• ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Health

রাজ্য

রাতে আচমকা বর্ধমানের দুই হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, কি বললেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়?

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে জোর দিয়ে এবার রাতে সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে নামলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্ধমানের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। দুই হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা, পরিকাঠামো, নিরাপত্তা এবং কর্মীদের কাজের পরিবেশ খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।রাত ৯টা নাগাদ বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আচমকা মন্ত্রীর আগমনে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি মেডিসিন বিভাগে গিয়ে রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। চিকিৎসা পরিষেবা ও তাঁদের সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন। তবে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি। সাফাইকর্মীকে ডেকে নিয়মিত এবং আরও মন দিয়ে পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন।এরপর রাত ১০টা নাগাদ আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জরুরি বিভাগ-সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না জানতে চান। জুনিয়র ডাক্তার, নার্সিং স্টাফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁদের প্রয়োজন, অসুবিধা এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ নেন।পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে নেতিবাচক কোনও অভিযোগ তিনি পাননি। অধিকাংশ রোগীই পরিষেবা নিয়ে সন্তুষ্ট বলে দাবি তাঁর। তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ঘাটতি এবং মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুমের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানান। হাসপাতালের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।নার্সিং স্টাফের ঘাটতি, বিশেষত জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত নার্সের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান তিনি। চিকিৎসক ও নার্সদের বসার জায়গা, লেখালেখির প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বিশ্রামের উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, চিকিৎসক-নার্সরা ভালোভাবে কাজ করতে না পারলে রোগী পরিষেবাও ব্যাহত হবে। তাই তাঁদের অভাবের পাশাপাশি আবদারও শুনতে হবে।বর্ধমান মেডিকেল কলেজের সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কয়েকজন ছাত্রের নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একজনকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তদন্ত এখনও চলছে বলেও জানান। থ্রেট কালচার প্রসঙ্গে তাঁর বার্তা, ভয় আউট, ভরসা ইন।অভীক দে-কে ঘিরে অনাময় হাসপাতালকে গ্রামীণ হাসপাতাল হিসেবে দেখিয়ে স্নাতকোত্তরে সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ এবং হাজিরা খাতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে এবং প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত। যোগ্য পড়ুয়াদের বঞ্চিত করে কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
দেশ

২০ দিনের অনশনে শরীর ভেঙে পড়েছে! সোনমকে ঘিরে বড় আশঙ্কা চিকিৎসকদের

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সকালে দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। টানা ২০ দিন অনশনে থাকার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, তিনি স্যালাইন, ওষুধ বা অন্য কোনও চিকিৎসা নিতে রাজি হননি। চিকিৎসকেরা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।গত ২৮ জুন থেকে যন্তর-মন্তরে অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর প্রায় ৯ কেজি ওজন কমে গেছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এই অবস্থায় অনশন চলতে থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির উপর গুরুতর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শনিবার প্রকাশিত হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ সত্ত্বেও সোনম কোনও ধরনের স্যালাইন, ওআরএস বা ওষুধ গ্রহণ করতে চাননি। তাই তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর সারাক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা গ্রহণে রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল প্রায় পৌনে আটটা নাগাদ ৫৯ বছর বয়সি সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার সময় তিনি সচেতন ছিলেন। তাঁর রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও শরীরে জলের ঘাটতি ধরা পড়ে। দীর্ঘ অনশনের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছেন।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নিয়মিত নজর রাখার কথাও বলা হয়। সেই নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

সুখবর লাখো মানুষের জন্য! আয়ুষ্মানে নাম না থাকলেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা, সামনে এল নতুন পরিকল্পনা

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বহু মানুষ নাম নথিভুক্ত করতে শুরু করেছেন। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা সবাই পাবেন না। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের ভিত্তিতে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই এই প্রকল্পের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তাঁদের জন্যই নতুন স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প চালুর কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, খুব শীঘ্রই চালু হবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প। এই প্রকল্পেও পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আসবেন না, তাঁরাই মূলত মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আয়ুষ্মান ভারতের নির্দিষ্ট যোগ্যতার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, যাঁদের পাকা বাড়ি রয়েছে অথবা নির্দিষ্ট শ্রমভিত্তিক পেশার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের অনেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।তবে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করতে হবে, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদন প্রক্রিয়ার রূপরেখা এখনও তৈরি হচ্ছে। আগে যাঁদের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে নাম ছিল, তাঁদের তথ্য সরাসরি নতুন প্রকল্পে যুক্ত করা হবে কি না, নাকি নতুন করে আবেদন করতে হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই আবেদন পদ্ধতি, যোগ্যতার শর্ত এবং প্রয়োজনীয় নথি সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। ফলে যাঁরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাবেন না, তাঁদের আপাতত সরকারি ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২৬
কলকাতা

হাসপাতালের ভিতরে কে দালাল, কে আসল কর্মী! এবার এক নজরেই ধরা পড়বে, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূল করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এবার থেকে হাসপাতালগুলির উপর সরাসরি নজরদারি চলবে স্বাস্থ্যভবন থেকেই। দালালদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয় ব্যবস্থাও চালু করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী এবং অন্যান্য কর্মীদের জন্য আলাদা রঙের পরিচয়পত্র থাকবে। রোগীদের হাতে থাকবে এক ধরনের রঙিন ব্যান্ড এবং রোগীর পরিজনদের জন্য থাকবে অন্য রঙের ব্যান্ড। এই পরিচয়চিহ্নের বাইরে হাসপাতালের ভিতরে যাঁদের দেখা যাবে, তাঁদের পরিচয় যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে দালালচক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, হাসপাতালের প্রত্যেক শ্রেণির মানুষের জন্য আলাদা রঙের পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হবে। এতে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগী ও রোগীর পরিজনদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং পরিষেবা আরও স্বচ্ছ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ত্রিশ জুলাইয়ের মধ্যে এই নতুন ব্যবস্থা চালু করার কাজ শেষ করতে হবে। স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হবে। হাসপাতালের ভিতরে অনিয়ম, ভুয়ো পরিচয়ে ঘোরাফেরা এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের জন্য ল্যামিনেশন করা আলাদা পরিচয়পত্র তৈরি করা হবে। অতীতে হাসপাতালের ভিতরে ভুয়ো পরিচয়ে বিভিন্ন কাজ করার অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই ধরনের ঘটনা বন্ধ করতেই এই নতুন পরিচয় ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জুলাই ০৯, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
স্বাস্থ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের নতুন নির্দেশ: সব ঔষধের দোকানে বাধ্যতামূলক কিউ–আর কোড, অভিযোগ জানানো আরও সহজ

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতর দেশের সমস্ত ঔষধের দোকানে কিউআর কোড (QR Code) বসানো বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। এই কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সাধারণ উপভোক্তারা নির্দিষ্ট একটি সরকারি পোর্টালে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। ফলে ওষুধ বিক্রি সংক্রান্ত অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ, ভুল মূল্য নির্ধারণ, বা বেআইনি বিক্রির মতো সমস্যা দ্রুত নজরে আসবে।স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। ক্রমবর্ধমান অনিয়ম রুখতে ও জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা কার্যকরী হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র। এছাড়াও একটি টোল ফ্রী নম্বার প্রকাশ করা হয়েছে, যদি আপনি ওষুধ-সংক্রান্ত (নকল/জাল/ভুল বা সমস্যাজনিত) অভিযোগ করতে চান, আপনি টোল-ফ্রি নম্বর কাজে লাগাতে পারেন:Central Drugs Standard Control Organisation (CDSCO) এর জন্য: 1800-180-3024কীভাবে কাজ করবে এই কিউআর কোড?প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত মেডিসিন শপে দৃশ্যমান স্থানে একটি ইউনিক কিউআর কোড লাগাতে হবে।ক্রেতা কিউআর কোড স্ক্যান করলেই তিনি সরকারি অভিযোগ পোর্টাল/অ্যাপে পৌঁছে যাবেন।সেখানে দোকানের নাম, লাইসেন্স নম্বর, অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখাবে।ক্রেতা সহজেই অভিযোগ বা ফিডব্যাক জমা দিতে পারবেন।প্রাপ্ত অভিযোগ সরাসরি সংশ্লিষ্ট জেলার ড্রাগ কন্ট্রোল অফিসারের কাছে পৌঁছবে।কবে থেকে কার্যকর?দফতর সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সব দোকানে কিউআর কোড বসানো বাধ্যতামূলক। সময়সীমার পর নিয়ম না মানলে জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।কী বলছেন স্বাস্থ্য দফতর?দফতরের মতে, সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিযোগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হচ্ছে। প্রত্যেক উপভোক্তা যেন দোকানের বিরুদ্ধে সরাসরি মতামত বা অভিযোগ জানাতে পারেন, এটাই লক্ষ্য।দোকানদারদের প্রতিক্রিয়াঅনেক ফার্মাসিস্ট এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও কিছু দোকান মালিকের দাবি, বাড়তি প্রশাসনিক চাপ বাড়বে। তবে অধিকাংশের মত, স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।কেন জরুরি এই উদ্যোগ?ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাফার্মেসিতে নিয়ম ভঙ্গ বন্ধনকল/মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রাহককে ক্ষমতায়নকেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

মালদার সরকারি হাসপাতাল চত্বরে আগুন, ধোঁয়া, আতঙ্কে ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে যায় রোগীও

হরিশ্চন্দ্রপুরে সরকারি গ্রামীণ হাসপাতালে জঞ্জাল থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো । এমনকি আগুনের ধোঁয়ায় ওই সরকারি হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চরম অস্বস্তিতে পড়ে রোগী ও তাদের আত্মীয়েরা। পাশাপাশি কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সদেরও সমস্যায় পড়তে হয়। মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনার পর দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই হাসপাতালের জৈব বজ্র ব্যবস্থাপনার জায়গা থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে।সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হাসপাতালের পাশেই জমে রয়েছে আবর্জনার স্তুপ। সেখানেই কোনও ভাবে আগুন লেগে যায়। তারপরে বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সমগ্র ওয়ার্ড। ধোঁয়ার বীভৎসতায় প্রসূতি থেকে শুরু করে অন্যান্য রোগীরা ওয়ার্ডের বাইরে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য। চিকিৎসক নার্সরা চেষ্টা করেন রোগীদের সুরক্ষিত ভাবে বাইরে বের করার। তারাও শ্বাসকষ্টের কারণে সাময়িক ভাবে অসুস্থ বোধ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে আগুন। সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু হয়। খোঁজ দেওয়া হয় দমকল কে। তারপর কিছু ক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে পরিস্থিতি। যদিও ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালে জৈব বজ্র ব্যবস্থাপনা রয়েছে। সেখান থেকে আবর্জনা বের করার সময় বা নিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। সেই জায়গায় কেউ ধূমপান করে ফেলার ফলে বা অন্য কোনো কারণে আগুন লেগে গিয়েছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ ছোটনমন্ডল জানিয়েছেন, হাসপাতালের জঞ্জাল মজুত রাখার জায়গাতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল। ক্ষয়ক্ষতি হয়নি, তবে সাময়িক একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করে দমকল।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫
দেশ

পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী! কেন এমন বললেন নরেন্দ্র মোদি?

কল্যানীর এইমসের একাধিক স্বাস্থ্য পরিষেবার সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সূচনা লগ্নেই ক্ষমা চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের সত্তোরোর্ধ প্রবীণদের কাছে। ক্ষমা চেয়েছেন দিল্লির প্রবীণদের কাছেও। কিন্তু কেন এই ক্ষমা?নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি পশ্চিমবঙ্গের ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষ এবং দিল্লির ৭০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমি আপনাদের সেবা করতে পারবো না। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইছি কারণ আমি জানি তাঁরা কেমন আছেন, সেই তথ্য আমি সংগ্রহ করি, কিন্তু আপনাদের সাহায্য করতে পারবো না। এর কারণ দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের সরকার আয়ুষ্মান যোজনার সাথে যুক্ত হচ্ছে না।70 वर्ष से ऊपर के सभी बुजुर्गों को आयुष्मान योजना के दायरे में लाने की अपनी गारंटी को आज धन्वंतरि जयंती पर पूरा कर मुझे बहुत संतोष मिला है। pic.twitter.com/SkDd71zTNl Narendra Modi (@narendramodi) October 29, 2024রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে চিকিৎসা না পাওয়ার জন্য যে তিনি ক্ষমা চাইছেন তাও স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের অসুস্থ মানুষদের কষ্টে রাখার প্রবণতা যেকোনও মানবিক মনোভাবের বিরোধী এবং তাই আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী, দিল্লির প্রবীণ মানুষদের কাছেও ক্ষমাপ্রার্থী। দেশের মানুষদের সেবা করার ইচ্ছা আমার আছে, কিন্তু রাজনৈতিক ব্যবস্থার দেওয়াল আমাকে দিল্লি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ মানুষদের সেবা করতে বাধা দিচ্ছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

চিকিৎসার জন্য আর বাইরে নয়,কল্যানীর এইমসে রোগী দেখানোর খুঁটিনাটি তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে

রোগী দেখাতে আর বাংলার বাইরে ছুটতে হবে না। এখানেই গড়ে উঠেছে চিকিৎসা পরিষেবার বৃহত্তর হাসপাতাল। নদীয়ার কল্যানীতে গড়ে উঠেছে এইমস। সেই হাসপাতাল সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল। কীভাবে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন, যাবেন কীভাবে সমস্তই তথ্যই থাকছে এখানে।১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৮০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠেছে কল্যানীর এইমস। এই আধুনিক হাসপাতালে রয়েছে মোট ৯৬০টা বেড। তার মধ্যে এখন চালু হচ্ছে ৪৫০টি বেডের পরিষেবা। ধীরে ধীরে সমস্ত বেডই চালু হয়ে যাবে। এখানে চিকিৎসক দেখাতে হলে প্রথমেই ১০টাকা দিয়ে একটা বই করাতে হবে। এই বইটির মেয়াদ একবছর। একবছর ফ্রিতে ডাক্তার দেখাতে পারবেন। এই হাসপাতালে বেডের ভাড়া দিনপ্রতি মাত্র ৩৫টাকা। এই টাকার বিনিময়ে রোগী এখানে খাবারও পাবে। এখানে ভর্তির সময় ১০ দিনের টাকা অর্থাৎ ৩৫০টাকা দিতে হবে। কসান মানি দিতে হবে ২৫ টাকা। মোট খরচ ৩৭৫ টাকায় ১০ দিন এখানে চিকিৎসা হবে। যাদের কেন্দ্রীয় প্রকল্প আয়ুস্মান ভারতের কার্ড রয়েছে তাঁদের এই টাকাও লাগবে না। গরিব মানুষের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। স্বাস্থ্যের সমস্ত ধরনের পরীক্ষা চালু রয়েছে। সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় রেজিস্ট্রেশন। রোগী দেখা হয় ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত। সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত খোলা থাকে আউটডোর। অনলাইনেও রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে।কল্যানীতে কিভাবে যাওয়া যাবে?শিয়ালদা থেকে ট্রেন যোগে সহজেই যাওয়া যাবে কল্যানী। আবার যাঁরা মুর্শিদাবাদের দিক থেকে আসবেন তাঁরাও ট্রেনে যোগে এই স্টেশনে আসতে পারবেন। বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি থেকে এলে নৈহাটি থেকে ট্রেন ধরবেন। নৈহাটি থেকে একেবারেই কাছে। তাছাড়া যে কোনও প্রান্ত থেকে সড়ক যোগাযোগেও যাওয়া যেতে পারে কল্যানী। জিটি রোড ধরে হুগলির পান্ডুয়ার পরেই ঈশ্বরগুপ্ত সেতু পার হলেই কল্যানী।

অক্টোবর ৩০, ২০২৪
স্বাস্থ্য

মালদায় বার্ড ফ্লু নিয়ে শোরগোল! পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যকর্তা

মানবদেহে বার্ড ফ্লুর সংক্রমণ খতিয়ে দেখতেই মালদার কালিয়াচকে আক্রান্ত শিশুর বাড়িতে যান রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তিন প্রতিনিধি দল । শুক্রবার কালিয়াচক ১ ব্লকের আলিপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সিলামপুর এলাকার আক্রান্ত ওই শিশুর বাড়িতে যান রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি সহ তিনজন কর্মকর্তা। তাঁরা কথা বলেন আক্রান্ত শিশুর পরিবারের সঙ্গে। তবে পরিস্থিতি খুব উদ্বেগ জনক নয় বলে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা ডা: দীপঙ্কর মাঝি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে শিশুর শরীরে পশু-পাখির রোগের সংক্রমণ মিলতেই গোটা আলিপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত জুড়ে ব্যাপক আতংক ছড়িয়েছে। করোনার মত এই রোগ মানব দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে কিনা তা নিয়েও রীতিমতো চিন্তিত রয়েছেন আক্রান্ত শিশুর পরিবার থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামের বাসিন্দারা।এদিন ওই শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলার পর কালিয়াচক ১ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়েও বৈঠক করেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা। আক্রান্ত শিশুর মা এবং বাবা জানিয়েছেন, গত চার মাস ধরে তার ছেলে জ্বরে আক্রান্ত রয়েছে। প্রায় দিনই অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। একবার অক্সিজেন দিতে গেলে এক হাজার টাকা করে খরচ হচ্ছে। ঘটিবাটি বিক্রি করে তাঁরা ছেলের কোনরকমে চিকিৎসা চালাচ্ছেন । এই অবস্থায় ভালো চিকিৎসা পরিষেবার দাবিও জানিয়েছেন আক্রান্ত শিশুর পরিবার । তাঁরা দাবি করেছেন, ছেলের বার্ড ফ্লু হয়েছে। কিন্তু জানুয়ারি মাসের এই রোগ এতদিন পর কেন জানানো হলো তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।উল্লেখ্য, সিলামপুর এলাকার চার বছরের শিশুর গত জানুয়ারি মাসে জ্বর, পেটে ব্যথা, বমি নিয়ে মালদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়। প্রায় একমাস চিকিৎসা চলার পর ওই শিশুকে মালদা থেকে কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতালে রেফার করা হয়। এরপরই ওই শিশুর রক্ত সহ শারীরিক সমস্ত নমুনা সংগ্রহ করে মহারাষ্ট্রের পুনেতে চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়। প্রায় পাঁচ মাস পর গত তিনদিন আগে বার্ড ফ্লু জড়িত সংক্রমণ ওই শিশুর শরীরে মিলেছে বলে রিপোর্টে পাঠানো হয়। আর তারপর থেকেই রাজ্যজুড়ে চরম শোরগোল পড়ে যায় । ভারতের ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্রের একজন এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদার কালিয়াচকের একজন মোট দুই মানবদেহে এই ধরনের পশু- পাখির রোগের সংক্রমণ মিলেছে। যা অতীতে ভারতবর্ষের কোথাও কোনদিন দেখা যায়নি। বিগতদিনে বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি বার্ড ফ্লু আক্রান্ত হয়েছিল বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অধিকর্তা রাজ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দীপঙ্কর মাঝি বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে এসেছিলাম। আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। তবে ওই শিশু এবং তার পরিবার নজরদারিতেই থাকবে। পাশাপাশি পুরো বিষয়ের রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

জুন ১৫, ২০২৪
সম্পাদকীয়

অন্ধকারে আলো পড়ুক

নির্বাচন কমিশনের তথ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ও তাদের ভোটদানের হার যতই বাড়ছে ততই নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দল গুলির প্রচারের Focal Point য়ে গুরুত্বপূর্ণ ঠাঁই পাচ্ছেন মহিলারা। এই পরিস্থিতির মাঝে এসেছে বিশ্ব নারী দিবস। শুধু তাই নয় এই দিনটি কে যেন আরো ব্যাঙ্গাত্বক অর্থে দৃশ্যমান করে তুলেছে সন্দেশখালি। সেখানে নারী নির্যাতন-ই মূল অভিযোগ। তার উপর আন্দোলনের পুরোভাগে রয়েছেন মহিলারা। স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধীরা এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে দলীয় স্বার্থ মেটানোয় কোনো খামতি রাখছে না। আর সেই আন্দোলনকে ভোঁতা করতে শাসক দল ও কোমর বেঁধেছে। অতএব এক দিকে যেমন নারী নির্যাতন নিয়ে একে অপরের প্রতি বিষোদগার করছে তেমনই চলছে নারী শব্দের বন্দনা। অবশ্যই এই বন্দনা নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্রশক্তি থেকে বিরোধী শক্তি যখনই যার প্রয়োজন পড়েছে তখনই সে নারী বন্দনার বান ডাকিয়েছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারে যাতে সেনার যোগান কম না পড়ে তার জন্য জাতীয়তাবাদের মহিমার কাজল পরিয়ে মেয়েদের অধিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করেছিল। আর এ বিষয়ে হিটলারের চালু করা মাদারস ক্রস র কথা তো অনেকেরই জানা আছে। যার মূল লক্ষ্য ছিল আদর্শ মা হয়ে ওঠার পাঠের আড়ালে অধিক সন্তান প্রসব করার আহ্বান।তবে পুতিনের অবশ্য আড়াল আবডালের কোনো বালাই নেই। তিনি সরাসরি তীব্র অপছন্দের সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত থেকে মাদার হিরোইন প্রকল্পটি ফিরিয়ে এনেছেন। এই প্রকল্পে যে রুশ নারীরা দশ বা ততোধিক সন্তানের জন্ম দেবেন তাঁরা সন্মানের সঙ্গে দশ লক্ষ রুবল আর্থিক পুরষ্কার পাবেন। সিংহ হৃদয় শাসক যে ইউক্রেন কে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পণ করেছেন। তার জন্য যুদ্ধে অসংখ্য সৈনিক প্রান হারাচ্ছেন। এমনিতে অকুতোভয় দন্ডমুন্ডের কর্তার মনে ভয় ঢুকেছে যদি সেনা কম পড়ে। তাই সেই খামতি মেটাতে এই সন্মান দান। এই স্বার্থসিদ্ধির জন্য মহিলা দলের স্বাস্থের কি হাল হবে তা ভেবে দেখার মতো সময় শাসকদের থাকতে নেই।সন্তান ধারণের জন্য মহিলাদের পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থের কারনে প্রয়োজন দুটি সন্তান প্রসবের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় সময়ের ব্যবধান। এই সমস্যাগুলি নজরে রাখার প্রয়োজন শাসকদলের কোনকালেই নেই। তাই ভোট এলে প্রতিপক্ষ কে বিঁধতে অথবা মহিলা ভোটারদের কাছে টানতে অজস্র কৌশল ব্যবহার করা হয়। তাই মেয়েরা যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যান। অন্য দিকে, বিশ্ব নারী দিবস ঘিরে বহু সেমিনার, আলোচনা চক্র অনুষ্ঠিত হয়। ভরে ওঠে দিস্তা দিস্তা কাগজের পাতা। ভরে যায় কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক। অথচ নারী স্বাধীনতা, নারী শিক্ষা, বৈষম্য দূরীকরণ বা সমানাধিকার সব ই কথার কথা রয়ে যায়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে India justice report , সেই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য কতটা গভীরে পৌঁছেছে। ন্যায় বিচারের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গুলি রয়েছে সেই পুলিশ, বিচার ব্যবস্থা, সংশোধনাগার, লিগাল এড এবং মানবাধিকার কমিশন গুলিতে সময়ের সঙ্গে লিঙ্গ বৈষম্য কমেনি বরং বেড়েছে।India justice report য়ের editor Maja Daruwala Indian express য়ের পত্রিকার উত্তর সম্পাদকীয় লিখেছেন বর্তমানে justice delivery system য়ে গোটা দেশে মাত্র তিন লক্ষ মহিলা রয়েছেন। সংরক্ষণ ব্যবস্থার কল্যানে ওই মহিলার সিস্টেমে ঢুকতে পারলেও পদাধিকারের সিঁড়িতে তাদের অধিকার সেই নিচের ধাপে রয়েছে। রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্য তুলে ধরে তিনি লিখেছেন বিচার ব্যবস্থায় নিম্ন আদালতে যদি ৩৫ শতাংশ মহিলা থাকেন তাহলে হাইকোর্টে এই সংখ্যা টা ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে মাত্র তিন জন মহিলা বিচারপতি রয়েছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে constabulary পর্যায় বারো শতাংশ মহিলা রয়েছেন। আর অফিস পর্যায় ওই সংখ্যা টা আরও কম, মাত্র ৮ শতাংশ। এছাড়া প্রিজন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মহিলা কর্মীর সংখ্যা ১৪ শতাংশ।Maja Daruwala লিখেছেন আজ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির আসনে কোনো মহিলা বিচারপতি বসেননি। যদিও ১৯৮৯ সালে সুপ্রিমকোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি হন ফাতিমা বিভি। দেশের হাইকোর্ট গুলিতেও এক ই ছবি দেখা যাচ্ছে। স্বাধীনতার সাত দশকে মাত্র ষোলো জন মহিলা বিচারপতি হয়েছেন হাইকোর্টে। দেশের মানবাধিকার কমিশনের বিচার্য বিষয় গুলির মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গ বৈষম্য। কিন্তু সেখানেও একই আঁধার। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে রাজ্যে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশন গুলিতেও এক ই অবস্থা। এখনো পর্যন্ত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে মাত্র তিন জন মহিলা সদস্য হয়েছেন। কমিশনের chair person হওয়া তো দূরের কথা। ঘটা করে বিশ্ব নারী দিবস পালন না করে দেশের আইন প্রণেতারা যদি সত্যিই মহিলাদের উন্নয়ন চান তাহলে এই অন্ধকার কোণগুলিতে একটু নজর দিলে পরিস্থিতি সত্যি ই বদলাতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৪
রাজ্য

কেমন আছে, মিঠুন চক্রবর্তী? তাঁর সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে জানালেন শমীক

গতকালের তুলনায় আজ অনেক বেশি ভালো আছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমি জানিনা কিছু মানুষ কেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন তার দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য। আধঘন্টা গল্প হল। রাজনীতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা ডাক্তাররা করেছে। বর্তমানে যেই সরকারটা আছে সেই সরকারটার ছবি বানাতে তাকে প্রয়োজন। ছবি উনি করবেন। এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে উনি করবেন। আমাদের পার্টির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিকাশকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে, দূর দূর পর্যন্ত যার এই ঘটনার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। থানার পাশেই তাঁর বাড়ি। যাকে বলছে গ্রেফতার করেছে তাকে পুলিশ বলছিল একটু ম্যানেজ করার চেষ্টা করার জন্য পুলিশ তাঁকে বলেছে। আর শাহাজাহান, শিবু হাজরাদের ওদের কোলে বসিয়ে রেখেছে। এই নাটক কত দিন চলছে চলবে এখনো। সরকারটা কাজ চলছে তৃণমূলে, এইজন্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এগিয়ে বাংলা, এইরকম সরকারও নেই এরকম প্রদেশও নেই। এইজন্যেই এই সরকারটাকে ছবি করতে হবে তার জন্যই মিঠুন দাকে তাড়াতাড়ি বেরোতে হবে।। শেখ শাহজাহানকে তলব করছে না তৃণমূল কংগ্রেসকে তলব করছে ই ডি। তৃণমূল যখন চাইবে শাহজাহান তখন আত্মপ্রকাশ করবে। গতকাল একটি নাটক করল সাসপেন্ড করে, মানুষের বিরুদ্ধে মহিলাদের বিরুদ্ধে কৃষকের বিরুদ্ধে অত্যাচার করে তাদের জীবন জীবিকা লুট করে যখন পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিল না দল সাসপেন্ড করলো পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ধরে নিল। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে দল সাসপেন্ডও করতে পারবে না ওই একটি শোকজ করলে করতে পারে। আর যদি মনে হয় তৃণমূল সরকারটা যতদিন আছে ততদিন ওকে জামাই আদর করে রাখবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪
রাজ্য

আমাকে দেখে হাত নেড়েছেন, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখে বেরিয়ে বললেন মমতা

কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন তিনি। তাঁর সিওপিডি আছে। সোমবার তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। ভেন্টিলেশন থেকে মুক্ত হলে বাইপ্যাপ সাপোর্টে আছেন বুদ্ধদেববাবু। সোমবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে উডল্যান্ডস হাসপাতালে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিনিট দশেক ছিলেন তিনি। কেমন আছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? উডল্যান্ডস থেকে বেরিয়ে তা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, হাসপাতালে ঢুকেই সোজা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কেবিনের কাছে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে চিকিৎসকদের থেকে বুদ্ধদেবের স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজখবর নেন।পরে সংবাদ মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার যতটুকু মনে হল উনি আমাকে দেখে হাত নাড়লেন। এখন উনি ভালই আছেন, স্টেবল আছেন। বাইপ্যাপ চলছে। ওনার জ্ঞান আছে, বাদবাকিটা উনি কেমন আছেন, এটা যাঁরা এখানে মেডিক্যাল বোর্ডে আছেন, ট্রিটমেন্ট করছেন তাঁরাই বলতে পারেন। আমি তো আর ডাক্তার নই।মুখ্যমন্ত্রীর বলার পরই বুদ্ধদেববাবুর জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য এক চিকিৎসকের কথায়, ওনাকে একটু আগেই আমরা ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করতে পেরেছি সাফল্যেপ সঙ্গে। ওনার সব প্যারামিটার স্টেবল আছে। আগের চেয়ে তুলনামূলকভাবে ভালো আছেন উনি।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন থেকে বার করে আনা হয়েছে। আপাতত শুধু মাত্র বাইপ্যাপ সার্পোটের উপরেই রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আপাতত ভেন্টিলেশনের বাইরে রয়েছেন তিনি। এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে গিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রক্তদান শিবির বর্ধমানে

রবিবার (৩০/০৭/২০২৩) উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (UUPTWA)পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার উদ্যোগে টেরেসা ওম ব্লাড সেন্টার এর সহযোগিতায় এক রক্তদান শিবির ও বৃক্ষচারা প্রদান এবং ফোর্টিস হাসপাতাল (Fortis Hospital) এর সহযোগিতায় উস্থী সংগঠনের অভয় গ্রুপ মেডিক্লেম এর বিনামূল্যে স্বাস্থ্যপরীক্ষা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় লায়ন্স ক্লাব অফ বর্ধমান মিডটাউন, ইন্দ্রকানন, শ্রীপল্লীতে।পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৪১ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন ও ৬৬ জন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সদস্য অভীক নন্দী ও অমলেশ রায় বলেন যে প্রাথমিক শিক্ষকদের ঐতিহাসিক দিন ২৬/০৭/২০১৯ কে সামনে রেখেই প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরও রক্তদান শিবির ও বৃক্ষচারা প্রদান অনুষ্ঠান করা হয়েছে। এছাড়া আরও বলেন যে উস্থী ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের গ্রুপ মেডিক্লেম AVAY পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৩
রাজ্য

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সঙ্কটে, তবু তীব্র বিতর্ক রাজনৈতিক মহলে

এখনও সঙ্কট কাটেনি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। ভেন্টিলেশন সাপোর্টে আছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, আগামিকাল সিটি স্ক্যান করা হতে পারে। রাইলস টিউবে খাওয়ানো হচ্ছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। সুগার নিয়ন্ত্রণে তাঁকে ইনসুলিন দেওয়া হচ্ছে। সচেতন রয়েছেন, ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। শুনতে পাচ্ছেন, জানাচ্ছে মেডাক্যাল বোর্ড। ফুসফুস ও শ্বাসনালীতে সংক্রমণ কাটাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আগামিকাল আরও রক্তসহ নানা শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এদিন হঠাৎ তাঁর রক্তচাপ বৃদ্ধি পেয়ে গিয়েছিল। কিডনিতেই সমস্যা রয়েছে বুদ্ধদেববাবুর। এদিকে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তবে তাঁকে নিয়ে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, বুদ্ধদেববাবুর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। তবে যাঁরা তাঁকে মহাপুরুষ বানাচ্ছেন সেটাও ঠিক নয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিকিৎসার দিকে নজর রাখছেন। তাঁর এই মন্তব্যকে তীব্র ধিক্কার জানিয়েছেন সিপিএম নেত্রী কনীনিকা ঘোষ। তিনি বলেন, জেলখাটা আসামী এমন কথা বলতেই পারেন। এরা কি মানুষ! লজ্জা হয়। আমি ধিক্কার জানাই। কুণালের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কুণাল ঘোষের শিক্ষা-দিক্ষা, রুচি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। উনি যা বলেছেন তিনি তাঁর রুচি অনুযায়ী বলেছেন। আমরা দেখতে গিয়েছি তাতে কারও যদি আদিখ্যেতা মনে হয় কিছু বলার নেই।বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভর্তি হওয়ার পর হাসপাতালে গিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরা প্রাক্তন মুখ্য়মন্ত্রীকে সৎ বলেই আখ্য়া দিয়েছেন। তারপর এদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের বক্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সুত্রপাত হয়।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, হাসপাতালে গেলেন রাজ্যপাল

অসুস্থ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শনিবার ভর্তি করা হল হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, এদিন তাঁর অক্সিজেনের মাত্রা ৭০-এর নীচে নেমে গিয়েছিল। কমে গিয়ছিল পটাশিয়ামের মাত্রাও। এদিন সকাল ১১টা থেকেই তাঁর সমস্যা শুরু হয়। সেই কারণেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলেই হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।চিকিৎসক কৌশিক চক্রবর্তী, ধ্রুব ভট্টাচার্য, সৌতিক পণ্ডা, সুস্মিতা দেবনাথ, আশিস পাত্র, অঙ্কন বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি বসু ও সরোজ মণ্ডলের মত পালমোনোলজিস্ট, ক্রিটিক্যাল কেয়ার, মেডিসিন-সহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে আট সদস্যের এক মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এই মেডিক্যাল টিমই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গে কথা বলেই চিকিৎসা করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে সি-প্যাপ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে।তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল শনিবার সংস্কৃত কলেজের অনুষ্ঠানে ছিলেন। সেখানে তিনি খবর পান। তারপর সেখান থেকে সোজা চলে যান হাসপাতালে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার পর রাজ্যপাল জানান, দক্ষ চিকিৎসকরা তাঁর দেখভাল করছেন। আশা করা যায়, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন। সিপিএমের তরফে রবীন দেবও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অক্সিজেনের মাত্রা বর্তমানে স্বাভাবিকের পথে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দিকে। হাসপাতালের তরফে নিয়মিত মেডিক্যাল বুলেটিনে যাবতীয় বিষয়গুলো জানানো হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। টুইট করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও।দীর্ঘদিন ধরেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অসুস্থ। বাড়িতেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। মাঝে একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। শ্বাসকষ্ট, সিওপিডিও এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যায় রয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটার পর পরিবারের লোকজন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে খবর দেন। তারপরই হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন পাম এভিনিউয়ের বাড়ি থেকে বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ক্রিটিক্যাল কেয়ারের অ্যাম্বুল্যান্সে চাপিয়ে আনা হয় হাসপাতালে। অ্যাম্বুল্যান্সে ছিলেন সপ্তর্ষি বসু-সহ দুজন চিকিৎসকও। এরপর গ্রিন করিডরে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হয় দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন বাড়িতে রুটিন চেক আপে ধরা পড়ে মুখ্যমন্ত্রী অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাপারে বরাবর অনীহা রয়েছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের।

জুলাই ২৯, ২০২৩
রাজ্য

ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে গুজব, সব্যসাচী লিখলেন, 'আরেকটু থাকতে দাও ওকে.. এসব লেখার অনেক সময় পাবে'

বুধবার গভীর রাতে সব্যসাচী চৌধুরী সোশাল মিডিয়ায় লিখলেন, আরেকটু থাকতে দাও ওকে.. এসব লেখার অনেক সময় পাবে। অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মাকে ফের ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর, এখনও সঙ্কটজনক অভিনেত্রী। শারীরিক অবস্থার উন্নতি নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন চিকিৎসকরা। সমস্ত রকম চেষ্টা করছেন তাঁরা। এরইমধ্যে গতকাল সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যরাতে সেই খবরগুলিকে মিথ্যা জানিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে ফেসবুক পোস্ট করেন ঐন্দ্রিলার বন্ধু সব্যসাচী চৌধুরী। তারপর যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটে।হঠাৎ স্ট্রোক করে দুই সপ্তাহ আগে হাসপাতালে ভর্তি হন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ভর্তির পর চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। শহরজুড়ে প্রার্থনা চলে এই অভিনেত্রীর জন্য। সর্বদা তাঁর পাশে রয়েছেন সব্যসচী চৌধুরী। বুধবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হন ঐন্দ্রিলা। ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা ফের তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখেন। এবার সোশাল মিডিয়ায় অভিনেতা সৌরভ দাস লিখেছেন, বেঁচে আছে এখনও। মেরে ফেলো না ওকে। পায়ে ধরছি।

নভেম্বর ১৭, ২০২২
স্বাস্থ্য

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবার প্রতিবাদে তুমুল বিক্ষোভ

প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বেহাল চিকিৎসা পরিষেবা। দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা না পেয়ে সোমবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জড়ো হয়ে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। ঘটনা পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রামের দিগনগরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় দশবছর ধরে চিকিৎসক নেই। এখানে নার্স ও ফার্মাসিস্ট চিকিৎসা করেন। তাও আবার অনিয়মিত। এছাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামো ভেঙে একোবারে পড়েছে। ঠিকমতো পরিস্কার হয় না।সন্ধ্যা হলেই হাসপাতাল চত্বরে সমাজবিরোধীদের মদ জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এইসমস্ত অভিযোগ তুলে এদিন স্থানীয়রা বিক্ষোভ শুরু করেন। অথচ এলাকার ৭ - ৮ টি গ্রামের ১০ থেকে ১২ হাজার বাসিন্দা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। অথচ স্থানীয় নেতা থেকে মন্ত্রী, কিংবা বিধায়কের কোন উদ্যোগ নেই।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

'আমি ষড়যন্ত্রের শিকার' পার্থের মন্তব্যে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাজ্যের তিন তিনটে মন্ত্রিত্ব খুইয়েছেন, দলের মহাসচিব পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন এমনকি তৃণমূল কংগ্রেস পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকেও সাসপেন্ড করেছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের সর্ব-ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘোষণা করেন। তিনি জানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সদ্য দল ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারিত পার্থ জানিয়ে দেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই দলের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুনাল ঘোষ বলে আসছিলেন, সুযোগ থাকা স্বত্তেও মিডিয়ার সামনে কিছু বলছেন না, তিনি বলতেই পারতেন আমি নির্দোষ। আমিও যখন সারদা কান্ডে গ্রেপ্তার হয়েছি তখন নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্তেও আমি বারে বারেই একথা বলেছিলাম।মন্ত্রিত্ব ও দলের সমস্ত পদ হারানোর পর এদিন ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছেন সেই প্রতিক্রিয়া দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যে শোরগোল পরে গেছে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। তাহলে ষড়যন্ত্রকারিরা কে? এই প্রশ্নে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। এদিন জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়মমাফিক শারীরিক চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসসি দুর্নীতি কান্ডের আরেক অভিযুক্ত পার্থর বিশেষ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতা এদিন হাসপাতালে এসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। হাউমাউ করে কেঁদে ভাসান এবং গাড়ি থেকে নামানোর সময় তিনি পড়েও যান। তাতে তাঁর পায়ে হালকা আঘাত লাগে।

জুলাই ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মধ্যমগ্রামে কল সেন্টারে তল্লাশি, বিপুল সিম-মোবাইল উদ্ধার, গ্রেফতার ২৫

মধ্যমগ্রামের দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় একটি কল সেন্টারে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলেন ২৫ জন। ধৃতদের মধ্যে ৭ জন যুবক এবং ১৮ জন যুবতী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম থানা ও সাইবার থানার যৌথ বাহিনী ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে ওই কল সেন্টার সম্পর্কে কিছু তথ্য পাওয়ার পরই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইমতো সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দোলতলা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাসিওর মোটিভেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।অভিযানের সময় অফিস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৯টি মোবাইল ফোন। পাশাপাশি পাওয়া গিয়েছে শতাধিক সিম কার্ড, একাধিক নথি এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি ঘিরে পুলিশের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপরই ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ২৫ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ৭ জন যুবক ও ১৮ জন যুবতী রয়েছেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারাসাত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তবে এই কল সেন্টারে ঠিক কী ধরনের কাজ চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক সিম কার্ড এবং মোবাইল ফোন কী কাজে ব্যবহার করা হতো, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কোনও সাইবার অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কল সেন্টারের কাজকর্ম এবং উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর ব্যবহার সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
দেশ

সাঁঝ আকাশে একফালি চাঁদের গায়ে উজ্জ্বল আলোক বিন্দু! সন্ধ্যার আকাশে এ কী রহস্য!

অমাবস্যার তিন দিনের মাথায় একফালি চাঁদ। তার পাশেই উজ্জ্বল আলোকবিন্দু। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে কোচবিহারআকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর গোলার্ধের বহু জায়গা থেকেই দেখা গেল মনোরম এই মহাজাগতিক দৃশ্য। চাঁদের পাশে জ্বলজ্বল করা সেই আলোর বিন্দু আসলে শুক্র গ্রহ।সোমবার সন্ধ্যার আকাশে নজর কেড়েছে একফালি বাঁকা চাঁদ। তার ঠিক পাশে উজ্জ্বল আলোর বিন্দু। প্রথম দেখায় অনেকেরই মনে হয়েছে, চাঁদের গায়ে যেন কোনও তারা জ্বলছে। সমাজমাধ্যমেও সেই দৃশ্যের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই আলোকবিন্দু কোনও তারা নয়, শুক্র গ্রহ।অমাবস্যার পর সোমবার চাঁদের বয়স ছিল মাত্র তিন দিন। চাঁদের মাত্র প্রায় ১৪ শতাংশ অংশ আলোকিত ছিল। সেই সরু চাঁদের কাছেই দেখা যায় শুক্রকে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলে এই দৃশ্য নজরে এসেছে।শুধু বাংলায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই সোমবার সূর্যাস্তের পর চাঁদ ও শুক্রের এই কাছাকাছি অবস্থান দেখা যাওয়ার কথা ছিল। উত্তর গোলার্ধে সূর্য ডোবার পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে এই দৃশ্য সবচেয়ে সহজে নজরে পড়ে। দক্ষিণ গোলার্ধ থেকেও চাঁদের পাশে শুক্রকে দেখা যায়।কেন চাঁদের এত কাছে শুক্র?ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজ়িক্সের অধিকর্তা অধ্যাপক সন্দীপ চক্রবর্তীর ব্যাখ্যা, এটি কোনও বিরল মহাজাগতিক ঘটনা নয়। পৃথিবী, সূর্য এবং অধিকাংশ গ্রহ কার্যত একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে। কিন্তু চাঁদের কক্ষপথ সেই সমতলের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ সাধারণত ওই সমতলের প্রায় ৫ ডিগ্রি উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থান করে।কখনও কখনও চাঁদ সেই সমতলের কাছাকাছি চলে আসে। তখন পৃথিবী থেকে দেখলে অন্য কোনও গ্রহের কাছাকাছি তাকে দেখা যেতে পারে। সোমবার এমনই এক অবস্থানে ছিল চাঁদ ও শুক্র।চাঁদের কক্ষপথ এবং পৃথিবীর কক্ষপথ একই সমতলে হলে অবশ্য এমন দৃশ্য আরও ঘন ঘন দেখা যেত। আবার চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে একই সমতলের কাছাকাছি অবস্থান করে, তখনই তৈরি হয় সূর্যগ্রহণের পরিস্থিতি।তাই সোমবারের আকাশের এই দৃশ্য বিরল না হলেও, একফালি চাঁদের পাশে উজ্জ্বল শুক্রের অবস্থান যে দৃষ্টিনন্দন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ফের পুলিশ হেফাজতে বন্দির রহস্যমৃত্যুর অভিযোগ, চূড়ান্ত চাঞ্চল্যে হুলস্থূল কান্ড

ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। চন্দ্রকোনা থানায় চুরির মামলায় গ্রেফতার হওয়া ২০ বছরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের দাবি, থানার শৌচাগারে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই যুবক। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও মৃতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।মৃত যুবকের নাম রাহুল রুইদাস। তিনি চন্দ্রকোনা থানার অন্তর্গত বগেশ্বরপুরের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় চার দিন আগে চুরির অভিযোগে রাহুলকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ঘাটাল মহকুমা আদালত তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।পুলিশের দাবি, রবিবার থানার শৌচাগার থেকে কিছু শব্দ শুনতে পান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। সেখানে গিয়ে রাহুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাদকাসক্ত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরাও তাঁর মাদকাসক্তির কথা স্বীকার করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের অভিযোগ, থানার ভিতরেই রাহুলকে খুন করা হয়েছে। যদিও পরিবারের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।এক মাসের ব্যবধানে ফের পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগচন্দ্রকোনার এই ঘটনার আগে গত মাসে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থানাতেও পুলিশ হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। মৃত ব্যক্তি ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওট।তোলাবাজি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিরজুকে গ্রেফতার করেছিল হালিশহর থানার পুলিশ। পরে আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। মৃতের স্ত্রী জেনি শর্মার অভিযোগ ছিল, তিনি থানার বাইরে চলে যাওয়ার পর লকআপের ভিতরে তাঁর স্বামীকে পুলিশকর্মীরা বেধড়ক মারধর করেন।যদিও পুলিশের দাবি, লকআপের ভিতরে বিরজুকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে কল্যাণীর একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।এই ঘটনার পর পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। ১০ আগস্ট মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের ঘোষণা করেন। পাশাপাশি মৃতের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও জানান।এর এক দিন আগে, ৯ আগস্ট, মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে কাঁচরাপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেন। অভিযোগ, বিজপুর রোডের কাছে মমতার কনভয়কে লক্ষ্য করে স্থানীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। তাঁর গাড়িতে কাদা ও চটি ছোড়ার পাশাপাশি চোর, চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ায়।চন্দ্রকোনার সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে ফের পুলিশ হেফাজতে নিরাপত্তা, বন্দিদের সুরক্ষা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার একাধিক জনপ্রিয় রাস্তার নাম বদল? কেন তড়িঘড়ি বড় সিদ্ধান্তের পথে বিজেপি সরকার?

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি। রাস্তা, সেতু এবং বিভিন্ন জনপ্রিয় পাবলিক প্লেসের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে এই কমিটি সুপারিশ করবে। ভারত সেবাশ্রম সংঘের স্বামী প্রদীপ্তানন্দ, যিনি কার্তিক মহারাজ নামে পরিচিত, এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন। দুর্গাপুজোর পর কমিটির প্রথম বৈঠক হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণি নাম পরিবর্তনের তালিকায় রয়েছে। তবে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।কার্তিক মহারাজ জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিদের নামে কলকাতার বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে, তাঁদের ভারতীয় ও বাঙালি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা খতিয়ে দেখা হবে। তাঁর বক্তব্য, লেনিন সরণি, কার্ল মার্কস সরণি এবং হো চি মিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু রাস্তার নাম বদলের প্রস্তাব কমিটির কাছে জমা পড়েছে। কমিটির সুপারিশ রাজ্য বিধানসভায় পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।তথাগত রায়ের পক্ষ থেকেও একাধিক নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী, লেনিন সরণির নাম করা হতে পারে প্রাক্তন ভারতীয় জনসঙ্ঘ সভাপতি দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে। কার্ল মার্কস সরণির নাম বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অথবা রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকার সঙ্গে দুই কবিরই যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করেছেন তথাগত রায়। অন্যদিকে, হো চি মিন সরণির নাম বদলেরও প্রস্তাব রয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতার কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের নামে করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, লেনিন সরণি একসময় ধর্মতলা স্ট্রিট নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে লেনিনের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাস্তার নাম পরিবর্তন করে লেনিন সরণি করা হয়। এর পরের বছর সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোডের নাম বদলে করা হয় কার্ল মার্কস সরণি। শুধু বামপন্থী নেতাদের নাম নয়, মুসলিম ব্যক্তিত্বদের নামে থাকা কিছু জায়গার নাম পরিবর্তনেরও প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে বারাসতের কাছে তিতুমিরের নামে থাকা বাসস্ট্যান্ডের নামও বদল করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তবে দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাস্তার নাম বদলের উদ্যোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, ঐতিহাসিক নাম পরিবর্তনের ফলে শহরের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি মুছে যেতে বা তার চরিত্র বদলে যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টে ৯২ হাজার! টেলর-এডকে টপকে বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাস ভারতীয় তারকার

পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় নজির গড়েছেন। লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে তাঁর একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একদিনের একক কনসার্টে এত বড় দর্শকসমাগমের নজির ভারতীয় শিল্পীর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।গত ১২ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঞ্চে ওঠেন দিলজিৎ। তাঁর গান শুনতে সেখানে ভিড় করেন প্রায় ৯২ হাজার মানুষ। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এই কনসার্টের পর আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে দিলজিতের তুলনা শুরু হয়েছে। টেলর সুইফ্ট, এড শিরানের মতো তারকারাও ওয়েম্বলিতে বিপুল দর্শক টেনেছেন। তবে একদিনের একক কনসার্টে দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজার দর্শকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।দিলজিৎ দোসাঞ্ঝই প্রথম ভারতীয় শিল্পী, যিনি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একক কনসার্টে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টানার নজির গড়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অ্যাডেলের দর্শকসংখ্যার রেকর্ড তিনি ছাপিয়ে যেতে পারেননি।২০২৪ সালে ওয়েম্বলিতে টেলর সুইফ্টের দ্য এরাস ট্যুর-এর প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রায় ৮৯ হাজার করে দর্শক উপস্থিত ছিলেন বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ফলে একদিনের কনসার্টের দর্শকসংখ্যার তুলনায় দিলজিতের প্রায় ৯২ হাজারের উপস্থিতি টেলরের সেই সংখ্যার থেকেও বেশি।এড শিরানও ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে একাধিকবার অনুষ্ঠান করেছেন। ২০১৮ সালের ডিভাইড ট্যুর এবং ২০২২ সালের ম্যাথমেটিক্স ট্যুর-সহ তাঁর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা প্রায় ৮০ থেকে ৮৪ হাজারের মধ্যে ছিল বলে জানা যায়। সেই তুলনায় দিলজিতের কনসার্টে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি।মাইকেল জ্যাকসনের ওয়েম্বলি রেকর্ডের সঙ্গেও দিলজিতের কনসার্টের তুলনা শুরু হয়েছে। অতীতের হিসাব অনুযায়ী, ওয়েম্বলিতে সাতটি অনুষ্ঠানে মোট প্রায় ৫ লক্ষ ৪ হাজার মানুষ মাইকেল জ্যাকসনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে দর্শকসংখ্যা ছিল ৭০ হাজারের বেশি। সেই পরিসংখ্যানের মধ্যেও একদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ যে বড় নজির তৈরি করেছেন, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।শুধু দর্শকসংখ্যাই নয়, লন্ডনের কনসার্টে ভক্তদের জন্য বিশেষ আয়োজনও করেছিলেন দিলজিৎ। বিনামূল্যে পাগড়ি বাঁধার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছিল আলাদা আবহ।এর আগে ২০২৪ সালে দেশজুড়ে দিল-লুমানাটি সফরেও বড় ব্যবসা করেছিলেন দিলজিৎ। সেই সফর থেকে প্রায় ৯৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। এর ফলে একদিকে যেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছিল, তেমনই ভারতের সঙ্গীতশিল্পের অর্থনীতিতেও তার প্রভাব পড়েছিল বলে আলোচনা হয়েছিল।এ বার লন্ডনের ওয়েম্বলিতে প্রায় ৯২ হাজার দর্শক টেনে দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় শিল্পীদের জনপ্রিয়তা এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও তাঁর গানের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় ছুটি কোনদিন? ১৭ না ১৮ সেপ্টেম্বর, ধন্দে সরকারি কর্মীরা

বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রাজ্য সরকার। আর সেই বিজ্ঞপ্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন ধোঁয়াশা। আগে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে ১৪ সেপ্টেম্বরের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ বছর বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে ছুটি থাকবে ১৮ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কিন্তু আগের ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। ফলে দুদিনই ছুটি থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।রাজ্যের অর্থ দফতরের অডিট ব্রাঞ্চের ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটি থাকবে। ওই দিন রাজ্য সরকারের সমস্ত দফতর, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থা, স্ট্যাটুটরি বডি, বোর্ড, কর্পোরেশন এবং রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন বা মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।শুধু সরকারি দফতরই নয়, বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অফিস ও প্রতিষ্ঠানও ওই দিন বন্ধ থাকবে।কিন্তু গোল বেঁধেছে ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি নিয়ে। ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরে বিশ্বকর্মা পুজো ১৮ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বলে জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।এই নতুন বিজ্ঞপ্তিতে ১৮ সেপ্টেম্বরের ছুটির কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও, ১৭ সেপ্টেম্বরের পূর্বঘোষিত ছুটি বাতিল করা হয়েছেএমন কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে সরকারি কর্মীদের একাংশের প্রশ্ন, তাহলে কি ১৭ এবং ১৮ সেপ্টেম্বরটানা দুদিনই সরকারি ছুটি থাকছে?অর্থ দফতরের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরছে সরকারি কর্মী মহলে। কেউ মনে করছেন, নতুন বিজ্ঞপ্তির অর্থ হল ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি সরিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। আবার অন্য অংশের বক্তব্য, যেহেতু ১৭ সেপ্টেম্বরের ছুটি বাতিলের কথা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, তাই আগের ছুটিও বহাল রয়েছে।ফলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি নিয়ে আপাতত ১৭ না ১৮এই প্রশ্নের সঙ্গে জুড়েছে আরও একটি প্রশ্ন, দুদিনই কি ছুটি? সরকারি কর্মীদের মধ্যে সেই ধোঁয়াশাই এখন সবচেয়ে বেশি।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

২ কোটির ছবি ২৫০ কোটির ব্যবসা! ‘হনুমান অংশ’-এর পর এবার তুলসীদাসকে নিয়ে বড় চমক

মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি হনুমান অংশ বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসা করে আলোড়ন ফেলেছে বলে দাবি নির্মাতাদের। মারকাটারি অ্যাকশন, রোম্যান্স কিংবা আলফা মেল ধরনের ছবির ভিড়ে আধ্যাত্মিক ছবির এমন সাফল্য নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে সিনেদুনিয়ায়। আর সেই সাফল্যের পরেই নতুন আধ্যাত্মিক ছবির ঘোষণা করলেন পরিচালক বিশাল চতুর্বেদী।এ বার তাঁর ছবির বিষয় মহাকবি গোস্বামী তুলসীদাসের জীবন। ছবির নাম রামবোলা। গণেশ চতুর্থীর শুভ দিনে ছবিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, মহাকবি তুলসীদাস কী ভাবে ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন, সেই কাহিনিই তুলে ধরা হবে এই ছবিতে।হনুমান অংশ-এর সাফল্যই যে নতুন ছবির ঘোষণায় বড় অনুপ্রেরণা, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। নিম করোলি বাবার জীবনদর্শনকে কেন্দ্র করে তৈরি হনুমান অংশ কম বাজেটে বড় ব্যবসা করেছে বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে। সেই ছবির সাফল্যের পরেই তুলসীদাসের জীবন নিয়ে ছবি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশাল।ছবির ঘোষণা করে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে, গণেশ চতুর্থীর শুভক্ষণে বিনম্রতা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে দর্শকদের সামনে আনা হচ্ছে রামবোলা। গোস্বামী তুলসীদাসের অমর কাহিনিই এই ছবির মূল বিষয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মহাবীর জৈন, বিশাল চতুর্বেদী, অমিত উপাধ্যায় এবং রঘুবেন্দ্র সিংহ। ছবিটি উপস্থাপনা করবে মহাবীর জৈন ফিল্মস।এর আগে থেকেই রণবীর কপূরের রামায়ণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। ছবির নানা প্রচারঝলক ঘিরেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। তার মধ্যেই মাত্র ২ কোটি টাকার বাজেটের হনুমান অংশ-এর প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ব্যবসার দাবি আধ্যাত্মিক ছবিকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।এ বার সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে রামবোলা। তুলসীদাসের জীবন, তাঁর আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং তাঁর অমর সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই ছবির অন্যতম উদ্দেশ্য বলে নির্মাতাদের তরফে জানানো হয়েছে।ভারতীয় সিনেমায় পুরাণ, ধর্মীয় কাহিনি এবং আধ্যাত্মিক বিষয় নিয়ে ছবি নতুন নয়। তবে এই ধরনের ছবি তৈরি করতে গিয়ে নানা ধরনের বিতর্কের আশঙ্কাও থাকে। ফলে অনেক পরিচালক এমন বিষয় থেকে দূরে থাকেন। কিন্তু হনুমান অংশ-এর সাফল্যের পর সেই পরিস্থিতিতে বদলের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকে। আর সেই আবহেই তুলসীদাসের জীবনকে কেন্দ্র করে রামবোলার ঘোষণা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।এখন প্রশ্ন একটাইহনুমান অংশ-এর মতোই কি দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পারবে রামবোলা? তুলসীদাসের জীবন ও তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা বড় পর্দায় কী ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সিনেপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিদেশ

জঙ্গিকে ধরতে পুরস্কার বাড়ল, তবু কি ‘চোখে ধুলো’ পাকিস্তানের? মাসুদ আজহারকে ঘিরে রহস্য

ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারকে ঘিরে পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ফেডারেল তদন্ত সংস্থা মাসুদকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ঘোষিত পুরস্কারের পরিমাণ ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করেছে বলে জানা গিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরেই প্রশ্ন উঠছে, আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতেই কি এমন পদক্ষেপ করল ইসলামাবাদ?মাসুদ আজহার ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়িয়েছে। ওই আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ সদস্যের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতের তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, জইশ-ই-মহম্মদের নেপথ্যে থাকা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় রয়েছে।২০২১ সালে পাকিস্তানের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা মাসুদ আজহারকে গ্রেফতারির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। একই সঙ্গে ইসলামাবাদের দাবি ছিল, জইশ প্রধান পাকিস্তানে নেই, আফগানিস্তানে আত্মগোপন করে রয়েছে। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরেই সেই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতের গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মাসুদ বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের নবাবশাহ এলাকায় রয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত হওয়ার তথ্য সামনে আসেনি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নতুন রেড বুকে মাসুদের নাম রাখা এবং পুরস্কারের অর্থ বাড়ানো পাকিস্তানের কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিতে চাইছে কি না, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন।এর মধ্যেই পাকিস্তানের প্রকাশিত নতুন রেড বুক ঘিরেও চর্চা শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার ঘটনায় অর্থ জোগান, হামলাকারীদের নৌকা ও রসদ সরবরাহের অভিযোগে ১৯ জনের নাম সেখানে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তালিকায় থাকা ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জনের ছবি এবং তাঁদের কার্যকলাপের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলেও বাকি দুজনের ক্ষেত্রে শুধু নাম রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ।২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। ওই হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সরব।ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্র এবং কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, পাকিস্তানের নতুন পদক্ষেপকে শুধু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বাস্তব ব্যবস্থা হিসেবে দেখার আগে তার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে মাসুদ আজহারের অবস্থান নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দাবির মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিস্তর ফারাক রয়েছে।এখন প্রশ্ন, এফএটিএফের বৈঠকের আগে মাসুদ আজহারের মাথার দাম ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কতটা বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। পাকিস্তান সত্যিই মাসুদের বিরুদ্ধে কোনও কার্যকর পদক্ষেপ করে কি না, নাকি এটি কেবল আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল, তা নিয়েই নজর থাকবে কূটনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal