• ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tab

বিদেশ

এ এক অনবদ্য শ্রদ্ধার্ঘ! জাকির হোসেনের সমাধিস্থলে উত্তরসূরি হিন্দোল

২০২৪-র ডিসেম্বরের ১৫তে ৭৩ বছর বয়সে প্রবাদ প্রতিম তবলিয়া ওস্তাদ জাকির হুসেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে পরলোক গমন করেন। তাঁর দেহ আমেরিকার ৩০১, টেনেসি ভ্যালি রোড, মিল ভ্যালি তে ফার্নউড কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয়। অসংখ্য গুণগ্রাহী ছাড়াও পৃথিবীর সমস্ত স্তরের সঙ্গীত শিল্পীরা শোকসন্তপ্ত হয়ে পরেন। ওস্তাদ জাকির হুসেন ১৯৫১ র ৯ই মার্চ ভারতের বোম্বেতে (বর্তমান মুম্বই) জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন প্রবাদ প্রতিম তবলা বাদক ওস্তাদ আল্লা রাখা। মাত্র তিন বছর বয়স থেকে জাকির হোসেন তাঁর পিতার কাছে তবলা বাজানোর তালিম নেওয়া শুরু করেন।ভারতবর্ষ থেকে কয়েক হাজার যোজন দূরে এই মহামানবের সমাধিস্থল দর্শনের সৌভাগ্য খুব কম জনেরই হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৮ মে প্রথিতযশা তবলিয়া পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার তাঁর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধার্ঘ জ্ঞ্যাপন করতে যান। তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন তাতে দেখা যাচ্ছে হিন্দোল মজুমদার জাকির হোসেনের সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে তবলার বোল উচ্চাড়ন করে তাঁকে শ্রদ্ধার্ঘ দিচ্ছেন। এই অভুতপূর্ব দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগ প্রবন হয়ে পরেন। প্রসঙ্গত, জাকির হোসেনের পিতা ওস্তাদ আল্লা রাখা এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছিলেন, জাকিরের জন্মের পর তাঁদের প্রথা মত পিতার সন্তানের কানে আজানের বানি শোনানোর পরিবর্তে আল্লা রাখা জাকিরের কানে তিনতালের বোল শুনিয়েছিলেন। হিন্দোলের এই শ্রদ্ধার্ঘ অনেককেই সেই নাস্টালজিয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিলো।তিনি তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, আজ আমি ওস্তাদ জাকির হোসেন জির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছি, কখনও ভাবিনি কিংবদন্তিকে এইভাবে দেখব, এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না যে সঙ্গীতের জগৎ তাকে ছাড়া থাকবে - তাঁর আত্মা চির শান্তিতে বাস করুক-ওম শান্তি। হিন্দোল মজুমদার কে জাকিরজির সমাধিস্থলে নিয়ে আসার জন্য প্রতিভাবান সরোদ বাদক সৌরদীপ ভট্টাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান।পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার জনতার কথাকে জানান, জাকির জি আমাদের মতো তবলিয়াদের কাছে একজন পথিকৃৎ বা মশিয়াহ। তাঁকে এবং পন্ডিত স্বপন চৌধুরী জি মত তবলিয়া কে সামনে রেখেই আমাদের বেড়ে ওঠা। তিনি জানান জাকির জি ছিলেন আমার খলিফা। আমার গুরু প্রয়াত পন্ডিত শঙ্খ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ওস্তাদ আল্লা রাখার শিষ্য। তিনি আরও জানান তবলা কে যে উচ্চতায় জাকির জি নিয়ে গেছেন সেটা অনুধাবন করার মত সময় এখনো আসেনি। হিন্দোল মজুমদার আরও জানান, জাকির জি ও পণ্ডিত স্বপন চৌধুরী কে দেখেই তাঁদের সমসাময়িক তবলা শিল্পীরা ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারে আমেরিকা ও ইউরোপে এসে নারা বাঁধেন। সেই পরম্পরা আজও চলছে। আমরা তাঁদের দেখানো পথই অনুসরন করে চলেছি।তিনি জানান, জাকির জি বছরের বেশীরভাগ সময়ই পরিবারের সাথে আমেরিকাতে কাটাতেন, ২-৪ মাস ভারতে এসে বিভিন্ন কনসার্টে অংশগ্রহণ করতেন। আরও জানান, জাকির জির সাথে বহুবার সাক্ষাত হয়েছে। তাঁর মত গুরু, অগ্রজ, উদারমনা মানুষ বিরল। হিন্দোল মজুমদার বলেন, জাকির জির রসিকতা বোধ ও ছিলো অসাধরণ। তিনি আরও জানান জানান, জাকির জির মৃত্যুর কয়েক মাস আগেই আমার গুরু পন্ডিত শঙ্খ চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হন। পরপর দুটি ধাক্কা সামলানো খুব-ই কঠিন ছিলো আমার কাছে। অনেকদিন ধরেই জাকির জির সামাধি স্থল দর্শন করার ইচ্ছা ছিল, সেই সুযোগ পেলাম। তাঁকে তবলার বোল ছাড়া কি দিয়েই বা শ্রদ্ধা জানাতে পারি? তাই সমাধিস্থলের পাশে দাঁড়িয়ে ওনার পিতা ওস্তাদ আল্লা রাখা জির কম্পোজিসন করা রুপক তালের ওপর একটি বোল পাঠ করি।পণ্ডিত হিন্দোল মজুমদার জাকির হোসেনের সামাধিস্থল ঘুরে এসে কিছুটা ব্যথিত-ও। তিনি জনতার কথা কে জানান, তাঁর মত মানুষের সমাধি এতটা মলিন, এটা মেনে নেওয়া খুব কষ্টকর। তিনি জানান, আমার স্থির বিশ্বাস তাঁর অগণিত গুনাগ্রাহী এই দৃশ্য দেখে ভীষণভাবে মর্মাহত হবেন। তিনি আরও বলেন, আমার বিশ্বাস এই সমাধি তাঁর জন্মস্থান ভারতে হলে সেটাই আজ একটা দর্শনীয় স্থানে পরিণত হত। তবে তিনি জানিয়েছেন জাকির জির পরিবারের সাথে কথা বলে জাকির প্রেমী মানুষজনকে নিয়ে কিছু একটা ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন। অন্তত একটা সাইনেজ ও যেন লাগানো যায়, যাতে কেউ শ্রদ্ধা জানাতে এসে জায়গাটাকে সঠিকভাবে সনাক্ত করতে পারেন।

মে ০৯, ২০২৫
রাজ্য

নতুন বছরের শুরু থেকে পূর্ব রেলওয়ের নতুন টাইম টেবিল, বাড়ছে ট্রেনের গতি

রেলওয়েতে নতুন টাইম টেবিল চালু হতে চলেছে নতুন বছরের শুরুর দিন থেকে। এর ফলে ট্রেন চালানোর অ্যালগরিদমের যথেষ্ট উন্নতির পাশাপাশি পথের অপ্টিমাইজেশনের ফলে ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা। ভ্রমণের সময় এই হ্রাস পরিচালনমূলক নমনীয়তা বৃদ্ধি করবে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও ট্রেনের ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা করবে। কলকাতার পুরাতন কৈলাঘাট বিল্ডিং-এ তার সভা কক্ষে মঙ্গলবার প্রিন্সিপাল চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার, ইস্টার্ন রেলওয়ে, উদয় শঙ্কর ঝা, এক সাংবাদিক বৈঠকে পূর্ব রেলের নতুন টাইম টেবিলের বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করেন।উদয় শঙ্কর ঝা আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই উন্নতি হল সারা বছর ধরে পরিচালিত নিবেদিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের ফলাফল এবং পূর্ব রেলের বিভিন্ন বিভাগে 3য়/4র্থ লাইন চালু করার ফলে যাত্রীরা দ্রুত এবং আরও উন্নতমানের ট্রেনযোগের জন্য অপেক্ষা করতে পারে। যাত্রা অবকাঠামো এবং ট্র্যাকগুলির আপগ্রেডগুলি ভ্রমণের সময়কে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে, রেল ভ্রমণে আরও আকর্ষণীয় বিকল্পগুলি তৈরি করবে। মেল/এক্সপ্রেস, প্যাসেঞ্জার ট্রেন এবং লোকাল ট্রেনের সময়ে বড় পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন ট্রেনের প্রবর্তন, ডাইভারশন, সময় পরিবর্তন, ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি, ট্রেনের পুনঃসংখ্যা ইত্যাদি যা নতুন সময় সারণীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শ্রী ঝা যাত্রীদের সুবিধার জন্য আরও ভাল পরিষেবা বজায় রাখার জন্য বৈধ যাত্রার টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করার জন্য যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।নতুন টাইম টেবিলের প্রধান বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে একটি নতুন কৃষ্ণনগর-রানাঘাট লোকাল এবং দুটি হাওড়া-সিঙ্গুর লোকালের (একটি তারকেশ্বর পর্যন্ত এবং অন্যটি হরিপাল পর্যন্ত) এর বর্ধিতকরণের ব্যবস্থা রয়েছে যা যাত্রীদের শহরতলির বিভাগের প্রয়োজন অনুসারে। ৪২টি গুরুত্বপূর্ণ মেল/এক্সপ্রেস ট্রেনের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা হয়েছে। অধিকন্তু, ৭২টি মেল/এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সময় ০৫ মিনিট থেকে কমিয়ে ৫৫ মিনিটে এবং ৮টি যাত্রীবাহী ট্রেনের গতি বাড়ানো হবে (EMU/MEMU/DEMU সহ) তাদের যাত্রার সময় ০৬ মিনিট থেকে ২০ মিনিটে কমবে।উল্লেখ্য যে, ৮৬টি প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ৪৪টি DEMU যাত্রী এবং ১৪৬টি MEMU যাত্রী একটি নতুন নম্বর দিয়ে চলবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪
রাজ্য

ট্যাবের টাকা কোথায়? মালদা থেকে সাইবার ক্যাফের মালিককে গ্রেফতার বর্ধমান পুলিশের

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের হাতে ধরা পড়লো মালদার সাইবার ক্যাফের এক মালিক। অভিযুক্ত যুবকের ট্যাব কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার ঘটনা জানাজানি হতে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সোমবার গভীর রাতে মালদার বৈষ্ণবনগর থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাড়ি থেকেই সাইবার ক্যাফের মালিক হাসেম আলীকে গ্রেফতার করে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার মালদা আদালতের মাধ্যমে ধৃতকে সাত দিনের জন্য ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছে তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ট্যাব কেলেঙ্কারির পান্ডা এই হাসেম আলীর মাধ্যমে প্রচুর সূত্র বেরিয়ে আসতে পারে। কারা এতদিন ধরে ছাত্রদের লক্ষ লক্ষ টাকা গায়েব করার পিছনে যুক্ত রয়েছে, সেটিও জানতে তৎপর তদন্তকারী পুলিশকর্তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণবনগর থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা হাসেম আলী। তার বৈষ্ণবনগরের এমএলএ মোড়ে রাস্তার ধারে ছোট্ট একটি সাইবার ক্যাফের দোকান রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পাশ ওই যুবক যে বিশেষ কায়দায় পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক বিষয়ে পারদর্শী তা জানতে পেরেও হতবাক হয়েছে পুলিশ। ধৃত হাসেম আলীর কাছ থেকে তিন বছরের একটি কম্পিউটার সার্টিফিকেট উদ্ধার করেছে পুলিশ ।জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস জানিয়েছেন, ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে গত জুলাই মাসে হাসেম আলি একটি মোবাইল ফোন মাধ্যমে বাংলার শিক্ষা পোর্টাল অ্যাকসেস করে। সাথে সাথে হাসেম নিজেও একটি অ্যাকাউন্ট মোডিফাই করেছিল। এই কাজে হাসেম যে মোবাইলটি ব্যবহার করতো সেটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। এই ঘটনায় হাসেমের সঙ্গে আরও কিছু জন জড়িত থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথাও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন। বর্ধমান জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে হাসেম আলী তার মোবাইল ফোনে বাংলা শিক্ষা পোর্টালে ঢুকে। এরপরই পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টের তথ্য বদলে দেয় বলে পুলিশ এখনও পর্যন্ত জানতে পেরেছে। তারপরে ধীরে ধীরে এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে ধৃত হাসেম আলী। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ট্যাব কেলেঙ্কারিতে শুধু হাসেম আলী একা জড়িত নয়। এর পিছনে অনেক বড় বড় মাথা রয়েছে। সেইসব পান্ডাদের সন্ধান পেতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মালদা আদালতের কাছে ট্রানজিট রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে বর্ধমান পুলিশ। ধৃত হাসেম আলির মা নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলেকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ও যদি সত্যি এই কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে থাকত, তাহলে আজকে আমাদের আধা কাঁচা, আধা পাকা বাড়িতে থাকতে হত না। আমার ছেলের কোনওরকম বিলাসবহুল জীবনযাত্রাও ছিল না। সাদামাটা ভাবেই থাকতো। তারপরেও হঠাৎ করে পুলিশ এসে ছেলেকে ভিত্তিহীন অভিযোগে ধরে নিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে নির্দোষ। উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রায় শতাধিক পড়ুয়ার পাশাপাশি মালদার গাজোল, হবিবপুর এবং হরিশ্চন্দ্রপুরের তিনটি বিদ্যালয়ের প্রায় দেড়শ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। ঘটনাটি সামনে আসতেই মালদার জেলাশাসকের নির্দেশে শুরু হয় তদন্ত। তিনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে এফআইআর করে জেলা শিক্ষা দপ্তর। এরই মধ্যে সোমবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ মালদায় হানা দিয়ে ট্যাব কেলেঙ্কারিতে হাসেম আলী নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার সেই মোবাইল ফোনও।

নভেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

শিয়ালদা-সেক্টর ফাইভে সারাদিনে কত মেট্রো চলবে, কখন ছাড়বে, কত সময় অন্তর চলবে, জানুন সূচি

ইতিমধ্যে শিয়ালদা স্টেশন থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। মাঝে একটা দিন পর বৃহস্পতিবার শুরু হবে শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে মেট্রোর ছোটার পালা। আইটি সেক্টর ছাড়াও হাজার হাজার অফিসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে এই মেট্রো চালু হলে{ কলকাতা মেট্রো রেল এই পথের সূচিও প্রকাশ করেছে সাধারণের সুবিধার জন্য।বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মেট্রো রেলওয়ে কলকাতার জানিয়েছে, শিয়ালদা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত দিনে ১০০টি মেট্রো চলাচল করবে। ৫০টি আপ, ডাউনে থাকবে ৫০টি। তবে আপাতত রবিবার এই রুটে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। শিয়ালদা স্টেশন থেকে আপ-এ সেক্টর ফাইভ অভিমুখে প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল ৬.৫৫ মিনিটে। ডাউনে সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত প্রথম মেট্রো ছাড়াবে সকাল ৭টা থেকে। শিয়ালদা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভের উদ্দেশ্যে দিনের শেষ মেট্রো রওনা দেবে রাত ৯.৩৫ মিনিটে। অন্যদিকে সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদার দিকে শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ৯.৪০ মিনিটে।প্রথম দু ঘন্টা অর্থাৎ সকাল ৬.৫৫-৮.৫৫ মিনিট, শিয়ালদা স্টেশন থেকে ২০ মিনিট অন্তর মেট্রো যাতায়াত করবে। তার পরের দুঘন্টা অর্থাৎ ৮.৫৫-১০.৫৫, মেট্রো উভয় দিক থেকেই ১৫ মিনিট অন্তর চলবে। ১০.৫৫ থেকে ৪.৫৫ পর্যন্ত ওই পথে মেট্রোর সময়ের ব্যবধান ফের সকালের মতো ২০ মিনিট হবে। অফিসয়াত্রীদের ফেরার সময় ৪.৫৫ থেকে ৭.৫৫ পর্যন্ত ফের মেট্রো চলবে ১৫ মিনিট। রাতে ৭.৫৫ থেকে ৯.৯৫ অবধি মেট্রোর চাকা গড়াবে ২০ মিনিট অন্তর অন্তর।

জুলাই ১২, ২০২২
দেশ

বায়ুসেনার ট্যাবলোয় শোভা বাড়ালেন রাফালের প্রথম মহিলা পাইলট শিবাঙ্গী সিং

৭৩ তম সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এই বছরও রাজধানীর রাজপথে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছিল। এই কুচকাওয়াজে দেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ট্যাবলো কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। এইবার সেই কুচকাওয়াজেই অংশগ্রহণ করলেন ভারতের প্রথম মহিলা যুদ্ধবিমান ফাইটার যিনি রাফাল যুদ্ধবিমান উড়িয়েছেন। বুধবার প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতীয় বায়ুসেনার ট্যাবলোতে অংশগ্রহণ করেন শিবাঙ্গী সিং। শিবাঙ্গী হলেন দ্বিতীয় মহিলা যুদ্ধবিমানের পাইলট যিনি বায়ুসেনার ট্যাবলোতে অংশ নিয়েছেন। এর আগে ভাবনা কান্ত বায়ুসেনার ট্যাবলোতে মহিলা যুদ্ধবিমান পাইলট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।The first woman fighter pilot on the Rafale combat aircraft, Flight Lieutenant Shivangi Singh at the Indian Air Force (IAF) tableau today.#RepublicDayParade pic.twitter.com/vXDFVlAI12 ANI (@ANI) January 26, 2022২০১৭ সালে শিবাঙ্গী সিং ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। তাঁকে ভারতীয় বায়ুসেনার মহিলা যুদ্ধবিমানের পাইলট দ্বিতীয় ব্যাচে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট হওয়ার আগে শিবাঙ্গী মিগ-২১ বাইসন বিমান উড়িয়েছিলেন। শিবাঙ্গী বারাণসীর বাসিন্দা। পঞ্জাবের আম্বালায় অবস্থিত আইএএফকে এর গোল্ডেন অ্যারোস স্কোয়াড্রনের অংশ তিনি। ২০২০ সালে, শিবাঙ্গী সিং একটি কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। এবং রাফাল পাইলট হিসাবে নির্বাচিত হন। তিনিই প্রথম মহিলা পাইলট যিনি রাফাল যুদ্ধবিমানের পাইলট হন।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

দিল্লিতে সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলো বাতিলের প্রতিবাদে হাওড়ায় বাংলা পক্ষর বিক্ষোভ কর্মসূচি

দিল্লিতে ২৬ শে জানুয়ারী সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাংলার তৈরি ট্যাবলো বাতিল করেছে বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত কেন্দ্র সরকার। বিজেপি শাসিত দিল্লি সুভাষের শত্রু। বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি। এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ হাওড়া জেলার পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি হল হাওড়ার রামরাজাতলায় কলাবাগান এলাকায় নতুন রাস্তার মোড়ে সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির পাদদেশে।থ্রেডে যাও, ভোট দাও। #AntiNetajiBJP https://t.co/WTLVWScKpd বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) January 17, 2022বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে দাবি ওঠে, বাংলাকে বঞ্চনা করা চলবে না। বাংলার ট্যাবলোকে দিল্লির কুচকাওয়াজে স্থান দিতে হবে। সুভাষচন্দ্র বসু সারা ভারতের, কিন্তু তিনি অনেকের কাছে রাজনীতির কাঁচামাল মাত্র। কিন্তু বাংলা ও বাঙালির কাছে হৃদয় সম্রাট তিনি। স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালির অবদান সবথেকে বেশি ছিল। তাই বাংলার তৈরি সুভাষ চন্দ্র বসু ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ কেন্দ্রিক ট্যাবলোর অনুমতি দিতে হবে। না-হলে লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

"নেতাজি" সুভাষচন্দ্র বসু-র ট্যাবলো বাতিল করলো কেন্দ্র সরকার, প্রতিবাদে মুখর 'বাংলা পক্ষ'

একদিকে যখন বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করছে এই বছর ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, সরকার আরও জানিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০১৯ এ নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার, এবং এই উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ অনুষ্টানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অদ্ভুত ভাবে সেই সরকারই ২৬ শে জানুয়ারী-র সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ উপলক্ষে বীর সুভাষ ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ-কে কেন্দ্র করে তৈরি বাংলার ট্যাবলো বাতিল করেছে। একই সরকারের এই দ্বিমুখী আচরণে অবাক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজন।এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষি কোনও ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এই বাংলা প্রেমী সংগঠন। তাঁরা তাদের টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। জনতার কথার প্রতিনিধি কে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত দিল্লির কেন্দ্র সরকার। বিজেপি ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্র সরকারের সর্বদাই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী চরিত্র দেখি আমরা।আরও পড়ুনঃ নেতাজির জীবন নিয়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলেবাংলা পক্ষ-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যখন বাঙালি বীর সন্তানরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিচ্ছে তখন আরএসএস ব্রিটিশের দালালি করতো। ইতিহাসক্রমেই বিজেপি ও আরএসএস (RSS) সুভাষ বিরোধী। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসে সুভাষের নামাঙ্কিত বাংলার ট্যাবলো বাতিল হওয়ায় দিল্লির সুভাষ বিরোধিতা আরও প্রকট ভাবে প্রকাশিত হল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঙালি বিরোধী বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে ধিক্কার জানিয়ে ট্যুইটার প্রচার শুরু করেছে বাংলা পক্ষ। যদিও এবিষয়ে আরএসএসের কোনও মন্তব্য মেলেনি।বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, বাঙালিদের তাঁরা আহ্বান জানাচ্ছেন #AntiNetajiBJP হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইটারে ঝড় তোলার জন্য। এছাড়াও আরও একটি হ্যাসট্যাগ #BengalNetajibannedinDelhi তাঁরা ব্যবহার করছেন এই প্রচারে। হাজার হাজার ট্যুইটের মাধ্যমে সুভাষচন্দ্রের অমর্যাদার প্রতিবাদে গর্জে ওঠার আবেদন তাঁরা রাখছেন সমগ্র ভারতীয়দের কাছে। তাঁরা জানিয়েছেন সুভাষচন্দ্র শুধু বাঙালির গর্ব নয় সমগ্র ভারতবর্ষের অলঙ্কার।কৌশিক মাইতি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলা পক্ষ এই ট্যুইটার প্রচারে আরও কয়েকটি দাবি রেখেছে সেগুলি হলঃ১. সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত ফাইল প্রকাশ করতে হবে।২. ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই।৩. ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Drishyam 2 : 'দৃশ্যম ২' এর শুটিং শুরু হবে খুব শীঘ্রই

অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। খুশির খবর পেতে চলেছেম টাবুর ভক্তরা। অভিনেত্রী শীঘ্রই অজয় দেবগন, শ্রিয়া সরন এবং ইশিতা দত্তের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত হিন্দি সিক্যুয়েল দৃশ্যম ২ এর শ্যুট শুরু করবেন।দৃশ্যম এর প্রথম অংশে দেখা গেছে মীরা দেশমুখের ছেলে (টাবু) নিখোঁজ হলে অজয় দেবগনের পরিবার সন্দেহের মধ্যে পড়ে। টাবু একজন কঠোর পুলিশ এবং মায়ের ভূমিকায় অব্যাহত আছেন যিনি ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য কোন খামতি রাখেন না। তার অভিনয় তার পর্যালোচনা, পুরস্কার, এবং দর্শকদের কাছ থেকে ভালোবাসা জিতেছে।এই বছরের মে মাসে কুমার মাঙ্গাত পাঠক এবং অভিষেক পাঠকের প্যানোরামা স্টুডিওস ইন্টারন্যাশনাল ঘোষণা করেছিল যে এটি মালায়ালাম হিট ছবি দৃশ্যম ২ - দ্য রিজাম্পশন এর হিন্দি রিমেক হতে চলেছে। দৃশ্যম ২ দ্য রিজাম্পশন, ২০১৩ সালের মালায়ালাম চলচ্চিত্র দৃশ্যম -এর সিক্যুয়েল প্রথম অংশের ঘটনার ছয় বছর পর সংঘটিত হচ্ছে। এটি জর্জকুট্টি (মোহনলাল) এবং তার পরিবারের সংগ্রামকে অনুসরণ করে যারা আবার পুলিশের মহাপরিদর্শকের নিখোঁজ ছেলের জন্য সন্দেহের কবলে পড়ে।দৃশ্যম ২ছাড়াও বিশাল ভরদ্বাজের ছবি খুফিয়া তে অভিনয় করতে দেখা যাবে টাবু কে। যে ছবিটি মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে। হায়দার-এর পর বিশাল ভরদ্বাজের সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাবে টাবু কে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Manika Batra : মনিকাকে হোটেলের ঘরে কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন সৌম্যদীপ রায়?‌

ভারতীয় টেবিল টেনিস দলের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুললেন অলিম্পিয়ান মনিকা বাত্রা। নিজের অ্যাকাডেমির ছাত্রীর সুবিধার জন্য ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে সৌম্যদীপ নাকি হোটেলে মনিকার ঘরে গিয়েছিলেন। এমনই অভিযোগ করেছেন এই ভারতীয় মহিলা টেবিল টেনিস তারকা।টোকিও অলিম্পিক থেকেই বিতর্কে রয়েছেন মনিকা বাত্রা। অলিম্পিক চলাকালীন তিনি জাতীয় কোচ সৌম্যদীপ রায়ের সাহায্য নিতে অস্বীকার করেছিলেন। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর এই কারণে মনিকা বাত্রাকে শোকজ করেছিল ভারতের টেবিল টেনিস ফেডারেশন। তাঁর উত্তর দিতে গিয়েই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন মনিকা। অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ দিতেও তিনি প্রস্তুত।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুসৌম্যদীপের বিরুদ্ধে এই রকম মারাত্মক অভিযোগ মেনে নিতে পারছেন না বাংলার টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সচিব শর্মি সেনগুপ্ত। তিনি বলছিলেন, সৌম্যদীপ ৪ বছর দারুণ কাজ করছে। ওকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। সৌম্যদীপ এই ধরণের বোকামি করতে পারে বলে আমার মনে হয় না। অহেতুক কেন ও ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিতে যাবে বুঝতে পারছি না। যাইহোক, এটা সর্বভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের বিচারাধীন বিষয়। সঠিক তদন্ত করে আসল তথ্য বার করবে।মনিকা বাত্রার আচরণেও অবাক শর্মি সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, মনিকাকেও দীর্ঘদিন ধরে চিনি। খুবই ভাল মেয়ে। নিজের খেলা নিয়ে এতটাই মগ্ন থাকে, অন্য বিষয়ে মাথা গলায় না। মোবাইল পর্যন্ত নিজের কাছে রাখে না। খেলার প্রতি এতটাই ডেডিকেশন। সেই মেয়ে এই ধরণের অভিযোগ করছে, এটা ভাবার বিষয়। তবে অলিম্পিকে সৌম্যদীপকে বসতে বলে ঠিক করেনি।আরও পড়ুনঃ ফোনে কথা বলছেন নার্স, ভ্যাকসিন পড়ল পর পর ৩ ডোজ!ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন যে শোকজ করেছিল, তার জবাবে মনিকা বলেছেন, মার্চে দোহায় টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ চলছিল। ওর অ্যাকাডেমির এক ছাত্রীকে ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আমার হোটেলের ঘরে এসেছিলেন সৌম্যদীপ রায়। প্রায় ২০ মিনিট আমার ঘরে ছিলেন। আমি সেই প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দিই। ওটা আমার কাছে ম্যাচ ফিক্সিংয়েরই সামিল। অলিম্পিকে সৌম্যদীপের কাছে পরামর্শ নিতে গেলে ওই ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের ঘটনা মাথায় আসত। আমার খেলায় প্রভাব ফেলতে পারত। সেই কারণেই সৌম্যদীপকে কোচ হিসেবে বোর্ডের পাশে দেখতে চাইনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই ঘটনার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। যথাসময়ে প্রমাণ পেশ করার জন্য তিনি তৈরি।সৌম্যদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলেও ঠিক কোন ছাত্রীর জন্য তিনি ম্যাচ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অনুমান করা হচ্ছে সুতীর্থা মুখার্জির জন্য তিনি মনিকার কাছে যেতে পারেন। কারণ, সুতীর্থা সৌম্যদীপ রায়ের অ্যাকাডেমির ছাত্রী। অলিম্পিকের পর মনিকা বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বলে যে জল্পনা চলছিল তাঁর বিস্ফোরক চিঠি গোটা ঘটনাকেই অন্য মোড় দিল। মনিকার অভিযোগ সত্যি হলে তা প্রাক্তন অলিম্পিয়ান সৌম্যদীপের পক্ষেও কলঙ্কজনক অধ্যায়ই হবে। সৌম্যদীপ রায় অবশ্য এখনও মনিকার অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি। তাতে রহস্য বাড়ছে। মনিকার অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে ফেডারেশনও। সৌম্যদীপের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। জাতীয় শিবিরে কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সৌম্যদীপকে মনিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁর বক্তব্য পেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেই উত্তর এলে তবেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবে ফেডারেশন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Silver Medal: সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকার

টোকিও অলিম্পিক দেশের টেবিল টেনিস তারকারা ব্যর্থ। শরৎ কমল, মনিকা বাত্রাদের সেই ব্যর্থতা প্যারালিম্পিকে ঢেকে দিয়েছেন ভাবনাবেন হাসমুখভাই প্যাটেল। প্রতিযোগিতা থেকে রুপো জিতে ইতিহাস রচনা করেছেন দেশের প্যারা অ্যাথলিট। ফাইনালে চীনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। সোনা অধরা থেকে গেলেও তাঁর সেই সাফল্যকে স্বীকৃতি জানিয়ে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন। গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকেও আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভাবনাবেনকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!গুজরাটের মেহসানা জেলার সন্ধিয়াতে থাকেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তাঁর সাফল্যে গর্বিত গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি অভিনন্দন জানিয়েছেন এই প্যারা আথলিটকে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ভাবনাবেনের সাফল্যে খুশি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি দুশ্যন্ত চৌতালাও ভাবনাবেনকে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনা প্যাটেলকে আর্থিক পুরস্কার হিসেবে ৩১ লক্ষ টাকা দেবে ফে়ডারেশন। ভারতীয় প্যারা টেবিল টেনিস তারকার ইচ্ছাশক্তি, মানসিকতা ও মনের জোরের প্রশংসা করেছেন দুশ্যন্ত। ভাবনার আগামী দিনের সফলতাও কামনা করেছেন তিনি। টোকিও অলিম্পিকে সাফল্য পাননি টেবিল টেনিস তারকারা। শরথ কমল, মনিকা বাত্রা, জি সাথিয়ান, সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় মিক্সড ও সিঙ্গলস ইভেন্টে সবাই ব্যর্থ। সেই ব্যর্থতা ভুলিয়ে টোকিও প্যারালিম্পিকে ভাবিনার রুপো দেশের অন্যান্য টেবিল টেনিস তারকার কাছে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরটোকিও প্যারালিম্পিকে মহিলাদের সিঙ্গলস ক্লাস ফোর ইভেন্টের ফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা পাঁচটি প্যারালিম্পিক সোনাজয়ী চিনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরেও দেশের জন্য রুপো নিশ্চিত করেছেন ভাবিনা প্যাটেল। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। ম্যাচ হারলেও ভাবিনার লড়াইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুথ হয়েছে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রটোকিও প্যারালিম্পিক থেকে পাওয়া পদক দেশকে উৎসর্গ করেছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তবে তিনি স্বীকার রে নিয়েছেন, রবিবার তিনি নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন না। ম্যাচ শুরুর আগে তিনি মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন ভাবনাবেন। তাঁর কথায়, ফাইনালে নিজের গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আগামী দিনে দেশের হয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব।আরও পড়ুনঃ এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতারটোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনাবেন প্যাটেলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। নিজের রাজ্য গুজরাতের পাডলারকে অনুপ্রেরণা বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। ভাবনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, শচী তেন্ডুলকর, অভিনব বিন্দ্রা সহ গোটা দেশ।

আগস্ট ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal : অলিম্পিকের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় শরথ কমলের

অলিম্পিক থেকে পদক জিতে দেশে ফিরবেন। এই স্বপ্ন নিয়েই টোকিও গিয়েছিলেন। স্বপ্নপূরণ হল না শরথ কমলের। তৃতীয় রাউন্ডে চানের মা লংয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক অভিযান শেষ এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ম্যাচের ফল ৪১। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিলেন শরথ কমল। ৪২ ব্যবধানে জিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃতীয় রাউন্ডে। এদিনও চীনের মা লংএর কাছে প্রথম গেম হেরে পিছিয়ে পড়েছিলেন। দ্বিতীয় গেমে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেও শেষ রক্ষা হল না।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াপ্রথম গেমের শুরুতেই ৩৫ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছিলেন শরথ কমল। সমতা ফিরিয়ে ৫৫ করেন। এরপর টানা ৪টি পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৯৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান মা লং। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি শরথ কমল। ১১৭ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমে শুরু থেকেই লড়াই জমে ওঠে একসময় ৮৪ পয়েন্টে শরথ কমল এগিয়ে গেলেও সমতা ফেরান মা লং। ৮৮ অবস্থা থেকে টানা ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে গেম জিতে নেন শরথ।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩তৃতীয় গেমেও সেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বিশ্বের ২ নম্বর তারকাকে বিন্দুমাত্র জমি ছাড়েননি এই ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা। তবে তিনতিনবার গেম পয়েন্ট বাঁচিয়েও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ১৩১১ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে যান মা লং। চতুর্থ গেমে শরথ কমলকে একেবারেই দাঁড়াতে দেননি চীনের এই টেবিল টেনিস তারকা। ১১৪ ব্যবধানে গেম জিতে নেন। ৩১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার আশা কার্যত শেষ হয়ে যায় শরথ কমলের। পঞ্চম গেমেও একেবারেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। ১১৪ ব্যবধানে উড়ে যান।

জুলাই ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal: ‌অলিম্পিক টিটি–র তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমল

অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন নিয়েই এবার টোকিও পাড়ি। সেই স্বপ্নের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা শরথ কমল। পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়াকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষদের সিঙ্গলসের তৃতীয় রাউন্ডে পৌছে গেলেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমলের থেকে বেশ কয়েকধাপ পিছিয়ে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমল রয়েছেন ৩২ নম্বরে। অন্যদিকে, থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া রয়েছেন ৫৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও শরথ কমলকে যথেষ্ট বেগ দিয়েছিলেন পর্তুগালের এই তারকা।প্রথম গেমে শরথ কমলকে দাঁড়াতেই দেননি থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। ১১২ পয়েন্টে গেম জিতে নেন। জড়তা কাটিয়ে দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ফিরে আসেন শরথ কমল। ১১৮ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শরথ কমল। ১১৫ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে নেন। চতুর্থ গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। দুর্দান্ত লড়াই করে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান।ম্যাচে সমতা ফেরায় পরই যেন সম্বিত ফেরে শরথ কমলের। পঞ্চম গেমে আবার জ্বলে ওঠেন। ১১৬ পয়েন্টে জিতে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ষষ্ঠ গেমে অবশ্য লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। একসময় স্কোর ছিল ৯৯। সেখান থেকে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান শরথ কমল। তৃতীয় রাউন্ডে তাঁর সামনে চীনের মা লং।২০০৪ সালে এথেন্স অলিম্পিকে প্রথম খেলার সুযোগ পান শরথ কমল। সাফল্য পাননি। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকেও সেই ব্যর্থতা। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি। এশিয়ান কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ইরানের নোশাদ আলামিনানকে হারিয়ে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু রোমানিয়ার আদ্রিয়ান ক্রিসানের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল শরথ কমলকে। ভাল প্রস্তুতি নিয়েই যে এবার টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন শরথ কমল, প্রথম রাউন্ড থেকেই প্রমাম দিয়ে যাচ্ছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sutirtha Mukherjee : অলিম্পিক টিটি–র দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় বঙ্গতনয়া সুতীর্থার

প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।

জুলাই ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

ফের অপারেশন টেবিলে বিগ বি

ফের অপারেশন টেবিলে বিগ বিআবারও অস্ত্রোপচার হতে চলেছে বিগ বির। ব্লগে নিজেই এই খবর জানিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। কীসের অপারেশন, তার বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি তিনি। লিখেছেন, স্বাস্থ্যের পরিস্থিতিঅপারশনআর কিছু লিখতে পারছি না। ব্লগ দেখে বিগ বির দ্রুত সুস্থতা প্রার্থনা করেছেন তাঁর অজস্র অনুরাগী।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১
কলকাতা

ভোটের ভেট, ট্যাবের পর ফুটবল

একেই বলে ভোটের বালাই। বিধানসভা ভোটের আগে স্কুলে স্কুলে ফুটবল বিতরণের কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে সাইকেল, বই, খাতা, পোশাক ও জুতো পায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের ট্যাব কেনার জন্য সবাইকে ১০ হাজার করে টাকা পাঠানো হচ্ছে। এবার, ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলায় আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে স্কুলে ফুটবল পাঠানোর কথা ভাবছে সরকার।করোনা অতিমারি সংক্রমণ রুখতে মার্চ মাস থেকে টানা স্কুল বন্ধ। তবে প্রত্যেকের মিড-ডে মিলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণে ছেদ পড়েনি। আগামী মাসে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চালু করার পরিকল্পনা চলছে। রাজ্যের জেলবন্দি আসামিদের বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দেওয়া হয়। কেউ ছবি আঁকেন, কেউ ছেনি-হাতুড়ি হাতে স্থাপত্যকলায় মনোনিবেশ করেন। গান, আবৃত্তি, অভিনয়-সহ নানা সাংস্কৃতিক কাজেও আসামিদের উৎসাহ দেয় কারা দফতর। কিছুদিন আগে সংশোধনাগারের সদস্যরা এক লক্ষ ফুটবল তৈরি করেছেন। কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস জানিয়েছেন, সংশোধনাগারের সদস্যদের তৈরি ৫০ হাজার ফুটবল ইতিমধ্যে বিভিন্ন ম্যাচে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি ফুটবলগুলো পড়ে আছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সেগুলো স্কুলে বিতরণের কথা ভাবা হচ্ছে। এই কারণে আসামিদের হাতে তৈরি ফুটবল স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ করাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছে সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
রাজ্য

সাড়ে ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে ট্যাব দেবে সরকারঃ মমতা

করোনা পরিস্থিতির জেরে অনলাইনে চলছে ক্লাস। কিন্তু যাদের স্মার্টফোন নেই, তারা অনলাইন ক্লাস করতে পারছে না। এবার সেই সমস্যার সমাধানে কল্পতরু হয়ে এগিয়ে এল রাজ্য সরকার। অনলাইন ক্লাসের সুবিধার্থে রাজ্যের সাড়ে ৯ লক্ষ দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে বিনামূল্যে ট্যাব দেবে রাজ্য সরকার। সরকারি স্কুল ও মাদ্রাসা পড়ুয়াদের এই ট্যাব দেবে সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে একথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্নে সরকারি কর্মী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক ছিল। সেখানেই একথা জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারিতে রাজ্য সরকারি কর্মীদের তিন শতাংশ ডিএ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যের ৯ লক্ষ পড়ুয়াদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে ট্যাব। তাতে কারও বাড়িতে স্মার্টফোন না থাকলেও সে অনায়াসেই করতে পারবে অনলাইন ক্লাস। এছাড়াও রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুলে ট্যাব কিংবা কম্পিউটার দেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। যার মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব হবে। অতিমারী পরিস্থিতিতে কমল বেসরকারি ল্যাবে আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এবার থেকে মাত্র ৯৫০ টাকাতেই করা যাবে পরীক্ষা। তার ফলে সাধারণ মধ্যবিত্ত যে যথেষ্ট উপকৃত হবেন, তাতে কোনও দ্বিমত নেই।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

ভ্রমণ

কম খরচে কেরালা ভ্রমণ: ব্যাকওয়াটার থেকে পাহাড়, সবই হাতের নাগালে স্বর্গীয় সৌন্দর্য

ভারতের মানচিত্রে কেরালাকে বলা হয় Gods Own Country। আর এই উপাধির সবচেয়ে বড় কারণ তার অনন্য ব্যাকওয়াটার, সবুজ নারকেল বন, শান্ত গ্রাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। অনেকেই মনে করেন কেরালা ভ্রমণ মানেই প্রচুর খরচ, বিলাসবহুল হাউসবোট আর দামি রিসর্ট। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করলেই খুব কম খরচেও উপভোগ করা যায় কেরালার মনোমুগ্ধকর ব্যাকওয়াটার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।ভোরবেলা আলাপ্পুঝা (Alappuzha) বা আলেপ্পির ঘাটে দাঁড়িয়ে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই একটি জলরঙের ছবি এঁকেছে। চারদিকে শান্ত জলরাশি, তার মাঝে ভেসে চলেছে ছোট ছোট নৌকা। দূরে দেখা যাচ্ছে নারকেল গাছের সারি, মাঝে মাঝে গ্রামের মানুষ নৌকায় করে বাজারে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার জন্য লাখ লাখ পর্যটক কেরালায় আসেন। অনেকেই হাউসবোট ভাড়া করেন, যার খরচ বেশ বেশি। কিন্তু কম খরচে ব্যাকওয়াটার উপভোগ করতে চাইলে সরকারি ফেরি বা স্থানীয় নৌকায় চড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। মাত্র কয়েকশো টাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাকওয়াটারের বুক চিরে ভ্রমণ করা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গল্প করতে করতে প্রকৃত কেরালাকে কাছ থেকে দেখা যায়।নৌকা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে, তখন দুপাশে চোখে পড়ে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট্ট চার্চ, মন্দির এবং নদীর ধারে গড়ে ওঠা গ্রাম। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও আবার শিশুরা জলে খেলছে। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে এই শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য শুধু ব্যাকওয়াটারেই সীমাবদ্ধ নয়। মুন্নারের পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে দেখা যায় অসীম বিস্তৃত চা-বাগান। পাহাড়ের গায়ে সবুজের কারুকাজ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা। সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া মুহূর্তেই মন জয় করে নেয়। কম খরচে থাকার জন্য এখানে অনেক হোমস্টে ও বাজেট হোটেল পাওয়া যায়।এছাড়া ভরকালা ও কোভালামের সমুদ্রসৈকতও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সূর্যাস্তের সময় আরব সাগরের বুকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতে পারে। সৈকতে বসে শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করলেও কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। কেরালার স্থানীয় খাবারও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। কলাপাতায় পরিবেশিত ভাত, সাম্বর, থোরান, মাছের কারি কিংবা আপ্পাম ও স্ট্যু স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনি দামেও সাধ্যের মধ্যে। স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই কমে যায়।কম খরচে কেরালা ভ্রমণের জন্য ট্রেন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। কোচি বা আলাপ্পুঝা পর্যন্ত ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় বাস ও ফেরি ব্যবহার করলে যাতায়াতের খরচ অনেক কম হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি ভ্রমণের জন্য আদর্শ, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।কেরালার ব্যাকওয়াটারে সূর্যাস্তের সময় যখন আকাশের রং জলের ওপর প্রতিফলিত হয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের সেরা রূপটি মেলে ধরেছে। শান্ত জল, নারকেল গাছের ছায়া, পাখির ডাক আর গ্রামের সরল জীবনসব মিলিয়ে কেরালা শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং এক অনুভূতির নাম। তাই যদি কম খরচে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েকটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তাহলে কেরালার ব্যাকওয়াটার আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য। একবার ঘুরে এলে মন বারবার ফিরে যেতে চাইবে সেই শান্ত, সবুজ আর জলময় স্বর্গরাজ্যে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মন ও পরিবারও

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাসের কয়েকটি দিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়তো নিছক কয়েকটি তারিখ, কিন্তু একজন নারীর শরীর ও মনের কাছে এই দিনগুলির অর্থ অনেক গভীর। কখনও তলপেটের অসহ্য ব্যথা, কখনও কোমর ও পিঠে টান, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবতার সঙ্গে অকারণ মন খারাপ, বিরক্তি, কান্না পেতে থাকা, একা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে কিংবা অদ্ভুত এক মানসিক অবসাদ। ঋতুস্রাবের সময় অনেক নারীর কাছেই শরীর যেন নিজের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে। আর সেই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন মিশে যায় মানসিক চাপ, তখন কয়েকটি দিন হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর পথচলা।এই সময়টিকে তাই শুধু মেয়েদের মাসিকের সমস্যা বলে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ ঋতুস্রাব কেবল একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়; হরমোনের ওঠানামা, ব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, কর্মক্ষেত্রের চাপ, সামাজিক অস্বস্তি এবং নিজের শরীর নিয়ে নানা সংকোচসব মিলিয়ে এটি অনেকের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।কখনও মনে হয়, পৃথিবীটা যেন একটু বেশি শব্দ করছে। সামান্য কথাতেও বিরক্তি আসে। যে মানুষটি প্রতিদিন হাসিমুখে সংসার সামলান, অফিস করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান কিংবা জীবনের নানা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তিনিই হয়তো সেই কয়েকটি দিনে নিঃশব্দে নিজের ভিতরের ক্লান্তির সঙ্গে লড়াই করেন।এই লড়াইকে বুঝতে হবে। বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা।কেন ঋতুস্রাবের সময় মন খারাপ হয়?ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা বিষণ্ণতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি তুলনামূলক হালকা। আবার কারও ক্ষেত্রে তা এতটাই তীব্র হতে পারে যে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, চাকরি কিংবা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। ঋতুস্রাবের আগে ও আশপাশের সময়ে যদি প্রতি মাসেই তীব্র মানসিক পরিবর্তনযেমন গভীর বিষণ্ণতা, প্রচণ্ড খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ বা আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং তা জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করে, তবে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (PMS) বা আরও গুরুতর ক্ষেত্রে প্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিসঅর্ডার (PMDD)-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।তবে প্রতিটি মন খারাপই যে PMS বা PMDD, তা নয়। আবার প্রতিটি শারীরিক কষ্টকেও স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়।শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদের যোগসূত্রঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথা বা ক্র্যাম্প অনেক নারীর দৈনন্দিন জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে। কারও ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে বিছানা ছেড়ে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়ে। মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেটের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও শারীরিক সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।এই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন কর্মক্ষেত্র বা পরিবারের প্রত্যাশা একই থাকে, তখন মানসিক চাপ আরও বাড়তে পারে।আজ শরীরটা ভালো নেইএই কথাটি বলার অধিকার একজন নারীর আছে।শরীর যখন বিশ্রাম চায়, তখন বিশ্রাম নেওয়া দুর্বলতা নয়। বরং নিজের শরীরের সংকেতকে সম্মান করা সুস্থ থাকারই একটি অংশ।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করবেন নামানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুস্রাবের সময় মেজাজের পরিবর্তন হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে অযৌক্তিক বা নাটক বলে দমন না করে তা স্বীকার করা জরুরি। যদি প্রতি মাসে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে অন্তত দুই-তিনটি ঋতুচক্র ধরে নিজের উপসর্গের একটি ডায়েরি রাখা যেতে পারে।কোন দিনে মন খারাপ হচ্ছে, কতটা ব্যথা হচ্ছে, ঘুম কেমন হচ্ছে, ক্ষুধার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, কাজকর্মে কতটা সমস্যা হচ্ছেএসব লিখে রাখলে সমস্যার ধরন বোঝা সহজ হয়। প্রয়োজন হলে গাইনোকলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করেও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং স্ট্রেস কমানোর অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে উপসর্গ গুরুতর হলে শুধু মন শক্ত করুন বলা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা ওষুধের সাহায্যও লাগতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথানিজে থেকে কোনও ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই কঠিন সময়?১. শরীরকে বিশ্রাম দিনঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে নিজের উপর অযথা চাপ দেবেন না। কাজের মধ্যে ছোট বিরতি নিন। পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন। শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী দিনগুলির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।২. হালকা শরীরচর্চা করুনশরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে মুড ভালো করতে এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা বা অসুস্থতা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওসুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। পর্যাপ্ত জল পান করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, লবণ বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুনবই পড়া, গান শোনা, প্রিয় সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলাযে কাজটি মনকে শান্ত করে, সেটি করার চেষ্টা করুন। মনকে ভালো রাখার জন্য সবসময় বড় কোনও আয়োজন প্রয়োজন হয় না। কখনও এক কাপ গরম চা আর জানালার পাশে কয়েক মিনিট নীরবতাও যথেষ্ট হতে পারে।৫. অনুভূতি প্রকাশ করুনআমি ভালো নেইএই কথাটি বলতে ভয় পাবেন না। মন খারাপ হলে বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কষ্টকে গোপন করে রাখলে অনেক সময় মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।পরিবার ও বন্ধুরা কী করবেন?একজন নারীর ঋতুস্রাবের সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় সবসময় কোনও বড় সমাধান নয়অনেক সময় শুধু তাঁকে বোঝার চেষ্টা করাটাই যথেষ্ট।পরিবারের সদস্যরা যদি বলেন, তোমার শরীর খারাপ? তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আজকের কাজটা আমি করে দিচ্ছিতাহলে সেই কথাটিই হয়তো একজন ক্লান্ত নারীর কাছে হয়ে উঠতে পারে এক মুঠো স্বস্তি।তাঁর মেজাজ খারাপকে উপহাস করবেন না। এগুলো সব মাসিকের অজুহাতএই ধরনের মন্তব্য এড়িয়ে চলুন। তাঁর কথা শুনুন। প্রয়োজন হলে ঘরের কাজ ভাগ করে নিন। তাঁকে একা থাকতে চাইলে সেই ব্যক্তিগত পরিসরটুকু দিন, আবার তিনি কথা বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন।বন্ধুরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বন্ধুর মন খারাপ বুঝলে জোর করে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা না করে পাশে থাকা, ফোন করা, একটু গল্প করা কিংবা প্রয়োজন হলে শুধু নীরবে শুনে যাওয়াএসবই অনেক সময় কার্যকর সহায়তা হয়ে ওঠে।মনে রাখতে হবে, মানসিক অবসাদ কোনও মেয়েলি দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের অনুভূতিরই একটি অংশ। আর অনুভূতির যত্ন নেওয়া যেমন ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তেমনই সামাজিক দায়িত্বও।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?যদি প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের আগে বা সময়ে তীব্র বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, হতাশা বা আবেগের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং তা কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অসহ্য ব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ কিংবা এমন শারীরিক সমস্যা যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয়এসবকেও অবহেলা করা উচিত নয়।আর যদি কখনও গভীর হতাশা, নিজেকে আঘাত করার চিন্তা বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।নারীর শরীরকে বোঝার পাশাপাশি নারীর মনকেও বুঝতে হবেঋতুস্রাব কোনও লজ্জার বিষয় নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। অথচ এখনও সমাজের বহু স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে সংকোচ, কুসংস্কার ও নীরবতা রয়েছে। সেই নীরবতাই অনেক সময় নারীর শারীরিক ও মানসিক কষ্টকে আরও একা করে দেয়।প্রখ্যাত লেখিকা ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছিলেন, I would venture to guess that Anon, who wrote so many poems without signing them, was often a woman.নারীর অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের প্রসঙ্গে তাঁর এই কথাটি যেন আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ বহু নারী এখনও নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করে নীরবে সহ্য করে যান।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে তাই প্রয়োজন একটু বেশি মানবিকতা। প্রয়োজন প্রশ্নের বদলে বোঝাপড়া, উপহাসের বদলে সহানুভূতি, নির্দেশের বদলে পাশে থাকা।একজন নারী সেই কয়েকটি দিনে যদি বলেন, আজ আমার একটু বিশ্রাম দরকারতবে তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁকে দুর্বল করে দেওয়া নয়। বরং তাঁর শক্তিকে সম্মান করা।কারণ প্রতিটি মাসে শরীরের ভিতর দিয়ে যে পরিবর্তনের স্রোত বয়ে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন অসংখ্য নারী। তাঁদের এই নীরব লড়াইকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোএটাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে মানবিক দায়িত্ব।ঋতুস্রাবের দিনগুলি হয়তো মাসের কয়েকটি দিন। কিন্তু সেই কয়েকটি দিনে একজন নারীর পাশে থাকাতাঁর কাছে হয়ে উঠতে পারে সারা জীবনের এক গভীর আশ্বাস।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় ঘিরে নতুন বিস্ফোরণ! কোটি টাকার নয়, এবার সামনে এল লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়ার অভিযোগ

প্রায় দুই বছর আগে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয় শিবির। সেই উদ্যোগকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রকল্প নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হয়েছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি রিসর্ট ভাড়া নেওয়া এবং লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল।অভিযোগকারী রিসর্ট মালিক জানিয়েছেন, সেবাশ্রয় শিবিরের কাজ পরিচালনার জন্য এক সময় তাঁর রিসর্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় দেড়শো জন কর্মী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকার বিল এখনও পরিশোধ করা হয়নি।রিসর্ট মালিকের দাবি, সেই সময় বারবার টাকা চাওয়া হলেও কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে জানানো হয়েছিল, ব্যবসা করতে হলে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি তখন থানায় অভিযোগ করার সাহস পাননি। বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রিসর্টে সেবাশ্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা থাকতেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, সেই সময় এই ব্যবস্থার সঙ্গে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নামও জড়িত ছিল বলে তাঁর দাবি। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রকল্পটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোটা বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নলহাটিতে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! একসঙ্গে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক, বড় রহস্যের গন্ধ

বীরভূমের নলহাটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয়েছে বিশ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং প্রচুর ডিটোনেটর। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল নলহাটিতে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর একটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কী কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা এখন তদন্তের মূল বিষয়। কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, এই বিস্ফোরক কোনও বৈধ শিল্পকারখানা বা খনির কাজে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছিল কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হতে পারে। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal