকে শুরু করে হরিয়ানার গুরুগ্রাম, রাজস্থানের জয়পুর ও শিকর-সহ দেশের বিভিন্ন বড় কোচিং কেন্দ্রে এই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, জম্মু-কাশ্মীর, বিহার এবং কেরলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।শুভম খয়েরনার বয়স ৩০ বছর। নাসিকের ইন্দিরানগরের বাসিন্দা সে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও কখনও ডাক্তারি পাশ করতে পারেনি। তদন্তে জানা গিয়েছে, ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিটের প্রশ্নপত্র কিনে পরে তা ১৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেয় সে।এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে কীভাবে বড় চক্র কাজ করছিল, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে তদন্তে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কান্ডে বড় পদক্ষেপ! তিন আইপিএস সাসপেন্ড, ফের খুলছে তদন্তের ফাইল; মমতার ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের বহুল আলোচিত চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে নতুন করে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ঘটনার সময় দায়িত্বে থাকা তিন আইপিএস অফিসারবিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত-কে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি-র ভূমিকা নিয়েও খতিয়ে দেখার ইঙ্গিত দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরই তিনি মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছিলেন। আরজি করের ঘটনার সময় পুলিশ প্রশাসন কীভাবে পরিস্থিতি সামলেছিল, কোথায় কোথায় গাফিলতি হয়েছে এবং কোন স্তরে তদন্ত প্রক্রিয়ায় ব্যত্যয় ঘটেছে, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর ত্রুটির অভিযোগ। বিশেষ করে ঘটনার পর যথাসময়ে এফআইআর দায়ের, প্রমাণ সংগ্রহ এবং তদন্তের প্রাথমিক ধাপগুলি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু তথ্যের উল্লেখ করে শুভেন্দু দাবি করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সরকারি স্তরে আর্থিক সমঝোতার চেষ্টা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড সামনে আসতেই সারা রাজ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। চিকিৎসক সমাজের লাগাতার আন্দোলন, প্রতিবাদ মিছিল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের মুখে তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। পরবর্তীতে তাঁকে কলকাতা পুলিশের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এসটিএফ-এর এডিজি ও আইজিপি পদে বদলি করা হয়েছিল।একই সময়ে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) পদে ছিলেন অভিষেক গুপ্ত। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ ওঠার পর তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। ডিসি (সেন্ট্রাল) পদে থাকা ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ও আরজি কর-পরবর্তী অস্থির পরিস্থিতিতে কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে এসেছিলেন। তাঁর ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায় আসছে।শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই তদন্ত শুধু প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নির্ধারণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজন হলে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। বিরোধীরা একে ন্যায়বিচারের পথে বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করলেও, শাসকদলের একাংশ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই কটাক্ষ করেছে।আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে তদন্তের দরজা খোলায় ফের সামনে আসছে সেই ভয়াবহ রাতের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন। এবার প্রশাসনিক পদক্ষেপ কতদূর গড়ায়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ঘরছাড়াদের ফেরাতে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! তবে মানতে হবে কড়া শর্ত

ছাব্বিশের নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের তরফে দাবি করা হচ্ছিল, বিভিন্ন জেলায় তাঁদের বহু নেতা-কর্মী আক্রান্ত এবং ঘরছাড়া। শুক্রবার বিধানসভা অধিবেশনেও সেই অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর সেই অভিযোগের পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।বিধানসভায় এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন শাসকদলের প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বোস। বিরোধীরা কোনও প্রার্থী না দেওয়ায় তাঁদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বক্তব্য রাখতে উঠে ভোট পরবর্তী হিংসার প্রসঙ্গ তোলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অত্যাচারে বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া হয়ে রয়েছেন।এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁর জানা মতে বর্তমানে কেউ ঘরছাড়া নন। তবে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিরোধী দলনেতাকে নামের তালিকা জমা দিতে বলেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, আপনারা তালিকা দিন, কারা ঘরছাড়া হয়েছেন জানিয়ে দিন।তবে এখানেই একটি স্পষ্ট শর্ত বেঁধে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, তালিকায় থাকা কেউ যদি একুশের ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর থাকে, তাহলে তাঁকে ঘরে ফেরানো হবে না। বরং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু যদি কেউ নির্দোষ হয় এবং সত্যিই ঘরছাড়া থাকেন, তাহলে স্থানীয় বিধায়ক ও পুলিশ সুপার তাঁকে সসম্মানে ঘরে ফিরিয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দেন শুভেন্দু।বিধানসভায় এই আলোচনা শেষ হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার। সূত্রের খবর, তিনি শুভেন্দুকে বলেন যে বাইরে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত। তখন মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরের দিন পুলিশের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে এবং সেখানে পান্নালালকেও থাকতে বলেন তিনি।শোনা যাচ্ছে, সেই বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য লিখিত আমন্ত্রণপত্র চান পান্নালাল। পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, বিধানসভায় আগেই শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, বিরোধীদেরও সমানভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আর এবার পুলিশের বৈঠকে বিরোধী বিধায়ককে ডাক দিয়ে তিনি যেন সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট করে দিলেন।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আর গোপন কিছু নয়! বিধানসভার সব কার্যকলাপ লাইভ দেখানোর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বিধানসভার প্রথম দিন থেকেই বড় পরিবর্তনের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়করা কে কতটা কাজ করছেন, কে নিয়মিত বিধানসভায় উপস্থিত থাকছেন, তা যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি জানতে পারেন, সেই লক্ষ্যে বিধানসভার কার্যকলাপ লাইভ সম্প্রচারের ঘোষণা করলেন তিনি। তাঁর কথায়, জনগণের নজরদারি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, অতীতের অম্ল-মধুর অভিজ্ঞতা তিনি আর টেনে আনতে চান না। পুরনো ত্রুটি-বিচ্যুতি ভুলে গিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নিয়ম মেনেই বিধানসভা চালানোর উপর জোর দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিধানসভাকে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ করে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।তিনি জানান, বিধায়কদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। প্রশ্নোত্তর পর্বে সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ অনেক সময় বুঝতেই পারেন না তাঁদের নির্বাচিত প্রতিনিধি কী কাজ করছেন। তাই বিল, বাজেট, জিরো আওয়ার-সহ বিধানসভার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যকলাপ সরাসরি সম্প্রচার করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।বিধানসভায় বিশৃঙ্খলা ও অশালীন আচরণের বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও বিধায়ককে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা উচিত নয়। বিধানসভা মারামারির জায়গা নয়, বরং গণতান্ত্রিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মঞ্চ।শুভেন্দু আরও জানান, বিধানসভায় সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। এখনও ভোটাভুটির ক্ষেত্রে কাগজে লিখে মত জানাতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভবিষ্যতে ডিলিমিটেশন হলে বিধানসভার আসন সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারণেই নতুন বিধানসভা ভবন তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।বিরোধীদের উদ্দেশেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বিরোধীদের আরও বেশি করে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে বিরোধী বিধায়করা সরাসরি মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। পাশাপাশি কোনও মন্ত্রী এলাকায় গেলে স্থানীয় বিধায়ককে আগাম জানানো হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।শেষে বিরোধীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে চিঠি পাঠালেও উত্তর পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাবে। বিরোধীরা চিঠি দিলে তিনি নিজে তার উত্তর দেবেন বলেও জানান শুভেন্দু।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নাম না করেই অভিষেককে নিশানা তাপস রায়ের! “বিজেপি নয়, ওর ব্যবস্থা করবে জনগণ আর তৃণমূল”

নতুন সরকার গঠনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। স্পিকার নির্বাচনের দিন তৃণমূলকে একের পর এক আক্রমণ শানালেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। নাম না করেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তিনি। তাপসের বক্তব্য, বিজেপি তাঁর কিছু করবে না। তাঁর ব্যবস্থা করবে জনগণ এবং তৃণমূলই।শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন বিজেপির রথীন্দ্র বসু। এরপর বিভিন্ন দলের বিধায়করা বক্তব্য রাখেন। সেই সময় বক্তব্য রাখতে উঠে তাপস রায় শুরু থেকেই তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন। তৃণমূল বিধায়কদের দিকে তাকিয়ে তিনি বলেন, অনেক তো করেছেন। এবার দেখতে খারাপ লাগছে নাকি?এরপরই তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের ভোট ছিল না, এটা ছিল ধর্মযুদ্ধ। সেই ধর্মযুদ্ধে যারা জিতে এসেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানান তিনি।নবনির্বাচিত স্পিকার রথীন্দ্র বসুর উদ্দেশে তাপস বলেন, বিধানসভায় কোনও দেশবিরোধী বা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান যেন না ওঠে, তার জন্য প্রয়োজন হলে আইন আনতে হবে। তাঁর এই মন্তব্যে টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানাতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।এরপরই নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন তাপস রায়। তিনি বলেন, একজন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ব্লক অঞ্চল থেকে বিজেপি প্রার্থীদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। যদিও বাংলার দলের আবার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক! এই মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়করা প্রতিবাদ শুরু করলে তাপস বলেন, সব বলা যায়। বলতে দিতে হবে।তাপস আরও বলেন, সে বলেছিল হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হবে। আমি বলছি, এবার সে বাইরে বেরোক। বিজেপি কিছু করবে না। তার ব্যবস্থা জনগণ আর তৃণমূলই করবে।ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ নিয়েও তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। তাপসের দাবি, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে বিজেপির বহু কর্মী খুন হতেন। তিনি বলেন, আজ যদি ওরা ক্ষমতায় ফিরত, তাহলে দেড়শোর বেশি বিজেপি কর্মীর লাশ গুনতে হত। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হত। লক্ষ লক্ষ বিজেপি সমর্থক ঘরছাড়া থাকতেন।একসময় তৃণমূলেরই নেতা ছিলেন তাপস রায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বরাহনগর থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাপস বলেন, আমি যদি ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত থাকি, তাহলে আমাকে জেলে পাঠান।শেষে জয় শ্রীরাম এবং ভারত মাতার জয় ধ্বনি দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন বিজেপি বিধায়ক।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

পদ হারিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট কাকলির! তৃণমূলে কি বাড়ছে বিদ্রোহ?

লোকসভায় মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। আর তারপর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা। কারণ পদ হারানোর পর সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেছেন কাকলি। সেই পোস্ট ঘিরেই এখন রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।পালাবদলের পর থেকেই তৃণমূলের একাংশ নেতার মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে, কেউ আবার সমাজমাধ্যমে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই দলের খারাপ ফলের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাককে দায়ী করেছেন। সেই আবহেই কাকলির পোস্ট নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই দায়িত্ব দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। কিন্তু মাত্র নমাসের মধ্যেই ফের সেই পদে ফিরিয়ে আনা হল কল্যাণকে। আর তারপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত?পদ থেকে সরানোর পর সমাজমাধ্যমে কাকলি লেখেন, ৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম। এই পোস্ট থেকেই স্পষ্ট, সিদ্ধান্তে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।এর আগেও কাকলির ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার একাধিক পোস্ট করে দলের অন্দরে চাঞ্চল্য ফেলেছিলেন। সমাজমাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে সিপিএম নেতৃত্ব এবং মহম্মদ সেলিমের প্রশংসাও করেছিলেন।আরও একটি পোস্টে বৈদ্যনাথ লিখেছিলেন, আমার মাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই। প্রশ্ন করুন সব্যসাচী দত্ত কোথায়? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্টের পর থেকেই কাকলির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে।এখন ছেলের পর মা-ও প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও কাকলির পোস্ট নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal