• ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Saltlake

কলকাতা

আনন্দলোক হাসপাতালে আগুনে হাহাকার! স্যালাইন হাতে রাস্তায় রোগীরা, ছড়াল চরম আতঙ্ক

সল্টলেকের আনন্দলোক হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চরম আতঙ্ক ছড়াল। হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় হঠাৎ করেই আগুন লাগে বলে জানা গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা ভবন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রোগী ও তাঁদের পরিজনদের মধ্যে।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এসির শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। আগুনের উৎসস্থল খুঁজে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি কেউ ভেতরে আটকে আছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা।হাসপাতালের লিফট আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পাশের আনন্দলোকেরই DL ব্লকের অন্য একটি ভবনে তাঁদের স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক রোগীকে স্যালাইন হাতে নিয়েই বাইরে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা যায়, যা নিয়ে আতঙ্ক আরও বাড়ে।একের পর এক ওয়ার্ড ধোঁয়ায় ঢেকে যায়, ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

এপ্রিল ২১, ২০২৬
কলকাতা

মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদ যাওয়ার আগেই গ্রেফতার, ১৪ দিনের হেফাজতে শতদ্রু

শনিবার মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদ যাওয়ার কথা ছিল অন্যতম আয়োজক শতদ্রু দত্তর। কিন্তু তার আগেই সিআইএসএফ ও পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। রবিবার তাঁকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালত ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে আদালত চত্বরে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।রবিবার প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর পর শতদ্রুকে বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। সেই সময় কয়েকজন বিজেপি কর্মী আদালত চত্বরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের হাতে ছিল গেরুয়া পতাকা ও চপ্পল। পুলিশ বাধা দিলে বিজেপি কর্মীরা প্রশ্ন তোলেন, শনিবার যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলার সময় পুলিশ কী করছিল। তাঁদের অভিযোগ, ২০ টাকার জলের বোতল ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। আদালত চত্বরে তখন চোর-চোর স্লোগান ওঠে।এ দিন আদালতে সরকারি আইনজীবী স্পষ্ট জানান, এই ঘটনায় কোনও ভাবেই যাতে শতদ্রু দত্ত জামিন না পান। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানার জন্য আরও তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা প্রয়োজন। অন্য দিকে, শতদ্রুর আইনজীবী আদালতে বলেন, ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর দাবি, শতদ্রু শুধু অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন, বিশৃঙ্খলার জন্য তিনি একা দায়ী নন। হেফাজতের সময়সীমা কমানোর আবেদনও জানান তিনি।প্রসঙ্গত, শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলার ঘটনার পরই পুলিশ শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করে। আগেই এডিজি আইনশৃঙ্খলা জাভেদ শামিম জানিয়েছিলেন, এই ঘটনায় কাউকেই রেয়াত করা হবে না। ঘটনার পর স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের হয়। একাধিক ধারায় মামলা করা হয়েছে। বিএনএস-এর ১৯২, ৩২৪, ৩২৬, ১৩২, ১২১, ৪৫ ও ৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি মোটর ভেহিকলস আইন এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর সংক্রান্ত পিডিপিপি আইনের ধারাও যোগ করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

২০ মিনিটেই শেষ মেসি শো! কী কারণে ফুটবলের রাজুপুত্র স্টেডিয়াম ছেড়েছিলেন জানলে চমকে যাবেন

১৩ ডিসেম্বর দিনটি কলকাতার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকার কথা ছিল। ১৪ বছর পর ফের কলকাতার মাটিতে পা রাখলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু যেভাবে মেসির গোট ট্যুর মনে রাখার কথা ছিল, বাস্তবে ঘটল ঠিক তার উল্টোটা। সফল এক অনুষ্ঠানের বদলে মুহূর্তের মধ্যেই গোটা আয়োজন বিপর্যয়ে পরিণত হয়। মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ছাড়তে বাধ্য হন আর্জেন্টিনার তারকা।মেসিকে এক ঝলক দেখার জন্য দর্শকদের ন্যূনতম টিকিটের দাম ছিল সাড়ে তিন হাজার টাকা। অনেকেই ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করেছিলেন। কিন্তু মাঠে নেমে মেসিকে দেখার সুযোগই পেলেন না দর্শকরা। মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই শতাধিক মানুষ মেসিকে ঘিরে ধরেন। নেতা-মন্ত্রী, অতিথি ও নিরাপত্তারক্ষীদের ভিড়ে আর্জেন্টাইন তারকাকে দেখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ হন দর্শকরা।সেদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় মিডফিল্ডার লালকমল ভৌমিক। স্পোর্টস নাও-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, শুরুতে পরিস্থিতি একেবারেই স্বাভাবিক ছিল। মেসি মাঠে হাঁটছিলেন, হাসছিলেন এবং সকলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। কোনও দ্বিধা ছাড়াই অটোগ্রাফও দিচ্ছিলেন তিনি। তখন তিনি বেশ স্বচ্ছন্দই ছিলেন।কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন হঠাৎ করে অনেক মানুষ মাঠে ঢুকে পড়ে এবং মেসির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু হয়। লালকমলবাবুর কথায়, তখন মেসির চোখে-মুখে অস্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ভিড় যত বাড়তে থাকে, ততই তাঁর বিরক্তি বাড়ছিল।এক সময় পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। চারদিক থেকে মানুষ ঘিরে ধরতেই মেসি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন বলে জানান লালকমল ভৌমিক। শুধু মেসি নন, ল্যুই সুয়ারেজ় এবং রড্রিগো ডিপলও পরিস্থিতিতে খুব বিরক্ত হয়ে পড়েন।মেসির নিরাপত্তারক্ষীরা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট ছিলেন না। ভিড় অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মেসির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়। সেই কারণেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলেই মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান আর্জেন্টিনার তারকা।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

‘গুড বয়’ শতদ্রু গ্রেফতার! মেসি কাণ্ডে নেপথ্যের গল্প জানুন

আগের বার আর্জেন্টিনার তারকা গোলকিপার ইমিলিয়ানো মার্টিনেজ কলকাতায় এসেছিলেন। তখন সবকিছুই ছিল নিয়ন্ত্রণে। কোনও বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনার ছবি সামনে আসেনি। কিন্তু এবার পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেল। লিওনেল মেসিকে দেখতে না পেয়ে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত।যদিও শতদ্রুকে নিয়ে এলাকাবাসীর বক্তব্য একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবেশীদের একাংশ বলছেন, তাঁদের কাছে শতদ্রু বরাবরই একজন ভালো ছেলে। এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মেসিকে কলকাতায় আনতে তিনি কম চেষ্টা করেননি। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, বহু দিনের পরিশ্রমের ফলেই এই সফরের পরিকল্পনা হয়েছিল।এলাকার রেহান নামে এক যুবকের বক্তব্য, মেসির জনপ্রিয়তা কতটা, তা সকলেই জানেন। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ কলকাতায় এসেছিলেন তাঁকে এক নজর দেখার জন্য। তাঁর মতে, নিরাপত্তা আরও শক্ত করা যেত। এই বিষয়টি পুলিশের আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল শতদ্রুর। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করতেন তিনি। সেই সূত্রেই বিশ্বের নামী ফুটবলারদের বাংলায় আনার উদ্যোগ নেন। যাঁদের এক ঝলক দেখতে মানুষ পাগল, সেই সব তারকাকেই বাংলায় আনার লক্ষ্য ছিল তাঁর। বাড়ির ছাদে পর্যন্ত ছোট ফুটবল মাঠ তৈরি করেছিলেন তিনি। এর আগেও পেলে, কাফু, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, রোনাল্ডিনহোদের মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের কলকাতায় এনেছিলেন শতদ্রু।এলাকাবাসীদের দাবি, মেসিকে আনতে এবার আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। জানা গিয়েছে, মেসির বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন তিনি। এরপর মেসির সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়। দিনক্ষণ ঠিক করে পরিকল্পনা করা হয় পুরো সফরের। অনেকের মতে, ওই দিন যুবভারতীতে ইতিহাস তৈরি হতে পারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হল না।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মেসির সঙ্গে হায়দরাবাদে যাওয়ার পথেই শতদ্রুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিমানবন্দর থেকেই তাঁকে আটক করা হয়। আগামীকাল তাঁকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

কলকাতায় মেসি মানেই উৎসব হওয়ার কথা ছিল, কেন রণক্ষেত্র হল যুবভারতী?

শনিবার কলকাতায় পা রাখেন বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিয়োনেল মেসি। শহরে আসার পর প্রথমে তিনি যান এক পাঁচ তারা হোটেলে। সেখানেই তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। পরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছন মেসি। গ্যালারিতে তখন মানুষের ঢল। কেউ এসেছেন মুম্বই থেকে, কেউ আবার সুদূর আমেরিকা থেকেও। কারও চোখে জল, কারও চোখে উত্তেজনাপ্রিয় তারকাকে সামনে থেকে দেখার আবেগে ভাসছিল গোটা মাঠ।কিন্তু সেই উন্মাদনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অভিযোগ, যুবভারতীতে ঢোকার পর থেকেই মেসিকে ঘিরে ধরেন কর্তা ও মন্ত্রীরা। সাধারণ দর্শকদের কাছে পৌঁছনোর সুযোগই পাননি তিনি। মোটা টাকা দিয়ে টিকিট কেটেও প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন দর্শকরা। শুরু হয় হইচই। কেউ বোতল ছোড়েন, কেউ চেয়ার ছুড়তে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই রাত আনুমানিক ১১টা ৫২ মিনিটে মেসিকে ক্রীড়াঙ্গন থেকে বাইরে নিয়ে যান আয়োজকরা।এরপর আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠে জনতা। মাঠে ঢুকে পড়েন অনেকে। যুবভারতীতে তৈরি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। এই দিন ক্রীড়াঙ্গনে আসার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। মেসির সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর। কিন্তু অশান্তির খবর পেয়ে ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছনোর আগেই নিজের কনভয়ের দিক ঘুরিয়ে ফিরে যান মুখ্যমন্ত্রী।দর্শকদের অভিযোগ, মধ্যবিত্ত পরিবারের বহু ছেলে-মেয়ে কষ্টের টাকা জমিয়ে টিকিট কেটে এসেছিলেন শুধু মেসিকে এক ঝলক দেখবেন বলে। কিন্তু সেই সুযোগ তাঁরা পাননি। অনেকের অভিযোগের তির ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্তের দিকেও। ক্ষুব্ধ দর্শকদের দাবি, পুরো আয়োজনেই ছিল চরম অব্যবস্থাপনা। টাকা নেওয়া হলেও দর্শকদের কথা ভাবা হয়নি।অনেকেই টিকিটের টাকা ফেরতের দাবি তুলেছেন। কেউ কেউ বলছেন, মেসি এসেও যেন এলেন না। শনিবার যুবভারতীর যে ছবি হওয়ার কথা ছিল, বাস্তবে তা একেবারেই অন্যরকম হয়ে গেল। উৎসবের বদলে তৈরি হল অশান্তি, হতাশা আর ক্ষোভ।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
রাজ্য

টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভে উত্তাল সল্টলেক, চ্যাংদোলা করে তোলা হল পুলিশ গাড়িতে

নিয়োগের দাবিতে ফের উত্তাল সল্টলেকের করুণাময়ী। ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের বিক্ষোভে উত্তাল। টেট উত্তীর্ণদের আন্দোলনে ধুন্ধুমার। সল্টলেক করুণাময়ীতে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড়। আন্দোলনকারীদের সাথে ধাক্কাধাক্কি চলতে থাকে পুলিশের। ক্ষোভে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে সল্টলেকে করুণাময়ী মোড়ে জমায়েত করেছিলেন ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা। প্রাথমিকে ৫০ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের দাবিতে তাঁদের এদিনের কর্মসূচি ছিল (এপিসি ভবন)পর্যদ অফিস অভিযান। সকাল থেকেই করুণাময়ীতে ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী ব্যানার, প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান তুলতে শুরু করেন। কিন্তু আন্দোলন জমতে না জমতেই শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। করুণাময়ী মেট্রো স্টেশনের বাইরে থেকেই পুলিশি বাধা তৈরি হয়। একে একে কর্মীদের ঘিরে ফেলে তাঁদের চ্যাংদোলা করে গাড়িতে তোলা হয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই এলাকা জুড়ে তৈরি হয় উত্তেজনা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। বহু চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সত্ত্বেও তাঁদের হেনস্তা করা হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বিদেশী নাগরিকদের প্রতারণা, ফেক কল সেন্টারের এমডি, ম্যানেজার সহ গ্রেফতার ৪

ফের ইন্টারন্যাশনাল ফেক কল সেন্টারের হদিস। সেক্টর ফাইভে অফিস খুলে টেকনিকাল সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে বিদেশী নাগরিকদের প্রতারণা। গ্রেফতার ফেক কল সেন্টারের এমডি, ম্যানেজার ও দুজন কর্মী। গ্রেফতার করলো ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, একটি সূত্র মারফত খবর পায় যে সেক্টর ফাইভে অফিস খুলে বিদেশী নাগরিকদের টেকনিকাল সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করছে। সেই খবর পেয়ে তদন্তে নেমে অফিসের খোঁজ পায়। সেখানে হানা দিয়ে মোট চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাদের বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।

এপ্রিল ২৭, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতার পর সল্টলেকেও চরম অমানবিকতার নজির, মোবাইল চোরের দাগ লাগিয়েই পিটিয়ে খুন

কলকাতার বৌবাজারের পর সল্টলেক। একটা গণপিটুনি গতকাল রাতে, আরেকটা আজ ভোরে। ১২ ঘন্টার মধ্যে দুই সভ্যনগর কলকাতা ও সল্টলেকে দুজনকে পিটিয়ে খুন করা হল। দুটি ক্ষেত্রেই মোবাইল চুরির সন্দেহে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। দ্বিতীয় গণপিটুনি হয়েছে সল্টলেক ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানা এলাকার পোলেনাইটে। মৃতের নাম প্রসেন মন্ডল (২২)।পুলিশ সূত্রে খবর, আজ শনিবার ভোর বেলায় করুণাময়ীর কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে থানায় খবর যায় এক ব্যক্তি একটি যুবককে নিয়ে এসেছে মৃত অবস্থায়। এবং যে নিয়ে এসেছে তাকে আটকে রেখেছে। এর পর পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে, আজ ভোর বেলায় মোবাইল চুরির অভিযোগে তাকে ওই অভিযুক্ত, তার ছেলে ও এক বন্ধু মারধর করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকি দুজনের খোঁজ পায় তাদেরকেও আটক করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশ এর বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে।ধৃতরা হল তপন সরকার, হরসিত সরকার ও শ্রীদাম মন্ডল।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

সল্টলেকে গেস্ট হাউজের আড়ালে মধুচক্রের আসর! গ্রেফতার ৭

সল্টলেকে মধুচক্রের হদিস। গেস্ট হাউজের আড়ালে চলতো মধুচক্রের রমরমা। সেখানে হানা দিয়ে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ম্যানেজার সহ চার জন গেস্ট হাউস কর্মী, তিনজন কাস্টমারকে গ্রেফতার করলো বিধান নগর পূর্ব থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে তিনজন তরুণী ।পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে সল্টলেকের বিজে ব্লকের ৩০১ নাম্বার বাড়িতে গেস্ট হাউস করে সেখানে বহু মেয়ে ও ছেলেদের দিন রাত আনাগোনা চলছে। সেই খবর অনুযায়ী শনিবার রাতে ঐ গেস্ট হাউসে আচমকা হানা দেয় পুলিশ। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখে তিনজন কাস্টমার ও সঙ্গে তিনজন মেয়ে রয়েছে। এর পরই তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সদুত্তর না পেয়ে ঐ গেস্ট হাউসের ম্যানেজার ও তিনজন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে ওই তিনজন কাস্টমারকেও গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় ঐ তিন তরুণীকে। আজ ধৃতদের বিধান নগর কোর্টে তোলা হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
কলকাতা

মদ্যপদের তাণ্ডব, সিভিক ভলেন্টিয়ারদের রাস্তায় ফেলে বেধরক মারধর

পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার ভোর রাতে কেষ্টপুর-সল্টলেক যোগাযোগ স্থাপনকারী নতুন ব্রিজের সামনে ডিউটি করছিলেন দুই সিভিক কর্মী। সেই সময় সল্টলেক থেকে কেষ্টপুরের দিকে যাচ্ছিলেন ৮জন মদ্যপ যুবক। তারা সিভিককে দেখে কটূক্তি করতে থাকলে তাদের আটকায় সিভিক ভলেন্টিয়াররা। তবে তাদের আটকাতেই সিভিকদের উপর চড়াও হয় ওই ৮জন বলে পুলিশের দাবি। সেই সময় দুই সিভিক কর্মীকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে ওই মদ্যপরা। এরপরই ঘটনাস্থলে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ পৌঁছালে সেখান থেকে পালিয়ে যায় তারা। তবে ওই এলাকা থেকে দুজন মদ্যপ যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত দুজনের নাম প্রীতম সিং এবং কৃষ্ণ সিং, দুজনেই বিহারের বিহারের বাসিন্দা। কলকাতায় অনলাইন ডেলিভারির কাজের সঙ্গে যুক্ত। আহত সিভিক কর্মীদের বিধাননগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ অভিযুক্তদের বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই যুবকদের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে বিধাননগর পূর্ব থানার পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত আইএনআইএফডি সল্টলেক

প্ল্যাটিনাম সেন্টার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করল সল্টলেকের আইএনআইএফডি। উপস্থিত ছিলেন আইএনআইএফডি গ্লোবালের সিইও অনীক খোসলা সহ আরও বিশিষ্টরা। এই অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন টলিউড অভিনেতা বিক্রম চ্যাটার্জি ও অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। গত ২৫ বছর ধরে সফলভাবে ফ্যাশন ও ইন্টিরিয়র ডিজাইনে নজর কেড়েছে আইএনআইএফডি সল্টলেক। অ্যাওয়ার্ড পেয়ে সংস্থার সকলেই উচ্ছ্বসিত। এক সাক্ষাৎকারে ম্যানেজার অর্ণব রায় জানিয়েছেন, ভারতের প্ল্যাটিনাম সেন্টার অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত। আইএনাইএফডি সল্টলেকের পরিশ্রমের ফসল হল এই অ্যাওয়ার্ড। ফ্যাশন ও ইন্টিরিয়র ডিজাইনে আগামী দিনে নতুন প্রতিভা তুলে আনার ভাবনা রয়েছে আমাদের।

জুলাই ০৮, ২০২২
কলকাতা

আগুন লেগে ভস্মীভূত এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ

আগুন লেগে ভস্মীভূত হয়ে গেল সল্টলেকের এফডি ব্লকের পুজো মণ্ডপ। ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে দুর্গা প্রতিমাও। কী থেকে এই অগ্নিকাণ্ড তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। জানা গিয়েছে , বুধবার সকাল সাড়ে ৬ টা নাগাদ মণ্ডপ থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয়রা।তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থল পৌঁছয় দমকলের ৩ টি ইঞ্জিন। শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ। তবে ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে মণ্ডপ সহ প্রতিমা। আরও পড়ুনঃ করোনা-বিধি মেনেই চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব প্রসঙ্গত , এদিনই এফডি ব্লকের ওই মণ্ডপের প্রতিমার বিসর্জনের কথা ছিল। দমকল আধিকারিকদের কথায়, আগুন সম্পূর্ণভাবে নেভার পরই বিষয়টি জানা যাবে। ঘটনাস্থলে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ । মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তারা আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, আগুন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে লাগিয়ে দিয়েছে। ঘটনার ফরেন্সিক তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
কলকাতা

ছাড়লেন এনডিএ , একুশে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে ভোট ময়দানে বিমল গুরুং

এনডিএ ছাড়ছেন তিনি। একুশের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। হঠাৎ বুধবার কলকাতায় এক অভিজাত হোটেলে বসে সাংবাদিক বৈঠক করে এই মন্তব্য করেন গোর্খা নেতা বিমল গুরুং। তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করছি। কিন্তু আমরা কী পেয়েছি? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ সকলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন গোর্খাল্যান্ডের দাবির স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারে। ভোট ইস্তেহারেও সে কথা লিখেছিলেন। কিন্তু গত ৬ বছরে কিছুই তো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলে শুধু বলেন, দেখছি, হবে। তুলনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বরং ভাল। উনি আমাদের কথা শুনেছিলেন। তার পর কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। সাংবাদিক বৈঠকে এর পরেই গুরুং বলেন, আমি কেন্দ্রে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট তথা এনডিএ-র শরিক। কিন্তু আজ এই মুহূর্ত থেকে এনডিএ ছাড়ছি। সেই সঙ্গে এই অঙ্গীকার করছি যে একুশের বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে ভোট লড়ব। সেই সঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ডের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করব। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গুরুং বলেন , এখনও তৃণমূলের কারও সঙ্গে আমার আলোচনা হয়নি। গুরুংয়ের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে রোশন গিরি উপস্থিত ছিলেন। গুরুং আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক কর্মী। কোনও অন্যায় করিনি। এর পরেও যদিব পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করে তা হলে জেলে যেতে রাজি। সেখানে বসেই কাজ করব। আরও পড়ুনঃ পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের প্রসঙ্গত , এদিন বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের গোর্খা ভবনের সামনে হাজির হয় গো্র্খা জনমুক্তি মোর্চার পলাতক এই নেতার গাড়ি। তবে এদিন গোর্খা ভবনের গেট বিমলের জন্য খোলেনি। এক পুলিশকর্মী গোর্খা ভবনের গেট খোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। এসময় বিমলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাঁকে তো পুলিশ খুঁজছে। তাহলে তিনি কিভাবে কলকাতায় এলেন? জবাবে এই গোর্খা নেতা বলেন, যা বলার তিনি গোর্খা ভবনের ভিতরে বলবেন। তবে শেষ পর্যন্ত গোর্খা ভবনের ভিতরে যেতে পারেননি তিনি। গেট না খোলায় শেষ পর্যন্ত গাড়ি ঘুরিয়ে অন্যদিকে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর এদিন তিনি প্রকাশ্যে এলেন। শো্না যাচ্ছিল , পুজো্র সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। সেই জল্পনাকে সত্যি করে এদিন তিনি কলকাতায় এলেন। প্রসঙ্গত , পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, সাব-ইনস্পেক্টর অমিতাভ মালিক খুনে অভিযুক্ত বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের খাতায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ইউএপিএ আইনের ধারাও রুজু রয়েছে তাঁর নামে। এবছরের মার্চে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার ছেলের বিয়ের আসরে দেখা গিয়েছিল গুরুং এবং গিরিকে। তখনই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুংয়ের যোগসাজশের জল্পনা বাড়ে। কিছুদিন আগে গোর্খাল্যান্ড নিয়ে আলোচনার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মোর্চা, রাজ্য সরকারকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বিমল গুরুং ও রোশন গিরি। অবশেষে এদিন তিনি সামনে এলেন।

অক্টোবর ২১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal