• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dead

বিদেশ

ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব, ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যু দু’জনের

ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শনিবার আইভি লিগের অন্তর্ভুক্ত ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিল্ডিংয়ে আততায়ীর গুলিতে অন্তত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত আট জন। আচমকা এই হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা ক্যাম্পাসে।ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা চলছিল। শনিবার ছিল পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন। সেই সময়ই গুলির শব্দে আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন পড়ুয়া ও কর্মীরা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। প্রভিডেন্সের মেয়র ব্রেট স্মাইলি জানিয়েছেন, আইভি লিগ ক্যাম্পাস জুড়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং আততায়ীর খোঁজে অভিযান চলছে।হামলার প্রায় দুঘণ্টা পরেও ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের ঘরের ভিতরে থাকতে বলা হয়েছে। পুলিশ সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীর পরনে ছিল কালো পোশাক। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে হামলার পর বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। আততায়ীকে চিহ্নিত করতে জোরকদমে তদন্ত চলছে। যদিও প্রথমে একজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হলেও পরে জানা যায়, তাঁর সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ নেই। তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

সাতসকালে দুঃস্বপ্ন! ৩৫ পুণ্যার্থী নিয়ে বাস খাদে—চিৎকারে কেঁপে উঠল পাহাড়ি এলাকা

সকালে দিন এখনও ঠিক ফোটেনি। ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল পাহাড়ি রাস্তা। ঠিক সেই সময়ই ঘটে গেল বড় বিপদ। অন্ধ্রপ্রদেশের আলুরি জেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গেল একটি যাত্রীবাস। ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত আরও ১২ জন।আজ ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ তুলাসিপাকালু গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটিতে মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন, সকলেই পুণ্যার্থী। বাসে ছিলেন দুই চালক ও একজন সাফাই কর্মীও। পাহাড়ি ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল বাসটি। একটি বাঁক ঘোরানোর সময় হঠাৎই স্টিয়ারিং ঘুরে যায়, আর সঙ্গে সঙ্গেই বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে খাদে ঝুলে পড়ে। পুরোপুরি নিচে না পড়লেও উলটে ঝুলে থাকা অবস্থাতেই আটকে যায়।স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বাসটিকে ওই ভয়ার্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। দ্রুত উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে এবং যাত্রীদের বের করতে শুরু হয় দমকা অভিযান। জেলাশাসক জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। সাতজন গুরুতর আহত, তাদের চিত্তুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ভদ্রাচলম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু। তিনি জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় কোনও ত্রুটি যেন না থাকে, তাও নিশ্চিত করতে বলেছেন।ঘন কুয়াশাই এই দুর্ঘটনার মূল কারণ বলে অনুমান পুলিশের।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
বিদেশ

ক্লাস চলাকালেই গুলি! লুটিয়ে পড়লেন পড়ুয়া... আমেরিকায় নতুন করে ত্রাসের রাজ শুরু

আমেরিকার কেনটাকি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হয়েছে এক ছাত্রের এবং আহত হয়েছেন আরও একজন। ঘটনার পর দ্রুতই হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত ছাত্রকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন।মঙ্গলবার দুপুরে স্বাভাবিক মতোই ক্লাস চলছিল। বহু ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎই এক যুবক এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। আতঙ্কে সবাই ছুটে পালাতে থাকে। গুলির আঘাতে ঘটনাস্থলেই এক ছাত্র মারা যান এবং আরও একজন রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার মুহূর্তের মধ্যেই ওই যুবককে ধরে ফেলে নিরাপত্তাকর্মীরা এবং পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে তাঁর পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলেই জানা গেছে।এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়টি তৎক্ষণাৎ সব ক্লাস ও পরীক্ষা বাতিল করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র মাইকেল ডিকরসি জানিয়েছেন, আপাতত সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকবে। বিদেশি ছাত্রছাত্রীরা চাইলে আপাতত বাড়ি ফিরে যেতে পারেন। শীঘ্রই পরবর্তী নির্দেশিকা দেওয়া হবে।কয়েক মাস আগেই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ফের সেই ভয়াবহতার পুনরাবৃত্তি হলো।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

ফ্রান্সে রক্তাক্ত বড়দিনের সন্ধ্যা! মাতাল চালক? গাড়ির তলায় পিষে দিল কমপক্ষে ১০ জনকে

ফ্রান্সে বড়দিনের অনুষ্ঠানকে ঘিরে তৈরি হল ভয়াবহ দৃশ্য। ভিড়ে ঠাসা রাস্তায় হঠাৎই বেপরোয়া এক গাড়ি ঢুকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের। আরও ৯ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় ঘাতক গাড়ির চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্ট-অ্যানের শোয়েলচার স্কোয়ারের ঠিক উল্টোদিকে বড়দিন উপলক্ষে জমেছিল উৎসবের ভিড়। চলছিল গান-বাজনা, নাচ আর জমাটি অনুষ্ঠান। সেই সময় আচমকা এক চারচাকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা ভিড়ের উপর উঠে পড়ে। একের পর এক মানুষকে ধাক্কা দিয়ে ফেলতে থাকে গাড়িটি। মুহূর্তে চিৎকারে ছেয়ে যায় চারদিক, আতঙ্কে ছুটতে থাকেন উপস্থিত মানুষজন।পুলিশ দ্রুত গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কী কারণে এই ভয়ংকর ঘটনা ঘটল, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তদন্ত শুরু হয়েছে।তবে ফ্রান্সের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, চালক নাকি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। সেই কারণেই গাড়ির উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন তিনি। যদিও পুলিশ এখনও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।বড়দিনের আনন্দের রাতে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুমিছিল দেখে শোকে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে সেন্ট-অ্যানের এলাকা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

মধ্যরাতে বিস্ফোরণ, আগুনে পুড়ে মরলো ২৫! গোয়ার ক্লাব ট্র্যাজেডিতে স্তব্ধ দেশ

ডিসেম্বরের রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কেঁপে উঠল গোয়া। শনিবার গভীর রাতে উত্তর গোয়ার আরপোরায় একটি অভিজাত রেস্তোরাঁ-সহ নাইটক্লাবে ভয়ানক আগুন লাগে। ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও অনেকেই আহত হয়েছেন, যাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করা হচ্ছে।অগ্নিকাণ্ডের খবর সামনে আসার পরই শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজও নিয়েছেন তিনি।রাত প্রায় ১২টা ৪ মিনিটে বির্চ বাই রোমিও লেন নামে ওই ক্লাবে আগুন লাগে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এবং দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ধোঁয়ায় ভরা ক্লাবের ভেতর থেকে একে একে উদ্ধার করা হচ্ছে মৃতদেহ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লাবের রান্নাঘরে একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বেশিরভাগ কর্মী কিচেনে আটকে পড়ায় তাঁদেরই মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকজন বিদেশি পর্যটকের মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছেন গোয়ার ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ।পিটিআই সূত্রে জানা গেছে, ওই ক্লাবে অগ্নি সুরক্ষার নিয়ম মানা হয়নি। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এক BJP বিধায়ক। তাঁর দাবি, গোয়ার সব ক্লাব ও রেস্তোরাঁয় জরুরি ভিত্তিতে সুরক্ষা অডিট করতে হবে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। তিন জন মহিলা-সহ ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করা খুব প্রয়োজন। পর্যটক ও কর্মীদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, অনেকের মৃত্যু হয়েছে দমবন্ধ হয়ে, কারণ আগুন লাগতেই তাঁরা বেসমেন্টের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন।পর্যটন নির্ভর গোয়ায় এই আগুন ভয়াবহ ধাক্কা দিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
বিদেশ

ভূমিকম্প ও সুনামির তাণ্ডবে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, মৃতের সংখ্যা ছুঁল ২৪৮

ভূমিকম্প ও সুনামির জোড়া আঘাতে বিধ্বস্ত ইন্দোনেসিয়া। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা। প্রসাশনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে ২৪৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। শনিবার উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়ছেন উদ্ধারকারীরা। বহু এলাকা একেবারেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেন্ট্রাল টাপানুলি সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। ভেঙে পড়েছে রাস্তা ও সেতু, ছিঁড়ে গিয়েছে বিদ্যুতের লাইন ও মোবাইল নেটওয়ার্ক। তাই আকাশপথে উদ্ধার সামগ্রী ও ত্রাণ পাঠাতে হচ্ছে। ভারী যন্ত্রপাতির অভাবেও উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।পশ্চিম সুমাত্রার আগাম জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আরও মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় বাহিনী। ফলে মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বহু পরিবার এখনও প্রিয়জনের খোঁজে দিশেহারা।গত এক সপ্তাহ ধরে চলা টানা মৌসুমি বৃষ্টির কারণে উত্তর সুমাত্রার একাধিক নদী উপচে পড়ে। পাহাড়ি গ্রামে ভয়াবহ বন্যা নেমে আসে। স্রোতের তোড়ে ভেসে যায় বহু মানুষ। হাজার হাজার বাড়ি, স্কুল ও সরকারি ভবন জলের নীচে তলিয়ে যায়। এখনও বহু জায়গায় জল নামেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

আধার ফাঁস করল সত্য! পশ্চিমবঙ্গে ৪৩ লক্ষ মৃত ভোটারের খোঁজ

রাজ্যে মৃত ভোটারের সংখ্যা নাকি ছুঁইছুঁই ৪৩ লক্ষ! চমকে দিয়েছে এই পরিসংখ্যান। রাজ্যের ভোটার তালিকায় এত বিপুল সংখ্যক মৃত মানুষের নাম কীভাবে থেকে গেল, তা নিয়েই এখন তোলপাড় নির্বাচন কমিশনে। মৃত ভোটারের সঠিক সংখ্যা জানতেই এবার সরাসরি উদ্যোগী হয়েছে কমিশন।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই আধার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে প্রকাশ পেয়েছে অবাক করা তথ্যআধারের রেকর্ড অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৪৩ লক্ষ ভোটার আর জীবিত নন। ব্যাঙ্কে যাদের KYC আপডেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আধার তথ্য বিশ্লেষণ করে সেই হিসেবই সামনে এসেছে। আরও জানা গিয়েছে, প্রায় ১৩ লক্ষ নাগরিকের আধার নম্বরই ছিল নাতাঁরা ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন।এই বিশাল গরমিল মেটাতে কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে জেলার প্রশাসকদের খতিয়ে দেখতে হবে, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পযেমন বিধবা ভাতা, সমব্যাথী প্রকল্পএ কারা এখনও সুবিধাভোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকলে দ্রুত তা বাতিল করতে হবে বলে নির্দেশ।ইতিমধ্যেই রাজ্যে এনুমারেশন ফর্ম বিলির কাজ প্রায় শেষের পথে। বুধবার পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ফর্ম বিলি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি, কালিয়াগঞ্জ, রাণাঘাট উত্তর-পূর্ব, খড়দহ, পানিহাটি, বিধাননগর, সোনারপুর, টালিগঞ্জ, বেহালা, মহেশতলা, মেটিয়াব্রুজ, হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ, সিউড়ি, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, কসবা সহ একাধিক কেন্দ্রে এখনও ৭৫ শতাংশের কম ফর্ম বিতরণ হয়েছে।কমিশনের অভ্যন্তরীণ মহল বলছে, মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার এই বিশাল কাজটাই এবার ভোট প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ৪৩ লক্ষ নাম যদি সত্যিই মৃত ভোটারদের হয়, তাহলে রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

রাজধানীতে তীব্র বিস্ফোরণ! তদন্তে নামল NIA ও NSG, জঙ্গি হানার গন্ধ

ভর সন্ধ্যায় রক্তাক্ত আতঙ্কে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। ঐতিহাসিক লালকেল্লার একদম সামনে, মেট্রো স্টেশনের গেট নম্বর ১-এর কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল গাড়িটি, তার পাশাপাশি আরও কয়েকটি যানবাহন। বিস্ফোরণের শক্তি এতটাই প্রবল ছিল যে আশপাশের রাস্তার লাইটপোস্ট থেকে শুরু করে দোকানের কাঁচ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ২৪ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই ঘটনায় চারদিক জুড়ে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।বিস্ফোরণের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইঞ্জিন ও ১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি দ্রুত আহতদের নিয়ে যাওয়া হয় লোডি ও LNJP হাসপাতালে। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে।এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)-র একটি বিশেষ দল। ইতিমধ্যেই সেখানে উপস্থিত রয়েছে ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর কমান্ডোরা। বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষ সংগ্রহ করে ফরেনসিক টিম পরীক্ষা শুরু করেছে। সূত্রের খবর, এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত উচ্চক্ষমতার ছিল।তদন্তকারীরা আপাতত নাশকতার সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না। কারণ, দিন কয়েক আগেই দিল্লি পুলিশই গুঁড়িয়ে দিয়েছিল এক আন্তঃরাজ্য জঙ্গি মডিউল, যাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট যা দিয়ে তৈরি করা যায় শত শত শক্তিশালী IED বোমা।এই প্রেক্ষাপটে লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ নতুন করে নড়াচড়ে বসিয়েছে গোটা প্রশাসনকে। রাজধানীর ব্যস্ততম পুরনো দিল্লির বাজার এলাকাজুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা, বাড়ানো হয়েছে পুলিশ মোতায়েন।এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আওয়াজটা এমন ছিল যেন একটা ট্রাক বিস্ফোরিত হয়েছে। আমরা দেখলাম আগুনের বল আকাশে উঠে যাচ্ছে, তারপর একের পর এক গাড়ি জ্বলে উঠল।ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করছেন, তবে প্রশাসনের আশঙ্কা এটি শুধুই দুর্ঘটনা নয়, বরং বড়সড় পরিকল্পনার অঙ্গ হতে পারে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

ভোটার তালিকার আতঙ্কে মৃত্যু! ধূপগুড়ি থেকে কুলপি কাঁপছে বাংলা

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন নিয়ে রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। একদিকে উত্তরবঙ্গের ধূপগুড়ি, অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি দুই প্রান্তে একই ছবি। আতঙ্ক, অসুস্থতা, আর শেষ পর্যন্ত মৃত্যু। আর দুই ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির উঠছে এসআইআরের (Special Intensive Revision) কাজের দিকে।ধূপগুড়ির বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নম্বর দক্ষিণ ডাঙ্গাপাড়ার বাসিন্দা লালু রাম বর্মন (বয়স প্রায় ৭২)। পরিবারের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। ভোটার কার্ডও পাননি তিনি। সম্প্রতি এলাকায় যখন ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন শুরু হয়েছে, সেই খবর পেয়েই নাকি আতঙ্কে ছিলেন বৃদ্ধ।বৃহস্পতিবার বিএলও (Booth Level Officer) ফর্ম দিতে গেলে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের দাবি, আতঙ্কেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন লালু রাম বর্মন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের পুত্রবধূ মতি মালা বর্মন বলেন, শ্বশুরমশাই সারাদিন চিন্তায় ছিলেন। বারবার বলছিলেন, আমার নাম যদি না থাকে তাহলে কী হবে? বিএলও ফর্ম দিতে আসতেই তিনি ভয় পেয়ে যান। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সব শেষ।অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলও সুমিত দাস জানিয়েছেন, ওঁদের বাড়িতে পাঁচজন সদস্য। চারজনের হাতে ফর্ম তুলে দিয়েছিলাম। পাশের বাড়িতে যেতেই শুনি বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।ঠিক একইভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি বিধানসভার কালীচরণপুরেও ঘটল আরেক মর্মান্তিক ঘটনা। সেখানকার কিশোরপুর হাই মাদ্রাসার শিক্ষক শাহাবুদ্দিন পাইক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শনিবার সকালে ক্লাস চলাকালীন। হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পাঁচদিন পর মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, সেরিব্রাল অ্যাটাক-এ মৃত্যু।তবে পরিবারের দাবি, ভোটার তালিকা নিয়ে আতঙ্কেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন শাহাবুদ্দিন। ২০০২ সালের সংশোধিত তালিকায় তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর নাম না থাকায় তিনি দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন বহুদিন ধরে। সেই মানসিক চাপই নাকি মৃত্যুর কারণ।এর মধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার ও কুলপির বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার। বাপি হালদার বলেন, মানুষ আতঙ্কিত। বিজেপি ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে কেউ রোহিঙ্গা, কেউ অনুপ্রবেশকারী বলে দেগে দিচ্ছে। এই মানসিক চাপে মানুষ অসুস্থ হচ্ছেন। আমরা আশ্বস্ত করছি, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না।অন্যদিকে মথুরাপুরের বিজেপি নেতারা অভিযোগ তুলেছেন, এসবই তৃণমূলের রাজনৈতিক নাটক। নিজেদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধীদের দিকে আঙুল তুলছে।উত্তর থেকে দক্ষিণ দুই প্রান্তেই ভোটার তালিকার আতঙ্ক এখন রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

ভোরের ট্র্যাজেডি... চোখের সামনে ছিন্নভিন্ন দেহ, ট্র্যাকে লুটিয়ে পড়লেন পুণ্যার্থীরা

উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে ভোরের শান্ত সকাল মুহূর্তে পরিণত হল বিভীষিকায়। কার্তিক পূর্ণিমার পুণ্যস্নান শেষ করে স্টেশনে ফিরছিলেন বহু ভক্ত। সকালের ব্যস্ততার মাঝেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা। প্ল্যাটফর্মের উল্টো দিকে নামতে গিয়ে হাওড়া-কালকা মেলের তলার তলায় চলে গেলেন তাঁরা। মুহূর্তের মধ্যে প্রাণ গেল অন্তত ছয় পুণ্যার্থীর, আহত একাধিক। চিৎকারে, কান্নায় আর আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়ে ভীতি, স্তব্ধ হয়ে যায় চুনার স্টেশন।বুধবার ভোরবেলা ঘটনাটি ঘটেছে মির্জাপুর জেলার চুনার রেলওয়ে স্টেশনে। কার্তিক মাস হওয়ায় বহু পুণ্যার্থী সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। রেলসূত্রে জানা যাচ্ছে, ভোরের সেই ভিড়ে অনেকেই প্ল্যাটফর্মের বিপরীত পাশে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ঠিক সেই সময় দ্রুতগতিতে এসে পড়ে হাওড়া-কালকা মেল। আর তারই ধাক্কায় থেঁতলে যান পুণ্যার্থীরা। সেকেন্ডের মধ্যেই মৃত্যু, লুটিয়ে পড়ে নিথর দেহ, চারদিকে শুধু আর্তনাদ আর শোকের হাহাকার।ঘটনার পরই স্টেশন জুড়ে চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ ও রেল আধিকারিকরা দ্রুত পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রেল প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেকেন মানুষজন ট্র্যাক দিয়ে নামলেন, স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কি না, সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ভয়াবহ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দ্রুত সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এসডিআরএফ ও এনডিআরএফ-কে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আহতদের যত্নসহকারে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।উল্লেখ্য, মাত্র একদিন আগেই ছত্রিশগড়ের বিলাসপুরের কাছে মালগাড়ি ও যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণ যায় ১১ জনের। তার রেশ কাটার আগেই ফের ট্র্যাজেডি। রেল নিরাপত্তা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে।

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
দেশ

প্রকৃতির রোষে ভূস্বর্গ! মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে ৫ শিশু

শনিবার সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের রামবণ এবং রিয়াসি জেলায় দুই পৃথক ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন শিশু।রামবণ জেলার রাজগড় তেহসিলে শনিবার সকালে ভয়াবহ মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়। আকস্মিক বন্যায় ভেসে যায় দুটি বাড়ি ও একটি স্কুল ভবন। এতে চার গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই উদ্ধার ও ত্রাণকার্য শুরু হয়েছে।একজন কর্মকর্তা জানান, এখনও পাঁচজন নিখোঁজ বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছি। আকস্মিক বন্যায় ওই এলাকায় প্রচুর সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।অন্যদিকে, রিয়াসি জেলার মহোরে এলাকার দূরবর্তী বাদ্দের গ্রামে শনিবার সকালে ভূমিধসের ঘটনায় মাটি চাপা পড়ে এক পরিবারের ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাবা-মা ও তাঁদের পাঁচ শিশু সন্তান (সবাই ১২ বছরের নিচে)।মৃত পরিবারের প্রধান ছিলেন নাজির আহমদ। তাঁর স্ত্রী ওয়াজিরা বেগম (৩৫) এবং তাঁদের সন্তান বিলাল আহমদ (১৩), মোহাম্মদ মুস্তাফা (১১), মোহাম্মদ আদিল (৮), মোহাম্মদ মুবারক (৬) ও মোহাম্মদ ওয়াসিম (৫)-এর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে, উধমপুর থেকে বানিহাল পর্যন্ত একাধিক জায়গায় ধস নামায় জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে টানা পঞ্চম দিন যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি, মেঘভাঙা ও ভূমিধসে জম্মু অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই তীর্থযাত্রী।সম্প্রতি কিস্তওয়ার জেলার চিশোটি গ্রামে মেঘভাঙার ঘটনায় মচাইল মাতা যাত্রা চলাকালীন ৬৫ জন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারান। আবার, জম্মুর কাটরায় মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের কাছে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩০ জন তীর্থযাত্রী।শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকার কাটরা মন্দির সংলগ্ন ভূমিধসে নিহতদের ঘটনা তদন্তে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটি ভূমিধসের কারণ, উদ্ধার ও ত্রাণ ব্যবস্থার ত্রুটি এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংক্রান্ত পরামর্শ দেবে।প্রবল বর্ষণ, মেঘভাঙা ও ভূমিধসের কারণে জম্মু-কাশ্মীরে হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে বলে সরকারি অনুমান।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
দেশ

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: শিশুদের শনাক্ত করতে বড় সমস্যা, এখনও হস্তান্তর ১৫৯ দেহ

সুরাটের নানাবাওয়া পরিবার ৩৬ বছর বয়সী আকিল এবং ৩১ বছর বয়সী স্ত্রী হান্না ভোরাজির নামাজ-এ-জানাজা (জানাজা) সম্পন্ন হয়। বুধবার ভোরে ফোন করে জানায় যে বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় তাদের সাথে মারা যাওয়া তাদের মেয়ে সারার মৃতদেহ শনাক্ত করা হয়েছে। আত্মীয়স্বজনরা চার বছর বয়সী মেয়ের দেহাবশেষ দাবি করতে আহমেদাবাদে ছুটে যান। যাতে তাকে তার বাবা-মায়ের পাশে দাফন করা যায়।আহমেদাবাদ-লন্ডন AI-171 বিমান দুর্ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, সারার সন্ধানে দেখা যাচ্ছে যে পুড়ে যাওয়া দেহাবশেষের মধ্যে নাবালকদের শনাক্ত করা কতটা কঠিন। বুধবার পর্যন্ত, ডিএনএ ম্যাচিং এবং শনাক্তকরণের পরে ১৫৯টি মৃতদেহ আত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সারা ছাড়াও, এই মৃতদেহগুলির মধ্যে কেবল একজন নাবালিকা ছিল ফাতিমা শেঠওয়ালা, যার বয়স ১৮ মাস।বিমান সংস্থার তালিকা অনুসারে, AI-171-এ ১২ বছরের কম বয়সী ১৩টি শিশু ছিল, যার মধ্যে তিনজন এখনও ২ বছর পূর্ণ করেনি। আরও বেশ কয়েকজনের বয়স ১১ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।এই ধরনের দুর্যোগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারে অসুবিধা ব্যাখ্যা করে গুজরাটের সরকারি ডেন্টাল কলেজের ফরেনসিক দন্ত বিশেষজ্ঞ ডঃ জয়শঙ্কর পিল্লাই বলেন, শিশুদের শরীরের ভর কম থাকে এবং তাই টিস্যুর ক্ষতি হয় এবং লম্বা হাড় তাপের সংস্পর্শে আসে। তবে দাঁত বেশি শক্তিশালী হওয়ায় তাপ সহ্য করতে পারে।তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এটিও জটিল। শিশুদের যে কোনও দাঁত থেকে ডিএনএ বের করা যেতে পারে, কিন্তু আগুন লাগার সময় সামনের দাঁত ব্যবহার করা যায় না কারণ তাপ তাদের নষ্ট করে দেয়। তাই আমরা মোলার থেকে ডিএনএ নিই। ছয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে, আমরা স্থায়ী মোলার পেতে পারি না... তাদের বেশিরভাগই দুধের দাঁত থাকে, এবং কখনও কখনও সেগুলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ খিলানটি খুব ছোট। তাই আমরা চোয়ালে একটি ছেদ তৈরি করি এবং ভিতরে স্থায়ী মোলার তৈরি করার চেষ্টা করি, পিল্লাই বলেন, যার বিভাগের সাথে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ দাঁতের ডিএনএ বের করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দাঁতের চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য যোগাযোগ করেছিল।একজন ফরেনসিক কর্মকর্তা বলেছেন যে দুর্ঘটনার পরে যে আগুন লেগেছিল তা খুব অল্প সময়ের মধ্যে ১৬০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাপমাত্রায় পৌঁছেছিল। সুতরাং, কিছু ব্যক্তির জন্য কেবলমাত্র আংশিক ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যাদের আমরা সন্দেহ করি যে তারা নাবালক, কর্মকর্তা বলেন, আরও বলেন যে আত্মীয়দের সাথে নিঃসন্দেহে নির্ভুলতার সাথে মেলানো কঠিন।আকিলের বাবা আবদুল্লাহ স্মরণ করিয়ে দেন যে তিনজন ৬ জুন, ঈদুল আযহার একদিন আগে, এক আকস্মিক পরিদর্শনে এসেছিলেন। এটা একটা ছোট ভ্রমণ ছিল। আমরা জানতাম না যে এটাই তাদের শেষ হবে, কাঁদতে কাঁদতে আবদুল্লাহ বলেন, যিনি বিমানে পরিবারকে নামিয়ে দিতে আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন।ভদোদরায়, আসিফ শেঠওয়ালা তার নাতনি ফাতিমার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। যার দেহাবশেষ বুধবার শনাক্ত করা হয়েছে, যখন তার মা সাদিকার মৃতদেহ এখনও পাওয়া যায়নি। আসিফ বলেন, ফাতিমা তার লন্ডন-ভিত্তিক ছেলের একমাত্র সন্তান। সাদিকা এবং ফাতিমা আমার ছোট ছেলের বিয়েতে বেড়াতে এসেছিলেন। তারা প্রায় ২০ দিন ধরে এখানে ছিলেন এবং তাদের ফেরার টিকিট অনেক আগেই বুক করা হয়েছিল।ডিএনএ সরবরাহ করার পাশাপাশি, দাঁতের দেহাবশেষ একজন ব্যক্তির আনুমানিক বয়স নির্ধারণেও সাহায্য করে। যা শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূত্র প্রদান করে। আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও, বিস্ফোরণ এবং আগুনের ফলে উদ্ধার করা বেশিরভাগ ডিএনএ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।ডঃ পিল্লাই বলেন, ফরেনসিক ওডন্টোলজি বিভাগ এক থেকে ছয় বছর বয়সী বেশ কয়েকজন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীর দাঁতের ডিএনএ সংগ্রহ করেছে অথবা ডেন্টাল চার্টিং করেছে এবং অন্তত কিছু ভুক্তভোগীর বয়স মূল্যায়ন করেছে। এরপর এই বয়সের যাত্রীদের জন্য ফ্লাইট ম্যানিফেস্টের সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিছু শিশুর ক্ষেত্রে, আমরা দ্বিতীয় মোলার বিকশিত হতে দেখেছি, যা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে তারা তিন থেকে ছয় বছর বয়সী। এটি অনুসন্ধানকে সংকুচিত করতে সাহায্য করেছে। তারপর তাদের ডিএনএ নমুনা তাদের আত্মীয়দের সাথে মেলানো যেতে পারে।যারা খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন তাদের মধ্যে রয়েছে ভদোদরার ভাহোরা পরিবার। তারা দুর্ঘটনায় তিন সদস্যকে হারিয়েছে। সোমবার ইয়াসমিনের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হলেও, পারভেজ এবং তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে জুভেরিয়ার দেহাবশেষ এখনও পাওয়া যায়নি। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, ডঃ কেশব কুমার বলেছেন, পরিবারগুলির আশা হারানো উচিত নয়। বিমান দুর্ঘটনাটি প্রায় বোমা বিস্ফোরণের মতো ছিল। যেখানে ৫৪,০০০ লিটার বিমান জ্বালানি এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলছিল। উৎপন্ন তাপের পরিমাণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আমরা ভাগ্যবান হব যদি ভালো নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু যদি একটি দাঁতও পাওয়া যায়, তাহলে ডিএনএ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফরেনসিক পরীক্ষা খড়ের গাদায় সূঁচ পাওয়ার মতো। কিন্তু একজন তদন্তকারী হিসেবে, আমি বলতে পারি যে ম্যাচ পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০%। ডিএনএ হাজার হাজার বছর টিকে থাকতে পারে এবং প্রয়োজনে ধ্বংসাবশেষে ডিএনএর আরও চিহ্ন থাকবে। গুজরাট পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে তারা দুর্ঘটনাস্থল থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।

জুন ১৯, ২০২৫
কলকাতা

হাড়হিম ঘটনা কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে! ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ, পাকড়াও দুই মহিলা

একের পর এক হাড়হিম ঘটনা। মঙ্গলবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো কলকাতার কুমোরটুলি। দুই মহিলা একটি ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, তাঁরা হাতেনাতে পাকড়াও করেন ট্রলি ব্যাগ সমেত দুই মহিলাকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়, দুই মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ধৃতরা প্রথমে দাবি করেছিল দেহটি কুকুরের। যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ট্রলিব্যাগে যে দেহ পাওয়া গিয়েছে সেটি একজন মহিলার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে ওই ব্যাগে কার দেহ ছিল? ব্যাগ খুলতেই আঁতকে ওঠেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই এবার খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। মৃতের নাম সুমিতা ঘোষ। অন্যদিকে যে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে তাদের নাম ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষ। মৃত সুমিতা ঘোষ অভিযুক্ত ফাল্গুনী ঘোষের সম্প্রকে পিসি শাশুড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল ৭টা নাগাদ ট্যাক্সি করে গঙ্গার ঘাটে আসেন মাস্ক পরা দুই মহিলা। ভারী ব্যাগ টেনে ঘাটে আনতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মহিলারা দাবি করেন, ব্যাগে পোষ্য কুকুরের মৃতদেহ রয়েছে। খবর যায় উত্তর বন্দর থানায়। পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগ খুলতেই ভিতরে মেলে পচাগলা রক্তাক্ত দেহ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফাল্গুনি-সুমিতাদের বাড়ি মধ্যমগ্রামে। গতকাল রাতে মা-মেয়ের সঙ্গে পিসি শাশুড়ির বিবাদ হয়। তার জেরে ভারী কিছু দিয়ে পিসি শাশুড়ির মাথায় আঘাতের জেরেই মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। জেরায় মা-মেয়ে জানিয়েছেন, ট্রলিব্যাগে দেহ পুরে তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। এরপর কুমোরটুলি ঘাটে এনে ব্যাগ সমেত দেহ গঙ্গায় ফেলার ছক ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাদের কাছে মিলেছে শিয়ালদা-হাসনাবাদ শাখার কাজিপাড়া স্টেশনের টিকিট। বারাসাতের কাছে কাজিপাড়া থেকেই কি এসেছিলেন মহিলারা?

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
রাজ্য

স্বর্গ রথ চালিয়ে পূজা মণ্ডল সমাজকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন

সত্যি সাহসিকতার পরিচয় দিলেন বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ভয় না পেয়ে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন গুরুদায়িত্ব, পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি গাড়িচালক হিসেবেও কাজ করছেন। তবে যে সে গাড়ি নয়। বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লাড ডোনেশন সোসাইটির একটি শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালাচ্ছেন পূজা মণ্ডল।মানুষের অন্তিম যাত্রার সহায়ক হলেও স্বর্গের রথ বা শববাহী গাড়িকে অবহেলার চোখেই দেখে সমাজ। বাঁকুড়াতেও রয়েছে নেতিবাচক উদাহরণ। সম্প্রতি বড়জোড়ার শব বহন করা গাড়িকে পেট্রোল দিতে চাননি পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা। টুকটাক কাজ যেমন, টায়ার সারানো কিংবা সার্ভিসিং করাতে গেলেও অনেক সময় এই গাড়িগুলির চালকদের বেগ পেতে হয়। সাধারণ মানুষের একাংশের চোখে এই গাড়িগুলি অপবিত্র এবং অস্পৃশ্য।তা সত্ত্বেও হাসিমুখে এই কাজ করে চলেছেন ছাত্রী পূজা। কিন্তু কেন? জানা যায়, নেপথ্যে রয়েছে চমকপ্রদ একটি গল্প। ২০১৪ সালে গাড়িটি কেনা হয় সংগঠনের তরফে। তখন থেকে গাড়িটি চালাতে যথেষ্ট সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল চালককে। পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে গিয়েও হয়েছে ঝামেলা। এছাড়াও সিট কভার লাগিয়ে দিতেও চাননি কোনও ব্যবসায়ী। বড়জোড়া ট্যাক্সি স্ট্যান্ডেই থাকত এই স্বর্গের রথ, কিন্তু কোনও ড্রাইভারই চালাতে চাইতেন না গাড়িটিকে। এর পর পূজা মণ্ডল বড়জোড়া ব্লাড ডোনার সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত হন এবং ২০১৮ সালে প্রথম রক্তদান করেন তিনি। তার পর ২০২১ সালে দুর্গাপুরে স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে করতেই শবদেহ বহনকারী এই গাড়ির দায়িত্ব নেন পূজা। মূলত মানুষকে সচেতন করার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত পূজার। তাঁর দাবি, আর পাঁচটা যানবাহনের মতই এটিও একটি স্বাভাবিক যান, কোনও অপবিত্র বস্তু নয়। এই চিন্তা থেকেই গাড়িটি চালানো শুরু করেন পূজা। এর পর ধীরে ধীরে চড়াই উতরাই পার করে, মানুষের মনের পরিবর্তন দেখেছেন তিনি। আগের মত আর গাড়িটি নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।সমাজসেবা নিয়ে বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন পূজা। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন সচেতনতার প্রচার এবং সমাজ কল্যাণমূলক কাজ। বর্তমানে পূজার নাম অনেকেই জানেন। তাঁকে উদাহরণ হিসাবে মনে রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর থেকে শুরু করে ভাইস চ্যান্সেলর কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পর্যন্ত সকলেই এক ডাকে চেনেন পূজাকে। বড়জোড়ার বাড়িতে তাঁর বাবা-মাও তাঁকে নিয়ে গর্বিত। পূজার মা টুম্পা মণ্ডল বলেন,আমার তো বেশ ভালই লাগে। প্রথম যখন আমার মেয়ে ঠিক করে যে গাড়িটা চালাবে, তখন খুব ভয় লাগত। এত বড় গাড়ি কি ও আদৌ চালাতে পারবে? তার পর ধীরে ধীরে সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। এখন আমি খুব খুশি।বাঁকুড়ার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে শুরু করে বড়জোড়ার রাস্তাঘাটে শবদেহ বহনকারী গাড়ি চালিয়ে যান পূজা। গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে শবদেহর স্ট্রেচার টেনে বাইরে আনা পর্যন্ত একা হাতেই সামলান সব কিছু। এতে ক্লান্তি নেই, দায়িত্ব নিতে পারায় জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করেন পূজা।

জুলাই ১১, ২০২৪
কলকাতা

সাত সকালে নিউটাউনে লাল সুটকেসে কি? বিরাট চাঞ্চল্য

নিউটাউনের পার্শ্ববর্তী এলাকা ধর্মতলা পাচুরিয়ার ছোট খালে একটি লাল রঙের সুটকেশ প্রথমে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পুলিশে খবর দেওয়া হলে টেকনো সিটি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে, শুটকেসের তালা খুলতেই দেখে এক ব্যক্তির মৃতদেহ। অনুমান করা হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ বছর বয়স ওই মৃত ব্যক্তির। সেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত নেমেছে পুলিশ উদ্ধার হওয়া মৃত ব্যক্তির নাম পরিচয় জানার পাশাপাশি, কিভাবে তার মৃত্যু হল তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাকে খুন করে কেউ বা কারা এখানে ফেলে রেখে গেছে। তবে সামনেই লোকসভায় নির্বাচন তার আগে সুটকেস বন্দী এই মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

মার্চ ২৩, ২০২৪
রাজ্য

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার! এক সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ষাটোর্ধ এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো বর্ধমান শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায়। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠায়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।শুক্রবার রাতে পুরনো ওভারব্রীজ সংলগ্ন ছোটলাইন এলাকায় এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধার দেহ পরে আছে বলে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃদ্ধাকে এক ব্যক্তিকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করতে দেখে স্থানীয়রা বাধা দেয়। সেই সময় ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দেখেন বৃদ্ধা মারা গেছেন।এরপরেই তারা পুলিশকে খবর দেয়।

নভেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

দীঘা সমুদ্র সৈকতে উঠে এলো একটি মৃত ডলফিন

সকাল থেকে নিম্নচাপের জেরে দীঘা সমুদ্র উত্তাল আর তারই মাঝে কিছুটা ভাটা পড়তে বিকালবেলা দীঘা সমুদ্র সৈকতে উঠে এলো একটি মৃত ডলফিন। যাকে দেখার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় পর্যটন শহর দীঘায়। এদিন বিকাল পাঁচটার নাগাদ নিউ দিঘায় ভেসে আসেএকটি মৃত ডলফিন ।সম্ভবত কোন লঞ্চ বা ট্রলারের আধার লেগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে, লম্বা প্রায় সাড়ে তিন ফুট।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল নেতা খুনে অগ্নিগর্ভ রামপুরহাট, ঝলসে মৃত্যু ১২ জনের

বীরভূমের রামপুরহাটে তৃণমূল নেতার মৃত্যুর ঘটনায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। বগটুইতে পর পর বাড়িতে আগুন। অগ্নিদগ্ধ বাড়িগুলি থেকে ১২টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে দমকল। বীরভূমের পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী জানিয়েছেন, একটি বাড়িতে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলে যাচ্ছে সিআইডি এবং ফরেন্সিক টিম। হেলিকপ্টারে রামপুরহাট যাচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম (বীরভূমের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা), আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিজিত সিনহা।রামপুরহাটের এই এলাকা কয়েকমাস ধরেই রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত। আট মাসে আগে বাড়ি ফেরার পথে খুন হয়েছিলেন ভাদু শেখের মেজো ভাই। জানা গিয়েছিল, রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এর পর সেই একই কায়দায় খুন হলেন তৃণমূলের উপপ্রধান। আর তার ঠিক পরপরই গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এতজনের মৃত্যু। ইতিমধ্যে কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল পাঠানো হচ্ছে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে। সূত্রের খবর, সিআইডি টিম যাচ্ছে সেখানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান রেকর্ড করে প্রাথমিকভাবে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্র ত্রিপাঠী। তাঁর দাবি, ৭টি বাড়িতে আগুনের ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।সোমবার রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে বোমা হামলায় তৃণমূল নেতা ভাদু শেখের মৃত্যু হয়। ভাদু রামপুরহাট এক নম্বর ব্লকের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ছিলেন। তাঁর বাড়ি রামপুরহাট থানা এলাকার বগটুই গ্রামে। সেখানে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন ভাদু। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছুড়ে পালায় এক দল দুষ্কৃতী। ঘটনার পর স্থানীয়েরা রক্তাক্ত অবস্থায় ভাদুকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা ভাদুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার পর থেকেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ওই গ্রাম। পর পর বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। দমকল আধিকারিক জানিয়েছেন,সোমবার রাতে তিন জনের ঝলসানো মৃতদেহ উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার সকালে আরও সাত জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সাত জনই একটি বাড়িতে ছিলেন। দমকলের হিসেব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত বারো জনের মৃত্যু হয়েছে। বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন, তিন চারটি বাড়িতে আগুন লেগেছিল। টিভি ফেটে আগুন লাগে। দমকল, পুলিশ গিয়েছিল। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক, তার পর বলব। তবে উপপ্রধান খুনের সঙ্গে এর যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনুব্রত।

মার্চ ২২, ২০২২
রাজ্য

জোড়া কাউন্সিলর খুনে উত্তেজনা পানিহাটি ও ঝালদায়

রবিবারের সন্ধ্যাতেই দুই জেলায় দুই কাউন্সিলর খুনের ঘটনা ঘিরে সোমবার সকাল থেকে শোরগোল শুরু হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি পুরসভার কাউন্সিলর অনুপম দত্ত খুনে রবিবার রাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন মূল অভিযুক্ত। তবে পুরুলিয়ার ঝালদায় কাউন্সিলর খুনের অভিযোগে সোমবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। শুরু হয়েছে তল্লাশি। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে নিহত কাউন্সিলর তপন কান্দুর আত্মীয়-পরিজনদেরও। পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ড সীমানায় চলছে ব্যাপক নজরদারি। ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টা পুরুলিয়া বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে সোমবারই নিহত দলীয় কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। সোমবার বেলা ৩টে নাগাদ ঝালদায় পৌঁছনোর কথা তাঁর। এবার ঝালদা পুরসভার ভোটের ফল ত্রিশঙ্কু হয়েছিল। কংগ্রেস-তৃণমূল সমান সমান আসন পায়। তা নিয়ে একটা রাজনৈতিক চাপানউতর এলাকায় চলছিল বলে কংগ্রেসের দাবি। এরইমধ্যে কাউন্সিলরের খুনের ঘটনা। এই ঘটনায় পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। তাদের দাবি, পুলিশের প্রত্যক্ষ মদত না থাকলে এ ঘটনা ঘটে না।পানিহাটির আট নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনুপম দত্ত মাথা লক্ষ্য করে গুলি। রবিবার সন্ধ্যায় দুষ্কতীরা পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তৃণমূল কাউন্সিলরকে উদ্ধার করে প্রথমে ভর্তি করানো হয় সাগরদত্ত মেডিক্যাল হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।অন্য দিকে, রবিবার ঠিক একই রকম ঘটনা ঘটে পুরুলিয়ার ঝালদায়। সেখানে সদ্য জয়ী কংগ্রেসের এক কাউন্সিলরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুকে গুলি করে মোটর বাইকে উঠে চম্পট দেয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কাউন্সিলরকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে রাঁচিতে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় ওই কাউন্সিলরেরও।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া মেমারিতে, দিদির পচাগলা মৃতদেহের সঙ্গে পাঁচ দিন কাটালেন বোন

ঠিক যেন কলকাতার রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডেরই পুনরাবৃত্তি। সেই রকমই ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে। ঘরের মধ্যে মৃত দিদি সুপ্তিকণা কোলের পচাগলা দেহের সাথেই শুয়ে-বসে পাঁচটা দিন কাটায়ে দিলেন বোন মুক্তিকণা কোলে। সেই ঘর থেকে বৃহস্পতিবার সকালে মাত্রাছাড়া দুর্গন্ধ ছড়ালে এলাকার লোকজন বিষয়টি মেমারি থানায় জানায়। দুপুরে মেমারি থানার পুলিশ শহরের কৃষ্ণ বাজার এলাকায় থাকা মুক্তিকণা কোলেদের বাড়ি থেকে পচা গলা মৃতদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য এদিনই মৃতদেহটি পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। কী কারণে মহিলার মৃত্যু হল তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ৫৩ বয়সী সুপ্তিকণা কোলের সঙ্গেই একই বাড়িতে থাকতেন তাঁর ছোট বোন মুক্তিকণা। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মুক্তিকণারা চার বোন ও এক ভাই। কয়েক বছর আগে মেমারি শহরে একটি পথ দুর্ঘটনায় তাঁদের ভাই অসিত কোলে মারা যান। সুপ্তিকণা ও মুক্তিকণা এই দুই বোনই অবিবাহিত ছিলেন। তাঁরা এক সঙ্গে একটি ঘরেই থাকতেন। মেমারি শহর নিবাসী মৃতার আত্মীয় প্রদীপ বসু বলেন, ওরা ওঁদের বাবার ভুল সিদ্ধান্তের জন্যেই সমাজজীবন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছিল। মানসিকভাবেও ওরা বিধ্বস্ত ছিল। খাওয়া-দাওয়াও ঠিকমতো করতো না। দুই বোনের মনের ভিতরেও অনেক ক্ষোভ জমা হয়েছিল। প্রদীপ বাবু দাবি করেন, সম্ভবত অপুষ্টির জন্যেই সুপ্তিকণার মৃত্যু হয়েছে। তারপর দিদির মৃতদেহ কিভাবে সৎকার করবেন তার কিছু বুঝে উঠতে না পেরেই মুক্তিকণা দেহ আগলে পড়েছিল বলেই তাঁরা মনে করছেন। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনা তাঁদের ২০১৫ সালের জুন মাসে কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটের ঘটনাকেই মনে করিয়ে দিয়েছে। মেমারি পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিরঞ্জীব ঘোষ বলেন, ঘরের দরজায় তালা দিয়ে এ দিন সাতসকালে মুক্তিকণা বাইরে বেরিয়ে পড়ে। ওনাদের বাড়ির ভিতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এলাকার লোকজন আমাকে জানায়। বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান দুপুরে মুক্তিকণা বাড়ি ফিরলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। মুক্তিকণা কোলে এদিন বলেন, আমার দিদি মারা গিয়েছে তা আমি বুঝতে পেরেছিলাম। কিন্তু কী করবো সেটাই বুঝতে পারছিলাম না। তাই দিদির দেহের পাশেই শুয়ে-বসে কাটিয়েছি । এলাকার বাসিন্দারা জানান, মুক্তিকণাদের দোতলা বাড়ির প্রতিটি ঘরের জানলা ৩৬৫টি দিনই বন্ধ থাকত। কারও সঙ্গে ওনারা মেলামেশা করতেন না। মাঝে মধ্যে কখনও কখনও জল নিতে নীচে নামতেন। বাড়ির বিদ্যুতের সংযোগও কেটে দিয়েছিলেন। বছরের পর বছর ধরে মোমবাতির আলো জ্বেলেই দুই বোন থাকতেন। ওনাদের বাবা তাঁর প্রচুর সম্পত্তি সম্পত্তি টাকা পয়সা মেমারিরই একটি আশ্রমে দান করে দেয়েছেন। ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ কি হবে তা তিনি ভাবেননি। এলাকার সবাই চাইছেন, চিকিৎসার মাধ্যমে মুক্তিকণাকে সুস্থ করে তোলার জন্যে সরকার বা প্রশাসন কিছু একটা করুক।

মার্চ ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal