• ৯ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Health

কলকাতা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসা ও মারামারি, বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে সাময়িক বন্ধ পরিষেবা

স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বচসার জেরে বুধবার সারাদিন বেহাল পরিষেবা অবস্থা থাকল হাওড়ার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় নানা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন রোগীরা। অনেক রোগীর পরিবারের সদস্যরাই অভিযোগ তোলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ বন্ধ করে দিনভর বচসা ও মারামারি করায় অনেকে খাবার জলটুকুও পাননি। পাশাপাশি হাসপাতাল চত্বরজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। স্বাস্থ্য কর্মীরা কাজ না করায় যত্রতত্র পড়ে থাকে পিপিই কিট। চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার মদ্যপ অবস্থায় মারধর করেছেন, এই অভিযোগেই কাজ বন্ধ করে দেন স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ। এমনকী, বুধবার দুপুরে এই কোভিড হাসপাতালের ভিতরেই স্বাস্থ্যকর্মীদের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি বেধে যায়। যার জেরে বন্ধ হয়ে যায় রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার কাজ। ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার রাতে। হিল্লোল বন্দোপাধ্যায় নামে চুক্তিভিত্তিক এক স্বাস্থ্য কর্মীর অভিযোগ, তাঁদের এক কর্মীকে হাসপাতালের এক সুপারভাইজার ওদিন রাতে মদ্যপ অবস্থায় মারধর করে। তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। আর সে কারণেই নিরাপত্তার দাবিতে তাঁরা কাজ বন্ধ করে দেন। এদিন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের প্রায় ৩৭ জন চতুর্থ শ্রেণির চুক্তিভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দেন। অপরদিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠে সেই চুক্তিভিত্তিক সুপারভাইজার লাল্টু বিশ্বাস অবশ্য অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন। এই পরিস্থিতিতে বুধবার অনেক রোগীর পরিজনরাই তাঁদের রোগীদের ওই হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত করার চেষ্টা করেন। পরিষেবা না পাওয়ার জন্য এদিন হাসপাতালে রীতিমতো বিক্ষোভ দেখান রোগীর আত্মীয়রা।৩০০ শয্যার বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় সমস্যায় পড়েন বহু রোগী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এদিন বিকেলেই স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বালিটিকুরি কোভিড হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। সন্ধ্যা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয় বলে জানান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক পদস্থ আধিকারিক।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীরাই চড়তে পারবেন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে

রেলকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ চড়তে পারবেন না স্টাফ স্পেশ্যালে, সাফ জানালো রেল। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে উপযুক্ত পরিচয়পত্র থাকলে তবেই তাঁরা উঠতে পারবেন ট্রেনে। অন্য কেউ যাতে রেল পরিষেবা ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ করছে রেল।এবিষয়ে হাওড়ার ডিআরএম সুমিত নারুলা বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া আর কেউ স্টাফ স্পেশ্যালে উঠতে পারবেন না। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর নজর রাখতে ট্রেনগুলিতে কামরা আলাদা করে নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যই তা বরাদ্দ থাকছে। হাওড়ামুখী ট্রেনগুলির একেবারে সামনের দুটি কামরা সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেন। এজন্য তাঁদের কাছে সঠিক পরিচয়পত্র থাকতে হবে। টিকিট পরীক্ষক তাঁদের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখবেন। রেলকর্মীরা যাতে সংক্রমিত না হন, তা সুনিশ্চিত করতেই দূরত্ব বিধি মেনে ট্রেন যাত্রার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, রেলকর্মীদের মধ্যে অতিমাত্রায় সংক্রমণের ঘটনা ঘটছে। পূর্ব রেলের মেনস ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষ বলেন, নির্ধারিত দিনক্ষণ জানা না গেলেও কয়েকদিনের মধ্যে শিয়ালদহ ডিভিশনে কোভিডে মৃত কর্মীদের তালিকা সোমবার হাতে এসেছে। যাতে দেখা গিয়েছে, শিয়ালদহ ডিভিশনে ৩০ জন মারা গিয়েছেন অল্প কয়েকদিনের মধ্যে। তিনি বলেন, বিআর সিং হাসপাতালে পালমোনোলজিস্ট মাত্র একজন। ফলে চরম বিপদের মধ্যে পড়ছেন রেলকর্মীরা। উপযুক্ত চিকিৎসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সোমবার করুণাময় মুখোপাধ্যায় নামের এক রেলকর্মী মাস দুয়েক আগে অবসর নিয়েছেন। তাঁর বুকে সংক্রমণ তীব্র আকার নিলেও চিকিৎসা হয়নি। তিনি আবার মেনস ইউনিয়নের দক্ষিণদাঁড়ির সাধারণ সম্পাদক। তাঁকে এদিন ভেন্টিলেশনে পাঠানো হয়। পূর্ব রেলের স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রিন্সিপ্যাল চিফ মেডিক্যাল ডিরেক্টর রুদ্রেন্দু ভট্টাচার্য বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ পাঠালেই তাঁকে নিয়োগ দেবে পূর্ব রেল।এদিকে দীর্ঘ দাবির পর সোমবার থেকে রামপুরহাটে রেলের হেলথ সেন্টারে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হল। এরপর বর্ধমান হেলথ সেন্টার পেলে দূর থেকে কর্মীদের কলকাতায় ভ্যাকসিন নিতে আসতে হবে না। এই দাবি বেশ কিছুদিন ধরে করে আসছিল রেলের চিকিৎসক মহল। এদিকে রেলের অসংখ্য টিকিট পরীক্ষক আক্রান্ত হওয়ায় শহরতলির টিকিট পরীক্ষকদের এবার মেল এক্সপ্রেসে টিকিট পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

মে ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

মাংস ছাড়াই আমিষ-বিকল্প সয়াবিনে

ডায়াটেশিয়ানরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার ২০ বা ৩০ শতাংশ হওয়া খাবার হওয়া উচিত আমিষ। কিন্তু অনেকেই আছেন, যাঁরা মাছ- মাংস খায় না, তাহলে তাদের কী করনিও? আমাদের অনেকের ধারণা, আমিষ কেবল মাংস খেলেই পাওয়া যায়। কিন্তু মাংস ছাড়াও আমিষের আরও নানান উৎস আছে। ধরা যাক, কেউ মাংস পরিহার করতে চান বা নিরামিষাশী হতে চান, তবে তাঁর আমিষের চাহিদা কীভাবে পূরণ হবে? ডিম, দুধ, দুধের তৈরি খাবার, শিমের বীজ, বাদাম, ছোলা, সয়াবিন, মটরশুঁটি, বরবটি, বিভিন্ন সবজির বীজ ইত্যাদি থেকেও আমরা প্রচুর পরিমাণে আমিষ পেতে পারি। এই খাবারগুলোকে নানাভাবে রান্না করে, যেমন বুটের ডালের হালুয়া, ডিমদুধের পুডিং, পায়েস, মাছের কাটলেট বা চপ, ডালের বড়া, ছানা, দই ইত্যাদি প্রস্তুত করে খেলে আমিষের চাহিদা পূরণ হবে মাংস ছাড়াই।মাংসের পরিপূরক কী হতে পারে?এক টুকরা ৩০ গ্রাম পরিমাণ মাংসে আছে ৬ গ্রাম আমিষ। এর পরিবর্তে সমপরিমাণ আমিষ পেতে হলে আপনি খেতে পারেন ১৬০ গ্রাম বাদাম, দেড় কাপ দুধ, ৩৫ গ্রাম মাছ, আধ কাপ মটরশুঁটি, ২ কাপ তরল ডাল (মুগ-মসুর), ২০ গ্রাম পনির, ৩৫ গ্রাম ছানা, ২৫ গ্রাম ছোলার ডাল, ১৫ গ্রাম সয়াবিন, ৩০ গ্রাম ছোলা, ২০ গ্রাম সরিষা ইত্যাদির যেকোনো একটি। সয়াবিনের উপকারিতাপ্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে প্রোটিনের পরিমাণ ৪৩ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট থাকে ৩০ গ্রাম। ফ্যাট ২০ গ্রাম। আক্ষরিক অর্থেই সয়াবিনের হাজার গুণ। একেবারে এক সে বরকর এক এফেক্ট। ১. সয়াবিনে প্রচুর পটাসিয়াম থাকায় হাই ব্লাড প্রেশারের রোগীদের ক্ষেত্রে উপকারী।সয়াবিন হার্টের পক্ষে খুবই ভাল, এটি হার্ট অ্যাটাক কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।৩. সয়াবিনে থাকা স্বাস্থ্যসম্মত আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।৪. ডিম, মাংস, দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো প্রাণিজ প্রোটিনের সমতুল্য সয়াবিন।৫. ডালের চেয়েও বেশি প্রোটিন রয়েছে সয়াবিনে।৬. সয়াবিন ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের খনি, যা হার্ট ও লিভারের সক্রিয়তা বজায় রাখতে সহায়ক।৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ সয়াবিন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।৮. সয়াবিনে থাকা প্রোটিন সেরিব্রাল কর্টেক্সের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, যা মানুষের কাজের ক্ষমতা বাড়ায়।৯. সয়াবিনে প্রচুর লেসিথিন থাকে যা মস্তিষ্ক গঠনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।১০. বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের ডায়েটে সয়াবিন রাখা জরুরি, পরবর্তীকালে ব্রেস্ট ক্যানসারের সম্ভাবনা কমে।সত্যিই সয়াবিনের জুড়ি মেলা ভার। রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ক্ষেত্রেও সয়াবিন খাওয়া উপকারী। সয়াবিন বিভিন্ন ধরনের বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে যা ঘুমের সমস্যা বা ইনসমনিয়া দূর করতে সক্ষম। সয়াবিনে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফোলেট রয়েছে যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস দূর করতে সাহায্য করে। সয়াবিনে থাকা ফাইবার কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সয়াবিন বিশেষ উপকারী। টাইপ টু ডায়াবেটিসের হাত থেকে মুক্তির জন্য সয়াবিন সহায়ক।সুস্বাস্থ্যের এই মন্ত্র তাই পাতছাড়া একেবারেই করবেন না। করলে নিজেই পস্তাবেন।

মে ১১, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
দেশ

করোনা আবহে বাতিল মেডিক্যালে স্নাতক নিট পরীক্ষা

দেশজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে করোনা অতিমারি। ভেঙে পড়েছে একাধিক রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো। এমতাবস্থায় সংক্রমণ যেন আরও দ্রুত না ছড়াতে পারে তাই মহারাষ্ট্র প্রশাসন দ্বাদশ ও দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করেছে। বারবার দাবি ওঠার পর সিবিএস দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এ বার আপাতত বাতিল হয়ে গেল স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা অর্থাৎ নিট-পিজি ২০২১।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন টুইট করে জানিয়েছেন, নিট পরীক্ষা আপাতত বাতিল হয়ে যাওয়ার কথা। টুইটে তিনি লিখেছেন, দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরিস্থিতিতে ভারত সরকার নিট-পিজি ২০২১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৮ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল এই পরীক্ষা। পরিবর্তিত সূচি পরে জানানো হবে। তরুণ মেডিক্যাল পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সিবিএসই পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর নিট পরীক্ষা বাতিলের আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিলেন চিকিৎসক পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি, যে চিকিৎসকরা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা করেন, তাঁদের খাতায়-পেনে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করায় হাজারো মানুষকে বিপদে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিবিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল হওয়া ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনেও নিট বাতিলের সওয়াল করেন তাঁরা। সুপ্রিম কোর্ট এই আবেদন শুনবে আগামিকাল। তবে তার আগেই হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, এই পরীক্ষা বাতিলের কথা।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
টুকিটাকি

রোজ পাতে থাকুক ঢ্যাঁড়স! জেনে নিন এর গুণাবলী…

করোনা পরিস্থিতিতে প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল অবস্থা সাধারণের। তারই মধ্যে শরীরে যত্ন নিতে বদ্ধপরিকর সকলেই। গরমে শরীরের যত্ন নিতে সপ্তাহে তিনদিন খান ঢ্যাঁড়স। শিশু, প্রবীণ ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ঢ্যাঁড়স অত্যন্ত উপকারী।ঢ্যাঁড়সের নাম শুনেই নাক সিঁটকাচ্ছেন! অনেকেরই এই উপকারী সবজিতে না-পসন্দ। তবে এই গরমে সবচেয়ে সহজপাচ্য সবজির মধ্যে অন্যতম হল এই ঢ্যাঁড়স। শিশু ও প্রবীণরা ঢ্যাঁড়স খেলেও নতুন প্রজন্মের কাছে ঢ্যাঁড়স এখনও গুরুত্বহীন। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারী ফাইবার সমৃদ্ধ ঢ্যাঁড়সের উপকারীতা শুনলে চমকে যাবেন। এই গরমে শরীর ভালো রাখতে তাই রোজ পাতে থাকুন ঢ্যাঁড়সের পদ।আসুন দেখে নিই, ঢ্যাঁড়স খেলে আমাদের শরীর কেন ভালো থাকে১. ঢ্যাঁড়সের অনেক গুণ রয়েছে। এতে রয়েছে ভিটামিন এ , অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।২. ঢ্যাঁড়সে রয়েছে সলিউবল ফাইবার পেকটিন, যা রক্তের মন্দ কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে ও অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।৩. গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ তৈরির জন্য ভালো ঢ্যাঁড়স গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে, গর্ভপাত হওয়া প্রতিরোধ করে।৪. বাতাসের মধ্যে ভেসে থাকা দূষিত পদার্থ দূরে করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও মুখের ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।৫. ঢ্যাঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢ্যাঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।৬. ঢ্যাঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে খুব ভাল উপাদান। খুসকি দূর করতে এবং শুষ্ক মাথার ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।৭. বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।৮. ঢ্যাঁড়সে আছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন। এর কারণে চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।৯. ঢ্যাঁড়সের মধ্যে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ থাকায় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। সূর্যের ইউভি রস্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে।১০. চোখের নানান সমস্যা রোধ করা যায় ঢ্যাঁড়সের গুণের জেরে।খারাপ লাগলেও আজ থেকেই ট্রাই করতে পারেন ঢ্যাঁড়স। গরমে ঠান্ডা থাকে, পেট ভালো রাখতে, দূষণ থেকে ত্বককে রক্ষা করতে এই ঢ্যাঁড়সের গুণের শেষ নেই।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
টুকিটাকি

গাজরের বহুবিধ গুনাগুণ

বহুল উপকারি সবজির মধ্যে অন্যতম গাজর। গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে। ত্বকের গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় গাজর খুবই উপকারি। অনেকেই প্রতিদিনের ডায়েটে রাখেন গাজরের রস। অনেকে আবার ফ্রুট স্যালাড কিংবা এমনি স্যালাডে রাখেন গাজর। শুধু ত্বক বা চুল ভাল রাখতে নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখার অসংখ্য গুণ রয়েছে গাজরে।গাজরের গুনাগুন জেনে নেওয়া যাক:১. গাজরে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান ভিটামিন এ- তে পরিণত হয়। ফলে নতুন স্কিন সেল তৈরি হতে সাহায্য করে গাজরে থাকা এই উপাদান। এছাড়া ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়ায়।২. গাজরের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। আর এই উপাদান ত্বকের জৌলুস ফেরাতে এবং ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যাবতীয় দাগছোপ দূর করে ত্বক রাখে ঝকঝকে।৩. ত্বকের টেক্সচার বা গঠন সুদৃঢ় করতেও সাহায্য করে গাজরে থাকা বিভিন্ন রকমের উপাদান। বিশেষ করে গাজরে থাকা ভিটামিন এ স্কিন টেক্সচার সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।৪. সূর্যের তেজে যে ট্যান পড়ে আপনার চামড়ায় সেটা দূর করে গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করা এই উপাদান।৫. হেয়ারফল অর্থাৎ চুল পড়ার সমস্যা আজকাল প্রায় সকলেরই রয়েছে। এক্ষেত্রেও সমাধানের কাজ করে গাজর। শুধু তাই নয়, আপনার স্ক্যাল্পে পুষ্টিও জোগায় গাজর।৬. শুধু চুল বা ত্বকের পরিচর্যায় নয়, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে এবং মেন্সট্রুয়াল বিভিন্ন ইস্যুর সমাধানে সাহায্য করে গাজর। প্রতিরোধ ক্ষমতাও গড়ে তোলে গাজর।

মার্চ ৩১, ২০২১
কলকাতা

জোর করে রং মাখালে ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

গায়ের জোরে রং মাখালে রাত কাটবে শ্রীঘরে। দোলের জন্য এমনই কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ। সেই আইনেই লেখা, শারীরিকভাবে কাছে গিয়ে ধরে রং/আবির মাখাবেন না।যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ) মুরলীধর শর্মা জানিয়েছেন, গায়ের জোরে কাউকে রং দেওয়া অপরাধ। কোথাও এমনটা হচ্ছে, খবর পেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক অনির্বাণ দলুইয়ের কথায়, উত্তরোত্তর বাড়ছে সংক্রমণ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ বছর উৎসবে অংশগ্রহণ করতে হবে। এদিকে, নিজেরা নিয়ম মেনে রং খেললেও রাস্তাঘাটে একটা আতঙ্ক থেকেই যায়। রাজপথে পথচলতি কাউকে চেপে ধরে রং মাখানোর দৃশ্য গা-সওয়া। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, এ বছর এমন প্রবণতা না থাকাই শ্রেয়। বৃহস্পতিবারের ৫১৬ জন থেকে করোনা আক্রান্ত বেড়ে এক লাফে শনিবারে ৮১২। জনস্বাস্থ্য আধিকারিক অনির্বাণ দলুইয়ের গলায় শঙ্কা, সংক্রমণ কী হারে বাড়ছে সরকারি তথ্যই বলে দিচ্ছে। এমন আবহেই আজ দোল। বাঁধভাঙা রং খেলার হুল্লোড় তিনগুণ করে দিতে পারে দৈনিক সংক্রমণ। সেক্ষেত্রে ফের ২০২০ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে।

মার্চ ২৮, ২০২১
টুকিটাকি

চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগে

নারকেলের গুণের কথা সকলে্রই জানা। নারকেলের নির্যাস তেলেও রয়েছে অনেক গুণ।এই তেলে রান্না করা খাবার খেতে যতই কম সুস্বাদু লাগুক, এর মধ্যে পুষ্টিগুণ নাকি মারাত্মক। তবে শুধু খাওয়ায় নয়, চুল এবং ত্বকের পরিচর্যাতেই ভীষণ ভাবে উপকার করে এই নারকেল তেল।চুলের পরিচর্যা-১. যাঁদের শ্যাম্পু করলেই চুল মারাত্মক রুক্ষ হয়ে যায়, কন্ডিশনার দিলেও বিশেষ লাভ হয় না, তাঁরা শ্যাম্পু করার আগে নারকেল তেল সামান্য গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করুন। তারপর শ্যাম্পু করে নিলেই দেখবেন আপনার চুল স্মুদ এবং সিল্কি হয়ে গিয়েছে।২. খুশকির সমস্যাও কমিয়ে দেয় নারকেল তেল। মূলত, স্ক্যাল্প শুকনো এবং রুক্ষ থাকলেই খুশকির সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দেয়। তা থেকে অনেকসময় আবার অনেক স্কিনের সমস্যাও হয়ে থাকে। তাই স্ক্যাল্পে পুষ্টি জোগাতে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এর ফলে খুশকির সমস্যা কমবে।৩. ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেয়ার মাস্ক বা স্পা-এর জন্য প্যাক তৈরির সময় সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে নিতে পারেন। এর ফলে চুল অনেক বেশি নরম থাকে। চুলের ফ্রিজি ভাব চলে যায়।ত্বকের পরিচর্যা-১. চড়া মেকআপ তুলতে নারকেল তেল অব্যর্থ। ক্লিনজার-ফেসওয়াস এসবের বদলে পুরু করে নারকেল তেল লাগিয়ে নিন। মিনিট ১০ রেখে পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিন। খুব চিটচিটে ভাব লাগবে সামান্য ক্লেনজার দিয়ে আর একবার মুখ ধুয়ে নিন। এর ফলে মেকআপ উঠে গেলেও মুখের ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হবে না।২. পা ফাটার সমস্যা দূর করতেও কাজে লাগে নারকেল তেল। পায়ের ফাটা জায়গা, বিশেষ করে গোড়ালির অংশে সামান্য নুন আর নারকেল তেল মিশিয়ে পা ঘষার ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ঘষতে হবে। এর ফলে চামড়া নরম হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ফাটা অংশে বসে যাওয়া ময়লাও দূর হবে। এবার সামান্য গরম জলে খানিকক্ষণ পা ডুবিয়ে রাখুন। তারপর ভাল করে পা মুছে নিয়ে ফুটক্রিম লাগিয়ে নিন। সাতদিন এই পদ্ধতিতে পায়ের যত্ন করলে ফল পাবেন হাতেনাতে।৩. অনেকে আবার শরীরের রুক্ষভাব দূর করতেও নারকেল তেল মালিশ করে থাকেন। এর উপকারও আছে অনেক।

মার্চ ২২, ২০২১
স্বাস্থ্য

ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় কী কী খাবেন না, দেখুন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সকালে উঠে মাটিতে পা ফেলতেই ব্যথা শুরু। দু-একদিন পর হাত-পায়ের জয়েন্টেও একই অবস্থা। কিছুক্ষণ হাঁটাচলার পর ব্যথা কমছে ঠিকই, কিন্তু পুরোপুরি সারছে না। জয়েন্ট ফুললে সমস্যা আরও বাড়ছে। মাটিতে পা ফেলাটাই তখন বিভীষিকা। একজন সুস্থ, সবল মানুষ রাতারাতি শয্যাশায়ী। এতটাই মারাত্মক হতে পারে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা। কেন হয়-৪০ বছরের পর এমন সমস্যা হয়। তবে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, প্রোটিনের আধিক্য, মদ্যপানের জন্য এখন অল্পবয়সিদের মধ্যেও এর প্রবণতা বাড়ছে। অনেকেই তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। সেখান থেকেই সমস্যা সূত্রপাত।মেটাবলিক ডিসঅর্ডারের জন্য শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ইউরিক অ্যাসিডের ক্যালসিফিকেশনহয়, ফলে ইনফ্লেমেশন হয়ে ফুলে যায়। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা বেশি। মহিলাদের শরীরের ইস্ট্রোজেন হরমোন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।কী খাবেন আর কী খাবেন না? ইউরিক অ্যাসিডের ডায়েট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই টমেটো খাওয়া ছেড়ে দেন। রান্নায় টমেটো, পিঁয়াজ খেতে পারেন তবে কাঁচা পিঁয়াজ বা টমেটো খাবেন না। ভাত, রুটি, চিঁড়ে, মুড়ি, ভুট্টা খেতে পারেন। পালং, ফুলকপি, বাঁধাকপি অল্প খাবেন। বীজ আছে এরকম সবজিও খেতে পারেন, পরিমাণ কম। তৈলাক্ত নয় এমন মাছ খান। ইলিশে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। বর্ষাকালে এক-দুদিন ইলিশ খেলে সমস্যা নেই। সব ফল খেতে পারেন। তবে মিক্সড ফ্রুটের বদলে সারাদিনে যে কোনও একটা ফল খান। ড্রাই ফ্রুটস চলবে। ২০০-২৫০ এম.এল.-এর বেশি দুধ খাবেন না। দই, ছানা খেতে পারেন। খাবারের তালিকা থেকে প্রোটিনের পরিমাণ কমান। ৬০ কেজি ওজনের কেউ সারাদিনে ৬০ গ্রামের বেশি প্রোটিন খাবেন না। ডাল বা ডাল থেকে তৈরি জিনিস, রাজমা, সয়াবীন খাদ্যতালিকা থেকে সরিয়ে রাখুন।ডিমের সাদা অংশই খেতে পারেন। চিকেন চলবে। মাটন, মাটনের মেটে, চিংড়ি খাবেন না। অক্সালেট জাতীয় স্টোনের সমস্যা থাকলে দুধ বা দুগ্ধজাতীয় কিছু খাবেন না। ফলের রস খাবেন না। কারণ ফ্রুকটোজ ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

ভ্যাকসিন নেওয়ার পরই রাজ্যে দু’জনের মৃত্যু!

করোনার টিকা নেওয়ার পর রাজ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। মৃত দুজনেরই ময়নাতদন্ত হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাথমিক ধারণা, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, অন্য কোনও সমস্যা ছিল দুজনেরই। তাতেই মৃত্যু হয়েছে।রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, মৃত দু জনের নাম পারুল দত্ত (৭৫) এবং কৃষ্ণ দত্ত (৬০)। দুজনেরই বাড়ি উত্তরবঙ্গে। পারুল দত্ত ও কৃষ্ণ দত্ত কোভিশিল্ডের টিকা নেন। গত ৮ মার্চ টিকা নিয়েছিলেন পারুল দত্ত। তিনি দার্জিলিং জেলার বাসিন্দা। ঠিক পরদিনই টিকা নেন কৃষ্ণ দত্ত। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কৃষ্ণ বাড়ি চলে যান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সন্ধ্যা নাগাদ ডায়রিয়া ও অন্যান্য সমস্যা নিয়ে তাঁকে খরিবাড়ি ব্লকের বাতাসি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত সাড়ে নটা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।এদিকে আবার ধুপগুড়ির হসপিটাল রোডের বাসিন্দা বৃদ্ধ কৃষ্ণবাবু টিকা নেওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন। তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ওইদিন রাতেই তাঁর বমি হয়। পরদিন শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয়। কোনওরকম চিকিৎসা শুরুর আগেই ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। জেলা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তা্ঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২১
স্বাস্থ্য

এক টমেটোর হাজারো গুণ, শুনলে আপনিও চমকে যাবেন

লাল টুকটুকে রূপের বাহার দেখে মন তো ভুলবেই। সুস্বাস্থ্যও বজায় থাকবে।এমন কোনও খাবার পেলে সকলেই চোখ ভরে দেখবেন ও মন ভরে খাবেন। টমেটো হচ্ছে তেমনই একটি সবজি, যা স্বাদে ও স্বাস্থ্যে একেবারে একে অপরকে টেক্কা দেয় বললেই চলে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টমেটোতে এমন গুণ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে মানুষের হার্ট সতেজ ও চাঙ্গা থাকে। মারণ রোগ ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করতে পারে টমেটো।টমেটোর মধ্যে কোনওরকম চর্বি জাতীয় উপাদান নেই। তাই এটি খেলে ওজন বাড়ারও সম্ভাবনা নেই। উলটে শরীরে ভিটামিন সির জোগান বাড়বে। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর করোনার এই সময় তা কতটা জরুরি, সেকথা তো সবারই জানা। হাড়ের জোর বাড়ানোর ক্ষমতাও রয়েছে টমেটোতে। এতে থাকা লাইকোপিনের উপস্থিতিতে আবার ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।কাঁচা খান বা পাঁকা, স্যুপ খান বা চাটনি বা সস, যেভাবে ইচ্ছা টমেটো খেতেই পারেন। কিন্তু এত গুণের পরিমাণ জেনে আবার যথেচ্ছ পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। পেটের সহ্য করার ক্ষমতা বুঝে তবেই স্বাদের কথা ভাববেন।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজ্য

আতঙ্ক বিদেশে, করোনায় সুস্থতার হার বেড়েছে বাংলায়

ব্রিটেনে নতুন করে করোনা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও ভারতে সেই আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এদিকে বাংলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৩ জন। একই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক সুস্থতার হার। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী বাংলায় করোনা অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কমেছে ৬৫৫। সরকারি রিপোর্ট দেখা যাচ্ছে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই রাজ্যে বাড়ছে সুস্থতার হার। এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৯৬। অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৮। দৈনিক অ্যাক্টিভ কেস কমল ৬৫৫। একই সঙ্গে সুস্থতার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২,২৭০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১৪ হাজার ৩০৯ জন। সুস্থতার হার এখন ৯৫.২৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দৈনিক মৃত্যুহারের সংখ্যাও কমেছে রাজ্যে। কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও অ্যাক্টিভ কেসের নিরিখে এখনও শীর্ষে কলকাতা। কলকাতায় মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৮৬০। এরপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (২৯৭৪), হুগলি (৮১১), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৯৩৩), হাওড়া (৭৯৮)।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
টুকিটাকি

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন চাই এক কোয়া রসুন

সুস্থ থাকতে রোজ খেতে হবে এক কোয়া কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনেই উপকার৷ তবে হাই প্রেশার বা কোলেস্টেরল থাকলে খাওয়া দরকার ৩৪টি করে৷ এক্ষেত্রে প্রেশার বা কোলেস্টেরলের ওষুধ বন্ধ করবেন না৷ প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নিতে হবে। সঠিক খাবার, ব্যায়াম ও চেকআপ চালিয়ে যাবেন৷ রক্তচাপ কমায়৷ চার কোয়া করে খেলে সে রক্তচাপ কমানোর ওষুধের সঙ্গেও পাল্লা দিতে পারে কিছু ক্ষেত্রে৷ টোটাল এবং এলডিএল কোলেস্টেরল প্রায় ১০১৫ শতাংশ কমে যায়৷আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷ লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷ সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গেছে৷ আর আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা৷ ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিনএর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷ আরও পড়ুন ঃ ওষুধ ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যাবে সর্দি-কাশি থেকে , জেনে নিন কীভাবে!তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই৷ যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তারা অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকেন৷ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দৌলতে কমে অ্যালঝাইমার ও ডিমেনসিয়ার প্রকোপ৷ সংক্রমণজনিত অসুখবিসুখ কম হয়, বাড়ে আয়ু৷ ইস্ট্রোজেন লেভেল বেড়ে হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল হয় মেয়েদের৷ তবে এ নিয়ে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি৷লেড টক্সিসিটি কমাতে কাজে লাগে৷

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

শীতে বাংলায় কমছে করোনার দাপট, স্বস্তি

কনকনে ঠান্ডায় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে করোনার ভয়াবহ দাপট। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিনে দেখা যাচ্ছে দৈনিক করোনা সংক্রমণের বেশ খানিকটা হ্রাস পেয়েছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় কোভিড ১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫১৫ জন। গতকাল এই সংখ্যা ছিল ১,৯৭৮। এক ধাক্কায় কমেছে প্রায় পাঁচশো।সোমবার পর্যন্ত এরাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৩৮ হাজার ৩৪৩। দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় এরাজ্যে করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৪২ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৩৯ জন। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৫.১১ । আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সেই হারে মৃত্যুহার কমেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রাজ্যে আরও ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তুলনামূলকভাবে আক্রান্তের হারের তুলনায় করোনা আক্রান্ত হয়ে বাংলায় মৃতের সংখ্যা বেশি। অ্যাক্টিভ কেসে অন্য জেলাগুলিকে পিছনে ফেলে শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। মহানগরে মোট কোভিড ১৯ অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪০০৯। যথারীতি কলকাতার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩১৩৩)। এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১০০৭), হুগলি (৮৭৪), হাওড়া (৮৬২), পূর্ব মেদিনীপুর (৭৪৪),পশ্চিম মেদিনীপুর (৬৫১),নদিয়া (৭৩৬)।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পান করুন আমলকী চা, জেনে নিন উপকারিতাগুলি

আমলকীর নানা গুনের কথা আমরা জানি। আমলকী চুল থেকে শুরু করে ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে। তবে এসবের সাথে সাথে আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতেও আমলকী খুবই উপকারী। আর তাই নিয়মিত আমলকীর চা খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। এতে আপনি নানা ভাবে উপকৃত হবেন। চলুন তবে জেনে নিই আমলকী চা এর নানা গুনাগুন সম্পর্কে। আরও পড়ুন ঃ রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন ! উচ্চ রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার এর সমস্যা যাদের রয়েছে তারা নিয়মিত আমলকী চা খতে পারেন। কারণ আমলকী রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে তার জেরে শরীরে সুগার নিয়ন্ত্রিত হয়। তাই নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন। উপকৃত হবে। এছাড়া আমলকী রক্ত জমাট বাঁধতে বাঁধা দেয় তারসাথে কোলেস্টেরলের লেভেল নিয়ন্ত্রন করে। তারফলে হার্টের যেকোনো সমস্যা দূর হয়। অন্যদিকে গলা ব্যথা থেকে শুরু করে সর্দি-কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই দেয় আমলকী। তাই নিয়মিত আমলকী চা কিংবা আমলকী খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
টুকিটাকি

বাদাম খেলে আমাদের শরীরে কি হয় জানেন, জানলে চমকে যাবেন !

বাদাম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য বাদাম একটি স্বাস্থ্য সম্মত খাবার।বাদামে প্রচুর খাদ্য আঁশ, উপকারি তেল, শর্করা, আমিষ, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। বাদামের প্রোটিন দেহ গঠনে ও মাংসপেশি তৈরিতে সাহায্য করে। বাদাম স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। কারন এতে রয়েছে ভিটামিন বি৩ এবং রেসভেরাট্রল। এই দুটি উপাদান মস্তিষ্কে রক্ত চলাচাল বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্মৃতিশক্তিরও উন্নতি ঘটে পাশাপাশি ব্রেন এর পাওয়ার বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া এতে উপস্থিত নিয়াসিন উপাদান আলঝেইমার রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। আরও পড়ুন ঃ চোখের যত্নে দরকারি পাঁচ খাবার হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে উপস্থিত উপকারী তেল শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। ফলে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। বাদামে উপস্থিত পলিফেনোলিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একাধিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে। বিশেষ করে কোলোন ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে বাদাম বেশ কার্যকরী। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে বাদাম। রাতে ১০-১৫ টি কাঁচা বাদাম জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাদাম ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এক মুঠো বাদাম যুক্ত করে আপনি অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। বাদামে টাইটোফন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে যা শরীরে নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণকে নিয়ন্ত্রণে রেখে ডিপ্রেশন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই মানসিক অবসাদ এবং স্ট্রেস কমাতে বাদামের কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে। বাদামে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে সচল ও কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। তাই শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন বাদাম খাবেন।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
টুকিটাকি

ডিম খেয়ে কমতে পারে ওজন , কীভাবে জেনে নিন !

ওজন কমানোর জন্য অনেক কিছুই করে থাকেন আপনি। খাওয়ার রুটিন থেকে শুরু করে হাঁটাচলা সবই হয়তো করছেন। তবে আপনি জানেন কি তিন উপায়ে ডিম খেয়ে ওজন কমাতে পারেন। ডিম হচ্ছে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। ডিম খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে, তাই খিদে কম লাগে। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার চাহিদা কমে, তাই ওজনও কমে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ডিম রাখতে পারেন। আসুন জেনে নিই অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাইলে কীভাবে ডিম খাবেন? আরও পড়ুন ঃ অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাচ্ছেন না তো, জেনে নিন কি কি সমস্যা হতে পারে ! হাঁড়িতে জল নিয়ে তাতে অল্প ভিনিগার মিশিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে তাতে ডিম ভেঙে ছেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পরই পোচটিকে আলতো করে তুলে নিন জল থেকে। ডিমের সবটুকু পুষ্টিগুণ মেলে এই পোচ থেকে। আর পেটের অতিরিক্ত চর্বি কমে। আপনার প্রতি দিনের খাবার তালিকায় স্যালাড থাকে, এতে নতুনত্ব আনতে যোগ করুন সিদ্ধ ডিমের কুঁচানো অংশ। এর সঙ্গে মেশান গোলমরিচ ও লেবুর রস। এতে পুরো ডিমের পুষ্টিগুণ তো মিলবে। আর মেদও ঝরবে দ্রুত। ডিমের সঙ্গে ওটমিল মিশিয়ে খেতে পারেন। ওটমিল শরীরে বাড়তি কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমার পথে বাধা দেয়। আর ডিম জোগায় প্রোটিন। ওটমিল ও ডিম একসঙ্গে খেলে মেদ বাড়বে না।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর সুস্থ রাখতে শীতের মরশুমে নিয়মিত খান কমলালেবু

শীতের মরশুমে ফলের মধ্যে অন্যতম হল কমলালেবু। আর এই ফলের উপকারিতাও রয়েছে অনেক। অন্যদিকে কমলালেবু আমাদের বহু রোগ নিরাময়েও সাহায্য করে থাকে। চলুন জেনে নিন কমলালেবুর নানা উপকারিতা সম্পর্কে.. ঠাণ্ডা লাগা, কানের সমস্যা দূর করতে ভীষণ উপকারী কমলা। কমলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন; যা শরীরের কোষের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। লিমোনয়েড নামে এক ধরনের পদার্থ রয়েছে কমলালেবুতে যা মুখ, ত্বক, ফুসফুস, স্তন, পাকস্থলীতে ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ সহায়ক। মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য জরুরি উপাদন ফলিক অ্যাসিডও যথেষ্ট পরিমাণে থাকে কমলায়। আরও পড়ুন ঃ সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান এক কোয়া রসুন বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলায় থাকে ভিটামিন বি৬; যা মানবদেহে প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। কমলালেবু জাতীয় ফল আমাদের স্ট্রোক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই নিয়মিত কমলালেবু খেলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই দূর হবে। কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমে ভারসাম্য বজায় রাখতে ভীষণ সহায়ক কমলালেবু। কমলা খেলে খিদে বাড়ে, খাওয়ার রুচি তৈরি হয়। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও কমলার জুড়ি মেলা ভার। লিভার কিংবা হার্টের বিভিন্ন রোগে কমলা খুবই উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীদের ক্ষেত্রেও কমলা খেলে উপকার মেলে।তবে শুধু কমলার কোয়াতেই নয়; এর খোসাতেও রয়েছে অনেক গুণ।যেমন, কমলার খোসা রূপচর্চায় অত্যন্ত উপকারী। স্কিনে ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সহায়ক পাঁকা কমলার খোসা। তাছাড়া কমলার খোসা একেবারে প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের হলদে ভাব দূর করে। তাই কমলার তাজা খোসা বেঁটে টুথপেস্টের মতো ব্যবহার করা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
দেশ

শারীরিক অবস্থার অবনতি, ভেন্টিলেশনে তরুণ গগৈ

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের। জানা গিয়েছে, একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে তিনি আপাতত গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্বাসকষ্টের প্রবল সমস্যা রয়েছে। তরুণ গগৈর স্বাস্থ্য সম্পর্কে খবর নিশ্চিত করেছেন অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গত আগস্টে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা থাকায় হাসপাতালে ভরতি হতে হয়। প্রায় দুমাস সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন অসমের তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা জয়ের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন অক্টোবরের শেষদিকে। কিন্তু নভেম্বরের শুরুতেই করোনা পরবর্তী একাধিক উপসর্গ নিয়ে তাঁকে ভরতি করাতে হয় গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মোদি সরকার গরিবদের জন্য কোনও কাজ করেনিঃ রাহুল তবে শনিবার বিকেল থেকে দ্রুত তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিওরের পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়ে। ধীরে ধীরে অচৈতন্য হয়ে পড়েন। তাঁকে দিতে হয় ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে। খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান তাঁর সাংসদ পুত্র গৌরব গগৈ। তাঁর পাশে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব জিষ্ণু বড়ুয়া। এদিকে, অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে নিয়মিত হাসপাতালে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর খোঁজ নিচ্ছেন।

নভেম্বর ২২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal