তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেতা দেবকে পর্যটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ার প্রস্তাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেব ঘাড় নেড়ে সেই প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যান। রাজ্যের পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে কাজ করবেন টলি অভিনেতা।বুধবার নবান্ন সভাগৃহে ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোমোশনের বৈঠক চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেবও। হঠাৎই মুখ্যমন্ত্রী দেবকে বলেন, তুমি বাংলার অ্যাম্বাসাডর হও। দেব মাথা নাড়ে। প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান থাকছে না। বিষয়টি স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, তা নয়। শাহরুখ ব্যস্ত। তাই পর্যটনের ব্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হচ্ছে দেব। এ ব্যাপারে বিজ্ঞাপন তৈরির জন্য গৌতম ঘোষকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী দেবকে বলেন, তুমি আরও দু তিনজনকে সঙ্গে নিয়ে নাও।
রাজনীতির আঙ্গিনা ছেড়ে ঢেউ এখন টালিগঞ্জে আছড়ে পড়েছে। কখন এসএসসি দুর্নীতিতে কার ডাক আসে সেই আতঙ্কে কাঁপছে টলিউড, ঠিক অন্যদিকে জনপ্রিয় টলি অভিনেত্রী আবার মর্মাহত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের তলব না পেয়ে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে তলব করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।অন্যদিকে জাতে উঠতে না পারার দুঃখে মরমে মরছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। রবিবারের সকালে শ্রীলেখা মিত্রর সামাজিক মাধ্যমের এহেন পোস্ট দেখে ঘাবরে গেছেন তাঁর অনুরাগীরা। আচমকাই এহেন উপলবদ্ধির হেতু বুঝতে একটু সময় লাগে তাঁদের। হঠাৎ কেন এমন কথা বললেন শ্রীলেখা?নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জল গড়িয়েছে বহু দূর। কুন্তল ঘোষের বয়ানের ওপর ভিত্তি করে ডাকা হয়েছে টলি অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে। গোয়েন্দাদের ধারণা শুধু বনি সেনগুপ্ত নয়, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়াতে চলেছে টালিউডের নামি-অনামি একঝাঁক অভিনেতা-অভিনেত্রীর। মূলত যাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেছেন ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে, আগামী মঙ্গলবার আবার তাঁকে ডাকা হয়েছে। কুন্তলের অভিযোগ ছিল, বনিকে ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, শীঘ্রই টালিগঞ্জের প্রথম সারির দুই অভিনেতা ও তিন অভিনেত্রীকে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।শ্রীলেখার পোস্টে অনেকেই কটাক্ষের ইঙ্গিত পাচ্ছেন। সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে শ্রীলেখা মিত্র লেখেন, জীবনে একটা ইডি, সিবিআই-এর ডাক পেলাম না!!! রোজ়ভ্যালি থেকে কুন্তল... ছিঃ ছিঃ তিনি টলিউডের একজন স্বনামধন্যা নায়িকা হওয়া সাত্তেও যে বহু বছর ধরে যে একই কোম্পানির গাড়ি ব্যবহার (ভার্না ফ্লুইডিক) ব্যবহার করছেন, সে কথাও তিনি আক্ষেপের সাথে উল্লেখ করেছেন তাঁর পোস্টে। কয়েক বছরের অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত কুন্তলের টাকায় ল্যান্ড রোভার কেনাতেই কি শ্রীলেখার আক্ষেপ? অভিনেত্রী আরও লেখেন, আর পরের ছবির প্রযোজকের আশায়। ধুর ধুর! পতিবাদ থুরি প্রতিবাদ করছি।তাঁর প্রতিবাদ কে পতিবাদ বলার ধরনের মধ্যেই ভয়ঙ্কর শ্লেষ-র আভাস পাচ্ছেন নেটিজেনরা। বিশিষ্টজনেদের ধারণা বিদ্যজনেদের মতাদর্শ ভুলে ইস্যু ভিত্তিক প্রতিবাদকেই শ্রীলেখা হয়ত পতিবাদ বলে ব্যঙ্গ করতে চেয়েছেন।
হার কাকে বলে? পিছিয়ে যাওয়াকে, সত্যি টা মেনে না নেওয়া কে? বোধহয় তাই।কিন্তু ও তো পিছিয়ে যায়নি। বার বার সামনে এসে হাসি মুখে দেখিয়ে গেছে, দেখিয়েছে ওর এগিয়ে যাওয়া।ও তো মিথ্যের আশ্রয় নেয় নি। বার বার সবাই কে গলা চিরে চিৎকার করে বলেছে ওর সত্যিটা। বলেছে ও ভালো থাকতে চায় আমাদেরই মত।ক্যামেরার ঝলসানিতে থেমে যায়নি তো ওর পদক্ষেপ, চোখ একবার ও বন্ধ হয়ে যায়নি। একবার ও দুঃখ কে মুখের সামনে আসতে দেয়নি যাতে আমরা ভালোবাসতে ভয় না পাই। শিখিয়ে দিতে চেয়েছে চরৈবেতি মন্ত্র।ও আসলে জিতে গেছে, সবাই কে দেখিয়ে গেছে কষ্ট ,মৃত্যু, কিছুই ভালোবাসার কাছে হার মানে না। ভালোবাসার জোরে ঐন্দ্রিলারা বার বার জন্ম নিতে চায়, বার বার সত্যি কে মেনে নিতে আপস করে না। বার বার ঐন্দ্রিলারা বেঁচে থাকতে চায় সব্যসাচী দের জন্য।
মুম্বাইয়ানা হিন্দি ছবির বর্তমান প্রজন্মের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম অনুষ্কা শর্মা। তর্কাতীত ভাবেই বলিউডি নায়িকাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই আলোকিত করে থাকেন তিনি। ছায়াছবির জগতে নায়ক-নায়িকাদের শরীর সচেতনতা অনেকটা আরব্য রজনীর গল্পের মত। কেউ ২০ বছর ভাত খাননি তো কেউ আবার তেল মশালা বিহীন খাবার খেয়ে ৩০ বছর বেঁচে আছেন। বয়সকে একটা টাইম ফ্রেমর মধ্যে ধরে আখাটায় চ্যালেঞ্জ।এঁরা কেউই ডায়েটিশিয়ানের কথার অবাধ্য হননা। অনুষ্কা-ও যে শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবেন তা বলা বাহুল্য। বিরাট ঘরনি বিগত বছর ধরেই ঝুলন গোস্বামী বায়োপিক চাকদা এক্সপ্রেস নির্মানের বেশ কয়েকবার কোলকাতায় আসা যাওয়া করছেন। এর আগেও তিনি কোলকাতার সিগনেচার খাবার খেয়েছেন, অনুষ্কা আগেও জানিয়েছেন কলকাতায় এলে লোভনীয় বাঙালি খাবার থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন না একেবারেই। সেই প্রমান এবারো দিলেন। শুধু খেলেনই না সামাজিক মাধ্যমে তার আনন্দটাও ভাগ করে নিলেন পর্দার ঝুলন।ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামীর বায়োপিকের শুটিঙে কোলকাতা এসেছিলেন ১৭ অক্টোবর। রুপালি পর্দায় ঝুলন গোস্বামীকে ফুটিয়ে তোলার জন্য প্রচন্ড পরিশ্রম করছেন এই বলিউডি লাস্যময়ী নায়িকা। ১৮ অক্টোবর তাঁকে ভারতীয় জার্সী পড়ে ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেনে চাকদা এক্সপ্রেসর শুটিঙে দেখা যায়। ছবির শুটিংয়ের চাপের মধ্যেও কলকাতার খাবারের আনন্দ উপভোগ করতে ভুল করেননি। তিনি সে আনন্দ যে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, তার ঝলক-ই ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরেছেন পর্দার ঝুলন। সিটি অফ জয়ে এসে তিনি কী কী খেয়েছেন, তারই এক ঝলক ভক্তদের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন রব নে বানা দি জোড়ি নায়িকা।অনুষ্কা খাবের তালিকায় ছিল উত্তর কলকাতার বিখ্যাত পুঁটিরামের কচুরি, গিরীশ দের মালাই রোল, প্যারামাউন্টের চার রকমের সরবত, মিঠাইয়ের বেকড রসগোল্লা, হরিশ মুখার্জীর গুরুদুয়ারার পাশে বলবন্ত সিংহের কেশর চা সাথে গরম শিঙাড়া, ধর্মতলার আলিয়ার ফিরনি।শুটিংয়ের মাঝে কলকাতার বহুল পরিচিত দোকানগুলির সুস্বাদু খাবারের স্বাদ যে তিনি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন, সেই কথাই অনুষ্কা জানিয়েছেন। চিত্র বিনোদন জগতের প্রতিটি শিল্পী-ই ঘড়ির কাঁটা ধরে বিধিনিষেধ মেনে খাওয়াদাওয়া করেন। নিয়মমাফিক শরীরচর্চা। কিন্তু কলকাতায় এসে নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে যে সমস্ত লোভনীয় খাবার চেখে দেখেছেন টা সত্যি অবাক হওয়ার মত। এর সাথে তিনি ধর্মীয় পীঠস্থান বেলুড় মঠ ও কালীঘাট মন্দিরের নামও তাঁর পস্টে উল্লেখ করেছেন। অনুষ্কা কথা পড়ে নেটিজেনেদের ধারনা শুটিংয়ের মাঝে ওই দুই জায়গাতেও হয়ত ঘুরে এসেছেন তিনি।কলকাতার লোভনীয় খাবারের তালিকা লিখে ইনস্টাগ্রামে যে পোস্ট অনুষ্কা করেছেন অনুষ্কা, তাতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতার শুটিং পর্ব আপাতত শেষ হয়েছে। এখন ছবির মুক্তির অপেক্ষায় আপামর বাঙালি সহ সিনেমা প্রেমী ভারতবাসী।
রাবণরা মরে না- এই ডায়লগ টা বর্তমানে এম এন রাজের রাবণ সিনেমাতে খুবই জনপ্রিয়। এই রকম প্রতিভা চিরকাল সকলের মনের মধ্যে আলাদা জায়গা করে নেয়। তার কখনো বিলীন হয় না, যতই সেটা প্রত্যন্ত গ্রাম বা শহর হোক না কেন। সেরকম একজন প্রতিভাবান অভিনেতা হলেন অনুপ চক্রবর্তী। যার লড়াইটা শুরু হয়েছিল শিমুরালি নামক এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে। আজ অনুপ সুপারস্টার জিৎ এর রাবণ সিনেমার এক লড়াকু অভিনেতা। টালিগঞ্জে নতুন মুখ হিসেবে কয়েকবছর আগে আত্মপ্রকাশ ঘটা অনুপ এখন ভালো অভিনয় দর্শকদের সামনে তুলে ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে অনুপ চক্রবর্তীর ঝুলিতে বেশ কিছু সিনেমা রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য মন্দীপ সাহার পরিচালিত ইস্কাবন। সদ্য মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত। এছাড়া এবারের পুজোতে অশোক মন্ডল পরিচালিত সম্পর্ক সিনেমাতে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে অনুপ কে। বেশকিছু ফিল্ম এর প্রি - প্রোডাকশন এর কাজ ও চলছে পুরোদমে। প্রবল চেষ্টা, ইচ্ছা এবং ভালো কাজ করার মনোবল থাকলে তার কাছে কোনো কিছুই বাঁধা হয়ে উঠতে পারে না। তারই ছোট্ট উদাহরণ হলো শিমুরালি গ্রামের এই অনুপ। অনুপের আগামী কাজের জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।
শেরশাহ ছবির হাত ধরেই তাঁদের প্রেম শুরু। কিন্তু কয়েক মাস আগে জল্পনা উঠেছিল তাদের প্রেম নিয়ে। দুজনের বিবাহ বিচ্ছেদের খবরও প্রকাশ্যে এসেছিল। কিন্তু সব জল্পনা দূরে সরে গেল। পরিচালক করণ জোহরের সৌজন্যে এক হচ্ছেন কিয়ারা আডবানী ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তাঁর জন্মদিনের পার্টিতেই বিচ্ছেদ ভুলে একে অপরের কাছে এসেছিলেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। এবার জনসমক্ষেও ধরা দিলেন তাঁরা। ২৪ জুন বড়পর্দায় মুক্তি পাবে কিয়ারা ও বরুণ ধাওয়ান অভিনীত যুগ যুগ জিও। সেই ছবির প্রদর্শনীতে গিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। একসঙ্গে ছবি পোস্ট না করলেও, ভক্তদের সঙ্গে তাঁদের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্পর্কের কথা এখনও সর্বসমক্ষে স্বীকার করেননি তারকা জুটি। তাই বিচ্ছেদ এবং সম্পর্কে ফিরে আসার কথাও গোপন রেখেছেন। কিন্তু গোপন কথাটি শেষপর্যন্ত গোপন আর থাকল না। ছবির প্রদর্শনীতে দেখা গেছে করণ জোহরকেও। কিন্তু তারকা জুটির ছবি ভাইরাল হতেই ভক্তদের প্রশ্ন, কবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তাঁরা? আগামী ছবির কাজে দুজনেই ব্যস্ত। তার মাঝেই নাকি একসঙ্গে অবসর কাটাতে দেখা যায় তাঁদের। শোনা যাচ্ছে, শুটিং শেষে বিদেশে লম্বা ছুটি কাটাতে যাবেন দুজনে। এরপরই নাকি বিয়ের ঘোষণা করবেন কিয়ারা-সিদ্ধার্থ। তার অপেক্ষাতেই রয়েছেন ভক্তরা।
খাদ্যনালীতে ক্যানসার ধরা পড়েছিল। আর এই মারণরোগই কেড়ে নিল অভিনেতা শুভময় চ্যাটার্জির জীবন। শুভময়ের চলে যাওয়ার খবরটা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন অভিনেতা অনিন্দ্য চক্রবর্তী। শুভময়ের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে অনিন্দ্য লেখেন, চলে গেলে...... যেখানে গেলে ভালো থেকো শান্তিতে থেকো। অভিনেতা কিঞ্জল নন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, শিল্পী তুমি,,তাই হয়তো এতটা কষ্ট পেলে,,,,,অভিনেতাদের ভেতরের যুদ্ধটা,,ভেতরেই থাক,বাইরে অনেক আলো জ্বলুক,,,,যন্ত্রনা টা কমতে দিও না,,,আবার কবিতা শুনব একসাথে।উল্লেখ্য শুভময় চ্যাটার্জি মহালয়া, হরে কৃষ্ন-র মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। মহালয়া তে তার অভিনীত পঙ্কজ মল্লিকের চরিত্র দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছিল। শুভময়ের মৃত্যুতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
অভিনেতা মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের কন্যা বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী জোজো। গত ৭ মে অভিনেতা মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই অভিনেতা তাঁর অভিনয় জীবনে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। জোজো জানিয়েছেন এই খ্যাতি পেয়েও তাঁর বাবা প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেন। তবে জোজোর একটা আক্ষেপ রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বাবা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু যে সম্মান প্রাপ্য ছিল, সেইটা পাননি। সেটা ভেবে খারাপ লাগে তাঁর। গায়িকার কথায়, আসলে যে সময় তিনি পুরস্কারটা পেয়েছিলেন, তখন সংবাদমাধ্যম ততটা সক্রিয় ছিল না। বর্তমান সময়ে জাতীয় সম্মান পেলে যতটা মাতামাতি হয়, তখন সেটা ছিল না। শেষ জীবনে দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে হয়েছিল এই বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। দীর্ঘ অভিনয় কেরিয়ার, বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দায় দাপিয়ে কাজ করেছেন মৃণাল মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুর আগে অসুস্থ অবস্থাতেও নাকি শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরে যেতে চাইতেন। বাবার সঙ্গে পর্দায় একাধিক কাজও করেছেন জোজো। ২০১৯ সালের ৭ মে প্রয়াত হন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।
ফাউন্ডার অভিনেতা সন্দীপ ভট্টাচার্যের উদ্যোগে এফবিএসি আইসিসিআরে এফবিএসসির সূচনা হল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়। এখানে সুদর্শন চক্রবর্তী পারফর্ম করেন এবং গান গেয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে দেন সৌম্য শংকর রায়। উদ্যোক্তা সন্দীপ ভট্টাচার্য তার বোর্ড মেম্বার এবং তাদের সহযোগী সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাদের সঙ্গে এই পবিত্র কাজে যোগ দেয়ার জন্য। এনাদের মূল লক্ষ্য ব্যবসা সামাজিক সংস্কৃতি এক ছাতার তলায় আনা। এটাকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বললেও ভুল হবে না। যারা ব্যবসা করতে উদ্যোগী তাদের উদ্যোগ দেখে তাদেরকে সাহায্য করা আর্থিকভাবে এবং তাদেরকে ব্যবসার বিষয়ে সঠিক শিক্ষা দান করা যাতে তারা কি করে ব্যবসাটি কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে তারা ভীষণভাবে গুরুত্ব দিয়েছে। শুধু ব্যবসাই না সামাজিক কাজ বলতে মানুষকে শুধু টাকা দিয়ে না সমস্ত দিক থেকে সমস্ত রকম ভাবে কিভাবে সাহায্য করতে যাওয়া যায় তা খতিয়ে দেখা এবং তাদেরকে সমাজে স্বাবলম্বী করে তোলা। আরেকটি মূল বিষয় আমাদের সমাজের একটি বড় অংশ সংস্কৃতি, অর্থাৎ শিল্পীদের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরি করে দেওয়া যেহেতু সন্দীপ ভট্টাচার্য নিজে একজন শিল্পী। তাই শিল্পীদের সমাজের উন্নতি কিভাবে ঘটানো যায় এবং একজন শিল্পী হিসাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এই সমাজে তার ধারণা রয়েছে সন্দীপের। তার এই ধারণা তিনি সমাজের ছোট থেকে বড় সমস্ত শিল্পীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায়। তাদের একটি মূলমন্ত্র আমি বলে কিছু হয়না এখানে আমি বলতে এখানে আমরা। এর অর্থ হলো আমরা চাইলে সমাজের অনেক কিছু বদলাতে পারি একা কিছু করা যায় না। ব্যবসা, সামাজিক কাজ এবং সংস্কৃতিকে একসূত্রে গাঁথার উদ্দেশ্য নিয়ে সমাজের মধ্যে এক নতুন রকম ঐক্য গড়ে তোলার পরিকল্পনা তারা করেছেন।
অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর পরিবার অর্থাৎ বচ্চন পরিবারকে নিয়ে আলোচনা কম হয় না। বচ্চন পরিবারের আভিজাত্য নিয়ে চর্চা হয় নিয়মিত। কিন্তু তাদেরই একসময় অনেক অর্থকষ্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে অভিষেক বচ্চন নিজে সেই যন্ত্রণার কথা শোনালেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক জানান, তিনি তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, চলচ্চিত্র নিয়ে পড়াশোনা করছেন তখন হঠাৎই জানতে পারেন বাড়ির আর্থিক অবস্থা শোচনীয়। দুবেলা খাবার জোটাতে নাজেহাল হতে হচ্ছে তাঁর বাবাকে। সেই পরিস্থিতিতে অভিষেকের পড়াশোনা করার ইচ্ছাটাই চলে যায় বিগ বি-কে বলেন, বাবা, আমি চলে আসছি। তোমার পাশে থাকতে চাই। তুমি নিজেকে একা মনে কোরো না, আমি আছি।অমিতাভ আপত্তি করলেও বাবার পাশে দাঁড়াতে দেশে ফিরে আসেন অভিষেক। অর্থনৈতিকভাবে বাবাকে সাহায্য না করতে পারলেও মানসিকভাবে তাঁর পাশে দাঁড়ান।
অ্যাফাসিয়া রোগের শিকার হলিউড অভিনেতা ব্রুস উইলিস। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৬৭ বছর বয়সি এই অভিনেতা। সম্প্রতি তাঁর পরিবার সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি বিবৃতি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সেই বিবৃতিতে লেখা, ব্রুস সম্প্রতি অ্যাফাসিয়া রোগের শিকার হয়েছেন। শরীরে নান রকম জটিলতা দেখা যাওয়ায় সঙ্গে কথা বলতে অসুবিধে হচ্ছে।তার ফলে তিনি অভিনয় পেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। আমাদের পরিবারের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত কঠিন। আপনাদের সকলের ভালবাসা প্রয়োজন। আমরা জানি, ব্রুসের জন্য তাঁর অনুরাগীরা কতখানি গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্রুস আপনাদের কতটা প্রিয়। তাই, সবাইকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হল।সাধারণত, অ্যাফাসিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঠিকভাবে শব্দ উচ্চারণে এবং কথা বলতে অসুবিধে হয়। লেখার ক্ষেত্রেও তাদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু অভিনেতাদের অভিনয় করতে হয় কথা বলেই। সম্প্রতি অভিনয় করতে গিয়ে ব্রুসও এই সমস্যার সম্মুখীন হন। এর পরেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হল তাঁকে।
মাঝেমধ্যেই তাকে মেজাজ হারাতে দেখা যায়। রিয়্যালিটি শোয়ে সঞ্চালনা করতে গিয়ে প্রতিযোগীদেরই তুলোধোনা করেন তিনি। সেই সলমন খানের মুখে এবার অন্য কথা শোনা গেল। সলমন খান এবার অস্কারের চড়-কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলিউডের ভাইজান বলেন, সঞ্চালক হিসেবে সব সময় সংবেদনশীল হতে হবে। মজার কথাগুলি যাতে রুচিসম্মত হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্রূপ। মেজাজ হারিয়ে অস্কারের মঞ্চেই সঞ্চালক ক্রিস রককে চড় কষিয়েছেন অভিনেতা উইল স্মিথ। অভিনয়ের পাশাপাশি এক দশকের বেশি সময় ধরে সঞ্চালনা করছেন সলমন। বলিউডের ভাইজান নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বললেন, আমি দশ কা দম, বিগ বস এবং আরও অন্যান্য অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেছি। কেউ কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলে আমি উত্তেজিত হয়ে পড়ি। এমনকি বিগ বস-এও পর্দার পিছনে কেউ বাড়াবাড়ি করলে, আমি রেগে যাই। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরুণ ধাওয়ান। সলমনের সঙ্গে সহমত অভিনেতার কথায়, মানুষ সহজেই অসন্তুষ্ট হয়ে যান। একজন সঞ্চালককে সতর্ক থাকতে হবে। বিগ বস-এ চতুর্থ সিজনে সঞ্চালনার পরেই পাকাপাকি ভাবে তাঁকে চেয়েছিলেন নির্মাতারা। এর পর দুএকটি বাদে প্রায় সব সিজনেই দেখা গিয়েছে তাঁকে। সঞ্চালনায় যে দর্শকদের মন জিতে নিয়েছেন সলমন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
ওগো নিরুপমা ধারাবাহিকে হ্যারির চরিত্রে অভিনয় করে সকলের মন জয় করেছিলেন অভিনেতা অনুজিৎ সরকার। কিন্তু এই ধারাবাহিক শেষ হওয়ার পর তার জীবন অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যায়। ডাক পাচ্ছিলেন না কোনো মেগা থেকে। ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তার লেখনীর মাধ্যমে। খারাপ সময় দিয়ে যেতে যেতে অবশেষে অনুজিতের কাছে ভালো খবর এসেছে। সদ্য স্টার জলসায় আলতা ফড়িং ধারাবাহিকে নেগেটিভ চরিত্রে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। নিজের চরিত্র নিয়ে জনতার কথা কে অনুজিৎ জানালেন, আমি বেসিক্যালি একজন গুন্ডা যে ফড়িং-এর বাবার হয়ে কাজ করে। ফড়িং এর বাবা নির্মল আমাকে কাজে লাগিয়েছেন। আমার পরিচয়টা বর্তমানে গোপন আছে। হয়তো ভবিষ্যতে রিভিল করা হবে যে আমি বেসিক্যালি কে। আমার কাজ হচ্ছে ফড়িং ও তার মা কে কিডন্যাপ করে আটকে রাখা। এটা ক্যামিও ক্যারেক্টার বলতে পারো। তবে কতদিনের ট্র্যাক সেটা সিরিয়ালের ওপর নির্ভর করছে।
৯৪তম অ্যাকাডেমি পুরস্কারের মঞ্চ কাঁপিয়ে দিল সপাটে একটি চড়! স্ত্রীকে নিয়ে চটুল রসিকতার শাস্তি হিসেবে সোজাসুজি সঞ্চালক কমেডিয়ান ক্রিস রককে চড় মেরেছেন স্মিথ।অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে সঞ্চালক ক্রিস নানা ধরনের রসিকতা করছিলেন। তার মধ্যেই একটি রসিকতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন স্মিথের স্ত্রী জা়ডা পিঙ্কেট। ক্রিস বলেন, জি আই জেন-এর সিক্যুয়েলের অপেক্ষায় রয়েছি আমি। এতে বেজায় চটে যান স্মিথ। নিজের আসন ছেড়ে সটান উঠে দাঁড়িয়ে সোজা উঠে যান মঞ্চে। তার পরেই চড় মারেন ক্রিসকে!VIA JAPANESE TELEVISION: The uncensored exchange between Will Smith and Chris Rock pic.twitter.com/j0Z184ZyXa Timothy Burke (@bubbaprog) March 28, 2022রাগ কমেনি তার পরেও। নিজের আসনে ফিরে ফের চিৎকার করে ওঠেন স্মিথ। বলেন, তোমার (নোংরা) কথা থেকে আমার স্ত্রীকে দূরে রাখো। ২০১৬-তেও সঞ্চালনার সময়ে পিঙ্কেটকে নিয়ে রসিকতা করেছিলেন ক্রিস। এ বারও বোঝাতে যান, রসিকতাই করছিলেন তিনি। তার পরেও চিৎকার করে তাঁকে একই কথাই বলেন স্মিথ।১৯৯৭ সালের ছবি জি আই জেন-এ নায়িকার চরিত্রে অভিনেত্রীর মাথায় চুল কম থাকা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। স্মিথের স্ত্রী জাডার মাথাতেও চুল কম থাকায় সম্ভবত রসিকতা করে তাঁকে জি আই জেন ২-এর নায়িকা হিসেবে ইঙ্গিত করেন ক্রিস। বাস্তবে অ্যালোপেশিয়া নামে একটি রোগে আক্রান্ত উইল স্মিথের ঘরনি। এই রোগের শিকার হলে মাথার চুল পড়ে যায়। অসুস্থতা ,নিয়ে রসিকতা করাতেই মেজাজ হারান উইল স্মিথ।
প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। গত দু-তিন দিন ধরে পেটের সমস্যা ভুগছিলেন তিনি। বুধবার রিয়েলিটি শো-তে তিনি অংশও নিয়েছিলেন। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত ১টায় বাড়িতে মারা যান তিনি। অভিনেতার অকালপ্রয়াণে অভিনেত্রী তৃণা জানিয়েছেন, পর্দায় যেরকম অভিষেক দা আমার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করছেন। সেরকম বাস্তবেও আমার বাবা মতোই ছিল অভিষেক দা। গত দুই দিন আগে শ্যুটিংয়ে এসে অসুস্থ হয়ে পরেছিল। তারপর বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে ফোন করে আমি খুব বকাবকি করেছিলাম। কারণ অভিষেক দা নিজের স্বাস্থ্যের একদম খেয়াল রাখত না। তাই প্রচুর বকলাম। এরপর এত তাড়াতাড়ি যে অভিষেক দা আমাদের সকলকে ছেড়ে চলে যাবে আমি ভাবতেই পারিনি। অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন, মিঠুদা এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।কত কিছু মনে পড়ছে।কত ছবি, কত কথা। কেন হাসপাতালে গেলেনা? অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানারজি অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ভালো থেকো মিঠুদা।বিদিপ্তা চক্রবর্তী লিখেছেন, বলার কোনও ভাষা নেই। তোমার সঙ্গে কাটানো সময়গুলো মনে থাকবে আমাদের। শান্তিতে থেকো মিঠুদা। খড়কুটো ধারাবাহিকের অভিনেত্রী সোনাল মিশ্র ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, লাইফমিঠু দা। অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলি লিখেছেন, শান্তিতে ঘুমিও মিঠু দা। তোমার সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। অনেক স্মৃতি, অনেক শিক্ষা। মানতে পারছিনা গো। ভালো থেকো যেখানেই থেকো। অভিনেত্রী মালবিকা সেন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, আমি ভাবতেই পারছি না। এটা কি হল? কেন হল? স্টার জলসার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা হয়েছে, স্টার জলসার পক্ষ থেকে প্রয়াত অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।
প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন টলিউডের এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ টলিউড। জানা গেছে বুধবার শুটিং থেকে বাড়ি ফিরেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। বারবার বমি হচ্ছিল। পরিস্থিতি অবনতি হলেও হাসপাতালে যেতে চাননি তিনি। রাত ১ টায় মারা যান তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে সকালে। ১৯৮৬ সালে পথভোলা ছবি দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবনের শুরু। প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এরপর বেশ কয়েকবছর গ্যাপ নিয়েছিলেন। ফিরে এসে ছোটপর্দার বেশ কিছু ধারাবাহিকে দেখা গেছে তাঁকে। সিনেমার মতো ধারাবাহিকেও তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। সম্প্রতি স্টার জলসার খড়কুটো ধারাবাহিকে গুনগুনের বাবার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন। ২০২১ সালে তিনটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন অভিষেক।
ক্লিক ওটিটি এ শুটিং শেষ হয়ে এবার রিলিজ হবে এপ্রিল মাসে মিল্কি ওয়েস ফিল্মস দ্বারা প্রযোজিত, কৌশিক গাঙ্গুলী অভিনীত এবং সাগ্নিক চ্যাটার্জী (সমু) পরিচালিত ওয়েব সিরিজ প্র্যাঙ্কেনস্টাইন। বিপজ্জনক এবং বেপরোয়া প্র্যাংক ভিডিও তৈরি করে প্র্যাংকস্টার গ্রুপ প্র্যাঙ্কেনস্টাইনের আজ ভারত জোড়া নামডাক। এই ভাইরাল গ্রুপের মুকুটে সিলভার এবং গোল্ড প্লে বাটনের পরে সম্প্রতি জুড়ে গেল একটি নতুন পালক। এবছর মুম্বই শহরে সংঘটিত হতে চলা ইউটিউব ফ্যানফেস্টে তারা আমন্ত্রিত হয়েছে। সেই আনন্দ সেলিব্রেট করতে তারা কলকাতার উপকণ্ঠের কোনো শতাধিক বছর প্রাচীন রাজবাড়িতে রাত কাটানোর উদ্দেশ্যে গিয়ে উপস্থিত হয়। উদযাপন চলাকালীন মদ ফুরিয়ে যাওয়ায় দলের দুই পুরুষ সদস্য রুবেন এবং ভিকি মদ কিনতে রাজবাড়ির বাইরে বেরোয়। রাজবাড়িতে থেকে যায় দলের দুটি মেয়ে, শিরিন এবং আরু। মদ কিনে ফিরে আসার পর ঘরে ঢুকে ভিতরের দৃশ্য দেখে ছেলেদুটি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়। তারা দেখে, তাদের বান্ধবীরা জবুথবু হয়ে ঘরের এক কোণে বসে আছে, এবং তাদের থেকে একটু দূরে চেয়ারে আরাম করে বসে আছে এক অদ্ভুৎ দর্শন প্রৌঢ়, যাকে দেখতে নিতান্তই ছা-পোষা নিরীহ মধ্যবিত্ত বাঙালির মত, কিন্তু তার হাতে উদ্যত ৯এমএম পিস্তল। লোকটির আচরণে যেন মধু ঝরে পড়ে, কিন্তু তার এই বাড়িতে আগমণের কারণ শুনে চারটি ছেলেমেয়ের বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। প্রৌঢ় নিজেকে এই প্র্যাংকস্টার গ্রুপের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত বলে দাবি করে এবং তাদের সামনে একটি অদ্ভুৎ প্রস্তাব রাখে। প্রৌঢ়র প্ল্যান মাফিক একটি প্র্যাংক সেই রাতেই তাদের সংঘটিত করতে হবে। তবেই তাদের মুক্তি মিলবে প্রৌঢ়র হাত থেকে। নইলে অঘটন অবশ্যম্ভাবী। তারা বোঝে, এই প্রৌঢ় উন্মাদ। তার ওপর তার হাতে রয়েছে উদ্যত আগ্নেয়াস্ত্র। অগত্যা উপায়ান্তর না দেখে রুবেন, শিরিন এবং ভিকি বেরিয়ে পড়ে প্রৌঢ়র ইচ্ছাপূরণের উদ্দেশ্যে। আর এদিকে আরু জামিন হিসেবে রাজবাড়িতেই প্রৌঢ়র হাতে বন্দী থাকে।কিন্তু বিধি বাম। প্রৌঢ়র নির্দেশে প্র্যাংক করতে গিয়ে ঘটে যায় এক নিষ্পাপ মানুষের মৃত্যু। প্রচন্ড আতঙ্কিত হয়ে প্রৌঢ়র কাছে ফেরৎ গিয়ে তাদের আরো বড় ধাক্কা লাগে, যখন তারা প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে করা অনিচ্ছাকৃত হত্যার ছবি দেখতে পায়। তারা বোঝে, তারা প্রৌঢ়র পাতা জালে ফেঁসে গেছে। পালাবার রাস্তা নেই। প্রৌঢ় তাদের বলে, একটি সফল প্র্যাংক না করে তাদের মুক্তি নেই। যত বড় অঘটনই ঘটুক, প্র্যাংক তাদের করতেই হবে। অগত্যা তারা বেরিয়ে পড়ে তাদের সেই রাতের দ্বিতীয় প্র্যাংকের লক্ষ্যে। কিন্তু ভাগ্য এবারও বিরূপ। ঘটে যায় আরেকটি অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু। যথারীতি এবারও তারা ফিরে গিয়ে প্রৌঢ়র ল্যাপটপে তাদের খানিক আগে ঘটিয়ে আসা অঘটনের ছবি দেখে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। পর পর দুটি মৃত্যু ঘটিয়ে ফেলার পর, এবার প্রৌঢ় তাদের এক ভয়ানক প্র্যাংকের দিকে এগিয়ে দেয়, যা সরাসরি তাদের জন্য প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। তারা কি মুক্তি পাবে এই রহস্যময় উন্মাদ প্রৌঢ়র হাত থেকে? নাকি তাদের জন্য অদ্যই শেষ রজনী?
নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির ভাঙতে বসা সংসার কি জুড়তে চলেছে? বলিপাড়ায় এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাটা সত্যি না ও হতে পারে। গত বছর দুই সন্তানকে নিয়ে দুবাইয়ে চলে গিয়েছিলেন নওয়াজের স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকি। সেখানেই পাকাপাকি ভাবে থাকার পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু এবার মত বদলে ছেলেমেয়েকে নিয়ে ফিরে এসেছেন মুম্বইয়ে। সেখানে ইয়ারি রোডে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকছেন তিনি। তবে এখনই নওয়াজ তাঁদের সঙ্গে থাকবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।২০২০ সালে নওয়াজ এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন আলিয়া। জানিয়েছিলেন, স্বামী কোনও দিন গায়ে হাত না তুললেও তাঁর ভাই শামাশ সিদ্দিকির কাছে প্রহৃত হয়েছিলেন তিনি। এর পর যদিও নওয়াজের সঙ্গে সব কিছু মিটমাট করে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে তেমন কিছু হওয়ার আগেই দুবাইয়ে উড়ে যান দুই সন্তানকে নিয়ে। সেই সময়ে করোনার কারণে ভারতে স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ ছিল না। তাই তাদের নিয়ে বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আলিয়া। ব্যস্ত নওয়াজের পক্ষে পরিবারকে দেখতে ঘনঘন দুবাই যাওয়া প্রায় অসম্ভব। আলিয়ার কথায়, আমার দুই সন্তান এবং নওয়াজের পক্ষে দুবাইয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ ছিল না। ওদের নিজের দেশের কথা মনে পড়ছিল। এর পরেই মুম্বইয়ে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অংশু বাচ এবং শিভা ক্রিয়েশন এর উদ্যোগে ১৩ মার্চ হতে চলেছে কলকাতা সুপার ৫০ এর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। মোট ৮টি টিম এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে একটা টিমের সদস্যরা বাংলা টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র জগতের মানুষদের নিয়ে তৈরি৷ এছাড়া বাকি দলগুলিতে শিক্ষা, ক্রীড়া, রাজনীতি, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা থাকবেন। কলকাতা সুপার ৫০ তে অংশগ্রহণ করেছেন বনি সেনগুপ্ত, জয়দীপ মুখার্জি, অংশু, রাজীব, জয়ী, সেলিব্রিটি ফটোগ্রাফার সুদীপ্ত চন্দ্র, সায়ন মুখার্জি, লিগাল কারিকুলাম এর প্রতিষ্ঠাতা প্রান্তিক চক্রবর্তী সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিশেষ কারণ এই টুর্নামেন্টে একইসঙ্গে খেলবেন ছেলেরা এবং মেয়েরা৷ মহিলা টিমের নেতৃত্বে প্রিয়াঙ্কা রায়, যিনি আন্তর্জাতিক স্তরে বিশ্বকাপে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।এটা ৫০ বলের টুর্নামেন্ট। সাধারণত ক্রিকেট খেলায় একটি ওভারে ৬ টি বল হয়। কিন্তু এই খেলায় ৫ বলের ওভার হবে। পেশাদার মহিলা টিম নেওয়া হয়েছে। সিসিএল এর বেঙ্গল টিমের কোচ সুশীল স্যার কলকাতা সুপার ৫০ এর অন্যতম সদস্য। বিভিন্ন নামী সংস্থা এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের এর স্পনসর। ওয়াও মোমো, ওয়াও চায়না, আশা অডিও, ফিভার এফ এম এদের মধ্যে অন্যতম। আয়োজক অংশু জানিয়েছেন, তিনি এবং তাঁর দাদা শিবা প্রত্যেক বছরই এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন। বছরের শুরুতেই টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা থাকলেও কোভিডের কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। বহুদিন পরে সকলে একসঙ্গে খেলতে খেলতে কিছু আনন্দ উদযাপনের সুযোগ হবে। ক্রিকেট টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ দেওয়া হবে দুঃস্থ শিশুদের কল্যাণে এবং পথকুকুরদের দেখভালের জন্য।
দেব মানেই টলিউডের সেনশেসন। তাঁর হাঁটা-চলা এক্সপ্রেশন ফলো করেন কিশোর থেকে যুবারা। কিশোরী থেকে পড়ন্ত যৌবনা তাঁর প্রেমে মসগুল। তাদের অনেকেরই হার্টথ্রব হলেন দেব। এই মুহুর্তে টলিউডের সবচেয়ে আলোচিত অবিবাহিত যুবক। দীর্ঘ অভিনয়ের জীবনে এরকম অনেক প্রেমের প্রস্তাব এসেছে। তাঁর প্রেম ও জীবনসঙ্গী নিয়ে গসিপের শেষ নেই সে মিমি থেকে শুরু করে নবাগতা রক্মনী... মাঝে নদী দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। সেই দেব কে এবার একটু অন্য ভাবে পাওয়া গেল। কর্ম ব্যস্ত জীবনের বাইরে বিদেশে ফ্রি টাইম কাটাচ্ছেন তিনি।🎣 pic.twitter.com/O5m9m6szL4 Dev (@idevadhikari) March 8, 2022সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটো ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানে একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে দেব মাছ ধরছেন। আর একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে মাছ ধরার পর হাসিমুখে সেই মাছ নিয়ে দাঁড়িয়ে তিনি। আর এই হাসিমুখের ছবি অনেক মহিলার মন জিতে নিয়েছে। কমেন্ট বস্কে একাধিক কমেন্ট ও এসেছে।একজন ফ্যান লিখেছেন, এই হাসিটা দেখার পর আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। আবার একজনের কমেন্ট, টাকা দিয়েও এই হাসি কেনা যাবে না। একজনের আবার ছবিটা এতটাই ভালো লেগেছে যে তিনি লিখেছেন, যদি দাঁত দেখে ক্রাশ খাওয়ার কোনও প্রতিযোগিতা হয় তাহলে আমিই জয়ী হব। কেউ আবার লিখেছেন মাছটা তাঁর মতোই সুন্দর।আবার অনেক বক্রোক্তি -ও এসেছে, অনেকেই বলেছেন এই ছবিটা কারসাজি করা, পিছনের ভদ্রলোকটি কি করে জলের ওপর দাঁড়িয়ে?, কেউ কেউ আবার মাছটিকে গ্রামবাংলার অতি সাধারণ একটি মাছ তেলাপিয়া র সাথেও তুলনা করে লিখেছেন, তেলাপিয়া ধরতে এত দূর যাবার কি দরকার। ছবিটি যে ভাইরাল হয়েছে তা নিয়ে কারোর সন্দেহ নেই। সামাজিক মাধ্যমে দেব জানিয়েছেন মাছটি ধরে তিনি জলেই ছেড়ে দিয়েছেন। এর থেকে তাঁর নম্র মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। সামজিক মাধ্যমে তাঁর ফলোয়াররা একটা জিনিস নিয়ে খুবই কৌতূহলী, সেটা হল তাঁর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ক্যাপসান এমনি। অনেকটা সেই বিখ্যাত বিজ্ঞাপন আমি তো এমনি এমনি খায়......।আসলে দেব তো তাই। রাজনীতি ও তাঁর কেরিয়ার কে কোনও ভাবেই তিনি মেলাতে দেননি। কঠিন সময়ের মধ্যে একদিকে তাঁর ছবি টনিক যেমন লটারি জিতে নেয়, তাঁর ছবি হাউসফুল থাকে বেশ কয়েক সপ্তাহ তেমনই প্রফেশনের বাইরে মানুষ দেব পুরো আলাদা।সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোস্ট করা ছবিগুলোও ব্যতিক্রমী। এবারও মাছ ধরতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে সকলের মন জিতে নিলেন।