• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Murder

রাজ্য

রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কালনায়

এদিন শনিবার বিকেলে কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ঘরের মধ্যেই হঠাতই গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মৃত ওই ব্যক্তির নাম উৎপল গুপ্ত (8৯) বাড়ি কালনার ডাঙ্গাপাড়া এলাকায়। মৃতের পরিবার পরিজনদের দাবি তিনি প্রতিদিনই প্রচণ্ড নেশা করতেন। এদিনও বিকেলে বাড়ি থেকে নেশা করবে বলে মোটরবাইকের চাবি নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় হঠাৎই তাঁর ছেলে মোটরবাইকের চাবিটি কেড়ে নেয়, তারপরই ঘর থেকে একটি বিকট শব্দ এলে পরিবারের লোকেরা দেখতে পায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন উৎপলবাবু। এরপরই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয় মানুশে খবর দেওয়ায় ঘটনাস্থলে হাজির হয় কালনা থানা পুলিশ। মৃতের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালনা থানায় নিয়ে যায় কালনা থানা পুলিশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২২
রাজ্য

সব্জী ব্যবসায়ী মায়ের অনুপস্থিতিতে মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু বর্ধমানের রসুলপুরে

এক নাবালিকার রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর নতুন রাস্তা এলাকায়। মেয়েটির বয়স মাত্র সতেরো। তার মা ও এলাকাবাসীর ধারণা, তাকে কেউ খুন করেছে। পুলিশ খুনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। জেলা পুলিশসুপার জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে ফরেন্সিক টিমের সাহায্য নেওয়া হবে।পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুর রেল গেটের কাছে নতুন রাস্তা এলাকায় মৃতার বাড়ি। তার মা দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে থাকেন। প্রতিদিন ভোরে তিনি সব্জি আনতে মেমারি যান। আজ ও মেয়েকে বলেই বেরোন। মেয়েকে জানিয়ে বাইরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে যান। আলোও জ্বালা ছিল। সকাল ৭ টা বাজতে ১০ মিনিট আগে তিনি ফিরে আসেন। তিনি ও তার ভাইপো গিয়ে দেখেন মেয়ের কোনো সাড় নেই। বালিশ টা একপাশে পড়ে আছে। মুখটা কিছুটা ফোলা। তাদের চিৎকারে এলাকার মানুষ ছুটে আসেন। এসে দেখা যায় মেয়েটি মৃত। এরপর পুলিশ আসে। উত্তেজিত এলাকাবাসী মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাঁধা দেন। তাদের বুঝিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠায় পুলিশ।এলাকায় এসেছেন জেলা পুলিশসুপার কামনাশীষ সেন সহ পুলিশের টিম।জেলা পুলিশসুপার জানান; ঘটনাটি সকালের দিকেই ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তারা ফরেন্সিক টিম ডেকেছেন।মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমেছে। এর কিনারা করবেই পুলিশ।মৃতা মেয়েটি বৈদ্যডাঙ্গা গার্লস স্কুলে পড়তো। তার মৃত্যতে শোকের ছায়া এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২
রাজ্য

শিশু খুন, অ্যাসবেস্টসের ছাউনির ওপর মিলল দেহ, ধৃত প্রতিবেশী মহিলা

দুদিন নিখোঁজ থাকার পর মঙ্গলবার বেলার দিকে বাড়ি পাশেই উদ্ধার হল শিশুর মৃতদেহ। এই ঘটনার পর অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজত জনতা। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত মহিলা রুবি বিবিকে আটক করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার মোলডাঙা এলাকার বাসিন্দা শম্ভু ঠাকুর ও মমতা ঠাকুরের দুই সন্তান। বড় ছেলে সুপ্রিয় ঠাকুর (১০) এবং ছোট ছেলে শিবম (৫)। শম্ভু পেশায় নাপিত। ফলে পেশার তাগিদে প্রতিদিন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তবে মমতাদেবী বাড়িতেই থাকেন। রবিবার সকালে শিবম বাড়ির ঢিল ছোড়া দুরত্বে বিস্কুট কিনতে বেড়িয়েছিল। তারপর থেকেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়। ওই দিন রাতে পুলিশ কুকুর নিয়ে তল্লাশি চালিয়েও তার খোঁজ পায়নি পুলিশ। এরপরেই মঙ্গলবার বেলার দিকে প্রতিবেশী রুবি বিবির বাড়ির অ্যাসবেস্টস ছাউনির উপর থেকে কালো ত্রিপল দিয়ে মোরা পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়াই এলাকায়। এলাকার মানুষ রুবি বিবির ভাংচুর করার পাশাপাশি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালেই রুবি বিবি ওই শিসুটিকে হাট ধরে টেনে বাড়ির মধ্যে নিয়ে গিয়ে গলা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে খুন করে। ওইদিন গ্রামের মন্দিরে পুজোর জন্য লোকজন থাকায় মৃতদেহ সরাতে পারেনি। ফলে প্রথমে একটি গামছায় জড়িয়ে তার উপর কালো ত্রিপল দিয়ে বেঁধে দেহ ছাউনির উপর তুলে রাখে। এদিকে শিশুর নিখোঁজ খবরের পর থেকেই গ্রামে পুলিশের আনাগোনা শুরু হয়। গ্রামবাসীরাও চারিদিকে নজর রাখতে শুরু করে। ফলে দেহ সরিয়ে ফেলতে পারেনি রুবি বিবি। এদিন দুপুরে এলাকার মানুষ গলা পচার গন্ধ পায়। তারপরেই রুবির বাড়ির অ্যাসবেস্টসের ছাউনিতে প্রচুর মাছি উড়তে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে একা রুবি নয়, আরও কেউ যুক্ত রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুর বাবা শম্ভু ঠাকুরের সেলুনে কাজ করতেন হাবল বাউরি নামে এক যুবক। তার সঙ্গে রুবি বিবির অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এমনকি রুবি তাকে বিয়ে করতে চাইলে তাতে আপত্তি জানায় শম্ভু। সেই থেকেই শম্ভুর সঙ্গে আক্রোশ হয় রুবির। তারই বদলা নিতে শিশুকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি প্রতিবেশীদের।জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি বলেন, রবিবার থেকে ওই শিশু নিখোঁজ ছিল। দুপুরের দিকে স্থানীয় থানায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই আমরা ছয়টি দল গঠন করে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। এলাকার মানুষকে নিয়ে সমস্ত বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু খোঁজ পাওয় জায়নি। কুকুর নিয়ে এসেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সোমবার সকালে দুই কিলোমিটার এরিয়ায় তল্লাশি চালানো হয়। এমনকি সোনাঝুড়ির জঙ্গলেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। মৃতদেহের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। মহিলাকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করা হবে। উত্তেজনা থাকায় গ্রামের ছয়টি জায়গায় পুলিশ পিকেট মোতায়েন করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

ভাদু শেখ খুনের মামলায় গ্রেফতার সোনা শেখ

ভাদু শেখ খুনে অন্যতম অভিযুক্ত সোনা শেখকে গ্রেফতার করল সিবিআই। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক চার দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন।চলতি বছরের ২১ মার্চ রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে রামপুরহাট থানার বগটুই মোড়ে বোমা মেরে খুন করা হয় বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান, তৃণমূল নেতা ভাদু শেখকে। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে পুলিশ জানতে পারে দুটি মোটর বাইকে চার দুষ্কৃতী তাকে কাছ থেকে বোমা মেরে খুন করে। এদিকে ভাদু শেখ খুনের বদলা নিতে সোনা শেখের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। আগুনে আট জনের মৃত্যু হয়। সেই তালিকায় ছিল সোনা শেখের স্ত্রী রুপালী বিবি। ওই মামলায় ভাদু শেখের পরিবার ১০ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার পরেই পুলিশ ছয়জনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু হাইকোর্টের নির্দেশে দুটি হত্যা মামলা সিবিআইয়ের হাতে আসতেই ভোল পাল্টে যায়। চার্জশিটে ধৃত পাঁচ জনের নাম না থাকায় আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করে। শুধুমাত্র শেখ সঞ্জুকে ভাদু খুনে সাব্যস্ত করে সিবিআই। ধৃত সোনা শেখের নাম ভাদুর পরিবারের অভিযোগ তালিকায় থাকলেও সিবিআইয়ের প্রথম চার্জশিটে ছিল না বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। পরবর্তী চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ঢোকায় সিবিআই। তাকে রবিবার সিউড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার তাকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে সিবিআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক ধৃতকে চারদিনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন।সরকারি আইনজীবী সুরজিত সিনহা বলেন, প্রথম সিবিআইয়ের চার্জশিটে সোনা শেখের নাম ছিল না। পরবর্তীতে তার নাম ঢোকান হয়। সিবিআই মনে করেছে ভাদু শেখ খুনের সঙ্গে সোনা শেখের যোগসাজশ রয়েছে। তাই তাকে সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। বিচারক চারদিন মঞ্জুর করেছেন।অভিযুক্তর পক্ষের আইনজীবী আব্দুর বাড়ি বলেন, সোনা শেখকে রামপুরহাটের আশেপাশে থেকে ধরা হয়েছে। তার নাম এফআইআর তালিকায় দ্বিতীয়তে ছিল। তবে সিবিআই তদন্তে নেমে ভাদু খুনের সঙ্গে তার যোগসাজশ না পেয়ে চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দিয়েছিল। পরবর্তীতে তদন্তের স্বার্থে সিবিআই তার নাম ঢোকায়।সোনা শেখের নিকট আত্মীয় মিহিলাল শেখ বলেন, উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে সোনা শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তবে সিবিআইয়ের তদন্তে আমাদের আস্থা রয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখুক। যদি সোনা শেখ দোষী হয় তাহলে সাজা পাবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজ্য

ফের খুন পানিহাটিতে! বন্ধুদের মধ্যে মদ্যপানে বচসা,তার জেরে চার বন্ধু মিলে গলার নলি কেটে গঙ্গার চড়ে পুতে দেওয়ার অভিযোগ,গ্রেপ্তার চার

যানা যায়, পানিহাটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পিভি গঙ্গার ঘাটে ৫ বন্ধু মিলে মদ্যপান করছিল, সেই সময় ভান্ডারী নামে এক বন্ধু বাকি চার বন্ধুর সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। বচসা চলাকালীন চার বন্ধু মিলে ভান্ডারী নামের যুবককে গলার নলি কেটে গঙ্গার মাটির চরে পুঁতে দেয় এমনটাই অভিযোগ। সকালে এসে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় গঙ্গায় মৃতদেহ, তারপর খড়দহ থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়।খুনের তদন্তে নেমে খরদা থানার পুলিশ ঘটনার সাথে যুক্ত চার অভিযুক্তকে মুস্তাক, সূর্য, লাল্লু ও নিবেদকে বেলঘড়িয়া কামারহাটি ও আগরপাড়া অঞ্চল থেকে খুনে ব্যবহৃত চপার সহ গ্রেপ্তার করে। আজ অভিযুক্তদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে। খুনের ঘটনায় এলাকায় মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বাগুইআটির পর ইলামবাজার, অপহরণের পর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র খুন

পাথর ব্যবসায়ীর ছেলেকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ উঠল। আসানসোল পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রের গলাকাটা ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় বীরভূমের ইলামবাজারের জঙ্গলে। জানা গিয়েছে, ছাত্রের বাবার কাছে ৩০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে ফোন এসেছিল। মৃতের ছাত্রের বন্ধু সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।বাগুইআটির দুই মাধ্যমিক ছাত্রকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় তোলপাড়। তারপর ইলামবাজারে ক্ষত-বিক্ষত ছাত্রের দেহ মিলল। শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ হয় আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারংয়ের ছাত্র সৈয়দ সালাউদ্দিন। তারপর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মুক্তিপন চেয়ে ফোন আসে তার বাবার কাছে। পুলিশকে পুরো বিষয়টা জানায় সালাউদ্দিনের বাবা। অপহরণকারীরা পুলিশকে জানাতে নিষেধ করেছিল। অপহরণকারীরা জানিয়েছিল, তারা দুর্গাপুরে আছে। ইলামবাজারের দিকে যাচ্ছে। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রের মৃতদেহ মেলে। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটির দূরে মোটর বাইক মিলেছে। পুলিশ মনে করছে, একেবারে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জেনে যাওয়ায় তড়িঘড়ি খুন করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছে, অপহরণকারীরা ছাত্রের ঘনিষ্ঠ বা কাছের কেউ এই কাণ্ডে সহযোগিতা করেছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন আউশগ্রামে, স্বীকার অভিযুক্তর

পরকীয়ার জেরেই খুন করেছে স্বীকার করলো অভিযুক্ত। স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরেই রাগের বশে সাদেক শেখকে খুন করেছে পুলিশের কাছে একথা জানাল পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামে খুনের ঘটনায় ধৃত চন্দন মেটে। ধৃত শুক্রবার দাবি করে তার স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল সাদেক শেখের। বারবার নিষেধ সত্বেও সাদেক শোনেনি। তাই রাগের বশেই তাকে কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে মেরেছিলাম। মরে যাবে বুঝতে পারিনি।যদিও নিহতের স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগপত্রে জানান,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বচসার জেরেই চন্দন মেটে তার স্বামী সাদেক শেখকে পরিকল্পনা মাফিক খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চন্দন মেটেকে আটক করার পর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার তাকে বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়। আদালত ধৃতকে ৭ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যায়।বৃহস্পতিবার বিকেলে আউশগ্রামের রেওড়া গ্রামের মেটেপাড়ার কাছে সাদেক শেখকে রক্তাক্তবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। বীরভূমের সিয়ান হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়। পেশায় কৃষক সাদেক শেখ। স্ত্রী গোলেনূর শেখ পুলিশের কাছে অভিযোগে জানিয়েছেন তার স্বামী চন্দনকে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা বৃহস্পতিবার বিকেলে চাইতে গিয়েছিলেন তার স্বামী সাদেক শেখ। টাকা দিতে অস্বীকার করলে সাদেকের সঙ্গে চন্দনের বচসা হয়। চন্দন তখন হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। গোলেনূর শেখ জানান তারপর চন্দনের বাড়ি থেকে সাদেক বেড়িয়ে এসে যখন ভেদিয়া দীননাথপুর মালিয়াড়া রাস্তায় উঠছিলেন তখন চন্দন পিছন থেকে ভারী বস্তু দিয়ে সাদেকের মাথায় আঘাত করে।যদিও এদিন ধৃত চন্দন বলেন, আমার স্ত্রীর সঙ্গে সাদেক শেখের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। আমার স্ত্রীকে লজে নিয়ে যেত। আমি না থাকা অবস্থায় বাড়িতেও যেত। বৃহস্পতিবার বাড়ি ঢুকেই দেখি সাদেক আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে আসছে। তখন রাগের মাথায় কলের হ্যাণ্ডেল দিয়ে পিঠে আঘাত করতে গিয়েছিলাম। মাথায় লেগে গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

বাগুইআটির দুই ছাত্র খুনে অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র পুলিশের জালে

বাগুআটির দুই কিশোর হত্যার ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হল মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে। দীর্ঘ টানাপড়েন, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, পুলিশ কর্তা সাসপেন্ডের পর বিধাননগর পুলিশের হাতে শুক্রবার সকালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে গ্রেফতার বাগুইআটি খুনের মূল অভিযুক্ত৷ সূত্রের খবর, ফোনের টাওয়ার লোকেটেড করেই তার সন্ধান পায় পুলিশ৷ অভিযুক্ত বারবার লোকেশন বদবাচ্ছিল, হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা ছিল সত্যেন্দ্রর৷ আদতে সে বিহারের বাসিন্দা। শেষমেষ তার কিন্তু সেই ইচ্ছা আর সফল হল না৷ অভিযুক্তের ফাঁসি চাইছে, মৃত ছাত্রদের পরিবারের সদস্যরা৷অতনু দে ও অভিষেক নষ্করকে এই সত্যেন্দ্রই খুন করেছে বলে দুই পরিবারের তরফে অভিযোগ কা হয়েছে। অভিযোগ, এই সত্যেন্দ্রই ২২ আগস্ট দুই পড়ুয়াকে মোটর বাইক কেনার জন্য নিয়ে যায়। অতনু দে এবং অভিষেক নস্করকে শ্বাস রোধ করে খুন করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাট পর নহু দিন পলাতক ছিলেন সত্যেন্দ্র।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
কলকাতা

বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজ বড় ভুমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সিআইডি

গতকাল সন্ধায় বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে ভাঙ্গড় থানার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলেন CID তদন্তকারী অফিসারেরা। বাগুইয়াটি জোড়া কাণ্ডে বাসন্তী হাইওয়ের ঘটকপুকুর সহ ভাঙ্গড় থানা এলাকার একাধিক মোড়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তিনজনার একটি CID টীম। তাঁরা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্তে আসতে চাইছেন সেদিন কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে। এখনও অবধি মুল অভিযুক্ত অধরা।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

স্বামীর খুনের আসামী ছাড়া পাওয়ায়, আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন অনুপম দত্তের স্ত্রী

এদিন আদালত থেকে মূল অভিযুক্ত বাপি পণ্ডিতের জামিনের খবর এলাকায় জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। তারা একজোট হয়ে রাত পৌনে দশটা নাগাদ আগরপাড়া তেঁতুলতলা মোড়ে বিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকে। এদিকে জামিন পাওয়ার ঘটনার খবরে বিক্ষোভ চলাকালীনই অনুপম দত্তের স্ত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের পৌরমাতা মীনাক্ষী দত্ত তার দুই সন্তানকে নিয়ে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার মায়ের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাকে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিক্ষোভকারী বলেন, যদি বাপিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন ।এখানে উল্লেখ্য, ১৩ মার্চ ২০২২ অনুপমের বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, আগরপাড়া স্টেশন রোডে স্কুটারে ওঠার মুহুর্তে এক দুষ্কৃতী কয়েক হাত দূর থেকে অনুপমকে লক্ষ করে গুলি চালায়। তৎকালীন পানিহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপমের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় । সেই রাতের মধ্যে গ্রেফতার হয় অমিত পণ্ডিত। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দাদের তদন্তে উঠে আসে, খুনের সুপারি দিয়েছিল বাপি। জানাযায় এর আগে অন্য এক দুষ্কৃতীকে অনুপমকে মারা জন্য সুপারি দেইয়েছিল বাপি, সে কাজটি না করায় পুর ভোটের ঠিক পরেই অমিতকে কাজে লাগায়। সেই ঘটনার পরেই অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী ও আত্মীয় পরিজনেরা দোষীদের চরম শাস্তির দাবি করে আসছিলেন। এমতবস্থায় বাপি জামিন পেয়ে গেলে তাঁদের কোনও ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় মীনাক্ষী ও তাঁর পরিবার।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

রায়নায় ছাত্র মৃত্যু ঘটনায় প্রতিবেশী স্বামী স্ত্রী গ্রেপ্তার

ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করলো পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার পুলিশ। গভীর রাতে বাড়িতে ডেকে প্রতিবেশী যুবককে খুন করার অভিযোগকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় রায়না থানার বিদ্যানিধি গ্রামে। ১৭ই আগস্ট অচৈতন্য অবস্থায় বাড়ির পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় সুরজ মল্লিককে। প্রথমে রায়না ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুরজের মৃত্যু হয়।রায়নার বিদ্যানিধি গ্রামের মৃত সুরজ মল্লিক(২০) শ্যামসুন্দর কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলো। সুরজের সঙ্গে প্রতিবেশী এক নাবালিকার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। অভিযোগ মেয়ের সঙ্গে প্রণয়ের সম্পর্ক কোনো ভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না মেয়ের বাবা মোস্তাক।অভিযোগ মঙ্গলবার রাতে সুরজকে ডেকে পাঠায় মোস্তাক। তারপর সকালে বাড়ির কাছে সুরজকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে তাকে রায়না ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও পরে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দুপুরে সুরজ মারা যায়।অভিযোগ বাড়িতে ডাকার পর সুরজকে ব্যাপক মারধর করা হয়। মৃতের পরিবার ও স্থানীয়দের দাবী,প্রণয় ঘটিত কারণেই ওই যুবককে বাড়িতে ডেকে খুন করা হয়েছে।এরপরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবীতে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। অভিযোগের পরিপেক্ষিতে প্রেমিকার বাবা মোস্তাক ও মা তুহিনাকে গ্রেপ্তার করেছে রায়না থানার পুলিশ। প্রণয় ঘটিত কারণ নাকি এর পিছনে আছে অন্য কারণ।ঠিক কি কারণে খুন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

কলেজ পড়ুয়া ছাত্রকে নির্মম ভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে

পরিকল্পনা করে এক মেধাবী কলেজ পড়ুয়াকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠলো প্রতিবেশী এক পরিবারের বিরুদ্ধে। মৃত ছাত্রের নাম সুরজ মল্লিক (২০)। এই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে রবিবার দুপুর থেকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার বোকড়ার বিদ্যানিধি গ্রামে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী গ্রামে পৌঁছে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ছাত্রের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার মেনে নিতে না পেরে প্রতিবাদে স্বোচ্চার হয় গোটা গ্রামের মানুষজন। তাঁরা অভিযুক্ত পরিবারের সদস্য ও গ্রামের ভিলেজ পুলিশ তন্ময় সামন্তর শাস্তির দাবিতে সরব হন। বিক্ষুব্ধ গ্রাম বাসীরা রবিবার বিকালে শ্যামসুন্দর-জামালপুর সড়ক অবরোধ করেও বিক্ষোভ দেখায়। পরে অবরোধ তুলে নিলেও গ্রামবাসীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখেন এদিন রাতের মধ্যে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করলে সোমবার তাঁরা আরো বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। উত্তেজনা থাকায় গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মৃত ছাত্রের বাবা নজরুল মল্লিক জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে সুরজ অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। সে রায়নার শ্যামসুন্দর কলেজে বিএ দ্বিতীয় বর্ষে পড়তো। সুরজ উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছিল বলে ঈর্ষান্বিত ছিল গ্রামের কিশোরী সোহানা মির্জা, তাঁর বাবা মোস্তাক মির্জা ও তাঁর স্ত্রী। তাই তারা সুরজকে প্রাণে মেরে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বলে তাঁদের অভিযোগ। নজরুল মল্লিক বলেন, পরিকল্পনা মাফিক ইলেকট্রিক লাইন ঠিক করার অজুহাতে তারা গত ১৬ আগষ্ট রাতে ফোন করে সুরজকে তাদের বাড়িতে ডাকে। তার পর সুরজকে ঘরে আটকে রেখে হাত পা বেঁধে নির্মম ভাবে মারধর করে। জখম অবস্থায় সুরজ জল চাইলে অভিযুক্তরা সুরজের মুখে ফিনাইল (হারপিক) ঢেলে দেয়। সুরজ অচৈতন্য হয়ে পড়লো অভিযুক্তরা সুরজকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায়। মৃত ছাত্রের বোন সুমনা খাতুন ও তাঁদের প্রতিবেশী সেখ আব্বাস উদ্দিন বলেন, সুরজ কে এমন নির্মভাবে মারধর করে জখম করা কথা জানার পরেই তাঁরা স্থানীয় রায়না থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। থানার ডিউটিতে থাকা পুলিশ অফিসার ওইদিন উল্টে তাঁদের বলেন, সুরজকে কে মেরেছে তার কোনও প্রমাণ আছে? কোনও সাক্ষী আছে? কেউ দেখেছে কি? কোনও কেস না নিয়ে টেবিলে বসে থাকা পুলিশ অফিসার ওইদিন তাঁদের ফিরিয়ে দেন। অথচ সুরজ মারা গেছে জানতে পারার পরেই অভিযুক্ত মোস্তাক মির্জা তার পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে গা ঢাকা দিয়ে দেয়।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

বিচারের দাবীতে থানায় বিক্ষোভ জানালেন পূর্ব বর্ধমানের গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের শ'খানেক মানুষ

শুক্রবার সন্ধ্যায় দুটি ট্রাক্টর, দুটি চারচাকা ও বেশকিছু মোটর সাইকেল নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের গলসির বন্দুটিয়া গ্রামের শখানেক মানুষ গলসি থানার উপস্থিত হন। উল্লেখ্য গত ২৬ জুন রবিবার গলসির ইরকোনাতে এক যুবকের ঝুলন্ত পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। গাম সুত্রে জানা যায় মৃত ওই যুবকের নাম সেখ মনিরুল(২৭)। তিনি গলসি থানার বন্দুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সেই ঘটনায় মৃতের পরিবার থানায় অভিযোগ জানায়। মৃতের বাবা ও ভাইয়ের অভিযোগ, খায়রুল সেখকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু দোষীদের গ্রেপ্তার করছে না পুলিশ। ওই ঘটনায় তারা দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান। গত ২৩ জুন বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ ছিল মনিরুল। পরিবারের লোকেরা বিভিন্ন আত্মীয় পরিজনদের কাছে খোঁজ খবর নেন। ওই বিষয়ে তারা গলসি থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরিও করেন। এরপরই, পাশের গ্রাম ইরকোনার একটি গোয়াল ঘরের দোতালার পরিত্যক্ত ঘর থেকে মনিরুলের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযুক্তদের আটক করার দাবীতে আজ তাঁরা গলসি থানায় বিক্ষোভ জানাতে হাজির হয়।

আগস্ট ১৩, ২০২২
রাজ্য

ছাত্রনেতা আনিসের পরিবারের দাবি ওড়াল সিট, আদালতে চার্জশিট পেশ

হাওড়ার আমতার ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্য-মৃত্যুতে আদালতে চার্জশিট পেশ করল সিট। রাজ্য পুলিশের সিট চার্জশিটে উল্লেখ করেছে, খুন হননি আনিস। আনিসের পরিবার ঘটনার পর থেকে দাবি করে আসছে তাঁকে খুন করা হয়েছে। সিটের জমা দেওয়া চার্জশিটে আমতার তৎকালীন ওসি, এক এএসআই, এক হোমগার্ড ও দুই সিভিক ভলান্টিয়ারের নামের উল্লেখ রয়েছে।আমতার ছাত্রনেতা আনিসকে পুলিশই খুন করেছে। অভিযোগ তাঁর পরিবারের। আনিসের রহস্য-মৃত্যু ঘিরে একটা সময় টানা কয়েকদিন উত্তাল ছিল শহর কলকাতা। আনিস-মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি করে আসছে তাঁর বাবা সালিম খান। আনিসের মৃত্যুতে রাজ্য পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলে সরব হয়েছিল বিরোধীরাও। আনিসের পরিবারের দাবি খারিজ করে দিয়েছে সিট। উপর থেকে পড়ে গিয়েই আনিসের মৃত্যু হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিট। একইসঙ্গে পুলিশের গাফিলতির বিষয়টিরও উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে।

জুলাই ১১, ২০২২
রাজ্য

কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যাবে বহরমপুরে? কটাক্ষ শুভেন্দুর

রাজনীতি ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন সমার্থক শব্দ। বাংলায় ঘটনা ঘটলে বিজেপি কেন্দ্রীয় ভাবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠাচ্ছে। বিজেপি শাসিত রাজ্য বা কেন্দ্রীয় পুলিশের তত্বাবধানে কোনও ঘটনা ঘটলে সেখানে এই কমিটি গঠন করছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম একই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এবার বহরমপুরের ছাত্রী খুনের ঘটনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠানো নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে? @MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন।জানতে চাই মাননীয়া কখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠাচ্ছেন বহরমপুরে?@MamataOfficial আপনার শাসনকালে অপরাধীদের মনোবল বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনি আইন শৃঙ্খলার অবনতির দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন এবং যোগ্য কাউকে দায়িত্ব দিন। Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) May 3, 2022রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধান খুন হওয়ার পর গণহত্যায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরে আরও ২জন অগ্নিদগ্ধের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনার বিস্তারিত জানতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিলেন। তাঁরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নাড্ডাকে রিপোর্ট দিয়েছিল। পরে হাঁসখালিতে গণধর্ষণের ঘটনাতেও দলের মহিলা সদস্যের নিয়ে ফ্য়াক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘটনা স্থলে গিয়ে মৃতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে।এরইমধ্যে উত্তরপ্রদেশে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে গলার নালি কেটে কেটে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়। সেখানে পৌঁছায় তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। তারপর দিল্লির ঘটনায় ফের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায় তৃণমূল। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় রয়েছে যোগীর সরকার। আর দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির পাল্টা তৃণমূলও গঠন করে।গতকাল সোমবার সন্ধ্য়ায় বহরমপুরে চাকু দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে অনেকের সামনে এক কলেজছাত্রীকে খুন করে যুবক। অভিযুক্ত সুশান্ত চৌধুরীকে কয়েক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।

মে ০৩, ২০২২
দেশ

তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রয়াগরাজের নিহত পরিবারের আত্মীয়রা

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ। এই ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলি যোগী সরকারের তুলোধোনা করছে। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁরা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রবিবার প্রয়াগরাজের ঘটনাস্থলে যায় পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে ওই প্রতিনিধি দল।এরাজ্যের বীরভূমের বগটুই গ্রামের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সারা দেশকে। এবার উত্তরপ্রদেশের ঘচনায় ছিছি করছে সারা দেশ। প্রয়াগরাজের থরভই থানার খেবরাজপুর গ্রামে ২ বছরের শিশু-সহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলার নলি কেটে হত্যা করা হয়েছে। তারপর বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হয়েছে বিবস্ত্র অবস্থায় বিশেষভাবে সক্ষম মেয়ে ও পুত্রবধূর মৃতদেহ।এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রনিতিধি দলে ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, বনগাঁর প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি ও উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতা ললিতেশ ত্রিপাঠী। বিজেপি এরাজ্যে বগটুই গণহত্যা ও হাঁসখালি গণধর্ষণকান্ডে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠিয়েছিল। তৃণমূল দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনাতেও সাংসদদের নিয়ে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায়। সেখানে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ, অভিযোগ করে তৃণমূল। এদিন তৃণমূল প্রতিনিধিদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের আত্মীয়রা। তাঁদের পাশে থাকার ব্যাপারে আশ্বাস দেন এই প্রতিনিধদলের সদস্যরা। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার তীব্র সমালোচনা করেন তাঁরা।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
রাজ্য

এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ নিরঞ্জন বৈষ্ণব খুনে

নিরঞ্জন বৈষ্ণব খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপম কান্দু খুনের ঘরনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিরঞ্জন ছিল তপন কান্দু খুনের প্রত্যক্ষদর্শী। ঘটনার দিন তপনের সঙ্গে হাটতে বেরিছিলেন নিরঞ্জন। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা সিবিআই তদন্তের ওপর আস্থা রেখেছেন। নিরঞ্জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য দেখছেন পূর্নিমা।নিরঞ্জনের পরিবারের সদস্যরাও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিল। এর আগে রামপুরহাটের বগটুই গণহত্যায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। পরে আবার ভাদু খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। কারণ আদালত মনে করে দুটি ঘটনাই সম্পর্কযুক্ত। ঝালদার তপন কান্দু খুনের ঘটনার সাক্ষী ছিলেন নিরঞ্জন।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

ঝালদায় বুধবার ১২ ঘন্টার বনধের ডাক কংগ্রেসের, গন্ডগোলের মাঝে পুরবোর্ড গঠন তৃণমূলের

কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু খুন, সিবিআই তদন্ত শুরু, কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তাল ঝালদা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন করল তৃণমূল কংগ্রেস। ঝালদার পুরপ্রধান হলেন সুরেশ আগরওয়াল ও উপপুরপ্রধান পদে এলেন সুদীপ কর্মকার। এদিকে এদিন কংগ্রেসের চার কাউন্সিলরও শপথ নেন। পুলিশি হেনস্থার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস।এদিন ঝালদা শহরে মিছিল করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি চলে কংগ্রেস কর্মী ও পুলিশের মধ্যে। ঝালদা পুরসভার বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেস। পুরসভার ভিতরেও তান্ডব চলতে থাকে। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর ওপর পুলিশি হেনস্তার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘণ্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। এদিকে কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সিবিআই তদন্ত শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। খুনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারী রূপে অভিযোগ উঠেছে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে। যদিও জেলা পুলিশ সুপার আইসিকে ক্লিন চিট দিয়েছেন। তবে পূর্ণিমা নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর অভিযোগ, তপন কান্দু খুনের ঘটনায় ওই আইসি যুক্ত রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

গলসি-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে সিআইডির বিশেষ দল

পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার অন্তর্গত সন্তোষপুরে অগ্নিকান্ডের তদন্তে কলকাতা সিআইডির ফরেন্সিক ফিঙ্গার টিমের বিশেষ দল। এই দলে রয়েছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর সৈবাল বাগচিসহ চার জন। এঁদের মধ্যে একজন ফোটগ্রাফার ও দুজন ফিঙ্গারপিন্ট এক্সপার্ট রয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই টিম গলসি থানায় আসে। তারপর থানার একজন অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সন্তোষপুট গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি ও গাড়িগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।সন্তোষপুর এলাকা থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৩৯জন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করেছে গলসী থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজত নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৩৯ জন ধৃতের মধ্যে অনেকেই নির্দোষ। তাঁদের অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা মূল অভিযুক্ত তাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসীরা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ভয়াবহ খুন ও তার প্রতিবাদে আগুন লাগানোর পরের দিন শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম

থমথমে গলসির সন্তোষপুর গ্রাম। কানপাতলেই পুলিসের রুটমার্চের ভারি বুটের আওয়াজ। খুনের বদলা আগুনের পর শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম। রাতভর পুলিশের তল্লাশিতে আগুন লাগানোর অভিযোগে পুলিশ ৩১ জনকে আটক করেছে। উল্লেখ্য পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামে সোমবার স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে স্বামী উৎপল ঘোষকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তাঁর বন্ধু মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। পুলিশের জেরায় ধৃত মনোজ উৎপল ঘোষকে খুনের কথা স্বীকার করেছে।অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই গলসি থানায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। তাদের দাবি, পুলিশ নির্দোষ ব্যক্তিদের গ্রাম থেকে তুলে এনেছে। মৃত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষ দাবী করেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বহিরাগত লোক নিয়ে এসে বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। তিনি বলেন, আগুন লাগানো আমরা সমর্থন করি না। আইনি পথেই আমরা চাইছি দোষী শাস্তি পাক। বাড়িতে আগুন লাগানোর সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল বলেই অভিযোগ। পুলিশের চখের সামনেই বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে এই মুহুর্তে পুরুষশূন্য সন্তোষপুর। গ্রামে চলছে র্যাফের টহল।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্গাপুরে জঙ্গলে নেহরুর মূর্তি! ২৪ ঘণ্টার ‘ডেডলাইন’ কংগ্রেসের, বিজেপির পালটা দাবি—‘চোরা তৃণমূলীরাই দায়ী’

দুর্গাপুর, ৩০ আগস্ট: রাজনৈতিক মতাদর্শের লড়াই এবার পৌঁছে গেল দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ঘিরে বিতর্কে। দুর্গাপুরের একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে থেকে নেহরুর বিশাল মূর্তি ক্রেনের সাহায্যে তুলে পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। যদিও সেই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক পালটা দাবি করেছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেসেরই একটি অংশ এবং চোরা তৃণমূলীরা।দুর্গাপুরের হর্ষবর্ধন প্রাইমারি স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টারের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর একটি বড় মূর্তি ছিল। কংগ্রেসের অভিযোগ, শুক্রবার সেখানে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের জন্য জায়গা তৈরি করতেই ক্রেন এনে নেহরুর মূর্তিটি সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে সেটি স্কুল সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয় বলে অভিযোগ।মূর্তি সরিয়ে ফেলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়। তাদের প্রশ্ন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতার মূর্তির সঙ্গে এমন আচরণ কেন করা হল?জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনকে কার্যত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, ক্রেনের সাহায্যে নেহরুর মূর্তি উপড়ে নিয়ে গিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেই জায়গায় পরবর্তীতে রাখিবন্ধন অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও ছিল।Press ReleaseThe Pradesh Congress strongly condemns the desecration of the statue of the countrys first Prime Minister, Pandit Jawaharlal Nehru; Shri @subhankar_cong demands the immediate reinstallation of the statue and the arrest of the culprits.Kolkata, August 30, 2026: pic.twitter.com/SImtSOHvX8 West Bengal Congress (@INCWestBengal) August 30, 2026দেবেশ চক্রবর্তীর বক্তব্য, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেহরুর মূর্তিকে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পূর্বের জায়গায় পুনঃস্থাপন করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে কংগ্রেস।তবে কংগ্রেসের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পালটা অভিযোগ, কংগ্রেসেরই একটি অংশ গোপনে তৃণমূলে যোগ দিয়েছে এবং সেই চোরা তৃণমূলীরাই নেহরুর মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত।বিজেপি বিধায়কের দাবি, ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে এই ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই। বরং কারা মূর্তিটি সরিয়েছে, তা তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা উচিত।নিজের বক্তব্যের পক্ষে অতীতের একটি ঘটনারও উল্লেখ করেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, দুর্গাপুরের এভিএল কার্যালয়ের সামনে একাধিক ইউনিয়ন অফিস ভাঙার সময় তাঁর হস্তক্ষেপেই রাজীব গান্ধীর মূর্তিটি রক্ষা পেয়েছিল। ফলে বিজেপি কখনও রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি ভাঙচুরকে সমর্থন করে না বলেও তাঁর দাবি।চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। বরং যারা এই কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেও তাঁর দল রয়েছে।এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে এবার সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসও। ৩০ আগস্ট প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার নেহরুর মূর্তি সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা করেছেন।শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নেহরু শুধু কংগ্রেসের নেতা ছিলেন নাতিনি ছিলেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং আধুনিক ভারত নির্মাণের অন্যতম প্রধান স্থপতি। তাঁর মূর্তি এভাবে সরিয়ে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া শুধুমাত্র একটি মূর্তির অবমাননা নয়, বরং দেশের ইতিহাস ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যের প্রতিও অসম্মান।তবে এই ঘটনার পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা নিয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস। দলের দাবি, প্রশাসন ও পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করুক এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবিলম্বে নেহরুর মূর্তি পূর্বের স্থানে পুনঃস্থাপনের পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নামবে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর। একদিকে কংগ্রেসের অভিযোগের নিশানায় বিজেপি, অন্যদিকে বিজেপির পালটা অভিযোগ তৃণমূলের দিকে। মূর্তি কে সরাল, কেন সরানো হল এবং ঘটনাটির পিছনে আসল কারণ কীএই প্রশ্নগুলির উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী, এবার সরাসরি আমলা-পুলিশের কাছে অভিযোগ! সপ্তাহে দু’দিন খুলছে দরজা

সরকারি পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ বা সমস্যা হলে এবার থেকে সাধারণ মানুষ সরাসরি উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। সপ্তাহে দুদিন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারবেন। এর জন্য আগে থেকে কোনও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। ওই দুই দিন আধিকারিকদের সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।এই সময়ে আধিকারিকদের যাতে বাইরে সরকারি কাজে যেতে না হয়, সেই বিষয়েও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে তাঁদের।সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সরকারি ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করতে হবে। অফিসে এমন জায়গায় এই তথ্য রাখতে হবে, যাতে সহজেই তা সাধারণ মানুষের নজরে আসে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দফতর বা বিভাগের সরকারি ওয়েবসাইটেও ওই তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।নতুন ব্যবস্থার আওতায় একাধিক স্তরের সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ থাকবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা শাসক, পুর কমিশনার, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান আধিকারিক, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক এবং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের মতো আধিকারিকদের কাছে সাধারণ মানুষ নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন।পুরসভার নির্বাহী আধিকারিক থেকে শুরু করে পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে। পুলিশ প্রশাসনের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, মহাপরিদর্শক, পুলিশ কমিশনার, উপমহাপরিদর্শক, পুলিশ সুপার, উপপুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ থাকবে।বন দফতরের ক্ষেত্রেও একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধান মুখ্য বনপাল, অতিরিক্ত প্রধান মুখ্য বনপাল, মুখ্য বনপাল, বিভাগীয় বন আধিকারিক, অতিরিক্ত বিভাগীয় বন আধিকারিক এবং বনাঞ্চল আধিকারিকদের কাছেও অভিযোগ জানানো যাবে।রবিবার মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এই নির্দেশিকা জারি করেছেন। নতুন নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে কি না এবং সরকারি আধিকারিকেরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখবে রাজ্যের কর্মীবর্গ দফতর।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রতি শনিবার সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য জনতার দরবারে বসেন। এবার সরকারি পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে সেই ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরেও সাধারণ মানুষের সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ তৈরি করা হল।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
দেশ

উত্তম-সত্যজিৎ স্মরণে মোদি, বাংলার দুই কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলা চলচ্চিত্রের দুই কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমার এবং পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে তাঁদের অবদান এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি।উত্তম কুমার শুধু বাংলা ছবির জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন না, তিনি বাঙালির সাংস্কৃতিক আবেগেরও অন্যতম প্রতীক। তাঁর অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং পর্দায় উপস্থিতি কয়েক দশক ধরে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর সঙ্গে সুচিত্রা সেনের জুটি আজও কিংবদন্তির মর্যাদা পায়। তাঁর অভিনীত একাধিক ছবি বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগের স্মারক হয়ে রয়েছে। সেই কারণেই উত্তম কুমারের নাম উচ্চারিত হলেই বাঙালির নস্টালজিয়ায় ফিরে আসে এক বিশেষ সময়।অন্যদিকে সত্যজিৎ রায় ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তাঁর সৃষ্টিশীলতা শুধু বাংলা বা ভারতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতেও তিনি তৈরি করেছিলেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। পথের পাঁচালী থেকে শুরু করে একাধিক কালজয়ী ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদর্শকের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা।প্রধানমন্ত্রীর এই স্মরণে উঠে এসেছে বাংলা সংস্কৃতির দুই ভিন্ন ধারার দুই মহীরুহের অবদানের কথাই। একজন অভিনয়ের জাদুতে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন, অন্যজন ক্যামেরার ভাষায় ভারতীয় জীবনের গল্পকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন।উত্তম কুমার ও সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টির প্রভাব প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে রয়েছে। সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষাও। কিন্তু তাঁদের কাজের আবেদন এখনও অমলিন। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তাই কেবল দুই শিল্পীকে স্মরণ নয়, বাংলা চলচ্চিত্রের সেই গৌরবময় অধ্যায়ের প্রতিও এক সম্মান প্রদর্শন।রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর #MannKiBaat-এর অনুষ্ঠানে উঠে এলেন বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমার। আপামর বাঙালির কাছে এ এক গর্বের মুহূর্ত, আবেগের মুহূর্ত।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্র জগতের মহানায়ক উত্তম কুমারের ১০০তম জন্মবার্ষিকী। এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে ভারতীয় ও বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি শিল্পী উত্তম কুমারের অনন্য প্রতিভা, অভিনয় দক্ষতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও কালজয়ী অবদানকে স্মরণ করলেন, তা নিঃসন্দেহে বাংলার মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।উত্তম কুমার শুধু বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়কই ননতিনি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি, স্মৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর অভিনয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব, তাঁর সৃষ্ট চরিত্র আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে।বাংলার সংস্কৃতি ও বাংলার গৌরবকে জাতীয় মঞ্চে যে সম্মান প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘দাদাগিরি’র পর এবার ‘বিগ বস’, সৌরভের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু আজ

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। আজ, রবিবার থেকেই বাংলার টেলিভিশনের পর্দায় শুরু হচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত বিগ বস বাংলা। তবে এবারের আকর্ষণ শুধু প্রতিযোগীদের নিয়ে নয়। এই রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সঞ্চালকের আসনে। ক্রিকেটের মাঠে নেতৃত্ব দিয়ে যিনি এক সময় ভারতীয় ক্রিকেটের ছবিটাই বদলে দিয়েছিলেন, সেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কেই এবার দেখা যাবে বিগ বস বাংলার মুখ হিসেবে। প্রায় এক দশক পর বাংলায় ফিরছে অনুষ্ঠানটি।সৌরভের কাছে অবশ্য এই দায়িত্ব একেবারেই নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো সঞ্চালনা করেছেন তিনি। কিন্তু বিগ বস-এর চরিত্র আলাদা। এখানে শুধু হাসি-ঠাট্টা বা প্রতিযোগিতার সঞ্চালনা নয়, প্রতিদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েন, মতবিরোধ, আবেগ, কৌশল এবং মানসিক চাপ, সবকিছুর মাঝখানে দাঁড়াতে হবে সঞ্চালককে। সেই জায়গাতেই সৌরভের উপস্থিতি এবারের শোকে অন্য মাত্রা দিতে পারে।এই খেলায় ব্যাট হাতে রান করার সুযোগ নেই। নেই প্রতিপক্ষের বোলিং পড়ে নেওয়ার সুবিধাও। বরং একই ছাদের নীচে থাকা একাধিক মানুষের আচরণ, সিদ্ধান্ত এবং পারস্পরিক সমীকরণই হয়ে উঠবে মূল আকর্ষণ। কে বন্ধুত্বকে কাজে লাগাবেন, কে নিজের অবস্থান ধরে রাখবেন, কে চাপের মুহূর্তে ভুল করবেন, সেটাই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে।শোয়ের নির্মাতারা প্রতিযোগীদের পরিচয় নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কৌতূহল ধরে রেখেছেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রের পরিচিত মুখদের পাশাপাশি বিনোদন এবং সোশ্যাল মিডিয়া জগতের একাধিক নাম নিয়েও জল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা জানার জন্য দর্শকদের নজর থাকবে আজকের গ্র্যান্ড ওপেনিংয়ের দিকে।স্টার জলসা এবং জিওহটস্টারে সম্প্রচারিত হবে এই নতুন অধ্যায়। ফলে আজ রাত থেকেই বোঝা যাবে, দাদা কি পারবেন ক্রিকেটের মাঠের মতোই টেলিভিশনের এই জটিল খেলাতেও নিজের ছাপ রাখতে? উত্তর খুঁজতেই আজ পর্দার সামনে বসবে বাংলা।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
বিদেশ

নেপালে ভয়াবহ হড়পা বান, মৃতের সংখ্যা সাতশো পেরিয়ে! প্রায় তিন হাজার নিখোঁজ, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের

নেপালে হড়পা বানের ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত সাতশোর বেশি মানুষের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রায় তিন হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ বলে জানা যাচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে বহু ভারতীয়ও রয়েছেন বলে খবর।বিপর্যয়ের পাঁচ দিন পর উদ্ধারকাজ জোরদার হলেও পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। ধ্বংসস্তূপ এবং কাদামাটির মধ্যে থেকে একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। অনেক দেহের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আবার বহু দেহ দাবি করার মতো পরিবারের কাউকেও পাওয়া যাচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে মৃতদেহ সংরক্ষণ করাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেপাল সরকারের আশঙ্কা, দেহগুলি দ্রুত পচে যাওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। হাসপাতালে এবং অন্যত্র এত বিপুল সংখ্যক দেহ রাখার মতো জায়গাও নেই। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাই পরিচয়হীন ও দাবিহীন মৃতদেহ গণকবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ান জেলা থেকে। সেখানে ২৩৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিপুল সংখ্যক দেহ একসঙ্গে রাখার কারণে হাসপাতালগুলিতেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেহ পচতে শুরু করেছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।তবে গণকবর দেওয়া হলেও মৃতদের পরিচয় যাতে পরে জানা যায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিটি দেহ কবর দেওয়ার আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনও নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা নেপালে এসে খোঁজ করলে তাঁদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে এই তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।শুধু ডিএনএ নমুনাই নয়, প্রতিটি মৃতদেহের আলাদা পরিচয় নম্বরও রাখা হচ্ছে। দেহগুলি বিশেষ ব্যাগে ভরে কবর দেওয়ার সময় সেই ব্যাগে পরিচয় নম্বর এবং অবস্থানের তথ্য দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে পরে কোনও দেহ শনাক্ত হলে ঠিক কোন জায়গায় সেটি কবর দেওয়া হয়েছিল, তা জানা সম্ভব হবে।পরবর্তীকালে দেহ তুলে শনাক্তকরণ বা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার সুযোগও রাখা হচ্ছে। সেই কারণে গণকবর খুব গভীর করে খোঁড়া হচ্ছে না। প্রতিটি দেহের মধ্যে নির্দিষ্ট দূরত্ব রাখা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট দেহটি আলাদা করে তোলা যায়।গণকবরের কাছেও একটি কংক্রিটের ব্যবস্থা করা হবে। সেখানে প্রতিটি মৃতদেহের পরিচয় নম্বর নথিভুক্ত থাকবে। ফলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পরেও মৃতদের পরিচয় যাতে পুরোপুরি হারিয়ে না যায়, সেই ব্যবস্থাই করছে নেপাল প্রশাসন।এদিকে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আরও মৃতদেহ থাকার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে আগামী দিনে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের সন্ধান এবং মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করাই এখন নেপাল প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
কলকাতা

দেওয়ালে লেখা ছিল বিতর্কিত স্লোগান, রাত পেরোতেই সব সাদা! যাদবপুরে হঠাৎ কেন বদলে গেল ছবি?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেওয়ালে বিতর্কিত স্লোগান লেখা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় এমন কিছু লেখা ছিল, যা নিয়ে আপত্তি উঠেছে। শুক্রবার যাদবপুরের আট বি এলাকায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ধরনের লেখালিখির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন। তার পরের রাতেই কয়েকটি বিতর্কিত লেখার উপর সাদা চুনকাম করা হয়।যাদবপুরের মুক্তমঞ্চের দেওয়ালে আগে একাধিক রাজনৈতিক ও বিতর্কিত বক্তব্য লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি লেখায় সশস্ত্র হিংসার পক্ষে বক্তব্য এবং মাওবাদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সমর্থনে স্লোগান ছিল বলে অভিযোগ। সেই লেখাগুলি ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।ভারতীয় জনতা পার্টির ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘদিন ধরেই নকশালপন্থী মতাদর্শের সমর্থনে নানা ধরনের স্লোগান লেখা রয়েছে। সংগঠনের দাবি, ক্যাম্পাসে এমন লেখা থাকার পরেও দীর্ঘদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।সংগঠনের এক প্রতিনিধি একটি দেওয়াল দেখিয়ে দাবি করেন, সেখানে কমরেড কিষেণজিকে সমর্থন করে লেখা ছিল। পরে সেই লেখাটিও মুছে ফেলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি ওঠে। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিতর্কিত দেওয়াল লিখনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথা জানান। তার পরেই শনিবার রাতে কয়েকটি দেওয়ালে সাদা চুনকাম করতে দেখা যায়।তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের বক্তব্য, দেওয়াল লিখন নিয়ে সমস্যা নতুন নয়। অধ্যাপক নন্দিনী মুখোপাধ্যায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে বিভিন্ন ধরনের লেখা দেখা যায়। সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা লিখছেন, না কি বাইরের কেউ এসে লিখছে, তা সব সময় নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে এমন কোনও স্লোগান থাকা উচিত নয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জানান, এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়াল লিখনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল। পড়ুয়াদের লেখার জন্য নির্দিষ্ট জায়গাও করে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই নিয়ম আর আগের মতো কার্যকর থাকেনি বলে তাঁর দাবি।বিতর্কিত লেখাগুলি কে লিখেছিল, কখন লেখা হয়েছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাতারাতি কয়েকটি লেখা মুছে ফেলার ঘটনাকে ঘিরে তাই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৬
সম্পাদকীয়

বিদ্রোহের আগুন থেকে সাম্যের গান—নজরুলের যে জীবন আজও আমাদের বিস্মিত করে

কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা চিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে। চিনি সাম্যের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি হিসেবে। তাঁর কবিতা আবৃত্তি হয়েছে মঞ্চে, তাঁর গান বেজেছে ঘরে ঘরে, তাঁর বিদ্রোহের বার্তা উচ্চারিত হয়েছে দশকের পর দশক। কিন্তু নজরুলকে যতটা আমরা জানি, তার চেয়ে অনেক বেশি অজানা রয়ে গিয়েছে তাঁর বিস্ময়কর জীবনের নানা অধ্যায়।নজরুলের জীবন যেন এক চলমান উপন্যাসযেখানে একদিকে দারিদ্র্য, অন্যদিকে বিদ্রোহ; একদিকে সৈনিকের পোশাক, অন্যদিকে কবির কলম; একদিকে ইসলামী সংগীত ও গজল, অন্যদিকে শ্যামা সংগীত ও ভজন; একদিকে রাজনৈতিক সংগ্রাম, অন্যদিকে চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দা। তিনি কোনও একটি পরিচয়ের মধ্যে নিজেকে বন্দি রাখেননি। বরং তাঁর জীবনই হয়ে উঠেছিল বহুত্বের এক অসাধারণ উদাহরণ।লেটো দলের মঞ্চ থেকেই শুরুকৈশোরেই দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন নজরুল। সংসারের অভাব তাঁকে স্কুলের গণ্ডি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তিনি যুক্ত হন বাংলার লোকনাট্যের জনপ্রিয় ধারা লেটো দলে। সেখানে শুধু অভিনয়ই করেননিগান লিখেছেন, কবিতা লিখেছেন, নাটকের সংলাপ ও পালা রচনা করেছেন, সুর দিয়েছেন, সেই গান গেয়েছেন।এই লেটো-পর্বকে নজরুলের সাহিত্যিক জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণক্ষেত্র বলা যায়। লোকভাষা, ছন্দ, সুর, নাটকীয়তা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযন্ত্রণাসবকিছুর সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ পরিচয় ঘটে এই সময়েই। পরবর্তী নজরুল-কাব্যে যে সহজ অথচ তীব্র ভাষা, তার শিকড় অনেকটাই এই লোকজ অভিজ্ঞতায়।সৈনিক নজরুল: যুদ্ধের ময়দান থেকে কবিতার পৃথিবী১৯১৭ সালে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৪৯তম বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন নজরুল। করাচিতে তাঁর দীর্ঘ সেনাজীবন কাটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষপর্বের এই অভিজ্ঞতা তাঁর মানসজগতে গভীর ছাপ ফেলে।সেনাবাহিনীতে থাকাকালীনই তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। সহযোদ্ধাদের সঙ্গে বসে সাহিত্য নিয়ে আলোচনা, গল্প-কবিতা লেখাসবই চলত। যুদ্ধ তাঁকে শুধু অস্ত্রের সঙ্গে পরিচয় করায়নি; মানুষের জীবন, মৃত্যু, সাম্রাজ্যবাদ ও শোষণের বাস্তবতাকেও নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছিল।পরবর্তীকালে তাঁর লেখায় যে যুদ্ধবিরোধী মানবিকতা এবং শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ দেখা যায়, তার পেছনে এই অভিজ্ঞতার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।বিদ্রোহীএক কবিতার বিস্ফোরণ১৯২১ সালের শেষদিকে রচিত বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর বাংলা সাহিত্যে যেন এক ভূমিকম্প ঘটে। এতদিনের কাব্যভাষার বাইরে দাঁড়িয়ে এক তরুণ কবি ঘোষণা করলেন নিজের অদম্য আত্মপরিচয়।কিন্তু বিদ্রোহী কেবল রাজনৈতিক বিদ্রোহের কবিতা নয়। এখানে আছে পুরাণ, ইসলামি ঐতিহ্য, হিন্দু দেবদেবী, প্রকৃতি, প্রেম, ধ্বংস ও সৃষ্টির এক বিস্ময়কর মিশ্রণ। নজরুল যেন বলতে চেয়েছিলেনমানুষকে কোনও একটি ধর্ম, জাতি বা পরিচয়ের খাঁচায় আটকে রাখা যায় না।ধূমকেতু: কলম যখন অস্ত্রনজরুলের সাংবাদিক সত্তাটিও কম বিস্ময়কর নয়। ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর সম্পাদিত সাপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু। পত্রিকাটির নামের মধ্যেই যেন ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের ইঙ্গিত।ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর লেখাগুলি দ্রুতই প্রশাসনের নজরে আসে। আনন্দময়ীর আগমনে কবিতাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তাঁকে কারাবন্দি করা হয়।কারাগারেও তিনি নীরব থাকেননি। বন্দিদের অধিকার এবং ঔপনিবেশিক নিপীড়নের প্রতিবাদে তিনি অনশন করেন। দীর্ঘ অনশনের সময় তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে অনশন ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বার্তাও পাঠিয়েছিলেন।এই ঘটনা প্রমাণ করে, নজরুলের কাছে স্বাধীনতা শুধু রাজনৈতিক স্লোগান ছিল নাএটি ছিল ব্যক্তিগত বিশ্বাস।খিলাফত প্রশ্নে নজরুলের অবস্থাননজরুলের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে তাঁর খিলাফত আন্দোলন সম্পর্কে অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার ফলে সাম্প্রদায়িক বিভাজন আরও গভীর হতে পারেএই আশঙ্কা তাঁর চিন্তায় প্রতিফলিত হয়েছিল।নজরুলের মূল অবস্থান ছিল মানুষের মুক্তি। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিভাজনের বদলে তিনি চেয়েছিলেন শ্রমজীবী, কৃষক, নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের ঐক্য।তাই তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে বারবার ফিরে এসেছে মানুষহিন্দু বা মুসলমান নয়, প্রথমত মানুষ।লেবার স্বরাজ পার্টি: কবির রাজনৈতিক সংগঠন১৯২৫ সালে নজরুল শ্রমিক-কৃষকের অধিকারের প্রশ্নে সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা নেন। হেমন্তকুমার সরকার ও অন্যান্য বামপন্থী নেতাদের সঙ্গে তিনি লেবার স্বরাজ পার্টি অব দ্য ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস গঠনের সঙ্গে যুক্ত হন।এই সংগঠনের ভাবনায় ছিল শ্রমিক-কৃষকের অধিকার, ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং সমাজের প্রান্তিক মানুষের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।নজরুলের রাজনৈতিক লেখায় যে শ্রেণি সচেতনতা দেখা যায়, তার সঙ্গে এই সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের গভীর সম্পর্ক ছিল।নির্বাচনের ময়দানেও নজরুলশুধু কবিতা বা বক্তৃতার মধ্যেই তাঁর রাজনীতি সীমাবদ্ধ ছিল না। ১৯২৬ সালে তিনি আইনসভার নির্বাচনে প্রার্থীও হন। অর্থবল ও সাংগঠনিক শক্তির দিক থেকে তিনি পিছিয়ে ছিলেন। ফলে নির্বাচনী রাজনীতিতে সফলতা আসেনি।কিন্তু এই পর্বটি গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, নজরুল নিজেকে কেবল সাহিত্যিক হিসেবে দেখেননি। সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক প্রক্রিয়াতেও তিনি অংশ নিতে চেয়েছিলেন।হিন্দু-মুসলমানের মিলনের এক বিরল শিল্পীনজরুলের সৃষ্টির সবচেয়ে বিস্ময়কর দিকগুলির একটি তাঁর ধর্মীয় বহুত্ববাদ।তিনি লিখেছেন ইসলামী গান, হামদ, নাত, গজল। আবার লিখেছেন শ্যামাসংগীত, ভজন, কীর্তন ও হিন্দু দেবদেবীকে নিয়ে অসংখ্য গান।মা, শ্যামা, কালী, কৃষ্ণ যেমন তাঁর গানে এসেছে, তেমনই এসেছে আল্লাহ, নবী, রমজান, ঈদ ও ইসলামী আধ্যাত্মিকতার নানা অনুষঙ্গ।এখানে কোনও কৃত্রিম সমন্বয় ছিল না। নজরুলের কাছে ধর্ম ছিল মানুষের আত্মিক অনুভূতির ভাষা; বিভেদের অস্ত্র নয়।তাঁর এই অবস্থান আজকের সময়েও অসাধারণ প্রাসঙ্গিক।চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় আর এক নজরুলনজরুলকে আমরা কবি ও গীতিকার হিসেবে যতটা মনে রাখি, চলচ্চিত্রের মানুষ নজরুলকে ততটা মনে রাখি না।কলকাতার চলচ্চিত্রজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল। তিনি চলচ্চিত্রে গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন। নির্বাক যুগ থেকে সবাক চলচ্চিত্রের উত্তরণের সময় বাংলা সিনেমার সংগীতে নতুন মাত্রা আনার ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।১৯৩৪ সালের ধ্রুব চলচ্চিত্রে তিনি দেবর্ষি নারদের ভূমিকায় অভিনয় করেন। একই সঙ্গে ছবিটির সংগীত পরিচালনা ও গীতরচনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। হাতে একতারা, পায়ে খড়ম, মুখে নারদের সাজরুপালি পর্দায় নজরুলের এই উপস্থিতি আজ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক মূল্যবান অধ্যায়। এটি ছিল তাঁর অভিনয়জীবনের একমাত্র চলচ্চিত্র অভিনয়।রবীন্দ্রনাথের কবিতায় নজরুলের সুররবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সম্পর্ক বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম সুন্দর অধ্যায়।বয়সে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অনেক বড়। সাহিত্যিক পথও ছিল আলাদা। তবু দুজনের মধ্যে ছিল গভীর শ্রদ্ধা ও স্নেহ।চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথের রচনায় নজরুলের সুরারোপের ঘটনাটি এই সম্পর্কের এক চমৎকার দৃষ্টান্ত। রবীন্দ্রনাথের রচনায় প্রচলিত সুরের বাইরে গিয়ে নজরুল নতুন সুর নির্মাণ করেছিলেন। সেই সুর কবিগুরুকে শুনিয়ে তাঁর অনুমোদন পাওয়ার ঘটনাটি শুধু দুজন শিল্পীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার নয়, সৃষ্টিশীল স্বাধীনতারও একটি সুন্দর উদাহরণ।নারীদের কণ্ঠে নতুন যুগবাংলা গান ও চলচ্চিত্রে নারী কণ্ঠশিল্পীদের প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নজরুলের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। আঙ্গুরবালা দেবী, ইন্দুবালা দেবী, কানন দেবীসহ তৎকালীন বহু শিল্পীর সঙ্গে তাঁর পেশাগত ও সৃষ্টিশীল সম্পর্ক ছিল।বিশেষ করে নারীদের সামাজিক অবস্থান যখন নানা বিধিনিষেধে আবদ্ধ, তখন তাঁদের কণ্ঠকে বৃহত্তর শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নজরুলের গান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।তাঁর সৃষ্ট নারীচরিত্রও ছিল প্রচলিত ধারণার বাইরেস্বাধীন, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন এবং প্রতিবাদী।হাফিজ ও ওমর খৈয়াম থেকে নজরুলের বাংলানজরুলের সাহিত্যিক পরিসর বাংলা ভাষার গণ্ডিতে আটকে ছিল না। ফারসি সাহিত্য, আরবি সংস্কৃতি এবং ইসলামী ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর গভীর পরিচয় ছিল।হাফিজ ও ওমর খৈয়ামের রচনার অনুবাদে তিনি বাংলা ভাষায় নিয়ে এসেছিলেন এক অন্যরকম সুর, ভাব ও রোমান্টিকতা। তাঁর অনুবাদে কেবল ভাষান্তর নয়, অনেক সময় দেখা যায় সৃষ্টিশীল পুনর্নির্মাণের প্রবণতা।এই কাজগুলির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্যের সাহিত্য-ঐতিহ্যের সঙ্গে।হাজার গানের স্রষ্টা, অথচ কত গান হারিয়ে গেল!নজরুলের গান নিয়ে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় তাঁর জীবনের শেষ পর্ব। নজরুলের অসুস্থতার কারণে পরবর্তী সময়ে তাঁর বাকশক্তি ও স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে তাঁর অসংখ্য গানের সঠিক সুর, স্বরলিপি ও পরিবেশনরীতি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।আজ আমরা নজরুলগীতির বিপুল ভাণ্ডারের কথা বলি। কিন্তু সেই ভাণ্ডারের কত অংশ হারিয়ে গেছে, কত গান ভুল সুরে বা অসম্পূর্ণভাবে আমাদের কাছে পৌঁছেছেতার সম্পূর্ণ হিসাব করা কঠিন।এই জায়গাতেই নজরুল গবেষণার সামনে এখনও বিশাল কাজ পড়ে রয়েছে।শুধু বিদ্রোহী নন, তিনি ছিলেন সৃষ্টির কবিওনজরুলকে শুধু বিদ্রোহের কবি হিসেবে দেখলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। তিনি প্রেমের কবি। তিনি প্রকৃতির কবি। তিনি আধ্যাত্মিকতার কবি। তিনি হাস্যরসের কবি। তিনি শিশুদের কবি। তিনি শ্রমিকের কবি, কৃষকের কবি, নারীর কবি, নিপীড়িত মানুষের কবি।তাঁর সাম্যবাদী উচ্চারণ যেমন রাজনৈতিক, তেমনই গভীর মানবিক। তাঁর নারী কবিতা যেমন নারীমুক্তির কথা বলে, তেমনই তাঁর প্রেমের গান ব্যক্তিমানুষের হৃদয়ের গোপন দরজাও খুলে দেয়।নজরুলের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষানজরুলের জীবনের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠেতিনি কখনও নিজের পরিচয়কে সংকীর্ণ হতে দেননি।দারিদ্র্য তাঁকে থামাতে পারেনি। সেনাজীবন তাঁকে কবিতা থেকে দূরে সরাতে পারেনি। কারাগার তাঁর কণ্ঠ স্তব্ধ করতে পারেনি। রাজনৈতিক ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দেয়নি। ধর্মীয় বিভাজন তাঁকে কোনও একপক্ষের কবি বানাতে পারেনি।তিনি একই সঙ্গে মসজিদের আজান শুনেছেন, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শুনেছেন; ইসলামী গজল লিখেছেন, আবার শ্যামাসংগীতে মাতৃসাধনার ভাষা সৃষ্টি করেছেন।এই কারণেই নজরুল কেবল একটি জাতির, একটি ধর্মের বা একটি সময়ের কবি নন। তিনি বাংলা ভাষার এক অনন্ত মানবিক কণ্ঠ।আজ তাঁর প্রয়াণের এত বছর পরেও যখন সমাজে বিভাজন বাড়ে, যখন মানুষের পরিচয় ধর্ম ও সম্প্রদায়ের খোপে আটকে যেতে চায়, যখন অন্যায়ের সামনে নীরব থাকার প্রবণতা তৈরি হয়তখন নজরুলের কণ্ঠ আবার ফিরে আসে।সে কণ্ঠ বলেমানুষের চেয়ে বড় কোনও পরিচয় নেই।বিদ্রোহ মানে শুধু অস্ত্র তুলে নেওয়া নয়; অন্যায়ের সামনে মাথা নত না করাও বিদ্রোহ।আর সাম্য মানে শুধু রাজনৈতিক তত্ত্ব নয়; অন্যের ধর্ম, ভাষা, পরিচয় ও মর্যাদাকে নিজের মতোই সম্মান করাও সাম্য।তাই নজরুলকে স্মরণ করার সবচেয়ে বড় উপায় শুধু তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান নয়। তাঁর গান গাওয়া, কবিতা আবৃত্তি করা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি আবেগঘন বাক্য লেখা নয়।নজরুলকে সত্যিকার অর্থে স্মরণ করতে হলে তাঁর প্রশ্নগুলিকে নিজেদের জীবনে ফিরিয়ে আনতে হবে।মানুষ কি সত্যিই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে?অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা কি এখনও কথা বলি?ধর্মের নামে বিভেদের বদলে ভালোবাসার সেতু গড়তে পারি কি?এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে গেলেই বোঝা যায়নজরুল আজও অমর।তিনি আছেন আমাদের প্রতিবাদে, আমাদের প্রেমে, আমাদের গানে, আমাদের সাম্যের স্বপ্নে।আর যতদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি কণ্ঠ উচ্চারিত হবে, ততদিন সেই কণ্ঠের ভিতরে কোথাও না কোথাও বেঁচে থাকবেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

আগস্ট ২৯, ২০২৬
রাজনীতি

অভিষেকের বাড়িতে কালীঘাট থানার পুলিশ, ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় হাজিরার নোটিশ সাংসদকে

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ৯ টার পর কালীঘাট থানার পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ১ সেপ্টেম্বর সেকশপিয়ার থানায় তাঁকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে গেলে জোর করে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেদিন তৃণমূল কংগ্রেস লেখা বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে। সেদিনই পুলিশ এফআইআর করে। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোট তিনটে কেস করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, শুধু কাজে বাধা নয় শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে। এদিকে ওই বাড়ির দুটি ঘর জোড় করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা দখল করে নিয়েছে বলে মালিকপক্ষ অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal