• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata

রাজ্য

Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে শহরের একাধিক জায়গায় ইডি হানা

কয়লাকাণ্ডে শনিবার সকালে আচমকা শহরের দুটি জায়গায় হানা দিলেন ইডি আধিকারিকরা। এ দিন দুই সংস্থার অফিসে যান তাঁরা। ওই দুই সংস্থার সঙ্গে কয়লা পাচারের যোগ ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের। জানা যাচ্ছে, ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমেই কয়লা পাচারের টাকা যেত অন্য কোনও অ্যাকাউন্টে।বিধানসভা নির্বাচনের কিছু আগেই সামনে আসে কয়লা-কেলেঙ্কারি। এরপর তদন্ত এগোলে উঠে আসে একের পর এক প্রভাবশালীর নাম। শাসক দলের সঙ্গে অভিযুক্তদের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। ক্রমশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মলয় ঘটকদের নামও উঠে আসে এই মামলায়। এবার সেই কেলেঙ্কারির তদন্তে আরও তৎপর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আরও পড়ুনঃ বিধানসভার গোপন সুড়ঙ্গে লুকিয়ে অজানা ইতিহাসের হাতছানিজানা গিয়েছে, এ দিন সকালে ইডির তিনটি দল শহরে তল্লাশি চালায়। মল্লিক বাজার ও ডালহৌসির ওই দুই সংস্থার অফিসে গিয়েছেন আধিকারিকেরা। ওই দলে দিল্লি থেকে আসা অফিসারেরাও রয়েছেন বলে খবর। অফিসে হানা দিয়ে ইতিমধ্যেই কর্মীদের বেরতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে একটি স্টিল কোম্পানির অফিস ও অন্যটি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। কর্মীদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি। সংস্থার ডিরেক্টরদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ওই আধিকারিকদের দল অন্য জায়গায় তল্লাশিতে যেতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। আগেই এই কয়লা-কাণ্ডে ডাক পড়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরই মধ্যে তলব করা হয়েছে রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে তলব করা হয়েছে বলে খবর। সকাল ১১ টায় তাঁকে রাজধানীর ইডি দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যদিও আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি এই সংক্রান্ত কোনও নোটিস পাননি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : বিদেশি বাছাইয়ের দায়িত্ব ফাউলারকে, দল গঠনে নেমে পড়লেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা

বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বৈঠকে জটিলতা কেটেছে। এই মরশুমে আবার আইএসএলে খেলবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা। স্বস্তির পাশাপাশি আশঙ্কাও রয়েছে। ৩১ আগস্ট ট্রান্সফার উইন্ডোর সময়সীমা শেষ। এত কম সময়ে আদৌও ভাল দল গড়া সম্ভব? এসসি ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা অবশ্য ভাল দল গড়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করছেন। যদিও দলগঠন নিয়ে লালহলুদ কর্তাদের কোনও ভুমিকা নেই। পুরোটাই দেখাশোনার দায়িত্ব শ্রী সিমেন্টে। বুধবার আইএসএলে খেলার ব্যাপারে জট কাটতেই শ্রী সিমেন্ট কর্তারা দলগঠনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে টালবাহনা থাকলেও বেশকিছু ফুটবলারের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলে রেখেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দুএকদিনের মধ্যেই চুক্তি করা হবে। মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখার্জিরা গতমরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। এটিকে মোহনবাগান থেকে কয়েকজনকে নিতে পারে। প্রবীর দাসদের সঙ্গে কথা বলছেন লালহলুদ কর্তারা। অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আইএসএলে খেলবে ইস্টবেঙ্গল, কিন্তু জট এখনও কাটেনিবেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলারের বায়োডাটা আগেই দেখে রেখেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলারের ওপর বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট। গতমরশুমে খেলে যাওয়া ব্রাইট এনবাখারে, মাত্তি স্টেইনম্যানরা অন্য ক্লাবে সই করলেও জাক মাঘোমা এখনও কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি। তাঁর সঙ্গে চুক্তি করার কথা ভাবছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কোচ রবি ফাউলার বাকি বিদেশিদের সঙ্গে নিয়েই আসবেন।আরও পড়ুনঃ ঔদ্ধত্য ভেঙে চুরমার, লজ্জাজনক আত্মসমর্পন কোহলিদেরএদিকে, লালহলুদ কর্তারাও দল গঠনে শ্রী সিমেন্ট কর্তাদের সাহায্য করতে তৈরি। বুধবার রাতেই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, দল গঠনের কাজে শ্রী সিমেন্টকে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে। ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা স্থানীয় ফুটবলারদের একটা তালিকাও তৈরি করেছেন। যাতে এই ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগে খেলা যায়। যদিও কলকাতা লিগে খেলার ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেননি শ্রী সিমেন্ট কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সমর্থকরা আবেগে ভাসলেও ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে কি ভাল দল গড়া সম্ভব?কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের নতুন সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে ভবানীপুরের বিরুদ্ধে খেলার কথা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। তবে হাতে সময় মাত্র ৫ দিন। এর মধ্যে দল গঠন করে মাঠে নামা খুবই কঠিন। যদিও ক্লাবের অন্যতম ক্লাব কর্তা অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে দল তৈরি আছে। আমরা সাহায্য করতে তৈরি। তবে এই ব্যাপারে আগে থেকে হস্তক্ষেপ করব না। যদি সাহায্য চায়, এগিয়ে যাব।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Fake IPS: ভিন রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএস

ফের পুলিশের জালে ভুয়ো আইপিএস। তবে শহরে নয়, শহরের বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই ভূয়ো আইপিএস অফিসারকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো আইপিএস পরিচয় দিয়ে টাকা চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজস্থানের আলওয়ার থেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা গ্রেপ্তার করে রাহুল খান নামে এক যুবককে। আরও পড়ুনঃ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বেহালায় তাণ্ডবঅভিযোগ, ফেসবুকে নিজেকে আইপিএস পরিচয় বলে দিত ধৃত ব্যক্তি। সেই পরিচয় দিয়ে প্রতারণা চক্র চালাত। বিভিন্ন মানুষের থেকে টাকা চাইত। টাকা না দিলে ভয় দেখাত। ইতিমধ্যে তার নামে বেশ কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে পুলিশের কাছে। এরপরই তদন্ত শুরু করেন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সাইবার বিভাগের অফিসাররা। তদন্তে নেমে অভিযুক্তের অবস্থান চিহ্নিত করেন তাঁরা। এরপর অভিযান চালিয়ে রাজস্থানের আলওয়ার থেকে রাহুল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে জেরা করে প্রতারণা সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। কতদিন ধরে প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ধৃত, কার কার কাছ থেকে, কত টাকা প্রতারণা করেছে, এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কসবা ভুয়ো টিকা কাণ্ড এবং ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের প্রতারণা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সজাগ কলকাতা পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশ। এরপর থেকে কলকাতা-সহ রাজ্যে একাধিক ভুয়ো অফিসারের পর্দা ফাঁস হয়েছে। ভুয়ো আইপিএস থেকে ভুয়ো মানবাধিকার আধিকারিক, পুলিশের জালে ধরা পড়েছে অনেকেই। ফের একবার পুলিশের জালে ভুয়ো আইপিএস।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত

এটিকে মোহনবাগান পৌঁছে গেল এএফসি কাপের নক আউটে। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল পৌঁছে গেল নবান্নে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্র জট এমন জায়গায় পৌঁছেছে, ট্রোলড হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই পরিস্থিতি থেকে কি বেরিয়ে আসতে পারবে লালহলুদ? ইস্টবেঙ্গলের অগনিত সমর্থক তাকিয়ে নবান্নের দিকে। চুক্তিপত্র জট কাটতে নবান্নে আজ বিকেলে ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসতে পারে, মনে করছে লালহলুদ সমর্থকরা। সমর্থকদের আশা বাড়িয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, চুক্তিপত্র জট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তাকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। আশা করছি এই বৈঠক থেকেই সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি হাজির থাকবেন কিনা, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি হরিমোহন বাঙ্গুর। তবে সূত্রের, খবর তিনি বৈঠকে যেতে পারেন। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানশ্রী সিমেন্ট কর্তাদের মতো ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও মনে করছেন আজকের বৈঠকে জট কেটে যেতে পারে। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আলোচনার জন্য ডেকেছেন। আমাদের সমস্যার কথা তুলে ধরব। উনি যা বলবেন, সেইমতো আমরা এগোব। মুখ্যমন্ত্রী যা চাইবেন, সেটাই করব। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্লাবের মালিকানা হস্তান্তরের সমস্যার কথা তুলে ধরা হবে। তবে শ্রী সিমেন্টকে ক্লাব তাঁবু স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার ব্যাপারে রাজি হতে পারে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে, শ্রী সিমেন্ট মালিকানা হস্তান্তরের শর্তের ব্যাপারেও কিছুটা নমনীয় হতে পারে সূত্র মারফত জানা গেছে।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেআজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যদি জট কেটে যায়, দ্রুত দল গঠনে নেমে পড়বেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। হাতে বেশি সময় নেই। যদিও জানা গেছে অনেক ফুটবলারের সঙ্গে আগে থেকেই প্রাথমিক কথা সেরে রেখেছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। বেশ কয়েকজন বিদেশির সঙ্গেও কথা বলেছেন। যদি আজ নবান্নে বৈঠকের পর চুক্তিপত্রে সই করে দেন লালহলুদ কর্তারা, তাহলে কাল থেকেই ফুটবলারদের সই করাবে শ্রী সিমেন্ট। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আজ নবান্নের ওপর।

আগস্ট ২৫, ২০২১
কলকাতা

Vaccination: কলকাতায় টিকাকরণের নিয়মে বড়সড় বদল

আবার টিকাকরণের নিয়মে পরিবর্তন করল কলকাতা পুরসভার। বুধবার থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় টিকার জন্য কোনও পৃথক টাইম স্লট বা পৃথক লাইন থাকবে না। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত টিকাকরণ চলবে, আগে এলে আগে পাবেন-এই ভিত্তিতেই টিকা দেওয়া হবে।পুর-আধিকারিকরা বলছেন দুটি টিকার জন্য আলাদা আলাদা স্লট করায় দেখা যাচ্ছিল দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে নাগরিকরাও উদাসীনতা দেখাচ্ছেন। টিকাকরণ সেন্টারের টিকার কর্মীরা হত্যে দিয়ে বসে থাকলেও দিনের শেষে টিকা ফিরে আসছে পুরসভায়। অথচ প্রথম ডোজ নিতে মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনিবারে সেন্টারগুলোতে লাইন পড়ছিল। পুর-কর্তৃপক্ষ মনে করছে শহরবাসী ছাড়াও বহু শহরাঞ্চলের লোক এসে প্রথম টিকা নিয়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ নিতে তারা অনেকেই ফিরে আসছেন না। পরিস্থিতি বুঝেই তাই প্রথম এবং দ্বিতীয় টিকাকরণের আলাদা লাইন রাখতে চায় না পুরসভা।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে যোগ দেবে তৃণমূলএর আগে কলকাতা পুরসভা প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হচ্ছিল দিনের দুটি স্লটে। পরে অড-ইভেন ডে তে টিকাকরণ চালু হয়। সেই নিয়ম পরিবর্তন করে ফের প্রথম ডোজের টিকাকরণের জন্য সকাল ১০ টা থেকে বেলা ৩টে এবং বেলা ৩টে থেকে ৪টে পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের জন্য নির্ধারিত হয়। এবার টাইম স্লট তুলে দিয়ে প্রতিদিনই সকাল ১০ টা থেকে ৪টে পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া চলবে। যেমন টিকা সরবরাহ হবে সেই মতো আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দেওয়া হবে টিকা। মঙ্গলবার থেকে কলকাতা পুরসভার অধীনস্থ ১০২ টি আরবান প্রাইমারি সেন্টার এবং ৫০ টি মেগা সেন্টারে পুরোনো নিয়মে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : এ কী করল শ্রী সিমেন্ট!‌ চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল

শ্রী সিমেন্টের আচরণে চরম সঙ্কটে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএলে খেলা নিয়েও তৈরি হল অনিশ্চয়তা। লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়ে দিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। তবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সরাসরি তারা কিছু জানায়নি। সোমবার সন্ধে পর্যন্ত কোনও চিঠি দেয়নি কিংবা ইমেল করেনি। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা নবান্নে জানিয়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট।আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে কয়েক মাস ধরে লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের চাপানউতোর চলছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোরে ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবসে জানিয়েছিলেন, জটিলতা কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলতে কোনো অসুবিধা হবে না। তারপর লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠানো হয়। সেই সংশোধিত চুক্তিপত্রের বেশ কয়েকটা শর্ত নিয়ে আবার আপত্তি জানান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এরপর মধ্যস্থতাকারীদের সক্রিয়তায় কয়েকটা শর্তে নমনীয় হয় শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু তাঁবু সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা কাটছিল না।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবসংশোধিত চুক্তিপত্র আসার পরও ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতি তাতে সই করতে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের তরফে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়। মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছিলেন, শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের রাস্তা খোঁজার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিনি বিরক্ত। তাই লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!আজ, সোমবার নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দেয়, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। বিকেল পর্যন্ত লাল হলুদের শীর্ষ কর্তারা লগ্নিকারীদের পদক্ষেপ সম্পর্কে ধোঁয়াশায় ছিলেন। তাঁরা নবান্ন থেকেই শ্রী সিমেন্টের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানতে পারেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে দেবব্রত সরকার জানান, আমাদের ক্লাবেও এরকম কোনও ইমেল এখনও আসেনি। তবে শুনেছি, ওরা আর থাকছে না। নতুন করে জটিলতা বাড়ানোর জন্য অনেকে মধ্যস্থতাকারী শ্রেনিক শেঠের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। দেবব্রত সরকারও বলেন, যিনি মধ্যস্থতা করছিলেন, সেই শ্রেনিক শেঠ যদি আর একটু সহযোগিতা করতেন, সমস্যা মিটে যেত।আরও পড়ুনঃ অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরাশোনা যাচ্ছিল, কোনও ক্ষতিপূরণ ছাড়াই শ্রী সিমেন্ট স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দেবে। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এরকম কিছু জানানো হয়নি। শ্রী সিমেন্টের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে কোনও ইমেল তিনি পাঠাননি। এখন প্রশ্ন, স্পোর্টিং রাইটস ফেরত পেলেও ৩১ অগাস্ট ট্রান্সফার উইন্ডো শেষের আগে কি দল গঠন করতে পারবে ইস্টবেঙ্গল? ভাল মানের ফুটবলারও পড়ে নেই। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগেও খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা। চলতি মরশুমে আইএসএল খেলাও বিশ বাঁও জলে। শোনা যাচ্ছে, বিনা শর্তে লাল হলুদকে শ্রী সিমেন্ট ছেড়ে দিলে আম্বানি গ্রুপ ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করতে পারে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Economy: বেসরকারিকরণ হতে পারে টয় ট্রেন, কলকাতা মেট্রো

বেসরকারিকরণ হতে চলেছে টয় ট্রেন, কলকাতা মেট্রো! জাতীয় সড়ক থেকে রেলস্টেশন। ট্রেনের রুট, বিদ্যুতের লাইন থেকে শুরু করে গ্যাসের পাইপলাইন-পরিকাঠামো। এমন বহু সরকারি সম্পদ কর্পোরেট সংস্থাকে ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে আগামী চার বছরে ৬ লক্ষ কোটি টাকা লাভের অংশ তুলতে চাইছে কেন্দ্র।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার বিরল প্রজাতির ক্যামেলিয়ন, পুলিশের হাতে তুলে দিল দিনমজুর যুবকআগামী চার বছরে কোন কোন ক্ষেত্রের কী কী সম্পত্তি বেসরকারি সংস্থাকে কাজে লাগাতে দেওয়া হবে, সোমবার তার বিশদ পরিকল্পনা (ন্যাশনাল মনিটাইজেশন পাইপলাইন) ঘোষণা করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সরকারি সূত্রের ব্যাখ্যা, এক দিকে এয়ার ইন্ডিয়া, ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণের মাধ্যমে রাজকোষে টাকা আনার চেষ্টা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি সংস্থার হাতে তাদের পরিকল্পনামাফিক ব্যবহারের জন্য তুলে দিয়েও (অ্যাসেট মনিটাইজেশন) রাজকোষ ভরতে চাইছে কেন্দ্র। নীতি আয়োগের সুপারিশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সচিবদের একটি কোর গ্রুপ প্রায় ৩০টি ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করেছে। তাদের প্রায় ১০০টি সম্পত্তি বেসরকারি ব্যবহারের পথ খুলে দেওয়া হবে। এর মধ্যে যেমন বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অব্যবহৃত জমি, বাড়ি রয়েছে, তেমনই রয়েছে জাতীয় সড়ক, রেলের প্রকল্পও।সূত্রের খবর, দিল্লি মেট্রোর কিছু রুট, রেলের ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর, কলকাতা মেট্রোর কিছু পরিকাঠামো এই তালিকায় রয়েছে। জাতীয় সড়কের ১২টি অংশও (দৈর্ঘ্য প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার) চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৫০টি যাত্রিবাহী ট্রেন, নয়াদিল্লি, মুম্বই-সহ ৫০টি রেলস্টেশন এই তালিকায় আছে। ইন্ডিয়ান অয়েল, গেল-এর পাইপলাইন, পাওয়ার গ্রিডের বিদ্যুৎ পরিবহণ লাইনও বেসরকারি সংস্থাকে ব্যবহার করতে দেওয়ার সম্ভাবনা।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Premier League : কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলা

গতবছর কাছাকাছি এসেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মুহূর্তে কলকাতা লিগ হাতছাড়া হয়েছিল। আই লিগেও প্রত্যাশিত পারফরমেন্স হয়নি। এবছর সাফল্য পেতে মরিয়া মহমেডান। মরশুমের শুরুতেই হাই প্রোফাইল বিদেশি কোচ নিয়োগ, ভাল মানের বিদেশি দলে নিয়ে চমক দিয়েছিলেন সাদাকালো কর্তারা। তার সুফল মিলল মরশুমের প্রথম ম্যাচেই। দুর্দান্ত জয় দিয়ে কলকাতা লিগ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ৩০ গোলে হারাল সাদার্ন সমিতিকে।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?দলটাকে দারুণভাবে তৈরি করেছেন কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল সাদাকালো শিবিরের। গোটা ম্যাচে মাঝমাঠে রাজত্ব করে গেলেন মহমেডানের সার্বিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলা স্টোজানোভিচ। শুধু গোল করলেন না, গোল করিয়ে ম্যাচের নায়ক তিনি। দীর্ঘদিন পর একজন ভালমানের বিদেশি ফুটবলার নিয়েছেন মহমেডান কর্তারা। নিকোলা স্টোজানোভিচকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সাদাকালো সর্মথকরা।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরু থেকেই সাদার্ন সমিতির রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল মহমেডান। ১৫ মিনিটে এগিয়েও যায়। ১৮ গজ বক্সের ওপর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে মহমেডানকে এগিয়ে দেন নিকোলা স্টোজানোভিচ। এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় মহমেডান। আক্রমণের জন্য বাঁ প্রান্তকেই বেছে নিয়েছিলেন সাদাকালো ফুটবলাররা। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত। মাঝমাঠে ডানপ্রান্ত থেকে মিলন সিংয়ের লম্বা বাড়ানো বলে স্টেফান ইলিচের শট সার্দান ডিফেন্সে প্রতিহত হয়। ম্যাচের ৪০ মিনিটে সাদার্নের ৬ গজ বক্সের ওপর এসে কোনাকুনি দুরন্ত শটে গোল করে মহামেডানকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন শেখ ফৈয়াজ।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপদ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ছিল মহমেডানের। একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি ফৈয়াজরা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে নিকোলার দুরন্ত শট সাদার্ন গোলকিপার অর্ণব দাস শর্মা দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করে। ৮৩ মিনিটে নিকোলার অসাধারণ থ্রু পাশ থেকে সাদাকালো শিবিরের হয়ে তৃতীয় গোল আজহারউদ্দিন মল্লিকের। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি পেয়েছিল সাদার্ন। কিন্তু সাদার্নের মিনহাও কিলঙের পেনাল্টি রুখে দেন মহমেডান গোলরক্ষক জোথানমাওইয়া। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন নিকোলা স্টোজানোভিচ। প্রথম ম্যাচে দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

K‌olkata League : ময়দানে ফিরে এল পরিচিত ফু.‌.‌.‌রু.‌.‌.‌ফু.‌.‌.‌রু.‌.‌শব্দ, শুরু কলকাতা লিগ

করোনার জন্য গতবছর থেকে ময়দান বন্ধ। চারিদিকে হাহাকার। ফুটবলার থেকে রেফারি, এমনকী ফুটবলপ্রেমীরাও পর্যন্ত দিন গুনছিলেন, কবে থেকে শুরু হবে খেলা। দীর্ঘ ১ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে আবার কলকাতা ময়দানে বল গড়াল। ফিরে এল সেই পরিচিত ফু...রু...ফু...রু.. শব্দ। ঢাকে কাঠি পড়ে গেল এবারের কলকাতা লিগের।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরগতবছর করোনার জন্য বন্ধ ছিল কলকাতা লিগ। ফুটবল বন্ধ থাকায় আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিলেন ফুটবলার থেকে শুরু করে রেফারি এবং ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষজন। ফুটবলারদের মুখের দিকে তাকিয়ে কলকাতা ময়দানে ফুটবল ফেরাতে বদ্ধপরিকর ছিল আইএফএ। তাই আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সব বিধিনিষেধ মেনে আগস্ট থেকে শুরু হবে এবারের কলকাতা লিগ।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজমঙ্গলবার মোহনবাগান মাঠে উদ্বোধন হল কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার এ ডিভিশন। উদ্বোধনী ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ফেডারেশন সচিব কুশল দাস, ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি এবং আইএফএর অন্য কর্তারা। বল মেরে এবারের কলকাতা লিগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। প্রথম ম্যাচে খিদিরপুরকে ৪১ গোলে হারিয়ে লিগ অভিযান শুরু করল ২০১৯২০ মরশুমের লিগ চ্যাম্পিয়ন পিয়ারলেস। ম্যাচের তিন মিনিটে বিদেশি স্ট্রাইকার ইমানুয়েলের গোলে এগিয়ে যায় খিদিরপুর। ৮ মিনিটে পঙ্কজ মৌলার গোলে সমতা ফেরায় পিয়ারলেস। ২১ মিনিটে পিয়ারলেসকে এগিয়ে দেন গোটা ম্যাচে দুরন্ত খেলা মহম্মদ আফতাব আলম। ৩৯ মিনিটে ৩১ করেন আনসুমানা ক্রোমা। দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে আবার গোল করেন ক্রোমা।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?দীর্ঘদিন পর আবার ময়দানে খেলতে পেরে খুশি ফুটবলাররা। ম্যাচের শেষে ক্রোমা বলেন, একবছর পর আবার লিগ শুরু হয়েছে, খুব ভাল লাগছে। বসে থাকতে খারাপ লাগছিল। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। মাঠে নেমে যেন অক্সিজেন পেলাম। খেতাব ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই শুরু করলাম। লিগ শুরু করার জন্য আইএফএকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফেডারেশন সচিব কুশল দাস। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতেও আইএফএ লিগ আয়োজন করছে। অবশ্যই সাধুবাদযোগ্য।

আগস্ট ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট

ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে দীর্ঘ টালবাহনার কি অবসান হতে চলেছে? তেমনই সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তেমন কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি জট। অগনিত সমর্থকদের কথা ভেবে অবশেষে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি লালহলুদ কর্তারা।চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। প্রাথমিক চুক্তিপত্র ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের মধ্যে বেশ কিছু শর্তে পার্থক্য আছে বলে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাঁদের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে যা ক্লাব বিক্রি হওয়ারই সামিল। সেই কারণে লালহলুদ কর্তারা চুক্তি সই করতে রাজি হচ্ছেন না।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?চুক্তি জটিলতা কাটাতে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব তথা আইনজীবী পার্থ সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, কয়েকটি ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু পরে ফের কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছেন লাল হলুদ কর্তারা। যেগুলি নিয়ে ফের আলোচনা করতে গেলে শ্রী সিমেন্ট আগে যেগুলির ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও পিছু হঠতে পারে। অবশেষে চুক্তি জট মেটানোর জন্য লাল হলুদ কর্তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির উপর।ক্লাবের ৫ বছরের গ্যারান্টি নেওয়া সহ দুটি শর্তে আটকে আছে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লাল হলুদ কর্তাদেরও কিছু ছেড়ে খেলতে। কোর কমিটি চেয়েছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সময় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও কথা বলতে। কারণ সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা যেন বন্ধ না হয়। কিন্তু হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, চুক্তি সই না হওয়া অবধি তিনি প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে দেখাই করবেন না। ৫০ কোটি টাকা ফেরত দিলে লাল হলুদকে স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। চুক্তি সই যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ প্রাক্তন ফুটবলারদের বিপরীত শিবিরের বলেও কটাক্ষ করেন বাঙ্গুর।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিএরই মধ্যে কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া লাল হলুদ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে চুক্তি সই করতে হবে। ভাইচুং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণকে অপেশাদার বলেও উল্লেখ করেন। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আগে চুক্তি সই হোক, খেলা হোক। তারপর শর্ত বাকি আলোচনা চালানো যাবে।সোমবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠক। ক্লাব তাঁবুতে এদিনের বৈঠকে আসেননি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই কমিটির বাকিরা জানিয়ে দেন, আমরাও যেমন চাইছি, তেমনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও চাইছেন ক্লাব খেলুক। ফলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য যখন কোর কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে গতকাল ওই কথা বলেছেন তাহলে তিনি চুক্তির শর্তসহ সব বিষয়েই ওয়াকিবহাল। ফলে তিনি যখন গোটাটাই নিজের কাঁধে নিয়ে এগোতে চাইছেন আমরাও তাঁর এই ইচ্ছায় বাধাদান করব না। বাকিটা ক্লাব বুঝবে। এরপর যাবতীয় কিছু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য সামলাতে পারবেন বুঝেই নিশ্চয় তিনি অমন মন্তব্য করেছেন। তাই ভবিষ্যতে যাবতীয় আলোচনার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, এখনও কয়েকটা বিষয়ে নমনীয় হয়নি শ্রী সিমেন্ট। তাছাড়া প্রাক্তনরা হরিমোহন বাঙ্গুরের সঙ্গে আলোচনা চাইলেও তিনি যেভাবে উপেক্ষা করেছেন সেটাও মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ক্লাবের সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের খেলা যেন বন্ধ না হয়। ফলে শ্রী সিমেন্টের কাছে সেই মর্মেও চিঠিও পাঠানো হতে পারে ক্লাবের তরফে। এরপরই দ্রুত হয়ে যেতে পারে সই। তাছাড়া ৩১ অগাস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। চুক্তি নিয়ে গড়িমসি হলে শেষে দলই গঠন করা সম্ভব হবে না। তাই এই সপ্তাহেই বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ০৯, ২০২১
কলকাতা

Vaccine: খারাপ খবর শোনাল কলকাতা পুরসভা

সপ্তাহখানেক আগে পর্যন্ত কোভ্যাক্সিন নিয়ে টানাটানি চলছিল কলকাতায়। যদিও দিনদুয়েক আগে তা মিটে গিয়েছে। কিন্তু এ বার সংকট দেখা দিয়েছে কোভিশিল্ড নিয়ে। যে ভ্যাকসিনের সরবরাহ সাধারণত নিয়মিতই হয়ে থাকে, সেই ভ্যাকসিনের ভাঁড়ারই ফুরিয়ে এসেছে। ঠিক সেই কারণে আগামিকাল থেকে কলকাতা পুরসভার ১০২ টি পুরস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ৫০ টি মেগাসেন্টারে কোভিশিল্ড দেওয়া বন্ধ থাকছে।একদিকে যখন গোটা রাজ্যের টিকাকরণের ছবিটাই খুব একটা আশা জাগাতে পারছে না, তখন কলকাতা পুরসভার এই ছবি যে আরও হতাশাজনক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জেলায় জেলায় টিকার দাবিতে রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় শহরবাসীর জন্য খারাপ খবর শোনাল কলকাতা পুরসভা। শুক্রবার কলকাতায় কোভিশিল্ড দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পুরসভার পক্ষ থেকে। প্রথম বা দ্বিতীয় কোনও ডোজ মিলবে না এ দিন। কলকাতা পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমার বৃহস্পতিবার এই উদ্বেগজনক তথ্য জানান।

আগস্ট ০৫, ২০২১
কলকাতা

Drug: শহরের বুকেই ওঁত পেতে আন্তর্জাতিক মাদকচক্র!

শহরে আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের পর্দা ফাঁস। শনিবার কলকাতা থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। পাচারচক্রে জড়িত সন্দেহে দুজন মহিলা-সহ তিন জনকে গ্রেপ্তা করেছে এনসিবি।গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভিযুক্তরা জানিয়েছে, প্রসাধনী দ্রব্যের আড়ালে গত ২৭-৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ৪২টি বিদেশি পার্সেল কলকাতায় সরবরাহ করা হয়েছে। আপাতত মাদক চক্রের জাল কতদূর পর্যন্ত ছড়ানো, সেটাই এখন খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।আমেরিকা এবং কানাডা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছিল কলকাতায়। ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে এই মাদক পাচার করা হত বলে এনসিবি সূত্রে খবর। ধৃতদের নাম শ্রদ্ধা সুরানা, তারিনা ভাটনগর এবং করণ কুমার গুপ্ত। এদের মধ্যে শ্রদ্ধা সুরানাই পাচার চক্রের কিংপিন বলে দাবি তদন্তকারীদের। ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে এই মাদক পাচারের লেনদেন চলত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এনসিবি সূত্রে খবর, ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে আমেরিকা এবং কানাডা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক আসছে ভারতে, গোপন সূত্রে এই খবর পাওয়ার পরই পাচারকারীদের ধরার জন্য ফাঁদ পাতে এনসিবি। সেই সূত্রেই শনিবার মাদক-সহ ধরা পড়েন পাচারকারীরা। বিপুল পরিমাণ মাদক কলকাতা হয়ে কোথায় পাচার করা হচ্ছিল, সেটাই এখন জানতে চেষ্টা করছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ডার্ক নেট ওয়েব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করেই মাদকের ব্যবসা ছড়িয়েছিল পাচারকারীরা। অর্ডার নিয়ে টাকার লেনদেন হত ডার্ক ওয়েবেই। তদন্তকারীদের দাবি, সিমরন সিং নামে ভুয়ো পরিচয়ে এই মাদক পাচারের কাজ সামলাতেন আসলে গ্রেপ্তার হওয়া শ্রদ্ধা সুরানা। তাঁর কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ডও উদ্ধার করেছে এনসিবি।

আগস্ট ০১, ২০২১
রাজ্য

Cow-Coal Smuggling: আরও বিপাকে বিনয় মিশ্র, হাইকোর্টে খারিজ সব আবেদন

গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে ভার্চুয়ালি জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। এই আর্জি জানিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কিংপিন বিনয় মিশ্র। কিন্তু সেই আর্জি আজ খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গত রবিবার সিবিআই বিনয়ের এই আবেদন খারিজ করে দেয়। আজ সিবিআই-এর সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখল আদালত। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাত থেকে বহুদূর চলে গিয়েছেন গোরু ও কয়লা পাচারকারীর মাথা বিনয় মিশ্র। আপাতত প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুয়াতে বহাল তবিয়তে রয়েছেন বিনয়। আরও পড়ুনঃ খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ কর্তাদের মানবতার দিশা দেখালেন ইব্রাহিম ও তারাপদতাঁকে সিবিআই-এর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, ভারতে এসে যথারীতি সময়ে হাজিরা দিতে। শুধুই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে গ্রেপ্তার করা হবে না। তখন বিনয় শর্ত দেন, তিনি ভারতে এখন আসবেন না, যা জিজ্ঞাসা করার যেন ভার্চুয়ালি করা হয় সব প্রশ্নের উত্তর দেবেন। কিন্তু সিবিআই সেই আর্জি খারিজ করে দেয় ও বিনয়ের আর কোনও দাবি না মানার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মর্মে আদালতের কাছে আর্জি জানালেও তা খারিজ করে দেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। নিজের মতো করেই তদন্ত করতে পারবে তারা। অর্থাৎ এবার সিবিআই হয়ত বিনয়কে গ্রেপ্তার করতেও পারে। অপরদিকে আজই নিজাম প্যালেসে বিনয়ের বাবা-মায়ের ভুয়ো কোম্পানি কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হাজিরা দেওয়ার কথা থাকলেও আসেননি তারা। বেলা ১১ টায় হাজিরার সময় থাকলেও এখনও পাত্তা নেই বিনয়ের বাবার। আইনজীবি মহলের ধারণা বিনয়কে এখনই গ্রেপ্তার করা সিবিআই-এর তরফে অসম্ভব। কারণ সিবিআই ভালোই জানে ভানুয়াতুয়ার সঙ্গে ভারতের পণবন্দির চুক্তি নেই। আর থাকলেও এই করোনা পরিস্থিতিতে কার্যত অসম্ভব। আবার বিনয়ের কাছে একাধিক পাসপোর্ট রয়েছে, সিবিআই-এর তোড়জোড়ের খবর পেলেই হয়ত অন্য রাষ্ট্রে পালিয়ে গিয়ে একেবারেই গা ঢাকা দিতে পারে যেটা গোয়েন্দারা কখনই চাইবেন না।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ইস্টবেঙ্গেলের সমস্যা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্ক মেটাতে এবার আসরে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সমস্যার সমাধান করতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দ্বারস্থ হবেন।আগের দিন ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলার সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জিকে ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই প্রাক্তন ফুটবলারকে টার্মশিট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখানো হয়। চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাঁদের মনে হয়েছিল, টার্মশিটের সঙ্গে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এই ব্যাপারে আলোচনার জন্য সুকুমার সমাজপতি ও চন্দন ব্যানার্জি ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলারদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে সোমবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে এসেছিলেন সুভাষ ভৌমিক, দেবজিৎ ঘোষ, শিশির ঘোষ, মেহতাব হোসেন, অভিজিৎ মণ্ডল, রহিম নবিসহ অনেক প্রাক্তন ফুটবলার। কয়েকজন প্রাক্তন ক্রিকেটারও এই বৈঠকে হাজির ছিলেন। বৈঠকের পর তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারপ্রাক্তন ফুটবলারদের মনে হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবলমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই পারবেন সমস্যার সমাধান করতে। প্রয়োজনে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলবেন। প্রাক্তন ফুটবলাররা প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রাথমিক চুক্তি করার সময় ক্লাব কর্তাদের আরও যত্নবান হওয়া উচিত ছিল। শুরুতেই একপেশে চুক্তি করা হয়েছিল। এইরকম একপেশে চুক্তি মেনে নেওয়া যায় না। শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙুরের কাছে অনুরোধ, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করুন।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩নিজেদের মধ্যে আলোচনার পর সুভাষ ভৌমিক বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পড়ে দেখলাম, এখানে সই করা মানে বুকে পাথর আর গলায় দড়ি বেঁধে গঙ্গায় ঝাঁপ দেওয়া। দেবজিৎ ঘোষ বলেন, ইস্টবেঙ্গল এবং লগ্নিকারী সংস্থাকে মধ্যস্থতায় আসতে হবে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি যাতে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলতে পারে।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াবৈঠকের শেষদিকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে হাজির হন প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক মদন মিত্র। তিনি বলেন, প্রাক্তন ফুটবলাররা আমাকে ফোন করেছিলেন। তাই এসেছি। পৃথিবীতে এমন কোনও চুক্তি হতে পারে না, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বিচ্ছেদের অধিকার থাকবে না। আমরা ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পাশে আছি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলএএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের জন্য মঙ্গলবার আবেদন করার শেষ দিন। সোমবার লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে ইস্টবেঙ্গলকে জানানো হয়েছে, প্রথম থেকে বলে আসছি আমরা খেলতে চাই। তাই ক্লাব লাইসেন্সিং সচল রাখার জন্য আমরা লাইসেন্সিংয়ের আবেদন করছি। কিন্তু যতক্ষণ না চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হচ্ছে, আমরা কোনওরকম বিনিয়োগ করব না।

জুলাই ২৬, ২০২১
কলকাতা

Eye Surgery: অ্যাপোলোতে বিরল অস্ত্রোপচারের পর দৃষ্টিশক্তি পেল দু মাসের শিশু

চলতি মাসের প্রথম দিকে একটি ২ মাসের প্রায় দৃষ্টিহীন শিশুকে কলকাতার অ্যাপোলো মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। ডাঃ দেবব্রত হালদার, সিনিয়র কনসালট্যান্ট অপথ্যালমোলজিস্ট (পেডিয়াট্রিক), পরীক্ষা করে নির্ণয় করেন যে শিশুটি দুই চোখেই কনজেনিটাল টোটাল ক্যাটার্যাক্টে আক্রান্ত। ডাঃ হালদার বলেন, এইসব ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার করা হয় শিশুটির তিন বা চার বছর বয়সে। আর একটা দু মাসের শিশুর চোখে অস্ত্রোপচার তার বয়স এবং চোখের সূক্ষ্মতার কারণে এক বড় চ্যালেঞ্জ।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?জন্ম থেকেই দু চোখে ছানি থাকায় শিশুটির দৃষ্টির বিকাশে একটা বাধা ছিল। তাই ডাঃ দেবব্রত হালদার মাত্র দু মাস বয়সেই শিশুটির চোখে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসকদের একটি দল তাঁকে সাহায্য করেন। কিন্তু পায়ু, মলদ্বার আর মূত্রনালির সংযোগকারী ফিসচুলার অনুপস্থিতি এবং হৃদযন্ত্রের কিছু সমস্যার কারণে অ্যানাস্থেশিয়াও এক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। ডাঃ দেবব্রত হালদার বলেন এক ঘন্টার অস্ত্রোপচারের ফলে দুটো চোখই ছানিমুক্ত হয়েছে এবং শিশুটির দৃষ্টি একেবারে নিখুঁত হয়ে গিয়েছে। দেরিতে অস্ত্রোপচার করলে দৃষ্টির স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারত। সেই কারণেই আমাদের এত কম বয়সে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি নিতে হল, যা সাধারণত করা হয় না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিতিনি আরো বলেন আমরা সময়ের সঙ্গে দৌড়চ্ছিলাম। আমরা যদি অস্ত্রোপচারে দেরি করতাম, তাহলে ভিজুয়াল ফিক্সেশনের (একটা নির্দিষ্ট দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকার ক্ষমতা) বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হত। সাধারণত আট থেকে দশ সপ্তাহের মধ্যে এই ক্ষমতাটা তৈরি হয় এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টা পেরিয়ে যেত। শিশুটি এবার ভাল দৃষ্টিশক্তি পাবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে। সফল অস্ত্রোপচারের পর শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিকের ফল, ৪৯৯ পেয়ে প্রথম মুর্শিদাবাদের ছাত্রীসিইও, ইস্টার্ন রিজিয়ন রাণা দাশগুপ্ত বলেন, অ্যাপোলো হসপিটালস, কলকাতা যুগান্তকারী প্রোসিডিওরের নেতৃত্ব বজায় রেখে চলেছে। আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অস্ত্রোপচারকারীরা স্টেট-অফ-দি-আর্ট প্রযুক্তির সাহায্যে দু মাসের শিশুটির এই বিরল অস্ত্রোপচার করেছেন। সে এখন পৃথিবীটা নিজের চোখে দেখতে পাবে।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

Court Order: আদালতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নয়

উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে বিশেষ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ইন্টারভিউ চললেও আদলতের নির্দেশ ছাড়া উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগ নয়। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি ছাড়া উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে না। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই নির্দেশে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ইন্টারভিউ লিস্ট অনুযায়ী ইন্টারভউ নিতে হবে। চাকরি প্রার্থীদের অরিজিনাল মার্কশিট আদালতে দিতে হবে। অভিযোগকারী প্রার্থীদের তথ্য ভান্ডার গড়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে হাইকোর্ট। তারপর নিয়োগ নিয়ে অনুমতি দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশএদিকে ১৯ জুলাই থেকে উচ্চ প্রাথমিকে ইন্টারভিউ নেওয়া শুরু হয়েছে। চলবে ৪ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার।

জুলাই ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Cafe : দক্ষিণ কলকাতায় দুই মহিলা কর্ণধারের ক্যাফে

কলকাতায় বর্তমান সময়ে অনেক ক্যাফে আমরা দেখতে পাবো। লকডাউনের পর অনেক নতুন ক্যাফে খুলছে। অনেকেই এখানে আসছেন এবং খাবারের স্বাদ উপভোগ করছেন। এরকমই একটি ক্যাফে যার নাম সরোবর দ্য ক্যাফে স্টুডিও।বাঘাযতীনের বাঞ্ছারামের ঠিক উল্টোদিকেই অবস্থিত সরোবর-দ্য ক্যাফে স্টুডিও। দুজন বিবাহিত মহিলা এই ক্যাফেটা খুলেছেন। তাদের পরিচয় ননদ-বৌদি। তবে ক্যাফের পাশাপাশি এখানে মেয়েদের পোশাক থেকে শুরু করে, সুন্দর ঘর সাজানোর সামগ্রীও পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান সময় সুন্দর কাজ করা মাস্কও তাঁরা রাখছেন।ক্যাফের ভিতরের ডেকরেশনটাও মুগ্ধ করবে অনেকেকেই। বর্তমান সময়ে অনেক মেয়েই ব্যবসায় আসতে ভয় পান। কিন্তু বর্ণালী দাস ও শর্বাণী দত্ত এই ক্যাফের মাধ্যমে নিজেদের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং স্বপ্ন দেখাচ্ছেন আরও অনেক মহিলাকে। লকডাউনের পর এখানে ভিড় বেশ ভালই হচ্ছে। তবে সমস্ত কোভিড প্রটোকল মেনেই ক্যাফেতে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। সরোবার দ্য ক্যাফে স্টুডিও তাই শুধু একটা ক্যাফে নয়, দুজন হার না মানা মহিলার গল্প।

জুলাই ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌চুক্তিপত্রে সই না করায় প্রতিবাদের ঝড় ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে, কর্তাদের পদত্যাগ দাবি

গত শুক্রবার কর্ম সমিতির বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তিপত্রে সই করবেন না। এর ফলে কলকাতা লিগ ও আইএসএসে দল নামানোর সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। আর এতেই গর্জে উঠেছে লালহলুদ সমর্থকরা। আগেই তারা সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবদের ঝড় তুলেছিল। এবার সরাসরি পথে নেমে পড়ল। ক্লাবের গেটের সামনে প্রতিবাদের ঝড়।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?অধিকাংশ সমর্থক চান ক্লাব সব প্রতিযোগিতাতেই খেলুক। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দিয়েছে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হলে তারা দল গঠন করবে না। দল গঠন করা না হলে কোনও প্রতিযোগিতাতেই খেলার সম্ভাবনা নেই। বেশ কিছুদিন ধরেই সামাজিক মাধ্যমে ক্লাব কর্তাদের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হচ্ছিলেন সমর্থকরা। এবার ক্লাবের গেটে অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের (নীতু) বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে পোস্টার পড়ল। এছাড়া অন্যান্য কর্তাদের বিরুদ্ধেও পোস্টার পড়েছে। ব্যানারে লেখা হয়েছে, সাইন অ্যান্ড রিজাইন। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করার ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্নশ্রী সিমেন্টের কর্তারা ইস্টবেঙ্গলের শুক্রবারের কর্ম সমিতির বৈঠকের দিকে তাকিয়েছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন, বৈঠকেই হয়তো সই করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে তাঁরা হতাশ। দল গঠনের জন্য ফুটবলার বাছাইয়ের কাজ শ্রী সিমেন্টের কর্তারা অনেকটাই এগিয়ে রেখেছিলেন। বিদেশি ফুটবলারদের জীবনপঞ্জী দেখে প্রাথমিকভাবে বাছাই করেছিলেন। যেসব স্বদেশী ফুটবলার এখনও দল চূড়ান্ত করেননি, তাদের তালিকাও তৈরি করেছেন। চূড়ান্ত চূক্তিপত্রে সই হলেই তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু লালহলুদ কর্তাদের সিদ্ধান্তে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা হতাশ।আরও পড়ুনঃ কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিকইতিমধ্যেই মাত্তি স্টেইনম্যান, ব্রাইট এনোবাখারে, অ্যান্টনি পিলকিংটনের মতো বিদেশিরা অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। দেবজিৎ মজুমদার, নারায়ন দাসের মতো বেশ কয়েকজন স্বদেশী ফুটবলার ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবে চলে গিয়েছেন। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এএফসি ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের যাবতীয় নথি জমা করতে হবে। ৩১ অগাস্টের মধ্যে জমা দিতে হবে ফুটবলারদের তালিকা। ফলে সময় চলে গেলেও লাল হলুদের সমস্যা মেটার ইঙ্গিত নেই। শ্রী সিমেন্ট আরও জানিয়েছে, গত মরশুমে চুক্তি চূড়ান্ত না হলেও দলের পিছনে যে ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচ করা হয়েছে তা ফেরত দিলে তবেই স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সুতরাং অন্য স্পনসর এলেও সমস্যা মিটবে না লালহলুদের।

জুলাই ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal