• ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vaccine

দেশ

Vaccine: চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!

উপসর্গযুক্ত কোভিডের ক্ষেত্রে ৭৭.৮ শতাংশ কার্যকরী কোভ্যাক্সিন। চূড়ান্ত পর্বের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষে শনিবার এমনই দাবি করেছে এই টিকার প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারত বায়োটেক।তাদের আরও দাবি, করোনার ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে কোভ্যাক্সিন ৬৫.২ শতাংশ কার্যকরী। উপসর্গহীন কোভিডের ক্ষেত্রে এই টিকা কার্যকরী ৬৩.৬ শতাংশ।আরও পড়ুনঃ সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধাটিকা কতটা নিরাপদ তারও একটা তথ্য তুলে ধরেছে ভারত বায়োটেক। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, এই টিকা ব্যবহারের পর সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হার ১২ শতাংশ। ০.৫ শতাংশেরও কম ক্ষেত্রে গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংস্থার দাবি, যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে তা অন্যান্য কোভিড টিকার তুলনায় খুবই কম। বিশ্বের ১৬টি দেশে জরুরি ভিত্তিতে এই টিকা প্রয়োগের ছাড়পত্র পেয়েছে ভারত বায়োটেক। তার মধ্যে ভারত ছাড়াও রয়েছে ব্রাজিল, মেক্সিকো, ইরান, ফিলিপিন্সের মতো দেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি ভিত্তিতে টিকা প্রয়োগের তালিকায় কোভ্যাক্সিনকে অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে দাবি ভারত বায়োটেকের।দেশে যে দুটি টিকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে সেরাম ইনস্টিটিউট এবং অক্সফোর্ডের তৈরি কোভিশিল্ড এবং হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক-এর কোভ্যাক্সিন। এবার কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ হওয়াতে এই টিকার ব্যবহার বাড়বে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

Devanjan Dev's Bodyguard: দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি! তদন্ত চায় তৃণমূল

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ভূয়ো টিকাকাণ্ডে আরও ছবি থাকতে পারে। থাকলে তা শীঘ্রই প্রকাশ পাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভূয়ো করোনা টিকাকরণে অভিযুক্ত ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি প্রকাশ্য আনল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় ওই ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার কাছে যেত খাম ও সঙ্গে উপহার? তাও তদন্তকারী দলকে খতিয়ে দেখতে বলবে তৃণমূল কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন সুখেন্দুবাবু। আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনবৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্যর দুটি ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দেখানো একটি ছবিতে অরবিন্দকে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের সঙ্গে, আরেকটি ছবিতে অরবিন্দ রাজ্য জগদীপ ধনকরের পরিবারের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, এই অরবিন্দ দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মী। তিনি কী করে রাজ্যপালের ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পারেন। ওই ছবিতে সবাই রয়েছেন হাসিমুখে। তাঁদের পিছনেই অরবিন্দ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি শুধু ছবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। সুখেন্দুবাবু বলেন, এই নিরাপত্তা কর্মীর মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম যেত, যেত কিছু উপহারও। ইতিমধ্যে ভূয়ো টিকার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল দেবাঞ্জন দেবের। এবার রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর ছবি সামনে আনায় বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশসুখেন্দুশেখর বলেন, রাজভবনে যিনি আলোকিত করে বসে আছেন তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীকে। তদন্তকারী সংস্থার গোচরে আনতে চাই বিষয়টা। আমরা চাই সমস্ত তথ্য উঠে আসুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকাকাণ্ডের সঙ্গে মানুষকে যাঁরা অসুবিধায় ফেলতে চেয়েছেন তিনি যত গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন রেহাই পাবেন না। এই ছবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। জৈন ডায়েরির পাতায় জগদীপ ধনকড়ের নাম ছিল এদিনও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যপাল পদে যোগ দেওয়ার পর থকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে জগদীপ ধনকরের। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তৃণমূল নেতার দাবি, সুরেন্দ্র জৈন হাওলাকাণ্ডের মাথা ছিলেন। পরশু দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে আর তারপর ৪৮ ঘণ্টা নীরব রয়েছেন রাজ্যপাল। জমি কেলেঙ্কারিতেও তিনি জড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, এত দুর্নীতির অভিযোগ কোনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ছিল না। এমন অভিযুক্ত লোককে রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয়। অবিলম্বে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। এবিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পাশাপাশি দুই সংসদে আইন অনুযায়ী পন্থা নেব।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Vaccine: কেন্দ্রের ছা‌ড়পত্র পেল মডার্নার ভ্যাকসিন

খুব শীঘ্রই আরও এক কোভিড ভ্যাকসিন আসছে দেশীয় বাজারে। জরুরি পরিস্থিতি ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র মডার্নার (Moderna Vaccine) টিকাকে। এদিকে এই ভ্যাকসিন আমদানি ও সরবরাহের জন্য ডিসিজিআইয়ের ছাড়পত্র চেয়েছিল ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা সিপলা (Cipla)। মঙ্গলবার দুপুরে সেই ছাড়পত্র দিল DCGI। আরও পড়ুনঃ রাস্তার ধারের বহুমূল্য গাছ বিক্রি করার অভিযোগ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধেসম্প্রতি দেশে-বিদেশি টিকার ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে কেন্দ্র সরকার। জানানো হয়েছে, কোনও বিদেশি টিকা আমেরিকার মতো দেশে জরুরি অবস্থার জন্য ছাড়পত্র পেয়ে থাকলে তারা এদেশে ট্রায়াল ছাড়াই ছাড়পত্রে পেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে প্রথম ১০০ জন টিকাগ্রহীতার তথ্য জমা করতে হবে সরকারের কাছে। কেন্দ্রের এই শর্তকে হাতিয়ার করেই ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছিল সিপলা। তাদের সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে বলেই খবর।উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন আগেই জানিয়েছে কোভ্যাক্স প্রকল্পে মডার্নার বেশকিছু টিকা পেতে পারে ভারত। ইতিমধ্যে করোনার বিরুদ্ধে ৯০ শতাংশ কার্যকর এই টিকা। শুধু কোভ্যাক্স প্রকল্পের জন্যই নয়, এবার সরাসরি সংস্থার কাছ থেকে টিকা আমদানি করবে কেন্দ্র। জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে এই টিকা।

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccine: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে দেবাঞ্জনকে জঙ্গিদের থেকেও ভয়ঙ্কর বললেন মুখ্যমন্ত্রী

কসবার ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে (Kasba Fake Vaccine Case) ধৃত দেবাঞ্জন দেবকে জঙ্গির থেকেও ভয়ংকর বলে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রথমবার ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি নিয়ে বিজেপির খোঁচারও জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রাপ্তদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষজ্ঞ কমিটি খেয়াল রাখছে বলেও জানান তিনি।নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, এত বড় সাহস। এত ঔদ্ধত্য হয় কী করে? সাধারণ মানুষ, সহজ সরল মানুষদের অনেকে চিটফান্ডের নামেও বোকা বানায়। কিছু মানুষ দেখতে সুন্দর, সেজে গুজে থাকে। প্রতারণা করে। তাদের আমি মানুষ বলে মনে করিনা। অমানুষ বলেও মনে করিনা। এদের সমাজে থাকার কোনও যৌক্তিকতা নেই। মানুষের জীবন নিয়ে যারা খেলে তারা জঙ্গিদের থেকেও ভয়ংকর। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যারা সাহায্য করেছে সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল ভ্যাকসিন-কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের (Debanjan Deb) সঙ্গে রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP)। তা নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলে নেয়। বিমানে দূর থেকে বসেও ছবি তুলে নেয়। ছবি দেখিয়ে কিছু হবে না। ফটোশপ করে কোনও লাভ নেই। ছবি তুলে কাজে লাগায় প্রতারকরা। এরা ঠগবাজ মনে রাখতে হবে। এছাড়া কোন এলাকায় কে কী ব্যবসা চালাচ্ছে সেদিকে পুলিশ এবং পুর কর্তৃপক্ষকে নজর রাখার কথাও বলেছেন তিনি। যাঁরা কসবায় ভুয়ো টিকা নিয়েছেন তাঁদের স্বাস্থ্যের দিকে স্বাস্থ্যদপ্তরের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটি নজর রাখছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে বামেদের বিক্ষোভে উত্তাল পুরসভা চত্বর

কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (Kasba Fake Vaccine Case) প্রতিবাদে বামেদের বিক্ষোভ ঘিরে কলকাতা পুরসভার সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন তাঁরা। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বাম কর্মী-সমর্থকরা। গ্রেপ্তার করা হয় বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলিট সিনেমা হলের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল বামেদের। সেখানেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। তবে সেই বাধা উপেক্ষা করে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) দিকে এগোতে থাকেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই বাধা দেয় পুলিশ। তার ফলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বাম (Left Front) কর্মী-সমর্থকরা। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, পুরসভার ভিতরে ঢুকে কমিশনারের হাতে স্মারকলিপি জমা দেবেন। তবে দাবিপূরণ না হওয়ায় কলকাতা পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল বাম কর্মী-সমর্থকরা। খবর পাওয়মাত্রই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভ হঠানোর চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিতে অনড়। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, আগাম অনুমতি না থাকায় বাম কর্মী-সমর্থকদের স্মারকলিপি জমা দিতে পুরসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্যভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

Vaccination: বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচি

রাজ্যে ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে যখন সরগরম চারিদিক, সেই সময়ই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অনুমোদন নিয়েই বৃহত্তর স্বার্থে এক টিকাকরণ অভিযানের আয়োজন করেছে বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতাল। লিভার ফাউন্ডেশন ও কোভিড কেয়ার নেটওয়ার্কের উদ্যোগে এই অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালটি গড়ে তোলা হয়েছে। মূলত, সত্তরোর্ধ্ব শারীরিকভাবে অক্ষমদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে এই টিকাকরণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জেলা নোডাল তথাগত পাল জনতার কথাকে জানান, ভ্যাকসিন অ্যাকসেস ইনিশিয়েটিভ নামক এই কর্মসূচিতে প্রথম পর্যায়ে সত্তরোর্ধ্ব ও শারীরিকভাবে দুর্বলদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর বিশেষজ্ঞরা যখন তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নেওয়ার আবেদন করছেন চিকিৎসকরা। সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে এখনও এমন অনেক বয়স্ক মানুষ রয়েছেন যাঁরা করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেননি। অথবা লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এইসব মানুষের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর দ্বারাই সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালানো হবে বলেও জানা গিয়েছে। প্রয়োজনীয় সবরকম সরকারি অনুমোদন নিয়েই এই অভিযানে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তথাগত পাল। সংস্থার তরফে তথাগত পাল বলেন, এই বিরাট কর্মকান্ড চালাতে অনেক মানুষের সাহায্য অর্থের প্রয়োজন। বহু বিশিষ্ট সহৃদয় মানুষ এগিয়ে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাঁদের প্রত্যেককে আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সাধারণ মানুষ আমাদের এই কর্ম কান্ডে সাহায্য করলে কর্মসূচি সার্বিক ভাবে সাফল্যে পাবে।সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইচ্ছুকরা সংশ্লিষ্ট ফোন নম্বরে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন।(৯৮৮৩৮৩২৫১২ / ৭০০১৯০৬৮২৭ / ৮৯৬৭০০০৪২৮)

জুন ২৬, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
বিদেশ

Sputnik V : রাশিয়া ও চীনের তৈরি টীকা আনুমোদন দিতে নারাজ ইউরোপীয় ইউনিয়ন

রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি কোভিড-১৯ টিকা কখনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদন পাবে না বলে জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি। শুক্রবার তিনি চীনের তৈরী সিনোভাক জাব এর অনুমদনের বিষয়েও বিশেষ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।ব্রাসেলসে দ্রাঘি বলেছেন, স্পুটনিক-ভি এখনও পর্যন্ত অনুমোদন পায়নি। সম্ভবত কখনও ইএমএ (ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সি) এর অনুমোদন তারা পাবে না। তিনি আরও জানান, চীনা ভ্যাকসিন সিনোভাক জাব যথোপযুক্ত নয় বলে ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। চিলির অভিজ্ঞতার দিকে নজর দিলেই তা বোঝা যাবে।আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় নিষিদ্ধ একধিক ইরানি ওয়েবসাইটচিলি, চীনা সিনোভাক জাবের উপর নির্ভর করে তাদের টিকাকরণ অভিযানে বিরাট জোর দিয়েছিল। এই মুহুর্তে তাঁদের ধারণা চীনের তৈরি টীকা করোনার নতুন স্টেন থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হবে। সেকারণে নতুন স্টেনের বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়াতে এখন তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা বিবেচনা করছে।চীন ও রাশিয়ার তৈরি টীকা স্পুটনিক ভি এবং সিনোভাক উভয় ভ্যাকসিনই ইএমএ -র রোলিং রিভিউ ওপর নির্ভর করে আছে। আশা করা যাচ্ছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেতে আরও এক ধাপ পরীক্ষার সামনে পড়তে হবে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে সাম্প্রতিক যথেষ্ট বিভ্রান্তি চলছে, এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে ইএমএ-কে আরও শক্তিশালী এবং সংস্কারের প্রয়োজন ছিল।আরও পড়ুনঃ দেশের বাকি বড় শহরকে পিছনে ফেলে সুরাট এবং ইন্দোর সেরার সেরাতিনি ইএমএ এবং জাতীয় ঔষধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির মধ্যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সুরক্ষার বিষয়ে আরও আলোচনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। দুদিন ব্যাপী ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ সম্মেলনের শেষে দ্রাঘি তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাষ্ট্র নেতাদের সাথে করোনা ভাইরাসের অতিমারি প্রতিরোধ বিষয়ে একটি সাধারণ আলোচনা ছিল। এই অতিমারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি, আমরা এখনও এ থেকে বের হতে পারিনি। ইতালিয়ান নেতা ব্রিটেনে আরও ভয়ঙ্কর সংক্রমণযোগ্য ডেল্টা রূপটি ছড়িয়ে পড়ার দিকটিকেও ইঙ্গিত করেন।আরও পড়ুনঃ বিনামূল্যে ৫৫০ জনকে টীকাকরণ অটোমোবাইল সংস্থারএক বিবৃতিতে ইতালির জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা (আইএসএস) বলেছে যে, জুন মাস অবধি ইতালিতে করোনার যে স্টেন দেখা গিয়েছে তার ৭৪.৮ % আলফা। এবং একই সময়ে, ডেল্টা স্টেনেরও খোঁজ পাওয়া গেছে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৬.৮%, মে মাসে যা ছিলো মাত্র ৪.২%।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Taltola Statue: টিকা বিতর্কে ভাঙা হল রবীন্দ্রনাথের মূর্তি থেকে দেবাঞ্জনের নামের ফলক

ভুয়ো টিকা-কাণ্ড নিয়ে বিতর্কের জেরে তালতলায় রবীন্দ্রমূর্তির ফলক তুলে ফেলা হল। রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ওই ফলকে নাম ছিল অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের। নামের পাশে পরিচয় হিসেবে লেখা ছিল, তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুগ্মসচিব। দেবাঞ্জনের একের পর এক কীর্তি সামনে আসার পরই ওই ফলকে নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে তাঁর নাম থাকা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তাতেই শুক্রবার বিকেলে ফলকটি তুলে ফেলা হয়।আরও পড়ুনঃ ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশেদেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে যখন তোলপাড়, শুক্রবার সেই সময় তালতলায় রবীন্দ্রমূর্তির পাদদেশে হাজির হন এলাকার লোকজন। প্রথমে হাতুড়ি, ছেনি দিয়ে মূর্তির নীচ থেকে ফলকটি তুলে নেওয়া হয়। তার পর হাতুড়ি দিয়ে সেটি টুকরো টুকরো ভেঙে ফেলেন এক ব্যক্তি। শেষে বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয় ভাঙা টুকরোগুলো। তালতলার ত্রিপুরা শঙ্করসেন শাস্ত্রী স্মৃতি গ্রন্থাগারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সেখানে যাতায়াত ছিল দেবাঞ্জনের। অন্যদের মতো তাঁরাও প্রতারণার শিকার।কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ এবং ইন্দ্রাণী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তদারকিতেই ফলকটি সরিয়ে ফেলা হল। তাঁরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের দিন রাজ্যের কোনও মন্ত্রী-বিধায়ক সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি নিয়ে নজরদারি রাখা উচিত ছিল বলে স্বীকার করলেও, অতীনের দাবি, মূর্তি উন্মোচনে তাঁকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি।যদিও এই ফলক সরানো নিয়েও বিজেপি-র থেকে কটাক্ষ উড়ে এসেছে। রাজ্যে দলের মিডিয়া সেলের প্রধান সপ্তর্ষি চৌধুরীর অভিযোগ, স্থানীয় সাংসদ, বিধায়ক, মন্ত্রী তথা প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে ওই ফলকে উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল টিকা কেলেঙ্কারির নায়কের। ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে আসছে, তাই ফলক ভেঙে প্রমাণ লোপাট করা হচ্ছে বলে দাবি সপ্তর্ষির।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: আতঙ্কিত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের সুরক্ষার আবেদন

কোভিড আবহে ভ্যাকসিনের আকাল এমনিতেই প্রকট সাধারণ মানুষদের জন্য। কিন্তু করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে সমাজের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের জন্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা করেছে। প্রথমসারির যোদ্ধাদের প্রথমে ভ্যাকসিন দেওয়াকেই প্রাধান্য দিয়ে এসেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। চিকিৎসক, নার্স, চিকিৎসাকর্মী, সাংবাদিকদের প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসার সঙ্গেই যুক্ত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের জন্য ভ্যাকসিনের কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি কেন্দ্র, রাজ্য বা ওষুধ কোম্পানিগুলোর তরফে। এই কঠিন সময়ে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎকদের কাছে ওষুধ জোগানের ব্যবস্থা করে গিয়েছে। কিন্তু তাঁদেরই সুরক্ষা এখন অবহেলিত। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ২১ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা যায়। পরিসংখ্যান অনুসারে রাজ্যে মোট ১০ হাজার মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ রয়েছেন। যার মধ্যে বর্ধমান শহরেই রয়েছেন প্রায় ২ হাজার জন। যাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। এখানে উল্লেখ্য বর্তমানে সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে ওই বয়সিদের টিকাকরণ বন্ধ আছে, এবং টিকার সরবরাহের অপ্রতুলাতার জন্য সাধারন ভাবে টিকা পাওয়াও প্রায় দুষ্কর হয়ে উঠেছে। তারা কবে টিকা পাবেন জানেন না, কিন্তু এই মহামারি কালেই তাদের নিত্যদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসকদের সাথে সাক্ষাত করতে অসুরক্ষিত অবস্থাতেই বাড়ি থেকে বেরোতে হচ্ছে। বর্ধমানে ২ জন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের মৃত্যু হয়েছে করোনা সংক্রমিত হয়ে। মৃতদের নাম সন্তু দত্ত (ফার্মেড) ও অনিমেশ প্রসাদ রায়।রাজ্যে যাতে আর কোনও মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের অকাল মৃত্যু না হয়, সেজন্য জেলাশাসকের ও জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে আবেদন জানিয়েছে ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিক্যাল অ্যান্ড সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউনিয়ন। ইউনিয়নের জেলা সম্পাদক ও রাজ্য কমিটির সদস্য কৌশিক ব্যানার্জি জানান, অবিলম্বে এই মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করুক সরকার ও ওষুধ সংস্থা। কৌশিক ব্যানার্জি আরও জানান যে জেলার বিভিন্ন বাজার কমিটি উদ্যোগ নিয়ে এলাকার দোকানদার, হকার এবং তাদের পরিবারদেরও টিকার ব্যবস্থা করছেন সেখানে তাঁরাই ব্রাত্য। তাঁর বক্তব্য, আমরা যে কাজ করি সেটা জরুরী পরিসেবার আওতায় নেই, এটা রাজ্য কর্মচারি অ্যাক্ট-এর আওতায় পরে, সেই কারনেই কি আমাদের টিকার অগ্রাধিকার নেই? তাই যদি হয় তাহলে কোম্পানিগুলিও আমাদের বাধ্য করতে পারে না অতিমারিকালে কাজ করাতে। বর্ধমান শহরে কর্মরত মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ সন্দীপন মণ্ডল বলেন, আমাদের কাজে বেরতে কোনও সমস্যা নেই এবং আমরা যথারীতি দায়িত্ব পালন করে চলেছি। আমাদের শুধু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে একটাই আবেদন আমাদের ও পরিবারের কথা ভেবে পরিসেবাকে জরুরি পরিসেবার মর্যাদা দিয়ে দ্রুত টিকাকরণের ব্যবস্থা করুক সরকার।

জুন ১৩, ২০২১
দেশ

G-7: বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন মন্ত্র ‘এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য’

করোনা (Coronavirus) নামক মহামারি গোটা বিশ্বকে শিখিয়ে দিয়েছে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে একত্রিত হওয়াটা জরুরি। বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশগুলির সংঠন জি-সেভেনের বৈঠক থেকে সেই বার্তাই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার রাতের ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্র এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য। অর্থাৎ, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রেও এদিন বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্ববোধের পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে পেটেন্ট প্রত্যাহারের আর্জি জানান মোদি (Narendra Modi)।Participated in the @G7 Summit session on Health. Thanked partners for the support during the recent COVID-19 wave.India supports global action to prevent future pandemics.One Earth, One Health is our message to humanity. #G7UK https://t.co/B4qLmxLIM7 Narendra Modi (@narendramodi) June 12, 2021করোনা আবহে এবছর ভার্চুয়ালি আয়োজন করা হয়েছিল জি-সেভেন (G-7) আউটরিচ প্রোগ্রামের। ভার্চুয়াল বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন এ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে যোগ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden), জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন প্রমুখ। ওই বৈঠকে শুরুতেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সমর্থন করার জন্য G-7 সদস্য দেশগুলিকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় যে সমস্ত শিল্পপতিরা ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। করোনাকে দমন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরির কথা বলেন তিনি। করোনা ভ্যাকসিনের উপর পেটেন্ট প্রত্যাহার সংক্রান্ত মোদির দাবিকে সমর্থন করেছে অস্ট্রেলিয়া। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ টিকা তৈরির কাজে ভারতের মতো দেশকে কাঁচামাল দিয়ে সাহায্য করার আর্জি জানান। এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত মোদির বক্তব্য সমর্থন করেছেন জার্মান চ্যান্সেলার অ্যাঞ্জেলা মর্কেলও।

জুন ১৩, ২০২১
দেশ

রুশ টিকা স্পুটনিক ভি তৈরির অনুমতি পেল সেরাম

করোনার সংক্রমণ রুখতে দেশবাসীর দ্রুত টিকাকরণই লক্ষ্য কেন্দ্রের। আর সেই কারণেই ভ্যাকসিনের চাহিদা পূরণ করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডের পাশাপাশি অন্যান্য ভ্যাকসিন ব্যবহার করে দ্রুত টিকাকরণ অভিযানে সাফল্যই এখন পাখির চোখ। আর সেই লক্ষ্যেই এবার রাশিয়ার টিকা স্পুটনিক ভি তৈরির অনুমতি দেওয়া হল সেরাম ইনস্টিটিউটকে ।সেরামের মুখপাত্র জানান, আমরা স্পুটনিক ভি তৈরি প্রাথমিক অনুমতি পেয়েছি। তবে টিকা উৎপাদনে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে। ততদিন কোভিশিল্ড এবং কোভোভ্যাক্স তৈরিতেই আমরা মনোনিবেষ করব। ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোলারের দেওয়া এই সবুজ সংকেতের অর্থ আদর পুনাওয়ালার পুণের ইনস্টিটিউটে রুশ টিকার পরীক্ষা, বিশ্লেষণ হবে। তারপরই উৎপাদনের কাজ শুরু করা যাবে। কিন্তু সেরাম এই টিকা বিক্রি করতে পারবে না।এদিকে, ভ্যাকসিন সংক্রান্ত কঠোর পলিসি বদলের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সেরাম সিইও পুনাওয়ালা । আসলে ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুনাওয়ালার আশা, এতে ভারত এবং অন্যান্য দেশে ভ্যাকসিন উৎপাদন তরান্বিত হবে।

জুন ০৫, ২০২১
দেশ

ভারতে ১২ ঊর্ধ্বদের জন্য তৈরি ফাইজারের টিকা, চাই ছাড়পত্র

ভারতের বাজারে ছাড়পত্র পেতে চাইছে ফাইজারের টিকা। কোভিড ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক এই সংস্থার দাবি, তাঁদের তৈরি টিকা ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সকলের জন্যই কার্যকরী। এমনকী, করোনার অতি সংক্রামক B.1.617 ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রুখতেও সক্ষম এই টিকা, এমনটাই দাবি মার্কিনি এই সংস্থার। তাই ভারতের বাজারে ছাড়পত্র পেতে সরকারের সঙ্গে আলাপ আলোচনা শুরু করেছে তাঁরা।করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় নাজেহাল ভারতবাসী। লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। বাড়ছে মৃত্যুও। চিন্তা বাড়িয়েছে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়তে থাকা সংক্রমণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যে রাজ্যেজারি হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। গণটিকাকরণের উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। কিন্তু অপর্যাপ্ত ভ্যাকসিন থাকায় টিকাকরণও সম্পূর্ণ হচ্ছে না। যার জেরে চিন্তায় বিশেষজ্ঞরা। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের বাজারে টিকা আনতে চাইছে ফাইজার। তাঁদের দাবি, কিশোরদের মধ্যেও সংক্রমণ রুখতে সক্ষম এই টিকা। তাঁরা সরকারকে জানিয়েছে, এই টিকা সংরক্ষণেরও বিশেষ ঝক্কি নেই। ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এক মাসের জন্য সংরক্ষিত থাকতে পারে ফাইজারের কোভিড ভ্যাকসিন।তবে ভারতে এখনও পর্যন্ত ফাইজারের টিকার কোনও ট্রায়াল হয়নি। ফলে এ দেশে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পাওয়া বেশ মুশকিল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, টিকা উৎপাদক মার্কিনি সংস্থার দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-সহ ৪৪ টি সংস্থা তাঁদের টিকাকে ছাড়পত্র দিয়েছে। সেই শংসাপত্রের উপর ভরসা করেই ভারতে এই টিকাকে ছাড়পত্র দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে তাঁরা। তবে স্থানীয় কমিটির যাচাই ছাড়া সে পছে হাঁটতে রাজি নয় কেন্দ্র। এ নিয়েই দফায়-দফায় আলোচনা চলছে। আলোচনা চালাচ্ছেন খোদ ফাইজারের চেয়ারম্যান তথা সিইও অ্যালবার্ট বউরলা। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়পত্র দিলে জুন থেকে অক্টোবরের মধ্যে পাঁচ কোটি ডোজ সরবরাহ করতে সক্ষম ফাইজার।উল্লেখ্য, দিল্লির কেজরি সরকার ফাইজারের থেকে সরাসরি টিকা কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের প্রস্তাব খারিজ করে দেয় সংশ্লিষ্ট সংস্থা। ফাইজারের দাবি, তারা সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকারকে টিকা দিতে চায়।

মে ২৭, ২০২১
দেশ

১৫ দিনে বিনামূল্যে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন পাবে রাজ্যগুলি

দেশজুড়ে ভ্যাকসিনের সংকট। বিরোধীরা আক্রমণ শানাচ্ছে কেন্দ্র সরকারকে। কেন্দ্রের ভ্যাকসিন বণ্টন নীতিই সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে, বারবার বলছেন রাহুল গান্ধি। রাজ্যগুলিও কাঠগড়ায় তুলেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেই। এরই মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়ে দিলেন, আগামী ১৫ দিনে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিনের ডোজ দেবে কেন্দ্র। তাও আবার বিনামূল্যে।প্রসঙ্গত, দেশজুড়ে এখন বিভিন্ন পর্যায়ে ১৮ বছরের বেশি বয়সি সবাইকেই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা। কিন্তু, ভ্যাকসিনের জোগানের সমস্যার জন্য এখনও অনেক রাজ্যেই ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু করা যায়নি। আবার অনেকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেলেও দ্বিতীয় ডোজ পাননি। কেন্দ্রের তরফে বৃহস্পতিবারই ঘোষণা করা হয়েছিল, এখন থেকে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় টিকার ডোজ নিতে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ পরে। তাতে বিতর্ক আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, জোগানের অভাবেই কৌশলে দ্বিতীয় দফার টিকাকরণ পিছিয়ে দিতে চাইছে সরকার। তবে, সে বিতর্ক উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবারের ঘোষণায় শুক্রবার সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্র। আর এদিনই ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৬ থেকে ৩১ মের মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯২ লক্ষ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেবে কেন্দ্র। এর মধ্যে কোভিশিল্ড থাকছে ১৬২.৫ লক্ষ ডোজ এবং কোভ্যাকসিন থাকছে ২৯.৪৯ লক্ষ। কেন্দ্রের দেওয়া এই ভ্যাকসিন রাজ্যগুলি ব্যবহার করতে পারবে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিকদের টিকাকরণের জন্য।প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন। আগামী ১৫ দিনে আরও ২ কোটির বেশি মানুষ ভ্যাকসিন কেন্দ্রের আশা খুব শীঘ্রই ভারতে ভ্যাকসিনের উৎপাদনের হার অনেকটা বেড়ে যাবে। সরকারের দাবি, আগামী অগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ ভারতে তৈরি হয়ে যাবে। যার অর্থ এবছরের শেষদিক পর্যন্তই পুরো টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় কেন্দ্র।

মে ১৪, ২০২১
দেশ

কোভিশিল্ডের দুই টিকার ব্যবধান বেড়ে হল ৩ থেকে ৪ মাস

কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার প্রস্তাব গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে ব্যবধান ছিল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ, এ বার সেটিই বেড়ে হবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরেই সরকারের বিশেষজ্ঞ প্যানেল কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেয়, দুটি টিকার ব্যবধান বাড়িয়ে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ করার। বিকেলের দিকে সেই সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল কেন্দ্র।এই নিয়ে তিন মাসে দ্বিতীয়বার কোভিশিল্ডের দুটি টিকা নেওয়ার ব্যবধান বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে টিকাকণের একেবারে শুরুতে কোভিশিল্ডের দুটি টিকার ব্যবধান ছিল ২৮ দিনের। তারপর বিশেষজ্ঞ কমিটি মার্চ মাসে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকে জানায়, ভাল ফলের জন্য টিকা ব্যবধান ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ করতে। সেটিই এখন বাড়িয়ে করা হল ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহ।টিকা নিয়ে এর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নতুন প্রস্তাব বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারকে দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাতে বলা হয়েছে, কোভিডে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ওঠার অন্তত ৬ মাস পর টিকা নিতে পারবেন। কারণ, এতে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যাক্তির শরীরে অ্যান্টিবডির প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে সুস্থ হওয়ার ১৪ দিন পর টিকা নেওয়া যায়, সেটাই বাড়িয়ে ছমাস করার কথা বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২১
কলকাতা

ভ্যাকসিন নেই, লাইনে দাঁড়িয়েও ফিরে যেতে হল হাওড়ার বহু মানুষকে

ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় হাওড়ার অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া গেল না। প্রয়োজনের দশ ভাগের এক ভাগ ডোজ এসেছে জেলায়। যে কারণেই তৈরি হয়েছে সমস্যা বলে মত জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের। যার ফলে হাওড়া পুরসভার প্রাথমিক স্বাস্থকেন্দ্রগুলি থেকে পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে ভ্যাকসিন দেওয়া। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চাহিদা মত ভ্যাকসিন না থাকায় গোলমালের আশঙ্কায় পুরসভা কম সংখ্যক ডোজ নিতে চায়নি। ১লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিনের প্রয়োজন থাকলেও, এসেছে মাত্র ১০হাজার ডোজ। গত শুক্রবার হাওড়ার অধিকাংশ কেন্দ্রে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ থাকবে বলে নোটিস লাগিয়ে দেওয়া হলেও সোমবার সকাল থেকেই বহু মানুষ ভ্যাকসিনের জন্য লাইন দেন। হাওড়া জেলা হাসপাতাল-সহ অন্যান্য হাসপাতালে অল্প সংখ্যক ভ্যাকসিন থাকায় বহু মানুষকেই ফিরে যেতে হয় ভ্যাকসিন না পেয়েই। হাওড়া জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক বলেন, আমরা মাত্র ১০ হাজার ভ্যাকসিন পেয়েছি। তাই জেলার সরকারি হাসপাতালগুলিতে কিছু করে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রয়োজন ছিল ১ লক্ষ ডোজ। কিন্তু তা না আসায় সব কেন্দ্রে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মে ১০, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যে এল কোভ্যাক্সিনের ১ লক্ষ ডোজ, সোমবার আসছে সাড়ে ৩ লক্ষ কোভিশিল্ড

মারাত্মক করোনা সংক্রমণের মধ্যেই সুখবর। সম্প্রতি রাজ্য সরকার টিকাকরণের জন্য কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড মিলিয়ে কয়েক লক্ষ টিকার বরাত দিয়েছিল। তার মধ্যে রবিবার রাজ্যে এসেছে ১ লক্ষ কোভিডের টিকা কোভ্যাক্সিনের ডোজ। রবিবার সকাল ৮টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় টিকা। এর পর তা নিয়ে যাওয়া হয় বাগবাজারের সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরে। এ ছাড়াও সোমবার আরও সাড়ে ৩ লাখ কোভিশিল্ড টিকার ডোজ রাজ্যে আসবে। সোমবার বিকেল ৩টে ৪০ নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছবে টিকা। মোট ১৪ লাখ কোভিশিল্ডের অর্ডার দিয়েছে রাজ্য সরকার।গত মাস থেকেই দেশজুড়ে করোনা টিকার জোগান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যান্ত টিকা না থাকার কারণে বিভিন্ন রাজ্যে টিকাকরণ থমকে যাচ্ছে মাঝে মাঝে। প্রথম ডোজ নিলেও দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য ডাকের অপেক্ষায় বহু মানুষ। গতকাল, কোভ্যাক্সিন না পেয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে বিক্ষোভ হয়। তবে আজ রবিবার ও কাল সোমবার মিলিয়ে মোট সাড়ে ৪ লাখ টিকা এলে সমস্যা একটু কমবে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাউথ-ইস্ট এশিয়া রিজিয়ন অফিস-এর কমিউনিকেবল ডিজিজ়েস-এর প্রাক্তন ডিরেক্টর রাজেশ ভাটিয়া জানাচ্ছেন, দেশে প্রতিষেধকের বর্তমান দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৫ লক্ষ। কিন্তু চাহিদা তার চেয়ে অনেক বেশি। তাঁর কথায়, যতক্ষণ না প্রতিষেধকের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে অথবা দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অন্য প্রতিষেধক বাজারে আসবে কিংবা প্রতিষেধক আমদানি করা হবে, ততক্ষণ এই ঘাটতি চলতেই থাকবে।

মে ০৯, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন না-থাকায় পূর্ব বর্ধমানের হাসপাতালে বন্ধ টিকাকরণ

গোটা দেশের পাশাপাশি এই রাজ্যেও উর্ধ্বমুখী কোভিড আক্রান্তের গ্রাফ।প্রতিদিন মৃতের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে ব্যাপক হারে।এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের তরফে কোভিড টিকাকরণ অভিযানের ব্যপ্তি ঘটানোর কথাও বলা হয়।কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতিটা যে সম্পূর্ণ উল্টো তা শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পৌঁছেই পরিষ্কার হয়ে গেল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে হাসপাতাল চত্বরে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে দিয়ে দাবি করা হয়েছে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। টিকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে এদিন সকাল থেকে যেসব বয়স্ক মানুষজন হাসপাতালে আসেন তাঁরা এই ফ্লেক্স দেখার পরেই কার্যত নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান।মারণ ভাইরাস কোভিড ১৯ এর ভ্যাকসিনের সরবরাহই নেই জেনে জামালপুরে বাসিন্দাদের উদ্বেগ বহুলাংশে বেড়ে গিয়েছে ।ভোট উৎসবের মাঝেই রাজ্যের অন্যান জেলার পাশাশাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ব্যাপক হারে বেড়ে চলে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা । স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট বলছে, গত ১৫ এপ্রিল জেলায় ২০২ জনের কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়ে। ওই দিন পর্যন্ত জেলায় মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩২৪৪ জন , মৃতের সংখ্যা ছিল ১৮০ জন । তার পর থেকে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত জেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৩০৩ জন । অর্থাৎ ১৪ দিনে জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৫৯ জন। আর ১৪ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট অনুয়ায়ী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই বেশী শহর বর্ধমানে । তার মধ্যে জামালপুর ব্লকেও প্রতিদিন কোভিড আক্রান্তের হদিশ মিলে চলেছে। কয়েকদিন আগেই কোভিড আক্রান্ত হয়ে জামালপুর হাটতলা এলাকা নিবাসী এক ডেকরেটার ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয় ।এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই জামালপুরের বাসিন্দা মহলে আতঙ্ক আরও তীব্র হয় । আতঙ্কের কারণে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন একটি পাড়ার এক বৃদ্ধা গত বুধবার মারা যাওয়ার পরেও তাঁর দেহ সৎকারে প্রতিবেশীরা কেউ এগিয়ে যেতে চান না । ওই বৃদ্ধা কোভিড আক্রান্ত ছিলেন, না ছিলেন না তাও কারুর জানা নেই। তবুও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খান এলাকার চার জনের হাতে দুষ্প্রাপ্য কিট তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন । তার পর তারা ওই কিট পরিহিত হয়ে বৃদ্ধার মৃতদেহ সৎকারের জন্য জামালপুর শ্মশানে নিয়ে যান ।এইসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করে জামালপুরের বাসিন্দারা কোভিড টিকা নেওয়ার জন্য উদগ্রিব হয়ে ওঠেন । টিকা পাওয়ার জন্য বিগত কয়েকদিন যাবৎ বহু বাসিন্দা রাত থেকেই জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন । টিকা দেওয়াও চলছিল স্বাভাবিক নিয়ম মেনে । কিন্তু কোভিড ভ্যাকসিনের সরবরাহ না থাকায় শুক্রবার টিকাকরণ একেবারে থমকে থাকে। এই বিষয়ে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক ঋত্বিক ঘোষ বলেন ,কোভিড ভ্যাকসিন শেষ হয়ে যাওয়ার পর এদিন পর্যন্ত আর ভ্যাকসিন হাসপাতালে পৌঁছয়নি । কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনের সরবরাহ যে নেই তা জনসমক্ষে তুলে ধরার জন্যেই ফ্লেক্সে লিখে হাসপাতাল চত্বরে ঝোলাতে হয়েছে । ঋত্বিক বাবু আরও জানান ,গত ২৫ জানুয়ারি থেকে জামালপুর হাসপাতালে কোভিডের টিকা দেওয়া শুরু হয় । প্রথম দিকে টিকা নেওয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ খুব কম ছিল । মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর থেকে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন জামালপুরের বাসিন্দারা । সংক্রমণের হার ফের বাড়তে শুরু করায় গত তিন সপ্তাহ যাবৎ কোভিডের টিকা নেওয়ার জন্য হাসপাতাল চত্ত্বরে মানুষের ভিড় উপচে পড়ছে। ভ্যাকসিন এলে ফের টিকা দেওয়া শুরু হবে বলে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন। জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক প্রণব রায় জানিয়েছেন, জেলায় ভ্যাকসিন অপ্রতুল থাকাতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ভ্যাকসিন ঘাটতির জন্য এদিন জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ছাড়া জেলার আর কোনও হাসপাতালে এদিন টিকাকরণ বন্ধ ছিল কিনা সেই বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কিছু জানাতে পারেননি । এমনকী, ভ্যকসিন সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে সেই বিষয়েও সিএমওএইচ এদিন কিছু বলতে পারেননি।

এপ্রিল ৩০, ২০২১
দেশ

'সরি, জানতাম না ওটা করোনার ওষুধ’

আলমারিতে টাকা থাকলেও চোর ব্যাগ বোঝাই করে নিয়ে গিয়েছিল করোনা টিকা। বিষয়টি জানাজানি হতেই দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। এদিকে, রাতারাতি মন বদলে যায় চোরবাবাজিরও। তাই পরেরদিনই ব্যাগ সমেত ভ্যাকসিন ফেরত দিয়ে যান। সঙ্গে পাঠান একটি চিঠিও, যাতে লেখা রয়েছে, সরি, জানতাম না এটা করোনার ওষুধ। গোটা দেশজুড়ে ভ্যাকসিন চুরি নিয়ে হুলুস্থুল পড়তেই চুরির দ্রব্য ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চোর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুর নাগাদ এক ব্যক্তি ব্যাগ নিয়ে সিভিল লাইন পুলিশ স্টেশনের বাইরে অবস্থিত চায়ের দোকানে আসেন। দোকানের মালিককে তিনি জানান, পুলিশকর্মীদের জন্য খাবারের ডেলিভারি রয়েছে। তাঁকে অন্য একটি জায়গায় ডেলিভারিতে যেতে হবে, তাই এই ব্যাগটি যেন ভিতরে পৌঁছে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালেই জানা যায়, হরিয়ানার জিন্দ জেলার একটি হাসপাতাল থেকে চুরি করেছে করোনা ভ্যাকসিনের ১৭১০টি ডোজ়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায়, বুধবার মধ্যরাতে দুই ব্যক্তি পাঁচিল টপকে হাসপাতালে ঢুকেছিল। তাঁরাই আলমারি থেকে ভ্যাকসিন চুরি করে বলে সন্দেহ পুলিশের। ঘটনার পরই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। অজ্ঞাতপরিচয় ওই দুই ব্যক্তির নামে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালেই হাসপাতালের কর্মীরা এসে দেখেছিলেন, সেন্টারের দরজার তালা ভাঙা। উধাও হয়ে গিয়েছে ১,৭১০ ডোজ় করোনা ভ্যাকসিন। এর মধ্যে কোভিশিল্ডের ১,২৭০ টি ডোজ় ও ৪৪০টি কোভ্যাক্সিনের ডোজ ছিল। তবে অক্ষত ছিল পাশেই রাখা পোলিও ও অন্যান্য ভ্যাকসিন। এমনকী, ৫০ হাজার টাকাও নেয়নি চোরেরা।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ভারতে আর শান্তি পাই না’, তুমুল বিতর্কের মাঝেই সঞ্জয় দত্তের ইউটার্ন! কী সাফাই দিলেন মুন্নাভাই?

ভারতে আর শান্তি পাই নাশেখর সুমনের অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানের একটি অংশ প্রকাশ্যে আসার পর সমাজমাধ্যমে অভিনেতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে না হতেই এবার নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন সঞ্জয়। অভিনেতার দাবি, তাঁর কথার ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং পুরো কথোপকথনটাই ছিল আগে থেকে লেখা ও হালকা মেজাজের।শেখর সুমনের অনুষ্ঠানে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সঞ্জয় বলেছিলেন, ভারতের মানুষ অত্যন্ত ভালো ও অতিথিপরায়ণ। কিন্তু ইদানীং দেশে আগের মতো শান্তি তিনি অনুভব করছেন না। সেই শান্তির সময় যেন দ্রুত ফিরে আসে, শিবের কাছে এমন প্রার্থনা করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেতা। এই মন্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক।এর পরেই সঞ্জয় দত্ত নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, কোনও ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা প্রতিষ্ঠানের অনুভূতিতে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। কাউকে অপমান বা অসম্মান করার ইচ্ছাও তাঁর ছিল না বলে জানান অভিনেতা। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের কথোপকথনটি চিত্রনাট্য মেনেই তৈরি হয়েছিল এবং দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই তা বলা হয়েছিল।সঞ্জয়ের ব্যাখ্যা, তাঁর কথাগুলিকে অনুষ্ঠানের মূল প্রেক্ষাপট থেকে আলাদা করে দেখা হয়েছে। মুন্নাভাই ছবির হাস্যরস ও ব্যঙ্গের ধাঁচেই কথাগুলি বলা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর। বিশেষ করে গান্ধীগিরি-র ভাবনার মাধ্যমে ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা দেওয়াই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। কিন্তু সেই বক্তব্যের মূল ভাবটি হারিয়ে গিয়ে তা অন্য ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বিতর্কের সূত্রপাত মূলত অনুষ্ঠানের সেই অংশ নিয়ে, যেখানে সঞ্জয় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর মন্তব্য করেছিলেন। পরে তাঁর বক্তব্যের আরও কিছু অংশও সামনে আসে, যেখানে মুন্নাভাই-এর ভঙ্গিতে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ এবং শান্তির বার্তা ছিল। ফলে পুরো কথোপকথনটি কী প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।তবে বিতর্ক থামেনি। মন্তব্যটি নিয়ে সমাজমাধ্যমে একাংশের সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্য দিকে সঞ্জয়ের বক্তব্য, তাঁর কথার উদ্দেশ্য ছিল না কাউকে ছোট করা বা দেশের মানুষকে অসম্মান করা। বরং হাস্যরসের মাধ্যমে শান্তি, ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।ফলে একটি মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক এখন অন্য মোড় নিয়েছে। প্রথমে ভারতে শান্তি নেই মন্তব্য, তার পর সমাজমাধ্যমে সমালোচনা এবং শেষে অভিনেতার চিত্রনাট্য-নির্ভর কথোপকথনের ব্যাখ্যাসঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এই বিতর্কে আপাতত নজর তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
দেশ

সর্বসম্মতি না থাকলে এসআইআর বাতিল? জ্ঞানেশ কুমার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণ

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে বড় মোড়। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় নোটিস জারি করেছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে ফর্ম-৬-এ পরিবর্তন নিয়ে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন ঘিরেও নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।মামলাকারীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব কমিশনারের ভূমিকা থাকা প্রয়োজন। আইনজীবী বিকাশ সিং আদালতে অভিযোগ করেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একক ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই পর্যায়ে আদালত জ্ঞানেশ কুমারকে স্থগিত করার অন্তর্বর্তী আবেদন গ্রহণ করেনি।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক জোশীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলায় আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৩ সালের আইনে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের তাঁদের সরকারি দায়িত্ব পালনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কাজের ক্ষেত্রে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। সেই রক্ষাকবচের সাংবিধানিক বৈধতাকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।এই মামলায় আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মামলাকারীদের তরফে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়েই মূল আপত্তি জানানো হয়েছে।শুনানিতে ফর্ম-৬-এর পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে আসে। ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত এই ফর্মে সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবর্তন করা হয়েছিল। পরে সেই পরিবর্তন সরিয়ে নেয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে দুই নির্বাচন কমিশনার ওই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।ফর্ম-৬ নিয়ে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানতে চান, ওই পরিবর্তন কে করেছিলেন। আদালতের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, ফর্ম-৬-এ যে পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তার জন্য আদালতের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধনের এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে কী ভাবে এবং কার নির্দেশে পরিবর্তন হয়েছিল, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এসআইআর নিয়েও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে। মামলাকারীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি সাংবিধানিক ভাবে নির্ধারিত যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থাকে, তা হলে সেই সিদ্ধান্তগুলির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এসআইআর ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে বা আদালত তা বাতিল করে দিয়েছেএমন কোনও নির্দেশ এই শুনানিতে দেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য নোটিস জারি করে পরবর্তী শুনানির পথ তৈরি হয়েছে।এর আগে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, গত এক বছরে নেওয়া সব সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত ছিল। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য বা পরামর্শ থাকলেও তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। অন্য দিকে, প্রকাশিত নথি নিয়ে প্রতিবেদনে দুই নির্বাচন কমিশনারের একাধিক আপত্তির কথা উঠে এসেছে। ফলে নির্বাচন কমিশনের ভিতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।এখন নজর পরবর্তী শুনানির দিকে। ফর্ম-৬ পরিবর্তনের বিষয়টি কী ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে আদালত কী বলে এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের আইনি রক্ষাকবচের বৈধতা নিয়ে মামলাটি কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই এখন অপেক্ষা।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজপথে হাজার হাজার মানুষ, ইসলামাবাদমুখী মিছিল ঘিরে পাকিস্তানে চরম উত্তেজনা!

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে ফের বড় মিছিল। সরকারের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর খাইবার পাখতুনখোয়ার লাক্কি মারওয়াত থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফের সমর্থকেরা। মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ সোহেল আফ্রিদি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছনো।ইমরানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এই মিছিল শুরু হওয়ার আগেই পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারের সঙ্গে তেহরিক-ই-ইনসাফের আলোচনা কোনও সমাধানে পৌঁছয়নি। এরপরই পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মিছিল শুরু করে ইমরানপন্থীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সমর্থক লাক্কি মারওয়াতে জড়ো হন। মিছিলের সঙ্গে থাকা বহর ধীরে ধীরে ইসলামাবাদের দিকে এগোচ্ছে।মিছিল আটকাতে প্রশাসনের তরফেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে কন্টেনার দিয়ে। রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।মিছিল ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলেও খবর। কিছু এলাকায় পাথর ছোড়াছুড়ি এবং লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ইমরানের দলও অভিযোগ করেছে, তাদের বহু সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে প্রায় দুই হাজার জনকে আটকের কথা বলা হয়েছে। তবে আটকের সঠিক সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।অন্য দিকে, ইমরানপন্থীরা জানিয়েছে, প্রশাসনের বাধা সত্ত্বেও তারা আন্দোলন থেকে পিছিয়ে যাবে না। মিছিলের লক্ষ্য ইসলামাবাদে পৌঁছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিকে আরও জোরালো করা। তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতৃত্বের বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল না হওয়াতেই ফের রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই মিছিলের নেতৃত্বে থাকা খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি লাক্কি মারওয়াত থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি জানান, প্রদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনও নীতি মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ইমরান খানের নীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি সমর্থনও জানান তিনি।ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন মামলায় তাঁকে সাজাও দেওয়া হয়েছে। ইমরান ও তাঁর দল অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে চলা আইনি পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে। পাকিস্তান সরকার সেই অভিযোগ মানে না। ফলে ইমরানের জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর মুক্তির দাবিকে ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে।এ বার সেই টানাপোড়েনই নতুন করে রাজপথে এসে পড়েছে। লাক্কি মারওয়াত থেকে শুরু হওয়া মিছিল কত দূর এগোয়, ইসলামাবাদে পৌঁছতে পারে কি না এবং প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘাত কতটা বাড়ে, এখন নজর সেদিকেই। পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মিছিল নতুন করে কতটা প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার পায়ের রিপোর্ট প্রকাশ্যে! হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য ভবনকে আইনি নোটিস, এবার কী হবে?

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে চোট লাগার ঘটনা নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক বৈঠকে সেই সময়ের একটি মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে দাবি করেন, রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির প্রমাণ মেলেনি। এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য দফতরের সংশ্লিষ্ট কর্তাদের আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আইনি নোটিসে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য কীভাবে প্রকাশ্যে এল। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে কোনও মেডিক্যাল নথি সংগ্রহ করলেও, সেই নথি সাধারণ মানুষের সামনে প্রকাশ করার অধিকার স্বয়ংক্রিয় ভাবে তৈরি হয় না। চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং সংবেদনশীল বলেও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে।নোটিসে সংবিধানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সুরক্ষিত রাখা চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলেও আইনজীবীর তরফে যুক্তি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তার অধিকার রয়েছেএই বিষয়টিকেও বিশেষ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত নন্দীগ্রামের পুরনো ঘটনা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ২০২১ সালের এগারো মার্চের বাঙুর ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সের রেডিয়ো ডায়াগনসিস বিভাগের একটি রিপোর্ট দেখান। তাঁর দাবি, সেই রিপোর্টে পায়ে হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুতির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সেই নথি দেখিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তদন্তের কথা জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিষয়টি সিআইডির নজরে রয়েছে। নির্বাচনী বিধি উঠে যাওয়ার পর এই ঘটনা নিয়ে আরও তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তবে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার অর্থ এই নয় যে ওই সময় কোনও ধরনের চোটই ছিল না। সমসাময়িক চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে পা ও শরীরের অন্য অংশে আঘাতের কথা উল্লেখ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ফলে রিপোর্টের ব্যাখ্যা নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখন মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে। তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও ব্যক্তির চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি সরকারি দফতরের হাতে থাকলেই তা প্রকাশ্যে আনার অধিকার তৈরি হয় না। সেই কারণেই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের কাছে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, তৃণমূলের তরফেও রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে শাসক দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, ব্যক্তিগত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি কীভাবে প্রকাশ্যে এল। আবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ২০২১ সালের পায়ের চোট নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতেই তদন্তের প্রয়োজন।ফলে নন্দীগ্রামের পাঁচ বছর আগের সেই পায়ের চোটের ঘটনা ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে। এক দিকে মেডিক্যাল রিপোর্টে হাড় ভাঙার প্রমাণ না থাকার দাবি, অন্য দিকে সেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে মমতার আইনি পদক্ষেপদুই দিকের প্রশ্নেই এখন নজর। তদন্ত এগোলে পুরনো ঘটনার আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের পর এবার বিজেপি, রাজ্যসভার টিকিট হাতে কোয়েল! পুরনো সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন অভিনেত্রী?

রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রবিবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভা আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাঁর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সোমবার সকালে দলীয় দফতরে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়। এর পরেই রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল জানান, এই দায়িত্ব তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি। বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি, কর্মসংস্থান এবং আরও বেশি স্কুল তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন অভিনেত্রী। তাঁর বক্তব্য, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেলে তিনি নিজের মতো করে সেই দায়িত্ব পালন করতে চান।বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কোয়েল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান। গত কয়েক মাসে বাংলায় উন্নয়নের কাজ দেখে তিনি উৎসাহিত হয়েছেন বলেও জানান। তাঁর কথায়, সামাজিক মাধ্যমে তিক্ততা বাড়ছে। কাজের সুযোগ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানো গেলে সেই পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে মনে করেন তিনি।তবে কোয়েলের বিজেপিতে যোগদানের পর সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে তাঁর পুরনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে। কয়েক মাস আগেই তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। পরে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। রবিবার বিজেপি তাঁকেই ফের পশ্চিমবঙ্গের ওই আসনের প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক পথবদল আরও স্পষ্ট হয়ে গেল।তৃণমূলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য দেননি কোয়েল। বরং তিনি জানান, অতীতে তিনি কারও সম্পর্কে খারাপ কথা বলেননি এবং ভবিষ্যতেও কাউকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে চান না। রাজনৈতিক মতবদলের পরেও ব্যক্তিগত আক্রমণের পথে হাঁটবেন না বলেই বার্তা দিয়েছেন অভিনেত্রী।আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁকে আরও বেশি দেখা যাবে কি না, সেই প্রশ্নেরও উত্তর দিয়েছেন কোয়েল। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার সঙ্গে তাঁর পরিচয় রয়েছে। ছুটির সময়ে তাঁর মা তাঁকে মিশনারিজ় অব চ্যারিটিতে নিয়ে যেতেন বলেও জানান তিনি। মানুষের জীবনে সামান্য হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারলে সেটাকেই নিজের সাফল্য বলে মনে করবেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের কটাক্ষও শুরু হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে কোয়েল বলেন, যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান, তাঁদের প্রতি তাঁর কোনও রাগ নেই। মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হিসাবে বিষয়টিকে তিনি অন্য ভাবে দেখেন বলেও জানান। কটাক্ষকারীদের মানসিক সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।ফলে অভিনয় থেকে রাজনীতিতে আসার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কোয়েল মল্লিকের রাজনৈতিক যাত্রায় আরও একটি বড় মোড় এল। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ থেকে পদত্যাগ, তার পর বিজেপিতে যোগ এবং ফের রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়াপরপর এই ঘটনাগুলিই এখন বাংলার রাজনীতিতে কোয়েলকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্র তৈরি করেছে। আগামী রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
কলকাতা

রবিবারের সংঘর্ষের পর সকালেই বদলে গেল এসআরএফটিআই, গেটে গান্ধীর ছবি, ফের দেওয়াল লিখন!

এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট। রবিবার বিকেলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের মিছিলকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। মিছিলকারীদের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের সঙ্গে তাঁদের ধস্তাধস্তিও হয়। ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের লক্ষ্য করে বাইরে থেকে ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। পাল্টা হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরাও তাঁদের উপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন।রবিবার অজয়নগর থেকে মিছিল করে এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছন হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যেরা। সংগঠনের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতাকে অসম্মান করা হয়েছে। সেই অভিযোগের প্রতিবাদেই এই মিছিল বলে জানানো হয়। মিছিল এসআরএফটিআইয়ের সামনে পৌঁছনোর পর গেটের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বন্ধ গেট ঠেলে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ক্যাম্পাসের ভিতরে থাকা পড়ুয়া ও শিক্ষকদের দিকে বাইরে থেকে ইট এবং জলের বোতল ছোড়া হয়। এক জন অধ্যাপক আহত হয়েছেন বলেও একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে, মিছিলকারীদের কয়েক জনও আহত হয়েছেন বলে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।এই ঘটনার পর সোমবার সকাল থেকেই এসআরএফটিআইয়ের সামনে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। মূল ফটকের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে নতুন করে কোনও উত্তেজনা তৈরি না হয়। রবিবারের ঘটনায় মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরের দিন সকালে পড়ুয়ারা ফের ক্যাম্পাসের গেটে গান্ধীর ছবি টাঙিয়ে দেন।এদিকে, রবিবার পুলিশের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসের দেওয়াল থেকে কিছু লেখা মুছে দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার সকালে পড়ুয়ারা ফের সেখানে দেওয়াল লিখন করেন। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়েছে। পড়ুয়াদের একাংশ প্রতিষ্ঠানের উপাচার্যের কাছেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।এসআরএফটিআইয়ে এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বার উত্তেজনা তৈরি হল। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পড়ুয়া এবং ওই সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনার পরেই ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। এক সপ্তাহ না কাটতেই ফের বাইরের একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল।ঘটনার পর এখন মূল নজর ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা এবং দুই পক্ষের ওঠানো অভিযোগের তদন্তের দিকে। একের পর এক রবিবারে এসআরএফটিআইয়ের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং যাতে আর কোনও সংঘর্ষ না হয়, সেই জন্য নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে নন্দীগ্রামে বড় বদল! আইসি সরিয়ে নতুন আধিকারিক, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

রাত পোহালেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তার ঠিক আগের দিন, সোমবার নন্দীগ্রাম থানার আইসি বদল করল নির্বাচন কমিশন। এত দিন এই পদে ছিলেন অজয়কুমার মিশ্র। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, অবিলম্বে এই বদলি কার্যকর করতে হবে। ভোটের ঠিক আগে এই রদবদল ঘিরে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আইসি বদলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। দেবাশিস সরকার এর আগে পূর্ব মেদিনীপুরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ইনস্পেক্টর ইন-চার্জ হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাঁকেই নন্দীগ্রাম থানার আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব দেওয়া হল। কমিশন তাঁর যোগদানের রিপোর্টও দ্রুত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৬ অক্টোবর। ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন। পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি একটি আসন ছেড়ে দেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি শূন্য হয়। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন।নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব অবশ্য নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছিল। সেই নির্বাচনে শুভেন্দু জয়ী হন। পরবর্তী সময়েও নন্দীগ্রাম রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে থেকেছে। এবারের উপনির্বাচনেও তাই এই কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। কংগ্রেসের হয়ে লড়ছেন মিলন প্রধান। নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রচারে উত্তাপ ছিল যথেষ্ট। রবিবার সন্ধ্যায় প্রচারপর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের আগে সোমবারই আইসি বদলের সিদ্ধান্ত সামনে এল।গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে রাজ্যের একাধিক থানার ওসি ও আইসি বদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশি স্তরে রদবদল করা হয়েছিল।তবে এবার ভোটের মাত্র এক দিন আগে নন্দীগ্রামের আইসি বদলের সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হল, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনও মেলেনি। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেও কারণ জানানো হয়নি। ফলে শেষ মুহূর্তের এই প্রশাসনিক রদবদল নিয়েই এখন জোর চর্চা। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের ভোটে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আইসির অধীনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কী থাকে, সেদিকেই এখন নজর।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-র ছকেই কি হামামির পরিকল্পনা? স্মিতকে সরিয়ে ইজরায়েলে বিমান আছড়ানোর ভয়ঙ্কর নকশা ফাঁস

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারী সূত্র ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওমানের সহ-পাইলট হামাম আল-হামামি শুধু ককপিটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেনি, বরং বিমানটিকে ইজরায়েলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনাও করে থাকতে পারে। এমনকি তার পরিকল্পনার সঙ্গে ৯/১১-র ধাঁচের আত্মঘাতী বিমান হামলার মিল রয়েছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তদন্তকারীদের জেরায় হামামি কী জানিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমে ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে সরিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। এরপর বিমানটিকে স্বাভাবিক ভাবে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতি পাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে বিমানবন্দরের কোনও ভবন বা অন্য একটি বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।ইতালির সংবাদপত্রের একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও দাবি করা হয়েছে, ককপিটে প্রার্থনা করার অছিলায় হামামি কুঠার বের করে স্মিতকে আক্রমণ করে। প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে মরুভূমিতে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ করারও চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।ঘটনার ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায় যখন বিমানটি মাত্র কয়েক দশ সেকেন্ডে হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে আসে। এর আগে প্রকাশিত তদন্ত-তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার থেকে ১৬ হাজার ফুট পর্যন্ত দ্রুত নেমে গিয়েছিল। গুরুতর আহত হয়েও স্মিত ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও বিমানে থাকা অন্য পাইলটদের হস্তক্ষেপে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুকে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়।তদন্তে হামামি একাই এই পরিকল্পনা করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল। সাম্প্রতিক কয়েকটি প্রতিবেদনে তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এখনও পর্যন্ত হামামির সঙ্গে কোনও সংগঠিত গোষ্ঠীর যোগসূত্রের প্রমাণ সামনে আসেনি এবং সে একাই কাজ করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে এবং তার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের তদন্তকারী সংস্থা খোঁজখবর করছে।এদিকে আরও একটি দাবি সামনে এসেছে। হামামি নাকি ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দেওয়ার আগেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল। জুলাই মাসেও তার একটি পরিকল্পনা ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত কেন বাতিল হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। এমনকি তেল আভিভগামী উড়ানের জন্যই সে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর হামামির আগের উড়ান-জীবন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কারণে ওমানের একটি বিমান সংস্থা আগে তাকে উড়ানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। তবে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি এখনও তদন্তাধীন এবং হামামির অতীত সম্পর্কে সব তথ্যের সরকারি নিশ্চিতকরণ হয়নি।গত বুধবারের সেই ঘটনার সময় বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। ককপিটে হামলার পর বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। স্মিতের প্রতিরোধ, ককপিটের দরজা খোলা এবং যাত্রী ও অন্য পাইলটদের দ্রুত হস্তক্ষেপের জেরেই বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তদন্তে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে হামামির চূড়ান্ত উদ্দেশ্য, তার সঙ্গে অন্য কারও যোগাযোগ ছিল কি না এবং বিমানটি ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলএই প্রশ্নগুলির তদন্ত এখনও চলছে।

অক্টোবর ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal