• ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

 মকর

রাশিফল

প্রেমে বাধা বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১১ অগ্রহায়ণ ( ২৭ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
রাশিফল

দাম্পত্য ক্ষেত্রে সুখ কর্কটের, অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

১০ অগ্রহায়ণ ( ২৬ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ ব্যবসায়ীরা নতুন কোন ব্যবসায়িক আলোচনায় সফল হবেন। বৃষ ঃ আমদানি রফতানি নির্ভর ব্যবসায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। মিথুন ঃ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে কিছু লাভের আশা করা যায়। কর্কট ঃ দাম্পত্য ক্ষেত্রে আজ সুখ শান্তি ফিরে পাবেন। সিংহ ঃ কর্মস্থলে কোনও কারণে মনোমালিন্য দেখা দেবে। কন্যা ঃ শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তুলা ঃ পারিবারিক কাজে কিছুটা ব্যস্ত থাকতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ বিদেশ থেকে ভালো কোনও সংবাদ পেতে পারেন। ধনু ঃ সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন। মকর ঃ প্রবাসীদের কর্মস্থলে সাফল্য লাভের যোগ প্রবল। কুম্ভ ঃ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। মীন ঃ বকেয়া কোনও বিল আদায় করতে পারেন।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাশিফল

কাজে ক্ষতি বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৯ অগ্রহায়ণ ( ২৫ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
রাশিফল

ভাল কাজের জন্য প্রশংসা কুম্ভের , অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল ?

৮ অগ্রহায়ণ ( ২৪ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
রাশিফল

উত্তেজনায় বিপদ কন্যার , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

৭ অগ্রহায়ণ ( ২৩ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাশিফল

সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা মকরের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

৬ অগ্রহায়ণ ( ২২ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
রাশিফল

কর্মে সাফল্য তুলার , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৫ অগ্রহায়ণ ( ২১ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ সামাজিক কাজকর্মে ব্যস্ততা বৃদ্ধি করতে পারেন। বৃষঃ প্রেমের বিষয়ে কারও কাছে অপমানিত হতে পারে। মিথুন ঃ বুদ্ধির ভুলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যেতে পারে। কর্কট ঃ ভাল লোকের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার। সিংহ ঃ বাবা-মায়ের জন্য খরচ বাড়তে পারে। কন্যা ঃ উত্তেজনার জন্য বিপদ হতে পারে। তুলা ঃ সহকর্মীর সাহায্যে কর্মে সাফল্য পাবেন। বৃশ্চিক ঃ হতাশার জন্য কাজের ক্ষতি। ধনু ঃ দাম্পত্য জীবনে বিবাদের আশঙ্কা। মকর ঃ সন্তানদের কোনও ভাল খবর পেতে পারেন। কুম্ভ ঃ আইন সংক্রান্ত কাজে সাফল্য পেতে পারেন। মীন ঃ বাড়িতে কাজের লোকের সঙ্গে বিবাদ।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাশিফল

বিয়ের যোগাযোগ  বৃষের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৪ অগ্রহায়ণ ( ২০ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাশিফল

পিতার সাথে মনোমালিন্য মকরের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

৩ অগ্রহায়ণ ( ১৯ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাশিফল

প্রেমে বাধা বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির ভাগ্যে কি রয়েছে বুধে ?

২ অগ্রহায়ণ ( ১৮ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে। বৃষ ঃ বিয়ের ব্যাপারে নতুন যোগাযোগ হবে। মিথুন ঃ সামাজিক কাজের জন্য পরিশ্রম করতে হবে। কর্কট ঃ সংসারে কাজের দায়িত্ব বাড়বে। সিংহ ঃ অযথা ঝামেলায় জড়াবেন না। কন্যা ঃ বেকারদের ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তুলা ঃ সন্তানের প্রতি যত্ন নিন। বৃশ্চিক ঃ প্রেমে বাধা বিপত্তির সম্ভাবনা। ধনু ঃ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনোয় মনযোগ বাড়ার সম্ভাবনা। মকর ঃ সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারে আলোচনা হবে। কুম্ভ ঃ ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পাবেন। মীন ঃ আর্থিক সমস্যার কারণে ধার নেওয়ার কথা ভাববেন।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাশিফল

বিনিয়োগে লাভ মিথুনের , অন্যান্য রাশির কি আজ হবে মঙ্গল ?

১ অগ্রহায়ণ ( ১৭ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ ব্যবসায়ীরা নতুন কোন ব্যবসায়িক আলোচনায় সফল হবেন। বৃষ ঃ আমদানি রফতানি নির্ভর ব্যবসায় বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। মিথুন ঃ ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে কিছু লাভের আশা করা যায়। কর্কট ঃ দাম্পত্য ক্ষেত্রে আজ সুখ শান্তি ফিরে পাবেন। সিংহ ঃ কর্মস্থলে কোনও কারণে মনোমালিন্য দেখা দেবে। কন্যা ঃ শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। তুলা ঃ পারিবারিক কাজে কিছুটা ব্যস্ত থাকতে পারেন। বৃশ্চিক ঃ বিদেশ থেকে ভালো কোনও সংবাদ পেতে পারেন। ধনু ঃ সামাজিক কাজে অংশ নিতে পারেন। মকর ঃ প্রবাসীদের কর্মস্থলে সাফল্য লাভের যোগ প্রবল। কুম্ভ ঃ দৈনন্দিন প্রয়োজনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। মীন ঃ বকেয়া কোনও বিল আদায় করতে পারেন।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাশিফল

কাজের জায়গায় সমস্যা সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

৩০ কার্তিক ( ১৬ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
রাশিফল

ব্যয় বৃদ্ধি  কুম্ভের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে ছুটির দিন ?

২৯ কার্তিক ( ১৫ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। মিথুন ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কর্কট ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। সিংহ ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। কন্যা ঃ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের দিনটি ভালো যাবে না। তুলা ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। বৃশ্চিক ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। ধনু ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মকরঃ অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে। কুম্ভ ঃ ব্যয় তুলনামূলক বৃদ্ধি পাবে। মীন ঃ বন্ধুর সাহায্যে বকেয়া বিল আদায় করা সম্ভব হবে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
রাশিফল

কাজের জায়গায় সমস্যা সিংহের , কালীপুজোয় অন্যান্য রাশিগুলির কেমন কাটবে ?

২৮ কার্তিক ( ১৪ নভেম্বর) শনিবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
রাশিফল

কর্মস্থলে ঝামেলা বৃশ্চিকের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২৭ কার্তিক ( ১৩ নভেম্বর) শুক্রবার মেষ ঃ চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। কর্কট ঃ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় ভালো। সিংহ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কন্যা ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। তুলা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ কর্মস্থলে কোনো সহকর্মীর কারণে ঝামেলায় পড়তে পারেন। ধনু ঃ শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। মকর ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। কুম্ভ ঃ প্রত্যাশিত কাজে কিছু রহস্যজনক ঝামেলা দেখা দেবে। মীন ঃ মুদ্রণ ও প্রকাশনা ব্যবসায় অহেতুক বাধা-বিপত্তি অব্যাহত থাকবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
রাশিফল

আর্থিক চাপ বৃষের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২৬ কার্তিক ( ১২ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আকস্মিক অপ্রত্যাশিত খরচ আর্থিক চাপ প্রয়োগ করতে পারে। মিথুন ঃ অফিসের চিন্তা বাড়িতে আনবেন না। কর্কট ঃ আপনার ব্যক্তিত্বের উন্নতি হবে এবং আপনার মন সমৃদ্ধ হবে। সিংহ ঃ একতরফা প্রণয় আপনাকে হতাশ করতে পারে। কন্যা ঃ আপনি সহজেই সমস্যা এড়াতে পারবেন। তুলা ঃ প্রেমের ক্ষেত্রেও জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ ভ্রমণ লাভদায়ক হলেও খরচসাপেক্ষ হবে। ধনু ঃ আপনার হৃদয়ে প্রেম রাজ করবে। মকর ঃ আপনি আপনার রোমান্টিক চিন্তা এবং অতীতের স্বপ্নে নিমগ্ন থাকবেন। কুম্ভ ঃ আজ আপনার স্ত্রী খুব আত্মকেন্দ্রিক কাজ করতে পারেন। মীন ঃ আপনার পরিবারের প্রত্যাশা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে ব্যর্থ হবেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি মিথুনের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২৫ কার্তিক ( ১১ নভেম্বর) বুধবার মেষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। বৃষ ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হওয়ার আশঙ্কা। মিথুন ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। কর্কট ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। সিংহ ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। কন্যা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। তুলা ঃ শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বৃশ্চিক ঃ মায়ের শরীর ভালো যাবে না। ধনু ঃ কোনো আত্মীয়র সাথে অহেতুক ভুল বোঝাবুঝিতে জড়িয়ে যেতে পারেন। মকর ঃ ছোট ভাই-বোনের জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারেন। কুম্ভ ঃ বকেয়া টাকা আদায় না হওয়ার সম্ভাবনা কম। মীন ঃ অন্যমনস্কতার জন্য ছোটখাটো দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

নভেম্বর ১১, ২০২০
রাশিফল

আর্থিক উন্নতি মেষের , অন্যান্য রাশির কি হবে মঙ্গল ?

২৪ কার্তিক ( ১০ নভেম্বর) মঙ্গলবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ১০, ২০২০
রাশিফল

ভাগ্য উন্নতি মিথুনের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে সপ্তাহের প্রথম দিন ?

২৩ কার্তিক ( ৯ নভেম্বর) সোমবার মেষ ঃ চাকরিজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নেই। বৃষ ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মিথুন ঃ ভাগ্য উন্নতি আশা করতে পারেন। কর্কট ঃ ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় ভালো। সিংহ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। কন্যা ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে। তুলা ঃ পায়ে আঘাতের আশঙ্কা প্রবল। বৃশ্চিক ঃ কর্মস্থলে কোনো সহকর্মীর কারণে ঝামেলায় পড়তে পারেন। ধনু ঃ শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। মকর ঃ প্রেমের আঘাতে ছটফট করতে হবে। কুম্ভ ঃ প্রত্যাশিত কাজে কিছু রহস্যজনক ঝামেলা দেখা দেবে। মীন ঃ মুদ্রণ ও প্রকাশনা ব্যবসায় অহেতুক বাধা-বিপত্তি অব্যাহত থাকবে।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
রাশিফল

কাজের জায়গায় সমস্যা সিংহের , অন্যান্য রাশির কেমন কাটবে দিন ?

২২ কার্তিক ( ৮ নভেম্বর) রবিবার মেষ ঃ আর্থিক দিকে উন্নতি নিশ্চিত। বৃষ ঃ আপনি প্রেমিকার ব্যাপার অনেকে কিছুই ভুল ভাববেন। মিথুন ঃ আপনার মন সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে বিঘ্নিত হবে। কর্কট ঃ আপনি প্রেমে ধীরে ধীরে কিন্তু নিয়মিতভাবে পুড়তে থাকবেন। সিংহ ঃ কাজের জায়গায় নতুন সমস্যা উঠে আসবে। কন্যা ঃ অতীতের বিনিয়োগ থেকে উপার্জন বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তুলা ঃ নিজের প্রেমের ক্ষেত্রে জিভে সংযম না থাকলে প্রচুর সমস্যা দেখা দেবে। বৃশ্চিক ঃ কিছু আইনি পরামর্শ নিতে কোন আইনজীবীর কাছে যাওয়ার পক্ষে ভালো দিন। ধনু ঃ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক হতে হবে। মকর ঃ পিতার সাথে মনোমালিন্য হবার আশঙ্কা। কুম্ভ ঃ রাস্তাঘাটে সাবধানে চলাফেরা করুন। মীন ঃ অংশীদারি কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিরাটির পর দত্তপুকুরে রাতভর তাণ্ডব! একে একে পাঁচ সিপিএম অফিসে ভাঙচুর-আগুন, উঠল বিজেপির নাম

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটিতে সিপিএমের সভা ঘিরে উত্তেজনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাতের দিকে দত্তপুকুরে একের পর এক সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বামেদের দাবি, দত্তপুকুরে মোট পাঁচটি দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। কয়েকটি অফিসে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সিপিএমের অভিযোগ, শুক্রবার রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীরা রড ও হাতুড়ি নিয়ে একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। অফিসের আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়। দেওয়ালে থাকা বাম নেতাদের ছবিও ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি দলের। দত্তপুকুরের দুনম্বর রেলগেট, গঙ্গাপুর মোড় এবং দত্তপুকুর স্টেশনের কাছে-সহ একাধিক এলাকায় এই হামলার অভিযোগ সামনে এসেছে। একটি কার্যালয়ে কাগজপত্র বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।এই হামলার পিছনে সরাসরি বিজেপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সিপিএম। দলের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমেদ আলি খান দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার বারাসত এক নম্বর বিডিও দফতরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সিপিএমের বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির পরেই পার্টি অফিসগুলিতে হামলার ঘটনা ঘটায় দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনায় পুলিশে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।তবে সিপিএমের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা অরিন্দম দে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের দলের কোনও যোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই বিজেপির নাম জড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। ফলে দত্তপুকুরের ঘটনা নিয়ে দুই দলের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা অভিযোগ ও রাজনৈতিক চাপানউতোর।এর আগেই শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরাটির বণিক মোড়ে সিপিএমের একটি পথসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সভামঞ্চে ভাঙচুর, চেয়ার ভাঙা এবং ব্যানার নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। বামেদের দাবি, সভায় হামলার পাশাপাশি তাঁদের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। সভায় সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল।বিরাটির ঘটনার ক্ষেত্রেও সিপিএম বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। দলের বক্তব্য, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভামঞ্চে হামলা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের আটকাতে কার্যকর পদক্ষেপ করেনি। সুজন চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত প্রতিবাদ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিজেপির তরফে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদারের দাবি, সভায় স্থানীয়রা কিছু স্লোগানের প্রতিবাদ করেছিলেন এবং উল্টে তাঁদের দলের মহিলা কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন।একই রাতে হাবড়াতেও বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার অভিযোগ ওঠে। হাবড়া এক নম্বর রেলগেটের কাছে এসএফআইয়ের পথসভায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। বিজেপির বিরুদ্ধে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় হাবড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।বিরাটি, হাবড়া এবং দত্তপুকুরের পরপর ঘটনাকে ঘিরে উত্তর ২৪ পরগনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। দত্তপুকুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই এসএফআই নেতা আকাশ করকে গ্রেফতার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ-সূত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন। তবে সিপিএম যে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার মূল অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগের সঙ্গে ওই গ্রেফতারের যোগসূত্র বা হামলার নেপথ্যে কারা ছিল, তা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিলের কাছে ৪-০ হার, তবু যুবভারতীতে লড়াইয়ের গল্প লিখল ভারত

যুবভারতীতে ফলাফলটা ভারতের পক্ষে নয়। স্কোরবোর্ডে ৪-০। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে শনিবার যে লড়াই উপহার দিল ভারত, তা নিছক চার গোলের হারের গল্প নয়। গুরপ্রীত সিংহ সান্ধুর দুটি বড় ভুলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারত। তবে রায়ান উইলিয়ামস, মনবীর সিংহ, অভিষেক সিংহদের লড়াকু ফুটবল প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের মন জিতে নিল।ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল একটাই প্রশ্নব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ভারত কত গোল হজম করবে? মাঠে সেই আশঙ্কার ছাপ অবশ্য শুরুতে খুব একটা দেখা যায়নি। বরং প্রথমার্ধের একটা বড় সময় ভারত রক্ষণ সামলে সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে উঠে এসেছে। ব্রাজিলের তারকা সমৃদ্ধ আক্রমণভাগকে বেশ কিছুটা সময় আটকে রাখতে সক্ষম হয়েছিল ভারতীয় রক্ষণ।কিন্তু বড় দলের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের মূল্য যে কতটা চড়া হতে পারে, যুবভারতী তারই সাক্ষী থাকল।গুরপ্রীতের দুই ভুলেই পিছিয়ে পড়ল ভারতশুরুতেই ভিনিসিয়াসের শট আটকে গুরপ্রীতকে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছিল। গ্যালারি থেকেও এসেছিল প্রশংসার আওয়াজ। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না।২৮ মিনিটে বক্সের ডান দিক থেকে এস্তেভাওর নেওয়া শট ছিল গুরপ্রীতের নাগালের মধ্যেই। বলের গতি বেশি থাকলেও সেটি সামলানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল ভারতীয় গোলরক্ষকের। কিন্তু তাঁর হাতের নীচ দিয়ে বল গড়িয়ে জালে ঢুকে যায়। ব্রাজিল এগিয়ে যায় ১-০।প্রথম গোলের ধাক্কা সামলে ভারত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করছিল। কিন্তু বিরতির ঠিক আগে ফের বিপর্যয়। ৪২ মিনিটে এস্তেভাওর তৈরি করা সুযোগ থেকে পেদ্রোর শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীতের ডান হাতের গ্লাভসে বল লেগে দিক বদলে জালে জড়িয়ে যায়।মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল। অথচ প্রথমার্ধে ভারত যে ভাবে রক্ষণ সামলাচ্ছিল, তাতে গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল।এরপর আরও একটি বিপজ্জনক মুহূর্ত তৈরি হয়েছিল। ভিনিসিয়াসের শট গুরপ্রীতের গায়ে লেগে গোলের দিকে যাচ্ছিল। পিছন থেকে দানিলো ছুটে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় রক্ষণ কোনও রকমে পরিস্থিতি সামলে নেয়।ব্রাজিলের তারকাদের আটকে রাখল ভারতব্রাজিল যে ভারতকে হালকা ভাবে নেয়নি, প্রথম একাদশেই তার প্রমাণ ছিল। ভিনিসিয়াস, মার্কুইনহোসদের সঙ্গে বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা থাকা ফুটবলাররাও ছিলেন দলে।তবু ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের আক্রমণকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয়নি। ভিনিসিয়াস বাঁ দিক দিয়ে বারবার আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করলেও তাঁকে বেশির ভাগ সময় নজরে রেখেছিলেন অভিষেক সিংহ। ব্রাজিলীয় তারকা কয়েক বার ড্রিবল করে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও অভিষেক পিছনে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন।শুধু রক্ষণ নয়, সুযোগ পেলেই ভারতীয় ফুটবলাররা পাল্টা আক্রমণে উঠেছেন। রায়ান উইলিয়ামস ও মনবীর সিংহের গতির উপর ভর করে ব্রাজিলের বক্সে ঢোকার চেষ্টাও হয়েছে একাধিক বার।বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলদ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। মাঠে আসেন গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ়, স্যামুয়েল লিনোর মতো ফুটবলাররা। পরিবর্তিত দল নিয়েও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি।৫৮ মিনিটে বিজয়ের পা থেকে বল কেড়ে নেয় ব্রাজিল। দূর থেকে শক্তিশালী শটে গোল করেন স্যামুয়েল লিনো। ভারত তখন ৩-০ পিছিয়ে।তবে এই সময়েও ভারত লড়াই থেকে সরে যায়নি। ৬৪ মিনিটে রায়ান উইলিয়ামস ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়ে গোলের সুযোগ তৈরি করেন। তাঁর শট আটকে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক মাউরো।এর কিছুক্ষণ পর রায়ান ও মনবীরের দারুণ বোঝাপড়ায় ফের সুযোগ তৈরি হয়। রায়ান বল বাড়ান মনবীরকে। পরে মনবীরের ক্রস ফের রায়ানের দিকে। চলতি বলে শট নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।সেই মুহূর্তে যুবভারতীর গ্যালারিতে হয়তো অনেকেরই মনে হয়েছিলএকটি গোল অন্তত প্রাপ্য ভারতের।শেষ মুহূর্তেও গোলের ধাক্কাম্যাচের বাকি সময়ে দুদলই আক্রমণে উঠেছে। ভারত চেষ্টা করেছে ব্যবধান কমানোর, ব্রাজিল খুঁজেছে আরও গোল। শেষ পর্যন্ত সংযুক্তি সময়ের একেবারে শেষ দিকে চতুর্থ গোল পেয়ে যায় ব্রাজিল।লিনোর শট প্রভসুখন গিলের শরীরের নীচ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-০।চার গোলের ব্যবধান নিঃসন্দেহে বড়। কিন্তু ম্যাচের পুরো ছবিটা শুধু স্কোরলাইন দিয়ে বোঝা যাবে না। ভারতীয় দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যক্তিগত ভুল এবং আক্রমণে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অভাব।তার বিপরীতে ইতিবাচক দিকও কম নয়। বিশ্বমানের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ভারত ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকেনি। রায়ান, মনবীর, অভিষেক, বিজয়রা বারবার প্রতিপক্ষের অর্ধে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে অভিষেকের ভিনিসিয়াসকে সামলানোর চেষ্টা এবং রায়ানের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নজর কেড়েছে।সামনে আরও কঠিন পরীক্ষাব্রাজিলের বিরুদ্ধে ০-৪ হার দিয়ে ভারতের এই পর্ব শেষ হচ্ছে না। বরং সামনে আরও একটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। আগামী ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত।যুবভারতীর রাত ভারতের জন্য ফলের দিক থেকে হতাশার হলেও, লড়াইয়ের মানসিকতা পরের ম্যাচের আগে কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাতেই পারে। চার গোলের ব্যবধানের আড়ালে তাই থেকে গেল অন্য এক ছবিবিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফুটবলারদের হার না মানা লড়াই।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের চেয়ার এবার কাকলির হাতে! দোলার জায়গায় বিজেপি, সংসদে রদবদল ঘিরে তুমুল চর্চা

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে থাকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হাতছাড়া হয়েছে। রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির থেকে বেরিয়ে যাওয়া কাকলি ঘোষ দস্তিদার। অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনকে। তাঁর জায়গায় চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীকে।শনিবার সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলির পুনর্গঠনের পরই এই রদবদলের কথা প্রকাশ্যে আসে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং লোকসভার স্পিকারের মাধ্যমে বিভিন্ন বিভাগের স্থায়ী কমিটির নতুন চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য পুনর্গঠিত কমিটিগুলির মধ্যে রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বাণিজ্য সংক্রান্ত কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন সুধাংশু ত্রিবেদী।এই বদলকে ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে মূলত কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদ। তাঁরা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন করা হয়।এ বার সেই বিদ্রোহী শিবিরেরই অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদের জায়গায় রাসায়নিক ও সার সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। ফলে সংসদীয় কমিটির এই রদবদলকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে এবং জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্য দিকে, বাণিজ্য সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে দোলা সেনের জায়গায় এসেছেন বিজেপির সুধাংশু ত্রিবেদী। অর্থাৎ একই রদবদলে তৃণমূল দুটি গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারম্যানের পদ হারাল। একটি পদ গেল বিজেপির হাতে, অন্যটি গেল তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের নেত্রীর হাতে।তবে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ বিদ্রোহী সাংসদদের ভবিষ্যৎ সাংসদপদ এখনও পুরোপুরি চূড়ান্ত নয়। তৃণমূলের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। লোকসভার সচিবালয় ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদকে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য ৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তাঁদের সাংসদপদ বাতিল হবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।ফলে এক দিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে তৃণমূলের দুই চেয়ারম্যান পদ হাতছাড়া হওয়া, অন্য দিকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গুরুত্বপূর্ণ কমিটির দায়িত্ব পাওয়া এবং একই সময়ে বিদ্রোহী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকাসব মিলিয়ে সংসদে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেয়েদের পর ছেলেরাও সোনা! মালয়েশিয়াকে ৫-১ উড়িয়ে ইতিহাস, অলিম্পিকের টিকিটও পাকা ভারতের

৪৪ বছর পর মেয়েদের হকিতে সোনা এসেছিল। এ বার পুরুষদের দলও সেই পথেই ইতিহাস গড়ল। মালয়েশিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে পুরুষ হকির সোনা ধরে রাখল ভারত। শুধু সোনাই নয়, এই জয়ের সঙ্গে ২০২৮ সালের অলিম্পিকের সরাসরি যোগ্যতাও অর্জন করল হরমনপ্রীত সিংয়ের দল। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম একই আসরে ভারতের পুরুষ ও মহিলা হকি দল দুটিই সোনা জিতল। পুরুষ হকিতে পরপর দুবার সোনা জেতার নজিরও এই প্রথম ভারতের।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ভারত। ১১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। তবে বেশিক্ষণ সেই ব্যবধান থাকেনি। পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে সমতা ফেরায় মালয়েশিয়া। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আবার ভারতকে এগিয়ে দেন যুগরাজ সিং। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকেই আসে সেই গোল।বিরতির পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করছিল ভারত। ৪২ মিনিটে পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে ব্যবধান বাড়ান হার্দিক সিং। এর পর ৫৪ মিনিটে শিলানন্দ লাকরা গোল করে ভারতের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোর ৫-১ করেন হরমনপ্রীত। ১৪টি পেনাল্টি কর্নার পেলেও ভারত তার মধ্যে তিনটি কাজে লাগাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় নিয়েই সোনা নিশ্চিত করে ভারত।হকির পাশাপাশি কুস্তিতেও সোনা এসেছে। পুরুষদের ৫৭ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে উত্তর কোরিয়ার প্রতিপক্ষকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন আমন সেহরাওয়াত। এক সময় এগিয়ে থেকেও পরে পিছিয়ে পড়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নেন ভারতীয় কুস্তিগির। এই বিভাগে এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন আমন। অন্য দিকে মহিলাদের ৫৩ কেজিতে রুপো পেয়েছেন অন্তিম পাঙ্ঘাল। পুরুষদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জ জিতেছেন দীপক পুনিয়া।তিরন্দাজিতেও ইতিহাস তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভ বিভাগে সোনা জিতেছেন কুমকুম মহোদ। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ সেটের পর লড়াই ৫-৫ সমতায় শেষ হয়। শুট-অফে নিখুঁত ১০ পয়েন্ট তুলে সোনা নিশ্চিত করেন কুমকুম। এশিয়ান গেমসে মহিলাদের ব্যক্তিগত রিকার্ভে সোনা জেতা প্রথম ভারতীয় মহিলা তিরন্দাজ তিনি। পুরুষদের রিকার্ভে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন নীরজ চৌহান।গলফেও এল ঐতিহাসিক সাফল্য। মহিলাদের ব্যক্তিগত বিভাগে ১৫ আন্ডার ২৬৫ স্কোর করে সোনা জিতেছেন প্রণবী উরস। এশিয়ান গেমসে এই বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা এটি। দলগত বিভাগেও রুপো পেয়েছে ভারত।দিনের শেষে ক্রিকেটেও সোনার মুকুট পেল ভারত। পুরুষদের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বাধীন দল। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ২১১ রান তোলে। অভিষেক শর্মা ২৮ বলে ৬১ রান করেন। তিলক বর্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানেই থেমে যায়। হাসান নওয়াজ ৫১ বলে ৯৬ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও পাকিস্তানকে জেতাতে পারেননি।এর ফলে এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটের দুই সোনাই এ বার ভারতের দখলে। মহিলা দলও আগে সোনা জিতেছিল। হকি এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি কুস্তি, তিরন্দাজি ও গলফে সাফল্য মিলিয়ে শেষ দিনে ভারতের সোনার সংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ২১টি সোনা, ২৭টি রুপো এবং ৩৭টি ব্রোঞ্জ-সহ মোট ৮৫টি পদক নিয়ে এশিয়ান গেমস শেষ করেছে ভারত। পদক তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারত।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এস্তেভাঁও-পেদ্রো-লিনোর গোলের ঝড়, তবু ভারতকে নিয়ে কেন আলোচনা? ব্রাজিলের বিরুদ্ধে যুবভারতীর ম্যাচে চমক

ব্রাজিলের বিরুদ্ধে স্বপ্নের ম্যাচ। ফল অবশ্য ভারতের পক্ষে গেল না। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শনিবার আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভারতকে ৪-০ গোলে হারাল পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এস্তেভাঁও, পেদ্রো এবং স্যামুয়েল লিনোর গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলোত্তির দল। তবে স্কোরলাইন যতই একপেশে হোক, ভারতের ফুটবলাররা বেশ কিছু সময়ে ব্রাজিলকে চাপে ফেলেছেন এবং একাধিক গোলের সুযোগও তৈরি করেছিলেন।বিশ্ব ক্রমতালিকায় ব্রাজিল পঞ্চম এবং ভারত ১৩৮ নম্বরে। ফলে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট। ভারতের সামনে ছিল দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার বিরল সুযোগ। শেষ পর্যন্ত হার এলেও ম্যাচের শুরুতে ভারত যথেষ্ট লড়াই করেছে। ব্রাজিল প্রথম গোল পায় ২৮ মিনিটে। এস্তেভাঁওয়ের বাঁ পায়ের শটে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। ৪২ মিনিটে পেদ্রো ব্যবধান বাড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় দুই গোলে পিছিয়ে থেকেই।দ্বিতীয়ার্ধে ভারত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ব্রাজিলের আক্রমণ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। বদলি হিসেবে নামা স্যামুয়েল লিনো ৫৮ মিনিটে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের জয় ৪-০ করেন তিনি। ফলে বড় ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হলেও ভারতের লড়াইয়ের কয়েকটি মুহূর্ত আলাদা করে নজর কেড়েছে।ভারতের আক্রমণেও সুযোগ এসেছিল। মনবীর সিং এবং রায়ান উইলিয়ামস গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ব্রাজিলের রক্ষণ এবং গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তাঁরা। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে ভারত আক্রমণে উঠেছে এবং শুধু নিজেদের অর্ধে আটকে থাকেনি।রক্ষণেও আনোয়ার আলি ও আকাশ মিশ্রকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দায়িত্ব সামলাতে দেখা যায়। ব্রাজিলের আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মতো তারকা থাকলেও ভারত শুরুতে তাঁদের গতির সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সান্ধুও একাধিক বার ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকান।এই ম্যাচে ভারতীয় গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলেরও আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলাটাই তাঁর কাছে বড় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকল। ভারতের কোচ খালিদ জামিলের কৌশল নিয়েও ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা ছিল। পানামার বিরুদ্ধে আগের ম্যাচের পর ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর দল কী ভাবে খেলবে, ছিল সেটাই বড় প্রশ্ন।ভারত শেষ পর্যন্ত গোলের মুখ খুলতে পারেনি এবং চার গোল হজম করেছে। কিন্তু দেশের মাটিতে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার এই অভিজ্ঞতা ভারতীয় ফুটবলের জন্য আলাদা গুরুত্ব বহন করছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও ম্যাচটিকে ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।ফল ভারতের পক্ষে নয়, সেটাই সত্যি। কিন্তু যুবভারতীর সেই সন্ধ্যায় ব্রাজিলের মতো বিশ্বমানের দলের বিরুদ্ধে ভারতের ফুটবলাররা যে লড়াইয়ের কিছু ছবি রেখে গেলেন, সেটাই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। ০-৪-এর স্কোরলাইন তাই ম্যাচটির পুরো গল্প বলে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ককপিটে হামলার পর যাত্রীরাই ধরলেন সহ-পাইলটকে! তারপর তাঁকে ছেড়ে দিতে কেন চাপ এসেছিল?

মাঝ আকাশে ককপিটে হামলা। তার পর যাত্রীদের তৎপরতায় আটক হলেন অভিযুক্ত সহ-পাইলট। তাঁকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে দাবি যাত্রীদের। কিন্তু সেই সময় বিমানের অন্য কর্মীদের কয়েক জন তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফ্লাইদুবাইয়ের দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে অন্য কর্মীরা কোনও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিলেন, এমন কোনও প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্ত চলছে।ঘটনাটি ঘটে বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, ওমানের নাগরিক সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি ককপিটে ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ককপিটের জরুরি কুঠার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং অভিযুক্ত সহ-পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।হামলার পর বিমানটি আচমকা নীচে নামতে শুরু করে। ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর গুরুতর আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। তখন কয়েক জন যাত্রী ভিতরে ঢুকে অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে বেঁধে রাখা হয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। এই তৎপরতার ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে অন্য দুই পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করান।বিমানে থাকা দুই যাত্রী জিকা মানেস এবং ড্যানিয়েল স্লিখটার দাবি করেছেন, কয়েক জন যাত্রী মিলে হামামকে আটকেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, হেডফোনের তার এবং টেপ ব্যবহার করে তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। কিন্তু এর পর বিমানের অন্য কয়েক জন কর্মী এসে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কেন তাঁকে মুক্ত করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা তাঁরা বুঝতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন ওই যাত্রীরা।এই দাবিই এখন নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে শুধু যাত্রীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিমানের অন্য কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, এমন তথ্য এখনও নেই। ফ্লাইদুবাইয়ের ওই কর্মীরা কেন অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন বলে যাত্রীরা দাবি করছেন, তা তদন্তের বিষয়।এদিকে হামাম আল-হামামির অতীত নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগে ওমানের বিমান সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং তাঁকে উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর পরিচয় ও অতীত নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন দাবির সবটাই এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত হয়নি।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির অ্যাটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা হামলার উদ্দেশ্য, অভিযুক্ত সহ-পাইলটের অতীত এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।ফ্লাইদুবাই বিমানের এই ঘটনায় দ্রুত যাত্রীদের হস্তক্ষেপ এবং পরে অন্য পাইলটদের বিমান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনাই বড় বিপর্যয় এড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু অভিযুক্ত সহ-পাইলটকে বেঁধে রাখার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কর্মীদের চাপ দেওয়ার যে দাবি যাত্রীরা করেছেন, সেটি তদন্তে কতটা সত্যি, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
কলকাতা

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় নামছে ককরোচ জনতা পার্টি? পুজোর পর কীসের প্রস্তুতি

দিল্লি, মুম্বইয়ের পর এবার কি কলকাতার রাস্তাতেও নামতে চলেছে ককরোচ জনতা পার্টি? মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এখনও পর্যন্ত এই কর্মসূচির দিনক্ষণ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি।এর আগে নিট পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে কলকাতায় আন্দোলনের পরিকল্পনা করেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেই কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি বলে দাবি। এবার এসআইআর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কলকাতায় নতুন করে কর্মসূচি করার প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর।সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রস্তাবিত কর্মসূচি নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব। কোথায় এবং কবে সভা করা হবে, তা নিয়ে তৃণমূলের পাশাপাশি বাম ছাত্র সংগঠনের সঙ্গেও আলাদাভাবে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে অভিজিৎ দীপকেরা এই বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন বলে সূত্রের দাবি।এর মধ্যেই আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ওই কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থন মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে দিল্লির পর কলকাতাতেও একই ধরনের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে তৃণমূলের সাহায্যের খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে কটাক্ষ করেছে সিপিএম। সংগঠনের এই উদ্যোগকে ঘিরে বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য কটাক্ষ করে বলেন, স্যান্ডো গেঞ্জির আবার বুকপকেট। ওদের দলে কতজন আছে যে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, যন্তর মন্তরে নিট আন্দোলন থেকে শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির বিভিন্ন কর্মসূচিতে এসএফআই সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে। কলকাতায় কর্মসূচির বিষয়ে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বও কথা বলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ফলে দুর্গাপুজোর পর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির আদৌ কোনও সভা হয় কি না, হলে তাতে কারা যোগ দেন এবং এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিকে সামনে রেখে কী কর্মসূচি নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বারবার ধসে বন্ধ শিলিগুড়ি-সিকিমের পথ! এবার বদলে যাবে দশ নম্বর জাতীয় সড়ক, তৈরি হবে সুড়ঙ্গ-উঁচু সেতু

বর্ষা এলেই ধস, কখনও মাটি বসে যাওয়া, আবার কখনও যানজটে থমকে যায় পাহাড়ের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার অন্যতম প্রধান পথ দশ নম্বর জাতীয় সড়কের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু হল। রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার রাস্তার আমূল উন্নয়নের জন্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ টাকার প্রকল্পের দরপত্র ডেকেছে জাতীয় সড়ক ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম। সরকারি নথি অনুযায়ী, এই প্রকল্পে রাস্তা চওড়া করার পাশাপাশি একাধিক সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধসপ্রবণ এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দশ নম্বর জাতীয় সড়কের রংপো থেকে রানিপুল অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৫.৮৭ কিলোমিটার। বর্তমানে এই রাস্তার একাধিক অংশ বর্ষায় ধস এবং মাটি বসে যাওয়ার সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন প্রকল্পে বর্তমান রাস্তা দুই লেনে উন্নীত করা হবে। রাস্তার দুপাশে পাকা অংশও রাখা হবে। পাশাপাশি ধসপ্রবণ এবং মাটি বসে যাওয়ার এলাকাগুলিতে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এই প্রকল্পে একাধিক সুড়ঙ্গ এবং উঁচু সেতুপথ তৈরির পরিকল্পনা। পাহাড়ের যে অংশগুলিতে রাস্তা বারবার ধসের কবলে পড়ে বা মাটি বসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নতুন পরিকাঠামোর মাধ্যমে ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হবে। ফলে প্রকল্পটি শুধু রাস্তা চওড়া করার কাজ নয়, বরং গোটা রংপো-রানিপুল পথের পরিকাঠামো নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা।এই প্রকল্পের জন্য দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। ৬ নভেম্বর থেকে দরপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত তা জমা দেওয়া যাবে। ১৭ নভেম্বর দরপত্র খোলার কথা রয়েছে। প্রকল্পটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্রয় ও নির্মাণ পদ্ধতিতে করার পরিকল্পনা হয়েছে। সরকারি নথিতে কাজের সময়সীমা ৪৭৪৫ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা দীর্ঘদিন ধরেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, এই রাস্তা শুধু সিকিম বা কালিম্পংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ, পর্যটন, পণ্য পরিবহণ এবং সীমান্ত এলাকার অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে।বর্ষায় দশ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামলে সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটক থেকে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী থেকে পণ্যবাহী গাড়িসবাইকে তার প্রভাব সামলাতে হয়। সেই কারণে নতুন প্রকল্পে রাস্তার নিরাপত্তা এবং সারা বছর যোগাযোগ সচল রাখার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সরকারি দরপত্রের নথিতে প্রকল্পটির আনুমানিক মূল্য ৭০৬ কোটি ৬৩ লক্ষ ৪০ হাজার ১৮৭ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দরপত্রের কাজের বিবরণে দুই লেনের রাস্তা, পাকা পাশের অংশ, সুড়ঙ্গ, উঁচু সেতুপথ এবং ধস ও মাটি বসে যাওয়ার প্রবণ এলাকার চিকিৎসার কথা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।ফলে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপো থেকে রানিপুল পর্যন্ত দশ নম্বর জাতীয় সড়কের চেহারা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। পাহাড়ি পথে ধসের ঝুঁকি কমানো, যান চলাচল আরও মসৃণ করা এবং সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ আরও নির্ভরযোগ্য করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

অক্টোবর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal