• ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhishek Banerjee

রাজ্য

"আজ ট্রেলার দেখালাম, সিনেমাটা নির্বাচনে বাংলার মানুষ দেখিয় দেবে”, হুঙ্কার অভিষেকের

রবিবাসরীয় তৃণমূল কংগ্রেসের জনগর্জন ব্রিগেড। এদিন যে জনজোয়ার ঘটেছে তা পুরোপুরি বলা যাবে না। লোকসভা নির্বাচনের আগে মাত্র ১২ দিনের ঘোষণায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সমাবেশ করল রাজ্যের শাসকদলের। ব্রিগেডে আসন্ন লোকসভা ভোটের আগে কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে আগাগোড়া আক্রমনাত্মক ভাষণ দেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ব্রিগেডের জনপ্লাবন দেখে তৃণমূল সাংসদের মন্তব্য, আজ ট্রেলার দেখালাম, সিনেমাটা নির্বাচনে বাংলার মানুষ দেখিয় দেবে। শুধু একথাই নয়, নাম না করে এদিন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন তৃণমূলের শীর্ষ সেনাপতি।আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্রিগেডে জনগর্জন সভার ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ১২ দিনের ঘোষণায় ব্রিগেডে এই সভা তৃণমূলের। এই সভামঞ্চ থেকেই এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও বিজেপিকে নিশানা করে তুমুল হুঙ্কার ছাড়েন অভিষেক।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোট ED, CBI দেবে না। ভোট দেবেন মানুষ। দিল্লি থেকে বহিরাগত এসে বলছে মোদী গ্যারান্টি। চোর চুরি করে এখন BJP-তে যায়। এটাই মেদাীর গ্যারান্টি। ২০১৪-এর আগে বলেছিলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী হলে প্রত্যেক ভারতীয়র অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫ লাখ করে। কেউ পেয়েছেন? তাহলে বলুন মোদীর গ্যারান্টি জিরো গ্যারান্টি।এখানেই থামেননি তৃণমূলের শীর্ষ সেনাপতি। আসন্ন নির্বাচনে তাঁদের লড়াই কার কার সঙ্গে সেব্যাপারেও কর্মীদের সতর্ক করে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, তৃণমূলের লড়াই শুধু BJP-এর বিরুদ্ধে নয়। BJP, CPIM, বাংলার অধীর চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhury) নেতৃত্বাধীন থাকা Congress, ED, CBI, NIA, আয়কর, মোদী, অমিত শাহ, বিচার ব্যবরস্থার একাংশের বিরুদ্ধে। আমাদের বিশ্বাস, এই লড়াইয়ে আমরাই জিতব। বিজেপির সঙ্গে টাকা আছে, আমাদের সঙ্গে মানুষ আছেন।এছাড়াও নাম না করে এদিন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কেও নিশানা করেছেন অভিষেক। এপ্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, এখন চুরি করেই বিজেপিতে যাচ্ছে। এখন বিচারপতিকে উত্তরীয় পরাচ্ছে চোরেরা।এদিন সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও এদিন নাম না করে প্রাক্তন বিচারপতিকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। চাকরি খেয়েছে বলে তোপ দাগেন মমতা। বিচারপতির বিচার জনগণ করবে বলে তিনি জানিয়ে দিলেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন তৃণমূল নেত্রী।

মার্চ ১০, ২০২৪
রাজনীতি

৪২ লোকসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূল কংগ্রেসের, চমকের পর চমক

বিজেপি ইতিমধ্যে রাজ্যের ২০টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। এবার তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ৪২টি আসনেই তাঁদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল। শাসকদলের প্রার্থী তালিকায় চমকের পর চমক।এক নজরে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকাকোচবিহার-জগদীশ চন্দ্র বাসুনিয়াআলিপুরদুয়ার- প্রকাশচিক বরাইক।জলপাইগুড়ি- নির্মলচন্দ্র রায়। (ধূপগুড়ির বর্তমান বিধায়ক)দার্জিলিং-গোপাল লামা।রায়গঞ্জ- কৃষ্ণ কল্যাণী।বালুরঘাট-বিপ্লব মিত্র। (রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রী)মালদহ উত্তর- প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন ব্যানার্জি। (সদ্য স্বেচ্ছাবসর নেওয়া রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তা)মালদহ দক্ষিণ- শাহনওয়াজ আলি রেহান।জঙ্গিপুর-খলিলুর রহমান।বহরমপুর- ইউসুফ পাঠান। (ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার)মুর্শিদাবাদ- আবু তাহের খান।কৃষ্ণনগর-মহুয়া মৈত্র।রানাঘাট-মুকুটমণি অধিকারী।বনগাঁ-বিশ্বজিৎ দাস।ব্যারাকপুর-পার্থ ভৌমিক।দমদম- সৌগত রায়।বারাসত- কাকলি ঘোষদস্তিদার।বসিরহাট- হাজি নুরুল ইসলাম।জয়নগর- প্রতিমা মণ্ডল।মথুরাপুর- বাপি হালদার।ডায়মন্ড হারবার- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।যাদবপুর- সায়নী ঘোষ।কলকাতা দক্ষিণ- মালা রায়।কলকাতা উত্তর- সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।হাওড়া- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।উলুবেড়িয়া-সাজদা আহমেদ।শ্রীরামপুর- কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।হুগলি- রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। (অভিনেত্রী)আরামবাগ- মিতালী বাগ।তমলুক- দেবাংশু ভট্টাচার্য।কাঁথি- উত্তম বারিক।ঘাটাল- দীপক অধিকারী।ঝাড়গ্রাম- কালীপদ সোরেন।মেদিনীপুর- জুন মালিয়া।পুরুলিয়া- শান্তিরাম মাহাত।বাঁকুড়া-অরূপ চক্রবর্তী।বর্ধমান পূর্ব- শর্মিলা সরকার।বর্ধমান-দুর্গাপুর- কীর্তি আজাদ।আসানসোল- শত্রুঘ্ন সিনহা।বোলপুর- অসিত মাল।বীরভূম- শতাব্দী রায়।বিষ্ণুপুর- সুজাতা মণ্ডল।এবারে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় রাজ্যর দুই মন্ত্রী, একজন রাজ্যসভার সাংসদ ও ১১ জন বিধায়ক রয়েছেন।

মার্চ ১০, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চে তৃণমূলের জণগর্জন ব্রিগেডে, কে শাহজাহান? কেন গ্রেফতার নয়? খোলসা করলেন অভিষেক

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।এদিন সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে তিনি বলেছিলেন শাহজাহান কি করেছে? আজ বলেছেন, কে শাহজাহান? অভিষেক বলেন, কে শেখ শাহজাহান? পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে রেয়াত করেনি। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি ব্যবস্থা নিয়েছি। আদালত স্টে অর্ডার দিয়েছে তাই পুলিশ গ্রেফতার করতে পারছে না শেখ শাহজাহানকে। শেখ শাহজাহানকে জুডিশিয়ারি গার্ড করছে। বিজেপিকে ফুটেজ দিতে এই কাজ করছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন। কেউ যদি অন্যায় করে তৃণমূল কংগ্রেস রেয়াত করবে না।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ, জণগর্জনের ডাক অভিষেকের

১০ মার্চ ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সভার নাম দেওয়া হয়েছে জণগর্জন। আবাস যোজনার টাকা বন্ধ সহ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ করবে তৃণমূল। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করেছেন। তবে এই সমাবেশে অন্য কোনও বিজেপি বিরোধী নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না বলে অভিষেক জানিয়েছেন।অভিষেকের দাবি, এটা ট্রেলর। সিনেমা দেখা যাবে ভোটের সময়। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এই সমাবেশ। একাধিক প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপি ভোটের সময় মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

শুধুই কি মতান্তর না কৌশল? ফের দলীয় বৈঠকে অভিষেক

ফের কবে দলীয় কর্মসূচিতে আগের মতই সক্রিয় হতে দেখা যাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে? যখন তৃণমূলের অন্দরেই এই প্রশ্ন জোড়াল হতে শুরু করেছে, তখনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অফিস থেকেই জরুরি বার্তা গেল জোড়া-ফুলের সব সাংসদ, বিধায়ক, ব্লক সভাপতিদের কাছে!অভিষেকের অফিস থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেল ৩টের সময়ে দলের সব সাংসদ, বিধায়ক ও তৃণমূল ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন সেনাপতি। তবে, যেহেতু এক সঙ্গে প্রায় চারশ জনকে নিয়ে বৈঠক করার মতো জায়গা নেই। তাই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে হবে ওই বৈঠক।বয়সসীমা ও দলে এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে মমতা-অভিষেক মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসে। এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত ডায়মন্ড হারবারের মধ্যে তাঁর কার্যকলাপ সীমিত রাখতে আগ্রহী। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা নির্দেশ দেবেন তা পালন করবেন। অথচ কদিন আগে দেখা যায় বীরভূম নিয়ে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন অভিষেক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র বিরোধী ধর্নামঞ্চেও তাঁকে দেখা যায়নি। ফলে কোথায় অভিষেক? তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।এরপরই জানা যায়, সংসদের বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে অভিষেক দিল্লি গিয়েছেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দিল্লি সফর বাতিল করতেই দেখা যায়, মঙ্গলবার বেলায় তড়িঘড়ি রাজধানী থেকে কলকাতায় ফিরেই কালীঘাটে নেত্রীর বাড়িতে গিয়েছেন সেনাপতি। সূত্রের খবর, সেখানে মমতা-অভিষেকের প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয়। এরপরই দলীয় কর্মসূচিতে ফের সক্রিয় হওয়ার বার্তা মিলেছে অভিষেকের অফিস থেকে। তাহলে কী মঙ্গলে তৃণমূলের দুই শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের পরই বরফ গলল? লোকসভার আগে কৌতূহলের বিষয় সেটাই।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৪
রাজ্য

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘোষণার পর এবার শুভেন্দু, বাংলায় শীঘ্রই লাগু সিএএ

আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিএএ ঘোষণা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইঙ্গিতে আগেই সিএএ ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্দ্রী শান্তনু ঠাকুর। সোমবার, সেই সুরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সিএএ-র ডেটলাইন ঘোষণা করে দিলেন। বিরোধী দলনেতা জানালেন, ২৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চালু করা হবে সিএএ।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল সিএএ। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি ক্ষমতায় এলে সিএএ চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পালটা, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল, বিজেপি বাঙালি-বিরোধী। তাই বিজেপি বাঙালিদের নাগরিকত্বের অধিকার কাড়তে চাইছে। সেই কারণে এরাজ্যে সিএএ ঘোষণা করতে চাইছে বিজেপি। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে কোনওমতেই পশ্চিমবঙ্গে সিএএ লাগু করতে দেবে না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অমিত শাহ জি শিলিগুড়ির সভা থেকেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ কারও নাগরিকত্ব হরণের আইন নয়। এটা নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এই ইস্যুতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, ২০২১ সালে সিএএ নিয়ে মিথ্যা প্রচার করেই তো বেরিয়ে গেলেন। সিএএ আর এনআরসির মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। এবার পারলে সিএএ লাগু হওয়া আটকান! দেখবেন, আর লুচির মত ফুলবেন।পরে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, শান্তনু কিছু জানেন, সেই জন্যই বলেছেন। এর আগে অমিত শাহও বলেছিলেন, সিএএ আইন বাক্সবন্দি করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়নি। সেই কারণে আমি যতটা জানি যে সাত থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সিএএ লাগু করার চেষ্টা হচ্ছে। যেখানে উদ্বাস্তুরা সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। খুবই তাড়াতাড়ি লাগু হবে। গোটা বাংলায় বিজয় মিছিল করার প্রস্তুতি চলছে। ফেব্রুয়ারিতেই লাগু হবে। কারণ, মার্চে নির্বাচন ঘোষণা হবে। তখন আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাবে। সেই কারণেই আমাদের আশা, ফেব্রুয়ারিতেই লাগু হবে।শুভেন্দু আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ ফেব্রুয়ারি ধরনার ডাক দিয়েছেন। তিনি ধরনা করলে বিজেপি পালটা ধরনা দেবে। নেতা-মন্ত্রীদের পরিবারের সদস্যদের ছেলেমেয়েরা ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়েন। কিন্তু, সাধারণ অটো এবং টোটোচালকদের ঘরের ছেলেমেয়েরা বাংলামাধ্যম স্কুলে পড়ে। সেই কারণেই বৃহত্তর স্বার্থে আমি এই ধরনা দিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে বারণ করব।এর আগে রবিবার রাহুল গান্ধী সম্পর্কে কটূক্তি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী! রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তার বিরুদ্ধে কংগ্রেস পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে। নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও। সোমবার এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী নিজের বক্তব্যে অটল থাকেন। তিনি বলেন, বোকাকে যে ভাষায় বলা হয়, সেই কথাই বলেছি। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাহুল গান্ধী বিভিন্ন সময়ে যে ধরনের মন্তব্য করেছেন, তা তাঁর মর্যাদার সঙ্গে মানানসই নয়। সেই কারণেই তিনি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

দলের নবীন ও প্রবীণ বিতর্কের মাঝে কড়া বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার, প্রয়োজনে ছাঁটাই

দলে নবীন প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কালীঘাটে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে এই বার্তা দিয়েছেন মমতা। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে দলীয় মুখপাত্রদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। প্রয়োজনে ছেঁটে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠক থেকে বেরিয়ে তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়া বলেন, লদলনেত্রী ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৪ নির্বাচনে লড়াই করে আমাদের জিততে হবে। দলনেত্রী বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে বাইরে মতামত প্রকাশ করা যাবে না। দলের অভ্যন্তরে বলতে হবে। এদিনের বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, ঘাটালের সাংসদ দেব হাজির ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই সতর্ক করেন দলনেত্রী।বিগত কয়েক দুন ধরে নবীব ও প্রবীণ নিয়ে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। এমনকী এই বিতর্কে শেষমেশ জড়িয়েছেন মমতা ও অভিষেক। বছরের প্রথম দিন সুব্রত বক্সীর বক্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। তারপর লাগাতার মতবিরোধ চলেছে প্রকাশ্যে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একে একে নানা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে গিয়েছেন। কিছুতেই থামছিল না বিতর্ক। এমনকী অভিষেক বলেছেন বয়স বাড়লে কর্মক্ষমতা কমে এটা স্বাভাবিক। মমতা বলেছেন। ৬০ বছর হশে গেলেও আমরা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাই। এবার তৃণমূলের বৈঠকেই হুঙ্কার ছাড়লেন মমতা। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বিতর্কিত কথা বলা মুখপাত্রদের দল সরিয়ে দেবে। সম্প্রতি সব থেকে বেশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কুণাল ঘোষ। পাল্টার পর পাল্টা চলেছে। প্রবীণদের তুলোধোনা করার দায়িত্ব প্রায় একাই নিজের কাঁধে নিয়েছেন অভিষেক পন্থী কুণাল। এবার দেখার বিষয় মমতার হুঙ্কারের পর আদি-নব্য বা নবীন ও প্রবীণ বিতর্ক কতটা চাপা পড়ে?

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

বিহিত চাইতে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক, তিরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও অমৃতা সিনহা

এবার একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি করে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এছাড়া, বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকেও মামলা সরানোর আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।নিয়োগ মামলা থেকে অভিষেকের সম্পত্তি- এছাড়াও আর্থ সামাজিক নানা বিষয়ে প্রকাশ্যে নিজের মতামত জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সন্দেশখালির ঘটনার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। বলেছিলেন, বাংলায় সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আইনশ়ৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়। কেন কিছু বলছেন না রাজ্যপাল? এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল সম্পত্তির উৎস জানতে চেয়েছিলেন তিনি? বলেছিলেন, স্বচ্ছতা রাখতে অভিষেকের উচিত সোশাল মিডিয়ায় তাঁর সম্পত্তির হিসাব পোস্ট করা।বহু সময় বিচারপতির সেইসব মন্তব্য রাজ্যের শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের দাবি, এতে প্রভাব পড়ে মামলায়। এসবের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন, বিষয়ের বাইরে গিয়ে মামলার বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে মন্তব্য করা থেকে যেন বিরত থাকেন। সেই মর্মে যেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ নিয়েও সম্প্রতি শাসক দল প্রশ্ন তুলেছিল। তৃণমূলের মুখপাত্রদের মতে, মামলার প্রকৃত রায় এখনও অজানা। তার আগেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ থেকে মামলায় নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। শীর্ষ আদালতে আবেদনে অভিষেক জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে তিনি যেন একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চ নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা শুনবে। মূলত বিচারপতি সিনহার এজলাসে যে মামলাগুলি রয়েছে, সেই মামলাগুলি যাতে ওই বিশেষ বেঞ্চে যায়।

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজনীতি

তৃণমূলে প্রবীণ-নবীন বিতর্কে ইতি টানলেন অভিষেক, কটাক্ষ ব্রিগেডের সভাকে

রবিবারের ডিওয়াইএফআইয়ের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বামেদের কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পৈলানের বিষ্ণুপুরের যুব সঙ্ঘের মাঠে অভষেক বলেন, আজ রবিবার দুপুরে অনেক দল সভা করছে। আমাদের সঙ্গে সেই সব দলের ফারাক আছে। সবাই তাঁদের সভায় যান ভাষণ শুনতে। আর, আমাদের সভায় আসেন স্বপ্নকে বাস্তবায়িত হওয়া দেখার জন্য। আমি আগে ভোট, পরে কাজের কথা বলি না। আমি আগে কাজ করি। পরে ভোটের কথা বলি। এটাই আমাদের সঙ্গে অন্য দলের ফারাক। বাম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, কেউ বলছেন ইনসাফ। কেউ বলছেন ন্যায়। কেউ বলছেন সবকা বিকাশ। আর আমরা যেটা করেছি, সেটা হল আসল ইনসাফ। সেটাই হল আসল ন্যায়। আজ ডায়মন্ড হারবারে যা হচ্ছে, সেটাই হল সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।তাঁর এই সবকা সাথ, সবকা বিকাশ সম্পর্কেও মুখ খুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিন তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েও যাঁরা বার্ধক্য ভাতা পাননি, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের এমন প্রবীণদের দলীয় ভাবে বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করলেন। এই প্রবীণরা প্রতিমাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন। এটা সরকারি বার্ধক্য ভাতা নয়। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, এটা করতে আমার মাত্র দুমাস সময় লেগেছে। ১ জানুয়ারি আমাদের দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই আরও সাত দিন সময় নিয়ে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে বার্ধক্যভাতা দেওয়া হল। আগেই রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। তারপর ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। ডেটা চেক করা হয়েছে। তারপর বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশন করে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে ভাতা দেওয়া হল। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের ১৬,৩৮০ স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। তাঁরা জনপ্রতি ৪-৫ জনের দায়িত্ব নিয়ে কাজগুলো করেছেন। এভাবেই আমরা ৭৬ হাজার ১২০ জনের মুখে হাসি ফোটালাম।তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও এদিন মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেন, তৃণমূলের মধ্যে কোথাও দ্বন্দ্বের জায়গা নেই। দল আমাকে যে দায়িত্বই দিয়েছে, আমি তা পালন করেছি। ২০২১ সালে দলকে নেতৃত্ব দিতে বলেছিল, সেই সময় দিয়েছি। ২০২৪ সালে আমাকে প্রার্থী করা হলে, দায়িত্ব দেওয়া হলেও আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সুসংহত ভাবেই দল চালাচ্ছেন। আমি সব শক্তি দিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াব। আমি শুধু বলেছি যে, বয়স হলে কর্মক্ষমতা কমে। আমি ৩৬ বছর বয়স বলেই আড়াই মাস নবজোয়ার কর্মসূচির সময় রাস্তায় থাকতে পেরেছিলাম। আমার ৭০ বছর বয়স হলে সেই ক্ষমতা কমে যাবে। এই কথা নিয়ে এত বাজার গরম করার কী আছে? তৃণমূল কংগ্রেস একসঙ্গেই লড়বে। আমার প্রায়োরিটি হয়ত ডায়মন্ড হারবার। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি আর জোড়া ফুলের ঝান্ডা নিয়ে দল যেখানে আমাকে যেতে বলবে, যে বুথে ঢুকতে বলবে, আমি যাব।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

অভিষেকের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, সংবাদ মাধ্যমেও হস্তক্ষেপ নয়

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অমৃতা সিনহা যে ধরনের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন, তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর তাঁর মানহানি হচ্ছে বলে অনুযোগ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি সিনহার বেঞ্চ থেকে নিয়োগ মামলা সরানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার ছিল এই আবেদনের শুনানি। এ দিন অভিষেকের সেই আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নির্দেশে জানিয়েছেন, নিয়োগ মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সিনহার এজলাস থেকে সরানো যাবে না। এছাড়া, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়েও কোনও নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়নি।নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তের কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তির খতিয়ান আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। সম্প্রতি মুখবন্ধ খামে ৫ হাজার পৃষ্ঠার রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে ইডি। তার পরই বিচারপতি সিনহা ইডিকে প্রশ্ন করেছিলেন, সম্পত্তির পরিমাণ যদি কম হত, তাহলে কি এত নথি জমা পড়ত? এই সব সম্পত্তির জন্য আয়ের উৎস কী তা কি খতিয়ে দেখা হয়েছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে অধিকাংশ সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর হয়েছ বলেও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। ঘটনাচক্রে ২০১৪ সালেই নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছিল। এ ব্যাপারটা তদন্ত কি করা হয়েছে তাও প্রশ্ন ছিল বিচারপতি সিনহার।আদালতের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জোর চর্চা হয়। এ ব্যাপারে আপত্তি করে অভিষেকের আইনজীবী এ দিন সুপ্রিম কোর্টে একটি পাঁচ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দেন। তিনি বলেন, এই ধরনের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় তাঁর মক্কেলের মানহানি হচ্ছে।বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এদিন জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্ট নিয়োগ মামলায় কোনও নির্দেশ দিলে সুপ্রিম কোর্ট তা বিবেচনা করে দেখতে পারে। কিন্তু বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে কী বলছেন তা শীর্ষ আদালতের কাছে বিবেচ্য নয়। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাতেও হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাবা-মা সহ লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত বর্তমান ও প্রাক্তন ডিরেক্টর তথা অধিকর্তাকে তাঁদের সম্পত্তির হিসাব পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালতে ওই রিপোর্ট বৃহস্পতিবার পেশ হয়েছে। ২০ তারিখ এ ব্যাপারে আবার শুনানি হতে পারে বিচারপতি সিনহার এজলাসে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
দেশ

এবার আর অভিষেক নয়, সাংসদদের নিয়ে ডিসেম্বরেই দিল্লি অভিযানের ডাক মমতার

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকও উপস্থিতি ছিলেন। রাজ্যের পাওনাগণ্ডা আদায়ে গত অক্টোবরে রাজধানীর বুকে আন্দোলনে নেমেছিলেন তৃণমূল। যার নেতৃত্বে ছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁকে পুলিশের হাতে হেনস্থাও হতে হয়েছে। দুমাসের মধ্যে ফের একবার দিল্লি অভিযানে নামছে জোড়া-ফুল। তবে এবার আর অভিষেক নয়, অভিযানের নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নেতাজী ইন্ডোরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে এই ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমো।আগামী মাসেই দিল্লি চলো-র ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। নেতাজী ইন্ডোরে এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে আমরা দিল্লিতে যাব। সেই সময় সংসদে অধিবেশন চলবে। আমি দলের সব সাংসদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার সময় চাইব। যদি সময় দেন ভাল, নাহলে রাস্তাই আমাদের পথ দেখাবে। যদি আমাদের মারে, মারুক অসুবিধা নেই। সিপিএমের কাছে অনেক মার খেয়েছি। আপনাদের কাছেও না হয় একটু মার খেলাম। মার খেলে শক্তি বাড়ে, চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। এখন থেকে তৈরি হতে হবে।গত ৩ অক্টোবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীরা। অভিষেক তখনই জানিয়েছিলেন, এই আন্দোলনে দিল্লির সরকার বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সেইমতই দিল্লির অভিযানের সময় ঘোষণা করলেন দলনেত্রী। তবে এখনও দিনক্ষণ জানাননি। আগামী দিনে রাজধানীতে কি তোলপাড় হয় সেদিকেই এখন নজর।বকেয়া থেকে ইন্ডিয়া জোট- একাধিক ইস্যুতে এ দিন মোদী সরকারকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ইন্ডিয়া জোট প্রসঙ্গে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেছেন, দিল্লি এবার দখল হবে। আর তিন মাস ওঁদের মেয়াদ। কিন্তু আমাদের ১০০ দিনের কাজ, বাংলা আবাস ও রাস্তার টাকা দিতেই হবে। এটা তোমাদের টাকা নয়, জনগণের টাকা। জনগণের টাকা ফেরত দাও, নইলে বিদায় নাও। এর বাইরে আর কোনও কথা নেই।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

নওশাদকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ফলতার কি বললেন তিনি?

লোকসভা ভোট ঘোষণার আগে থেকেই ডায়মন্ড হারবার ঘিরে চড়তে শুরু করেছে উত্তেজনার পারদ। ২০১৪ সাল থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চব্বিশে তাঁকে হারাতে মরিয়া বিরোধী দলগুলো। ইতিমধ্যেই ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। শুক্রবার বিকেলে ফলতা দাঁড়িয়ে সেই কড়া টক্কর তিনি গ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। পাশাপাশি হুঁশিয়ারির সুরেই করে দিয়েছেন বড় অভিষ্যদ্বাণী।এদিকে ইন্ডিয়া জোটে নেই আইএসএফ। তবে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা আসন থেকে লড়াইয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন দিন কয়েক আগেই। সূত্রের খবর, সেকথা ইতিমধ্যেই আইএসএফের বিধানসভা ভোটের জোট সঙ্গী সিপিআইএম নেতৃত্বকে জানিয়েছেন তিনি। আলিমুদ্দিন এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি। তবে, চাইলে নওশাদকে ডায়মন্ড হারবারে কংগ্রেসের সমর্থনে বাধা নেই বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ফলেঅন্যদিকে বিজেপিও এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়াকু প্রার্থী দিতে কোমর বাঁধছে বলে জানা গিয়েছে। তাই ভোটযুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে এবার কাঁটে কি টক্কর দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে ফলতার একটি বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব, বিজেপির ধর্মীয় ভেদাভেদের রাজনীতি, ডায়মন্ড হারবারের তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী নিয়ে মুখ খোলেন।কোনও নাম উচ্চরাণ না করেই অভিষেক বলেছেন, শুনেছি, অনেকেই এখন ডায়মন্ড হারবার থেকে দাঁড়াতে চাইছেন। দাঁড়াতেই পারেন। এটাই তো ভারতীয় গণতন্ত্রের রীতি নীতি, ঐতিহ্য। খুব ভালো। গুজরাটের, উত্তর প্রদেশের নেতারাও ডায়মন্ড থেকে দাঁড়াতে পারেন। ডায়মন্ড হারবারে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। মানুষ একপক্ষকে বেছে নেবে, অন্যদের বর্জন করবে।গতবার এই কেন্দ্র থেকে ৩ লাখ ২১ হাজারের ব্যবধানে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র ফলতা কেন্দ্র থেকেই ব্যবধান ছিল ৪৫ হাজার। সেই টার্গেট এবার ৭০ হাজার করতে হবে। আজকে যে পরিমাণ মানুষ এখানে এসেছেন, রাস্তায় ৫০ হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। এই মানুষরা ভোট দিলেই তো উড়ে যাবে। মানুষই ভো-কাট্টা করে দেবে। টাকা ছড়িয়ে কোনও লাভ হবে না। বড় ফুল টাকা দিলে নেবেন, কিন্তু ভোটটা জোড়াফুলেই দেবেন। ভোটের সময় আগেও সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল সিপিএম। কিন্তু, যাঁরা সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল, তাদের এখন কী অবস্থা সবাই জানে। আমাদের এখানে কাউকে ভাতে মারতে পারবে না কেন্দ্র।

নভেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?', সিজিওতে পাল্টা প্রশ্ন জ্যোতিপ্রিয়র

জন্মদিনে জনসংযোগ মিটতেই ইডির নোটিস। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বৃহস্পতিবার ফের তলব করেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ইডির হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তাঁকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই বনমন্ত্রীর পাল্টা জিজ্ঞাসা, আমি জানি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?। এরপর আর এ বিষয়ে কোনও কথা শোনা যায়নি তাঁর মুখে। এদিনও তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে জ্যোতিপ্রিয় বলতে থাকেন, আপনাদের একটা কথা বলি শুনুন। আমি সমস্ত ব্যাপারে নির্দোষ, এটা জেনে নিন। ১৩ তারিখ আমাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হবে। সেখানে বুঝতে পারবেন আমি অত্যন্ত ক্লিয়ার।স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতর থেকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । সিজিও থেকে গাড়িতে ওঠার সময়ই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন বনমন্ত্রী। হাসপাতাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়ে দেন শরীরটা খুব খারাপ।রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় রানাঘাট এর রেশন ডিলার জয়িতা পালকে তলব করেছিল ইডি। এদিন তিনি ইডি দফতরে আসেন। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য জানতে চায়। জানা গিয়েছে, এবার আরও রেশন ডিলারদের দিকে নজর দিয়েছে ইডি।ফের আজ, বুধবার ইডি দফতরে এলেন টিটাগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। পৌরনিয়গ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে তলব করেছিল। এর আগে তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি টিটাগর পুরসভাতে তল্লাশি করেছে ইডি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক সব জানে,' কি জানার কথা বললেন ইতি হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয়

রীতিমতো বোমা ফাটালেন রেশন দুর্নীতিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কমান্ড হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। বেরনোর সময় সাংবাদিকদের দেখেই বালুর সাফ কথা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সুপ্রিমো এবং সেকেন্ড ইন কম্যান্ড আসলে কোন কথা জানেন? কীসের ইঙ্গিত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের? তা নিয়েই চর্চা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সঙ্গে ছিলাম আছি ও থাকব। আমি নির্দোষ। মমতাদি সব জানেন। দুদিনের মধ্যে সত্য প্রকাশ হয়ে যাবে। বারে বারে এক কথা বলছিলেন মন্ত্রী।এদিকে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই মন্তব্যের পাল্টা সমালোচনায় সোচ্চার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সংবাদমাধ্যমে এদিন তিনি বলেন, এত বড় খাদ্য দুর্নীতির হওয়ার পর ওদের পার্টির নাম হয়েছে চাল চোর। যাঁর এত বেআইনি সম্পত্তি উদ্ধার হচ্ছে, মেয়ের-স্ত্রীর নামে বেআইনি টাকা বেরোচ্ছে। এত কিছুর পরেও বড় বড় কথা বলছে। চোরের মায়ের বড় গলা। এটা ঠিক মমতা-অভিষেক সব জানেন। অর্থাৎ, ভাগ উনি ওখানে পাঠিয়েছেন। বিজেপির এতে কী করার আছে? আদালতের নির্দেশে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে বিপুল পরিমাণ বেআইনি সম্পত্তি পাওয়া যাচ্ছে।অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমে বলেন, উনি ঠিকই বলেছেন। সব মুখ্যমন্ত্রী জানেন। মুখ্যমন্ত্রীর জানার বাইরে তো কিছু ঘটেনি। ধান কেনা থেকে শুরু করে প্রতিটা ক্ষেত্রে লোপাট হয়েছে। সমস্ত লোপাটের অর্থের অংশ যদি কালীঘাট পায়, মুখ্যমন্ত্রী এতে খুশিই হন। দুর্নীতিগ্রস্ত অপরাধী যারা, তারা কেউ একা একা দুর্নীতি করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর আনুকূল্যেই করেছেন। তাই একথা ঠিক, মুখ্যমন্ত্রী সবই জানেন।উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের হেফাজতেই রয়েছেন তিনি। আদালতের নির্দেশে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হচ্ছে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে। শুক্রবার ইডির সিজিও কমপ্লেক্সের দফতর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেছেন বনমন্ত্রী।তৃণমূল সাসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিফ মিনিস্টার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষ কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বাস করে একজন একটা দায়িত্ব দিয়েছে। তার যদি পদস্খলন হয়ে থাকে, সে যদি বেইমানি কোথাও করে থাকে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অন্যায় করেছেন জ্যোতিপ্রিয়। অভিষেকের নামটা আসছে কেন এসবের মধ্যে?

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

রুজিরার আবেদনে হাইকোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশ, ক্ষমতা বেঁধে দেওয়া হল ইডি ও সংবাদমাধ্যমের

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার গোপনীয়তা খর্ব হচ্ছে। সংবিধান মেনে তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে এই মর্মে মামলা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ইডি ও সংবাদমাধ্যমের ক্ষমতা বেঁধে দিয়ে বেনজির নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য।কী নির্দেশ হাইকোর্টের?রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের ভিত্তিতে ইডি-কে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ, এবার থেকে যেকোনও ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির সময় সার্চ অ্যান্ড সিজার-এর সময় লাইভ স্ট্রিমিং করা যাবে না। অভিযানের ব্যাপারে ইডি সংবাদমাধ্যমকে আগে থেকে কিছু জানাতে পারবে না। মিডিয়াকে সঙ্গে করে নিয়ে ইডি কোনও তল্লাশি অভিযান করতে পারবে না।সার্চ অ্যান্ড সিজার-এর সময় কোনও কিছু প্রকাশ্যে আনা যাবে না। সন্দেহভাজন বা অভিযুক্ত হোক অথবা সাক্ষী কারও ছবি সংবাদমাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে না।সংবাদমাধ্যমের এক্তিয়ারও বেঁধে দিল হাইকোর্ট। বিচারপতি ভট্টাচার্যের নির্দেশ, চার্জশিট পেশ করার আগে মিডিয়া তদন্তের সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করতে পারবে না। কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি কোনও সংবাদমাধ্যমে মতামত প্রকাশ করা হয়, তবে তাতে প্রতিবেদকের নাম থাকবে। ২০২৪ সালের ১লা জানুয়ারিতে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ততদিন এই নির্দেশই বহাল থাকবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির তলব অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে, আদালতে আবেদন

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ডাক পড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের। আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুমিতকে সল্টলের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও ইডির ওই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক। দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হয়নি। আগামী সোমবার বেলা ১২টায় এই মামলার শুনানি হবে। অবশ্য এদিন ইডির আইনজীবীকে বিচারপতি ঘোষ জানিয়েছেন, ওইদিনই সুমিতের আর্জির প্রেক্ষিতে শুনানি রয়েছে। তাই সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার পরিবর্তে তাঁকে দুপুর ১২টার পর সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হোক।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উঠেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নাম। ওই সংস্থার সিইও খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নাম ও বাবা রয়েছেন সংস্থার ডিরেক্টর পদে। তা নিজেই জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিষেককে। মা লতা ও বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ইডি তলব করেছে। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তাঁরা হাজিরা এড়িয়েছেন। গত পরশু সিজিও-তে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেকপত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসবের মধ্যেই এবার ইডির গোয়েন্দাদের নজরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়।ইতিমধ্যেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস ও তাঁর সম্বন্ধে ইডির চাওয়া সব নথি অভিষেক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আদালতে জমা করেছেন। ইডি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের সঙ্গে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের যোগ দেখলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার দাবি করেছেন, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। দুর্নীতির ১০ পয়সাও লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে ঢোকার প্রমাণ দেখানো যাবে না। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে পুরনো লেনদেন কখনও কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জুড়তে ইডি মরিয়া বলেও তোপ দেগেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ।

অক্টোবর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টানা সাড়ে ৮ ঘন্টা ইডির জেরা অভিষেক পত্নী রুজিরাকে

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল, মঙ্গলবার রাতে নথি জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তার পরের দিন এই মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে সাদা ইনোভাতে চেপে হাজির অভিষেক-পত্নী রুজিরা। এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত সপ্তাহে ইডির সমন পেয়েছেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ইডি জেরা করে অভিষেকের স্ত্রীকে। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিওতে ঢুকেছেন রুজিরা। বাইরে বেরিয়েছেন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে সিজিওর গেটের সামনে থেকেই গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান। গাড়ির জানলার কাচ তুলে দেওয়ায় ভিতরটা অস্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।এদিন সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্স ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এমনকী চারিদিকে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তলব করল রুজিরাকে। এর আগে অন্য মামলায় রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। তাঁকে জেরা করে লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস মামলার হদিশ পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সেই সংস্থার সিইও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। পরে অভিষেককে তলব করে ইডি। তাঁকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। বেরিয়ে অভিষেক বলেছিলেন ৯ ঘণ্টা জেরার নিট ফল শূন্য। ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন রুজিরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল ইডি। পরে তাঁকে দিল্লিতেও তলব করা হয়। রুজিরা যদিও ইডির ডাকে দিল্লি যাননি। তার বদলে কলকাতার ইডির দফতরে যান তিনি। পরে কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলাতে রুজিরার বিদেশে যাওয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিসও জারি করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই নোটিস তুলে নিতে হয়েছিল ইডিকে।

অক্টোবর ১১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপালের আশ্বাসে আপাতত ধরনায় ইতি তৃণমূলের, তবে হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন অভিষেক

২০ মিনিট রাজ্যপাল-অভিষেক বৈঠক। তারপর তুলে নেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের ধরনা। মমতার নির্দেশে ধরনা তুলে নেওয়া হয় বলে জানান অভিষেক ল। তবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যের বকেয়া টাকা না পেলে ফের পথে নামবে তৃণমূল। পাশাপাশি আইনি পথেও হাঁটবে দল, ঘোষণা করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়। এদিনই আবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উদ্দেশে তিনটি চোখা চোখা বাক্যবাণ ছুড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জোড়-ফুলের বিশ্বাস এতেই চাপে পড়বেন রাজ্যপাল।রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দিয়েছে তৃণমূল। সেখানে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে উদ্ভূত সমস্যা এবং তাঁদের দাবি বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে ৭ জন ভুক্তভোগীও ছিলেন। তৃণমূলের দাবি, বাংলার ২১ লক্ষের বেশি মানুষ ১০০ দিনের কাজ করেও তাঁদের হকের টাকা পাননি। সেই অর্থ কেন্দ্রের থেকে আদায়ে তদারকি করুক রাজ্যপাল। এই প্রসঙ্গে তিনটি প্রশ্ন রাজ্যপালের কাছে রেখেছে তৃণমূল।১) এটা কি ঠিক নয় যে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ১০০ দিনের কাজে বাংলার ২১ লাখের বেশি মানুষ শ্রম ও সময়দান করেও তাঁদের হকের পারিশ্রমিক পাননি? দুবছর পরেও২) সব শর্ত ও নিয়ম মেনেই বাংলার এইসব বঞ্চিত মানুষগলো কাজ করেছেন। কেন তাহলে দুবছরের বেশি সময় ধরে তাঁদের প্রাপ্য আটকে রাখা হল? কেনইবা কেন্দ্রীয় সরকার এঁদের অস্বিত্ব অস্বীকার করছে?৩) ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের ২ নং শিডিউলের ২৯ নম্বর ধারায় সাফ বলা রয়েছে যে, শ্রমিকরা মাস্টার রোল শেষের ১৫দিনের মধ্যে পারিশ্রমিক পাবেন। অন্যথায় ১৬তম দিন থেকেই প্রত্যহ ০.০৫ শতাংশ হারে সুদ যুক্ত হবে। এই অনুসারে পারিশ্রমিক না পাওয়া মানুষগুলো শুধু তাঁদের বিগত ২ বছরের পারিশ্রমিকই নয়, সেই অর্থ সুদ সহ পাওয়ার অধিকারী। তাহলে কী কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার এই গরিব মানুষগুলোকে তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছেন না?তৃণমূল সূত্রে খবর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া টাকা নিয়ে তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে এদিনের বৈঠকে কথা দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যপালও বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিয়েছেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২৩
রাজ্য

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইডিকে নথি জমা দিতে হবে অভিষেককে, পেলেন না আদালতের রক্ষাকবচও

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু, তাঁকে রক্ষাকবচও দিল না কলকাতা হাইকোর্টের ডিভেশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ইডির দাবি মত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১০ অক্টোবরের মধ্যেই সব নথি জমা করতে হবে। এর চেয়ে ১ ঘন্টাও বেশি সময় তাঁকে দিতে নারাজ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই জমা করা নথিতে সন্তুষ্ট না হলে ইডি ফের অভিষেককে তলব করতে পারবে। তবে ৪৮ ঘণ্টা আগে সমন পাঠাতে হবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতে হবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে অভিষেককে সব নথি ইডির কাছে দিতে হবে। তিনি কোনও নথি জমা দিতে না পারলে ইডির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু আদালত আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক ঘণ্টাও অতিরিক্ত সময় দেবে না। অভিষেকের জমা দেওয়া নথিতে সন্তুষ্ট না হলে তাঁকে হাজিরা দিতে বলতে পারে ইডি। এক্ষেত্রের সমন করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে উচ্চ আদালত। অভিষেককে সমন পাঠাতে হলে পুজোর আগে অর্থাৎ ১৯ অক্টোবরের আগে বা পুজোর পরে অর্থাৎ ২৬ অক্টোবরের পরে পাঠাতে হবে।তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৩ অক্টোবর ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। পরে বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চের নির্দেশ ছিল ওইদিন তদন্ত প্রক্রিয়া যেন ব্যাহত না হয় তা ইডিকে দেখতে হবে। অভিষেক অবশ্য ওইদিন ইডির দফতরে যাননি। বদলে তিনি সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন।অভিষেক আদালতকে জানিয়েছিলেন, একক বেঞ্চ ওই নির্দেশ দিতে পারে না। বুধবার অভিষেকের সেই আবেদনের শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চ অবশ্য সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি। উল্টে একটি প্রস্তাব রাখে ইডির কাছে। যাতে বলা হয়, যা যা নথি চাওয়া হয়েছে অভিষেককে তা দিতে হবে। তাতে সন্তুষ্ট না হলে তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেককে তলব করতে পারবে ইডি। ১২ অক্টোবর অভিষেক নথি দেবেন ইডিকে। সব নথি খতিয়ে দেখে পুজোর পরে নয় নতুন করে সমন পাঠাবে ইডি। পাশাপাশি, অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতার কথা বলা হয়।বৃহস্পতিবার ইডির বক্তব্য শোনার পরই মামলাটির শুনানি শেষ হয় ডিভিশন বেঞ্চে। তবে রায়দান স্থগিত রয়েছে। এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শেষ করতে ইডি-কে নির্দেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই তদন্ত শেষ করতে হবে হবে বলে দির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির স্পষ্ট কথা, তদন্তের নামে গড়িমসি চলবে না।

অক্টোবর ০৬, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ব্রিগেডের পরই কি ভোটের দিন ঘোষণা? বড় ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন কবে হবে এবং কবে ফল ঘোষণা করা হবে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। নানা মহল থেকে নানা ধরনের জল্পনা শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই ভোট ঘোষণার সময় নিয়ে একটি ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে ধর্মতলায় চলা ধরনা কর্মসূচি তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর সাংবাদিকদের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, বিজেপিকেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিজেপির ইঙ্গিতেই কাজ করছে।এই প্রসঙ্গেই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ব্রিগেডের সভার পর যদি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তিনি দাবি করেন, এর আগেও এমন হয়েছে যে ব্রিগেডে সভা করার পরই ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী শনিবার চৌদ্দ মার্চ ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেই সভার পরই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছে আদালত। তাঁর কথায়, সব কথা লিখিত নির্দেশে থাকে না, অনেক বিষয় শুনানির ভিডিও দেখলে বোঝা যাবে।বিবেচনাধীন ভোটারদের প্রসঙ্গেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগামী পঁচিশ তারিখ এই বিষয়ে আবার শুনানি রয়েছে। তিনি বলেন, ভোটের দিন যদি পনেরো বা ষোলো তারিখে ঘোষণা করা হয়, তাতেও চিন্তার কিছু নেই। কারণ এই পুরো বিষয়টি তারা নজরে রাখছেন এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর বাংলার ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
রাজনীতি

একদা কমিউনিষ্ট ঘাঁটিতে টানা তিনবার জিতেও নিশ্চিন্ত নয় তৃণমূল! বর্ধমান দক্ষিণে এবার কি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

দক্ষিণ বর্ধমান বরাবর কমিউনিস্টদের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই কেন্দ্র থেকে প্রথম দুটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ চৌধুরী। তখন তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন অবিভক্ত কমিউনিষ্ট পার্টি তথা সিপিআই থেকে। তারপর এই আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী বর্ধমানের মহারানী রাধারাণী মহতাব জয়ী হয়েছিলেন। তার আগের নির্বাচনে বিনয় চৌধুরী পরাজিত করেছিলেন বর্ধমানের মহারাজাকে। সেই সম্মান পুনরুদ্ধার করতে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছিলেন মহারাণী। তার পরে শুধু ১৯৬৭ ও ১৯৭২ সালে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল। এখানে থেকে জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন প্রদীপ ভট্টাচার্য। তাছাড়া ২০০৬ পর্যন্ত সিপিএম এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় ব্যাপক ভোটের ব্য়বধানে পরাজিত করেন রাজ্যের তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী নিরুপম সেনকে। প্রায় ৩৭ হাজার ভোটে পরাজিত হন নিরুপম সেন। ২০১৬-তেও জয় পায় তৃণমূল। তখনও এই কেন্দ্রে প্রধান বিরোধী দল ছিল সিপিএম। রবিবঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৩০ হাজার ভোটের ব্য়বধানে সিপিএম প্রার্থী আইনুল হককে পরাজিত করেন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দীকে পরাজিত করেন তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাস। তবে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রায় অর্ধেক ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকে তৃণমূলের থেকে। এই নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা প্রায় ২৩ হাজারের ওপর ভোট পেয়েছিল।বর্ধমান পুরসভা এলাকা নিয়েই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র। তবে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে কি হতে চলেছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই শহরজুড়ে। প্রথমত বিধায়ক খোকন দাসই টিকিট পাচ্ছেন কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন রয়েছে। বিধায়ক অনুগামীরা জোরের সঙ্গে বলছেন টিকিট খোকন দাসই পাচ্ছেন। শহরে এক যুব নেতার নাম ভাসিয়ে দেওয়া হলেও বর্ধমান দক্ষিণে আদৌ সে টিকিট পাবেন কিনা তা নিয়ে কম জল্পনা নেই। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্রীড়া অনুষ্ঠান সবেই জোরদার প্রতিযোগিতা চলছে তৃণমূলের দুই তরফ থেকেই। অনেকের আবার বক্তব্য, নেপোয় দই মেরে দেবে না তো!তৃণমূল যাকেই প্রার্থী করুক এবার জোরদার লড়াই হবে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে। এদিকে তৃণমূলের একটা সূত্রের দাবি, শহরে দলে ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি হয়েছে। সেই ঘরও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেই সেই অংশের দাবি। তাঁদের ভূমিকা জয়-পরাজয়ে অনেকটা নির্ভর করবে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। পাশাপাশি যে ভাবে পর পর নির্বাচনে ওয়ার্ডগুলিতে পিছিয়ে পড়েছে তৃণমূল তাতে সংশয় বেড়েছে। মোদ্দা কথা, পর পর তিনবার জয় পেলেও এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে নেক-টু-নেক ফাইট হবার সম্ভাবনা প্রবল। একতরফা জয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ধরনা শেষ করেই প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা মমতার! কেন্দ্রকে নিশানা করে বড় মন্তব্য

ধর্মতলায় একশো এক ঘণ্টা ধরে চলা ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পরেই প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে রাজ্য সরকারের অতিথিশালায় রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা থেকে সোজা সেখানে যান মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন তিনি। সেই সময় আবারও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা যায় তাঁকে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেহেতু প্রাক্তন রাজ্যপাল পরের দিন রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। তিনি জানান, আনন্দ বোসের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর এবং তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্কও ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ভোটের আগে আচমকা তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। তিনি বলেন, নিজের মনের কথাও আনন্দ বোসকে জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁকে আবার বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।এই সাক্ষাৎ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তাও প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রাক্তন রাজ্যপাল আনন্দ বোসের প্রশংসা করেন। মমতা লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল ডক্টর সিভি আনন্দ বোস রাজ্য ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ধর্মতলায় পাঁচ দিনের ধরনা কর্মসূচি শেষ করার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, আনন্দ বোস অত্যন্ত পণ্ডিত ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় রাজ্যের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক নানা বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ হয়েছিল। সেই আলাপচারিতা তাঁর কাছে সবসময় মূল্যবান হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আনন্দ বোসের আগামী দিনের সমস্ত উদ্যোগ ও দায়িত্বের জন্য তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর অগাধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় আরও বড় সাফল্য এনে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, তবু বাংলাদেশের পাশে ভারত! পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর বড় সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। তার জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারতেও গ্যাস ও জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দুঃসময়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করতে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল তিনটে কুড়ি মিনিট নাগাদ ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় চুয়াল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুর ডিপোতে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার এই সময়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জ্বালানি আসায় পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই অনেক কমে যায়।কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ভারতের পক্ষ থেকে ডিজেল রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতেই আবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইন প্রকল্প। এই প্রকল্প দুই দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার। তবে উদ্বেগ শুধু জ্বালানি নিয়েই নয়। খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ এখন সমুদ্রে অপেক্ষা করে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই, অল ইংল্যান্ড শিরোপা হাতছাড়া

অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল ভারতের। ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে পারলেন না ভারতের তরুণ শাটলার লক্ষ্য সেন। রবিবার (৯ মার্চ) পুরুষদের সিঙ্গলস ফাইনালে চাইনিজ তাইপেইয়ের লিন চুন ই-র কাছে হেরে যান তিনি। লক্ষ্যের লক্ষ্যপূরণ অধরাই থেকে গেল।প্রায় ৫৭ মিনিট ধরে লড়াই চলা এই ম্যাচে লক্ষ্য ১৫-২১ এবং ২০-২২ ব্যবধানে পরাজিত হন। ফলে গত ২৫ বছর ধরে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের খেতাব জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হল। অন্যদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে লিন চুনই প্রথম চাইনিজ তাইপেই শাটলার হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টের খেতাব জিতলেন।উল্লেখ্য, চার বছর আগে অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্স-আপ হয়েছিলেন লক্ষ্য সেন। চলতি বছর আবারও ফাইনালে উঠে সেই আক্ষেপ মেটানোর সুযোগ এসেছিল। আলমোড়ার ২৪ বছরের এই শাটলার ফাইনালেও লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা অধরাই থেকে যায়।এই টুর্নামেন্টে ফাইনালে ওঠার পথে লক্ষ্য সেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান। তিনি বিশ্বের এক নম্বর শাটলার শি ইউ কি এবং বিশ্ব তালিকার ছয় নম্বরে থাকা লি শি ফেংকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছান। সেমিফাইনালে কানাডার ভিক্টর লেইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পায়ের চোট নিয়েও ৯৭ মিনিট লড়াই করে জয় তুলে নেন তিনি।ভারতের ইতিহাসে অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপের পুরুষদের সিঙ্গলসে এখনও পর্যন্ত মাত্র দুই ভারতীয় শাটলার খেতাব জিতেছেন, প্রকাশ পাড়ুকোন (১৯৮০) এবং পুলেল্লা গোপীচাঁদ (২০০১)। এছাড়া প্রকাশ নাথ (১৯৪৭) এবং সাইনা নেহওয়াল (২০১৫) ফাইনালে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিততে পারেননি।এবার লক্ষ্য সেন ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারলেন না। ফলে অল ইংল্যান্ডে ভারতের শিরোপা জয়ের অপেক্ষা এখনও অব্যাহত রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

“একুশের মতো পরিস্থিতি আর নয়”—বাংলায় ভোট ঘিরে কড়া বার্তা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর যেন বাংলায় না ফিরে আসে, সেই বার্তাই বারবার দিতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও চাপমুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বাংলায় দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ভোটে কোনও ধরনের হিংসা বা ভয় দেখানো বরদাস্ত করা হবে না। ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার রক্ষা করা হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।সোমবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেই বৈঠকে ভোট কত দফায় হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে এক বা দুই দফায় ভোট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার জানান, রাজনৈতিক দলগুলির মতামত নেওয়া হয়েছে এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই ভোটের দফা নির্ধারণ করা হবে। দিল্লিতে ফিরে কমিশন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করে বলেন, এবারের ভোটে কোনওভাবেই হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ভোট যেন সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত ও ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই বিষয়ে কমিশন বিশেষ নজর দেবে। ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করার ঘটনাও কঠোরভাবে দমন করা হবে। তিনি বলেন, অতীতে ভোটের আগে এবং ভোটের পরে যে ধরনের হিংসার ঘটনা দেখা গিয়েছিল, কমিশন আশা করছে এবারে সেই পরিস্থিতি আর তৈরি হবে না। যদি কারও বিরুদ্ধে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।সোমবার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সেখানে রাজ্যের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের কড়া বার্তা দেন তিনি। কোথাও কোনও অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলার সমস্যা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। নির্দেশ না মানলে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, বিভাগীয় তদন্তের মুখেও পড়তে হতে পারে বলে জানিয়ে দেন।এবারের নির্বাচনে প্রতিটি বুথে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সব বুথেই ওয়েব সম্প্রচারের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় বুথের বাইরে মোবাইল ফোন জমা রেখে তবেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ভোটারদের। ভোটযন্ত্রে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেখানোর ব্যবস্থাও থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে ভোটের সাত দিনের মধ্যে ভোটযন্ত্র পরীক্ষা করার সুযোগও দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র খোলা হবে, যাতে ভোটাররা সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাহায্য পেতে পারেন।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

ষাট লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ঝুলে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উত্তরে বাড়ল ধোঁয়াশা

এসআইআর প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ষাট লক্ষ। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের তরফে সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে ইতিমধ্যেই দশ লক্ষ ভোটারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ভোটের আগে এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিবেচনাধীন ভোটাররা শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে এড়িয়ে গেলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।এর আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট কোনও দিশা দিতে পারেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্ঞানেশ কুমার জানান, বিবেচনাধীন ভোটারদের নথি পরীক্ষা করে দেখার কাজ করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। তাঁরা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন এবং সেখানে জানিয়েছেন যে দশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে বাকি পঞ্চাশ লক্ষ ভোটারের বিষয় নিয়ে তিনি আর কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেন, যত দ্রুত সম্ভব সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা উচিত।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী গত আটাশ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকার পরে প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে। প্রার্থীদের মনোনয়নের আগের দিন পর্যন্ত এই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে বলে নির্দেশ রয়েছে। ফলে বিবেচনাধীন ভোটারদের অনেককেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে তাঁদের ভোটাধিকার রয়েছে কি না তা জানার জন্য।এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বিবেচনাধীন ভোটারদের বিষয় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোটের ঘোষণা করা উচিত নয়। তবে নির্বাচন কমিশন আগামী সপ্তাহেই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা চলছে। অর্থাৎ ভোটের সময় একেবারেই সামনে চলে এসেছে। হাতে সময় খুবই কম। এখনও পর্যন্ত মাত্র দশ লক্ষ ভোটারের নথি পরীক্ষা শেষ হয়েছে, বাকি বিপুল সংখ্যক ভোটারের বিষয় নিষ্পত্তি বাকি। এত কম সময়ে এই বিশাল কাজ শেষ করা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকেও এখনও স্পষ্ট কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে বিবেচনাধীন লক্ষ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই ঝুলে রইল।

মার্চ ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় মন্তব্য! “একজনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না” বলল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশন দাখিল হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ধরনের আগাম আবেদন ভুল বার্তা দিতে পারে। আদালতের মতে, এতে মনে হতে পারে যে আবেদনকারীরা বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রাখতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতি মেনকা গুরুস্বামীকে জানান, আগাম পিটিশনের মাধ্যমে এমন বার্তা যাচ্ছে যে সিস্টেমের উপর আস্থা নেই। তাই তিনি আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শও দেন। একই সঙ্গে আদালত আশ্বাস দেয়, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়বে না।এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এর মধ্যেই সোমবার আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আগের দিন মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছিলেন, অনেক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও গ্রহণ করা হয়নি। তিনি জানান, যাঁরা আগে ভোট দিয়েছেন তাঁদের নথিও এখন গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রায় দশ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছেন। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের অবশ্যই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে আদালত জানায়।রাজ্যের নতুন আবেদন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই পিটিশন আগাম করা হয়েছে এবং এখনই তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি মেনকা গুরুস্বামীকে আবেদন প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন এবং বলেন, ভোট ঘোষণার আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে আদালত এও জানায়, প্রয়োজন হলে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার নোটিসও জারি করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালত সব পক্ষকেই নজরে রাখছে বলে মন্তব্য করে বেঞ্চ।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা অমীমাংসিত ভোটারদের তালিকা পরীক্ষা করে দেখছেন। এদিন আদালত নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এই কাজে সবরকম সাহায্য করতে হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের যখন লগইন পরিচয়পত্র প্রয়োজন হবে, তখনই নির্বাচন কমিশনকে তা দ্রুত ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানায় আদালত।অমীমাংসিত তালিকার তথ্য পরীক্ষা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই বিষয় দেখভালের জন্য একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে রাখা হবে এবং একাধিক বিচারপতি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে আদালত জানিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal