• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২১ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bjp

রাজ্য

কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা গুলিতে ঝাঁঝরা শক্তিগড়ে, গভীর রহস্য

গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া। পরে অবশ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিগড়ে দুনম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ল্যাংচার দোকানের সামনে এই শুট আউটে মৃত্যু হয় রাজু ঝায়ের। সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। গুরুতর জখম রাজুর এক সঙ্গীকে উদ্ধার করে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর সন্ধ্যায় এই গুলি চালনার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ব্যবসায়ী মহলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ সহ অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্তারা। ঘটনাস্থল ব্যারিকেড করে রেখেছে পুলিশ।বর্ধমান শহর থেকে একটু দূরে আমরায় জাতীয় সড়কের দুধারে রয়েছে ল্যাংচার একাধিক দোকান। সন্ধ্যার পর দূরদূরান্তে যাতায়াত করা গাড়ির আরোহীরা ওইসব ল্যাংচার দোকানে দাঁড়িয়ে খাওয়া দাওয়া সারেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মুখি রোডে শক্তিগড়ের একটি ল্যাংচা দোকানের সামনে দাঁড়ায় সাদা রংয়ের একটি ফরচুনা গাড়ি। ওই গাড়ির আরোহীরা, গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই নীলচে রঙের একটি চারচাকা গাড়ি সেখানে এসে দাঁড়ায়। নীলচে রঙের গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা ওই ফরচূনা গাড়ির আরোহীদের লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলি চালিয়ে নীলচে রঙের গাড়িতে চেপেই দুষ্কৃতীরা দ্রুত কলকাতা মুখি রোড ধরে পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কমপক্ষে ছয় রাউণ্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গুলিতে ফরচুনা গাড়ির চালকের পাশের সিটে বসে থাকা একজন আরোহী এবং পেছনের শিটে বসে থাকা রাজু ঝা গুলিবিদ্ধ হন। বরাত জোরে রেহাই পেয়ে যান ফরচুনা গাড়ি চালক। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা রাজু ঝাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপরজনের হাতে গুলি লাগায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি গ্যাং ওয়ারের ঘটনা হতে পারে। রাজু ঝা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া হিসেবেই দুর্গাপুরে পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন থানায় তার নামে অভিযোগ রয়েছে। সিআইডি ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতার করেছিল। ২০২১ শের বিধানসভা ভোটের আগে রাজু বিজেপিতে যোগ দেয়। বাম আমলে কয়লা পাচারে রাজু ঝায়ের হাতে খড়ি হয়। কয়লা পাচার নিয়ে এখন যে তদন্ত চালাচ্ছে তার স্ক্যানারেও রাজু ঝা ছিল বলে খবর। এমনই এক সময় রাজু ঝাকে কারা খুন করল তা নিয়ে রহস্য দানা বেড়েছে। তদন্ত নেমে পুলিশ শক্তিগড়ের ঘটনাস্থল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করার পাশাপাশি জাতীয় সড়ক ও সংলগ্ন সড়ক পথ গুলিতে নাকা চেকিং শুরু করেছে। পালসিট টোল প্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশ ক্ষতিয়ে দেখা শুরু করেছে। ফরচুনা গাড়িটি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের গাড়ি বলে জানা গিয়েছে। এদিন গাড়িটিতে যে চালক ছিল সে আব্দুল লতিফের নিয়োগ করা বলেই সূত্রের খবর। কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের সঙ্গে আব্দুল লতিফের ও এনামুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে খবর মিলেছে। গরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিবিআই এর ডাক পাওয়ার পর আব্দুল লতিফ গা-ঢাকা দেন।

এপ্রিল ০১, ২০২৩
রাজনীতি

সাগরদিঘিতে কি উলোটপূরাণ? ২১ হাজার ভোটে এগিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী

২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনের পর কোনও উপনির্বাচনে তৃণমূল ছাড়া কোনও বিরোধী দল এগিয়ে থাকেনি। এই প্রথম সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনাতেই ৫১৫ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস প্রার্থী। এখন এগিয়ে ২১ হাজার ভোটে। এখানে বামেদের সমর্থনে লড়াই করছে কংগ্রেস। এই বিধানসভা কেন্দ্রে ২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ নির্বাচনে জয় পেয়েছিল তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহা। তাঁর অকাল প্রয়াণে এখানে ভোট হয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৫০ হাজারের বেশি রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছিল। যদিও ২০১১ বিধনসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। ২০১৬-তে খুব বেশি জয়ের মার্জিন ছিল না। তবে এবার কংগ্রেস প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস এই কেন্দ্র থেকে জয় পেলে বিধানসভায় খরা কাটবে হাত শিবিরের। তবে এখনও গণনা অনেকটা বাকি রয়েছে। এখনই ফলাফল বলা যায় না।

মার্চ ০২, ২০২৩
রাজনীতি

'ক্যা ক্যা করার জন্য কাক আছে, তুমি(বিজেপি) কেন ক্যা ক্যা করছো,' কটাক্ষ মমতার

মালদায় প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল এনআরসি থেকে সিএএ প্রসঙ্গে। সংখ্যালঘু ও মতুয়াদের জন্য রাজ্য কি করেছে সে কথাও বললেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার রাজনীতি নিয়ে ভাবছে অর্থনীতি নিয়ে ভাবছে না। কেন্দ্রীয় শাসক দলটা কেন এত হিংসুটে? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংখ্যালঘুদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছে না বলেও দাবি তাঁর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখানে ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু জনসংখ্য়া আছে। সেটা তো তাদের অপরাধ নয়। তারা যদি পড়াশুনো করতে চায় আমাদের কি উচিত তাঁদের পড়াশুনার ব্যবস্থা করা। নাকি উইপোকা কামড়ালেও তাঁদের একটা এজেন্সি পাঠিয়ে গ্রেফতার করা। কোনটা কাজ? তাদের পড়াশুনা করিয়ে এগিয়ে দেওয়াটা আমাদের কাজ।ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন স্কলারশিপ কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের স্কলারশিপ অনেক বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১কোটি ২০ লক্ষ সংখ্য়ালঘু ছেলেমেয়ের ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ দিচ্ছি। শিক্ষাশ্রী তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের দিচ্ছি। ওবিসি স্কলারশিপ এবছর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ওবিসিদের জন্য তৈরি করেছি মেধাশ্রী। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, মতুয়াদের জন্য আমরা সবটা করেছি। তাঁর বক্তব্য, ভোট এলে হঠাৎ ভাত খেয়ে বলবে আমরা মতুয়ার বন্ধু হয়ে গেলাম। ক্যা ক্যা করে চিৎকার করবে, ওদের বলুন ক্যাক্যা করার জন্য কাক আছে। তুমি কেন ক্যা ক্য়া করছো? এনআরসির নামে সবাইকে জেলে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ক্যার নামে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। যতদিন মতুয়াদের বড়মা বেঁচে ছিলেন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা কে করেছিল? আমি করেছিলাম। কেউ তাকিয়ে দেখেনি। আমরা কন্য়াশ্রী কলেজ করেছি, কৃষ্ণনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্য়াম্পাস করেছি, মতুয়া বাড়ির গেট করা হয়েছে। সৌন্দর্যকরণ করা হয়েছে। কি করা হয়নি? আমি চাই আপনাদের উন্নয়ন হোক। রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্র, গরুপাচার, কয়লাপাচার নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা একাধিক তৃণমূল নেতা ও প্রশাসনিক কর্তাকে গ্রেফতার করেছে। বিজেপি চোর চোর বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্লোগানও দিচ্ছে সভা-সমাবেশ। মমতা এদিন বলেন, আমরা যদি চোর হই তোমরা ডাকাত। তোমরা কি করছ। ডাকাত, গদ্দার বলে কটাক্ষ করে মমতার অভিযোগ, পুরুলিয়ার কোটা নিজের পকেটে রেখে দিয়েছিলেন। কেন তারা চাকরি পায়নি?

জানুয়ারি ৩১, ২০২৩
রাজ্য

'মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্যৎ,' নদিয়ায় বললেন সুকান্ত মজুমদার

নদিয়ার জনসভাতে পঞ্চায়েত ভোটে লুট করতে এলে তৃণমূলকে দাওয়াই দেওয়ার কথা বললেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সভাতে বক্তব্য রাখেন বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। মিঠুনে উপস্থিতি বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন বলেন, এত ভালবাসা বিজেপির বাক্সে পড়বে কিনা। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে আমরা সবাই মিলে নতুন বাংলা তৈরি করি।এদিন রাজ্য সরকারের মদের কারবার নিয়ে কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, গত আর্থিক বছরে রাজ্যে১০,৬৬৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে। মাতাল আমাদের বর্তমান, মদ আমার ভবিষ্য়ৎ। যত দিন মদ খাওয়াবে ততদিন বোকা বানানো যাবে। এছাড়া রাজ্যে এই মুহূর্তে ঋণের বোঝা চাপতে বসেছেন ৫.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা। রাজ্যে প্রতিজনের ঋণ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বব্যাংক সহ নানা জায়গা থেকে রাজ্য ঋণ নিয়েছে। রাজ্যটাকে বিক্রি করে দিচ্ছেন।পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সুকান্তর বক্তব্য, গতবার ভোট লুট করতে এসেছিল এবার যদি ফের লুট করতে আসে দিদির ভুতকে ঘোল ঢেলে ভুত বানিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন। আর পুলিশ যদি তৃণমূল হয় তাহলে সেরকম আচরণ হবে। টিবি হাসপাতাল তৃণমূল চুরি করে নিয়েছে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৩
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়ায় গ্রেফতার তিন নাবালক, মজা পেতেই নাকি এই কান্ড

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও কুমারগঞ্জের ঢিল ছোড়ার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে ধৃত কিশোরদের জবানবন্দিতে তাজ্জব পুলিশ। আরও এক অভিযুক্ত কিশোরকে খুঁজছে পুলিশ।পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, তারা নাকি নেহাত মজার ছলেই মঙ্গলবার আপ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়েছিল। বৃহষ্পতিবার ওই তিন নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে কিষানগঞ্জের পুঠিয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ পুঠিয়া থানার অধীন নিমলা গ্রামের কাছে এনজেপিগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ে এই নাবালকের দল। রেলের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন জন ছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও একজন ছিল। তারও খোঁজ চলছে।এই ঘটনার পরেই আরপিএফের ইন্সপেক্টর অমৃত কুমার বর্মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে ঢিল ছোড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে নিয়ে আসে রেল। এরপরই পুলিশ ওই সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এইদিন বিহার পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের সময় মালিগাঁও থেকে আসা আরপিএফের ডিআইজি রাজেন্দ্র বাবু রূপ নবার, আরপিএফের কাটিহার জোনের কমান্ড্যান্ট কমল সিং ও পুঠিয়ার ওসি নিশিকান্ত কুমারও ছিলেন। কিষানগঞ্জের পুলিশ সুপার ডাঃ এমানুল হক মেগনু জানান, ধৃত তিনজনকে কিষানগঞ্জ জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়েছে।বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর থেকেই সোমবার এবং মঙ্গলবার পরপর দুদিন ট্রেন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। এনআইএ থেকে সিবিআই, সিআইডি তদন্তের দাবি উঠতে থাকে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে ঢিল ছোড়া ইস্যুতে। তৃণমূল এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র দেখে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় আবাস যোজনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

আবাস কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে আরও উত্তপ্ত হচ্ছে বঙ্গ রাজনীতি। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে শাসকদলের পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। যদিও অনেকে তাঁদের নাম কাটিয়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বিডিওর কাছে আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে এই কেলেঙ্কারি বিশদে খতিয়ে দেখতে আসছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কেন্দ্রীয় দল মূলত দুটি ভাগে পূর্ব মেদিনীপুর ও মালদা জেলা পরিদর্শন করবেন। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষে বুধবারই পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিবকে পত্র মারফত বিষয়টি জানানো হয়েছে।বাংলার গ্রামে গ্রামে আবাস দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী, সকান্ত মজুমদাররা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নালিশও জানিয়েছেন। তাঁরা দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েতমন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলও আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় কেন্দ্রীয় দল পাঠানোর মতো পদক্ষেপ আদতে মমতা সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং-য়ের লেখা চিঠিতে রাজ্যকে জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্রের দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর এবং অপরটি মালদহের আবাস যোজনার প্রাপক তালিকা খতিয়ে দেখবেন। দুটি দলেই তিনজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। পূর্ব মেদিনীপুরে যাবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার, আন্ডার সেক্রেটরি অনিল কুমার সিং এবং সিনিয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী। মালদহে পর্যালোচনা করবেন, মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় দল আসবেন। আবাস যোজনার আপডেট করা নথি ও লজিস্টিক সাপোর্ট কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের জন্য রাজ্যের তরফে ওই দুই জেলায় আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। স্বভাবতই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল, সিবিআই নয় সিআইডিতে ভরসা বিজেপি সাংসদের

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়া নিয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, বিডিও অফিসে ঢিল ছুড়ুন। তদন্তের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ বলেও মনে করেন সুভাষ সরকার।বঙ্গে প্রথম তিন দিনের যাত্রাতেই দুবার ঢিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই ঘটনায় বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়। বন্দে ভারতে দ্বিতীয়বার হামলার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নয় সিআইডি তদন্ত চাইছেন।বুধবার সুভাষ সরকার বলেন, বন্দে ভারতে দ্বিতীয় দিন হামলা হল, পরিকল্পিতভাবে পাথর ছোড়া হল। তারপরও রাজ্য সরকার ও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বক্তব্য নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উন্নয়নই কী রাজ্য প্রশাসন বরদাস্ত করতে পারছেন না? এটা স্পষ্ট করে রাজ্যবাসীকে রাজ্য সরকার তাহলে জানিয়ে দিক। না হলে চাইব, মানীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই হামলার তদন্তে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিন। আমি বলছি না এতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট যোগ্য। কোথা থেকে কারা ঢিল ফেললেন তা খুঁজে বার করুক পুলিশ। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে যেন কোনও স্বজনপোষণ রাজনীতি না হয়। রাজ্য পুলিশ সুয়োমোটো এফআইআর করুন আজকের মধ্যে, ইতিমধ্যেই দেরি হয়ে গিয়েছে, আর দেরি ঠিক হবে না।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? দিলীপের প্রশ্ন

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের পর ট্রেনে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয়বার পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তা নিয়ে চলছে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে অভিযোগ পাল্টা বক্তব্য। বুধবার দিলীপ ঘোষ বলেন, বন্দে ভারত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নীরব। তাই অনেকেই সন্দেহ করছেন, জয় শ্রীরামের বদলা পাথর ছোড়া নয় তো? কাশ্মীরে দেশপ্রেমীদের পাথর ছুঁড়ে মারা হতো। এখানে রাষ্ট্রবাদীতার প্রতীক বন্দে ভারতে পাথর মারা হচ্ছে। আমরা দেখেছি, স্টেশনে স্টেশনে কি বিপুল উন্মাদনা। ট্রেনকে স্বাগত জানানোর জন্য মানুষের সীমাহীন উৎসাহ। মানুষ এই ট্রেনকে আন্তরিকভাবে নিয়েছেন। এতে মুখ্যমন্ত্রী বোধহয় খুব কষ্ট পেয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গকে পিছন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন, জনতাকেও এগোতে দিচ্ছেন না। যারা এগোতে চাইছে, তাদের পাথর মারা হচ্ছে। বিজেপি নেতার দাবি, যাঁরা আমাদের রাজ্যকে বদনাম করছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।তৃণমূল কংগ্রেস দিদির রক্ষাকবচ নিয়ে পথে নেমে পড়েছে। বাড়ি যাবেন নেতৃত্ব{ দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও এই ধরনের ঘোষণা হয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কেউ যায়নি। সিএম জাটুয়া রায়দিঘী গিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মাছ ভাত খেয়েছিলেন। ওনার দলের কেউ ওনাকে খেতে দেয়নি। এই প্রকল্পগুলো মিডিয়াকে বলে বাজার গরম করার চেষ্টা। কারণ ওদের এখন পাবলিকের সামনে মুখ দেখানোর জো নেই।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
রাজ্য

মালদার গাজোলের সভা থেকে হুংকার শুভেন্দু অধিকারীর

বন্দে ভারত থেকে কিছুতেই ঘুচছে না রাজনীতির ছোঁয়া। নাম না করে রাজ্যের একটি দলের বিরুদ্ধে বন্দে ভারতের পাথর ছোঁড়া পার্টি বলে মালদায় তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সভা মঞ্চ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানার আইসিকে হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী । তিনি বলেন, গাজোলের আইসি সাহেব খুব মাল তুলছেন। এখনও সময় আছে সাবধান হয়ে যান, তৃণমূল দল আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। আইনের কাজ করুন। যা করছেন সব খবর আমাদের কাছে আছে।মঙ্গলবার গাজোল থানার বিএসএ ময়দানে উত্তর মালদা সাংগঠনিক জেলার কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির বিধায়ক তথা রাজ্যের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন দলের উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মন, উত্তর মালদার সাংগঠনিক সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত, দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বপ্রিয় রায় চৌধুরী প্রমূখ।এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যারা বন্দে ভারতে পাথর ছুঁড়েছে সেই পাথর ছোড়ার পার্টির দিন ঘনিয়ে এসেছে। মানুষ এর জবাব দিবে।বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চরম দুর্নীতি হচ্ছে। যাদের পাকা বাড়ি, চারচাকা গাড়ি, আড়াই একরের ওপর জমি আছে, তাদের এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকৃত গরীব মানুষেরা বঞ্চিত হয়ে একশ্রেণীর বড়লোকদের এই সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাই আমি বলছি বঞ্চিত লোকেদের নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে বিজেপি।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এরাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে ৭০ লক্ষ শৌচালায় তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও বহু গ্রামীণ এলাকায় এই সুবিধা পাননি সাধারণ মানুষ। সবেতেই দুর্নীতি। তৃণমূল একটা দুর্নীতির সরকারের পরিণত হয়েছে। এই সরকারের এখন এমন অবস্থা যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া দিয়ে দিতে গেলে মাইনে বন্ধ হবে । আর মাইনে দিতে গেলে লক্ষী ভান্ডার বন্ধ হবে। কোন কিছুই ওরা বুঝে উঠতে পারছে না কি করবে। তাই এবারে মতোই ইতি টানতে হবে এই চোর সরকারকে।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এত দুর্নীতি হয়েছে, যে ভয়ে নিজেরা প্রশাসনিকভাবে কাজ না করে খেটে খাওয়া অঙ্গনওয়াড়ি এবং আশা কর্মীদের দিয়ে সমীক্ষা করাতে বলেছে। আসলে তৃণমূল দল কিছুই করতে পারবে না। তবে এটা মনে রাখতে হবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বহু ভোট লুঠ হয়েছিল। কিন্তু এবার মানুষ বদ্ধপরিকর। ভোট এবার লুঠ হতে দেওয়া যাবে না। গাজোল তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এই বিধানসভা কেন্দ্রে বহু জায়গায় পঞ্চায়েতের ভোট লুঠ আটকে দিয়েছিল জনগণ এবং বিজেপি। ফলে বহু আসন বিজেপি পেয়েছিল। এবারে সোচ্চার হয়েছে। বন্যার টাকা নিয়েও দুর্নীতি করা হয়েছে মালদার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। একজন প্রধানও জেল খাটছে। বাকিরা ও বাদ যাবেন না।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

আলকায়দা ঢুকছে, বিদেশী জঙ্গিরা আশ্রয় পাচ্ছে বাংলায়, দিলীপ ঘোষের দাবি

বন্দে ভারতে পাথর ছোড়া নিয়ে বিতর্ক বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আগেও বলেছি, কাশ্মীর শুধরে গেছে। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাচ্ছে। দেশ বিরোধী শক্তি এরাজ্যে এতো সক্রিয়, এখানকার সরকার সেই শক্তিকে মদত দিচ্ছে। পার্লামেন্টে যখন সি এ এ পাস হল, তখন বিরোধিতা অনেক রাজ্যে হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তিনদিন ধরে উৎপাত হয়েছে। আড়াইশো কোটি টাকার সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে। যার সিংহভাগ রেলের সম্পত্তি। দেশের সম্পত্তিকে এই রাজ্যের একাংশ শত্রু সম্পত্তি মনে করতে শুরু করেছে। দেশের সংবিধানকে তারা শত্রুপক্ষের সংবিধান বলে মনে করছে। তারা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের লোক। এবং তৃণমূল কংগ্রেস তাদের পাশে আছে। একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, নুপুর শর্মার সময়ে দেখেছি। মন্দিরে সে সময় ঢিল মারা হয়েছে। দেশ বিরোধি শক্তির হাতে বাংলা চলে যাচ্ছে। ১৯৪৭ এর আগে যেরকম হয়েছিল, আবার সেই দিকে যাচ্ছে। এর সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তৃণমূলের। মমতা তাদের সহযোগিতা করছেন। পুলিস এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।বিজেপি নেতার দাবি, বর্ডার দিয়ে সিমি, জামাত আল কায়দা ঢুকছে। বিদেশী জঙ্গিরা এখানে আশ্রয় পাচ্ছে। সমস্ত গ্যাং স্টার বা সমাজবিরোধী এখানে শেল্টার পাচ্ছে, ধরা পড়ছে। এখানে দেশ বিরোধি শক্তি সহযোগিতা পায়। এখানে তাদের আধার কার্ড হয়। রেশন কার্ড হয়। দেশের অন্যত্র গিয়ে এরা বিস্ফোরণ করে। দেশ বিরোধি কাজের অনুপ্রেরণা এই রাজ্য থেকেই পাওয়া যায়।দিদির সুরক্ষা কবচ নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, দিদি বক ধার্মিক। মমতা ব্যানার্জির মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনতে হবে, এটা তো একপ্রকার বিড়ম্বনা। সারাজীবন যিনি মিথ্যা বলায় রেকর্ড করেছেন, মিথ্যা ছাড়া কিছু বলেন নি, দেশের একতা ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তিনি সত্যের কথা বলছেন, এটা সত্যিই বিড়ম্বনা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৩
রাজ্য

'সিনেমার জন্য দেব হয়েছি, রাজনীতির জন্য নয়,' মিঠুনদার সঙ্গে ফের সিনেমা করবঃ সাংসদ অভিনেতা

নন্দনে জায়গা হয়নি মিঠুন ও দেব অভিনীত সিনেমা প্রজাপতি। তা নিয়ে চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। মিঠুন বিজেপি নেতা ও দেব তথা দীপক অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের সাসংদ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি, মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি করেন বলেই নন্দনে জায়গা পায়নি প্রজাপতি। এদিকে এদিন এক সংবাদ মাধ্যমে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেব। এই প্রসঙ্গে দেব বলেছেন, আমার কাছে সিনেমা আগে। রাজনীতির জন্য নয়, আমি সিনেমার জন্য দেব হয়েছি। প্রয়োজনে হলে আবার মিঠুনকে নিয়ে সিনেমা করব।এদিন ছিল দেবের জন্ম দিন। টলিউডের অভিনেতা বলেন, প্রজাপতি মানুষ শুধু দেখছে না অন্যদের দেখতে বলছে। নন্দনে শো পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। তবে কম পয়সায় নন্দনে সিনেমা দেখতে পারতেন মানুষজন। মিঠুন আছেন বলে নন্দনে স্থান পায়নি প্রজাপতি। এই প্রসঙ্গে দেব বলেন, এরপরেও যদি স্ক্রিপ্ট আসে তাহলে ফের তাঁকে নিয়ে সিনেমা করব। আমি কোনও দিন সিনেমার মধ্যে রাজনীতি করিনি, রাজনীতিতে সিনেমা আনিনি। সিনেমা করতে গিয়ে রাজনীতির ক্ষমতা দেখায়নি। আমি ব্যালেন্স করেছি। ছবি ও সিনেমা আমার প্রথম থেকে ভাললাগা, ভালবাসা। সিনেমার জন্য আজ দেব হয়েছি। রাজনীতির জন্য নয়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
রাজ্য

'গোলগাল, নাদুস নুদুস, মেরুদণ্ড নেই, গলায় গেরুয়া উত্তরীয়' পোস্টারে ছয়লাপ বর্ধমানসহ নানা জেলা, বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়

বর্ধমান, সল্টলেক, মালদা সহ রাজ্যের নানা জায়গায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কার্টুন ছবি দিয়ে নিরুদ্দেশ সংবাদের পোস্টার পড়ায় হইচই পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সমস্ত ক্ষেত্রেই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল। বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটের পাশে বড় বড় করে পোস্টার লাগানো আছে। সেই পোস্টারে লেখা রয়েছে-নিরুদ্দেশ সংবাদ- শুভেন্দুর কার্টুন ছবি তার নীচে লেখা রয়েছে এমন কোন ব্যক্তিকে খুঁজে পেলে দ্রুত সন্ধান দিন। রূপ-দেখতে গোলগাল, নাদুস নুদুস। মেরুদণ্ড নেই। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। ঠিকানা-কাঁথি।অসুখ-ভোট এলে লাইট বন্ধ করে দেন। নিয়মিত ২০০ চিৎকার করে মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে পড়েন। অকারণ ভ্যাট বকতে ভালোবাসেন। ডিসেম্বরে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন ,তারপর লজ্জাবতী হয়ে মুখ লুকান ক্যামেরায় ঠোঙ্গা মুড়িয়ে খাম নিতে দেখা যায়।বিশেষ চিহ্ন-অভিষেক শব্দটি শুনলে দাঁত খেচিয়ে কামড়াতে আসেন। বেগম বেগম করে হেঁচকি তোলেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হলে বিরোধিতা করেন, কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে চুপ থাকেন। এই পোস্টারের নীচে লেখা রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়া ও আইটি সেল এদিন মালদা শহর জুড়ে এমনই পোস্টারকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মালদা শহরের প্রাণকেন্দ্র পোস্ট অফিস মোড়, নেতাজি মোড় এলাকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তির পাশেই নিরুদ্দেশ সংবাদ বলে শুভেন্দুর কার্টুন পোস্টার দেখা যায়।একই ধরনের পোস্টার দেখা গিয়েছে বিধান নগর স্টেশন ও সল্টলেকের করুণাময়ী, বিকাশ ভবনের সামনে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই পোস্টার তৃণমূল কংগ্রেস টাঙিয়েছে, যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব অস্বীকার করেছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

নবান্নের ১৪ তলায় অমিত-মমতা একান্তে বৈঠক, সাফাই শুভেন্দুর

একান্তে বৈঠক মানেই সেটিং গত কয়েক বছর ধরেই বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। বিজেমূল কটাক্ষের ফের সুযোগ পেয়েছে নবান্নের ১৪ তলায় অমিত শাহ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০ মিনিটের বৈঠকের পর। যদিও সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দুদলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তো এক পা এগিয়ে ওই বৈঠক নিয়ে অমিত শাহ যা তাঁকে বলেছেন তা সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন। শুভেন্দু বলেছেন, সীমান্তে বিএসএফের চৌকি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শুভেন্দু যাই বলুক না কেন মমতা-অমিতের বৈঠকের প্রকৃত নির্যাস কি তা কি সহজে প্রকাশ্যে আসবে? প্রথমত মমতা বা শাহ কেউই সাংবাদিক বৈঠক করে কিছু বলেননি। তাছাড়া দুজন শীর্ষ নেতৃত্ব একান্তে কোনও কথা বললে তা প্রকাশ্যে চলে আসবে তা ভাবার কোনও কারণ নেই।এর আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করলেই সেটিং সেটিং বলে চিৎকার জুড়ে দিত সিপিএম ও কংগ্রেস। এবার তো নবান্নে বৈঠক করলেন মমতা-শাহ। শুভেন্দু আবার ওই বৈঠকের সাফাই গাইতে অমিত শাহ কি বলেছেন তা ঘোষণা করে দিলেন। সময়ই জানান দিতে পারে আদৌ শাহ-মমতা কি আলোচনা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

২১ ডিসেম্বরের আগের দিনই দিল্লিতে শাহ-শুভেন্দু-সুকান্ত বৈঠক, নয়া কৌশল?

ডিসেম্বর ডেডলাইন দেওয়ার পর তিনটে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে নজর রাখতে বলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার মধ্যে ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর পেরিয়ে গিয়েছে। সামনে ২১ ডিসেম্বর, বুধবার।১২ ডিসেম্বর সিবিআই হেফাজতে বগটুই কান্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারপর ১৪ ডিসেম্বর আসানসোলে বিজেপির কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে তিন জনের মৃত্যু। এই অনুষ্ঠানে শুরুতে হাজির ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল অভিযোগ করে এই দুদিনের দুটি ঘটনাই কি শুভেন্দুর ডিসেম্বর ধামাকা? এবার বাকি রইল তৃতীয় তারিখ ২১ ডিসেম্বর।এদিকে ২০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন দলের রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। স্বভাবতই ২০ ডিসেম্বরের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২১ ডিসেম্বরের আগে দিল্লিতে ওই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২২
রাজনীতি

সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ জয়নগরে, প্রতিবাদ বিজেপির

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলল। গাড়ির ওপর একদলকে লাঠি উঁচিয়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি কালো পাতাকাও ছিল কারও কারও হাতে। পুলিশ কোনওরকমে সেখান থেকে সুকান্তর গাড়ি বের করে নিয়ে যায়। এরপরই রাজ্য সভাপতিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলা করেছে অভিযোগ করেছে বিজেপি।এদিন সুকান্ত মজুমদার গিয়েছিলেন জয়নগরে। সেখানে ৫ নং মন্ডলের মায়াহাউড়িতে দেখা করেন গ্রেফতার করা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। বিজেপির দাবি, এই কর্মীদের শুভেন্দুর জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সুকান্ত বলেন, আমাকে মারতে এসেছিল, গাড়ি ভাঙতে এসেছিল। আমাকে মেরে কি হবে বাংলায় হাজার হাজার সুকান্ত মজুমদার আছে। মমতা সরকারের পতন হবেই। তা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

মেমারি থেকে কাটোয়া রেল প্রকল্পের আশ্বাস দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট প্রচার শুরু বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়া'র

পঞ্চায়েত ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভা করলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বিধানসভার কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। পাশপাশি, এদিন মেমারি ২ ব্লকে সাতগেছিয়া এলাকায় একটি হিমঘরে এই পঞ্চায়েত সম্মেলন ও বিশেষ সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়।পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কর্মীরা কিভাবে কাজ করবেন, কোন কোন বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মানুষের কাছে তুলে ধরা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিনের বৈঠকে সাংসদ ছাড়াও ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা ও অন্যান্যরা।সাংসদ এস এস আলুওয়ালিয়া বলেন, মেমারি কাটোয়া ভায়া মন্তেশ্বর একটি রেল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। এই রেল লাইন চালু হলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। এই এলাকায় মানুষের উৎপাদিত ফসল সহজেই অন্যত্র পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই রেলপথ দ্রুত চালু করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু নিজেই চাইছেন তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নিজেই তাঁর বিরুদ্ধে করা সমস্ত এফআইআর-এর সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত করা হয়েছে তা খোলসা করতেই সিবিআই তদন্ত চান তিনি। অবশ্য আদালতের তত্বাবধানেই সিবিআই তদন্ত হতে হবে বলেও শর্ত আরোপ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিকে এদিনই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা উচ্চ আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শুভেন্দুর মামলাগুলি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের এফআইআরগুলি নিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন। তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও ভরসা নেই। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি তো আদালতে প্রমান করেছি কি ধরনের মামলাগুলি করেছে। আমি তো তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্য়ালেঞ্জ করছি এই মামলাগুলি সিবিআইকে ট্রান্সফার করে দিক তাহলে বুঝতে পারবে সিআইডির রাজশেখরণ, পূর্ব মেদিনীপুরের অমরনাথ ও বিনীত গোয়েলরা কিকি করেছে।এদিনই তাঁর বিরুদ্ধে করা মামলাগুলিতে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন হাইকোর্টে। শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর-এর উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার নির্দেশ, ওই মামলাগুলির নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২২
দেশ

গুজরাটে গেরুয়া ঝড়ে নয়া ইতিহাস, হিমাচলে হাতের দাপটে ঝরল পদ্ম

গুজরাটে সপ্তমবারের জন্য সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে সেখানে উড়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ১৮২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ১৫৬টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ১৭টি, আম আদমি পার্টি ৫টি আসন জয় পেয়েছে। অন্যরা পেয়েছে ৪টি আসন। এরাজ্যে এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস জয় পেয়েছিল ৭৭টি আসন। মনে করা হচ্ছে, কংগ্রেসের একটা বড় অংশের ভোট পেয়েছে আপ।হিমাচলপ্রদেশে ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৪০ আসনে। বিজেপি জয় পেয়েছে ২৫টি আসনে। অন্যরা পেয়েছে ৩টে আসন। এর আগে হিমাচলপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল বিজেপি। তবে কংগ্রেসের আশঙ্কা বিজেপি যেনতেন প্রকারেণ সরকার গঠনের প্রচেষ্টা চালাতে পারে। তাই বিধয়কদের ওপর কড়া নজর রয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের। তবে এই পাহাড়ি রাজ্যে কংগ্রেসের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিজেপি।গুজরাটে রেকর্ড জয়ের পর দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের জয়ের জন্য সেখানকার সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন, গুজরাটের মানুষ ইতিহাস তৈরি করেছে। দেশের সংকটের সময় দেশের জনতা ভরসা করে বিজেপিকে। দল সেখানে হারলেও হিমাচলের পাশে থাকবে কেন্দ্র। সেখানকার উন্নতিতে সামিল হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
দেশ

গুজরাটে বিরোধীদের দুরমুশ করে ফের ক্ষমতার দোরগোড়ায় বিজেপি, হিমাচলে হাড্ডাহাড্ডি

মরবি সেতু দুর্ঘটনার পর এভাবেও যে ক্ষমতায় আসা যায় তা হয়তো ভাবেননি স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ। ফলাফলের ট্রেন্ড দেখে বোঝাই যাচ্ছে রীতিমতো কংগ্রেসসহ বিরোধীদের ওপর যেন বুলডোজার চালিয়ে দিয়েছে। দুরমুশ করে এখনও অবধি গুজরাটে ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫১টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস মাত্র ১৯টি আসনে ও আম আদমি পার্টি ৮টি আসনে এগিরয়ে রয়েছে। অন্যরা এগিয়ে রয়েছে ৪টি আসনে। গুজরাটে নিরঙ্কুশ ভাবে এগিয়ে থাকলেও হিমাচলপ্রদেশে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এই পাহাড়ী রাজ্যের ৬৮ আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ৩৩টি আসনে, কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩১টি আসনে। এই রাজ্যে নির্দলরা এগিয়ে রয়ছে ৪টি আসনে।গুজরাটে টানা ২৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও সরকার বিরোধী কোনও হাওয়াই তুলতে পারেনি কংগ্রেস। আপ এবার সেখানে প্রথমবার লড়াই করেই আপাতত ৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে গুজরাটে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল কংগ্রেস। সেই আসন ধরে রাখা দূরের কথা, তার কাছাকাছিও এবার নেই হাতশিবির। জিগনেশ মেভানি, মহেন্দ্র সিং বাঘেলাসহ তাবড় কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব পিছিয়ে রয়েছেন। তবে হিমাচলে কখনও কংগ্রেস এগোচ্ছে কখনও বিজেপি এগিয়ে যাচ্ছে। মোদ্দা কথা হিমাচলে কে সরকার গড়বে এখনই বলা মুশকিল। কিন্তু মোদি-শাহের রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন করা শুধু সময়ের অপেক্ষা।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ...
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

জাহাঙ্গির বিতর্কে ফুঁসছে তৃণমূল! কুণাল-ঋতব্রতদের ডেকে জরুরি বৈঠক মমতার

ভোটে ভরাডুবির পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে জাহাঙ্গির খানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাকে ঘিরে দলের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। তাঁদের প্রশ্ন, দলের কঠিন সময়ে এমন আচরণের পরও কেন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।এই পরিস্থিতিতে দলের অন্দরের ক্ষোভ সামাল দিতে উদ্যোগী হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে ডেকে পাঠানো হয় কুণাল ঘোষ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। তিনজনই সেখানে উপস্থিত হন এবং দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।তবে বৈঠকের পরেও জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে মঙ্গলবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। সেদিনই জাহাঙ্গির খান ঘোষণা করেন, তিনি এই ভোটে লড়বেন না। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি তাঁর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই।কালীঘাটের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সকলকে সেই কথাই মনে করিয়ে দেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, বৈঠকে কুণাল ঘোষ নিজের ক্ষোভ স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করেন। একইভাবে প্রতিবাদের সুর চড়ান সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নাম না করেই তাঁরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। জাহাঙ্গির খানকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নেতা বলেও খোঁচা দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।কুণাল ঘোষদের বক্তব্য ছিল, শুধুমাত্র ঘরোয়া বৈঠক করে নয়, দলের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা করার সুযোগ দিতে হবে। যদিও এর আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কারও অভিযোগ থাকলে তা লিখিত আকারে জমা দিতে হবে। কিন্তু সেই বার্তায় বিশেষ কাজ হয়নি বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।মঙ্গলবারের বৈঠকে কুণাল, ঋতব্রত এবং সন্দীপনদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসার পরেই বুধবার তাঁদের আলাদা করে ডেকে পাঠান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের অন্দরের বিদ্রোহ থামাতেই এই উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

রাজনৈতিক প্রভাবে চাপা পড়েছিল অভিযোগ? অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি

রাজ্যে সরকার বদলের পর কলকাতার একাধিক নির্মাণ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ শুরু করেছে পুরনিগম। শহরের বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে পাঠানো হচ্ছে নোটিস। সেই তালিকায় উঠে এসেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নামও। তাঁর একাধিক সম্পত্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামেও। এছাড়াও শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত একটি বাড়ির ঠিকানাতেও নোটিস গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই কালীঘাট রোডে ফুটপাথ দখল করে দলীয় কার্যালয় তৈরির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ি ও অফিস নিয়েও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে থাকা কিছু সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল আগেই।পুরনিগম সূত্রে খবর, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই অতীতে এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের ফাইল চাপা পড়ে যায়। জানা গিয়েছে, অন্তত ১৫ বার বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছিল। তবে সেই সময় কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, যে কোনও অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রেই পুরনিগম নোটিস পাঠাচ্ছে। সরকারকে না জানিয়ে বা অনুমতি ছাড়া কোনও নির্মাণ করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই নোটিস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও যেতে পারে, আবার অন্য কারও কাছেও যেতে পারে।সম্প্রতি ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়িতে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে। শান্তিনিকেতন নামে পরিচিত ওই বাড়ির মালিকানা রয়েছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে। এছাড়াও কালীঘাট রোডের একটি ঠিকানায়, যা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে, সেখানেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।পুরনিগমের নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাড়িগুলির যে অংশ বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ, তা ভেঙে ফেলতে হবে। যদি তা না করা হয়, তাহলে কেন ভাঙা হবে না, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধীদের দাবি, এতদিন রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়গুলি চাপা ছিল। অন্যদিকে তৃণমূলের অন্দরে এই নোটিস নিয়ে অস্বস্তিও বাড়ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি বিতর্কে বিস্ফোরক পরিস্থিতি! মমতার রোষের মুখে ফিরহাদ

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অবৈধ অংশ ভাঙাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরও। মঙ্গলবার বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন আগে থেকে নোটিসের বিষয়টি জানানো হয়নি, তা নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও ভর্ৎসনা করেন তিনি বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে এই বিষয় নিয়ে বিস্তর চাপানউতোরও হয়।এই বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলেছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয় বা নোটিস সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না। ফিরহাদের বক্তব্য, কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করতে পারব না। কেএমসি-র বিল্ডিং বিভাগ কাকে নোটিস দেবে বা দেবে না, কোন ধারায় নোটিস পাঠানো হবে, সেটা মেয়রের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। আমাকে জানানোও বাধ্যতামূলক নয়।তিনি আরও বলেন, আমি কোনও ইজারা নিইনি। নিয়ম অনুযায়ী যা হওয়ার, সেটাই হয়েছে। পুরসভার আইন অনুযায়ী এই ধরনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পুর কমিশনারের রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেই দায়িত্বে রয়েছেন স্মিতা পাণ্ডে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও কমিশনার স্তর থেকেই নেওয়া হয়েছে।এদিকে এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, দলের মুখপাত্র হিসেবে আমরা যা মনে করি, সেটাই বলি। কিন্তু কার বাড়িতে কতগুলি নোটিস গিয়েছে বা কী নোটিস দেওয়া হয়েছে, সেটা আমাদের জানার কথা নয়। সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর আইনজীবীরাই সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে এই বিতর্কে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা করতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় আজ থেকেই চালু ‘পুশব্যাক’ আইন! অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

রাজ্যে পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি সরকার। বুধবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করা হল পুশব্যাক আইন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari জানান, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ২০২৫ সালেই রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু তৎকালীন তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। এবার বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইন চালু করা হয়েছে।শুভেন্দু অধিকারী জানান, এবার থেকে রাজ্যে ধরা পড়া অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের ফেরত পাঠানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এর ফলে দ্রুত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে সরানো সম্ভব হবে।তবে এই ঘোষণার পরেই বাংলাদেশ থেকে আসা মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তাঁদেরও কি রাজ্য ছাড়তে হবে? সেই জল্পনার জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতায় থাকা কোনও হিন্দু বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে না।শুভেন্দু বলেন, সিএএ-র আওতায় থাকা সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন। যাঁরা ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে বা বাংলায় এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনওভাবেই হেনস্তা বা আটক করতে পারবে না।একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যাঁরা সিএএ-র আওতায় পড়েন না, তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবেই দেখা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইন মেনে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। এরপর বিএসএফের মাধ্যমে বিজিবি-র সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে অনুপ্রবেশ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন আইন চালুর ফলে পরিস্থিতির বদল হবে বলেই মনে করছে রাজ্যের শাসক দল।

মে ২০, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! “ঘুরতে নয়, কাজ করতে আসব” মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

শিলিগুড়িতে পৌঁছেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে প্রণাম জানালেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari। বুধবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামার পরই তিনি জানিয়ে দেন, এবার থেকে প্রতি মাসে উত্তরবঙ্গে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে উত্তরকন্যায় বসবেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী Nisith Pramanik।উত্তরবঙ্গে পৌঁছেই শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তিনি বলেন, ঘুরতে নয়, এখানে কাজ করতে আসব। কথা কম বলব, কাজ বেশি করব। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-কেই পরোক্ষে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু।এদিন উত্তরকন্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলার বিধায়ক, পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বর্ষার আগে বন্যা, হড়পা বান, ভূমিধস, নদীভাঙনের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা, চিকিৎসা পরিষেবা, চা বাগানের সমস্যা, বেআইনি নির্মাণ, জমি দখল এবং বালি-পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের কথাও জানানো হয়েছে।বেলা ১১টার কিছু পরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই বিমানবন্দরের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ। বিমানবন্দরের বাইরে বেরিয়ে হাতজোড় করে সকলকে নমস্কার জানান তিনি। উত্তরবঙ্গে বিজেপিকে বিপুল ভোটে জেতানোর জন্য মানুষকে ধন্যবাদও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পাশে ছিলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ Raju Bista এবং নিশীথ প্রামাণিক।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উত্তরবঙ্গের পবিত্র ভূমিকে প্রণাম জানাই। ২০০৯ সাল থেকেই উত্তরবঙ্গ ও পাহাড় বিজেপিকে জায়গা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং বিজেপি যে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের ঋণ শোধ করবে সরকার।তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা উত্তরবঙ্গে আসবেন। প্রতি সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উত্তরকন্যায় বসে সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং উন্নয়নের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রশাসনিক বৈঠকের পাশাপাশি সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গেও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরকন্যাকে পুরোপুরি সক্রিয় করার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।উত্তরকন্যায় যাওয়ার আগে শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা কার্যালয়েও যান শুভেন্দু অধিকারী। পথে একাধিক জায়গায় থামে তাঁর কনভয়। গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি। ছোট শিশুদের কোলে নিতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছলে দলীয় কর্মীরা তাঁকে সংবর্ধনা জানান। সেখানে সংগঠন আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দেন শুভেন্দু।

মে ২০, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal