• ২ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bangladeshi

রাজ্য

গভীর রাতে গেট ভেঙে পালালেন বাংলাদেশী আবাসিকরা! কীভাবে ভাঙল নিরাপত্তার বলয়? তদন্তে পুলিশ

গভীর রাতে হোমের গেটের তালা ভেঙে পালিয়ে গেলেন ১০ জন আবাসিক। তাঁদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি মহিলা, ২ জন নাবালিকা এবং ১ জন এ রাজ্যের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।পুলিশ জানায়, সোমবার রাত প্রায় ১২টা নাগাদ ওই মহিলা হোম থেকে একসঙ্গে ১০ জন আবাসিক পালিয়ে যান। অভিযোগ, তাঁরা গেটের তালা ভেঙে বেরিয়ে যান। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁদের থামানো যায়নি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় মধ্যমগ্রাম থানায়। পুলিশ রাতেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে।শেষ পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গঙ্গানগর কাটাখাল এবং সংলগ্ন এলাকা থেকে ১০ জনকেই উদ্ধার করে। তাঁদের ফের হোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কীভাবে এতজন একসঙ্গে পালাতে পারলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হোমটি শুধুমাত্র মহিলা আবাসিকদের জন্য। বিদেশি নাগরিক বা সিডব্লিউসি-র মাধ্যমে পাঠানো মেয়েরাই এখানে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরেই হোমের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কয়েকজন আবাসিকের অসন্তোষ ছিল বলে খবর। সেই ক্ষোভ থেকেই পালানোর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।ঘটনা প্রসঙ্গে বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, হোম কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে তালা ভাঙা হল এবং কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।এই ঘটনায় হোমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এতজন আবাসিক একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের নজর এখন ওই হোমের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলাদেশে হিন্দু খুনের প্রতিবাদে কড়া সিদ্ধান্ত, হোটেলে ‘নো এন্ট্রি’ বাংলাদেশিদের

বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দেশজুড়ে নৈরাজ্যের আবহে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠছে। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যার পর এবার অমৃত মণ্ডল নামে আরও এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়েছে বলে খবর। প্রতিবেশী দেশের এই ঘটনায় আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারত সরকার। এবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হল সাধারণ মানুষও।বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন মালদহ ও শিলিগুড়ির হোটেল ব্যবসায়ীরা। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নো এন্ট্রি বোর্ড ঝুলবে হোটেলগুলিতে। দেশের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হোটেল মালিকেরা।হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে ঘর দেওয়া হবে না। তবে মানবিকতার কারণে যাঁরা মেডিক্যাল ভিসায় চিকিৎসার জন্য ভারতে আসছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই ছাড়ও তুলে নেওয়া হল। মেডিক্যাল ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসায় আসা বাংলাদেশিদেরও আর হোটেলে জায়গা দেওয়া হবে না।হোটেল মালিক সংগঠনগুলির দাবি, বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর নির্মম অত্যাচার চলছে এবং কিছু মহল থেকে শিলিগুড়ি করিডর ও সেভেন সিস্টার্স নিয়ে হুমকির মতো মন্তব্য করা হচ্ছে, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সেই কারণেই আর কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। শিলিগুড়ির একাধিক হোটেলে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।এই বিষয়ে হোটেল মালিক সংগঠনের এক প্রতিনিধি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সেখানে যা ঘটছে এবং যে ধরনের মন্তব্য সামনে আসছে, তার প্রতিবাদ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত। সংগঠনের অধীনে থাকা ১৮২টি হোটেল ছাড়াও আরও ৩০ থেকে ৪০টি হোটেল একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত বছরও বাংলাদেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে এবং হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠার পর কলকাতা ও শিলিগুড়ি-সহ একাধিক জায়গায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হোটেলে ঘর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার ফের সেই একই পথে হাঁটলেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫
কলকাতা

রোহিঙ্গা ভোটার নিয়ে বিজেপির দাবি ভুয়ো? কমিশনের নাম করে পাল্টা অভিষেক

অনুপ্রবেশকারী ভোটার ইস্যুতে ফের বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির তোলা অভিযোগ নির্বাচন কমিশন নিজেই খারিজ করে দিয়েছে। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ভোটার তালিকার সামারি রিভিশন বা এসএসআর প্রক্রিয়ায় সাধারণত দেড় থেকে দুই শতাংশ মৃত ভোটারের নাম বাদ যায়, এটা নতুন কিছু নয়।অভিষেকের বক্তব্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ক্লেম অ্যান্ড অবজেকশন পর্ব শেষ হওয়ার পরে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। তখনই স্পষ্ট হবে কার নাম থাকছে আর কার নাম বাদ যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি যে এক কোটি বা দেড় কোটি রোহিঙ্গা ভোটারের গল্প ছড়াচ্ছে, তা নির্বাচন কমিশনই নাকচ করে দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি সত্যিই কোথাও অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা ভোটার থাকে, বিজেপি সেই তালিকা প্রকাশ করুক। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব যাঁর হাতে, সেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁর অধীনে থাকা বিএসএফ ও সিআরপিএফ তখন কী করছিল? সীমান্তে নজরদারি যদি ঠিকমতো হয়, তা হলে এত অনুপ্রবেশ ঘটছে কীভাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।অনুপ্রবেশ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই সরব। বিজেপির দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকায় এমন ছবি সামনে এসেছে, যেখানে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। তাঁরা বিএসএফ-এর অনুমতির অপেক্ষায় ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।এই আবহেই এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেই তালিকা থেকে প্রায় ৫৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
দেশ

বাংলায় কথা বললেই বাংলাদেশি! ওড়িশায় বর্ধমানের চার যুবককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হেনস্তা

ওড়িশায় ফুলগাছের চারা বিক্রি করতে গিয়ে অপমান ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর চার যুবক। অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে তাঁদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কে পরিবারগুলি।পাণ্ডবপাড়ার বাসিন্দা সাহাবুদ্দিন শেখ, বাপন শেখ, সাগর শেখ ও শাহজাহান শেখ নিয়মিত ভিনরাজ্যে গিয়ে ফুলগাছের চারা বিক্রি করেন। এ বার ওড়িশার খুরদা রোডে পৌঁছতেই বিপত্তি। স্থানীয় কিছু লোক বাংলায় কথা বলতে শুনেই তাঁদের বাংলাদেশি বলে দাবি করে। চারজনের কাছেই বৈধ পরিচয়পত্র থাকলেও তাতে কর্ণপাত হয়নি। অভিযোগ, তাঁদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব, এমন হুমকিও দেওয়া হয়।সাহাবুদ্দিনের ভাই সিরু শেখ বলেন, পুলিশ তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানকার বিজেপি-সমর্থক কয়েকজন চেপে ধরে দাদাদের নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। প্রচণ্ড হেনস্তা করা হয়।এই খবর পূর্বস্থলী পৌঁছতেই তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় স্থানীয় থানার মাধ্যমে খুরদা রোড থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপরেই যুবকদের মুক্তি মেলে। বিধায়ক বলেন, বাঙালি দেখলেই বিজেপির নেতৃত্বে হেনস্তা করা হচ্ছে। যোগাযোগ করে ওদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে।ঘটনার পর ভিনরাজ্যে যেতে ভয় পাচ্ছেন এখানকার চারা বিক্রেতারা। নার্সারি মালিকদের বক্তব্য, ওড়িশায় ফুলের চারা ভালো বিক্রি হয়। কিন্তু এ ঘটনার পর কেউ আর যেতে রাজি নন। ফুলচাষি হেকমত আলি খাঁ বলেন, বাংলা বললেই অপমান। তাই বিজেপি-শাসিত রাজ্যে যেতে ভয় লাগছে। এতে আমাদের বড় সমস্যা তৈরি হচ্ছে।যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, অভিযোগ সত্যি কিনা তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, এমন ঘটনা সম্পর্কে কোনও তথ্য তাঁদের কাছে নেই।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
দেশ

উত্তর প্রদেশে বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা ঢোকার আশঙ্কা! রাতারাতি অ্যাকশন যোগী প্রশাসনের

উত্তর প্রদেশে যাতে কোনও বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা ঢুকতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই আরও কঠোর পদক্ষেপ নিল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কেন্দ্রীয়ভাবে ভোটার তালিকার পরিমার্জন চললেও, একই সঙ্গে রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে আলাদা নির্দেশিকা জারি করেছে প্রশাসন। কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী সব জেলার প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার সেই নির্দেশের ভিত্তিতেই জেলাস্তরে শুরু হয়েছে অভিযান।প্রশাসন জানিয়েছে, এই বাংলাদেশি উচ্ছেদ অভিযানে কোনও আবেগের জায়গা নেই। সরকারের বিবৃতিতে পরিষ্কার বলা হয়েছে, এটি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়, যেখানে কোনও ছাড় দেওয়া যাবে না। আরও জানানো হয়েছে, সংগঠিত বাংলাদেশি চক্রের খোঁজ মিলেছে এবং রাজ্যের নানা জেলায় বহু বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যেই অনেককে আটক করেছে এটিএস।তবে এখানেই অভিযান শেষ নয়। যোগী সরকারের বক্তব্য, রাজ্যের সর্বস্তর থেকে এই চক্রগুলিকে নির্মূল করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতেও কোনও অনুপ্রবেশকারী সংগঠিত হয়ে উঠতে না পারে।সম্প্রতি অনুপ্রবেশ রুখতে ডিটেনশন সেন্টার তৈরির ঘোষণাও করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। ধরা পড়লেই বিদেশি নাগরিকদের রাখা হবে এই ক্যাম্পে। এই বিষয়ে সব জেলার জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ আটকাতে নতুন করে কড়াকড়ি চালু হলেও, এসআইআর-এর কাজের ক্ষেত্রে উত্তর প্রদেশ এখনও যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছে এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

SIR-এর আতঙ্কের মাঝেই বড় স্বস্তি! নদিয়ায় বাংলাদেশি দম্পতির হাতে ভারতীয় নাগরিকত্ব

কেন্দ্র সরকার আগেই জানিয়েছিল, বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম শরণার্থী ছাড়া হিন্দু-সহ অন্যান্য ধর্মের শরণার্থীরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলে নাগরিকত্ব পাবেন। ভোটার তালিকার বিশেষ পরিমার্জন বা SIR ঘিরে যখন রাজ্য জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ, ঠিক সেই সময় নদিয়ার রানাঘাটে এক বাংলাদেশি দম্পতির হাতে এসে পৌঁছল ভারতীয় নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। তা পেয়ে স্বস্তিতে বুক ভরেছে তাঁদের।নদিয়ার তাহেরপুর থানার কামগাছি জয়পুর এলাকার বাসিন্দা লাতুরাম সিকদার ও তাঁর স্ত্রী পদ্ম সিকদার কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন। লাতুরাম বাংলাদেশের সনাতনপুরে থাকতেন, আর পদ্ম থাকতেন পন্ডিতপুর এলাকায়। কট্টরপন্থীদের অত্যাচারের ভয়ে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে নদিয়ায় চলে এসে বসবাস শুরু করেন। তাঁদের কাছে আগে থেকেই আধার কার্ড ছিল।চলতি বছরে বাংলায় SIR শুরু হলে তাঁরা চিন্তায় পড়ে যান, কারণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল না। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা Citizenship Amendment Act অনুযায়ী ক্যাম্পে গিয়ে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। তাঁরা ১০ অক্টোবর আবেদন করেছিলেন এবং ১৯ নভেম্বর হাতে পান নাগরিকত্বের শংসাপত্র।নাগরিকত্ব পেয়ে পদ্ম সিকদার বলেন, তাঁরা খুব খুশি এবং কেন্দ্র যে পদ্ধতিতে আবেদন করতে বলেছে, সকলকে সেই নিয়ম মেনে আবেদন করার অনুরোধ জানান। লাতুরাম সিকদার বলেন, তাঁরা এক কাপড়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে এসেছিলেন প্রায় ৩৫-৩৬ বছর আগে। এখানেই বড় হয়েছেন, এখানেই তাঁদের সংসার। SIR শুরু হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন, তবে কেন্দ্রীয় সরকার যে আশ্বাস দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী আবেদন করেই তাঁরা নাগরিকত্ব পেয়ে গেলেন। এখন ভোট দেওয়ার অধিকারও পেলেন তাঁরা।এই বিষয়ে রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথী চ্যাটার্জি বলেন, শুরু থেকেই তাঁরা জানিয়েছিলেন আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এই দম্পতি নাগরিকত্ব পেয়েছেন, ভবিষ্যতে যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁরাও নাগরিকত্ব পাবেন।উল্লেখ্য, এর আগেও জঙ্গি হামলায় নিহত বিতান অধিকারীর স্ত্রী ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। নদিয়ার এই দম্পতির নাগরিকত্ব পাওয়ার ঘটনায় নতুন করে আশা দেখছেন অনেক শরণার্থী পরিবার।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

২০০২ সালের মৃত ভোটারের ফর্মে নিজের নাম তুলতে গিয়ে গ্রেফতার বাংলাদেশী যুবক

হুগলির ডানকুনি পৌরসভার মাথুরডাঙি এলাকায় প্রকাশ্যে ধরা পড়ল ভোটার তালিকায় ভয়ঙ্কর গণ্ডগোলের ঘটনা। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা মৃত ব্যক্তি মহসিন খানের এনুমারেশন ফর্ম ব্যবহার করে নিজের নাম তালিকায় তুলতে চেয়েছেন বাংলাদেশি যুবক নাদিম। ২০১৫ সালে মারা যাওয়া মহসিন খানের ফর্ম নিয়েই ভোটার কার্ড বানানোর চেষ্টা এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করেন নাদিম। ঘটনার সত্যতা জেনে মহসিন খানের আত্মীয় মইদুল খান নাদিমকে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেন।বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে নাদিমকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। নাদিম দাবি করেছেন, তিনি ১৫ বছর ধরে ডানকুনিতে বসবাস করছেন। চার হাজার টাকার বিনিময়ে মৃত মহসিন খানের এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহ করে নিজে ছবি লাগিয়ে জমা দিয়েছেন। বর্তমানে পুলিশ এফআইআর দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তারা খুঁজছে, এই কেলেঙ্কারিতে আর কারা জড়িত এবং কীভাবে মৃত ব্যক্তির ভোটার কার্ড ব্যবহার করে এসআইআর তালিকায় নাম তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল।এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে রীতিমতো ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ভোটার তালিকায় অনৈতিক হস্তক্ষেপ, বিদেশি নাগরিকদের হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে ফের ভোট সংক্রান্ত এ ধরনের প্র্যাকটিস নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
দেশ

আপাতত উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ জয় হিন্দ কলোনিতে

দিল্লির বসন্তকুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনিতে উচ্ছেদ নিয়ে আন্দোলন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আপাতত বন্ধ থাকছে উচ্ছেদ অভিযান। বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, ওই এলাকায় এখন কোনও উচ্ছেদ অভিযান চালানো যাবে না। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর এই রায় স্বস্তি এনে দিয়েছে স্থানীয় বাঙালি ভাষাভাষী বাসিন্দাদের।জয় হিন্দ কলোনি মিনি বাংলা বলে পরিচিত। বহু দশক ধরে বাঙালি পরিবাররা এখানে বসবাস করছেন। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে এই এলাকাকে অবৈধ বসতি বলে চিহ্নিত করে উচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়, পানীয় জলের ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যায়। এরপরই আইনি পথের আশ্রয় নেন স্থানীয়রা। আপাতত এই এলাকার বাসিন্দারা স্বস্তিতে।

জুলাই ২৫, ২০২৫
রাজ্য

জঙ্গি সন্দেহে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত, বাংলায় স্লিপার সেলের সন্ধানে জোরদার তদন্ত

বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিমের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নওদা থেকে ধৃতদের মঙ্গলবার বহরমপুর সিজেএম আদালতে তোলা হয়। রাজ্য পুলিশের এসটিএফের পক্ষ থেকে ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক দিলওয়ার হোসেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতদের নাম সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল। ধৃতদের বিরুদ্ধে জঙ্গি যোগ সন্দেহ আরও মাত্রা পেল।বাংলাদেশে ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসতেই সীমান্তের পশ্চিমপাড়ে জঙ্গিদের স্লিপার সেলের একের পর এক সন্ধান মিলেছে। এবার এপারে জেএমবি অপেক্ষা আনসারুল্লা বাংলা টিমের দাপট অনেক বেশি।দিন কয়েক আগে আসম পুলিশ হঠাৎ হানা দেয় হরিহরপাড়ায়। হরিহরপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আব্বাস শেখ ও মিনারুল শেখ। আব্বাস শেখ স্থানীয় মসজিদের ইমাম ছিলেন। মিনারুল এলাকায় একটি খাদিজিয়া মাদ্রাসা চালাতেন। দুজনেই এবিটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাদের জেরা করে আসাম পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের এসটিএফ রবিবার রাত তিনটে নাগাদ নওদা থানার দুর্লভপুর থেকে সাজিবুল ইসলামকে ও পরে ভেলো গ্রাম থেকে মুস্তাকিম মণ্ডলকে জঙ্গিযোগ সন্দেহে আটক করে। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর দুজনকে সোমবার গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১১৩-৩/৪/৫/৬, ৬১ বিএনএস ও ১৪-সি ফরেনার অ্যাক্টে মামলা রুজু করে মঙ্গলবার আদালতে তোলা হয়। দুজনকেই ১৪ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। সাজিবুল ইসলাম ও মুস্তাকিম মণ্ডল কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। সাধারণ দুই যুবকের সঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গিযোগ রয়েছে শুনে এলাকার মানুষ হতবাক হয়ে পড়েন। পুলিশ সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ জেলায় একাধিক স্লিপার সেল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্লিপার সেল থেকে এবিটির হয়ে কাজ করছিল আব্বাস, মিনারুল, সাজিবুল, মুস্তাকিরা। সাজিবুল কেরল থেকে ধৃত শাদ রবি ওরফে সাব শেখের পিসতুতো ভাই। আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান জসিমুদ্দিন রহমাণির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। সাব শেখ বহুবার নওদায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছে বলেই তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। জেলায় বাংলাদেশি জঙ্গিদের একাধিক ডেরা থাকলেও কেন জেলা পুলিশ কিছুই জানতে পারল না। এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
কলকাতা

Arrest: পুরভোটের আগে শহরে ভিনদেশি যুবকদের আনাগোনা, আটক ২১, চলছে জোরদার তল্লাশি

পুরভোটের দোরগোড়ায় খাস কলকাতায় পাকড়াও ২১ জন বাংলাদেশি। বিনা নথিতেই কলকাতার আনন্দনগর এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন ওই বাংলাদেশিরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ২১ জন বাংলাদেশিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে, এদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিলনা।জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের লখনউ থেকে এটিএসের একটি দল কলকাতায় আসে। তাঁরা কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসামীটিকে খুঁজতে যায় আনন্দপুর এলাকায়। এটিএসের সঙ্গেই ছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। তখনই আনন্দপুর এলাকায় যৌথ অভিযান করতে গিয়ে ওই বাংলাদেশিদের খোঁজ পায় পুলিশ। সন্দেহবশত জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। বৈধ্য নথি ছাড়াই আনন্দপুরে বসবাস করছে। কীজন্য রয়েছে বাংলাদেশিরা খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। এর আগেও এইভাবে জামাত জঙ্গিদের খোঁজ খাস কলকাতায় পেয়েছিল গোয়েন্দারা। এবার আনন্দপুরের ২১ জন বাংলাদেশি পাকড়াও-এর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গি দমন শাখা এবং কলকাতা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে রবিবার আনন্দপুরের গুলশন কলোনি এলাকা থেকে মাহফুজ়ুর রহমান নামে বছর তিরিশের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তার বাড়ি বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলায়। একই সঙ্গে আটক করা হয়েছে সন্দেহভাজন আরও ১৭ জনকে।দিন কয়েক আগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গি দমন শাখার তরফে মাহফুজুরের সম্পর্কে জানানো হয় লালবাজারকে। এ-ও জানানো হয়, কলকাতায় লুকিয়ে রয়েছে সে। তার পরেই অভিযুক্তের মোবাইল টাওয়ারের অবস্থানের সূত্রে ধরে এ দিন গুলশন কলোনিতে যৌথ অভিযান চালায় উত্তরপ্রদেশ এটিএস এবং কলকাতা পুলিশের একটি দল।তদন্তকারীদের দাবি, একাধিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত মাহফুজুর। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যাতায়াত ছিল তার। তবে সে কত দিন আগে ভারতে এসেছিল, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ধৃতের সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগাযোগ আছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Bangladeshi Infiltrator: বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী যুবক গ্রেফতার ভাতারে, তদন্তে পুলিশ

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী এক যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতের নাম ওসমান আলি। তার বাড়ি বাংলাদেশের খুলনা ডিভিশনের ঝেরাইদাহ জেলার কোটচাঁদপুর থানার কাগমারি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ শনিবার বিকেলে ভাতার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে। পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়াই যুবক কিভাবে এবং কি উদ্দেশ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে তার তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিভাতার থানার ওসি প্রনব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, লাল গেঞ্জি ও নীল সাদা চেক লুঙ্গি পরিহিত ওই যুবক শনিবার বিকেলের দিকে ভাতার বাজার এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। তার কথাবার্তাও এদেশের বাসিন্দাদের মতো নয়। সন্দেহ হওয়ায় তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়। জেরায় যুবক স্বীকার করে তার বাড়ি বাংলাদেশে। সে অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছে । তারপরেই অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবক কি ভাবে ও কি উদ্দেশ্যে বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকেছে তা জানার জন্য ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ০৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

ফ্রান্সের সঙ্গে ২০টি বড় চুক্তি ভারতের! প্রতিরক্ষা থেকে প্রযুক্তি—কী থাকছে এই ঐতিহাসিক সমঝোতায়?

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তির পর আরও একটি বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিল ভারত। মঙ্গলবার ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য-সহ মোট ২০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চুক্তি করল ভারত। মুম্বইয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিক ভাবে এই চুক্তির ঘোষণা করা হয়।তিন দিনের সফরে ভারতে এসেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সোমবার গভীর রাতে মুম্বইয়ে পৌঁছন তিনি। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র সঙ্গে বৈঠকে বসেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় দেশই সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হয়েছে।এর আগে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক এআই সামিটে অংশ নেন ম্যাক্রোঁ। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার নিয়ে ভারতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। মুম্বইয়ে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, বিশ্ব বর্তমানে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারত-ফ্রান্স অংশীদারিত্ব বিশ্বে স্থিতিশীলতা আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং এই বন্ধুত্বই দুই দেশের সম্পর্কের শক্তি।অন্যদিকে ম্যাক্রোঁ বলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানো হবে। রাফালে যুদ্ধবিমান থেকে সাবমেরিনসব ক্ষেত্রেই যৌথ কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর কথায়, ফ্রান্সের সবচেয়ে বিশ্বস্ত অংশীদারদের মধ্যে ভারত অন্যতম।দুই দেশের তরফে জানানো হয়েছে, মোট ২০টি বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। তবে চুক্তিগুলির বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি ভবিষ্যতে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

গভীর রাতে গেট ভেঙে পালালেন বাংলাদেশী আবাসিকরা! কীভাবে ভাঙল নিরাপত্তার বলয়? তদন্তে পুলিশ

গভীর রাতে হোমের গেটের তালা ভেঙে পালিয়ে গেলেন ১০ জন আবাসিক। তাঁদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি মহিলা, ২ জন নাবালিকা এবং ১ জন এ রাজ্যের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।পুলিশ জানায়, সোমবার রাত প্রায় ১২টা নাগাদ ওই মহিলা হোম থেকে একসঙ্গে ১০ জন আবাসিক পালিয়ে যান। অভিযোগ, তাঁরা গেটের তালা ভেঙে বেরিয়ে যান। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁদের থামানো যায়নি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় মধ্যমগ্রাম থানায়। পুলিশ রাতেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে।শেষ পর্যন্ত মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ গঙ্গানগর কাটাখাল এবং সংলগ্ন এলাকা থেকে ১০ জনকেই উদ্ধার করে। তাঁদের ফের হোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কীভাবে এতজন একসঙ্গে পালাতে পারলেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হোমটি শুধুমাত্র মহিলা আবাসিকদের জন্য। বিদেশি নাগরিক বা সিডব্লিউসি-র মাধ্যমে পাঠানো মেয়েরাই এখানে থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরেই হোমের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কয়েকজন আবাসিকের অসন্তোষ ছিল বলে খবর। সেই ক্ষোভ থেকেই পালানোর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।ঘটনা প্রসঙ্গে বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দুর্বার বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, হোম কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কীভাবে তালা ভাঙা হল এবং কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে।এই ঘটনায় হোমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এতজন আবাসিক একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের নজর এখন ওই হোমের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ নিয়ে বড় বিস্ফোরণ! বাংলাদেশ থেকে ৫০% টাকা? শুভেন্দুর চাঞ্চল্যকর দাবি

বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। গত বছরের ৬ ডিসেম্বর তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়। মসজিদ নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানান তিনি। অনলাইন মাধ্যমেও অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়। সেই আর্থিক সাহায্য নিয়েই এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।মঙ্গলবার হুমায়ুন কবীরকে সরাসরি নিশানা করে শুভেন্দু দাবি করেন, বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার ৫০ শতাংশের বেশি এসেছে বাংলাদেশ থেকে। তাঁর অভিযোগ, শিলান্যাসের আগে সাতদিন বাংলাদেশে ছিলেন হুমায়ুন কবীর। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, তার বড় অংশ বিদেশ থেকে এসেছে।শুভেন্দুর আরও দাবি, তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস এবং নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের আগে বাংলাদেশে সময় কাটান হুমায়ুন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের জামাত এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবেই কাজ করছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, এটি দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন। হিন্দুদের পাশাপাশি রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদেরও এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।উল্লেখ্য, বাবরি মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে নতুন দল গড়েছেন হুমায়ুন কবীর। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন সেখানে একাধিক দানবাক্স রাখা হয়েছিল। সেই বাক্সে কত টাকা জমা পড়েছে, তা লাইভ ভিডিয়োর মাধ্যমে গণনা করা হয় বলে দাবি। পাশাপাশি অনলাইনেও অর্থ সংগ্রহের কথা জানান হুমায়ুন। সেই অনলাইন লেনদেন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু।এই অভিযোগের জবাবে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কিছু বলেননি হুমায়ুন কবীর। তবে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা। বেলডাঙার এই বাবরি মসজিদ ইস্যু এখন রাজ্য রাজনীতির নতুন বিতর্কে পরিণত হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

১ লক্ষের বেশি আবেদন ঝুলে, বাদ পড়ছেন হাজার হাজার ভোটার

২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রযুক্তিগত সমস্যায় ১ লক্ষের বেশি নথি আপলোড বাকি। আরও ৩৫ হাজার আবেদনকারী অযোগ্য ঘোষিত। বিস্তারিত পড়ুন।বিধানসভা ভোটের আগে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নাও হতে পারে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এই বিলম্ব হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।শুনানির সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও এখনও লক্ষাধিক আবেদনকারীর তথ্য অনলাইনে তোলা হয়নি। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২টি নথি আপলোড বাকি রয়েছে। ফলে তথ্য যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। মঙ্গলবার আরও প্রায় ৩৫ হাজার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের জমা দেওয়া নথি গ্রহণযোগ্য নয় বলেই জানানো হয়েছে।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কোচবিহারে ১০,৪৭৯টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০,২৮৫টি, উত্তর কলকাতায় ১৫,০৩১টি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২০,৭০৭টি নথি এখনও সিস্টেমে আপলোড হয়নি। হাওড়ায় বাকি রয়েছে ১০,৪৯৯টি নথি। দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি এখনও তোলা হয়নি। অন্যদিকে মালদহ, ঝাড়গ্রাম ও কালিম্পংয়ে আপলোড নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানা গিয়েছে।Election Commission of India জানিয়েছে, যে ১২টি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে, সব রাজ্যেই আপলোডের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। নতুন করে আর আপলোড করা সম্ভব নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।তবে কাদের গাফিলতিতে এত বিপুল সংখ্যক আবেদন ঝুলে রইল, তা খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। ভোটের মুখে এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সকলের নজর, আদৌ ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় কি না।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভা ভোটের আগেই বড় ঘোষণা! বাংলায় রাজ্যসভার ৫ আসনে ভোট, বদলাতে পারে সমীকরণ

বিধানসভা নির্বাচন এখনও ঘোষণা হয়নি, তবে তার আগেই বড় রাজনৈতিক ঘোষণা। Election Commission of India দেশজুড়ে রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে দিল। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রয়েছে ৫টি আসন।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৫ মার্চ। ৬ মার্চ মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি হবে। ৯ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবেন। ভোটগ্রহণ হবে ১৬ মার্চ, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সেদিনই বিকেল ৫টায় গণনা হবে।বাংলা থেকে যাঁদের রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী। এছাড়া মৌসম নুর ইস্তফা দেওয়ায় তাঁর আসনও খালি রয়েছে। বামফ্রন্টের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। ফলে মোট পাঁচটি আসনে ভোট হবে।রাজ্যসভার নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ভোট দেন না, বিধায়করা ভোট দেন। বর্তমান বিধানসভায় সংখ্যার বিচারে ৪টি আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিত। একটি আসন বিজেপির দখলে যেতে পারে। সেই হিসাবে এবার বাংলা থেকে রাজ্যসভায় বামেদের কোনও প্রতিনিধি নাও থাকতে পারেন।এখন প্রশ্ন, তৃণমূল কাদের প্রার্থী করবে? বিজেপির প্রার্থী কে হবেন? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই রাজ্যসভা নির্বাচন রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর ১৬ মার্চের দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

২০০ লিটার ডিজেল ভরা ড্রাম ফেটে তাণ্ডব! হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে শিশু

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হল চার নাবালক। রাস্তার ধারে খেলতে খেলতেই পাশে রাখা রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। আগুনে দগ্ধ হয়ে চার জনই গুরুতর আহত হয়। অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক নাবালক পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়।ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত চলা রাস্তা মেরামতির কাজে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে শুরু হওয়া সংস্কারের সময় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল ভর্তি একটি ড্রাম রাস্তার ধারে ফেলে রাখা ছিল। সেই ড্রামের কাছেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎ বিকট শব্দে ড্রামটি ফেটে যায়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় এক শিশু মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। বাকি তিনজনও দগ্ধ হয়।আহতদের নাম সাদিকুল মোল্লা, সামিউল মোল্লা, রায়হান মোল্লা এবং রিয়াজ হাসান মোল্লা। তারা সকলেই স্থানীয় খড়গাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের কলকাতার এনআ. বাঙুর পাঠানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সাদিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানতে বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াড ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাস্তা মেরামতির সময় যথাযথ নিরাপত্তা ছিল কি না এবং দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এলাকায় চরম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে না খেলার আক্ষেপ, এবার ভারতের দিকেই তাকিয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে বড় মূল্য চুকাতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। নিজেদের অনড় অবস্থানের জেরে বিশ্বমঞ্চে খেলাই হয়নি তাদের। সেই সময় বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মন্তব্য করেছিলেন, নতুন সরকার এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হতে পারে। নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার আমিনুল হক। দায়িত্ব নিয়েই তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা দিলেন।মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করেছিল বাংলাদেশ। International Cricket Council একাধিকবার আলোচনা করার চেষ্টা করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত বদলায়নি। অনেকেই মনে করেন, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়া হয়েছিল।নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল দায়িত্ব নেওয়ার পর জানান, শপথের দিনই তিনি সংসদ ভবনে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়। আমিনুল বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান চান তিনি। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বাংলাদেশ। শুধু খেলাধুলা নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও সুসম্পর্ক গড়তে চায় নতুন সরকার।আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ভারতের ক্রিকেট সফর হওয়ার কথা ছিল, যা এখন স্থগিত রয়েছে। ভারত সফর না হলে বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তা জানে বাংলাদেশ ক্রিকেট মহল। নির্বাচনের আগে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও এখন নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকেই এগোচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।আমিনুল আগের সরকারকে দায়ী করে বলেন, কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। সময়মতো আলোচনা হলে হয়তো দল বিশ্বকাপে খেলতে পারত। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ বয়কটের পর নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ক্রীড়া সম্পর্ক কোন পথে যায়, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বিদায় নিচ্ছে শীত! রাতের তাপমাত্রাও বাড়বে ২-৩ ডিগ্রি, সপ্তাহের শেষে বদলে যাবে আবহাওয়া

পশ্চিমবঙ্গে শীতের মরশুম প্রায় শেষের পথে। এতদিন দিনে তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়েছিল। সোয়েটার বা মাফলারের প্রয়োজনও কমে গিয়েছিল। তবে রাতে হালকা ঠান্ডা থাকছিল। এবার সেই রাতের ঠান্ডাও কমতে চলেছে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার জোগান কমে গিয়েছে। ফলে রোদের তেজও বাড়বে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ শক্তি বাড়াচ্ছে। এটি পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করবে। তবে এই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। সব জেলাতেই আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। উপকূলের জেলা যেমন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যে। পশ্চিমের জেলা বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে।সকালে হালকা কুয়াশা বা শিশিরের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে কুয়াশার প্রভাব কিছুটা বেশি থাকতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা কুয়াশার সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী দুদিন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুটোই কিছুটা বাড়বে। দার্জিলিং ও পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা থাকবে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। কালিম্পং ও সংলগ্ন এলাকায় ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি, মালদা ও আশপাশের জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ২৭ থেকে ৮২ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। সব মিলিয়ে শীতের আমেজ ফুরিয়ে এখন ধীরে ধীরে গরমের ইঙ্গিত স্পষ্ট হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal