• ২৪ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ১০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Corruption

রাজ্য

রাস্তা তৈরি প্রকল্পের কাজে দুর্নীতির গন্ধ! জেলাশাসকের উপরই আস্থা গ্রামবাসীদের

পথশ্রী প্রকল্পের কাজ ঘিরে দুর্নীতির গন্ধ! গ্রামবাসীরা নিম্নমানের কাজ রুখে দিতেই সদলবদলে পালালেন সুপারভাইজার। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের কালনা ২ নং ব্লকের পূর্ব সাতগেছিয়া গ্রামে। আজ সকালে বৃষ্টির মধ্যে পিচের রাস্তার কাজ চলছিল। তখনই বাধা দেন গ্রামবাসীরা।সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমার বাড়ির কাছেই কাজ হচ্ছিল। দেখি পিচের উপর পাথর ফেলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এটি পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা। এভাবে সংস্কারের কাজ হওয়ার কথা নয়। ঠিকাদার বা ইঞ্জিনিয়ার কেউই ছিলেন না। রাস্তা তৈরির বৈধ নথিপত্র বা শেডিউল তিন-চার দিন ধরেই দেখতে চাইছিলাম আমরা। কিন্তু আজও সুপারভাইজার দেখাতে পারেননি।এরপরই ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীও ছিলেন। এক গ্রামবাসীর কথায়, বৃষ্টিতে পিচ রাস্তার কাজ হওয়া উচিতই নয়। কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়া খারাপ। তারই মধ্যে জোড়াতালি দিয়ে কাজ হচ্ছিল। যে সব জায়গায় কাজ হয়েছে, বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই তার বেশ কিছু জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ হচ্ছে আঁচ করেই প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডলকে আমরা জানিয়েছি। আজ সকালেও কাজে বাধা দেওয়ার সময় প্রধানকে ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি অন্য কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারেননি। প্রধান ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তাঁদের সংশয় দূর করতে পারতেন বলেও মন্তব্য গ্রামবাসীদের।জনতার কথা কে প্রধান হরেকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েই কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের কাজে শেডিউল চাই। কেন না, নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে আমি কনট্রাক্টরের কাছে নথি দেখতে চাই। তিনি আজ অবধি তা অজ্ঞাত কারণে দেখাতে চাননি। আমরা সকলেই চাই রাস্তার কাজ ভালোভাবে হোক।প্রধানের কথায়, গ্রামবাসীরাও ন্যায্য কথাই বলছেন। রাস্তা খুঁড়ে নতুন রাস্তা হবে, নাকি রাস্তা রিপেয়ার হবে, সেটা তো নথি দেখলেই স্পষ্ট হবে। সেই নথি আমাকেও দেখাতে পারেননি কনট্রাক্টর। ফলে গ্রামবাসীরা কাজে বাধা দিলে আমার পক্ষে তাঁদের সংশয় দূর করা সম্ভব নয়। কাজ বন্ধের কথা কালনা ২ নম্বর ব্লকের বিডিওকেও জানিয়েছি। উপ প্রধান অনিমেষ ভাঙ্গি বলেন, রাজ্য সরকার রাস্তা তৈরির কাজ করছে। সেখানে নিম্নমানের কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তবে পিচের রাস্তার কাজ বৃষ্টির সময় করা উচিত নয়। গ্রামবাসীদের পঞ্চায়েতের তরফে বলাই আছে, যেখানে রাস্তার কাজ হবে নিয়ম মেনে তা হচ্ছে কিনা নথি দেখে যাচাই করে নিতে। ফলে গ্রামবাসীরা সঠিক কাজই করেছেন।সূত্রের খবর, পথশ্রী প্রকল্পে এসটিকেকে রোডে মাঠের পাড়া বাস স্টপ থেকে সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েত অবধি আড়াই কিলোমিটার রাস্তা তৈরির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই প্রকল্পের কাজের সূচনা হয়। কিছুটা অংশের কাজ হয়েছে আগেই। বাকি রাস্তার কিছুটা অংশ আগে থেকে পিচের, সেখানে বেহাল দশা।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেও বারবার বলেছেন, এমন কাজ করতে হবে যাতে টাকা জলে না যায়। এমনকী রাস্তা মেয়াদ ফুরানোর আগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকেই ওই রাস্তা পূর্বাবস্থায় ফেরানোর দায়িত্ব নিতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। গ্রামবাসীরা সে কথা তুলে ধরেই বলেন, যা কাজ হচ্ছিল তাতে ৩০ লক্ষ টাকার কাজ বলেই মনে হচ্ছে।যেখানে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ সেখানে নিম্নমানের কাজ কেন হবে? এই প্রশ্ন তুলেই রুখে দাঁড়ান গ্রামবাসীরা। তার উপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই কেন হঠাৎ করে কাজ শুরু হলো এবং গ্রামবাসীদের বাধা পেয়ে বৈধ নথি দেখাতে না পেরে সুপারভাইজারের পলায়ন সন্দেহ জোরালো করছে। কাটমানির কারণেই এই অবস্থা কিনা তার তদন্ত দাবি করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিষয়টি প্রশাসনিক মহলের নজরে আনতে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হন গ্রামবাসীরা। কিছুদিন আগে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝি রায়নায় গিয়ে নিম্নমানের রাস্তার কাজ দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নতুন করে রাস্তা তৈরির নির্দেশ দেন। সেই ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই এই ঘটনা। গ্রামবাসীরা জেলাশাসকের উপরই আস্থা রাখছেন।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

নিউটাউনে হিডকো জমি দুর্নীতি, যোগীরাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ২

জমি দুর্নীতি কাণ্ডে দুজনকে গ্রেফতার করলো বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ। উত্তরপ্রদেশের মথুরা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ট্রাঞ্জিট রিমান্ডে তাদের নিয়ে আসা হচ্ছে।বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিডিডি বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, হিডকো জমি দুর্নীতি নিয়ে মোট দশটি কেস হয়েছে। বেশিরভাগ কেস হয়েছেনিউটাউনের টেকনোসিটি থানায়। এছাড়া লেকটাউন থানা ও বিধাননগর দক্ষিণ থানাতেও অভিযোগ হয়েছে। এই মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে তন্ময় নায়েক নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। এর মধ্যে এফআইআর এ নাম আছে এমন ২ জনকে ধরার জন্য বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল টিমকে পাঠানো হয়। গোয়েন্দারা বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাতে চালাতে অবশেষে মথুরাতে তাঁদেরকে চিহ্নিত করে। সেখান থেকে অশোক পাত্র ওরফে আকাশ পাত্র এবং সুদীপ্ত রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়। আজকে তাদের ওখানকার কোর্টে তুলে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসা হচ্ছে। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে আসার পরে এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই দুর্নীতিতপ আর কারা কারা জড়িত আছে তাদের খোঁজ চালানো হবে। এরা দুজন টেকনোসিটি থানার কেসে অভিযুক্ত ছিল কিন্তু গোটা ঘটনা এখন তদন্ত করছে বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।

আগস্ট ১২, ২০২৩
কলকাতা

বাগ কমিটির রিপোর্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল, এবার এসএসসি দুর্নীতিতে গ্রেফতার কল্যানময়

বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির রিপোর্টেই নাম ছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির। বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেসে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর কল্যানময় গঙ্গোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের খবর, ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে এসএসসির ভুয়ো নিয়োগপত্রে সই করতেন তিনি। তাঁকে ১০ বছরের নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল।এর আগে এসএসসি দুর্নীতি কাণ্ডে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়সহ একাধিক ব্য়ক্তি গ্রেফতার হয়েছে। কিছু দিন আগেই কল্যাণময়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সিবিআই সূত্রের খবর, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতির কাছে যা নথি চাওয়া হয়েছিল সেগুলি তিনি জমা দিতে পারেননি। কিছু নথি খুঁজে পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত টানা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করা হয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে। এরপর তাঁকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয়। ফের তাঁকে নিয়ে আসা হয় নিজাম প্যালেসে। আগামিকাল, শুক্রবার কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে আদালতে পেশ করা হবে আদালতে। প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করার আবেদন জানাবে সিবিআই।গত ২৩ জুন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়কে তাঁর পদ থেকে অপসারণ করে শিক্ষা দফতর। রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বসেন ওই পদে। উল্লেখ্য, প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি কলকাতা হাইকোর্টকে জানিয়েছিল কল্যাণময়ের নির্দেশেই অবৈধ নিয়োগপত্র তৈরি হয়েছিল। ২০১৬ সাল থেকে টানা ৬ বছর ধরে পর্ষদের সভাপতি পদে ছিলেন কল্যাণময়। তার আগে চার বছর পর্ষদের প্রশাসক পদে ছিলেন। এদিকে সিবিআই ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায়। তাঁকে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীত মামলায় গ্রেফতার করেছিল ইডি। এখন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেল হেফাজতে রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজনীতি

দলের দুর্নীতি ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ। দুর্নীতির অভিযোগ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন বীরভূমের দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলে দে। প্রধানের অভিযোগ, অর্থ তছরুপে বাধা দেওয়ায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও প্রধানকেই দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিযোগ করেছেন দলের অন্য গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, বুধবার ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেন দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি দে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দলের চাপে পড়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানান শিউলি দে। তিনি বলেন, দলের নেতারা দুর্নীতিতে যুক্ত। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত দলের অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল ও ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক অভিজিৎ রায়। প্রতিবছর পুজোর আগে অঞ্চল সভাপতির মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকা নিত ব্লক নেতৃত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মোটা অঙ্কের টাকা বাড়ি প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি নিত। এমনকি রুপশ্রী ও কন্যাশ্রীর টাকাও তুলত। সমস্ত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাটমানি নিত অঞ্চল সভাপতি। আমি এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিজিৎ রায়কে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। কারণ তার কাছেও কাটমানির টাকা যেত। আমাকে অসুস্থ বলা হলেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি।প্রধানের স্বামী জয়দেব দে বলেন, সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু অঞ্চল কমিটি পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ করতে দিত না। নিজেরাই কাজ করত। তারা টিউবওয়েলের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে নিম্নমানের। ফলে কোন সদস্য ওই জিনিসপত্র নিতে চাইছে না। সেগুলি পঞ্চায়েতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই পদত্যাগ করেছেন। ব্লক সভাপতি তথা বিধায়ক অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রধানের সঙ্গে কোন সদস্যর হচ্ছিল না। তাই জেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপর উনি কি বললেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। ওনার সঙ্গে সদস্যদের হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
কলকাতা

গার্ডেনরিচের আমির তো যথার্থই 'আমির'!, বাড়ি থেকে উদ্ধার রাশি রাশি টাকা

সকাল থেকেই সকলের নজর ছিল ইডির তল্লাশির দিকে। সেই পার্থঘনিষ্ট অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে রেইড করতে গিয়ে টাকা গোনা দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে আমবাঙালী। শনিবারও তার থেকে কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। শেষমেশ আমিরের বাড়িতে খাটের নীচ থেকে কুবেরের ধন উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সাড়ে ১৭কোটি টাকা নগদ পেয়েছে ইডির আধআকিরাকরা। ২হাজারস ৫শো, ২শো, একশো টাকার বান্ডিল বান্ডিল নোট উদ্ধার হয়েছে। দিনভর টাকা গুনতে ব্যবহার করা হয়েছে মোট ৮টি মেশিন। টাকা গুনতে সহযোগিতা করেছেন ব্যাংকের আধিকারিকরা। বাড়ি ঘিরেছিল কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী। মাছি না গলার মতো ছিল নিশ্চিদ্র নিরপাত্তা ব্যবস্থা। তবে আমির খানের তিনটে মোবাইলই বন্ধ পেয়েছে ইডি।এর আগে অর্পিতার উত্তর কলকাতার ফ্লাট থেকে প্রায় ৩০কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেছিল ইডি। সাম্প্রতিককালে টাকার পাহাড়ের উদ্ধারের সেই যাত্রা শুরু। তারপর অর্পিতারই বেলঘড়িয়ার ফ্লাট থেকে উদ্ধার ১৮কোটি টাকা। মালদার এক মাছ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ১কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা। এরইমধ্যে চিটফান্ড কাণ্ডে হালিশহরের পুরসভার চেয়ারম্যান রাজু সাহানীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৮০কোটি টাকা। এবার গার্ডেনরিচে ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে ১৭.৫০কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য় 1১০টি ট্রাঙ্ক নিয়ে আসা হয়েছে। ৫টি ট্রাঙ্কে টাকা ভরা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পার্কস্ট্রিট থানায় একটি মোবাইল গেম নিয়ে অভিযোগ হয়েছিল।এদিকে ইডি খোঁজ নিচ্ছে, এই টাকা আদতে কার। কারণ মোবাইল গেমের কথা বলা হলেও সেই টাকা তো ব্য়াংক অ্যাকাউন্টে লেনদেন হবে{ সেক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট লেনদেন পাওয়া খুব কঠিন নয়। এদিকে আমির খানের বাড়ির লোকজন তদন্তে কোনও সাহায্য করেনি বলে ইডির দাবি। কোথায় তিনি আছেন সে বিষয়েও কেউ মুখ খোলেনি।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামে অনুব্রত ঘনিষ্ট ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই একাংশের ভয়ঙ্কর দুর্নীতির অভিযোগ

এবার অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, বেআইনি বালির কারবার সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত নেতা রামকৃষ্ণ ঘোষ পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্যও। জানা যায় কয়েকজনের সাক্ষর করা একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ রামকৃষ্ণ ঘোষ।আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন ধনকুড়া গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সুভাষ মণ্ডলকে ২০১৬ র বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার কেন্দ্রের প্রার্থী করে দল। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকে দলের সভাপতির পদে রামকৃষ্ণ ঘোষকে দায়িত্ব দেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই থেকেই রামকৃষ্ণ ঘোষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়দের একাংশ।জানা যায় আউশগ্রামের কোটা অঞ্চলের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রামকৃষ্ণ ঘোষ ডেকরেটর সামগ্রীর ব্যবসা করেন। রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ সাবির হোসেনের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দায়িত্ব পরেই ঠিকাদারি, বেআইনি বালির কারবার, বেআইনি কয়লার কারবার থেকে প্রচুর টাকা রোজগার করে রামকৃষ্ণ ঘোষ। রাস্তাঘাটের টেণ্ডার ওর মাধ্যমেই পরিচালনা হয়। গ্রামে তিনতলা বাড়ি ছাড়াও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি বাড়ি তৈরি করেছে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে। আমরা আগেও রামকৃষ্ণ ঘোষের বেআইনি কারবার নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। অভিযোগ চেপে যাওয়া হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।গ্রামবাসী উত্তম আঁকুড়ে বলেন,রামকৃষ্ণ ঘোষ আগে প্যাণ্ডেলের ব্যবসা করতেন। ব্লক সভাপতি হয়ে যাওয়ার পর অনেক জমিজায়গা,বাড়ি কিনেছেন। দুমাস আগেও একটা বাড়ি কিনেছেন। পার্টির নেতা তো, বালি,কয়লা,অনেক রকম কারবার আছে। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রামকৃষ্ণ ঘোষ। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ওসব বিরোধীদের চক্রান্ত। আমার জমিজায়গা যা আছে সেগুলো আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি প্যান্ডেলের ব্যবসা করি। আমার স্ত্রী কলেজে চাকরি করেন। সেই চাকরি ২০০৮ সালে পাওয়া। আমার দাদা সায়েন্টিস্ট।আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার। ভাইয়ের নিজস্ব কারখানা আছে। আমাদের জমিজায়গা, পুকুর যা আছে তা বাপঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া।

আগস্ট ২৭, ২০২২
সম্পাদকীয়

দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় শিক্ষাক্ষেত্র, কলেজ-বিশ্ববিদ্য়ালয় স্বজন-পোষণের আঁতুরঘর!

উচ্চমাধ্যমিক, প্রাথমিক, শিক্ষাক্ষেত্রে গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি নিয়োগ নিয়ে এখন দুর্নীতির আর অভিযোগের স্তরে নেই। কিছু ক্ষেত্রে বেআইনি নিয়োগের জন্য চাকরি খোয়াতে হয়েছে। এরইমধ্যে প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসের বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মন্ডলের বিরুদ্ধে সিবিআই এফআইআর করেছে। সে এখন নিপাত্তা। কিন্তু সারা রাজ্যে আর কত রঞ্জন আছে সেটাই এখন মূল বিষয়। তাছাড়া দুর্নীতির চূড়ায় বসে থাকা কর্তা-ব্যক্তিরা তো আছেনই। তবে এটা ঠিক এখন আদালতের নির্দেশে সরকারি চাকরি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ মান্যতা পাচ্ছে। কিন্তু ৩৪ বছরের বাম আমলেও বিভিন্ন সরকারি পোষিত সংস্থায় নিয়োগে চূড়ান্ত স্বজন-পোষণের অভিযোগ রয়েছে, নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই তা-ও স্পষ্ট হবে। মোদ্দা কথা কিছু চাকরি বেআইনি ভাবেই যেন সংরক্ষিত থাকে।বর্ধমান জেলাতেও বেআইনি নিয়োগে প্রাথমিক শিক্ষকদের তালিকায় বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে। তবে বাগদার রঞ্জন-এর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই এই জেলায় তেমন কোনও ব্যক্তি আছে কীনা তা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। তদন্তকারীদের ধারনা রাজ্যের অন্যত্রও এই বেআইনি নিয়োগে অনেকেই যুক্ত থাকতে পারেন। তাঁদের হন্যে হয়ে খুঁজছে সিবিআই। সাধারণ চাকরি প্রার্থীদের বঞ্চিত করে যেভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে আম জনতা। তাহলে কী তাদের বরাতে কিছুই জুটবে না? সাধারণ ঘরে জন্ম নেওয়াটাই কী অপরাধ? ভাল চ্যানেল বা অর্থ না থাকলে শুধু যোগ্য়তা দিয়ে চাকরি জুটবে না। এ কেমন গণতান্ত্রিক দেশ!তবে শুধু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যে বিক্ষোভ দেখিয়েছে প্রার্থীরা। ছাত্র ইউনিয়নের অনেকেই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বা উচ্চপদে রয়েছে। এর আগে কিছু অভিযোগ উঠলেও তা ফাইল বন্দি হয়ে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। বাম আমলেও যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে অধিকাংশ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়ম হয়তো প্রমানিত হয়নি তবে তদন্ত হলে

জুন ১৭, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ শয়ে শয়ে ভুয়ো নিয়োগ, এসএসসিতে বড়সড় দুর্নীতি! আদালতে রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির রিপোর্ট

এসএসসি গ্রুপ সি দুর্নীতিতে শিক্ষা পর্ষদের উপাদেষ্টা-সহ কর্তাদের নাম জড়িয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। ১৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির পক্ষে আইনজীবী অরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩৮১ জনের নিয়োগে নানা দুর্নীতি রয়েছে। তার মধ্যে ২২২জন পরীক্ষায় অংশই নেননি।বিচারপতি বাগ রিপোর্টে জানিয়েছে, ৫ জনের কমিটি বেআইনিভাবে গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারিশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আদৌ তা আইনসম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বড়সড় দুর্নীতি হওয়ায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এদিন।সূত্রের খবর, বাগ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো সুপারিশপত্রের সঙ্গে জড়িয়েছেন কল্যানকুমার গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩৯১ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। ২২২ জনের কোনও প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম ছিল না। তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্টই হয়নি। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরা সুপারিশপত্র পেয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান। তাঁদের নিয়োগও করা হয়েছে।আদালত সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়, অশোককুমার সাহারা এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর পাশাপাশি আরও একাধিক নামের উল্লেখ রয়েছে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে। শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়,অশোককুমার সাহাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলায় এফআইআর করা যেতে পারে বলে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফান দুর্নীতি মামলার অডিট করবে ক্যাগ। প্রসঙ্গত , দুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল আমফানের ত্রাণে কোনও দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তার তদন্ত করবে ক্যাগ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানিয়েছিল। শুক্রবার রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সেখানে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কিশোর দত্ত বলেন, আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্যের আরও কিছু বক্তব্য রয়েছে। সেগুলো শোনা হোক। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে আর সময় দেওয়া যাবে না। রাজ্যের যদি এরপরেও কিছু বলার থাকে, তাহলে তারা সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। আরও পড়ুন ঃ আদর্শের জন্য লড়াই চলবে, সভায় জানালেন শুভেন্দু গত ১ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এক নির্দেশে জানায়, এখনও পর্যন্ত আমফান ঝড়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে ক্যাগকে তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি ক্যাগেকে সমস্ত রকমের সহযোগিতা করার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ প্রসঙ্গত, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণবণ্টন নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে, এই মর্মে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষক সংগঠন। মামলা করেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংও। গত মঙ্গলবার সবকটি মামলার একত্রে শুনানি হয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আমফানের ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্যাগ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

আমফানের দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ক্যাগকে তদন্ত করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, কাদের ত্রাণ পাওয়ার কথা অথচ পাননি, কেন পাননি, কোন প্রক্রিয়ায় ত্রাণ বিধ্বস্ত এলাকায় ত্রাণ বন্টন হয়েছিল , প্রকৃ্ত ক্ষতিগ্রস্তরা যদি ত্রাণ না পেয়ে থাকেন , তাহলে তারা কেন পাননি - এই সমস্ত বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্যাগকে। বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল নেতৃ্ত্বকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ বিজেপি সাংসদের এই ব্যাপারে মঙ্গলবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দুর্নীতি বলছেন কেন? বলুন হাইকোর্ট রিপোর্ট চেয়েছে। প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড় আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের ২০ হাজার টাকা করে সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। তবে অভিযোগ উঠেছিল ক্ষতিপূরণের সেই টাকা আসল ক্ষতিগ্রস্তদের বদলে শাসক দলের নেতা-কর্মীদের পকেটে ঢুকেছে। সেই অভিযোগেই কলকাতা হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের হয় । সেই মামলায় রাজ্য সরকারের কাছে বারবার আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের কীভাবে টাকা বণ্টন করা হচ্ছে, তা জানতে চেয়ে হলফনামা জমা দিতে বলে আদালত। তবে, রাজ্য সরকারের তরফে এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্চ্য করা হয়নি ৷ তারপরেই আজ আদালতের তরফে ক্যাগকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মোদী-শাহ ঝড়ে কাঁপবে বাংলা! তিন দিনে আধ ডজন সভা, বাড়ছে ভোটের উত্তাপ

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে রাতে রাজ্যে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী তিন দিনে দুজনের একাধিক জনসভা ও কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি জেলায় তিনটি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম সভা পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। তার পর তিনি যাবেন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। সেখান থেকে বীরভূমের সিউড়িতে তৃতীয় সভা করবেন তিনি। তিনটি সভা শেষ করে সেদিনই তিনি রাজ্য ছেড়ে চলে যাবেন।প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পরই রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন অমিত শাহ। শুক্রবার ও শনিবার টানা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে জনসভা করবেন তিনি। পাশাপাশি খড়্গপুরে একটি রোড শো-ও করবেন। শনিবার আবার বাঁকুড়ার ছাতনা ও পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে দুটি জনসভা করবেন তিনি। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দলের সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হতে পারে, যদিও তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।ভোট ঘোষণার আগে ব্রিগেডে বড় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর কোচবিহারেও সভা করেছেন তিনি। অন্যদিকে অমিত শাহও সম্প্রতি রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শাহ। সেই সময় হাজরা এলাকা জুড়ে রোড শো ঘিরে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল।এবার আবার ভোটের মুখে মোদী ও শাহের এই টানা কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে মালদহের ঘটনা, অনুপ্রবেশ, জনবিন্যাস ও এসআইআর প্রসঙ্গ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপির তরফে প্রকাশিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সব বিষয় নিয়েই সভা থেকে সরব হতে পারেন মোদী ও শাহ।ভোটের আগে এই জোড়া প্রচার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও বাড়ছে কৌতূহল। সব মিলিয়ে, ভোটের লড়াই আরও জমে উঠতে চলেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
বিদেশ

সংঘর্ষ বিরতির ঘোষণার ঘণ্টা পেরোতেই যুদ্ধ! ইরান-আমেরিকা চুক্তি প্রশ্নের মুখে

খাতায়কলমে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হলেও বাস্তবে যুদ্ধ থামল না মধ্যপ্রাচ্যে। ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশে নতুন করে হামলার খবর সামনে এসেছে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।খবর অনুযায়ী, ইরানের লাভান দ্বীপে একটি তেল শোধনাগারে আকাশপথে হামলা চালানো হয়েছে। বুধবার সকালে এই হামলার পর আগুনে জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।অন্যদিকে, কুয়েত, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ড্রোন ও মিসাইল হামলার খবর মিলেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এই হামলার দায় এখনও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি ইরান।উল্লেখ্য, বুধবার ভোরে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। দুপক্ষ জানিয়েছিল, আগামী দুসপ্তাহ আলোচনা চলবে এবং সেই সময়ের মধ্যে কোনও পক্ষই হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল।কিন্তু এই ঘোষণার অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘর্ষবিরতি খুবই নড়বড়ে ছিল। কারণ, এই চুক্তির মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে সংঘাত আবারও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে, সংঘর্ষবিরতির পরও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার বদলে আরও বেড়েছে। এখন বড় প্রশ্ন, এই সংঘাত আদৌ থামবে কি না।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

অল্পের জন্য রক্ষা অধীর! এসকর্ট গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, রিপোর্ট চাইল কমিশন

কান্দি থেকে বহরমপুর ফেরার পথে বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়ল কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর কনভয়। একটি ট্রাক এসে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। অল্পের জন্য রক্ষা পান অধীর চৌধুরী। দুর্ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন জওয়ান আহত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।বুধবার কান্দিতে নির্বাচনী প্রচার সেরে বহরমপুর ফিরছিলেন অধীর চৌধুরী। সেই সময় হঠাৎ একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁর এসকর্ট গাড়িতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার ফলে গাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে যায়। যে গাড়িতে ধাক্কা লাগে, তার ঠিক পিছনেই ছিল অধীরের গাড়ি। তাই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।দুর্ঘটনার পর কংগ্রেস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ সময়মতো পৌঁছায়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় কুড়ি মিনিট কেটে যাওয়ার পরও থানার কোনও আধিকারিক সেখানে আসেননি। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে কংগ্রেস।ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোটের আগে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বেড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগেই চাঞ্চল্য! হলদিয়ায় উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

প্রধানমন্ত্রীর সভার মাত্র একদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল এক মৃত্যুকে ঘিরে। হলদি নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। মৃতের নাম মহাদেব বিশ্বাস, বয়স প্রায় সাতচল্লিশ বছর। তাঁকে বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেছে দল। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে মহাদেবের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার তাঁর স্ত্রী নদীর পাড়ে গিয়ে প্রথম দেহটি দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে। পরে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে এলাকায়। আগামীকাল হলদিয়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভার আগে এই মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।বিজেপি নেতাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের দাবিও তুলেছেন।অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ নেই। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, মৃত ব্যক্তি মাছ ধরার কাজে বেরিয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই স্পষ্ট হবে। তাঁরা চান, ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং পরিবার বিচার পাক।এই ঘটনার পর ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১৩ বছর পর জেলমুক্তি! সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের জীবনে বড় মোড়

প্রায় ১৩ বছর পর সারদা চিটফান্ড কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সুদীপ্ত সেন সব মামলায় মুক্তির পথে। বুধবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। এর আগে অন্যান্য মামলাতেও তিনি জামিন পেয়েছিলেন। এবার রাজ্য পুলিশের হাতে থাকা শেষ দুটি মামলাতেও জামিন মেলায় তাঁর জেল থেকে বেরোনোর আর কোনও আইনি বাধা রইল না। সব কিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারই জেল থেকে ছাড়া পেতে পারেন তিনি।বর্তমানে সুদীপ্ত সেনের বয়স ৬৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি তাঁর ব্রেন স্ট্রোকও হয়েছিল, সেখান থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জানা গেছে, তিনি সর্বোচ্চ সম্ভাব্য কারাদণ্ডের সময়েরও বেশি দিন জেলে কাটিয়েছেন। তাঁর আইনজীবীর দাবি, এই দীর্ঘ কারাবাস কার্যত শাস্তিমূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে আদালত একাধিক শর্ত আরোপ করেছে। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। বারাসত থানায় নিজের স্থায়ী ঠিকানা জানাতে হবে এবং অনুমতি ছাড়া বসবাসের জায়গা বদল করা যাবে না।এছাড়া কোনও আর্থিক সংস্থা, বিনিয়োগ প্রকল্প বা মাল্টি লেভেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা তাঁর জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জনসাধারণের কাছ থেকে কোনও ধরনের অর্থ সংগ্রহ বা গ্রহণও করতে পারবেন না। মামলার সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা বা কাউকে প্রভাবিত করা কিংবা ভয় দেখানোও তাঁর জন্য নিষিদ্ধ। এই শর্তগুলির কোনওটি ভাঙলে তাঁর জামিন সঙ্গে সঙ্গে বাতিল হয়ে যাবে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
দেশ

রাত পোহালেই ভোটযুদ্ধ, তিন রাজ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে

ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। বুধবার, ৯ এপ্রিল একসঙ্গে তিন রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে (Assembly election)। অসম, কেরলম ও পুদুচেরিতে ভোট গ্রহণ হবে। ইতিমধ্যেই ইভিএম ও নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে গিয়েছে নির্বাচন কর্মীদের হাতে।তিন জায়গা মিলিয়ে মোট ২৯৬টি আসনে নির্বাচন হবে। কেরলমে ১৪০টি আসনে ভোট হবে। অসমে ১২৬টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মে (Assembly election)।কেরলমে মূল লড়াই সিপিআই(এম)-র নেতৃত্বাধীন এলডিএফ, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ এবং বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র মধ্যে। অন্যদিকে অসমে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে সরাসরি লড়াই (Assembly election)। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আবার ক্ষমতায় ফিরতে পারেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা রয়েছে। প্রায় আড়াই কোটি ভোটার এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পুদুচেরিতে ৩০টি আসনে মোট ২৯৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সেখানে প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।তিন রাজ্যের এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এখন নজর ভোটের ফলের দিকে, কার হাতে যাবে ক্ষমতা তা জানার অপেক্ষায় দেশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতা-অভিষেকের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক, নির্বাচন কমিশনে বিজেপির অভিযোগ

ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে থাকায় এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের প্রচারের বক্তব্য সেন্সর করার দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের রায়নায় এক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন, উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিজেপিকে কঠোরভাবে পরাজিত করা হবে। এরপর তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলির প্রসঙ্গ তুলে আরও কড়া মন্তব্য করেন। বিজেপির দাবি, এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে এবং হিংসাকে উসকে দিচ্ছে।বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শুধু অভিষেক নন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একাধিকবার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। এর আগেও মমতার বক্তব্য নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাঁর প্রার্থীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি সমর্থকদের সতর্ক করে বলেন, কোনও হিংসাত্মক পথে না যেতে। এই মন্তব্য নিয়েও আপত্তি জানিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি।যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এবার মমতা ও অভিষেকদুজনের বিরুদ্ধেই একসঙ্গে সেন্সরের দাবি জানিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি করেছে বিজেপি।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal