• ১২ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singer

বিনোদুনিয়া

Arijit Singh : আবু ধাবির মঞ্চে পারফর্ম করবেন অরিজিৎ সিং

ধীরে ধীরে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বেশ কিছু ছবির শুটিংও শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে স্টেজ পারফরম্যান্সও হচ্ছে। এবার স্টেজ পারফর্ম করবেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। যতটুকু জানা যাচ্ছে সেই খবর অনুযায়ী ১৯শে নভেম্বর আবু ধাবির বৃহত্তম বিনোদন কেন্দ্র ইতিহাদ এরিনায় একটি লাইভ কনসার্ট করবেন। এটি মধ্য়প্রাচ্য়ের বৃহত্তম অত্যাধুনিক এন্টারটেনমেন্ট জোন বলে পরিচিতও। পাঁচ বছরে এখানে এটিই প্রথম কনসার্ট হতে চলেছে।বলিউডের গায়কদের মধ্যে বর্তমানে প্রথম সারিতেই রয়েছেন অরিজিৎ সিং। শুধু ভারতেই নয়, দেশের গণ্ডী পেরিয়ে তাঁর ভক্তকূলের সংখ্যা নেহাত কম নয়। হিন্দি ও বাংলা দুই ভাষাতেই তাঁর গান জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।২০১৪ সালে অরিজিত্ সিংহ জিত্ গাঙ্গুলীর সুুর ও কমপোজ করা মুসকুরানে গানটি গান। এই গানের জন্য সে বছর তিনি সবচেয়ে বেশি নমিনেশন পান। ২০১৬ সালে তিনি সুরাজ ডুবা হ্যায় গানের জন্য ও ২০১৭ সালে এ দিল হ্যায় মুশকিল গানের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। এভাবে ধীরে ধীরে তিনি বাংলা এবং বলিউডের সঙ্গীত জগতে নিজের একটি আলাদা জায়গা তৈরি করে নেন। অরিজিত্ সিংহ ২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত টানা ৫ বার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়ে রেকর্ড তৈরি করেন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kailash Kher : শহরে কৈলাস খের, গানে গানে কাটল সন্ধ্যা

এসভি শপি কলকাতার যে ডব্লিউ ম্যারিওট হোটেলে তাদের পুজোর গান নমো দুর্গে লঞ্চ করল। এই পুজোর গানটি গেয়েছেন সকলের প্রিয় গায়ক কৈলাস খের। গান লঞ্চ, তার মধ্যে কৈলাস খের সব কিছু মিলিয়ে বরণ সন্ধ্যেটা মায়াবী হয়ে উঠেছিল। কৈলাস খের ছাড়াও ছিলেন টলিউডের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিয়া গাঙ্গুলি ও শ্রীমা ভট্টাচার্য। তারা দুজনেই এই গানে অভিনয় করেছেন।পদ্মশ্রী কৈলাস খেরকে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। তাঁর হাতে পুস্পস্তবক তুলে দেওয়া হয়। এখানে উপস্থিত হয়ে তিনি জানালেন,কলকাতায় মানুষরা সবাই খুব ভালো। কলকাতায় আসতে তাঁর খুবই ভালো লাগে। এত মানুষ আজ এখানে এসেছেন সত্যিই খুব ভালো লাগছে। সবাইকে আমার তরফ থেকে নমস্কার ও প্রণাম জানাই। সবাই নমো দুর্গে শুনবেন এবং আপনাদের ফিডব্যাক জানাবেন। শুধু তাই নয় কোভিড পরিস্থিতি নিয়েও কথা বললেন তিনি। জানালেন,কোভিড পরস্থিতিতে চারপাশের অবস্থা খুব ভালো নয়। তাই সাবধানে থাকবেন। সুস্থ থাকবেন। দর্শকদের অনুরোধে কয়েকটা গানও গাইলেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে তাঁর বিখ্যাত গান তেরি দিওইয়ানি গানটি। কৈলাস খেরের গান শোনার জন্য মানুষ সিট ছেড়ে স্টেজের সামনে ভিড় জমিয়েছেন। এ এক আলাদা অনুভূতি।মঞ্চে যান রিয়াও। কৈলাস খেরের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়াতে পেরে বেশ খুশি এই টলি অভিনেত্রী। এরকম একটা প্রোজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তিনি খুব খুশি। এরকম একটা মায়াবী অনুষ্ঠান শেষ হয় সারেগামাপা খ্যাত স্নিগ্ধজিতের গান দিয়ে। স্নিগ্ধজিত যখন গাইছিলেন তখনও দর্শকের কোনও ভাটা পড়েনি।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rupankar Bagchi : সফল অস্ত্রোপচার, বাড়ি ফিরলেন রূপঙ্করের স্ত্রী

হারনিয়ায় অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছিল। গত ২১ আগস্ট হাসপাতালে ভর্তি হন চৈতালি লাহিড়ী। সুস্থ হয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন রূপঙ্করের স্ত্রী। স্ত্রীর বাড়ি ফেরার ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন কলকাতার এই জনপ্রিয় গায়ক। ক্যাপশনে লিখেছেন,বাড়িতে স্বাগত কমরেড।স্ত্রী বাড়ি ফেরায় রূপঙ্কর যেমন খুব খুশি তেমনি তার বন্ধু ও সহকর্মীরাও খুশি হয়েছেন। কমেন্ট বক্সে অনেককেই শুভেচ্ছাবার্তা জানাতে দেখা গেছে। এর আগে স্ত্রীর সফল অস্ত্রোপচারের খবরটা সোশ্যাল মিডিয়াতেই জানান রূপঙ্কর। লিখেছিলেন,এখন ও একদম ঠিক আছে। যদিও চৈতালির ফোনে সব ফোন ধরা আমার পক্ষে এই মুহূর্তে সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই এই পোস্ট করলাম। সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেক অনেক ধন্যবাদ।রূপঙ্কর ও তাঁর স্ত্রী ১৯৯৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২২ বছর একসঙ্গে কাটিয়ে ফেলেছেন দুজনে। ১৫ তম বিবাহবার্ষিকীতে দেহদান করেছিলেন দুজনে। এছাড়া স্ত্রীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই প্রকাশ পায়। এবার কাছের মানুষকে বেশ কয়েকদিন পর কাছে পেয়ে বেশ খুশি আমাদের মনের গভীরে জায়গা করে নেওয়া রূপঙ্কর।

আগস্ট ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: বাংলার অরুনিতা না পবনদীপ? কে হবেন ১২তম ইন্ডিয়ান আইডল

ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shovan : দীপ্সিতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা 'দাদান' শোভনের

দীপ্সিতা ধর। খুব পরিচিত একটি নাম। বিগত বিধানসভা নির্বাচনে যিনি হয়ে উঠেছিলেন সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকার তারুণ্যের মুখ। সোমবার ছিল তার জন্মদিন। দীপ্সিতার এই বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানালেন দাদা শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। শেয়ার করলেন দাদা-বোনের ছোট বেলার নানা টুকরো ছবি।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বলিউড অভিনেত্রীসোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে শোভন লিখেছেন, শুভ জন্মদিন বোনু। ফ্রম দাদান। মোট চারটে ছবি শেয়ার করেছেন শোভন। নানা বয়সের নানা মুহূর্তের ছবি। পারিবারিক অ্যালবাম থেকে ছবি ঠাই পেয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। শুভেচ্ছা বার্তা ভেসে এসেছে এই বাম যুবনেত্রীর জন্য।আরও পড়ুনঃ অক্ষয় কুমারের স্টান্ট ভয় পান তাঁর স্ত্রী ট্যুইঙ্কল খন্নাপ্রসঙ্গত গায়ক শোভন দীপ্সিতার মাসতুতো দাদা। এর আগে বোনের হয়ে প্রচারে গান বাঁধতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। ভোটের সময় তার মাসির মেয়ের জন্য গান বাঁধতে দেখা গিয়েছিল শোভনকে। তবে সেই গানের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ তুলে ধরতে চাননি এমনটাও জানান।

আগস্ট ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aditi Munshi : শিল্পী অদিতি মুন্সীর নতুন উদ্যোগ

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক গৌরবময় উন্নয়ন সাধনে তারা বদ্ধপরিকর। তাই শিল্প সংস্কৃতির বিকাশকে অব্যাহত রাখতে রাজারহাট-গোপালপুর এলাকার সমস্ত গুণী ও প্রতিভাবান শিল্পীদের জন্য এক সংস্কৃতি উন্নয়নক্ষেত্রের আয়োজন করা হয় শিল্পী অদিতি মুন্সীর উদ্যোগে। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে নাগেরবাজার অজিতেশ মঞ্চে তার শুভ সূচনা করেন। এলাকার সাংস্কৃতিক গরিমা বর্ধন ও প্রগতির জন্য এই ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিএরকম একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রেমেন্দ্র ঘোষ, দেবাশিষ দেব, গৌতম দাস, শ্রীদ্ধা প্রামানিক প্রমুখ। শিল্পী অদিতি মুন্সী বলেন এই ফোরাম টলিউড ফোরামের থেকে কোনো আলাদা নয়। কোনো ভিন্ন নয়। সমগ্র শিল্প জগতের উন্নয়নের কল্যাণে এই উদ্দ্যোগ। এরকম একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে উচ্ছ্বসিত সকলে।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

R. D. Burman: "ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......" পঞ্চম

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় অগণিত দর্শককুলের প্রানের পঞ্চম রাহুল দেব বর্মণ, আরডি বর্মণ হিসাবে অধীক পরিচিত। ষাট-এর দশক থেকে নব্বই-এর দশক সারা ভারত দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন তাঁর গানের ঝুলি নিয়ে। ওই সময় কালে তিনি বলিউড সঙ্গীত জগতে একছত্র অধিপতি ছিলেন। ভারতীয় ফিল্মি ও আধুনিক সঙ্গীতে পশ্চিমি মেলবন্ধন তাঁর হাত ধরেই শুরু। সাতের দশকে তাঁর সুরারোপিত গানগুলিতে যার ছাপ স্পষ্ট। এই ধারা আজকের সঙ্গীত প্রজন্মকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছে।১৯৩৯ এর ২৭শে জুন কলকাতায় তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক এসডি বর্মণ এবং তার মায়ের নাম মীরা। সঙ্গীত জগতে তিনি বহুল পরিচিত পঞ্চম নামে। হিন্দুস্থানি সঙ্গীতে যে সাতটি স্বর আছে পা হল পঞ্চম স্বর। কীভাবে এই পঞ্চম নামটি তাঁর নামের সঙ্গে একাত্ম হয়েছিলো সেটা নিয়ে কিছুটা মতবিরোধ রয়েছে। একটি সুত্রে জানা যায় যে শিশু রাহুলের কান্না শচীনকর্তাকে ভারতীয় সঙ্গীতের পঞ্চম নোটের কথা মনে করিয়ে দেয়। আর একটি সূত্রে জানা যায় যে একবার অশোক কুমার শচীনকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়ে দেখেন ছোট্টো রাহুল তীব্র স্বরে কাঁদছেন। রসিক মানুষ আশোককুমার রাহুলের সঙ্গে স্বরমিলিয়ে পা, পা, পা, পা বলতে থাকেন এবং সেই থেকেই অশোক কুমার তাঁর নাম রেখেছিলেন পঞ্চম। ডাক নাম যেভাবেই আসুক না কেন ছোট বেলা থেকে এই সুর ও স্বর তাঁকে সঙ্গীতের সমুদ্রেই এনে ফেলল।তাঁর গানবাজনা শিক্ষার শুরু খুব ছোটবেলা থেকেই। শচীন দেব বর্মনের বাড়ির সাঙ্গীতিক পরিবেশ ছোটো রাহুলের বাড়িতে বেড়ে ওঠার পিছনে বিশেষ প্রভাব রেখেছিল। শচীন দেব বর্মন গানের টানে সপরিবারে কলকাতা থেকে বোম্বে অধুনা মুম্বাই-য়ে চলে যান। সেখানেই রাহুল প্রবাদপ্রতিম আলী আকবর খানের কাছে সরোদ শিখতে শুরু করেছিলেন। সহজাত সঙ্গীত প্রতিভার করণে তিনি হারমোনিকা সহ বহু সুরের যন্ত্র ও তাল বাদ্য বাজাতে পারতেন। রাহুল মাত্র নয় বছর বয়সে একটি গানের সুর দেন। ১৯৫৬ তে হিন্দি ছবি ফান্টুস এ ব্যবহার করেছিলেন। কিশোর কুমারের কন্ঠে গানটি ছিলো আয়ে মেরি টোপি পালাত কে আ। তিনি তাঁর পেশাদার সঙ্গীত জীবন শুরু করেন ১৯৫৮তে। সহকারি সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে শোলোয়াঁ সাল (১৯৫৮), চলতি কা নাম গাড়ি (১৯৫৮) এবং কাগজ কা ফুল (১৯৫৭) সিনেমাতে তাঁর বাবাকে সহায়তা করতে শুরু করেন। ১৯৫৯ এ গুরু দত্তের রাজ সিনেমায় তিনি প্রথম সঙ্গীত পরিচালক হিসাবে কাজ শুরু করেন। তাঁর দূর্ভাগ্য এই সিনেমাটি মাঝ পথেই বন্ধ হয়ে যায়। সংগীত পরিচালক হিসাবে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি ছিল মেহমুদের পরিচালিত ছোটে নবাব (১৯৬১)। সেই তাঁর যাত্রা শুরু যা ভারতের সঙ্গীত দর্শনে এক নতুন আঙ্গিকের পথ দেখায়।ষাটের দশকে আমরা অনেক পরিণত পঞ্চমকে পাই। তাঁর তারুণ্যে প্রানবন্ত পঞ্চম কখনও তিনি তাঁর বাবার সহকারী সংগীত পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন, কখনও তিনি নিজেই অভিনেতা, আবার নিজের সিনেমায় সুর দিচ্ছেন। বাবাকে বন্দিনী (১৯৬৩), গাইড (১৯৬৫5), জুয়েল থিফ (১৯৬৭) এর মতো একের পর এক হিট ছবিতে সহায়তা করেছিলেন। অন্যদিকে তিনি ভূত বাংলা (১৬৫) এবং প্যার কা মৌসম (১৯৬৭) এর মতো ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন। তাঁর সুরারোপিত প্রথম হিট ছবি তিসরি মঞ্জিল (১৯৬৬)। এই সিনেমাটি তাঁকে তাঁর কেরিয়ারের একটি বড় মাইলস্টোন। এই ছবিটিই তাঁকে বলিউডে প্রতিষ্ঠা দেয়। সমসাময়িকদের মতে, এই ছবিতেই তিনি শচীনকর্তার ছায়া থেকে বেড়িয়ে আসেন। এর পর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এর পর তিনি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত পরিচালকদের বড় বাজেটের চলচ্চিত্রের জন্য সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব হাতে পান। সাতের দশক শুরুর আগেই রাহুল একটি ব্রান্ড-এ পরিণত হয়। এই সময় পাড়োসন (১৯৬৮), ওয়ারিস (১৯৬৯) এর মতো একের পর এক সফল ছবি তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সাতের দশক পঞ্চমএর দশক বললে কোনও রকম অত্যুক্তি হয় না। ওই দশকে তাঁর অমর সৃষ্টি অমর প্রেম (১৯৭১), হরে রামা হরে কৃষ্ণ (১৯৭১), সীতা অউর গীতা (১৯৭২) এবং শোলে-র (১৯৭৫) সুর তাঁকে সঙ্গীতপ্রেমীদের মনের মনিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।সাতের দশক যেমন তাঁকে হাত উজার করে দিয়েছে, তেমন ভাবেই কষ্টও দিয়েছে। তাঁর প্রথমা স্ত্রী রীতা প্যাটেলের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ১৯৭১ এ। সবচেয়ে বড় আঘাত তিনি পান তাঁর বাবার প্রয়াণে। ১৯৭৫ এ শচীন দেব বর্মন পরলোকগমন করেন। তিনি শুধু পঞ্চম এর পিতা ছিলেন না, একাধারে বন্ধু, দিকপ্রদর্শক, সঙ্গীত গুরু। তাঁর বাবার মৃত্যু তাঁর কেরিয়ারের জন্য খুব খারাপ হতে পারত। কিন্তু তিনি লিজেন্ড, থেমে থাকেননি। দশকের পর দশক এক সে বরকর এক সফল ছবির সুরে মাতিয়ে দিয়েছেন আসমুদ্র হিমাচল। খাতা পেন দিয়ে লিখে শেষ করা যাবে সে সমস্ত সিনেমার নাম। তাঁর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা হাম কিসি সে কম নেহি (১৯৭৭), গোলমাল (১৯৭৯), কুদরত (১৯৮০) এবং বার্নিং ট্রেন (১৯৮০)। আটের দশক এক পরিণত পঞ্চমকে পেয়েছিল। ১৯৮০ সালে তিনি আশা ভোঁসলেকে বিয়ে করেছিলেন।তাঁর সুরারোপিত বেশ কিছু হিট গান নিয়ে বিতর্কেরও দানা বাধে। সমলোচকদের মতে পঞ্চমএর সুরে পাশ্চাত্য ভাবধারার প্রাধান্য খুব বেশী ছিল। তাঁরা উল্লেখ করেন বেশ কিছু হিন্দি সিনেমার গান সরাসরি সে সমস্ত গান থেকেই কপি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ আও টুইস্ট করে (ভূত বাংলো - ১৯৬৫) Lets Twist Again by Chubby Checker থেকে নেওয়া, তেরা মুঝসে হে পহেলে কা নাতা কোই (আ গলে লাগ জা - ১৯৭৩) The Yellow Rose of Texas (Traditional Texas folksong) থেকে নেওয়া হয়েছে, বা তুমসে মিলকে (পারিন্দা - ১৯৮৯) When I Need You (Hammond Sager) এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সুর করা। তাঁর গানের সুরে বিদেশী ভাবধারার প্রাধান্য নিয়ে পঞ্চম বারবার উল্লেখ করেছেন মেলবন্ধনের কথা, সঙ্গীত কে কখনই সীমানা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। সঙ্গীত হল সামাজের দর্পন। একটা সুরই একটা জাতি ও তাদের রীতিনীতিকে এক লহমায় চিনিয়ে দেয়। তাঁর সুরে যেমন ভারতীয় রাগরাগিণী-র প্রভাব আছে সাথে সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতকেও তিনি তাঁর অনেক গানে ব্যবহার করেছেন। সঙ্গীতপ্রেমীদের মতে তিনিই ভারতে প্রথম মার্গসঙ্গীতের সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের যুগলবন্দী ঘটিয়ে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বহুমুখী গানের সুরে দিকভ্রষ্ট হয়ে তাঁর সমলোচকরা রণে ভঙ্গ দেন।আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ নিম্নমুখী হতে থাকে। তাঁর সিগনেচার সুর যেন আর মানুষকে টানছিল না। পঞ্চমের গানগুলি জনসাধারণের উপর প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হচ্ছিল। তাঁর পশ্চিমি ঘরানার গানগুলি বাপ্পি লাহিড়ি-র পশ্চিমা অনুপ্রাণিত ডিস্কোর কাছে হেরে যাচ্ছে। ১৯৮৮ সালে তিনি মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অস্ত্রোপচারের পর সাময়িক ভাবে তিনি তাঁর সঙ্গীত থেকে বিরত থাকেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি আবার বিধু বিনোদ চোপড়ার সিনেমা ১৯৪২ এ লাভ স্টোরি-তে সুরারোপ করেন। আবার ইতিহাস। ৫৪ বছর বয়সে পঞ্চম আরেকবার হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। ১৯৯৪ এর ৪ঠা জানুয়ারী তিনি সুরালোক থেকে পরলোকে যাত্রা করেন। পঞ্চমের মৃত্যুই তাঁর সঙ্গীতসত্তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। যে মানুষগুলি নব্বইয়ের দশকে তাঁকে বাদের খাতায় ফেলে দিয়েছিল, তাঁর অবর্তমানে তাঁর সৃষ্টি নিয়েই তাদের মাতামাতি। স্রষ্টার মৃত্যু হয়, সৃষ্টি অমর। তাঁরই গানে ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......।

জুন ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

শ্রেয়ার ঘরে সুখবর, আসছে নতুন অতিথি

মা হতে চলেছেন জনপ্রিয় গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে নিজেই সে কথা জানালেন শ্রেয়া। আর এই খবরে স্বভাবতই আপ্লুত তাঁর ভক্তরা। ইতিমধ্যে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী শিলাদিত্যকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী তথা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী-সহ আরও অনেকে।বৃহস্পতিবার নিজের টুইটার এবং ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন শ্রেয়া। যেখানে নিজের বেবি বাম্পে ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। এই ছবির সঙ্গেই ক্যাপশনে সুখবরটি জানিয়েছেন জনপ্রিয় এই গায়িকা। সঙ্গে লেখেন, পরিবারের নতুন অতিথি আসছে। শিলাদিত্য এবং আমি এই খবর আপনাদের জানাতে পেরে খুবই খুশি। জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আপনাদের ভালবাসা এবং আশীর্বাদ প্রয়োজন।তাঁর এই পোস্টের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসেছেন শ্রেয়া এবং তাঁর স্বামী। দম্পতিকে অভিনন্দন জানান মিমি চক্রবর্তী ,বিশাল দাদলানি, রাঘব সাচ্চার-সহ বলিউড, টলিউডের অনেক সেলিব্রিটিই। এছাড়া শ্রেয়ার ভক্তকুলও তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।

মার্চ ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বাংলার মধুরার মধুর কন্ঠে মাতোয়ারা মুম্বাই

তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা। ২০০৯ এর শেষের দিকে শহর থেকে গ্রাম-বাংলা এই গানের জাদুতে মেতে থাকতো। সকলের মুখে মুখে ঘুরে বেরানো এই গানের মুর্ছনায় একটাই প্রশ্ন ছিল কে এই মধুর সঙ্গীত শিল্পী? কি মায়াময় কণ্ঠ! শিল্পী ছিলেন মধুরা ভট্টাচার্য।যখন তিনি দশম শ্রেণিতে পড়েন সেই ২০০৫ সাল থেকেই পেশাগতভাবে গান গাইছেন মধুরা। আজ তিনি দেশের অন্যতম উজ্জ্বল প্রতিভা হিসাবে পরিচিত। প্লেব্যাক, বাংলা, হিন্দি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন এবং মঞ্চে এক ব্যস্ততম খ্যাতনামা শিল্পী।২০০৫ সালে ইটিভি, কালার্স বাংলায় সুপারহিট টেলিভিশন মেগা সিরিয়াল বহ্নিশিখা দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু, তারপর তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্টার জলসা, জি-বাংলা, কালার্স বাংলা, লাইফ ওকে চ্যানেলে ৮০ টিরও বেশি সুপার হিট টিভি সিরিয়ালে টাইটেল সং-এ কণ্ঠ দেন তিনি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য মা, বোঝেনা সে বোঝেনা, মেরি মা, কিরণমালা, রাগে অনুরাগে, চোখের বালি, গোয়েন্দা গিন্নী, পুণ্যি পুকুর, মিলন তিথি, জয়ী, কুঞ্জছায়া, প্রথমা কাদম্বনি।২০০৭-তে তিনি ইন্ডিয়ান আইডল-এ অংশ নিয়েছিলেন, ২০০৯-তে অল ইন্ডিয়া মিউজিক প্রতিযোগিতা সিতারোঁ কো চুনা হ্যায়-এ ১১ জন কঠিন প্রতিযোগির সঙ্গে লড়াই করে দ্বিতীয় স্থান আধিকার করে ভারত জোড়া খ্যাতি লাভ করেন।মধুরা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সঙ্গীত নিয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। মধুরার এই সংগীত সাধনার প্রেরণা তাঁর মা শম্পা দেবী, তিনি আকাশবাণী ও দূরদর্শন-এর নিয়মিত সংগীতশিল্পী, বাবা প্রাক্তন বিচারপতি তুষারকান্তি ভট্টাচার্য সরকারি আধিকারিক হলেও খুব ভাল আবৃত্তিকার ও লেখক।তাঁর প্রথম বাংলা ছবিতে আত্মপ্রকাশ প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের মাহাকাল ছবিতে। তারপর থেকে তাঁর দৌড় আর থামানো যায়নি। সঙ্গীত রসিকদের মতে, তাঁর নামকরণ যে কতটা সার্থক তা তাঁর গান শুনলেই বোঝা যায়। প্রথম জীবনে তিনি নিলাক্ষী নামে পরিচিত ছিলেন। মনে করা হয় সাফল্যকে আরও মসৃন ও শিখরে নিয়ে যাওয়ার জন্যই তিনি নাম পরিবর্তন করে মধুরা হন।মধুরা মুম্বাই ও কলকাতার বহু বিখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে সিনেমায় ডুয়েট ও একই মঞ্চে আনুষ্ঠান করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, উদিত নারায়ণ, বাবুল সুপ্রিয়, অভিজিৎ, কুমার সানু, শান, শফতত আমানত আলি, অঙ্কিত তিওয়ারি, অরিজিৎ সিংহ। এর পাশাপাশি অরুনধতি, দিওয়ানা, কি করে তোকে বোলবো, তোর নাম, তিনপাত্তি, শিকারি, উড়োচন্ডী, গুগলি-র মত বকব্লাস্টার সিনেমায় টলিউড এবং বলিউড-এর বিখ্যাত সংগীত পরিচালক জিৎ গাঙ্গুলি, দেবোজ্যোতি মিশ্র, ইন্দ্রাদীপ দাশগুপ্ত এবং আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করেছেন। অপর্না সেন পরিচালিত সিনেমা আরশিনগরে মওলা গানের জন্য মধুরাকে শ্রেষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে টেলিসিনে পুরস্কার প্রদান করা হয়।ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মধুরাকে চিনে আয়জিত ১০ম এশিয়া আর্ট ফেস্টিভ্যাল আমন্ত্রন জানানো হয়। অনুষ্ঠানগুলি বেজিং সহ আরও ১৪টি প্রদেশে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে আমন্ত্রণমূলক আনুষ্ঠান করেন। তাঁকে ২০১৭ সালে উত্তর আমেরিকান বেঙ্গলি কনফারেন্সে (এনএবিসি) আমন্ত্রিত করা হয়েছিল। ২০১৮-তে টরন্টো, ২০১৮ এবং ২০১৯-তে মধুরা তাঁর সহ সঙ্গীত শিল্পীদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে সাঙ্গীতের মাধুর্য্য ছড়িয়ে আসেন।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ছবিঃ ফেসবুক

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২১
কলকাতা

গড়িয়াহাটে 'সত্যাগ্রহ' কবীর সুমনের

নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান এবং তা নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই অবস্থায় দলমত নির্বিশেষে অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে এই ঘটনাকে সামগ্রিকভাবে বাংলার অপমান বলে নিন্দা জানিয়ে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ, সংগীতশিল্পী কবীর সুমন । রবিবার সকালে তিনি গড়িয়াহাট মোড়ে পোস্টার নিয়ে এককভাবেই প্রতিবাদে শামিল হন। পোস্টারে লেখা জয় বাংলা। এই প্রতিবাদকে তিনি সত্যাগ্রহের সঙ্গে তুলনা করলেন।সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশ, যে যার মতো কথা বলতেই পারেন। কিন্তু নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যা হল, সেটা ফ্যাসিস্টদের আচরণ। জয় বাংলা এই বাংলায় অন্য কোনও কিছুর জয় নয়, শুধু বাংলারই জয় হবে। আমাদের প্রতিবাদ সত্যাগ্রহের মতো।

জানুয়ারি ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বন্ধুর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেললেন ইমন

জাতীয় পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার বাগদানপর্ব সেরেই ফেললেন এই স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী। পাত্র সংগীত পরিচালক নীলাঞ্জন ঘোষ। হাওড়ার লিলুয়ায় বাড়ি ইমন চক্রবর্তীর। মায়ের কাছেই প্রথম সংগীত শিক্ষা। তাঁর কাছ থেকেই শিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথের সুরকে ভালবাসতে। ধীরে ধীরে বাংলার সংগীত জগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন ইমন। আরও পড়ুনঃ আচ্ছন্নভাব থাকলেও শারীরিক উন্নতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ২০১৭ সালে পান জাতীয় স্বীকৃতি। অনুপম রায়ের সুরে তুমি যাকে ভালবাসো গানটির সুবাদে জাতীয় পুরস্কার পান ইমন। জানা গিয়েছে, বহুদিনের বন্ধু নীলাঞ্জনের সঙ্গে ডিসেম্বর থেকে প্রেম শুরু সংগীতশিল্পীর। দুজনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পর্ককে পরিণতি দিতে চান।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মৃত্যুর ছায়া এসআইআর প্রক্রিয়ায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চাকরি দিতে এগোল রাজ্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া বা এসআইআর ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্ন-এ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ঠিক হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার জেরে মৃত বা চরম হয়রানির শিকার পরিবারগুলির একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়া হবে।এসআইআর ঘিরে বিতর্ক শুরু হয় একটি আত্মহত্যার ঘটনার পর। পরে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬। কেউ আত্মহত্যা করেছেন, আবার কারও স্বাভাবিক মৃত্যু হলেও পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর-জনিত আতঙ্কই এর মূল কারণ। শাসকদলও একাধিক ক্ষেত্রে একই অভিযোগ তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।সূত্রের খবর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির একজন সদস্যকে হোম গার্ড পদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই জেলা ভিত্তিক তালিকা তৈরি হয়েছে এবং দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুধু মৃতদের পরিবার নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাগরিক অধিকার ক্ষুণ্ণ ও হয়রানির অভিযোগ থাকা আরও পাঁচটি পরিবারকেও এই তালিকায় রাখা হয়েছে। সেই পরিবারগুলির একজন সদস্যও চাকরি পাবেন বলে জানা গিয়েছে।তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই চাকরির স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। হোম গার্ড পদে কম বেতন, পেনশন ও গ্র্যাচ্যুইটির অভাবের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতিবছর চাকরি নবীকরণ করতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নবীকরণ না হওয়ায় বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রেও এমন উদাহরণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

দুপুরে আচমকা কাঁপল কলকাতা, পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ডের কম্পনে রাস্তায় নেমে আতঙ্কিত মানুষ

শুক্রবার দুপুরে আচমকাই কেঁপে উঠল কলকাতা। দুপুর একটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় শহর জুড়ে। প্রায় পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ড ধরে কম্পন স্থায়ী হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক পাঁচ। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা এলাকায়, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থল খুব বেশি গভীরে না হওয়ায় পরবর্তী কম্পনের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।শুধু কলকাতাই নয়, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং সুন্দরবন এলাকাতেও প্রবল ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। বহুতল ভবনে থাকা মানুষ আতঙ্কে দ্রুত নিচে নেমে আসেন। আদালত এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র পর্যন্ত বহু জায়গায় কম্পন টের পাওয়া যায়।বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক অঞ্চলেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা পাঁচ দশমিক তিন বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরার কাছাকাছি পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাট ও টাকি এলাকাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আপাতত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর না মিললেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
দেশ

জুডিশিয়াল অফিসারদের সন্দেহ কড়া বন্ধ করুন! রাজ্যকে তীব্র বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ঠিক আগে ফের আইনি লড়াই তীব্র হল। এই ইস্যুতে রাজ্য সরাসরি দ্বারস্থ হল ভারতের সুপ্রিম কোর্টে। রাজ্যের হয়ে আইনজীবী কপিল সিব্বল শীর্ষ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানান।শুনানিতে তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ পর্যালোচনা প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার জন্য যাঁদের জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে, সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির মতামত নেওয়া হচ্ছে না। তাঁর দাবি, কমিশন একতরফাভাবে নির্দেশিকা জারি করছে, যা আইনসম্মত নয় এবং শীর্ষ আদালতের নির্দেশের সঙ্গেও অসঙ্গত।কপিল সিব্বল আরও অভিযোগ করেন, জুডিশিয়াল অফিসারদের পিছনের দরজা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং কোন নথি গ্রহণ করা হবে বা হবে না তা নিয়েও আলাদা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডমিসাইল শংসাপত্র গ্রহণ না করার বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, কমিশন এই নথি অগ্রাহ্য করার কথা বলছে।এই অভিযোগের পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়ে অযথা সন্দেহ করা উচিত নয় এবং বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তি প্রয়োজন। বেঞ্চে উপস্থিত বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, কমিশনই প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্বে থাকবে এবং আদালতের নির্দেশিকা অত্যন্ত স্পষ্ট, তা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।গত মাসে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, এই প্রক্রিয়ায় ডমিসাইল শংসাপত্র বাধ্যতামূলক নয় এবং কোন ক্ষেত্রে কোন নথি বৈধ হবে তার নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। আদালতে এই বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিচারপতি বাগচী বলেন, যদি আদালতের নির্দেশে কোনও নথি গ্রহণের কথা বলা থাকে, তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে।শুনানিতে আরও বলা হয়, বিচারকদের কাজ নির্বিঘ্নে করতে দেওয়া রাজ্য সরকার ও কমিশন উভয়ের দায়িত্ব। এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজ্যের বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামোও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করে। এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। অন্যদিকে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, অনেক মানুষের ভোটাধিকার থাকবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই বিতর্ক আরও গভীর হল।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় জয়ের দাবি শাহর, অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঘিরে রাজনৈতিক ঝড়

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুপ্রবেশ ইস্যু আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল। অমিত শাহ বিহারে এক জনসভা থেকে দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যে থাকা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে।বিহারের আরারিয়া জেলার সীমাঞ্চল এলাকায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় এবং বিজেপি সরকার গঠন করবে বলে তিনি নিশ্চিত। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, অমিত শাহ বারবার একই দাবি করে চলেছেন এবং বাস্তবে তা সফল হয়নি। তাঁর মতে, অনুপ্রবেশ ইস্যু তুলে ধরা আসলে কেন্দ্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।কুণাল ঘোষ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর। তাই অনুপ্রবেশ ঠেকানো রাজ্য পুলিশের কাজ নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজ্যগুলিতেও অনুপ্রবেশের ঘটনা সামনে এসেছে, ফলে এই ইস্যুতে কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।এদিন শাহ অনুপ্রবেশ রুখতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করেন। তাঁর বক্তব্য, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং বিহারের সীমাঞ্চল থেকেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কমিটি সীমান্ত এলাকার জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেবে। অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে এবং সরকারি প্রকল্পের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও অসমকে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ রাজ্য হিসেবে উল্লেখ করেন শাহ। তিনি আরও জানান, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই ঘোষণারও সমালোচনা করেছে তৃণমূল। কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, ভোটের আগে হঠাৎ কমিটি গঠনের কথা কেন মনে পড়ল। তিনি দাবি করেন, আগে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করাই কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলা ভাষায় কথা বলা কোনও অপরাধ নয় এবং ভাষার ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহ করা উচিত নয়। অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমে কি আসছে ভয়ংকর ভূমিকম্প? টানা কম্পনে আতঙ্কে পাহাড় ও উত্তরবঙ্গ

সিকিমে লাগাতার ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক বাড়ছে পাহাড় ও উত্তরবঙ্গে। ছোট মাত্রার কম্পন হলেও ঘনঘন ভূমিকম্প চিন্তা বাড়িয়েছে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের। শুক্রবার সকালে ২.৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয় দার্জিলিং-এ। কম্পনের মাত্রা কম হলেও বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।এর আগে সিকিমের মঙ্গন এলাকায় ৩.৯ এবং ৩.৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। ভোরের দিকে হওয়া এই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গ-এর বিভিন্ন জেলায়। জানা গিয়েছে, একদিনেই প্রায় ১৬ বার কম্পন অনুভূত হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।ফেব্রুয়ারির শুরুতেও টানা কয়েকদিনে ৪০ বারের বেশি ভূমিকম্প হয়েছিল। ফের একইভাবে কম্পন শুরু হওয়ায় বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এগুলি বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস বা ফোরশক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের ছোট ছোট কম্পন দেখা যায়, যা প্রকৃতির সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনও তাজা পাহাড়ে। সেই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল এবং বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। তাই নতুন করে ঘনঘন কম্পনে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন ভূবিজ্ঞানীরা এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
দেশ

বড় স্বস্তি কেজরীবালের, আবগারি মামলায় বেকসুর খালাস, আদালতেই আবেগঘন মুহূর্ত

দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি পেল আম আদমি পার্টি। প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল এবং প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে। আদালত জানিয়েছে, তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে দুই নেতাকে খালাস ঘোষণা করেন। রায় শোনার পর আদালত কক্ষে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। আদালত চত্বর থেকে বেরিয়ে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল জানান, সত্যেরই জয় হয়েছে।দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। প্রায় একশো কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল কেজরীবাল ও সিসোদিয়াকে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটে খারাপ ফল করে দল। শেষ পর্যন্ত দিল্লির ক্ষমতায় আসে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই দুর্নীতির অভিযোগই নির্বাচনে দলের পরাজয়ের বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।আদালত পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, এত গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে শক্তিশালী তথ্য ও নথির প্রয়োজন হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূলচক্রী বলা যায় না। ভিত্তিহীন অভিযোগ বিচারব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের আস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও আদালত মন্তব্য করেছে।মণীশ সিসোদিয়ার ক্ষেত্রেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। আদালত জানিয়েছে, নথি ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে নীতি তৈরির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই বেশি প্রতিফলিত হয়েছে, অপরাধের ইঙ্গিত নয়। আবগারি নীতি প্রণয়নের আগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল বলেও আদালত উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি বলেই রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষ, না ফেরার দেশে রিঙ্কুর বাবা, অনিশ্চিত বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ

গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতীয় ক্রিকেটার রিঙ্কু সিংয়ের পরিবারে। প্রয়াত হলেন তাঁর বাবা খানচন্দ সিং। দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি। গ্রেটার নয়ডার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চলতি সপ্তাহেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আজ সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।জানা গিয়েছে, লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন রিঙ্কুর বাবা। গত কয়েকদিন ধরে ভেন্টিলেটর ও কিডনি সহায়ক ব্যবস্থায় রাখা হয়েছিল তাঁকে। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হয়নি। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়েই জাতীয় দল ছেড়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন রিঙ্কু। ইতিমধ্যেই তিনি আলিগড়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।চলতি টি কুড়ি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই ঘটনা ঘটায় রিঙ্কুর খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আগামী এক মার্চ ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ রয়েছে। সেখানে তিনি খেলতে পারবেন কি না, তা এখনই স্পষ্ট নয়।রিঙ্কুর ক্রিকেটজীবনের সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবার অবদান ছিল অপরিসীম। আলিগড়ে এলপিজি সিলিন্ডার বিলি করে সংসার চালাতেন খানচন্দ সিং। চরম আর্থিক কষ্টের মধ্যেও ছেলের স্বপ্নপূরণে কোনও খামতি রাখেননি। বহুবার প্রকাশ্যে বাবার সংগ্রাম ও ত্যাগের কথা বলেছেন রিঙ্কু।ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিং রিঙ্কুর বাবার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের মতো বড় দায়িত্বের সময়ে রিঙ্কু ও তাঁর পরিবারের জন্য এটি অত্যন্ত কঠিন সময়। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি প্রার্থনা করেছেন, ঈশ্বর যেন প্রয়াতের আত্মার শান্তি দেন এবং পরিবারকে শক্তি জোগান।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তালিবানের দাবি পঞ্চান্ন পাক সেনা নিহত, জবাবে ভয়ংকর বিমান হামলা

আফগানিস্তানের তালিবান সরকার জানিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানের হামলার জবাব দিতেই তারা পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় তুমুল লড়াই শুরু হয়। শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। তালিবান দাবি করেছে, সীমান্তের কাছে একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও উনিশটি পোস্ট দখল করা হয়েছে। চারটি পোস্ট ছেড়ে সরে গিয়েছে পাকিস্তানি সেনা। একটি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের হামলার জবাবে আকাশপথে পাল্টা আঘাত হেনেছে। কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, পাকিস্তানি সেনা কাপুরুষের মতো বিভিন্ন শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে তাঁর দাবি, তাতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারি রাত আটটা থেকে অভিযান শুরু হয়। সম্প্রতি আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলায় মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, তারই প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহার ও কুনার সহ একাধিক সেক্টরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। তালিবান সরকারের দাবি, মোট পঞ্চান্ন জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধা নিহত ও এগারো জন আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। নানঘারহারে পাকিস্তানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেরো জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।তবে পাকিস্তানের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের দাবি, সংঘর্ষে মাত্র দুই জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং তিন জন আহত হয়েছেন। উল্টে ছত্রিশ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি দাবিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal