• ১ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Recruitment

রাজ্য

১৪ দিনের ইডি হেফাজত মানিকের, আদালত চত্বরে চোর চোর স্লাগান

প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে ১৪ দিনের ইডি হেফাজত দিল আদালত। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার রাতভর জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় মানিক ভট্টাচার্যকে। ইডি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, মানিক ভট্টাচার্যের ছেলের সংস্থার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হদিশ মিলেছে আড়াই কোটি টাকার বেশি। এমনকী ২০১৮-তে বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মানিক পুত্রের সংস্থার চুক্তিও সামনে উঠে আসছে। ওই চুক্তির মাধ্যমে অর্থ উপায়ের মূল কারণ কি ছিল? তা-ও ইডির নজরে রয়েছে। পাশাপাশি মানিকের পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছে ইডি। ওই অ্যাকাউন্টে কাদের কাছ থেকে টাকা আসত। কাদের সঙ্গেই বা যৌথ অ্যাকাউন্ট রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এদিন ব্যাংকশাল আদালতে মানিক ভট্টাচার্যকে লক্ষ্য করে জুতো দেখানো হয়। তাঁর উদ্দেশে চলে চোর চোর স্লোগান। এর আগে জোকা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জুতো ছুড়ে মেরেছিলেন এক মহিলা। তাছাড়া গরুপাচার মামলায় বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে গরু চোর গরু চোর বলেও স্লোগান দেওয়া হয়েছিল আসানসোলে। এবার প্রকাশ্যে পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান চলল।

অক্টোবর ১১, ২০২২
কলকাতা

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে ঝলমলে বাংলা, কলকাতার রাস্তায় অবস্থানে অনড় এসএসসি চাকরি প্রার্থীরা

একদিকে মহাসপ্তমীর দিন ঝলমলে মহানগরসহ সারা বাংলা তখনও কলকাতার রাস্তায় অবস্থানে বসে রয়েছেন এসএসসি চাকরি প্রার্থীরা। নিয়োগপত্র হাতে না নিয়ে তাঁরা অবস্থান থেকে কোনওমতেই উঠবে না বলেই পন করেছে। কোনও প্রতিশ্রুতিতে যে তাঁরা ভুলবেন না, সেকথা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন অবস্থানকারীরা। এদিন অবস্থানের ৫৬৭ দিন পার করল আন্দোলনকারীরা। বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসবের মহাসপ্তমীতে পথে বসে চোখের জলে ভাসাচ্ছেন শিক্ষক চাকরি প্রার্থীরা।২০১৯-এ কলকাতা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন এসএসসি চাকরি প্রার্থীরা। তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অভিযোগ, তখন নেতৃত্বস্থানীয়রা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এবং তাঁদের কয়েকজন চাকরিতে যোগ দেন। এভাবে আন্দোলন ভেস্তে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করছেন আন্দোলনকারীরা। পরবর্তীতে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও মেলেনি নিয়োগপত্র। তাই কোনও আনন্দ-উৎসবে অংশ না নিয়ে তাঁরা অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্প্রতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও কাজে যোগ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা ভরসা করছেন না কোনও প্রতিশ্রুতি বা বিজ্ঞপ্তিকে। তাই পুজোর কয়েকটা দিন মেয়োরোডে রাস্তার ধারে বসেই তাঁরা দাবি-দাওয়া জানাবেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ দুর্নীতি ও আর্থিক অস্বচ্ছতার বিরুদ্ধে বিজেপি যুব মোর্চার ধিক্কার মিছিল

ওয়াইফাই থেকে, ল্যান কেলেঙ্কারি সহ একাধিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। আর সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই এবার পথে নামলো বিজেপির দক্ষিণ ও উত্তর মালদা যুব মোর্চার সাংগঠনিক সদস্যরা। শনিবার দুপুরে ইংরেজবাজার শহরের পুরাটুলি সদর বিজেপির কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়।এই প্রতিবাদ মিছিলে উত্তর মালদা বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু সহ যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভঙ্কর চম্পটি, অয়ন রায়, ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সাধারণ সম্পাদক গৌড়চন্দ্র মন্ডল সহ জেলা বিজেপির নেতৃত্বরা অংশগ্রহণ করে। ইংরেজ বাজার শহরজুড়ে এই মিছিল পরিক্রমা করে শেষ হয় রথ বাড়িতে। তাঁদের অভিযোগ গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন পাঠন নষ্ট হয়ে গেছে। তাঁরা আরও অভিযোগ তোলেন বর্তমান তৃণমূল সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে অন্ধকারে দিকে ঠেলে দিয়েছে, তারই প্রতিবাদে এই মিছিল।

আগস্ট ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌তিন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি, বিদেশি বাছাইয়ে চমক দিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

ডুরান্ড কাপকে পাখির চোখ করে জোর কদমে চলছে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতি। এর পাশাপাশি দল গঠনের ব্যাপারেও অনেক তোড়জোড় শুরু হয়েছে। নতুন নতুন স্বদেশি ফুটবলারের পাশাপাশি বিদেশি ফুটবলার নির্বাচনেও চোখ লালহলুদ কর্তাদের। বিদেশি বাছাইয়ের ব্যাপারে চমক দিতে চলেছে লালহলুদ। অস্ট্রেলিয়ার এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছে। লালহলুদ কর্তাদের নজরে রয়েছেন সাইপ্রাসের এক ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারও।এশিয়া কোটার বিদেশি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ইভান্সকে নেওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সূত্রের খবর, কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে কয়েকদিনের মধ্যেই চুক্তিপত্রে সই হয়ে যাবে। আদপে ডিফেন্ডার হলেও ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার পজিশনেও খেলতে পারেন ২৭ বছর বয়সী অ্যারন ইভান্স। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার লিগ ১এ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে এই অসি ডিফেন্ডারের।সাইপ্রাসের মিডফিল্ডার অ্যালেক্স গজিকের এজেন্টের সঙ্গেও একপ্রস্থ কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। ইংল্যান্ডের প্রথম সারির দল সোয়ান্স সিটির ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট থেকে উঠে এসেছেন অ্যালেক্স। এই মুহূর্তে সাইপ্রাসের হিবারনিয়ানে খেলছেন তিনি। সাইপ্রাসের জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন অ্যালেক্স।এদিকে, বৃহস্পতিবার তিন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। মূলত কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের সুপারিশেই গোলকিপার কমলজিৎ সিং, ডিফেন্ডার লালচুংনুঙ্গা ও ফরোয়ার্ড সুমিত পাসিকে দলে নেওয়া হয়েছে। কনস্ট্যান্টাইনের প্রিয় ফুটবলার সুমিত। ভারতের কোচ থাকাকালীন তাঁকে জাতীয় দলে সুযোগ দিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। তবে বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৮টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গত মরসুমে আই লিগে রাউন্ডগ্লাস এফসির হয়ে খেলেছিলেন সুমিত। তার আগে জামশেদপুর এফসির হয়ে আইএসএলে ৩২টি ম্যাচ খেলেছেন।গোলকিপার কমলজিৎ সিংকে ওড়িশা এফসি থেকে রিলিজ করে নিয়ে আসা হয়েছে। আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ৪৪টি ম্যাচ খেলেছেন কমলজিৎ। ওড়িশা এফসির জার্সি গায়ে খেলেছেন ১২টি ম্যাচ। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলে এফসি পুণে সিটি এবং হায়দরাবাদ এফসির হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লালচুংনুঙ্গাকে নেওয়া হয়েছে আই লিগের ক্লাব শ্রীনিধি ডেকান এফসি থেকে। গত মরসুমে শ্রীনিধির হয়ে ১৭টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

আগস্ট ১২, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিক পাশে রাজ্য আশা কর্মী নিয়োগ

আশাকর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। মাধ্যমিক পাশ মহিৃলারা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে। বয়স কত, কীকী যোগ্যতা থাকা আবশ্যিক তার বিস্তারিত পাবেন এই প্রতিবেদনে।মোট শূন্যপদ ৭১। আশা কর্মী পদে নিয়োগ হবে। স্থানীয়রা সুযোগ পাবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ০১,০১, ২০২১-এ ৩০-৪০ বছর। প্রার্থীদের মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। শুধু বিবাহিত, বিধবা ও বিবাহবিচ্ছিন্নরা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে।আবেদন করতে হবে অফলাইনের মাধ্যমে। আবেদনপত্রটি নির্ভুল ভাবে ফিলাপ করতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি খামের ভিতরে দিতে হবে। খামের ওপর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নাম ও আবেদন করা পদের নাম লিখতে হবে। যে এলাকার জন্য আবেদন করবেন প্রার্থীদের সেই এলাকার বাসিন্দা হতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিডিও অফিসের ড্রপ বক্সে ফেলতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৮ মে ২০২২। পুরুলিয়ার ৫টি ব্লকে ৭১ জন আশাকর্মী নিয়োগ করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন করা হবে। তাতে মাধ্যমিকের ৯০ শতাংশ{ ইন্টারভিউয়ের ১০ শতাংশ{ফরমটি ডাউনলোড করুন ও বিস্তারিত জেনে নিন। রইল লিংক।এই লিঙ্কে ক্লিক করুনআবেদন পত্র ডাউনলোড করুন

মে ০৩, ২০২২
দেশ

রেলে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক, অবরুদ্ধ একাধিক হাইওয়ে! সকাল থেকেই রণক্ষেত্র বিহার

রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সপ্তাহের শুরু থেকেই উত্তপ্ত গোটা বিহার। আজ রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে ছাত্র সংগঠন। সেই বনধ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত বিহার। বনধ সমর্থকরা সকাল থেকেই বিভিন্ন রাস্তা, হাইওয়ে অবরোধ করেছে। একাধিক জায়গায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর পাওয়া গিয়েছে।Bihar: Protesters block roads in Patna in support of bandh called by various political parties over alleged discrepancies in RRB NTPC results pic.twitter.com/BKXMH3Kaxl ANI (@ANI) January 28, 2022চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ডের ২০২১ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরির পরীক্ষার এখনও ফল প্রকাশ না হওয়ায় তারা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে। তবে বিক্ষোভ ভয়ঙ্কর আকার নেয় সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন। গয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ।বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের তরফে আজ বিহারজুড়ে বনধের ডাক দেওয়া হয়। এদিন সকাল থেকেই থমথমে পরিস্থিতি চোখে পড়ে রাজ্যজুড়ে। একাধিক সড়ক ও হাইওয়ে বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র ও পরীক্ষার্থীরা। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন দোকান। টায়ার ও রেলমন্ত্রীর কুশপুতুল জ্বালিয়েও রাস্তা আটকে দেয় অবরোধকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যজুড়েই কড়া পুলিশি পাহারা মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, তদন্তকারী কমিটি গঠন করে রেলের নিয়োগ উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন না হওয়া অবধি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।রাজ্যজুড়ে হিংসা, বিশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবারই রেলওয়ে বোর্ডের তরফে আপাতত নন-টেকনিক্যাল পপুলার বিভাগ ও লেভেল-১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের যাবতীয় বক্তব্য শোনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। দুই পক্ষের বয়ান শোনার পর ওই কমিটি রেল মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে। অন্যদিকে, রেল মন্ত্রকের তরফে অপর একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ভাঙচুর ও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তারা রেলের চাকরি পাবেন না।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

Governor: ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধভাবে উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে সরব রাজ্যপাল

কলকাতা, যাদবপুর-সহ রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বৃহস্পতিবার টুইটে করে ওই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছেন তিনি। সেই তালিকায় কলকাতা, যাদবপুর, গৌরবঙ্গ, আলিপুরদুয়ার, বর্ধমানের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম রয়েছে।VCs of 24 Universities appointed @MamataOfficial in disregard of law.These are ex facie in defiance of specific orders or without approval by Chancellor-the Appointing Authority.These appointments carry no legal sanction and would be forced to take action unless soon recalled pic.twitter.com/hwX6dWzcSP Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) December 30, 2021রাজ্যপালের এই অভিযোগে যদিও আমল দিতে নারাজ তৃণমূল। আইনজীবী তথা তৃণমূল মুখপাত্র বিশ্বজিৎ দেব বলেন, রাজ্যপালের কোনও অভিযোগেরই গুরুত্ব তৃণমূল দেয় না। তাঁর উচিত ছিল রাজ্যপাল হিসাবে তাঁর নিজের সাংবিধানিক পদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। কিন্তু তিনি তাঁর দিল্লির বসদের কথায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্য করছেন। রাজভবনকে বিজেপি-র পার্টি অফিস বানিয়ে ফেলেছেন। তাই ওঁর কোনও কথার কোনও গুরুত্ব আমাদের দলের কাছে নেই।সম্প্রতি রাজ্যপাল-রাজ্যের সংঘাত ভিন্ন মাত্রা পেয়েছিল রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালন সংক্রান্ত বিষয়ে। সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের সব উপাচার্যদের ডেকে পাঠান ধনখড়। তা নিয়ে নতুন করে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজ্যপাল একের পর এক টুইটে দাবি করতে থাকেন, তাঁর উপর্যুপরি ডাকেও সাড়া দিচ্ছেন না বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যেরা। শাসকের অঙ্গুলি হেলনেই এমন হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন পদাধিকার বলে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি বলেন, আইনের নয়, শাসকের আইনের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থায়। ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আচার্যের অনুমোদন ছাড়া রাজ্য সরকার যে ভাবে উপাচার্যদের নিয়োগ করেন, তাও আইনের প্রহসন বলেও অভিযোগ তুলেছেন ধনখড়। টুইটে আপলোড করা ভিডিওয় ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন)-কে এ নিয়ে তদন্ত করার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য হিসাবে কর্তৃত্ব ফলানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অতিমারি পর্বের আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে একাধিকবার বিক্ষোভের সম্মুখীনও হতে হয়েছিল তাঁকে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
কলকাতা

SSC: গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, নয়া হলফনামা জমার নির্দেশ এসএসসি-কে

গ্রুপ ডি-র পর এবার গ্রুপ সি। তৃতীয় শ্রেণির কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। স্কুলে গ্রুপ-সি বা তৃতীয় শ্রেণির কর্মীদের জন্য কতগুলি পদ ফাঁকা ছিল, তাতে কজনকে নিয়োগ করা হয়েছে বা এই মুহূর্তে প্যানেলে কজনের নাম রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য কমিশনের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। এ সব তথ্য জানিয়ে নতুন করে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য মঙ্গলবার কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে আদালতে হলফনামা দিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে, এসএসসি-র কাছ থেকে সুপারিশপত্র পেয়েই তারা নিয়োগ-প্রক্রিয়া কার্যকর করেছিল। এই আবহে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, পর্ষদের এই হলফনামার পর নিয়োগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এসএসসি-র ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তৃতীয় শ্রেণির কর্মী-নিয়োগ নিয়ে যাবতীয় তথ্য দিতে এসএসসি-কে নতুন করে একটি হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।কমিশনের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকেও হলফনামা দিতে বলেছেন বিচারপতি। এই দুর্নীতির পিছনে কারা জড়িত, সে প্রশ্নও তুলেছেন বিচারপতি। আগামী ২৩ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

SSC-CBI: এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ সোমবার এই নির্দেশ দেয়। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হলফনামার পর সিবিআইয়ের অনুসন্ধানের প্রয়োজন আছে বলেই মনে করছে হাইকোর্ট। সিবিআই কমিটি গঠন করে এই অনুসন্ধান করুক চায় আদালত। এদিন ৫০০ জনের তালিকা জমা নিল আদালত। কবে তাঁরা নিয়োগ হয়েছেন, সেটা জানাতে হবে।এদিন মামলাকারীদের তরফে ৫০০ জনের নামের তালিকা তুলে দেওয়া হয় আদালতে। এদের নিয়োগ নিয়ম বহির্ভূতভাবে হয়েছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে এদিন বোর্ডের পক্ষ থেকে হলফনামা জমা পরে। সেখানে বলা হয়, কমিশনের পক্ষ থেকে যে সুপারিশ এসেছিল তার সফট কপি আছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে। তারা গ্রুপ সি ও ডি-র নিয়োগ সেখান থেকেই করেছেন। পেন ড্রাইভে তার তথ্য আছে।এদিন শুনানি চলাকালীন এজলাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একের পর এক তিরষ্কার করেছেন। একদিকে রয়েছে কমিশন, অন্যদিকে বোর্ড। কমিশন যে সুপারিশ করেনি বলে বার বার দাবি করেছে, সোমবার হলফনামা দিয়ে বোর্ড জানাল কী ভাবে সেই সুপারিশ হয়েছিল। পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট জমা পড়েছে আদালতের কাছে। সফট কপি জমা পড়েছে, পেন ড্রাইভ দেওয়া হয়েছে। তার পরও কমিশন কী করে বলছে সুপারিশ করেনি, সে প্রশ্ন ওঠে এজলাসে।বিচারপতি জানতে চান, কমিশনের সুপারিশ যদি না-ই থাকে, তা হলে কার অদৃশ্য হাত এখানে রয়েছে? কার সুপারিশে ২৫ জন চাকরি পেলেন। দুবছর হতে চলল তাঁরা সে চাকরি করছেন। পাশাপাশি বিচারপতি বলেন, এই ঘটনার জন্য তিনি সিবিআই এনকোয়ারি চান। এর কারণ যে রাজ্য পুলিশে অনাস্থা এমনটা নয়। কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলকে তিনি অসম্মান করতে চান এমনও নয়। যেহেতু এ ক্ষেত্রে একটা বড় ষড়যন্ত্র চলছে, মানুষের স্বার্থে তা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না। এ ক্ষেত্রে কোথাও গিয়ে সিবিআইয়ের অনুসন্ধানের প্রয়োজন রয়েছে। রাজ্য পুলিশের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের অধীনে তাদের কাজ করতে হয়। তাই তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কথা বলেছেন।

নভেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

SSC: এসএসসি প্রার্থীদের জন্য বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর!

রাজ্যে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। আজ, মঙ্গলবার বিধানসভায় ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগের ঢিলেমি ও নানারকমের আইনি জটিলতা, টেট দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। সেই প্রশ্নের উত্তরেই ব্রাত্য বসু এদিন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ করা হবে।ব্রাত্য বসু বলেন, রাজ্য শিক্ষক নিয়োগে বদ্ধপরিকর। আমরা ইতিমধ্যেই প্রাথমিকে ৩৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করেছি। তবে শিক্ষক নিয়োগে অনেক মামলা হয়েছে। মামলা মিটিয়ে নিয়োগের চেষ্টা হচ্ছে। আগামী ২ মাসে এসএসসি-তে নিয়োগ হবে। আদালতের জট কাটিয়েই এসএসসি-তে নিয়োগ হবে দ্রুত। আগামী ২ মাসে ১৫ হাজার এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ হবে রাজ্যে। আশ্বস্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।এসএসসির মাধ্যমে রাজ্য কবে থেকে আবার শিক্ষক নিয়োগ শুরু করবে, তা নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন করেন পাথরপ্রতিমার তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সমীর জানা। প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী এদিন বিস্তারিত বিষয়টি জানান।২০১৬ সালে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল।এই নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটে আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। গত জুলাইয়ে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগের উপর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ তুলে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

High Court: নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা

নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগে ঘটনায় রাজ্য সরকারকে একহাত নিল হাইকোর্ট। প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও এক ব্যক্তি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের চাকরি পেয়েছিলেন। পরে ত্রুটি ধরতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। ওই শিক্ষককে টেটের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বললেও তিনি তা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অসমে বড়সড় জঙ্গি হামলায় মৃত কমপক্ষে ৫আদালতে শুনানি চলাকালীন হাইকোর্ট প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করে। নথি না দেখে চাকরি দেওয়ার ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে। কিন্তু পরে নথি না পেয়ে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। এর পরই ওই অভিযুক্ত শিক্ষক আরও ১২ জনের নামের তালিকা আদালতের কাছে জমা দেন। অভিযোগ, এই ১২ জনের কারও প্রয়োজনীয় নথি না থাকা সত্ত্বেও তাঁরা এখনও চাকরি করছেন স্কুল শিক্ষক হিসাবে।এ রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ। প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক কিংবা বৃত্তিমূলক শিক্ষাক্ষেত্র, এমনকী শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগ নিয়েও চূড়ান্ত অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে এ রাজ্যে। কিছুদিন আগেই মেডিক্যাল কলেজগুলিতে শিক্ষক-চিকিৎসক নিয়োগে ব্যাপক বেনিয়মের অভিযোগে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। এমডিএমএসদের এড়িয়ে এমবিবিএসরা নিয়োগ পেয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। চিকিৎসা সংগঠনের একাংশ দাবি করে, এমবিবিএসকে সুযোগ করে দিতেই এই পথ অবলম্বন করেছে নিয়োগ সংক্রান্ত বোর্ড। এ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।

আগস্ট ২৭, ২০২১
কলকাতা

Lathicharge: নিয়োগপত্র হাতে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের, লাঠিচার্জ পুলিশের

পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরির দাবিতে ভবানী ভবনের সামনে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ। বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ বিক্ষোভ শুরু হয়। নিয়োগপত্র হাতে নিয়েই বিক্ষোভে সামিল হন চাকরিপ্রার্থীরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়া। এরপরেও চলে বিক্ষোভ। রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরের সামনে এ ধরনের বিক্ষোভ কার্যত নজিরবিহীন। প্রায় দু ঘণ্টা পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়।আরও পড়ুনঃ আজ শুরু বাদল অধিবেশন, নজরে একাধিক ইস্যুবিক্ষোভকারীদের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও চাকরির ব্যবস্থা হচ্ছে না। অনেকের কাছেই নিয়োগপত্র রয়েছে বলেও তাঁদের দাবি। তারপরও নিয়োগ আটকে রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, করোনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন পিছিয়ে গিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে যোগদানের তারিখ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই চাকরি ছেড়ে চাকরির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগ পিছিয়ে যাওয়ায় তাঁরা সবাই এখন কর্মহীন। ফলে প্রচুর সমস্যায় পড়েছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এ ব্যাপারে তাঁদের জানানো হোক। চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা ৬,৫৮৮। এরমধ্যে ১৮০০ প্রার্থী ইতিমধ্যেই কাজে যোগদান করেছেন। তাঁরা নিয়োগ নিয়ে বিবৃতি দাবি করেছেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করে। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের পাঁচ জন প্রতিনিধিকে আলিপুর থানায় নিয়ে গিয়ে আলোচনা করছে পুলিশ।। পুলিশের তরফে বারবার বিক্ষোভকারীদের সতর্কও করা হয়। কিন্তু তাঁরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে খবর।

জুলাই ১৯, ২০২১
শিক্ষা

TET-SSC: প্রতিবছর রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ, কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী? জানুন

এক টেট পরীক্ষার জট ছাড়াতে সময় লেগেছে পাক্কা পাঁচটি বছর। ২০১৬ সালের উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের সেই প্রক্রিয়া অবশেষে আদালতের হস্তক্ষেপে সম্প্রতি শেষ হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। এরই মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘোষণা, এখন থেকে প্রতিবছরই শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘোষণা রাজ্যের শিক্ষক পদপ্রার্থীদের জন্য নতুন আশা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে শিক্ষক নিয়োগের বিভিন্ন পরীক্ষা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতাই চাকরিপ্রার্থী শিক্ষকদের মনে এই ঘোষণার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে বাড়ছে মেট্রো, জেনে নিন সময়সূচিশিক্ষামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। তার জেরে ইতিমধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন ইন্টারভিউ নেওয়ার বিষয় নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে। শুক্রবারের কলকাতার হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিরই মধ্যে এখন থেকে রাজ্য সরকার প্রতিবছর প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শনিবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, শূন্যপদের ভিত্তিতে প্রতিবছর টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাসম্ভব স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করা হবে । এদিকে কমিশনের তরফেও আলাদা সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়, আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অচলাবস্থা কেটেছে। সফল প্রার্থীদের প্রথমে ইন্টারভিউ এবং তারপরে সেই ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করে নিয়োগ করা হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘিরে কোনও অসন্তোষ থাকলে প্রার্থীরা কমিশনের দপ্তরে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলেও কমিশনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। একাধিকবার আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া। শুধু তাই নয় উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ নিয়েও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হবে। পুজোর আগেই প্রাথমিকের টেটের ফল প্রকাশ করা হবে বলেও খবর। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য এমনটাই জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় সুপ্রিমকোর্ট সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও রাজ্য সরকারকে প্রাথমিকের টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট নেওয়া নিয়ে নির্দেশ দিয়েছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী শনিবারের ঘোষণাকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।

জুলাই ১০, ২০২১
শিক্ষা

Teacher Recruitment: বড় খবরঃ রাজ্যে ৩২হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এবার ঢালাও শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন চলছে। তারওপর আদালতেও নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা চলছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্বস্তি মিলেছে কর্মপ্রার্থীদের।এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, দুর্গাপুজোর মধ্যে ১৪০০০ আপার প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। তাছাড়া আরও ১০৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নেওয়া হবে। এরই পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেন, পুজোর পর আগামী মার্চের মধ্যে আরও ৭৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য। অর্থাৎ রাজ্যে মোট ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।শিক্ষকপদে নিয়োগ নিয়ে এর আগে যোগ্যতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাই হবে একমাত্র বিচার্য বিষয়। আদালতে মামলার দরুন নিয়োগ আটকে ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় আশার আলো দেখতে পাচ্ছে কর্মপ্রার্থীরা। তবে তাঁদের একটাই দাবি, যোগ্য়তাই যেন মানদন্ড হয়।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করে দিল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া

উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্যানেল থেকে শুরু করে মেধাতালিকা সবই বাতিল করে দেওয়া হল। শুক্রবার সে রায়ই দেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ শিক্ষকের উপরেই ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে। টেটে যাঁদের নাম এসেছে তাঁরা সকলে যথাযথ নন। তাই মামলাকারীদের দাবি মেনে বাতিল করা হল সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া। হাই কোর্টের নির্দেশ, নতুন নির্বাচন প্রক্রিয়া আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে শুরু করতে হবে। ৫ এপ্রিলের মধ্যে তা শেষ করতে হবে। এছাড়াও অন্যান্য প্রক্রিয়া ১০ মের মধ্যে শেষ করতে হবে। তাঁর রায়ে অত্যন্ত খুশি মামলাকারীরা। কলকাতা হাই কোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ সুদ সমেত ফেরত দেওয়ার হুমকি দিলীপের উল্লেখ্য, উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১১ ও ২০১৫ সালে টেট হয়েছিল। টেটে যাঁরা নির্বাচিত হয়েছিলেন তাঁদের ভেরিফিকেশনের জন্য ২০১৬ সালে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। ওই তালিকাকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৯ সালে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়। মামলাকারীদের অভিযোগ ছিল, যাঁরা যোগ্য নন তাঁদেরও তালিকায় নাম ছিল। আর্থিক কারচুপির অভিযোগও ওঠে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

অবশেষে ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যে কবে ভোট জানলে চমকে যাবেন

অবশেষে অপেক্ষার অবসান। বাংলা সহ দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় জানা গেছে, ঊনত্রিশে এপ্রিলের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হবে। ভোটগণনা হবে চার মে। গতবারের তুলনায় এবার পশ্চিমবঙ্গে ভোটের দফা কমানো হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোট হবে।প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। এই দুই দফাতেই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে।বাংলা ছাড়াও আরও চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এবারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। সেই তালিকায় রয়েছে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, এই চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এক দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।অসমে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো ছাব্বিশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সেখানে ভোটগ্রহণ হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ। ভোটগণনা হবে চার মে।কেরলে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা একশো চল্লিশ। এই রাজ্যেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।তামিলনাড়ুতে মোট বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে দুইশো চৌত্রিশটি। এই রাজ্যেও এক দফাতেই ভোট হবে। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে মোট বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা তিরিশ। এখানেও ভোট হবে নয় এপ্রিল। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন তেইশে মার্চ এবং ভোটগণনা চার মে।নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণার পর থেকেই পাঁচ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ভোটের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল এখন ভোটের লড়াইকে সামনে রেখে নিজেদের প্রচার এবং কৌশল ঠিক করতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা, দুই দফায় ভোট বাংলায়— দেখে নিন আপনার কেন্দ্রের তারিখ

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। রবিবার বিজ্ঞান ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে বাংলাসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, কেরল, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্টও প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলায় এবার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে তেইশে এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ঊনত্রিশে এপ্রিল। ভোট গণনা হবে চার মে।প্রথম দফার ভোটের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে সাত এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নয় এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন নয় এপ্রিল। মনোনয়ন যাচাই হবে দশ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন তেরো এপ্রিল।প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভোটগ্রহণ হবে। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি এবং তুফানগঞ্জে ভোট হবে প্রথম দফায়। আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা ও মাদারিহাট কেন্দ্রেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, মাল ও নাগরাকাটা কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি ও ফাঁসিদেওয়া কেন্দ্রেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ ও ইটাহার কেন্দ্রেও এই দফায় ভোট হবে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুরেও প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে।মালদহ জেলার হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদহ, ইংরেজবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর ও বৈষ্ণবনগর কেন্দ্রে ভোট হবে প্রথম দফায়। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল ও জলঙ্গিতেও এই দফাতেই ভোটগ্রহণ হবে।এ ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রথম দফায় ভোট হবে।দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার সব আসনে। নদিয়া জেলার করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ, শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী ও হরিণঘাটা কেন্দ্রে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর, পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর ও হিঙ্গলগঞ্জেও দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান জেলার সব কেন্দ্রেও দ্বিতীয় দফাতেই ভোট হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তৎপরতা শুরু হয়েছে। দুই দফার এই নির্বাচনে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল এখন ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

ব্রিগেডে জনসমুদ্র না ফাঁকা চেয়ার? মোদীর সভা ঘিরে শুরু তুমুল রাজনৈতিক তরজা

বিধানসভা ভোটের আগে কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ল। সভায় ভিড় দেখে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের স্লোগান তুলেছে। তাদের দাবি, এই ভিড়ই প্রমাণ করছে বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। অন্যদিকে ভিড়ের সংখ্যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ব্রিগেডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যত দূর চোখ যাচ্ছে শুধু মানুষ আর মানুষ। এই দৃশ্য তাঁকে অত্যন্ত আনন্দিত করেছে বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, এই ভিড়ই বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। সভা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি সভার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন এবং মানুষের উপস্থিতির প্রশংসা করেন।বিরোধী দলনেতার দাবি, ব্রিগেডের সভায় আট থেকে দশ লক্ষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, গোটা ব্রিগেড ময়দান কানায় কানায় ভর্তি ছিল এবং কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায়ও মানুষের ভিড় ছিল।বিজেপি নেতাদের মধ্যেও উচ্ছ্বাস স্পষ্ট ছিল। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে মঞ্চে গলা থেকে উত্তরীয় খুলে ঘোরাতে দেখা যায়। সেই ভিডিও তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। দলের সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও কর্মীদের উচ্ছ্বাসের ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, বাংলার প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ ব্রিগেডে এসেছেন। তাঁর কথায়, কলকাতা যেন গেরুয়া সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং এই উচ্ছ্বাসই বুঝিয়ে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে।তবে এই দাবি মানতে নারাজ তৃণমূল। তাদের দাবি, ব্রিগেডে বিজেপির সভায় তেমন ভিড় হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে সারিবদ্ধ ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বিজেপিকে গ্রহণ করেননি।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও কটাক্ষ করে বলেন, একটি অংশের ছবি দেখিয়ে বড় সভা বলা যায় না। তাঁর দাবি, এর থেকেও বড় সমাবেশ অন্য রাজনৈতিক দল আগে করেছে।এদিকে বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কর্মীদের ব্রিগেডে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।সব মিলিয়ে ব্রিগেডের সভা শেষ হলেও ভিড় নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও জোরদার। ভোটের আগে এই সভা যে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি করেছে, তা বলাই যায়।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে আসছে বকেয়া ডিএ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। ভোট ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে সামাজিক মাধ্যমে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেয়েছেন বহু সরকারি কর্মচারী।মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণ করছে মা-মাটি-মানুষের সরকার। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহু শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার কর্মীরাও এই বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন।তিনি আরও জানান, রাজ্যের অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী রোপা দুই হাজার নয় অনুযায়ী বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। মার্চ মাস থেকেই সেই টাকা কর্মীদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করবে।উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেখানে আদালত বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ পরিশোধ করার নির্দেশ দেয় এবং তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়।কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে বকেয়া ভাতা মেটানো হয়নি। পরে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও ছয় মাস সময় চেয়ে আবেদন করে। দুই হাজার পঁচিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। এরপর গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের আইনি অধিকার এবং তা মেটাতেই হবে।আদালত জানায়, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ দুই দফায় পরিশোধ করতে হবে এবং তা মে মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি দিতে হবে একত্রিশে মার্চের মধ্যে।এর পর বাকি কত টাকা দেওয়া হবে এবং কত সময়ের মধ্যে দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে গঠিত একটি কমিটি।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়েছিল, ডিএ দেওয়ার জন্য তিন লক্ষ সতেরো হাজারেরও বেশি কর্মীর নথি খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। দুই হাজার ষোলো সালের আগের অনেক তথ্য এখনও ডিজিটাল নয়, সেগুলি হাতে লেখা সার্ভিস বুক আকারে রয়েছে। সেই সব নথি ডিজিটাল করতে সময় লাগছে বলেও জানানো হয়।এ ছাড়াও প্রশাসনিক কাজের চাপ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার কথাও আদালতে উল্লেখ করেছিল রাজ্য সরকার। তবে দীর্ঘদিন ধরে ডিএ না মেলায় সরকারি কর্মীদের একাংশ ক্ষুব্ধ ছিলেন। সম্প্রতি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছিল। যদিও সেই ধর্মঘট খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি।এর মধ্যেই রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় পরিষ্কার হয়েছে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার পঁচিশ শতাংশ চলতি মাসেই কর্মীদের দেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ঘোষণা মমতার, পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ল

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার পরিমাণ আগেই বাড়ানো হয়েছিল। যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণাও করা হয়েছে। তবে বাজেট ঘোষণার সময় পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের জন্য আলাদা কোনও ঘোষণা করা হয়নি। এবার ভোট ঘোষণার ঠিক আগেই তাঁদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, রবিবার বিকেল চারটের সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার কিছু আগেই দুপুর দুটো চল্লিশ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়ে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের ভাতা বাড়ানোর কথা জানান।এতদিন পর্যন্ত পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমরা মাসে এক হাজার পাঁচশো টাকা করে ভাতা পেতেন। সেই ভাতা পাঁচশো টাকা বাড়িয়ে এখন থেকে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সমাজে পুরোহিত ও মুয়াজ্জেমদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন করে যাঁরা পুরোহিত ও মুয়াজ্জেম হিসেবে ভাতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আবেদনও রাজ্য সরকার গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সমাজের সব সম্প্রদায় যেন সম্মান পায় এবং সব সংস্কৃতি যেন সমান মর্যাদা পায়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই ঘোষণা ঘিরে বিরোধীদের তরফে সমালোচনাও শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর এখন পুরোহিত ভাতা বাড়িয়ে বাংলার মানুষকে পাঁচশো টাকা দিয়ে খুশি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।ভোটের ঠিক আগে এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বিকেলে ভোট ঘোষণা, তার আগে রাজ্য জুড়ে পুলিশ বদলির নির্দেশ

আজ রবিবার বিকেল চারটেয় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্য পুলিশের ভিতরে বড় রদবদল করল নবান্ন। সূত্রের খবর, মোট সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছে।ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলায় একাধিক ইন্সপেক্টরকে নতুন জায়গায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর, বারাকপুর এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বেশ কয়েকটি থানার আইসি-রও বদলি করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও কয়েক জন ইন্সপেক্টরকে অন্যত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যাঁদের বদলি করা হয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে হবে।উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বিধাননগর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং হুগলি সহ একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরাও প্রশ্ন তুলেছে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ দাবি করেছেন, নির্বাচন কমিশন যাতে পরে আর বদলি করতে না পারে, সেই কারণেই আগেভাগে এই বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কমে যায় না। প্রয়োজনে কমিশন এই সব আধিকারিকদের অতীত কাজ এবং ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারে।উল্লেখ্য, কয়েক সপ্তাহ আগেও রাজ্য পুলিশে বড় বদলি করা হয়েছিল। সে সময় চার জন আইপিএস আধিকারিককে অন্যত্র পাঠানো হয়। আলিপুরদুয়ার, বসিরহাট এবং জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপার এবং রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের এক শীর্ষ আধিকারিকেরও বদলি করা হয়েছিল।সাধারণত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলে আদর্শ আচরণবিধি জারি হয়ে যায়। তার পর প্রশাসনে বড় কোনও বদলি করতে গেলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি প্রয়োজন হয়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার ঠিক আগে এই রদবদলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কারা পাচ্ছেন তৃণমূলের টিকিট? সামনে এল সম্ভাব্য প্রার্থীদের চমকপ্রদ তালিকা

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচন কমিশন ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করতে পারে। তার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর আলোচনা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এবার বেশ কিছু নতুন ও তরুণ মুখকে টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জোর জল্পনা চলছে।দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে কয়েকটি নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নতুন মুখদের মধ্যে প্রথমেই উঠে আসছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি জয়া দত্তের নামও আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে তিনি অশোকনগরের কাউন্সিলর। যদিও অতীতে ছাত্র সংগঠনের ভর্তিকে কেন্দ্র করে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তাঁর নাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং সেই সময় তাঁকে সংগঠনের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিভিন্ন আন্দোলন এবং কর্মসূচিতে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে।আরেক রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে। তিনি সম্প্রতি সংসদে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁকে বীরভূম জেলার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে।দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজন মুখপাত্রের নামও ঘুরছে। সেই তালিকায় রয়েছেন কুণাল ঘোষ, অরূপ চক্রবর্তী এবং তন্ময় ঘোষ। আগের উপনির্বাচনের সময় কুণাল ঘোষকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা হয়েছিল। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।সম্প্রতি সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রতীকূর রহমানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাঁর পাশাপাশি নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ স্বপ্না বর্মন। তিনি এশিয়ান গেমসে সোনা জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন এবং কিছুদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।দলের তরুণ নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামও ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। আগের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছিল। পরে লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছিল তমলুক থেকে। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি জয় পাননি।এ ছাড়াও আরও কিছু নতুন নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। শোনা যাচ্ছে এন্টালির বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা প্রার্থী হতে পারেন। তিনি বর্তমানে কলকাতা পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং জোকা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র।রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা চলছে সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিতের নাম নিয়েও। তাঁকে খড়দা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে জল্পনা। বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও শোনা যাচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।এছাড়াও তারকাখচিত তালিকায় গায়িকা ইমন চক্রবর্তীর নামও উঠে আসছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। যদিও অতীতেও এমন জল্পনা হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই সময় প্রার্থী হননি।অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় ঘুরছে। বিনোদন জগতের পরিচিত এই মুখকে প্রার্থী করলে ভোটের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই সব নাম নিয়ে জোর আলোচনা চললেও তৃণমূলের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা এখনও প্রকাশ হয়নি। ভোট ঘোষণার পরেই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৫, ২০২৬
কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল আরজি করের ঘটনা! বিস্ফোরক বার্তা দিলেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্রিগেডে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মহিলারা সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। তিনি জানান, তৃণমূলের গুন্ডারাজ আর থাকবে না, কেউ দমন করতে পারবে না। মোদির দাবি, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে মায়েরা কাঁদছে, বাঙালিরা নিজেদের জন্মভূমি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। মোদী বলেন, বাংলার রুটি, মাটি, বেটি বিপন্ন, জনবিন্যাস পরিবর্তিত হয়েছে এবং হিন্দু বাঙালিদের সংখ্যালঘু করার চেষ্টা হচ্ছে।মোদী অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসংস্থানের প্রকল্প রাজ্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার। বিশ্বকর্মা প্রকল্প থেকে টাকা দেওয়া সত্ত্বেও মানুষের কাছে তা পৌঁছায় না। বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রকল্পও আটকানো হয়েছে। চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। পিএম আবাস যোজনার নাম বদলানো হয়েছে, তালিকা বদল করা হয়েছে, গরিবদের বাড়ি দেওয়া হয়নি। জলজীবন মিশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পও চালু হতে দিচ্ছে না। মোদীর দাবি, বাংলার গরিবরা এ সব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কৃষকদের পরিস্থিতিও শোচনীয়। একজন আলু চাষি আত্মহত্যা করেছেন। তৃণমূলের নোংরা রাজনীতি মা-বোনেদের সম্মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মোদী স্মরণ করান, বাংলার মানুষ আগে একসময় বাম গুন্ডাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই বাম দলের কিছু নেতাকে তৃণমূল আশ্রয় দিচ্ছে। রাজ্যে অপরাধীরা নিরাপদ, কলেজে ও আদিবাসী মহিলাদের উপর হামলা হচ্ছে, এবং মানুষ এখনো সন্দেশখালি, আরজিকরের মতো ঘটনা মনে রাখে।মোদী স্পষ্ট জানান, বিজেপি সরকার এলে এসব অন্যায়ের অবসান হবে। আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা হবে, অপরাধীদের জেল ভাড়া হবে, এবং গরিব ও সাধারণ মানুষ কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পাবে।

মার্চ ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal